Tag: Prayagraj

Prayagraj

  • Mahakumbh Mela 2025: মহাকুম্ভে ব্যবসা হবে ২ লাখ কোটি টাকার, বিরোধীদের জবাব যোগীর

    Mahakumbh Mela 2025: মহাকুম্ভে ব্যবসা হবে ২ লাখ কোটি টাকার, বিরোধীদের জবাব যোগীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ১৩ জানুয়ারি উত্তরপ্রদেশের প্রয়াগরাজে শুরু হয়েছে মহাকুম্ভ মেলা (Mahakumbh Mela 2025)। এজন্য উত্তরপ্রদেশ সরকার ব্যয় করছে ৫ হাজার কোটি টাকা। তা নিয়ে সমালোচনা করেছেন বিরোধীরা। সুযোগ পেয়ে তার জবাব দিলেন সে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী বিজেপির যোগী আদিত্যনাথ (Yogi Adityanath)। তিনি বলেন, “মহাকুম্ভ মেলা (Mahakumbh Mela 2025) উপলক্ষে ৪০ কোটিরও বেশি দর্শনার্থী আসবেন বলে আশা করা হচ্ছে। এতে প্রায় ২ লাখ কোটি টাকা রাজস্ব আয় হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।”  

    কী বললেন মুখ্যমন্ত্রী?

    ‘ডিভাইন উত্তরপ্রদেশ – দ্য মাস্ট ভিজিট সেক্রেড জার্নি’ শীর্ষক এক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখছিলেন যোগী। লখনউয়ের এই অনুষ্ঠানে তিনি বলেন, “মহাকুম্ভের (Mahakumbh Mela 2025) মাধ্যমে রাজ্যের প্রবৃদ্ধি, পর্যটন এবং উন্নয়নের বিপুল সম্ভাবনা উদযাপন করা হবে।” রামলালার প্রতিষ্ঠার প্রথম বার্ষিকী স্মরণ করার জন্য আয়োজনও করা হয়েছিল বলেও জানান তিনি। সরকারের ৫ হাজার কোটি টাকার বিনিয়োগকে সমর্থন জানিয়ে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “এই অনুষ্ঠানে লক্ষ লক্ষ ভক্তের আগমনের ফলে সরকার অনেক বেশি রাজস্ব ফিরে পাবে।”

    পর্যটন থেকে রোজগার সরকারের

    তিনি বলেন, “২০১৭ সালের আগে বারাণসীতে বছরে মাত্র ৫০ লক্ষ ভক্ত আসতেন। কিন্তু ২০২৪ সালে এই শহরে ১৬ কোটি ভক্ত এসেছেন। ২০১৬ সালে অযোধ্যায় মোট ২.৮৩ লক্ষ দেশীয় ভক্ত এবং ১,২০০ বিদেশি পর্যটক এসেছিলেন। আর ২০২৪ সালের জানুয়ারি থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত, মোট ১৩.৫৫ কোটি ভক্ত অযোধ্যায় এসেছেন। যখন একজন ভক্ত (Mahakumbh Mela 2025) উত্তরপ্রদেশে আসেন, তিনি পরিবহণ ব্যবহার করেন, রেস্টুরেন্টে খাবার খান, হোটেলে থাকেন, কেনাকাটা করেন এবং প্রতিটি সফরে গড়ে ৫,০০০ টাকা ব্যয় করেন। এই হিসাব অনুযায়ী, শুধুমাত্র বারাণসী থেকেই ৮০,০০০ কোটি টাকা আয় হয়।”

    আরও পড়ুন: ২৫ হাজার বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারীকে বের করে দিতে পারে অসম, রায় গুয়াহাটি হাইকোর্টের

    বিরোধীদের সমালোচনা করে মুখ্যমন্ত্রী (Yogi Adityanath) বলেন, “যাঁরা উত্তরপ্রদেশ সরকারকে নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন, তাঁরা তাঁদের বিদেশি আক্রমণকারীদের সঙ্গে সংযোগ নিয়ে গর্ব বোধ করেন, ভারতের সঙ্গে নয়।” তাঁর মতে, তাঁরা অযোধ্যা, প্রয়াগরাজ, মথুরা-বৃন্দাবন বা বারাণসীর উন্নয়ন পছন্দ করেন না, কারণ তাঁরা জাতি, ধর্ম এবং আঞ্চলিক ভেদাভেদ সৃষ্টি করার জন্য কাজ করেন (Mahakumbh Mela 2025)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Maha Kumbh 2025: ১৪৪ বছর পরে প্রয়াগরাজে পূর্ণ মহাকুম্ভ, পুণ্যার্থীদের জন্য ঢালাও ব্যবস্থা যোগী সরকারের

    Maha Kumbh 2025: ১৪৪ বছর পরে প্রয়াগরাজে পূর্ণ মহাকুম্ভ, পুণ্যার্থীদের জন্য ঢালাও ব্যবস্থা যোগী সরকারের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সোমবার শুরু হয়েছে মহাকুম্ভ মেলা (Maha Kumbh 2025)। চলবে দেড় মাস (১৩ জানুয়ারি থেকে ২৬ ফেব্রুয়ারি)। প্রশাসনের অনুমান, ৪০ থেকে ৪৫ কোটি ভক্ত ভিড় করতে করতে পারেন মেলাকে কেন্দ্র করে। মহাকুম্ভকে সর্বাঙ্গসুন্দর করতে তাঁবু থেকে অস্থায়ী শৌচালয় এমনকী, মহিলাকে পোশাক পরিবর্তনের জন্য চেঞ্জিং রুমও তৈরি করা হয়েছে।

    দেড় লক্ষ তাঁবুর ব্যবস্থা (Maha Kumbh 2025) 

    জানা গিয়েছে, মহাকুম্ভে (Maha Kumbh 2025) ইতিমধ্যে দেড় লক্ষ তাঁবুর ব্যবস্থা করা হয়েছে। তৈরি করা হয়েছে ১২ কিলোমিটার অস্থায়ী ঘাট। সেখানেই পবিত্র ডুব দেবেন ভক্তরা। ৪০০ কিলোমিটার অস্থায়ী পায়ে চলার রাস্তাও নির্মাণ করেছে যোগী আদিত্যনাথ সরকার। মহাকুম্ভের ২ লাখ ৬৯ হাজার বর্গমিটার এলাকা এমনভাবে নির্মাণ করা হয়েছে, যাতে মানুষের চলার ক্ষেত্রে (Prayagraj) কোনওরকম সমস্যা না হয়।

    ৩০টি অস্থায়ী সেতু তৈরি (Maha Kumbh 2025)

    জানা গিয়েছে, মহাকুম্ভকে (Maha Kumbh 2025) সর্বাঙ্গসুন্দর করতে থাকছে আরও ব্যবস্থাপনা। ইতিমধ্যে ৩০টি অস্থায়ী সেতু তৈরি করা হয়েছে। ২০১টি রাস্তা, অলি-গলিগুলিকেও সংস্কার করা হয়েছে। ১৮০০ হেক্টর জমির ওপর পার্কিং তৈরি করা হয়েছে।

    দেড় লক্ষ অস্থায়ী শৌচালয়

    মহাকুম্ভে (Maha Kumbh 2025) আসা ভক্তদের জন্য ইতিমধ্যে দেড় লক্ষ অস্থায়ী শৌচালয় তৈরি করা হয়েছে। মহিলাদের জন্য তৈরি করা হয়েছে ১৪৪টি চেঞ্জিং রুম। এরসঙ্গে থাকছে ২৫ হাজার ডাস্টবিনের ব্যবস্থা। জানা গিয়েছে, ১৫ হাজার সাফাই কর্মী টানা ৪৫ দিন ধরেই কাজ করবেন। মেলা প্রাঙ্গণকে আলোকিত করতে ৬৯ হাজার এলইডি সোলার লাইট লাগানো হয়েছে। জানা গিয়েছে, ভারতের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে পুণ্যার্থীদের প্রয়াগরাজে পৌঁছতে কোনও অসুবিধা যাতে না হয়, সেজন্য ৩ হাজার স্পেশাল ট্রেন চালাচ্ছে রেল।

    ঢেলে সাজানো হয়েছে মহাকুম্ভের (Maha Kumbh 2025)  নিরাপত্তা ব্যবস্থাকেও

    অন্যদিকে, ঢেলে সাজানো হয়েছে মহাকুম্ভের (Maha Kumbh 2025) নিরাপত্তা ব্যবস্থাকেও। মেলা এলাকায় ২,৭৫১টি সিসি ক্যামেরায় নজরদারি চলছে সর্বক্ষণ। প্রতিটি জায়গাতেই নিরাপত্তা আধিকারিকরা নজর রাখছেন। এরমধ্যে ৩২৮টি ক্যামেরা এআই বৈশিষ্ট্যযুক্ত। প্রয়াগরাজ জোনের অতিরিক্ত মহানির্দেশক ভানু ভাস্কর সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছেন, কুম্ভ মেলা এলাকায় শক্তিশালী সাত স্তরের নিরাপত্তা বেষ্টনী তৈরি করা হয়েছে। সন্দেহজনক কার্যকলাপের ওপর নজর রাখতে সদা তৎপর গোয়েন্দা বাহিনী। নজরদারি জোরদার করার জন্য অ্যান্টি-ড্রোন সিস্টেম এবং টেথার্ড ড্রোন মোতায়েন করা হয়েছে। মেলা এলাকা এবং তার আশেপাশে প্রায় ৪০,০০০ পুলিশ সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে।

     

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Maha Kumbh Mela 2025: আতঙ্কে পুণ্যার্থীরা! মহারাষ্ট্রে কুম্ভমেলামুখী ট্রেনে উড়ে এল পাথর, ভাঙল জানলার কাচ

    Maha Kumbh Mela 2025: আতঙ্কে পুণ্যার্থীরা! মহারাষ্ট্রে কুম্ভমেলামুখী ট্রেনে উড়ে এল পাথর, ভাঙল জানলার কাচ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কুম্ভ স্পেশাল ট্রেনে হামলা চালাল দুষ্কৃতীরা। ভাঙল এসি কামরার জানালার কাচ। সোমবার থেকে প্রয়াগরাজে শুরু হয়েছে মহাকুম্ভ মেলা। মহাকুম্ভ উপলক্ষে পুণ্যার্থীর ঢল নেমেছে উত্তরপ্রদেশের প্রয়াগরাজে। উত্তরপ্রদেশের সরকারের তরফে জানানো হয়েছে, এবার মেলায় যোগ দিতে পারেন প্রায় ৪৫ কোটি মানুষ। সেজন্য একাধিক ট্রেন, বাস-সহ অন্যান্য পরিবহণের ব্য়বস্থাও করা হয়েছে। মহারাষ্ট্রে সেরকমই এক ট্রেনে হামলার ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। বাড়ানো হয়েছে নিরাপত্তা।

    ভাঙল একাধিক জানলার কাচ

    কুম্ভস্নান করতে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে লক্ষ লক্ষ মানুষ ভিড় জমাচ্ছেন। পুণ্যার্থীদের কথা ভেবেই ভারতীয় রেলের তরফেও অতিরিক্ত ট্রেন চালানো হচ্ছে। প্রয়াগরাজগামী এমনই এক ট্রেন লক্ষ্য করে ছোড়া হল ইট-পাথর। একাধিক জানালার কাচ ভাঙতেই আতঙ্কিত হয়ে পড়েন যাত্রীরা। জানা গিয়েছে, গুজরাটের সুরাট থেকে উত্তরপ্রদেশের প্রয়াগরাজ যাচ্ছিল তাপ্তি গঙ্গা এক্সপ্রেস। মহারাষ্ট্রের জলগাঁও দিয়ে যাওয়ার সময়ই ট্রেনের উপরে হামলা হয়। লাগাতার ইট-পাথর ছোড়ে কিছু দুষ্কৃতীরা। ইটের আঘাতে ট্রেনের বি৬ কামরার জানালার কাচ ভেঙে যায়।

    ভাইরাল ভিডিও

    ইতিমধ্যে সোশ্যাল মাধ্যমে একটি ভিডিও ভাইরাল হয়েছে। তাতে দেখা যাচ্ছে, জানালার একটি কাচ ভাঙা। পাথরের আঘাতের চিহ্ন স্পষ্ট। ভিডিওয় এক যাত্রীকে আতঙ্কিত কণ্ঠে বলতে শোনা যাচ্ছে, জলগাঁওয়ের কাছে ট্রেন লক্ষ্য করে প্রচুর পাথর ছোড়া হয়েছে। ভিডিও বার্তায় রেলের কাছে সুরক্ষার আবেদনও জানিয়েছেন পুণ্য়ার্থীরা। রেলের তরফেও জানানো হয়েছে, ওই ট্রেনের প্রায় ৪৫ শতাংশ যাত্রীই মহাকুম্ভের জন্য প্রয়াগরাজ যাচ্ছিলেন। সেন্ট্রাল রেলওয়ে ও পুলিশের তরফে ইতিমধ্যেই ঘটনার তদন্ত শুরু করা হয়েছে। সিসিটিভি ফুটেজ চেক করা হচ্ছে ওইদিকের এলাকার। হামলার পরই ট্রেনে সঙ্গে সঙ্গে আরপিএফের চারটি টিম পাঠানো হয়।

    তদন্তে রেল পুলিশ

    এই ঘটনার তদন্তে নেমেছে মধ্যরেল। পাথর ছোড়ার ঘটনা প্রসঙ্গে মধ্যরেলের মুখ্য জনসংযোগ আধিকারিক স্বপ্নীল নীলা বলেন, ‘‘সুরাট উধনা থেকে আসা এই ট্রেনে একটি পাথর ছোড়া হয় জলগাঁওয়ের কাছে। এ ক্ষেত্রে রেলওয়ে প্রোটেকশন ফোর্স তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেয় এবং ট্রেনে আরপিএফের চারটি দল মোতায়েন করা হয়। এই ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে অভিযোগও দায়ের করা হয়েছে।’’ এই ঘটনায় দোষীদের চিহ্নিত করতে সিসিটিভি ফুটেজ খতিয়ে দেখছে রেল পুলিশ। কুম্ভমেলায় আতঙ্কের পরিবেশ তৈরির জন্যই এই হামলা নাকি এর থেকেও বড় কোনও ছক রয়েছে দুষ্কৃতীদের তা নিয়েই অনুসন্ধান চলছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Maha Kumbh 2025: প্রয়াগরাজে শুরু হল মহাকুম্ভ, পৌষ পূর্ণিমায় ত্রিবেণী সঙ্গমে পবিত্র ডুব ভক্তদের

    Maha Kumbh 2025: প্রয়াগরাজে শুরু হল মহাকুম্ভ, পৌষ পূর্ণিমায় ত্রিবেণী সঙ্গমে পবিত্র ডুব ভক্তদের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শুরু হল মহাকুম্ভ। প্রয়াগরাজে প্রথম শাহি স্নান (Shahi Snan) সম্পন্ন হল সোমবার। এদিন ব্রাহ্মমুহূর্তে ভোর ৩টে ২০ নাগাদ পুণ্যার্থীরা ডুব দেন ত্রিবেণী সঙ্গমে- গঙ্গা, যমুনা ও সরস্বতীর (পৌরাণিক) মিলনস্থলে। পবিত্র উৎসবে মেতে ওঠেন ভক্তরা। ২০২৫ সালের এই কুম্ভ মেলায় (Maha Kumbh 2025) ৪০ কোটি ভক্তের সমাবেশ হতে পারে বলে মনে করছে প্রশাসন। যার শুরুটা হল সোমবার থেকেই।

    চলবে ২৬ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত (Maha Kumbh 2025)

    প্রসঙ্গত, মহাকুম্ভ উৎসব (Maha Kumbh 2025) শুরু হল ১৩ জানুয়ারি থেকে, চলবে ২৬ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত। উল্লেখ্য, কুম্ভমেলা প্রতি ৪ বছর অন্তর হয়। প্রতি ৬ বছর অন্তর হয় অর্ধকুম্ভমেলা। প্রতি ১২ বছরে একবার হয় পূর্ণকুম্ভ মেলা। আর প্রতি ১২টি পূর্ণকুম্ভ অর্থাৎ ১৪৪ বছর পর আসে একটি মহাকুম্ভ মেলা। এবার পূর্ণ কুম্ভের সঙ্গে সঙ্গে রয়েছে মহাকুম্ভও। ভারতবর্ষের প্রাচীন সংস্কৃতি, ঐতিহ্য, কৃষ্টি, পরম্পরা, আধ্যাত্মিকতা প্রতিফলিত হয় এই মহাকুম্ভের সমাবেশে। মহাকুম্ভের যে ভিড়ের অনুমান প্রশাসনের তরফ থেকে করা হয়েছে, তাতে পরিষ্কার যে সারা পৃথিবীর সবচেয়ে বড় ইভেন্ট হতে চলেছে এটি।

    আঁটসাঁট নিরাপত্তা

    এই কুম্ভ মেলাকে (Maha Kumbh 2025) কেন্দ্র করে আঁটসাঁট নিরাপত্তা ব্যবস্থার আয়োজন করেছে উত্তরপ্রদেশের যোগী আদিত্যনাথ সরকার। যে কোনও রকমের অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে সর্বক্ষণের জন্য মোতায়ন রয়েছে নিরাপত্তা বাহিনী। নিরাপত্তা বাহিনী সর্বদা বোট নিয়েও টহল দিচ্ছে, যাতে শাহি স্নানে কোনও রকমের বিপত্তি না ঘটে। অন্যদিকে ট্রাফিক পুলিশও নিজেদের কাজ করছে, যাতে মহাকুম্ভে আসার পথে ভক্তদের কোনও অসুবিধা না হয়। মহাকুম্ভের যে জায়গাগুলিতে শাহি স্নান হবে সেখানে জলের ভিতরে চলতে পারে এমন ড্রোনের ব্যবস্থাও করা হয়েছে। এ কথা জানিয়েছে ভারতের সংস্কৃতি মন্ত্রক। অন্যদিকে, ১২০ মিটার ওপরে উড়তে পারে এমন ড্রোনও মহাকুম্ভ মেলাকে সর্বক্ষণ পাখির চোখে দেখছে। এর পাশাপাশি কোনও ভক্ত অসুস্থ হয়ে গেলে সেখানকার জন্য একাধিক স্বাস্থ্য শিবির গড়ে তোলা হয়েছে। ড্রোন ছাড়াও আড়াই হাজারের বেশি ক্যামেরা সর্বক্ষণ তদারকি করছে গোটা কুম্ভ মেলাকে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Maha Kumbha: নানা অছিলায় কুম্ভমেলায় নিষেধাজ্ঞা জারি করেছিল ব্রিটিশরা, জানুন অজানা কাহিনি

    Maha Kumbha: নানা অছিলায় কুম্ভমেলায় নিষেধাজ্ঞা জারি করেছিল ব্রিটিশরা, জানুন অজানা কাহিনি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ১৩ জানুয়ারি উত্তরপ্রদেশের প্রয়াগরাজে শুরু হচ্ছে মহাকুম্ভ (Maha Kumbha)। ১৪৪ বছর পরে এবার হচ্ছে মহাকুম্ভ। প্রতি ১২ বছর অন্তর এখানে হয় কুম্ভমেলা। আর ১২টি কুম্ভ শেষে হয় মহাকুম্ভ। এবার সেই যোগ। সনাতনীদের এই অনুষ্ঠানের ওপর দিয়ে একাধিকবার বয়ে গিয়েছে ঝড় (British Suppression)। তা সত্ত্বেও কুম্ভের আকর্ষণ কমেনি একটুও। এখনও অমৃত কুম্ভের সন্ধানে এক যুগ অন্তর এখানে ভিড় করেন পুণ্যার্থীরা। গঙ্গা-যমুনা-সরস্বতীর সঙ্গমস্থলে স্নান করে আত্মশুদ্ধি করেন তাঁরা।

    কুম্ভ বন্ধের চেষ্টা! (Maha Kumbha) 

    এহেন কুম্ভই বন্ধ করতে চেষ্টার কসুর করেনি ব্রিটিশরা। কুম্ভমেলার ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করেছিল তারা। ১৯৪২ সালে ব্রিটিশরা কুম্ভমেলায় অংশগ্রহণকারী ভক্তদের ওপর জারি করেছিল নিষেধাজ্ঞা। ঔপনিবেশিক এই শক্তি ১৯ শতকেও কুম্ভমেলার ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছিল। সেটা হয়েছিল ৮৫ বছর আগে। তবে এই দুবার নিষেধাজ্ঞা আরোপের কারণ ছিল ভিন্ন। ১৯৪২ সালে ধর্মীয় সমাবেশে ভিড় প্রতিরোধের জন্য একটি যুক্তি দিয়েছিল ব্রিটিশরা। তখন দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ চলছিল। গুজব রটেছিল যে জাপান হয়তো এই পবিত্র সমাবেশে বোমা ফেলতে পারে। এই সম্ভাবনার কথা মাথায় রেখে ব্রিটিশ সরকার নিরাপত্তা ব্যবস্থা আঁটসাঁট করেছিল। এলাহাবাদ (বর্তমান প্রয়াগরাজ) যাওয়ার ট্রেন এবং অন্যান্য পরিবহণ মাধ্যম ভালোভাবে তল্লাশি করা হত। সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসেবে যাত্রী ও যানবাহন ফেরতও পাঠানো হত।

    কুম্ভমেলা নিষিদ্ধ করেছিল ব্রিটিশ সরকার!

    প্রয়াগরাজের (Maha Kumbha) ধর্মীয় মেলা যে এলাকায় হয়, সেই যমুনা নদীর তীরে ছিল আকবরের দুর্গ। এটি ছিল একটি সামরিক ঘাঁটি। জাপানের সম্ভাব্য বিমান হামলার আশঙ্কায় সেবার কুম্ভমেলা নিষিদ্ধ করেছিল ব্রিটিশ সরকার। ব্যাপক প্রাণহানির ঝুঁকি কমাতেই এই পদক্ষেপ করা হয়েছিল। এলাহাবাদগামী ট্রেনের টিকিট বিক্রিও সীমিত করা হয়েছিল। ভক্তদের বৃহৎ সংখ্যায় সমবেত না হওয়ার পরামর্শও দিয়েছিল ব্রিটিশ সরকার। বোমা হামলা হলেও যাতে প্রাণহানি এড়ানো যায়, তাই এই ব্যবস্থা। যদিও জাপানের পক্ষ থেকে কোনও পদক্ষেপ নেওয়ার গুজব মিথ্যা প্রমাণিত হলেও, ব্রিটিশ সরকার সেই নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করেনি। এই সিদ্ধান্তের কারণে হাজার হাজার ভক্ত সেবার কুম্ভমেলার সময় প্রয়াগের সঙ্গমে পবিত্র স্নান করার সুযোগ থেকে বঞ্চিত হয়েছিলেন (British Suppression)।

    ব্রিটিশদের অজুহাত

    কুম্ভমেলা উপলক্ষে হিন্দুদের জন্য ব্রিটিশরা কোনও বিশেষ ব্যবস্থা করত না। বরং বিভিন্ন পদ্ধতি অবলম্বন করে আখড়া এবং তীর্থযাত্রীদের কুম্ভস্নানে আসতে নিরুৎসাহিত করার চেষ্টা করেছিল। তাদের অজুহাত ছিল, যে কোনও দিন জাপান পূর্ব সীমান্ত দিয়ে আক্রমণ করতে পারে। এই আক্রমণ প্রতিহত করতে ব্রিটিশরা কোনও ব্যবস্থাও নেয়নি। কুম্ভ সম্পর্কিত কোনও নথির অনুপস্থিতি এই তত্ত্বকে সমর্থন করে বলে জানান আঞ্চলিক আর্কাইভ অফিসার (RAO) অমিত অগ্নিহোত্রি। জাপানি বোমার সেই ভয় উপেক্ষা করেও, বেশ কয়েকটি সম্প্রদায় পবিত্র এই উৎসবে অংশ নিয়েছিল সেবার।

    আরও পড়ুন: ১৬ পরমাণু বিজ্ঞানী অপহরণে মুখ পুড়েছে পাকিস্তানের, আদৌ ছাড়া পাবেন তাঁরা?

    ইতিহাসবিদদের বক্তব্য

    ইতিহাসবিদদের একাংশের মতে, এই সিদ্ধান্তের পেছনে আর একটি কারণ ছিল। ব্রিটিশরা আশঙ্কা করেছিল যে মেলায় বিপুল সংখ্যক জনসমাগম স্বাধীনতা আন্দোলনকে উজ্জীবিত করতে পারে। তাদের মতে, কুম্ভমেলার সময় স্বাধীনতা সংগ্রামীরা একত্রিত হতেন। ১৯৪২ সালে, ভারত ছাড়ো আন্দোলন যখন তুঙ্গে, তখন কুম্ভমেলার মতো একটি বড় জমায়েত ব্রিটিশ সরকারের বুকে ভয় ধরিয়ে দিয়েছিল। সাম্রাজ্যবাদী শক্তি ভয় পেয়েছিল যে, কুম্ভে উপস্থিত জনগণ স্বাধীনতা সংগ্রামে যোগ দিতে অনুপ্রাণিত হতে পারে। তাঁদের মতে, ব্রিটিশ সরকারের এই সিদ্ধান্তের পেছনে একটি শক্তিশালী রাজনৈতিক উদ্দেশ্য ছিল। এই উদ্বেগ সত্ত্বেও, ওই বছরের কুম্ভমেলা সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছিল। অবশ্য সীমিত সংখ্যক পুণ্যার্থীই এতে অংশ নিতে পেরেছিলেন।

    সিপাহি বিদ্রোহ

    ১৮৫৭ সালে সিপাহি বিদ্রোহ হয়েছিল। সেই সময় ব্রিটিশরা কেবল কুম্ভমেলার (Maha Kumbha) নির্ধারিত স্থানে গোলাবর্ষণ করেনি, সেই এলাকাটিকে একটি সেনাছাউনিতেও রূপান্তরিত করেছিল। স্বাধীনতা আন্দোলন দমন করা এবং পবিত্র সমাবেশ ঘটতে না দেওয়ার অজুহাত খাড়া করেছিল। ঔপনিবেশিক নথি অনুযায়ী, কুম্ভের সঙ্গে জড়িত প্রয়াগওয়াল সম্প্রদায় (যাত্রী পুরোহিতগণ) ব্রিটিশ শাসনের বিরুদ্ধে সোচ্চার হয়েছিলেন। তাঁরা ১৮৫৭ সালের বিদ্রোহকে সমর্থন ও সাহায্য করেছিলেন। ঔপনিবেশিক সরকারের বিরোধিতা করে সক্রিয় প্রচারও চালিয়েছিলেন তাঁরা। কারণ, ব্রিটিশ সরকার খ্রিস্টান মিশনারিদের সমর্থন করেছিল। এরা প্রয়াগওয়াল ও তীর্থযাত্রীদের “অজ্ঞ সহধর্মী” বলে গণ্য করত। হিন্দু তীর্থযাত্রীদের খ্রিস্টধর্মে ধর্মান্তরিত করার আগ্রাসী প্রচেষ্টাও চালিয়েছিল তারা (British Suppression)। ব্রিটিশ সরকার প্রয়াগওয়ালদের ওপর এলাহাবাদে অশান্তি সৃষ্টির অভিযোগ তোলে। ১৮৫৭ সালের বিদ্রোহ উসকে দেওয়ার জন্য আংশিকভাবে তাদের দায়ী করে। কর্নেল নীল কুম্ভ এলাকা লক্ষ্য করে নির্বিচারে গোলাবর্ষণ করে প্রয়াগওয়ালদের বসতি ধ্বংস করে দেন। প্রয়াগওয়ালরা পাল্টা প্রতিক্রিয়া হিসেবে এলাহাবাদে মিশনারি প্রেস এবং গির্জাগুলো ধ্বংস করে দিয়েছিলেন।

    প্রয়াগওয়ালদের তীব্র নির্যাতন

    ১৮৫৭ সালের জুন মাসে কুম্ভমেলার আগে আগে এলাহাবাদের মিশন কম্পাউন্ডে আগুন লাগানো হয়েছিল। আগুনে পুড়ে গিয়েছিল আমেরিকান প্রেসবাইটেরিয়ান চার্চ মিশনও। লেখক রেভারেন্ড এম.এ. শেরিংয়ের মতে, এই ঘটনাটি (Maha Kumbha) মিশনারি কার্যকলাপকে স্থগিত করে দিয়েছিল। ব্রিটিশরা নিয়ন্ত্রণ পুনরুদ্ধার করার পর, প্রয়াগওয়ালদের তীব্র নির্যাতনের শিকার হতে হয়েছিল। অনেককে ফাঁসিতে ঝোলানোও হয়েছ। গঙ্গা ও যমুনা নদীর সঙ্গমস্থলের আশেপাশের বেশিরভাগ জমি দখল করে তা সরকারি সেনাছাউনির অঙ্গীভূতও করা হয়েছিল।

    স্বাধীনতা আন্দোলনেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে প্রয়াগরাজের এই কুম্ভমেলা। ১৯৪৭ সাল পর্যন্ত এটি স্থানীয় মানুষ এবং রাজনীতিবিদদের বৃহৎ সংখ্যায় একত্রিত হওয়ার সুযোগ করে দিত। ১৯০৬ সালে প্রয়াগ কুম্ভমেলায় সনাতন ধর্ম সভা আয়োজন করে বৈঠকের। ভারতরত্ন প্রয়াত মদন মোহন মালব্যের নেতৃত্বে বেনারস হিন্দু বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় এই বৈঠকেই। কুম্ভমেলা হিন্দুত্ব আন্দোলন এবং এর রাজনীতির জন্যও একটি গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র হয়ে ওঠে। ১৯৬৪ সালে হরিদ্বার কুম্ভে বিশ্ব হিন্দু পরিষদ (ভিএইচপি) প্রতিষ্ঠিত হয়। এই ঐতিহাসিক ঘটনাগুলি দেখিয়ে দিয়েছে যে কুম্ভের (Maha Kumbha) মতো সাংস্কৃতিক ও ধর্মীয় উৎসবের শুধু আধ্যাত্মিক গুরুত্বই নয়, রাজনৈতিক (British Suppression) এবং সামাজিক গুরুত্বও রয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Mahakumbha 2025: কুম্ভমেলায় যাওয়ার পরিকল্পনা করেছেন, কত খরচ জেনে নিন

    Mahakumbha 2025: কুম্ভমেলায় যাওয়ার পরিকল্পনা করেছেন, কত খরচ জেনে নিন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অপেক্ষা আর মাত্র কয়েকদিনের। তার পরই প্রয়াগরাজে শুরু হচ্ছে মহাকুম্ভ। সারা দেশ থেকে সাধু সন্তদের আগমণ হচ্ছে পূণ্যতীর্থ প্রয়াগে। ভারতীয় রেলওয়ে মহাকুম্ভের (Mahakumbh 2025) সময় প্রায় ৩০০০ বিশেষ ট্রেন চালাবে। সঙ্গে ১ লক্ষেরও বেশি যাত্রীদের থাকার জন্য আশ্রয়ের ব্যবস্থা করছে। মহাকুম্ভ উপলক্ষে ভক্তদের জন্য রাজকীয় বন্দোবস্ত করল আইআরসিটিসি। পাশাপাশি সরকারি, বেসরকারি উদ্যোগে সেখানে থাকার ব্যবস্থা করা হয়েছে। ভারতীয় রেল এবং পর্যটন বিভাগ যৌথভাবে প্রয়াগরাজে ১৩ জানুয়ারি থেকে শুরু হওয়া মহাকুম্ভ মেলা উপলক্ষে বিশেষ ব্যবস্থা করেছে। এবার আইআরসিটিসি ত্রিবেণী সঙ্গমের কাছে আরাইল উপকূলে একটি বিলাসবহুল তাঁবুর শহর ‘মহাকুম্ভ গ্রাম’ তৈরি করেছে।

    মহাকুম্ভ গ্রামে কী রয়েছে? (Mahakumbh 2025)

    ত্রিবেণী সঙ্গম থেকে সাড়ে ৩ কিলোমিটার দূরে সেক্টর ২৫ এর আড়াইল রোডে তৈরি হয়েছে এই গ্রাম। এখান থেকে ঘাটে যাওয়ার সুবিধা রয়েছে। পর্যটকদের জন্য সবরকম সুবিধা রয়েছে এই গ্রামে। রয়েছে আধুনিক সব ব্যবস্থা। বিশেষত ত্রিবেণী ঘাট খুবই কাছে, ফলে পুন্যর্থীদের বিশেষ সুবিধা (Mahakumbh 2025) হবে। কুম্ভ গ্রাম হল একটি অত্যাধুনিক আবাসন। সেখানে পর্যটকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি এবং সমস্ত আধুনিক সুযোগ-সুবিধা দিয়ে সজ্জিত। ত্রিবেণী ঘাটের সঙ্গে তাঁবুর শহরের স্নান করতে ইচ্ছুক অতিথিদের জন্য একটি অতিরিক্ত সুবিধা থাকবে এখানে। সুপার ডিলাক্স তাঁবু ও ভিলা তাঁবু তৈরি করা হয়েছে। এগুলো আধুনিক সুযোগ- সুবিধা দিয়ে সজ্জিত। সহজেই এই তাঁবু বুকিং করা যাবে। এখানে সিসিটিভি নজরদারি থাকবে অতিথিদের নিরাপত্তা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য। মহাকুম্ভ গ্রামে প্রাথমিক চিকিৎসার সুবিধা এবং সর্বক্ষণ জরুরি সহায়তাও থাকবে। IRCTC -র তরফে মহাকুম্ভ গ্রামে পুন্যর্থীদের আহ্বান জানানোর জন্য সব প্রস্তুতি শেষ।

    আরও পড়ুন: দার্জিলিং থেকে পুরুলিয়ার ফারাক মাত্র দেড় ডিগ্রি! ১২ ডিগ্রিতে নামল কলকাতার তাপমাত্রা

    কীভাবে IRCTC মহাকুম্ভ গ্রামে তাঁবু বুকিং করবেন?

    ১। প্রথমে আপনাকে অফিসিয়াল ওয়েবসাইট www.irctctourism.com/mahakumbhgram এ যেতে হবে।

    ২। সেখানে আপনাকে লগ ইন করতে হবে।

    ৩। আপনার যদি ইতিমধ্যে একটি অ্যাকাউন্ট না থাকে, আপনি আপনার ইমেল ঠিকানা এবং ফোন নম্বর প্রদান করে “অতিথি ব্যবহারকারী” হিসাবে লগইন করতে পারেন।

    ৪। এরপর বুক নাও তে ক্লিক করুন। মহাকুম্ভ গ্রাম পৃষ্ঠার হোমপেজে, “এখনই বুক করুন” বোতামটি সন্ধান করুন এবং বুকিং ফর্মটি পূরণ করুন। আপনার যাবতীয় তথ্য দিন এবং লগ ইন (প্রবেশ) এবং লগ আউটের (প্রস্থান) দিনক্ষণ লিখুন।

    ৫। আপনার পছন্দ এবং বাজেটের উপর ভিত্তি করে তাঁবুর দুটি বিভাগ থেকে নির্বাচন করুন- সুপার ডিলাক্স তাঁবু এবং ভিলা তাঁবু। আপনার পুরো নাম, যোগাযোগের নম্বর, ইমেল ঠিকানা এবং আপনার যে কোনো বিশেষ প্রয়োজনীয়তা সহ প্রয়োজনীয় ব্যক্তিগত তথ্য লিখুন।

    ৬। ডেবিট/ক্রেডিট কার্ড, নেট ব্যাঙ্কিং, UPI, বা ডিজিটাল ওয়ালেটের মতো নিরাপদ বিকল্পগুলির থেকে বেছে নিয়ে অর্থ প্রদান করুন। এরপরই আপনার বুকিং নিশ্চিত হয়ে যাবে। মহাকুম্ভ গ্রাম সম্পর্কিত আরও তথ্যের জন্য www.irctctourism.com/mahakumbhgram এই পেজটিতে যান। IRCTC মহাকুম্ভ গ্রাম তাঁবু গুলিকে অনন্যভাবে সজ্জিত করে তুলেছে। এখানে তাঁবু বুকিং করা যাবে। বুকিংয়ের পাশাপাশি IRCTC-এর রেল ট্যুর প্যাকেজ এবং ভারত গৌরব ট্রেনের মাধ্যমে, পরিষেবা প্রদান এবং সুবিধা নিশ্চিত করবে। মহাকুম্ভ গ্রামে, পর্যটকদের চিকিৎসা ও নিরাপত্তা সুবিধা সহ বিশ্বমানের আবাসন ও খাবারের সুবিধা দেওয়া হবে। চারটি ক্যাটাগরির আলাদা আলাদা তাঁবুর দাম রয়েছে। ডিলাক্স, প্রিমিয়াম, ডিলাক্স অন রয়‍্যাল বাথ, প্রিমিয়াম অন রয়‍্যাল বাথ। আইআরসিটিসির ওয়েবসাইট থেকে এগুলি বুক করা যাবে।

    কোনটির কত খরচ?

    জানা গিয়েছে, ডিলাক্স রুমের (Mahakumbh 2025) জন্য একজনের জন্য ভাড়া ১০,৫০০ টাকা, দুজনের জন্য ভাড়া ১২ হাজার টাকা (ব্রেকফাস্ট সহ)। আর প্রিমিয়াম রুমের জন্য একজনের জন্য ভাড়া ১৫,৫২৫ টাকা, দুজনের জন্য ভাড়া ১৮ হাজার টাকা (ব্রেকফাস্ট সহ)। আর ডিলাক্স রুম অন রয়‍্যাল বাথে একজনের জন্য ভাড়া ১৬,১০০ টাকা, দুজনের জন্য ভাড়া ২০ হাজার টাকা (ব্রেকফাস্ট সহ)। প্রিমিয়াম রুম অন রয়‍্যাল বাথে একজনের জন্য ভাড়া ২১,৭৩৫ টাকা, দুজনের জন্য ভাড়া ৩০ হাজার টাকা (ব্রেকফাস্ট সহ)। এক্ষেত্রে অতিরিক্ত বেডের জন্য ডিলাক্স রুমে লাগবে ৪২০০ টাকা এবং প্রিমিয়াম রুমের জন্য লাগবে ৬৩০০ টাকা ভাড়া। আর রাজকীয় স্নানের দিনে ডিলাক্স রুমে আপনাকে বেডের জন্য ৭০০০ টাকা এবং প্রিমিয়াম রুমে আপনাকে ১০,৫০০ টাকা ভাড়া দিতে হবে।

    কম খরচের ঘরও রয়েছে

     মহাকুম্ভের (Mahakumbh 2025) অফিসিয়াল ওয়েবসাইট mahakumbh.in-এ গিয়ে থাকার জন্য জায়গা বুকিং করতে পারেন আগে থেকে। এক্ষেত্রে নিজের জন্য ট্যুরও বুক করতে পারবেন আপনি। এক্ষেত্রে নিজের জন্য ট্যুরও বুক করতে পারবেন আপনি। এমনকী kumbh.gov.in ওয়েবসাইট থেকে বুকিং করলে আপনি অনেক কম খরচে ১৫০০ টাকা থেকে ৩৫ হাজার টাকা পর্যন্ত ভাড়ায় ঘর বুক করতে পারেন।

    ৪৪টি বিলাসবহুল তাঁবু

    এছাড়া কুম্ভমেলায় থাকার জায়গা হিসেবে প্রথমেই (Mahakumbh 2025) আসে দ্য আল্টিমেট ট্রাভেলিং ক্যাম্প। এই ক্যাম্পসাইটে ৪৪টি বিলাসবহুল তাঁবু রয়েছে যেখানে দুজনের থাকার ভাড়া প্রতিদিনের জন্য ১ লক্ষ টাকা করে। বাটলার, রুম হিটার, গিজার সহ আরও অনেক সুবিধে রয়েছে। এই তাঁবুগুলির বেশিরভাগই ১৪ জানুয়ারি, ২৯ জানুয়ারি এবং ৩ ফেব্রুয়ারি জন্য বুকিং হয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Mahakumbh Mela 2025: মহাকুম্ভে ‘কল্পবাস’ পালন করবেন স্টিভ জোবসের স্ত্রী লরেন! জানেন হিন্দু ধর্মে এই রীতির মাহাত্ম্য?

    Mahakumbh Mela 2025: মহাকুম্ভে ‘কল্পবাস’ পালন করবেন স্টিভ জোবসের স্ত্রী লরেন! জানেন হিন্দু ধর্মে এই রীতির মাহাত্ম্য?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আর কয়েকদিনের মধ্যেই শুরু হচ্ছে মহাকুম্ভ  মেলা (Mahakumbh Mela 2025)। ইতিমধ্যেই প্রয়াগরাজে গঙ্গা, যমুনা এবং পৌরাণিক নদী সরস্বতীর সঙ্গমে ভিড় জমাতে শুরু করেছেন পুণ্যার্থীরা। জানা গিয়েছে সম্ভবত ১৩ জানুয়ারি, মেলার প্রথমদিনই মহাকুম্ভে যোগ দেবেন ‘অ্যাপল’ সংস্থার সহ-প্রতিষ্ঠাতা তথা প্রাক্তন সিইও, প্রয়াত স্টিভ জোবসের স্ত্রী লরেন পাওয়েল জোবস। এ বারের মহাকুম্ভে ‘কল্পবাস’ পালন করবেন বিশ্বের অন্যতম ধনী মহিলা লরেন।

    কল্পবাস কী?

    কল্পবাস হল, হিন্দুধর্মের একটি অতি প্রাচীন রীতি। এই রীতি পৌষ পূর্ণিমা থেকে মাঘী পূর্ণিমায় আয়োজিত হয়। যাঁরা তা পালন করেন, তাঁদের কল্পবাসী বলা হয়। এই সময়কালে কল্পবাসীরা প্রতিদিন গঙ্গায় পূণ্যস্নান করেন। সন্ন্যাসীদের আখাড়ায় ভ্রমণ করেন। সাধু, সন্ন্যাসীদের ধর্মীয় বাণী শোনেন। এছাড়াও ভজন, কীর্তনে অংশ নেন। হিন্দু শাস্ত্রে মনে করা হয়, আধ্যাত্মিক বিকাশের ক্ষেত্রে এই কল্পবাস অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। জানা যায়, এই সময় অত্যন্ত সাধারণ জীবনযাপন করতে হয়। হিন্দু ধর্মে মাঘ মাসকে (Magh Month) কল্পবাস (Kalpvas) বলা হয়। কল্পবাসের ঐতিহ্য অনেক পুরনো। ‘কল্প’ তাঁকেই বলা হয় যে একই রুটিন একটি নির্দিষ্ট সময়ের জন্য সম্পূর্ণ ব্রহ্মচর্যের সঙ্গে ভগবানের প্রতি ভক্তি সহকারে পালন করে। 

    যুধিষ্ঠিরের কল্পবাস

    মহাভারতের (Mahabharata) যুদ্ধে নিহত স্বজনদের মুক্তির জন্য যুধিষ্ঠির কল্পবাস করেছিলেন। এটা বিশ্বাস করা হয় যে, যদি সঙ্গমে (Sangam) কল্পবাস করা হয়, তাহলে ব্যক্তির শরীর ও আত্মা নতুন হয়ে ওঠে। এই কারণেই প্রতি বছর প্রয়াগে মাঘ মাসে কল্পবাসের আয়োজন করা হয়। এ সময় ভক্তরা পৌষ পূর্ণিমা (Purnima) থেকে মাঘ মাসের পূর্ণিমা পর্যন্ত এক মাস এখানে থাকেন এবং কঠোর নিয়ম-কানুন ও দৃঢ়তার সঙ্গে জীবন অতিবাহিত করেন।

    কল্পবাসের নিয়ম খুব কঠিন

    কল্পবাস হল নিজেকে নিয়ন্ত্রণ করার এবং নিজেকে শুদ্ধ করার প্রচেষ্টা। বেদ থেকে শুরু করে রামচরিত্রমানস ও মহাভারতে পর্যন্ত এটি বিভিন্ন নামে উল্লেখ করা হয়েছে। এই সময়ে একজন ব্যক্তিকে তপস্বীর মতো জীবনযাপন করতে হয়। একমাস কাম, ক্রোধ, আসক্তি, মোহ থেকে দূরে থাকার সংকল্প নেওয়া হয় এবং নিয়ম ও সংযমের সঙ্গে গঙ্গা-যমুনা সঙ্গমের তীরে নির্জনে উপবাস, পুজো ও স্নান-দান করা হয়। দিনে তিনবার গঙ্গায় স্নান করা এবং সকালে উদিত সূর্যকে অর্ঘ্য নিবেদন করতে হয়। ভক্তরা ভজন-কীর্তন করে, দান করে এবং মাটিতে ঘুমায়। ২৪ ঘণ্টায় শুধুমাত্র একবার খাবার পরিবেশন করা হয়। একবার কল্পবাস শুরু হলে, এই ঐতিহ্য টানা ১২ বছর ধরে অনুসরণ করা হয়।

    কল্পবাসের গুরুত্ব

    কথিত আছে, সঙ্গমের বালিতে এক মাস কল্পবাস করলে মানুষ সেই ফল পায়, যা অন্নভোগ না করে ১০০ বছর তপস্যা করলে পাওয়া যায়। কল্পবাস দ্বারা মানুষের সকল প্রকার পাপ দূর হয়ে যায়। সমস্ত হিন্দু ধর্মীয় গ্রন্থে কল্পবাসের গুরুত্ব ব্যাখ্যা করে বলা হয়েছে, যে ব্যক্তি কল্পবাস করে সে যত ত্যাগ স্বীকার করে তার সমান পুণ্য পায়। কল্পবাস এমন একটি সাধনা যা একজন মানুষকে জন্মের পর জন্ম থেকে মুক্তি দিতে পারে। কল্পবাসকে ৫০ বছর পূর্ণ করা ব্যক্তিদের জন্য সর্বোত্তম বলা হয়, কারণ জীবনের সমস্ত কর্তব্য সমাপ্ত করার পরে, জীবনে ত্যাগের অবস্থা আসে।

    মহাকুম্ভে কল্পবাস

    সনাতন ধর্মের শাস্ত্রে বর্ণিত আছে যে মাঘ মাসে দেবতারা প্রয়াগরাজ ভূমিতে অধিবাস করেন। এ কারণে মাঘ মাসে কল্পবাসের বিধান রয়েছে। এমনও একটি বিশ্বাস আছে যে কল্পবাস করলে পরিবারে সুখ-শান্তি সহ মানুষ জন্ম-মৃত্যুর বন্ধন থেকে মুক্তি পায়। ভক্তরাও মোক্ষলাভের আকাঙ্ক্ষায় কল্পবাস করেন। সঙ্গমের তীরে গঙ্গার বালিতে প্রতি বছর কুম্ভ, মহা কুম্ভ এবং মাঘ মেলার সময় কল্পাবাস পালনের প্রথা বহু শতাব্দী ধরে চলে আসছে। এমনও বিশ্বাস করা হয় যে প্রয়াগরাজে কল্পবাস করলে মা গঙ্গার আশীর্বাদ পরিবারে থাকে, যার ফলে ঘরে সুখ শান্তি থাকে এবং মায়ের ভক্তরাও মোক্ষ লাভ করে। এই কারণেই দেশের বিভিন্ন রাজ্য থেকে হাজার হাজার পরিবার প্রতি বছর প্রয়াগরাজের মহাকুম্ভ ও মাঘ মেলায় কল্পবাস করতে আসে।

    আরও পড়ুন: বিজ্ঞান, প্রযুক্তি, প্রকৌশল ও গণিত চর্চায় যুক্ত হচ্ছে দেশের মেয়েরা, এক দশকে হার বৃদ্ধি ৪ শতাংশ

    কল্পবাসে লরেন পাওয়েল জোবস

    দূর-দূরান্তের সাধু-সন্ন্যাসী ও সাধারণ মানুষের পাশাপাশি মহাকুম্ভে অংশ নিতে চলেছেন বহু ভিভিআইপি-ও। এই মেলার প্রধান আকর্ষণ হাজার-হাজার ‘কল্পবাসী’। সাধারণত, উত্তরপ্রদেশ, উত্তরাখণ্ড, ঝাড়খণ্ড এবং বিহারের গ্রামের পুরুষ ও মহিলারাই ‘কল্পবাসী’ হিসেবে যোগ দেন মহাকুম্ভে। এবার তাঁদের সঙ্গে যোগ দেবেন ‘অ্যাপল’ সংস্থার সহ-প্রতিষ্ঠাতা তথা প্রাক্তন সিইও, প্রয়াত স্টিভ জোবসের স্ত্রী লরেন। নিরঞ্জনী আখড়ার স্বামী কালিয়াশানন্দের শিবিরে থাকার কথা তাঁর। ১৩ থেকে ২৯ জানুয়ারি পর্যন্ত তিনি মহাকুম্ভে (Mahakumbh Mela 2025) কবেন। আর পাঁচ জন কল্পবাসীর মতো লরেনও সঙ্গমে ডুব দিয়ে পুন্যস্নান করবেন এবং নিয়মিত ধর্মোপদেশ শুনবেন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Mahakumbh 2025: প্রয়াগরাজে মহাকুম্ভ মেলায় প্রায় ৪০ কোটি মানুষের সমাগম হতে পারে! বিশেষ পরিকল্পনা রেলের

    Mahakumbh 2025: প্রয়াগরাজে মহাকুম্ভ মেলায় প্রায় ৪০ কোটি মানুষের সমাগম হতে পারে! বিশেষ পরিকল্পনা রেলের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “উত্তরপ্রদেশের প্রয়াগরাজে মহাকুম্ভ মেলা (Mahakumbh 2025) উপলক্ষে প্রায় ৪০ কোটি মানুষের সমাগম হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে (North Central Railway)। এটি ভিড় পরিচালনার ক্ষেত্রে একটি বড় চ্যালেঞ্জ সৃষ্টি করবে।” মহাকুম্ভ মেলার প্রস্তুতি সম্পর্কে বক্তব্য রাখতে গিয়ে কথাগুলি বললেন উত্তর মধ্য রেলের মুখ্য জনসংযোগ আধিকারিক শশীকান্ত ত্রিপাঠী।

    ৪০ কোটি মানুষ প্রয়াগরাজে আসবেন (Mahakumbh 2025)

    সংবাদ মাধ্যমে সাক্ষাৎকার দিতে গিয়ে তিনি বলেন, “সিভিল প্রশাসন আমাদের জানিয়েছে যে কুম্ভমেলার সময় প্রায় ৪০ কোটি মানুষ প্রয়াগরাজে আসবেন। ভিড় পরিচালনা আমাদের কাছে একটি বড় বিষয়।” পুণ্যার্থীরা যাতে নিরাপদে তীর্থ করতে পারেন, তাই সুনির্দিষ্ট একটি পরিকল্পনা তৈরি করেছে উত্তর মধ্য রেল। বিশৃঙ্খলা ও ভিড় এড়াতে রাস্তা করা হবে একমুখী। নির্ধারিত প্ল্যাটফর্মে যাওয়ার আগে যাত্রীদের পাঠানো হবে যাত্রী-কেন্দ্রে। এতে এড়ানো যাবে বিভ্রান্তি, হ্রাস পাবে ভিড়।

    ৫০ দিনে ১৩ হাজার ট্রেন

    মহাকুম্ভ মেলায় বিপুল সংখ্যক তীর্থযাত্রীর চাহিদা মেটাতে ভারতীয় রেল ৫০ দিনের মধ্যে ১৩ হাজারটি ট্রেন চালাবে। এর মধ্যে থাকবে ১০ হাজারটি নিয়মিত ট্রেন এবং ৩ হাজারটি বিশেষ ট্রেন। তিনি বলেন, “৫০ দিনের মধ্যে কুম্ভমেলার জন্য ১৩ হাজারটি ট্রেন চলবে। এর মধ্যে ১০ হাজারটি নিয়মিত ট্রেন এবং ৩ হাজারটি বিশেষ ট্রেন। প্রায় ৭০০টি মেলা স্পেশাল দূরপাল্লার ট্রেন চলবে। স্বল্প দূরত্বের ট্রেন চলবে (Mahakumbh 2025) প্রায় ১৮০০টি।” তিনি বলেন, “আমরা এমন একটি রিং রেল পরিচালনা করছি, যা চিত্রকূট, বারাণসী এবং অযোধ্যা সহ প্রয়াগরাজে যেতে ইচ্ছুক ভক্তদের জন্য থাকবে। এই ট্রেন প্রয়াগরাজ থেকে একটি সার্কিটে চলবে।”

    আরও পড়ুন: “গ্রামীণ ভারতে নতুন শক্তি জোগাচ্ছে কেন্দ্রীয় সরকারের নীতি”, বললেন প্রধানমন্ত্রী

    প্রসঙ্গত, প্রতি ১২ বছর অন্তর প্রয়াগরাজে হয় কুম্ভমেলা। আর ১২টি কুম্ভ শেষে হয় মহাকুম্ভ। অর্থাৎ এর আগে প্রয়াগরাজে মহাকুম্ভ অনুষ্ঠিত হয়েছিল ১৪৪ বছর আগে। এবার মেলা চলবে ১৩ জানুয়ারি থেকে ২৬ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত। গঙ্গা, যমুনা ও কল্পিত সরস্বতী নদীর সঙ্গমস্থল প্রয়াগরাজে অনুষ্ঠিত হবে (North Central Railway) মহাকুম্ভ। মেলায় ধর্মীয় রীতিনীতি পালনের পাশাপাশি আধ্যাত্মিক, সাংস্কৃতিক ও পর্যটন আকর্ষণ থাকবে (Mahakumbh 2025)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  WhatsappFacebookTwitterTelegram এবং Google News পেজ।

  • Mahakumbh 2025: ‘ভগবানই জ্যাকেট’! প্রবল শীত উপেক্ষা করে বিবস্ত্র মহাকুম্ভের সর্বকনিষ্ঠ ৮ বছরের নাগা সাধু

    Mahakumbh 2025: ‘ভগবানই জ্যাকেট’! প্রবল শীত উপেক্ষা করে বিবস্ত্র মহাকুম্ভের সর্বকনিষ্ঠ ৮ বছরের নাগা সাধু

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আগামী ১৩ জানুয়ারি উত্তরপ্রদেশের প্রয়াগরাজে শুরু হচ্ছে মহাকুম্ভ মেলা (Mahakumbh 2025)। চলবে ২৬ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত। মহাকুম্ভকে কেন্দ্র করে দেশজুড়ে বিভিন্ন আখড়ার সাধু-সন্তরা ইতিমধ্যে প্রয়াগরাজে হাজির হতে শুরু করেছেন। এর মধ্যে বড় সংখ্যায় নাগা সাধুদের উপস্থিতিও দেখা যাচ্ছে। তবে সবার দৃষ্টি রয়েছে ছোট্ট সাধু গোপাল গিরির ওপর। তিনি নাগা সম্প্রদায়ের। বর্তমানে গোপাল গিরির (Gopal Giri) বয়স ৮ বছর। ইতিমধ্যে ৮ বছর বয়সি এই সাধুর দেওয়া সাক্ষাৎকারের ভিডিও বেশ ভাইরাল হয়েছে।

    আদতে হিমাচলের বাসিন্দা গোপাল গিরি (Gopal Giri) 

    জানা গিয়েছে, মহাকুম্ভের (Mahakumbh 2025) সর্বকনিষ্ঠ সাধু গোপাল গিরি মূলত হিমাচল প্রদেশের চম্পার বাসিন্দা। একটি ইউটিউব চ্যানেলে দেওয়া সাক্ষাৎকারে গোপাল গিরি জানিয়েছেন নানা কথা। তাঁর সাক্ষাৎকারে উঠে এসেছে ছোটবেলায় তিনি কিভাবে ঘর ছাড়েন এবং আধ্যাত্মিকতার পথে আসেন। প্রসঙ্গত, নাগা সম্প্রদায়ের সন্ন্যাসীরা পার্থিব জগতের সব কিছুই ত্যাগ করেন। সম্পূর্ণ বিবস্ত্র অবস্থায় থাকেন তাঁরা। এত ঠান্ডাতেও গোপাল গিরি জানিয়েছেন যে তাঁর কোনও অস্বস্তি হয় না। ভগবানই তাঁর জ্যাকেট। তিনি আরও জানিয়েছেন, ভগবানের প্রতি সর্বদা সমর্পিত থাকাই, তাঁর জীবনের উদ্দেশ্য।

     ভুল বুঝিয়ে সন্ন্যাসী বানানো হয়নি আমাকে

    গোপাল গিরি বলেন, ‘‘আমাকে কোনও মহল থেকে ভুল বুঝিয়ে সন্ন্যাসী বানানো হয়নি, একজন সাধুকে কেউ কখনও ভুল বোঝাতে পারেন না। আমি নিজের ইচ্ছায় সন্ন্যাস জীবন বেছে নিয়েছি। সাধু হওয়া আমার জীবনের ইচ্ছা ছিল। শুধুমাত্র ভগবানের ভজন-কীর্তন করব বলেই আমি সন্ন্যাসী হয়েছি।’’ আট বছর বয়সি এই সাধু আরও বলেন, ‘‘খেলা করা, ঘুরে ঘুরে বেড়ানো বাচ্চাদের স্বভাব কিন্তু আমার ভালো লাগে ঈশ্বরের ভজনে সর্বদাই মগ্ন থাকতে। আমি ভগবান শিব ও সূর্যদেবের উপাসনা করি। আমার তিন গুরুই বিভূতি লাগিয়ে সমাধিস্ত হয়েছেন। আমি বিদ্যালয়ে ভর্তিও হয়েছিলাম। কিন্তু আমি গুরুকুল ব্যবস্থার শিক্ষা নিতে চেয়েছিলাম। তাই আমি সাধু হয়েছি। আমি কখনও স্কুল-কলেজে পড়ার ভয়ে ঘর ছাড়েনি, গুরুকুলে বাচ্চাদেরকে জোর জবরদস্তি নয় বরং তাদেরকে ভালোবেসে শিক্ষা প্রদান করা হয়।’’

    পিতা-মাতার আজ্ঞাতেই সন্ন্যাসী হওয়া

    তাঁর পিতামাতার বিষয়ে প্রশ্ন জিজ্ঞেস (Mahakumbh 2025) করা হলে গোপাল গিরি বলেন, ‘‘বাবা মায়ের ব্যাপারে কেন প্রশ্ন জিজ্ঞেস করছেন! ওনাদের আজ্ঞা নিয়েই আমি সন্ন্যাসী হয়েছি। যে কোনও বাচ্চা যদি সন্ন্যাসী হতে চায়, তাহলে তাদেরকেও পিতামাতার নির্দেশ নিতে হবে। আমি আরও ছোট বয়সে নিজের বাবাকে বলেছিলাম যে আমি সন্ন্যাসী হব। পিতা ও মাতা দুজনের আজ্ঞা নিয়েই আমি সন্ন্যাসী হয়েছি।’’ জানা গিয়েছে,  তিন বছর আগে গোপাল গিরির বাবা-মা গুরুদক্ষিণা স্বরূপ তাঁদের পুত্রকে সঁপে দেন গুরুর কাছে। সেই সময়ে বিধি-বিধান অনুসারে সন্ন্যাস ধর্মে দীক্ষিত করা হয় গোপাল গিরিকে। পৃথিবীর অন্যতম বড় ইভেন্টের আকর্ষণের কেন্দ্রবিন্দু এখন গোপাল গিরি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Mahakumbh 2025: মহাকুম্ভের কয়েক দিন বাকি, প্রয়াগরাজে চলছে শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি

    Mahakumbh 2025: মহাকুম্ভের কয়েক দিন বাকি, প্রয়াগরাজে চলছে শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ৪০ থেকে ৪৫ কোটি তীর্থযাত্রী হাজির হতে পারেন মহাকুম্ভে (Mahakumbh 2025), এমনটাই অনুমান প্রশাসনের। ২০২৫ সালে প্রয়াগরাজের (Prayagraj) মহাকুম্ভকে ঘিরে প্রস্তুতি তুঙ্গে। মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথের নেতৃত্বে কুম্ভমেলার প্রশাসন অবিরতভাবে কাজ করে চলেছে, পৃথিবীর অন্যতম বড় এই ইভেন্টকে সাফল্যমণ্ডিত করার জন্য। তীর্থযাত্রীদের থাকা-খাওয়ার ব্যবস্থা, যাতায়াত থেকে শুরু করে নিরাপত্তা- এই সমস্ত কিছুরই প্রস্তুতি চলছে অত্যন্ত খুঁটিনাটিভাবে।

    সেজে উঠছে মেলা প্রাঙ্গণ (Mahakumbh 2025) 

    কুম্ভমেলা প্রাঙ্গণে গড়ে উঠছে একের পর এক দোকান। এই দোকানগুলিতেই মিলবে পুজো-অর্চনার বিভিন্ন সামগ্রী। একেবারে রুদ্রাক্ষ-তুলসী মালা থেকে অক্ষর পঞ্জিকা— সব কিছুই মিলবে কুম্ভমেলা প্রাঙ্গণে (Mahakumbh 2025)। বেশিরভাগ পুজোর সামগ্রী নিয়ে আসা হয়েছে নেপাল, উত্তরাখণ্ড, বারাণসী, মথুরা, বৃন্দাবন এবং দিল্লি থেকে। সম্মিলিত প্রচেষ্টার মাধ্যমেই পৃথিবীর অন্যতম এই বড় ইভেন্টকে সাফল্যমণ্ডিত করার চেষ্টা করা হচ্ছে।

    গোরক্ষপুরের গীতা প্রেস স্বল্পমূল্যে বই বিক্রি করবে

    এর পাশাপাশি, সেখানে বিভিন্ন ধর্মীয় বইও কিনতে পাওয়া যাবে। গোরক্ষপুরে অবস্থিত গীতা প্রেস কুম্ভমেলা প্রাঙ্গণে (Mahakumbh 2025) অত্যন্ত স্বল্প মূল্যে বিক্রি করবে রামচরিত মানস, ভাগবত গীতা, শিব পুরাণ, বিভিন্ন ভজন ইত্যাদি। মেলা প্রাঙ্গণে মিলবে আরতি সামগ্রী থেকে পুরোহিতদের ব্যবহারের জন্য তামার তৈরি নানা পাত্র। এসব কিছুই আনা হয়েছে মোরাদাবাদ এবং বারাণসী থেকে।

    একমাস ধরে সাধু-সন্ত ও ভক্তরা পালন করনে কল্পবাস

    সাধু-সন্ত এবং ভক্তরা এই মেলা প্রাঙ্গণে (Mahakumbh 2025) এক মাস ধরে পালন করবেন কল্পবাস। এই সময় তাঁদের যাতে কোনও অসুবিধা না হয়, সেজন্য সমস্ত কিছু সংস্থানও রাখা হচ্ছে। হোম যজ্ঞের সামগ্রী, আসন, গঙ্গাজল, খাবার প্লেট- এই সমস্ত কিছুই মজুদ রাখা হয়েছে মেলা প্রাঙ্গণে। একই সঙ্গে প্রয়াগরাজের (Prayagraj) হোটেল, রেস্টুরেন্ট, বিভিন্ন ফুড স্টলগুলিতেও তুঙ্গে শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share