Tag: Prayagraj

Prayagraj

  • Mahakumbh 2025: প্রয়াগরাজে হবে মহাকুম্ভ, যোগীর প্রশংসায় পঞ্চমুখ সাধুরা

    Mahakumbh 2025: প্রয়াগরাজে হবে মহাকুম্ভ, যোগীর প্রশংসায় পঞ্চমুখ সাধুরা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: উত্তরপ্রদেশের প্রয়াগরাজে হবে মহাকুম্ভ (Mahakumbh 2025)। জোর কদমে চলছে প্রস্তুতি-পর্ব। এই শহরই সাক্ষী হয়ে উঠছে উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথের নেতৃত্বে সনাতন ধর্ম প্রচারের এক অভূতপূর্ব উদ্যোগের। মুখ্যমন্ত্রী যোগীর স্লোগান, “বাঁটেঙ্গে তো কাটেঙ্গে” (বিভাজন ধ্বংস ডেকে আনে), দেশের বিভিন্ন স্থানের সাধুদের কাছ থেকে ব্যাপক সমর্থন পেয়েছে।

    সনাতন ধর্মের পুনর্জাগরণ

    তাঁরা তাঁদের সমর্থন জানিয়ে মুখ্যমন্ত্রীকে (CM Yogi) সনাতন ধর্মের পুনর্জাগরণ ও আধুনিক যুগে তাঁর বিকাশের অগ্রদূত হিসেবে প্রশংসা করেছেন। তাঁদের মতে, মহাকুম্ভ ২০২৫-এর অতুলনীয় পরিসর সম্ভব হয়েছে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির দূরদর্শী নেতৃত্ব ও উত্তর প্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথের অক্লান্ত পরিশ্রমের কারণে। সঙ্গম এলাকার চারপাশে বড় বড় হোর্ডিংগুলিতে সনাতন ধর্ম প্রচারের বার্তা দেওয়া হয়েছে। নানিজ ধাম দক্ষিণ পীঠের জগদগুরু রামানন্দাচার্য নরেন্দ্রাচার্যের একটি বিশাল পোস্টারে লেখা হয়েছে, “সনাতন শান্তিপূর্ণ, দুর্বল নয়।”

    যোগী “যুগ পুরুষ”

    হিন্দু ঐক্য ও সনাতন মূল্যবোধের প্রতি ভক্তি জাগাতে জোর দেওয়া বিভিন্ন স্লোগান ভক্তদের মধ্যে উত্তেজনা ও গর্বের উদ্রেক করছে (Mahakumbh 2025)। দক্ষিণ পীঠ থেকে অযোধ্যা ধাম পর্যন্ত সাধুরা মুখ্যমন্ত্রী যোগীকে “যুগ পুরুষ” অভিধায় ভূষিত করেছেন। অযোধ্যার শ্রী রাম বৈদেহী মন্দিরের প্রধান পুরোহিত তথা রঘুবংশ সংকল্প সেবার প্রধান, স্বামী দিলীপ দাস ত্যাগী মহারাজ, মুখ্যমন্ত্রী যোগীকে একজন ধর্মপরায়ণ ও নিবেদিতপ্রাণ নেতা হিসেবে অভিহিত করেছেন।

    আরও পড়ুন: অসমে কয়েক দশকের গড়ে ধস, কংগ্রেসকে ধরাশায়ী বিজেপির তরুণ তুর্কি দীপলুর

    ত্যাগী মহারাজ বলেন, “উত্তরপ্রদেশে বহু মুখ্যমন্ত্রী এসেছেন। তবে যোগী আদিত্যনাথের নেতৃত্বে প্রথমবারের মতো এত বিশাল ও মহৎ মহাকুম্ভের আয়োজন করা হচ্ছে।” তিনি বলেন, “মুখ্যমন্ত্রীর মহাকুম্ভ নগরে ঘন ঘন পরিদর্শন তাঁর ভক্তদের কল্যাণ ও সুবিধা নিশ্চিত করার প্রতি আন্তরিক প্রতিশ্রুতির প্রতিফলন।” ত্যাগী মহারাজের মতে, মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ (CM Yogi) কেবল উত্তরপ্রদেশের ভক্তদের প্রয়োজন পূরণ করছেন না, বরং সারা দেশের তীর্থযাত্রীদের সুরক্ষা এবং নির্বিঘ্ন আয়োজন নিশ্চিত করতে তাঁর নিষ্ঠায় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর পরে দ্বিতীয় স্থানে রয়েছেন (Mahakumbh 2025)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  WhatsappFacebookTwitterTelegram এবং Google News পেজ।

  • Mahakumbh 2025: ১৪০০ বছর আগেও কুম্ভমেলায় এসেছিলেন চিনা পর্যটক!

    Mahakumbh 2025: ১৪০০ বছর আগেও কুম্ভমেলায় এসেছিলেন চিনা পর্যটক!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: উত্তরপ্রদেশের প্রয়াগরাজকে তীর্থরাজ (Mahakumbh 2025) বলা হয়। ১৪০০ বছরেরও বেশি সময় ধরে এটি চিনাদেরও কাঙ্খিত গন্তব্য হয়ে উঠেছে (Prayagraj)। এই স্থায়ী সম্পর্কের শুরু ৭ম শতকে, যখন খ্যাতনামা চিনা পর্যটক হিউয়েন সাং এই অঞ্চলে আসেন এবং এর সমৃদ্ধ সংস্কৃতি ও সমৃদ্ধির প্রশংসা করেন। প্রায় ১৬ বছর ধরে ভারতবর্ষ ঘুরে দেখেন তিনি।

    “সি-ইউ-কি” (Mahakumbh 2025) 

    তাঁর বই “সি-ইউ-কি”-তে হিউয়েন সাং বিশেষভাবে ৬৪৪ খ্রিষ্টাব্দে রাজা হর্ষবর্ধনের শাসনকালের প্রশংসা করেছেন। এই বইতে প্রয়াগরাজের প্রচুর শস্য, অনুকূল আবহাওয়া এবং স্বাস্থ্যকর সুবিধাগুলির কথা উল্লেখ করা হয়েছে। তিনি ফলদায়ক গাছগুলির উপস্থিতি এবং এই অঞ্চলের সামগ্রিক আকর্ষণও উল্লেখ করেন। চিনা পর্যটকের শহরের নম্রতা, বুদ্ধিবৃত্তিক সাধনা এবং প্রাণবন্ত সাংস্কৃতিক জীবন সম্পর্কে প্রশংসা আজও প্রাসঙ্গিক।

    প্রয়াগরাজের ঐতিহাসিক গুরুত্ব

    প্রয়াগরাজের (Mahakumbh 2025) ঐতিহাসিক গুরুত্ব আরও স্পষ্ট হয়েছে হিউয়েন সাংয়ের বর্ণনায়, যেখানে তিনি শহরের বিশাল ধর্মীয় উৎসবের কথা বলেছেন। তাঁর বর্ণনা থেকেই জানা যায়, সেখানে ৫ লাখেরও বেশি মানুষ জড়ো হয়েছিলেন। এর মধ্যে ছিলেন উপমহাদেশের বিভিন্ন কোণ থেকে আসা রাজা ও শাসকরাও। গঙ্গা ও যমুনা নদীর মধ্যে শহরের কৌশলগত অবস্থান, এর আধ্যাত্মিক ও সাংস্কৃতিক কেন্দ্র হিসেবে এর গুরুত্ব তৈরিতে করতে সহায়ক ছিল।

    হিউয়েন সাং যে সব মন্দিরে গিয়েছিলেন, তার মধ্যে একটি হল পাটালপুরী মন্দির। এই মন্দির গুরুত্বপূর্ণ তার অলৌকিক বিস্ময়গুলির জন্য। হিউয়েন সাং উল্লেখ করেছেন যে ভক্তরা বিশ্বাস করতেন, মন্দিরে একটি মুদ্রা দান করা মানে হাজার মুদ্রা দান করা। মন্দিরের উঠোনে রয়েছে একটি পবিত্র গাছ, অক্ষয়বট। বিশ্বাস করা হয়, যে এর নীচে স্নান করলে পাপ থেকে মুক্তি পাওয়া যায়।

    আরও পড়ুন: বিগ্রহ সরিয়ে ওড়ানো হয়েছিল ইসলামি পতাকা, দখলমুক্ত গঙ্গা মন্দির

    এছাড়াও গঙ্গা, যমুনা ও পৌরাণিক সরস্বতী নদীর মিলনস্থলে প্রতি বছর লক্ষ লক্ষ ভক্ত উপস্থিত হন। হিউয়েন সাং লিখেছেন, ধনী তীর্থযাত্রীরা সঙ্গমে স্নান করে তাদের ধন-সম্পদ দান করে চলে যেতেন। এই প্রাচীন প্রথা আজও বহমান, এবং মহাকুম্ভ মেলা পৃথিবীর সবচেয়ে বড় ধর্মীয় সমাবেশ (Prayagraj) হিসেবে অনুষ্ঠিত হয় (Mahakumbh 2025)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  WhatsappFacebookTwitterTelegram এবং Google News পেজ।

  • Mahakumbh 2025: প্রয়াগরাজের মহাকুম্ভ মেলায় হেলিকপ্টার থেকে পুষ্পবৃষ্টি করবে যোগী প্রশাসন

    Mahakumbh 2025: প্রয়াগরাজের মহাকুম্ভ মেলায় হেলিকপ্টার থেকে পুষ্পবৃষ্টি করবে যোগী প্রশাসন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ২০২৫ সালের মহাকুম্ভ (Mahakumbh 2025) মেলায় হেলিকপ্টার থেকে পুষ্পবৃষ্টি করা হবে। গঙ্গা, যমুনা এবং সরস্বতীর মিলন সঙ্গমে ত্রিবেণীতে পুষ্প বর্ষণ করে আধ্যাত্মিক পরিবেশকে আরও চমকপ্রদ করা হবে বলে জানা গিয়েছে। পুরাণে উল্লেখ রয়েছে দেবতা এবং অসুরের মিলিত চেষ্টায় সমুদ্র মন্থনের ফলে যে অমৃত উৎপন্ন হয়েছিল, সেই অমৃতের একটি ফোঁটা এই সঙ্গমস্থলে পড়েছিল। তাই এই প্রয়াগরাজের (Prayagraj) পুণ্যভূমিতে স্নান করলে হিন্দু শাস্ত্র মতে সকল পাপের বিনাশ হয় এবং মোক্ষ প্রাপ্তি হয়।

    যোগী উদ্যোগ নিয়েছেন (Mahakumbh 2025)

    এই বছর প্রয়াগরাজে (Prayagraj) মহাকুম্ভকে (Mahakumbh 2025) পূর্ণ কুম্ভ যোগও বলা হয়। ১২ বছর পরপর যে কুম্ভ হয় তাই এবার অনুষ্ঠিত হবে উত্তরপ্রদেশে। মেলার প্রস্তুতি এখন জোর কদমে চলছে। উদ্বোধনে মেলার আধ্যাত্মিক পরিবেশকে আরও চিত্তাকর্ষণীয় করতে এইবারে আকাশ থেকে পুষ্পবৃষ্টি করা হবে। এই কর্মকাণ্ডকে উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ বিশেষভাবে উদ্যোগ নিয়ে করার নির্দেশ দিয়েছেন। ভারতীয় হিন্দুদের মহামিলন ক্ষেত্র হল এই কুম্ভমেলা। এই মেলার আভা এবং মহিমাকে বৃদ্ধি করতে এই বিশেষ ভাবনা বলে জানা গিয়েছে।

    আরও পড়ুনঃ বাংলাদেশকে ভাগ করে পৃথক হিন্দুদেশ গড়ার দাবি ভারতের প্রাক্তন সেনা প্রধানের

    প্রশাসনের বক্তব্য

    প্রয়াগরাজের (Prayagraj) বিভাগীয় কমিশনার বিজয়কান্তি বিশ্বাস পন্ত জানিয়েছেন, “রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথের নির্দেশে অতীতেও কুম্ভ মেলা, মাঘ মেলা এবং কানওয়ার যাত্রায় অসংখ্য ধর্মীয় তীর্থযাত্রীদের উপর পুষ্পবৃষ্টি করে শোভা বৃদ্ধি করা হয়েছিল। এবার এই ঐতিহ্যের প্রথাকে আসন্ন মহাকুম্ভের (Mahakumbh 2025) মেলায়ও পালন করা হবে। তবে এই পুষ্প বর্ষণ কেবল মাত্র সঙ্গমের ঘাটেই করা হবে না, মেলা প্রাঙ্গণে গঙ্গার সমস্ত ঘাটে এই পুষ্পবৃষ্টি করা হবে।”

    মেলার প্রস্তুতি জোর কদমে চলছে

    উল্লেখ্য, উত্তরপ্রদেশে যোগীর সরকার গঠনের পর থেকেই ধর্মীয় এবং আধ্যাত্মিক নানা ক্ষেত্রে একাধিক বড় বড় পদক্ষেপ দেখা গিয়েছে। ধর্ম জাগরণ, সংস্কৃতির পুনঃস্মরণ, মঠ মন্দিরকে সংরক্ষণ করা সহ একাধিক পদক্ষেপ গ্রহণ করতে দেখা গিয়েছে যোগী সরকারকে। তবে প্রশাসনিক ভাবে বলা হয়েছে, আসন্ন মহাকুম্ভ (Mahakumbh 2025) মেলায় দেশে-বিদেশ থেকে আনুমানিক ৪০ কোটি মানুষের জনসমাগম হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। তাই মেলার প্রস্তুতিকে ঘিরে নিরাপত্তা, সুরক্ষা-সহ একাধিক পরিষেবার কাজ চূড়ান্ত বলে জানা গিয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Maha Kumbh Mela: কুম্ভের আগে যোগীর বড় ঘোষণা, প্রয়াগরাজ ভেঙে তৈরি হল নতুন জেলা ‘মহাকুম্ভ মেলা’

    Maha Kumbh Mela: কুম্ভের আগে যোগীর বড় ঘোষণা, প্রয়াগরাজ ভেঙে তৈরি হল নতুন জেলা ‘মহাকুম্ভ মেলা’

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মহাকুম্ভ মেলার (Maha Kumbh Mela) আগে যোগী প্রশাসনের বড় ঘোষণা। প্রয়াগরাজ (Prayagraj) ভেঙে তার অধীনে থাকা ৬৭টি গ্রাম নিয়ে উত্তরপ্রদেশের নতুন জেলা ঘোষণা করা হয়েছে। আগামী বছর ২০২৫ সালের জানুয়ারি থেকে মহাকুম্ভ মেলা শুরু হতে চলেছে। এবার মেলায় ৪০ কোটি ভক্তদের সমাগম হবে বলে যোগী সরকার আগেই ইঙ্গিত দিয়েছে। ফলে মেলার স্নানকে সুশৃঙ্খল, শান্তিপূর্ণ এবং ঝঞ্ঝাট মুক্ত করতে প্রশাসনের এই সিদ্ধান্ত বলে মনে করা হচ্ছে।

    মেলা আধিকারিকই এগজিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট (Maha Kumbh Mela)

    রবিবার উত্তরপ্রদেশ সরকার একটি সরকারি নির্দেশিকা জারি করে এই নতুন জেলা ঘোষণার কথা জানিয়েছে। নতুন জেলার নাম রাখা হয়েছে ‘মহাকুম্ভ মেলা’। নির্দেশিকায় বলা হয়েছে, “২০২৫ সালের মহাকুম্ভ মেলা (Prayagraj) আয়োজনের জন্য মেলা অঞ্চলকে নিয়ে নতুন জেলা গঠন করা হয়েছে। সুষ্ঠ ভাবে মেলার আয়োজনের জন্য এই নতুন জেলা গঠন করা হয়েছে। নতুন জেলায় জেলা শাসক, অতিরিক্ত জেলাশাসক এবং কার্যনির্বাহী জেলাশাসক (এগজিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট) হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন মেলা আধিকারিক। উত্তরপ্রদেশ প্রয়াগরাজ মেলা পর্ষদ আইন, ২০১৭ অনুসারে মেলা আধিকারিক হলেন রাজ্য সরকার নিযুক্ত কোনও আধিকারিক। প্রশাসনের তত্ত্বাবধানে তিনি মেলার সমস্ত কাজকর্ম পরিচালনা করেন।”

    জেলার সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৭৬

    রবিবার প্রয়াগরাজের (Prayagraj) জেলা শাসক রবীন্দ্রকুমার মন্দড় এক নির্দেশিকা জারি করে বলেন, “মহাকুম্ভ মেলা জেলা (Maha Kumbh Mela) গঠনের পর উত্তরপ্রদেশে জেলার সংখ্যা বৃদ্ধি পেয়ে দাঁড়িয়েছে ৭৬। প্রয়াগরাজের চারটি মহকুমার মোট ৬৭টি গ্রাম নিয়ে এই জেলা গঠিত হয়েছে। সরকারের নির্দেশিকায় দেখা গিয়েছে, সদর মহকুমার ২৫টি গ্রাম, সোঁরাও মহকুমার তিনটি গ্রাম, ফলপুর মহকুমার ২০টি গ্রাম এবং করছনা মহাকুমার ১৯টি গ্রাম থাকছে নতুন জেলার মধ্যে।”

    আরও পড়ুনঃ “ভারতের ইতিহাস বিকৃত করে আসল নায়কদের প্রতি অবিচার করা হয়েছে”, দাবি ধনখড়ের

    ডিসেম্বরে পরিদর্শনে আসবেন মোদি

    প্রতি ৬ বছর অন্তর কুম্ভ মেলার আয়োজন করা হয়। ২০১৯ সালে ছিল অর্ধকুম্ভ মেলা। অবশ্য ২০১৩ সালে ছিল পূর্ণকুম্ভ মেলা। এবার ১২ বছর পর ফের পূর্ণ মহাকুম্ভ মেলার আয়োজন করা হয়েছে। অন্যদিকে, প্রতি ১২টি পূর্ণকুম্ভের পর আসে মহাকুম্ভ মেলা (Maha Kumbh Mela)। আগামী বছরের কুম্ভমেলা পূর্ণকম্ভের সঙ্গেই হতে চলেছে মহাকুম্ভ মেলাও।  আগামী ১৩ জানুয়ারি থেকে ২৬ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত চলবে এই মেলা। মেলার প্রস্তুতি ঘিরে এখন থেকেই উত্তর প্রদেশ পুলিশের ব্যস্ততা ব্যপক তুঙ্গে। নিরাপত্তা আরও ব্যাপক জোরদার করা হয়েছে। ড্রোনের মাধ্যমে নজরদারি চলছে সব জায়গায়। মেলার প্রস্তুতি (Prayagraj) দেখতে ডিসেম্বরে পরিদর্শন করতে যাওয়ার কথা প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির।  

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Prayagraj: ২০২৫-এর মহাকুম্ভে ভক্তদের জন্য বিলাসবহুল স্লিপিং পডের ব্যবস্থা করছে যোগী প্রশাসন

    Prayagraj: ২০২৫-এর মহাকুম্ভে ভক্তদের জন্য বিলাসবহুল স্লিপিং পডের ব্যবস্থা করছে যোগী প্রশাসন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিশ্বের বৃহত্তম ধর্মীয় অনুষ্ঠান হল ভারতের মহাকুম্ভ মেলা (Maha Kumbh 2025)। প্রতি বারো বছর অন্তর প্রয়াগ, হরিদ্বার, উজ্জয়িনী ও নাসিকে পালিত হয় মহাকুম্ভ বা পূর্ণকুম্ভ। এছাড়া প্রতি ছয় বছর অন্তর হরিদ্বার ও প্রয়াগরাজে (Prayagraj) পালিত হয় অর্ধকুম্ভ। কুম্ভ মেলা প্রতি চারবছর অন্তর পালন করা হয়। ২০১৩ সালে মহাকুম্ভের আয়োজন করা হয়েছিল। আবার ২০২৫ সালে  প্রয়াগরাজ মহা কুম্ভমেলার আয়োজন করা হচ্ছে। সোমবার, উত্তরপ্রদেশ সরকার ঘোষণা করেছে যে প্রয়াগরাজ কুম্ভ মেলা ২০২৫-এ আগত ভক্তদের জন্য আরামদায়ক স্লিপিং পড চালু করা হবে। ভক্তদের এক স্বাচ্ছন্দ্যময় ও আরামদায়ক অভিজ্ঞতা প্রদান করার লক্ষ্যেই এই পদক্ষেপ করা হচ্ছে। আগত দর্শনার্থীদের জন্য শহরে বিশাল তাঁবুর ব্যবস্থা করা হবে। একই সঙ্গে উত্তরপ্রদেশে প্রথমবার আধুনিক স্লিপিং পড চালু করা হবে।

    কেন স্লিপিং পডের ভাবনা

    মহাকুম্ভের (Maha Kumbh 2025) সময় প্রয়াগে (Prayagraj) লক্ষ লক্ষ ভক্ত সমাগম হবে। এর জন্য এখন থেকেই শহরের বিভিন্ন হোটেলে ঘর ভাড়া নিয়ে রেখেছেন অগণিত মানুষ। তাই এবার স্লিপিং পডের কথা ভাবছে সরকার। এই কর্মসূচির জন্য রাজ্য পর্যটন বিভাগ ইতিমধ্যেই একটি বিস্তারিত রোডম্যাপ তৈরি করেছে। সব পরিকল্পনা ঠিকমতো চললে, শীঘ্রই ভক্তরা এই অত্যাধুনিক স্লিপিং পডগুলোতে থাকতে পারবেন। প্রয়াগরাজ জংশন রেলওয়ে স্টেশনে স্লিপিং পড আগেই চালু করা হয়েছে। এর জনপ্রিয়তার পর, কুম্ভ মেলার সময় ভক্ত এবং পর্যটকদের এই সুবিধা দেওয়ার কথা ভাবা হয়েছে।

    ভক্তদের কাছে বিপুল সাড়া

    প্রয়াগরাজের (Prayagraj) আঞ্চলিক পর্যটন কর্মকর্তা অপরাজিতা সিং, রবিবার, ২০ অক্টোবর, ঘোষণা করেছেন যে প্যারেড গ্রাউন্ডে একটি তাঁবু শহর (Maha Kumbh 2025) গড়ে তোলা হচ্ছে। এর আগে আরাইল এবং ঝুঁসি অঞ্চলে পাবলিক-প্রাইভেট পার্টনারশিপ (PPP) মডেলে দুইটি বিলাসবহুল তাঁবু শহর গড়ে উঠছে। পর্যটক এবং ভক্তদের কাছ থেকে এই সুবিধার ব্যাপক সাড়া পাওয়া যাচ্ছে। আরাইলের ২০০০ তাঁবুর মধ্যে ১৬০০ ইতিমধ্যেই সংরক্ষিত হয়েছে। ঝুঁসির দ্বিতীয় তাঁবু শহরে ৪০০ স্লিপিং পড থাকবে। রিপোর্ট অনুযায়ী, দরপত্র প্রক্রিয়া বর্তমানে চলছে এবং সমস্ত নিরাপত্তা শর্তাবলী পূরণ হলে কাজ সম্পন্ন করা হবে।

    স্লিপিং পড কী

    স্লিপিং পড হল এক ধরনের ক্ষুদ্র ক্যাপসুল আকৃতির ঘর যা আধুনিক প্রযুক্তি দ্বারা সজ্জিত। এই সুবিধাগুলির মধ্যে ফোন চার্জিং, ওয়াই-ফাই সুবিধা, লকার রুম এবং বিলাসবহুল শৌচাগারসহ আরও অনেক কিছু অন্তর্ভুক্ত থাকবে। প্রয়াগরাজে স্লিপিং পডের ধারণাটি ২০২৪ সালের জুলাই মাসে চালু করা হয়েছিল। বিজেপি নেত্রী রীতা বহুগুনা যোশী বিজেপি সরকারকে প্রশংসা করে বলেন যে ভারতে মাত্র দুটি স্লিপিং পড স্থাপন করা হয়েছে। উভয়ই মুম্বাইয়ে অবস্থিত, এখন তৃতীয়টি প্রয়াগরাজ, উত্তর প্রদেশে নির্মাণ করা হচ্ছে। মহাকুম্ভ শুরু হবে ১৪ জানুয়ারি ২০২৫-এ মকর সংক্রান্তির দিনে এবং শেষ হবে ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৫-এ মহা শিবরাত্রির দিনে। 

    কোথায় কোথায় স্লিপিং পড

    রিপোর্ট অনুযায়ী, দর্শনার্থীরা এই স্লিপিং পড ভাড়া নিতে পারবেন, যা ধর্মীয় সমাবেশের সময় তাদের অবস্থানকে আরও আরামদায়ক করে তুলবে। বিমানবন্দর লবি এবং রেলওয়ে স্টেশনগুলোতে স্লিপিং পড স্থাপনের পরিকল্পনা রয়েছে। মহাকুম্ভ ২০২৫ উপলক্ষে গড়ে ওঠা তাঁবু শহরটি প্রায় ৪০০০ হেক্টর জুড়ে বিস্তৃত, যা সঙ্গম, আরাইল এবং ফাফামাউ এর মধ্যে ২৫টি সেক্টরে বিভক্ত। এই ৪৫ দিনের মেলায় প্রায় ৪০ কোটি দর্শনার্থীকে আকৃষ্ট করার লক্ষ্যে এই তাঁবু শহরে সাধারণ থেকে বিলাসবহুল বিভিন্ন ধরনের বাসস্থানের ব্যবস্থা থাকবে। এর আগে, ৬ অক্টোবর সরকার বলেছিল যে, মহাকুম্ভ মেলা ২০২৫-এ অংশ নেওয়া ভক্তদের জন্য সমস্ত সুবিধা ১৫ ডিসেম্বরের মধ্যে প্রদান করা হবে। উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ আরও বলেছেন যে, সরকার এআই পদ্ধতি ব্যবহার করে নিরাপত্তা নিশ্চিত করছে।

    কী কী ভাবনা

    মহাকুম্ভ ২০২৫ (Maha Kumbh 2025) -এর প্রস্তুতি নিয়ে তিনি আরও বলেন যে উৎসবের সময় কোনও ভক্তকে ১ কিলোমিটারের বেশি হাঁটতে হবে না, শুধুমাত্র ৬ দিন, যার মধ্যে মকর সংক্রান্তি, মৌনি অমাবস্যা, মহাশিবরাত্রি, পৌষ পূর্ণিমা এবং মাঘী পূর্ণিমা অন্তর্ভুক্ত। ভক্তদের পরিবহণের সুবিধার্থে, সরকার ৭০০টির বেশি শাটল ইলেকট্রিক বাস সরবরাহ করবে। ২০২৫ সালের মহাকুম্ভের (Maha Kumbh 2025) প্রথম শাহি স্নান পালিত হবে ১৩ জানুয়ারি। সেদিন আবার পৌষ পূর্ণিমাও পালিত হবে। ১৪ জানুয়ারি মকর সংক্রান্তির শাহি স্নান পালিত হবে। ২৯ জানুয়ারি পালিত হবে মৌনী অমাবস্যার শাহী স্নান। এছাড়া ৩ ফেব্রুয়ারি পালিত হবে বসন্ত পঞ্চমীর শাহী স্নান ও তারপর ৮ ফেব্রুয়ারি অচলা সপ্তমী, ১২ ফেব্রুয়ারি অচলা সপ্তমী, ১২ ফেব্রুয়ারি মাঘী পূর্ণিমা ও ৮ মার্চ মহাশিবরাত্রির শাহি স্নান পালিত হবে। মোট ২১টি শাহি স্নান পালিত হবে মহাকুম্ভের সময়।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Mahakumbh 2025: মিলবে একাধিক সুবিধা থেকে পৌরাণিক জ্ঞান, জানুন মহাকুম্ভের ৩০ রত্নদ্বার সম্পর্কে

    Mahakumbh 2025: মিলবে একাধিক সুবিধা থেকে পৌরাণিক জ্ঞান, জানুন মহাকুম্ভের ৩০ রত্নদ্বার সম্পর্কে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গোটা বিশ্বের বৃহত্তম ধর্মীয় অনুষ্ঠান হল ভারতের মহাকুম্ভ মেলা। কুম্ভ মেলা প্রতি চার বছর অন্তর পালন করা হলেও প্রতি বারো বছর অন্তর পালিত হয় মহাকুম্ভ বা পূর্ণকুম্ভ (Mahakumbh 2025)। এছাড়া প্রতি ছয় বছর অন্তর হরিদ্বার ও প্রয়াগরাজে পালিত হয় অর্ধকুম্ভ। ২০১৩ সালে শেষবার মহাকুম্ভের আয়োজন করা হয়েছিল প্রয়াগরাজে। ১২ বছর পর ফের অনুষ্ঠিত হতে চলেছে মহাকুম্ভ। প্রসঙ্গত, হিন্দুধর্মে এই ধর্মীয় অনুষ্ঠানের বিশেষ গুরুত্ব রয়েছে, তেমনি জ্যোতিষশাস্ত্র অনুসারেও এই অনুষ্ঠানের আলাদা মর্যাদা রয়েছে। এই মহাকুম্ভের সঙ্গে মিশে রয়েছে জ্যোতিষশাস্ত্র, ধর্মীয় বিশ্বাস ও ভারতীয় সংস্কৃতি। জ্যোতিষশাস্ত্র অনুাসের, মেষ রাশির চক্রে বৃহস্পতি, সূর্য ও চন্দ্র মকর রাশিতে প্রবেশ করলে মহাকুম্ভ মেলার আয়োজন করা হয়। ২০২৫ সালের মহাকুম্ভ মেলা শুরু হচ্ছে ১৩ জানুয়ারি থেকে চলবে ২৬ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত। এই মহাকুম্ভ (Mahakumbh 2025) মেলাকে সাংস্কৃতিক-ঐতিহ্য-ধর্মীয়-ঐতিহাসিক-পৌরাণিকভাবে সাজিয়ে তোলার পরিকল্পনা শুরু করেছে যোগী সরকার।

    মহাকুম্ভে থাকবে ৩০টি বড় দ্বার

    এবারের মহাকুম্ভে (Mahakumbh 2025) তৈরি করা হবে ৩০টি বড় দ্বার। মেলা প্রাঙ্গণের প্রবেশদ্বারের মুখগুলিতেই তৈরি করা হচ্ছে প্রত্যেকটি গেট। সমুদ্রমন্থনের বিভিন্ন পৌরাণিক ঘটনা লিপিবদ্ধ করা থাকবে এই দ্বারগুলিতে। এই দ্বারগুলি দিয়ে — যাতায়াতের ব্যবস্থা থাকবে। পুণ্যার্থীরা সহজেই প্রবেশ-প্রস্থান করতে পারবেন। আবার, দিক-নির্দেশের চিহ্ন বা দিশা দেখানোর কাজ করতে পারবে এই দ্বারগুলি। একই সঙ্গে, তথ্য আদানপ্রদানেরও ব্যবস্থা থাকবে এই দ্বারগুলিতে। জানা গিয়েছে, প্রতিটি দ্বার পুরাণ বা পৌরাণিক আখ্যানের নিদর্শন বহন করবে। ৩০ দ্বার ৩০ রত্নের থিম নিয়ে নির্মিত হবে। প্রতিটি রত্নদ্বার ভারতের প্রাচীন ঐতিহ্য ও আধ্যাত্মিক তাৎপর্যের দ্বারা অনুপ্রাণিত হবে।

    ৫০ কোটি তীর্থযাত্রী আসতে পারেন বলে অনুমান (Pilgrims)

    যদি কোনও তীর্থযাত্রী কুম্ভ প্রাঙ্গণে হারিয়ে যান তাহলে এই গেটে পৌঁছানো মাত্রই, সেখানে থাকা কর্মীরা তাঁকে খুঁজে পেতে সাহায্য করবেন। এ বিষয়ে উত্তরপ্রদেশ সরকারের পর্যটন এবং সংস্কৃতি মন্ত্রী জয়বীর সিং জানিয়েছেন, এই গেটগুলি শুধুমাত্র প্রবেশদ্বার হিসেবেই গড়ে উঠছে না। এগুলি ভারতবর্ষের সংস্কৃতি এবং ইতিহাস ও পৌরাণিক ঘটনাগুলির প্রতিফলনও ঘটাবে। এর ফলে  মহাকুম্ভ মেলায় আসা তীর্থযাত্রীরা নিজেদেরকে সমৃদ্ধ করতে পারবেন। ঐতিহাসিক, সাংস্কৃতিক নানা ঘটনার মাধ্যমে প্রত্যেকটি প্রবেশদ্বারই হয়ে উঠবে একটি করে তথ্যভাণ্ডার। এখানেই তীর্থযাত্রীরা নিজেদের খাদ্য পানীয় ও বাসস্থানের বিষয়ে তথ্য পাবেন। শুধু তাই নয়, এগুলির মাধ্যমে তাঁরা নিজেদের প্রতিদিনকার ধর্মীয় আচার অনুষ্ঠানও করতে পারবেন। কত সংখ্যা হতে পারে ২০২৫ সালের মহাকুম্ভে? এ নিয়ে উত্তর প্রদেশ সরকারের পর্যটন মন্ত্রকের বক্তব্য হল, ২০২৫ সালের মহাকুম্ভে ৫০ কোটি তীর্থযাত্রীর ভিড় হতে পারে।

    ৩০টি গেটে মহাকুম্ভ (Mahakumbh 2025) মেলা সংক্রান্ত বিভিন্ন ছোট ছোট পুস্তিকা সরবরাহ করা হবে

    জানা গিয়েছে, ওই ৩০টি গেটে মহাকুম্ভ মেলা সংক্রান্ত বিভিন্ন ছোট ছোট পুস্তিকা সরবরাহ করা হবে। প্রত্যেক তীর্থযাত্রীকেই তা দেওয়া হবে। এগুলি, হিন্দি ও ইংরেজি ভাষাতে হবে। এই পুস্তিকাগুলিতে লেখা থাকবে, প্রয়াগরাজের বিভিন্ন আকর্ষণীয় পর্যটনস্থান সম্পর্কে। প্রত্যেক তীর্থযাত্রীকে এ বিষয়ে গাইডবুকও দেওয়া হবে বলে জানা গিয়েছে। শুধু তাই নয় প্রয়াগরাজের বিভিন্ন গেস্ট হাউসে কীভাবে থাকা যাবে, কীভাবে রেজিস্ট্রেশন করা যাবে- তাও এই গাইড বুকগুলির মাধ্যমে জানতে পারবেন তীর্থযাত্রীরা। উত্তরপ্রদেশের সংস্কৃতি মন্ত্রক আরও জানিয়েছে, যোগী সরকার তীর্থযাত্রীদের সমস্ত রকমের সুবিধা দিতে প্রস্তুত। ধনী-দরিদ্র নির্বিশেষে সকল তীর্থযাত্রীকে সমান সুযোগ সুবিধা দিতে প্রস্তুত রয়েছে যোগী সরকার।

    তীর্থযাত্রীদের যোগী সরকার দেবে সমস্ত সুযোগ-সুবিধা

    জানা গিয়েছে, প্রতিটি গেট বা প্রবেশদ্বারে কর্মীও মোতায়েন করা হবে এবং তাঁরা প্রতিদিনকার তথ্য সরবরাহ করবেন তীর্থযাত্রীদের। স্থানীয় পর্যটন শিল্পের প্রচারেরও কাজ করবেন তাঁরা। ওই ৩০টি প্রবেশদ্বারকে রক্ষণাবেক্ষণ করার দায়িত্বে থাকবেন বিশেষ প্রশিক্ষিত কর্মীরা। গেটগুলিতে থাকা প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত বিশেষ কর্মীরা মহাকুম্ভ মেলার বিভিন্ন আচার অনুষ্ঠান সম্পর্কে তীর্থযাত্রী তথা ভক্তদেরকে গাইড করবেন। তাঁদেরকে বিশদে বর্ণনা করবেন মহাকুম্ভ মেলায় পুণ্য স্নানের গুরুত্ব ঠিক কতখানি?  ২০২৫ সালের মহাকুম্ভ মেলাকে সবদিক থেকে আকর্ষণীয় করে তুলতে জোরকদমে প্রস্তুতি শুরু করে দিয়েছে যোগী সরকার। যাতে আগত তীর্থযাত্রীদের সমস্ত ধরনের সুযোগ-সুবিধা দেওয়া যায়। তাদের কোনওরকম অসুবিধা না হয়।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Kumbh Mela 2025: ২০২৫ সালে ফের বসছে মহা কুম্ভ মেলা, ঘোষণা হল শাহি স্নানের তারিখ

    Kumbh Mela 2025: ২০২৫ সালে ফের বসছে মহা কুম্ভ মেলা, ঘোষণা হল শাহি স্নানের তারিখ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সনাতন হিন্দু ধর্মের সবথেকে বড় ধর্মীয় উৎসব হল কুম্ভ মেলা (Kumbh Mela 2025)। প্রতি ৪ বছর অন্তর পালিত হলেও ১২ বছর পরপর মহাকুম্ভ মেলার আয়োজন হয়ে থাকে। এই মহাকুম্ভ পালিত হয় প্রয়াগ, হরিদ্বার, উজ্জয়িনী এবং নাসিকে। একযুগ পর আয়োজিত এই মহাকুম্ভকে বলা হয় ‘পূর্ণকুম্ভ’। তবে প্রতি ছয় বছর অন্তর অন্তর হরিদ্বার এবং প্রয়াগরাজে অর্ধকুম্ভ মেলা পালিত হয়। ১২ বছর পর ফের বসবে মহা কুম্ভ মেলা। প্রয়াগরাজ কুম্ভ মেলা কর্তৃপক্ষ এবং ১৩টি আখাড়ার দ্রষ্টারা ২০২৫ সালের মহা কুম্ভ মেলার শাহি স্নানের সময়সূচি জানিয়েছে।

    কবে হবে মহাককুম্ভ মেলা (Kumbh Mela 2025)?

    ২০১৩ সালে শেষ বারের জন্য মহাকুম্ভ মেলার (Kumbh Mela 2025) আয়োজন করা হয়েছিল উত্তর প্রদেশের এলাহাবাদে, যার বর্তমান নাম প্রয়াগরাজ। গঙ্গা, যমুনা এবং সরস্বতীর সঙ্গমস্থলে এই মেলার আয়োজন করা হয়েছিল। এই বারও ২০২৫ সালে পূর্ণকুম্ভের আয়োজন করা হবে। মহাকুম্ভ মেলা শুরু হবে ওই বছরের ২৯ জানুয়ারি এবং চলবে ৮ মার্চ পর্যন্ত। তিথি অনুযায়ী মেলার শাহি স্নান পালন করা হবে ৮ মার্চ। এই মহাকুম্ভের আয়োজন হতে চলেছে উত্তর প্রদেশের প্রয়াগরাজে।

    শাহি স্নানের তারিখ

    ২০২৫ সালের মহাকুম্ভ মেলার (Kumbh Mela 2025) প্রথম শাহি স্নান করার তারিখ হল ১৩ জানুয়ারি। উল্লেখ্য ওই দিন হল পৌষ পূর্ণিমা। মকর সংক্রান্তির শাহি স্নান পালিত হবে ২৯ জানুয়ারি। মৌনী অমাবস্যার স্নান পালিত হবে ৩ ফেব্রুয়ারি। বসন্ত পঞ্চমীর স্নান পালিত হবে ৮ ফেব্রুয়ারি। ১২ ফেব্রুয়ারি মাঘী পূর্ণিমার স্নান হবে। ৮ মার্চ মহাশিব রাত্রির শাহি স্নান করা হবে। মহাকুম্ভের সময়পর্বে মোট ২১টি শাহি স্নান পালিত হবে।

    হিন্দুধর্মে গুরুত্ব কুম্ভমেলা

    হিন্দুধর্ম মতে কুম্ভ মেলার (Kumbh Mela 2025) তাৎপর্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। জ্যোতিষশাস্ত্র অনুসারে এই কুম্ভের বিরাট তাৎপর্য রয়েছে। ভারতীয় সংস্কৃতি, জ্যোতিষশাস্ত্র এবং ধর্মীয় বিশ্বাস অনুসারে বিশেষ গণনা রয়েছে কুম্ভ মেলার তিথিতে। জ্যোতিষশাস্ত্র অনুসারে মেষ রাশি চক্রের বৃহস্পতি, সূর্য ও মকর রাশিতে প্রবেশ করলে মহাকুম্ভের আয়োজন করা হয়।

    গ্রহ, রাশি চক্রে কীভাবে কুম্ভ মেলা হয়?

    গ্রহ, রাশি চক্রের অবস্থান দেখে সূর্য এবং বৃহস্পতির অবস্থান দেখে মেলার আয়োজন হয়ে থাকে। বৃহস্পতি বৃষ রাশিতে এবং সূর্য মকর রাশিতে থাকলে প্রয়াগে কুম্ভ মেলা (Kumbh Mela 2025) অনুষ্ঠিত হয়। সূর্য মেষ রাশিতে থাকে এবং বৃহস্পতি কুম্ভ রাশিতে থাকলে হরিদ্বারে কুম্ভের আয়োজন হয়। আবার সূর্য এবং বৃহস্পতি সিংহ রাশিতে থাকলে মহাকুম্ভ নাসিকে অনুষ্ঠিত হয়। বৃহস্পতি যখন সিংহ রাশিতে এবং সূর্য মেষ রাশিতে থাকলে উজ্জয়িনীতে কুম্ভ আয়োজিত হয়।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • RSS: শাখার সংখ্যা নিয়ে যেতে হবে লাখে, কার্যকরী মণ্ডলের বৈঠকে পথ খুঁজছেন আরএসএস কর্তারা  

    RSS: শাখার সংখ্যা নিয়ে যেতে হবে লাখে, কার্যকরী মণ্ডলের বৈঠকে পথ খুঁজছেন আরএসএস কর্তারা  

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রবিবার শুরু হয়েছে রাষ্ট্রীয় স্বয়ং সেবক সংঘের (RSS) চারদিন ব্যাপী কার্যকরী মণ্ডলের বৈঠক। উত্তর প্রদেশের প্রয়াগরাজে (prayagraj) হচ্ছে ওই বৈঠক। সংঘের কাজকর্মের বিস্তার এবং কারেন্ট ইস্যু নিয়ে আলোচনা করবেন বৈঠকে অংশগ্রহণকারী প্রতিনিধিরা। এই বৈঠকে ইতিমধ্যেই উপস্থিত হয়েছেন সরসংঘ চালক মোহন ভাগবত (Mohan Bhagwat) ও সাধারণ সম্পাদক দত্তাত্রেয় হোসেবল। অনুষ্ঠানের উদ্বোধনও করেছেন তাঁরাই।

    জানা গিয়েছে, ৪৫টি প্রদেশ ও ১১টি জোনের প্রবীণ আধিকারিকরা যোগ দিয়েছেন প্রয়াগরাজের ওই বার্ষিক বৈঠকে। যোগ দিয়েছেন তাঁদের ডেপুটিরাও। সব মিলিয়ে উপস্থিত থাকার কথা ৩৭৭ জন প্রতিনিধির। বৈঠকে স্বাগত ভাষণ দেন হোসেবল। শ্রদ্ধা জানানো হয় প্রয়াত বিখ্যাত ব্যক্তিত্বদের। এঁদের মধ্যে ছিলেন দ্বারকাপীঠের জগৎ গুরু শঙ্করাচার্য স্বামী স্বরূপানন্দ মহারাজ, পাঁচপীঠাধীশ্বর আচার্য ধর্মেন্দ্র, দেশের ভূতপূর্ব প্রধান বিচারপতি আরসি লাহোটি, কমেডিয়ান রাজু শ্রীবাস্তব, শিল্পপতি সাইরাস মিস্ত্রি, আর্কিওলজিস্ট বিবি লাল এবং সমাজবাদী পার্টি প্রধান মুলায়ম সিং যাদব।  

    প্রথম দিনের আলোচনায় আরএসএসের (RSS) শাখা বিস্তারের বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। ২০২৫ সালে আরএসএসের শতবর্ষপূর্তি। তার মধ্যে গোটা দেশে শাখা বাড়ানোর বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। বর্তমানে আরএসএসের ৫৫ হাজার শাখা রয়েছে। ২০২৪ সালের মার্চ মাসের মধ্যে এই সংখ্যাটা বাড়িয়ে এক লাখে নিয়ে যেতে চাইছেন সংঘের কর্তাব্যক্তিরা।

    আরও পড়ুন: বর্ণ ও জাতিভেদ প্রথা লুপ্ত হোক, চান আরএসএস প্রধান মোহন ভাগবত

    এর আগে চলতি বছরের মার্চ মাসের ১১-১৩ তারিখে গুজরাটের পিরানায় প্রেরণা পীঠে অখিল ভারতীয় প্রতিনিধি সভার বৈঠক হয়। ওই বৈঠকে সংগঠনের বাৎসরিক ওয়ার্কি প্ল্যান তৈরি হয়েছিল। তখনই বলা হয়েছিল, ২০২২ সালে আরএসএসের (RSS) শাখার সংখ্যা বাড়িয়ে করতে হবে ৬০ হাজার ৯২৯। ২০২১ সালে এর সংখ্যা ছিল ৫৫ হাজার ৫৬২টি। এ থেকে এটা স্পষ্ট যে মাত্র এক বছরে আরএসএসের শাখার সংখ্যা বেড়েছে ৫ হাজার ২৭৭টি। ওই বৈঠকে পরবর্তী ছ মাসে আরএসএসের শাখার সংখ্যা ৪ হাজারের বেশি বাড়াতে বলা হয়েছিল। সব মিলিয়ে পরিকল্পনা রয়েছে ৬৫ হাজার করার।২০২৪ এর মধ্যে এক লক্ষ করতে হলে প্রয়োজন এই সময় সীমার মধ্যে আরও ৩৫ হাজার শাখা তৈরি। কীভাবে তা করা যায়, তা নিয়েও আলোচনা হয়েছিল ওই বৈঠকে। আরএসএসের (RSS) অখিল ভারতীয় প্রচার প্রমুখ সুনীল আম্বেকর জানান, সংঘের বিভিন্ন বৈঠকে দেশজুড়ে শাখার সংখ্যা কীভাবে আরও বাড়ানো যায়, তা নিয়ে আলোচনা হয়।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

  • Prayagraj Viral Video: গঙ্গা বক্ষেই হুকায় সুখটান, সঙ্গে কাবাব, ভিডিও ভাইরাল হতেই মামলা দায়ের প্রয়াগরাজে 

    Prayagraj Viral Video: গঙ্গা বক্ষেই হুকায় সুখটান, সঙ্গে কাবাব, ভিডিও ভাইরাল হতেই মামলা দায়ের প্রয়াগরাজে 

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গঙ্গা বক্ষেই চলছে উল্লাস। নৌকায় (Boat) হচ্ছে হুক্কা পার্টি (Hookah party), উনুন জ্বালিয়ে সেঁকা হচ্ছে কাবাব (kebab)। সম্প্রতি এমনই ভিডিও ভাইরাল হয়েছে। ঘটনাটি ঘটেছে উত্তরপ্রদেশের প্রয়াগরাজে (Prayagraj)। ভিডিও ভাইরাল হতেই ৮ ব্যক্তির বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করল (case filed) উত্তরপ্রদেশ (Uttarpradesh) পুলিশ।

    আরও পড়ুন: প্রকল্প ছিল কেন্দ্রের, রূপ দিয়েছিলেন তপতী গুহ-ঠাকুরতা, দুর্গাপুজোর ইউনেস্কো স্বীকৃতির নেপথ্যে এঁরাই?

    প্রয়াগরাজে (Prayagraj) গঙ্গা এবং যমুনার সঙ্গমস্থল হিন্দুদের কাছে তীর্থস্থান হিসেবে পরিচিত। প্রতিদিনই হাজার হাজার পুণ্যার্থীদের সমাগম হয় সেখানে। সেখানেই দেখা যায়, একটি নৌকায় চড়ে রীতিমতো ‘মোচ্ছব’ করছেন ৮ ব্যক্তি। কেউ কেউ ওই পবিত্র নদীর ওপর হুঁকো টানেন, মুরগির মাংসের কাবাবও খেতে দেখা যায় অনেককে। 
     

    ধর্মীয় স্থানে এমন ঘটনায় ধর্ম বিশ্বাসে আঘাতের অভিযোগে ওই ৮ জনের বিরুদ্ধে মামলা রুজু করেছে পুলিশ। এদের মধ্যে ২ জনের নাম ও পরিচয় জানা গিয়েছে। বাকি ৬ জনের পরিচয় জানার চেষ্টা চালাচ্ছে পুলিশ। যেই দুজনের পরিচয় জানা গিয়েছে তাঁদের পরিচয়ও নিরাপত্তার স্বার্থে প্রকাশ্যে আনেনি পুলিশ। ঠিক কোন জায়গায় ভিডিওটি শ্যুট করা হয়েছিল, সেটা এখনও জানা যায়নি। দারাগঞ্জ এলাকায় গঙ্গার কোনও একটি ঘাটে ভিডিওটি শ্যুট করা হয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে।

    আরও পড়ুন: দত্যাগ করছেন না হেমন্ত সোরেন! রাজ্যপালের সঙ্গে বৈঠকের পর সিদ্ধান্ত জানাল ঝাড়খণ্ডের শাসকজোট      
     
    প্রয়াগরাজের পুলিশ প্রধান শৈলেশ পান্ডে এ বিষয়ে বলেন,”ভিডিওতে স্পষ্টই হুঁকো এবং আমিষ খাবার খেতে দেখা যাচ্ছে। আমরা খুব শিগগিরই সকলকে গ্রেফতার করার চেষ্টা করছি। তাদের কড়া শাস্তির ব্যবস্থা করা হবে।” 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।  

LinkedIn
Share