Tag: Purulia

Purulia

  • Purulia:  লোকসভা ভোটের মুখে পুরুলিয়ায় বিজেপি কর্মী খুন! অভিযুক্ত তৃণমূল

    Purulia: লোকসভা ভোটের মুখে পুরুলিয়ায় বিজেপি কর্মী খুন! অভিযুক্ত তৃণমূল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিজেপির যুবনেতার ঝুলন্ত দেহ উদ্ধারের ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়াল। শুক্রবার ঘটনাটি ঘটেছে পুরুলিয়ার (Purulia) কাশীপুর থানার জোড়থল গ্রামে। পুলিশ জানিয়েছে, মৃত যুবকের নাম হরনাথ মণ্ডল (২২)। বাড়ির কাছের একটি গাছে তাঁর ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার হয়। মৃত যুবকের মুখে কাপড় গোঁজা ছিল। বিজেপির দাবি, লোকসভা ভোটের মুখে দলের যুবনেতাকে খুন করে গাছে ঝুলিয়ে দেওয়া হয়েছে। পুলিশ মৃতদেহটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য দেবেন মাহাতো মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠিয়েছে। বিজেপির জেলা নেতৃত্বের দাবি, মৃত হরনাথ দলের যুবমোর্চার মণ্ডল সম্পাদক ছিলেন।

    কী বললেন পরিবারের লোকজন? (Purulia)

    দলের যুবনেতার মৃত্যুর খবর পেয়ে গ্রামে যান পুরুলিয়ার (Purulia)  বিজেপি প্রার্থী জ্যোতির্ময় সিং মাহাতো ও বিভাগ আহ্বায়ক বিদ্যাসাগর চক্রবর্তী-সভ অন্য নেতারা। তাঁরা মৃত যুবকের পরিবারের সঙ্গে কথা বলেন। মৃতের বাবা মনসারাম মণ্ডল বলেন, ‘আমার ছেলে বাঁকুড়ার গঙ্গাজলঘাঁটিতে কাজ করত। বাড়ি থাকলে বিজেপির সঙ্গে ঘোরাঘুরি করত। আজ সকালে গলায় গামছা জড়ানো মৃত অবস্থায় ছেলেকে পাওয়া গিয়েছে। কীভাবে ছেলের মৃত্যু হয়েছে, জানি না। আমরা চাই, পুলিশ ঘটনার তদন্ত করুক।’ মৃতের ভাই শচীন মণ্ডল বলেন, ‘গাছে ঝুলন্ত অবস্থায় দাদার দেহ পাওয়া গিয়েছে। মৃতদেহের অবস্থান দেখে আমাদের অনেক কিছু সন্দেহ হচ্ছে। আমরা ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানাচ্ছি।’

    আরও পড়ুন: নিয়োগ দুর্নীতিতে মন্ত্রীর বাড়িতে ১৪ ঘণ্টা তল্লাশি ইডি-র, বাজেয়াপ্ত জমির দলিল-নথিপত্র

    শুরু হয়েছে রাজনৈতিক তরজা

    বিজেপি জেলা সভাপতি বিবেক রাঙা বলেন, “হরনাথ আমাদের দলের যুব সংগঠনে নেতা ছিলেন। দলের হয়ে ভালো কাজ করছিলেন। স্থানীয় মানুষের দেওয়া বিবরণ অনুযায়ী, হরনাথের মৃত্যুর ঘটনাটি আমাদের কাছে অত্যন্ত সন্দেহজনক। ভোটের আগে আমাদের যুব নেতাকে খুন করেছে। তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরা জড়িত রয়েছে। আমরা অতীতে বহুবার এমন ঘটনার সম্মুখীন হয়েছি। আমরা ঘটনার প্রকৃত তদন্তের দাবি জানাচ্ছি।” শাসকদল তৃণমূল সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করেছে। পুরুলিয় (Purulia) লোকসভা কেন্দ্রের তৃণমূল প্রার্থী শান্তিরাম মাহাতো বলেন, ‘যে কোনও মৃত্যুই দুঃখজনক। তাই বলে যে কোনও ঘটনায় রাজনৈতিক রং লাগানো উচিত নয়।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Purulia: রক্ষকই ভক্ষক! আদিবাসী তরুণীর শ্লীলতাহানি, কাঠগড়ায় পুলিশ

    Purulia: রক্ষকই ভক্ষক! আদিবাসী তরুণীর শ্লীলতাহানি, কাঠগড়ায় পুলিশ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পুরুলিয়ায় (Purulia) আদিবাসী তরুণীকে শ্লীতাহানির করার অভিযোগ পুলিশেরই বিরুদ্ধে। বাড়িতে ঢুকে মারধর এবং টাকা ছিনিয়ে নেওয়া হয় বলেও অভিযোগ করা হয়েছে। ঘটনার জেরে ক্লোজ করা হয়েছে কোটশিলা থানার এক পুলিশ আধিকারিককে। ইতিমধ্যেই শুরু হয়েছে বিভাগীয় তদন্ত প্রক্রিয়া। অপর দিকে তরুণীর সঙ্গে দেখা করেছেন পুরুলিয়ার বিজেপি সাংসদ জ্যোতির্ময় সিং মাহাত এবং সেই সঙ্গে শাস্তির দাবি জানিয়েছেন তিনি। ঘটনায় জেলায় ব্যাপক শোরগোল পড়েছে।

    মূল অভিযোগ কী (Purulia)?

    অভিযোগ জানিয়ে তরুণী বলেন, “রাত সাড়ে দশটা নাগাদ কোটশিলা থানার (Purulia) এক আধিকারিক এবং আরও দুজন আমাদের বাড়িতে ঢোকেন। এরপর ঘরে মদ রয়েছে বলে মিথ্যা অভিযোগ করে আমাকে মারধর করা হয়। আমাদের ঘরে রাখা টাকাও তুলে নিয়েছেন তাঁরা। আমরা বিচার চাই।” সেই সঙ্গে অভিযোগপত্রে তরুণী আরও বলেন, “আমার সঙ্গে অত্যন্ত দুর্ব্যবহার করা হয়। সেই সঙ্গে আমার শ্লীলতাহানির চেষ্টা করা হয়। থানার বড়বাবু আমাকে বলেন, “নিচু জাতির মেয়ে, তোরা অনেক বেড়ে গিয়েছিস। এই ভাবে তোদের জব্দ করব। থানায় গিয়ে জানালে আবার এই ভাবে এসে মারবো।”

    বিজেপির অভিযোগ

    এই ঘটনায় পুরুলিয়ার বিজেপি সাংসদ জ্যোতির্ময় সিং মাহাত বলেন, “গত রবিবার রাতে তরুণীর বাড়িতে গিয়ে বেধড়ক মারধর করে পুলিশ। বাড়ি থেকে চল্লিশ হাজার টাকা ছিনতাই করেছে পুলিশ। বাড়িতে মদ রাখার মিথ্যা অভিযোগ তুলে এই ধরনের অভব্য আচরণ করা হয়। আমরা অভিযুক্ত পুলিশ অফিসারের শাস্তি চাই। রক্ষকই ভক্ষের ভূমিকা পালন করছে।”

    পুলিশের বক্তব্য

    মঙ্গলবার থেকে ঘটনায় ব্যবস্থা গ্রহণের চাপ তৈরি হওয়ায় তদন্ত শুরু হয়। জেলার পুলিশ সুপার (Purulia) অভিজিৎ বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, “ঘটনার কথা জানতে পেরেই আমরা অ্যাডিশনাল এসপিকে তদন্তের জন্য পাঠিয়েছি। অভিযোগ পাওয়ার পর থেকেই অভিযুক্ত পুলিশকে ক্লোজ করা হয়েছে। লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে ইতিমধ্যে। আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।” যদিও ঘটনায় তৃণমূলের কোনও প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Purulia: ছুটির লোভ! প্রথম শ্রেণির পড়ুয়াকে থেঁতলে খুন করল অষ্টম শ্রেণির পড়ুয়া, শোরগোল

    Purulia: ছুটির লোভ! প্রথম শ্রেণির পড়ুয়াকে থেঁতলে খুন করল অষ্টম শ্রেণির পড়ুয়া, শোরগোল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রথম শ্রেণির ছাত্রকে পাথর দিয়ে মাথা থেঁতলে খুন করার অভিযোগ ওঠে স্কুলেরই অষ্টম শ্রেণির এক পড়ুয়ার বিরুদ্ধে। হাড়হিম করা ঘটনাটি ঘটেছে পুরুলিয়ার (Purulia) মানবাজার থানার জবলার ঘাসতোড়িয়া সারদা শিশু মন্দির আবাসিক স্কুলে। ছুটির লোভে ‘খুনের’ পরিকল্পনা সাজায় অষ্টম শ্রেণির পড়ুয়া। টার্গেট করে প্রথম শ্রেণির এক পড়ুয়াকে। খুনের অভিযোগের ভিত্তিতে অভিযুক্তকে আটক করে হোমে পাঠানো হয়েছে। এই ঘটনায় স্কুল শিক্ষক ও অভিভাবকরা তাজ্জব হয়ে গিয়েছেন।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (Purulia)

    স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, গত ৩০ জানুয়ারি বিকেলে পুরুলিয়ার (Purulia) মানবাজার থানার আবাসিক স্কুলের  হস্টেল সংলগ্ন মাঠে খেলা করতে গিয়েছিল প্রথম শ্রেণির ওই পড়ুয়া। তারপর থেকেই রহস্যজনকভাবে নিখোঁজ হয়ে যায়। পরে, হস্টেল সংলগ্ন পুকুর থেকে ওই শিশুর রক্তাক্ত দেহ উদ্ধার হয়। শিশুকে তড়িঘড়ি উদ্ধার করে প্রথমে মানবাজার প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্র এবং পরে পুরুলিয়া সদর হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসকেরা তাকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। শিশুর নাক, মুখে ক্ষতচিহ্ন থাকায় ঘটনাটি খুন হিসাবে সন্দেহ হয় সকলের। ৩১ জানুয়ারি দেহের ময়নাতদন্ত হয় পুরুলিয়া মেডিক্যাল কলেজে। ঘটনার তদন্তের দাবি জানিয়ে পুলিশের দ্বারস্থ হয় মৃত শিশুর পরিবার। অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ তদন্তে নেমে ৫ ফেব্রুয়ারি ওই বিদ্যালয়েরই অষ্টম শ্রেণির এক ছাত্রকে আটক করে। প্রথমে তাকে পুরুলিয়ার শিমুলিয়া আনন্দমঠ জুভেনাইল জাস্টিস বোর্ডের কাছে তোলা হয়। পরে সেখান থেকে হুগলির কল্যাণ ভারতী হোমে পাঠানো হয়। পুলিশ জানিয়েছে, জেরার মুখে অষ্টম শ্রেণির ওই ছাত্র ভেঙে পড়ে প্রথম শ্রেণির পড়ুয়াকে খুনের কথা কবুল করে।

    পুলিশি জেরায় ধৃত পড়ুয়া কী সাফাই দিয়েছে?

    স্কুলে কেউ মারা গেলে ছুটি পাওয়া যেতে পারে বলে জানতে পেরেছিল অষ্টম শ্রেণির পড়ুয়া। বেশ কিছুদিন ধরেই সে ছক কষেছিল। এরপর প্রথম শ্রেণির এক পড়ুয়াকে সে খুন করার পরিকল্পনা করে। মূলত, স্কুলে ছুটি পেতেই প্রথম শ্রেণির পড়ুয়াকে সে খুন করে। পুলিশি জেরায় অষ্টম শ্রেণির পড়ুয়া সেকথা জানিয়েছে। ঘটনার তদন্ত চলছে বলে পুলিশ জানিয়েছে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Purulia: ৩ ফেব্রুয়ারি হবে ঝালদা পুরপ্রধানের নির্বাচন, নির্দেশ দিল হাইকোর্ট

    Purulia: ৩ ফেব্রুয়ারি হবে ঝালদা পুরপ্রধানের নির্বাচন, নির্দেশ দিল হাইকোর্ট

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অবশেষে সকল জল্পনার অবসান ঘটালো আদালত। পুরুলিয়ার (Purulia) ঝালদা পুরপুধান নির্বাচন হবে আগামী মাসের ৩ ফেব্রুয়ারি। বর্তমানে পুরসভার কাজ দেখাশোনা করবেন ঝালদা মহকুমা শাসক। পুরভোটের পর থেকেই এই পুরসভাকে ঘিরে ব্যাপক উত্তেজনা ছড়িয়েছিল। একজন কংগ্রেস কাউন্সিলরের মৃত্যুকে ঘিরে রাজ্য জুড়ে রাজনীতির অন্দরমহলে ব্যাপক শোরগোল পড়ে গিয়েছিল।

    তৃণমূল পুরপ্রধান অপসৃত হয়েছিলেন (Purulia)

    এই জানুয়ারি মাসের গত ১৭ তারিখ ঝালদা (Purulia) পুরপ্রধান শিলা চট্টোপাধ্যায়কে অপসারণ করেন দলের পাঁচ তৃণমূল কাউন্সিলর এবং দুই কংগ্রেস কাউন্সিলর। কংগ্রেস এবং তৃণমূল কংগ্রেসের ৭-০ ভোটে পরাজিত হন আগের পুরপ্রধান। এরফলে ঝালদা পুরসভায় ব্যাপক উত্তেজনা ছড়িয়েছিল। তৃণমূলের একাংশের দাবি ছিল পদ থেকে চ্যুত হলেও চেয়ার ধরে বসেছিলেন রত্না। যে তলবি সভায় অপসারণের কথা বলা হয় সেই সভাকে বৈধ বলেননি রত্না। তাঁর যুক্তি ছিল ওই তলবি সভার আগেই ২৭ জানুয়ারি তলবি সভার বিজ্ঞপ্তি ডেকা হয়েছিল। অবশ্য এই তলবি সভার বিজ্ঞপ্তির দিকে কেউ গুরুত্ব দেয়নি। ফলে ঝালদা পুরসভার মধ্যে তৃণমূল দল, তৃণমূল কাউন্সিলর এবং পুরপ্রধানকে নিয়ে ব্যাপক বিড়ম্বনার মধ্যে পড়েছে।

    পুরসভার বিরোধী দলনেতা মামলা করেন কোর্টে

    ঝালদা (Purulia) পুরসভার শাসক দল তৃণমূলের কাউন্সিলার এবং কংগ্রেসের দ্বারা পুরপ্রধান পদচ্যুত হন। এরপর পুরপ্রধান নির্বাচনের জন্য মহকুমা শাসকও তেমন ব্যবস্থা নিচ্ছিলেন না। অবশেষে পুরসভার বিরোধী দলনেতা কংগ্রেস কাউন্সিলর বিপ্লব কয়াল হাইকোর্টে এই বিষয় নিয়ে মামলা করেন। সেই মামলার শুনানিতে বৃহস্পতিবার বিচারপতি রাজশেখর মান্থা নির্দেশ দিয়ে বলেন যে আগামী ৭ দিন পর অনাস্থা আনা সাত সদস্যের মধ্যে যে কোনও তিনজন পুরপ্রধান নির্বাচনের জন্য বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করবেন। তার পরেই ৩ ফেব্রুয়ারি নির্বাচনের দিন নির্ধারণ করেছেন অনাস্থা আনা কাউন্সিলররা।

    কংগ্রেস কাউন্সলের বক্তব্য

    ঝালদা (Purulia) পুরসভার বিরোধী দলনেতা তথা কংগ্রেস কাউন্সিলর বিপ্লব কয়াল বলেন, “হাইকোর্টে আমার পিটিশনের ভিত্তিতে বিচারপতি নির্দেশ দিয়ে বলেছেন, অনাস্থা আনা কাউন্সিলরদের মধ্যে তিনজন পুরপ্রধান নির্বাচনের দিন ধার্য করবেন। সেই নির্দেশকে মাথায় রেখে আমরা আগামী ৩ ফেব্রুয়ারি পুরপ্রধান নির্বাচনের দিন ঠিক করেছি।”   

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Purulia: মরণোত্তর পদ্মশ্রী সম্মান মুখোশ শিল্পী নেপালচন্দ্র সূত্রধরকে, খুশির মাঝেও আক্ষেপ পরিবারে

    Purulia: মরণোত্তর পদ্মশ্রী সম্মান মুখোশ শিল্পী নেপালচন্দ্র সূত্রধরকে, খুশির মাঝেও আক্ষেপ পরিবারে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মরণোত্তর পদ্মশ্রী সম্মানে ভূষিত করা হল পুরুলিয়ার (Purulia) মুখোশ শিল্পী প্রয়াত নেপালচন্দ্র সূত্রধরকে। নিজের জীবন দিয়ে ছৌ নাচের মুখোশ নির্মাণের শিল্পে বিশেষ অবদান রেখে গিয়েছেন তিনি। এটা তারই স্বীকৃতি। ভারত সরকারের ২০২৪ সালের পদ্মশ্রী সম্মানে ভূষিত হয়েছেন তিনি। এই খবরে পরিবারের মধ্যে ব্যাপক উচ্ছ্বাস। কিন্তু সেই সঙ্গে রয়েছে আক্ষেপও।

    মাত্র ৮ বছর বয়স থেকে মুখোশ বানাতেন (Purulia)

    নেপালচন্দ্র সূত্রধর পুরুলিয়ার (Purulia) চড়িদা গ্রামের বাসিন্দা ছিলেন। মাত্র আট বছর বয়স থেকে নিজের হাতে ছৌ নাচের মুখোশ নির্মাণের কাজ করতেন। তাঁর নির্মিত মুখোশ দেশে-বিদেশে ব্যাপক সমাদৃত হয়েছিল। পরিবারে গত তিন পুরুষ ধরে এই মুখোশ বানানোর কাজ চলে বলে জানা গিয়েছে। একাধিক জাতীয় এবং আন্তর্জাতিক কর্মশালায় প্রশিক্ষকের কাজ করেছেন তিনি। তাঁর মৃত্যুর পর এই সম্মাননাতে পরিবারের মধ্যে খুশি সবাই। কিন্তু সেই সঙ্গে যিনি এই সম্মাননার অধিকারী, তিনি আজ এই পৃথিবীতে নেই, এটা ভেবেই আক্ষেপের সুর পরিবারের সদস্যদের মধ্যে।

    ২০২৩ সালের নভেম্বরে মৃত্যু হয়েছিল তাঁর

    পুরুলিয়ার (Purulia) এই খ্যাতনামা শিল্পী ছৌ নাচের মুখোশ নির্মাণে বিরাট পারদর্শী ছিলেন। অপরূপ চোখ ধাঁধানো মুখোশ নির্মাণে ব্যাপক সুখ্যাতি অর্জন করেছিলেন। তিনি গত ২০২৩ সালের নভেম্বর মাসে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। এবার এই শিল্পীকে মরণোত্তর পদ্মশ্রী সম্মানে ভূষিত করল ভারত সরকার।

    পরিবারের বক্তব্য

    উল্লেখ্য ছৌ নাচ হল পুরুলিয়ায় (Purulia) খুব বিখ্যাত একটি লোকনৃত্য শিল্প। দেশে-বিদেশে এই লোকনৃত্য ব্যাপক জনপ্রিয়তা অর্জন করেছে। নেপালচন্দ্র সূত্রধরের নাতি জয়ন্ত সূত্রধর বলেন, “আমরা দাদুর এই সম্মানে পরিবারের পক্ষ থেকে বিশেষভাবে খুশি। দাদু আজ জীবিত থাকলে এই সম্মানে আমরা আরও বেশি আনন্দিত হতাম।” এলাকাবাসীর বক্তব্য, “ছৌ নাচের জন্য এই মুখোশ একান্ত অপরিহার্য। নেপালবাবু এই মুখোশের জন্য অত্যন্ত পরিচিত ছিলেন। গ্রামের এই শিল্পী হিসাবে তাঁর সম্মান জেলাবাসীর কাছে শিল্পীর মুকুটে নয়া পালকের সমতুল্য।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Purulia: স্কুল-ইউনিফর্ম পরে মাঠে ঘাস খাচ্ছে ছাগল! তৃণমূলের রাজত্বে এও দেখতে হল গ্রামবাসীদের

    Purulia: স্কুল-ইউনিফর্ম পরে মাঠে ঘাস খাচ্ছে ছাগল! তৃণমূলের রাজত্বে এও দেখতে হল গ্রামবাসীদের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যে স্কুল ইউনিফর্মের কী দশা! যে পোশাক পরার কথা ছাত্রদের, তা পরে ঘাস খাচ্ছে একাধিক ছাগল। সরকারি স্কুলে ছাত্র-ছাত্রীদের জন্য দেওয়া হয়েছে স্কুলের ড্রেস। কিন্তু স্কুল শিক্ষকদের উদাসীনতার কারণে এমনই চিত্র দেখা গেল। পুরুলিয়ার (Purulia) বাঘমুন্ডির নিম্ন বুনিয়াদি বিদ্যালয়ে এই ঘটনা ঘটেছে। ফলে এলাকায় তীব্র শোরগোল পড়েছে। জেলায় জেলায় স্কুলে ছাত্রদের সঠিক অনুপাতে শিক্ষকের অভাব একটা বড় সমস্যা এই রাজ্যে। এছাড়াও রয়েছে স্কুলের সঠিক পরিকাঠামোর অভাব, নেই শৌচালয়, নেই ক্লাসরুম। বাঁকুড়া, দক্ষিণ ২৪ পরগনার একাধিক এলাকায় স্কুলঘরের অভাবে অনেক স্কুলের ক্লাস হয় গাছতলায়। এবার স্কুলের ড্রেস নিয়েও চূড়ান্ত অবহেলার চিত্র ফুটে উঠল।

    এলাকাবাসীর অভিযোগ কী (Purulia)?

    পুরুলিয়ার (Purulia) বাগমুন্ডি স্কুলে এই চাঞ্চল্যকর দৃশ্য উঠে আসতেই এলাকার মানুষের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ লক্ষ্য করা গিয়েছে। এলাকার চানোর এক বাসিন্দা দিলীপ প্রামাণিক বলেন, “প্রাতঃ ভ্রমণে বেরিয়ে দেখি, গ্রামের এক বাসিন্দা একদল ছাগলকে নিয়ে মাঠে গিয়েছে। আর সবকটি ছাগলের গায়ে রয়েছে সরকারি স্কুল পড়ুয়াদের পোশাক। এই ঘটনার জন্য স্কুলের উদাসীনতাই একমাত্র দায়ী।” এই প্রসঙ্গে তিনি আরও বলেন, “সরকারি স্কুলের পড়ুয়াদের জন্য বিভিন্ন ধরনের সুযোগসুবিধা দিচ্ছে সরকার। কিন্তু শিক্ষকেরা পোশাকের ব্যবহার ঠিকভাবে করছেন না। এই জন্যই স্কুলের পড়ুয়ারা সঠিক সময়ে স্কুলের ড্রেস পাচ্ছে না। এই সবটাই ঘটেছে বাগমুন্ডি নিম্ন বুনিয়াদি বিদ্যালয়ের শিক্ষক মলয়রঞ্জন মাজির জন্যই। অভিযুক্ত শিক্ষকের বিরুদ্ধে শাস্তির দাবি জানাই।”

    স্কুল প্রধান শিক্ষকের বক্তব্য

    স্কুলের (Purulia) প্রধান শিক্ষক মলয়রঞ্জন মাজি অবশ্য অভিযোগ পুরোপুরি অস্বীকার করেন। তিনি বলেন, “এই নীল রঙের জামাগুলি হচ্ছে স্কুলের পুরাতন পোশাক। এখন স্কুলের জামার রং সাদা করা হয়েছে। কিন্তু স্কুল পড়ুয়ার গায়ের এই জামা কীভাবে ছাগলের গায়ে এল, সেই সম্পর্কে আমি কিছু জানি না।” অপর দিকে ছাগলের মালিক জানিয়েছে, স্কুলের “কোনও শিক্ষক এই ড্রেস দিয়ে যায়নি। তাছাড়া তাদের সন্তানরাও ওই স্কুলে পড়াশুনা করে না।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Purulia: মমতার রাজত্বে এ কী হাল! গঙ্গাসাগর মেলায় যাওয়ার পথে সাধুদের ওপর হামলা, গাড়ি ভাঙচুর

    Purulia: মমতার রাজত্বে এ কী হাল! গঙ্গাসাগর মেলায় যাওয়ার পথে সাধুদের ওপর হামলা, গাড়ি ভাঙচুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গঙ্গাসাগরগামী তিন সাধুর আক্রান্ত হওয়ার ঘটনায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়ে রাজ্যে। চাঞ্চল্যকর ঘটনাটি ঘটেছে পুরুলিয়ার (Purulia) কাশিপুরে। উত্তরপ্রদেশ থেকে আসা তিন সাধুর ওপর হামলা চালানো হয়। ভাঙচুর চালানো হয় তাঁদের গাড়িতে। পরে, কাশিপুর থানার পুলিশ তাদের উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়। বিজেপি সাংসদ তথা বিজেপির রাজ্য সাধারণ সম্পাদক জ্যোতির্ময় সিং মাহাতো শুক্রবার রাত্রে কাশিপুরে গিয়ে থানা থেকে তিন সাধুকে নিজের বাসভবনে নিয়ে আসেন। শনিবার তাদের পুরুলিয়ার চকবাজারের বড় কালী মন্দিরে নিয়ে গিয়ে সসম্মানে গঙ্গাসাগরের উদ্দেশ্যে পাঠানোর উদ্যোগ নেওয়া হয় বলে জেলা বিজেপি সূত্রে খবর।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে?

    স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, আক্রান্ত তিন সাধু উত্তরপ্রদেশ বেরিলির বাসিন্দা। সেখান থেকেই একটি গাড়ি করে বাংলায় এসেছিলেন। তাঁদের যাওয়ার কথা গঙ্গাসাগরে। সেখানে যাওয়ার পথে রাঁচির জগন্নাথ মন্দির দর্শন করেন তাঁরা। এরপর পুরুলিয়ায় (Purulia) ঢোকেন। কাশিপুরের কাছে গোবরডিঙ্গা গ্রামে আনোয়ার নামে এক সিভিক ভলান্টিয়ার গুজব তৈরি করে এলাকার মানুষদের খেপিয়ে দেন বলে অভিযোগ। এরপরই তিন সাধুর ওপর হামলা চালানো হয়। তাঁদের লাঠিপেটা করা হয়। তাঁদের উপর শারীরিকভাবে চরম নির্যাতন চালানো হয় বলে অভিযোগ। তাঁদের সঙ্গে থাকা গাড়িও ভাঙচুর করা হয়। আক্রান্ত সাধুরা চরম আতঙ্কিত হয়ে পড়েন। যদিও পুলিশ জানতে পেরে আক্রান্ত সাধুবাবাদের উদ্ধার করে কাশিপুর থানায় নিয়ে যায়।

    আমাদের পিটিয়ে মেরে ফেলত, বললেন আক্রান্ত সাধুবাবা

    আক্রান্ত সাধুবাবা মধুর মহারাজ বলেন, আমরা কোনও ভাষা বুঝতে পারছিলাম না। তাঁর আগেই আমাদের ওপর হামলা চালানো হয়। পুলিশ কয়েক মিনিট দেরি করে ঘটনাস্থলে আসলে ওরা আমাদের পিটিয়ে মেরে দিত। আমাদের কী দোষ তা আমরা বুঝতেই পারিনি। অকারণে আমাদের ওপর ওরা হামলা চালাল। গাড়ি ভাঙচুর করা হল।

    মুখ্যমন্ত্রীকে কাঠগড়ায় দাঁড় করিয়ে ট্যুইট করলেন অমিত মালব্য

    এই ঘটনার পর জেলা বিজেপি নেতৃত্ব আইন শৃঙ্খলা নিয়ে সরব হয়। মাফিয়াদের কাছে সাধু সন্তরাও নিরাপদ নন বলে দাবী করেন। সাংসদ জ্যোতির্ময় সিং মাহাত বলেন, শেখ আনোয়ারের নেতৃত্বে এই গুজব ছড়িয়ে সাধুদের ওপর হামলা চালানো হয়েছে। এক তৃণমূল নেতাও সোশ্যাল মিডিয়ায় প্ররোচনামূলক পোস্ট করেছেন। তাঁর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। গেরুয়া পোশাক পড়ে আছে বলেই বিজেপি তকমা দিয়ে পরিকল্পিতভাবে এই হামলা হয়েছে। বিজেপি-র রাজ্যের দায়িত্বপ্রাপ্ত নেতা তথা আইটি সেলের সর্বভারতীয় ইনচার্জ  অমিত মালব্য মমতার পুলিশের কড়া সমালোচনা করেন। আনোয়ার নামে এই সিভিক ভলান্টিয়ারের নেতৃত্ব এই হামলা হয়েছে বলে ট্যুইটও করেন।

     

     

    তৃণমূলের জেলা সভাপতি কী বললেন?

    জেলা তৃণমূল সভাপতি সৌমেন বেলথরিয়া অবশ্য এই ঘটনায় পুলিশের ভূমিকার প্রশংসা করেন। তিনি বলেন, আমাদের দল এই ঘটনাকে সমর্থন করে না। সাধুদের পুলিশ রক্ষা করেছে। না হলে আরও বড় ঘটনা ঘটতে পারত। বিজেপি এই ঘটনাকে নিয়ে রাজনীতি করার চেষ্টা করছে।

    জেলা পুলিশ সুপারের কী বক্তব্য?

    পুরুলিয়ার (Purulia) পুলিশ সুপার অভিজিৎ বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, গুজবকে কেন্দ্র করেই সাধুদের ওপর হামলা হয়। পুলিশ গিয়ে উদ্ধার করে। এই ঘটনায় জড়িত সন্দেহে ১২জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। আর কারা জড়িত রয়েছে, তাদের খোঁজে তল্লাশি চলছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Central Team: কনকনে শীতে খালি পায়ে পড়ুয়ারা, স্কুলে গিয়ে দেখল কেন্দ্রীয় দল

    Central Team: কনকনে শীতে খালি পায়ে পড়ুয়ারা, স্কুলে গিয়ে দেখল কেন্দ্রীয় দল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পড়ুয়াদের পোশাক ও জুতো বিনামূল্যে দেয় রাজ্য। অথচ জঙ্গলমহলের দুই জেলা বাঁকুড়া, পুরুলিয়ার স্কুলের পড়ুয়ারা বঞ্চিত এই পরিষেবা থেকে। কনকনে শীতে খালি পায়ে স্কুলে আসছেন পড়ুয়ারা। আদিবাসী প্রধান এই দুই জেলায় শিক্ষার পরিকাঠামো খতিয়ে দেখতে এসে কেন্দ্রীয় দলের (Central Team) কাছে এই খামতি সামনে আসে।

    পর্যাপ্ত জুতো না আসায় বিলি করা হয়নি, সাফাই কর্তৃপক্ষের

    কেন্দ্রের একটি দল (Central Team) সম্প্রতি বাঁকুড়া ও পুরুলিয়ার বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন করছে। তাদের রিপোর্টে দাবি, বাঁকুড়ার তালড্যাংরার মুগাই প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পড়ুয়াদের একাংশকে খালি পায়ে স্কুলে যেতে দেখা গিয়েছে। স্কুল সূত্রে জানা গিয়েছে, ৪৩ জন পড়ুয়ার বেশিরভাগেরই পায়ে জুতো নেই। অথচ পড়ুয়াদের পোশাক ও জুতো বিনামূল্যে দেয় রাজ্য। তৃতীয় শ্রেণির এক ছাত্র জয় ঘোষের বক্তব্য, প্রতি বছর পোশাক পেলেও জুতো একবারও পাইনি। স্কুলের প্রধান শিক্ষক সুকুমার ভৌমিক এই বিষয়ে কোনও মন্তব্য করতে চাননি। তবে অবর বিদ্যালয় পরিদর্শক (তালড্যাংরা পশ্চিম চক্র) নন্দিতা সিংহ বলেন, দু’বছর অন্তর জুতো বিলি হয়। এ বার পর্যাপ্ত জুতো আসেনি বলে বিলি করা হয়নি। জেলা প্রাথমিক শিক্ষা সংসদ সূত্রে জানা গিয়েছে, প্রায় ২ লক্ষ ৩৪ হাজার পড়ুয়ার জন্য জুতো চেয়ে আবেদন জানানো হয়েছে। এখনও আসেনি।

    শিক্ষার পরিকাঠামো দেখে ক্ষুব্ধ কেন্দ্রীয় দল (Central Team)

    পরিদর্শক দলের নেতৃত্বে থাকা কেন্দ্রের উচ্চশিক্ষা দফতরের অধিকর্তা এম এল সোনির আরও অভিযোগ, বাঁকুড়ার সিমলাপালের লক্ষ্মীসাগর এলাকার একটি স্কুলে কেন্দ্রীয় প্রকল্পে কেনা কম্পিউটার পড়ে রয়েছে। বেশিরভাগ স্কুলে শৌচালয় অপরিষ্কার। বহু স্কুলে খোলা আকাশের নীচেই মিড- ডে মিল রান্না করা হচ্ছে। এক কথায় শিক্ষার পরিকাঠামো বেহাল অবস্থা দেখে ক্ষুব্ধ কেন্দ্রীয় প্রতিনিধি দল।

    জুতো দেওয়ার আশ্বাস কেন্দ্রীয় শিক্ষা প্রতিমন্ত্রীর

    কেন্দ্রীয় দলটির (Central Team) রিপোর্টের প্রেক্ষিতে রাজ্যের শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসু বলেন, কেন্দ্রীয় দল জানে না, রাজ্য সব সরকার পোষিত স্কুলে পোশাক ও জুতো দেয়। যদিও এই বিষয়ে কেন্দ্রীয় শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী সুভাষ সরকার বলেন, মকর সংক্রান্তির মধ্যে পড়ুয়ারা জুতো না পেলে আমি নিজেই তাদের জুতো দেব।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Purulia: মাওবাদী নেতা সব্যসাচী গ্রেফতার পুরুলিয়ায়, মাথার দাম ছিল ১০ লক্ষ টাকা

    Purulia: মাওবাদী নেতা সব্যসাচী গ্রেফতার পুরুলিয়ায়, মাথার দাম ছিল ১০ লক্ষ টাকা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জঙ্গলমহলের পুরুলিয়ায় (Purulia) ফের নতুন করে সশস্ত্র মাওবাদী কার্যকলাপ সক্রিয় করে তোলার ছক কষা হচ্ছিল। এবার পুলিশের জালে গ্রেফতার হল কুখ্যাত মাওবাদী নেতা সব্যসাচী গোস্বামী। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, এর ফলে বড় রকমের নাশকতামূলক চক্রান্তকে নস্যাৎ করা গিয়েছে। এই মাওবাদী নেতা সিপিআই (মাওবাদী) শাখার কেন্দ্রীয় কমিটির প্রধান সদস্য। তার একাধিক ছদ্মনাম ওরফে বাবু, ওরফে কিশোর, ওরফে পঙ্কজ। জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা এনআইএ এই মাওবাদী নেতার মাথার দাম ঘোষণা করেছিল ১০ লক্ষ টাকা।

    উত্তর-পূর্ব ভারতের সঙ্গে বাংলার করিডরের পরিকল্পনা (Purulia)

    সব্যসাচী গোস্বামীর বাড়ি উত্তর ২৪ পরগনার ঘোলা থানা এলাকার এইচবি সোদপুর রোড ৬ নম্বর এলাকায়। তার পরিকল্পনায় ছিল উত্তর-পূর্ব ভারতের সঙ্গে বাংলার করিডর রচনা করা। ২০২২ সালে অসমের গুয়াহাটিতে উত্তর-পূর্ব অঞ্চলে মাও কার্যকলাপের জন্য মামলা রুজু করা হয়েছিল তার নামে। বর্তমানে সে ছিল পূর্ব ক্ষেত্রের বুরোর সক্রিয় সদস্য। পুরুলিয়া (Purulia) থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়। সূত্রে জানা গিয়েছে, পুলিশ সুপার অভিজিৎ বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে এই বড় সাফল্য এসেছে। শুক্রবার স্থানীয় বেলগুমা পুলিশ লাইনে তাকে আনার কথা। এরপর আদালতে তোলা হবে বলে জানা গিয়েছে।

    মোট ৫ বার গ্রেফতার

    এই নিয়ে মাও নেতা সব্যসাচী গোস্বামী মোট ৫ বার পুলিশের হাতে গ্রেফতার হল। ২০২১ সালে অসমের গোলাঘাট থেকে তাকে গ্রেফতার করেছিল এনআইএ। ২০১৮ সালে মেদিনীপুরের গোয়ালতোড় থেকে এসটিএফ গ্রেফতার করেছিল তাকে। ঠিক তারও আগে ২০০৫ সালে একটি মামলায় তাকে গ্রেফতার করেছিল সিআইডি। কিন্তু প্রত্যেক বার জামিন পেয়ে আন্ডার গ্রাউন্ডে চলে যেত সব্যসাচী। এছাড়াও ২০২১ সালে একাধিকবার যেমন-২০২২ সালে বাঁকুড়ার বাড়িকূল থানা এলাকায় এবং ২০২৩ সালে ঝাড়গ্রামের ধরমপুর থেকে বারবার পুলিশের হাতে এসেও অল্পের জন্য পালিয়ে যেতে সক্ষম হয় সে। কিন্তু পুরুলিয়াতে (Purulia) বেশ কিছুদিন সক্রিয় ছিল এই মাও নেতা।

    অস্ত্র চালাতে পারদর্শী সব্যসাচী

    সিপিআই (মাওবাদী) কলকাতা সিটি কমিটির সম্পাদক হয়েছিল সব্যসাচী। ২০০৪ সালেই রাজ্য কমিটির সদস্য পদ পেয়েছিল এই মাওবাদী নেতা। ২০১৮ সালের পর কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য হয়। নোনাডাঙা উচ্ছেদ কমিটির সদস্য হিসেবে বিশেষ ভূমিকা ছিল তার। ছাত্রজীবনে নকশাল নেতা সন্তোষ রানার সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা ছিল। মূলত তাত্ত্বিক মাওবাদী নেতা হলেও অস্ত্র চালাতে পারদর্শী সব্যসাচী। বাংলায় মাওবাদী সংগঠনকে শক্তিশালী করাই একমাত্র উদ্দেশ্য ছিল তার।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Purulia: অযোধ্যা পাহাড়ে শ্রীরামচন্দ্রের ‘পাতালভেদী’ বাণে সৃষ্টি হয়েছিল সীতাকুণ্ডের

    Purulia: অযোধ্যা পাহাড়ে শ্রীরামচন্দ্রের ‘পাতালভেদী’ বাণে সৃষ্টি হয়েছিল সীতাকুণ্ডের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দক্ষিণবঙ্গের অন্যতম জনপ্রিয় পর্যটন কেন্দ্র পুরুলিয়া (Purulia) জেলার অযোধ্যা পাহাড়। পুরুলিয়া শহর থেকে ৪০-৪২ কিমি দূরে সবুজের গালিচায় মোড়া আর ঢেউ খেলানো পাহাড় দিয়ে সাজানো অযোধ্যা শুধুমাত্র প্রকৃতিপ্রেমিক পর্যটকেরই নয়, ট্রেকার এবং পাখি দেখতে যাঁরা ভালোবাসেন, তাঁদের জন্যও এক আদর্শ স্থান। আদিবাসী অধ্যুষিত এই অঞ্চলটি শাল, শিরীষ, মহুয়া, সেগুন প্রভৃতি গাছের ছায়ায় আবৃত। চারদিকে উঁকি দিচ্ছে একের পর এক পাহাড়ের সারি। এখানকার সর্বোচ্চ গিরিশিখরটির নাম “গোর্গাবুরু, যার উচ্চতা প্রায় ২৮৫০ ফুট। অযোধ্যা পাহাড়ের অরণ্যের ব্যাপ্তি প্রায় ৩৪৫১৭ একর। পাহাড়ের ঢাল বেয়ে নেমে আসা এই অরণ্যে বাস হরিণ, নেকড়ে, বুনো শুকর, হাতি প্রভৃতি প্রাণীর। আর দেখা মেলে বিভিন্ন প্রজাতির পাখির।

    পুরাণে কী বলা আছে?

    পুরাণ মতে, অজ্ঞাতবাসকালে দণ্ডক যাওয়ার পথে শ্রীরামচন্দ্রের সঙ্গে এই পাহাড়ের পথে যাচ্ছিলেন সীতাদেবী। সেই সময় তাঁর হঠাৎ-ই খুব তৃষ্ণা পায়। সেই তৃষ্ণা মেটানোর জন্য তখন “পাতালভেদী” বাণ প্রয়োগ করে মাটি-পাথরের বুক থেকে জল নির্গত করেন শ্রীরামচন্দ্র। সৃষ্টি হয় এক কুণ্ড বা কূপ (Purulia)। এখনও বুদ্ধ পূর্ণিমার দিন “দিসুম সেন্দ্রা” অর্থাৎ শিকার উৎসবে দূর-দূরান্ত থেকে আসা আদিবাসী মানুষ এখানে থাকা দুটি জলপ্রপাত, বামনি ফলস আর তুরগা ফলসে স্নান করেন। তারপর এই সীতাকুণ্ড, যার অপর নাম “বুড়বুড়ি”, তার পবিত্র জল পান করে পবিত্র হয়ে ” বুইয়া” নিনাদে মেতে ওঠেন শিকার করার জন্য। এই বুড়বুড়ি কুণ্ডের সামনের শাল জঙ্গলে রয়েছে “সীতাকেশ”। সীতাদেবীর পায়ের চিহ্নও রয়েছে “সীতা চাতালে”। দেখে নেওয়া যায় যোগিনী বা ময়ূরী পাহাড়ের চূড়ায় বসে চারদিকের অপূর্ব সুন্দর প্রাকৃতিক সৌন্দর্য।

    আর কী কী দেখবেন? (Purulia)

    এছাড়াও এক যাত্রাতেই দর্শন করে নেওয়া যায় অযোধ্যা পাহাড়ে চড়ার শিক্ষাপ্রদান কেন্দ্র, এশিয়ার দ্বিতীয় জলবিদ্যুৎ প্রকল্পটি, ঠান্ডেশ্বরী ফলস, মুরগুমা ড্যাম প্রভৃতি। আর প্রাণ ভরে উপভোগ করে নেওয়া যায় প্রকৃতির অমলিন, অনাবিল, সবুজ সৌন্দর্য।

    কীভাবে যাবেন, কোথায় থাকবেন? (Purulia)

    যাতায়াত–হাওড়া স্টেশন থেকে ট্রেনে যেতে হবে পুরুলিয়া। যাচ্ছে ১২৮২৭ পুরুলিয়া এক্সপ্রেস , ১২৮৮৩ রূপসী বাংলা এক্সপ্রেস প্রভৃতি ট্রেন। পুরুলিয়া থেকে বাস অথবা গাড়ি নিয়ে যেতে হবে অযোধ্যা পাহাড়। থাকা খাওয়া–এখানে রয়েছে পশ্চিমবঙ্গ বন উন্নয়ন নিগমের বনবাংলো, পুরুলিয়া (Purulia) পাম্পড স্টোরেজ প্রজেক্টের গেস্ট হাউজ, ভারত সেবাশ্রম সঙ্ঘের আশ্রম। এছাড়াও রয়েছে কয়েকটি হোটেল। প্রয়োজনে থাকা-খাওয়ার ব্যবস্থা করে নেওয়া যায় এগুলিতেও।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share