Tag: Purulia

Purulia

  • Dacoits: মালদার সোনার দোকানে ডাকাতিতেও বিহার-যোগ! পুলিশ কাউকে ধরতেই পারল না

    Dacoits: মালদার সোনার দোকানে ডাকাতিতেও বিহার-যোগ! পুলিশ কাউকে ধরতেই পারল না

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ৫ মিনিট ৩ সেকেন্ডে মালদার চাঁচলে সোনার দোকানে সর্বস্ব লুট করে পালিয়ে যায় দুষ্কৃতীরা। ঘটনার পর দু’দিন পেরিয়ে গেলেও ডাকাতির (Dacoits) কিনারা করতে পারেনি পুলিশ। দোকানের ম্যানেজারের দাবি, যে পরিমাণ সোনার অলঙ্কার দুষ্কৃতীরা লুট করেছে, তার মূল্য কোটি টাকারও বেশি। আর সিসি ক্যামেরা দেখে দুষ্কৃতীদের চেনার চেষ্টা করা হলেও সকলেই হেলমেট পরে থাকায় তাদের চিনতে বেগ পেতে হচ্ছে পুলিশ কর্তাদের। চাঁচলে ডাকাতির ঘটনায় পুলিশের বিরুদ্ধে ক্ষোভপ্রকাশ করে ইতিমধ্যেই থানা ঘেরাও করে বিজেপি। দুষ্কৃতীদের অবিলম্বে গ্রেফতারের দাবি জানান বিজেপি নেতারা।

    ডাকাতির ঘটনায় বিহার-যোগ (Dacoits)  

    গত কয়েক মাসের মধ্যে রাজ্যে একের পর এক ডাকাতির (Dacoits)  ঘটনা ঘটেছে। বেশির ভাগ ক্ষেত্রে ডাকাতদলের টার্গেট সোনার গয়নার দোকান। নদিয়ার রানাঘাট এবং পুরুলিয়া শহরে সেনকো গোল্ডের শোরুমে ডাকাতিতেও বিহার-যোগ পাওয়া গিয়েছিল। বারাকপুরে সোনার দোকানে ঢুকে দোকানের মালিকের ছেলেকে খুন করেছিল দুষ্কৃতীরা। সেই ঘটনায় বিহার-যোগ পেয়েছিল পুলিশ। মালদার ডাকাতির ঘটনার প্রাথমিক তদন্তে নেমে পুলিশ জানতে পারে, বিহারের গ্যাং এই ডাকাতির ঘটনায় যুক্ত। সঙ্গে স্থানীয় দুষ্কৃতীরা রয়েছে। দুষ্কৃতীদের ধরতে পুলিশ তল্লাশি শুরু করেছে।

    পুলিশের ভূমিকায় সন্তুষ্ট নন সোনার দোকানের মালিক

    চাঁচলের আগেই মালদার হরিশ্চন্দ্রপুরে সোনার দোকানে ডাকাতির (Dacoits) ঘটনা ঘটেছিল। মাসখানেকের মধ্যে ফের সেই সোনার দোকান লুট হওয়ায় পুলিশের ভূমিকা নিয়ে উঠছে প্রশ্ন। দোকানের মালিক তথা চাঁচল ব্যবসায়ী সমিতির কর্মকর্তা কর্ণ বিশ্বাস বলেন, এক মাসের ব্যবধানে চাঁচল এবং হরিশ্চন্দ্রপুরে পর পর ডাকাতির ঘটনা ঘটল। দুটোই সোনার দোকানে। এখানে পুলিশের ভূমিকায় আমরা সন্তুষ্ট নই। ডাকাতদল পালিয়ে যেতে পুলিশ ঘটনাস্থলে এল, এটাও কেন হবে? থানা থেকে এই বাজার তো ঢিল ছোড়া দূরত্বে। এখনও পর্যন্ত পুলিশ কাউকে ধরতেও পারল না।

    জেলা পুলিশ সুপার কী বললেন?

    মালদা জেলার পুলিশ সুপার প্রদীপকুমার যাদব বলেন, কত টাকার অলঙ্কার লুট হয়েছে, তা ওই দোকানের মালিকের সঙ্গে কথা বলার পর পরিষ্কার করে বলা যাবে। ইতিমধ্যে সিসিটিভির ফুটেজ খতিয়ে দেখে অভিযুক্তদের খোঁজে তল্লাশি চলছে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Purulia: জৈন মন্দির বলে পরিচিত, তবুও ভৈরবনাথ জ্ঞানে পুজো করেন হিন্দু ধর্মাবলম্বীরা!

    Purulia: জৈন মন্দির বলে পরিচিত, তবুও ভৈরবনাথ জ্ঞানে পুজো করেন হিন্দু ধর্মাবলম্বীরা!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাংলা তথা ভারতের অন্যতম প্রাচীন হল পাকবিড়রা মন্দির (Purulia)। পশ্চিমবঙ্গের পুরুলিয়া জেলার পুঞ্চা সমষ্টি উন্নয়ন ব্লকে অসাধারণ স্থাপত্যশৈলীতে নির্মিত এক প্রত্নস্থল এই পাকবিড়রা মন্দির। প্রকৃতপক্ষে পাকবিড়রার এই জৈন মন্দিরটি তিনটি মন্দির নিয়ে গড়া। নবম এবং দশম শতাব্দী থেকেই মন্দিরটির অস্তিত্বের কথা জানা যায়। এখানকার একটি স্মৃতি ফলকে তার উল্লেখ পাওয়া যায়।

    শিল্পশৈলীর উৎকৃষ্ট উদাহরণ (Purulia)

    এখানকার অধিকাংশ ভাস্কর্যই বেশ উঁচু। তার মধ্যে শীতলনাথ মূর্তিটি প্রায় সাড়ে সাত ফুট এবং পদ্মপ্রভা মূর্তিটি প্রায় ৮ ফুট উঁচু। এখানে রয়েছে জৈন তীর্থঙ্কর ধর্মাচরণ, মহাবীর, রিষভনাথ, সম্ভবনাথ, চন্দ্রপ্রভা প্রভৃতি ভাষ্কর্য। যদিও এটি মূলত একটি জৈন মন্দির বলেই পরিচিত, তবুও এখানকার পদ্মপ্রভা মন্দিরটিকে স্থানীয় হিন্দু সম্প্রদায়ের মানুষ ভৈরবনাথ জ্ঞানে বিশ্বাস এবং পুজো করেন। এছাড়াও পাকবিড়রা মন্দিরে (Purulia) রয়েছে দেবি অম্বিকা, পদ্মাবতী প্রভৃতি ভাস্কর্য। মন্দিরের মোল্ডিং এবং প্রাচীরের কুলুঙ্গী এখানকার বিশেষ আকর্ষণ। প্রধান মন্দিরে রয়েছে প্রাথমিক কক্ষ এবং পবিত্র স্থান, কঞ্চি মন্দির, আটজন তীর্থঙ্করের ভাস্কর্য। সব মিলিয়ে মন্দিরটি যেন প্রাচীন ভারতের ইতিহাস এবং শিল্পশৈলীর এক অনন্য দক্ষতা ও নিপুণতার এক উৎকৃষ্ট উদাহরণ।

    যাবেন কীভাবে? (Purulia)

    যাতায়াত-পাকবিড়রা যাওয়া যায় পুরুলিয়া থেকেও। পুরুলিয়া থেকে দূরত্ব প্রায় ৪০ কিমি। আর এখান থেকে তুলনামূলক ভাবে কাছে হয় পুরুলিয়ারই আর এক দারুণ সুন্দর প্রাকৃতিক সৌন্দর্যে ভরপুর স্থান “ফুটিয়ারি ড্যাম”। দূরত্ব প্রায় ৩৬ কিমি। যেতে সময় লাগে প্রায় ৫০ মিনিট থেকে এক ঘণ্টা। সেক্ষেত্রে রাস্তা হবে এই রকম “ফুটিয়ারি-হুড়া-লালপুর-বাগদা-দাদখা-পুঞ্চা রোড-পাকবিড়রা।” আর কলকাতা থেকে ট্রেনে গেলে রূপসী বাংলা এক্সপ্রেস, হাওড়া-পুরুলিয়া এক্সপ্রেস (Purulia) প্রভৃতি ট্রেনে পুরুলিয়া এসে সেখান থেকে গাড়ি নিয়ে যেতে হবে পাকবিড়রা মন্দির।

    থাকা খাওয়া-ফুটিয়ারি থেকে ঘুরে আসতে চাইলে থাকতে পারেন “ফুটিয়ারি রিট্রিট”-এ । ফোন-৯০৫১১৬৬৫৬৩। আর পুরুলিয়ায় থাকতে চাইলে এখানে রয়েছে বেশ কিছু হোটেল।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Coal Scam Case: কয়লা পাচারকাণ্ডে সিবিআই ফের সক্রিয়, লালা ঘনিষ্ঠদের বাড়িতে হানা

    Coal Scam Case: কয়লা পাচারকাণ্ডে সিবিআই ফের সক্রিয়, লালা ঘনিষ্ঠদের বাড়িতে হানা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কয়লা পাচার মামলায় রাজ্য জুড়ে ফের সিবিআই হানা। বৃহস্পতিবার সকাল থেকে রাজ্যের নানা জায়গায় কয়লা পাচারকাণ্ডে অভিযুক্ত লালা ওরফে অনুপ মাজি ঘনিষ্ঠদের বাড়িতে-অফিসে অভিযান শুরু করেছে। এদিন সকাল থেকেই সক্রিয় সিবিআই। তদন্তকারী দলের অফিসাররা একাধিক দলে বিভক্ত হয়ে ভবানীপুর, আসানসোল, মালদা এবং পুরুলিয়ায় তল্লাশি চালাচ্ছেন বলে জানা গিয়েছে।

    রাজ্যের শাসক দলের একাধিক নেতা, মন্ত্রী কয়লা পাচার (Coal Scam Case) কাণ্ডে অভিযুক্ত বলে সিবিআই-ইডি জিজ্ঞাসাবাদ চালাচ্ছে। বীরভূমের অনুব্রত মণ্ডল ইতিমধ্যে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার কাছে গ্রেফতার হয়ে তিহার জেলে বন্দি। উল্লেখ্য তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কেও কয়লাকাণ্ডে জিজ্ঞাসাবাদের সম্মুখীন হতে হয়েছে। সিবিআইয়ের তল্লাশি অভিযান ফের একবার রাজ্যে শোরগোল ফেলে দিয়েছে।

    সিবিআই সূত্রে খবর (Coal Scam Case)

    রাজ্যের জেলা জুড়ে ১২ টি জায়গায় কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা অভিযান চালাচ্ছে বলে জানা গিয়েছে। সূত্রে জানা গিয়েছে, আসানসোলের স্নেহাশিস তালুকদার নামে এক ব্যক্তির বাড়িতে অভিযান চালানো হচ্ছে। মালদার রতুয়ার শ্যামল সিং নামে আরও এক ব্যক্তির বাড়িতেও তদন্তকারী সংস্থা হানা দিয়েছে। উল্লেখ্য দু’জনই কয়লা পাচারকাণ্ডে (Coal Scam Case) অভিযুক্ত লালার খুব ঘনিষ্ঠ। এই স্নেহাশিস লালার আর্থিক হিসেবের কাজ দেখাতেন। পাশপাশি বৃহস্পতিবার সকালে ভবানীপুরের এক আবাসনে তল্লাশি চালিয়েছে সিবিআই।

    কয়লা পাচার মামলায় প্রধান অভিযুক্ত লালা

    ২০২০ সালে কয়লা পাচারের (Coal Scam Case) তদন্ত শুরু করে সিবিআই। লালা ওরফে অনুপ মাজি হলেন এই মামলায় প্রধান অভিযুক্ত। বর্তমানে তিনি সুপ্রিম কোর্ট থেকে জামিন নিয়েছেন। এই লালা আবার তৃণমূলের খুব ঘনিষ্ঠ। লালার সঙ্গে গুরুপদ মাজি নামক আরও চারজনকে গ্রেফতার করেছিল সিবিআই। লালা জামিন পেলেও বাকিরা তিহার জেলে বন্দি। উল্লেখ্য এই কয়লা পাচার মামলায় তৃণমূলের তৎকালীন যুব সহ সভাপতি বিনয় মিশ্রও প্রধান অভিযুক্ত। তদন্তকারী অফিসারেরা তাঁর বিরুদ্ধে লুকআউট নোটিশ জারি করেছেন। বর্তমানে তিনি পলাতক।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Purulia: পুরুলিয়ার পুলিশ সুপারের নামে ভুয়ো অ্যাকাউন্ট খুলে প্রতারণা! তারপর কী হল জানেন?

    Purulia: পুরুলিয়ার পুলিশ সুপারের নামে ভুয়ো অ্যাকাউন্ট খুলে প্রতারণা! তারপর কী হল জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কয়েকদিন আগেই কৃষ্ণনগরের এক স্কুল শিক্ষকের কাছে উত্তরবঙ্গের এক পুলিশ কর্তার পরিচয় দিয়ে লক্ষ লক্ষ টাকা হাতানোর অভিযোগ উঠেছিল। প্রতারিত হওয়ার বিষয়টি বুঝতে পেরে শিক্ষক থানায় অভিযোগ দায়ের করেন। তবে, এখনও প্রতারকদের হদিশ মেলেনি। এবার সেই একই কায়দায় প্রতারকরা ফাঁদ পেতে প্রতারণা শুরু করেছেন। এবার উত্তরবঙ্গ নয়,পুরুলিয়া (Purulia) পুলিশ সুপারের নামে ফেক ফেসবুক অ্যাকাউন্ট খুলে সাধারণ মানুষের কাছ থেকে আর্থিক প্রতারণার করার অভিযোগ উঠল প্রতারকদের বিরুদ্ধে।  

    কীভাবে প্রতারণার ছক? (Purulia)

    পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, পুরুলিয়ার (Purulia) পুলিশ সুপার অভিজিৎ বন্দ্যোপাধ্যায়ের নামে ফেসবুকে একটি ভুয়ো অ্যাকাউন্ট খুলেছিল অভিযুক্তরা। তাঁর ইউনিফর্মে থাকা একটি ছবিকেও ব্যবহার করা হয়েছিল অ্যাকাউন্টে। তারপর সেখান থেকেই পাতা হয় প্রতারণার ফাঁদ। ওই প্রোফাইল থেকে বিভিন্ন ব্যক্তির কাছে একটিই মেসেজ পাঠানো হয়। সূত্রের খবর, তাতে লেখা রয়েছে, সিআরপিএফে তাঁর এক বন্ধু কাজের জায়গা থেকে অন্যত্র বদলি হয়ে যাচ্ছেন, সে কারণে তাঁর বাড়িতে থাকা আসবাবপত্র কম দামে বিক্রি করে দিচ্ছেন। কেউ চাইলে যোগাযোগ করতে পারেন। এই পোস্ট, মেসেজ দেখে অনেকেই যোগাযোগ করেন। অগ্রিম বুকিংয়ের নামে টাকা হাতিয়ে নেয় প্রতারকেরা। প্রতারণা করার অভিযোগে হাবড়া থেকে দুজনকে পুলিশ গ্রেফতার করে। পুলিশ জানিয়েছে, ধৃতদের নাম রাহুল ঘটক ওরফে প্রীতম এবং শান্ত মাঝি। রাহুলের বাড়ি হাবড়ায়। অন্যজন শান্তর বাড়ি ঝাড়খণ্ডের গুমলায়। সেও বর্তমানে হাবড়াতেই থাকে। ধৃতদের জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করে দিয়েছে পুলিশ। তাঁরা আরও বড় কোনও চক্রের সঙ্গে জড়িত কি না তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। কতজন ব্যক্তিকে তাঁদের ফাঁদে ফেলেছেন তাও দেখা হচ্ছে।

    প্রতারিতদের কী বক্তব্য?

    প্রতারিতরা বলেন, পুরুলিয়ার (Purulia) পুলিশ কর্তার প্রোফাইল দেখেই আমাদের কোনও সন্দেহ হয়নি। যে টাকা চাওয়া হয়েছিল তা মিটিয়ে দেওয়া হয়। কিন্তু, আমরা যে প্রতারিত হচ্ছেন তা তখনও বুঝতে পারেননি। পরে, আসবাবপত্র না পেয়ে পুলিশ প্রশাসনের দ্বারস্থ। এরপরই প্রতারণার বিষয়টি আমাদের সামনে আসে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Purulia: বেআইনি মদের কারবার রুখতে অভিযান, কর্মীদের উপর হামলা, গাড়ি ভাঙচুর

    Purulia: বেআইনি মদের কারবার রুখতে অভিযান, কর্মীদের উপর হামলা, গাড়ি ভাঙচুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মেলার মধ্যেই রমরমিয়ে চলছিল বেআইনি মদের কারবার। খবর পেয়ে অভিযান চালান আবগারি দফতরের আধিকারিকরা। সে সময় মারধর করার পাশাপাশি তাঁদের লক্ষ্য করে ইট, পাথর ছোড়া শুরু হয়। রবিবার সন্ধ্যায় ঘটনাটি ঘটেছে পুরুলিয়া (Purulia) জেলার ঝালদার আমাঠারি-খামার অঞ্চলের উহাতু গ্রামের কাছে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে। ইতিমধ্যেই পুলিশ ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (Purulia)

    স্থানীয় ও আবগারি দফতর সূত্রে জানা গিয়েছে, পুরুলিয়া (Purulia) জেলার ঝালদার উহাতু গ্রামের কাছে একটি মাঠে একদিনের ফুটবল প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়েছিল। ১৬টি দল অংশগ্রহণ করেছিল সেই প্রতিযোগিতায়। একে কেন্দ্র করে মেলার মতোও বসেছিল সেখানে। প্রচুর লোকের সমাগম হয়েছিল। মেলার মধ্যেই চোলাই মদ এবং নকল বিলিতি মদ বিক্রি হচ্ছিল বলে খবর ছিল আবগারি দফতরের কাছে। সেখানেই দুটি গাড়িতে করে গিয়েছিলেন দফতরের আধিকারিকরা। অভিযানের আগে মাইকে সতর্ক করা শুরু করতেই কিছু লোকজন আচমকা আবগারি আধিকারিক ও কর্মীদের উপর ঝাঁপিয়ে পড়ে। প্রকাশ্যেই তাঁদের মারধর করা শুরু করে। ইট-পাথরও ছোড়া হয় বলে অভিযোগ। যে গাড়িতে করে আবগারি আধিকারিকরা এসেছিলেন, সেই দুটি গাড়ির কাচ ভাঙচুর করা হয়।

    আবগারি দফতরের আধিকারিক কী বললেন?

    এ বিষয়ে আবগারি দফতরের ঝালদা সার্কেলের ওসি সন্তোষ সেনগুপ্ত বলেন, আমাদের কাছে নির্দিষ্ট খবর ছিল। সেই মতো আমরা অভিযানে গিয়েছিলাম। সেখানে গিয়ে দেখি খবর ঠিক ছিল। এর পর আমরা উদ্যোক্তাদের বিষয়টি জানাই। উদ্যোক্তাদের তরফে মাইকিং করা শুরু হয়। তখনই কিছু লোক আমাদের আক্রমণ করে। ইট-পাথর ছোড়া শুরু করে। মারধরও করে। আমাদের কয়েক জন জখম হয়েছেন। তবে, ঘটনাস্থল থেকে চোলাই মদ উদ্ধার হয়েছে। হামলার ঘটনা নিয়ে ঝালদা থানায় অভিযোগ দায়ের করেছি।

     

     দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Dacoits: কর্পোরেটের কায়দায় গ্যাং চালাত পুরুলিয়ার ডাকাতি কাণ্ডে ধৃত মাস্টারমাইন্ড, কীভাবে জানেন?

    Dacoits: কর্পোরেটের কায়দায় গ্যাং চালাত পুরুলিয়ার ডাকাতি কাণ্ডে ধৃত মাস্টারমাইন্ড, কীভাবে জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পুরুলিয়ায় সেনকো গোল্ডের শোরুমে ভয়াবহ ডাকাতির (Dacoits) ঘটনায় মাস্টারমাইন্ড রবি গুপ্তাকে গ্রেফতার করল পুলিশ। ধৃতকে জিজ্ঞাসাবাদ করে পুলিশের হাতে যে সব তথ্য সামনে এসেছে তাতে চক্ষু চড়কগাছ হওয়ার জোগাড়। চলতি মাসের ১৯ তারিখ ধৃত মাস্টারমাইন্ড রবি গুপ্তাকে এই মামলায় গ্রেফতার করে পুরুলিয়া আদালতে তোলা হলেও বুধবার তা সামনে আনে পুলিশ। তার ১৪ দিন পুলিশ হেফাজত হয়েছে। জানা গিয়েছে, ২৯ অগাস্ট পুরুলিয়ার নামোপাড়ায় ওই সোনার দোকানের ডাকাতির ঘটনায় এই মাস্টারমাইন্ড সমেত মোট ৬ জনকে গ্রেফতার করে পুলিশ।

    কর্পোরেটের কায়দায় গ্যাং চালাত  ডাকাতি (Dacoits) কাণ্ডে ধৃত মাস্টারমাইন্ড

    ধৃতকে জিজ্ঞাসাবাদ করে পুলিশ জানতে পেরেছে, বিহারের বেযুর জেলে বসে এই অপরাধ সংগঠিত করত। ডাকাতির (Dacoits) ঘটনায় প্রায় দেড় মাসের বেশি সময় ধরে তদন্ত চালানোর পর মাস্টারমাইন্ডকে ধরতে পারল পুলিশ। কাজাখস্তান ও আমেরিকায় ব্যবহৃত নম্বরের কোড হোয়াটসঅ্যাপে ব্যবহার করে কথাবার্তা বলত ধৃত। একইভাবে তার সহযোগীরাও বেলজিয়াম, নেদারল্যান্ডসের মতো বিভিন্ন দেশের নম্বর ব্যবহার করে এই অপরাধ সংগঠিত করত। এই বেয়ুর জেল দেশজুড়ে বড়সড় সোনার দোকানের ডাকাতির কার্যত আঁতুড়ঘর। পরিকল্পনা থেকে অপারেশনের নির্দেশ এই জেল থেকেই যেত। এই গ্যাং লুটের জিনিসপত্র অন্য দেশের মার্কেটে বিক্রি করত। কাজের জন্য টাকাপয়সা কীভাবে দেওয়া হবে তার নকশা জেলে বসেই সাজিয়ে আসছিল রবি। যারা অপারেশন করবে তাদের মোবাইলে লোকেশনের লিঙ্ক পর্যন্ত দিয়ে দিত। ধৃতের অধীনে প্রায় ৭০০-র মতো দুষ্কৃতী কাজ করত। তারা কোনও কারণে ধরা পড়ে গেলে তাদের জামিন-সহ আদালতের সমস্ত খরচ বহন করত রবির ‘কর্পোরেট গ্যাং’। এই ধরনের অপারেশন চালাতে গিয়ে কোনও কারণে কারও মৃত্যু হয়ে গেলে তার পরিবারকে ১৫ লক্ষ টাকা পর্যন্ত ক্ষতিপূরণ দেওয়া হয়ে থাকে বলে ধৃতকে জেরা করে জানা গিয়েছে। যাতে অপরাধের বিষয়ে কোনও ভাবেই কেউ মুখ না খোলে। ধৃতের অধীনে প্রায় ৭০০-র মতো দুষ্কৃতী কাজ করলেও তারা একে অপরকে সেভাবে চেনে না। এতটাই গোপনীয়ভাবে কাজ হয়, যাতে কেউ গ্রেফতার হলেও অপরাধের লম্বা শৃঙ্খল কোনওভাবেই পুলিশের সামনে না আসে।

    জেলা পুলিশ সুপার কী বললেন?

    পুরুলিয়ার পুলিশ সুপার অভিজিৎ বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, বিহার পুলিশ, সেখানকার আদালত সকলের সঙ্গে কথা বলে গয়নার দোকানে লুটের মাস্টারমাইন্ডকে গ্রেফতার করে আমরা নিজেদের হেফাজতে নিতে পেরেছি। ধৃত মাস্টারমাইন্ড জেলে বসেই এই অপরাধ সংগঠিত করে। এই কাজ করার জন্য কাজাখস্তান ও আমেরিকার দুটি নম্বরের সাহায্যে তার হোয়াটসঅ্যাপ সক্রিয় করে। যা ধৃতের কাছ থেকে পাওয়া গিয়েছে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Purulia: বুধবার থেকে অনির্দিষ্টকালের জন্য রেল অবরোধের হুমকি কুড়মি সমাজের, ভোগান্তির শঙ্কা  

    Purulia: বুধবার থেকে অনির্দিষ্টকালের জন্য রেল অবরোধের হুমকি কুড়মি সমাজের, ভোগান্তির শঙ্কা  

    মাধ্যম নিউজ ডেস্কঃ ঠিকানা সেই পুরুলিয়ার কুস্তাউড় রেল স্টেশন। গত বছর পুরুলিয়া (Purulia) জেলায় দক্ষিণ-পূর্ব রেলের আদ্রা বিভাগের এই স্টেশনে টানা পাঁচদিন রেল অবরোধের জেরে ট্রেন চলাচল স্তব্ধ হয়ে গিয়েছিল। রেলের ক্ষতি হয়েছিল কোটি কোটি টাকার। ভোগান্তিতে পড়েছিলেন হাজার হাজার যাত্রী। চলতি বছরের এপ্রিল মাসে ফের রেল অবরোধ করেছিল কুড়মি সমাজ। ফের একই কারণে ভোগান্তির মধ্যে পড়তে চলেছেন রেলযাত্রীরা। ২০ সেপ্টেম্বর বুধবার থেকে অনির্দিষ্টকালের জন্য রেল অবরোধে সামিল হতে চলেছে কুড়মি সমাজ। কর্মীদের সঙ্গে বৈঠক করে এই সিদ্ধান্তের কথা ঘোষণা করেন আদিবাসী কুড়মি সমাজের মুখ্য উপদেষ্টা অজিতপ্রসাদ মাহাত।

    কেন রেল অবরোধ করার সিদ্ধান্ত? (Purulia)

    কুড়মি জাতিকে এস টি তালিকাভুক্ত করার দাবিতে রেল অবরোধ করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। গতবার রেল অবরোধের সময় রাজ্য সরকার যে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল, তা পূরণ করেনি। এমনই দাবি আন্দোলনকারীদের। তাঁদের বক্তব্য, এপ্রিল মাসে টানা আন্দোলন করেও কোনও লাভ হয়নি। কুড়মিদের স্বাভিমানে আঘাত করা হয়েছে। তাঁদের আন্দোলনকে তুচ্ছ করা হয়েছে। সরকার কথা দিয়েছিল। কিন্ত, সেই কথা তারা রাখেনি। তাই, দাবি পূরণে আবারও পুরুলিয়া (Purulia) সহ একাধিক জেলায় রেল অবরোধ করতে কোমর বেঁধে নামবে আন্দোলনরত কুড়মি সৈনিকরা।

    কী বললেন কুড়মি নেতা?

    মূলত জঙ্গলমহলে কুড়মি সম্প্রদায়ের আধিক্য। আদিবাসী কুড়মি সমাজের মুখ্য উপদেষ্টা অজিপ্ৰসাদ মাহাত বলেন, পুরুলিয়া, (Purulia) বাঁকুড়া, মেদিনীপুর, ঝাড়গ্রাম, অর্থাৎ জঙ্গলমহলের চার জেলাতেই বুধবারের আন্দোলনের প্রভাব পড়বে। এরই মধ্যে আদিবাসী কুড়মি সমাজের প্যান্ডেল পুলিশ খুলে দিতে বলেছে বলে অভিযোগ উঠেছে। মূলত, কুড়মিদের এস টি তালিকাভুক্ত করার দাবিতে আন্দোলন চলছে। গতবার রেল অবরোধের সময় রাজ্য সরকার যে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল, তা পূরণ করেনি। তাঁদের আন্দোলনকে তুচ্ছ করা হয়েছে। সরকার কথা দিয়েছিল। কিন্ত, সেই কথা তারা রাখেনি। আমাদের একটাই কথা ২০ সেপ্টেম্বর আমরা রেল অবরোধ সফল করবই। সকলকে বলা হয়েছে, পুলিশ যতই বাধা দেওয়ার চেষ্টা করুক চার জেলাতেই রেল অবরোধ হবে। ঝাড়খণ্ড, ওড়িশাতেও হবে। আমরা সাধারণ মানুষের কাছে ক্ষমা চেয়ে নিচ্ছি। তিনমাস আগেই আমরা কেন্দ্র-রাজ্যকে এক যোগে জানিয়েছি। কেউ এগিয়ে এলো না। একটা বৈঠক পর্যন্ত করল না কেউ।

    কী বললেন জেলা পুলিশ সুপার?

    পুরুলিয়ার (Purulia) পুলিশ সুপার অভিজিৎ বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, আমরা আদিবাসী কুড়মি সমাজের কাছ থেকে এই কর্মসূচি সংক্রান্ত চিঠি পেয়েছি। তাদের জানিয়েও দিয়েছি, এভাবে রেল অবরোধ, রাস্তা অবরোধ বেআইনি। মানুষের যাতে ভোগান্তি না হয় সেটা আমর দেখব।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Purulia Robbery: পুরুলিয়ায় সোনার দোকানে ডাকাতিকাণ্ডে গ্রেফতার আরও ৩, পুলিশের জালে মোট ৭

    Purulia Robbery: পুরুলিয়ায় সোনার দোকানে ডাকাতিকাণ্ডে গ্রেফতার আরও ৩, পুলিশের জালে মোট ৭

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পুরুলিয়ায় সোনার দোকানে ডাকাতিকাণ্ডে (Purulia Robbery) গ্রেফতার আরও ৩। এরা ঝাড়খণ্ড থেকে পুলিশের জালে ধরা পড়েছে বলে জানা গেছে। ধৃতদের কাছ থেকে প্রচুর নগদ টাকা ও মূল্যবান গয়না সমেত প্রায় ১ কোটি টাকার সম্পদ উদ্ধার করা হয়েছে। একই ঘটনায় মোট গ্রেফতারের সংখ্যা দাঁড়াল ৭। প্রত্যেককেই পুরুলিয়া সদর থানায় আনা হয়েছে বলে জানা গেছে।

    কীভাবে পুলিশের জালে (Purulia Robbery)?

    পুরুলিয়ার নমোপাড়ায় সোনার দোকানে ডাকাতি (Purulia Robbery) করে দুষ্কৃতীরা কোটি কোটি টাকার সোনা নিয়ে পালিয়ে যায়। এরপর ঘটনার তদন্তে নামে পুলিশ। রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে দুষ্কৃতীদের ধরার জন্য পুলিশ অভিযান শুরু করে। ভিন রাজ্যেও পুলিশ অনুসন্ধান করে বলে জানা যায়। এর আগে ঘটনার সঙ্গে যুক্ত সিংহ সিধু এবং বিকাশ কুমাকে গ্রেফতার করে পুলিশ। এবার ডাকাতির সঙ্গে যুক্ত আরও তিন অভিযুক্তের কথা গোপন সূত্রে খবর পেয়ে, পুলিশ ঝাড়খণ্ড থেকে তাদের গ্রেফতার করেছে। ধৃতদের নাম হল ওমপ্রকাশ প্রসাদ, ডব্লিউ সিং এবং অজয় যাদব।

    ঘটনা কী ঘটেছিল?

    গত ২৯ অগাস্ট পুরুলিয়া এবং নদিয়ার রাণাঘাটে একই দিনে সোনার দোকানে ডাকাতির (Purulia Robbery) ঘটনা ঘটে। যদিও দুই ঘটনার মধ্যে কোনও যোগসূত্র রয়েছে কিনা, তা পুলিশ তদন্ত করে দেখছে। পুরুলিয়ায় ডাকাতির পরে, পুলিশ রাস্তায় থাকা সিসিটিভি ফুটেজ দেখে তদন্ত শুরু করে। পুলিশের প্রথম অনুমান দুষ্কৃতীরা ঝাড়খণ্ডের পথে পালিয়েছে। প্রথমে দু’জনকে পুলিশ গ্রেফতার করলে, সেই সূত্র ধরে আরও তিনজনকে সোমাবার ঝাড়খণ্ড থেকে গ্রেফতার করে পুলিশ। পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, ঘটনা ঘটার দুই দিন আগেই দুষ্কৃতীরা দোকানে ঢুকে ছিল। ঘটনার দিনে দুষ্কৃতীরা সোনা কেনার নাম করে দোকানে প্রবেশ করে। দোকানের ভিতরে রক্ষী এবং কর্মচারীরা তাদের ডাকাতি করার অভিপ্রায় বুঝতে পারেননি। এরপর ২০ থেকে ২২ মিনিটের মধ্যে দোকানে লুটপাট করে পালিয়ে যায়। এই ঘটনায় জেলায় তীব্র আতঙ্কের সৃষ্টি হয়েছিল। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Purulia: পুরুলিয়ার হাসপাতালে এ কী কাণ্ড, মোবাইলের আলোতে চলছে প্রসূতিদের চিকিৎসা!

    Purulia: পুরুলিয়ার হাসপাতালে এ কী কাণ্ড, মোবাইলের আলোতে চলছে প্রসূতিদের চিকিৎসা!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: লোডশেডিংয়ে জেরবার রাজ্যবাসী। পরিস্থিতি সামাল দিয়ে উদ্যোগী নয় রাজ্য সরকার। আর এই লোডশেডিংয়ের প্রভাব পড়ল হাসপাতাল পরিষেবায়। অন্ধকারে মোবাইলের আলো জ্বালিয়ে হচ্ছে অন্তঃসত্ত্বা মহিলাদের প্রসব। ঘটনাটি ঘটেছে পুরুলিয়া (Purulia) জেলার বলরামপুর ব্লক হাসপাতালে। এই হাসপাতালে এখন এটাই চেনা চিত্র হয়ে দাঁড়িয়েছে।

    ঠিক কী অভিযোগ? (Purulia)

    রাজ্যের অন্যান্য প্রান্তের সঙ্গে পুরুলিয়া (Purulia) জেলাতেও লোডশেডিং হচ্ছে। তার প্রভাব পড়েছে  বলরামপুর ব্লক হাসপাতালে। এই হাসপাতালে প্রতিদিন কয়েকশো রোগী চিকিৎসা করাতে আসেন। হাসপাতালে বহু রোগী ভর্তি থাকেন। প্রসূতিদের নিয়মিত ডেলিভারি হয় এই হাসপাতালে। জানা গিয়েছে, পরিষেবার জন্য জেনারেটর সরবরাহের দায়িত্বে রয়েছে এক ঠিকাদার সংস্থা। সেই সংস্থাকে টাকা না দেওয়ায় জেনারেটর পরিষেবা বন্ধ রয়েছে। সন্ধ্যা হলেই হাসপাতাল ডুবছে অন্ধকারে। এর জেরে চিকিৎসা করতে যেমন সমস্যায় পড়ছেন চিকিৎসক থেকে স্বাস্থ্যকর্মীরা, তেমনই দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে রোগীদেরও। মোবাইলের আলো জ্বালিয়ে চিকিৎসা করতে হচ্ছে প্রসূতিদের। অন্তঃসত্ত্বা মহিলাদের প্রসবও হচ্ছে এই ভাবে। শুধু বিদ্যুৎ নয়, দীর্ঘ সময় ধরে হাসপাতালে জলকষ্ট, শৌচালয় অপরিষ্কার ও হাসপাতাল চত্বর বিষাক্ত আগাছায় ভরে থাকার সমস্যা রয়েছে।

    কী বললেন বিজেপি বিধায়ক?

    হাসপাতাল পরিদর্শনে এসে বলরামপুরের বিজেপি বিধায়ক বাণেশ্বর মাহাতো বলেন, হাসপাতালে প্রায়শই বন্ধ থাকছে বিদ্যুৎ পরিষেবা। হাসপাতালের মতো জরুরি বিভাগে বিদ্যুতের বিকল্প ব্যবস্থা করা দরকার। কিন্তু, সেটা করা হয়নি। তাতে চিকিৎসা পরিষেবা দিতে চিকিৎসকদের সমস্যা হচ্ছে। পুরুলিয়ার (Purulia) বলরামপুরের এই হাসপাতালের জন্য মুখ্যমন্ত্রীকে ব্যবস্থা নেওয়ার অনুরোধ তিনি করবেন বলেও জানিয়েছেন।

    জেলার মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিক কী বললেন?

    ঘটনা প্রসঙ্গে জেলার মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিক ডা. কুনাল কান্তি দে বলেন, বিষয়টি আমাদের গোচরে রয়েছে। জেনারেটর নিয়ে যে সমস্যা দেখা দিচ্ছে, তা ঠিকাদার সংস্থার টাকা বকেয়া থাকার কারণেই হয়েছে। এবার তাদেরও নির্দেশ দেওয়া হয়েছে যাতে রোগীদের কোনওরকম অসুবিধায় না পড়তে হয়।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Dacoits: জেলে বসেই পুরুলিয়ার সোনার দোকানে ডাকাতির ছক, এখনও অধরা মূল অভিযুক্ত

    Dacoits: জেলে বসেই পুরুলিয়ার সোনার দোকানে ডাকাতির ছক, এখনও অধরা মূল অভিযুক্ত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দিনের বেলায় প্রকাশ্যে পুরুলিয়া শহরে নামোপাড়ায় সেনকো গোল্ডের শোরুমে ভয়াবহ ডাকাতির (Dacoits) ঘটনা ঘটে। দুষ্কৃতীরা দোকানে ঢুকে ৮ কোটি টাকার সোনা হাতিয়ে চম্পট দিয়েছিল। সেই ঘটনার তদন্তে নেমে পুলিশ ইতিমধ্যেই দু’জনকে গ্রেফতার করেছে। ধৃতেরা হলেন করণজিৎ সিংহ সিধু এবং বিকাশ কুমার। পুলিশ সূত্রে খবর, প্রাথমিক তদন্তে উঠে আসা তথ্য এবং ধৃতদের জিজ্ঞাসাবাদ করে মূল অভিযুক্তেরও খোঁজ মিলেছে। তদন্তকারীরা জানতে পেরেছেন, তিনি বর্তমানে ভিন্নরাজ্যের একটি জেলে রয়েছেন। সেখানে বসেই ডাকাতির গোটা পরিকল্পনা করা হয়েছিল।

    পুরুলিয়া এবং রানাঘাটে ডাকাতিকাণ্ডে (Dacoits) কী কোনও যোগসূত্র রয়েছে?

    পুরুলিয়ায় ডাকাতিকাণ্ডে (Dacoits) ধৃতদের জিজ্ঞাসাবাদ করে তদন্তকারীরা জানতে পেরেছেন, এই চক্রে তিনটি দল রয়েছে। একটি দল দেখে, কোথায় ডাকাতি করা হবে। অর্থাৎ, দোকানের খোঁজ দেওয়া। তারাই রেইকি করে। দ্বিতীয় দলের কাজ মোবাইল-সহ অন্যান্য প্রযুক্তি সাহায্য প্রদান করা। আর তৃতীয় দল সরাসরি দোকান লুটের সঙ্গে জড়িত থাকে। পুরুলিয়ার সঙ্গে রানাঘাটের ডাকাতির ঘটনার যোগসূত্রেরও হদিশ মিলেছে বলে খবর পুলিশ সূত্রে। তদন্তকারীদের সূত্রে জানা গিয়েছে, রানাঘাট শহরের মিশন রোডের পাশে থাকা গয়নার দোকানে ডাকাতির ঘটনায় ওই দিনই পাঁচ দুষ্কৃতীকে গ্রেফতার করে পুলিশ। তাঁদের মধ্যে এক জন হলেন কুন্দন সিং। এ রাজ্যে একাধিক অপরাধের সঙ্গে যুক্ত থাকার অভিযোগ রয়েছে তাঁর বিরুদ্ধে। অভিযোগ, কুন্দনই ব্যবসায়ী রাজু ঝা খুনের মূল চক্রী। পুলিশ সূত্রে খবর, গাঁজা এবং হেরোইনে আসক্ত কুন্দন মূলত নেশার টাকা জোগাড় করতেই ‘শুটার’ হন। এর মধ্যে মধ্যপ্রদেশের একটি খুনের ঘটনাতেও তার নাম উঠে এসেছিল। রানাঘাট পুলিশ সূত্রে খবর মিলেছে, পুরুলিয়াকাণ্ডে জেলবন্দি মূল অভিযুক্তের সঙ্গে এই কুন্দনের যোগাযোগ ছিল।

    পুরুলিয়ার ডাকাতিকাণ্ডে (Dacoits) ঝাড়খণ্ড-যোগ!

    গত ২৯ অগাস্ট, মঙ্গলবার পুরুলিয়ায় যখন সেনকো গোল্ড শোরুমে ডাকাতির ঘটনাটি ঘটে, ওই সময় নদিয়ার রানাঘাটে ওই একই সংস্থার স্বর্ণবিপণিতেও ডাকাতি হয়েছে। পুরুলিয়ার ঘটনায় ঝাড়খণ্ড-যোগ প্রকট হতে থাকে। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, নামোপাড়া সংলগ্ন বিভিন্ন রাস্তার সিসিটিভি ফুটেজ খতিয়ে দেখে তদন্তকারীরা নিশ্চিত হয়েছিলেন, দুষ্কৃতীরা ঝাড়খণ্ডের দিকেই গিয়েছে। জেলা পুলিশের একটি দল ঝাড়খণ্ডে যায়। সেখান থেকেই গ্রেফতার হয় করণজিৎ। তার বাড়ি ওই রাজ্যের পাথরডি থানার চাসনালায়। আর বিকাশকে গ্রেফতার করা হন নয়ডা থেকে। শনিবার ধৃতদের পুরুলিয়া আদালতে তোলা হলে বিচারক ১৪ দিনের পুলিশ হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছেন।

    কী বললেন জেলা পুলিশ সুপার?

    পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ডাকাতির ঘটনার দিন দুয়েক আগে নামোপাড়ার সেনকো গোল্ড শোরুমে এসে গয়না বেছে অগ্রিম দিয়ে গিয়েছিল দুষ্কৃতীরা। তাই, লুট করতে তারা যখন দোকানে ঢোকে, প্রথম দুই দুষ্কৃতীকে দোকানের কর্মীরা সন্দেহের চোখেই দেখেননি। আর সেই সুযোগেই মিনিট কুড়ি-বাইশের মধ্যে লুটপাট সেরে কার্যত বিনা বাধায় চম্পট দেয় অপরাধীরা। শহরের বিভিন্ন রাস্তার সিসিটিভি ফুটেজ থেকে দুষ্কৃতীদের চিহ্নিত করা হয়েছে। ফুটেজে দেখা গিয়েছে, পালানোর সময় একটি বাইকে তিন জন যাচ্ছিল। তাদের সঙ্গে বড় ব্যাগ ছিল। শনিবার সাংবাদিক বৈঠকে জেলা পুলিশ সুপার অভিজিৎ বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, ডাকাতির (Dacoits) ঘটনার সঙ্গে সরাসরি সাত জন যুক্ত ছিল। তাদের মধ্যেই দু’জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। আরও পাঁচ জনের খোঁজ চলছে। ডাকাতির ঘটনায় মূল অভিযুক্তের খোঁজ মিলেছে। সে বর্তমানে ভিন্নরাজ্যের জেলে রয়েছে। সেখানে বসেই ডাকাতির ছক কষেছে সে।

     

     দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share