Tag: Purulia

Purulia

  • Purulia: বজ্রাঘাতে বাঁকুড়া, পুরুলিয়া জেলায় মৃত্যু হল ছয় জনের, জখম ৬

    Purulia: বজ্রাঘাতে বাঁকুড়া, পুরুলিয়া জেলায় মৃত্যু হল ছয় জনের, জখম ৬

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পৃথক বজ্রপাতের ঘটনায় বাঁকুড়া এবং পুরুলিয়া (Purulia) জেলায় ৬ জনের মৃত্যু হয়েছে। বাঁকুড়ার ছাতনা ও শালতোড়া-২ ব্লক মিলিয়ে এক কলেজ পড়ুয়া সহ মোট তিন জনের মৃত্যু হয়েছে। আহত হয়েছেন ৬ জন। আর পুরুলিয়ার রঘুনাথপুর এবং পারা ব্লকে তিনজনের মৃত্যু হয়েছে।

    বাঁকুড়ায় বাজ পড়ে কতজন মারা গিয়েছে?

    স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, রবিবার বাঁকুড়ার ছাতনা থানা এলাকায় পৃথক ৩টি জায়গায় বজ্রপাতে মৃত্যু হয়েছে দু’জনের। জখম হয়েছেন আরও ৩ জন। শালতোড়া থানা এলাকায় মৃত্যু হয়েছে একজনের। সেখানে জখম হয়েছেন, আরও ৩ জন। মৃতরা হলেন সাগেন মুর্মু (২০), মীরা বাউড়ি (৬১) এবং সুকুরমণি হাঁসদা (২৭)।  ছাতনা থানা এলাকার ঘোষেরগ্রাম পঞ্চায়েতের ছাচনপুর গ্রামের কয়েকজন যুবক গ্রাম সংলগ্ন দ্বারকেশ্বর নদে দুপুরে মাছ ধরতে বাজ পড়ে কলেজ পড়ুয়া সাগেনের মৃত্যু হয়। অন্যদিকে, ছাতনা-১ নম্বর পঞ্চায়েতের বারবাকড়া গ্রামে একই দিনে বজ্রপাতে মৃত্যু হয়েছে মীরা বাউড়ি নামে এক প্রৌঢ়ার। জানা গিয়েছে, দুপুরে বাড়ির বাইরে গরু চড়াচ্ছিলেন তিনি। সেই সময় বাজ পড়ে তাঁর মৃত্যু হয়। পাশাপাশি, শালতোড়া থানার ছাতিমবাইদ এলাকায় বজ্রপাতে মৃত্যু হয়েছে সুকুরমণি হাঁসদা নামে এক যুবতীর। জখম হয়েছেন আরও ৩ জন। জানা গিয়েছে, ধান লাগিয়ে মাঠ থেকে বাড়ি ফিরছিলেন তাঁরা। সেই সময় বাজ পড়ে তাঁর মৃত্যু হয়।

    পুরুলিয়া (Purulia)  জেলায় বাজ পড়ে মৃত্যু হয় তিনজনের

    পুরুলিয়া (Purulia) জেলার পারা ব্লকের শাকড়ায় বাজ পড়ে দুজনের মৃত্যু হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, মৃতদের নাম দুই যুবক সোমনাথ বৈষ্ণব (২৩) ও অঞ্জন দাস (২১)। রবিবার তাঁরা পুকুরে স্নান করতে গিয়েছিলেন। স্থানীয় সূত্রে খবর, স্নান সেরে বাড়ি ফিরছিলেন তাঁরা। হঠাৎই ভারী বৃষ্টি শুরু হয়। তাঁরা একটি তেঁতুল গাছের নীচে আশ্রয় নেন। সেখানেই বাজ পড়ে দুজনের মৃত্যু হয়। অন্যদিকে রঘুনাথপুর থানার সেনেড়া গ্রামে বাজে পড়়ে একজনের মৃত্যু হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, মৃতের নাম লক্ষ্মীনারায়ণ বাউরি (৫৬)। এদিন তিনি মাঠে কাজ করতে গিয়েছিলেন। ক্ষেতের কাজ করার সময়ই বাজ পড়ে। রঘুনাথপুর সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে চিকিৎসকরা তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করেন।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Dacoits: রাজ্যের দুই জেলায় একই সময়ে সোনার দোকানে ভয়াবহ ডাকাতি, পুলিশ-দুষ্কৃতী খণ্ডযুদ্ধ, চলল গুলিও

    Dacoits: রাজ্যের দুই জেলায় একই সময়ে সোনার দোকানে ভয়াবহ ডাকাতি, পুলিশ-দুষ্কৃতী খণ্ডযুদ্ধ, চলল গুলিও

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যের দুই প্রান্তে একই সময়ে সেনকো গোল্ডের শোরুমে ভয়াবহ ডাকাতির (Dacoits) ঘটনা ঘটে। একটি পুরুলিয়ায় ঘটেছে। অন্যটি নদিয়া জেলার রানাঘাটে। হিন্দি সিনেমার কায়দায় প্রকাশ্যে রানাঘাটে পুলিশের সঙ্গে দুষ্কৃতীদের গুলি বিনিময় হয়। যা দেখে এলাকার মানুষও হতবাক হয়ে যান। রানাঘাটের সেনকো গোল্ড এর শোরুমে ঢুকে দুষ্কৃতীরা তাণ্ডব চালায়। বন্দুক দেখিয়ে কর্মীদের মারধর এবং কোটি কোটি টাকা সোনার গয়না লুট করে বলে অভিযোগ। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ এলে দুষ্কৃতীদের সঙ্গে পুলিশের গুলির লড়াই চলে। গুলিতে জখম হয় ২ জন দুষ্কৃতী। ঘটনায় গ্রেফতার হয় চারজন। ঘটনাস্থলে বিশাল পুলিশ বাহিনী। নদিয়ার রানাঘাট থানা এলাকার ঘটনা। এই ঘটনায় এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। পুরুলিয়াতেও সেনকো গোল্ডের শো রুমে ভয়াবহ ডাকাতির ঘটনা ঘটেছে।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (Dacoits)  

    এদিন দুপুর তিনটে নাগাদ হঠাৎ ৮ জন দুষ্কৃতী এক এক করে সেনকো গোল্ডের শোরুমে ঢোকে। ভিতরে ঢুকেই সকলেই তারা আগ্নেয়াস্ত্র বের করে। পাশাপাশি কয়েকজন কর্মীকে মারধর করতে শুরু করে। এরপর মহিলা এবং পুরুষ কর্মীদের চুপচাপ বসে থাকতে বলে। কুড়ি মিনিটের মধ্যে কোটি কোটি টাকার সোনা লুট করে ব্যাগে ঢুকিয়ে নেয় তারা। সর্বস্ব লুট করে চম্পট দেওয়ার সময় খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছে যায় রানাঘাট থানার পুলিশ। পুলিশ তাদের পিছনে ধাওয়া করে। পরবর্তীকালে বাধ্য হয়ে গুলি চালাতে থাকে পুলিশ। অভিযোগ, দুষ্কৃতীদের তরফ থেকেও পুলিশকে লক্ষ্য করে পাল্টা গুলি চালানো হয়। পুলিশের গুলি লেগে ঘটনাস্থলে এই দুই দুষ্কৃতী জখম হয়ে মাটিতে লুটিয়ে পড়ে। তাদের উদ্ধার করে রানাঘাট মহাকুমা হাসপাতালে নিয়ে যায় পুলিশ। পাশাপাশি আরও দুই দুষ্কৃতীকে হাতনাতে ধরে ফেলে পুলিশ। এই ঘটনায় মোট চারজনকে গ্রেফতার করে পুলিশ। এই ধরনের ভর দুপুরে সোনার দোকানে ডাকাতির (Dacoits) মত ঘটনা এর আগে কখনও ঘটেনি। যার কারণে যথেষ্ট আতঙ্কে রয়েছে এলাকাবাসী। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে আসেন রানাঘাট থানার পুলিশ সুপার ডক্টর কে কান্নান। অন্যদিকে, পুরুলিয়া শহরে সেনকো গোল্ডের দোকানে এদিন দুপুরে দুই জন দুষ্কৃতী প্রথমে ক্রেতা সেজে ওই বহুজাতিক সোনার দোকানে প্রবেশ করে। সোনার গয়না কেনার নাম করে সোনার দোকানের কর্মীকে বিল করতে বলে। সেই মুহূর্তে দুই জনের মধ্যে একজন দুষ্কৃতী হটাৎ জলের বোতল কেনার নাম করে বাইরে চলে আসে। কিছুক্ষণের মধ্যে আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ে হুড়মুড়িয়ে দোকানে ঢুকে পর পাঁচ-ছয় জন দুষ্কৃতী। দোকানে থাকা কর্মীদের মাথায় বন্ধুক ঠেকিয়ে অন্য একটি ঘরে তাঁদের সেলোটেপ দিয়ে বেঁধে দেয়। তার পর অবাধে দোকানে সোনার লুট চালায়। দোকানের ৯০ শতাংশ সোনা লুট করে পালায়।

    কী বললেন সেনকো গোল্ডের এক কর্মী?

    এ বিষয়ে রানাঘাট সেনকো গোল্ড-এর এক কর্মী বলেন, আমরা যথেষ্ট আতঙ্কিত হয়ে পড়ি। প্রথমে ওরা এক এক করে শোরুমে ঢুকে। দুষ্কৃতীদের ব্যাগে এবং পকেটে আগ্নেয়াস্ত্র ছিল। আগ্নেয়াস্ত্র বের করে প্রথমে আমাকে মারধর করে। এরপর সকল কর্মীদের এক জায়গায় বসিয়ে রেখে তারা লুটপাট চালায়।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • BJP: মানবাজারে বিজেপি কর্মীর রহস্যমৃত্যু, সিবিআই তদন্তের দাবি

    BJP: মানবাজারে বিজেপি কর্মীর রহস্যমৃত্যু, সিবিআই তদন্তের দাবি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পঞ্চায়েত ভোটের ঠিক আগে ফের পুরুলিয়ায় বিজেপি (BJP) কর্মীর মৃতদেহ উদ্ধার হল। সোমবার এই জেলায় যান তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। তার আগেই এদিন সকালে বিজেপি কর্মীর দেহ উদ্ধারের ঘটনায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়াল পুরুলিয়া মানবাজার-২ ব্লকের বোরো থানার কেন্দাডি গ্রামে। পুলিশ জানিয়েছে, মৃতের নাম বঙ্কিম হাঁসদা। তাঁর বাড়ি কেন্দাডি গ্রামে।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে?

    স্থানীয় ও পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, মানবাজারের হেঁসলা অঞ্চলের ২০২ বুথের বিজেপির সাধারণ সম্পাদক ছিলেন বঙ্কিম হাঁসদা। পঞ্চায়েত নির্বাচনে দলীয় প্রার্থীদের সমর্থনে এলাকায় তিনি দিনরাত পরিশ্রম করছিলেন। রবিবার রাত ১০ টা নাগাদ তিনি বাড়ি থেকে বেরিয়ে যান। তারপর থেকে আর বাড়ি ফেরেননি। পরিবারের লোকজন চারদিকে খোঁজ করলেও কোনও হদিশ মেলেনি। সোমবার সকালে গ্রামের অদূরে তাঁর মৃতদেহ দেখতে পান স্থানীয়রা। গোটা ঘটনায় রহস্য দানা বেঁধেছে এলাকায়। স্থানীয় বিজেপি (BJP) কর্মীরা পুলিশ কুকুর নিয়ে এসে ঘটনার তদন্তের দাবি জানান। কিন্তু, পুলিশ দাবি না মেনে ওই বিজেপি কর্মীকে ঘটনাস্থল থেকে জোর করে উঠিয়ে নিয়ে যায়। স্থানীয় বিজেপি কর্মীদের বক্তব্য, পুলিশ কুকুর নিয়ে এলে খুনি কে তা জানা যেত। কিন্তু, পুলিশ তা হতে দিল না।

    কী বললেন বিজেপি (BJP) নেতৃত্ব?

    দলীয় কর্মীর মৃতদেহ উদ্ধারের বিষয়টি জানার পরই এদিন বিজেপির (BJP) জেলা সভাপতি বিবেক রাঙ্গা, সাংসদ জ্যোর্তিময় সিং মাহাত সহ একাধিক জেলা নেতৃত্ব ঘটনাস্থলে যান। বিজেপি সাংসদ বলেন, তৃণমূল আদিবাসীদের উপর অত্যাচার করছে। খুন করছে। ওই বিজেপি কর্মী আমাদের দলের ভাল সংগঠক। তাঁকে পরিকল্পিতভাবেই খুন করা হয়ছে। এই মৃত্যুর জন্য তৃণমূলই একমাত্র দায়ী। এই এলাকায় বিজেপির শক্তি বেশি থাকায় দলীয় কর্মীদের মনে আতঙ্ক ছড়াতে তৃণমূল এই কাজ করেছে। আমরা এই ঘটনার সিবিআই তদন্তের দাবি জানাচ্ছি। তৃণমূল নেতৃত্ব অভিযোগ অস্বীকার করেছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Purulia: “এই সরকার চায় না শান্তিপূর্ণ নির্বাচন হোক”, তীব্র আক্রমণে সুকান্ত মজুমদার

    Purulia: “এই সরকার চায় না শান্তিপূর্ণ নির্বাচন হোক”, তীব্র আক্রমণে সুকান্ত মজুমদার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দলীয় প্রার্থীদের সমর্থনে পুরুলিয়ার (Purulia) পুঞ্চায় মহা মিছিলে অংশগ্রহণ করলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার। এদিন পুঞ্চার দলহা মোড় থেকে পুঞ্চা কিষাণ মান্ডি পর্যন্ত এই মহা মিছিল হয়। এদিন সুকান্ত মজুমদার ছাড়াও মিছিলে উপস্থিত ছিলেন বিজেপির রাজ্য সাধারণ সম্পাদক তথা পুরুলিয়ার সাংসদ জ্যোতির্ময় সিং মাহাতো, বিজেপির পুরুলিয়া জেলার সভাপতি বিবেক রাঙা সহ দলের নেতৃত্ব। এদিন মিছিল শেষে পুঞ্চা কিষাণ মান্ডির পাশে একটি পথসভায় যোগদান করেন সুকান্তবাবু।

    পুরুলিয়ার (Purulia) জেলা পরিষদ নিয়ে কী বললেন?

    পুরুলিয়া (Purulia) পৌঁছে ট্রেন থেকে নেমে রাজ্যের বিজেপি সভাপতি বলেন, এই পুরুলিয়ার এসপি আগে ডায়মন্ডহারবারে ছিলেন। কয়লা চোর ভাইপো পুরুলিয়া জেলা পরিষদের ভোট লুটের জন্য পাঠিয়েছেন এই দলদাস পুলিশকে। কিন্তু লাভ হবে না। পুরুলিয়ার মানুষ ভোটের মাধ্যমে তৃণমূল সরকারকে বহিষ্কার করবেন। এখানকার জেলা পরিষদ বিজেপির দখলেই থাকবে বলে মন্তব্য করেন সুকান্ত। পাশাপাশি কুড়মি সমাজের ভোট প্রসঙ্গে সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে বলেন, কুড়মি সমাজের ভোট বিজেপিই পাবে। তৃণমূলের যুব সভানেত্রী সায়নী ঘোষের ইডি দফতরে হাজিরা প্রসঙ্গে বলেন, সব চোর জেলে যাবে। কয়েকদিন পরেই ‘সায়নীর অন্তর্ধান রহস্য’ সিনেমা প্রকাশিত হবে বলে কটাক্ষ করেন সুকান্ত।

    সভা মঞ্চ থেকে কী বললেন সুকান্ত

    এদিন মঞ্চ (Purulia) থেকে সুকান্ত মজুমদার রাজ্যের তৃণমূলের বিরুদ্ধে আক্রমণ করে বলেন, এই সরকার চায় না শান্তিপূর্ণ নির্বাচন হোক। শাসক ভেবেছিল, বিজেপি হয়তো ভয় পেয়ে গেছে। কিন্তু মনোনয়নের প্রথম দু’ দিনেই আমরা আমাদের প্রার্থীদের অধিকাংশ মনোনয়ন করে দিয়েছি। বিরোধীদের মধ্যে প্রায় পঞ্চাশ হাজার মনোনয়ন জমা করেছে একা বিজেপিই। শাসক দল বিজেপির মনোনয়ন দেখে ভয় পেয়ে গেছে। আমরা আমাদের গণতান্ত্রিক লড়াই গণতন্ত্র মেনেই করব। কেন্দ্রীয় বাহিনী প্রসঙ্গে তিনি বলেন, নির্বাচন কমিশন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রককে বাহিনী প্রয়োগের যথাযথ রিপোর্ট পাঠায়নি। যে ৩২২ কোম্পানি নিয়ে আসা হয়েছে, তাকে কীভাবে বুথ স্তর পর্যন্ত ব্যবহার করা হয়েছে, সেই বিষয়ে স্পষ্ট কোনও প্রতিফলন দেখা যাচ্ছে না। শাসক এবং নির্বাচন কমিশন যে কোনওভাবেই শান্তিপূর্ণ, অবাধ নির্বাচন চায় না, সেই বিষয়েও তিনি সুনিশ্চিত! 

     

     দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • TMC: পঞ্চায়েত ভোটের আগে সিপিএম-তৃণমূল সংঘর্ষ, চারদিন ধরে পুরুষশূন্য গ্রাম

    TMC: পঞ্চায়েত ভোটের আগে সিপিএম-তৃণমূল সংঘর্ষ, চারদিন ধরে পুরুষশূন্য গ্রাম

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আতঙ্কে পুরুষশূন্য গোটা গ্রাম। চারদিন অনাহারে গ্রামের মহিলা সহ শিশুরা। প্রাণের ভয়ে গ্রাম ছাড়ছেন অনেকে। কার্যত শ্মশানে পরিণত হয়েছে গোটা গ্রাম। পঞ্চায়েত ভোটের আবহে তৃণমূল (TMC)-সিপিএম সংঘর্ষে গত চারদিন ধরে এই চিত্র পুরুলিয়ার রঘুনাথপুর ২ নং ব্লকের কলাগাড়া গ্রামের। কবে ফিরবে গ্রামের শান্তি, সেই দিকে তাকিয়ে রয়েছেন অসহায় গ্রামবাসীরা।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে?

    পঞ্চায়েত নির্বাচনের আবহে গোটা রাজ্যের সঙ্গে অশান্তির কবলে পুরুলিয়া। জানা যায়, পঞ্চায়েত নির্বাচনের প্রস্তুতি হিসেবে ২৪ জুন গ্রামে সিপিএমের একটি সভার আয়োজন করা হয়। অভিযোগ, সেই সভায় তৃণমূল (TMC) হামলা চালায়। ছোড়া হয় ইট, পাটকেল। ঘটনার পর পরই সিপিএমের পক্ষ থেকে প্রতিরোধ করা হয়। গ্রামের সাধারণ মানুষও সামিল হন। আর এর পরেই ২৫ জুন দিনভর কলাগাড়া গ্রামে লাগাতার হামলা চালায় একদল দুষ্কৃতী। অবস্থা সামাল দিতে গ্রামে ছুটে আসে রঘুনাথপুর থানার বিশাল পুলিশ বাহিনী। গ্রামে বসানো হয়েছে পুলিশ পিকেট। গোটা ঘটনায় অতঙ্কিত গ্রামের মহিলা ও শিশুরা। গ্রামে ফিরতে পারছেন না পুরুষ সদস্যরা। যে কজন মানুষ গ্রামে রয়েছেন, তাঁদেরকেও পুলিশ উঠিয়ে নিয়ে গিয়েছে বলে দাবি বাসিন্দাদের। গ্রামের দোকানপাট বন্ধ থাকায় খাবারের অভাব দেখা দিয়েছে। অনাহারে গ্রামের মহিলা ও শিশুরা। নেই প্রশাসনের কোনও সাহায্য। আর সিপিএমের যে দুই প্রার্থীর সমর্থনে গ্রামে এত গণ্ডগোল, তাঁরা তৃণমূলে যোগ দিয়েছেন।

    কী বললেন সিপিএম নেতৃত্ব?

    সিপিএমের জেলা সম্পাদক প্রদীপ রায় বলেন, নির্বাচনের আগে গ্রাম দখল করতে ও এলাকায় সন্ত্রাস ছড়াতে তৃণমূল (TMC) গ্রামে হামলা চালিয়ে বহু বাড়ি ভাঙচুর করেছে। গৃহহীন হয়ে পড়ে এলাকার সাধারণ মানুষ। আর ভোট না হতেই দলেরই দুই প্রার্থীকে ওরা নিজেদের দলে নিয়েছে। এটা গণতন্ত্রের লজ্জা।

    কী বললেন তৃণমূলের (TMC) জেলা নেতৃত্ব?

    তৃণমূলের (TMC) জেলা সভাপতি সৌমেন বেলথরিয়া বলেন, কোথাও কোনও সন্ত্রাস করা হয়নি। ওই ঘটনার সঙ্গে তৃণমূল জড়িত নয়। সিপিএম আমাদের নামে মিথ্যা অভিযোগ করছে। আর দুজন সিপিএম প্রার্থী আমাদের দলে স্বেচ্ছায় এসেছে। জোর করে কাউকে আমাদের দলে নেওয়া হয়নি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Kurmi: পাঁচদিনের মাথায় উঠল কুড়মিদের রেল অবরোধ! শুরু হল ট্রেন চলাচল

    Kurmi: পাঁচদিনের মাথায় উঠল কুড়মিদের রেল অবরোধ! শুরু হল ট্রেন চলাচল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কোনও প্রতিশ্রুতি বা দাবিদাওয়া পূরণে কোনও আশ্বাস মেলেনি। রবিবার সকালে আচমকাই পুরুলিয়ার কুস্তাউর স্টেশন থেকে অবরোধ তুলে নিল কুড়মিরা (kurmi)  । তবে, রবিবার নতুন করে পুরুলিয়ার কোটশিলায় রেল অবরোধ শুরু হয়েছিল। সঙ্গে রাজ্য সড়ক অবরোধ করা হয়। কুস্তাউর স্টেশন এদিন সকালে রেল অবরোধ উঠলেও কোটশিলায় অবরোধ চলছে। পশ্চিম মেদিনীপুরের খেমাশুলি স্টেশনে রেল অবরোধ উঠে যায়। তবে, জাতীয় সড়ক অবরোধ চলছে। ৬দিনে পড়ল জাতীয় সড়ক অবরোধ। জানা গিয়েছে, কুস্তাউরের পর অন্যান্য স্টেশন থেকে রেল অবরোধ উঠে যাবে। ৫ এপ্রিল রেল অবরোধ শুরু হওয়ার পর থেকেই দক্ষিণ পূর্ব রেলের পক্ষ থেকে প্রায় প্রতিদিনই একের পর এক ট্রেন বাতিল করা হচ্ছে। গত পাঁচদিনে প্রায় শতাধিক ট্রেন বাতিল করা হয়েছে। শনিবারও কুড়মিদের (kurmi)  লাগাতার আন্দোলনের জেরে ৭২ টি দূরপাল্লার ট্রেন বাতিল করা হয়েছিল। আর এদিন রেল অবরোধ উঠলেও রেলের পক্ষ থেকে একগুচ্ছ ট্রেন বাতিল করা হয়েছে। একাধিক ট্রেনকে ঘুরপথে চালানো হয়েছে। পাশাপাশি বেশ কয়েকটি ট্রেনের যাত্রাপথ সংক্ষিপ্ত করা হয়েছে। তবে, এদিন পুরুলিয়ার কুস্তাউর স্টেশনে প্রথমে মালগাড়ি এবং  পরে, যাত্রীবাহী ট্রেন চলাচল শুরু করে।

    কুড়মিদের অবরোধ তোলার কারণ কী?

    আদিবাসী (Tribal People), কুড়মি (kurmi) জাতিকে তফশিলি উপজাতির তালিকাভুক্ত করা, সারনা ধর্মের স্বীকৃতি, কুড়মালি ভাষাকে সংবিধানের অষ্টম তফসিলের অন্তর্ভুক্ত করা-সহ রাজ্য সরকারের সিআরআই (কালচারাল রিসার্চ ইনস্টিটিউট) রিপোর্ট কেন্দ্রীয় সরকারের কাছে পাঠানোর দাবিতে কুড়মিদের (kurmi)  পক্ষ থেকে রাস্তায় নেমে এই আন্দোলন করা হয়েছে। ৫ এপ্রিল থেকে অনির্দিষ্টকালের জন্য রেল অবরোধের ডাক দেওয়া হয়েছে। এদিন তাদের আন্দোলন পাঁচদিনে পড়েছিল। তবে, প্রশাসনের পক্ষ থেকে শনিবার থেকে দফায় দফায় বৈঠক হয়। কিন্তু, কোনও রফাসূত্র মেলেনি। রবিবার সাত সকালে সংগঠনের প্রতিনিধিদের নিয়ে জেলা প্রশাসন, পুলিশ প্রশাসনের আধিকারিকরা বৈঠক করেন। সেই বৈঠকে কোনও রফাসূত্র বের হয়নি। আন্দোলনকারীরা কুস্তাউর স্টেশন এসে ফের আন্দোলনে যোগ দেন। পরে, জেলা প্রশাসনের এক আধিকারিক তাঁদের কাছে একটি চিঠি নিয়ে আসে। ১০ এপ্রিল মুখ্য সচিবের সঙ্গে বৈঠকের প্রস্তাব দেওয়া হয়। যদিও আন্দোলনকারীরা সেই প্রস্তাব ফিরিয়ে দেন। কুস্তাউর স্টেশনে রেলের পক্ষ থেকে আলো, জল সব কিছুই বন্ধ রাখা হয়েছে। চাকরি বা ব্যবসার সঙ্গে যে সব কুড়মিরা জড়িত রয়েছেন তাদের পুলিশ প্রশাসনের পক্ষ থেকে হুমকি দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ। ফলে, আন্দোলন ক্রমশ দুর্বল হয়ে পড়ছিল। তাই, আপাতত এদিন আন্দোলন প্রত্যাহার করে নেওয়া হয়।

    কী বললেন কুড়মি সংগঠনের নেতা?

    রেল অবরোধ তোলা প্রসঙ্গে কুড়মি (kurmi)   সংগঠনের নেতা অজিত প্রসাদ মাহাত বলেন, আসলে আমাদের আন্দোলন দুর্বল করতে প্রশাসন বহু চেষ্টা করছে। মামলার ভয় দেখানো হচ্ছে। আর মুখ্য সচিবের সঙ্গে এর আগে বৈঠক করেছি। কোনও লাভ হয়নি। তাই, এবার আর বৈঠক করতে রাজি হইনি। নিজেদের মধ্যে বৈঠক করে আমরা আপাতত অবরোধ প্রত্যাহার করে নিলাম। আর রেল অবরোধের জন্য সাধারণ মানুষের চরম ভোগান্তি হচ্ছে, সেটা বিবেচনা করেই এই সিদ্ধান্ত নিলাম। তবে, আগামীদিনে আমরা ফের আন্দোলনে নামব।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Kurmi: চারদিন ধরে চলছে কুড়মিদের রেল অবরোধ, শনিবারও একগুচ্ছ ট্রেন বাতিল, ব্যাপক ভোগান্তি

    Kurmi: চারদিন ধরে চলছে কুড়মিদের রেল অবরোধ, শনিবারও একগুচ্ছ ট্রেন বাতিল, ব্যাপক ভোগান্তি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক:আদিবাসী (Tribal People)  কুড়মি (kurmi) জাতিকে তফশিলি উপজাতির তালিকাভুক্ত করা, সারনা ধর্মের স্বীকৃতি, কুড়মালি ভাষাকে সংবিধানের অষ্টম তফসিলের অন্তর্ভুক্ত করা-সহ রাজ্য সরকারের সিআরআই (কালচারাল রিসার্চ ইনস্টিটিউট) রিপোর্ট কেন্দ্রীয় সরকারের কাছে পাঠানোর দাবিতে কুড়মিদের (kurmi)  পক্ষ থেকে রাস্তায় নেমে এই আন্দোলন করা হয়েছে। বুধবার থেকে অনির্দিষ্টকালের জন্য রেল অবরোধের ডাক দেওয়া হয়েছে। আজ চারদিন ধরে পুরুলিয়ার কুস্তাউর রেল স্টেশনে চলছে রেল অবরোধ। একইসঙ্গে ঝাড়গ্রামের খেমাশুলিতে রেল ও সড়ক অবরোধ চলছে। শুক্রবার জেলা প্রশাসনের সঙ্গে বৈঠক করা হয়। সেখানে কোনও সমাধান হয়নি। শনিবার পুরুলিয়া জেলা প্রশাসনের সঙ্গে আলোচনা বসে। তাতেও কাজের কাজ কিছুই হয়নি। রবিবার থেকে কোটশিলা স্টেশনে নতুন করে অবরোধ শুরু করবেন বলে জানা গিয়েছে।

    আন্দোলনের জেরে কত ট্রেন বাতিল হল?

    বুধবার থেকে রেল অবরোধ শুরু হওয়ার পর থেকেই দক্ষিণ পূর্ব রেলের পক্ষ থেকে প্রায় প্রতিদিনই একের পর এক ট্রেন বাতিল করা হচ্ছে। গত চারদিনে প্রায় শতাধিক ট্রেন বাতিল করা হয়েছে। শনিবারও কুড়মিদের (kurmi)  লাগাতার আন্দোলনের জেরে বাতিল করা হয়েছে একগুচ্ছ দূরপাল্লার ট্রেন। দক্ষিণ পূর্ব রেল সূত্রে খবর, এদিন ৭২ টি দূরপাল্লার ট্রেন বাতিল করা হয়েছে। এরমধ্যে ভুবনেশ্বর-দিল্লি রাজধানী এক্সপ্রেস, লোকমান্য তিলক, শালিমার সহ বহু দূরপাল্লার ট্রেন রয়েছে।  একাধিক ট্রেনকে ঘুরপথে চালানো হয়েছে। পাশাপাশি বেশ কয়েকটি ট্রেনের যাত্রাপথ সংক্ষিপ্ত করা হয়েছে। ব্যাপক আর্থিক ক্ষতির আশঙ্কা প্রকাশ করেছে রেল। রেল ও সড়ক অবরোধের ফলে গোটা জঙ্গলমহল একেবারে স্তব্ধ হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। শনিবার রেল অবরোধ চারদিনে পা দিল। ঝাড়গ্রামের খেমাশুলিতে ৪ এপ্রিল থেকে জাতীয় সড়ক অবরোধ চলছিল। সেই অবরোধ এদিন পাঁচদিনে পড়ল। তবে, পুরুলিয়া জেলায় রেল অবরোধ করা হলেও সড়ক অবরোধ করা হয়নি। এবার সড়ক পথ অবরোধ করা হবে বলে সংগঠনের নেতারা হুঁশিয়ারি দিয়েছে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Palash Flower: লাল পাহাড়ির দেশে শ্বেত পলাশেই মজেছে পর্যটকরা, একটি গাছের দাম জানেন?

    Palash Flower: লাল পাহাড়ির দেশে শ্বেত পলাশেই মজেছে পর্যটকরা, একটি গাছের দাম জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্কঃ বসন্ত মানেই প্রকৃতি প্রেমী আম বাঙালির কাছে ডেস্টিনেশন হচ্ছে পুরুলিয়া। রাস্তার দুধারে পলাশের (Palash Flower) লাল ফুলে রঙীন হয়ে ওঠে গোটা এলাকা। প্রকৃতির এই অপরূপ শোভা চাক্ষুস করতেই কলকাতা থেকে বহু পর্যটক লাল পাহাড়ির দেশে ছুটে যান। বহু কবির লেখার জাদুতে এই লাল পলাশ ফুলই আমাদের মনের মণিকোটায় আরও বেশি করে জায়গা করে নিয়েছে।  কিন্ত, এবার বসন্তে লাল পলাশ (Palash Flower) নয়, লাল পাহাড়ির দেশে ভিভিআইপি হয়ে উঠেছে শ্বেত পলাশ গাছ। শুধু এক ঝলক এই গাছকে দেখতে পর্যটকরা হুড়ার মতো প্রত্যন্ত এলাকায় ছুটে যাচ্ছেন। রাতারাতি পর্যটকদের মূল আকর্ষণ হয়ে উঠেছে এই শ্বেত পলাশ (Palash Flower)। পুরুলিয়ার হুড়ায় এই গাছের সন্ধান পাওয়া গিয়েছে। তবে, শুধু হুড়া নয়, বীরভূমের ময়ূরেশ্বরের পাহানা গ্রামে এবং নদীয়ার তেহট্ট এই গাছের সন্ধান পাওয়া গিয়েছে।

    শ্বেত পলাশ গাছ বাড়িতে থাকলে কত টাকার আপনি মালিক জানেন? Palash Flower

    আর পাঁচটা গাছের মতোই পুরুলিয়ার হুড়ার মালি স্বপন মাহাত শ্বেত পলাশ গাছের (Palash Flower) পরিচর্চা করতেন। ভাগলপুরের এক যুবক এই গ্রামে এসে বিভিন্ন গাছের ছাল, আঠা সংগ্রহ করতেন। এই সব দিয়ে তিনি আয়ুর্বেদিক ওষুধ তৈরি করতেন। তাঁর নজরে পড়ে যায় এই গাছ। সকলের আড়ালেই এই গাছের ছাল, আঠা সংগ্রহ করে তিনি নিয়ে যান। পরে, ঘনিষ্ঠ মহলে তিনি বিরল এই শ্বেত পলাশের (Palash Flower) মাহাত্ম্যের কথা বলেন। একজন-দুজন হতে কথাটি পাঁচ কান হয়ে যায়। খবর যায় জেলা উদ্যান পালন দপ্তরে। সেখান থেকে আধিকারিকরা এসে গাছটি পর্যবেক্ষণ করেন। উদ্যান পালন দপ্তরের পক্ষ থেকে সন্ধান চালিয়ে তেহট্ট এবং ময়ূরেশ্বরের হদিশ পাওয়া যায়।  কলকাতার অনেকের কাছেই এই খবর পৌঁছাই। তাঁরা ছুটে এসেছেন হুড়ায়। এক বছরের জন্যেই শ্বেত পলাশ গাছ লিজ নেওয়ার জন্য ২০ লক্ষ টাকা পর্যন্ত দর উঠেছে। গাছের মালিক স্বপনবাবু গাছের এই দাম শুনেই হতবাক। তিনি এখনও লিজে দিতে রাজি হননি। তাঁর ধারণা, এই গাছের মূল্য আরও অনেক বেশি। তাই, এখনই এই গাছকে তিনি কারও কাছে হাতছাড়া করতে নারাজ। প্রশাসনের এক কর্তা বলেন, একটি গাছের জন্য ২০ লক্ষ টাকা লিজে নিতে চাইছেন। এরকম গাছ বাড়িতে পাঁচটি থাকলে তো কোটিপতি।

    পুরুলিয়া জেলার উপ উদ্যান পালন অধিকর্তা সমরেন্দ্রনাথ খাঁড়া বলেন, এই গাছের ফুল, ছাল, আঠা অত্যন্ত ঔষধি গুণসম্পন্ন। ক্যান্সার প্রতিরোধক, বন্ধ্যাত্ম দূরীকরণসহ একাধিক কাজে ব্যবহার করা হয়। এখনও পর্যন্ত হাতে গোনা কয়েকটি জায়গায় আমরা এই গাছের সন্ধান পেয়েছি।  এই গাছটিকে নিয়ে আমাদের পরীক্ষা নিরীক্ষা চলছে। গাছটি সংরক্ষণ এবং সংখ্যায় আরও বেশি পরিমাণে বাড়ানোর জন্য রাজ্য দপ্তরে আমরা চিঠি দিয়েছি। আর জানতে পেরেছি, ব্লক প্রশাসনের পক্ষ থেকে ওই গাছটিকে রক্ষা করার জন্য সমস্ত রকম উদ্যোগ গ্রহণ করেছে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Purulia: কাজের মজুরি নিয়ে প্রশ্ন করায় বিজেপি কর্মীকে লোহার রড দিয়ে বেধড়ক মারধর তৃণমূল নেতার

    Purulia: কাজের মজুরি নিয়ে প্রশ্ন করায় বিজেপি কর্মীকে লোহার রড দিয়ে বেধড়ক মারধর তৃণমূল নেতার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মজুরি নিয়ে প্রশ্ন করায় এক বিজেপি কর্মীকে লোহার রড দিয়ে বেধড়ক পেটানোর অভিযোগ উঠল তৃণমূলের বিরুদ্ধে। ঘটনাটি ঘটেছে রবিবার রাতে পুরুলিয়ার (Purulia) হুড়া থানার মৌরাংডি গ্রাম এলাকায়। মারের আঘাতে জখম হয়েছেন সত্যবান মাহাতো নামক এক বিজেপি কর্মী। তাঁর অবস্থা গুরুতর হওয়ায় স্থানীয় মেডিকেলে ভর্তি করা হয়েছে। ইতিমধ্যে রাজ্যের লোকসভা নির্বাচনের আদর্শ নিয়ম লাগু হয়েছে। গত পঞ্চায়েত নির্বাচনের সময় শাসক দলের বিরুদ্ধে বিরোধী দলের কর্মীদের ব্যাপক মারধরের অভিযোগে সরব হয়েছিল বিজেপি। রাজ্যের আবার নির্বাচন আসন্ন, তাই শাসক দলের দৌরাত্ম্য এবং মানুষের মত প্রকাশের অধিকার কতটা অবাধ হবে, তা নিয়ে রাজনীতির একাংশের মানুষ প্রশ্ন তুলেছেন।  

    পরিবারের অভিযোগ

    ঘটনায় আহত সত্যবানের স্ত্রী ঝর্না স্থানীয় (Purulia) থানায় অভিযোগ করে বলেন, “স্বামী একশো দিনের কাজ করে নিজের মজুরি টাকা পাননি। কিন্তু এমন অনেকে আছে, যারা কাজ করেনি অথচ টাকা পেয়েছে। এরপর তৃণমূলের দুই নেতা অসিত মাহাতো এবং দীপক মাহাতো এসে প্রথমে বচসা করে এবং এরপর অসিত ছুটে গিয়ে রড নিয়ে এসে স্বামীর মাথার উপর আঘাত করে। এরপর চিৎকার শুনে আশেপাশের মানুষ ছুটে আসেন।” ইতিমধ্যে ঘটনায় পুলিশ মামলা রুজু করেছে। পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে।

    বিজেপির বক্তব্য

    পুরুলিয়ার (Purulia) জেলা বিজেপির সাধারণ সম্পাদক আবদুল আলিম আনসারি বলেন, “যে দুই তৃণমূলের নেতা মারধর করেছে, তাদের মধ্যে একজন গ্রামের পুকুর সংস্কারের কাজ করেছে। ফলে মজুরির কথা ওদের গায়ে লেগেছে।” একই ভাবে লোকসভার বিজেপি প্রার্থী জ্যোতির্ময় সিং মাহাতো বলেন, “নির্বাচন ঘোষণা হতেই এলাকায় এলাকায় তৃণমূলের গুন্ডারা সন্ত্রাসের বাতাবরণ তৈরি করেছে। নির্বাচন কমিশনের কাছে অভিযোগ জানাবো।”

    তৃণমূলের বক্তব্য

    ঘটনার কথা অস্বীকার করেছে তৃণমূল। তৃণমূলের জেলা সভাপতি সৌমেন বেলথরিয়া বলেন, “ব্যক্তিগত ঝামেলা হয় ওখানে। বিজেপি ইচ্ছে করে রাজনৈতিক রঙ দিয়েছে। নির্বাচনের আগে ঝামেলা করার চেষ্টা করা হয়েছে।” আবার হুড়া ব্লকের সভাপতি প্রসেনজিৎ মাহাতো বলেন, “ঝামেলার খবর শুনেছি। কী ঘটেছে খোঁজ নেবো।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Purulia: ‘গাছ পাগল’ দুখু মাঝির অতি কষ্টের জীবনে সুখ এনে দিল পদ্মশ্রী সম্মান

    Purulia: ‘গাছ পাগল’ দুখু মাঝির অতি কষ্টের জীবনে সুখ এনে দিল পদ্মশ্রী সম্মান

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ‘গাছ পাগল’ দুখু মাঝির অতি কষ্টের জীবনে সুখ এনে দিল পদ্মশ্রী সম্মান। গত ১০ থেকে ১২ বছরে পাঁচ হাজারের বেশি গাছ লাগিয়েছেন। এখনও সেই কাজ করে চলেছেন তিনি। জীবনের শেষ দিন পর্যন্ত গাছ লাগাবেন, এমনটাই ইচ্ছে। এলাকায় তিনি ‘গাছ দাদু’ নামে পরিচিত। পুরুলিয়ার (Purulia) এই গাছপ্রেমীকে ভারত সরকার পদ্মশ্রী পুরস্কার দিতে চলেছে বলে ঘোষণা করা হয়েছে। এই খবরে এলাকায় খুশির আবহ।

    সিন্ডরি গ্রামে সাজো সাজো রব (Purulia)

    পুরুলিয়ার (Purulia) সিন্ডরি গ্রামের বাসিন্দা দুখু মাঝি। তাঁকে এতদিন সকলে গাছ পাগল বলতেন। এখন তাঁর পদ্মশ্রী সাম্মনে মাতোয়ারা গোটা গ্রাম। এজন্য গোটা গ্রামে সাজো সাজো রব। নিজের খাওয়া-দাওয়া বাদ দিয়ে কেবল গাছই লাগান তিনি। নিজের ছেলেমেয়েকে অনেক কষ্ট করে বড় করে তুলেছেন তাঁর স্ত্রী। বাড়িতে একমাত্র আয়ের উৎস হল চাষবাস। তাঁর গাছ লাগানোর প্রচেষ্টার মধ্যে যে দেশের বড় সম্মান লুকিয়ে ছিল, তা আজ সকলে বুঝতে পারছেন।

    কী বলেন দুখু মাঝি?

    ভারত সরকারের পদ্মশ্রী সম্মানের কথা শুনে দুখু মাঝি (Purulia) বলেন, “আমার খুব ভালো লাগছে। জীবনে কখনও ভাবিনি এই ভাবে আমাকে সম্মাননা দেওয়া হবে। তবে গাছ লাগানো আমার একটা বড় নেশা। পুরস্কার আমার আশার বাইরে ছিল। গত ১০-১২ বছর ধরে আমি গাছ লাগিয়ে চলেছি। এক সাহেব বলেছিলেন, একদিন দেশে অক্সিজেনের অভাব হবে। এই কথা ভীষণ ভাবে আমার অন্তরকে নাড়িয়ে দিয়েছিল। পুরুলিয়ায় অনেক গাছ আমি লাগিয়েছি। আরও গাছ লাগাবো।”

    গাছ লাগানোর অনুপ্রেরণা

    সূত্রে জানা গিয়েছে, ‘গাছ লাগাও প্রাণ বাঁচাও’ এই কথার অর্থ বুঝতে খুব একটা দেরি হয়নি দুখুবাবুর। মাত্র ১২ বছর বয়স থেকে গাছ লাগাতে শুরু করেন এবং আজ ৭৮ বছরেরও থেমে নেই তিনি। সাইকেল নিয়ে ঘোরাঘুরি করেন। ফাঁকা জায়গা দেখলেই গাছ বসিয়ে দেন। একটা সময় লাক্ষা চাষের জন্য কুসুম, কুল গাছ লাগিয়েছেন। এছাড়াও বট, আম, জাম, পলাশ, কাঁঠাল, কৃষ্ণচূড়া সহ প্রছুর গাছ লাগিয়েছেন। গাছ লাগিয়ে কেবল ছেড়ে দিতেন না। সেই সঙ্গে  গাছের পরিচর্যাও করতেন।  

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share