Tag: Purulia

Purulia

  •  Purulia: ঝালদায় দলের হুইপ মানল না তৃণমূলের কাউন্সিলররা, অনাস্থায় অপসারণ পুরপ্রধানের

     Purulia: ঝালদায় দলের হুইপ মানল না তৃণমূলের কাউন্সিলররা, অনাস্থায় অপসারণ পুরপ্রধানের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পুরুলিয়ার (Purulia) ঝালদায় দলেরই হুইপ মানল না তৃণমূলের কাউন্সিলররা। ঠেকানো গেলে না পুরসভায় অনাস্থা। পুরপ্রধানকে অপ্রসারণ করতে কংগ্রেসের সঙ্গে হাত মেলাল তৃণমূলের কাউন্সিলররা। ফের দলের মধ্যে তীব্র অসন্তোষ এবং অস্বস্তি দুই প্রকাশ্যে এলো। এলাকায় এই নিয়ে রাজনৈতিক মহলে তীব্র শোরগোল পড়েছে।

    ঘটনা কীভাবে ঘটল (Purulia)?

    স্থানীয় (Purulia) সূত্রে জানা গিয়েছে, পুরপ্রধান বিজ্ঞপ্তি জারি করে তলবি বৈঠকের দিন ২৭ জানুয়ারি বদলে দেন। অপরে শাসক দল তৃণমূলের ৫ কাউন্সিলর, কংগ্রেসের ২ কাউন্সিলরের সঙ্গে হাত মিলয়ে ৭-০ ভোটাভুটিতে তৃণমূলের পুরপ্রধান শিলা চট্টোপাধ্যায়কে অপাসারণ করে দেন। ২০২১ সালে পুর নির্বাচনের পর ঝালদা পুরসভার বোর্ড গঠন নিয়ে ব্যাপক উত্তেজনার সৃষ্টি হইয়েছিল। তৃণমূলের সঙ্গে কংগ্রেসের প্রকাশ্যে ব্যাপক সংঘর্ষের ঘটনাও ঘটেছিল। এবার এই পুরসভার বোর্ড গঠন করে ক্ষমতা ধরে রাখতে তৃণমূলের কাউন্সিলরা, কংগ্রেসের সঙ্গে হাত মেলালো। এবার পুরপ্রধানকে হবেন তাই নিয়ে চলছে জোর জল্পনা। এলাকার মানুষের বক্তব্য একেই বলে রাজনীতি সম্ভাবনার শিল্প। ক্ষমতায় টিকে থাকাটাই রাজনীতি।

    তৃণমূলের বক্তব্য

    পুরুলিয়ার (Purulia) ঝালদায় এই ঘটনায় তৃণমূল নিজের দলের মধ্যে চরম বিড়ম্বনার মধ্যে পড়েছে। জেলা তৃণমূল সভাপতি সৌমেন বেলথরিয়া বলেন, “এই ঘটনায় ঝালদা শহরের তৃণমূল কর্মী নেতৃত্বের কাছে রিপোর্ট তলব করছি। সমস্ত বিষয়টি রাজ্য নেতৃত্বের কাছে জানিয়েছি।” অপর দিকে পুরপ্রধান শিলা চট্টোপাধ্যায় জানিয়েছেন, “এই তলবি সভা বৈধ নয়। এই বৈঠক পিছিয়ে আমি ২৭ জানুয়ারি করেছি। আমি আমার পুরসভার কাজ করে যাবো। ওঁরা যদি আমাকে কাজ করতে না দেয় তাহলে আমি আইনের সাহায্য নেবো।” এই পরিস্থিতিতে তৃণমূলের অন্দরে ফের আইনি যুদ্ধের সূচনা যে হতে চলেছে সে কথা এলাকার অনেক মানুষই বলছেন।

    কংগ্রসের বক্তব্য

    এই দিন তলবি সভায় উপস্থিত থাকা শাসক দল তৃণমূলের প্রাক্তন পুরপ্রধান (Purulia) সুরেশ আগরওয়াল বলেন, “৭-০ ভোটেপুর প্রধানকে অপসারণ করা হয়েছে। এর থেকে বেশি কিছু বলা সম্ভবপর নয়।” অপর দিকে ঝালদা পুরসভার বিরোধী দলনেতা তথা এই তলবি সভায় অংশ গ্রহণ করা কংগ্রেস কাউন্সিলর বলেন, “গত দুই বছরে এই পুরসভায় কোনও কাজ হয়নি, এমন পুরপ্রধান আগে কোনও সময়ে দেখা যায়নি। সেই জন্য আমরা তাঁকে অপসারণ করলাম।” উল্লেখ্য গত ৬ সেপ্টেম্বরে বাঘমুন্ডিতে (Purulia) স্থানীয় তৃণমূল বিধায়ক সুশান্ত মাহাতোর হাত ধরে নির্দল কাউন্সিলরা শিলা চট্টোপাধ্যায় তৃণমূলে যোগদান করেছিলেন। এরপর পুরসভার বোর্ড গঠনের সমীকরণ বদলে গিয়েছিল।   

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Purulia Repoll: ‘স্বচ্ছ নির্বাচন হয়নি’, গোটা জেলায় ফের ভোট চেয়ে আদালতে বিজেপি সাংসদ

    Purulia Repoll: ‘স্বচ্ছ নির্বাচন হয়নি’, গোটা জেলায় ফের ভোট চেয়ে আদালতে বিজেপি সাংসদ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ‘স্বচ্ছ নির্বাচন হয়নি পুরুলিয়ায়।’ এই মর্মে অভিযোগ জানিয়ে তদন্ত চেয়ে কলকাতা হাইকোর্টে জনস্বার্থ মামলা দায়ের করলেন পুরুলিয়ার (Purulia Repoll) বিজেপি (BJP) সাংসদ জ্যোতির্ময় সিং মাহাতো। নিরপেক্ষ তদন্তকারী কোনও সংস্থাকে তদন্তভার দেওয়ার আবেদনও জানানো হয়েছে। ২০ জুলাই ডিভিশন বেঞ্চে এই মামলার শুনানি হতে পারে। আইনজীবী ব্রজেশ ঝা জানান, আদালতের কাছে পুরো জেলায় নতুন করে পঞ্চায়েত নির্বাচন করার আবেদন জানানো হয়েছে। একাধিক ব্লকে আনসিলড ব্যালট বাক্স গণনা হয়েছে। কাউন্টিং হলে কারচুপি হয়েছে। তাই নিরপেক্ষ তদন্তের দাবিতে মামলা করা হয়েছে।

    ২০ বুথে ফের ভোট

    এদিকে, হাওড়ার সাঁকরাইলের ১৫টি, উত্তর ২৪ পরগনার হাবড়ার ৪টি এবং হুগলির সিঙ্গুরের একটি বুথে ফের নির্বাচন হবে। এই মর্মে রাজ্য নির্বাচন কমিশনের তরফে জারি করা হয়েছে বিজ্ঞপ্তি। কমিশন জানিয়েছে, সাঁকরাইলের মাণিকপুর ও সারেঙ্গার ১৫টি বুথে ভোট দেওয়া ব্যালট পেপার ছিনতাই করা হয়। তাই ওই বুথগুলিতে ভোট গণনার কাজ সম্পূর্ণ করা যায়নি। প্রসঙ্গত, সাঁকরাইলে বিধায়ক তৃণমূলের প্রিয়া পালের বিরুদ্ধে ব্যালট পেপার লুঠের অভিযোগ উঠেছিল।

    পুনর্নির্বাচনের দাবি

    রাজ্যের বিভিন্ন জেলার একাধিক বুথে ব্যালট বাক্স লুট, অবাধে ছাপ্পা দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। ওই বুথগুলিতে পুনর্নির্বাচনের দাবিও জানানো হয়েছে। তবে গোটা জেলায় (Purulia Repoll) পুনর্নির্বাচনের দাবি এই প্রথম। নির্বাচনের দিনই নানা অনিয়মের অভিযোগ তুলে সরব হয়েছিলেন জ্যোতির্ময়। পুরুলিয়ার বুথগুলিতে দেখা মেলেনি কেন্দ্রীয় বাহিনীর। তিনি নিজে ভোট দেন ঝালদা থানার পুস্তি হাইস্কুলের ১০৩ নম্বর বুথে। তার পরেই ক্ষোভ উগরে দিয়েছিলেন কেন্দ্রীয় বাহিনী না থাকায়। জোতির্ময় বলেন, “নির্বাচনের দিন থেকে ভোট গণনা, সম্পূর্ণ প্রক্রিয়াটাই হয়েছে লোক ঠকানো। ফলে মানুষের প্রকৃত রায় সামনে আসেনি। তাই পুনর্নির্বাচনের আবেদন।”

    আরও পড়ুুন: রামনবমীর শোভাযাত্রায় হিংসার মামলা, প্রশ্নের মুখে পুলিশের ভূমিকা

    কমিশন সূত্রে খবর, পঞ্চায়েত নির্বাচনে পুরুলিয়ার (Purulia Repoll) ২০টি পঞ্চায়েত সমিতির সবকটি দখল করেছে তৃণমূল। জেলা পরিষদও তাদের দখলে। ৪৫টি আসনের মধ্যে তৃণমূল পেয়েছে ৪২টি, বিজেপি ২টি। একটিতে জয়ী হয়েছেন নির্দল প্রার্থী। ১৭০টি গ্রাম পঞ্চায়েতের মধ্যে তৃণমূল পেয়েছে ১২৩টি, বিজেপি জিতেছে ১১টিতে। এদিকে, মালদহের গাজোল গণনা কেন্দ্র থেকে উদ্ধার হল সিল করা ৩টি ব্যালট বাক্স। এই বাক্সগুলির খোঁজ না মেলায় সালাইডাঙা গ্রাম পঞ্চায়েতের জীবনপুর গ্রামের ৮৩ নম্বর বুথে পুনর্নির্বাচন হয়েছিল।  

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Purulia: ঘুমের ওষুধ খাইয়ে স্বামীকে খুন করে গোপনাঙ্গ কেটে নিল স্ত্রী, অবশেষে গ্রেফতার প্রেমিক যুগল

    Purulia: ঘুমের ওষুধ খাইয়ে স্বামীকে খুন করে গোপনাঙ্গ কেটে নিল স্ত্রী, অবশেষে গ্রেফতার প্রেমিক যুগল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বারাসতের মনুয়াকাণ্ডের ছায়া ধরা পড়ল পুরুলিয়ার (Purulia) জয়পুরে। ২০১৭ সালে বারাসতের মনুয়া (Monua) মজুমদার তার প্রেমিক অজিত রায়কে দিয়ে স্বামী অনুপম সিংকে খুন করিয়েছিল। আর সমস্ত ঘটনাটি বাপের বাড়িতে বসে সে ফোনে লাইভ শুনেছিল। পুরুলিয়ার (Purulia) জয়পুরের রাঙ্গুনিটাড় গ্রামের ঘটনাটি অনেকটাই সেরকম। গ্রামের বাড়িতে বসে প্রেমিককে ফোন করে স্বামীকে খুন করে দেহ লোপাট করার লাইভ আপডেট দেয় স্ত্রী। পরে, প্রেমিকের পরামর্শে নিজের বাড়ির সেপটিক ট্যাঙ্কের মধ্যে দেহ পুঁতে দেয়। মৃতদেহে পচন ধরাতে সেখানে লবনও ঢেলে দেয় সে। গোয়ায় বসেই প্রেমিক ফোনে তার প্রেমিকাকে সমস্ত কিছু নির্দেশ দিয়েছিল। ২০ মার্চ রহস্যজনকভাবে জুড়ন মাহাত নামে এক ব্যক্তির রহস্যজনকভাবে নিখোঁজ হওয়ার ঘটনার তদন্তে নেমে পুলিশের সামনে চাঞ্চল্যকর এই তথ্য উঠে আসে। ইতিমধ্যে পুলিশ জুড়নের স্ত্রী উত্তরা মাহাতকে গ্রেফতার করেছে। আর তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করে তাঁর প্রেমিক ক্ষেত্রপাল মাহাতকে পুলিশ গ্রেফতার করে।

    প্রেমিকের সঙ্গে কীভাবে আলাপ হয়েছিল বধূর?

    উত্তরার দুই সন্তান রয়েছে। আর প্রেমিক ক্ষেত্রপালও চার সন্তানের বাবা। সে সেপটিক ট্যাঙ্ক তৈরির কাজ করে। বছর পাঁচেক আগে উত্তরাদের বাড়িতে সেপটিক ট্যাঙ্ক তৈরির কাজ করার সময় তার সঙ্গে ক্ষেত্রপালের আলাপ হয়। পরে, ফোন দেওয়া-নেওয়া হয় দুজনের মধ্যে। সময় সুযোগ পেলেই ফোনেই তাদের দুজনের মধ্যে কথাবার্তা চলত। পরে, দুজনের মধ্যে নিবিড় সম্পর্ক গড়ে। পাঁচ বছর ধরে তাদের মধ্যে বিবাহ বর্হিভূত সম্পর্ক রয়েছে। বছর দুয়েক আগে উত্তরার স্বামী সমস্ত বিষয়টি জেনে যান। আর এই নিয়ে বাড়িতে অশান্তি লেগেই থাকত। তাই, প্রেমের মধুর এই সম্পর্কের মাঝে পথের কাঁটা হয়ে দাঁড়ায় স্বামী। প্রেমিকের সঙ্গে ছক কষেই স্বামীকে খুন করার সিদ্ধান্ত নেয় উত্তরা।

    কী করে খুন করা হল?

    ২০ মার্চ রাতে জুড়নকে পরিকল্পিতভাবে খুন করে তার স্ত্রী উত্তরা। সেদিন রাতে স্বামীকে ডিমের তরকারি দিয়ে ভাত খেতে দেয়। আর তরকারির মধ্যে সে ২৫টি ঘুমের ওষুধ মিশিয়ে দেয়। ফলে, খাওয়ার কিছুক্ষণ পরই জুড়ন বেহুঁশ হয়ে পড়েন। এরপরই উত্তরা আসল খেলা শুরু করে। প্রথমে নিজেদের দোকানের বাটখারা করে স্বামীর মাথায় আঘাত করে। পরে, ঘরে তরকারি কাটার ছুরি দিয়ে তাঁর গোপনাঙ্গ কেটে নেয়। আর এই কাজ করার সময় মোবাইলের অন্যপ্রান্তে গোয়ায় বসেই শুনছিল ক্ষেত্রপাল। পরে, স্বামীর মৃত্যু নিশ্চিত জানার পর উত্তরা একাই তাকে টানতে টানতে সেপটিক ট্যাঙ্কে নিয়ে গিয়ে পুঁতে দেয়।

    কী বললেন জেলা পুলিশ সুপার?

    পুরুলিয়া (Purulia) জেলা পুলিশ সুপার অভিজিৎ বন্দোপাধ্যায় বলেন, “২০ ই মার্চ বছর ৪৫ এর জুড়ন মাহাত নিখোঁজ হন। ২২ ই মার্চ তার স্ত্রী উত্তরা মাহাত ও বড় ছেলে অপূর্ব মাহাত থানায় একটি নিখোঁজ ডায়েরি করেন। এরপর ২৫ তারিখ জুড়নের ছেলে জানায়, তাদের বাড়ির সেপটিক ট্যাঙ্কের ভিতর থেকে পচা গন্ধ বের হচ্ছে। এরপরই তদন্তে নেমে জুড়ন মাহাতোর বাড়ির বাইরে থাকা সেপটিক ট্যাঙ্ক থেকে তাঁর দেহ উদ্ধার হয়। এই ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে পরের দিন উত্তরা মাহাতকে গ্রেফতার করা হয়। তাকে নিজেদের হেফাজতে নিয়ে তার প্রেমিক ক্ষেত্রপাল মাহাতকে গ্রেফতার করা হয়।”

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Tribal People: আদিবাসীদের সড়ক ও রেল অবরোধে স্তব্ধ জঙ্গলমহল, ব্যাপক ভোগান্তি

    Tribal People: আদিবাসীদের সড়ক ও রেল অবরোধে স্তব্ধ জঙ্গলমহল, ব্যাপক ভোগান্তি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পূর্ব ঘোষণা মতো বুধবার পুরুলিয়ার কুস্তাউর স্টেশনে রেল অবরোধে সামিল হলেন সংগঠনের সদস্যরা (Tribal People)। এদিন সকাল থেকেই তীর, ধনুক, ধামসা-মাদল নিয়ে সংগঠনের সদস্যরা স্টেশনে এসে জমায়েত হন। পরে, বিভিন্ন দাবিদাওয়ার স্লোগান তুলে রেল লাইনে নেমে অবরোধ শুরু করেন। সকাল পাঁচটা থেকে রেল অবরোধ শুরু করে। পাশাপাশি সড়ক অবরোধ করা হয়। একইসঙ্গে ঝাড়গ্রামেও সংগঠনের পক্ষ থেকে রেল অবরোধ করা হয়। ফলে, এদিন সাধারণ মানুষ চরম নাকাল হন। হাজার হাজার যাত্রীকে দুর্ভোগ পোহাতে হয়।

    আন্দোলনের জেরে কত ট্রেন বাতিল হল?

    সকাল থেকে রেল অবরোধ করার জন্য খড়গপুর-আদ্রা শাখায় ট্রেন চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। দক্ষিণ-পূর্ব রেলের একাধিক ট্রেন বাতিল হয়ে যায়। আগাম রেল অবরোধের কথা ঘোষণা করায় দক্ষিণ পূর্ব রেলের মুম্বই এবং আদ্রা শাখার বেশ কয়েকটি ট্রেন বাতিল করা হয়। জানা গিয়েছে, টাটা-হাওড়া স্টিল এক্সপ্রেস, হাওড়া -হাওড়া স্টিল এক্সপ্রেস, হাওড়া-বরবিল জনশতাব্দী, হাওড়া-রাঁচি ইন্টারসিটি এক্সপ্রেস বাতিল করা হয়েছে। পাশাপাশি বেশ কিছু মেমু স্পেশাল বাতিল করা হয়েছে। এমনিতেই মঙ্গলবার বেলা ১০টা নাগাদ অনির্দিষ্টকালের জন্য খড়গপুর গ্রামীণের খেমাশুলিতে অনির্দিষ্টকালের জন্য জাতীয় সড়ক অবরোধ কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়। এদিন জাতীয় সড়কের পাশাপাশি রেলপথও অবরোধ করা হয়। ফলে, জাতীয় সড়কে লাইন দিয়ে ট্রাক দাঁড়িয়ে রয়েছে। আর নতুন করে রেল অবরোধ শুরু হওয়ায় সাধারণ মানুষ চরম দুর্ভোগে পড়ছেন।

    আন্দোলন নিয়ে কী বললেন কুড়মি সমাজের নেতা?

    আদিবাসী (Tribal People) কুড়মি জাতিকে তফশিলি উপজাতির তালিকাভুক্ত করা, সারনা ধর্মের স্বীকৃতি, কুড়মালি ভাষাকে সংবিধানের অষ্টম তফশিলের অন্তর্ভুক্ত করা-সহ রাজ্য সরকারের সিআরআই (কালচারাল রিসার্চ ইনস্টিটিউট) রিপোর্ট কেন্দ্রীয় সরকারের কাছে পাঠানোর দাবিতে সংগঠনের পক্ষ থেকে রাস্তায় নেমে এই আন্দোলন করা হয়েছে। আদিবাসী (Tribal People) কুড়মি সমাজের মুখ্য উপদেষ্টা অজিত প্রসাদ মাহাত বলেন, আমরা রাজ্য সরকারকে বহুদিন ধরে সময় দিয়েছি। কিন্তু, আমাদের দাবিদাওয়ার বিষয়ে রাজ্য সরকারের কোনও হেলদোল নেই। তাই, আমরা এর আগেই এই কর্মসূচি নেওয়ার কথা ঘোষণা করেছিলাম। রাজ্য সরকার আমাদের দাবির বিষয়ে বিবেচনা না করলে আমরা এই আন্দোলন আরও জোরদার করব। প্রয়োজনে জঙ্গলমহল স্তব্ধ করে দেব। এর আগে ‘কুড়মি সমাজ পশ্চিমবঙ্গ’ সংগঠনের রাজ্য সভাপতি রাজেশ মাহাত বলেন, ১ এপ্রিল থেকে রাজ্যের ঝাড়গ্রাম, পশ্চিম মেদিনীপুর, বাঁকুড়া ও পুরুলিয়া সহ বিহার, ঝাড়খণ্ড ও ওড়িশা রাজ্যের জঙ্গলমহল এলাকা জুড়ে ‘ঘাঘর ঘেরা’ নামে লাগাতার আন্দোলন কর্মসূচি নেওয়া হয়। দাবিদাওয়া আদায়ে এবার সেই আন্দোলন আরও জোরদার করা হল।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Purulia: রয়েছে ট্যাঙ্ক থেকে কল, নেই শুধু জল! পানীয় জলের পরিষেবা না মেলায় ক্ষুব্ধ স্থানীয়রা, কোথায়?

    Purulia: রয়েছে ট্যাঙ্ক থেকে কল, নেই শুধু জল! পানীয় জলের পরিষেবা না মেলায় ক্ষুব্ধ স্থানীয়রা, কোথায়?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্কঃ আছে জলের ট্যাঙ্ক, রয়েছে কলও! কিন্তু, সেই কলে নেই জল। দীর্ঘ ৭ বছর পরও পাইপ লাইনের কাজ শেষ না হওয়ায় চরম জল সঙ্কটে দিন কাটাচ্ছেন আড়ষার পাঁচটি অঞ্চলের সাধারণ মানুষ। অথচ গত ১৬ ফেব্রুয়ারি পুরুলিয়া (Purulia) জেলা সফরে এসে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দোপাধ্যায় ঘটা করে এই জলপ্রকল্পের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেছেন। কিন্তু, তারপরও এক মাসের বেশি সময় পেরিয়ে গিয়েছে এলাকার মানুষ পানীয় জলের পরিষেবা থেকে বঞ্চিত। এলাকাবাসীর বক্তব্য, মুখ্যমন্ত্রী জলপ্রকল্পের উদ্বোধন করার পর আমাদের আশা ছিল, এবার গরমকালে আর জলসঙ্কটে ভুগতে হবে না। পানীয় জলের সুবিধা পাবেন সকলে। কিন্তু, বাস্তবে দেখা গেল গরম পড়তেই সেই আগের মতো এলাকায় জলসঙ্কট দেখা দিয়েছে। জল প্রকল্পের পরিকাঠামো তৈরি না করে ঘটা করে প্রকল্পের উদ্বোধন করে কী লাভ হল?

    কবে জল প্রকল্পের কাজ শুরু হয়েছিল?

    পানীয় জলের সমস্যা মেটাতে ২০১৬ সালে পুরুলিয়ার (Purulia) আড়ষার খেদাডি আশ্রমের সামনে জনস্বাস্থ্য ও কারিগরী দপ্তরের উদ্যোগে নলবাহিত পানীয় জল সরবরাহ প্রকল্পের কাজ শুরু হয়। তাতে পাঁচটি অঞ্চলে পাইপ লাইনের মাধ্যমে জল পরিষেবা পৌঁছে দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়। তারজন্য তৈরি হয় বিশাল আকারে জলের ট্যাঙ্ক। পাইপ লাইনের কাজ এখনো শেষ হয়নি। জলের ট্যাঙ্ক তৈরির পর দীর্ঘ দিন কাজ বন্ধ ছিল। মাঝে পাইপ লাইনের কাজ শুরু হয়েছিল। কিন্তু, তাঁর পর সেই কাজ অজানা কারনে আবারও বন্ধ হয়ে যায়। যদিও সম্প্রতি পাইপ লাইনের কাজ শুরু হলেও সেই কাজ অতি ধীর গতিতে চলায় পাইপ লাইনের কাজ কবে শেষ হবে তাঁর সদুত্তর মেলেনি।

    জল প্রকল্প নিয়ে কী বললেন স্থানীয় বাসিন্দারা?

    স্থানীয় বাসিন্দারা বলেন, এই জল প্রকল্প শুরু হলে পুরুলিয়ার (Purulia) আড়ষা, রাঙ্গামাটি, তুম্বা, খেদাডি, পাটটাড় গ্রামের প্রায় ২৫ হাজারের মানুষ সুবিধা পাবেন। কিন্তু, প্রশাসনের গড়িমসি জেরে জল প্রকল্পের কাজ সম্পূর্ণ হয়নি। স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, এলাকায় জলের অনেক সমস্যা রয়েছে। বিশেষ করে গরম কালে এই সমস্যা আরও প্রকট হয়। এলাকায় নলকূপ থাকলেও মাঝে মধ্যে খারাপ থাকে। ফলে, নদী থেকে মাথায় করে জল আনতে হয় এলাকার মহিলাদের। এছাড়া এলাকায় পুকুর থাকলেও নোংরা জল হওয়ায় সেই জলে স্নান করতে হচ্ছে বাসিন্দাদের। যদিও এই বিষয়ে জনস্বাস্থ্য ও কারিগরী দপ্তরের আধিকারিকের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে তাঁরা কোনও মন্তব্য করতে চাননি।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Fake: পুরসভার বিল্ডিং প্ল্যান জাল করে অবাধে চলছে বিক্রি! কোথায় জানেন?

    Fake: পুরসভার বিল্ডিং প্ল্যান জাল করে অবাধে চলছে বিক্রি! কোথায় জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্কঃ বিল্ডিং প্ল্যান এর নকশা জাল (Fake) করার অভিযোগকে কেন্দ্র করে চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে পুরুলিয়া পুরসভায়। পুরসভার কর্মীদের একাংশ এই অপকর্মের সঙ্গে জড়িত বলে অভিযোগ উঠেছে। যা নিয়ে ইঞ্জিনিয়ার অ্যাসোসিয়েশন  এর সদস্যরা  সরব হয়েছেন। সমস্ত তথ্যপ্রমাণ দিয়ে তাঁরা পুরসভার চেয়ারম্যানের দ্বারস্থ হয়েছেন। তাঁদের দাবি, এই ঘটনার তদন্ত করতে হবে। আর এই ঘটনায় যে বা যারা জড়িত রয়েছে, তাঁদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে হবে।

    কীভাবে বিল্ডিং প্ল্যান জাল করা হচ্ছে? Fake

    পুরসভা এলাকায় ইঞ্জিনিয়ার অ্যাসোসিয়েশনের সদস্যদের মাধ্যমে বিল্ডিং প্ল্যান তৈরি করা হয়। সংগঠনের সদস্যরা বলেন, বিল্ডিং প্ল্যান করে যারা পুরসভায় জমা দিচ্ছে, সেই প্ল্যানের নথি আলাদা করে কপি করে সেই প্ল্যানে নতুন নাম, প্লট নম্বর দিয়ে জাল (Fake)  প্ল্যান তৈরি করে অন্য ব্যক্তিকে কম টাকায় সেই প্ল্যান বিক্রি করে দেওয়া হচ্ছে।  এমনকী সেই প্ল্যান পুরসভা থেকে পাশও করানো হচ্ছে। আমাদের কাছে তার প্রমাণও রয়েছে। এসব করে পেশাগত কাজে বাধা সৃষ্টি করছে এক শ্রেণীর পুরসভার কর্মীরা। দীর্ঘদিন ধরেই এই বেআইনি কাজ চলছে। কারণ, প্ল্যান পাশ হয়ে যাওয়ার পর সে প্ল্যানের নকশা যখন অ্যাপসে  আপলোড হচ্ছে, তখন দেখা যাচ্ছে তাদের করা নকশা অন্য ব্যক্তির প্ল্যানে পাশ করানো হয়েছে। সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক বামাপদ পুইতন্ডি বলেন,  পুরসভার কর্মী ছাড়া এই ধরনের জালিয়াতি (Fake) কারও পক্ষে করা সম্ভব নয়।  কারণ, আমাদের তৈরি প্ল্যান পুরসভায় জমা পড়ে। সেই জমা পড়া প্ল্যান থেকে জালিয়াতি করা হচ্ছে। পুরসভার চেয়ারম্যানকে লিখিতভাবে জানিয়েছি। কোনও ব্যবস্থা না নেওয়া হলে আগামীদিনে থানা ও আদালতে যাব।

    কী বললেন পুরসভার বিরোধী দলনেতা? Fake

    এই বিষয়ে পুরসভার বিরোধী দলনেতা তথা বিজেপি কাউন্সিলর প্রদীপ মুখোপাধ্যায় বলেন, পুরসভা থেকে প্ল্যান চুরি হয়ে যাচ্ছে, এটা ভাবা যায় না। পুরসভার প্ল্যান বিভাগে যারা রয়েছেন, তাঁদের সকলকে শোকজ করা দরকার। এই ধরনের বেআইনি কাজের সঙ্গে যে বা যারা জড়িত রয়েছে, তাঁদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করা দরকার। পুরসভার বৈঠকে আমরা এই বিষয়টি তুলব।  

    কী বললেন পুরসভার চেয়ারম্যান? Fake

    এই বিষয়ে পুরসভার চেয়ারম্যান নবেন্দু মাহালি বলেন, অভিযোগ পেয়েছি। প্ল্যান বিভাগের এক ইঞ্জিনিয়ারকে বিষয়টি দেখার জন্য বলেছি। কারণ, এই ধরনের ঘটনা মেনে নেওয়া যায় না। বিষয়টি নিয়ে বিভাগীয় তদন্ত করা হবে। দোষী প্রমাণিত হলে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। পুরসভায় এই ধরনের বেআইনি কাজ কোনওভাবে মেনে নেওয়া হবে না।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Liquor: গ্রামে মদ নিয়ে ঢুকলেই শাস্তির নিদান, কোথায় জানেন?

    Liquor: গ্রামে মদ নিয়ে ঢুকলেই শাস্তির নিদান, কোথায় জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্কঃ মদের (Liouor) নেশা করে এই গ্রামে কেউ আসলেই, মিলবে শাস্তি। গ্রামবাসীদের তৈরি ষোলো আনা কমিটির পক্ষ থেকে এই অভিনব সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। আর কমিটির সেই সিদ্ধান্তকে  পুরুলিয়ার মানকিয়ারি গ্রাম পঞ্চায়েতের  চিতিডি গ্রামের বাসিন্দারা সকলেই মান্যতা দিয়েছেন। গ্রামে ঢুকলেই রাস্তার পাশের দেওয়ালে বড় বড় করে লেখা রয়েছে, গ্রামে মদ (Liouor) বিক্রি করা, মদ খাওয়া, মদ (Liouor) খেয়ে মাতলামি করা সম্পুর্নরূপে নিষিদ্ধ। যদি কেউ তাঁহার অন্যথা করে, তাহলে চিতিডি ষোলআনা কমিটির বিবেচনা ও সিদ্ধান্ত অনুযায়ী তাঁকে শাস্তি পেতে হবে। তবে, গ্রামবাসীরা শাস্তি হিসেবে কী নিদান ঠিক করে রেখেছেন তা জানা যায়নি। গ্রামের বাসিন্দা তথা ষোলো আনা কমিটি সদস্য যুধিষ্টির মাহাত, সীতারাম মাহাত ও রমানাথ মাহাতরা বলেন, নেশা করার পর গ্রামের অধিকাংশ পরিবারে অশান্তি লেগেই থাকত। যুব সমাজও পড়াশুনা ছেড়ে এই নেশার দিকে ঝুঁকে পড়েছিল। গ্রামের পরিবেশ একেবারে খারাপ হয়ে গিয়েছিল। বহুবার গ্রাম কমিটি থেকে গ্রামবাসীদের নেশা না করার জন্য সতর্ক করা হয়েছে। কিন্তু, বাস্তবে কাজের কাজ কিছুই হয়নি। এরপরই গ্রামের মানুষকে নেশা থেকে মুক্ত করতে এই কড়া সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। গ্রামের দেওয়ালে বড় বড় করে আমাদের এই সিদ্ধান্তের কথা লিখে রাখা হয়েছে। কারণ, শুধু গ্রামের মানুষ নয়, বাইরে থেকে আসা লোকজনও যাতে এই সিদ্ধান্তের কথা জানতে পারেন। যদিও কয়েকদিন আগে আবগারি দপ্তরের আধিকারিকরা গ্রামে গিয়ে মদ (Liouor) কেন খেতে নিষেধ করা হয়েছে তা জানতে চান। পরে, দেওয়ালে লেখা গ্রাম কমিটির সিদ্ধান্তের কথা গ্রামবাসীদের মুছে দিতে বলা হয়। তবে, এলাকার মানুষ তাতে কোনও  কর্ণপাত করেননি। বরং, নেশামুক্ত সুন্দর  গ্রাম গড়তে তাঁরা নিজেদের সিদ্ধান্তে অনড়।

    এই অভিনব সিদ্ধান্ত নিয়ে কী বলছেন রাজনৈতিক দলের নেতারা?

    পুরুলিয়ার আড়ষা থানার চিতিডি গ্রামের বাসিন্দাদের উদ্যোগকে সাধুবাদ জানিয়েছেন বিজেপির জেলা সভাপতি বিবেক রাঙা। পাশাপাশি তিনি তৃণমূল সরকারকে কটাক্ষ করেছেন। তিনি বলেন, এই কাজ তো করা উচিত প্রশাসনের, তাহলে সেটা গ্রামবাসীদের করতে হবে কেন? আসলে তৃণমূল কংগ্রেস এই বিষয়ে উদ্যোগ নিচ্ছে না। কারণ, মদের (Liouor) আমদানির ওপর এই সরকার চলছে। তৃণমূল কংগ্রেস চায় না সমাজ থেকে মদ মুক্ত হোক। তারা চায়, যত বেশি মদ (Liouor) বিক্রি হবে, তাতে তাদের রাজস্ব আদায় বেশি হবে। অন্যদিকে, জেলা পরিষদের তৃণমূলের সভাধিপতি সুজয় বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, প্রশাসনের আইন থাকলেও সবার উপর রয়েছে মানুষ। তাই, গ্রামের মানুষ সকলে মিলে যে ভালো সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছেন, তাঁকে আমি সমর্থন করছি।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Mithun Chakraborty: আজ বাঁকুড়ায় সভা মহাগুরুর! মিঠুনকে দেখতে হোটেলের সামনে ভিড়

    Mithun Chakraborty: আজ বাঁকুড়ায় সভা মহাগুরুর! মিঠুনকে দেখতে হোটেলের সামনে ভিড়

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: যদি চপ না বিক্রি হয়ে থাকে, তাহলে ঢপ বিক্রি কর। এটা চলবে। এখন এটাই চলছে পশ্চিমবঙ্গে। বুধবার পুরুলিয়ার লোধুড়কায় বিজেপির পঞ্চায়েত কর্মী সম্মেলনে যোগ দিয়ে এমনই দাবি করলেন মিঠুন চক্রবর্তী (Mithun Chakraborty)। পঞ্চায়েত নির্বাচনের (Panchayat Elections 2023) আগে ফের বিজেপি-র  (BJP) হয়ে রাজ্যে ভোটের ময়দানে নেমেছেন মহাগুরু। বাঙলায় বিজেপির বাজিও তিনি। সেই মতোই বাঙালি আবেগে শান দিয়ে পুরুলিয়া থেকে প্রচার শুরু করলেন বঙ্গসন্তান মিঠুন চক্রবর্তী। বৃহস্পতিবার দ্বিতীয় দিন মিঠুন চক্রবর্তীর সাংগঠনিক বৈঠক ও পঞ্চায়েত কর্মী সম্মেলন রয়েছে বাঁকুড়ায়। তাঁকে দেখতে হোটেলের সামনে ভিড় করেছেন বহু মানুষ। গঙ্গাজলঘাঁটির দুর্লভপুরে আজ বিজেপির সাংগঠনিক বৈঠক রয়েছে। এরপর শালতোড়ার বিজেপি বিধায়ক চন্দনা বাউড়ির বাড়িতে মধ্যাহ্নভোজ সারবেন মিঠুন। মেনুতে রয়েছে ভাত-ডাল, সবজি, আলু পোস্ত, মাছ। নিজেই রান্না করেছেন বিধায়ক। বিকেলে মেজিয়া কলেজ মাঠে মিঠুনের সভা। আগামীকাল বিষ্ণুপুরের সোনামুখীতে কর্মসূচি রয়েছে মহাগুরুর।

    কী বললেন

    বুধবার পুরুলিয়ার জনসভায় আগাগোড়া রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং শাসকদলকে নিশানা করে যান মিঠুন। এ দিন কর্মী সম্মেলন চলাকালীন এক বিজেপি কর্মী প্রশ্ন ছোড়েন, “আমার চপ বিক্রি হচ্ছে না। কোনও কাজও হচ্ছে না, তাহলে আমি কী করব দিদি? ” সত্যিই চপ বিক্রি হচ্ছে না নাকি, তাঁর কাছে জানতে চান মিঠুন। জবাবে ওই কর্মী বলতে শুরু করেন, “দিদি বলেছিলেন চপ বিক্রি করে…।” কথা শেষ করার আগে তাঁকে থামিয়ে মিঠুন বলে ওঠেন, “এ বার আমি একটা কথা বলি, কাউকে ছোট করে কোনওদিন কথা বলি না। আজও বলছি না। যদি চপ না বিক্রি হয়ে থাকে, তাহলে ঢপ বিক্রি কর। এটা চলবে। এখন এটাই চলছে পশ্চিমবঙ্গে।”

    আরও পড়ুন: ‘ডেঙ্গি মোকাবিলায় ব্যর্থ রাজ্য’, হাইকোর্টে দায়ের হল জনস্বার্থ মামলা

    জিএসটি বাবদ প্রাপ্য থেকে ১০০ দিনের কাজ, কেন্দ্রীয় সরকার রাজ্যের টাকা আটকে রেখেছে বলে  অভিযোগ  তৃণমূলের। সেই নিয়েও এ দিন মন্তব্য করেন মিঠুন। আবাস যোজনায় ঘর না পাওয়ার অভিযোগ জানান বিজেপি কর্মীরা। জবাবে মিঠুন বলেন, “প্রধানমন্ত্রী এই ঘর যোজনার জন্য অনেক টাকা দিয়েছেন। সেটা দিল্লি থেকে পশ্চিমবঙ্গে আসে। ব্যাঙ্কে তার একটা নাম থাকে। প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনা। কিন্তু টাকাটা কোথায় যাবে? এখানে তো অলরেডি তার উপরে পোস্টার মেরে দিয়েছে! বাংলা আবাস যোজনা করে দিয়েছে! সেন্টার বলছে, আগে হিসেব দিন। টাকাটা কিছুদিনের জন্য আটকে রাখা হয়েছে। এটা সরকারের পয়সা। পাবলিকের পয়সা। এটা তোমার আমার পয়সা। সবাইকে হিসেব দিতে হবে।”

    বাঙালি খাবার ভীষণ প্রিয়

    পুরুলিয়ায় এদিন কাঁসার বাসনে বাঙালি খাবার দিয়ে মধ্যাহ্নভোজ সারেন ডিস্কো কিং। একেবারে বাঙালি মেনু। মাছ-ভাতে বাঙালি। এ প্রসঙ্গে মিঠুন চক্রবর্তী বললেন, ‘‘বাঙালি খাবার আমার ভীষণ প্রিয়।  আমরা খাবার নিয়ে কথা বলব না তো কি বালি, কয়লা, গরু নিয়ে কথা বলব!’’ 

  • Jhalda: পঞ্চায়েত নির্বাচনের আগেই বড় ধাক্কা শাসক শিবিরে, হাতছাড়া হল ঝালদা পুরসভা

    Jhalda: পঞ্চায়েত নির্বাচনের আগেই বড় ধাক্কা শাসক শিবিরে, হাতছাড়া হল ঝালদা পুরসভা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অনুমানই হল সত্যি! শাসকদলকে খোয়াতে হল ঝালদা পুরসভা (Jhalda)। শেষপর্যন্ত ২ নির্দল কাউন্সিলর কংগ্রেসকে সমর্থন করায় ঝালদা পুরসভা হাতছাড়া হল তৃণমূল কংগ্রেসের। এখন কংগ্রেস শিবিরে রইল ৭ কাউন্সিলর। অন্যদিকে, তৃণমূলের হাতে রইল ৫ কাউন্সিলর। আজ তলবি সভা ছিল। তাতে উপস্থিত ছিলেন না তৃণমূলের কাউন্সিলররা। নির্দল কাউন্সিলরের সমর্থনে সংখ্যাগরিষ্ঠতা পায় হাত শিবির। এদিন জয়ের পর ঝালদা শহরে তপন কান্দুর স্লোগান দিয়ে বিজয় মিছিল করে কংগ্রেস।

    কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশে পুরুলিয়ার ঝালদা (Jhalda) পুরসভায় আজ ছিল আস্থা ভোট। ঝালদা শহরজুড়ে জারি হয়েছিল ১৪৪ ধারা। অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে মোতায়েন করা হয়েছিল বিশাল পুলিশ বাহিনী। পঞ্চায়েত নির্বাচনের আগে শাসকদলের কাছে এটি একটি মর্যাদার লড়াই ছিল। আজকের আস্থাভোট ঘিরে ছিল টানটান উত্তেজনা। নির্দল থেকে তৃণমূলে যোগ দেওয়া কাউন্সিলররা শাসক দলের হাত ছাড়ার পরেই শাসকদলকে বেকায়দায় পড়তে হয়। এরপর এই মামলা আদালত পর্যন্ত গড়ালে শেষপর্যন্ত আস্থাভোটের নির্দেশ দেয় আদালত। আর আজই ঠিক হয়ে হয়ে গেল যে, শেষপর্যন্ত কংগ্রেসের দখলে হল ঝালদা পুরসভা (Jhalda) ।

    কেন এই আস্থাভোট?

    পুরভোটের পর থেকেই ঝালদা (Jhalda) নিয়ে অস্বস্তি বেড়েই চলেছিল শাসক শিবিরের। নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণার পরেই কংগ্রেস কাউন্সিলর তপন কান্দুর হত্যাকাণ্ড আরও সংকট বাড়িয়েছিল। শেষে উপনির্বাচনের পর নির্দল কাউন্সিলর শীলা চ্যাটার্জি তৃণমূল কংগ্রেসে যোগদান করায় বোর্ড গঠন করে শাসক দল। ফলে ৬ আসন পেয়ে সংখ্যাগরিষ্ঠ হয়ে বোর্ড দখল করে নেয় তৃণমূল। কিন্তু সেই বোর্ড বেশিদিন স্থায়ী হতে পারল না। ৭ মাস কাটতে না কাটতেই নির্দল কাউন্সিলর শীলা চ্যাটার্জি তৃণমূল কংগ্রেস ছাড়ার কথা ঘোষণা করেন। যার ফলে সংখ্যা গরিষ্ঠতা হারিয়েছে। শেষে চাপে পড়েই আস্থাভোট নির্দেশ দেয় আদালত ।

    কী পরিস্থিতিতে ছিল পুরবোর্ড?

    ঝালদা (Jhalda) পুরসভার মোট ১২টি আসন। পুরসভা ভোটের পর ত্রিশঙ্কু হয়েছিল ফলাফল। তৃণমূল কংগ্রেস এবং কংগ্রেস উভয়ই ৫টি করে আসন পেয়েছিল। ২টি আসনে জিতেছিল নির্দল। তারমধ্যে একজন সোমনাথ কর্মকার ছিলেন বিক্ষুব্ধ তৃণমূল কংগ্রেস। পুরভোটে টিকিট না পেয়ে নির্দল প্রার্থী হিসেবে দাঁড়িয়েছিলেন। এরই মধ্যে নির্দল কাউন্সিলর শীলা চট্টোপাধ্যায় তৃণমূল কংগ্রেসে যোগ দিলে সংখ্যা গরিষ্ঠতা পেয়ে শাসক শিবির পুরবোর্ড গঠন করেছিল। তবে বর্তমানে কংগ্রেসে রইল ৭ কাউন্সিলর।

    বোর্ড দখলে আত্মবিশ্বাসী ছিল কংগ্রেস

    কংগ্রেস থেকে দাবি করা হয়েছিল যে (Jhalda), তাঁদের সঙ্গে রয়েছেন ২ নির্দল প্রার্থী। ফলে বোর্ড দখলে আত্মবিশ্বাসী হাত শিবির। ঝালদা পুরসভার কংগ্রেস নেত্রী পূর্ণিমা কান্দু বলেন, ‘আমরা আশাবাদী। কারণ সংখ্যা গরিষ্ঠতা আমাদেরই বেশি। তাই জয় আমাদেরই হবে।’

    পঞ্চায়েত ভোটের আগে ঝালদা পুরসভার এই আস্থাভোট অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল। পুরুলিয়ায় তৃণমূল কংগ্রেসের ভোট ব্যাংক অনেকটাই নির্ভর করে এই আস্থাভোটের উপরে। সেকারণেই এদিকে তাকিয়ে ছিল পুরো রাজনৈতিক মহল। শেষ পর্যন্ত ঝালদাবাসীর (Jhalda) অপেক্ষার অবসান হল। কংগ্রেসের হাতেই গেল ক্ষমতা।

  • Suvendu Adhikari: দুধের গাড়ি উল্টে যেতেই বেরলো পাল-পাল গরু! ‘পাচারের নয়া পন্থা’, আক্রমণ শুভেন্দুর

    Suvendu Adhikari: দুধের গাড়ি উল্টে যেতেই বেরলো পাল-পাল গরু! ‘পাচারের নয়া পন্থা’, আক্রমণ শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যে এখনও সক্রিয় গরু পাচার (Cow Smuggling) চক্র। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Mamata Banerjee) নির্দেশে নতুন পথ খুঁজে বার করছেন পুলিশ (Police) আধিকারিকরা। পুরুলিয়ায় (Purulia) দুধের কন্টেনার (Milk Container) উল্টে উদ্ধার হয়েছে বেশ কয়েকটি গরু (Cattle)। তার পরেই রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে নিশানা করেন শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। মঙ্গলবার পর পর দুটি ভিডিও ট্যুইট করে মুখ্যমন্ত্রীকে আক্রমণ শানান রাজ্যের বিরোধী দলনেতা।

    এদিন সাত সকালে পুরুলিয়া-বাঁকুড়া ৬০ এ জাতীয় সড়কে আচমকাই উল্টে যায় একটি দুধের কন্টেনার। কন্টেনারের বাইরে আমূল লেখা দেখে অন্তত তাই ভেবেছিলেন স্থানীয়রা। দুর্ঘটনাগ্রস্ত কন্টেনারটির দরজা খুলতেই সিং দুলিয়ে বের হতে থাকে একের পর এক গরু। উদ্ধার হয় ১৭টি গরু। দেহ উদ্ধার হয় পাঁচটির। উত্তর প্রদেশের নম্বর প্লেট থাকা ওই দুধের গাড়ির চালক ও খালাসিকে আটক করেছে পুলিশ। জিজ্ঞাসাবাদে তারা জানিয়েছে, গরুগুলি বিহারের ঔরঙ্গাবাদের একটি হাট থেকে কলকাতায় নিয়ে আসা হচ্ছিল। পাচার নয়, কৃষি কাজে ব্যবহারের উদ্দেশ্যেই সেগুলি নিয়ে আসা হচ্ছিল বলে দাবি চালক ও খালাসির। তাদের দাবি সত্যি কিনা, তা জানতে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। তবে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে চালক ও খালাসি স্বীকার করেছে, গরু পাচার নিয়ে পুলিশি কড়াকড়ির জেরে এভাবে দুধের কন্টেনারে করে গরু নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল।

    আরও পড়ুন : অনুব্রত একজন মাফিয়া, মমতার প্রশ্রয়ে ওর বাড়বাড়ন্ত, বললেন শুভেন্দু

    দুধের কন্টেনার থেকে গরু উদ্ধার হতেই হইচই পড়ে যায় রাজ্যজুড়ে। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে ট্যুইটবাণে বিদ্ধ করেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা বিজেপির শুভেন্দু অধিকারী। তাঁর কটাক্ষ, গরু পাচার বন্ধে কড়াকড়ি শুরু হতেই নয়া কৌশল অবলম্বন করেছে পাচারকারীরা। একটি ট্যুইট বার্তায় শুভেন্দু লেখেন, পশ্চিমবঙ্গে এখনও কোটি কোটি টাকার গরু পাচার চক্র সক্রিয়। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের নির্দেশ বিএসএফ স্ক্রু টাইট দিয়েছে। তাই গরু পাচারের পরীক্ষিত পদ্ধতিগুলো আর কাজ করছে না। পুরানো পদ্ধতিতে গরু পাচার কঠিন হয়ে পড়েছে।

    দ্বিতীয় ট্যুইটবাণে শুভেন্দু লেখেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় পশ্চিমবঙ্গ পুলিশকে গরু পাচারের আদর্শ উপায় আবিষ্কার করতে বলেছেন। পুষ্পা চলচ্চিত্র থেকে অনুপ্রাণিত হয়ে পুরুলিয়ায় আমুলের দুধের গাড়িতে করে গরু পাচার হচ্ছিল। গাড়িটি রাস্তা থেকে পিছলে দুর্ঘটনাগ্রস্ত হওয়ায় বিষয়টি প্রকাশ্যে চলে এসেছে।

    [tw]<blo


    ckquote class=”twitter-tweet”>

    The multi-crore cattle smuggling syndicate is still active in WB. @BSF_India has tightened the screws under Hon’ble Home Minister Shri @AmitShah Ji’s able supervision. The tried & tested formulas have now failed. It has become extremely difficult to smuggle cattle using old ways: pic.twitter.com/K85NsjlaBT

    — Suvendu Adhikari • শুভেন্দু অধিকারী (@SuvenduWB) August 23, 2022

    [

    প্রসঙ্গত, গরু পাচার মামলায় সিবিআই হেফাজতে রয়েছেন তৃণমূলের বীরভূম জেলা সভাপতি অনুব্রত মণ্ডল। ওই মামলায় তদন্ত করতে গিয়ে চোখ কপালে ওঠার জোগাড় তদন্তকারীদের। এমনই আবহে দুধের কন্টেনার উল্টে গরু উদ্ধারের ঘটনায় পাচারকারীদের হাতই দেখছে রাজ্যের বিরোধী দল বিজেপি।

     

LinkedIn
Share