Tag: rajnath singh

rajnath singh

  • Indian Navy: আরবসাগরে নৌসেনার শক্তিবৃদ্ধি, সোমবার হাতে আসছে স্টেলথ ফ্রিগেট ‘আইএনএস তুশিল’

    Indian Navy: আরবসাগরে নৌসেনার শক্তিবৃদ্ধি, সোমবার হাতে আসছে স্টেলথ ফ্রিগেট ‘আইএনএস তুশিল’

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এবার রাশিয়ার প্রযুক্তিগত সহায়তায় সর্বাধুনিক স্টেলথ গাইডেড মিসাইল ফ্রিগেট ‘আইএনএস তুশিল’ পেতে চলেছে ভারতীয় নৌসেনা। আগামী সোমবার, রাশিয়ার উপকূলীয় শহর কালিনিনগ্রাদে আইএনএস তুশিলকে ভারতীয় নৌসেনায় কমিশন্ড বা অন্তর্ভুক্ত করা হবে। উপস্থিত থাকবেন প্রতিরক্ষা মন্ত্রী রাজনাথ সিং।

    ‘আইএনএস তুশিল’-এর গুরুত্ব

    তুশিল শব্দের অর্থ রক্ষাত্মক বর্ম। আইএনএস তুশিল সাগরে ভারতীয় নৌসেনাকে আরও শক্তিশালী করে তুলবে। রাশিয়ার কালিনিনগ্রাদের জাহাজ কারখানায় তৈরি হয়েছে এই যুদ্ধজাহাজ। এই গাইডেড মিসাইল ফ্রিগেট গোত্রের এই যুদ্ধজাহাজে ব্যবহার করা হয়েছে স্টেলথ প্রযুক্তি। শত্রুপক্ষের রেডারকে ফাঁকি দিতেই এই প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়েছে। এই প্রযুক্তির জন্য সমুদ্রে তুশিলের উপস্থিতি বুঝতেই পারবে না বিপক্ষ। আড়াল থেকেই আক্রমণ শানাতে পারবে তুশিল। আধুনিক সমস্ত রকমের যুদ্ধসরঞ্জাম মোতায়েনের ব্যবস্থা রয়েছে এতে। অন্তর্ভুক্তির পর, আইএনএস তুশিল ভারতীয় নৌবাহিনীর পশ্চিমাঞ্চলীয় ফ্লিটের অংশ হবে। এটি বিশ্বের সবচেয়ে প্রযুক্তিগতভাবে উন্নত ফ্রিগেটগুলির মধ্যে একটি বলে জানান কর্মকর্তারা। এটি শুধু ভারতীয় নৌবাহিনীর সক্ষমতার বৃদ্ধির প্রতীক হবে না, বরং ভারত-রাশিয়া অংশীদারিত্বের দৃঢ় এবং সহনশীল শক্তিরও প্রতীক বলে জানিয়েছে প্রতিরক্ষা মন্ত্রক।

    আরও পড়ুন: সুখবর শোনাল রিজার্ভ ব্যাঙ্ক, অপরিবর্তিত রেপো রেট, সাধারণের ওপর বাড়ছে না ঋণের বোঝা

    শক্তি বাড়বে নৌসেনার

    ২০১৬ সালে নয়াদিল্লি ও মস্কোর মধ্যে ২.৫ বিলিয়ন ডলারের একটি চুক্তির অংশ হিসেবে, নৌসেনার হাতে আসতে চলেছে তুশিল। এই আওতায়, চারটি স্টেলথ ফ্রিগেট তৈরি হবে। দুটি জাহাজ রাশিয়ায় নির্মিত হবে, অন্য দুটি জাহাজ ভারতেই নির্মিত হবে। ৩,৯০০ টনের এই জাহাজটির দৈর্ঘ্য ১২৫ মিটার। জাহাজটি বেশ কয়েকটি ব্যাপক পরীক্ষা-নিরীক্ষার মধ্য দিয়ে গিয়েছে, যার মধ্যে রয়েছে ফ্যাক্টরি সি ট্রায়াল, স্টেট কমিটি ট্রায়াল এবং অবশেষে ভারতের বিশেষজ্ঞদের দ্বারা ডেলিভারি অ্যাকসেপ্টেন্স ট্রায়াল। আরবসাগর ও ভারত মহাসাগরে নিরাপত্তা বৃদ্ধির পাশাপাশি, চিন-পাকিস্তানের প্রভাব খর্ব করতে দারুণ কাজে আসবে এই যুদ্ধজাহাজ।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • PM Modi: ‘‘নৌসেনার অঙ্গীকার দেশের সুরক্ষা, নিরাপত্তা ও সমৃদ্ধি নিশ্চিত করে’’, নৌ-দিবসে কুর্নিশ মোদি-শাহের

    PM Modi: ‘‘নৌসেনার অঙ্গীকার দেশের সুরক্ষা, নিরাপত্তা ও সমৃদ্ধি নিশ্চিত করে’’, নৌ-দিবসে কুর্নিশ মোদি-শাহের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতীয় নৌবাহিনীর অঙ্গীকার দেশের সুরক্ষা, নিরাপত্তা ও সমৃদ্ধি নিশ্চিত করেছে। নৌবাহিনী দিবসে (Indian Navy Day 2024) বাহিনীর জওয়ানদের সাহসিকতাকে কুর্নিশ জানিয়ে এই কথা বললেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। প্রতি বছর ৪ ডিসেম্বর নৌবাহিনী তার প্রতিষ্ঠা দিবস উদযাপন করে। ১৯৭১ সালের যুদ্ধে পাকিস্তানের করাচি বন্দরে নৌবাহিনীর হামলার স্মরণে এই প্রতিষ্ঠা দিবস পালিত হয়। এদিন নৌসেনাদের স্যালুট জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী মোদি (PM Modi), কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ, প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং-সহ অন্যান্যরা।

    প্রধানমন্ত্রীর কুর্ণিশ

    বুধবার সকালে নিজের এক্স হ্যান্ডেলে প্রধানমন্ত্রী মোদি (PM Modi) লিখেছেন, “নৌবাহিনী দিবসে, আমরা ভারতীয় নৌবাহিনীর বীর জওয়ানদের অভিবাদন জানাই, যাঁরা অতুলনীয় সাহস এবং নিষ্ঠার সঙ্গে আমাদের সমুদ্র রক্ষা করেন। তাঁদের অঙ্গীকার আমাদের দেশের সুরক্ষা, নিরাপত্তা এবং সমৃদ্ধি নিশ্চিত করেছে। ভারতের সমৃদ্ধ সামুদ্রিক ইতিহাসেও আমরা গর্ব করি।”

     স্যালুট স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর 

    স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহও (Amit Shah) টুইট বার্তায় ভারতীয় নৌবাহিনীর অভূতপূর্ব সাহস এবং কৌশলগত দক্ষতার ভূয়সী প্রশংসা করেছেন। তিনি লিখেছেন, ‘‘আমাদের নৌবাহিনী কেবল সমুদ্রপথ রক্ষা করে না বরং বৈদেশিক নীতির উন্নতিতেও সাহায্য করে। নৌবাহিনী দিবসে, আমি আমাদের সাহসী নৌ কর্মীদের এবং তাদের পরিবারকে আন্তরিক অভিনন্দন জানাই। আমরা আমাদের সামুদ্রিক সীমান্ত রক্ষায় নৌবাহিনীর বীরত্ব, নিষ্ঠা ও অঙ্গীকারকে অভিনন্দন জানাই।’’

    সবসময় পাশে নৌসেনা

    প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিংও (Rajnath Singh) নৌসেনাদের কুর্নিশ জানান। তিনি লেখেন, ‘‘ভারতীয় নৌবাহিনীর অবদান শুধু দেশের নিরাপত্তায় নয়, বিদেশ নীতিকেও শক্তিশালী করে। আমাদের সমুদ্রপথের নিরাপত্তা থেকে শুরু করে প্রাকৃতিক দুর্যোগে সহায়তা, মানবিক কাজে নৌবাহিনীর অবদান অতুলনীয়। এই দিনটি নৌবাহিনীর আত্মত্যাগ এবং তাদের অনন্য কর্মকে স্মরণ করার এক অভাবনীয় সুযোগ। ভারতীয় নৌবাহিনীর ইতিহাস সমৃদ্ধ ও গৌরবময়। স্বাধীনতা সংগ্রামেও ভারতীয় নৌবাহিনী গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিল। আজও তারা আমাদের সামুদ্রিক এলাকার নিরাপত্তার দায়িত্ব পালন করছে।’’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • India-Australia Refueling Pact: মাঝ-আকাশেই ভারতের বিমানে জ্বালানি ভরবে অস্ট্রেলিয়া, স্বাক্ষরিত নয়া চুক্তি

    India-Australia Refueling Pact: মাঝ-আকাশেই ভারতের বিমানে জ্বালানি ভরবে অস্ট্রেলিয়া, স্বাক্ষরিত নয়া চুক্তি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মাঝ-আকাশেই এক বিমান থেকে অন্য বিমান জ্বালানি সরবরাহ করবে ভারত ও অস্ট্রেলিয়া (India-Australia Refueling Pact)। বাইশ গজে দুজনের মধ্যে লড়াই যতই কঠিন হোক না কেন আসলে দুই দেশই একে অপরের ভাল বন্ধু। সেই বন্ধুত্বের মর্যাদা রেখেই ভারত অস্ট্রেলিয়ার মধ্যে এক নয়া চুক্তি স্বাক্ষরিত হল। সেই চুক্তি অনুসারে, ভারতীয় সশস্ত্র বাহিনী এবং রয়্যাল অস্ট্রেলিয়ান এয়ার ফোর্স বা ব়্যাফ, উড়ান চলাকালীন মাঝ-আকাশেই এক বিমান থেকে অন্য বিমান জ্বালানি সরবরাহ করতে পারবে।

    নয়া চুক্তি এক মাইলফলক

    সম্প্রতি আসিয়ান গোষ্ঠীভুক্ত দেশগুলির প্রতিরক্ষা মন্ত্রীদের নিয়ে একটি বৈঠকের আয়োজন করা হয়। যেখানে আলাদা করে একটি দ্বিপাক্ষিক বৈঠক করেন ভারতের প্রতিরক্ষা মন্ত্রী রাজনাথ সিং এবং অস্ট্রেলিয়ার (India-Australia Refueling Pact) প্রতিরক্ষা মন্ত্রী প্যাট কনরয়। লাওসে আয়োজিত ওই বৈঠকে নয়া চুক্তি সম্পাদনের কথা ঘোষণা করেন রাজনাথ ও কনরয়। সংশ্লিষ্ট চুক্তির আওতায় ব়্যাফের এয়ার-টু-এয়ার জ্বালানি সরবরাহকারী বিমান, কেসি ৩০এ-র মাধ্যমে ভারতীয় সশস্ত্রবাহিনীর বিমানে জ্বালানি ভরা যাবে। অস্ট্রেলিয়ার প্রতিরক্ষা বিভাগের তরফে প্রকাশ করা একটি বিবৃতিতে একথা জানানো হয়েছে। তাদের মতে, এই চুক্তি ভারতের সঙ্গে অস্ট্রেলিয়ার সমারিক সম্পর্ক আরও এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার ক্ষেত্রে নতুন মাইলফলক তৈরি করল।

    সামরিক সম্পর্ক আরও দৃঢ়

    ওয়াকিবহাল মহলের মতে, যদি উড়ান চলাকালীনই মাঝ-আকাশে বিমানে জ্বালানি ভরার ব্যবস্থা করা যায়, তাহলে যে কোনও যুদ্ধবিমানের কার্যক্ষমতা এক ধাক্কায় অনেকটাই বেড়ে যায়। কারণ, সেই বিমানকে আর জ্বালানি ভরার জন্য মাটিতে নামতে হয় না। ফলে তার উড়ানের পরিসর বিস্তৃত হয়ে যায়। এই চুক্তি অনুযায়ী ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলে ভারতীয় নৌবাহিনীর পি-৮১ নেপচুন নজরদারি বিমানে জ্বালানি ভরতে পারবে কেসি-৩০এ। গত ১৯ নভেম্বর নয়া দিল্লিতে আয়োজিত অস্ট্রেলিয়া-ভারত বায়ু সেনা আধিকারিকদের বৈঠকেই এই চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। অস্ট্রেলিয়ার হয়ে তাতে স্বাক্ষর করেন এয়ার ভাইস-মার্শাল হার্ভে রেনল্ডস। তিনি এই চুক্তিকে স্বাগত জানিয়ে বলেন, এর ফলে দুই দেশের সামরিক সম্পর্ক আরও দৃঢ় হবে।

    নয়া চুক্তি গুরুত্বপূর্ণ

    ভারত এবং অস্ট্রেলিয়া (India-Australia Refueling Pact) এই দুই দেশই কোয়াডের সদস্য। সাম্প্রতিক বছরগুলিতে এই দুই রাষ্ট্রশক্তি যৌথভাবে প্রতিরক্ষা ও নিরাপত্তা বিষয়ক বিভিন্ন ক্ষেত্রে অগ্রসর হয়েছে। এমনকী, বিভিন্ন সময় যৌথ মহড়া-সহ অন্য়ান্য কর্মসূচিও পালন করেছে।  ভারত-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে নয়া চুক্তি গুরুত্বপূর্ণ।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • India China Relation: “গালওয়ানের মতো ঘটনা এড়ানো উচিত”, চিনা প্রতিরক্ষামন্ত্রীকে বললেন রাজনাথ

    India China Relation: “গালওয়ানের মতো ঘটনা এড়ানো উচিত”, চিনা প্রতিরক্ষামন্ত্রীকে বললেন রাজনাথ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “গালওয়ানের মতো ঘটনা এড়ানো উচিত।” চিনা প্রতিরক্ষামন্ত্রীকে সাফ জানিয়ে দিলেন ভারতের (India China Relation) প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং (Rajnath Singh)। বুধবার লাওসের ভিয়েনতিয়ানে দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে বসেছিলেন রাজনাথ এবং চিনা প্রতিরক্ষামন্ত্রী ডং জুন। লাদাখে সেনা অপসারণের পর এই প্রথম মুখোমুখি হলেন দুই প্রতিবেশী দেশের দুই প্রতিরক্ষামন্ত্রী।

    কী বললেন রাজনাথ? (India China Relation)

    বৈঠকে রাজনাথ বলেন, “বিশ্বের দুটি বৃহত্তম জাতি ভারত ও চিনের মধ্যে সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্ক বৈশ্বিক শান্তি ও সমৃদ্ধির ওপর ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে।” তিনি বলেন, “যেহেতু উভয় দেশই প্রতিবেশী এবং ভবিষ্যতেও তাই থাকবে, তাই আমাদের সংঘাতের পরিবর্তে সহযোগিতার উপর জোর দিতে হবে।” দুই নেতা প্রকৃত নিয়ন্ত্রণ রেখার পরিস্থিতি এবং চার বছরের বেশি সময় ধরে যেখানে দুই পক্ষ অচলাবস্থায় ছিল সেই এলাকাগুলিতে সেনা অপসারণ নিয়ে পর্যালোচনা করেন। রাজনাথ বলেন (India China Relation), “২০২০ সালের দুর্ভাগ্যজনক সীমান্ত সংঘর্ষ থেকে উভয় দেশের শিক্ষা নেওয়া উচিত। ভারত-চিন সীমান্তে শান্তি চাই।”

    সহযোগিতার দিকে মনোনিবেশের প্রস্তাব

    প্রসঙ্গত, রাশিয়ার কাজানে ব্রিকস সম্মেলনে পার্শ্ববৈঠকে সীমান্তে সেনা অপসারণ চুক্তি এবং প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এবং চিনা রাষ্ট্রপতি শি জিনপিংয়ের বৈঠকের পরে এটিই ছিল দুই প্রতিরক্ষামন্ত্রীর প্রথম বৈঠক। সেখানে রাজনাথ বলেন, “আমাদের সংঘাতের পরিবর্তে সহযোগিতার দিকে মনোনিবেশ করতে হবে।” বুধবার থেকে তিন দিনের লাওস সফরে গিয়েছেন রাজনাথ। আসিয়ান প্রতিরক্ষামন্ত্রীর বৈঠক প্লাসে যোগ দিতে গিয়েছেন তিনি। এটি একটি প্ল্যাটফর্ম যেখানে ১০-দেশের আসিয়ান এবং এর আটটি ডায়ালগ পার্টনার – ভারত, চিন, অস্ট্রেলিয়া, জাপান, নিউজিল্যান্ড, দক্ষিণ কোরিয়া, রাশিয়া এবং আমেরিকা অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। প্রসঙ্গত, এই ফোরামের বর্তমান চেয়ারম্যান লাওস। তারাই আয়োজন করেছে এই বৈঠকের।

    আরও পড়ুন: ভারত-ক্যারিবিয়ান সম্প্রদায়ের সম্পর্ক মজবুত করতে সাত দফা প্রস্তাব দিলেন মোদি

    উচ্চ হিমালয় অঞ্চলের লাদাখে সামরিক অচলাবস্থা প্রধানত পাঁচটি অঞ্চলে ঘটে, যা প্রকৃত নিয়ন্ত্রণ রেখা বরাবর অবস্থিত। এগুলি হল, গালওয়ান, প্যাংগং, গোগরা হট স্প্রিংস, দেপসাং এবং ডেমচক। গালওয়ানে দুই দেশের সংঘাতের পর তলানিতে ঠেকেছিল ভারত-চিন সম্পর্ক (Rajnath Singh)। সেই সম্পর্কেরই বরফ গলছে বলে ধারণা আন্তর্জাতিক মহলের (India China Relation)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  WhatsappFacebookTwitterTelegram এবং Google News পেজ।

  • Hypersonic missile: গতি শব্দের চেয়ে ৫ গুণ বেশি, হাইপারসনিক মিসাইলের সফল পরীক্ষা ভারতে

    Hypersonic missile: গতি শব্দের চেয়ে ৫ গুণ বেশি, হাইপারসনিক মিসাইলের সফল পরীক্ষা ভারতে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দূরপাল্লার হাইপারসনিক (Hypersonic missile) মিসাইল পরীক্ষা সফল হল ভারতে। এর ফলে দেশে সামরিক শক্তি অনেকটাই বেড়ে গেল বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। মাত্র কয়েকটি দেশের কাছেই এই মিসাইল রয়েছে। এবার সেই ক্লাবে জুড়ে গেল ভারতও। এ নিয়ে ডিআরডিওকে অভিনন্দন জানিয়েছেন প্রতিরক্ষা মন্ত্রী রাজনাথ সিং। প্রসঙ্গত সম্পূর্ণভাবে দেশীয় প্রযুক্তিতে তৈরি হয়েছে এই মিসাইল যা আত্মনির্ভর ভারত কর্মসূচিরই সাফল্য বলে মনে করছেন অনেকে। ২০১৪ সালে ক্ষমতায় এসেই মেক ইন ইন্ডিয়া কর্মসূচিতে জোর দেন প্রধানমন্ত্রী। এবার মোদির নেতৃত্বে সুপারসনিক মিসাইলও (Hypersonic missile) তৈরি করে ফেলল ভারত।

    দেড় হাজার কিমি দূরে লক্ষ্যমাত্রায় আঘাত হানতে সক্ষম (Hypersonic missile)

    মিসাইলটি উৎক্ষেপণ করা হয়েছিল ওড়িশায় অবস্থিত ডক্টর এপিজে আবদুল কালাম দ্বীপ থেকে। জানা গিয়েছে, এই ক্ষেপণাস্ত্রটি দেড় হাজার কিলোমিটার রেঞ্জের বিভিন্ন পেলোড বহন করতে সক্ষম। এই সফল পরীক্ষার পরে ভারত উন্নত সামরিক দেশগুলির সারিতে চলে এসেছে বলেও মন্তব্য করেছেন রাজনাথ সিং।

    বড় মাইলফলক ও ঐতিহাসিক মুহূর্ত বললেন রাজনাথ 

    নিজের এক্স হ্যান্ডেলের পোস্টে প্রতিরক্ষা মন্ত্রী লেখেন, ‘‘ওড়িশা উপকূলে এপিজে আবদুল কালাম দ্বীপ থেকে দূরপাল্লার হাইপারসনিক (Hypersonic missile) ক্ষেপণাস্ত্রের ট্রায়াল সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে। এটি একটি বড় মাইলফলক ও এক ঐতিহাসিক মুহূর্ত।’’

    অন্যদিকে ডিআরডিও তরফ থেকে জানানো হয়েছে এই মিসাইল শব্দের চেয়ে পাঁচ গুণ বেশি গতিতে লক্ষ্যবস্তুর দিকে ছুটে যেতে পারে। প্রসঙ্গত, দুর্দান্ত গতির এমন মিসাইল (Hypersonic missile) বিশ্বের মাত্র কয়েকটি দেশের কাছেই রয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Rajnath Singh: কংগ্রেস দেয়নি মর্যাদা, আম্বেদকরকে যোগ্য সম্মান দিয়েছেন মোদি, মহারাষ্ট্রে বললেন রাজনাথ

    Rajnath Singh: কংগ্রেস দেয়নি মর্যাদা, আম্বেদকরকে যোগ্য সম্মান দিয়েছেন মোদি, মহারাষ্ট্রে বললেন রাজনাথ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বছরের পর বছর ধরে দেশ শাসন করলেও বাবাসাহেব আম্বেদকরকে সম্মান জানায়নি কংগ্রেস (Congress), মহারাষ্ট্রে নির্বাচনী প্রচারে গিয়ে এমনটাই জানালেন প্রতিরক্ষা মন্ত্রী রাজনাথ সিং (Rajnath Singh)। প্রসঙ্গত, শনিবারে রাজনাথ সিং মুম্বই, পালঘর, পুনে প্রভৃতি জায়গায় নির্বাচনী জনসভা করেন এবং সেখানেই তিনি জানান, আম্বেদকরকে যোগ্য সম্মান দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী মোদি। কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধীর বিরুদ্ধেও তোপ দাগেন রাজনাথ সিং। তিনি বলেন, ‘‘রাহুল গান্ধী জাতভিত্তিক জনগণনা করতে চাইছেন। তিনি লাল মলাটের একটি বই নিয়ে ঘুরছেন সারা দেশ এবং দাবি করছেন সেটা নাকি সংবিধান। তিনি বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছেন জনগণের মধ্যে।’’

    কংগ্রেস (Congress) জোটের নেতাদের কাছে মহারাষ্ট্র হল এটিএম 

    রাজনাথ সিং (Rajnath Singh) আরও বলেন, ‘‘কংগ্রেস জোটের নেতারা নিজেদের মধ্যে লড়াই করতে ব্যস্ত। ইন্ডি জোটের কাছে মুম্বই সমেত গোটা মহারাষ্ট্র হল একটা এটিএম-এর মতো। তারা এখানে থেকে শুধু টাকা তুলতে চায়।’’ বিজেপি প্রার্থীর প্রচারে পালঘরে রাজনাথ সিং বলেন, ‘‘যে ধরনের জনসমর্থন বিজেপি পাচ্ছে মহারাষ্ট্র এবং ঝাড়খণ্ডে, তাতে এটা পরিষ্কার যে এই দুই রাজ্যে এনডিএ সরকার তৈরি হতে চলেছে এবং বহু রাজনৈতিক বিশ্লেষক এই মতকে সমর্থন করেছেন।’’

    দারিদ্রতা দূরীকরণ করতে পারেনি কংগ্রেস

    রাজনাথ সিং (Rajnath Singh) এদিন আরও বলেন, ‘‘কংগ্রেস সরকার প্রতিবারই স্লোগান দেয় যে তারা ক্ষমতায় এলে দারিদ্রতা দূরীকরণ করবে। কিন্তু কেন্দ্রে এবং বিভিন্ন রাজ্যে তারা পঞ্চাশ বছরের বেশি সময় ক্ষমতায় ছিল। তার পরেও তারা দেশ থেকে দারিদ্র দূরীকরণ করতে পারেনি। কিন্তু ২০১৪ সালের পর প্রধানমন্ত্রীর নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বে ২৫ কোটি মানুষ দারিদ্রতা সীমা থেকে বেরিয়ে এসেছেন।’’

    প্রসঙ্গ মহিলা সংরক্ষণ

    মহিলা সংরক্ষণ নিয়ে এদিন রাজনাথ সিং (Rajnath Singh) বলেন, ‘‘জেলা পঞ্চায়েত, নগর পঞ্চায়েত, পুরসভায় মহিলা প্রতিনিধিত্বের জন্য মোদি সরকার ইতিমধ্যে বিল পাশ করেছে। এর ফলে মহিলারা ৩৩ শতাংশ সংরক্ষণ পাবেন। সংসদীয় কাজকর্মে আরও বেশি অংশগ্রহণ করতে পারবেন তাঁরা। রাজনাথ সিং আরও বলেন, ‘‘ভারতীয় সংবিধান কখনও ধর্মভিত্তিক সংরক্ষণের অনুমোদন দেয় না। বিজেপির রাজনীতির ভাবনাই হল মূল্যবোধ ও মানবতার রাজনীতি।’’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Rajnath Singh: বিশ্বের ‘ড্রোন হাব’ হওয়াই লক্ষ্য ভারতের, জানিয়ে দিলেন প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং

    Rajnath Singh: বিশ্বের ‘ড্রোন হাব’ হওয়াই লক্ষ্য ভারতের, জানিয়ে দিলেন প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আত্মনির্ভর ভারতের লক্ষ্যকে বাস্তবায়িত করতে প্রতিরক্ষায় আত্মনির্ভর হতে হবে। আর তারই অঙ্গ হিসেবে অত্যাধুনিক মানের ড্রোন তৈরি করছে ভারত৷ ভারতীয় সেনাবাহিনীর জন্যই বিশেষ ধরনের দেশীয় ড্রোন তৈরি করেছেন বিশেষজ্ঞরা। চেষ্টা করা হচ্ছে ড্রোন উৎপাদনের পরিমাণ বাড়িয়ে ড্রোন রফতানিও বাড়ানোর। প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং (Rajnath Singh) মঙ্গলবার দিল্লিতে অনুষ্ঠিত “অ্যাডাপটিভ ডিফেন্স: নেভিগেটিং দ্য চেঞ্জিং ল্যান্ডস্কেপ অফ মডার্ন ওয়ারফেয়ার” শীর্ষক প্রতিরক্ষা সংলাপে বলেন, ভারত বিশ্বে একটি ‘ড্রোন হাব’ হতে চায়। এটি শুধুমাত্র ভারতের অর্থনীতির জন্যই সহায়ক হবে না, বরং ‘মেক ইন ইন্ডিয়া’ এবং ‘আত্মনির্ভর ভারত’ কর্মসূচি আরও শক্তিশালী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।

    সরকারের পদক্ষেপ

    এদিনের আলোচনা সভায় রাজনাথ (Rajnath Singh) বলেন, “সরকার ড্রোন প্রযুক্তির ক্ষেত্রে ভারতের নেতৃত্বকে দৃঢ় করতে একাধিক উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। আমরা গবেষণা ও উন্নয়নকে শক্তিশালী করছি। নির্ভরযোগ্য সার্টিফিকেশন ব্যবস্থা এবং ভারতীয় মেধানির্ভর সম্পদ তৈরি করতে কাজ করছি। এছাড়াও, উদ্ভাবনকে পুরস্কৃত করতে আইডিইএক্স স্কিম চালু করা হয়েছে।” তিনি আরও বলেন, “ড্রোন এবং সোয়ার্ম প্রযুক্তি যুদ্ধের ধরনকে মৌলিকভাবে পাল্টে দিয়েছে। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ পরবর্তী সময়ে যুদ্ধের যে ধারণা ছিল, তা এখন আর প্রাসঙ্গিক নয়। ভূমি, আকাশ এবং জলপরিধির প্রতিরক্ষা ধারণাগুলি এখন একে অপরের সঙ্গে মিলে গিয়েছে ড্রোন এবং সোয়ার্ম প্রযুক্তির কারণে।”

    প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম রফতানির দিকে নজর

    প্রতিরক্ষা মন্ত্রী (Rajnath Singh) বলেন, “আমরা ভারতের প্রতিরক্ষা রফতানি বাড়ানোর চেষ্টা করছি। বর্তমানে ভারত ১০০টিরও বেশি দেশে প্রতিরক্ষা সামগ্রী রফতানি করছে। ২০২৯ সালের মধ্যে ৫০,০০০ কোটি মূল্যের প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম রফতানির লক্ষ্য রয়েছে ভারতের। ভারত সাইবারস্পেস এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তায় উদীয়মান প্রযুক্তির ক্ষেত্রে বিশ্বের অন্যতম শীর্ষ দেশ হিসেবে কাজ করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।” তাঁর কথায়, “তথ্য যুদ্ধের বিরুদ্ধে আমাদের জাতীয় নিরাপত্তাকে সুরক্ষিত রাখতে সরকার অ্যাডাপটিভ ডিফেন্স কৌশল গ্রহণ করতে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Rajnath Singh: অরুণাচলের ভারত-চিন সীমান্তে জওয়ানদের সঙ্গে দীপাবলি পালন করবেন রাজনাথ

    Rajnath Singh: অরুণাচলের ভারত-চিন সীমান্তে জওয়ানদের সঙ্গে দীপাবলি পালন করবেন রাজনাথ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রতিরক্ষা মন্ত্রী রাজনাথ সিং (Rajnath Singh) চলতি বছরের দীপাবলি অরুণাচল প্রদেশের ভারত-চিন সীমান্তে জওয়ানদের সঙ্গে পালন করবেন। জানা গিয়েছে, অরুণাচল প্রদেশের তাওয়াং জেলায় ৩১ অক্টোবর সেনা জওয়ানদের সঙ্গে দীপাবলি (Diwali) পালন করবেন প্রতিরক্ষামন্ত্রী (Rajnath Singh)। বিভিন্ন সর্বভারতীয় সংবাদ সংস্থা সূত্রে এমনটাই খবর মিলেছে। প্রসঙ্গত, সাম্প্রতিক বছরগুলিতে অরুণাচল প্রদেশে তাওয়াং সীমা বারবার খবরের শিরোনামে এসেছে। বিশেষত এখানকার কিছু এলাকাতে ভারত ও চিনা জওয়ানদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।

    আরও পড়ুন: পাকিস্তানের কথা বললে ভিক্ষার ঝুলি ধরানো হবে, মৌলবাদীদের হুঁশিয়ারি যোগীর

    ২০২২ সালের ডিসেম্বরে ভারত-চিন সেনার সংঘর্ষ ঘটেছিল

    ২০২২ সালের ডিসেম্বর মাসের সংঘর্ষে বেশ কয়েকজন সেনা জওয়ান আহত হন দু পক্ষেরই। প্রসঙ্গত, ২০২২ সালের ডিসেম্বর মাসের সেই ঘটনার পর থেকেই ভারতীয় সেনাবাহিনী সেখানে আরও সতর্ক হয় এবং চিনের আগ্রাসন রোধ করে। এরপর থেকে দুদেশের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক বৈঠকও চলতে থাকে। বিশেষজ্ঞ মহল মনে করছে, রাজনাথ সিংয়ের (Rajnath Singh) এমন কূটনৈতিক প্রচেষ্টা যথেষ্ট বার্তা দেবে প্রতিবেশী রাষ্ট্রকে। ৩১ অক্টোবর রাজনাথ সিং তাওয়াং সীমান্তে পৌঁছানোর আগেই সেখানে পৌঁছে যাবেন অরুণাচল প্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী পেমা খান্ডু। ভারতীয় বায়ুসেনার ওয়ার মেমোরিয়ালে তাঁরা রাজনাথ সিংকে স্বাগত জানাবেন।

    ২০২৩ সালের বিজয়া দশমীতেও হাজির ছিলেন রাজনাথ

    প্রসঙ্গত, গত বছরের বিজয়া দশমীতেও রাজনাথ সিং (Rajnath Singh) শস্ত্র পূজনের জন্য বেছে নেন তাওয়াং সীমানাকে। সেসময় অরুণাচলে দাঁড়িয়ে রাজনাথ সিং জানিয়েছিলেন, বর্তমানে বিশ্ব পরিস্থিতির কথা মাথায় রেখে, দেশের নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও শক্তিশালী করা ছাড়া আর কোনও উপায় নেই। প্রতিরক্ষা মন্ত্রী আরও বলেছিলেন, ‘‘কঠিন পরিস্থির মধ্যেও দেশের সশস্ত্রবাহিনীর জওয়ানরা যে ভাবে সীমান্তে প্রহরা দিচ্ছেন ও মাতৃভূমিকে সুরক্ষিত রাখছেন, তার যতই প্রশংসা করা হোক তা কম। দেশের মানুষ আপনাদের জন্য গর্বিত।’’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • India China Relation: পূর্ব লাদাখ থেকে সেনা প্রত্যাহার শুরু ভারত-চিনের, মোদি-জিনপিং বৈঠকের সুফল?

    India China Relation: পূর্ব লাদাখ থেকে সেনা প্রত্যাহার শুরু ভারত-চিনের, মোদি-জিনপিং বৈঠকের সুফল?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারত-চিন সীমান্তে (India China Relation) দুই দেশের সেনা সরানোর প্রক্রিয়া শুরু হল শুক্রবার। এদিন সকাল থেকে পূর্ব লাদাখের ডেমচোক এবং ডেপসাং এলাকা থেকে সেনা প্রত্যাহার করা শুরু করল ভারত ও চিন। প্রতিরক্ষা মন্ত্রক (Rajnath Singh) সূত্রে খবর, দুই দেশের মধ্যে চুক্তি অনুসারে, ভারতীয় সৈন্যরা সংশ্লিষ্ট এলাকার পিছনের অবস্থানে সামরিক সরঞ্জামগুলি ফিরিয়ে আনতে শুরু করেছে। প্রকৃত নিয়ন্ত্রণরেখার ওপারে, চিনেরও সেনা প্রত্যাহার প্রক্রিয়া শুরু হয়ে গিয়েছে।

    শুরু হল সেনা সরানোর প্রক্রিয়া

    পূর্ব লাদাখের ভারত-চিন (India China Relation) সীমান্তবর্তী প্রকৃত নিয়ন্ত্রণরেখা বরাবর বিভিন্ন অংশে, গত চার বছরেরও বেশি সময় ধরে সামরিক অচলাবস্থা চলছিল। দুই পক্ষেরই সেনা ও সামরিক সরঞ্জাম রেখে দেওয়া হয়েছিল ওই সব এলাকায়। অবশেষে সেই অচলাবস্থার অবসান ঘটছে। গত সোমবারই ভারত সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছিল, পূর্ব লাদাখে প্রকৃত নিয়ন্ত্রণরেখা বরাবর টহল দেওয়ার বিষয়ে চিনের সঙ্গে একটি চুক্তিতে পৌঁছনো গিয়েছে। বেজিংয়ে এক সাংবাদিক সম্মেলনে বরফ গলার ইঙ্গিত দেন চিনের বিদেশ মন্ত্রকের মুখপাত্র, লিন জিয়ান-ও। এরপর বুধবার, রাশিয়ায় কাজানে ব্রিকস সম্মেলনের সমান্তরালে দ্বিপাক্ষিক বৈঠক হয় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এবং চিনের রাষ্ট্রপতি শি জিনপিং-এর মধ্যে। সেই বৈঠকে দুই রাষ্ট্রনেতাই পূর্ব লাদাখে প্রকৃ নিয়ন্ত্রণরেখা বরাবর টহলদারি এবং সেনা প্রত্যাহারের বিষয়ে ভারত-চিনের চুক্তিকে সমর্থন করেন। 

    আরও পড়ুন: কাশ্মীরে নিয়ন্ত্রণরেখার কাছে সেনার গাড়িতে হামলা! গুলমার্গে শহিদ দুই জওয়ান সহ ৪

    আলোচনার মধ্য দিয়েই অগ্রগতি

    ভারত ও চিনের (India China Relation) মধ্যে থাকা আন্তর্জাতিক সীমান্তের যে জায়গাগুলি নিয়ে দু’দেশের মধ্যে বিতর্ক তৈরি হয়েছিল, তা নিয়ে আলোচনা হয়েছে এবং ঐকমত্যে পৌঁছেছে দু’দেশ৷ বৃহস্পতিবার চাণক্য ডিফেন্স ডায়লগ অনুষ্ঠানে এই কথা জানান কেন্দ্রীয় প্রতিরক্ষা মন্ত্রী রাজনাথ সিংও (Rajnath Singh)৷ তিনি জানান, প্রকৃত নিয়ন্ত্রণরেখার (এলএসি) কয়েকটি জায়গায় সেনার প্রহরা দেওয়া এবং গবাদি পশুদের বিচরণ নিয়ে আলোচনা হয়েছে এবং ঐকমত্যে পৌঁছেছে দু’দেশ ৷ এই চুক্তি আন্তর্জাতিক মঞ্চে প্রতিরক্ষা বিষয়ে আলোচনার ক্ষেত্রে একটি উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি ৷ রাজনাথ সিং বলেন,“প্রকৃত নিয়ন্ত্রণ রেখার (এলএসি) কয়েকটি নির্দিষ্ট জায়গা নিয়ে ভারত ও চিনের মধ্যে মতভেদ ছিল৷ এই বিবাদ মেটাতে দুই দেশ সামরিক এবং কূটনৈতিক স্তরে নিজেদের মধ্য়ে আলোচনা করেছে৷ এই কথোপকথনের ফলেই বাস্তবের মাটিতে বৃহত্তর ক্ষেত্রে একমত হয়েছে দু’দেশ৷ সমানাধিকার এবং পারস্পরিক নিরাপত্তার নীতিতে এই চুক্তি হয়েছে৷ এর মধ্যে বিভিন্ন জায়গায় সেনার প্রহরা এবং গবাদি পশুদের বিচরণের বিষয় দু’টিও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে৷ এটাই নিরবচ্ছিন্ন আলোচনা চালিয়ে যাওয়ার শক্তি৷ কারণ আজ হোক বা কাল, সমাধান মিলবেই৷”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • BJP: ইতিহাস তৈরি বিজেপির, সদস্য সংখ্যা পৌঁছল ১০ কোটির ঘরে, এবার লক্ষ্য ১১ কোটি

    BJP: ইতিহাস তৈরি বিজেপির, সদস্য সংখ্যা পৌঁছল ১০ কোটির ঘরে, এবার লক্ষ্য ১১ কোটি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ইতিহাস তৈরি করল বিজেপি (BJP), সদস্যতা অভিযানে অভাবনীয় সাড়া গোটা দেশজুড়ে। এখনও পর্যন্ত বিশ্বের বৃহত্তম রাজনৈতিক দলের সদস্য সংখ্যা পৌঁছেছে ১০ কোটির ঘরে। জানা গিয়েছে, যাঁরা সদস্য হয়েছেন, তাঁদের মধ্যে ৬১ শতাংশ জনেরই বয়স ৩৫ বছরের নীচে। একথা জানিয়েছেন গেরুয়া শিবিরের জাতীয় মুখপাত্র সম্বিত পাত্র। প্রসঙ্গত, সোমবার দলের নেতাদের নিয়ে দিল্লির সদর দফতরে বৈঠক করেন সভাপতি জেপি নাড্ডা (JP Nadda)। তারপরেই সাংবাদিক সম্মেলনে সম্বিত পাত্র জানান যে ওই বৈঠকেই বিজেপি সভাপতি বলেছেন, ৬১ শতাংশ সদস্যরই বয়স ৩৫ বছরের নীচে। ১০ কোটির ঘরে পৌঁছানো মাত্রই, বিজেপি (BJP) জানায়, তাদের পরের মাইলফলক ১১ কোটি। প্রসঙ্গত, সদস্যতা অভিযান চলবে ৩১ অক্টোবর পর্যন্ত। এরপরে নভেম্বর মাসের ১ থেকে ৫ তারিখ পর্যন্ত মোট সদস্যদের নিয়ে স্ক্রুটিনি করা হবে বলে জানা গিয়েছে।

    জানুয়ারি মাসেই জেলা-রাজ্য-কেন্দ্রীয় কমিটির নির্বাচন (BJP)

    বিজেপি (BJP) সদস্যতা অভিযানে, সক্রিয় সদস্য হওয়ার মাপকাঠিও রয়েছে। যে সমস্ত কর্মীরা ৫০ জনকে সদস্য করাতে পারবেন, তাঁদেরকে ১০০ টাকা জমা দিয়ে সক্রিয় সদস্যতার কার্ড নিতে হবে। প্রসঙ্গত, সদস্যতা অভিযান শেষ হওয়ার পরেই আগামী বছরের জানুয়ারি মাসে, বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি নির্বাচন হওয়ার কথা। এর পাশাপাশি সে সময় নির্বাচন হবে বিভিন্ন মণ্ডল, জেলা ও রাজ্য কমিটিও।

    সদস্য করাচ্ছেন মোদি মিত্র-রাও

    বিজেপির (BJP) মহিলা শাখাও অভিনব কর্মসূচি শুরু করেছে গত ৭ অক্টোবর থেকে। যার নাম দেওয়া হয়েছে, অডিও ব্রিজ প্রোগ্রাম। এর মাধ্যমে, ২৬ হাজার প্রভাবশালী ব্যক্তির সঙ্গে যোগাযোগ করার লক্ষ্যমাত্রা নিয়েছে মহিলা মোর্চা। যাঁরা বিজেপির সদস্যতা অভিযানকে আরও গতি দেবেন। এই প্রভাবশালীদের পোশাকি নাম দেওয়া হয়েছে ‘মোদি মিত্র’। বিজেপির সদস্য হওয়ার জন্য আহ্বানও জানাচ্ছেন মোদি মিত্ররা। প্রসঙ্গত, চলতি বছরে ২ সেপ্টেম্বর সদস্যতা অভিযান শুরু করে বিজেপি। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি প্রাথমিক সদস্য হন বিজেপির। অনলাইনের মাধ্যমে তিনি এই সদস্যতা পান। এরপরে ধাপে ধাপে বিজেপির সভাপতি জেপি নাড্ডা (JP Nadda), কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ, প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিংও দলের সদস্যতা নেন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share