Tag: rajnath singh

rajnath singh

  • Rajnath Singh: “যদি নয়াদিল্লি চিনের কিছু অঞ্চলের নাম বদলে দেয়…”, বেজিংকে খোঁচা রাজনাথের

    Rajnath Singh: “যদি নয়াদিল্লি চিনের কিছু অঞ্চলের নাম বদলে দেয়…”, বেজিংকে খোঁচা রাজনাথের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “আমরা যদি প্রতিবেশী দেশের বিভিন্ন রাজ্যের নাম পরিবর্তন করি, তাহলে কি সেগুলি আমাদের ভূখণ্ডের অংশ হয়ে যাবে?” মঙ্গলবার অরুণাচল প্রদেশ পূর্ব লোকসভা কেন্দ্রের নামসাইতে নির্বাচনী প্রচারে গিয়ে এই ভাষায়ই চিনকে নিশানা করলেন প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিংহ (Rajnath Singh)।

    রাজনাথের কটাক্ষ-বাণ (Rajnath Singh)

    সম্প্রতি ফের একবার অরুণাচল প্রদেশের ৩০টি রাজ্যের নাম বদলে দিয়েছে বেজিং। তার পরেই চিনকে নিশানা করেছিলেন বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর। তিনিও বলেছিলেন, কোনও জায়গার নাম অন্য দেশ বদলে দিলেও, সেই ভূখণ্ড ওই দেশের হয়ে যায় না। এদিন রাজনাথের গলায়ও শোনা গেল প্রায় একই সুর। তিনি বলেন, “নাম বদলে দিলে ভারতের কিস্যু যায় আসে না।” এর পরেই প্রতিরক্ষামন্ত্রী বলেন, “যদি নয়াদিল্লি চিনের কিছু অঞ্চলের নাম বদলে দেয়, তাহলে কি সেই জায়গাগুলি ভারতের হয়ে যাবে?”

    আরও পড়ুুন: “রাজ্যে চালু হবে সংগ্রামী ভাতা”, ঘোষণা শুভেন্দুর, কারা পাবেন?

    কী বললেন প্রতিরক্ষামন্ত্রী?

    এদিনের সভায় প্রতিরক্ষামন্ত্রী বলেন, “চিন অরুণচল প্রদেশের তিরিশটি জায়গার নাম বদলে দিয়েছে। সেটা আবার তারা ওয়েবসাইটে পোস্টও করেছে। আমি আমার প্রতিবেশীকে বলতে চাই, নাম বদলে দিলে ভারতের বয়েই যায়।” এর পরেই তিনি (Rajnath Singh) বলেন, “আগামিকাল যদি আমরা চিনের কিছু অঞ্চল ও প্রদেশের নাম পরিবর্তন করে ফেলি, তাহলে কি সেই জায়গাগুলি ভারতের হয়ে যাবে?” ভারত যে যেচেপড়ে প্রতিবেশীর সঙ্গে ঝগড়া করতে চায় না, এদিন তা আরও একবার মনে করিয়ে দিয়েছেন রাজনাথ। তবে সম্মানের সঙ্গে কোনওরকম আপোশ করা হবে না বলেও সাফ জানিয়ে দেন তিনি। বলেন, “অটল বিহারী বাজপেয়ী প্রায়ই বলতেন, বন্ধুরা জীবনে পরিবর্তন আনে, কিন্তু প্রতিবেশীরা নয়। ভারতের লক্ষ্যই হল, প্রতিবেশী সব দেশের সঙ্গেই সুসম্পর্ক বজায় রাখা। কিন্তু কেউ যদি ভারতের সম্মানে ঘা দেওয়ার চেষ্টা করে, তাহলে আজ ভারত তাকে মুখের মতো জবাব দেবে।” ‘বিকশিত ভারত’ যে স্রেফ স্লোগান নয় তা জানিয়ে রাজনাথ বলেন, “এটা বিজেপির প্রতিশ্রুতি, যা পূরণ করতেই হবে।” তিনি (Rajnath Singh) বলেন, “আমাদের প্রধানমন্ত্রীও বলেছেন, ২০৪৭ সালের মধ্যে ভারত উন্নত দেশে পরিণত হবে।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  WhatsappFacebookTwitterTelegram এবং Google News পেজ।

  • PM Modi: “মোদি সরকারের ১০ বছর স্বর্ণযুগ, ভারতকে এখন সমীহ করে বিশ্ব,” বললেন রাজনাথ

    PM Modi: “মোদি সরকারের ১০ বছর স্বর্ণযুগ, ভারতকে এখন সমীহ করে বিশ্ব,” বললেন রাজনাথ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মোদি (PM Modi) সরকারের ১০ বছর সাম্প্রতিক ভারতে স্বর্ণযুগ। রবিবার রাজস্থানের বিকানেরে নির্বাচনী প্রচারে এমনই দাবি করলেন প্রতিরক্ষা মন্ত্রী রাজনাথ সিং (Rajnath Singh)। তাঁর কথায় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির শাসনকালে ভারত অর্থনৈতিক, রাজনৈতিক এবং সাংস্কৃতিক দিক থেকে প্রভূত উন্নতি করেছে। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির গ্যারান্টি হলো খাঁটি সোনা। তিনি মানুষের কষ্ট দূর করতে সদা অগ্রণী। 

    যুদ্ধ থামান মোদি

    প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির(PM Modi) প্রশংসায় পঞ্চমুখ হলেন রাজনাথ সিং। নির্বাচনী প্রচারে বক্তৃতা দেওয়ার সময় তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রীর এক ফোনে থেমে যায় রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ। রাজনাথ বলেন, যে সময় এই যুদ্ধ শুরু হয়েছিল সেই সময় ভারতের অনেক ছাত্র ইউক্রেনে পড়াশোনা করছিল। তাদের ফিরিয়ে আনার জন্য তাদের অভিভাবকরা প্রধানমন্ত্রীর কাছে আবেদন জানিয়েছিলেন। সময় নষ্ট না করেই রাশিয়া এবং ইউক্রেনের রাষ্ট্রপতি ভ্লাদিমির পুতিন ও জেলেনস্কির পাশাপাশি জো বাইডেনকেও ফোন করেছিলেন নরেন্দ্র মোদি। সেই ফোনের পরই সাড়ে চারঘণ্টা বন্ধ হয় যুদ্ধ এবং দেশে ফিরে আসেন ভারতীয় ছাত্ররা।

    ইসলামিক দেশগুলির স্বীকৃতি

    রাজনাথ (Rajnath Singh) বলেন, “পাঁচটি আরব দেশ প্রধানমন্ত্রী মোদিকে (PM Modi) সর্বোচ্চ সম্মানে ভূষিত করেছে। কয়েকজন প্রাক্তন ভারতীয় নৌবাহিনীর কর্মী কাতারে গিয়েছিলেন, সেখানকার আদালত তাঁদের মৃত্যুদণ্ড দেয়। সেই সময়, প্রধানমন্ত্রী মোদি কাতারের রাষ্ট্রপ্রধানকে ফোন করেন, তারপরই প্রাক্তন সেনাদের মুক্তি দেওয়া হয়েছিল। তাঁরা সকলেই নিরাপদে ভারতে ফিরে এসেছেন।”

    আরও পড়ুন: শহরে তাপমাত্রা কমল ৫ ডিগ্রি! বৃষ্টিতে গরম থেকে সাময়িক স্বস্তি দক্ষিণবঙ্গে

    এক দেশ এক নির্বাচন 

    এক দেশ এক নির্বাচন প্রসঙ্গে রাজনাথ সিং বলেন, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi) উদ্যোগ নিয়েছেন, দেশে যেন বারবার নির্বাচন না হয় তার জন্য। এজন্য প্রধানমন্ত্রী একটি কমিটিও গঠন করেছেন। তিনি বলেন, দেশের মানুষও এতে সমর্থন দেবেন, কারণ এতে টাকার সঙ্গে সঙ্গে বাঁচবে অনেক সময়ও। 

    আন্তর্জাতিক স্তরে ভারতের গুরুত্ব

    প্রতিরক্ষা মন্ত্রী রাজনাথ সিং (Rajnath Singh) জানান, তিনি গত ১০ বছরে বিদেশের নানা জায়গায় গিয়ে দেখেছেন আন্তর্জাতিক মহলে ভারতের গুরুত্ব আগের থেকে কতটা বেড়েছে। আগে কোনও বিষয়ে ভারতের মতামতকে অতটা গুরুত্ব দেওয়া হতো না এখন ভারতকে সমীহের চোখে দেখা হয়। এই পরিবর্তন ঘটিয়েছে বিজেপি সরকার। এই পরিবেশ তৈরি করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, দাবি প্রতিরক্ষামন্ত্রীর।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Rajnath Singh: “কংগ্রেসকে শেষ না করা পর্যন্ত থামবেন না রাহুল”, মধ্যপ্রদেশে কটাক্ষ-বাণ রাজনাথের

    Rajnath Singh: “কংগ্রেসকে শেষ না করা পর্যন্ত থামবেন না রাহুল”, মধ্যপ্রদেশে কটাক্ষ-বাণ রাজনাথের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “রাহুল গান্ধী যতক্ষণ না কংগ্রেসকে শেষ করছেন, ততক্ষণ তিনি থামবেন না।” শনিবার মধ্যপ্রদেশের ভোপালে কথাগুলি বললেন প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিংহ (Rajnath Singh)। ক্রিকেটার মহেন্দ্র সিং ধোনির সঙ্গে রাহুলকে তুলনা করে তিনি বলেন, “ভারতীয় রাজনীতিতে সেরা ফিনিশার হলেন রাহুল গান্ধী।”

    কংগ্রেস ও দুর্নীতির সম্পর্ক (Rajnath Singh)

    ‘দুর্নীতির সঙ্গে কংগ্রেসের সম্পর্ক কোনওদিন ছিন্ন হবে না’ বলেও এদিন মন্তব্য করেন প্রবীণ এই রাজনীতিবিদ। তিনি বলেন, “একটা সময় গোটা দেশ শাসন করত কংগ্রেস। আর আজ? কংগ্রেসের দখলে রয়েছে দু’তিনটি রাজ্যের শাসনভার। আমার মাঝে মাঝে মনে হয়, কেন কংগ্রেসের এমন হাল।” এরপর উপস্থিত দর্শকদের উদ্দেশে প্রশ্ন ছুড়ে দেন রাজনাথ (Rajnath Singh), “ক্রিকেটে সেরা ফিনিশার কে?” সভা গর্জন করে ওঠে, “ধোনি, ধোনি”।

    ভারতীয় রাজনীতির সেরা ফিনিশার!

    এর পরেই প্রবীণ এই রাজনীতিবিদ বলেন, “আর আমায় যদি কেউ জিজ্ঞেস করেন, ভারতীয় রাজনীতিতে সেরা ফিনিশার কে, তাহলে আমার জবাব হবে রাহুল গান্ধী। এই কারণেই এত সংখ্যক নেতা কংগ্রেস ছেড়ে চলে যাচ্ছেন।” তার পরেই প্রবীণ এই রাজনীতিক বলেন, “রাহুল গান্ধী যতক্ষণ না কংগ্রেসকে শেষ করছেন, ততক্ষণ তিনি থামবেন না।” কংগ্রেসকে আক্রমণ শানাতে নিয়ে রাজনাথ অনিবার্যভাবেই টেনে এনেছেন দুর্নীতির প্রসঙ্গ। একটি জনপ্রিয় হিন্দি সিনেমার গানের কলি তুলে ধরে রাজনাথ বলেন, “কংগ্রেস ও দুর্নীতির মধ্যে সম্পর্ক হল এমনটা…কংগ্রেস দুর্নীতিকে বলে, তু চল, ম্যাঁয় আয়ি।”

    আরও পড়ুুন: ‘আমি অভিভূত’, গাজিয়াবাদে রোড-শো করে বললেন প্রধানমন্ত্রী

    ‘এক দেশ এক নির্বাচনে’র পক্ষেও এদিন ফের একবার সওয়াল করতে শোনা যায় রাজনাথকে। প্রতিরক্ষামন্ত্রী বলেন, “এতে দেশের অনেক টাকা বাঁচবে। গণতন্ত্র আরও পোক্ত হবে।” তিনি বলেন, “কংগ্রেস যখন ক্ষমতায় ছিল, তখন অনেক প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল। সেই সব প্রতিশ্রুতির কিছুটাও যদি তারা পূরণ করতে পারত, তাহলে ভারত আজ আরও শক্তিশালী দেশ হত। আমাদের ইস্তাহারপত্র দেখুন। ১৯৮৪ সাল থেকে আমরা রাম মন্দির নির্মাণের কথা বলে এসেছি। সেই সময় থেকে বিরোধীরা মন্দির তৈরির তারিখ নিয়ে কটাক্ষ ভরা প্রশ্ন করত। তবে এখন অযোধ্যার মন্দিরে প্রতিষ্ঠিত হয়েছেন রামলালা।” ২০৪৫ সালের মধ্যে ভারত ‘সুপার পাওয়ার’ হবে বলেও ঘোষণা করেন রাজনাথ (Rajnath Singh)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের WhatsappTelegramFacebookTwitter এবং Google News পেজ।  

  • Rajnath Singh: ‘ঢুকে খতম করে আসব’, পাকিস্তানে আশ্রিত জঙ্গিদের হুঁশিয়ারি রাজনাথের

    Rajnath Singh: ‘ঢুকে খতম করে আসব’, পাকিস্তানে আশ্রিত জঙ্গিদের হুঁশিয়ারি রাজনাথের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতে হামলা চালিয়ে কোনও জঙ্গি রেহাই পাবে না। প্রতিবেশী দেশ পাকিস্তানে আশ্রয় নিলেও মুক্তি নেই। প্রয়োজনে পাকিস্তানে ঢুকে জঙ্গিদের খতম করার হুঁশিয়ারি দিলেন প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং (Rajnath Singh)। ভারতের বিরুদ্ধে বিদেশের মাটিতে ‘টার্গেটেড কিলিং’ বা জঙ্গিদের নিকেশ করার দাবি তুলেছে ব্রিটিশ সংবাদপত্র। সেই আবহেই প্রতিরক্ষামন্ত্রী স্পষ্ট জানিয়ে দেন ভারত কোনও রকমের সন্ত্রাসবাদকে বরদাস্ত করবে না। 

    রাজনাথের হুঁশিয়ারি

    শুক্রবার এক সাক্ষাতকারে রাজনাথ (Rajnath Singh) বলেন, ‘‘যদি জঙ্গিরা হামলা চালিয়ে পাকিস্তানে পালিয়ে যায়, তা হলে আমরা ওদের শেষ করার জন্য পাকিস্তানে ঢুকব।’’ তিনি আরও বলেন, ‘‘ভারত সবসময় প্রতিবেশী দেশগুলির সঙ্গে সুসম্পর্ক বজায় রাখতে চায়। ভারত কখনও কোনও দেশকে আক্রমণ করেনি। কোনও দেশের এক ইঞ্চি জমিও দখল করে নেয়নি। তবে যারা বারবার ভারতে নিশানা করে, তারা ঢুকেছে ভারতে। ছড়িয়েছে সন্ত্রাসবাদ, আর তাকে ছেড়ে কথা বলা হবে না। কেউ যদি ভারতকে বার বার চোখ রাঙায়, ভারতে এসে জঙ্গিমূলক কাজ করার চেষ্টা করে, তা হলে আমরা তাদের রেহাই দেব না।’’ 

    প্রধানমন্ত্রীর মত

    বিহারের জামুই এবং রাজস্থানের চুরুর জনসভা থেকে সম্প্রতি একই মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। জঙ্গি হামলা হলে প্রয়োজনে প্রতিবেশীদের ঘরে ঢুকে জঙ্গি নিকেশের হুমকি দিয়েছেন তিনি। শুক্রবার সকালে রাজস্থানের চুরুতে এক সভায় কার্যত এই ইস্যুতে কোনও নাম না তুলেই প্রধানমন্ত্রী মোদি বলেছেন,’ শত্রুরা জানে এটা মোদি, আর এটা নতুন ভারত… নতুন ভারত শত্রুর ঘরে ঢোকে আর তাদের মারে।’ প্রসঙ্গত, দেশভাগের পর থেকেই ভারত-পাকিস্তানের (India-Pakistan) মধ্যে সম্পর্কের টানাপোড়েন চলছে। ২০১৯ সাল থেকে সেই সম্পর্কের অবনতি হয় পুলওয়ামার হামলার পর। পাকিস্তানের জঙ্গিরা ভারতে ঢুকে সিআরপিএফের কনভয়ে হামলা চালিয়েছিল, ওই হামলায় ৪০ জওয়ান শহিদ হন। এর পাল্টা জবাব দিতে পাকিস্তানে এয়ারস্ট্রাইক চালায় ভারতও।

    আরও পড়ুন: প্রধানমন্ত্রী সম্পর্কে আপত্তিকর শব্দ প্রয়োগ! মমতার বিরুদ্ধে কমিশনে বিজেপি

    ব্রিটিশ সংবাদপত্রের দাবি

    সম্প্রতি ব্রিটিশ সংবাদপত্র ‘দ্য গার্ডিয়ান’ এর খবরে প্রকাশিত প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, সদ্য পাকিস্তানের মাটিতে ২০ জনের হত্যার নেপথ্যে রয়েছে ভারত। ভারতে সন্ত্রাসবাদে যুক্ত জঙ্গিদের বিদেশের মাটিতে হত্যা করছে স্লিপার সেল। ২০২০ সাল থেকে পাকিস্তানে ২০ জনকে হত্যা করেছে ভারত সরকারের গোপন এই বাহিনী। যদিও ভারত সরকার এই দাবিকে মিথ্যা বলে উড়িয়ে দিয়েছে। ভারত বিরোধী প্রচারের উদ্দেশ্যেই এমন দাবি করা হয়েছে বলে জানায় দিল্লি। বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর শুক্রবার বলেন, ‘‘এমন অভিযোগ পুরোপুরি মিথ্যা এবং বিদ্বেষমূলক।’’ পাকিস্তানের বিদেশ মন্ত্রকও এই বিষয়ে মন্তব্য করতে অস্বীকার করেছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Lok Sabha Elections 2024: রাজনাথের নেতৃত্বে এবার ইস্তাহার কমিটি বিজেপির, কারা রয়েছেন জানেন?

    Lok Sabha Elections 2024: রাজনাথের নেতৃত্বে এবার ইস্তাহার কমিটি বিজেপির, কারা রয়েছেন জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিরোধীরা ছত্রখান। তবে ইতিমধ্যেই লোকসভা নির্বাচনের (Lok Sabha Elections 2024) রণাঙ্গনে আস্তিন গুটিয়ে নেমে পড়েছে বিজেপি। লোকসভার ৫৪৩টি আসনে হবে নির্বাচন। তার মধ্যে প্রায় ৪০০ কেন্দ্রে প্রার্থী ঘোষণা করে দিয়েছে পদ্ম শিবির। অন্তত ৩৭০টি আসন জয়ের লক্ষ্যে নেমেছে নরেন্দ্র মোদি-অমিত শাহের দল।

    ইস্তাহার কমিটি (Lok Sabha Elections 2024)

    এমতাবস্থায় ইস্তাহার প্রকাশের জন্য একটি বিশেষ কমিটি গঠন করল গেরুয়া পার্টি। এই কমিটির মাথায় রয়েছেন প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিংহ। কমিটিতে রয়েছেন স্মৃতি ইরানিও। রাজনাথের নেতৃত্বে গঠিত এই কমিটিতে সব মিলিয়ে রয়েছেন ২৭ জন। তাঁদের মধ্যে রয়েছেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামনও। তিনি কমিটির আহ্বায়ক। সহযোগী আহ্বায়ক কেন্দ্রীয় মন্ত্রী পীযূষ গোয়েল।

    কারা রয়েছেন কমিটিতে?

    বিজেপির (Lok Sabha Elections 2024) এই হেভিওয়েট নেতারা ছাড়াও রয়েছেন আরও কয়েকজন দক্ষ নেতা। এঁরা হলেন, কেন্দ্রীয় মন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান, অশ্বিনী বৈষ্ণু, রাজীব চন্দ্রশেখর, কিরেণ রিজিজু, অর্জুন মুণ্ডা। রয়েছেন অর্জুন রাম মেঘওয়াল, ভূপেন্দ্র যাদব, বিষ্ণু দেও সহি, ভূপেন্দ্র প্যাটেল, শিবরাজ সিং চৌহান, মোহন যাদব, বসুন্ধরা রাজে, রবিশঙ্কর প্রসাদ এবং অসমের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্বশর্মা।

    আসন্ন লোকসভা নির্বাচনে দলকে ৩৭০ আসনের লক্ষ্যমাত্রা বেঁধে দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। এনডিএর বাকি শরিকদের তিনি বলেছেন অন্তত ৩০টি আসন পেতে। তাহলেই পূরণ হবে ৪০০ আসনের লক্ষ্যমাত্রা। লোকসভা নির্বাচনে জয়ের বিষয়ে একপ্রকার নিশ্চিত প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তাঁর সেই প্রত্যয়ী সুর শোনা গিয়েছে একাধিক জনসভায়। উন্নয়নের কর্মযজ্ঞের কারণেই যে দেশবাসী তাঁকে হাত উপুড় করে ভোট দেবেন, সে বিষয়েও আশাবাদী প্রধানমন্ত্রী।

    আরও পড়ুুন: মরণোত্তর ভারতরত্ন সম্মানে ভূষিত করা হল প্রাক্তন দুই প্রধানমন্ত্রী সহ চারজনকে

    মোদিই যে ক্ষমতায় ফিরছেন, তা আঁচ করে ফেলেছেন বিভিন্ন রাষ্ট্রনায়করা। মোদি ফের প্রধানমন্ত্রী হচ্ছেন ধরে নিয়ে তাঁকে আগাম আমন্ত্রণ জানিয়ে রেখেছেন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। নিমন্ত্রণ করে রেখেছেন ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির জেলেনস্কিও। ভুটান সরকার মোদিকে দিয়েছেন সে দেশের সর্বোচ্চ নাগরিক সম্মান। এসব সত্ত্বেও গত বারের চেয়ে এবার আরও বেশি সংখ্যক আসন নিয়ে ক্ষমতায় ফিরতে চাইছে বিজেপি। সেই কারণেই গঠন করা হয়েছে নানা কমিটি। রাজনাথের (Lok Sabha Elections 2024) নেতৃত্বে এবার গড়া হল ইস্তাহার কমিটিও।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

  • Holi 2024: “বৈচিত্র্যময় সমাজে প্রাণবন্ত রঙ সহনশীলতার চেতনার প্রতীক”, হোলিতে বার্তা দ্রৌপদী মুর্মুর

    Holi 2024: “বৈচিত্র্যময় সমাজে প্রাণবন্ত রঙ সহনশীলতার চেতনার প্রতীক”, হোলিতে বার্তা দ্রৌপদী মুর্মুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতের রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু হোলিতে (Holi 2024) দেশের সকল নাগরিকদের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন। একই ভাবে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন দেশের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। এক বার্তায় নিজের এক্স হ্যান্ডেলে রাষ্ট্রপতি বলেছেন, “হোলির শুভ উপলক্ষ্যে, আমি ভারতে এবং বিদেশে বসবাসকারী সমস্ত ভারতীয়দের আমার শুভেচ্ছা ও শুভকামনা জানাই।” সারা দেশ রঙের উৎসবে মেতে উঠেছে। পশ্চিমবঙ্গে পালিত হচ্ছে দোল পূর্ণিমা এবং বসন্ত উৎসব। ছোট থেকে বড় সকল কচিকাচারা মেতে উঠেছে এই রঙের উৎসবে। উত্তর ভারতে পালিত হয়েছে হোলিকা দহন।

    রাষ্ট্রপতির শুভেচ্ছা বার্তা (Holi 2024)?

    রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু শুভেচ্ছা বিনিময় করে বলেন, “হোলির (Holi 2024) উত্সব আমাদের বৈচিত্র্যময় সমাজে প্রাণবন্ত রঙ এবং সহনশীলতার চেতনার প্রতীক। আনন্দের এই উৎসব মানুষের মধ্যে সৌহার্দ্য ও সম্প্রীতিকে আরও উন্নত করার সুযোগ নিয়ে আসে। রঙের এই অনন্য উৎসব সবার মধ্যে ভালোবাসা ও ভ্রাতৃত্ববোধকে আরও দৃঢ় করে। তাই সকলের জন্য মঙ্গল কামনা করি। এই আনন্দময় অনুষ্ঠানে, আসুন আমরা আমাদের সমাজ ও জাতির উন্নতি ও সমৃদ্ধির জন্য একসাথে কাজ করার অঙ্গীকার করি।”

    প্রধানমন্ত্রীর শুভেচ্ছা

    দেশবাসীকে শুভেচ্ছা বিনিময় করে প্রধানমন্ত্রী মোদি বলেছেন, “আমি আমার দেশের সকল দেশবাসীকে হোলির (Holi 2024) শুভেচ্ছা জানাই। স্নেহ ও সম্প্রীতির রঙে সজ্জিত এই ঐতিহ্যবাহী উৎসব আপনার জীবনে বয়ে আনুক নতুন শক্তি ও উদ্দীপনা।” আবার কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ সকলের জীবনে সুখ, সমৃদ্ধি, সম্প্রীতি এবং নতুন শক্তি কামনা করে রঙের উত্সব হোলিতে জনগণকে নিজের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন। তিনি বলেছেন, “সকল দেশবাসীকে রং ও আনন্দের মহান উৎসব হোলির শুভেচ্ছা। সুখের এই উত্সবটি আপনার সকলের জীবনে সমৃদ্ধি এবং সম্প্রীতির রঙ নিয়ে আসুক। নতুন শক্তি সঞ্চারণের মাধ্যম হয়ে উঠুক।”

    একই ভাবে দেশের প্রতিরক্ষা মন্ত্রী রাজনাথ সিং হোলি (Holi 2024) উপলক্ষে দেশবাসীকে উষ্ণ শুভেচ্ছা জানিয়েছেন। তিনি এক বার্তায় বলেছেন, “হোলি উৎসবে আপনাদের সকলকে শুভেচ্ছা। রঙের এই উৎসব আপনার জীবনে আনন্দ, উদ্দীপনা এবং নতুন শক্তি যোগাবে।”এই হোলির দোল পূর্ণিমায় নবদ্বীপে শ্রী শ্রী চৈতন্য মহাপ্রভু মর্তে আবির্ভূত হয়েছিলেন। বাঙালির ঘরে ঘরে হরিনাম সংকীর্তন এবং নারায়ণ পুজা অনুষ্ঠিত হচ্ছে আজ।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Ram Mandir: ‘‘রামের যারা বিরোধিতা করত, মোদি জমানায় তারাই ভজন শুরু করেছে’’, মন্তব্য রাজনাথের

    Ram Mandir: ‘‘রামের যারা বিরোধিতা করত, মোদি জমানায় তারাই ভজন শুরু করেছে’’, মন্তব্য রাজনাথের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ‘‘ভগবান রামের যারা বিরোধিতা করত, মোদি জমানায় তারাই রামের ভজন (Ram Mandir) শুরু করেছে।’’, শনিবার ঠিক এই ভাষাতেই ভণ্ড ধর্মনিরপেক্ষদের একহাত নিলেন প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং। শনিবারই প্রতিরক্ষামন্ত্রী হাজির ছিলেন বলবীর পুঞ্জের লেখা একটি বইয়ের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে। সেখানেই এই কথা বলতে শোনা যায় তাঁকে।

    আরও পড়ুন: ‘‘রাম নয়, ওরা ভালোবাসে বাবরকে’’, কংগ্রেসকে তোপ হিমন্ত বিশ্ব শর্মার

    রাম বিরোধীরাও করছে রামের নাম

    শনিবার রাজনাথ সিং বলেন, ‘‘এই দেশে কিছু মানুষ ছিলেন যাঁরা ভগবান রামের অস্তিত্ব (Ram Mandir) সম্পর্কে প্রশ্ন তুলতেন। তাঁর প্রশ্ন তুলেছিলেন ভগবান রামের জন্মভূমি নিয়েও। সেই সমস্ত মানুষগুলিকে সময়ের সঙ্গে সঙ্গে অপ্রাসঙ্গিক হয়ে গিয়েছে। বর্তমানে কিছু মানুষ রামের ভজনা শুরু করেছে। এটা প্রধানমন্ত্রীর নরেন্দ্র মোদির বড় সাফল্য যে ভগবান রামচন্দ্রের অস্তিত্ব সম্পর্কে যাঁরা প্রশ্ন তুলতেন, তাঁরাই আজ বাধ্য হয়ে রামের ভজন করছেন।’’

    মর্যাদা পুরুষোত্তম রামচন্দ্র

    কেন্দ্রীয় প্রতিরক্ষা মন্ত্রী এদিন আরও বলেন, ‘‘রামজন্মভূমি (Ram Mandir) নিয়ে ৫০০ বছরের সংঘর্ষের পরে সুবিচার পাওয়া গিয়েছে। আমি বিশ্বাস করি এটাই ভারতবর্ষের সাংস্কৃতিক পুনরুত্থানের  সময়। রাম মন্দিরের উদ্বোধন দেশের জাতীয় গর্বকে  প্রতিষ্ঠিত করবে। সারা ভারতের চেতনা হল রাম এবং অযোধ্যা হল তার নিউক্লিয়াস। ৫০০ বছরেরও বেশি এই সংঘর্ষে আমরা জিতেছি এবং প্রভু রামের জন্মস্থানকে অনেক ষড়যন্ত্রের পরেও ছিনিয়ে নেওয়া যায়নি।’’ রাম মন্দিরের (Ram Mandir) নির্মাণ দেশে তোষণের রাজনীতিকেও শেষ করবে বলে জানান প্রতিরক্ষামন্ত্রী। ভগবান রামচন্দ্রকে কেন মর্যাদা পুরুষোত্তম বলা হয়, সে বিষয়েও তিনি নিজের মত রাখেন। তিনি বলেন, ‘‘রামচন্দ্র (Ram Mandir) একজনই কিন্তু তাঁর দৃষ্টিভঙ্গি অনেক ছিল। তিনি সমস্ত জাতি, বর্ণ, ধর্মের উর্দ্ধে ছিলেন। এমন একজন প্রজাপালক রাজা যিনি মানুষ থেকে পশু সকলের সঙ্গেই সুসম্পর্ক রাখতেন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • G20 Summit: চিনকে বার্তা দিতে লাদাখে উঁচু বিমানঘাঁটি নির্মাণ, জি২০-তে ঘোষণা মোদির

    G20 Summit: চিনকে বার্তা দিতে লাদাখে উঁচু বিমানঘাঁটি নির্মাণ, জি২০-তে ঘোষণা মোদির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চিনের সঙ্গে সীমান্ত সংঘাত চলছেই ভারতের। ইতিমধ্যে ভারত-চিন সম্পর্কে বেশ খানিকটা অবনতি হয়েছে। আন্তর্জাতিক কূটনৈতিক বিশেষজ্ঞদের একাংশের ধারনা, এ কারণেই জি২০ শীর্ষ (G20 Summit) সম্মেলনে ভারতে আসেননি চিনা প্রেসিডেন্ট। যদিও চিন এই দাবিকে অস্বীকার করেছে। রবিবার জি২০ (G20 Summit)  সম্মেলন শেষ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে চিনকে টেক্কা দিতে লাদাখে সরকারিভাবে বিমান ঘাঁটি তৈরীর কথা ঘোষণা করল মোদি সরকার। 

    ২১৮ কোটি টাকা ব্যয়ে লাদাখে নির্মাণ হচ্ছে বিমান ঘাঁটি (G20 Summit) 

    এই বিমান ঘাঁটির দায়িত্ব অর্পণ করা হয়েছে প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের সংস্থা ‘বর্ডার রোডস অর্গানাইজেশন’কে। জানা গিয়েছে, পূর্ব লাদাখের নিয়োমায় এই উঁচু বিমান ঘাঁটি তৈরি করবে ভারত। ইতিমধ্যেই ঘোষণা করা হয়েছে যে ১২ সেপ্টেম্বর জম্মু থেকেই ওই বিমান ঘাঁটির শিলান্যাস করবেন প্রতিরক্ষা মন্ত্রী রাজনাথ সিং।   প্রসঙ্গত ১২ সেপ্টেম্বর আরও ৯০টি পরিকাঠামোগত প্রকল্পের উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। যেগুলি তৈরিতে খরচ হয়েছে মোট ২,৯৪১ কোটি টাকা (G20 Summit) । জানা গিয়েছে, এই ঘাঁটি তৈরিতে ভারতের ব্যয় হবে ২১৮ কোটি টাকা। নিয়োমার এই উঁচুস্থানে সৈন্য এবং রসদ সরবরাহের কাজ বরাবরই চলে আসছে। ইতিপূর্বে এখানে চিনুক হেলিকপ্টার এবং  যুদ্ধবিমানকে ওঠানামা করতে দেখা গিয়েছে। এবার এই অঞ্চলেই বিমান ঘাঁটির তৈরি সিদ্ধান্ত নিল প্রতিরক্ষা মন্ত্রক। বিশেষজ্ঞদের ধারনা, এর ফলে লাদাখের ওই অঞ্চলে ভারতীয় সেনার শক্তি অনেকটাই বাড়বে। 

    ২০২৪ সালে জি২০ শীর্ষ সম্মেলন (G20 Summit)  অনুষ্ঠিত হবে ব্রাজিলে

    এদিনের অধিবেশন শেষে ব্রাজিলের প্রেসিডেন্ট লুইস ইনাসিও লুলাদাকে সিলভাকে পরবর্তী জি২০ শীর্ষ সম্মেলনের সভাপতিত্বের দায়িত্ব হস্তান্তর করলেন প্রধানমন্ত্রী মোদি। ২০২৪ সালে জি২০ সম্মেলন (G20 Summit)  অনুষ্ঠিত হবে ব্রাজিলে। সম্মেলন শেষে ফের একবার বিশ্বশান্তির বার্তা দেন প্রধানমন্ত্রী মোদি। আগামী নভেম্বর মাসে সব রাষ্ট্রনেতাদের সঙ্গে একটি ভার্চুয়াল বৈঠক করার পরামর্শ শোনা যায় প্রধানমন্ত্রীর মুখে। সম্মেলন শেষে নরেন্দ্র মোদি বলেন, ‘‘এবারের জি-২০ সম্মেলন (G20 Summit)  এখানেই শেষ হল। আশা করি এক বিশ্ব, এক পরিবার, এক ভবিষ্যতের (ওয়ান আর্থ, ওয়ান ফ্যামিলি, ওয়ান ফিউচার) ভাবনা আপনাদের ভাল লেগেছে। সকলকে ধন্যবাদ।’’

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Rajnath Singh: প্রয়োজনে ঘরে ঢুকে মেরে আসতে পারি, পাকিস্তানকে বার্তা রাজনাথের

    Rajnath Singh: প্রয়োজনে ঘরে ঢুকে মেরে আসতে পারি, পাকিস্তানকে বার্তা রাজনাথের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আবারও নাম না করে পাকিস্তানকে চরম হুঁশিয়ারি দিলেন প্রতিরক্ষা মন্ত্রী রাজনাথ সিং (Rajnath Singh)। তিনি এদিন বলেন, ‘‘কোনও প্রতিবেশী যদি ভারতের ক্ষতি করতে চায়, তাকে যথাযোগ্য জবাব দিতে আমরা প্রস্তুত।’’ এদিন প্রতিরক্ষা মন্ত্রী হাজির ছিলেন ছত্তিশগড়ের মাওবাদী অধ্যুষিত জেলা কানকেড়ে। প্রতিরক্ষা মন্ত্রী এদিন জানান, মোদি জমানায় সারা দেশেই কমেছে নকশালদের উপদ্রব। এদিন ছত্তিশগড়ে জোরপূর্বক ধর্মান্তকরণেরও অভিযোগ তোলেন প্রতিরক্ষা মন্ত্রী। প্রসঙ্গত, বিজেপি সারা দেশেই প্রচার কর্মসূচি চালাচ্ছে মহা জনসম্পর্ক অভিযানের নামে। মোদি সরকারের ৯ বছরের সাফল্য তুলে ধরাই লক্ষ্য এই কর্মসূচির। সে রাজ্যের নরহরদেব হাইস্কুলের মাঠে এই কর্মসূচি আয়োজিত হয়।   

    সন্ত্রাস দমনে সফল মোদি সরকার

    এদিন প্রতিরক্ষা মন্ত্রীর (Rajnath Sing) ভাষণে উঠে আসে ২০১৬ সালের উরি হামলা এবং ২০১৯ সালের পুলওয়ামার সন্ত্রাস হানা প্রসঙ্গ। প্রতিরক্ষা মন্ত্রী স্মরণ করান, দেশ এখন শক্তিশালী হাতেই রয়েছে। ঠিক এই কারণে এই দুই হামলার কুচক্রীদের যোগ্য জবাব ভারত দিতে পেরেছে। তিনি এদিন এই হামলা প্রসঙ্গে বলেন, ‘‘তখন আমি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ছিলাম, সন্ত্রাসী হামলায় কয়েকজন জওয়ানের শহিদ হওয়ার খবর পেলাম। প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক সম্পন্ন হল। মাত্র ১০ মিনিটেই পাল্টা আক্রমণের সিদ্ধান্ত হল। আমাদের সেনা সন্ত্রাসীদের যোগ্য জবাব দিল।’’

    পাকিস্তানকে হুঁশিয়ারি

    এদিন নাম না করে কড়া ভাষায় পাকিস্তানকে হুঁশিয়ারি দিতে শোনা যায় রাজনাথ সিংকে (Rajnath Singh)। তিনি বলেন, ‘‘আমি আমার প্রতিবেশীকে বলতে চাই, কোনও প্ররোচনা ছড়াবেন না। প্রয়োজন পড়লে ঘরে ঢুকে মেরে আসতে পারি আমরা। এখন আমার দেশ অনেক পরিবর্তিত।’’ এদিন প্রধানমন্ত্রী মোদির ভূয়সী প্রশংসাও শোনা যায় প্রতিরক্ষা মন্ত্রীর মুখে। তিনি জানান, গরিব এবং দলিত কল্যাণে প্রধানমন্ত্রী মোদির নীতি ঠিক তাঁর পূর্বতন অটল বিহারী বাজপেয়ির মতোই। এদিন ছত্তিশগড়ের কংগ্রেস সরকারকেও এক হাত নেন রাজনাথ। তাঁর দাবি, গত পাঁচ বছরে কোনও কাজই করেনে কংগ্রেস সরকার। প্রসঙ্গত, চলতি বছরেই ছত্তিশগড় রাজ্যে বিধানসভা ভোট রয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Rajnath Singh: “আমার জীবনের সেরা মুহূর্ত”, সেনাদের সঙ্গে হোলি খেলে বললেন রাজনাথ

    Rajnath Singh: “আমার জীবনের সেরা মুহূর্ত”, সেনাদের সঙ্গে হোলি খেলে বললেন রাজনাথ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কনকনে ঠান্ডা। শীতের হাত থেকে বাঁচতে সবাই পরে রয়েছেন জ্যাকেট। মন্ত্রীর (Rajnath Singh) গায়ে ওভারকোট। গোলাপি আবিরে রাঙা। রবিবার এ দৃশ্য দেখা গেল লেহতে। এদিন সেখানকার সেনা জওয়ানদের সঙ্গে রংয়ের উৎসবে মাতলেন প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিংহ। তাঁর সঙ্গে ছিলেন চিফ আর্মি স্টাফ জেনারেল মনোজ পাণ্ডে ও জেনারেল অফিসার কমান্ডিং ফায়ার অ্যান্ড ফিউরি কর্পস লেফটেন্যান্ট জেনারেল রাশিম বালি।

    লেহতে রংয়ের উৎসব 

    প্রথমে ঠিক ছিল বিশ্বের সব চেয়ে উঁচু যুদ্ধক্ষেত্র সিয়াচেনে যাবেন প্রতিরক্ষামন্ত্রী। সেখানেই সেনাকর্মীদের সঙ্গে হোলি খেলার কথা ছিল তাঁর। কিন্তু প্রতিকূল পরিস্থিতিতে বদলানো হয় সিদ্ধান্ত। লেহতে যান তিনি (Rajnath Singh)। সেখান থেকেই সিয়াচেনের কমান্ডিং অফিসারের সঙ্গে কথা বলেন রাজনাথ। কথা দেন, শীঘ্রই তিনি সিয়াচেনে যাবেন। সেনা জওয়ান ও প্রবীণ প্রতিরক্ষা আধিকারিকদের উদ্দেশে মন্ত্রী বলেন, “দিল্লি যদি আমাদের দেশের রাজধানী হয়, তবে লাদাখ সাহস ও সাহসিকতার রাজধানী। আপনাদের সঙ্গে হোলি উৎসবে মাততে পেরে আমি যারপরনাই আনন্দিত। এটি আমার জীবনে সব চেয়ে সুখের মুহূর্ত।”

    কী বললেন রাজনাথ?

    তিনি বলেন, “সিয়াচেন কোনও সাধারণ জায়গা নয়। এটা ভারতের সার্বভৌমিকতা ও দৃঢ়তার প্রতীক। এটা আমাদের জাতীয় সঙ্কল্পের প্রতিনিধিত্ব করছে।” রাজনাথ বলেন, “আমি এটা আগেও অনেকবার বলেছি। আবার বলবও। আপনাদের, আপনাদের ছেলেমেয়েদের, আপনাদের বাবা-মায়ের…আপনাদের পরিবারের দেখভাল করাটা আমাদের কর্তব্য। আমরা এজন্য সর্বদা প্রস্তুত। একথা বলার প্রয়োজন নেই যে আপনারা মন-প্রাণ দিয়ে দেশের জন্য কাজ করছেন। সেনাবাহিনীর ভালোর জন্য আমাদের সরকার কাজ করে চলেছে।”

    আর্মি চিফ মনোজ পাণ্ডেকে রাজনাথ অনুরোধ করেন, যখনই কোনও উৎসব আসবে, তাঁরা যেন সেই দিনটি উৎসব পালন করেন। কার্গিলের বরফ ঢাকা চূড়া থেকে তপ্ত মরুভূমি কিংবা রাজস্থানের সমতল ভূমি, অথবা গভীর সমুদ্রের নীচে যে সাবমেরিন মোতায়েন করা রয়েছে তাঁরা (জওয়ানরা) সবাই সর্বদা সতর্ক থাকেন, উপেক্ষা করেন বহিঃশক্তির যাবতীয় হুমকি (Rajnath Singh)।

    আরও পড়ুুন: রামলালার সঙ্গে হোলি খেলতে ভক্তের ঢল অযোধ্যায়

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share