Tag: rajnath singh

rajnath singh

  • Lok Sabha Elections 2024: “মোদি প্রধানমন্ত্রী হলে একজনও গরিব থাকবেন না”, প্রত্যয়ী রাজনাথ

    Lok Sabha Elections 2024: “মোদি প্রধানমন্ত্রী হলে একজনও গরিব থাকবেন না”, প্রত্যয়ী রাজনাথ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “মোদি যদি ফের প্রধানমন্ত্রী হন, তাহলে হিন্দুস্তানে একজনও গরিব থাকবেন না।” ছত্তিশগড়ের রায়পুর শহরে ‘কিষান মহাকুম্ভ’ সমাবেশে যোগ (Lok Sabha Elections 2024) দিয়ে কথাগুলি বললেন প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিংহ। তিনি বলেন, “আমাদের প্রতিশ্রুতি হল, হিন্দুস্তানে একজনও গরিব মানুষ থাকবেন না। এটা আমাদের প্রতিশ্রুতি।”

    রাজনাথের দাবি

    নীতি আয়োগের রিপোর্টের উদ্ধৃতি দিয়ে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী বলেন, “প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নীতির কারণে ভারতে ২৫ কোটি মানুষ এখন বিপিএলের ওপর রয়েছেন। প্রতিটি দরিদ্র ব্যক্তি এখন গ্রামীণ ভারতে একটি উপযুক্ত ঘর ও কলের জলের সংযোগ পাবেন।” বিশ্বে যে ক্রমেই ভারতের গুরুত্ব বাড়ছে, এদিনের সমাবেশে তা মনে করিয়ে দেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, “ইউক্রেন-রাশিয়া যুদ্ধের জেরে আটকে পড়া ২৬ হাজার শিশুর বাবা-মা যখন মোদিজিকে তাঁদের সন্তানদের ফিরিয়ে আনতে বলেছিলেন, তখন তিনি রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট পুতিন ও ইউক্রেনের রাষ্ট্রপতি জেলেনস্কি ও মার্কিন রাষ্ট্রপতিকে ফোন করেছিলেন। বাইডেন সাড়ে চার ঘণ্টার জন্য যুদ্ধ থামিয়ে দেন। এটাই আমাদের মর্যাদা।”

    রাম রাজ্যের সিলসিলা

    প্রতিরক্ষামন্ত্রী বলেন (Lok Sabha Elections 2024), “হিন্দুস্তানে এখন রাম রাজ্যের সিলসিলা শুরু হয়েছে। আমরা নতুন যুগে প্রবেশ করছি। অযোধ্যায় রাম মন্দির উদ্বোধন হয়েছে।” তিনি বলেন, “অতীতের মতো ভারত যা বলছে, তামাম বিশ্ব আজ তা শুনছে।” মোদি জমানায় যে কৃষকদের ব্যাপক উন্নতি হয়েছে, তাও মনে করিয়ে দেন প্রতিরক্ষামন্ত্রী। তিনি বলেন, “আমেরিকায় এক ব্যাগ ইউরিয়া সার পাওয়া যায় তিন হাজার টাকায়। ভারতই একমাত্র দেশ যেখানে কৃষকদের প্রতি ব্যাগ ইউরিয়া দেওয়া হচ্ছে ৩০০ টাকায়। রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের ফলে দাম বাড়লেও, মোদি সরকার বীজ ও সারের দাম বাড়াতে দেয়নি। আমরা কোনও পরিস্থিতিতেই কৃষকদের সমস্যা বাড়তে দেব না।”

    আরও পড়ুুন: শুভেন্দুর গড়ে তৃণমূলে ধাক্কা, ভোটের আগে আড়াইশো সংখ্যালঘু পরিবার যোগ দিল বিজেপিতে

    নিজের অতীত তুলে ধরে রাজনাথ বলেন, “আমি একজন কৃষকের ছেলে, গ্রামের বাসিন্দা। কৃষকরা তাঁদের প্রচেষ্টা ও পরিশ্রমে মাটি থেকে সোনার ফসল ফলাতে পারেন। আমার সরকার কৃষকদের সঙ্গে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে দাঁড়িয়ে আছে…কৃষক ও গ্রামের উন্নয়ন ছাড়া ভারতের উন্নয়ন সম্ভব নয় (Lok Sabha Elections 2024)।”

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Rajnath Singh: “রাম মন্দির রাজনৈতিক কোনও ইস্যু নয়, সাংস্কৃতিক,” বললেন রাজনাথ

    Rajnath Singh: “রাম মন্দির রাজনৈতিক কোনও ইস্যু নয়, সাংস্কৃতিক,” বললেন রাজনাথ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “রাম মন্দির কোনও রাজনৈতিক ইস্যু নয়, সাংস্কৃতিক ইস্যু।” সোমবার অসমের তেজপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের ২১তম সমাবর্তন উৎসবে কথাগুলি বললেন প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং (Rajnath Singh)। এদিন রাম মন্দির প্রসঙ্গে প্রশ্ন করা হলে রাজনাথ বলেন, “২২ জানুয়ারি রাম মন্দিরে হবে প্রাণপ্রতিষ্ঠা উৎসব। ওই দিন উপস্থিত থাকবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।”

    কী বললেন রাজনাথ?

    এর পরেই তিনি বলেন, “রাম মন্দির আমাদের কাছে ভোট পাওয়ার জন্য কোনও রাজনৈতিক ইস্যু নয়, এটি আমাদের সাংস্কৃতিক ইস্যু।” ১৬ জানুয়ারি অক্ষত সংগ্রহের মাধ্যমে শুরু হবে রাম মন্দিরের প্রাণপ্রতিষ্ঠার উৎসব। মূল উৎসব হবে ২২ জানুয়ারি। এদিন সকালে পুজোর পর রাম লালার মূর্তিতে প্রাণপ্রতিষ্ঠা হবে দুপুরে, মৃগশিরা নক্ষত্রে। দেশের অর্থনৈতিক অবস্থা প্রসঙ্গে রাজনাথ বলেন, “২০২৭ সালের মধ্যে ভারত বিশ্বের বৃহত্তম আথর্নীতির দেশের তালিকায় তিন নম্বরে জায়গা করে নেবে। আর এক নম্বর হবে ২০৪৭ সালের মধ্যে।”

    রাজনাথের মুখে যুব-প্রশস্তি

    শিক্ষক হিসেবে তাঁর অভিজ্ঞতাও এদিন পড়ুয়াদের সঙ্গে শেয়ার করে নেন প্রতিরক্ষামন্ত্রী। দেশের যুব সমাজ কীভাবে নয়া ধারণাগুলি গ্রহণ করছেন, তাও জানান তিনি। বলেন, “দেশের যুবসমাজকে আমি যতটুকু বুঝেছি, তা থেকে আমি বলতে পারি, শিক্ষকদের চেয়ে পড়ুয়ারা অনেক বেশি উদ্ভাবনী শক্তির অধিকারী। পড়ুয়াদের কাছ থেকে অনেক কিছু শেখা যায়। তারা সহজেই নতুন নতুন ধারণাগুলিকে গ্রহণ করে নেয়। অসম দেশকে এমন অনেক আইকন দিয়েছে। এই আইকনরা শিল্প, সাহস, ধর্ম, রাজনীতি-সহ প্রায় সব ক্ষেত্রেই কৃতিত্বের স্বাক্ষর রেখেছে।”

    আরও পড়ুুন: বাংলাদেশের অন্যতম সতীপীঠ চন্দ্রনাথ মন্দিরের দখল নিচ্ছে মৌলবাদীরা?

    তিনি (Rajnath Singh) বলেন, “তোমাদের মতো তরুণদের সমৃদ্ধশালী করতে আমরা স্টার্ট-আপ সংস্কৃতি এবং উদ্ভাবনী ইকোসিস্টেমের ওপর জোর দিচ্ছি। সরকারের প্রচেষ্টা এবং তরুণ উদ্যোগপতিদের উৎসাহিত করতে আজ আমরা ভারতে এক লাখেরও বেশি স্টার্ট-আপ ও একশোর বেশি ইউনিকর্ন তৈরি করেছি। আমরা উদ্ভাবনকে প্রোমোট করেছি ডিফেন্স ইন্ডাস্ট্রিয়াল করিডর স্টার্ট-আপের মাধ্যমে।” এদিন পুরনো ভারত ও নতুন ভারতের পার্থক্যও করেন রাজনাথ। বলেন, “পুরনো ভারত ও নয়া ভারতের মধ্যে প্রধান পার্থক্য নিহিত রয়েছে চিন্তার বিবর্তন ও অ্যাপ্রোচের মধ্যে।” প্রতিরক্ষামন্ত্রী (Rajnath Singh) বলেন, “আমাদের পড়ুয়াদের মধ্যে সৃজনশীলতা রয়েছে, লক্ষ্য রয়েছে। এসবকেই নয়া চিন্তাভাবনা বলা যেতে পারে। এগুলিই নয়া ভারতের ব্যাকগ্রাউন্ডও।”

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Rajnath Singh: “সেনাকে খারাপ চোখে দেখা সহ্য করবে না কোনও ভারতীয়”, কাশ্মীরে বললেন রাজনাথ

    Rajnath Singh: “সেনাকে খারাপ চোখে দেখা সহ্য করবে না কোনও ভারতীয়”, কাশ্মীরে বললেন রাজনাথ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জম্মু কাশ্মীরে ফের মাথাচাড়া দিচ্ছে জঙ্গি কার্যকলাপ। সাম্প্রতিককালে, একের পর এক জঙ্গি হামলায় রক্তাক্ত হয়েছে উপত্যকা। জঙ্গিদের সঙ্গে সংঘর্ষে প্রাণের বলি দিয়েছেন বহু সেনা জওয়ান। এই আবহে, সেনার মনোবল বাড়াতে কাশ্মীরে গেলেন প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং। 

    ‘সেনারা আমাদের পরিবারের সদস্য’

    প্রতিরক্ষামন্ত্রী (Rajnath Singh) বলেন, “প্রত্যেক সেনা সদস্যকে তাঁদের পরিবারের সদস্য বলে মনে করেন ভারতীয় নাগরিকরা। প্রত্যেক ভারতীয় এটি অনুভবও করেন। কেউ যদি আপনার দিকে খারাপ দৃষ্টি দেয়, তা কোনও ভারতীয় সহ্য করতে পারে না। এই ধরনের হামলা ঠেকাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে নিরাপত্তা ও গোয়েন্দা সংস্থাগুলি। নজরদারি বাড়াতে যত রকমের সমর্থন প্রয়োজন, আমাদের সরকার তা দেবে।”

    তিনি বলেন, “আপনাদের জন্য সব সময় আমাদের কোষাগারের দরজা খোলা। আমি জানি, আপনারা সবাই সজাগ থাকেন। কিন্তু আমার মতে আরও সতর্কতা প্রয়োজন। আমি আপনাদের এই বলে আশ্বস্ত করছি যে, সরকার আপনাদের সঙ্গে আছে। আপনাদের কল্যাণ ও নিরাপত্তা আমাদের অগ্রাধিকারের তালিকায় রয়েছে সবার ওপরে।” প্রতিরক্ষামন্ত্রী (Rajnath Singh) বলেন, “সাধারণ মানুষের কাছে আপনারা কতটা মূল্যবান, তা আমায় আলাদা করে বলতে হবে না। কোনও জওয়ান শহিদ হলে তাঁর জন্য যত ভিড় হয়, কোনও রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বের মৃত্যুতেও তত লোক হয় না।”

    আরও পড়ুুন: বিজেপির ‘ইলেকশন ম্যানেজমেন্ট টিম’, কী দাবি করলেন সুকান্ত?

    ‘‘মানুষেরও মন জয় করুন…’’

    এদিকে, গত সপ্তাহে জম্মু-কাশ্মীরের রাজৌরিতে সেনাবাহিনীর এক কনভয়ে জঙ্গি হামলা হয়। ওই ঘটনায় শহিদ হন চার সেনাকর্মী। জখম হন দুজন। ঘটনার পরে পরেই স্থানীয় কয়েকজনকে আটক করে সেনা। পরে দেহ উদ্ধার হয় তিনজনের। মৃতদের পরিবারের অভিযোগ, সেনা হেফাজতেই মৃত্যু হয়েছে ওই তিনজনের। শুরু হয়েছে তদন্ত। সেনাকর্মীদের মুখোমুখি হয়ে প্রতিরক্ষামন্ত্রী (Rajnath Singh) বলেন, “আপনারা দেশের রক্ষক। কিন্তু আমি আপনাদের বলব, দেশের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার পাশাপাশি মানুষের মন জয় করার দায়িত্বও রয়েছে আপনাদের। এমন কোনও ভুল করা উচিত নয়, যাতে কোনও ভারতীয় নাগরিকের ক্ষতি হয়। আমাদের যুদ্ধে জিততে হবে ঠিকই, সন্ত্রাসবাদীদেরও নির্মূল করতে হবে। তবে তার চেয়েও বড় উদ্দেশ্য হল, মানুষের মন জয় করা। দেশের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার পাশাপাশি মানুষের মন জয় করার দায়িত্বও আপনাদের। আমরা যুদ্ধ জিতব, কিন্তু সঙ্গে সঙ্গে আমাদের হৃদয়ও জয় করতে হবে। আমি জানি, আপনারা এজন্য যথাসাধ্য চেষ্টা করেন।”

     

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

  • INS Imphal: নৌসেনার হাতে এল ঘাতক ‘আইএনএস ইম্ফল’, কতটা শক্তিশালী এই রণতরী?

    INS Imphal: নৌসেনার হাতে এল ঘাতক ‘আইএনএস ইম্ফল’, কতটা শক্তিশালী এই রণতরী?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আরও শক্তিশালী হচ্ছে ভারতীয় নৌসেনা (Indian Navy)। মঙ্গলবার নৌবাহিনীতে ‘কমিশন’ বা অন্তর্ভুক্ত হলো দেশীয় স্টেলথ গাইডেড মিসাইল ডেস্ট্রয়ার ‘আইএনএস ইম্ফল’। প্রতিক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিংয়ের উপস্থিতিতে আনুষ্ঠানিকভাবে এই রণতরীকে যুক্ত করা হলো। উপস্থিত ছিলেন নৌসেনা প্রধান অ্যাডমিরাল আর হরি কুমার, মহারাষ্ট্রের মুখ্যমন্ত্রী একনাথ শিন্ডে সহ বিশিষ্টজনেরা।

    কতটা শক্তিশালী ‘ডি-৬৮’?

    ‘আইএনএস ইম্ফল’ (INS Imphal) হলো প্রজেক্ট-১৫বি অন্তর্গত নির্মিত চারটি স্টেলথ গাইডেড মিসাইল ডেস্ট্রয়ার যুদ্ধজাহাজের মধ্যে তৃতীয়। এই প্রকল্পের প্রথম যুদ্ধজাহাজটি ছিল ‘আইএনএস বিশাখাপত্তনম’, নৌসেনায় কল-সাইন ‘ডি-৬৬’। ফলে, বাকি তিনটিও বিশাখাপত্তনম শ্রেণির রণতরী। নৌসেনায় ইম্ফলের কল-সাইন হচ্ছে ‘ডি-৬৮’। দ্বিতীয় জাহাজটি ছিল ‘আইএনএস মরমুগাও’, কল-সাইন ‘ডি-৬৭’। শেষ তথা চতুর্থ জাহাজটির নাম রাখা হবে ‘আইএনএস সুরাট’, কল-সাইন ‘ডি-৬৯’। গত বছরের মে মাসে তাকে প্রথমবার জলে ভাসানো হয়েছে।

    ‘আইএনএস ইম্ফল’-এর ওজন প্রায় ৭৪০০ টন। ১৬৪ মিটার দৈর্ঘ্যের এই যুদ্ধজাহাজ সর্বাধুনিক মারণাস্ত্র ও সেন্সরে সজ্জিত। এটিই হতে চলেছে এখনও পর্যন্ত নৌসেনার সবচেয়ে বড় এবং সবচেয়ে আধুনিক ডেস্ট্রয়ার। এতে একদিকে যেমন রয়েছে ব্রহ্মোসের ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্রের সর্বাধুনিক সংস্করণ, তেমনই রয়েছে মাঝারি পাল্লার অত্যাধুনিক ‘বারাক-৮’ ভূমি থেকে আকাশ মিসাইল থেকে শুরু করে জাহাজ-বিধ্বংসী ক্ষেপণাস্ত্র ও সাবমেরিন-বিধ্বংসী টর্পিডোর বিপুল বৈচিত্র্যপূর্ণ সম্ভার। এতে রয়েছে একটি ৭৬ মিমি সুপার র‌্যাপিড মাউন্টেড মেইন নেভাল গান এবং চারটি একে-৬৩০ ৩০ মিমি গান— যা কম দূরত্বে আকাশপথে হামলা করা শত্রুর যে কোনও বিমান, ড্রোন, ক্ষেপণাস্ত্রকে নিষ্ক্রিয় করতে সক্ষম। এই জাহাজের সর্বোচ্চ গতি হবে ৩০ নট বা ঘণ্টায় ৫৬ কিমি। 

    স্বয়ংক্রিয়শীলতা এবং স্টেলথ বৈশিষ্ট্য

    এমনিতে, ডেস্ট্রয়ার শ্রেণির জাহাজের মারণক্ষমতা মারাত্মক। তবে নৌসেনার (Indian Navy) তরফে জানানো হয়েছে, ‘আইএনএস ইম্ফল’ (INS Imphal) সাবমেরিন-ধ্বংসে বিশেষভাবে পারদর্শী। দেশীয় প্রযুক্তিতে তৈরি ‘আরবিইউ-৬০০০’ সাবমেরিন-বিধ্বংসী রকেট লঞ্চার, ৫৩৩ মিমি টর্পিডো লঞ্চার এবং অ্যান্টি-সাবমেরিন হেলিকপ্টারের দৌলতে এটি ভয়ঙ্কর ঘাতক হিসেবে পরিণত। এছাড়া, যে কোনও ধরনের পরমাণু, জৈব ও রাসায়নিক হামলা থেকে বাঁচার ক্ষমতা রয়েছে এই জাহাজের। ‘আইএনএস ইম্ফল’-এর স্বয়ংক্রিয়শীলতা এবং স্টেলথ (শত্রু রেডারে অদৃশ্য থাকার ক্ষমতা) বৈশিষ্ট্য একে আরও ভয়ঙ্কর করে তুলেছে। 

    সর্বাধুনিক রেডার সিস্টেম মোতায়েন

    বন্দর ও সমুদ্রে দীর্ঘ পরীক্ষা-নিরীক্ষা ও ট্রায়ালের পর গত ২০ অক্টোবর, ভারতীয় নৌসেনার হাতে পাকাপাকিভাবে তুলে দেওয়া হয়েছিল এই অত্যাধুনিক রণতরীকে (INS Imphal)। গতমাসেই এই জাহাজ থেকে দূরপাল্লার ব্রহ্মোস ক্ষেপণাস্ত্রের পরীক্ষামূলক উৎক্ষেপণ করা হয়েছিল। কমিশন না হওয়া কোনও জাহাজ থেকে সেই প্রথম কোনও ক্ষেপণাস্ত্রের পরীক্ষা হয়েছিল। এই জাহাজে অন্যতম শক্তি হলো এর রেডার সিস্টেম। এখনও পর্যন্ত সবচেয়ে আধুনিক ও সবচেয়ে শক্তিশালী রেডার বসানো হয়েছে এই যুদ্ধজাহাজে। 

    উত্তর-পূর্বাঞ্চলের শহরের নামে প্রথম রণতরী

    প্রসঙ্গত, এই প্রথম দেশের উত্তর-পূর্বাংশের কোনও শহরের নামে যুদ্ধজাহাজের নামকরণ (INS Imphal) করা হলো। মণিপুরের মুখ্যমন্ত্রীর উপস্থিতিতে জাহাজের নাম-ফলকের উন্মোচন করেন প্রতিরক্ষা মন্ত্রী রাজনাথ সিং। এর থেকেই প্রমাণিত যে, জাতীয় সুরক্ষার ক্ষেত্র এবং দেশের সমৃদ্ধির জন্য উত্তর-পূর্বাঞ্চলকে কতটা গুরুত্ব দিয়েছে মোদি সরকার। ২০১৯ সালের এপ্রিল মাসে এই নামকরণে সবুজ সঙ্কেত দিয়েছিলেন রাষ্ট্রপতি। কমিশনিং হওয়ার পর, নৌসেনার (Indian Navy) পশ্চিম কমান্ডের অন্তর্গত মোতায়েন থাকবে ‘আইএনএস ইম্ফল’।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • LCA Tejas Mk-1A: সবুজ সঙ্কেত কেন্দ্রের, বাহিনীর হাতে আসছে ৯৭ তেজস মার্ক-১এ, ১৫৬ প্রচণ্ড হেলিকপ্টার

    LCA Tejas Mk-1A: সবুজ সঙ্কেত কেন্দ্রের, বাহিনীর হাতে আসছে ৯৭ তেজস মার্ক-১এ, ১৫৬ প্রচণ্ড হেলিকপ্টার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সামরিক বাহিনীকে আরও শক্তিশালী করা এবং একইসঙ্গে আত্মনির্ভর ভারত গড়ার লক্ষ্যে বড় পদক্ষেপ নিল মোদি সরকার। ৯৭টি লাইট কমব্যাট এয়ারক্র্যাফট (এলসিএ) তেজস মার্ক-১এ (LCA Tejas Mk-1A) এবং ১৫৬টি প্রচণ্ড লাইট কমব্যাট হেলিকপ্টার (এলসিএইচ) কেনার বিষয়ে অনুমোদন দিল কেন্দ্রের ডিফেন্স অ্যাকুইজিশন কাউন্সিল (Defence Acquisition Council) বা ডিএসি। প্রতিরক্ষা মন্ত্রক সূত্রের খবর, এর মধ্যে ভারতীয় স্থলসেনার ‘আর্মি অ্যাভিয়েশন কোর’ পাবে ৯০টি।  ৯৭টি তেজস যুদ্ধবিমানের সঙ্গে ৬৬টি প্রচণ্ড (LCH Prachand) পাবে ভারতীয় বায়ুসেনা। এর ফলে, এই দুই বাহিনীর শক্তি এক ধাক্কায় অনেকটা বেড়ে যাবে। শুধু তাই নয়। সূত্রের খবর, খুব শীঘ্রই নৌসেনার জন্য দ্বিতীয় দেশীয় বিমানবাহী রণতরীর বিষয়েও সিদ্ধান্ত নিতে চলেছে এই কমিটি। তেমনটা হলে, দেশের জলসীমা সুরক্ষায় নৌবাহিনীর শক্তিও অনেকটাই বেড়ে যাবে।

    পাখির চোখ তেজস ও প্রচণ্ড

    প্রতিরক্ষা মন্ত্রী রাজনাথ সিংয়ের নেতৃত্বাধীন ডিএসি বৈঠকে বসেছিল বৃহস্পতিবার। সেখানেই তেজস যুদ্ধবিমান (LCA Tejas Mk-1A) ও প্রচণ্ড যুদ্ধ কপ্টার কেনার বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে (Defence Acquisition Council)। প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের তরফে জানানো হয়েছে, তেজস যুদ্ধবিমান আর প্রচণ্ড লাইট কমব্যাট হেলিকপ্টার (LCH Prachand) কেনার পাশাপাশি, ভারতীয় বায়ুসেনার ব্যবহৃত সুখোই-৩০ যুদ্ধবিমানগুলির আধুনিকীকরণের সিদ্ধান্ত হয়েছে ওই বৈঠকে। এই তিনটের জন্য মোট বরাদ্দ ধার্য করা হয়েছে ১.১ লক্ষ কোটি টাকা। গত সপ্তাহেই, বেঙ্গালুরুস্থিত তেজস নির্মাণকারী রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থা হিন্দুস্থান অ্যারোনটিক্স লিমিটেড বা হ্যাল-এর কারখানা পরিদর্শনে গিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। সেখানে তিনি দুই-আসন বিশিষ্ট তেজস মার্ক-১ যুদ্ধবিমানের একটি ট্রেনার বিমানে চেপে প্রায় ৪৫ মিনিট আকাশে চক্কর কাটেন। 

    আর্টিলারিকে আরও বিধ্বংসী করে তোলার সিদ্ধান্ত

    তেজস (LCA Tejas Mk-1A) ও প্রচণ্ড কেনার পাশাপাশি, সেনার জন্য বিভিন্ন ধরনের আর্টিলারি কেনার বিষয়েও অ্যাকসেপটেন্স অফ নেসেসিটিতে অনুমোদন দিয়েছে কমিটি (Defence Acquisition Council)। এর আওতায় স্থলসেনার জন্য দুধরনের গোলা ও ফিল্ড গান বা কামান কেনার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে ট্যাঙ্ক-বিধ্বংসী এরিয়া ডিনায়াল মিউনিশন (এডিএম) টাইপ-২ ও টাইপ-৩। এটি শত্রুর যে কোনও যুদ্ধট্যাঙ্ক বা সাঁজোয়া গাড়ি ধ্বংস করতে সক্ষম। পাশাপাশি, কার্যমেয়াদ অতিক্রান্ত হওয়া ইন্ডিয়ান ফিল্ড গান পাল্টে তার জায়গায় অত্যাধুনিক টাওড গান সিস্টেম (টিজিএস) অন্তর্ভুক্ত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিল সেনা। তা এদিনেক বৈঠকে অনুমোদন পেয়েছে। এর সঙ্গেই অনুমোদিত হয়েছে ১৫৫ এমএম আর্টিলারি গান (কামান)-এ ব্যবহার করার জন্য ১৫৫ এমএম নাবলেস প্রোজেক্টাইল।

    মোট খরচ বরাদ্দ ২.২৩ লক্ষ কোটি টাকা

    এছাড়া, সেনার অন্যতম ভরসা টি-৯০ মেন যুদ্ধট্যাঙ্কের সক্ষমতা আরও বৃদ্ধি করতে অটোমেটিক টার্গেট ট্র্যাকার ও ডিজিটাল বাসালটিক কম্পিউটার কেনার বিষয়ে অনুমোদন মিলেছে। নৌসেনার জন্য মাঝারি পাল্লার শত্রু জাহাজ-বিধ্বংসী ক্ষেপণাস্ত্র (এমআরএএসএইচএম) কেনার বিষয়েও অনুমোদন মিলেছে। এই ক্ষেপণাস্ত্রটি মূলত হালকা ওজনের এব অত্যন্ত সহজেই এগুলোকে জাহাজে মোতায়েন করা সম্ভব। এই সব কেনার জন্য মোট ২.২৩ লক্ষ কোটি টাকা বরাদ্দ করেছে ডিএসি (Defence Acquisition Council)। এর মধ্যে ২.২ লক্ষ কোটি টাকা অর্থাৎ ৯৮ শতাংশ খরচই দেশীয় সংস্থার থেকে তোলা হবে বলে জানা গিয়েছে (LCA Tejas Mk-1A)। এতে সামরিক ক্ষেত্রে ‘আত্মনির্ভর’ হওয়ার পথ সুগম হবে যেমন, দীর্ঘমেয়াদি কর্মসংস্থানও তৈরি হবে বলে দিল্লির একটি সূত্র মারফত জানা যাচ্ছে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Indian Navy IAC 2: আরও একটি দেশীয় বিমানবাহী রণতরী আসছে নৌসেনার হাতে! সিদ্ধান্ত আজই?

    Indian Navy IAC 2: আরও একটি দেশীয় বিমানবাহী রণতরী আসছে নৌসেনার হাতে! সিদ্ধান্ত আজই?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আরও শক্তিশালী হতে চলেছে ভারতীয় নৌসেনা। ভারত মহাসাগরে চিনা নৌবাহিনীর বাড়বাড়ন্তকে মাথায় রেখে আইএনএস বিক্রান্ত-এর পর দেশে আরও একটি প্রায় সমান ক্ষমতাসম্পন্ন বিমানবাহী রণতরী (Indian Navy IAC 2) নির্মাণ করার প্রস্তাবে সম্ভবত শীঘ্রই সায় দিতে চলেছে কেন্দ্র। 

    ভারত মহাসাগরে চিনকে রোখা প্রয়োজন

    সূত্রের খবর, ভারতীয় জলসীমার নিরাপত্তা ও সুরক্ষার বিষয়টি মাথায় রেখে বেশ কিছুদিন আগেই দ্বিতীয় দেশীয় বিমানবাহী রণতরীর জন্য প্রস্তাব পাঠিয়েছিল ভারতীয় নৌসেনা। প্রস্তাবটি পাঠানো হয়েছিল ডিফেন্স প্রোকিওরমেন্ট বোর্ডের বা সংক্ষেপে ডিপিবি-র কাছে। এই ডিপিবি হল এমন কমিটি যারা মূলত বৃহত সামরিক ক্রয় বিষয়ক প্রস্তাবগুলি খতিয়ে দেখে এবং প্রয়োজন অনুযায়ী সুপারিশ পাঠায় কেন্দ্রের সামরিক সরঞ্জাম কেনার শীর্ষ কমিটি ডিফেন্স অ্যাকুইজিশন কাউন্সিল বা সংক্ষেপে ডিএসি-র (Defence Acquisition Council) কাছে। 

    রাজনাথ সিংয়ের নেতৃত্বে বসছে বিশেষ বৈঠক

    নিয়ম অনুযায়ী, ডিপিবি-র সুপারিশের ওপর সময় মতো অ্যাকসেপ্টেন্স অফ নেসেসিটি (এওএন) বা সিলমোহর দেয় ডিএসি (Indian Navy IAC 2)। তার পর সব শেষে কেনার ছাড়পত্র দেয় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বাধীন ক্যাবিনেট কমিটি অন সিকিউরিটি বা সিসিএস।  যার পরেই, গোটা প্রক্রিয়া কার্যকর হয়। সূত্রের খবর, দেশে দ্বিতীয় বিমানবাহী রণতরী তৈরি করার প্রস্তাবকে সবুজ সঙ্কেত দিয়ে ডিএসি-র টেবিলে পাঠিয়েছে ডিপিবি। আগামিকাল বসছে প্রতিরক্ষা মন্ত্রী রাজনাথ সিংয়ের নেতৃত্বাধীন ডিএসি-র (Defence Acquisition Council) বৈঠক। সেখানে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে এই বিষয়ে। তবে, কেন্দ্রীয় সূত্রের দাবি, চিনের কথা মাথায় রেখে সম্ভবত এই প্রস্তাব গৃহীত হতে পারে। 

    আইএনএস বিক্রান্ত-এর ‘মিরর’ হতে চলেছে আইএসি-২

    যা জানা যাচ্ছে, প্রাথমিকভাবে সিদ্ধান্ত হয়েছিল, ইন্ডিজেনাস এয়ারক্র্যাফট ক্যারিয়ার ১ বা আইএনএস বিক্রান্ত-এর তুলনায় ৩০ শতাংশ বড় হবে আইএসি-২ (Indian Navy IAC 2)। বিক্রান্তের ওজন ৪৪ হাজার টন। সেখানে নকশা অনুযায়ী, আইএসি-২ এর ওজন হওয়ার কথা ছিল ৬৫ হাজার টন। পরবর্তীকালে, তা বাতিল করে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় যে বিক্রান্তের মতোই নকশা অনুযায়ী হবে দ্বিতীয় বিমানবাহী রণতরী। অর্ছাৎ, নকশায় কোনও পরিবর্তনের প্রয়োজন নেই। এর ফলে, সময় বাঁচবে। জানা যাচ্ছে, তেমনটা হলে, ৮-১০ বছরের মধ্য়েই ভারতীয় নৌসেনার হাতে আইএসি-২ আসতে পারে।

    নতুন রণতরীর ডেকে থাকবে রাফাল-এম

    আইএনএস বিক্রান্ত তৈরি করতে খরচ হয়েছিল ২৩ হাজার কোটি টাকা। জানা গিয়েছে, নতুন বিমানবাহী রণতরী নির্মাণে খরচ হবে প্রায় ৪০ হাজার কোটি টাকা। ওই রণতরী থেকে উড়বে অত্যাধুনিক ফরাসি রাফাল-এম যুদ্ধবিমান। কয়েকদিন আগে, নৌসেনা প্রধান আর হরি কুমার জানিয়েছিলেন, আপাতত রিপিট অর্ডারের দিকেই ঝোঁকা হচ্ছে (Indian Navy IAC 2)। অর্থাৎ, ওজনে প্রায় এক হবে নতুন জাহাজটি। তবে, আরও অধিক ক্ষমতাসম্পন্ন হবে। সেই সময় তৃতীয় বড় আকারের বিমানবাহী রণতরীর নকশা তৈরি করা হবে। যা হবে ওই ৬৫ হাজার টনের আশেপাশে। যে সময় সেটি অন্তর্ভুক্ত হবে নৌসেনায়, আইএনএস বিক্রমাদিত্য অবসর নেবে।

    বৈঠকের নজরে প্রচণ্ড ও তেজস-ও

    নতুন বিমানবাহী রণতরীর পাশাপাশি, আগামিকালের বৈঠকে বায়ুসেনার পেশ করা ৯৭টি তেজস মার্ক-১এ যুদ্ধবিমান কেনার বিষয়েও আলোচনা হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এর জন্য খরচ ধরা হয়েছে প্রায় ৫৫ হাজার কোটি টাকা। এছাড়া রয়েছে স্থলসেনার জন্য ১৫৬টি প্রচণ্ড সামরিক হেলিকপ্টার, যার মূল্য হতে পারে ৪৫ হাজার কোটি টাকা।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।  

  • Indian Armed Forces: মাতৃত্বকালীন ছুটি থেকে সন্তানের বড় হওয়া! মহিলা জওয়ানদের নিয়ে বড় সিদ্ধান্ত কেন্দ্রের

    Indian Armed Forces: মাতৃত্বকালীন ছুটি থেকে সন্তানের বড় হওয়া! মহিলা জওয়ানদের নিয়ে বড় সিদ্ধান্ত কেন্দ্রের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সেনাবাহিনীর (Indian Armed Forces) তিন শাখার মহিলা জওয়ানদের মাতৃত্বকালীন ছুটির বিষয়ে বড় সিদ্ধান্ত নিল মোদি সরকার। এবার থেকে মহিলা সেনা অফিসারদের মতো সমান হারে মাতৃত্বকালীন ছুটি পাবেন নারী বাহিনীর জওয়ান, নাবিক ও এয়ার ওয়ারিয়ার্সরা। সন্তান পালন ও দত্তক নেওয়ার ক্ষেত্রেও ছুটিতে থাকছে না আর কোনও বৈষম্য।

    সবাইকে এক সুবিধা

    রবিবার একটি বিবৃতি দিয়ে জানানো হয়েছে, সকল মহিলা জওয়ান, নাবিক এবং বায়ুসেনা কর্মী  (Indian Armed Forces) এখন থেকে একই রকম সুবিধা পাবেন। বিবৃতি অনুসারে, সংশ্লিষ্ট মহিলার সেনা-র‌্যাঙ্কের উপর সুবিধা নির্ভর করবে না। সেনাবাহিনীতে নিচুতলার মহিলা জওয়ানেরাও ঊর্ধ্বতনদের মতোই সুবিধা পাবেন। এই প্রস্তাবে সম্মতি দিয়েছেন কেন্দ্রীয় প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং। এত দিন পর্যন্ত সেনাবাহিনীতে শুধু অফিসার পদেই মহিলাদের নিয়োগ করা হত। অগ্নিবীর প্রকল্পে তার থেকে নিচু পদেও নিয়োগ করা হচ্ছে। তার ফলে নিচু পদে কর্মরত মহিলাদেরও মাতৃত্বকালীন ছুটির প্রয়োজন হচ্ছে। সে কারণেই নতুন করে ভাবনাচিন্তা শুরু করেছিল কেন্দ্র।

    প্রস্তাবে শিলমোহর

    প্রতিরক্ষা মন্ত্রক সূত্রের খবর, গত মাসেই এই ইস্যুতে তিন বাহিনীর সর্বাধিনায়ক সিডিএস জেনারেল অনিল চৌহান ও তিন বাহিনীর প্রধানদের সঙ্গে বৈঠক করেন রাজনাথ সিং। সেখানেই এব্যাপারে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় (Indian Armed Forces)। রবিবার সেই প্রস্তাবে শিলমোহর দেওয়া হয়েছে। এদিন মন্ত্রকের তরফে দেওয়া বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে, ‘ছুটির নিয়মে বদল হওয়ায় মহিলা ফৌজিরা পারিবারিক ও সামাজিক নানা সমস্যা সহজেই মোকাবিলা করতে পারবেন। সন্তান মানুষ করতে তাঁদের আর কোনও কষ্ট হবে না। পাশাপাশি, এর জেরে কাজের জায়গায় তাঁরা উন্নতি করতে পারবেন। পেশদার ও পারিবারিক জীবনের ক্ষেত্রে একটা ভারসাম্য থাকবে তাঁদের।’

    আরও পড়ুুন: সীমান্তে বিএসএফের তৎপরতা! পাচারের আগেই ১০ কোটি টাকার সোনার বিস্কুট বাজেয়াপ্ত

    কতদিনের ছুটি

    প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের তরফে জানা গিয়েছে, বাহিনীতে (Indian Armed Forces) কর্মরত সব মহিলারাই গোটা কর্মজীবনে সন্তান পালনের জন্য সর্বোচ্চ ৩৬০ দিনের ছুটি পাবেন। সন্তানের ১৮ বছর বয়স পর্যন্ত এই ছুটি পাবেন। যাঁদের সন্তান শারীরিক ভাবে ৪০ শতাংশ পর্যন্ত অক্ষম, তাঁদের জন্য নিয়মে ছাড় রয়েছে। মহিলা জওয়ানেরা ১৮০ দিনের মাতৃত্বকালীন ছুটি পাবেন। সারা কর্মজীবনে দু’বার সন্তান ধারণ করলে বা দু’টি সন্তানের জন্য এই ছুটি পাবেন। এক বছরের কম বয়সি শিশু দত্তক নিলে, দত্তক নেওয়ার দিন থেকে ১৮০ দিন ছুটি মিলবে।

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Rajnath Singh: বিজয়া দশমীতে চিন-সীমান্তে জওয়ানদের সঙ্গে অস্ত্র পুজো রাজনাথের

    Rajnath Singh: বিজয়া দশমীতে চিন-সীমান্তে জওয়ানদের সঙ্গে অস্ত্র পুজো রাজনাথের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিজয় দশমীর দিন অরুণাচল প্রদেশের অস্ত্র পুজোয় অংশ নিলেন প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং (Rajnath Singh)। এর পাশাপাশি চিন সীমান্তও পরিদর্শন করেন তিনি। নিজের ভাষণে রাজনাথ সিং বলেন, ‘‘দশেরা হল অশুভ শক্তির ওপর শুভ শক্তির বিজয়।’’ এদিন অরুণাচল প্রদেশে ১৯৬২ সালে চীন-ভারত যুদ্ধে শহীদ জওয়ান সুবেদার যোগিন্দর সিং এর স্মৃতিসৌধের শ্রদ্ধার্ঘ্যও নিবেদন করেন তিনি। এদিন তাঁর সঙ্গে ছিলেন আর্মি চিফ জেনারেল মনোজ পাণ্ডে, ইস্টার্ন কমান্ডের জেনারেল অফিসার কমান্ডিং জেলারেল আর পি কালিতা  সমেত সেনাবাহিনীর অন্যান্য সিনিয়র অফিসাররা।

    গতকাল প্রতিরক্ষামন্ত্রী ছিলেন অসমে

    প্রসঙ্গত দুদিনের উত্তর-পূর্ব ভারত সফরে রয়েছেন প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং। তাঁর সফরের দ্বিতীয় দিনে অরুণাচল প্রদেশে পৌঁছান প্রতিরক্ষা মন্ত্রী। গত ২৩ অক্টোবর দেশের প্রতিরক্ষামন্ত্রী (Rajnath Singh) ছিলেন অসমে। গতকালই অসমের তেজপুরে বিমান বাহিনীর ঘাঁটিতে অবতরণ করে প্রতিরক্ষামন্ত্রীর বিশেষ বিমান। সেখানকার স্থানীয় মেঘনা স্টেডিয়ামে সেনা জওয়ানদের সঙ্গে নৈশভোজও সারেন তিনি। জঙ্গি কার্যকলাপের বিরুদ্ধে সারা দেশকে এক হওয়ার বার্তাও দেন রাজনাথ। পাশাপাশি জঙ্গি দমনে যেন সাধারণ মানুষের কোনও ক্ষতি না হয়, সেদিকেও সজাগ থাকতে বলেন তিনি।

    দেশের অর্থনীতিতে অবদান রয়েছে সেনারও

    রাজনাথ সিং (Rajnath Singh) গতকাল তাঁর ভাষণে জানান, প্রতি বছর বিজয়া দশমীর দিনটা তিনি সেনাবাহিনীর সঙ্গেই কাটান। তাঁর আরও সংযোজন, ‘‘ভারতীয় সেনাবাহিনীর বীরত্ব সারা বিশ্বে বিখ্যাত। ভারতীয় অর্থনীতি বর্তমানে বিশ্বে পঞ্চম স্থানে পৌঁছেছে, ২০২৪ থেকে ২০২৭ সালের মধ্যে বিশ্বের অর্থনৈতিক মানচিত্রে ভারতের স্থান হবে তৃতীয়।’’ দেশের অর্থনীতির এমন উন্নয়নে সেনাবাহিনীরও যে অবদান রয়েছে, তাও নিজের বক্তব্যে বলেন রাজনাথ।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ। 

  • Rajnath Singh: আফিম চাষ ধ্বংস করতেই ক্ষিপ্ত জঙ্গিরা! প্রয়োজনে বিমান ব্যবহারের আশ্বাস রাজনাথের

    Rajnath Singh: আফিম চাষ ধ্বংস করতেই ক্ষিপ্ত জঙ্গিরা! প্রয়োজনে বিমান ব্যবহারের আশ্বাস রাজনাথের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মণিপুর সরকার চাইলেই রাজ্যে আফিম চাষ ধ্বংস করতে বায়ুসেনার বিমান ব্যবহার করা যেতে পারে বলে জানালেন প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিংহ (Rajnath Singh)। মেইতেইদের এক সংগঠনের দাবি, সম্প্রতি প্রতিরক্ষামন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করেছিল তারা। তখনই রাজনাথ এই আশ্বাস দেন।  

    সেনা জওয়ানের দেহ উদ্ধার 

    দু’ মাস হতে চলল। এখনও বিক্ষিপ্ত অশান্তির ঘটনা  ঘটছে উত্তর-পূ্র্বের পাহাড়ি রাজ্য মণিপুরে। দিন কয়েক আগে বাড়ি থেকে এক সেনা জওয়ানকে অপহরণ করে বন্দুকধারীরা। অপহৃত ওই জওয়ানের নাম সর্থো থাংকাথং কোম। ছুটিতে বাড়ি গিয়েছিলেন তিনি। শনিবার রাতে পশ্চিম ইম্ফল জেলার তারংয়ে তাঁর বাড়ি থেকে তাঁকে তুলে নিয়ে যায় দুর্বৃত্তরা। পরের দিন উদ্ধার হয় দেহ। এহেন আবহে সম্প্রতি দিল্লি মেইতেই কো-অর্ডিনেটিং কমিটির এক প্রতিনিধিদল দেখা করেন প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিংহের (Rajnath Singh) সঙ্গে।

    বায়ুসেনার বিমান ব্যবহারের আশ্বাস 

    চিত্রাঙ্গদার দেশে সংঘর্ষের অন্যতম কারণ হিসেবে তারা জানায়, আফিম চাষ ধ্বংস করতে মুখ্যমন্ত্রী এন বীরেন সিংহ তৎপর হতেই ক্ষিপ্ত হয়ে উঠেছে কুকি জঙ্গিরা। এর পরেই রাজ্যে আফিম চাষ ধ্বংস করতে বায়ুসেনাকে ব্যবহারের অনুরোধ জানায় মেইতেইদের ওই সংগঠন। তাদের দাবি, মণিপুর সরকার প্রক্রিয়া মেনে চিঠি লিখলে বিমান ব্যবহার করা যেতে পারে বলে তাঁদের আশ্বস্ত করেছেন প্রতিরক্ষামন্ত্রী।

    মণিপুরে হিংসা রুখতে মোতায়েন করা হয়েছে সেনা। সেই সেনা মেইতেইদের সঙ্গে একরকম এবং কুকিদের সঙ্গে অন্যরকম আচরণ করছে বলেও প্রতিরক্ষামন্ত্রীকে (Rajnath Singh) জানায় মেইতেইদের প্রতিনিধি দল। তারা জানায়, মেইতেইদের প্রতিবাদ মিছিল রুখতে লাঠিচার্জ করা হয়, টিয়ার গ্যাস ছোড়া হয়, চালানো হয় রাবার বুলেটও। কোনও কোনও সময় গুলিও চালানো হয়। আর কুকিদের আন্দোলন রুখতে বাবা-বাছা করা হয়। এসব ব্যবহার করা হয় না।

    আরও পড়ুুন: ‘‘অভিযোগ অযৌক্তিক এবং ভিত্তিহীন’’! খালিস্তানি জঙ্গির মৃত্যু নিয়ে কানাডার দাবি খারিজ ভারতের

    কুকিদের সঙ্গে সেনা জওয়ানদের এহেন আচরণ মেইতেই সম্প্রদায়ের মধ্যে ভয় এবং উদ্বেগের সঞ্চার করছে। প্রতিনিধিদলের বক্তব্য, জওয়ানরা মেইতেই এবং কুকি উভয় সম্প্রদায়ের সঙ্গেই একরূপ আচরণ করুক। প্রসঙ্গত, মণিপুরে হিংসার নেপথ্যে যে বহিঃশক্তির হাত রয়েছে, তা আগেই জানা গিয়েছিল একটি রিপোর্টে। মেইতেইরাও এমন দাবি করেছিলেন। স্থানীয় একটি সূত্রের খবর, সরকার আফিম চাষ বন্ধে উদ্যোগী হতেই হিংসায় ইন্ধন জোগাচ্ছে জঙ্গিরা।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Rajnath Singh: “তুঙ্গে মোদির জনপ্রিয়তা, তাই কলেবরে বাড়ছে এনডিএ”, বললেন রাজনাথ

    Rajnath Singh: “তুঙ্গে মোদির জনপ্রিয়তা, তাই কলেবরে বাড়ছে এনডিএ”, বললেন রাজনাথ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “ভারতে মোদিজির (PM Modi) জনপ্রিয়তা তুঙ্গে। তিনি ক্রমেই বিশ্ব নেতা হয়ে উঠছেন। তিনি বিদেশেও ভারতকে গর্বিত করছেন।” কথাগুলি বললেন প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিংহ (Rajnath Singh)। রবিবার লখনউয়ের এক জনসভায় তিনি বলেন, “আগে আন্তর্জাতিক মঞ্চে ভারতের কথা গুরুত্ব দিয়ে শোনা হত না। আজ যখন ভারত কথা বলে, তখন সমগ্র বিশ্ব তা শোনে।”

    ভারতের সম্মান বৃদ্ধি

    রাজনাথ বলেন, “প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বে আন্তর্জাতিক স্তরে ভারতের সম্মান বৃদ্ধি পেয়েছে। আগে আন্তর্জাতিক মঞ্চগুলিতে ভারতের কথায় গুরুত্ব দেওয়া হত না। আজ যখন ভারত কথা বলে, গোটা বিশ্ব মনযোগ দিয়ে সেই কথা শোনে। যখন আমাদের দেশের প্রধানমন্ত্রী অন্য দেশ সফরে যান, তাঁকে কীভাবে স্বাগত জানানো হয়, তা আপনারা টিভিতে দেখেছেন।” প্রতিরক্ষামন্ত্রী (Rajnath Singh) বলেন, “অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রী ওঁকে ‘বস’ বলে সম্বোধন করেন। আমেরিকার প্রেসিডেন্ট মোদিজিকে বলেন যে আপনি বিশ্বের শক্তিশালী নেতা। তাঁর স্বাক্ষর নেওয়ার ইচ্ছে প্রকাশ করেছেন। মুসলিম দেশগুলিও তাঁকে সর্বোচ্চ সম্মান দিচ্ছে। পাপুয়া গিনির প্রধানমন্ত্রী পায়ে হাত দিয়ে প্রণাম করছেন। এটা অত্যন্ত সম্মানের। শুধু ওঁর কাছে নয়, সব ভারতবাসীর কাছেই।”

    ভারতের উন্নতি

    তিনি বলেন, “ভারত বর্তমানে বিশ্বের অন্যতম দ্রুত বৃদ্ধি পাওয়া অর্থনীতির দেশ। ২০১৩-১৪ সালে বিশ্বের বৃহত্তম অর্থনীতির দেশের তালিকায় ভারত ছিল ১১ নম্বরে। বর্তমানে তা পঞ্চম স্থানে এসে পৌঁছেছে। লখনউয়ে দেশের ইঞ্জিনিয়ররা ব্রাহ্মোস মিশাইল তৈরি করছেন। এই মিশাইল বয়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য বিশেষ রেলপথ তৈরি হবে। তার জেরে হবে প্রচুর কর্মসংস্থানও।”

    আরও পড়ুুন: ভারতের ‘নুন’ খেয়ে পাকিস্তানের হয়ে গুপ্তচর বৃত্তির অভিযোগে ধৃত উত্তর প্রদেশের যুবক

    এদিনই এক সংবাদ মাধ্যমে সাক্ষাৎকার দিতে গিয়ে রাজনাথ (Rajnath Singh) বলেন, “গোটা ভারতে মোদিজিকে চ্যালেঞ্জ করার মতো কেউ নেই। মোদির নেতৃত্বে পূর্ণ আস্থা রয়েছে তামাম ভারতবাসীর। আমাদের প্রধানমন্ত্রী বিশ্ব নেতা হয়ে উঠছেন। সেই কারণে অনেক রাজনৈতিক দলই আমাদের সঙ্গে যুক্ত হওয়ার ইচ্ছে প্রকাশ করেছে। প্রধানমন্ত্রী মোদির জনপ্রিয়তা তুঙ্গে। এবং রাজনৈতিক দলগুলি জানে একটি শক্তিশালী জোটে শামিল হলে তবেই ভবিষ্যৎ নিরাপদ।” তিনি বলেন, “এনডিএ যা ছিল, তা আগের চেয়ে অনেক বেশি শক্তিশালী হতে চলেছে।” প্রসঙ্গত, মঙ্গলবার সন্ধেয় দিল্লির অশোকা হোটেলে বসছে এনডিএর বৈঠক। এই বৈঠকে উপস্থিত থাকবে ৩০টিরও বেশি রাজনৈতিক দল।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share