Tag: rajnath singh

rajnath singh

  • INS Mormugao: নৌসেনায় অন্তর্ভুক্তি রবিবার, কতটা শক্তিশালী ডেস্ট্রয়ার আইএনএস মর্মুগাও?

    INS Mormugao: নৌসেনায় অন্তর্ভুক্তি রবিবার, কতটা শক্তিশালী ডেস্ট্রয়ার আইএনএস মর্মুগাও?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সম্পূর্ণ দেশীয় প্রযুক্তিতে ভারত তৈরি করল যুদ্ধজাহাজ আইএনএস মর্মুগাও (INS Mormugao)। বিশ্বের শক্তিশালী যুদ্ধজাহাজগুলিকে মাত করে দেওয়ার ক্ষমতা রাখে ভারতের এই রণতরী। রবিবার নৌসেনার অন্তর্ভুক্ত হতে চলেছে আইএনএস মর্মুগাও। 

    আইএনএস মর্মুগাও-এর বৈশিষ্ট্য

    অত্যাধুনিক এই ডেস্ট্রয়ার শ্রেণির যুদ্ধজাহাজ (INS Mormugao) নির্মাণ করেছে মুম্বইয়ের মাজগাঁও শিপবিল্ডার্স লিমিটেড। এর নকশা তৈরি করেছে ভারতীয় নৌসেনার ওয়ারশিপ ডিজাইন ব্যুরো। রবিবার মুম্বইয়ের নেভাল ডকইয়ার্ডে প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিংয়ের উপস্থিতিতে নৌসেনার হাতে আসবে দেশীয় পদ্ধতিতে তৈরি এই রণতরী। এই জাহাজ নিঃসন্দেহে জলসীমায় আরও শক্তিশালী করবে দেশকে। এর জেরে ভারত মহাসাগর সহ অন্যান্য অঞ্চলে নৌবাহিনীর গতিশীলতা আরও বাড়বে। গোয়ার ঐতিহাসিক বন্দর শহর মর্মুগাওয়ের নামে তৈরি এই রণতরী জৈব, পারমাণবিক ও রাসায়নিক— তিন ধরনের যুদ্ধ পরিস্থিতিতেই শত্রুপক্ষকে টেক্কা দিতে সক্ষম। তাৎপর্যপূর্ণভাবে গোয়া মুক্তি দিবসের একদিন আগেই নৌসেনায় অন্তর্ভুক্ত হচ্ছে এটি। 

    আরও পড়ুন: বিরাট বিক্রান্ত! প্রধানমন্ত্রীর হাত ধরে আজই নৌসেনায় অন্তর্ভুক্তি দেশে তৈরি প্রথম বিমানবাহী রণতরীর

    চারটি শক্তিশালী গ্যাস টার্বাইন দ্বারা চালিত এই রণতরীর সর্বোচ্চ গতি ৩০ নটের বেশি। পাশাপাশি ‘স্টেলথ’ প্রযুক্তি থাকায় শত্রু শিবিরের জাহাজের রেডার এড়িয়ে চলতে সক্ষম ১৬৩ মিটার লম্বা ও ১৭ মিটার চওড়া আইএনএস মর্মুগাও (INS Mormugao)। শত্রুপক্ষকে ধ্বংস করতে রণতরীতে রয়েছে একগুচ্ছ অত্যাধুনিক অস্ত্রসম্ভার। এগুলির মধ্যে রয়েছে ভূমি থেকে ভূমি এবং ভূমি থেকে আকাশে উৎক্ষেপণযোগ্য ক্ষেপণাস্ত্র। থাকবে ব্রহ্মোস ক্ষেপণাস্ত্রের আধুনিকতম সংস্করণ, যার পাল্লা বলা হচ্ছে আনুমানিক ৪৫০ কিলোমিটার। ডুবোজাহাজের মোকাবিলা করতেও প্রস্তুত আইএনএস মর্মুগাও। জলের নীচে থাকা শত্রু নিধনের জন্য এতে রয়েছে টর্পেডো ও রকেট লঞ্চার। উন্নত মানের রেডার থাকায় লক্ষ্যবস্তুতে নিখুঁতভাবে আঘাত হানতে সক্ষম হবে এই রণতরী। ২০১৫ সালের জুন মাস থেকে এই জাহাজ তৈরির কাজ শুরু হয়। এরপর ২০১৬ সালের সেপ্টেম্বর মাসে এটির কাজ শেষ হয়েছিল। এরপর গতবছর গোয়া লিবারেশন ডে অ্যানিভার্সারিতে এটির মহড়া হয়। এবার ভারত মহাসাগর অঞ্চলে কার্যত রাজ করবে ভারতের এই যুদ্ধ জাহাজ।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Rajnath Singh: চিনকে যোগ্য জবাব দিয়েছে ভারতীয় সেনা, বললেন রাজনাথ

    Rajnath Singh: চিনকে যোগ্য জবাব দিয়েছে ভারতীয় সেনা, বললেন রাজনাথ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: যতদিন বিজেপি সরকার ক্ষমতায় রয়েছে, ততদিন দেশের এক ইঞ্চি জায়গাও কেউ দখল করতে পারবে না। তাওয়াঙে (Tawang) ভারত-চিন সংঘর্ষ (Indo China Clash) নিয়ে বিরোধীদের আক্রমণের মুখে এমনই মন্তব্য করলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। এদিন ভারতীয় সেনার অবদানকে কুর্নিশও জানান কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। তিনি বলেন, ৮-৯ ডিসেম্বর মধ্যরাতে অরুণাচল প্রদেশে ভারতীয় সেনাবাহিনী যে বীরত্ব দেখিয়েছে, তাকে স্যালুট জানাই। চিনকে যোগ্য জবাব দিয়েছে ভারতীয় সেনা, বললেন প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং।

    চিনা আগ্রাসন…

    এদিকে, অরুণাচল প্রদেশে চিনা আগ্রাসনের অভিযোগ তুলে কেন্দ্রকে যে নিশানা করেছেন বিরোধীরা, এদিন তার জবাব দিয়েছেন প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং (Rajnath Singh)। তাঁর দাবি, ভারতীয় জওয়ানরা চিনকে যোগ্য জবাব দিয়েছে। তাদের নিজেদের পোস্টেও ফেরত পাঠিয়ে দিয়েছে। প্রতিরক্ষামন্ত্রী সংসদে বলেন, অরুণাচল প্রদেশের তাওয়াংয়ের ঘটনা সম্পর্কে আপনাদের জানাতে চাই। ৯ ডিসেম্বর, ২০২২-এ পিএলএ সৈন্যরা সীমান্তে স্থিতাবস্থা পরিবর্তনের চেষ্টা করে। আমাদের সেনাবাহিনী দৃঢ়তার সঙ্গে তার মোকাবিলা করে। দু পক্ষের মধ্যে হাতাহাতিও হয়। আমাদের জওয়ানরা চিনা সেনাদের বাধা দেয় এবং তাদের পোস্টে ফেরত পাঠায়। তিনি বলেন, আমাদের সেনাবাহিনীর কোনও জওয়ান নিহত বা আহত হয়নি। প্রতিরক্ষামন্ত্রী জানান, এই ঘটনার পর স্থানীয় কমান্ডার ১১ ডিসেম্বর চিনের সেনা কমান্ডারদের সঙ্গে বৈঠক করেন এবং ঘটনাটি নিয়ে আলোচনাও করেন। চিনকে সীমান্তে শান্তি বজায় রাখতে বলা হয়েছে।

    আরও পড়ুন: তাওয়াং সীমান্তে প্রকৃত নিয়ন্ত্রণ রেখা লঙ্ঘন করল চিন! জবাব ভারতীয় সেনার

    এদিকে, তাওয়াঙে ভারত-চিন সংঘর্ষের প্রেক্ষিতে চিফ অফ ডিফেন্স স্টাফ জেনারেল অনিল চৌহানের সঙ্গে বৈঠক করেন প্রতিরক্ষামন্ত্রী (Rajnath Singh)। বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন তিন বাহিনীর প্রধানরাও। প্রতিরক্ষা মন্ত্রক সূত্রে খবর, উভয় পক্ষের সংঘর্ষ নিয়ে খবর নেন প্রতিরক্ষামন্ত্রী। সূত্রের খবর, অরুণাচল প্রদেশের তাওয়াঙ সেক্টরে গত ৯ ডিসেম্বর উভয় পক্ষের সংঘর্ষে চিনা বাহিনীকে কড়া জবাব দিয়েছে ভারত। সংঘর্ষে ভারতীয় জওয়ানদের থেকে চিনা জওয়ানদের জখম হওয়ার সংখ্যা বেশি।

    প্রসঙ্গত, ২০২০ সালের ১৫ জুন গালওয়ানেও সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েছিল চিনা সেনা ও ভারতীয় বাহিনী। ওই সংঘর্ষে ২০ জন ভারতীয় সেনার মৃত্যু হয়। ২০২১ সালের অক্টোবর মাসেও ওই একই এলাকায় ঢুকে পড়েছিল প্রচুর চিনা সেনা। সেই সময়ও দু পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ হয়েছিল।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Rajnath Singh on Pok:পাক অধিকৃত কাশ্মীর নিয়ে ইসলামাবাদকে হুঁশিয়ারি রাজনাথের

    Rajnath Singh on Pok:পাক অধিকৃত কাশ্মীর নিয়ে ইসলামাবাদকে হুঁশিয়ারি রাজনাথের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বৃহস্পতিবার সেনার শৌর্য দিবস উপলক্ষে শ্রীনগরের একটি অনুষ্ঠানে ভারতের প্রতিরক্ষা মন্ত্রী (Defence Minister) রাজনাথ সিং বলেন যে পাক অধিকৃত কাশ্মীরের জনগণের সঙ্গে  নৃশংসতা চালাচ্ছে পাকিস্তান। এর পরিণতি তাদের ভোগ করতে হবে।

    [tw]


    [/tw]

    পাক অধিকৃত কাশ্মীরকে পুনরুদ্ধার করার ইঙ্গিত দিয়ে তিনি জানান যে, জন্মু কাশ্মীর ও লাদাখের উন্নয়নের ধারা পাক অধিকৃত কাশ্মীরে পৌঁছে দিতে ভারত সরকার বদ্ধপরিকর।এই উন্নয়ন কাজের পরিসমাপ্তি ঘটবে গিলগিট ও বালোচিস্তান অর্জনের পর।  ভারতীয় সেনাবাহিনী কাশ্মীর উপত্যকায় ১৯৪৭ সালের ২৭ অক্টোবর ভারতের মাটিতে প্রথম বহিরাগত আক্রমণ প্রতিহত করে। শিখ রেজিমেন্টের প্রথম ব্যাটেলিয়ান এই জয় এনে দেয়। সেই দিনটিকে স্মরণে রেখেই স্বাধীন ভারতের প্রথম সামরিক ইভেন্টের স্মরণে পদাতিক দিবস পালন করা হয়।

    [tw]


    [/tw]

    প্রতিরক্ষা মন্ত্রী রাজনাথ সিং আরও বলেন, পাকিস্তানি সন্ত্রাসবাদীরা কাশ্মীরে সব সময় অস্থিরতা তৈরি করার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। সন্ত্রাসবাদীদের কোনও ধর্ম হয় না। তাদের একমাত্র লক্ষ্য ভারতকে টার্গেট করা। তিনি আরও জানান, ২০১৯ সালে কাশ্মীরে ৩৭০ ও ৩৫ এ ধারা বাতিল করার পরই প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বে উন্নয়নের ধারা বইছে কাশ্মীর উপত্যকায়। আজ জন্মু কাশ্মীরের জনগণের প্রতি বৈষম্যেরও অবসান ঘটেছে এই ধারা গুলি অবসানের মাধ্যমে।

    রাজনাথ আরও বলেন, জম্মু কাশ্মীরে যখন সন্ত্রাসবাদীদের নিকেশ করা হয়, তখন দেশের কিছু মানবাধিকার কর্মী কাঁদতে শুরু করে। কিন্তু সেই সন্ত্রাসবাদীরাই যখন জওয়ানদের আক্রমণ করে, তারা লুকিয়ে পড়ে। এভাবেই নব্বই দশকের শুরু থেকে এখানে অরাজকতা শুরু হয়েছিল। তবে উপত্যকায় ৩৭০ ধারা বাতিল করে পরিস্থিতির যে উন্নতি হচ্ছে, তা স্পষ্ট করে দিয়েছেন তিনি।  

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

     
  • Dirty Bomb: ‘ডার্টি বম্ব’ প্রসঙ্গে ভারতের সঙ্গে কথা রাশিয়ার, গণতান্ত্রিক উপায়ে সমাধানের পরামর্শ রাজনাথের

    Dirty Bomb: ‘ডার্টি বম্ব’ প্রসঙ্গে ভারতের সঙ্গে কথা রাশিয়ার, গণতান্ত্রিক উপায়ে সমাধানের পরামর্শ রাজনাথের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ‘ডার্টি বম্ব’ প্রসঙ্গে ভারতের প্রতিরক্ষামন্ত্রীর সঙ্গে কথা বলেছে রাশিয়া। এমনটাই জানাল প্রতিরক্ষা মন্ত্রক। প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিংয়ের (Rajnath Singh) সঙ্গে ফোনে কথা হয়েছে রাশিয়ার (Russia) প্রতিরক্ষামন্ত্রী সের্গেই শোইগুর (Sergey Shoigu)। রাশিয়ার তরফ থেকে আশঙ্কা প্রকাশ করে বলা হয়েছে, যেকোনও মুহূর্তে তেজক্রিয় বোমা ব্যবহার করতে পারে ইউক্রেন। আর সেই আশঙ্কা থেকেই গত রবিবার থেকে রাশিয়ার প্রতিরক্ষামন্ত্রী ন্য়াটো দেশভুক্ত দেশগুলির প্রতিরক্ষামন্ত্রীদের সঙ্গে ফোনে কথা বলা শুরু করেছেন। যদিও ইউক্রেন এবং তার বন্ধু দেশগুলি পারমাণবিক বোমা ব্যবহারের রাশিয়ার এই দাবিকে উড়িয়ে দিয়েছে।

    আরও পড়ুন: প্লাজমার বদলে মুসাম্বির রস, অভিযুক্ত হাসপাতালকে বুলডোজার দিয়ে গুড়িয়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত যোগী সরকারের 

    ভারতের প্রতিরক্ষামন্ত্রকের তরফে বিবৃতি জারি করে বলা হয়েছে, “রাশিয়ার অনুরোধে ২৬ অক্টোবর ভারতের প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাশিয়ার প্রতিরক্ষামন্ত্রীর সঙ্গে টেলিফোনে কথা বলেছেন। দুপক্ষের সামরিক সহযোগিতা নিয়ে কথা হয়েছে। ডার্টি বোম্ব ব্যবহার করতে পারে ইউক্রেন, সেব্যাপারে আশঙ্কা প্রকাশ করেছে রাশিয়া। এনিয়ে ইউক্রেন উস্কানি দিচ্ছে বলে অভিযোগ তুলেছে তারা। তবে ভারতের প্রতিরক্ষামন্ত্রী আলোচনা ও গণতান্ত্রিক পথে এই সমস্যা দ্রুত মেটানোর পরামর্শ দিয়েছেন। তিনি বলেছেন, কেউ যেন পারমানবিক অস্ত্র ব্যবহার করতে না পারে  সেব্যাপারে সতর্ক থাকতে হবে। তেজস্ক্রিয় অস্ত্র ব্যবহৃত হলে মানব সভ্যতার ভয়ঙ্কর ক্ষতি হবে।”   

    বেশ কিছুদিন ধরেই ডার্টি বম্ব প্রসঙ্গ নিয়ে উত্তাল গোটা বিশ্ব। সম্প্রতি আমেরিকা, ব্রিটেন ও ফ্রান্সের প্রতিরক্ষামন্ত্রীদের সঙ্গে ফোনে কথা বলেছিলেন শোইগু। সবার সঙ্গেই ডার্টি বম্ব নিয়েই মূলত আলোচনা হয়েছে। রাশিয়ার দাবি, পুতিনদের পরাস্ত্র করতে এই বিশেষ ধরনের বোমা ছোঁড়ার পরিকল্পনা করছে ইউক্রেন। এই দাবিকে যদিও একেবারে ‘অবাস্তব’ বলে উড়িয়ে দেয় পশ্চিমের তিন দেশ। ইউক্রেনের  বিদেশমন্ত্রী দিমিত্র কুলেবা এ বিষয়ে বলেন, “আসলে ডার্টি বম্ব ফেলার পরিকল্পনা করছে রাশিয়াই। সেই জন্য আগে থেকে সাফাই দেওয়ার চেষ্টা করছে।”   

    কিন্তু তবুও নিজেদের অভিযোগ থেকে সরে আসেনি রাশিয়া। মঙ্গলবারই রাষ্ট্রসংঘের নিরাপত্তা পরিষদেও একই অভিযোগ তোলে রাশিয়া। ডার্টি বম্ব মেরে আক্রমণ করবে ইউক্রেন, এই অভিযোগ এনে ১৫ সদস্যের দৃষ্টি আকর্ষণ করে তারা। সেই সঙ্গে দাবি করা হয়, ইতিমধ্যেই দুই সংস্থাকে ডার্টি বম্ব তৈরির বরাত দিয়েছে ইউক্রেন। যদিও এখন অবধি এই দাবির ষপক্ষে কোনও প্রমাণ দিতে পারেনি পুতিনের দেশ। সেই কারণেই রাশিয়ার এই বক্তব্যকে উড়িয়ে দিয়েছে রাষ্ট্রসংঘের নিরাপত্তা পরিষদ।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Rajnath Singh: আত্মনির্ভর ভারত! বিদেশ থেকে আমদানি নয়, আরও ৭৮০টি যুদ্ধসামগ্রী তৈরি হবে দেশেই

    Rajnath Singh: আত্মনির্ভর ভারত! বিদেশ থেকে আমদানি নয়, আরও ৭৮০টি যুদ্ধসামগ্রী তৈরি হবে দেশেই

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: স্বাধীনতা দিবসের দিনই শোনা গিয়েছিল অত্যাধুনিক দেশীয় কামানের গর্জন। এবার আত্মনির্ভর ভারত তৈরিতে আর একটি পদক্ষেপ করল ভারতীয় সেনা। প্রতিরক্ষামন্ত্রী (Defence Minstry) রাজনাথ সিং (Rajnath Singh) দেশে আরও নতুন যুদ্ধ সামগ্রী তৈরির তালিকা প্রকাশ করলেন। এই নিয়ে তৃতীয়বার তালিকা প্রকাশ করা হল। প্রতিরক্ষা মন্ত্রক সূত্রে খবর, এই তালিকায় বলা হয়েছে, বিদেশ থেকে রফতানি নয় আরও ৭৮০টি যুদ্ধসামগ্রী দেশেই তৈরি হবে। কিছুদিন আগেই প্রতিরক্ষামন্ত্রী সেনাবাহিনীর হাতে তুলে দিয়েছিলেন দেশীয় পদ্ধতিতে তৈরি একাধিক অত্যাধুনিক অস্ত্র। 

    গত ১৫ অগাস্ট প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রে দেশেই নয়া যুদ্ধ সমাগ্রী তৈরির উদাহরণ দেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (Modi)। তাঁর স্বপ্নের ‘মেক ইন ইন্ডিয়া (Make in India)’প্রকল্প প্রসারে প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের কথা উল্লেখ করেন তিনি। তাঁর কথায়, ‘সশস্ত্র সেনাবাহিনীর সমস্ত অস্ত্রের স্বদেশীকরণের জন্য দীর্ঘ দিন ধরেই কাজ করে আসছে ভারত সরকার। নেওয়া হয়েছে একাধিক নীতিও।’

    আরও পড়ুন: কালীপুজোর সময়েই আসতে চলেছে জিও ৫জি! আগামী বছরেই সারা দেশে, জানুন কী বললেন মুকেশ আম্বানি

    প্রতিরক্ষা মন্ত্রক সূত্রে খবর, এখনও পর্যন্ত প্রকাশিত তিনটি তালিকায় মোট ২,৫০০ যুদ্ধ সামগ্রী দেশে তৈরি হওয়ার কথা। শীঘ্রই দেশের পদাতিক সেনায় যান্ত্রিক সরঞ্জামের সংযুক্তিকরণ ঘটবে বলে ইতিমধ্যেই জানিয়ে দিয়েছে ভারতীয় সেনা। সেনাকে ভবিষ্যতমুখী বানাতেই এই পদক্ষেপ করা হবে। যানবাহন, ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থা এবং রাত্রিকালীন যুদ্ধের গিয়ার থেকে শুরু করে অ্যান্টি-ড্রোন ব্যবস্থায় এই নয়া সংযুক্তিকরণ ঘটবে। দেশীয় প্রযুক্তি ব্যবহার করেই সেনাকে আধুনিকতার পথে এগিয়ে নিয়ে যাওয়া হবে বলেও জানানো হয়েছে। গোয়েন্দাগিরি থেকে নজরদারির ক্ষেত্রে এই আধুনিকীকরণ খুব কার্যকরী হবে বলে আশা সেনার। দ্রুত গতিতেই এই নয়া যান্ত্রিক ব্যবস্থায় সাজিয়ে ফেলা হবে সেনাকে।

    প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের তরফে জানানো হয়েছে,স্বদেশী পদ্ধতিতে তৈরি একাধিক অস্ত্র আসছে সেনা বাহিনীতে। এর মধ্যে ল্যান্ড মাইন্স, পার্সোনাল ওয়েপেন্স এবং ইনফেন্ট্রী কমব্যাট যানও রয়েছে। প্রসঙ্গত, চলতি বছরে জুন মাসে প্রতিরক্ষামন্ত্রক ৭৬৩৯০ কোটি টাকার দেশীয় সেনা উপকরণ কেনার জন্য সম্মতি দেয়। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Rajnath Singh at Tashkent: এসসিও-র বৈঠকে যোগ দিতে তাসখন্দে প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং

    Rajnath Singh at Tashkent: এসসিও-র বৈঠকে যোগ দিতে তাসখন্দে প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এসসিও-র (SCO) প্রতিরক্ষামন্ত্রী (Defence Minister) পর্যায়ের বৈঠকে যোগ দেবেন ভারতের প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং (Rajnath Singh)। উজবেকিস্তানের তাসখন্দে ওই বৈঠক হবে ২৪ অগাস্ট। সরকারের তরফে জারি করা প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, রাজনাথ সিং উজবেকিস্তানের তাসখন্দে (Tashkent) যাচ্ছেন এসসিওর বিদেশমন্ত্রী পর্যায়ের বার্ষিক সম্মেলনে যোগ দিতে।

    সেপ্টেম্বর মাসে উজবেকিস্তানের সমরখন্দে অনুষ্ঠিত হবে সাংহাই কো-অপারেশন অর্গানাইজেশন, সংক্ষেপে এসসিও-র (SCO) বার্ষিক সম্মেলন। এই সম্মেলনে মুখোমুখি হবেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi) ও চিনের (China) প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং (Xi Jinping)। চিন, পাকিস্তান, রাশিয়া, ভারত, তাজিকিস্তান, উজবেকিস্তান, কিরগিজস্তান এবং কাজাখস্তান এই আটটি দেশ সাংহাই কো-অপারেশন অর্গানাইজেশনের পূর্ণ সদস্য। চলতি বছরের প্রথম দিনে তিন বছরের মেয়াদে এই আন্তর্জাতিক গোষ্ঠীর নয়া সেক্রেটারি নির্বাচিত হয়েছেন ঝাং মিং। তিনি জানান, সংগঠনের সম্ভাবনা ও কর্তৃত্ব বৃদ্ধির পাশাপাশি আঞ্চলিক শান্তি স্থিতিশীলতা সুনিশ্চিত করা, দারিদ্র হ্রাস এবং খাদ্য নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করাও তাঁর উদ্দেশ্য।

    আরও পড়ুন : এসসিও-র সম্মেলনে মুখোমুখি হবেন মোদি-শি জিনপিং, আলোচনা হবে সীমান্ত নিয়ে?

    জানা গিয়েছে, সমরখন্দে এসসিও-র বার্ষিক সম্মেলনে পাক প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফকে এবার আমন্ত্রণ জানানো হবে। চলতি বছরের ১৫ ও ১৬ সেপ্টেম্বর বার্ষিক এই সম্মেলন হওয়ার কথা। ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিও এই সম্মেলনে যোগ দেবেন। সেখানেই মুখোমুখি হবেন মোদি এবং জিনপিং। প্রতিরক্ষা মন্ত্রী পর্যায়ের এই বার্ষিক সম্মেলনে প্রতিরক্ষা সহযোগিতা ইস্যু নিয়ে আলোচনা হবে সদস্য দেশগুলির মধ্যে। সম্মলেন রাজনাথের ভাষণ দেওয়ার কথা ২৪ তারিখে। তাসখন্দ সফরে রাজনাথ আয়োজক দেশ উজবেকিস্তানের প্রতিরক্ষা মন্ত্রী লেফটেন্যান্ট জেনারেল বাখোদির কুরবানভের (Bakhodir Kurbanov) সঙ্গে সাক্ষাৎ করবেন। পরে রাজনাথ সেখানে প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী লাল বাহাদুর শাস্ত্রীর স্মৃতিসৌধে শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করবেন। সাক্ষাৎ করবেন প্রবাসী ভারতীয়দের সঙ্গেও। এসসিও-র স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী পর্যায়ের বৈঠক হয়ে গিয়েছে আগেই। ওই বৈঠকে যোগ দিয়েছিলেন ভারতের স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী নিত্যানন্দ রাই। সন্ত্রাসবাদ ও মাদক পাচারের বিরুদ্ধে কড়া ব্যবস্থা নেওয়ার পক্ষে সওয়াল করেছিলেন তিনি।

    আরও পড়ুন : বিশ্বের সঙ্গে সাযুজ্য রেখে ভারতকে আরও শক্তিশালী হতেই হবে, বললেন রাজনাথ

     

  • Dharmendra Pradhan: পড়ুয়ারা পড়বে দেশের সেনা জওয়ানদের বীরত্বের কাহিনী, জানালেন শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান

    Dharmendra Pradhan: পড়ুয়ারা পড়বে দেশের সেনা জওয়ানদের বীরত্বের কাহিনী, জানালেন শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এবারে স্কুলের পাঠ্যসূচি সম্পর্কে বড়সড় সিদ্ধান্ত নিল কেন্দ্রীয় সরকার। স্কুলের পাঠ্যসূচিতে অন্তর্ভুক্ত করা হবে ভারতীয় সেনা জওয়ানদের বীরত্বের কাহিনী। একথা জানিয়েছেন খোদ কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান (Dharmendra Pradhan)। তবে কেন এমন দাবি করলেন তিনি, এই নিয়ে কৌতুহলের সৃষ্টি হয়েছে পড়ুয়াদের মধ্যে।

    জানা গিয়েছে, খুব কম বয়স থেকেই শিশুরা যাতে দেশের সেনা জওয়ান, তাঁদের বীরত্ব, আত্মত্যাগ সম্পর্কে জানতে পারে তার জন্যই এই পদক্ষেপ। প্রতিরক্ষামন্ত্রকের “বীর গাথা” (Veer Gatha) প্রজেক্টে বক্তব্য রাখার সময়েই এই বড়সড় সিদ্ধান্তের কথা জানান কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী। তিনি সেখানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে বলেন, “দেশের প্রতি সন্তানদের যাতে খুব কম বয়সেই দায়িত্ববোধ এসে যায় সেই দিকে ভেবেই শিক্ষা মন্ত্রক ও প্রতিরক্ষামন্ত্রক এই আলোচনা করছে। শিশুদের পাঠ্যক্রমে ভারতের সেনা জওয়ানদের বীরত্ব ও গত ৭৫ বছরে ভারতের বীর গাথার কাহিনি পাঠ্যসূচিতে অন্তর্ভুক্ত করার বিষয়টি আলোচনা করা হয়েছে।”

    আরও পড়ুন: জাতীয় পতাকা উত্তোলন করবেন? জানুন কী করবেন আর কী করবেন না

    প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, বীর গাঁথা প্রজেক্টটি ‘আজাদি কা অমৃত মহোৎসব’ (‘Azadi Ka Amrit Mahotsav’)-এর একটি অংশ হিসাবে চালু করা প্রকল্পগুলির মধ্যে একটি। এই প্রকল্পের উদ্দেশ্য হল দেশের সেনা বাহিনীর বীরত্বপূর্ণ কাজ এবং আত্মত্যাগ সম্পর্কে শিশুদের সচেতন করা ও তাদের অনুপ্রাণিত করা। গত বছর অর্থাৎ ২০২১-এর অক্টোবর থেকে নভেম্বর মাস পর্যন্ত আয়োজন করা হয়েছিল ‘বীর গাথা প্রতিযোগিতা’-র। যেখানে দেশের মোট ৪,৭৮৮ টি স্কুল থেকে প্রায় ৮.০৪ লক্ষ পড়ুয়া উৎসাহিত ছিল তাদের অনুপ্রেরণামূলক গল্প, বিভিন্ন প্রবন্ধ, কবিতা, ছবি আঁকা এবং মাল্টিমিডিয়া প্রেজেন্টেশনের মাধ্যমে তুলে ধরার জন্য। এদের মধ্যে ২৫ জন পড়ুয়াকে বেছে নেওয়া হয়েছে ও তাদের “সুপার ২৫” হিসাবে ঘোষণা করা হয়েছে। যে সকল পড়ুয়া এই প্রতিযোগিতায় সাফল্য পেয়েছে তাদের “সুপার সেনা”-র তকমা দেওয়া হয়েছে। যদিও পরে শিক্ষামন্ত্রী পরামর্শ দিয়েছেন যে, দেশের সেনাদের সম্মানে এই প্রতিযোগিতার নাম পরিবর্তন করে ‘সেনা সুপার ২৫’ করা উচিত। এই অনুষ্ঠানে প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং ‘বীরগাথা’ প্রতিযোগিতার ২৫ জনকে বিশেষ পুরষ্কারে ভূষিত করেন।

     

  • Rajnath Singh: ছোট থেকেই সেনায় যোগ দিতে চাইতাম! আবেগপ্রবণ প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং

    Rajnath Singh: ছোট থেকেই সেনায় যোগ দিতে চাইতাম! আবেগপ্রবণ প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ছোটবেলা থেকেই ভারতীয় সেনায় যোগ দেওয়ার স্বপ্ন দেখতেন। পরীক্ষাও দিয়েছিলেন। কিন্তু পারিবারিক অসুবিধার কারণে শেষ পর্যন্ত আর সেনায় যোগ দেওয়া হয়ে ওঠেনি। শুক্রবার মণিপুরের লেইমাখোংয়ে সেনার ৫৭ নম্বর মাউন্টেন ডিভিশন এবং অসম রাইফেলসের একটি যৌথ কর্মসূচিতে আবেগপ্রবণ হয়ে পড়লেন প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং।

    এদিন নিজের জীবনের এক অজানা অধ্যায় তুলে ধরেন রাজনাথ। তিনি বলেন, বরাবরই সেনাবাহিনীর উর্দি তাঁকে আকর্ষণ করে। এক বার সেনার শর্ট সার্ভিস কমিশনের পরীক্ষায় অংশ নিয়েছিলাম। লিখিত পরীক্ষাও দিয়েছিলাম। কিন্তু, পারিবারিক কিছু পরিস্থিতি এবং আমার বাবার মৃত্যুর কারণে সেনাবাহিনীতে যোগ দিতে পারিনি।” প্রতিরক্ষামন্ত্রীর কথায়, “আপনারা দেখবেন, কোনও শিশুকে সেনাবাহিনীর উর্দি দিলেই তার ব্যক্তিত্ব বদলে যায়। এই উর্দির একটা ক্যারিশমা আছে।”

    প্রসঙ্গত, ছাত্রাবস্থা থেকে সক্রিয় রাজনীতি করা রাজনাথ পেশাগত ভাবে ছিলেন উত্তরপ্রদেশের মির্জাপুরের একটি কলেজের পদার্থবিদ্যার অধ্যাপক। সেনাদের কাজ যে কোনও পেশা ও পরিষেবার থেকে আলাদা বলেও দাবি করেন প্রতিরক্ষামন্ত্রী। তিনি বলেন, “ডাক্তার, ইঞ্জিনিয়ার, চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্টরা নিজেদের মতো করে দেশের জন্য অবদান রাখেন। তবে, আমি মনে করি আপনাদের পেশা যে কোনও পেশার এবং পরিষেবার থেকেও বেশি কিছু।” 

    আরও পড়ুন: সরকার গঠন সহজ কিন্তু দেশ গঠন…! জানুন কী বললেন প্রধানমন্ত্রী

    দুদিনের সফরে মণিপুরে এসেছেন প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং। এদিন তিনি অসম রাইফেলসের (দক্ষিণ) ইন্সপেক্টর জেনারেলের সদর দফতর পরিদর্শনে আসেন। তাঁর সফরসঙ্গী হয়েছেন সেনাপ্রধান জেনারেল মনোজ মুকুন্দ পান্ডে। অসম রাইফেলসের প্রশংসা করে তিনি বলেন, বহু মানুষকে মূলস্রোতে ফিরিয়ে আনতে প্রধান ভূমিকা নিয়েছে অসম রাইফেলস। তাই যথার্থই এই বাহিনী উত্তর-পূর্ব ভারতের ‘সেন্টিনেল’।

  • Jagdeep Dhankhar: কৃষক-পুত্র জগদীপ ধনখড়কে শুভেচ্ছা নরেন্দ্র মোদি সহ অন্যান্য নেতা-নেত্রীদের

    Jagdeep Dhankhar: কৃষক-পুত্র জগদীপ ধনখড়কে শুভেচ্ছা নরেন্দ্র মোদি সহ অন্যান্য নেতা-নেত্রীদের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: উপরাষ্ট্রপতি নির্বাচনে বিপুল ভোটে জয়লাভ করলেন পশ্চিমবঙ্গের প্রাক্তন রাজ্যপাল এবং এনডিএ মনোনীত প্রার্থী জগদীপ ধনখড় (Jagdeep Dhankhar)। সদ্যনির্বাচিত উপরাষ্ট্রপতি জগদীপ ধনগড়ের জয়ের পরেই শুভেচ্ছা বার্তা জানান রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী থেকে শুরু করে বিভিন্ন মন্ত্রীরা। তিনি ভারতের ১৪তম উপরাষ্ট্রপতি (Vice President) নির্বাচিত হলেন। ধনখড় পেয়েছেন ৫২৮টি ভোট যা মোট ভোটের ৭০ শতাংশ। শনিবার তিনি ইউপিএ প্রার্থী মার্গারেট আলভাকে হারিয়ে জয়ী হয়েছেন। এদিন বিকেলে ফল ঘোষণার পর থেকেই শুভেচ্ছা জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (Narendra Modi), স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ (Amit Shah), প্রাক্তন উপরাষ্ট্রপতি ভেঙ্কাইয়া নায়ডু (M Venkaiah Naidu), কংগ্রেস সভানেত্রী সোনিয়া গান্ধী (Sonia Gandhi), দলের প্রাক্তন সভাপতি রাহুল গান্ধী (rahul Gandhi)-সহ বহু নেতানেত্রী।

    রাষ্ট্রপতি দৌপদী মুর্মু (Draupadi Murmu) টুইট করে তাঁকে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানান।

    [tw]


    [/tw]

    প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী জগদীপ ধনখড়ের সঙ্গে দেখা করেন ও তাঁকে ফুল দিয়ে অভিনন্দন জানান। মোদি টুইট করে বলেছেন, “আমি সেই সমস্ত সাংসদদের ধন্যবাদ জানাই যাঁরা শ্রী জগদীপ ধনখড়কে ভোট দিয়েছেন ৷  যখন ভারত আজাদি কা অমৃত মহোৎসব পালন করছে, তখন আমরা একজন কৃষক পুত্রকে উপরাষ্ট্রপতি হিসাবে পেয়ে গর্বিত।“

    [tw]


    [/tw]

    বিজেপি-র সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডা টুইট করে লিখেছেন যে, একজন কৃষক পুত্রকে উপ-রাষ্ট্রপতি হিসেবে পেয়ে দেশ গর্বিত।

    [tw]


    [/tw]

    জগদীপ ধনখড়কে শুভেচ্ছা জানিয়ে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ টুইট করেন, “আমি নিশ্চিত যে উপরাষ্ট্রপতি এবং রাজ্যসভার চেয়ারম্যান হিসাবে ধনখড়জি সংবিধানের একজন আদর্শ অভিভাবক হিসেবে প্রমাণিত হবেন। আমি তাঁকে এই বিজয়ের জন্য অভিনন্দন জানাই।“  

    [tw]


    [/tw]

    আরও পড়ুন: উপরাষ্ট্রপতি পদে জয়ী জগদীপ ধনখড়, জানেন তিনি কত ভোট পেলেন?

    কংগ্রেস সভানেত্রী সোনিয়া গান্ধী, দলের প্রাক্তন সভাপতি রাহুল গান্ধীও এদিন জগদীপ ধনখড়কে অভিনন্দন জানিয়েছেন। রাহুল ধনকড়কে শুভেচ্ছা জানানোর পাশাপাশি আলভাকেও ধন্যবাদ জানিয়েছেন বিরোধী দলের হয়ে লড়াই করার জন্য।

    [tw]


    [/tw]

    দেশের প্রতিরক্ষা মন্ত্রী রাজনাথ সিং টুইট করে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন।

    [tw]


    [/tw]

    আবার বিরোধীদের উপরাষ্ট্রপতি পদপ্রার্থী মার্গারেট আলভা (Margarate Alva) ধনখড়কে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন এবং যারা তাঁকে নির্বাচনে ভোট  দিয়েছেন তাঁদেরও ধন্যবাদ জানিয়েছেন।

    [tw]


    [/tw]

    এছাড়াও এদিন দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়াল, রাজস্থানের মুখ্যমন্ত্রী অশোক গেহলট, তামিলনাড়ুর মুখ্যমন্ত্রী এম কে স্ট্যালিন টুইটে তাঁকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন।

    [tw]


    [/tw]

    [tw]


    [/tw]

     

  • PoK: পাক অধিকৃত কাশ্মীর ভারতেরই! জানুন কী বললেন প্রতিরক্ষামন্ত্রী

    PoK: পাক অধিকৃত কাশ্মীর ভারতেরই! জানুন কী বললেন প্রতিরক্ষামন্ত্রী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পাকিস্তান অধিকৃত কাশ্মীর (Pakistan-Occupied Kashmir) ভারতের অবিচ্ছেদ্য অংশ। কার্গিল বিজয় দিবসে (Kargil Vijay Divas) বললেন প্রতিরক্ষা মন্ত্রী রাজনাথ সিংহ। জম্মুতে ২৩ তম কার্গিল দিবসের অনুষ্ঠানে রাজনাথ বলেন, ‘‘পাক অধিকৃত কাশ্মীর নিয়ে সংসদে যে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে তা বাস্তবায়িত করতে আমরা বদ্ধপরিকর। পাক অধিকৃত কাশ্মীর ভারতের অবিচ্ছেদ্য অঙ্গ ছিল, আছে এবং থাকবে। বাবা অমরনাথ ভারতে, আর মা সারদা শক্তি নিয়ন্ত্রণরেখার ওপারে, এটা হতে পারে নাকি!’’ প্রসঙ্গত, শারদাপীঠ হিন্দু দেবী সরস্বতীর মন্দির। এই মন্দির এখন পাক অধিকৃত কাশ্মীরে অবস্থিত।

    [tw]


    [/tw]

    প্রসঙ্গত, ১৯৯৯ সালের ৮ মে থেকে ২৬ জুলাই অবধি হয়েছিল কার্গিল যুদ্ধ। দুর্গম এলাকায় শীতের সুযোগে পাকিস্তানের সেনা ঢুকে পড়েছিল ভারতীয় ভূখণ্ডে। পাক সেনাবাহিনীর সেই অসৎ উদ্দেশ্যকে প্রতিহত করেছিলেন ভারতীয় সেনারা। দুর্গম এলাকায়, প্রতিকূল পরিস্থিতিতে প্রচুর প্রাণের বিনিময়ে পাক বাহিনীকে হঠাতে সমর্থ হয়েছিল ভারত। তার পর থেকেই পালন করা হয় কার্গিল বিজয় দিবস।

    আরও পড়ুন: স্বাধীনতার ৭৫ বছরে তেরঙ্গা শাড়ি পরে রাষ্ট্রপতি পদে শপথ দ্রৌপদী মুর্মুর

    কার্গিল বিজয় দিবসে যুদ্ধ জয়ের প্রসঙ্গও উঠে এসেছে রাজনাথের কথায়। ভারতীয় সেনাবাহিনীর বীরত্বের কথাও স্বাভাবিক ভাবেই আলোচিত হয়েছে। এ ব্যাপারে রাজনাথ বলেছেন, “আমাদের সেনারা দেশের জন্য সবথেকে বেশি ত্যাগ স্বীকার করেছেন। প্রচুর সাহসী সেনা ১৯৯৯ সালের কার্গিল যুদ্ধে নিজেদের জীবন দিয়েছেন। আমি তাঁদের নতমস্তকে প্রণাম জানাই।” পাশাপাশি জম্মুতে যে সব নিরাপত্তারক্ষী দেশের জন্য প্রাণ হারিয়েছেন তাঁদের পরিবারের লোকেদের সঙ্গেও কথা বলেন প্রতিরক্ষামন্ত্রী। 

LinkedIn
Share