Tag: Rajya Sabha

Rajya Sabha

  • Bangladesh: হাসিনা-পরবর্তী জমানায় বাংলাদেশে সংখ্যালঘুদের ওপর ঘটেছে প্রায় ৩১০০টি হিংসার ঘটনা!

    Bangladesh: হাসিনা-পরবর্তী জমানায় বাংলাদেশে সংখ্যালঘুদের ওপর ঘটেছে প্রায় ৩১০০টি হিংসার ঘটনা!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ২০২৪ সালের অগাস্ট থেকে ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারি মাস পর্যন্ত বাংলাদেশে (Bangladesh) হিন্দু ও অন্য সংখ্যালঘুদের ওপর প্রায় ৩,১০০টি হিংসার (Violence) ঘটনা ঘটেছে। মানবাধিকার সংগঠনগুলির কাছ থেকেই এই তথ্য পাওয়া গিয়েছে বলে সংসদকে জানিয়েছে কেন্দ্রীয় সরকার।

    কী বললেন ভারতের বিদেশ প্রতিমন্ত্রী (Bangladesh)

    বৃহস্পতিবার রাজ্যসভায় এক প্রশ্নের উত্তরে ভারতের বিদেশ প্রতিমন্ত্রী পবিত্র মার্ঘেরিটা  জানান, বাংলাদেশে সংখ্যালঘুদের ওপর হামলার ঘটনাগুলি, যার মধ্যে তাদের বাড়িঘর, সম্পত্তি, ব্যবসা প্রতিষ্ঠান এবং উপাসনালয়ে হামলাও রয়েছে, ভারত সরকার নিয়মিত পর্যবেক্ষণ করে। তিনি বলেন, “মানবাধিকার সংগঠনগুলির কাছ থেকে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, ২০২৪ সালের অগাস্ট থেকে ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারি মাস পর্যন্ত বাংলাদেশজুড়ে হিন্দু ও অন্য সংখ্যালঘুদের বিরুদ্ধে প্রায় ৩,১০০টি হিংসার ঘটনা ঘটেছে।” তিনি জানান, সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তা ও সুরক্ষার বিষয়টি ভারত সরকার সবসময়ই বাংলাদেশ কর্তৃপক্ষের সঙ্গে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পর্যায়ে, এমনকি সর্বোচ্চ স্তরেও উত্থাপন করেছে।

    জরুরি হেল্পলাইন নম্বর চালু

    এই বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে সে দেশের কূটনৈতিক মহলের সঙ্গেও। মন্ত্রী বলেন, “ভারত সরকারের আশা যে, বাংলাদেশ সরকার এসব ঘটনার পূর্ণাঙ্গ তদন্ত করবে এবং সংখ্যালঘুদের হত্যা, অগ্নিসংযোগ ও হিংসায় জড়িত অপরাধীদের বিচারের আওতায় আনবে।” তিনি এও বলেন, “সংখ্যালঘু-সহ বাংলাদেশের সকল নাগরিকের জীবন ও স্বাধীনতা রক্ষার প্রধান দায়িত্ব বাংলাদেশ সরকারেরই। বাংলাদেশে থাকা ভারতীয় নাগরিকদের কোনও সমস্যা হলে যাতে দ্রুত সাহায্য করা যায়, সেই বিষয়টিও নিশ্চিত করে বাংলাদেশে ভারতের মিশন ও বিভিন্ন পোস্ট।” মন্ত্রী জানান, বাংলাদেশে থাকা ভারতীয় নাগরিকদের জন্য ২৪ ঘণ্টা চালু একটি জরুরি হেল্পলাইন নম্বরও রয়েছে (Bangladesh)।

    ঢাকায় অবস্থিত ভারতীয় মিশনে ভারতীয় নাগরিকদের অভিযোগ (Violence) ও উদ্বেগ মোকাবিলার জন্য একজন বিশেষ কনস্যুলার আধিকারিক রয়েছেন। এই মিশনটি নিয়মিত বাংলাদেশে বসবাসকারী ভারতীয়দের সঙ্গে যোগাযোগ রাখে। তাদের বিভিন্ন সমস্যার সমাধানের জন্যই এই মিশন। মন্ত্রী জানান, ভারতীয় নাগরিকদের জন্য নিয়মিত ‘ওপেন হাউস’ কর্মসূচির আয়োজনও করা হয় (Bangladesh)।

     

  • Nitish Kumar: রাজ্যসভাতেই যাচ্ছেন নীতীশ কুমার! সকালে পোস্ট, দুপুরে মনোনয়ন জমা দিলেন বিহারের মুখ্যমন্ত্রী

    Nitish Kumar: রাজ্যসভাতেই যাচ্ছেন নীতীশ কুমার! সকালে পোস্ট, দুপুরে মনোনয়ন জমা দিলেন বিহারের মুখ্যমন্ত্রী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যসভাতেই যাচ্ছেন নীতীশ কুমার (Nitish Kumar)। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের উপস্থিতিতে বৃহস্পতিবার রাজ্যসভা নির্বাচনের জন্য মনোনয়ন জমা দিয়েছেন বিহারের মুখ্যমন্ত্রী নীতীশ কুমার। তাঁর সঙ্গেই মনোনয়ন জমা দেন বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি নিতিন নবীন। বিধানসভার সচিব খ্যাতি সিং-এর দফতরে মনোনয়নপত্র জমা দেন তাঁরা। সেখানে হাজির ছিলেন বিহারের এনডিএ মন্ত্রিসভার দুই উপমুখ্যমন্ত্রী সম্রাট চৌধরি এবং বিজয়কুমার সিং।

    রাজ্যসভায় যাওয়ার ইচ্ছা

    বৃহস্পতিবার সকাল ১০টা ৫৪ মিনিটে সমাজমাধ্যমে একটি পোস্টে নিজেই রাজ্যসভায় যাওয়ার কথা জানান নীতীশ কুমার। ওই পোস্টে নীতীশ নিজের সিদ্ধান্তের কারণ ব্যাখ্যা করে লিখেছেন, “সংসদীয় রাজনীতি শুরু করার পর বিহারের দুই কক্ষেরই সদস্য হওয়ার বাসনা ছিল আমার। একই ভাবে সংসদের দুই কক্ষের সদস্যও হতে চেয়েছিলাম আমি। সেই কারণে, এই নির্বাচনে রাজ্যসভার সদস্য হিসেবে নির্বাচিত হতে চাইছি।” প্রসঙ্গত, এর আগে লোকসভা, বিহারের আইনসভার উচ্চকক্ষ বিধান পরিষদ এবং নিম্নকক্ষ বিধানসভার সদস্য হিসেবে একাধিক বার নির্বাচিত হলেও আগে কখনও রাজ্যসভায় যাননি নীতীশ।

    নতুন সরকারের প্রতি পূর্ণ সমর্থন

    গত নভেম্বর মাসেই দশম বারের জন্য বিহারের মুখ্যমন্ত্রী হিসাবে শপথ নিয়েছিলেন নীতীশ। মাঝের কিছু সময় বাদ দিলে ২০ বছর পাটনার কুর্সিতে ছিলেন তিনিই। সমাজমাধ্যমের পোস্টে সে কথা উল্লেখ করে নীতীশ লেখেন, “দুই দশকেরও বেশি আপনারা ধারাবাহিক ভাবে আমার উপর ভরসা এবং বিশ্বাস রেখেছেন। এই শক্তির জোরে আমি বিহারের সেবা করতে পেরেছি।” তাঁর উত্তরসূরি হিসেবে যিনিই বিহারের মুখ্যমন্ত্রী হোন, তাঁর প্রতি সমর্থন থাকবে বলে জানিয়েছেন নীতীশ। ওই পোস্টেই তিনি বিহারবাসীর উদ্দেশে লিখেছেন, “আপনাদের সঙ্গে আমার সম্পর্ক ভবিষ্যতেও বজায় থাকবে। এবং উন্নত বিহার গড়ে তোলার জন্য এক সঙ্গে কাজ করার বিষয়ে আমার দায়বদ্ধতা একই রকমের থাকবে।” একই সঙ্গে তাঁর সংযোজন, “নতুন সরকারের প্রতি আমার পূর্ণ সমর্থন থাকবে।”

    নীতীশের জয় নিশ্চিত

    আগামী ১৬ মার্চ বিহারের পাঁচটি-সহ ১০ রাজ্যের ৩৭টি রাজ্যসভা আসনে নির্বাচন হবে। একই দিনে নির্বাচন হবে পশ্চিমবঙ্গের পাঁচটি রাজ্যসভা আসনেও। তবে প্রতিটি আসনের জন্য এক জনই মনোনয়ন জমা দিলে নির্বাচনের প্রয়োজন পড়বে না। বিধায়কসংখ্যার নিরিখে (বিজেপির ৮৯ জন বিধায়ক, জেডিইউ-র ৮৫) দু’টি আসনে বিজেপির, আর দু’টি আসনে জেডিইউ-র জয় নিশ্চিত। কারণ বিহারের ৪১ জন বিধায়কের প্রথম পছন্দের ভোট পেলেই রাজ্যসভায় যেতে পারবেন কেউ। তবে পঞ্চম আসনটি জিততে গেলে এনডিএ শিবিরকে আরও তিন বিধায়কের সমর্থন নিশ্চিত করতে হবে। বিহারের বিরোধী দলগুলি (কংগ্রেস, আরজেডি, বাম) যদি আসাদউদ্দিন ওয়েইসির দল মিম এবং মায়াবতীর বিএসপি-র সঙ্গে বোঝাপড়া করতে পারে, তা হলে পঞ্চম আসনটি বিরোধী জোট ‘ইন্ডিয়া’র অনুকূলে যেতে পারে।

    পরবর্তী মুখ্যমন্ত্রী কে

    বিহারের দীর্ঘতম সময়ের মুখ্যমন্ত্রী নীতীশ জাতীয় রাজনীতিতে চলে গেলে বিহারে মুখ্যমন্ত্রীর পদে কে বসবেন তা নিয়ে শুরু হয়েছে জল্পনা। এ ক্ষেত্রে বিধায়ক সংখ্যার হিসেবে এগিয়ে থাকা বিজেপি প্রথম বার মুখ্যমন্ত্রী পদ পেতে চলেছে বলে আঁচ মিলেছে। সম্ভাব্য মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে বিজেপির যে নেতাদের নাম উঠে আসছে তাঁদের মধ্যে পয়লা নম্বরে রয়েছেন, বিহারের উপমুখ্যমন্ত্রী তথা পুলিশমন্ত্রী সম্রাট চৌধরি। উপমুখ্যমন্ত্রী হতে পারেন নীতীশের পুত্র নিশান্ত কুমার। নীতীশ-পুত্রের সক্রিয় রাজনীতিতে যোগদানের বিষয়টি দু’দিন আগেই জানিয়েছেন দলের এক প্রবীণ নেতা। শারওয়ান কুমার নামের ওই জেডিইউ নেতা পিটিআই-কে জানান, দু’-এক দিনের মধ্যেই সক্রিয় রাজনীতিতে নিশান্তের আনুষ্ঠানিক যোগদান সম্পন্ন হবে। দলের তরফে তাঁকে বড় দায়িত্বও দেওয়া হবে। তবে ‘বড় দায়িত্ব’ বলতে তিনি ঠিক কী বোঝাচ্ছেন, তা স্পষ্ট হয়নি।

  • BJP: রাজ্যসভায় যাচ্ছেন বিজেপির রাহুল সিনহা, শমীক জমানায় বাড়ল গুরুত্ব

    BJP: রাজ্যসভায় যাচ্ছেন বিজেপির রাহুল সিনহা, শমীক জমানায় বাড়ল গুরুত্ব

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মঙ্গলবার বিজেপির তরফে ঘোষণা করা হল ছ’টি রাজ্যের মোট ন’টি রাজ্যসভা (Rajya Sabha) আসনের প্রার্থীর নাম। পশ্চিমবঙ্গ থেকে বিজেপির (BJP) প্রার্থী হচ্ছেন রাহুল সিনহা। তালিকায় নাম রয়েছে নিতিন নবীনেরও। রাহুল বিজেপির প্রাক্তন রাজ্য সভাপতি। পরে হয়েছিলেন জাতীয় সম্পাদক। গত কয়েক বছর ধরে বিজেপির কোনও পদে অবশ্য ছিলেন না রাহুল।

    বিজেপির প্রার্থী রাহুল সিনহা (BJP)

    জাতীয় সম্পাদকের পদ থেকে তাঁকে সরিয়ে বসানো হয়েছিল অনুপম হাজরাকে। সেই সময় দলীয় নেতৃত্বের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে মুখ খুলেছিলেন রাহুল, যদিও বিজেপি ছাড়েননি। শমীক ভট্টাচার্য বিজেপির রাজ্য সভাপতি হওয়ার পর থেকে বঙ্গ বিজেপিতে গুরুত্ব বাড়তে থাকে রাহুলের। পরিবর্তন সংকল্প যাত্রার সভায় রাজ্যের বেশ কয়েকটি জায়গায় প্রধান বক্তা হিসেবে পাঠানো হচ্ছিল রাহুলকে। এবার তাঁকে পাঠিয়ে দেওয়া হল রাজ্যসভার সদস্য করে। প্রসঙ্গত, বিধানসভার যা বিন্যাস, তাতে পশ্চিমবঙ্গে তৃণমূলের চারটি এবং বিজেপির একটি আসনে নির্বাচিত হয়ে রাজ্যসভায় যাওয়ার কথা প্রার্থীদের। রাজ্যের শাসক দল তৃণমূল আগেই ঘোষণা করে দিয়েছে চার প্রার্থীর নাম। বিজেপিও ঘোষণা করে দিল তাদের প্রার্থীর নাম (BJP)। ফলত বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জয়ী হয়ে রাজ্যসভায় যাচ্ছেন বাংলার এই পাঁচজন।

    আর কোন কোন রাজ্য থেকে কে?

    এদিকে, গত ডিসেম্বরে নিতিনকে বিজেপির কার্যনির্বাহী সর্বভারতীয় সভাপতি করেছিল বিজেপি। দায়িত্ব নেন ২০ জানুয়ারি। তার আগে বিধানসভা নির্বাচনে বিহারের পাটনার বাঁকিপুর বিধানসভা কেন্দ্র থেকে জয়ী হন নবীন। তাই তিনি এখন বিধায়ক। যেহেতু সর্বভারতীয় সভাপতি হিসেবে এখন নবীনকে বছরের অনেকটা সময় দিল্লিতেই কাটাতে হয়, তাই বিধানসভায় তিনি খুব একটা সময় দিতে পারবেন না বলেই মনে করেন বিজেপির শীর্ষ নেতৃত্ব। রাজনৈতিক মহলের মতে, সেই কারণেই নিতিনকে পাঠিয়ে দেওয়া হল রাজ্যসভার সাংসদ করে। নিতিন ছাড়াও বিহার থেকে বিজেপির তরফে সংসদে যাচ্ছেন শিবেশ কুমার। অসম থেকে পাঠানো হচ্ছে তেরশ গোয়ালা এবং যোগেন মোহনকে। ছত্তিশগড় থেকে যাচ্ছেন (Rajya Sabha) লক্ষ্মী বর্মা, হরিয়ানা থেকে সঞ্জয় ভাটিয়া, ওড়িশা থেকে যাচ্ছেন মনমোহন সামল এবং সুজিত কুমার (BJP)।

     

  • Rajya Sabha: একক সংখ্যাগরিষ্ঠতার দিকে এগোচ্ছে বিজেপি! রাজ্যসভায় ৩৭ আসনে নির্বাচনে ভালো জায়গায় এনডিএ

    Rajya Sabha: একক সংখ্যাগরিষ্ঠতার দিকে এগোচ্ছে বিজেপি! রাজ্যসভায় ৩৭ আসনে নির্বাচনে ভালো জায়গায় এনডিএ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আগামী ১৬ মার্চ ১০টি রাজ্যে রাজ্যসভার ৩৭টি (Rajya Sabha) আসনে নির্বাচন ঘিরে রাজনৈতিক উত্তাপ তুঙ্গে। প্রাথমিক সমীকরণ বলছে, ভারতীয় জনতা পার্টি নেতৃত্বাধীন এনডিএ জোট উচ্চকক্ষে আরও মজবুত জায়গায় যেতে চলেছে। রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞদের মতে—মহারাষ্ট্র, বিহার ও পশ্চিমবঙ্গসহ একাধিক রাজ্যে নিজেদের মধ্যে টানাপোড়েন সামাল দিতে প্রায় ব্যর্থ ‘ইন্ডিয়া’ জোট। বর্তমানে ২৪৫ সদস্যের রাজ্যসভায় বিজেপির সদস্য সংখ্যা ১০৩—দলের ইতিহাসে সর্বোচ্চ। মিত্রদল মিলিয়ে এনডিএর শক্তি প্রায় ১৩৩, যা সংখ্যাগরিষ্ঠতার (১২২) থেকে অনেকটাই বেশি। দলীয় সূত্রের দাবি, চলতি বছরে ধাপে ধাপে নির্বাচন শেষে এই সংখ্যা আরও বাড়বে। অভ্যন্তরীণ হিসেবে এনডিএ অন্তত ২১টি আসন জিততে পারে বলেই আশা। সারা বছরে মোট ৭১টি আসনে ভোট হওয়ার কথা, সেখানে ৪০-এর গণ্ডি পার করাই লক্ষ্য জোটের।

    মহারাষ্ট্র ও বিহার: এনডিএর বড় ভরসা

    মহারাষ্ট্র ও বিহার—এই দুই রাজ্যেই এনডিএর সমীকরণ খুব ভালো। মহারাষ্ট্র বিধানসভায় ২৮৮টির মধ্যে বিজেপির ১৩১ জন বিধায়ক, আর বিহারে ২৪৩ আসনের মধ্যে ৮৯ জন বিজেপি বিধায়ক। এই সংখ্যা রাজ্যসভায় বাড়তি আসনে রূপান্তরিত হতে পারে বলেই মনে করছে শিবির। মহারাষ্ট্রে শাসক জোট ‘মহাযুতি’র শরিকদের মধ্যে আসন বণ্টন গুরুত্বপূর্ণ। একনাথ শিন্ডে নেতৃত্বাধীন শিবসেনা এবং সুনেত্রা পাওয়ার ঘনিষ্ঠ এনসিপি শিবিরের সঙ্গে আলোচনা ফল নির্ধারণে প্রভাব ফেলবে। বিহারে চিরাগ পাসোয়ানের ক্রমবর্ধমান প্রভাবও সমীকরণে গুরুত্বপূর্ণ। বিরোধী শিবিরের জন্য মহারাষ্ট্রে লড়াই কঠিন। শারদ পাওয়ার, ফৌজিয়া খান, প্রিয়ঙ্কা চতুর্বেদী ও রজনী পাতিলদের মতো নেতাদের নাম ঘুরছে। তবে নিশ্চিতভাবে জেতার মতো আসন মাত্র একটি—ফলে প্রতিযোগিতা তীব্র। শরদ পওয়ার আগে না লড়ার ইঙ্গিত দিলেও, নতুন করে প্রার্থী হওয়ার সম্ভাবনার জল্পনা রয়েছে। বিহারেও বিরোধীদের জন্য চিত্র কঠিন। সাম্প্রতিক বিধানসভা নির্বাচনে খারাপ ফলের জেরে সেখানে দুটি আসন হারানোর আশঙ্কা বাড়ছে।

    অন্য রাজ্যেও এগিয়ে এনডিএ

    আসামে তিনটি ও ওড়িশায় চারটি আসনে ভোট—দুই রাজ্যেই বিজেপির সুবিধা স্পষ্ট। এছাড়া হরিয়ানা ও ছত্তিশগড়ে দুটি করে আসনে এনডিএ এগিয়ে। পশ্চিমবঙ্গে অন্তত একটি আসন পেতে পারে বিজেপি। তামিলনাড়ু-তে বর্তমান শক্তির ভারসাম্য বজায় থাকার সম্ভাবনা রয়েছে। তামিলনাড়ু ও পশ্চিমবঙ্গ থেকেই কিছুটা স্বস্তি পেতে পারে বিরোধীরা। তামিলনাড়ুতে ছয়টির মধ্যে চারটি আসন, পশ্চিমবঙ্গে পাঁচটির মধ্যে চারটি পেতে পারে বিরোধীরা। জাতীয় কংগ্রেস তেলেঙ্গানায় দুটি, ছত্তিশগড় ও হরিয়ানায় একটি করে এবং হিমাচল প্রদেশে একমাত্র আসন ধরে রাখতে পারে। বর্তমানে বিরোধীদের মোট ৭৯ জন সদস্য রয়েছেন উচ্চকক্ষে। সমীকরণ অনুযায়ী সর্বোচ্চ ১৪ জন ‘ইন্ডিয়া’ জোট-এর প্রার্থী জিততে পারেন।

    উচ্চকক্ষে বড় নাম ও জল্পনা

    বিজেপির অন্দরে নতুন রাজ্য সভাপতি নীতিন নবীনকে রাজ্যসভায় পাঠানোর জল্পনা রয়েছে। তবে সূত্রের দাবি, আপাতত তিনি বিহার বিধানসভাতেই থাকতে পারেন—আগে নীতিন গড়কড়ী ও অমিত শাহ দলীয় সভাপতির সময় এমন নজির রয়েছে। এ বছর অবসর নিচ্ছেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী রামদাস আতওয়ালে ও রামনাথ ঠাকুর—দু’জনেরই পুনরাগমনের সম্ভাবনা। উপ-সভাপতি হরিবংশ নারায়নের মেয়াদও এপ্রিলেই শেষ হচ্ছে। তাঁকে পুনর্নিযুক্ত না করা হলে নতুন উপ-সভাপতি নির্বাচনের প্রয়োজন হতে পারে। জুন, জুলাই ও নভেম্বর পর্যন্ত একাধিক ধাপে ভোট হবে। রাজনৈতিক বার্তা ও সামাজিক-আঞ্চলিক সমীকরণ মাথায় রেখে প্রার্থী বাছাইয়ের মাধ্যমে অসম ও পশ্চিমবঙ্গের মতো গুরুত্বপূর্ণ রাজ্যে বার্তা দিতে চায় বিজেপি। সব মিলিয়ে, জোট-সমীকরণ ও রাজ্যভিত্তিক অঙ্কই চূড়ান্ত ফল নির্ধারণ করবে। তবে আপাতত দিকনির্দেশ স্পষ্ট—রাজ্যসভায় নিজেদের দখল আরও মজবুত করতে এগিয়ে রয়েছে এনডিএ। একই সঙ্গে একক সংখ্যাগরিষ্ঠতার দিকেও ধীরে ধীরে এগোচ্ছে বিজেপি।

  • Rajya Sabha: রাজ্যের ৫ সহ দেশের ৩৭টি রাজ্যসভা আসনে ভোটের নির্ঘণ্ট ঘোষণা নির্বাচন কমিশনের

    Rajya Sabha: রাজ্যের ৫ সহ দেশের ৩৭টি রাজ্যসভা আসনে ভোটের নির্ঘণ্ট ঘোষণা নির্বাচন কমিশনের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সংসদের ৩৭টি রাজ্যসভা আসনের জন্য নির্বাচন কমিশন দিন ঘোষণা করেছে। পশ্চিমবঙ্গের জন্য মোট ৫টি রাজ্যসভার (Rajya Sabha) আসনে ভোট গ্রহণ হবে। আগামী ১৬ মার্চ পশ্চিমবঙ্গের পাঁচ আসন-সহ দেশের মোট ৩৭টি রাজ্যসভার আসনে ভোট হবে। আগামী ২৬ ফেব্রুয়ারি রাজ্যসভা ৩৭টি আসনে নির্বাচনের (Election Commission) জন্য ভোটের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হবে। মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার শেষ দিন আগামী ৫ মার্চ। মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই ৬ মার্চ, এবং প্রত্যাহারের শেষ তারিখ ৯ মার্চ। ভোটগ্রহণ ১৬ মার্চ। সকাল ৯টা থেকে বিকাল ৪টে পর্যন্ত অনুষ্ঠিত হবে। এর পরে, ফলাফল ঘোষণা করা হবে। ভোট গণনা একই দিনে বিকেল ৫টা থেকে শুরু হবে। নির্বাচন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার সময়সীমা ২০ মার্চ।

    পাঁচের বেশি মনোনয়ন হলে ভোটাভুটি হবে (Election Commission)

    রাজ্যের রাজ্যসভার (Rajya Sabha) সাংসদের মধ্যে তৃণমূল ছেড়ে কংগ্রেসে যোগদান করেছেন মৌসুম বেনজির নূর। তৃণমূলের এখন রাজ্যসভায় সাংসদ রয়েছেন সাকেত গোখলে, ঋতব্রত বন্দ্যপাধ্যায়, সুব্রত বক্সী। যাদের মেয়াদ শেষ হবে আগামী ২ এপ্রিল। সেই সঙ্গে রাজ্যসভার সাংসদ হিসেবে কার্যকালের মেয়াদ দেশ করবেন সিপিএমের নেতা বিকাশরঞ্জন ভট্টাচার্য। বিধানসভার প্রেক্ষিতে ৫ আসনের মধ্যে ৪টিতে তৃণমূল কংগ্রেসের জয় খুব পাকা। বিধানসভায় বিজেপির সমীকরণ অনুযায়ী একটি আসনে জয়ী (Election Commission) হওয়ার কথা বিজেপির। তবে পাঁচের বেশি মনোনয়ন হলে ভোটাভুটি হবে।

    কোন রাজ্যে কটা আসন?

    ১০টি রাজ্য থেকে মোট ৩৭টি রাজ্যসভার (Rajya Sabha) আসন খালি হচ্ছে। মহারাষ্ট্রে সর্বাধিক সংখ্যক আসন রয়েছে ৭টি, তামিলনাড়ু-বিহারে মোট ৬টি করে, পশ্চিমবঙ্গে ৫টি, ওড়িশায় ৪টি, আসামে ৩টি, তেলেঙ্গানায়-ছত্তিশগড়-হরিয়ানায় ২টি করে, হিমাচল প্রদেশে ১টি করে। তবে রাজ্যভার এই আসনগুলিতে এপ্রিল মাসে সদস্যদের অবসর গ্রহণের সময়সীমা নির্ধারিত রয়েছে। বুধবার জাতীয় নির্বাচন কমিশন (Election Commission) একটি বিজ্ঞপ্তি দিয়ে জানিয়েছে, “আগামী ২৬ ফেব্রুয়ারি রাজ্যসভার ৩৭টি আসনে নির্বাচনের জন্য ভোটের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হবে। মনোনয়ন জমা দেওয়ার শেষ দিন আগামী ৫ মার্চ। মনোনয়ন যাচাই করা হবে ৬ মার্চ। মনোনয়ন প্রত্যহারের শেষদিন ৯ মার্চ। তবে একটি আসনে যদি মাত্র একজন মনোনয়ন জমা করেন তাহলে নির্বাচনের প্রয়োজন হবে না।

  • PM MODI: “৮৩ বছর বয়সী সাংসদ মল্লিকার্জুন বসেই স্লোগান দিন”, কটাক্ষ মোদির

    PM MODI: “৮৩ বছর বয়সী সাংসদ মল্লিকার্জুন বসেই স্লোগান দিন”, কটাক্ষ মোদির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যসভায় (Rajya Sabha) বিরোধী সাংসদদের হট্টগোলের মধ্যে বক্তব্য রাখতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়গেকে কটাক্ষ করে বলেন, “বয়সের কথা বিবেচনা করে বসেই স্লোগান দিতে পারেন।”

    রাজ্যসভায় বৃহস্পতিবার বিকেল ৫টার দিকে রাষ্ট্রপতির ভাষণের উপর ধন্যবাদ প্রস্তাবের জবাবী ভাষণ দেন  প্রধানমন্ত্রী (PM MODI)। কিন্তু লোকসভায় বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করেছিল বিরোধীরা। বিরোধী দলের সদস্যদের তাঁর চেয়ার ঘিরে থাকার কারণে বক্তব্য রাখতে পারেননি মোদি।

    বয়সের কারণে বসে স্লোগান দিতে পারেন (PM MODI)

    এদিন প্রধানমন্ত্রীর (PM MODI) বক্তব্য শুরু হওয়ার পর বিরোধী দলের সাংসদরা উচ্চস্বরে স্লোগান দিতে শুরু করে। লোকসভার বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধীকে বক্তব্য রাখার অনুমতি দেওয়ার দাবিতে তুমুল হৈহট্টগোল শুরু হয়। স্লোগান চলার সময়, প্রধানমন্ত্রী মোদি থেমে যান এবং রাজ্যসভার বিরোধী দলনেতা খাড়গে-র কথা উল্লেখ করেন এবং বলেন, “৮৩ বছর বয়সী এই সাংসদ বয়সের কারণে বসে স্লোগান দিতে পারেন।”

    ভাবমূর্তি পরিবর্তন করতে সময় লেগেছে

    প্রধানমন্ত্রী মোদি (PM MODI) ইউরোপীয় ইউনিয়ন এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সাম্প্রতিক বাণিজ্য চুক্তির কথা উল্লেখ করেন। এরপর বিরোধীরা আবারও সমালোচনা করে এবং ওয়াকআউট করে। প্রধানমন্ত্রী জোর দিয়ে বলেন, “কংগ্রেস ২০১৪ সালে একটা জগাখিচুড়ি রেখে গিয়েছিল এবং এখন আমাদের সরকারকে সেটা পরিষ্কার করার জন্য অনেক প্রচেষ্টা করতে হয়েছে। তাদের কারণেই ভারতের একটি অস্বচ্ছ ভাবমূর্তি তৈরি হয়েছিল। আমাকে সেই ভাবমূর্তি পরিবর্তন করতে অনেকটা সময় ব্যয় করতে হয়েছিল। পরিস্থিতি এতটাই খারাপ ছিল যা বালার বাইরে।”

    বোফর্স কেলেঙ্কারি কংগ্রেসের বড় কেলেঙ্কারি

    রাজ্যসভায় (Rajya Sabha) কংগ্রেস, তৃণমূল কংগ্রেস, বামপন্থী এবং ডিএমকে সহ দলগুলিকে প্রশ্নবিদ্ধ করে প্রধানমন্ত্রী মোদি (PM MODI) বলেন, “কয়েক দশক ধরে কেন্দ্র এবং রাজ্যে শাসন করেছে কংগ্রেস ও তার সহযোগী দলগুলি কিন্তু মূলত দুর্নীতির জন্যই। এখনও, যখন মানুষ তাদের সম্পর্কে কথা বলে, তারা বাণিজ্য চুক্তির কথা বলে না। তারা বোফর্সের মতো চুক্তির কথা বলে। বোফর্স কেলেঙ্কারি ভারতের স্বার্থের বিপরীতে ছিল। মার্কিন চাপের কাছে নতি স্বীকার করেছিল কংগ্রেস। যার বিস্তারিত এখনও প্রকাশ করা হয়নি। বিরোধীরা দাবি করেছে যে চুক্তির কারণে কৃষকদের স্বার্থ ক্ষতিগ্রস্ত হবে, তবে কেন্দ্র সরকারের সম্পূর্ণ আশ্বাস যে কৃষি এবং দুগ্ধজাত পণ্যের মতো ক্ষেত্রগুলি সুরক্ষিত থাকবে। প্রকল্পগুলি সফলভাবে বাস্তবায়নের উপর আমাদের সরকারের মনোযোগের সঙ্গে জোর দিয়েছে। কংগ্রেস কেবল কল্পনা করে এবং বাস্তবায়নের বিষয়ে কিছুই করে না।”

LinkedIn
Share