Tag: Ram Lalla

Ram Lalla

  • Ram Lalla: রামলালার সঙ্গে হোলি খেলতে ভক্তের ঢল অযোধ্যায়  

    Ram Lalla: রামলালার সঙ্গে হোলি খেলতে ভক্তের ঢল অযোধ্যায়  

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এতদিন হোলিতে মাতত বৃন্দাবন। এবার মাতবে অযোধ্যাও। সৌজন্যে বালক রাম (Ram Lalla)। এবারই প্রথম বালক রামের সঙ্গে হোলি খেলতে ইতিমধ্যেই ভক্তেরা জড়ো হয়েছেন অযোধ্যায়। ২২ জানুয়ারি অযোধ্যায় হয়েছে রাম মন্দিরের দ্বারোদ্ঘাটন। প্রাণপ্রতিষ্ঠা হয়েছে বালক রামের মূর্তির। তার পর থেকেই ভিড় উপচে পড়ছে অযোধ্যায়।

    বিশেষ পোশাকে রামলালা

    সোমবার হোলি। তাই আক্ষরিক অর্থেই তিল ধারণের জায়গা নেই অযোধ্যায়। অযোধ্যার রাম মন্দিরের দায়িত্বে রয়েছে শ্রীরাম জন্মভূমি তীর্থক্ষেত্র। এক্স হ্যান্ডেলে ভক্ত সমাগমের ছবি শেয়ার করেছে তারা। প্রথম ছবিতে দেখা যাচ্ছে, রামলালা (Ram Lalla) পরেছেন গোলাপি রংয়ের পোশাক। ভক্তদের দেওয়া একাধিক মালায় সজ্জিত হয়েছেন তিনি। দেবদর্শনের উদ্দেশে লাইন দিয়ে দাঁড়িয়ে রয়েছেন ভক্তেরা। অন্য একটি ছবিতে দেখা যাচ্ছে, ভক্তেরা সম্মিলিত কণ্ঠে গাইছেন জয় শ্রীরাম নাম। ছবি শেয়ার করে ট্রাস্ট বলেছে, “প্রাণপ্রতিষ্ঠার পর রামলালা ও ভক্তদের প্রথম হোলি।”

    বিশেষ আবির

    রামলালা ও ভক্তদের জন্য বিশেষ আবির বানানো হয়েছে। কাউন্সিল অফ সায়েন্টিফিক অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিয়াল রিসার্চ ন্যাশনাল বোটানিক্যাল রিসার্চ ইনস্টিটিউট এই রং তৈরি করেছে। কাচনার ফুল থেকে তৈরি করা হয়েছে এই স্কিন-ফ্রেন্ডলি রং।” সূত্রের খবর, আরও একটি রং তৈরি করা হয়েছে রামলালার জন্য। এক আধিকারিক বলেন, “বিজ্ঞানীরা আরও একটি ভেষজ আবির তৈরি করেছেন। গোরক্ষপুরের গোরক্ষনাথ মন্দিরের পুজোর ফুল দিয়ে এই আবির তৈরি করা হয়েছে। দুটি গন্ধে মিলবে এই আবির – ল্যাভেন্ডার ও চন্দন।”

    আরও পড়ুুন: বুকে-পেটে বিড়ির ছ্যাঁকা, ধানখেতে বিজেপি কর্মীর দেহ, খুনে অভিযুক্ত তৃণমূল

    দীর্ঘ আন্দোলনের পর শেষমেশ সুপ্রিম কোর্টে জট কাটে রাম মন্দির নির্মাণের। মন্দির নির্মাণের পর হয় বিগ্রহের প্রাণপ্রতিষ্ঠা। ২২ জানুয়ারির ওই অনুষ্ঠানের পরের দিন থেকে মন্দিরের দ্বার খুলে দেওয়া হয় ভক্তদের জন্য। সেই বিগ্রহ দেখতেই নিত্যদিন অযোধ্যায় ভিড় করছেন লক্ষ লক্ষ ভক্ত। সোমবার দোলপূর্ণিমা। উত্তর ভারতে দিনটি হোলি উৎসব নামে পরিচিত। হোলির এই উৎসব চলে পাঁচদিন ধরে। শেষ দিনের উৎসবকে বলে পঞ্চম দোল। সেই কারণেই এবার বৃন্দাবন নয়, হোলি খেলতে ভক্তেরা ভিড় করেছেন অযোধ্যায়। যেখানে বালক রাম অপেক্ষা করছেন ভক্তেরা তাঁকে রাঙিয়ে দিয়ে যাবেন বলে (Ram Lalla)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Ayodhya Ram Temple: ঘরে বসেই করুন বালক রামের দর্শন, আরতির সরাসরি সম্প্রচার দেখাবে দূরদর্শন

    Ayodhya Ram Temple: ঘরে বসেই করুন বালক রামের দর্শন, আরতির সরাসরি সম্প্রচার দেখাবে দূরদর্শন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রামভক্তদের জন্য আরও একটা সুখবর। এবার থেকে অযোধ্যার রাম মন্দিরের (Ayodhya Ram Temple) আরতির সরাসরি সম্প্রচার করবে দূরদর্শন। দেশের সরকারি টেলিভিশন সংস্থা এই কাজের গুরুদায়িত্ব পালন করবে। কেন্দ্রীয় তথ্য এবং সম্প্রচার মন্ত্রকের মন্ত্রী অনুরাগ ঠাকুর সম্প্রতি এই সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছেন। অগণিত ভক্তদের ভিড়ে লোকে লোকারণ্য রামমন্দির। দ্বারোদ্ঘোটন হওয়া ইস্তক প্রায় কোটির কাছাকাছি সংখ্যক মানুষ বালক রামের বিগ্রহ দর্শন করেছেন। তা সত্ত্বেও বয়স, সময়, স্থান-দূরত্ব এবং শারীরিক প্রতিবন্ধকতার জন্য অনেকেই এখনও অনেক ভক্ত অযোধ্যায় যেতে পারেননি। কিন্তু দর্শন করার ইচ্ছে তো সব রামভক্তের মধ্যেই থাকে। এবার থেকেই এই ইচ্ছা পূর্ণ হবে লাইভ আরতি দর্শনে।

    দূরদর্শন সূত্রে খবর (Ayodhya Ram Temple)

    দূরদর্শন সূত্রে জানা গিয়েছে, প্রতিদিন সকাল ছটা থেকে আধ ঘণ্টা আরতি দৃশ্য লাইভ দেখানো হবে। রাম মন্দির (Ayodhya Ram Temple) গত ২২ জানুয়ারিতে উদ্বোধন হয়েছে। প্রভু রামলালার বিগ্রহে প্রাণ প্রতিষ্ঠা হয়েছে। লক্ষ লক্ষ ভক্তের সমাগম লক্ষ্য করা গিয়েছে। ব্যাপক ভিড়ের কারণে অনেকে মন্দিরস্থলে এখনও পৌঁছাতে পারেননি, তাই এবার থেকে ঘরে বসে প্রভুর আরতি দেখাতেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। দূরদর্শন সূত্রে জানা গিয়েছে, আগামী ১৭ এপ্রিল রাম নবমীর দিন থেকে এই লাইভ আরতি সম্প্রচার শুরু হবে। যেহেতু দূরদর্শন ধর্মীয় এবং আধ্যাত্মিক অনুষ্ঠান সম্প্রচার করে থাকে তাই এই রামলালার আরতি প্রচারও করা হবে।

    কত ভক্ত মন্দির দর্শন করেছেন?

    শ্রী রামলালার (Ayodhya Ram Temple) বিশ্রামের জন্য দিনে মাত্র ১ ঘণ্টা বন্ধ থাকে গর্ভগৃহের দরজা। সকাল ৬টা থেকে রাত্রি ১০টা পর্যন্ত রামলালার দর্শনের সময় স্থির করা হয়েছে। কিন্তু অতিরিক্ত ভিড়ের কারণে প্রভুকে দর্শনের জন্য দু’ঘণ্টা করে সময় অপেক্ষা করতে হচ্ছে। গত ২২ জানুয়ারি থেকে বর্তমান সময় পর্যন্ত মোট ৭৫ লক্ষ মানুষ মন্দির দর্শন করেছেন।

    কবে নির্মাণ শেষ হবে

    মন্দির (Ayodhya Ram Temple) ট্রাস্টের সদস্য অনিল মিশ্র জানিয়েছেন, “এই চলতি বছরের ডিসেম্বর মাসেই মন্দিরের নির্মাণ কাজ সম্পন্ন হয়ে যাবে।” তিন তলা মন্দিরের কাজের মধ্যে বাকি দু’তলার কাজ করতে সাড়ে তিন হাজারের বেশি কর্মী নিযুক্ত করা হয়েছে। মন্দিরের মধ্যে মোট পাঁচটি চূড়া থাকবে। মূল চূড়ার উঁচু হবে ১৬১ ফুট। মন্দিরের চূড়ায় সোনার প্রলেপ দেওয়া হবে। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Ram Mandir: এক মাসেই রাম মন্দিরের দানবাক্সে  জমা পড়েছে ১০ কেজি সোনা, ২৫ কেজি রুপো

    Ram Mandir: এক মাসেই রাম মন্দিরের দানবাক্সে জমা পড়েছে ১০ কেজি সোনা, ২৫ কেজি রুপো

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রায় ৫০০ বছরের এক ঐতিহাসিক আন্দোলনের মধ্যে দিয়ে অযোধ্যায় নির্মিত হয়েছে রাম মন্দির (Ram Mandir)। গত ২২ জানুয়ারি মন্দিরের গর্ভগৃহে প্রভু বালক রামের  প্রাণ প্রতিষ্ঠা হয়েছে। উপস্থিত ছিলেন দেশের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তার পর কেটে গিয়েছে একটা মাস। দেশের নানা প্রান্ত থেকে লক্ষ লক্ষ রামভক্ত বালক রামকে দর্শন করতে মন্দিরে যাচ্ছেন। পুণ্যার্থীদের ভিড়ে উপচে পড়েছে মন্দির চত্বর। আগত ভক্তরা মন্দিরে রামলালার শ্রীচরণে দান করছেন প্রচুর উপহার। মন্দিরে প্রাণ প্রতিষ্ঠার পর এক মাসের মধ্যেই এখনও পর্যন্ত মোট ১০ কেজি সোনা এবং ২৫ কেজি রুপো দানবাক্সে জমা পড়েছে। এই বিপুল পরিমাণ টাকা হাতে গুণে শেষ করা যাচ্ছে না তাই স্টেট ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়ার শরণাপন্ন হয়েছে মন্দির ট্রাস্ট।

    কী জানিয়েছে ট্রাস্ট

    মন্দির ট্রাস্টের পক্ষ থেকে প্রকাশ গুপ্তা বলেছেন, “মন্দির (Ram Mandir) চত্বরে চারটি স্বয়ংক্রিয় টাকা গোনার যন্ত্র বাসিয়েছে এসবিআই। ১০ কেজি সোনা ও ২৫ কেজি রুপোর অলঙ্কার, চেক, ড্রাফ্ট এবং নগদ দান হিসাবে পাওয়া গিয়েছে। ট্রাস্টের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে অনলাইনে টাকা পাঠিয়েছেন অনেক ভক্ত। সবটা এখনও গোনা হয়নি। ভক্তদের ভক্তির কথা বিবেচনা করে, মন্দিরে সোনা-রুপোর তৈরি এই জিনিসগুলি গ্রহণ করা হয়েছে এবং ব্যাঙ্কে জমা করা হয়েছে। পরবর্তীকালে, এগুলি বিক্রি করে নগদে পরিণত করা হবে। এসবিআই এবং ট্রাস্টের মধ্যে একটি মউ স্বাক্ষরিত হয়েছে।”

    ৬২ লাখ দর্শনার্থী মন্দির দর্শন করেছে

    জানা গিয়েছে, রামমন্দির (Ram Mandir) উদ্বোধনের পর থেকেই মন্দিরে বিরাট ভিড় উপচে পড়েছে। এখনও পর্যন্ত প্রায় ৬২ লক্ষ মানুষ বালক রামকে দর্শন করেছেন। আগত দর্শনার্থীরা মন্দিরের জন্য মুক্ত হস্তে দান করছেন। ইতিমধ্যে কোটি কোটি টাকা দনাবাক্সে জমা পড়েছে। সেই সঙ্গে রয়েছে প্রচুর সোনা এবং রুপো। মন্দিরে মোট ছয়টি দানপাত্র রয়েছে। এছাড়াও রয়েছে চারটি আরও দানপাত্র। এখনও পর্যন্ত মোট জমা পড়েছে ৫০ কোটি টাকা। প্রত্যেক দিন গড়ে দেড় কোটি টাকা জমা পড়ছে। এরমধ্যে রয়েছে নগদ এবং চেক। প্রতিদিন ব্যাঙ্কের দশজন এবং মন্দিরের চার জন কর্মী টাকা পয়সা গোনার কাজ করছেন।

    বৃন্দাবন-পুরী-তিরুপতি-কামাখ্যার তুলনায় অনেক ভিড়

    রাম মন্দির তীর্থক্ষেত্র ট্রাস্টের পক্ষ জানিয়েছে, দেশের আর কোনও মন্দিরে এক মাসে এত বিপুল সংখ্যায় ভক্ত সমাগম হয়নি। রাম মন্দির (Ram Mandir) নিয়ে দেশের সকল মানুষের মধ্যে ব্যাপক উন্মাদনা শুরু হয়েছে। মন্দিরে প্রাণ প্রতিষ্ঠার পর থেকেই ভক্তদের অবিরাম প্রবাহ চলছে। বারাণসী, মথুরা, বৃন্দাবন, পুরী, তিরুপতি, কামাখ্যার তুলনায় অযোধ্যার ভিড় অনেক বেশি বলে মনে করা হচ্ছে। আবার মন্দিরের পুরোহিত জানিয়েছেন, মন্দির ভোর ৬টা থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত দর্শনের বন্দোবস্ত করা হয়েছে। মাঝে দুপুর ১২টা থেকে দেড়টা পর্যন্ত বিশ্রামের জন্য বন্ধ রাখা হচ্ছে। ইতিমধ্যে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে রাম জন্মভূমি দর্শনের জন্য আস্থা ট্রেন চালানো হচ্ছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Ram Temple: এক মাসেই রাম মন্দিরের দানবাক্সে  জমা পড়েছে ১০ কেজি সোনা, ২৫ কেজি রুপো

    Ram Temple: এক মাসেই রাম মন্দিরের দানবাক্সে জমা পড়েছে ১০ কেজি সোনা, ২৫ কেজি রুপো

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রায় ৫০০ বছরের এক ঐতিহাসিক আন্দোলনের মধ্যে দিয়ে অযোধ্যায় নির্মিত হয়েছে রাম মন্দির(Ram Temple)। গত ২২ জানুয়ারি মন্দিরের গর্ভগৃহে প্রভু বালক রামের  প্রাণ প্রতিষ্ঠা হয়েছে। উপস্থিত ছিলেন দেশের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তার পর কেটে গিয়েছে একটা মাস। দেশের নানা প্রান্ত থেকে লক্ষ লক্ষ রামভক্ত বালক রামকে দর্শন করতে মন্দিরে যাচ্ছেন। পুণ্যার্থীদের ভিড়ে উপচে পড়েছে মন্দির চত্বর। আগত ভক্তরা মন্দিরে রামলালার শ্রীচরণে দান করছেন প্রচুর উপহার। মন্দিরে প্রাণ প্রতিষ্ঠার পর এক মাসের মধ্যেই এখনও পর্যন্ত মোট ১০ কেজি সোনা এবং ২৫ কেজি রুপো দানবাক্সে জমা পড়েছে। এই বিপুল পরিমাণ টাকা হাতে গুণে শেষ করা যাচ্ছে না তাই স্টেট ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়ার শরণাপন্ন হয়েছে মন্দির ট্রাস্ট।

    কী জানিয়েছে ট্রাস্ট (Ram Temple)

    মন্দির ট্রাস্টের পক্ষ থেকে প্রকাশ গুপ্তা বলেছেন, “মন্দির (Ram Temple) চত্বরে চারটি স্বয়ংক্রিয় টাকা গোনার যন্ত্র বাসিয়েছে এসবিআই। ১০ কেজি সোনা ও ২৫ কেজি রুপোর অলঙ্কার, চেক, ড্রাফ্ট এবং নগদ দান হিসাবে পাওয়া গিয়েছে। ট্রাস্টের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে অনলাইনে টাকা পাঠিয়েছেন অনেক ভক্ত। সবটা এখনও গোনা হয়নি। ভক্তদের ভক্তির কথা বিবেচনা করে, মন্দিরে সোনা-রুপোর তৈরি এই জিনিসগুলি গ্রহণ করা হয়েছে এবং ব্যাঙ্কে জমা করা হয়েছে। পরবর্তীকালে, এগুলি বিক্রি করে নগদে পরিণত করা হবে। এসবিআই এবং ট্রাস্টের মধ্যে একটি মউ স্বাক্ষরিত হয়েছে।”

    ৬২ লাখ দর্শনার্থী মন্দির দর্শন করেছে

    জানা গিয়েছে, রামমন্দির (Ram Temple) উদ্বোধনের পর থেকেই মন্দিরে বিরাট ভিড় উপচে পড়েছে। এখনও পর্যন্ত প্রায় ৬২ লক্ষ মানুষ বালক রামকে দর্শন করেছেন। আগত দর্শনার্থীরা মন্দিরের জন্য মুক্ত হস্তে দান করছেন। ইতিমধ্যে কোটি কোটি টাকা দনাবাক্সে জমা পড়েছে। সেই সঙ্গে রয়েছে প্রচুর সোনা এবং রুপো। মন্দিরে মোট ছয়টি দানপাত্র রয়েছে। এছাড়াও রয়েছে চারটি আরও দানপাত্র। এখনও পর্যন্ত মোট জমা পড়েছে ৫০ কোটি টাকা। প্রত্যেক দিন গড়ে দেড় কোটি টাকা জমা পড়ছে। এরমধ্যে রয়েছে নগদ এবং চেক। প্রতিদিন ব্যাঙ্কের দশজন এবং মন্দিরের চার জন কর্মী টাকা পয়সা গোনার কাজ করছেন।

    বৃন্দাবন-পুরী-তিরুপতি-কামাখ্যার তুলনায় অনেক ভিড়

    রাম মন্দির তীর্থক্ষেত্র ট্রাস্টের পক্ষ জানিয়েছে, দেশের আর কোনও মন্দিরে এক মাসে এত বিপুল সংখ্যায় ভক্ত সমাগম হয়নি। রাম মন্দির নিয়ে দেশের সকল মানুষের মধ্যে ব্যাপক উন্মাদনা শুরু হয়েছে। মন্দিরে প্রাণ প্রতিষ্ঠার পর থেকেই ভক্তদের অবিরাম প্রবাহ চলছে। বারাণসী, মথুরা, বৃন্দাবন, পুরী, তিরুপতি, কামাখ্যার তুলনায় অযোধ্যার ভিড় অনেক বেশি বলে মনে করা হচ্ছে। আবার মন্দিরের পুরোহিত জানিয়েছেন, মন্দির ভোর ৬টা থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত দর্শনের বন্দোবস্ত করা হয়েছে। মাঝে দুপুর ১২টা থেকে দেড়টা পর্যন্ত বিশ্রামের জন্য বন্ধ রাখা হচ্ছে। ইতিমধ্যে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে রাম জন্মভূমি দর্শনের জন্য আস্থা ট্রেন চালানো হচ্ছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Ram Temple: লখনউ থেকে ৬ দিন হেঁটে অযোধ্যায় পৌঁছে রাম মন্দির দর্শন ৩৫০ মুসলিমের

    Ram Temple: লখনউ থেকে ৬ দিন হেঁটে অযোধ্যায় পৌঁছে রাম মন্দির দর্শন ৩৫০ মুসলিমের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: লখনউ থেকে ৬ দিনের পদযাত্রা করে অযোধ্যায় পৌঁছে বালক রামের দর্শন করলেন ৩৫০ জন মুসলিম। তাঁরা রাম মন্দিরে (Ram Temple) পৌঁছে প্রার্থনা করলেন প্রভু রামলালার কাছে। রাষ্ট্রবাদী মুসলিম সংগঠন মুসলিম রাষ্ট্রীয় মঞ্চের (এমআরএম) পক্ষ থেকে এই যাত্রার সূচনা করা হয়েছিল। তাঁদের কাছে এই যাত্রা ছিল দেশের সম্প্রীতি, অখণ্ডতা এবং একতার প্রতীক। একইভাবে, মুম্বই থেকে শবনম শেখ নামের এক মুসলমান ছাত্রী ১৪০০ কিমি পায়ে হেঁটে অযোধ্যায় পৌঁছান। তিনিও দেন রাম নামের বার্তা।

    কী জানাল মুসলিম সংগঠন (Ram Temple)?

    গত ২২ জানুয়ারি অযোধ্যায় রাম মন্দিরের (Ram Temple) উদ্বোধন এবং প্রভু রামলালার প্রাণ প্রতিষ্ঠার পর থেকেই গোটা দেশ এখন রাম নামে মেতে উঠেছে। হিন্দু রাম ভক্তদের পাশপাশি মুসলমান রাম ভক্তরাও বালক রামের দর্শনের জন্য অযোধ্যা যাচ্ছেন। আরএসএসের রাষ্ট্রবাদী মুসলিম সংগঠন এমআরএম-এর পক্ষ থেকে মিডিয়া ইনচার্জ শাহিদ সঈদ বলেছেন, “রাষ্ট্রবাদী মুসলমান সংগঠনের পক্ষ থেকে ৩৫০ জন মুসলমান রাম ভক্ত গত জানুয়ারির ২৫ তারিখ থেকে পায়ে হেঁটে লখনউ থেকে অযোধ্যায় যাত্রা সম্পূর্ণ করেছেন। মুখে রাম নাম ‘জয় শ্রী রাম’ নিয়ে এই প্রচণ্ড ঠান্ডার মধ্যে প্রায় ১৫০ কিমি হেঁটে রাম মন্দিরে পৌঁছান তাঁরা। এই দীর্ঘ যাত্রায় প্রতি ২৫ কিমি রাস্তা অতিক্রম করার পর একবার করে বিশ্রাম নিয়েছেন তাঁরা। অত্যন্ত পরিশ্রম করে এই ভগবান রামলালার মন্দির দর্শন এক অনন্য কৃতিত্ব। মুসলমান রাম ভক্তদের এই যাত্রা ছিল সম্প্রীতির যাত্রা। কোনও ধর্ম অপর ধর্মকে হিংসার কথা বলে না। শ্রীরাম হলেন দেশের একাত্মা, একতা, সার্বভৌম এবং সৌহার্দ্য সম্পর্কের প্রতীক।” অপরদিকে মিম নেতা আসাদউদ্দিন ওয়েইসিকে কটাক্ষও করেন তিনি। তাঁর মতে, মুসলিমদের মধ্যে যে ভ্রান্ত ধারণা তৈরি হয়েছে, তার জন্য দায়ী এই আসাদউদ্দিন ওয়েইসির মতো নেতারা।

    মুসলিম মহিলা ভক্ত কী বললেন?

    ধর্মীয় সম্প্রীতির বার্তা দিয়ে শবনম শেখ নামক এক মুসলমান ছাত্রীও রামলালার মন্দিরে (Ram Temple) পৌঁছান। মুম্বই থেকে তিনি প্রায় ১ মাস পদযাত্রা করে রাম মন্দিরে পৌঁছেছেন। প্রথমে হনুমানগড়িতে পুজো দেন। মুখে ছিল তাঁর ‘বন্দেমাতরম’, ‘জয় শ্রী রাম’, ‘এক হি নাড়া এক হি নাম, জয় শ্রী রাম জয় শ্রী রাম’ শ্লোগান। এরপর যান রামলালার দর্শনে। তিনি বলেন, “প্রভু রামের মন্দিরের ৩৫০ জন মুসলমানের উপস্থিতি সারা দেশের মানুষের কাছে বিশেষ বার্তা দিয়েছে।” 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Ram Mandir: বিগ্রহের নাম ‘বালক রাম’, কী খাবেন, পরবেনই বা কী রামলালা?

    Ram Mandir: বিগ্রহের নাম ‘বালক রাম’, কী খাবেন, পরবেনই বা কী রামলালা?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রামলালা নয়, এখন থেকে অযোধ্যার রাম মন্দিরে (Ram Mandir) অধিষ্টিত প্রভু রামের শিশুসুলভ অবতারের নাম রাখা হল ‘বালক রাম’। হিন্দু শাস্ত্র অনুযায়ী, মূর্তির প্রাণপ্রতিষ্ঠার সময় মানবশিশুর মতোই করতে হয় নামকরণ। 

    বালক রাম

    অযোধ্যাধিপতিরও নামকরণ হয়েছে। প্রাণ প্রতিষ্ঠার অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন পুরোহিত অরুণ দীক্ষিত। তিনি জানান, বিগ্রহের নাম রাখা হয়েছে ‘বালক রাম’। রামলালার বয়স যেহেতু পাঁচ, তাই সেটি দেখতে পাঁচ বছরের বালকের মতো। সেই কারণেই এমন নাম। প্রস্তর এই মূর্তির আগেও পুজো হত রামলালার। সেই মূর্তিটি রাখা হয়েছে নবপ্রতিষ্ঠিত মূর্তির সামনে। মন্দির পরিচালন কমিটিই জানিয়েছে, প্রতিদিন ছ’বার করে আরতি হবে। প্রাণপ্রতিষ্ঠার দিন যে আচারে পুজো হয়েছে, আজ, মঙ্গলবার থেকে তা হচ্ছে না।

    আস্থম সেবা

    রামলালার পুরোহিতদের প্রশিক্ষক আচার্য মিথিলেশনন্দিনী শারণ বলেন, “এখন থেকে দিনের আট ঘণ্টা ধরে চলবে আস্থম সেবা। আরতি (Ram Mandir) হবে ছ’বার। রামলালা বিরাজমানের ক্ষেত্রে দু’বার আরতি হত। তবে এবার থেকে হবে ছ’বার। এই আরতিগুলির নাম হল মঙ্গল, শৃঙ্গার, ভোগ, উথাপন, সন্ধ্যা এবং শয়ন। রামলালাকে জাগাতে হবে মঙ্গল আরতি। পুজোর পর হবে শৃঙ্গার আরতি। পুরি-সবজি-ক্ষীর নিবেদনের পর হবে ভোগ আরতি। রামলালার চোখ থেকে বাজে জিনিস দূর করতে হবে উথাপন আরতি। সন্ধ্যা আরতি হবে সন্ধ্যায়। রাতের খাওয়া শেষে হবে শয়ন আরতি। পুরি-সবজির পাশাপাশি রামলালাকে নিবেদন করা হবে রাবড়ি, ক্ষীর, দুধ, ফল এবং পেড়া। দুপুরে রামলালার মেনু এই।

    আরও পড়ুুন: পৃথিবীর অর্ধেক বয়সের ইতিহাসের সাক্ষী রামলালার শরীরের পাথর!

    রামলালা রাজপুত্র। তাই পোশাক পরিকল্পনাও করা হয়েছে তার মতো করে। সোমবার তিনি পরবেন সাদা রঙের পোশাক। মঙ্গলবার লাল। বুধবার তাঁর শ্রীঅঙ্গে উঠবে সবুজ পোশাক। বৃহস্পতিবার হলুদ পোশাক। ঘিয়ে রংয়ের পোশাক পরবেন শুক্রবার। শনিবার তিনি সাজবেন নীল পোশাকে। রবিবার ভগবান সজ্জিত হবেন গোলাপি রংয়ের পোশাকে। বিশেষ বিশেষ উৎসবের দিনে রামলালা সাজবেন হলুদ পোশাকে। দীর্ঘ গবেষণা ও শাস্ত্র অধ্যয়ন করে গয়না তৈরি করা হয়েছে রামলালার। এজন্য শিল্পীকে পড়তে হয়েছে অধ্যাত্ম রামায়ন, বাল্মীকি রামায়ন, রামচরিত মানস এবং অলাবন্দার স্ত্রোস্ত্রম (Ram Mandir)।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     
     

     

  • Murshidabad: প্রাণ প্রতিষ্ঠার দিনে বাংলার ‘রাম রঘুনাথের বাড়ি’ যেন অযোধ্যাধাম

    Murshidabad: প্রাণ প্রতিষ্ঠার দিনে বাংলার ‘রাম রঘুনাথের বাড়ি’ যেন অযোধ্যাধাম

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মুর্শিদাবাদ (Murshidabad) জেলার বহরমপুরের খাগড়া এলাকাতেও রামের পুজো হয়। এখানে দীর্ঘ প্রায় ৮০০ বছর ধরে পূজিত হয়ে আসছেন শ্রীরাম। তবে এই রাম, রঘুনাথ নামে পরিচিত। বাংলা যে রামনবমীর ঐতিহ্য রয়েছে তা অনেকেরই অজানা। খাগড়ায় রাম রঘুনাথের বাড়িতেও রাম নবমীর দিনে ব্যাপক উচ্ছ্বাসের সঙ্গে পালিত হয় ধর্মীয় উৎসব। অযোধ্যায় প্রাণ প্রতিষ্ঠার মাহেন্দ্রক্ষণে পূজিত হলেন এই মন্দিরের রাম রঘুনাথ। তাই বাংলার এই ‘রাম রঘুনাথের বাড়ি’ যেন অযোধ্যাধামে পরিণত হল। 

    মন্দিরে কাঠের মূর্তি শ্রীরাম (Murshidabad)

    খাগড়ার (Murshidabad) রাম রঘুনাথের বাড়িতে রাম, লক্ষ্মণ ও সীতার মূর্তি হল কাঠের মূর্তি। আগে যে মন্দিরটি ছিল সেটি বর্তমানে জরাজীর্ণ অবস্থায় পাশে স্মৃতি বহন করে চলেছে। যখন থেকে অযোধ্যায় রাম মন্দির উদ্বোধন হওয়ার কথা ঘোষণা করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, তখন থেকেই এই রাম রঘুনাথের বাড়ির সদস্য নমিতা মজুমদার কাউন্টডাউন শুরু করে দিয়েছেন। আজকে অযোধ্যায় রামলালার প্রাণ প্রতিষ্ঠার ঐতিহাসিক দিনে প্রধানমন্ত্রী যখন রাম মন্দিরের দ্বার উন্মোচন করবেন, ঠিক সেই সময় এই মন্দিরে রাম রঘুনাথের কাঠের মূর্তির বিশেষ পুজো করলেন বাড়ির সদস্যরা। 

    কী বলেন বাড়ির সদস্য?

    বাড়ির (Murshidabad) সদস্য নমিতা মজুমদার তিনি জানান, “আমাদের বাড়ি রাম রঘুনাথের বাড়ি বলে পরিচিত। প্রত্যেক বছর রামনবমীর দিনে আমাদের বাড়ির মন্দিরে শ্রীরামের পূজা এবং উৎসব অনুষ্ঠিত হয়। কিন্তু আজ দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসানে ভারতের প্রধানমন্ত্রী অযোধ্যায় রাম মন্দিরের উদ্বোধন করছেন এবং রামলালার প্রাণ প্রতিষ্ঠা করছেন, তাই আমারাও রাম রঘুনাথের পুজো করলাম। এই রাম রঘুনাথ আমাদের কুলদেবতা। আমরা ৮০০ বছরের এই বিগ্রহের পুজো করে আসছি। আজ রাম লালার অভিষেকের দিনে রঘুনাথকে আরতি করে পূজা-অর্চনা করা হয়েছে। রামের জন্মভূমিতে আজ প্রাণ প্রতিষ্ঠার সঙ্গে সঙ্গে আমাদের বাড়িতও যেন একটা অযোধ্যাধামে পরিণত হয়েছে। আজকের পুজোপাঠ, প্রসাদ বিতরণ, রামকথা পাঠ সব মিলিয়ে এক বড় উৎসবের আকার ধারণ করেছে। আমরা ভীষণ খুশি।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Goutam Deb: ‘রঘুপতি রাঘব রাজা রাম’ ভজনে হারমোনিয়ামের সুরে গলা মেলালেন গৌতম দেব!

    Goutam Deb: ‘রঘুপতি রাঘব রাজা রাম’ ভজনে হারমোনিয়ামের সুরে গলা মেলালেন গৌতম দেব!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাম মন্দির উদ্বোধনের দিনে রামের ভজন গাইলেন তৃণমূল নেতা গৌতম দেব (Goutam Deb)। তিনি বললেন, “রাম ভজন মানে শুধু জয় শ্রীরাম নয়”। এক দিকে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যেখানে প্রাণ প্রতিষ্ঠার দিনে রাজ্যে ছুটি ঘোষণা না করে সংহতি যাত্রা করছেন, ঠিক সেই দিনেই রামনাম স্মরণ করে ভজন গাইলেন প্রাক্তন উত্তরবঙ্গ উন্নয়নমন্ত্রী তথা তৃণমূল নেতা গৌতম দেব। উল্লেখ্য, আজ সকালেই কাঁথির রাম মন্দিরে নিজের স্ত্রীকে নিয়ে ঘণ্টা বাজিয়ে রামের পুজো করেন তৃণমূল সাংসদ দিব্যেন্দু অধিকারী। রামনামের ঢেউ যে বঙ্গের তৃণমূলের নেতাদের মধ্যেও আছড়ে পড়েছে, এটা বিভিন্ন ঘটনাতেই পরিষ্কার হয়ে যাচ্ছে।

    হারমনিয়ামে গলা মেলালেন তৃণমূল নেতা (Goutam Deb)

    রাম মন্দিরে প্রভু রামলালার প্রাণ প্রতিষ্ঠার দিনে ‘রঘুপতি রাঘব রাজা রাম…পতিত পাবন সীতা রাম’ গানে হারমোনিয়ামের সুরে গলা মিলিয়ে গান গাইলেন শিলিগুড়ির তৃণমূল নেতা গৌতম দেব (Goutam Deb)। বিজেপি নেতাদের মতো তিনিও আজকের ঐতিহাসিক মুহূর্তে প্রভু রামের প্রতি ভক্তি নিবেদন করলেন। অবশ্য তাঁর কাছে এর মধ্যে কোনও রাজনীতি নেই। রয়েছে কেবলমাত্র আধ্যাত্মিক ভাবনার প্রকাশ। ঠিক এই  ভাবেই রাম লালার প্রাণ প্রতিষ্ঠার অনুষ্ঠানকে ব্যাখ্যা করলেন। 

    কী বললেন তৃণমূল নেতা?

    অযোধ্যায় রাম মন্দিরের উদ্বোধনের দিনে রামের ভজন করে (Goutam Deb) গৌতম দেব বলেন, “জাতির পিতা মহাত্মা গান্ধীর পছন্দের গান। সারা দেশের সর্বত্র এই গান খুব জনপ্রিয়। এই গানে সর্বধর্মের কথা বলা হয়েছে। এই দেশেই সীতারাম পূজিত হন। এখন কেবলমাত্র জয় শ্রীরাম শোনা যায়। সীতার নাম কেন উচ্চারণ হয় না, তাই জানতে চাই। রামের সঙ্গে সীতা মায়ের পুজোও সমান ভাবে করা হোক।” এই প্রসঙ্গে তিনি আরও বলেন, “কোনও প্রকার ভোটের রাজনীতির কথা আমি বলতে চাই না। রামায়ণ আমাদের সকলের।”     

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Ramlala: রাম মন্দিরের প্রাণ প্রতিষ্ঠায় থাকবেন মোট ১৫ যজমান, নাম ঘোষণা ট্রাস্টের

    Ramlala: রাম মন্দিরের প্রাণ প্রতিষ্ঠায় থাকবেন মোট ১৫ যজমান, নাম ঘোষণা ট্রাস্টের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ১৫টি দম্পতি রাম মন্দিরে রামলালার প্রাণ প্রতিষ্ঠার অনুষ্ঠানে যজমানের ভূমিকা পালন করবে। ভারতের নানা প্রান্ত থেকে এই যজমানরা এসেছেন প্রাণ প্রতিষ্ঠার অনুষ্ঠানে। এমনটাই জানানো হয়েছে ট্রাস্টের তরফে।

    যজমান হিসাবে দলিত ও আদিবাসী রয়েছেন (Ramlala)

    আজ, ২২ জানুয়ারি মন্দিরের প্রাণ প্রতিষ্ঠা হতে চলেছে। ৫০০ বছরের দীর্ঘ আন্দোলনের পর প্রভু রামলালার মন্দিরের পুনর্নির্মাণের কাজ সম্পন্ন হতে চলেছে। সূত্রে জানা গিয়েছে, প্রাণ প্রতিষ্ঠার জন্য সারা দেশ থেকে ১৫টি দম্পতিকে চয়ন করা হয়েছে।  এই ১৫ যজমানকে শাস্ত্রমতে বিধিবিধান, নিমায়চার, শুদ্ধাচার, পূজাচার ইত্যাদি পালনের মধ্যে দিয়ে মন্দিরের পুজোর কাজে নিযুক্ত করা হয়েছে। এই যজমানদের মধ্যে সমাজের নানা বর্গের মানুষকে স্থান দেওয়া হয়েছে। যজমানদের মধ্যে রয়েছেন দলিত, আদিবাসী, ওবিসি এবং অন্যান্য শ্রেণিভুক্তরা।

    রামলালার প্রাণ প্রতিষ্ঠায় প্রধান যজমানের ভূমিকায় থাকবেন দেশের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। প্রাণ প্রতিষ্ঠার সময় গর্ভগৃহে প্রধানমন্ত্রী ছাড়াও থাকবেন রাষ্ট্রীয় স্বয়ং সেবক সঙ্ঘের সরসঙ্ঘচালক মোহন রাও ভাগবত, ট্রাস্টের সভাপতি নিত্য গোপাল দাস, উত্তরপ্রদেশের রাজ্যপাল আনন্দীবেন প্যাটেল এবং উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ। অন্যদিকে, বাইরে পূজাচার ও ধর্মীয় রীতি ও যজ্ঞের জায়গায় থাকবেন বাকি ১৪ যজমান।

    কোন কোন জায়গা থেকে যজমানরা রয়েছেন?

    শ্রী রামজন্মভূমি তীর্থক্ষেত্র ট্রাস্টের তরফ থেকে বাকি ১৪ জন যজমানের নামা ঘোষণা করা হয়েছে। তাঁরা প্রত্যকেই মন্দিরের রামলালার (Ramlala) প্রাণ প্রতিষ্ঠাকে ঘিরে বৈদিক নিয়ম এবং শাস্ত্রানুসারে বিধিবিধান পালন করছেন। তাঁদের মধ্যে হলেন আরএসএস অনুমোদিত সংগঠন বনবাসী কল্যাণ আশ্রমের সভাপতি রামচন্দ্র খাঙ্গারে। তিনি মূলত রাজস্থানের উদয়পুরের বাসিন্দা। তিন যজমান বারাণসী থেকে এসেছেন। তাঁরা হলেন— আনিল চৌধুরি, কৈলাশ যাদব এবং কাবেন্দ্র কুমার সিং। আর বাকি যজমানের নাম হল, রাম কুই জেমি, জয়পুরের সর্দার গুরু চরণ সিং, হরিদ্বারের রবিদাস সমাজের কৃষ্ণ মোহন, মুলতানি থেকে রমেশ জৈন, তামিলনাড়ুর আদলারাসন, মুম্বই থেকে ভিত্তলরাও কামলে, লাতুর থেকে মহাদেব রাও গায়কোয়োড়, কর্নাটকের কুলবর্গী থেকে লিঙ্গরাজ বাসবরাজ আপ্পা, লখনউ থেকে দিলীপ বাল্মীকি এবং হরিয়ানা থেকে অরুণ চৌধুরি। তবে প্রধান যজমানের ভূমিকা পালন করবেন আরএসএস নেতা অনিল মিশ্র এবং তাঁর স্ত্রী ঊষা।    

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Ayodhya Ram Temple: প্রাণপ্রতিষ্ঠাকে ঘিরে ‘ওড়িশার অযোধ্যা’য়ও চলছে উৎসব, কেন জানেন?

    Ayodhya Ram Temple: প্রাণপ্রতিষ্ঠাকে ঘিরে ‘ওড়িশার অযোধ্যা’য়ও চলছে উৎসব, কেন জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাত পোহালেই অযোধ্যায় রাম মন্দির উদ্বোধন। এদিন ওড়িশার অযোধ্যা গ্রামেও হবে উৎসব। রামনগরী অযোধ্যায় (Ayodhya Ram Temple) যেমন সাজো সাজো রব, ঠিক তেমনই ওড়িশার অযোধ্যা গ্রামে চলছে বিশেষ অনুষ্ঠানের প্রস্তুতি। উত্তরপ্রদেশে রামলালার মন্দিরের উদ্বোধনকে ঘিরে চলছে নগরপরিক্রমা, গর্ভগৃহের বেদিতে রাম লালার মূর্তি প্রতিষ্ঠা, বৈদিক মন্ত্রপাঠ, শাস্ত্রমতে পূজাচার, যজ্ঞ, সরযূ নদীর জলে গর্ভগৃহ ধোয়ার কাজ, আরও কত কী! ওড়িশার অযোধ্যায়ও মানুষ পালন করছেন উৎসব। ভগবান রামের পদধূলি ধন্য এই গ্রামটি বালেশ্বর জেলার নীলগিরি ব্লকে অবস্থিত।

    ওড়িশার এই অযোধ্যা রামের স্মৃতিধন্য (Ayodhya Ram Temple)

    ওড়িশার অখ্যাত এই গ্রামে কেন আয়োজন উৎসবের? জানা গিয়েছে, ওড়িশার এই গ্রামে একবার এসেছিলেন রামচন্দ্র। স্থানীয়দের বিশ্বাস, স্ত্রী সীতা ও ভাই লক্ষ্মণকে নিয়ে পূর্ণব্রহ্ম রাম যখন ১৪ বছরের জন্য বনবাসে গিয়েছিলেন, সেই পর্বে এই গ্রামেও এসেছিলেন তিনি। তাই গ্রামের নাম হয়েছে রামের জন্মভূমির নামে। অন্য একটি মতে, ভগবান রাম ১৪ বছরের বনবাস-পর্ব শেষে যখন অযোধ্যায় ফিরছিলেন, তখন আনন্দে উৎসব পালন করেন এই গ্রামের বাসিন্দারাও। সেই থেকে এই গ্রামের নাম হয় ‘অযোধ্যা’। এই গ্রামে রয়েছে প্রচুর পুরাতন মন্দির। আর্কিওলজিক্যাল সার্ভে অফ ইন্ডিয়ার প্রচেষ্টায় ৪০টিরও বেশি প্রাচীন দেবদেবীর মূর্তি উদ্ধার করা হয়েছে এই গ্রাম থেকে। সেই প্রাচীন মূর্তিগুলো গ্রামের একটি জাদুঘরে রাখা হয়েছে। গ্রামটি অতি প্রাচীন, অনেক ইতিহাসের সাক্ষ্য বহন করে চলেছে। তাই উত্তরপ্রদেশের রামনগরীর (Ayodhya Ram Temple) পাশাপাশি উৎসবে মেতেছেন ওড়িশার এই তল্লাটের মানুষরাও। 

    গ্রামবাসীর বক্তব্য

    অযোধ্যা গ্রামের বাসিন্দা বটকৃষ্ণ খুন্তিয়া বলেন, “নীলগিরি ব্লকের বাসিন্দারাই এই গ্রামের নাম অযোধ্যা রেখেছেন। ১৪ বছরের নির্বাসন-পর্বে ভগবান রামচন্দ্র বালেশ্বর জেলার রেমুনায় সপ্তসারা নদীর কাছে একটি স্থান পরিদর্শন করেছিলেন। সেই ঘটনা স্মরণে রাখতেই গ্রামের নামকরণ করা হয়েছে অযোধ্যা।” গ্রামের আর এক বাসিন্দা জীবনকৃষ্ণ শা বলেন, “ভগবান রামের প্রাণপ্রতিষ্ঠার দিনে আমাদের গ্রামে ভজন, কীর্তন এবং অন্যান্য ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে।” গ্রামের মন্দিরের পুরোহিত সর্বেশ্বর পান্ডা বলেন, “আমরা গর্বিত যে আমাদের পূর্বপুরুষরা আমাদের গ্রামের নাম রেখেছেন ভগবান শ্রীরামচন্দ্রের জন্মস্থানের নামে। বালেশ্বরের অযোধ্যা গ্রামের সঙ্গে উত্তর প্রদেশের অযোধ্যার (Ayodhya Ram Temple)  একটা গভীর আত্মিক যোগসূত্র রয়েছে।” 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share