Tag: Ram Lalla

Ram Lalla

  • Narendra Modi: প্রাণপ্রতিষ্ঠার আগে রাম সেতু-খ্যাত ‘আরিচল মুনাই’ পরিদর্শন মোদির

    Narendra Modi: প্রাণপ্রতিষ্ঠার আগে রাম সেতু-খ্যাত ‘আরিচল মুনাই’ পরিদর্শন মোদির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আজ, রবিবার প্রধানমন্ত্রী মোদি (Narendra Modi) রাম সেতুর উৎপত্তিস্থল তামিলনাড়ুর ধানুষ্কোটিতে আরিচল মুনাই পরিদর্শন করলেন। গত কয়েকদিন ধরেই প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি দক্ষিণ ভারত সফর করছেন। দর্শন করেছেন ভগবান রামের স্মৃতি বিজড়িত নানা মন্দির এবং জায়গা। শুনেছেন দ্রাবিড় ভাষায় রচিত রামায়ণ কথা। করছেন ভজন-কীর্তন শ্রবণও। গত এগারো দিন ধরে রয়েছেন কঠোর সংযম পালনে। রাত পোহালেই ২২ জানুয়ারি। অযোধ্যায় রাম মন্দিরের গর্ভগৃহে রামলালার প্রাণপ্রতিষ্ঠা হবে। তিনি থাকবেন যজমানের ভূমিকায়। গোটা দেশ এখন মুখরিত রাম নামের জয়গানে। 

    আরিচাল মুনাই

    তামিলনাড়ুতে অবস্থিত এই আরিচাল মুনাই। লোক-বিশ্বাস, ভগবান রাম যে জায়গা থেকে থেকে সেতু নির্মাণ শুরু করেছিলেন, সেই জায়গাটি হল এটি। এদিন প্রধানমন্ত্রীকে (Narendra Modi) এই জায়গায় পুষ্পার্ঘ্য নিবেদন করতে দেখা গিয়েছে। প্রধানমন্ত্রী এদিনই গিয়েছিলেন রামেশ্বরমের শ্রীকোথান্দারামা স্বামী মন্দিরে। কোথান্দারাম নামের অর্থ ধনুকের সঙ্গে রাম। এটিও ধনুষ্কোটিতেই অবস্থিত। রামায়ণে আছে, এখানেই রাবণের ভাই বিভীষণ প্রথমবার ভগবান শ্রী রামচন্দ্রের সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে এসেছিলেন। এই জায়গা থেকেই রামচন্দ্র রাক্ষসরাজ রবাণকে পরাজিত করার সংকল্প নিয়ে ছিলেন। এরপর লঙ্কায় পাড়ি দিয়েছিলেন।

    দক্ষিণ ভারতের একাদিক মন্দির দর্শন 

    শনিবার প্রধানমন্ত্রী (Narendra Modi) তিরুচিরাপল্লীর শ্রীরঙ্গনাথস্বামী মন্দির এবং রামেশ্বরমের শ্রী আরুলমিগু রামনাথস্বামী মন্দির পরিদর্শন করেন। প্রধানমন্ত্রী তাঁর অফিসিয়াল এক্স হ্যান্ডেল থেকে পোস্ট করে বলেছেন, “আরুলমিগু রামানাথস্বামী মন্দিরে গতকালের পরিদর্শনের অভিজ্ঞতা ভোলার নয়। মন্দিরের প্রতিটি অংশে নিবিড় ভক্তিভাব রয়েছে”। সেই সঙ্গে নাসিকের রামকুন্ড, শ্রী কালারাম মন্দির, অন্ধ্রপ্রদেশের পুট্টপার্থীর লেপাক্ষীর বীরভদ্র মন্দির, কেরলের গুরুভায়ুর মন্দির এবং ত্রিপ্রয়ার শ্রী রামস্বামী মন্দির পরিদর্শন করেন। উল্লেখ্য, প্রধানমন্ত্রী অযোধ্যায় রামলালার প্রাণপ্রতিষ্ঠায় যোগদান করার আগে ১১ দিন ধরে শাস্ত্র নির্দেশিত বিভিন্ন নিয়ম পালন করছেন। এর মধ্যে রয়েছে সংযমরক্ষা, খাদ্যাভ্যাসে বিধিনিষেধ রক্ষা, রাতে মাটিতে কম্বল পেতে শোয়ার মতো কঠোর সংযমও। তিনি একবেলা আহার করছেন। করছেন ফলাহার। পান করছেন ডাবের জল।

      

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

     

  • Ram Temple: গোধরা গণহত্যায় হত ৫৮ করসেবকের পরিবারের সদস্যদের আমন্ত্রণ অযোধ্যায়  

    Ram Temple: গোধরা গণহত্যায় হত ৫৮ করসেবকের পরিবারের সদস্যদের আমন্ত্রণ অযোধ্যায়  

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গোধরা গণহত্যায় নিহত ৫৮ জন করসেবকের পরিবারের সদস্যদের আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে অযোধ্যার প্রাণপ্রতিষ্ঠার অনুষ্ঠানে। ২২ জানুয়ারি, সোমবার মন্দিরের (Ram Temple) গর্ভগৃহে দুপুর ১২ টা ২০ মিনিটের মাহেন্দ্রক্ষণে প্রাণপ্রতিষ্ঠা হবে রামলালার। অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। অযোধ্যায় এখন কেবলই রামময়। শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি তুঙ্গে।

     করসেবকদের আত্মত্যাগকে স্মরণ (Ram Temple)

    রাম জন্মভূমি আন্দোলন (Ram Temple) স্বাধীন ভারতে একটি সাংস্কৃতিক ধর্মীয় গুরুত্বপূর্ণ আন্দোলন। ভারতের ইতিহাসে এই আন্দোলনকে ঘিরে মর্মান্তিক ঘটনা ঘটেছিল ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০২২। গুজরাটের গোধরা থেকে করসেবকরা আসছিলেন রাম জন্মভূমি আন্দোলনে যোগ দিতে। উদ্দেশ্য ছিল, রামের মন্দির নির্মাণে বালি, পাথর, ইট, সিমেন্ট জড়ো করা। তাঁদের সে আশা পূরণ হয়নি। গোধরা রেল স্টেশনে অযোধ্যাগামী ট্রেনে আগুন লাগিয়ে দেয় রামজন্মভূমি আন্দোলনের বিরোধী দুষ্কৃতীরা। জীবন্ত দগ্ধ হয়ে মৃত্যু হয় ৫৮ জন করসেবকের। এই নিহত করসেবকদের পরিবারের সদস্যদের ২২ জানুয়ারিতে প্রাণপ্রতিষ্ঠার অনুষ্ঠানে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। রাম মন্দির আন্দোলনে করসেবকদের আত্মত্যাগ স্মরণ করতেই আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে তাঁদের। দু দশকেরও বেশি সময় ধরে যাঁরা তাঁদের প্রিয়জনদের স্মৃতি লালন করছেন, তাঁদের আমন্ত্রণ জানানোর বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

    পরিবারের বক্তব্য

    রাম মন্দির উদ্বোধন অনুষ্ঠানের আমন্ত্রণপত্র পেয়ে যারপরনাই আল্পুত প্রয়াত করসেবকদের পরিবারের সদস্যরা। তাঁদের পরিবারের সদস্যদের জীবনদান যে ব্যর্থ হয়নি, তা জানিয়েছেন তাঁরা। রাম জন্মভমি আন্দোলনের পথ কতটা দুর্গম ছিল, সেই বিষয়ে আলোকপাত করা হবে বলেও মনে করছেন তাঁরা। ওয়াকিবহাল মহলের মতে, আজকের রামমন্দির নির্মাণ শুধুমাত্র একটি মন্দিরের একটি শারীরিক প্রকাশ নয়। বরং একটি সম্মিলিত ঐতিহাসিক আন্দোলন এবং আত্মত্যাগের স্মৃতিকথার সংকলন। রাম ভক্তদের মনে করসেবকদের আত্মবলিদানের স্মৃতি উসকে দিতেই প্রাণপ্রতিষ্ঠার এই মহতী অনুষ্ঠানে গোধরায় আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে নিহত করসেবকদের পরিবারের সদস্যদের।    

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Durgapur: শ্রীরামচন্দ্রের টানে বাইক করে দুর্গাপুর থেকে অযোধ্যায় পাড়ি দুই ভক্তের

    Durgapur: শ্রীরামচন্দ্রের টানে বাইক করে দুর্গাপুর থেকে অযোধ্যায় পাড়ি দুই ভক্তের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভগবান শ্রীরামচন্দ্রের টানে বাইক নিয়ে প্রায় ৮০০ কিলোমিটার রাস্তা অতিক্রম করে অযোধ্যায় পাড়ি দেওয়ার উদ্দেশ্যে যাত্রা শুরু করলেন পশ্চিম বর্ধমানের দুর্গাপুরের রামভক্ত (Durgapur) দুই বন্ধু। আগামী ২২ জানুয়ারি উদ্বোধন হতে চলেছে রাম মন্দির। ইতিমধ্যে রাম মন্দিরের গর্ভগৃহের বেদিতে স্থাপন করা হয়েছে প্রভু রাম লালার মূর্তি। প্রাণ প্রতিষ্ঠার দিনে উপস্থিত থাকবেন দেশের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। দেশ জুড়ে এখন সাজো সাজো রব।

    বাইকে করে অযোধ্যায় যাত্রা (Durgapur)

    হাতে আর মাত্র একদিন, তারপরই শুভ উদ্বোধন হবে অযোধ্যার রাম মন্দিরের। দেশ জুড়ে চলছে এখন উৎসবের মেজাজ। তাঁদের বাড়ি ত্রিলোকচন্দ্রপুর গ্রামে। দু’জন যুবকই বেসরকারি সংস্থার কর্মী। আর তারই সাক্ষি থাকতে শনিবার কাঁকসা থানার পানাগড়ের (Durgapur) দার্জিলিং মোড়ের হনুমান মন্দির থেকে দুই বন্ধু বাইক নিয়ে রওনা দিলেন অযোধ্যার উদ্দেশ্যে। দুই বন্ধু হলেন সৌরভ মুখোপাধ্যায় ও রাজা ঘোষ। এদিন যাত্রা শুরুর আগে হনুমান মন্দিরে পুজো দিয়ে তাঁরা যাত্রা শুরু করলেন। তাঁরা বলেছেন “আমরা কেবল রাম ভক্ত। কোনও রকম রাজনৈতিক দলের সাথে যুক্ত নই।” তাঁরা দুই হাইস্পিড বাইক নিয়ে এদিন যাত্রা শুরু করেন।

    কী বললেন রাম ভক্ত?

    অযোধ্যার উদ্দেশ্যে যাত্রা করার আগে স্থানীয় (Durgapur) হনুমান মন্দিরে পুজো দিয়ে বাইক আরোহী সৌরভ মুখোপাধ্যায় বলেন, “দীর্ঘ দিনের অবসানের পর রাম লালার মন্দিরের পুনরুদ্ধার হয়েছে। এখন সেখানে মন্দিরের পুনর্নির্মাণ করা হয়েছে। এই মন্দিরের উদ্বোধন এবং প্রাণ প্রতিষ্ঠার সময় পর্ব হল একটি ঐতিহাসিক মাহেন্দ্রক্ষণ। আমরা এই ২২ জানুয়ারিকে লক্ষ্য করে আজ যাত্রা শুরু করলাম। প্রভু রামের কাছে জগতের মঙ্গলকামনা জানাবো। আমাদের ৭৫০-৮০০ কিমি রাস্তা অতিক্রম করে যেতে হবে রাম লালার দর্শনে। আমরা খুবই উচ্ছ্বসিত। প্রভু রামের দর্শনে আমাদের জীবন ধন্য হবে। সকলে আমাদের জন্য আশীর্বাদে করবেন।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Visva-Bharati: প্রাণ প্রতিষ্ঠার দিনে অর্ধদিবস ছুটি ঘোষণা করল বিশ্বভারতী

    Visva-Bharati: প্রাণ প্রতিষ্ঠার দিনে অর্ধদিবস ছুটি ঘোষণা করল বিশ্বভারতী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাম মন্দিরের উদ্বোধনের দিনে অর্ধদিবস ছুটি ঘোষণা করল বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয় (Visva-Bharati)। ইতিমধ্যে কর্তৃপক্ষ জারি করেছে বিবৃতি। কেন্দ্র সরকার আগেই আগামী ২২ জানুয়ারি অযোধ্যায় রামলালার প্রাণ প্রতিষ্ঠার দিনে অর্ধদিবসের ছুটি ঘোষণা করেছে। ওই দিন সমস্ত কেন্দ্র সরকারের অফিস সকাল থেকে বেলা আড়াইটে পর্যন্ত কাজ হবে এবং তারপর বন্ধ হয়ে যাবে। এবার একই নির্দেশকা দিল বিশ্বভারতীর কর্তৃপক্ষ।

    উল্লেখ্য, এই রাজ্যের বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার প্রাণ প্রতিষ্ঠার দিনে ছুটি দেওয়ার কথা বলে আবেদন করেছিলন এই রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীর কাছে। চেয়েছিলেন সুদুত্তর কিন্তু রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এখনও পর্যন্ত উত্তর দেননি তাঁকে। পালটা মমতা ওই দিন হাজরা থেকে পার্কসার্কাস পর্যন্ত মহামিছিল করবেন বলে ঘোষণা করেছেন। যদিও রাজ্যের জন্য ছুটি ঘোষণা এখনও পর্যন্ত হয়নি।

    বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ কী জানালো (Visva-Bharati)?

    বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয় (Visva-Bharati) কর্তৃপক্ষ গতকাল শুক্রবার একটি বিবৃতি দিয়ে জানিয়েছে যে, আগামী ২২ জানুয়ারি রামলালার প্রাণ প্রতিষ্ঠা এবং অভিষেক উপলক্ষে ক্যাম্পাসের প্রশাসনিক ভবন, অফিস, ক্লাস এবং সকল বিভাগগুলি দুপুর আড়াইটের পর থেকে বন্ধ থাকবে। বিশ্ববিদ্যালয়ের নিবন্ধক একটি বিজ্ঞপ্তি দিয়ে এই কথা জানিয়ে দেন।

    একাধিক রাজ্যে ছুটি ঘোষণা

    রাজ্যের একমাত্র কেন্দ্রীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে (Visva-Bharati) যেমন ছুটি ঘোষণা হয়েছে ঠিক তেমনই একাধিক রাজ্যে ওই দিন ছুটি থাকবে। কেন্দ্র সরকার অর্ধদিবস ছুটির ঘোষণার পাশাপাশি দেশের একাধিক বিজেপি শাসিত রাজ্যে মন্দির উদ্বোধনের দিনে ছুটি ঘোষণা করেছে। শুক্রবার মহারাষ্ট্র সরকার ২২ জানুয়ারি ছুটি ঘোষণা করেছে। একই ভাবে উত্তরপ্রদেশ, হারিয়ানা, ছত্তিশগড়, প্রদেশ সরকার ছুটি ঘোষণা করেছে। আবার গুজরাত, আসাম, ত্রিপুরা সরকার অর্ধদিবস ছুটি ঘোষণা করেছে। আবার বেশ কিছু বেসরকারি ব্যাঙ্ক, রিজার্ভ ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডায়া ছুটি ঘোষণা করেছে। ওই দিন বিদেশি লেন-দেনও বন্ধ থাকবে বলে জানা গিয়েছে। প্রাণ প্রতিষ্ঠার দিনে রাম মন্দিরের অনুষ্ঠানকে সকাল ১১টা থেকে বেলা ১টা পর্যন্ত টিভিতে লাইভ সম্প্রচার করা হবে।     

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Ayodhya Ram Temple: প্রাণ প্রতিষ্ঠার আগে শনিতে চলছে পঞ্চম দিনের পূজাচার, কী সেই নিয়ম?

    Ayodhya Ram Temple: প্রাণ প্রতিষ্ঠার আগে শনিতে চলছে পঞ্চম দিনের পূজাচার, কী সেই নিয়ম?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মাত্র আর দুই দিন পরেই মন্দিরের গর্ভগৃহে প্রাণ প্রতিষ্ঠার অনুষ্ঠান সম্পন্ন হবে। একই ভাবে করা হবে মন্দিরের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন। তার আগে, গত ১৬ জানুয়ারি থেকে অযোধ্যার রামমন্দিরে (Ayodhya Ram Temple) শুরু হয়েছে সাতদিনের ধর্মীয় আচার, রীতি এবং পুজো অর্চনা। গত বুধবার সন্ধ্যায় নগর পরিক্রমা করে বৃহস্পতিবার গর্ভগৃহের বেদিতে রামলালার মূর্তি স্থাপন করা হয়েছে। আজ পঞ্চম তম দিন শনিবারে বৈদিক মন্ত্র উচ্চারণ সহ নানান পুজো-অর্চনার মাধ্যমে সরযূ নদীর জল দিয়ে গর্ভগৃহ ধুয়ে দেওয়া হয়েছে। সেই সঙ্গে শুরু হবে ‘অন্নধিবাস’। রাম ভক্তদের মধ্যে এই তীব্র উচ্ছ্বাস লক্ষ্য করা গিয়েছে। রাম নগরীতে এখন সাজো সাজো রব।

    পঞ্চম দিনে গর্ভগৃহ ধোয়া হল সরযূর জলে

    শনিবার পঞ্চম দিনে রামলালার (Ayodhya Ram Temple) বিধি পালন, পুজোর আচার পালন, বৈদিক মন্ত্রপাঠ চলবে। আজ পবিত্র সরযূ নদীর জল এনে গর্ভগৃহকে ধুয়ে দেওয়া হল। এরপর হবে শাস্ত্র মতে ‘বাস্তু শান্তি’ এবং ‘অন্নধিবাস’ আচার। ‘বাস্তু শান্তি’ হল বৈদিক আচার অনুসারে পঞ্চভূত তথা— অগ্নি, আকাশ, বায়ু, পৃথিবী ও জলের পুজো করা। পঞ্চভূতের গুরুত্ব বাস্তুতন্ত্রে রয়েছে। বাস্তু পুজো করলে বাড়ি বা গৃহের সকল দোষ দূর হয়। এর ফলে সংসারের সুখ শান্তি সমৃদ্ধি লাভ হয়। এই উদ্দেশ্যেই আজ মন্দিরের পুজো করা হল।

    চতুর্থ দিনে যজ্ঞকুণ্ডের আগুন জ্বালানো হয়

    এর আগে শুক্রবার, অর্থাৎ চতুর্থ দিনে যজ্ঞের আগুন জ্বালানো হয়। রীতি অনুযায়ী ‘অরণিমন্ত’ শুরু করতে একটি কাপড়ে দুটি কাঠ ঘষে যজ্ঞকুণ্ডের আগুন জ্বালানো হয়। এই যজ্ঞের আগুন আগামী ২২ জানুয়ারির ১২.২০ মিনিট পর্যন্ত অবিরাম প্রবাহে জ্বলবে বলে জানা গিয়েছে। রামলালার প্রাণ প্রতিষ্ঠার দিনে গর্ভগৃহে উপস্থিত থেকে প্রধান যজমানের ভূমিকা পালন করবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। এরপর ২৩ তারিখ থেকে সর্ব সাধারণ ভক্তদের জন্য রামলালার দর্শন উন্মুক্ত করে দেওয়া হবে।

    ‘নেত্রোন্মেলন’ উপাচার

    মন্দিরের (Ayodhya Ram Temple) শ্রীরাম জন্মভূমি তীর্থক্ষেত্র ট্রাস্টের এক সদস্য গবিন্দ দেব গিরি জানিয়েছেন, “২২ জানুয়ারিতে প্রাণ প্রতিষ্ঠার দিনে ‘নেত্রোন্মেলন’ উপাচার হবে।” এরপর প্রভু রাম লালার মুখমণ্ডল উন্মোচিত করা হবে। এই নেত্রোন্মেলন’ উপাচার হল সোনার চামচে মধু লাগিয়ে রাম লালার চোখে স্পর্শ করানোর মধ্যে দিয়ে সিক্ত করা। এই আচার আনেকটা সাধারণের কাছে চোখে কাজল পরার মতোই। এই ভাবেই রামলালার অভিষেক প্রক্রিয়া সম্পন্ন হবে।   

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Railway: দেশের ৩০০টিরও বেশি রেল স্টেশন নামাঙ্কিত হবে রাম-নামে, পশ্চিমবঙ্গে হচ্ছে ক’টি?

    Railway: দেশের ৩০০টিরও বেশি রেল স্টেশন নামাঙ্কিত হবে রাম-নামে, পশ্চিমবঙ্গে হচ্ছে ক’টি?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অযোধ্যায় রামলালার প্রাণ প্রতিষ্ঠার আগে প্রভু শ্রী রামের নামে নামকরণ করা হবে ৩০০টিরও বেশি রেল স্টেশন (Railway)। বাংলায় ৫০টি রেল স্টেশনের নতুন নামকরণ হবে রামের নামে। এই কথা রেলমন্ত্রক সূত্রে জানা গিয়েছে।

    ভারতের কোটি কোটি মানুষের মনে প্রভু শ্রীরামেকে ঘিরে ঐতিহাসিক, পৌরাণিক, সাহিত্যিক এবং মহাকাব্যিক রাম চরিত্রের প্রতি ধর্মীয় আস্থা, বিশ্বাস রয়েছে। প্রভু শ্রীরামের ‘রাম নাম ছাড়া জগতের উদ্ধার নেই’ এই কথা শত শত বছর ধরে ভারতীয়দের মনের গভীরে গেঁথে রয়েছে। এবার দেশের রেল ব্যবস্থার যোগাযোগ মাধ্যমে অত্যাধুনিক ও উন্নত প্রযুক্তির সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে বেশ কিছু স্টেশনের নব পরিচয় হবে রামচন্দ্রের নামে।

    কী জানা গিয়েছে(Railway)?

    সূত্রে জানা গিয়েছে, ৩৪৩টি রেল স্টেশনের (Railway) নতুন নামকরণ করা হবে। জায়গা বা স্থানের নামের সঙ্গে সাধারণ মানুষের কাছে পরম্পরায় বাহিত এবং নান্দনিক গুরুত্বের কথা মাথায় রেখে এই রেল স্টেশনগুলির নতুন নামকরণ করা হবে। স্টেশনগুলিকে নানা বর্ণের আর্ট, শিল্পকলা, প্রতিচ্ছবি এবং বৈচিত্র্যপূর্ণ সাজে সাজানো হবে।

    রেলের তরফ থেকে আরও জানা গিয়েছে, আগামী ২২ তারিখ রামমন্দিরে রামলালার প্রাণ প্রতিষ্ঠার দিনে ৮০০০টি রেল স্টেশনে প্রদীপ জ্বালিয়ে দীপাবলি উৎসব পালন করা হবে। একই সঙ্গে ৯০০০টি স্টেশনের এলইডি পর্দায় রেলযাত্রীদের জন্য মন্দিরের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের সরাসরি সম্প্রচার দেখানো হবে।

    কোন প্রদেশে কটা স্টেশনের নাম হবে?

    দেশের যে যে রাজ্যের যতগুলি রেল স্টেশনকে (Railway) রামের নামে নামাঙ্কিত হবে তা হল— অন্ধ্রপ্রদেশে ৫৫টি, অসমে ১০টি, বিহারে ২৮টি, ছত্তিশগড়ে ৪টি, গুজরাটে ৭টি, হারিয়ানাতে ১টি, হিমাচল প্রদেশে ১টি, জম্মু-কাশ্মীরে ২টি, ঝাড়খণ্ডে ৯টি, কর্নাটকে ১৫টি, কেরলে ১৫টি, মধ্যপ্রদেশে ১৬টি, মহারাষ্ট্রে ৫টি, ওড়িশায় ৭টি, পাঞ্জাবে ৪টি, রাজস্থানে ১৫টি, তামিলনাড়ুতে ৫৪টি, তেলঙ্গানায় ১৭টি, ত্রিপুরায় ১টি, উত্তরপ্রদেশে ২৬টি, উত্তরাখণ্ডে ১টি এবং পশ্চিমবঙ্গে ৫০টি। রাম ভক্তদের কাছে এই খবর আরও উচ্ছ্বাস এবং আবেগের।

    পর্যটন এবং সাংস্কৃতিক আদান প্রদানের

    সূত্রে জানা গিয়েছে, রেল (Railway) ব্যবস্থা এই স্টেশনের নামকরণে আগামী দিনে পর্যটন শিল্প বিকাশের একটি বিরাট ক্ষেত্রের সম্ভবনা তৈরি করবে। ভারতের হাজার বছরের পুরাতন সমৃদ্ধশীল সংস্কৃতিকে বিশ্বের কাছে পৌঁছে দেওয়ার একটি বড় মাধ্যম হবে। পর্যটকরা রেলপথে ভ্রমণের সময় ভারতের বৈচিত্রময় সংস্কৃতির নানা ভাবনার কথা জানতে পারবেন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Narendra Modi: রামলালার প্রাণ প্রতিষ্ঠার আগে কঠোর ‘যম নিয়ম’ পালন করছেন মোদি, কী এর তাৎপর্য?

    Narendra Modi: রামলালার প্রাণ প্রতিষ্ঠার আগে কঠোর ‘যম নিয়ম’ পালন করছেন মোদি, কী এর তাৎপর্য?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অন্তরের শুদ্ধিকরণে কঠোর নিয়ম পালন করছেন মোদি (Narendra Modi)। রাম মন্দিরের উদ্বোধন এবং প্রাণ প্রতিষ্ঠার ১১ দিন আগে থেকেই এই সংযম করছেন। গর্ভগৃহে রামলালার প্রাণ প্রতিষ্ঠার প্রধান যজমানের ভূমিকা পালন করবেন। তাই খাবার এবং ঘুমে কঠোর নিয়ম পালনে রয়েছেন তিনি। শাস্ত্রের বিধান অনুযায়ী বিধিনিষেধর মধ্যে রয়েছেন বলে জানা গিয়েছে। আগামী ২২ জানুয়ারী রামলালার প্রাণ প্রতিষ্ঠা হবে। প্রধান পৌরহিত্য করবেন বারাণসীর লক্ষ্মীকান্ত দীক্ষিত। ভারত এবং ভারতের বাইরে থেকে আমন্ত্রিত অতিথিরা যোগদান করবেন এই অনুষ্ঠানে। গতকাল গর্ভগৃহে বাসনো হয়েছে রামলালার কৃষ্ণশিলা মূর্তি।

    খাবারের তালিকায় কী রয়েছে (Narendra Modi)

    প্রাণ প্রতিষ্ঠার ১১ দিনব্যাপী সংযমের মধ্যে দিয়ে চলেছেন নরেন্দ্র মোদি (Narendra Modi)। খাবারের তালিয়ায় কঠিন নিয়মের পালন করছেন। এই নিয়মকে ‘যম নিয়ম’ বলা হয়েছে। এখানে ‘যম’ মানে হল ‘সংযম’। তিনি ডাবের জল খেয়ে দিন কাটাচ্ছেন। খাবারের তালিকায় রয়েছে কেবল মাত্র ফলাহার। মূলত সাত্ত্বিক আহারে দিনপাত করছেন তিনি। রাতে ঘুমাচ্ছেন মাটিতে কম্বল বিছিয়ে।

    সংযমের মধ্যে দায়িত্ব পালন করছেন মোদি

    ‘যম নিয়ম’ এবং অনুশাসনের মধ্যে থাকা সত্ত্বেও প্রধানমন্ত্রী (Narendra Modi) নিজের দফতরের কাজ সামলাচ্ছেন। সম্প্রতি কয়েক সপ্তাহ ধরে তিনি মহারাষ্ট্র, কেরল, এবং অন্ধ্রপ্রদেশে বিশেষ যাত্রা করেছেন। একই সঙ্গে একাধিক মন্দিরে ভক্তি নিবেদন করতে যাচ্ছেন। রামের ভজন কীর্তন শ্রবণ এবং জপ করছেন। সূর্য উদয়ের আগেই ঘুম থেকে উঠছেন। ঘুম থেকে উঠেই ধ্যান করছেন। কেরলের এর্নাকুলাম সরকারি গেস্ট হাউসে থাকার সময় রাতে কেবলমাত্র ফলাহার করেছেন।

    যম নিয়ম শাস্ত্রসম্মত

    শাস্ত্রের একটি বড় বিধান হল রামলালার প্রাণ প্রতিষ্ঠার সময় কঠিন নয়ম পালন করতে হয়। এই যমের সঙ্গে শাস্ত্রের সঙ্গে গভীর সম্পর্ক রয়েছে। অষ্টাঙ্গ যোগের আটটি অঙ্গের মধ্যে প্রথমে যম এবং তারপরে নিয়ম ব্যাখ্যার কথা বলা হয়েছে। আচার মেনে নিয়ম করে যজমানদের স্নান করতে হয়। নিয়মের বাইরে গিয়ে খাওয়া দাওয়া করা যায় না। প্রাণ প্রতিষ্ঠার আগে এই নিয়ম পালন করতে হয়। দৈনিক কাজের ব্যস্ততা থাকা সত্ত্বেও নানান সংযম পালন করে এক ধর্মীয় নিষ্ঠার প্রকৃষ্ট উদাহরণ তুলে ধরেছেন নরেন্দ্র মোদি (Narendra Modi)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Ayodhya Ram Temple: রাম মন্দিরের গর্ভগৃহে বসল রামলালার মূর্তি, প্রকাশ্যে সেই ছবি

    Ayodhya Ram Temple: রাম মন্দিরের গর্ভগৃহে বসল রামলালার মূর্তি, প্রকাশ্যে সেই ছবি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাম মন্দিরের (Ayodhya Ram Temple) গর্ভগৃহে কৃষ্ণশিলায় নির্মিত রামলালার মূর্তি বসানোর ছবি সমানে এল। গতকাল বৃহস্পতিবার দুপুর ১টা ২৮ মিনিটের মাহেন্দ্রক্ষণে মন্দিরে বাসনো হয় এই মূর্তি। গর্ভগৃহের এই মূল বেদিতেই বিরাজমান থাকবেন প্রভু রাম। সংবাদমাধ্যমের কাছে এই ছবি প্রকাশিত হতেই রামভক্তদের মধ্যে বিপুল উচ্ছ্বাস লক্ষ্য করা গিয়েছে।

    শোভাযাত্রা করে বসানো হল মূর্তি (Ayodhya Ram Temple)

    বুধবার সন্ধ্যায় শোভাযাত্রা করে অযোধ্যার রাম মন্দিরে (Ayodhya Ram Temple) নিয়ে আসা হয়েছিল রামলালার মূর্তি। এরপর বৃহস্পতিবার দুপরে শিশু সুলভ সরল বালক রূপী রামের ৫১ ইঞ্চির মূর্তিটি ‘শুভ মুহূর্তে’ গর্ভগৃহে স্থাপন করা হয়। স্থাপনের পর, বৈদিক মতে মূর্তিটির বিশেষ পুজো করেন ব্রাহ্মণ এবং আচার্যরা। ওই পুজোতে অংশ গ্রহণ করেন বিশ্ব হিন্দু পরিষদ এবং ট্রাস্টের সদস্যরা। পবিত্র বৈদিক মন্ত্র উচ্চারণের মধ্যে এদিন মূর্তির পুজো অনুষ্ঠিত হয়। তার পর রামলালার সেই প্রথম ছবি প্রকাশিত হয়। বিশ্ব হিন্দু পরিষদের মিডিয়া ইনচার্জ শরদ শর্মা ছবিটি প্রথম প্রকাশ্যে তুলে ধরেন। তবে মূর্তির মূখমণ্ডল হলুদ কাপড়ের আবরণে আবৃত। গায়ে ছিল সাদা চাদর। প্রাণ প্রতিষ্ঠার দিনে এই মূর্তি উন্মোচিত হবে।

    ভোটের মাধ্যমে মূর্তি নির্বাচিত হয়

    শ্রীরাম জন্মভূমি তীর্থক্ষেত্র ট্রাস্টদের সদস্যরা ভোটদানের মাধ্যমে এই মূর্তিকে মন্দিরের (Ayodhya Ram Temple) গর্ভগৃহের জন্য নির্বাচিত করেন। মূর্তির শিল্পী হলেন কর্নাটকের ভাস্কর অরুণ যোগীরাজ। জানা গিয়েছে, যোগীরাজের পরিবার কয়েক পাঁচ পুরুষ ধরে মূর্তি নির্মাণের কাজ করে থাকেন। মূর্তিটি কৃষ্ণশিলা থেকে খোদাই করে তৈরি করা হয়। বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন, এই মূর্তিকে আকর্ষণীয়, টেকসই, ভাস্কর্যের বিচারে চমকপ্রদ করতে কৃষ্ণশিলা ব্যবহার করা হয়েছে। মেঙ্গালুরুর কাছেই কারকালা শহরে পাওয়া যায় এই শিলা। 

    ২২ জানুইয়ারি হবে প্রাণ প্রতিষ্ঠা

    আগামী ২২ জানুয়ারি রামমন্দির (Ayodhya Ram Temple) উদ্বোধনের দিন দুপুর ১২টা ২০ মিনিটে গর্ভগৃহে বাসানো এই মূর্তিটির প্রাণ প্রতিষ্ঠা করা হবে। প্রধান যজমানের ভূমিকা পালন করবেন দেশের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। গোটা আচার-অনুষ্ঠানের তত্ত্বাবধান, সমন্বয় এবং পরিচালনার দায়িত্বে থাকবেন শ্রী গণেশ্বর শাস্ত্রী দ্রাবিড়। প্রধান আচার্য হবেন কাশীর শ্রী লক্ষ্মীকান্ত দীক্ষিত। বিশেষ অতিথি হিসেবে প্রাণ প্রতিষ্ঠার সময় গর্ভগৃহে উপস্থিত থাকবেন রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সঙ্ঘের পরিচালক মোহন ভাগবত, উত্তরপ্রদেশের রাজ্যপাল আনন্দীবেন প্যাটেল এবং মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Ram Mandir Pran Pratishtha: রাম মন্দির উদ্বোধনে চাঁদের হাট, আমন্ত্রণ পত্র পেলেন সচিন-কোহলি, আশা-ঊষা

    Ram Mandir Pran Pratishtha: রাম মন্দির উদ্বোধনে চাঁদের হাট, আমন্ত্রণ পত্র পেলেন সচিন-কোহলি, আশা-ঊষা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আর মাত্র কয়েক দিনের অপেক্ষা। আগামী ২২ জানুয়ারি অযোধ্যায় রাম মন্দিরের উদ্বোধন ঘিরে প্রস্তুতি প্রায় সারা। রাম মন্দিরের দ্বারোদ্ঘাটন অনুষ্ঠানে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে চার হাজার সাধু-সন্ত উপস্থিত থাকবেন। সমাজের বিভিন্ন অংশের প্রায় ২,৫০০ বিশিষ্ট ব্যক্তিকে আমন্ত্রণ জানান হয়েছে। বিশিষ্টদের তালিকায় খেলাধুলা, চলচ্চিত্র, শিক্ষা জগতের স্বনামধন্য ও পুরস্কারপ্রাপ্ত ব্যক্তিরা থাকবেন। রাজনৈতিক জগতের বহু নামীদামি ব্যক্তিত্ব সেখানে উপস্থিত থাকবেন। ইতিমধ্যেই তাঁদের কাছে নিমন্ত্রণ পত্র পৌঁছে গিয়েছে। আমন্ত্রণ পত্র হাতে পেয়েছেন আশা ভোঁসলে, ঊষা মঙ্গেশকর, বিরাট কোহলি, সচিন তেন্ডুলকর-সহ দেশের গণ্যমান্য ব্যক্তিরা।

    বলিউডের আমন্ত্রিতরা

    শ্রী রাম জন্মভূমি তীর্থ ক্ষেত্র ট্রাস্ট (Shree Ram Janmabhoomi Tirtha Kshetra Trust) ২২শে জানুয়ারি দুপুরবেলা রাম লালার মূর্তিকে সিংহাসনে বসানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে। শ্রী রাম জন্মভূমি মন্দিরের প্রধান পুরোহিত আচার্য সতেন্দ্র দাস আগেই জানিয়েছিলেন যে, প্রাণ প্রতিষ্ঠা ট্রাস্টের (Pran Pratishtha) পক্ষ থেকে অমিতাভ বচ্চন, অক্ষয় কুমার ও আরও কলাকুশলীদের আমন্ত্রিত করা হয়েছে। রাম মন্দিরের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে থাকছেন অজয় দেবগণ, প্রভাস, যশ, মোহনলাল, অরুণ গোভিল, মাধুরী দীক্ষিত, ধনুষ, রণবীর কাপুর, আলিয়া ভাট, আয়ুষ্মান খুরানা, কঙ্গনা রানওয়াত, অনুষ্কা শর্মা, সুভাষ ঘাই-দের মত চলচ্চিত্র তারকারা। সকলেই রামলালার প্রাণ প্রতিষ্ঠায় অংশ নিতে পারবেন ভেবে খুশি। আগামী ২২ জানুয়ারি প্রাণ প্রতিষ্ঠা অনুষ্ঠানের জন্য প্রথমে মরিয়দা পুরুষোত্তম শ্রী রাম বিমানবন্দরে পৌঁছবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। এরপর শ্রী রাম জন্মভূমি কমপ্লেক্স, কুবের টিলা, শিব মন্দিরে যাবেন। তারপর মন্দিরের গর্ভগৃহের প্রাণ প্রতিষ্ঠায় অংশ নেবেন। পুজোর পর রামলালার আরতি হবে।

    আরও পড়ুন: রাম মন্দিরের যজ্ঞশালায় মূর্তি নির্মাণের কাজ করছেন বঙ্গের শিল্পীরা, শুরু হল পূজাচার

    কবে থেকে সাধারণ দশর্নার্থীরা যাবেন

    উদ্বোধনের দিন সাধারণ মানুষদের অযোধ্যায় প্রবেশ নিষিদ্ধ করা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি আবেদন করেছেন, রামলাল্লার অসুবিধার কথা মাথায় রেখে ২২ জানুয়ারি যেন আমন্ত্রিতরা ছাড়া কেউ যেন অযোধ্যায় না আসেন। সাধারণ মানুষদের প্রবেশ রুখতে অযোধ্যা বর্ডারে বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থাও তৈরি হয়েছে। শুধু ২২ জানুয়ারি নয়, উদ্বোধনের আগের দু দিন মানে ২০ ও ২১ জানুয়ারিও অযোধ্যা রামমন্দিরের সামনে আসতে পারবেন না কোনও সাধারণ মানুষ। সেদিন থেকেই অযোধ্যায় সাধারণ মানুষদের প্রবেশ নিষিদ্ধ হচ্ছে। শ্রী রাম জন্মভূমি তীর্থক্ষেত্রর সাধারণ সচিব চম্পত রাই জানালেন, উদ্বোধনের পরদিন মানে আগামী ২৩ জানুয়ারি থেকে সাধারণ মানুষদের জন্য অযোধ্যায় রাম মন্দির দর্শনের জন্য দরজা খুলে যাচ্ছে। সেদিন থেকেই সাধারণ মানুষ অযোধ্যায় রাম মন্দিরে ঢুকে প্রাণ খুলে ভগবান রামের দর্শন করতে পারবেন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Ayodhya Ram Temple: প্রাণ প্রতিষ্ঠার আগেই রাম মন্দিরের গর্ভগৃহে বসল সোনার ফটক

    Ayodhya Ram Temple: প্রাণ প্রতিষ্ঠার আগেই রাম মন্দিরের গর্ভগৃহে বসল সোনার ফটক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাম মন্দির উদ্বোধনকে ঘিরে দেশজুড়ে রামভক্তদের মধ্যে উন্মাদনা এখন তুঙ্গে। আগামী ২২ জানুয়ারি রাম মন্দিরে রামলালার (Ayodhya Ram Temple) প্রাণ প্রতিষ্ঠা হবে। মঙ্গলবার থেকেই শুরু হয়ে গিয়েছে সপ্তাহব্যাপী ধর্মীয় আচার। তার আগে, মন্দিরের গর্ভগৃহে বসল স্বর্ণফটক। এই গর্ভগৃহে রামলালা বিরজমান হবেন।  নিজেদের এক্স হ্যান্ডলে এই ছবি শেয়ার করে ‘শ্রী রাম জন্মভূমি তীর্থক্ষেত্র ট্রাস্ট’ উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেছে। আরও জানা গিয়েছে, গর্ভগৃহে কোনও জানলা নেই। সর্বক্ষণ আলোয় সজ্জিত থাকবে গৃহ। ভক্তদের নিষ্ঠায় যাতে কোনও প্রকার ব্যাঘাত না ঘটে তাই এই ব্যবস্থা করা হয়েছে। মন্দিরের গর্ভগৃহ পশ্চিমমুখী করা হয়েছে। যার এক দিকে দরজা এবং বাকি তিন দিকে দেওয়াল দিয়ে ঘেরা রয়েছে।

    ১০০ কেজির সোনার প্রলেপ দরজায় (Ayodhya Ram Temple)

    এক্স হ্যান্ডলে একটি পোস্টে শ্রী রাম জন্মভূমি তীর্থক্ষেত্র ট্রাস্টের তরফে বলা হয়েছে, “ভগবান শ্রী রামলালার (Ayodhya Ram Temple) গর্ভগৃহে সোনার দরজা স্থাপনের পাশাপাশি নিচুতলার আরও ১৪টি সোনার দরজা স্থাপনের কাজ সম্পন্ন হয়েছে।” সূত্রে আরও জানা গিয়েছে, প্রভু রামের এই ভব্য মন্দিরে মোট ৪৬টি দরজা স্থাপন করা হয়েছে, যার মধ্যে ৪২টি দরজায় মোট ১০০ কেজি সোনা দিয়ে প্রলেপ দেওয়া হয়েছে।

    একইসঙ্গে ট্রাস্টের সাধারণ সম্পাদক চম্পত রাই বলেছেন, “অযোধ্যায় রামলালার প্রাণ প্রতিষ্ঠার জন্য সব রকম প্রস্তুতি সম্পূর্ণ হয়েছে। আগামী ২২ জানুয়ারি দুপুর ১২টা ২০ মিনিটে গর্ভগৃহে রামলালার প্রাণ প্রতিষ্ঠা করা হবে। প্রভু রামের ৫ বছরের বাল্যকালের শিশুসুলভ সরল রূপের মূর্তিটি স্থাপন করা হবে। এই অনুষ্ঠানে যোগদান করবেন দেশের প্রধানমন্ত্রী। থাকবেন উত্তর প্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ এবং আরএসএস প্রধান মোহন রাও ভাগবত।”

    ৭১ একর জমির মধ্যে মন্দির

    মন্দির (Ayodhya Ram Temple) সূত্রে জানা গিয়েছে, মোট ৭১ একর জমির মধ্যে এই মন্দির গড়ে উঠেছে। গর্ভগৃহ সহ পাঁচটি মণ্ডপ মিলে ছয়টি অংশে ভাগ করা হয়েছে। এই ভাগের মধ্যে প্রত্যেকটিতে এক একটি মন্দির থাকবে। এই ভাগগুলি হল- গান মণ্ডপ, রঙ মণ্ডপ, নৃত্য মণ্ডপ, কীর্তন মণ্ডপ, প্রার্থনা মণ্ডপ। মন্দিরের মোট উচ্চতা ১৬১ ফুট। মন্দিরে তিনটি তলা হবে। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share