Tag: Ration Scam

Ration Scam

  • Ashwini Kumar Choubey: ‘বাংলা দুর্নীতির আখড়া হয়ে দাঁড়িয়েছে’, বিস্ফোরক কেন্দ্রীয় মন্ত্রী অশ্বিনীকুমার চৌবে

    Ashwini Kumar Choubey: ‘বাংলা দুর্নীতির আখড়া হয়ে দাঁড়িয়েছে’, বিস্ফোরক কেন্দ্রীয় মন্ত্রী অশ্বিনীকুমার চৌবে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাংলায় রেশনে বড় ধরনের দুর্নীতি হয়েছে। কেন্দ্রের পাঠানো সম্পূর্ণ রেশন সামগ্রী পশ্চিমবঙ্গের মানুষের কাছে পৌঁছায়নি। রেশন সামগ্রী লুট হয়েছে। বুধবার বীরভূমের তারাপীঠে পুজো দিতে এসে কেন্দ্রীয় সরকারের উপভোক্তা বিষয়ক, খাদ্য ও জনবন্টন এবং পরিবেশ দফতরের প্রতিমন্ত্রী অশ্বিনী কুমার চৌবে (Ashwini Kumar Choubey) এই মন্তব্য করেন। এমনিতেই রেশন দুর্নীতির অভিযোগে প্রাক্তন খাদ্যমন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক জেলে রয়েছেন। মন্ত্রী ঘনিষ্ঠ ব্যবসায়ীও জেলে রয়েছেন। জেলায় জেলায় একাধিক রেশন ডিলার এই দুর্নীতির সঙ্গে জড়িত। ইতিমধ্যেই অনেক রেশন ডিলারের বাড়িতে ইডি হানা দিয়েছে। এখনও অভিযান চলছে। এরই মধ্যে কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর রেশন দুর্নীতি নিয়ে মন্তব্য যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ বলে রাজনৈতিক মহল মনে করছে। রেশন নিয়ে কেন্দ্রীয় সরকার যে যথেষ্ট কড়া, তা মন্ত্রীর বক্তব্যে পরিষ্কার।

    মুখ্যমন্ত্রীকে নিয়ে কী বললেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী? (Ashwini Kumar Choubey)

    বুধবার কেন্দ্রীয় মন্ত্রী বীরভূমের তারাপীঠ মন্দিরে পুজো দেন। সঙ্গে ছিলেন বীরভূমের দুবরাজপুরের বিজেপির বিধায়ক অনুপ কুমার সাহা। মুখ্যমন্ত্রী প্রসঙ্গে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী অশ্বিনী কুমার চৌবে বলেন, বাংলা দুর্নীতির আখড়া হয়ে দাঁড়িয়েছে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এই দুর্নীতি আটকাতে অসফল। তাঁর ভাইপোর বিরুদ্ধে বড় বড় অভিযোগ রয়েছে। ও সেই অভিযোগ থেকে বের হতে পারবে না। বাংলার জনতা তাঁদের তুলে ফেলে দেবে। ব্যক্তি স্বার্থে সোনার বাংলাকে পুড়িয়ে দিয়েছে। বাংলায় গুণ্ডারাজ চলছে। বিজেপি সেই গুন্ডারাজ নির্মূল করবে। বাংলায় বিজেপি সরকার গঠন করবে।

    ইন্ডি জোটকে কটাক্ষ করলেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী

    কেন্দ্রীয় মন্ত্রী (Ashwini Kumar Choubey) বলেন, লোকসভার ভোটের আগে ইন্ডি জোট হয়েছে। এই জোট বাস্তবায়িত হবে না। এই জোটের অন্যতম শরিক কংগ্রেস। সেই কংগ্রেসের কালচার দুর্নীতি করা। ইন্ডি জোট আসলে দুর্নীতিদের জোট হয়েছে। ঝাড়খণ্ডের কংগ্রেসের প্রাক্তন রাজ্যসভার সাংসদের বাড়ি থেকে চারশো কোটিরও বেশি কালো টাকা উদ্ধার হয়েছে। এই দল কতটা দুর্নীতিগ্রস্ত তা দেশবাসী দেখতে পাচ্ছেন।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Amit Shah: “হিম্মত থাকলে জ্যোতিপ্রিয়, অনুব্রতদের সাসপেন্ড করে দেখান”, মমতাকে চ্যালেঞ্জ অমিত শাহের

    Amit Shah: “হিম্মত থাকলে জ্যোতিপ্রিয়, অনুব্রতদের সাসপেন্ড করে দেখান”, মমতাকে চ্যালেঞ্জ অমিত শাহের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কলকাতায় এসে সরাসরি তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ (Amit Shah)। ধর্মতলায় বিজেপির ভিড়ে ঠাসা সমাবেশ থেকে তিনি রাজ্যের শাসকদলকে নানা ইস্যুতে আক্রমণ শানান। তবে নিয়ো-দুর্নীতি এবং রেশনকাণ্ড নিয়ে তাঁর গলায় ছিল আক্রমণাত্মক সুর। এমনিতেই তৃণমূলের হেভিওয়েট বেশ কয়েকজন নেতা জেলের ঘানি টানছেন। তাঁদের নিয়ে দল যথেষ্ট বিব্রত। তার ওপর এদিন অমিত শাহের আক্রমণ কার্যত কাটা ঘায়ে নুনের ছিটে। তিনি এদিন জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক, অনুব্রত মণ্ডল এবং পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের নাম করেন। তারপরই তৃণমূল নেত্রীকে নিশানা করে বলেন, “মমতাকে বলছি হিম্মত থাকলে জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক, অনুব্রত মণ্ডল, পার্থ চট্টোপাধ্যায়কে তৃণমূল কংগ্রেস থেকে সাসপেন্ড করে দেখান। আপনি পারবেন না। যারা নিজে দুর্নীতিগ্রস্ত, তারা এই রাজ্যকে দুর্নীতিমুক্ত করতে পারবে না। তৃণমূল সাংসদ সংসদকেও অপবিত্র করেছে।”

    হিসাব দিয়ে জবাব (Amit Shah)

    কেন্দ্র টাকার অঙ্কে রাজ্যকে ভরিয়ে দিলেও তা যে প্রকৃত উপভোক্তাদের কাছে যাচ্ছে না, এটা নিয়েই বাংলায় সরব হয়েছে বিজেপি। তাদের সাফ কথা, মোদির দেওয়া টাকা রাজ্যে চুরি করছে শাসকদল। মানুষকে বঞ্চিত করে তৃণমূলের নেতা-কর্মীরা ফুলে-ফেঁপে উঠছেন। যাঁর হাতে দেখা যেত আধ-পোড়া বিড়ি, তিনি এখন খাচ্ছেন দামী সিগারেট। মমতা নিজের দলের এই দুর্নীতিকে ঢাকতে কেন্দ্রের বিরুদ্ধে পাল্টা আক্রমণ শুরু করেছেন। মোদি টাকা আটকে দিয়েছে, এই অভিযোগ তুলে সোচ্চার হচ্ছেন। অমিত শাহর (Amit Shah) ভাষণে এদিন এই প্রসঙ্গও উঠে আসে। তিনি বলেন, কান খুলে শুনুন, আপনার জন্য হিসেব এনেছি। ইউপিএ সরকার দশ বছরে ২ লক্ষ ১৪ হাজার কোটি টাকা দিয়েছে। মনরেগায় তিনগুণ বেশি টাকা দেওয়া হয়েছে। হাইওয়ের জন্য মোট ৭০ হাজার কোটি টাকা দেওয়া হয়েছে। টাকা না দেওয়ার অভিযোগ শুধু মুখে নয়, এভাবে হিসাব দিয়ে তিনি নস্যাৎ করে দিয়েছেন। শাহের দাবি, মোদি সরকার বাংলার জন্য কোটি কোটি পাঠাচ্ছে। কিন্তু তৃণমূলের জন্যই তা বাংলার গরিব মানুষ হাতে পাচ্ছে না। দুর্নীতির পাশাপাশি ভোটে সন্ত্রাস নিয়েও এদিন সোচ্চার হতে দেখা যায় শাহকে।

    রাজ্যে দারিদ্রতা কমেনি (Amit Shah)

    দুর্নীতি ইস্যুতে শাহ (Amit Shah) আরও বলেন, সব জায়গায় দারিদ্রতা কমেছে। কিন্তু পশ্চিমবঙ্গে কমেনি। যে বাংলা সাহিত্য, বিজ্ঞান, কলা, স্বাধীনতা, উদ্যোগের ক্ষেত্রে এক নম্বরে ছিল, সেই বাংলাকে দিদি পিছিয়ে দিয়েছেন। আজ আমি বাংলার মানুষকে বলতে এসেছি, আপনারা একবার পুরো দেশের বিকাশ দেখুন। মোদি কোটি কোটি মানুষের জীবন পরিবর্তন করেছেন। শৌচালয়, রেশন, বাড়ি, ৫ লাখের বিমা, কোভিড টিকা দিয়েছেন। কিন্তু বাংলা ক্রমশ পিছিয়ে যাচ্ছে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • ED: ‘জ্যোতিপ্রিয় মল্লিকের এজেন্ট উত্তরবঙ্গে ঘুরে বেড়াচ্ছে!’ ইডি-কে চিঠি দিলেন বিজেপি বিধায়ক

    ED: ‘জ্যোতিপ্রিয় মল্লিকের এজেন্ট উত্তরবঙ্গে ঘুরে বেড়াচ্ছে!’ ইডি-কে চিঠি দিলেন বিজেপি বিধায়ক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রেশন দুর্নীতিতে রাজ্যের প্রাক্তন খাদ্যমন্ত্রী তথা বর্তমান বনমন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক জেলে রয়েছেন। কিন্তু, শিলিগুড়ি সহ উত্তরবঙ্গে তাঁর এজেন্টরা কেন এখনও ইডির (ED) আতশকাচের তলায় এল না। কীভাবে তাঁরা বহাল তবিয়তে ঘুরে বেড়াচ্ছেন? এই প্রশ্নে শিলিগুড়ি সহ গোটা উত্তরবঙ্গে তদন্তে আসার জন্য ইডিকে চিঠি দিলেন শিলিগুড়ির বিধায়ক বিজেপির শঙ্কর ঘোষ। সেই চিঠিতে উত্তরবঙ্গে জ্যোতিপ্রিয় মল্লিকের প্রধান এজেন্ট হিসেবে বিমল রায়ের নাম উল্লেখ করেছেন। জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক যে অভিযোগে জেলে রয়েছেন, তার দোসর হিসেবে শিলিগুড়ির বিমল রায়কে ইডি তদন্তে ছাড় দিতে পারে না বলে দাবি বিজেপি বিধায়কের।

    কে এই বিমল রায়?

    জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক গ্রেফতারের পর রেশন দুর্নীতি নিয়ে শিলিগুড়ির বিমল রায়ের নাম বিভিন্ন মহল থেকে উঠে এসেছে। শিলিগুড়ির মাটিগাড়া ব্লকের পাথরঘাটা গ্রাম পঞ্চায়েতের বাসিন্দা বিমল রায় রেশন ব্যবসার নিয়ন্ত্রক হয়ে উঠেছিলেন। শিলিগুড়ি সহ উত্তরবঙ্গে রাজ্যের খাদ্য দফতর তথা রেশন ব্যবস্থার তিনিই ছিলেন শেষ কথা। নিজের পরিবারের জন্য রেশনের একাধিক লাইসেন্স রয়েছে তাঁর। অভিযোগ, রেশন ডিলারশিপ ও ডিস্ট্রিবিউটরের লাইসেন্স দেওয়ার ক্ষেত্রেও তাঁর পছন্দ-অপছন্দ শেষ কথা হয়ে উঠেছিল। খাদ্য দফতরে চুক্তিভিত্তিক কর্মী নিয়োগেও বিমলবাবু শেষকথা ছিলেন। তাঁর ইচ্ছেতে রাতারাতি রেশন কার্ড তৈরি হয়েছে। খাদ্য দফতরের আধিকারিকদের কাছে বিমল রায় ছিলেন ‘রায় সাহেব’। রায় সাহেবের ভয়ে সকলেই তটস্থ থাকতেন। 

    ইডিকে কেন উত্তরবঙ্গে আহ্বান বিধায়ক শঙ্কর ঘোষের? (ED)

    বিজেপি বিধায়ক শঙ্কর ঘোষ বলেন, শিক্ষা, গরু পাচার, শিক্ষক সহ বিভিন্ন দফতরে নিয়োগ দুর্নীতি, খাদ্য দফতরে একের পর এক দুর্নীতিতে জেলে রয়েছেন তৃণমূলের নেতামন্ত্রীরা। শিলিগুড়ি সহ গোটা উত্তরবঙ্গেও তাদের এজেন্টরা রয়েছেন। এদের মাধ্যমে এখান থেকে বিপুল পরিমাণ টাকা কলকাতায় চলে যেত। সেই টাকা রিয়েল এস্টেট থেকে শুরু করে ক্র্যাশার, পর্যটন ব্যবসায় খাটানো হয়েছে। বিমল রায় সেরকমই একজন প্রভাবশালী এজেন্ট। তাঁর নিজের ও তাঁর পরিবারের নামে দুটি রেশন ডিলার ও একটি ডিস্ট্রিবিউটরের লাইসেন্স রয়েছে। খাদ্য দফতরের নিয়ম অনুযায়ী যা অবৈধ। তাহলে বিমল রায় কীভাবে এই লাইসেন্সগুলি পেয়েছিলেন, এই প্রশ্নের উত্তরেই রয়েছে প্রাক্তন খাদ্যমন্ত্রীর রেশন দুর্নীতির সঙ্গে বিমল রায়ের ওতপ্রোতভাবে জড়িত থাকার দিকটি। কিন্তু, আমরা আশ্চর্যের সঙ্গে দেখতে পাচ্ছি, জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক গ্রেফতার হওয়ার পর এখনও বিমল রায় ও অন্যান্য এজেন্টরা বহাল তবিয়তে ঘুরে বেড়াচ্ছেন। তদন্তের স্বার্থে অবিলম্বে ইডির (ED) শিলিগুড়ি সহ  উত্তরবঙ্গে আসা দরকার।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Ration Scam: বালুর অসুখ নিয়ে প্রশ্ন উঠতেই নয়া মেডিক্যাল বোর্ড গঠন, দলে কার্ডিওলজিস্টও

    Ration Scam: বালুর অসুখ নিয়ে প্রশ্ন উঠতেই নয়া মেডিক্যাল বোর্ড গঠন, দলে কার্ডিওলজিস্টও

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মঙ্গলবার রাতেই শারীরিক অসুস্থতা দেখিয়ে এসএসকেএম হাসপাতালে ভর্তি হন রেশন দুর্নীতিকাণ্ডে (Ration Scam) ধৃত মন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক। তাঁর অসুস্থতা নিয়ে একাধিক প্রশ্ন উঠতে শুরু হয়। অবশেষে মন্ত্রীর চিকিৎসার জন্য ১১ সদস্যের মেডিক্যাল বোর্ড গঠন করার কথা জানাল এসএসকেএম কর্তৃপক্ষ। হাসপাতাল সূত্রে জানা গিয়েছে, নিউরোমেডিসিন মেডিসিন, কার্ডিওলজি, নেফ্রোলজি, ইউরোলজি, অর্থোপেডিক এন্ডোক্রিনোলজি বিভাগের চিকিৎসকদের নিয়ে এই নতুন মেডিক্যাল বোর্ড গঠন করা হয়েছে। প্রথমে মন্ত্রী ভর্তি হন কার্ডিওলজি বিভাগে, অথচ হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানিয়ে দেয় তাঁর হার্টের কোনও সমস্যাই নেই (Ration Scam)। এরপর চাপে পড়ে বালুর মেডিক্যাল বোর্ডে রাতারাতি অন্তর্ভুক্ত করা হল হৃদরোগ-বিশেষজ্ঞকে।

    সহকর্মীদের ধারা বজায় রাখলেন বালু

    প্রথমে এসএসকেএম-এর ইমার্জেন্সিতে আড়াই ঘণ্টা ধরে তাঁর পরীক্ষা-নিরীক্ষা চালানো হয়। সেই সময় কার্ডিওলজি বিভাগের ডাক্তাররা তাঁকে দেখে জানান, তাঁর হার্টের কোনও সমস্যা নেই। এরপর মন্ত্রীর চিকিৎসা শুরু করেন নিউরোমেডিসিন বিভাগের ডাক্তাররা। আদৌ কি মন্ত্রী অসুস্থ! নাকি তাঁর পুরনো সহকর্মীদের ধারা তিনি বজায় রাখছেন! এই প্রশ্ন উঠতে শুরু করে। কারণ সিবিআই-ইডির সমন পেয়ে তৃণমূল কংগ্রেসের একাধিক গুরুত্বপূর্ণ নেতা-মন্ত্রী এর আগে ভর্তি হয়েছেন এসএসকেএম হাসপাতালে (Ration Scam)। ১০ বছর আগে মদন মিত্রকে দিয়ে শুরু হয়েছিল, এরপরে পার্থ চট্টোপাধ্যায় থেকে অনুব্রত মণ্ডল কেউই বাদ যাননি। এসএসকেএম-কে ঘুঘুর বাসা বলে গতকালই তোপ দাগেন বিজেপি নেতা দিলীপ ঘোষ। অন্যদিকে, বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার বলেন, ‘‘জেলে যাওয়া নেতা-মন্ত্রীদের অভয়ারণ্য হয়ে উঠেছে এসএসকেএম হাসপাতাল।’’

    হাসপাতালে ইডি

    বুধবারই হাসপাতালে আসেন ইডি আধিকারিকরা। জানা গিয়েছে, গতকাল হাসপাতালের আধিকারিকদের সঙ্গে কথা বলেছেন ইডি অফিসাররা। সূত্র মারফত জানা গিয়েছে, ভর্তি হওয়া মন্ত্রীর শারীরিক অবস্থার খোঁজ নিতেই হাসপাতালে এসেছিলেন ইডি-এর অফিসাররা। পাশাপাশি মনে করা হচ্ছে, নিয়োগ দুর্নীতিতে গ্রেফতার হওয়া সুজয়কৃষ্ণ ভদ্রর শারীরিক অবস্থা জানতেও হাসপাতালে আসতে পারেন ইডি গোয়েন্দারা। প্রসঙ্গত, গত ২২ আগস্ট কালীঘাটের কাকু ভর্তি হন এসএসকেএম-এ।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Panihati: দু’বছর ধরে চলছে রেশনে দুর্নীতি! মানুষ রাস্তায় নামতে ঘুম ভাঙল প্রশাসনের?

    Panihati: দু’বছর ধরে চলছে রেশনে দুর্নীতি! মানুষ রাস্তায় নামতে ঘুম ভাঙল প্রশাসনের?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রেশন দুর্নীতি নিয়ে রাজ্য জুড়ে তোলপাড় চলছে।  দুর্নীতির অভিযোগে প্রাক্তন খাদ্যমন্ত্রী এখন জেলে রয়েছেন। রেশন সামগ্রী না পাওয়ার অভিযোগে মঙ্গলবারের পর বুধবারও পানিহাটি (Panihati) পুরসভার ৩২নম্বর ওয়ার্ডের ঘোলায় ৩৯৮ নম্বর রেশন দোকানের সামনে  বিক্ষোভ দেখালেন রেশন গ্রাহকরা।

    রেশন ডিলারকে সাসপেন্ড করা নিয়ে উঠছে প্রশ্ন (Panihati)

    অনিয়মিত রেশন দেওয়ার অভিযোগে মঙ্গলবার পানিহাটি (Panihati) পুরসভার ৩২নম্বর ওয়ার্ডের ঘোলায় ৩৯৮ নম্বর রেশন দোকানের সামনে বিক্ষোভ দেখিয়েছিলেন গ্রাহকরা। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে ব্যাপক উত্তেজনা ছড়িয়েছিল। এরপরই রেশন ডিলার রাহুল সাহাকে সাসপেন্ড করে খাদ্যদফতর। পাশে রেশন দোকান থেকে রেশন সামগ্রী পাওয়া যাবে বলে খাদ্য দফতর থেকে জানানো হয়েছিল। কিন্তু প্রয়োজন মতো রেশন সামগ্রী পাওয়া যাচ্ছে না বলে অভিযোগ জানিয়েছিলেন গ্রাহকরা। সেই অভিযোগে তাঁরা এদিন বিক্ষোভ দেখান। বুধবার গ্রাহকরা বিক্ষোভ দেখিয়ে বলেন, গত দুবছর ধরে চলছে দুর্নীতি। বার বার বলার পরও প্রশাসন কোনও ব্যবস্থা নেয়নি। গ্রাহকরা জোটবদ্ধ হয়ে আন্দোলন করতে রেশন ডিলারকে সাসপেন্ড করে দুর্নীতি ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা হচ্ছে। আমাদের বক্তব্য, শুধু সাসপেন্ড নয় গত দুবছর ধরে রেশন নিয়ে যে দুর্নীতি হয়েছে, তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।

    রেশন অফিসের বৈঠকে কী আলোচনা হল?

    পরিস্থিতি পর্যালোচনা করতে বুধবার বিকেলে পানিহাটি (Panihati) রেশন অফিসে একটি জরুরী বৈঠক হয়। এবিষয়ে স্থানীয় কাউন্সিলর শম্ভু চন্দ বলেন, বিগত দু’বছর ধরে ওয়ার্ডের বাসিন্দাদের রেশন নিয়ে ভোগান্তিতে পড়তে হচ্ছে। তাই খাদ্যদফতর ডিলারকে সাসপেন্ড করেছে। বিষয়টি জানিয়ে রেশন দোকানে নোটিশও দেওয়া হয়েছে। ওয়ার্ডের বাসিন্দারা যাতে বিকল্প স্থান থেকে রেশন পান, তারজন্য এদিন পানিহাটি রেশন অফিসে বৈঠক হয়েছে। প্রসঙ্গত, ৩৯৮ নম্বর রেশন দোকানটি রাহুল সাহার। অভিযোগ, তিনি নির্দিষ্ট সময়ে দোকান খোলেন না। দোকান খুললেও বেশিরভাগ সময় কেউ থাকেন না। এছাড়াও দোকানে পর্যাপ্ত রেশন নেই জানিয়েও গ্রাহকদের ফিরিয়ে দেওয়া হয়। ফলে মাসের পর মাস গ্রাহকদের রেশন বকেয়া রয়েছে। ঘটনার পর থেকে অভিযুক্ত ডিলার রাহুল সাহা বর্তমানে পলাতক বলে জানা গিয়েছে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Ration Scam: বাকিবুর সম্পর্কে আরও তথ্য পেতে এবার খাদ্য দফতরে চিঠি পাঠাল ইডি

    Ration Scam: বাকিবুর সম্পর্কে আরও তথ্য পেতে এবার খাদ্য দফতরে চিঠি পাঠাল ইডি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রেশন দুর্নীতি (Ration Scam) মামলায় গ্রেফতার হওয়া বাকিবুর রহমান সম্পর্কে তথ্য পেতে এবার খাদ্য দফতরের কাছে চিঠি পাঠাল এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট। কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার সূত্রে জানা গিয়েছে, ফুড কর্পোরেশন অফ ইন্ডিয়া থেকে বাকিবুর রহমানের মিলে কত পরিমাণ চাল এবং গম এসেছে এবং কত আটা ও চাল বিলি করা হয়েছে, সেই তথ্যই চাওয়া হয়েছে। বাকিবুরের মিল যতদিন এই কাজ করেছে খাদ্য দফতরের সঙ্গে, ঠিক ততদিনেরই হিসাব চাওয়া হয়েছে।

    খোলাবাজারে বিক্রি হতো রেশনসামগ্রী

    প্রসঙ্গত, চলতি বছরের দুর্গা্পুজোর আগেই গ্রেফতার করা হয় বাকিবুর রহমানকে (Ration Scam)। জানা গিয়েছে, খাদ্য দফতর থেকে বাকিপুরের মিলেই আসতো চাল-গম এবং সেখান থেকে গম ভাঙিয়ে আটা ও চাল বিলি করা হতো। প্রথমে বাকিবুরকে জিজ্ঞাসাবাদ করার পরে তদন্তকারীরা হদিশ পান নদিয়ার আটা এবং চাল কল ‘মেসার্স এমপিজি রাইস মিল প্রাইভেট লিমিটেড’-এর। জানা গিয়েছে, ওই চাল এবং আটাকল সংস্থার ডিরেক্টর খোদ বাকিবুর। এখান থেকেই খোলা বাজারে বিক্রি করার জন্য সরকারি রেশন সরানো হতো।

    কীভাবে এই দুর্নীতি হত?

    ইডির নথিতে বলা হয়েছে, মিল মালিকরা সরকারি অর্থ মিলিয়ে নিতেন। তবে তার বিনিময়ে যে পরিমাণ চাল এবং আটা সরবরাহ করা হত, তার হিসাব মিলত না (Ration Scam)। প্রতি এক কেজি আটার দামে ২০০ গ্রাম করে কম আটা দেওয়া হত। কখনও সখনও এই চুরির পরিমাণ দাঁড়াতো ৪০০ গ্রাম। রেশন দুর্নীতির তদন্তে নেমে এমনই চাঞ্চল্যকর তথ্য উঠে এসেছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার। জানা গিয়েছে চাল এবং আটাকলের মালিকদের জিজ্ঞাসাবাদ করেই এই তথ্য পাওয়া গিয়েছে।

    বুধবারই বাকিবুরকে কোর্টে হাজির করা হয়

    অন্যদিকে বুধবারই বাকিবুর রহমানকে আদালতে হাজির করানো হয়। আদালত এদিন তাঁকে ৬ ডিসেম্বর পর্যন্ত জেল হেফাজতে রাখার নির্দেশ দিয়েছে। ইডির আইনজীবী এদিন কোর্টে (Ration Scam) জানান, গমের পর এখন চালের কারবার নিয়েও তদন্ত চালাচ্ছেন কেন্দ্রীয় গোয়েন্দারা। ইডির আরও দাবি, ধান কেনার ক্ষেত্রে খাদ্য দফতরে ভুয়ো অফিসার এবং ভুয়ো সমবায় সমিতির মাধ্যমেই লেনদেন করা হত। কৃষকদের কাছ থেকে ধান কেনার সময় অনেকেই খাদ্য দফতরের ভুয়ো অফিসার সেজে যেতেন, আবার ভুয়ো সমবায় সমিতির সিলও ব্যবহার করা হতো।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Ration Scam: হার্টের সমস্যা নেই, অথচ বালু রয়েছেন এসএসকেএম-এর কার্ডিওলজি বিভাগে!

    Ration Scam: হার্টের সমস্যা নেই, অথচ বালু রয়েছেন এসএসকেএম-এর কার্ডিওলজি বিভাগে!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শারীরিক অসুস্থতার কারণে এসএসকেএম-এ ভর্তি হলেন রেশন দুর্নীতিকাণ্ডে (Ration Scam) ধৃত জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক। রাজ্যের মন্ত্রীর নেই হার্টের সমস্যা, অথচ ভর্তি কার্ডিওলজি বিভাগে। বিরোধীরা অবশ্য বলছেন, এটা রাজনৈতিক অসুখ। এদিনই বিজেপি নেতা দিলীপ ঘোষ মন্ত্রীকে নিশানা করে বলেন, ‘‘এসএসকেএম একটা ঘুঘুর বাসা। সব নেতা ওখানে যেতে চান। ওখানে রিপোর্ট তৈরি করা হয়। রাজ্য সরকারের মন মোতাবেক সব কিছু হয়। প্রথম থেকেই সবাই ওখানে যাওয়ার চেষ্টা করেন। জানিনা কোর্ট কেন অনুমতি দিচ্ছে। ইডি-সিবিআই আটকানোর চেষ্টা করে হয়তো সফল হয়নি। ওখানে গিয়ে ওরা একটা মৃত সঞ্জীবনী পায়। হয় জামিন হবে, নাহলে সুস্থ হবেন। অসুস্থ কেউ নয়। আরাম করার ভালো ব্যবস্থা।’’

    দুর্নীতিগ্রস্ত নেতাদের আশ্রয়স্থল এসএসকেএম

    এসএসকেএম যেন সিবিআই-ইডির (Ration Scam) হাত থেকে বাঁচার একটা বড় আস্তানা হয়ে উঠেছে। এখন নয়, ১০ বছর আগেই সারদাকাণ্ডে সমন পেয়ে মদন মিত্র শুরু করেছিলেন। এর পরবর্তীকালে একই ধারা বজায় রাখেন শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়। পার্থ চট্টোপাধ্যায়কে এসএসকেএম থেকে সোজা পাঠানো হয় ভুবনেশ্বরের এইমস হাসপাতালে। সেখানে অবশ্য চিকিৎসকরা তাঁকে ফিট সার্টিফিকেট দেন। এরপরে ইডি তাঁকে নিজেদের হেফাজতে নেয়। অনুব্রত মণ্ডলের ক্ষেত্রেও একই ছবি দেখা গিয়েছে। আবার সুজয়কৃষ্ণ ভদ্র ওরফে কালীঘাটের কাকু এক বেসরকারি হাসপাতাল থেকে বাইপাস সার্জারি করে ভর্তি হন এসএসকেএম-এ।

    কার্ডিওলজি বিভাগের পাঁচ নম্বর কেবিনে বালু

    রাজ্যের বর্তমান বনমন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক অবশ্য কার্ডিওলজি বিভাগের (Ration Scam) পাঁচ নম্বর কেবিনে বর্তমানে রয়েছেন। ভর্তি হয়েছেন কার্ডিওলজি বিভাগে, অথচ তিনি হার্টের চিকিৎসকদের তত্ত্বাবধানে নেই। নিউরোলজি বিভাগের চিকিৎসকরা তাঁকে চিকিৎসা করছেন বলে জানা গিয়েছে। জ্যোতিপ্রিয়র চিকিৎসার জন্য যে মেডিক্যাল বোর্ড গঠন করা হয়েছে সেখানেও কার্ডিওলজি বিভাগের কোনও চিকিৎসক নেই বলে জানা গিয়েছে। এসএসকেএম-এ আসার পরেই ইমার্জেন্সিতে আড়াই ঘণ্টা ডাক্তারদের পর্যবেক্ষণে ছিলেন বালু। এই সময়ের মধ্যেই তাঁকে একাধিক পরীক্ষা করানো হয়। দেখে যান কার্ডিওলজি বিভাগের চিকিৎসকরা। তাঁরা বলেন, বুকে সেরকম কোনও সমস্যা নেই মন্ত্রীর। তাঁদের পরেই আসেন নিউরোলজি বিভাগের চিকিৎসকরা। এরপরই ঠিক হয় মন্ত্রীকে নিউরোলজি মেডিসিনের চিকিৎসকদের তত্ত্বাবধানে চিকিৎসা করা হবে।

    হাসপাতালে ইডি

    বুধবারই হাসপাতালে আসেন ইডি আধিকারিকরা। এই প্রতিবেদন যখন লেখা হচ্ছে তার ঠিক দু’ঘণ্টা আগেও হাসপাতালের প্রশাসনিক ভবনে দেখা গিয়েছে ইডি আধিকারিকদের (Ration Scam)। জানা গিয়েছে, হাসপাতালের আধিকারিকদের সঙ্গে কথা বলেছেন ইডি অফিসাররা। সূত্র মারফত জানা গিয়েছে, ভর্তি হওয়া মন্ত্রীর শারীরিক অবস্থার খোঁজ নিতেই হাসপাতালে এসেছেন ইডি-এর অফিসাররা। পাশাপাশি মনে করা হচ্ছে, নিয়োগ দুর্নীতিতে গ্রেফতার হওয়া সুজয়কৃষ্ণ ভদ্রর শারীরিক অবস্থা জানতেও হাসপাতালে আসতে পারেন ইডি গোয়েন্দারা। প্রসঙ্গত, গত ২২ আগস্ট কালীঘাটের কাকু ভর্তি হন এসএসকেএম-এ।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Panihati: মাসের পর মাস নিয়মিত রেশন পান না গ্রাহকরা, দুর্নীতি নিয়ে সরগরম পানিহাটি

    Panihati: মাসের পর মাস নিয়মিত রেশন পান না গ্রাহকরা, দুর্নীতি নিয়ে সরগরম পানিহাটি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রেশন দুর্নীতি নিয়ে রাজ্যজুড়ে তোলপাড় চলছে। প্রাক্তন খাদ্যমন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক রেশন দুর্নীতির অভিযোগে জেলে রয়েছেন। দুর্নীতির সঙ্গে রাজ্যের একাধিক রেশন ডিলার জড়িত থাকার তথ্য জোগাড় করছে ইডি। এসবের মাঝে পানিহাটির (Panihati) ৩২ নম্বর ওয়ার্ডে রেশন দুর্নীতির অভিযোগ উঠল এক রেশন ডিলারের বিরুদ্ধে। অভিযুক্ত রেশন ডিলারের নাম রাহুল সাহা। এই ঘটনায় এলাকায় তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে।

    ঠিক কী অভিযোগ (Panihati)

    স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, রাহুল সাহার মা আগে পানিহাটির (Panihati) ৩২ নম্বর ওয়ার্ডের রেশন ডিলার ছিলেন। করোনায় তাঁর মৃত্যু হয়। পরে, রাহুল রেশন ডিলারের দায়িত্ব পান। রাহুল দায়িত্ব পাওয়ার পর থেকেই রেশন বন্টন নিয়ে টালবাহানা চলছে বলে অভিযোগ। গ্রাহকরা রেশন নিতে গেলেও তাঁদের ঠিকমতো রেশন দেওয়া হয় না। বার বার গ্রাহকদের ঘোরানো হয় বলে অভিযোগ। ফলে, গ্রাহকদের মধ্যে ক্ষোভ ছিল। মঙ্গলবার গ্রাহকরা জোটবদ্ধ হয়ে ডিলারকে ঘিরে ধরে বিক্ষোভে ফেটে পড়েন। গ্রাহকদের বক্তব্য, আশপাশের সব রেশন ডিলাররা গ্রাহকদের নিয়মিত রেশন দেন। অথচ এই রেশন ডিলার আমাদের খাদ্যসামগ্রী দিতে টালবাহানা করেন। দুমাস-তিনমাস ধরে রেশন আটকে রাখে। আমাদের দাবি, অবিলম্বে বিষয়টি তদন্ত হওয়া দরকার। কারণ, আমাদের জন্য বরাদ্দ রেশন ওই ডিলার কোথায় পাচার করে তা জানা দরকার। আমাদের বঞ্চিত করে এসব চলছে। একটি বড় চক্র রয়েছে। রেশন ডিলার রাহুল সাহা ঘটনাস্থলে না থাকায় তাঁর প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।

    স্থানীয় কাউন্সিলারও ডিলারের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দিয়েছেন

    স্থানীয় কাউন্সিলার শম্ভু চন্দ বলেন, গ্রাহকরা আমার কাছে নালিশ জানাতে এসেছিলেন। ডিলারের বিরুদ্ধে অনিয়মিত রেশন সরবরাহ করার অভিযোগ। বহুদিন ধরেই এসব চলছে। গ্রাহকরা এদিন ক্ষোভে ফেটে পড়েন। আমরাও বহুবার রেশন ডিলারকে বিষয়টি নিয়ে বলেছি। কোনও কাজ হয়নি। আমরাও এই বিষয় নিয়ে সংশ্লিষ্ট দফতরে দ্বারস্থ হব। আমরা এই ঘটনার তদন্ত দাবি করছি।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Ration Scam: ‘‘আমি মন্ত্রী, জেল রাজ্যের, এই সেলে থাকব না’’, বললেন অসন্তুষ্ট বালু 

    Ration Scam: ‘‘আমি মন্ত্রী, জেল রাজ্যের, এই সেলে থাকব না’’, বললেন অসন্তুষ্ট বালু 

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পহেলা ২২ নম্বর ওয়ার্ডের ৭ নম্বর সেলে ঠাঁই হয়েছে মন্ত্রী জ্য়োতিপ্রিয়র (Ration Scam)। জেলে এখনও পর্যন্ত দু’রাত কাটাননি মন্ত্রী। তার মধ্যেই নতুন নতুন বায়না শোনা গেল তাঁর মুখে। প্রেসিডেন্সি জেলের কর্তারা মন্ত্রীর এই একের পর এক আবদারের দিশেহারা হয়ে পড়েছেন। তাঁর জন্য বরাদ্দ ৭ নম্বর সেল নিয়ে অসন্তুষ্ট হন তিনি। সেটা ঘিরেই শুরু হয় একপ্রস্থ নাটক। কোনওভাবেই ৭ নং সেলে থাকবেন না বালু, অন্যদিকে নাছোড়বান্দা জেল কর্তৃপক্ষ। বালু বলেন, ‘‘আমি রাজ্যের মন্ত্রী। এই জেল রাজ্য সরকারের আওতায় রয়েছে (Ration Scam)। আমি এই সেলে থাকব না। আমাকে এসএসকেএম হাসপাতালে পাঠানোর বন্দোবস্ত করা হোক। আমার শরীরের বাঁদিক পুরো প্যারালাইসিস হয়ে গিয়েছে।’’

    সারারাত জেগে মন্ত্রী

    জেলসূত্রে জানা আরও জানা গিয়েছে রবিবার রাতে জেলের খাবার খেতে অস্বীকার করেন বালু এবং বলেন, ‘‘আমাকে শুধু ওষুধ দাও। আমি কিছু খাব না।’’ তবে জেল কর্তৃপক্ষ, জেলের চিকিৎসকরা মন্ত্রীকে বুঝিয়ে শুনিয়েও পারেননি। শেষ পর্যন্ত রাত আড়াইটে (Ration Scam) নাগাদ খাবার খান মন্ত্রী। আদালতের কোনওরকম নির্দেশ না থাকার কারণে জেলে বালুর জন্য আলাদা খাটের বন্দোবস্ত করা যায়নি। মাটিতে কম্বল পেতেই শুতে হয় জ্যোতিপ্রিয় মল্লিককে। দুটি কম্বলকে এক করে বালিশ বানান মন্ত্রী। সারারাত কার্যত জেগেই কাটিয়েছেন মন্ত্রী।

    পার্থর প্রতিবেশী বালু

    গত রবিবার রেশন দুর্নীতিকাণ্ডে ধৃত প্রাক্তন খাদ্যমন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিককে জেল হেফাজতে নির্দেশ দেয় ব্যাঙ্কশাল কোর্ট। দুর্গাপুজোর পরেই গ্রেফতার হওয়া মন্ত্রী তার আগে পর্যন্ত ছিলেন ইডি হেফাজতে। রবিবার সন্ধ্যাতেই বালুকে নিয়ে যাওয়া হয় প্রেসিডেন্সি সংশোধনাগারে। সেখানে পহেলা ২২ নম্বর ওয়ার্ডে ঠাঁই হয়েছে তাঁর। প্রেসিডেন্সি জেলে অবশ্য নিজের দলের সহকর্মীদের সঙ্গেই (Ration Scam) রয়েছেন বালু। কারণ একই জেলে নিয়োগ দুর্নীতিকাণ্ডে ধৃত প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়, মানিক ভট্টাচার্য এবং জীবনকৃষ্ণ সাহার মতো বিধায়করাও রয়েছেন।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Ration Scam: এত দুর্নীতিতেও শিক্ষা নেই! রেশনে কম সামগ্রী দিতে গিয়ে হাতেনাতে পাকড়াও ডিলার

    Ration Scam: এত দুর্নীতিতেও শিক্ষা নেই! রেশনে কম সামগ্রী দিতে গিয়ে হাতেনাতে পাকড়াও ডিলার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রেশন সামগ্রী ওজনে কারচুপি (Ration Scam) করার অভিযোগ এবার ডিলারের বিরুদ্ধে। রেশনের চালে পোকার অভিযোগে দক্ষিণ ২৪ পরগণা যেমন তোলপাড়, ঠিক তেমনি আবার রেশন সামগ্রী ওজনে কম মেলায় ডিলারের বিরুদ্ধে বিক্ষোভে তীব্র উত্তেজনা ছড়ালো উত্তর ২৪ পরগণার বাগদার কানিয়াড়আ-২ নম্বর গ্রামপঞ্চায়েতের হরিনাথপুরে। এত দুর্নীতিতেও শিক্ষা নেই! রেশনে কম সামগ্রী দিতে গিয়ে হাতেনাতে পাকড়াও ডিলার। অবশ্য ডিলারের বক্তব্য, পুজোর জন্য মাল কম আসছে।  

    অভিযুক্ত ডিলার কে (Ration Scam)?

    স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, কানিয়াড়আ-২ নম্বর গ্রামপঞ্চায়েতের হরিনাথপুরের রেশন ডিলারের নাম হল নিবেদিতা সাধু। তবে তাঁর ছেলে শান্তনু সাধু সবটাই দেখভাল করেন। তাঁদের বিরুদ্ধে অভিযোগ এলাকায় বহুদিন ধরে রেশন সামগ্রী (Ration Scam) ওজনে কম দিচ্ছেন। আর এই অভিযোগে রেশন গ্রাহকদের মধ্যে মঙ্গলবার সকালেই তীব্র বিক্ষোভের চিত্র দেখা গেল। রেশন ডিলারের বক্তব্য, “ডিস্ট্রিবিউটর দিলেই দেবো। পুজোর জন্য গাড়ি কম। তাই রেশন সামগ্রীও কম আসছে।”

    এলাকার মানুষের অভিযোগ

    স্থানীয় (North 24 Parganas) এলাকার বাসিন্দা মশিয়ার মণ্ডল নামে একজন অভিযোগ করে বলেন, “আমি রেশনের চাল ওজনে কম পেয়েছিল। স্লিপ নিয়ে গেলে সামগ্রী কম দিয়ে স্লিপেই লিখে দেওয়া হয় পরে দেওয়া হবে। কিন্তু পরে আর কোনও সামগ্রী দেয়নি। আমার ৪ টি কার্ডে মোট সামগ্রী পাওয়ার কথা ১৯ কেজি। কিন্তু আমাকে দেওয়া হচ্ছে মাত্র ১৫ কেজি।” আরেক গ্রাহক তিমির রায় বলেন, “আমার ১৯ কেজি ৭০০ গ্রাম চাল পাওয়ার কথা কিন্তু অনেক দিন ধরেই মাপে কম দেওয়া হচ্ছে। জিজ্ঞেস করলে বলা হয় কার্ড ব্লক করা আছে তাই মাল কম পাচ্ছেন। অপরে বাড়ি থেকে কার্ড নিয়ে এসে পরীক্ষা করে দেখা গিয়েছে কার্ড ব্লক নেই। সর্বত্র মিথ্যাচার করে রেশনের (Ration Scam) মাল চুরি করা হচ্ছে।”

    রেশন দোকান কর্মীর বক্তব্য

    এই রেশন দোকানের (North 24 Parganas) কর্মী শঙ্কর কর্মকার বলেন, “আমাকে অভিযোগ করে লাভ নেই। ডিলার যেভাবে দিতে বলেন আমি রেশন (Ration Scam) সেই ভাবেই দিয়ে থাকি। ডিলার নিজেই কম দিতে বলেন যেখান, সেখানে আমি কী করবো।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share