Tag: Ration Scam

Ration Scam

  • Sukanta Majumdar: ‘মুখ্যমন্ত্রী মামলার হুঁশিয়ারি দিলেও কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা থামবে না’, তোপ সুকান্তর

    Sukanta Majumdar: ‘মুখ্যমন্ত্রী মামলার হুঁশিয়ারি দিলেও কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা থামবে না’, তোপ সুকান্তর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দুর্নীতি ইস্যু নিয়ে রাজ্য সরকারকে তুলোধনা করলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar)। মঙ্গলবার বিকেলে দক্ষিণ ২৪ পরগনার রায়দিঘি বাজার এলাকায় বিজয়া সম্মেলনীতে উপস্থিত হয়ে সুকান্ত মজুমদার বলেন, একাধিক দুর্নীতি ইস্যুতে রাজ্য সরকারের একের পর এক মন্ত্রীরা সবাই জেলে। রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী দুর্নীতিগ্রস্তদের আড়াল করছেন। নিজের মন্ত্রিসভার মন্ত্রীদের আগলে রাখতে এবং নির্দোষ প্রমাণ করতে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার বিরুদ্ধে মামলা করার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন। কিন্তু, যতই ভয় দেখাক না কেন, কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা থামবে না। রাজ্য সরকারের যে পাহাড় সমান দুর্নীতি, সেই দুর্নীতির মুখোশ এবার সাধারণ মানুষের সামনে খুলে গিয়েছে।

    মুখ্যমন্ত্রীকে নিয়ে কী বললেন সুকান্ত? (Sukanta Majumdar)

    বিজেপির রাজ্য সভাপতি (Sukanta Majumdar) বলেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাংলার রাজনীতিতে অবদান হল অশিক্ষিত লোকেদের রাজনীতিতে আনা। মুখ্যমন্ত্রী এই মন্ত্রে বিশ্বাস করেন “কাজের সময় কাজী, আর কাজ ফুরালেই পাজি”। জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক যেখানে সংবাদমাধ্যমের সামনে প্রকাশ্যে বলছেন, রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় সব জানেন, তাদেরকে জেরা করা প্রয়োজন। রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী পাল্টা বলছেন, তিনি কিছু জানেন না। দশ বছর ধরে প্রাক্তন খাদ্যমন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক চুরি করে যাচ্ছেন, মুখ্যমন্ত্রী জানেন না এই কথা বললে আর কেউ বিশ্বাস করবে না।

    দলীয় কর্মীদের উদ্দেশে কী বললেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি?

    আগামী লোকসভা নির্বাচনকে পাখির চোখ করে নিজেদের ঘর গোছাতে শুরু করে দিয়েছে বঙ্গ বিজেপি। লোকসভা নির্বাচনে দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলায় পদ্ম ফোটাতে মরিয়া প্রচেষ্টা শুরু করে দিয়েছে বঙ্গ বিজেপি। কর্মীদের চাঙা করতে সুকান্ত (Sukanta Majumdar) এদিন বলেন, আগামী লোকসভা নির্বাচনে মথুরাপুর সাংগঠনিক জেলার বিজেপি প্রার্থী ব্যাপক ভোটে জয়লাভ করবে। মানুষ এই দুর্নীতিগ্রস্ত সরকারকে আর দেখতে চাইছে না। বিজেপি একমাত্র পারবে দুর্নীতিমুক্ত বাংলা গড়ে তুলতে। তাই, জোটবদ্ধ হয়ে কর্মীদের এখন থেকে লড়াই করার ডাক দিলেন তিনি।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Ration Scam: রেশন-দুর্নীতির লাখ লাখ টাকা জমা পড়ত গ্রামবাসীদের অ্যাকাউন্টে! এরপর কী হত?

    Ration Scam: রেশন-দুর্নীতির লাখ লাখ টাকা জমা পড়ত গ্রামবাসীদের অ্যাকাউন্টে! এরপর কী হত?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: উলুবেড়িয়াতে বাসিন্দাদের অ্যাকাউন্টে ঢুকছে লাখ লাখ টাকা। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, উলুবেড়িয়ার ২ নম্বর ব্লকের ৫ থেকে ৬ টি গ্রামের বাসিন্দারা রাইস মিলের মালিকের বিরুদ্ধে বিস্ফোরক অভিযোগ তুলেছে। মূল অভিযোগ, গ্রামের মানুষের কাছ থেকে তথ্য নিয়ে ব্যাঙ্কের অ্যাকাউন্টের বই করে দিত এজেন্টরা। যাদের নামে অ্যাকাউন্ট খোলা হতো, তাদের কাছে রেশন-দুর্নীতির (Ration Scam) ধান বিক্রির টাকা ঢুকত। ২০ হাজার, ৫০ হাজার এমনকি লাখ লাখ টাকা পর্যন্ত অ্যাকাউন্টে জমা পড়ত বলে জানা গিয়েছে। বিনিময়ে গ্রামবাসীরা জমি বা ধান চাষ না করলেও এজেন্ট মারফত কিছু টাকা পেতো। কিন্তু যে টাকা ধান বিক্রির নামে জমা করা হতো, কার্যত দুর্নীতি করে সবটাই চলে যেতো চালকল মালিকের পকেটে। ফলে চালকলে ধান বিক্রির টাকা নিয়ে রেশন-দুর্নীতির বিস্ফোরক তথ্য জানা গিয়েছে।

    মূল অভিযোগ (Ration Scam)

    হুগলির অঙ্কিত রাইসমিল নানান ভাবে প্রলোভন দেখাতো। রাইসমিলের এজেন্টরা বোঝাতো অ্যাকাউন্ট থাকলেই মিলবে টাকা। কিন্তু এই টাকা সোজা পথের টাকা নয়। রেশন-দুর্নীতির (Ration Scam) টাকা বিভিন্ন অ্যাকাউন্টে যেতো। তারপর কালো টাকাকে সাদা করে ফিরিয়ে নিয়ে আসা হতো ঘুরপথে। তবে যাদের অ্যাকাউন্টে টাকা ঢুকত তাদের সামান্য পরিমাণের টাকা দেওয়া হতো। তবে বেশিরভাগটাই চলে যেতো এজেন্ট হয়ে চালকলের মালিকের কাছে। এই ভাবেই রাজ্যের রেশনের-দুর্নীতির একটা বিরাট চক্র চলেছে বলে অভিযোগ। সম্প্রতি বাকিবুর এবং প্রাক্তন খাদ্যমন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক গ্রেফতারের পর এমনই সব চাঞ্চল্যকর তথ্য উঠে এসেছে।  

    গ্রামবাসীর বক্তব্য

    উলুবেড়িয়ার ২ নম্বর ব্লকের এক গ্রামবাসীরা, সঞ্জয় মান্না এক ব্যক্তির নাম তুলে বলেছেন তিনিই হলেন, চালকল এবং ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট যুক্ত গ্রামবাসীদের মধ্যে সংযোগকারী ব্যক্তি। যদিও সঞ্জয় নিজে মানতে নারাজ। তিনি বলেন, “আমার কাছে কিছু নেই। মিল থেকে লোকজন আসতো এবং ওরাই কাজ করত। টাকা (Ration Scam) দিয়ে যেত আর আমি কেবল টাকা দিতাম। আজ তিন বছর ধরে এই কাজ করছি আমি। যারা ধান দিয়ে যেতো আমি তাদের টাকা দিতাম। এইসব টাকা ধানের টাকা।”

    পরে তিনি আরও বলেন অঙ্কিত মিল থেকে যা বলা হতো তিনি তাই করতেন। একক ভাবে চালকলের হয়ে প্রায় ৫০০ থেকে ৭০০ জনের নামে ব্যাঙ্কে অ্যাকাউন্ট বই খুলে দিয়েছেন। এলাকায় বিশেষ ক্যাম্প করে এই কাজ করা হয়েছে। সম্প্রতি এই জগাছার অঙ্কিত রাইসমিলে ইডি ২৬ ঘণ্টা তাল্লাশি চালিয়েছিল বলে জানা গিয়েছে। রেশন-দুর্নীতির (Ration Scam) মামলায় এই মিলও এখন ইডির নজরে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের , Twitter এবং Google News পেজ।

  • Ration Scam: রেশন দুর্নীতিকাণ্ডে ফের উদ্ধার হল ডায়েরি! কী লেখা রয়েছে তাতে?

    Ration Scam: রেশন দুর্নীতিকাণ্ডে ফের উদ্ধার হল ডায়েরি! কী লেখা রয়েছে তাতে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সারদা কেলেঙ্কারি তদন্তে উঠে আসা লাল ডায়েরি নিয়ে হইচই পড়ে গিয়েছিল সারা রাজ্যে। ইতিমধ্যে রেশন কেলেঙ্কারিতে (Ration Scam) জ্যোতিপ্রিয় মল্লিকের প্রাক্তন আপ্ত-সহায়ক অভিজিৎ দাসের বাড়ি থেকে মেরুন ডায়েরি উদ্ধার করেছে ইডি। ফের এক ডায়েরির সন্ধান পেল কেন্দ্রীয় সংস্থা, রেশন দুর্নীতির তদন্তে। ওয়াকিবহাল মহলের মতে, উদ্ধার হওয়া এই ডায়েরিগুলি গুরুত্বপূর্ণ নথি হতে পারে তদন্তে। জানা গিয়েছে, বাকিবুর রহমানের ঘনিষ্ঠ এক ব্যবসায়ীর কাছ থেকেই ওই ডায়েরি উদ্ধার হয়েছে।

    বেআইনি কার্যকলাপের যাবতীয় হিসাব-নিকাশ নথিভুক্ত থাকতো উদ্ধার হওয়া ডায়েরিতে

    প্রসঙ্গত, ইডির দাবি, ওই ব্যবসায়ী স্বীকারও করেছেন যে বাকিবুরের নির্দেশেই গমকল থেকে আটা তৈরি হওয়ার পর সরকারি খাদ্য সামগ্রীর ২০ থেকে থেকে ৩০ শতাংশ সরিয়ে ফেলা হতো। পরে তা খোলা বাজারে বিক্রি করা হতো। এই বেআইনি কার্যকলাপের যাবতীয় হিসাব-নিকাশ নথিভুক্ত থাকতো উদ্ধার হওয়া ডায়েরিতে (Ration Scam)। কোথায় কোথায় সেই আটা প্যাকেট করা হতো, সেই সমস্ত জায়গারও সন্ধান মিলেছে ওই ডায়েরিতে। অন্তত এমনটাই দাবি কেন্দ্রীয় সংস্থার। শুধু তাই নয় ওই ডায়েরি থেকে মিলেছে বেশ কয়েকজন মিল মালিক এবং প্যাকেজিং সংস্থার নামও।

    রেশন দুর্নীতিতে ইডির তল্লাশিতে উদ্ধার হল বেআইনি ১ কোটি ৪০ লাখ টাকা

    অন্যদিকে, রেশন দুর্নীতিতে ইডির তল্লাশিতে উদ্ধার হল বেআইনি ১ কোটি ৪০ লাখ টাকা। জানা গিয়েছে, রেশন দুর্নীতির (Ration Scam) তদন্তে ‘অঙ্কিত ইন্ডিয়া লিমিটেড’-এর অফিসে হানা দেয় ইডি। সেখান থেকে উদ্ধার হয় ১ কোটি টাকা। অন্যান্য জায়গায় তল্লাশিতেও মিলেছে নগদ ৪০ লাখ টাকা। রেশন দুর্নীতির তদন্তে শনিবার থেকে রবিবার পর্যন্ত বিভিন্ন জায়গায় হানা দেয় ইডি। ২৭ ঘণ্টারও বেশি তল্লাশি চালিয়ে এই নগদ উদ্ধার হয় বলে জানা গিয়েছে। আবার পশুখাদ্য কেলেঙ্কারির যোগসূত্র পাওয়া গিয়েছে রেশন দুর্নীতিতে। রেশন দুর্নীতিকাণ্ডে ইডির নজরে একাধিক ব্যবসায়ী রয়েছেন যাদের মধ্যে অন্যতম হলেন অঙ্কিত চান্দকদর। তাঁর সূত্র ধরেই বিহারের পশুখাদ্য কেলেঙ্কারি যোগ পাওয়া গিয়েছে। চান্দকর পরিবারেরই সদস্য হলেন দীপেশ চান্দকর। ২০০৪ সালে বিহারের পশুখাদ্য কেলেঙ্কারিতে গ্রেফতার হয়েছিলেন দীপেশ।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Ration Scam: ‘‘জ্যোতিপ্রিয়র নির্দেশেই মন্ত্রীর সংস্থার ডিরেক্টর করা হয় মা ও স্ত্রীকে’’, দাবি প্রাক্তন আপ্ত-সহায়কের

    Ration Scam: ‘‘জ্যোতিপ্রিয়র নির্দেশেই মন্ত্রীর সংস্থার ডিরেক্টর করা হয় মা ও স্ত্রীকে’’, দাবি প্রাক্তন আপ্ত-সহায়কের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এবার চাঞ্চল্যকর তথ্য (Ration Scam) উঠে এল জ্যোতিপ্রিয় মল্লিকের প্রাক্তন আপ্ত-সহায়ক অভিজিৎ দাসের বয়ানে। মূলত মন্ত্রীর নির্দেশেই তাঁর মা এবং স্ত্রীকে জ্যোতিপ্রিয়র সংস্থার ডিরেক্টর পদে বসানো হয়েছিল। এমনই বিবৃতি দিয়েছেন প্রাক্তন আপ্ত-সহায়ক অভিজিৎ দাস। তিনি জানিয়েছেন, মন্ত্রীর সংস্থার ডিরেক্টর করতে তাঁর মা এবং স্ত্রীকে প্রস্তাব দেন জ্যোতিপ্রিয়, যে অনুরোধ তিনি ফেলতে পারেননি। তবে জ্যোতিপ্রিয় মল্লিকের আপ্ত-সহায়কের পদ ছাড়ার সঙ্গে সঙ্গেই তিনি তাঁর মা এবং স্ত্রীকেও সরিয়ে এনেছেন বলে দাবি অভিজিৎ দাসের। প্রসঙ্গত, জ্যোতিপ্রিয় মল্লিকের প্রাক্তন আপ্ত-সহায়ক অভিজিৎ দাসের বাড়িতে তল্লাশি চালানোর সময় মেরুন ডায়েরির হদিশ পায় কেন্দ্রীয় সংস্থা। এই ডায়েরি রেশন দুর্নীতির তদন্তে অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ নথি হতে চলেছে বলেই মনে করা হচ্ছে। তবে তাঁর স্ত্রী এবং মা সংস্থার ডিরেক্টর পদে থাকলেও ওই সংস্থাগুলি (Ration Scam) থেকে কোনও টাকা পাননি বলেই দাবি অভিজিতের।

    সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া অভিজিৎ দাসের বিবৃতি

    প্রসঙ্গত, ২০১১ সালেই ক্ষমতায় আসে রাজ্যের শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেস। সেই বছর থেকে টানা ২০১৪ সাল পর্যন্ত জ্যোতিপ্রিয় মল্লিকের আপ্ত সহায়কের কাজ করতেন অভিজিৎ দাস। এদিন তিনি সংবাদ মাধ্যমকে বলেন, ‘‘আমার মা এবং স্ত্রীকে সংস্থার ডিরেক্টর করা হয়েছিল। মন্ত্রী যখন নির্দেশ দেন, তা তো পালন করতেই হবে। তাঁর অনুরোধও এক প্রকার নির্দেশই। আমি ইডিকে সবই জানিয়েছি। ওই সংস্থায় কী লেনদেন হয়েছিল, জানি না। ২০১৪ সালেই আমার মা এবং স্ত্রী সংস্থা (Ration Scam) থেকে সরে আসেন।’’

    কোন দুটি সংস্থার ডিরেক্টর ছিলেন অভিজিতের মা ও স্ত্রী?

    জানা গিয়েছে ‘হনুমান রিয়েলকর্ন প্রাইভেট লিমিটেড’ এবং ‘গ্রেসিয়াস ইনোভেটিভ প্রাইভেট লিমিটেড’ নামের দুটি সংস্থায় শেয়ারের মাধ্যমে টাকা বিনিয়োগ করা হয়েছিল এবং এই দুটি সংস্থার (Ration Scam) ডিরেক্টর পদে ছিলেন অভিজিতের মা এবং স্ত্রী। এনিয়ে বিজেপির মুখপাত্র শমীক ভট্টাচার্য বলেন, ‘‘কোনও সাধারণ ব্যক্তি বা আপ্ত সহায়কের পক্ষে এভাবে কাউকে সংস্থার ডিরেক্টর পদে বসানো সম্ভব নয়। এটা আসলে আরও একবার প্রমাণ করে দেয়, রাজ্যে প্রাতিষ্ঠানিক দুর্নীতি হয়েছে।’’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Jyotipriya Mallick: উঁচু পাঁচিল ঘেরা জমি, মহিলাদের ছিল আনাগোনা, বালুর বেনামে এই বাড়ি ঘিরে রহস্য

    Jyotipriya Mallick: উঁচু পাঁচিল ঘেরা জমি, মহিলাদের ছিল আনাগোনা, বালুর বেনামে এই বাড়ি ঘিরে রহস্য

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাড়ির চারপাশে ১২ থেকে ১৪ ফুটের পাঁচিল। ২৭ কাঠা এলাকা, পুরোটাই ঘেরা রয়েছে পাঁচিল দিয়ে। ভিতরে উঁকি মারলে দেখা যাবে সাদা রঙের একটি বাড়ি। কে থাকেন ওই বাড়িতে? কী কাজ হয়? কেউ জানেন না। উত্তর ২৪ পরগনার গাইঘাটা ব্লকের মণ্ডলপাড়ায় গেলে এই বাড়িটি চোখে পড়বে। বাড়ি ও জমির মালিকানা তাঁর নামে না থাকলেও, এলাকার প্রায় সব বাসিন্দাই জানেন, এটা বালুদা-র (মন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক) (Jyotipriya Mallick) বাড়ি।

    বাড়ি নিয়ে স্থানীয় বাসিন্দারা কী বললেন?

    স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, ২০১১ সালে ওই জমি কেনা হয়। পরে বাড়ি তৈরি করেন জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক (Jyotipriya Mallick)। উঁচু পাঁচিলে ঘেরা। জাতীয় সড়কের ধারে থাকা ওই এলাকার আর কারও বাড়িতে এমন পাঁচিল নেই। রেশন দুর্নীতিতে গ্রেফতার হওয়া মন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিকের নামে বা বেনামে ঠিক কোথায়, কত সম্পত্তি আছে, তা জানার চেষ্টা করছেন কেন্দ্রীয় সংস্থার আধিকারিকরা। তবে গাইঘাটার মণ্ডলপাড়ায় এই বাড়ি আলাদা করে চিনিয়ে দেওয়ার প্রয়োজন নেই। এক বাসিন্দা বলেন, আমরা শুধু শুনেছি এটা জ্যোতিপ্রিয় মল্লিকের বাড়ি, কাউকে দেখিনি কখনও। আবার আর এক বাসিন্দার দাবি, কখনও কখনও মহিলারা গেট খুলে ভিতরে যান। এর বেশি কিছু জানি না। অনেকে আবার সেই কথাও বলতে চাইছেন না। সব মিলিয়ে প্রায় ১২ বছর ধরে উঁচু পাঁচিল দেওয়া বাড়ির মধ্যে কী হয়, তা নিয়ে রহস্য রয়ে গিয়েছে। ইডি-র হাতে মন্ত্রী গ্রেফতার হলেও এই বাড়ির রহস্য ভেদ করতে এলাকার মানুষ এখনও সাহস করছেন না। 

    কী বললেন পঞ্চায়েত সমিতির সহ সভাপতি?

    গাইঘাটা পঞ্চায়েত সমিতির সহ সভাপতি গোবিন্দ দাস বলেন, মন্ত্রীর (Jyotipriya Mallick) জমি কেনার কথা আমি জানতাম। আমাকে একবার বলা হয়েছিল, বিদেশ থেকে ফান্ড আসবে। ওই বাড়িতে অনাথ আশ্রম তৈরি হবে। কখনও আবার বৃদ্ধাশ্রম তৈরি করার কথা বলা হয়েছিল। আবার কেউ বলছেন, ওই বাড়িতে কয়েকজন মহিলার যাতায়াত ছিল, যাঁরা সেলাই-এর কাজ করতেন। কিন্তু, সেই ২০১১ সাল থেকে ওই বাড়িতে কী করা হত, তা সঠিকভাবে আমরা কেউ জানি না।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Ration Scam: আটা দুর্নীতির তদন্তে রাজ্য পুলিশের ভূমিকায় সন্দেহ ইডির, তৈরি করা হয় ভুয়ো কৃষক সংগঠনও

    Ration Scam: আটা দুর্নীতির তদন্তে রাজ্য পুলিশের ভূমিকায় সন্দেহ ইডির, তৈরি করা হয় ভুয়ো কৃষক সংগঠনও

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রেশন দুর্নীতিতে (Ration Scam) কালো টাকা সাদা করতে ভুয়ো কৃষক সংগঠনও গড়ে তুলেছিলেন বাকিবুর রহমান। এমনই চাঞ্চল্যকর তথ্য উঠে এসেছে ইডির হাতে। ইডি আধিকারিকদের দাবি, জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক যখন খাদ্যমন্ত্রী ছিলেন, তখনই পশ্চিমবঙ্গে ‘ফার্মারস ফোরাম’ নামে একটি কৃষক সংগঠন গড়ে তোলা হয়। ওই সংগঠনের অন্যতম কর্ণধার ছিলেন রাইস মিল মালিক বাকিবুর রহমান। অন্যদিকে রেশন দুর্নীতিকাণ্ডে রাজ্য পুলিশের ভূমিকাতেও সন্দেহ তৈরি হয়েছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার। শুধু চাল নয়, রেশন দুর্নীতিকাণ্ডে (Ration Scam) আটা নিয়েও দুর্নীতি হয়েছে বলে দাবি করছে ইডি। এই সংক্রান্ত  তিনটি মামলাও দায়ের হয় নদিয়ার কোতোয়ালি, নবদ্বীপ এবং কৃষ্ণনগর থানায় ২০২০, ২০২১ এবং ২০২২ সালে।

    রেশনে আটা নিয়ে দুর্নীতি

    সেই মামলা খতিয়ে দেখতে গিয়ে ইডি জানতে পারে, খোলাবাজারে সরকারি স্ট্যাম্প দেওয়া আটা বিক্রির অভিযোগ উঠেছিল। ইডি সূত্রে খবর, আটা ভাঙানো হতো বাকিবুরের মিলে। অথচ আশ্চর্যজনকভাবে রাজ্য পুলিশের তদন্তে একবারও উঠে আসেনি বাকিবুরের নাম (Ration Scam)! ওয়াকিবহাল মহলের প্রশ্ন, বাকিবুরের নদিয়াজুড়ে একাধিক চাল কল রয়েছে। তদন্তের সময় পুলিশ কেন তার রাইস মিলগুলিতে হানা দিল না? প্রভাবশালী মন্ত্রীর হাত বাকিবুরের মাথায় ছিল বলেই কি পুলিশি তদন্ত থেকে বেঁচে ছিলেন রাকিবুর? অন্যদিকে জানা গিয়েছে, ভুয়ো কৃষক সংগঠনের নামে  ভুয়ো শস্যদানা কেনাবেচায় ক্রেতা এবং বিক্রেতাদের নামের তালিকাও তৈরি করা হয়েছিল। সেই তালিকার মাধ্যমেই সরকারি ভাবে দেখানো হতো শস্য কেনাবেচা হয়েছে অর্থাৎ সংগঠনও ভুয়ো, শস্য কেনাবেচার প্রক্রিয়াটাও ছিল ভুয়ো। কিন্তু খাতায়-কলমে তাতে বাস্তবে হয়েছে বলে দেখানো হতো।

    বাকিবুর-জ্যোতিপ্রিয়কে মুখোমুখি বসিয়ে জেরা

    চলতি মাসের ১৩ তারিখে ঠিক দুর্গাপুজোর আগেই গ্রেফতার করা হয় বাকিবুরকে। অন্যদিকে, দুর্গাপুজোর পরেই ২৬ অক্টোবর গ্রেফতার করা হয় জ্যোতিপ্রিয় মল্লিককে। ঘটনাক্রমে, বাকিবুর রহমানের ইডি হেফাজতের মেয়াদ শেষ হয়েছে ইতিমধ্যে। তবে বর্তমানে কেন্দ্রীয় সংস্থার হেফাজতেই রয়েছেন রাজ্যের প্রাক্তন খাদ্যমন্ত্রী। এমন অবস্থায় বাকিবুর রহমান ও জ্যোতিপ্রিয় মল্লিককে মুখোমুখি বসিয়ে জেরা করলে আরও অনেক তথ্য সামনে আসতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। সূত্রের খবর, এখানেই শেষ নয়, রেশন দুর্নীতিকাণ্ডের (Ration Scam) জাল যে অনেক দূর পর্যন্ত বিস্তৃত রয়েছে, তা মানছেন কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার আধিকারিকরাই।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Jyotipriya Mallick: চালু না হওয়া গোডাউনে চালের বস্তা বোঝাই ট্রাক ঢুকত কার? বালুর জন্মভিটেয় বাকিবুর যোগ

    Jyotipriya Mallick: চালু না হওয়া গোডাউনে চালের বস্তা বোঝাই ট্রাক ঢুকত কার? বালুর জন্মভিটেয় বাকিবুর যোগ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: খাদ্যমন্ত্রী থাকার সময় জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক (Jyotipriya Mallick) খাদ্য দফতরের গোডাউন তৈরির উদ্যোগ গ্রহণ করেছিলেন। মন্ত্রীর নির্দেশ মতো তাঁর জন্মভিটে পূর্ব বর্ধমানের মন্তেশ্বর ব্লকে গোডাউন তৈরি হয়। কিন্তু, খাতায় কলমে সেই গোডাউন চালু হয়নি। তাতে কী হয়েছে, মাঝে মধ্যে গোডাউনে ট্রাক বোঝাই করে চালের বস্তা ঢুকত। কিছুদিন থাকার পর তা আবার বেরিয়ে যেত। কোথায় তা নিয়ে যাওয়া হত তা কেউ জানেন না। মন্ত্রী গ্রেফতার হওয়ার পর ওই ট্রাক বোঝাই চালের মালিক কারা ছিল তা নিয়ে এলাকাবাসী প্রশ্ন তুলতে শুরু করেছে। এই গোডাউনে বাকিবুর রহমানের মাল মজুত থাকত কি না তা নিয়ে এলাকাজুড়ে জোর গুঞ্জন শুরু হয়েছে।

     ঠিক কী অভিযোগ? (Jyotipriya Mallick)

    খাদ্যমন্ত্রী (Jyotipriya Mallick) থাকাকালীন রেশনের চাল মজুতের গোডাউন তৈরি নির্দেশ দিয়েছিলেন তিনি। অভিযোগ, কয়েক কোটি টাকা খরচ করে ৫ হাজার মেট্রিক টন ক্ষমতা সম্পন্ন সরকারি গোডাউনটি তৈরি হলেও চালু হয়নি এখনও। নতুন গোডাউন তৈরি হলেও কয়েক মাসের মধ্যে তার অবস্থা জীর্ণ হয়ে পড়ে। নিম্নমানের সামগ্রী দিয়ে তৈরি হয়েছে এই গোডাউনটি বলে স্থানীয়দের অভিযোগ।  জানা গিয়েছে, মন্তেশ্বর ব্লকের পুড়শুড়ি এলাকায় কয়েক বিঘা জমির উপর কয়েক কোটি টাকা সরকারি অর্থ খরচে তৈরি হয়েছে  এই রেশন সামগ্রী মজুতের বিশাল গোডাউন। এই গোডাউনে রেশনের  চাল মজুত করার কথা। আরও জানা গিয়েছে, ৫ হাজার মেট্রিক টন ক্ষমতা সম্পন্ন গোডাউনটি কয়েক বছর ধরে তৈরি করে পূর্ত দফতর।  ২০২৩ সালের মার্চ মাসে এই গোডাউনটি খাদ্য দফতরের হাতে হস্তান্তর হলেও এখনও চালু হয়নি। এর মধ্যেই রঙ চটা থেকে প্লাস্টার খসতে শুরু করেছে। গোডাউনে থাকা সাইনবোর্ড খুলে ভিতরে রাখা রয়েছে। স্থানীয় বাসিন্দাদের বক্তব্য, গোডাউনে মাঝে মধ্যে ট্রাক বোঝাই করে চালের বস্তা আসত। এখন শুনছি, গোডাউন চালুই হয়নি। তাহলে ওই চালের বস্তাগুলি কাদের ছিল? গোডাউনের ইনচার্জ সুকান্ত মণ্ডল বলেন, চলতি বছরের মার্চ মাসে আমরা গোডাউনটি হাতে পেয়েছি। এখনও চালু হয়নি। তবে, গোডাউনে গাড়ি ঢোকার বিষয়ে তিনি কিছু বলতে চাননি।

    কী বললেন বিজেপি নেতৃত্ব?

    বিজেপি নেতা বলেন, নিম্নমানের সামগ্রী ব্যবহার করে গোডাউন তৈরি করা হয়েছিল। গোডাউন তৈরিতে কাটমানি খেয়েছেন প্রাক্তন খাদ্যমন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক (Jyotipriya Mallick)। আমাদের এলাকায় মন্ত্রী থাকেন বলে আমরা গর্ব করতাম। এই মন্ত্রী এত দুর্নীতিগ্রস্ত তা ভাবতে পারছি না। আর অবাক হয়ে যাচ্ছি, গোডাউন চালু না হলেও কী করে সেখানে ট্রাকে করে চালের বস্তা আসত। এর পিছনে বাকিবুর জড়িত কি না তা তদন্ত করে দেখা দরকার।

    তৃণমূল নেতৃত্বের কী বক্তব্য?

    তৃণমূলের জেলা নেতা দেবু টুডু বলেন, বালু দাকে (Jyotipriya Mallick) চক্রান্ত করে গ্রেফতার করা হয়েছে। এসব করে কোনও লাভ হবে না। তিনি কোনও দুর্নীতি করেননি। আর গোডাউন নিয়ে বিরোধীরা যে সব অভিযোগ তুলছেন সবই ভিত্তিহীন।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Ration Scam: জ্যোতিপ্রিয়-কন্যার সই করা বিজ্ঞপ্তি বদল! দুর্নীতির আঁচ থেকে দূরে থাকতে চাইছে শিক্ষা সংসদ? 

    Ration Scam: জ্যোতিপ্রিয়-কন্যার সই করা বিজ্ঞপ্তি বদল! দুর্নীতির আঁচ থেকে দূরে থাকতে চাইছে শিক্ষা সংসদ? 

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ইডি হেফাজতে রয়েছেন রাজ্যের মন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক। রেশন দুর্নীতিতে (Ration Scam) নাম জড়িয়েছে তাঁর কন্যা প্রিয়দর্শিনী মল্লিকেরও। ইতিমধ্যে তিনি যে আয়কর রিটার্নের হিসাব দেখিয়েছেন, তাতে দেখা যাচ্ছে, টিউশন পড়িয়ে তাঁর উপার্জন ৩ কোটি ৩৭ লাখ টাকা। যা নিয়ে উঠছে প্রশ্ন। বর্তমানে প্রিয়দর্শিনী উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা সংসদের সচিব পদেও রয়েছেন। ঠিক এই আবহে শিক্ষা সংসদের একটি বিজ্ঞপ্তি ঘিরে প্রিয়দর্শিনীর পদ নিয়ে জল্পনা আরও বাড়ল। দুর্নীতির অভিযোগ থাকার কারণেই কি প্রিয়দর্শিনীকে এড়িয়ে চলছে শিক্ষা সংসদ? ঘটনা হল, ২দিন আগে দুপুর ২ টো ৫০ মিনিট নাগাদ একটি বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয় উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা সংসদের তরফে। তাতে সই ছিল জ্যোতিপ্রিয়-কন্যা প্রিয়দর্শিনীর (Ration Scam)। তবে ওই দিনই রাত দশটায় আচমকা বিজ্ঞপ্তি বদলে যায়। সেখানে তখন সই দেখা যায় উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা সংসদের সভাপতি চিরঞ্জীব ভট্টাচার্যের।

    কী বিষয়ে ছিল বিজ্ঞপ্তি?

    মূলত একাদশ শ্রেণির সিলেবাস সংক্রান্ত বিজ্ঞপ্তি ছিল এটি। একাদশ শ্রেণিতে আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স এবং ডেটা সায়েন্স নতুন বিষয় হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। এই দুটি বিষয়েই সিলেবাসে কিছু বদল আনা হয়েছে। সেই পরিবর্তিত নতুন সিলেবাস উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা সংসদের ওয়েবসাইটে আপলোড করা হয়। যদিও সংসদের তরফে এই সই বদল নিয়ে তেমন কিছু জানানো হয়নি। সংসদ বলছে, ‘‘জরুরি সংশোধন করা হয়েছে বিজ্ঞপ্তিতে। অর্ডারটিতে কিছু সংশোধনের পর সভাপতি তা সই করে অনুমোদন দিয়েছেন।’’ তবে কী সংশোধন করা হয়েছে, তার কোনও উল্লেখ করা হয়নি। এখানেই বাড়ছে জল্পনা। শিক্ষা সংসদ দুর্নীতি থেকে নিজেদেরকে দূরে রাখতে চাইছে বলেই কি প্রিয়দর্শিনীকে এড়িয়ে যাচ্ছে? প্রশ্ন বিভিন্ন মহলের (Ration Scam)।

    ভুয়ো সংস্থার ডিরেক্টর হিসেবে নাম উঠে এসেছে প্রিয়দর্শিনীর

    প্রসঙ্গত, জ্যোতিপ্রিয় মল্লিকের তৈরি করা একাধিক ভুয়ো সংস্থার ডিরেক্টর হিসেবে নাম উঠে এসেছে প্রিয়দর্শিনীর। চলতি বছরের অগাস্ট মাসেই সংসদের সচিবের পদে নিয়োগ পান প্রিয়দর্শিনী। বর্তমানে তিনি আশুতোষ কলেজে মাইক্রোবায়োলজি বিভাগের সহ অধ্যাপিকা হিসেবে পড়ান। এর মধ্যে তাঁকে ইডি তলবও করে। ফাইল হাতেই জ্যোতিপ্রিয়র গ্রেফতারির পরে সিজিও কমপ্লেক্সে ঢুকতে দেখা যায় মন্ত্রী কন্যাকে। তবে তিনি এসব বিষয়ে মুখ খুলতে চাননি (Ration Scam), সংবাদমাধ্য়মের সামনে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Ration Scam: বাকিবুরের আরও ৫৬০ কাঠা জমির হদিশ আমডাঙায়! সবই কি বেনামে জ্যোতিপ্রিয়র?

    Ration Scam: বাকিবুরের আরও ৫৬০ কাঠা জমির হদিশ আমডাঙায়! সবই কি বেনামে জ্যোতিপ্রিয়র?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রেশন দুর্নীতি (Ration Scam) কাণ্ডে গ্রেফতার হওয়া রাজ্যের তৃণমূল মন্ত্রী ঘনিষ্ঠ বাকিবুর রহমানের আরও সম্পত্তির হদিশ মিলল আমডাঙায়। সাধনপুর পঞ্চায়েত এলাকায় প্রায় ৫৬০ কাঠা জমির খোঁজ মিলেছে। একই সঙ্গে পাশের আদহাটা পঞ্চায়েতের দাদপুর এলাকার গৌরাঙ্গপুর রোডের ধারে পাঁচিল দেওয়া ২৬০ কাঠা জমির সন্ধান মিলছে।

    অপর দিকে বাকিবুর বাদুড়িয়া শহরের মধ্যে ‘ডান্স বার’ করতে চেয়েছিলেন বলে অভিযোগ করেছে স্থানীয় মানুষ। জানা গিয়েছে, স্থানীয় পুরপ্রধান তুষার সিংহ বাধা দিলে ৩০০ কাঠার এক জমিতে চাল, গম, আটার গুদাম তৈরি করা হয়। মূলত এলাকাবাসীর অভিযোগ, জোর করে ভয় দেখিয়ে জলের দামে জমি দখল করে নিয়েছেন বাকিবুর।

    বেনামে জ্যোতিপ্রিয়র নয় তো সম্পত্তি (Ration Scam)?

    স্থানীয়দের দাবি, আমডাঙায় ফুড কর্পোরেশন অফ ইন্ডিয়ার গোডাউন তৈরির জন্য কম দাম দিয়ে জমি কেনেন বাকিবুর। তবে জমি কেনার সময় অনেককে চাকরি দেওয়ার কথাও বলা হয়েছিল। কিন্তু বাস্তবে সেই কথা পূরণ করা হয়নি। এলাকার মানুষের আরও দাবি, এই সম্পত্তি বাকিবুরের নামে হলেও, আদতে মালিক মন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক। তাঁদের দু’জনের যুগলবন্দিতেই এই সম্পত্তি (Ration Scam) হয়েছে বলে দাবি।

    বাদুড়িয়ার মানুষের প্রতিক্রিয়া

    বাদুড়িয়ার স্থানীয় এক বাসিন্দা বলেন, “শ্মশানের উল্টো দিকে ভুটানের বাগান বলে একটা জমিতে পুকুর ছিল। এই পুকুরটি রাতারাতি মাটি ফেলে ভরাট করে ফেলা হয়েছে। এখানে চারপাশে উঁচু করে পাঁচিল দেওয়া হয়েছে। মাঝে মাঝে এই জমিতে চাল, গম, আটার বস্তা আসতো বলে জানা গিয়েছে।”

    এছাড়াও স্থানীয় রিতা নামক এক মহিলা বলেন, “আমাদের দুই কাঠা জমি ছিল, সেখানে আমাদের একটি বসত বাড়ি ছিল। এখানে মিল বা গোডাউন হবে, আর তাই সামনের জায়গাটা ছাড়তে হবে বলে হুমকি দেওয়া হয়। অবশেষে গুন্ডা ডেকে জোর করে জায়গা দখল করে নেয় বাকিবুর (Ration Scam)।” অপর দিকে পুরপ্রধান তৃণমূলের নেতা দীপঙ্কর ভট্টাচার্য বলেন, “শুনেছি এই জমি বাকিবুরের, কিন্তু কোনও দিন আসতে দেখিনি।  ”

      

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Ration Scam: সোমবার রাতে হাসপাতাল থেকে ছাড় জ্যোতিপ্রিয়র, শুরু হল ইডি হেফাজতের মেয়াদ

    Ration Scam: সোমবার রাতে হাসপাতাল থেকে ছাড় জ্যোতিপ্রিয়র, শুরু হল ইডি হেফাজতের মেয়াদ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গত সপ্তাহের বৃহস্পতিবার টানা একুশ ঘণ্টা বাড়িতে তল্লাশির (Ration Scam) পরে গভীর রাতে গ্রেফতার হন প্রাক্তন খাদ্যমন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক। শুক্রবার ব্যাঙ্কশাল কোর্টে দশ দিনের ইডি হেফাজতের নির্দেশ শুনে মূর্ছা যান মন্ত্রী। সে সময় তাঁকে কলকাতার একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সোমবার রাতে ওই বেসরকারি হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেলেন জ্যোতিপ্রিয়। তাঁকে বেশ সুস্থই দেখাচ্ছিল। নিজে পায়ে হেঁটে ইডি অফিসারদের সঙ্গে হাসপাতাল থেকে বের হন মন্ত্রী। তবে এদিন সংবাদমাধ্যম তাঁকে ঘিরে ধরলেও কোনওরকম প্রশ্নের উত্তর দিতে চাননি রেশন দুর্নীতিতে অভিযুক্ত জ্যোতিপ্রিয়।

    সোমবার দুপুরেই সিদ্ধান্ত হয় হাসপাতাল থেকে ছাড় পাবেন মন্ত্রী

    জানা গিয়েছে, সোমবার দুপুরেই জ্যোতিপ্রিয় মল্লিকের শারীরিক অবস্থা নিয়ে বৈঠক বসেছিল বেসরকারি হাসপাতালে মেডিক্যাল বোর্ড। সেখানেই সর্বসম্মতিক্রমে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় যে, মন্ত্রী সুস্থ হয়ে গিয়েছেন এবার তাঁকে হাসপাতাল থেকে ছাড় দেওয়া যেতে পারে। সন্ধ্যাতেই হাসপাতালে পৌঁছে গিয়েছিলেন ইডির দুই উচ্চপদস্থ আধিকারিক। এরপরে কেন্দ্রীয় বাহিনীর নিরাপত্তার ঘেরাটোপে তাঁকে বেসরকারি হাসপাতাল থেকে নিয়ে যাওয়া হয়। জ্যোতিপ্রিয় মল্লিককে মূল গেট দিয়ে সিজিও কমপ্লেক্সে ঢোকানো হয়নি। নিরাপত্তাজনিত কারণে তাঁকে অন্য একটি গেট দিয়ে ঢোকানো হয়। সিজিও কমপ্লেক্সে (Ration Scam) ঢোকার সময় গাড়ি থেকে নেমেই ইডি অফিসারদের সঙ্গে হেঁটে লিফটে ওঠেন জ্যোতিপ্রিয়। এ সময়ে তিনি সংবাদ মাধ্যমকে কোনও বিবৃতি দেননি। কিছুক্ষণ পর মেয়ে প্রিয়দর্শিনী মল্লিক আসেন ইডির দফতরে। জানা গিয়েছে, তিনি কিছু প্রয়োজনীয় ওষুধপত্র,  খাবার এবং জামাকাপড় নিয়ে এসেছিলেন।

    শুরু হল জ্যোতিপ্রিয়র ইডি হেফাজতের মেয়াদ

    প্রসঙ্গত, আদালত এর আগেই নির্দেশ দিয়েছিল যে যতদিন পর্যন্ত মন্ত্রী অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি থাকবেন তা ইডি হেফাজতের মেয়াদের দিন হিসেবে গণনায় ধরা হবে না। অর্থাৎ এবার শুরু হচ্ছে জ্যোতিপ্রিয়র (Ration Scam) ইডি হেফাজতের মেয়াদ। তবে হাসপাতাল থেকে ছেড়ে দিলেও আদালতের নির্দেশ মোতাবেক প্রতিদিনই তাঁর মেডিক্যাল টেস্ট করানো হবে বলে জানা গিয়েছে। সোমবার রাতে বেসরকারি হাসপাতালের তরফে যে মেডিকেল বুলেটিন প্রকাশ করা হয়েছে সেখানে বলা হয়েছে, মন্ত্রীকে বিভিন্ন বিভাগে চিকিৎসকরা দেখেছেন। শল্য চিকিৎসক, স্নায়ুর চিকিৎসকরা তাঁকে ফিজিওথেরাপি করানোর পরামর্শও দিয়েছেন।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share