Tag: Ration Scam

Ration Scam

  • Ration Scam: জ্যোতিপ্রিয়র স্ত্রী ও কন্যার ব্যাঙ্কের লকারের চাবি বাজেয়াপ্ত করল ইডি

    Ration Scam: জ্যোতিপ্রিয়র স্ত্রী ও কন্যার ব্যাঙ্কের লকারের চাবি বাজেয়াপ্ত করল ইডি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: টানা ২১ ঘণ্টা তল্লাশির (Ration Scam) পরে গ্রেফতার করা হয়েছিল বনমন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিককে। ব্যাঙ্কশাল কোর্টের রায় শুনে আদালত কক্ষেই মূর্ছা যান মন্ত্রী। তাঁকে ভর্তি করা হয় একটি বেসরকারি হাসপাতালে। এরই মাঝে ইডি বাজেয়াপ্ত (Ration Scam) করল জ্যোতিপ্রিয় মল্লিকের স্ত্রী এবং কন্যার ব্যাঙ্কের লকারের চাবি। জ্য়োতিপ্রিয় মল্লিকের পরিবারের বিপুল সম্পত্তির ওপর নজরদারি চালাচ্ছে কেন্দ্রীয় সংস্থা। লকারের চাবি বাজেয়াপ্ত করা সেই প্রক্রিয়ারই অঙ্গ বলে তদন্তকারী সংস্থা সূত্রে জানা গিয়েছে। ইডি সূত্রে আরও জানা গিয়েছে, এই দুটি লকারই সল্টলেকে রয়েছে, যার মধ্যে একটি বেসরকারি ব্যাঙ্কের এবং অপরটি রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাঙ্কের।

    বাকিবুর-জ্যোতিপ্রিয় মুখোমুখি জেরা সম্ভব হচ্ছে না

    এরই পাশাপাশি কেন্দ্রীয় সংস্থার পরিকল্পনা ছিল, মন্ত্রী এবং বাকিবুর রহমানকে মুখোমুখি বসিয়ে জেরা করার। তবে শরীর খারাপ নিয়ে মন্ত্রী ভর্তি রয়েছেন হাসপাতালে। আবার সোমবারই ইডি হেফাজতের মেয়াদ শেষ হচ্ছে বাকিবুরের। ইডি সূত্রের খবর, যে সমস্ত তথ্য অস্বীকার করেছেন বাকিবুর এবং জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক, মুখোমুখি বসিয়ে তাঁদের কাছে সে বিষয়ে জানতে চাইলে সেটা তাঁরা অস্বীকার করতে পারতেন না। তবে দুজনকে মুখোমুখি বসিয়ে জেরা এই মুহূর্তে সম্ভব হচ্ছে না। গতকালই নথি (Ration Scam) হাতে ইডি দফতরে ঢুকতে দেখা যায় মন্ত্রী কন্যা প্রিয়দর্শিনীকে। আবার আজকেই ইডি দফতরে পৌঁছে যান জ্যোতিপ্রিয়র দাদা দেবপ্রিয় মল্লিক।

    টিউশন পরিয়ে নাকি ৩ কোটি ৩৭ লাখ?

    জানা গিয়েছে, একাধিক ভুয়ো সংস্থা খুলেছিলেন জ্যোতিপ্রিয়। যেগুলি বাকিবুর এবং জ্যোতিপ্রিয়র পরিবারের সদস্যরাই চালাতেন। এভাবে মোট ৯৫ কোটি টাকা তছরুপ করেছেন তাঁরা। জ্যোতিপ্রিয়র একাধিক বাড়ির অ্যাকাউন্টও ব্লক করেছে ইডি। আয়কর রিটার্ন নথি বলছে, শুধুমাত্র টিউশন পরিয়ে নাকি ৩ কোটি ৩৭ লাখ টাকা আয় করেছেন মন্ত্রীকন্যা। ইউনিয়ন ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়ার রয়েছে প্রিয়দর্শিনীর একটি অ্যাকাউন্ট। বালুর স্ত্রীর অ্যাকাউন্ট রয়েছে আইডিবিআই-এর ব্যাঙ্কে (Ration Scam)। সেখানে রয়েছে ৪.৩ কোটি টাকা রয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Jyotipriya Mallick: পছন্দের ঝাঁ চকচকে হাসপাতালে বালু, মেয়ে খাবার আনলেও তা পরীক্ষা করবে ইডি

    Jyotipriya Mallick: পছন্দের ঝাঁ চকচকে হাসপাতালে বালু, মেয়ে খাবার আনলেও তা পরীক্ষা করবে ইডি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বালু পছন্দের ঝাঁ চকচকে বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি হলেও, কড়া নিরাপত্তার নিয়মের মধ্যে থাকতে হবে তাঁকে। তাঁর মেয়ে খাবার আনলেও তা পরীক্ষা করবে ইডি। রেশন বণ্টন দুর্নীতি কাণ্ডে, গত শুক্রবার গ্রেফতার হয়েছেন প্রাক্তন খাদ্যমন্ত্রী তথা বর্তমান বনমন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক (Jyotipriya Mallick)। তাঁকে তোলা হয়েছিল ব্যাঙ্কশাল কোর্টে। কিন্তু আচমকা অসুস্থ হয়ে পড়েন। আদালত তাঁকে ১০ দিনের হেফাজতে রাখার নির্দেশ দিয়েছে। আর এই নির্দেশ শুনেই কাঠগড়ায় বসে পড়েন এবং এরপর বমি করতে শুরু করেন তিনি। দুর্নীতির তদন্তে ভেঙে পড়েননি তো বালু?

    ইডি চেয়েছিল কমান্ড হাসপাতাল (Jyotipriya Mallick)

    আদালতের নির্দেশ শুনে জ্যোতিপ্রিয় (Jyotipriya Mallick) অসুস্থ হয়ে পড়লে, ইডি প্রাথমিক ভাবে কমান্ড হাসপাতালে নিয়ে যেতে চেয়েছিল। কিন্তু তাঁর আইনজীবীদের দাবি মেনে আদালত তাঁকে অ্যাপোলো হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার অনুমতি দেয়। সেই সঙ্গে তদন্তকারী অফিসাররা বলেন, অভিযুক্ত নিজের পছন্দের হাসপাতালে যেতে চাইলে, খরচ তাঁকেই বহন করতে হবে। সেই সঙ্গে ইডি আরও স্পষ্ট ভাবে জানিয়ে দেয় যে পছন্দের হাসপাতালে চিকিৎসা চলাকালীন সময়, হেফাজতের মেয়াদের মধ্যে ধরা হবে না। ফলে তদন্তে কোনও ছাড় পাচ্ছেন না বালু।

    হাইফাই চিকিৎসা অ্যাপোলোতে

    শুক্রবার সন্ধ্যা সাড়ে ৭ টায় হাসপাতালে ভর্তির পর থেকেই দ্রুত চিকিৎসা শুরু হয়েছে জ্যোতিপ্রিয় মল্লিকের (Jyotipriya Mallick)। সূত্রে জানা গেছে, ইতিমধ্যেই তাঁর এমআরআই এবং সিটি স্ক্যান করানো হতে পারে। এছাড়াও, নিউরো, হার্ট, কিডনির সমস্যা রয়েছে কিনা, তা দেখা হচ্ছে। তবে আদলতের নির্দেশ রয়েছে, কিছুটা সুস্থ বোধ করলেই, তাঁকে কমান্ড হাসপাতালে স্থানান্তরিত করতে হবে। সেই সঙ্গে কমান্ড হাসপাতালে জরুরি ভিত্তিতে মেডিক্যাল বোর্ড গঠন করারও নির্দেশ দিয়েছে কোর্ট।

    কড়া নিরাপত্তায় থাকবেন হাসপাতালে

    তৃণমূলের বনমন্ত্রী বালু, শারীরিক ভাবে সুগারের সমস্যায় রয়েছেন। তাঁর আইনজীবীরা জানিয়েছেন, খাবারের মাধ্যে নানান বিধিনিষেধ রয়েছে। তাই তাঁর মেয়ে, বাড়ি থেকে রান্না করে খাবার নিয়ে যাবেন। তবে যেহেতু জ্যোতিপ্রিয়র (Jyotipriya Mallick) বিরুদ্ধে অভিযোগ গুরুতর এবং রাজ্যের মন্ত্রী, তাই তাঁর নিরাপত্তার কথা ভেবে, সেই খাবার পরীক্ষা করবে ইডি। তবে বাইরের কেউ দেখা করতে পারবেন না। এখন বর্তমানে ১০ জন সিআরপিএফ এবং ২ জন ইডির অফিসার নজরে রেখেছেন তাঁকে। আগামী ৩০ অক্টোবর পর্যন্ত তাঁর শারীরিক অবস্থা কেমন থাকছে, তা আদালতকে জানাবে ইডি।  

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • North 24 Parganas: খোদ খাদ্যমন্ত্রীর জেলায় চলছে রেশনে কারচুপি! হুঁশ নেই প্রশাসনের, তীব্র আক্রমণ বিজেপির

    North 24 Parganas: খোদ খাদ্যমন্ত্রীর জেলায় চলছে রেশনে কারচুপি! হুঁশ নেই প্রশাসনের, তীব্র আক্রমণ বিজেপির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সম্প্রতি রাজ্যের রেশন দোকানের ডিলারদের বিরুদ্ধে রেশনে কারচুপি করার অভিযোগ উঠছে। অনেক রেশন ডিলার, গ্রাহকদের রেশন সামগ্রিক বদলে সামান্য কিছু টাকা দিয়ে, মূল সামগ্রী বাজারে চড়া দামে বিক্রি করছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। রেশনের বদলে নগদ টাকা, ভাবাই যায় না! অবাস্তব লাগলেও বাস্তবে এমনই ঘটনা ঘটেছে উত্তর ২৪ পরগনা জেলার সদর শহর বারাসতে (North 24 Parganas)। এই কারচুপিকে চোরাকারবার বলে তীব্র আক্রমণ করেছে বিজেপি। স্বয়ং তৃণমূলের খাদ্যমন্ত্রীর জেলায় যদি এই ঘটনা ঘটে, বাকি রাজ্যজুড়ে কী চলছে! বলে আঙুল তুলেছে বিজেপি। উল্লেখ্য করোনা কালেও তৃণমূলের নেতারা রেশনের চাল চুরি করেছেন বলে বিরোধীরা অভিযোগ তুলেছিল।

    রেশন দোকানের মালিক কে (North 24 Parganas)?

    বারাসত (North 24 Parganas) পৌরসভার ২৭ নম্বর ওয়ার্ডের নতুন পুকুর এলাকায় ন্যায্যমূল্যের রেশন দোকান রয়েছে সুজয় কুমার রায়ের। দোকানে ঢোকার মুখে সাইনবোর্ডে তা জ্বলজ্বল করছে। এই সাইনবোর্ডের পাশে আরও একটি সাইনবোর্ড লক্ষ্য করা গিয়েছে। যেটি আবার অনিমা রানি দাস নামে এক রেশন ডিলারের। অভিযোগ, বকলমে সেটিও ওই রেশন দোকানকে চালাচ্ছেন সুজয় কুমার। যা সম্পূর্ণ বেআইনি বলেই অভিযোগ করছেন এলাকাবাসী। নগদ টাকা দেওয়ার বিষয়টি নিয়েও সরব হয়েছেন এলাকার গ্রাহকরা। রেশনে কারচুপি ঠেকাতে ইতিমধ্যেই রাজ্যের খাদ্য দফতর প্রতিটি রেশন দোকানে ডিজিটাল পদ্ধতি চালু হয়েছে। অর্থাৎ, বায়োমেট্রিক ছাড়া কোনও গ্রাহকই এখন থেকে আর রেশন সামগ্রী নিতে পারবেন না। এছাড়াও ‘দুয়ারে রেশন’-ও চালু হয়েছে কিন্তু, তারপরও অভিযোগ রেশন ডিলারদের একাংশের বিরুদ্ধে। যা স্পষ্টত দেখা গেল বারাসতে এই রেশন দোকানে।

    কীভাবে চলছে এই কারবার

    যে রেশন সামগ্রী গ্রাহকদের হাতে তুলে দেওয়ার কথা, সেই সামগ্রী দোকানে মজুত করে রাখা হচ্ছে। আর তার বদলে সামান্য নগদ টাকা দেওয়া হচ্ছে গ্রাহকদের। এমনই অভিযোগ উঠেছে রেশন ডিলার (North 24 Parganas) সুজয় কুমার রায়ের বিরুদ্ধে। আর যিনি, রেশন দোকানে বসে এই বেআইনি কারবার চালাচ্ছেন, তিনি আর কেউ নন, রেশন ডিলারের স্ত্রী সুজাতা রায়। তবে প্রথম নয়, দিনের পর দিন এই অনৈতিক কাজকর্ম অনেকদিন ধরে এলাকায় করছেন বলে অভিযোগ তুলেছেন এলাকার মানুষ।

    কিভাবে এই কারবার চালাচ্ছেন রেশন ডিলারের স্ত্রী! জানা গিয়েছে, প্রথমে তিনি গ্রাহকের রেশন কার্ড জমা নিচ্ছেন। এরপর ক্যালকুলেটরে হিসাব করে নেওয়া হচ্ছে ওই গ্রাহকের রেশন সামগ্রীর পরিমাণ এবং বিক্রির মূল্য। সেই পরিমাপ মতো নগদ টাকা তুলে দেওয়া হচ্ছে গ্রাহকের হাতে। সবটাই চলছিল প্রকাশ্যে! ক্যামেরায় সেই ছবি ধরা পড়তেই সুর নরম করতে শুরু করে দেন রেশন ডিলারের স্ত্রী। পরে সংবাদমাধ্যমের চাপে বেআইনি কারবারের কথা স্বীকার করে নেন তিনি। এই ছবি প্রকাশ্যে আসতেই কিছুক্ষণের মধ্যে রেশন দোকান বন্ধ করে সেখান থেকে পালিয়ে যান সকলে।

    খাদ্যমন্ত্রীর বক্তব্য

    অন্যদিকে বিষয়টি নিয়ে রাজ্যের খাদ্যমন্ত্রী রথীন ঘোষ (North 24 Parganas) বলেন, “ঘটনাটি আমার কানে এসেছে। তদন্ত করে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তারপরেও বলব, সাধারণ মানুষকে আরও সচেতন হতে হবে। রেশনের বদলে কেন টাকা নিতে যাবেন! তার মানে তো অন্যায় কাজে তাঁরাও উৎসাহ জোগাচ্ছেন। মুখ্যমন্ত্রী যে উদ্দেশ্যে বিনামূল্যে রেশন ব্যবস্থা চালু করেছেন সেই উদ্দেশ্যই তো সফল হবে না। এটা আমাদের সকলের মাথায় রাখতে হবে।

    বিজেপির বক্তব্য

    অন্যদিকে তৃণমূল সরকারকে নিশানা করেছে গেরুয়া শিবির। এই বিষয়ে স্থানীয় (North 24 Parganas) বিজেপির যুব মোর্চার জেলা নেতা দেবাশিষ সরকার বলেন, “সরষের মধ্যেই যদি ভূত থাকে তাহলে সেই ভূত তাড়াবেন কীভাবে? তৃণমূল সরকার ক্ষমতায় আসার পর থেকে সমস্ত স্তরেই দুর্নীতির বাসা বেঁধেছে।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের , Twitter এবং Google News পেজ।

  • Sheikh Shahjahan: মিলল না আগাম জামিন, শাহজাহানের আর্জি খারিজ করে দিল হাইকোর্ট

    Sheikh Shahjahan: মিলল না আগাম জামিন, শাহজাহানের আর্জি খারিজ করে দিল হাইকোর্ট

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আরও বিপাকে সন্দেশালিকাণ্ডের অন্যতম অভিযুক্ত শেখ শাহজাহান (Sheikh Shahjahan)। মঙ্গলবার তাঁর আগাম জামিনের আর্জি খারিজ করে দিল কলকাতা হাইকোর্ট। আর্থিক তছরুপের মামলায় ইডির হাত থেকে রেহাই পেতে হাইকোর্টে আগাম জামিনের আবেদন করেছিলেন শেখ শাহজাহান। কিন্তু এদিন বিচারপতি দেবাংশু বসাক এবং বিচারপতি মহম্মদ শব্বর রসিদির ডিভিশন বেঞ্চ জানিয়ে দেয়, ইডির হেফাজতে অন্য এক অভিযুক্তের মারফত শাহজাহানের নাম উঠে এসেছে। বর্তমানে সেই ঘটনার তদন্ত চলছে। এই প্রেক্ষিতে আগাম জামিন দেওয়া সম্ভব নয়। 

    আদালতে সওয়াল-জবাব

    বর্তমানে সিবিআই হেফাজতে রয়েছেন শেখ শাহজাহান (Sheikh Shahjahan)। তাঁকে দফায় দফায় জেরা করে সন্দেশখালিতে হামলার দিনের ঘটনার বিভিন্ন তথ্য জানার চেষ্টা করছে কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা। এরই মাঝে ইডির হাত থেকে রেহাই পেতে কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিলেন সন্দেশখালির তৃণমূল নেতা। উল্লেখ্য, এর আগে বসিরহাটের পিএমএলএ কোর্টে আগাম জামিনের আবেদন করেছিলেন তৃণমূল থেকে সাসপেন্ড হওয়া ওই নেতা। সেখানেও তাঁর আবেদন খারিজ হয়ে যায়। এদিন শাহজাহানের আইনজীবী সব্যসাচী ব্যানার্জী বলেন, “শাজাহানের বিরুদ্ধ সরাসরি কোনো অভিযোগ নেই । তাঁকে ইডি অফিসারদের হামলায় মদত দেওয়ার অভিযোগে গ্রেফতার করা হয়েছে। তাই ইডি কিসের ভিত্তিতে তাঁকে হেফাজতে নেবে? এই বক্তব্যকে খারিজ করে ইডির আইনজীবী ধীরাজ ত্রিবেদী আদালতে জানান, রেশন দুর্নীতির অভিযোগে রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিককে গ্রেফতার করা হয়। সেখান থেকে শাহজাহানের নাম উঠে আসে। ফৌজদারি অপরাধে গ্রেফতার হয়েছেন তিনি। অর্থ তছরুপ প্রতিরোধ আইন (পিএমএলএ)-এর মামলায় তাঁকে এখনও গ্রেফতার করেনি ইডি। 

    আরও পড়ুন: ‘অস্বস্তিকর প্রশ্ন করলেই এসএসসি চুপ থাকে’, নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় আদালতের কটাক্ষ

    আদালতের পর্যবেক্ষণ

    দুপক্ষের সওয়াল জবাবের পর শেখ শাহজাহানের (Sheikh Shahjahan) আগাম জামিনের আবেদন খারিজ করে দেয় হাইকোর্ট। ইডি জানায়, শাহজাহান প্রবল প্রভাবশালী। তাকে রক্ষা করতে উঠেপড়ে লেগেছিল রাজ্য সরকার। এমনকী আদালতের নির্দেশের পরেও তাকে গ্রেফতার করেনি রাজ্য পুলিশ। তাছাড়া তার বিরুদ্ধে আর্থিক তছরূপের গুরুতর অভিযোগ রয়েছে। যার জাল বাংলাদেশ পর্যন্ত ছড়িয়ে রয়েছে। তাকে আগাম জামিন মঞ্জুর করলে তদন্তে প্রভাব পড়বে। ইডির ওপর হামলার ঘটনায় ইতিমধ্যে সিবিআই হেফাজতে রয়েছে শেখ শাহজাহান। বৃহস্পতিবার ফের তাকে আদালতে পেশ করবেন তদন্তকারীরা। কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা সূত্রে খবর, সিবিআই হেফাজতের মেয়াদ ফুরোলেই শাহজাহানকে গ্রেফতার করতে পারে ইডি।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

  • Suvendu Adhikari: শাহজাহানের ফোনের তথ্য নষ্ট করেছে রাজ্য পুলিশ, দাবি শুভেন্দুর

    Suvendu Adhikari: শাহজাহানের ফোনের তথ্য নষ্ট করেছে রাজ্য পুলিশ, দাবি শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হদিশ মিলছে না শাহজাহানের (Sheikh Shahjahan) দুটি মোবাইল ফোনের। সন্দেশখালির দাপুটে তৃণমূল নেতা শেখ শাহজাহানকে হেফাজতে নেওয়ার পর থেকেই তাঁর মোবাইলের খোঁজ করছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। গোয়েন্দা কর্তারা মনে করছেন এই দুটি ফোন মিললেই শাহজাহানের অজ্ঞাতবাস সম্পর্কিত একাধিক প্রশ্নের জবাব মিলবে। এরই মধ্যে বিরোধী দলনেতা  শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) দাবি করলেন, শাহজাহানের ফোনের তথ্য নষ্ট করেনি তো রাজ্য পুলিশ।

    শুভেন্দুর দাবি

    বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) এদিন এক্স হ্যান্ডেলে করা পোস্টে বলেছেন, শেখ শাহজাহান যখন মমতার পুলিশের শেল্টারে ছিলেন, তার কথাকথিত গ্রেফতার হওয়ার আগে আমিনুল নামে একজন অফিসার তার আইফোন থ্রি অনুষ্ঠানিকভাবে বাজেয়াপ্ত করে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের হাতে তুলে দেন। শুভেন্দু অধিকারী প্রশ্ন তুলেছেন, তাঁর নির্ভরযোগ্য সূত্র ফোনটির বর্তমান অবস্থা সম্পর্কে নিশ্চিত নয় কেউ। সেটি কি পুলিশের হেফাজতে আছে, নাকি নষ্ট করে ফেলা হয়েছে, তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন বিরোধী দলনেতা। তিনি এক্স হ্যান্ডেলে সিবিআইকে ট্যাগ করে বলেছেন, এই বিষয়টি যেন খতিয়ে দেখা হয়। ওই ফোনে যে নম্বরটি ব্যবহারকরা হত তাও তিনি উল্লেখ করেছেন। শুভেন্দুর দাবি, শেখ শাহজাহান এই ফোনটি ব্যবহার করত তৃণমূলের শীর্ষস্থানীয়দের সঙ্গে যোগাযোগ করার জন্য।

    ফোনের খোঁজ নেই

    গত ৫ জানুয়ারি রেশন দুর্নীতি কাণ্ডে শাহজাহানের বাড়িতে তল্লাশি করতে যায় ইডি। সেখানেই শাহজাহানের (Sheikh Shahjahan) লোকজন ইডি আধিকারিকদের উপর হামলা চালায় বলে অভিযোগ। ফোনে উস্কানি দিয়েই যে সেদিন শাহজাহান আক্রমণ সংগঠিত করেছিল তা গোয়েন্দাদের কাছে স্পষ্ট। এমনকি ফোনের টাওয়ার দেখেই ইডি আধিকারিকরা নিশ্চিত হন যে সেই সময় বাড়িতেই ছিল শাহজাহান।

    আরও পড়ুন: হাতির পিঠে জঙ্গল পরিদর্শনে প্রধানমন্ত্রী, কাজিরাঙায় জিপ সাফারিও করলেন মোদি

    তারপরেই বেপাত্তা হয়ে যায় সে। ৫৬ দিন পর তাকে ধরা গেলেও দুটি মোবাইল ফোনের কোনও হদিশ মেলেনি। ফোন মিললেই সন্দেশখালির কোন কোন নেতার সঙ্গে তাঁর যোগাযোগ হয়েছে, সে সম্পর্কে নিশ্চিত হতে পারবে সিবিআই। তাই এই দুটি ফোনের খোঁজ পেতে এখন মরিয়া হয়ে উঠেছেন কেন্দ্রীয় গোয়েন্দারা।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

     

  • PM Modi: সন্দেশখালির মহিলাদের মা দুর্গার সঙ্গে তুলনা করে ফের রাজ্যকে নিশানা মোদির

    PM Modi: সন্দেশখালির মহিলাদের মা দুর্গার সঙ্গে তুলনা করে ফের রাজ্যকে নিশানা মোদির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আরামবাগের পরে কৃষ্ণনগরেও প্রধানমন্ত্রীর (PM Modi) ভাষণে উঠে এল সন্দেশখালি প্রসঙ্গ। নিজের ভাষণে সন্দেশখালির মহিলাদের মা দুর্গার সঙ্গে তুলনা করলেন নরেন্দ্র মোদি। এদিন তৃণমূলের নতুন নামকরণও নমো। একইসঙ্গে বাংলার মাটিতে আসন্ন লোকসভা ভোটে বঙ্গ বিজেপির নেতাদের ৪২টি আসনেই পদ্ম ফোটানোর লক্ষ্যমাত্রা বেঁধে দিলেন প্রধানমন্ত্রী।

    ‘‘বাংলার নারীশক্তি দুর্গা রূপে রুখে দাঁড়িয়েছে’’

    তৃণমূল নেতারা দুঃসাহসের সব সীমা পার করে ফেলেছে বলে আক্রমণ শানিয়ে প্রধানমন্ত্রী এদিন বলেন, ‘‘রাজ্য সরকার চায়নি সন্দেশখালির অপরাধী গ্রেফতার হোক।  কিন্তু বাংলার নারীশক্তি দুর্গা রূপে রুখে দাঁড়ানোয় এবং বিজেপির নেতারা তাদের পাশে থাকায় রাজ্য সরকার মাথা ঝোঁকাতে বাধ্য হয়েছে।’’ প্রধানমন্ত্রীর (PM Modi) আরও সংযোজন, ‘‘এখন মা মাটি-মানুষ তৃণমূলের কুশাসনে কাঁদছে।  সন্দেশখালির বোনেরা ইনসাফ চাইছে, তৃণমূল সরকার কর্ণপাতও করেনি। বাংলার এমন অবস্থা যে, পুলিশ নয়, এখানে অপরাধী ঠিক করে সে কবে আত্মসমর্পণ করবে, কখন তাকে গ্রেফতার করা হবে।’’

    টিএমসি সরকার কেলেঙ্কারির মাস্টার

    রাজ্য সরকার, কেন্দ্রীয় প্রকল্পগুলিতে বাধা দিচ্ছে বলেও এদিন অভিযোগ করেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি জানান, কেন্দ্রের সব উন্নয়নমূলক প্রকল্পে বাধা দিচ্ছে পশ্চিমবঙ্গ সরকার। স্বাস্থ্য, নারী বিকাশের মতো একাধিক প্রকল্প আটকে রেখেছে রাজ্য সরকার। ঘরে ঘরে জল প্রকল্পেও তোলাবাজি চালাচ্ছে তৃণমূল, এমনটাই অভিযোগ মোদির (PM Modi)। রাজ্যে ২৫ লক্ষ ভুয়ো মনরেগা কার্ড তৈরি হয়েছে। যার কোনও অস্তিত্ব নেই বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। বাংলার টিএমসি সরকারকে কেলেঙ্কারির মাস্টার বলেও তোপ দাগেন প্রধানমন্ত্রী।

    গ্রামে গ্রামে বিজেপি কর্মীদের যেতে বলেন প্রধানমন্ত্রী

    মোদির ভাষণে এদিন উঠে আসে রেশন কেলেঙ্কারির কথাও। তিনি বলেন, ‘‘এরা গরিবদের রেশন লুট করতেও পিছপা হয় না।’’ প্রধানমন্ত্রী আরও জানান, বিজেপি সরকার মানুষের জন্য কাজ করে, এটা মোদির গ্যারান্টি। বিজেপি কর্মীদের আগামী কয়েকদিনের কর্মসূচিও ঠিক করে দেন প্রধানমন্ত্রী (PM Modi)। বিজেপি কর্মীদের গ্রামে গ্রামে গিয়ে আগামী ১০০ দিন ধরে বলতে বলেন, মোদিজী এসেছিলেন আপনাদের প্রণাম জানিয়েছেন।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Sheikh Shahjahan: ইডি অফিসে শাহজাহানের ঘনিষ্ঠ ব্যবসায়ী! কোন পথে এগোচ্ছে তদন্ত?

    Sheikh Shahjahan: ইডি অফিসে শাহজাহানের ঘনিষ্ঠ ব্যবসায়ী! কোন পথে এগোচ্ছে তদন্ত?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রেশন বণ্টন কেলেঙ্কারিতে অভিযুক্ত সন্দেশখালির বেতাজ বাদশা শেখ শাহাজাহান। গত ৫ জানুয়ারি তাঁকে ধরতে গিয়েই আক্রান্ত হয় ইডি। সে থেকেই ঘটনার সূত্রপাত। টানা ৫৫ দিন গা ঢাকা দিয়েছিলেন শাহজাহান। অবশেষে তাঁকে গ্রেফতার করে পুলিশ। যদিও ইডির দাবি, তথ্য লোপাটের চেষ্টা করা হবে। এমনকী শাহজাহানকে আড়াল করবে রাজ্য পুলিশ। তাই দ্রুত শাহজাহানকে ঘিরতে চাইছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। চলছে তারই প্রস্তুতি। এরইমধ্যে ইডি ডেকে পাঠিয়েছে শাহজাহান ঘনিষ্ঠ ব্যবসায়ী অরুণ সেনগুপ্ত,  অরূপ সোমকে।

    অরূপ সোমকে তলব

    শেখ শাহজাহান গ্রেফতার হতেই তাঁর ঘনিষ্ঠ বলে পরিচিত ব্যবসায়ী অরূপ সোমকে ডেকে পাঠাল এনফোরেসমেন্ট ডিরেক্টরেট। এই নিয়ে দ্বিতীয়বার ইডি’র সমন পেলেন তিনি। অনুমান, শাহজাহানের বিরুদ্ধে প্রমাণ জোগাড় করতেই এই তলব। চলতি সপ্তাহেই অরূপের দক্ষিণ কলকাতার বিজয়গড়ের বাড়িতে তল্লাশি চালিয়েছেন ইডি আধিকারিকরা। ইডি সূত্রে খবর, শেখ শাহজাহানের চিংড়ি মাছের ব্যবসা সংক্রান্ত মামলায় তলব করা হয়েছে ব্যবসায়ীকে। এই ব্যবসায়ী শাহজাহানের থেকে চিংড়ি মাছ নিয়ে অন্যান্য কোম্পানিদের বিক্রি করত বলে জানা গিয়েছে। এই কোম্পানির সঙ্গেই শেখ শাহজাহানের ব্যবসায়িক যোগাযোগ ছিল। তদন্তকারীরা মনে করছেন যে, রেশন দুর্নীতির সঙ্গে যেহেতু শেখ শাহজাহান ওতপ্রোতভাবে যুক্ত, ফলে তাঁর অ্যাকাউন্টে কোটি কোটি কালো টাকা আসত ৷ সেই কালো টাকা অরূপ সোমের কোম্পানিতে বিনিয়োগ করা হত মাছের ব্যবসার নামে। ফলে কতবার কত কোটি টাকা তাঁদের মধ্যে লেনদেন হয়েছে, সেই সমস্ত বিশদে জানার জন্যই ফের অরূপ সোমকে ডেকে পাঠিয়েছে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট।

    আরও পড়ুন: ইডি থেকে বাঁচতেই কি ইডি’র ওপর হামলার দায় স্বীকার শাহজাহানের?

    অরুণ সেনগুপ্তকে জেরা

    শাহজাহান ঘনিষ্ঠ বিরাটির ব্যবসায়ী অরুণ সেনগুপ্তও হাজির হলেন ইডির দফতরে। সোমবারই তাঁর মেয়ে এসেছিলেন আইনজীবীকে সঙ্গে নিয়ে। সূত্রের খবর, বেশ কিছু নথি নিয়ে সোমবার তদন্তকারী সংস্থার দফতরে যান অরুণ-কন্যা। এরপরই এদিন যান অরুণ নিজে। আমদানি-রফতানির সংস্থা রয়েছে তাঁরও। চিংড়ি মাছের আমদানি-রফতানি সংক্রান্ত কাজ করে তাঁর সংস্থা। শেখ শাহজাহান সম্পর্কে দ্বিতীয় যে ইসিআইআর হয়েছে, মূলত তা অরুণ সেনগুপ্তের সংস্থার একটি পুরনো এফআইআরের ভিত্তিতে। অরুণ সেনগুপ্ত সি ফুড এক্সপোর্ট অ্যাসোসিয়েশনেরও সদস্য। ইডি সূত্রে খবর, শেখ শাহজাহানের সঙ্গে অরুণ সেনগুপ্তের সংস্থার লেনদেন সংক্রান্ত যোগ ছিল।  

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Ration Scam: রেশন দুর্নীতির টাকা বিনিয়োগ ঢাকার কাপড়ের দোকানে! ধৃত বিশ্বজিতের ইডি হেফাজত

    Ration Scam: রেশন দুর্নীতির টাকা বিনিয়োগ ঢাকার কাপড়ের দোকানে! ধৃত বিশ্বজিতের ইডি হেফাজত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রেশন দুর্নীতি মামলায় (Ration Scam) গ্রেফতার হওয়া বিশ্বজিৎ দাসকে আগামী ২৩ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ইডি হেফাজতের নির্দেশ দিল আদালত।  শুক্রবার এই নির্দেশ দেন বিশেষ ইডি আদালতের ভারপ্রাপ্ত বিচারক শুভেন্দু সাহা। প্রসঙ্গত, মঙ্গলবার শংকর আঢ্যর ঘনিষ্ঠ ব্যবসায়ী বিশ্বজিৎ দাসের কলকাতার বাড়িতে তল্লাশি অভিযান চালায় ইডি৷ এর পর বুধবার তাঁকে গ্রেফতার করেন ইডির আধিকারিকরা। গ্রেফতারির আগের মুহূর্তে বিশ্বজিৎ বাংলাদেশে ছিলেন বলে জানতে পেরেছেন গোয়েন্দারা। ফেরেন মঙ্গলবারই। বিমানবন্দরে তাঁকে পাকড়াও করে ইডি। শুধু তাই নয়, প্রতিবেশী রাষ্ট্রে কাপড়ের ব্যবসায় বিশাল অঙ্কের টাকা বিনিয়োগও করেছেন রেশন দুর্নীতিকাণ্ডে (Ration Scam) ধৃত বিশ্বজিৎ দাস, এমনটাই দাবি গোয়েন্দাদের৷ 

    বিশ্বজিৎকে জেরা করে কী জানতে পারলেন গোয়েন্দারা?

    বিশ্বজিৎকে জেরা করে তদন্তকারী সংস্থার আধিকারিকরা জানতে পেরেছেন, ঢাকায় বিশ্বজিতের একটি বড় কাপড়ের দোকান রয়েছে৷ এখানেই জোরালো হচ্ছে হাওয়ালার মাধ্য়মে (Ration Scam) দুর্নীতির টাকা বাংলাদেশে পাঠানোর ক্ষেত্রে বিশ্বজিতের ভূমিকা। তদন্তকারীদের দাবি, শুধু দুবাইতে নয়, বাংলাদেশে কাপড়ের ব্যবসার মাধ্যমেও রেশন দুর্নীতির টাকা পাচার হয়েছে। প্রসঙ্গত, গত জানুয়ারি মাসেই রেশন দুর্নীতি কাণ্ডে ইডির হাতে গ্রেফতার হন বনগার তৃণমূল নেতা শঙ্কর আঢ্য৷ তাঁকে জেরা করেই বিশ্বজিতের নাম পেয়েছেন ইডির আধিকারিকরা৷

    টাকা পাচারের মাস্টারমাইন্ড বিশ্বজিৎ

    ইডির দাবি, বিশ্বজিৎ দাসই রেশন দুর্নীতিকাণ্ডের (Ration Scam) বিপুল টাকা বিদেশে পাচার করতেন৷ তাঁর হাতেই কোটি কোটি টাকা বাংলাদেশে পাচার করেছে৷ গোয়েন্দাদের মতে, কালো টাকা পাচারের ক্ষেত্রে গ্রেফতার হওয়া রাজ্যের প্রাক্তন খাদ্য মন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক এমন কয়েকজন ব্যবসায়ীকে বেছে নিয়েছিলেন। যাঁদের আন্তর্জাতিক কারবার ও বিদেশেও একাধিক ব্যবসা আছে৷ ইডির সন্দেহের তালিকায় রয়েছে এমন আরও চার ব্যবসায়ী। আগামী সপ্তাহে তাঁদেরও ডেকে জিজ্ঞাসাবাদ করতে পারেন গোয়েন্দারা। তদন্তের জাল ক্রমশই গুটিয়ে আনছে ইডি।

     

    আরও পড়ুন: মার্চের দ্বিতীয় সপ্তাহে ঘোষণা লোকসভা ভোট! রাজ্যে নোডাল অফিসার নিয়োগ কমিশনের

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Ration Scam: মন্ত্রিসভা থেকে সরানো হল বালুকে, গ্রেফতারির সাড়ে তিনমাস পরে পদ খোয়ালেন

    Ration Scam: মন্ত্রিসভা থেকে সরানো হল বালুকে, গ্রেফতারির সাড়ে তিনমাস পরে পদ খোয়ালেন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অক্টোবর মাসে পুজোর পরে রেশন দুর্নীতিতে গ্রেফতার হয়েছিলেন। শুক্রবারই রাজ্যের বনমন্ত্রী এবং শিল্পোদ্যোগ মন্ত্রীর পদ থেকে সরানো হল জ্যোতিপ্রিয় মল্লিককে (Ration Scam)। শুক্রবার রাজভবন এক বিজ্ঞপ্তিতে এ কথা জানিয়েছেন। জানা গিয়েছে, জ্যোতিপ্রিয়ের বদলে বিরবাহা হাঁসদা এবং পার্থ ভৌমিক ওই দুই দফতর সামলাবেন। রাজভবনের দেওয়া বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, সংবিধানের ১৬৬(৩) অনুচ্ছেদ মেনে রাজ্যপাল জ্যোতিপ্রিয়কে রাজ্যের বন দফতর এবং শিল্পোদ্যোগ ও শিল্প পুনর্গঠনের দফতরের দায়িত্ব থেকে ‘অব্যাহতি’ দিচ্ছেন। প্রসঙ্গত, রেশন দুর্নীতি মামলায় গ্রেফতার জ্যোতিপ্রিয়ের বিরুদ্ধে ইডি ইতিমধ্যেই জমা দিয়েছে চার্জশিট।

    বালুর মন্ত্রীপদ গেল

    বালুকে পুরোপুরি মন্ত্রিসভা (Ration Scam) থেকেই সরিয়ে দেওয়া হয়েছে কিনা তা নিয়ে অবশ্য তৃণমূলের তরফে কোনও বিবৃতি সামনে আসেনি। শাসক দলের কোনও কোনও অংশ জানিয়েছে, বালুর হাত থেকে দু’টি দফতর কেড়ে নেওয়া হয়েছে। তিনি এখন দফতরবিহীন মন্ত্রী। আবার এমন প্রশ্নও উঠছে, দফতর কেড়ে নিয়ে কি বালুকে মন্ত্রিসভা থেকে সরিয়ে দেওয়ার প্রাথমিক পদক্ষেপ করা হল? প্রসঙ্গত, ২০২২ সালের জুলাই মাসে শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতিতে রাজ্যের তৎকালীন মন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়কে গ্রেফতার করে ইডি। পাঁচ দিনের মাথায় পার্থকে মন্ত্রিত্ব থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়। রেশন দুর্নীতি (Ration Scam) মামলায় অভিযুক্ত জ্যোতিপ্রিয়কে গত ২৬ অক্টোবর গ্রেফতার করেছিল কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা। ঠিক সাড়ে তিন মাস পর মন্ত্রীপদ গেল বালুর।

    ছোট হচ্ছে তদন্তের জাল

    বুধবারই গ্রেফতার হয়েছে শঙ্কর আঢ্য ঘনিষ্ঠ বিশ্বজিৎ দাস। তদন্তে নেমে ইডি জানতে পারে গ্রেফতারির আগে এই ব্যবসায়ী বাংলাদেশে গিয়েছিলেন ৷ আর এই তথ্য সামনে আসতেই রেশন দুর্নীতিকাণ্ডে বাংলাদেশ যোগ রয়েছে বলে মনে করছে ইডি ৷ তদন্তকারী সংস্থার সন্দেহ, বাংলাদেশ থেকে হাওয়ালার মাধ্যমে দুবাই চলে যেত টাকা। সেই লিঙ্কই এখন খুঁজছে ইডি। বালু ও শঙ্করের কালো টাকা হাওয়ালার মাধ্যমে বিদেশে পাঠাতে কি ভূমিকা নিতেন বিশ্বজিৎ? এই প্রশ্নই এখন ঘুরপাক খাচ্ছে তদন্তকারীদের মনে। পাশাপাশি ইডি-র আরও সন্দেহ এ রাজ্যের পাশাপাশি এই দুর্নীতিতে সে দেশের (বাংলাদেশ) ব্যবসায়ীরাও (Ration Scam) যুক্ত থাকতে পারেন। প্রসঙ্গত, ইডি ইতিমধ্যে আদালতে জানিয়েছে, বালুর ২০০০ কোটি টাকা শঙ্করের মাধ্যমে দুবাই পাঠানো হয়েছে, সেই টাকার একটা অংশ দুবাইয়ে গিয়ে নিয়েছিলেন বিশ্বজিৎ।

     

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Ration Scam: রেশন দুর্নীতিকাণ্ডে বাংলাদেশ যোগ! গ্রেফতারির আগে সেখানেই ছিলেন বিশ্বজিৎ

    Ration Scam: রেশন দুর্নীতিকাণ্ডে বাংলাদেশ যোগ! গ্রেফতারির আগে সেখানেই ছিলেন বিশ্বজিৎ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রেশন দুর্নীতিকাণ্ডে (Ration Scam) দু’দিন আগেই গ্রেফতার হয়েছে শঙ্কর আঢ্য ঘনিষ্ঠ বিশ্বজিৎ দাস। তদন্তে নেমে ইডি জানতে পারে গ্রেফতারির আগে এই ব্যবসায়ী বাংলাদেশে গিয়েছিলেন ৷ আর এই তথ্য সামনে আসতেই রেশন দুর্নীতিকাণ্ডে বাংলাদেশ যোগ রয়েছে বলে মনে করছে ইডি ৷ তদন্তকারী সংস্থার সন্দেহ, বাংলাদেশ থেকে হাওয়ালার মাধ্যমে দুবাই চলে যেত টাকা। সেই লিঙ্কই এখন খুঁজছে ইডি। বালু ও শঙ্করের কালো টাকা হাওয়ালার মাধ্যমে বিদেশে পাঠাতে কি ভূমিকা নিতেন বিশ্বজিৎ? এই প্রশ্নই এখন ঘুরপাক খাচ্ছে তদন্তকারীদের মনে। পাশাপাশি ইডি-র আরও সন্দেহ এ রাজ্যের পাশাপাশি এই দুর্নীতিতে সে দেশের (বাংলাদেশ) ব্যবসায়ীরাও (Ration Scam) যুক্ত থাকতে পারেন। প্রসঙ্গত, ইডি ইতিমধ্যে আদালতে জানিয়েছে, বালুর ২০০০ কোটি টাকা শঙ্করের মাধ্যমে দুবাই পাঠানো হয়েছে, সেই টাকার একটা অংশ দুবাইয়ে গিয়ে নিয়েছিলেন বিশ্বজিৎ।

    মঙ্গলবার বিশ্বজিৎ-এর বাড়িতে হানা দেয় ইডি

    মঙ্গলবার বিশ্বজিতের বাড়িতে তল্লাশি (Ration Scam) অভিযান চালায় ইডি। এর পাশাপাশি অভিযান হয়েছিল বড়বাজারের আর একটি স্থানেও। জানা গিয়েছে, সেখান থেকে প্রায় লক্ষাধিক টাকা উদ্ধার করতে সমর্থ হয়েছে ইডি। নথিপত্র ঘেঁটে ঠিক তার পরের দিন অর্থাৎ চলতি সপ্তাহের বুধবার সকালে বিশ্বজিৎ দাসকে গ্রেফতার করে ইডি। তবে গ্রেফতারির আগের মুহূর্তে যে বিশ্বজিৎ বাংলাদেশে ছিলেন তা জানতে পারেন গোয়েন্দারা। আর তাতেই দানা বাঁধছে সন্দেহ। রেশন দুর্নীতিতে বাংলাদেশের ব্যবসায়ীদের যোগ ছিল কিনা তা এবার খতিয়ে দেখছে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট৷

    হাওয়ালার লেনদেনের চিরকূট বিশ্বজিৎ বাড়িতে

    প্রসঙ্গত, রেশন দুর্নীতিতে (Ration Scam) বিশ্বজিৎ দাসের হাওয়ালা যোগ আদালতে আগেই জানিয়েছিল ইডির তদন্তকারীরা। সূত্রের খবর, বিশ্বজিৎ বাড়ি ও অফিস থেকেও উদ্ধার হয়েছে হাওয়ালার লেনদেনের চিরকূট। বাড়িতে ইডি হানার খবর পাওয়া মাত্রই বাংলাদেশ থেকে কলকাতা উড়ে আসেন বিশ্বজিৎ। দীর্ঘক্ষণ ধরে তদন্তকারীরা জিজ্ঞাসাবাদ করেন বিশ্বজিৎ-কে। তারপরেই আটক করা হয় তাঁকে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share