Tag: Ration Scam

Ration Scam

  • Ration Scam: জ্যোতিপ্রিয়র চিঠিতে আরও ২ নামের খোঁজ! ফের ইডির জেরার মুখে মেয়ে প্রিয়দর্শিনী?

    Ration Scam: জ্যোতিপ্রিয়র চিঠিতে আরও ২ নামের খোঁজ! ফের ইডির জেরার মুখে মেয়ে প্রিয়দর্শিনী?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রেশন দুর্নীতি (Ration Scam) কাণ্ডে অন্যতম অভিযুক্ত জ্যোতিপ্রিয় মল্লিকের (Jyotipriya Mullick) রহস্য চিঠি নিয়ে তাঁর মেয়ে প্রিয়দর্শিনীকে জেরা করতে পারে ইডি। কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা সূত্রে খবর, রেশন দুর্নীতি থেকে উপার্জিত টাকা আর কার কার কাছে জমা রেখেছেন জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক,তা জানতে চাওয়া হবে প্রিয়দর্শিনীর কাছে। মেয়েকে লেখা গোপন চিঠিতে ৪ জনের নাম করেছিলেন বালু। তাদের মধ্যে ২ জনকে শনাক্ত করতে পারলেও বাকি ২ জনের পরিচয় নিয়ে নিশ্চিত হতে চান গোয়েন্দারা।

    কেন তলব করা হতে পারে প্রিয়দর্শিনীকে

    প্রসঙ্গত,  গত ১৬ ডিসেম্বর এসএসকেএম-এ ভর্তি বাবা জ্যোতিপ্রিয় মল্লিকের (Jyotipriya Mullick) সঙ্গে দেখা করতে যান তাঁর মেয়ে প্রিয়দর্শিনী ও দাদা দেবপ্রিয়। ইডি আদালতে জানিয়েছে, জ্যোতিপ্রির কেবিন থেকে বেরনোর সময় তল্লাশিতে প্রিয়দর্শিনীর কাছ থেকে জ্যোতিপ্রিয়র লেখা একটি চিঠি উদ্ধার হয়। সেই চিঠিতে লেখা রয়েছে, ‘টাকা দরকার হলে ডাকু, শাহজাহানের কাছে চাইবি।’ চিঠিতে আরও ২ জনের নাম রয়েছে বলে জানিয়েছে ইডি। যাদের কাছে জ্যোতিপ্রিয় মেয়েকে টাকা চাইতে বলেছেন। কিন্তু তারা কারা তা ইডি প্রকাশ্যে আনেনি। ইডি সূত্রে খবর, সেই ২ ব্যক্তিকে শনাক্ত করতে পারছেন না আধিকারিকরা। তাঁদের আসল নাম পরিচয় জানতে প্রিয়দর্শিনীকে জেরা করার পরিকল্পনা করছেন তাঁরা।

    আরও পড়ুন: সন্দেশখালি নিয়ে জনস্বার্থ মামলা দায়ের বিজেপির, শুনানি বৃহস্পতিবার

    কবে ইডির সামনে প্রিয়দর্শিনী

    সূত্রের খবর, ওই রহস্যময় ব্যক্তি কারা তা জানতে বালু কন্যাকে খুব শীঘ্রই তলব করতে পারেন গোয়েন্দারা। শুধু তাই নয়, তাঁদের কাছে জ্যোতিপ্রিয়র কত টাকা গচ্ছিত রয়েছে সেই প্রশ্নও করতে পারেন গোয়েন্দারা। প্রসঙ্গত, শনিবার মধ্যরাতে রেশন দুর্নীতি (Ration Scam) মামলায় গ্রেফতার হন জ্যোতিপ্রিয় (Jyotipriya Mullick) ঘনিষ্ঠ তৃণমূল নেতা শঙ্কর আঢ্য। প্রায় ১৭ ঘণ্টা তল্লাশির পর তাঁকে গ্রেফতার করা হয়।  গাড়ি করে শংকর আঢ্যকে নিয়ে বেরনোর সময় ইডি আধিকারিকদের ওপর হামলা চালায় শংকরের অনুগামীরা। হামলায় ভাঙে ইডির গাড়ির কাচ। পরিস্থিতি সামাল দিতে লাঠি চালায় কেন্দ্রীয় বাহিনী। তাঁকে আদালতে পেশ করার পরই ইডি দাবি করে, যে দিন জ্যোতিপ্রিয়র কেবিন থেকে সিসিটিভি তুলে নেওয়া হয়, সেই দিনই প্রিয়দর্শিনী দেখা করেন বাবার সঙ্গে। পরবর্তীতে জ্যোতিপ্রিয়র মেয়ের থেকে ওই চিঠি উদ্ধার করা হয়।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Ration Scam: বনগাঁর প্রাক্তন পুরপ্রধান শঙ্কর আঢ্যকে গ্রেফতার করতে গিয়েও আক্রান্ত ইডি, ভাঙল গাড়ির কাচ

    Ration Scam: বনগাঁর প্রাক্তন পুরপ্রধান শঙ্কর আঢ্যকে গ্রেফতার করতে গিয়েও আক্রান্ত ইডি, ভাঙল গাড়ির কাচ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রেশন বণ্টন দুর্নীতি (Ration Scam) মামলায় বনগাঁ পুরসভার প্রাক্তন চেয়ারম্যান ও তৃণমূল নেতা শঙ্কর আঢ্যকে গ্রেফতার করতে গিয়েও আক্রান্ত হল ইডি। জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক ঘনিষ্ঠ ওই নেতাকে শুক্রবার রাতে গ্রেফতার করে নিয়ে যাওয়ার সময় ফের কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার আধিকারিকদের লক্ষ্য করে উড়ে আসে ইট, ভাঙে গাড়ির কাচ। 

    আক্রান্ত ইডি

    প্রায় ১৭ ঘণ্টা পর শুক্রবার রাত সাড়ে ১২টা নাগাদ রেশন দুর্নীতি (Ration Scam) মামলায় উত্তর ২৪ পরগনার বনগাঁর প্রাক্তন পুরপ্রধান শঙ্কর আঢ্যকে গ্রেফতার করে ইডি। সন্দেহজনক লেনদেন এবং বক্তব্যে অসঙ্গতির কারণেই তাঁকে গ্রেফতার করা হয়েছে বলে ইডি সূত্রে জানা গিয়েছে। শুক্রবার রাতেই বনগাঁ থেকে শঙ্করকে নিয়ে কলকাতার উদ্দেশে রওনা দেন ইডির আধিকারিকেরা। সল্টলেকের সিজিও কমপ্লেক্সে নিয়ে যাওয়া হয় তাঁকে। শনিবার শঙ্করকে আদালতে হাজির করিয়ে তাঁকে নিজেদের হেফাজতে নেওয়ার আবেদন জানাতে পারে কেন্দ্রীয় সংস্থা। এমনটাই ইডি সূত্রে জানা গিয়েছে। 

    গ্রেফতার শঙ্কর

    শঙ্করকে গ্রেফতার করে তাঁর বনগাঁর বাড়ি থেকে তাঁকে নিয়ে বেরনোর সময় বিক্ষোভের মুখোমুখি হতে হয় ইডিকে। শুক্রবার সন্দেশখালিতে অভিযানে গিয়ে ভয়াবহ ভাবে আক্রান্ত হন ইডি আধিকারিক ও সিআরপিএফ জওয়ানরা। রাতে ফের আক্রান্ত হন তাঁরা। শঙ্করকে গাড়িতে তোলার সময় রণক্ষেত্রের চেহারা নেয় বনগাঁ। মহিলাদের সামনে রেখে বিক্ষোভ দেখিয়ে ইডির গাড়ি আটকানোর চেষ্টা করেন তৃণমূল নেতার অনুগামীরা। কেন্দ্রীয় বাহিনী লাঠিচার্জ করায় পিছু হঠে বিক্ষোভকারীরা।  পিছনে ইডির একটি গাড়ির কাচ ইট মেরে ভেঙে দেন ধৃত তৃণমূল নেতার অনুগামীরা।

    আরও পড়ুন: ইডির উপর হামলায় যুক্ত কারা? ছবি দেখিয়ে তিন জনকে ‘শনাক্ত’ করলেন শুভেন্দু

    ইডির অনুমান

    ইডি সূত্রে খবর, শঙ্করের শ্বশুরবাড়িতে তল্লাশি চালিয়ে প্রায় সাড়ে আট লক্ষ টাকা উদ্ধার হয়েছে। ইডির দাবি, নথিপত্র ঘেঁটে লেনদেন সংক্রান্ত যে সকল তথ্য পাওয়া গিয়েছে তা সন্দেহজনক। ইডি জানতে পেরেছেন,  শঙ্কর ওরফে ডাকুর একাধিক সংস্থা রয়েছে। ইডি-র অভিযোগ, শঙ্কর এবং তাঁর পরিবার একাধিক বিদেশি মুদ্রা বিনিময় ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত। রয়েছে অর্থলগ্নি সংস্থাও। ইডি নজরে সেই সংস্থা গুলির আর্থিক লেনদেন। শনিবার সকাল হতেই সিজিও কমপ্লেক্সে এসে হাজির হন শঙ্কর আঢ্যের স্ত্রী ও মেয়ে। তখনও আধিকারিকরা অফিসে এসে পৌঁছননি। বেশ কিছুক্ষণ তাঁদের অপেক্ষা করতে হয়। কিছু নথি দিয়ে তাঁরা চলে যান বলে ইডি সূত্রে খবর।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Sandeshkhali: সন্দেশখালিকাণ্ডে ইডি আধিকারিকের মাথায় পাঁচ-ছ’টি সেলাই, ৩ আক্রান্তই হাসপাতালে

    Sandeshkhali: সন্দেশখালিকাণ্ডে ইডি আধিকারিকের মাথায় পাঁচ-ছ’টি সেলাই, ৩ আক্রান্তই হাসপাতালে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সন্দেশখালির (Sandeshkhali) তৃণমূল নেতা তথা ডন শাহজাহান শেখের বাড়িতে তল্লাশি চালাতে গিয়ে শুক্রবার সকালেই আক্রান্ত হন তিন ইডি আধিকারিক। ঘটনার পরপরেই সল্টলেকের একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়েছে তাঁদের। শুক্রবার রাতেও সেখানেই থাকবেন তাঁরা। তিন জনেরই জ্ঞান রয়েছে বলে খবর পাওয়া গিয়েছে। বর্তমানে চিকিৎসকদের পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে তাঁদের।

    মাথায় আঘাত পাওয়া অফিসারের নাম কী

    তল্লাশি অভিযানের সময় তৃণমূলের হামলায় জখম হন তিন আধিকারিক। সংবাদমাধ্যমেরও বেশ কিছু প্রতিনিধি জখম হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হন। জানা গিয়েছে, আক্রান্ত ইডি আধিকারিক (Sandeshkhali) রাজকুমার রামের মাথায় ভালোই চোট লেগেছে। তিনি গুয়াহাটির অফিসার। হাসপাতাল সূত্রে জানা গিয়েছে, মাথায় পাঁচ-ছ’টি সেলাই পড়েছে তাঁর। স্ক্যানও করানো হয়েছে বলে খবর। তিনি এখন বেসরকারি হাসপাতালের এইচডিইউ বিভাগে ভর্তি। বাকি দুই ইডি আধিকারিকেরও সেলাই পড়েছে বলে খবর মিলেছে। তিন আধিকারিকের শরীরের ভিতরে কোথাও আঘাত লেগেছে কি না, তা দেখতে চাইছেন চিকিৎসকেরা। তাই শুক্রবার রাতেও (Sandeshkhali) তাঁদের হাসপাতালে ভর্তি রাখা হবে।

    হাসপাতালে ইডির শীর্ষ আধিকারিকরা

    ইডির শীর্ষ আধিকারিকেরা হাসপাতালে গিয়ে ইতিমধ্যে সহকর্মীদের খবর নিয়েছেন বলে জানা গিয়েছে। দিল্লির সদর দফতর থেকেও খবর নেওয়া হয়েছে আক্রান্ত আধিকারিকদের। রাজকুমার রাম সহকারী ডিরেক্টর। বাকি দু’জন আধিকারিকের নাম অঙ্কুর এবং সোমনাথ দত্ত। তাঁরাও ভর্তি রয়েছেন হাসপাতালে। শুক্রবার সকাল সাড়ে ৭টা নাগাদ উত্তর ২৪ পরগনার সন্দেশখালিতে (Sandeshkhali) শাহজাহান শেখের বাড়িতে আচমকাই হানা দেয় পাঁচ ইডি আধিকারিকের একটি দল। ইডি সূত্রে জানা গিয়েছে, এই হানা রেশন দুর্নীতি সম্পর্কিত বিষয়ে ছিল। স্থানীয় সরবেড়িয়া গ্রামে ঢুকতেই কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার ওপর চড়াও হয় তৃণমূলের দুষ্কৃতীরা।  অভিযোগ, সেই সময়েই ইডি আধিকারিক, কেন্দ্রীয় জওয়ানদের ঘিরে ফেলে মারধর করা হয়। ভাঙচুর (Sandeshkhali) করা হয় তাঁদের গাড়িতে। সেই সময়েই তিন আধিকারিক জখম হয়েছেন বলে খবর।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Jyotipriya Mallick: রেশন দুর্নীতির তদন্ত নিয়ে রাজ্য পুলিশের ডিজিকে পরামর্শ-চিঠি ইডির

    Jyotipriya Mallick: রেশন দুর্নীতির তদন্ত নিয়ে রাজ্য পুলিশের ডিজিকে পরামর্শ-চিঠি ইডির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জ্যোতিপ্রিয় মল্লিকের (Jyotipriya Mallick) ঘর থেকে সিসি ক্যামেরা খুলে ফেলার নির্দেশ কলকাতা হাইকোর্টের। শুক্রবার বিচারপতি তীর্থঙ্কর ঘোষের নির্দেশ, প্রাক্তন খাদ্যমন্ত্রীর নিরাপত্তায় থাকবে সিআরপিএফ। মন্ত্রীর ঘরে কারা ঢুকছেন, বেরচ্ছেনই বা কারা, এবার থেকে তা নজরদারি করবে সিআরপিএফ। ব্যবহার করতে হবে রেজিস্টার খাতা। রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রীর ঘরে যে ক্যামেরা লাগানো রয়েছে, তা খুলে ফেলার নির্দেশও হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে দিয়েছে আদালত।

    ব্যক্তিগত গোপনীয়তা খর্ব হচ্ছে!

    রেশন বণ্টন কেলেঙ্কারিতে গ্রেফতার হয়েছেন রাজ্যের প্রাক্তন খাদ্যমন্ত্রী তথা বর্তমান বনমন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক (Jyotipriya Mallick)। অসুস্থ হয়ে পড়ায় তিনি ভর্তি রয়েছেন রাজ্যের সুপার স্পেশালিটি হাসপাতাল এসএসকেএমে। মন্ত্রীর ওপর নজরদারি চালাতে সিসি ক্যামেরা বসিয়েছে ইডি। এর পরেই ব্যক্তিগত গোপনীয়তা খর্ব হচ্ছে বলে আদালতে মামলা করেন মন্ত্রী। তার জেরেই এদিন মন্ত্রীর কেবিন থেকে সিসি ক্যামেরা খুলে নেওয়ার নির্দেশ দেয় আদালত।

    সিসি ক্যামেরা খুলে ফেলার নির্দেশ

    বিচারপতি ঘোষের নির্দেশ, মন্ত্রীর ঘরে কোনও সিসি ক্যামেরা রাখা যাবে না। তবে রুমের বাইরে সিসি ক্যামেরা আগে থেকে লাগানো থাকলে, তদন্তের স্বার্থে তার ফুটেজ দেখতে পারবেন ইডির তদন্তকারী অফিসার। সিসি ক্যামেরার পরিবর্তে মন্ত্রীর ওপর নজরদারি চালাবেন সিআরপিএফ জওয়ানরা। মন্ত্রীর ঘরে যাঁরা যাতায়াত করবেন, তাঁদের প্রত্যেকের গতিবিধি নথিভুক্ত করতে হবে রেজিস্টার খাতায়। 

    রাজ্য পুলিশকে চিঠি ইডির

    এদিকে, রেশন বণ্টন কেলেঙ্কারি (Jyotipriya Mallick) মামলায় তদন্তে নেমে ইডি জেনেছে, রেশন ব্যবস্থায় অনিয়ম সংক্রান্ত একাধিক অভিযোগ জমা পড়লেও, সেভাবে তদন্ত হয়নি। তদন্তকারীদের বিশ্বাস, এই অভিযোগগুলির তদন্ত হলে কোটি কোটি টাকার দুর্নীতির হদিশ মিলবে। তাই রাজ্য পুলিশকে এ ব্যাপারে চিঠি দিয়েছে ইডি।

    আরও পড়ুুন: “রাজনীতি করবেন না”, লোকসভাকাণ্ডে বিরোধীদের পরামর্শ শাহের

    রাজ্য পুলিশের ডিজি মনোজ মালব্যের কাছে পাঠানো ওই চিঠিতে ইডি জানিয়েছে, রেশন বণ্টন কেলেঙ্কারিতে কলকাতা পুলিশ সহ রাজ্যের বিভিন্ন জেলা পুলিশের কাছে যেসব অভিযোগ জমা পড়েছে, তার বিস্তারিত তদন্ত হয়নি। এ ব্যাপারে বিস্তারিত তদন্ত করা প্রয়োজন। চিঠিতে এও বলা হয়েছে, রাজ্যজুড়ে ছড়িয়ে রয়েছে রেশন কেলেঙ্কারির জাল। এ ব্যাপারে তথ্যপ্রমাণ কিংবা সাহায্যের প্রয়োজন হলে ইডি তা (Jyotipriya Mallick) করতে প্রস্তুত বলেও জানানো হয়েছে চিঠিতে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     
     
  • Ration Scam: বালুর স্ত্রী-কন্যার নামে ৫৮টি ফিক্সড ডিপোজিট রেশন ‘দুর্নীতি’র টাকায়? অনুমান ইডির

    Ration Scam: বালুর স্ত্রী-কন্যার নামে ৫৮টি ফিক্সড ডিপোজিট রেশন ‘দুর্নীতি’র টাকায়? অনুমান ইডির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রেশন দুর্নীতির টাকায়  ৫৮টি ‘ফিক্সড ডিপোজিট’ বা স্থায়ী আমানত করেছিলেন রাজ্যের প্রাক্তন খাদ্যমন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিকের স্ত্রী মণিদীপা মল্লিক এবং কন্যা প্রিয়দর্শিনী মল্লিক। ইডির চার্জশিটে উঠে এসেছে এই তথ্য। ৫৮টি স্থায়ী আমানতের প্রতিটিতে গড়ে লাখ পাঁচেক টাকা রয়েছে বলে জানতে পেরেছেন তদন্তকারীরা।

    কত টাকার স্থায়ী আমানত

    ইডি সূত্রে খবর, ফিক্সড ডিপোজিট বাবদ মোট জমানো অর্থের পরিমাণ প্রায় ২ কোটি ৮৯ লক্ষ টাকা। ভবিষ্যতে আর্থিক ভাবে সুরক্ষিত থাকতেই দুর্নীতির টাকা দীর্ঘমেয়াদের জন্য জমা রাখা হয়েছিল। ইডি সূত্রে খবর, এই বিপুল অঙ্কের টাকা বাজেয়াপ্ত করার প্রক্রিয়া শুরু করেছে তারা। এর আগে ইডি সূত্রে জানা গিয়েছিল যে, তিনটি ভুয়ো সংস্থার নামে দুর্নীতির কালো টাকা সাদা করে সেগুলিকে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল। ওই সংস্থাগুলিতে বিভিন্ন সময়ে ডিরেক্টর পদে ছিলেন মন্ত্রীর স্ত্রী এবং কন্যা। 

    আরও পড়ুন: তুষারপাতে অবরুদ্ধ সিকিম! বরফ কেটে হাজারের বেশি পর্যটককে উদ্ধার ভারতীয় সেনার

    পুরনিয়োগ দুর্নীতি মামলার তদন্ত করতে গিয়ে উঠে আসে রেশন দুর্নীতির কথা। তদন্ত চলাকালীন ধরা পড়েন বাকিবুর রহমান। তিনি গ্রেফতার হওয়ার পরই প্রাক্তন খাদ্যমন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিকের নাম সামনে আসে। গ্রেফতার হন বালু। বর্তমানে জেলে রয়েছেন তিনি। কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা আধিকারিকরা জেনেছেন বাকিবুর রহমানের কাছ থেকে প্রায় ৯ কোটি টাকা ঋণ হিসেবে নিয়েছিলেন জ্যোতিপ্রিয়। জেরায় সেকথা স্বীকারও করেছেন তিনি। দুর্নীতির তদন্তে নেমে ইতিমধ্যেই জ্যোতিপ্রিয়ের স্ত্রী এবং কন্যার বয়ান নথিবদ্ধ করেছে ইডি। চার্জশিটেও তাঁদের নাম উল্লেখ করা হয়েছে। তবে ১৬২ পাতার চার্জশিটে অভিযুক্ত হিসাবে তাঁদের নাম নেই। চার্জশিটে উল্লেখ করা হয়েছে ১০টি সংস্থার নাম। এর মধ্যে রয়েছে বাকিবুরের সংস্থা। পাঁচটি সংস্থার নাম আছে, যা বালুর নিয়ন্ত্রণে রয়েছ। চার্জশিটে এও বলা রয়েছে, চলতি বছরের সেপ্টেম্বর পর্যন্ত রমরমিয়ে চলছিল এই দুর্নীতি।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Ration Scam: মন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয়র মদতেই বিপুল সাম্রাজ্য! ২ জেলাতেই ১০০-র বেশি সম্পত্তি বাকিবুরের

    Ration Scam: মন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয়র মদতেই বিপুল সাম্রাজ্য! ২ জেলাতেই ১০০-র বেশি সম্পত্তি বাকিবুরের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রেশন বণ্টনে দুর্নীতির (Ration Scam) টাকায় শুধুমাত্র ২ জেলাতেই শতাধিক সম্পত্তি করেছেন বাকিবুর রহমান। রাজ্যের মন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিকের মদতেই কয়েক বছরে বিপুল সাম্রাজ্যের মালিক হয়ে উঠেছেন তিনি। নজর এড়াতে ‘দুর্নীতির টাকা’ বিভিন্ন জায়গায় এবং বিভিন্ন ব্যক্তির কাছে পাঠানোর অভিযোগ উঠেছে রাজ্যের মন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিকের বিরুদ্ধে। এমনই দাবি করেছে ইডি। রেশন দুর্নীতি মামলায় ধৃত বাকিবুর এবং মন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয়ের বিরুদ্ধে মঙ্গলবার চার্জশিট পেশ করেছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা।

    দুই জেলায় শতাধিক সম্পত্তি

    ইডি সূত্রে খবর, নদিয়া এবং উত্তর ২৪ পরগনায় বাকিবুরের মোট  ১০১টি সম্পত্তির হদিশ মিলেছে। যার মূল্য ৯ কোটি ৭২ লক্ষ টাকা। ইডির দাবি, উত্তর ২৪ পরগনার দেগঙ্গা, বারাসত এবং বাদুড়িয়াতে বাকিবুরের সম্পত্তির খোঁজ পাওয়া গিয়েছে। নদিয়ার বিভিন্ন গ্রামেও বাকিবুর এবং তাঁর কয়েক জন আত্মীয়ের প্রচুর সম্পত্তি মিলেছে। এ ছাড়াও কলকাতায় বাকিবুরের কোটি কোটি টাকার বাড়ি, আবাসন, রেস্তরাঁ, বারের হদিশ পেয়েছে ইডি। এমনকি দুবাইয়েও বাকিবুরের সম্পত্তি রয়েছে বলে জানা গিয়েছে ইডির তদন্তে।  

    জ্যোতিপ্রিয়র সক্রিয় যোগ

    চার্জশিটে ইডি দাবি করেছে, মন্ত্রীর আনুকূল্যেই সরকারি তহবিলের ৪৫০ কোটি টাকা গিয়েছে বাকিবুরের কাছে। বাকিবুরের সংস্থার অডিটরকেই উদ্ধৃত করে ইডি জানিয়েছিল, বাকিবুর তাঁর সংস্থার ৫০ কর্মীর নামে ভুয়ো কৃষক হিসেবে ৫০টি ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট খোলেন। সেই অ্যাকাউন্টগুলিতে ধান কেনার নামে ৪৫০.৩১ কোটি টাকার ফান্ড রিলিজ করা হয়। ‘ওয়েস্ট বেঙ্গল এসেনসিয়াল কমোডিটি সাপ্লাই কর্পোরেশন লিমিটেড’ ওই ফান্ড দিয়েছিল। চার্জশিটে ইডি জানিয়েছে, এই সংস্থার মাথায় রয়েছেন মন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয়ই। কিন্তু এত অর্থ নিয়ে কী করেছিলেন বাকিবুর। ইডির দাবি, সরকারি টাকা নয়ছয়ে মন্ত্রী বালুর সবচেয়ে ঘনিষ্ঠ ছিলেন বাকিবুর।

    আরও পড়ুন: কনকনে কলকাতা! আজ মরশুমের শীতলতম দিন, রাজ্যজুড়ে নামছে তাপমাত্রা

    কীভাবে রাখা হতো দুর্নীতির টাকা

    কলকাতা নগর দায়রা আদালতে বাকিবুরদের বিরুদ্ধে চার্জশিটে ইডি জানিয়েছে বেআইনি ভাবে রেশনের (Ration Scam) চাল আটা খোলা বাজারে বিক্রি এবং কমদামে ভুয়ো চাষী সাজিয়ে খাদ্যশস্য কেনা-সহ বিভিন্ন উপায়ে বছরের পর বছর এই দুর্নীতি চালিয়েছেন ব্যবসায়ী বাকিবুর। আর তাতে প্রশ্রয় দিয়ে গিয়েছেন জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক। জ্যোতিপ্রিয় ওরফে বালু যাঁদের যাঁদের কাছে টাকা পাঠাতেন, তাঁদের বেশ কয়েক জনকে চাকরি পাইয়ে দিয়েছেন বলে দাবি ইডির। এঁদের মধ্যে একজন বাকিবুর রহমানের শ্যালক অভিষেক বিশ্বাস। তাঁকে বন দফতরে চাকরি পাইয়ে দিয়েছেন জ্যোতিপ্রিয়। 

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Ration Scam: ১০০ কোটির কেলেঙ্কারি! রেশন দুর্নীতি মামলায় চার্জশিট পেশ ইডির

    Ration Scam: ১০০ কোটির কেলেঙ্কারি! রেশন দুর্নীতি মামলায় চার্জশিট পেশ ইডির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রেশন দুর্নীতি (Ration Scam) মামলায় চার্জশিট পেশ করল ইডি। মঙ্গলবার ১২টা নাগাদ কলকাতার নগর দায়রা আদালতে চার্জশিট পেশ করা হয়। ইডি সূত্রে খবর, চার্জশিটে রাজ্যের প্রাক্তন খাদ্যমন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক (Jyotipriya Mallick), মিল ব্যবসায়ী বাকিবুর রহমান ছাড়াও রয়েছে দশটি ভুয়ো সংস্থার নাম রয়েছে। আদালত সূত্রের খবর, ১৬২ পাতার চার্জশিট জমা দিয়েছে ইডি। কীভাবে রেশনের টাকা ঘুরপথে বেহাত হয়েছিল, আদালতে জমা দেওয়া চার্জশিটে তার বিস্তারিত তথ্য তুলে ধরা হয়েছে বলে দাবি কেন্দ্রীয় সংস্থার।

    চার্জশিটে থাকা ১০টি সংস্থা কার নামে

    এদিন সকালে বিশেষ ইডি আদালতে চার্জশিট পেশ করে ইডি। রাজ্যের একাধিক দুর্নীতি (Ration Scam) মামলার তদন্ত করতে গিয়ে খাদ্যবণ্টন ব্যবস্থায় ব্যাপক কারচুপির তথ্য নজরে আসে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার। গ্রেফতার করা হয় ব্যবসায়ী বাকিবুর রহমান ও প্রাক্তন খাদ্যমন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিককে। ইডি সূত্রে আগেই জানা গিয়েছিল, রেশন দুর্নীতির টাকা অন্য খাতে বিনিয়োগ করতে কেবল নিজের স্ত্রী-কন্যাই নন, শ্যালক এবং শাশুড়িকেও ব্যবহার করেছিলেন প্রাক্তন খাদ্যমন্ত্রী তথা বনমন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক। রেশন বণ্টন দুর্নীতি মামলায় অবৈধ উপায়ে পাওয়া টাকাকে বৈধ করতে জ্যোতিপ্রিয় ভুয়ো সংস্থা খুলেছিলেন বলেও দাবি করে ইডি। এই সংস্থাগুলির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন জ্যোতিপ্রিয়-‘ঘনিষ্ঠ’ মিল মালিক বাকিবুর রহমানও। চার্জশিটে থাকা ১০টি সংস্থার মধ্যে পাঁচটি বাকিবুর এবং বাকি পাঁচটি জ্যোতিপ্রিয় মল্লিকের নামে নথিভুক্ত বলে খবর।

    আরও পড়ুন: চাকরিপ্রার্থীদের সঙ্গে শিক্ষামন্ত্রীর বৈঠক! হঠাৎ কেন ঘুম ভাঙল প্রশাসনের?

    জ্যোতিপ্রিয়-বাকিবুর যোগসাজশ

    রেশন দুর্নীতি (Ration Scam) মামলায় সোমবারই আদালতে প্রথম চার্জশিট পেশ করেছে তদন্তকারী সংস্থা। কীভাবে রেশনের টাকা ঘুরপথে বিভিন্নজনের হাতে পৌঁছত, তাতে কারা কারা জড়িত, চার্জশিটে এসবেরই বিস্তারিত উল্লেখ করেছেন তদন্তকারীরা। এদিন আদালতে ৩০০০ পাতার নথি জমা দিয়েছে ইডি। কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার দাবি, এই মামলার তদন্ত যত এগোয়, ততই স্পষ্ট হতে থাকে, রেশন দুর্নীতিতে জ্যোতিপ্রিয়-বাকিবুরের যোগসাজশের বিষয়টি। আচমকা বাকিবুর রহমানের ধনী হয়ে ওঠার নেপথ্যে খাদ্যমন্ত্রীর ‘আশীর্বাদ’ ছিল বলে ইডির দাবি। এদিন চার্জশিটেও সেই যোগসাজশের উল্লেখ রয়েছে বলে খবর। জ্যোতিপ্রিয়র মদতেই বাকিবুরের দুর্নীতি দিনকেদিন বেড়ে গিয়েছে। এমনকী দুর্নীতির টাকা উপার্জন করে বাকিবুর সেই টাকা ঘুরপথে মন্ত্রীকে পাঠিয়েছেন, এমন বিস্ফোরক তথ্যও উল্লেখ করেছে ইডি।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

  • Ration Scam: বালুর জন্য রাতারাতি মেডিক্যাল বোর্ড অথচ বেড অমিল সাধারণ মানুষের, বাড়ছে ক্ষোভ

    Ration Scam: বালুর জন্য রাতারাতি মেডিক্যাল বোর্ড অথচ বেড অমিল সাধারণ মানুষের, বাড়ছে ক্ষোভ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হার্টের সমস্যা না থাকার পরেও এসএসকেএম-এর কার্ডিওলজি বিভাগে ভর্তি জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক (Ration Scam)। এনিয়ে প্রশ্ন উঠতেই চাপে পড়ে রাতারাতি মেডিক্যাল বোর্ড গঠন করে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। সেখানে রাখা হয় কার্ডিওলজিস্টকে। অসুস্থতার কথা বলতেই এসএসকেএম-এ বেড পেয়ে যান বালু এবং কালীঘাটের কাকু। অথচ সাধারণ মানুষের জন্যই এই এসএসকেএম-এর চত্বরে অন্য চিত্র দেখা যাচ্ছে। জরুরি বিভাগের সামনে যন্ত্রণায় কাতরাচ্ছেন রোগী কিন্তু বেড নেই। এতেই ক্ষোভে ফুঁসছে জনগণ। সরকারি হাসপাতাল তো অসুস্থ মানুষের চিকিৎসার জন্যই। কিন্তু সেখানে এমন দ্বিচারিতা কেন? বালুর চিকিৎসার (Ration Scam) জন্য ১১ সদস্যের মেডিক্যাল বোর্ড গঠন করতে পারে এসএসকেএম। প্রায় সমস্ত বিভাগের ডাক্তাররাই রয়েছেন বোর্ডে। বেসরকারি হাসপাতালে অপারেশনের পরে তিন মাস বেডে শুয়ে রয়েছেন সুজয়কৃষ্ণ ভদ্র। অথচ সাধারণ মানুষের জন্যই বারবার অবহেলার অভিযোগ উঠছে এসএসকেএম-এর বিরুদ্ধে। আর এতেই ক্ষোভ দানা বাঁধছে রোগী এবং রোগীর পরিবারের মধ্যে।

    এসএসকেএম-এর খণ্ড চিত্র

    একটি চিত্র দেখলেই বিষয়টা স্পষ্ট হয়ে উঠবে। বৃহস্পতিবার সকাল ছটা। এসএসকেএম-এর জরুরি বিভাগের সামনে যন্ত্রণায় কাতরাতে দেখা যায় এক রোগীকে। সূত্রের খবর, মঙ্গলবার ডায়ালাইসিস হয় এই রোগীর। এরপর বৃহস্পতিবার ভোর থেকেই পেটে এবং বুকে প্রবল যন্ত্রণা শুরু হয় তাঁর। জরুরি বিভাগের চিকিৎসকরা শুধুমাত্র যন্ত্রণা কমানোর ইনজেকশন দিয়েই দায়মুক্ত হওয়ার চেষ্টা করেছেন, এমনটাই অভিযোগ পরিবারের। সুমিতা দেবীকে শুয়ে থাকতে দেখা যায় স্ট্রেচারের উপরেই। জরুরি বিভাগের ভিতরেও জায়গা মেলেনি। অসুস্থ এই রোগী তাই বলেই ফেলেন সংবাদমাধ্যমের সামনে, ‘‘আমরা তো গরু-ছাগল।’’ এরপরে দীর্ঘ টানাপোড়েনের পরে কোনও রকমে বেড পান তিনি। সেটি এসএসকেএম-এর সহযোগী শম্ভুনাথ পণ্ডিত হাসপাতালে, নেফ্রোলজি ওয়ার্ডে। এমন আরও অসংখ্য চিত্র দেখা যায় এসএসকেএম হাসপাতালে।

    ‘‘বালু কেমন আছেন?’’ প্রশ্ন শুনে হাসছেন ডাক্তাররা

    এদিকে, মন্ত্রীমশাই কেমন আছেন? বা কোন কোন রোগের উপসর্গ রয়েছে তাঁর? এসব প্রশ্ন শুনে হেসে ফেলছেন চিকিৎসকরা। হাসি যেন তাঁদের থামছেই না। প্রশ্ন হল, হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ তো ভাবছে গুরুতর অসুস্থ বালু। তাইতো তাঁকে তড়িঘড়ি ভর্তি করা হল কার্ডিওলজি বিভাগের পাঁচ নম্বর কেবিনে (Ration Scam)। সংবাদমাধ্যমের সামনে এক চিকিৎসক বলেই ফেলেন, ‘‘আমরা কিছু বলবো না।’’ এরপরে এক সংবাদমাধ্যম চিকিৎসকদের প্রশ্ন করেন, ‘‘আর কতদিন হাসপাতালে থাকতে হবে জ্যোতিপ্রিয় মল্লিককে?’’,  তখন এক চিকিৎসক তাঁর সহকর্মীকে আঙুল দিয়ে ইঙ্গিত করলেন। আর সেই চিকিৎসক বললেন, ‘‘আমাদের কিছু বলার নেই’’,  অর্থাৎ বালু কেমন রয়েছেন তা জানা গেল না যেটা পাওয়া গেল সেটা চিকিৎসকদের হাসি।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Ration Scam: জ্যোতিপ্রিয়র স্ত্রী-কন্যাকে বিনা সুদে ৯ কোটি টাকা ঋণ দিয়েছিলেন বাকিবুর!

    Ration Scam: জ্যোতিপ্রিয়র স্ত্রী-কন্যাকে বিনা সুদে ৯ কোটি টাকা ঋণ দিয়েছিলেন বাকিবুর!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রেশন বণ্টন কেলেঙ্কারিতে (Ration Scam) ফের বোমা ফাটাল ইডি। কেন্দ্রীয় তদন্তকারী এই সংস্থা জানিয়েছে, দুর্নীতিতে অভিযুক্ত পেশায় ব্যবসায়ী বাকিবুর রহমান জ্যোতিপ্রিয় মল্লিকের স্ত্রী ও কন্যাকে সুদ ছাড়াই মোটা টাকা ঋণ দিয়েছেন। সব মিলিয়ে ৯ কোটি টাকা ঋণ দিয়েছেন তিনি।

    বিনা সুদে টাকা ধার!

    এত টাকা ঋণ দিলেও, মন্ত্রীর স্ত্রী-কন্যার কাছ থেকে কোনও সুদ নেননি বাকিবুর। ঋণ বাবদ যে টাকা দেওয়া হয়েছিল, সেখানে বন্ধক হিসেবেও বাকিবুরের কাছে কিছু রাখা হয়নি। কেন বাকিবুর সুদ ছাড়াই এত টাকা মন্ত্রীর স্ত্রী-কন্যাকে দিয়েছিলেন, তার বিনিময়ে তিনি কী কী সুযোগ-সুবিধা পেয়েছিলেন কিংবা আদৌ পেয়েছিলেন কিনা, তা জানতে বাকিবুরকে জেলে গিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করতে চাইছেন ইডির তদন্তকারীরা। জ্যোতিপ্রিয়র স্ত্রী ও কন্যা কেন কোনও আর্থিক প্রতিষ্ঠান থেকে ঋণ না নিয়ে চালকল মালিক বাকিবুরের কাছ থেকে নিলেন, সে প্রশ্নও জানতে চান ইডির তদন্তকারী আধিকারিকরা।

    বাকিবুরকে জেরার অনুমতি

    আদালতে ইডি জানায়, ঋণ সংক্রান্ত (Ration Scam) বিষয়ে আরও তথ্য জোগাড় করতে বাকিবুরকে জেলে গিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা প্রয়োজন। ইডিকে এ ব্যাপারে অনুমতিও দিয়েছে আদালত। শনিবার বাকিবুরকে হাজির করানো হয়েছিল ব্যাঙ্কশাল কোর্টে। সেখানেই ইডি জানায়, বাকিবুর মন্ত্রীর স্ত্রী-কন্যাকে বিপুল পরিমাণ অঙ্কের টাকা ধার দিয়েছিলেন বিনা সুদে। বাকিবুরকে ২২ নভেম্বর পর্যন্ত জেল হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছে আদালত।

    এদিন আদালতে ইডি জানিয়েছে, রেশনের চালের টাকা নয়ছয় করেছেন বাকিবুর। সেজন্য তিনি ভুয়ো কৃষকদের নামে ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টও খুলেছেন। এই অ্যাকাউন্টগুলিতেই যেত ধানের সহায়ক মূল্য। এমন বহু ভুয়ো ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টের হদিশ পেয়েছে ইডি। এ ব্যাপারেও বাকিবুরকে জিজ্ঞাসাবাদ করতে চাইছেন তদন্তকারীরা।

    আরও পড়ুুন: প্রতিশ্রুতি রাখছে বিজেপি সরকার, উত্তরাখণ্ডে চালু হচ্ছে অভিন্ন দেওয়ানি বিধি!

    রেশন বণ্টন কেলেঙ্কারিতে (Ration Scam) গ্রেফতার হয়েছিলেন বাকিবুর। তাঁকে জেরা করতেই উঠে আসে উত্তর ২৪ পরগনার তৃণমূল নেতা তথা মন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয়র নাম। পরে গ্রেফতার করা হয় মন্ত্রিমাশাইকে। আদালতে তোলা হলে ইডি হেফাজতের নির্দেশ শুনে এজলাসেই জ্ঞান হারান মন্ত্রী। ভর্তি করা হয় হাসপাতালে। ছাড়া পেলে শুরু হয় ইডি হেফাজত। পরে আবারও একবার সাতদিনের ইডি হেফাজতের নির্দেশ দেয় আদালত। এই মেয়াদ শেষ হবে সোমবার। তার আগেই রহস্যের জট খুলতে চাইছেন তদন্তকারীরা (Ration Scam)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের , Twitter এবং Google News পেজ।

     

  • Ration Scam: ধান বিক্রি করেও মেলেনি সহায়ক মূল্য, তদন্ত শুরু ইডির

    Ration Scam: ধান বিক্রি করেও মেলেনি সহায়ক মূল্য, তদন্ত শুরু ইডির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ধান বিক্রি করলে মেলে ন্যূনতম সহায়ক মূল্য। অথচ ধান বেচেও, মেলেনি ওই মূল্য। এ নিয়ে কলকাতা পুলিশে দায়ের হয় অভিযোগ। সেটা ২০১৮ সাল। সেই সময় রাজ্যের খাদ্যমন্ত্রী ছিলেন রেশন বণ্টন (Ration Scam) কেলেঙ্কারিতে ইডির হাতে গ্রেফতার হওয়া তৃণমূল নেতা জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক।

    ভুক্তভোগীর অভিযোগ

    ২০১৮ সালে অভিযোগ দায়ের হলেও, কোনও এক অজানা কারণে এগোয়নি তদন্ত। এফআইআরে উল্লেখ করা হয়, ধান কেনার ন্যূনতম সহায়ক মূল্য কৃষকরা পাননি। তা আত্মসাৎ করেছে রাইস মিল। এই মর্মে অভিযোগ দায়ের করেন হাওড়ার জগৎবল্লভপুরের বাসিন্দা স্বপন সাঁতরাও। স্বপনের অভিযোগ, অঙ্কিত রাইস মিলের দুই প্রতিনিধি ২০১৭ সালে তাঁর কাছে গিয়েছিল। তাঁরা তাঁকে একটি বেসরকারি ব্যাঙ্কে অ্যাকাউন্ট খুলতে বলেছিল। তিনি প্রথমে রাজি হননি। পরে পাঁচ হাজার টাকার টোপ দিয়ে তাঁর নামে একটি অ্যাকাউন্ট খোলা হয়। ওই অ্যাকাউন্টে ধান কেনার ২ লক্ষ টাকা জমা পড়ে। পরে রাইস মিল কর্তৃপক্ষ তা তুলেও নেয়। তিনি বলেন, “বসে বসে সব অ্যাকাউন্ট করেছিল। সেখানে টাকা ঢোকাত। অন্য ধানও আমাদের অ্যাকাউন্টে বিক্রি করত। আমাকে বলেছিল এজন্যও আমাকে পাঁচ হাজার করে টাকা দেবে। পরে দিয়েছে ৪০০-৫০০ টাকা।”

    মামলা হাতে নিল ইডি

    এবার (Ration Scam) সেই মামলাও হাতে নিল ইডি। ২০১৮ সালের অগাস্ট মাসে ভবানীপুর ও ২০১৯ সালে বালিগঞ্জ থানায় দায়ের হওয়া দুটি মামলার ভিত্তিতে মামলা দায়ের করে ইডি। জানা গিয়েছে, জনৈক হিতেশ চাণ্ডক ও দীপেশ চাণ্ডক দুজনেই অঙ্কিত ইন্ডিয়া রাইস মিল কর্তৃপক্ষের লোক। এই মিলের সঙ্গে উত্তর ২৪ পরগনার তৃণমূল নেতা তথা রাজ্যের প্রাক্তন খাদ্যমন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিকের যোগ রয়েছে বলে অভিযোগ। এই মিলে ম্যারাথন তল্লাশি চালিয়েছে ইডি। প্রকাশ্যে এসেছে বেশ কিছু অভিযোগও।

    আরও পড়ুুন: ‘‘হিন্দুদের জন্যই ভারতবর্ষে গণতন্ত্র রয়েছে’’, মত জাভেদ আখতারের

    বিজেপি নেতা শমীক ভট্টাচার্য বলেন, “ইদানিংকালে কোনও চাষি বাংলায় ন্যূনতম সহায়ক মূল্যে ধান বিক্রি করতে পেরেছেন? ধান বিক্রি করবে বললেই এলাকায় ফড়ে, দালাল পৌঁছে যায়। বাধ্য হচ্ছে চাষিরা কম দামে ফসল বিক্রি করতে। আর সেই দাম নিয়ে মাঝখান থেকে একটা চক্র ৩০০ টাকা করে লাভ নিয়ে চলে যাচ্ছে। মার খাচ্ছেন প্রান্তিক (Ration Scam) কৃষকরা।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের , Twitter এবং Google News পেজ।

     

     

     

     

LinkedIn
Share