Tag: Ration Scam

Ration Scam

  • Jyotipriya Mallick: পক্ষাঘাতের ‘বুলি’ আওড়াচ্ছেন জ্যোতিপ্রিয়, কপালের লিখন পড়তে পেরেছেন মন্ত্রীমশাই?

    Jyotipriya Mallick: পক্ষাঘাতের ‘বুলি’ আওড়াচ্ছেন জ্যোতিপ্রিয়, কপালের লিখন পড়তে পেরেছেন মন্ত্রীমশাই?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পয়সা দিয়ে যেখানে স্বাস্থ্য পরিষেবা কিনতে গিয়েছিলেন রাজ্যের প্রাক্তন খাদ্যমন্ত্রী তথা বর্তমান বনমন্ত্রী তৃণমূলের জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক (Jyotipriya Mallick), সেই বেসরকারি হাসপাতাল বলছে মন্ত্রী সুস্থই। যদিও মন্ত্রীর দাবি, অবনতি হয়েছে তাঁর স্বাস্থ্যের। বাঁ হাত এবং বাঁ পায়ে ব্যথা বেড়েছে। পক্ষাঘাতের মতো হয়ে যেতে পারে। বৃহস্পতিবার ইডি হেফাজত থেকে স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য তৃণমূলের এই নেতাকে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল কমান্ড হাসপাতালে। যাওয়ার পথে তাঁর এহেন মন্তব্যে রহস্যের গন্ধ পাচ্ছেন বিরোধীরা!

    মমতার হুমকি!

    রেশন বণ্টন কেলেঙ্কারিতে পক্ষকালের কিছু বেশি আগে গ্রেফতার হন জ্যোতিপ্রিয়। সতীর্থ গ্রেফতার হতেই মাথায় আকাশ ভেঙে পড়ে মুখ্যমন্ত্রী তথা তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের। তড়িঘড়ি সাংবাদিক সম্মেলন ডেকে তিনি বলেছিলেন, “বালুর (জ্যোতিপ্রিয়কে এই নামেই ডাকেন মমতা) মৃত্যু হলে দায়ী থাকবে ইডি।” এর পর কেটে গিয়েছে এতগুলো দিন। মন্ত্রিমশাইকে যখন আদালতে পেশ করা হয়, তখন ১০ দিনের ইডি হেফাজতের রায় শুনে এজলাসেই জ্ঞান হারান জ্যোতিপ্রিয়। বাইপাসের একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয় তাঁকে। নানা পরীক্ষা-নিরীক্ষার পরে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানিয়ে দেন, মন্ত্রী সুস্থই রয়েছেন।

    পরীক্ষায় ধরা পড়েনি রোগ

    হাসপাতালের কথা যে নিছক হেলাফেলার নয়, তার প্রমাণ মন্ত্রী (Jyotipriya Mallick) নিজেই। গ্রেফতার হওয়ার পর ১৫ দিনেরও বেশি কেটে গেলেও, তাঁর শরীরে কোনও রোগের উপসর্গ দেখা দেয়নি। শারীরিক পরীক্ষায়ও ধরা পড়েনি বড় ধরনের কোনও ত্রুটি। প্রশ্ন হল, তাহলে মন্ত্রিমশাই কেন পক্ষাঘাতের বুলি আওড়ালেন? সেটা কি তাহলে তাঁর আইনজীবীর শেখানো বুলি? রাজনৈতিক মহলের একটা বড় অংশের মতে, কেলেঙ্কারির যে ফাঁদে পড়েছেন মন্ত্রী, সেখান থেকে সহজে নিষ্কৃতি মিলবে না। তাঁকে দীর্ঘদিন থাকতে হবে কারান্তরালে। এটা ভালই বুঝেছেন মন্ত্রী। সেই কারণেই শারীরিক সমস্যার বুলি আওড়াচ্ছেন মন্ত্রী। গ্রেফতার হওয়ার পর যে বুলি আওড়েছিলেন তাঁরই দলীয় সহকর্মী অনুব্রত মণ্ডল, পার্থ চট্টোপাধ্যায়, সেই স্বরই শোনা গেল জ্যোতিপ্রিয়র গলায়ও। গ্রেফতার হওয়ার পরে পরে উত্তর ২৪ পরগনার এই তৃণমূল নেতা বলতেন, “শীঘ্রই ফিরে আসব, আমি মুক্ত।” সেই জ্যোতিপ্রিয়ই এবার খাড়া করতে চাইলেন পক্ষাঘাতের তত্ত্ব।

    তবে কি কপালের লিখন পড়তে পেরেছেন মন্ত্রীমশাই (Jyotipriya Mallick)!

    আরও পড়ুুন: “রাঘব বোয়ালদের ছুঁয়ে দেখা হল না কেন?”, সিবিআইকে প্রশ্ন সুপ্রিম কোর্টের

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের , Twitter এবং Google News পেজ।

     

     

  • Ration Scam: “ডিরেক্টর! আমি তো জানি না, সই করিয়েছিল দাদার লোক”, বললেন জ্যোতিপ্রিয়র পরিচারক

    Ration Scam: “ডিরেক্টর! আমি তো জানি না, সই করিয়েছিল দাদার লোক”, বললেন জ্যোতিপ্রিয়র পরিচারক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অভিজিৎ দাসের পর এবার রামস্বরূপ শর্মা। রাজ্যের প্রাক্তন খাদ্যমন্ত্রী তথা বনমন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিককে ‘ফাঁসাচ্ছেন’ (Ration Scam) তাঁরই ঘনিষ্ট বৃত্তের লোকজন। দিন কয়েক আগে জ্যোতিপ্রিয়র প্রাক্তন আপ্ত সহায়ক অভিজিৎ দাস দাবি করেন, মন্ত্রীর নির্দেশেই তাঁর মা ও স্ত্রীকে কোম্পানির ডিরেক্টর করতে বাধ্য হয়েছিলেন তিনি। এবার মুখ খুললেন পরিচারক রামস্বরূপও।

    ‘বালুদার কাছে কাজ করতাম’

    ইডি সূত্রে খবর, জেরায় রামস্বরূপ জানিয়েছেন, বিহার থেকে ভাগ্যান্বেষণে ১৯৯৩ সালে কলকাতায় এসেছিলেন তিনি। কলেজ স্ট্রিটে সেলুন খুলেছিলেন। এখানেই বাড়ি ছিল জ্যোতিপ্রিয়রও। রামস্বরূপ বলেন, “আমি ’৯৩ সালে কলকাতায় এসেছি। সেলুন আছে। কলেজ স্ট্রিটের ওখানে ফুটপাতের ওপর সেলুন ছিল। এখনও আছে। এখানেই একটি বাড়িতে থাকতেন দাদা। দাদার বাজার এটা সেটা করে দিতাম। ২০ বছর কাজ করার পর দাদা আমাকে একটা চাকরি দিয়েছে। ১০ বছর হয়ে গিয়েছে চাকরির।” রামস্বরূপ (Ration Scam) বলেন, “আমি সাহেবের কাছ থেকে ২০ লক্ষ টাকা লোন হিসেবে নিই। ৫ লক্ষ টাকা শোধও করেছি। আরও ১৫ লক্ষ টাকা পাবেন সাহেব।” তিনি বলেন, “আমি বালুদার কাছে কাজ করতাম। ওঁর কাছ থেকেই নিয়েছি।”

    ‘কোম্পানির ব্যাপারে কিছুই জানি না’

    ইডি জেনেছে, এই রামস্বরূপ একটি সংস্থার ডিরেক্টর। কীভাবে ডিরেক্টর হলেন? ইডি-র দাবি, রামস্বরূপ জেরায় বলেন, “কোম্পানির ব্যাপারে আমি কিছুই জানি না। খবরে শুনেছি। আমি এসব কিছুতেই নেই। ওসব নামও আমি জানি না। বালুদার নাম করে কিছু লোক আমার কাছে সই করিয়েছিল। আমি সই করে দিয়েছি। এ ছাড়া আমি আর কিছু জানি না। আমি অতশত বুঝি না। আমি হিন্দিতে লেখাপড়া জানি। বিহারে ক্লাস সিক্স-সেভেন পর্যন্ত পড়াশোনা করেছিলাম। আমি ইংরেজি কিছু জানি না। বলল, দাদা পাঠিয়েছে, সই করে দাও। আমি জানি না, কিছু বুঝিও না। এর পিছনে কিছু বলার নেই।”

    আরও পড়ুুন: “যুদ্ধ থামানোর কোনও প্রশ্নই নেই”, যুদ্ধের মাসপূর্তিতে সাফ জানালেন নেতানিয়াহু

    তিনি বলেন, “আমার তো ধোয়া, মোছা, পরিষ্কার করার কাজ (জ্যোতিপ্রিয়র বাড়িতে)। করতেই হয়। কৃষি দফতরেও কাজ করি। চুক্তিভিত্তিক গ্রুপ ডি।” ইডির (Ration Scam) দাবি, চালকলের মালিকের কাছ থেকে কমিশন হিসেবে টাকা না নিয়ে সম্পত্তি নিয়েছিলেন জ্যোতিপ্রিয়। সেই সম্পত্তি আবার নিজের নামে রাখেননি। পরিচারকের নামে দানপত্র লিখিয়ে নেন ওই চালকল মালিকের কাছ থেকেই।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

     
     

     

  • Ration Scam: ফের ইডি হেফাজতে জ্যোতিপ্রিয়, মন্ত্রিমশাই শুনলেন ‘চোর’ ধ্বনি

    Ration Scam: ফের ইডি হেফাজতে জ্যোতিপ্রিয়, মন্ত্রিমশাই শুনলেন ‘চোর’ ধ্বনি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “সাত দিন পর আবার আসছি। সাত দিন, সাত দিন।” সোমবার ব্যাঙ্কশাল কোর্ট ছাড়ার সময় এমনই প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেন রেশন বণ্টন কেলেঙ্কারিকাণ্ডে ইডির হাতে গ্রেফতার হওয়া বনমন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক (Ration Scam)। বনমন্ত্রী হওয়ার আগে জ্যোতিপ্রিয় ছিলেন খাদ্য দফতরের মন্ত্রী। সেই সময়ই দুর্নীতি হয় বলে অভিযোগ।

    ইডি হেফাজতের আবেদন

    সেই অভিযোগের ভিত্তিতেই ইডির হাতে গ্রেফতার হন উত্তর ২৪ পরগনার তৃণমূলের এই নেতা। এদিন আদালতে তোলা হলে জ্যোতিপ্রিয়কে ১৩ নভেম্বর পর্যন্ত ইডি হেফাজতের নির্দেশ দেন বিচারক। এদিন শুনানি চলাকালীন মন্ত্রীকে আরও সাতদিন ইডি হেফাজতে পাওয়ার আবেদন করেন কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার আইনজীবী। তাঁর যুক্তি, জ্যোতিপ্রিয় তিনদিন হাসপাতালে ছিলেন। জিজ্ঞাসাবাদের জন্য পর্যাপ্ত সময় পাওয়া যায়নি। তাই তাঁকে সাত দিনের জন্য ইডি হেফাজতে দেওয়া হোক।

    ‘চোর’, ‘চোর’ ধ্বনি

    শুক্রবার জ্যোতিপ্রিয়কে (Ration Scam) হাসপাতালে স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য নিয়ে যাচ্ছিল ইডি। সেই সময় সংবাদ মাধ্যমের সামনে তিনি বলেছিলেন, “দিন চারেক পরেই সবাই সব কিছু জানতে পারবেন।” সেদিন তিনি নিজেকে নির্দোষ বলে দাবি করেছিলেন। সোমবারও ফের একবার নিজেকে নির্দোষ বলে দাবি করেন জ্যোতিপ্রিয়। এদিকে, এদিন বনমন্ত্রীকে ‘চোর’ সম্বোধন করেন ব্যাঙ্কশাল কোর্ট চত্বরে দাঁড়িয়ে থাকা কয়েকজন। তিনি যখন কোর্ট রুমের সিঁড়ি দিয়ে উঠছিলেন, তখনই কয়েকজন জ্যোতিপ্রিয়কে লক্ষ্য করে ‘চোর’, ‘চোর’ বলে চিৎকার করতে থাকেন। অথচ, রেশন বণ্টন কেলেঙ্কারিতে গ্রেফতার হওয়ার আগেও তাঁকে দেখলে চেয়ার ছেড়ে উঠে দাঁড়াতেন বন দফতরের কর্মীরা। ‘স্যর’ বলে সম্বোধন করতেন। এহেন মন্ত্রীকেই এবার ‘চোর’ সম্বোধন জনতার।

    আরও পড়ুুন: এবার রাজ্যপালকে কুকথা অখিলের, বোসকে চিঠি লিখে কারামন্ত্রীকে সরানোর দাবি শুভেন্দুর

    প্রসঙ্গত, নিয়োগ কেলেঙ্কারিতে গ্রেফতার হওয়ার পর পার্থ চট্টোপাধ্যায়কেও শুনতে হয়েছিল ‘চোর’, ‘চোর’ ধ্বনি। রেশন বণ্টন কেলেঙ্কারিতে (Ration Scam) ইডি প্রথমে গ্রেফতার করে ব্যবসায়ী বাকিবুর রহমানকে। তাঁকে জেরা করে উঠে আসে জ্যোতিপ্রিয়র নাম। তার পরেই গ্রেফতার করা হয় রাজ্যের প্রাক্তন খাদ্যমন্ত্রী তথা বনমন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয়কে। ব্যাঙ্কশাল কোর্টে তোলা হলে ১০ দিনের ইডি হেফাজতের নির্দেশ দেন বিচারক। ইডি হেফাজতের নির্দেশ শুনে এজলাসেই জ্ঞান হারান জ্যোতিপ্রিয়। পরে তাঁকে নিয়ে যাওয়া হয় হাসপাতালে। গত সোমবার হাসপাতাল থেকে ছাড়া পাওয়ার পর মন্ত্রীকে হেফাজতে নেয় ইডি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

     

  • Ration Scam: বিহারের পশুখাদ্য কেলেঙ্কারির সঙ্গে এ রাজ্যের রেশন দুর্নীতির যোগ খুঁজে পেল ইডি!

    Ration Scam: বিহারের পশুখাদ্য কেলেঙ্কারির সঙ্গে এ রাজ্যের রেশন দুর্নীতির যোগ খুঁজে পেল ইডি!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রেশন সামগ্রী বণ্টনকাণ্ডে (Ration Scam) ক্রমেই বের হচ্ছে ঝুলি থেকে বিড়াল! রেশন সামগ্রী বণ্টন কেলেঙ্কারিতে ইডির হাতে গ্রেফতার হয়েছেন রাজ্যের প্রাক্তন খাদ্যমন্ত্রী তথা বর্তমান বনমন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক। সেই কেলেঙ্কারির তদন্তে নেমে আধিকারিকরা মনে করছেন, বিহারের পশুখাদ্য কেলেঙ্কারির সঙ্গে এ রাজ্যের রেশন দুর্নীতির যোগ থাকতে পারে।

    ‘পশুখাদ্যে লালু, মানুষের খাদ্যে বালু’

    উত্তর ২৪ পরগনার তৃণমূল নেতা জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক গ্রেফতার হওয়ার পরেই বিরোধীরা স্লোগান দিয়েছিল, ‘পশুখাদ্যে লালু, মানুষের খাদ্যে বালু’। এই স্লোগান যে নিছক স্লোগান নয়, ইডির তদন্তকারীরাও তা মনে করছেন। ইডির দাবি, রেশন বণ্টন কেলেঙ্কারির তদন্তে উঠে এসেছে ‘অঙ্কিত ইন্ডিয়া লিমিটেড’ নামে একটি সংস্থার নাম। এই সংস্থার ডিরেক্টর দীপেশ চন্দক ও হিতেশ চন্দক। ১৯৯৬ সালে বিহারের পশুখাদ্য কেলেঙ্কারি মামলায় প্রধান অভিযুক্ত হিসেবে এঁরা গ্রেফতার হয়েছিলেন সিবিআইয়ের হাতে (Ration Scam)। রাজসাক্ষী হওয়ায় ছাড়া পেয়েছিলেন তাঁরা। 

    দীপেশ ও হিতেশ জ্যোতিপ্রিয়রও ঘনিষ্ঠ

    ইডির দাবি, দীপেশ ও হিতেশ জ্যোতিপ্রিয়রও ঘনিষ্ঠ ছিলেন। চন্দকদের রাইস মিল ও আটা চাকিতে রেশনের চাল, গম ভাঙিয়ে প্যাকেটবন্দি করে খোলা বাজারে বিক্রি করা হত। ইডির তদন্তকারীরা জানার চেষ্টা করছেন, চন্দকদের এই ‘অঙ্কিত ইন্ডিয়া লিমিটেডে’ও কি বাকিবুর রহমান মডেলে, পরিমাণে কম দিয়ে দুর্নীতি চলত কি না। পশুখাদ্য কেলেঙ্কারির পর ২০১৮ সালে ফের সিবিআইয়ের হাতে গ্রেফতার হন দীপেশ।

    আরও পড়ুুন: “গরিবি বুঝতে আমায় বই পড়তে হয়নি”, মধ্যপ্রদেশে কংগ্রেসকে আক্রমণ প্রধানমন্ত্রীর

    এবার তিনি গ্রেফতার হন বিহার ও ঝাড়খণ্ডের গোডাউনের লিজ বাড়ানোর সময় এফসিআইয়ের এক আধিকারিককে ঘুষ দিতে গিয়ে। দীপেশকে অপহরণ করা হয়েছে বলে অভিযোগ করে তাঁর পরিবার। এর পরেই সক্রিয় হয়ে ওঠে পুলিশ। তখনই শোনা যায়, কোনও এক প্রভাবশালী ব্যক্তির ছত্রছায়ায় রয়েছেন দীপেশ। এই প্রভাবশালী ব্যক্তিই জ্যোতিপ্রিয় কি না, তা তদন্ত করে দেখছেন তদন্তকারীরা।

    জ্যোতিপ্রিয়র প্রাক্তন আপ্ত সহায়ক অভিজিৎ দাসের বাড়িতে (Ration Scam) তল্লাশি চালাতে গিয়ে একটি মেরুন ডায়েরি উদ্ধার করেন তদন্তকারীরা। সম্প্রতি মন্ত্রী ঘনিষ্ঠ এক চাটার্ড অ্যাকাউন্টের বাড়ি থেকে তিনটি নোটবুকও বাজেয়াপ্ত করেন তাঁরা। সেই সূত্রেই জানা যায়, চন্দক পরিবারের সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা রয়েছে জ্যোতিপ্রিয়র। এদিকে, শনিবার ইডি ম্যারাথন তল্লাশি চালায় উত্তর ২৪ পরগনার বনগাঁর সাহা ব্রাদার্সের চালকল, আটাকল, অফিস ও সল্টলেকের হোটেলে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • ED: বালু ঘনিষ্ঠ ব্যবসায়ীর ডেরা সহ একাধিক জেলায় হানা ইডির, কোথায় কোথায় জানেন?

    ED: বালু ঘনিষ্ঠ ব্যবসায়ীর ডেরা সহ একাধিক জেলায় হানা ইডির, কোথায় কোথায় জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আবারও রাজ্যের একাধিক জেলায় হানা দিল ইডি। রেশন বন্টন দুর্নীতির তদন্ত করতে ইডি হানা দেয়। একাধিক জেলার  আট তৈরির কারখানা, চালকল কারখানায় ইডি (ED) আধিকারিকরা হানা দেয়। রেশন দুর্নীতি নিয়ে একের পর এক তথ্য উঠে এসেছে ইডির হাতে। এরপরে গ্রেফতার হয় প্রাক্তন খাদ্য মন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক। সেখান থেকে নতুন তথ্য পেয়ে ইডি হানা দেয়।  শনিবার সাত সকালে একসঙ্গে ফের রাজ্যজুড়ে ইডি-র হানার ঘটনায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে।

    নদিয়াতে হানা দিল ইডি (ED)  

    নদিয়ায় পৃথক দুটি রেশন ডিলার ও চালকলের মালিকের বাড়িতে ইডি (ED) হানা দেয়। শনিবার নদিয়ার রানাঘাট পুরসভার-১ নম্বর ওয়ার্ডের রেশন ডিলার সিদ্ধেশ্বর বিশ্বাস ও ১৭ নম্বর ওয়ার্ডের চাল কল মালিক নিতাই ঘোষের বাড়িতে হানা দেন ইডির প্রতিনিধিরা। সূত্রে জানা গিয়েছে, শনিবার সকালে ওই দুই ব্যবসায়ীর বাড়িতে হানা দেয় কেন্দ্রীয় তদন্তকারী প্রতিনিধিরা।

    মন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক ঘনিষ্ঠ ব্যবসায়ীর বাড়ি, হোটেলে হানা দিল ইডি

    উত্তর ২৪ পরগনার বনগাঁর কালুপুরে একটি আটা কলে এবং একটি চাল কলে ইডি (ED)  হানা দেয়। এই এলাকা থেকে বাংলদেশ সীমান্ত ১০ কিলোমিটার দূরে। তাই, এই এলাকা থেকে  রেশন সামগ্রী বাংলাদেশে পাচার হত কি না তা খতিয়ে দেখতে ইডি হানা দেয়। মন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক ঘনিষ্ঠ ব্যবসায়ী মন্টু সাহা ও কালীদাস সাহার বাড়িতে ইডি হানা দেয়। তাঁদের আট কল, চাল কলেও তল্লাশি চালানো হয়। পাশাপাশি, সল্টলেক সেক্টর ফাইভের হোটেলে হানা দেয় ইডি। সল্টলেক সেক্টর ফাইভের রাধাকানাইয়া হোটেলের এক কর্মচারীকে প্রথমে ডেকে আনে ইডি। হোটেলে ঢোকার আগেই ওই ব্যক্তি জানিয়ে দেন তিনি মালিক নন, হোটেল মালিকের নাম মন্টু সাহা ও কালিদাস সাহা। এই হোটেলটি কবে কেনা হয়েছিল, এই হোটেলে কারা কারা আসতেন? সেব্যাপারে জিজ্ঞাসাবাদ করেন ইডির আধিকারিকরা। হোটেলের সিসিটিভি ফুটেজও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। সূত্রের খবর, মন্টু সাহা ও কালিদাস সাহা নামে দুই ব্যবসায়ী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিকের ঘনিষ্ঠ বলেই পরিচিত।

     ইডি হানা দিল হাওড়ায়

    হাওড়ার ডোমজুড়ে জালান কমপ্লেক্সের অঙ্কিত ইন্ডিয়া লিমিটেড নামে একটি আটা তৈরির কারখানা এবং গোডাউনে ইডি (ED) হানার খবর মিলেছে। গভীর রাত থেকে এখনও সেখানে তল্লাশি চলছে। ঘটনাস্থলে রয়েছেন কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানেরা। প্রাথমিক ভাবে জানা যাচ্ছে, এখান থেকেই রেশন দোকানে আটা, ময়দা এবং অঙ্গনওয়াড়ি স্কুলের শিশুদের খাবার সরবরাহ করা হত।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Jyotipriya Mallick: বাকিবুরের বাড়িতেই অস্থায়ী ‘খাদ্যদফতর’! ‘আমি নির্দোষ, মমতা সব জানেন..’, বললেন জ্যোতিপ্রিয়

    Jyotipriya Mallick: বাকিবুরের বাড়িতেই অস্থায়ী ‘খাদ্যদফতর’! ‘আমি নির্দোষ, মমতা সব জানেন..’, বললেন জ্যোতিপ্রিয়

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক :  তিনি নির্দোষ, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্য়ায় সব জানেন। দুদিনের মধ্যে সবকিছু স্পষ্ট হয়ে যাবে বলে এদিন দাবি করলেন জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক। আদালতের নির্দেশ মতো এদিন ফের জ্যোতিপ্রিয় মল্লিককে (Jyotipriya Mallick) নিয়ে যাওয়া হল আলিপুর কমান্ড হাসপাতালে। সিজিও কমপ্লেক্সের পিছনের গেট দিয়ে বার করা হয় জ্যোতিপ্রিয় মল্লিককে। তখনই মন দাবি করেন তিনি।

    হিসেব চেয়েছে ইডি

    রেশন বণ্টন দুর্নীতিকাণ্ডে (Ration Scam) এবার এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেটের নজরে এজেন্টরা। সূত্রের খবর, এজেন্টদের মাধ্য়মেই রেশন দুর্নীতির টাকা লেনদেন হত। বাকিবুর রহমান যে টাকা পাঠাতেন সেই টাকা এজেন্টদের মাধ্য়মে লেনদেন হত বলে তদন্তে উঠে এসেছে। সূত্রের খবর, বাকিবুর রহমানের মালিকানাধীন গমকল ও চালকলে কত ধান-গম আসত তার হিসেব চেয়েছে ইডি। কোন কোন ডিস্ট্রিবিউটরের কাছে চাল ও আটা গিয়েছে, এফসিআইয়ের কাছে তারও হিসেব চেয়েছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। ইডি সূত্রে দাবি, এই দুর্নীতির তদন্তে নেমে, তাঁরা বাকিবুর রহমানের পাহাড় প্রমাণ সম্পত্তির কথা জানতে পারেন। যার মধ্য়ে ছিল তাঁর একাধিক সংস্থাও। গোয়েন্দা সূত্রে দাবি, ৬টি এমন সংস্থার কথা জানা যায়, যেখানে আটা বণ্টন দুর্নীতির টাকা ঢুকেছিল।

    আরও পড়ুন: “খাদ্য দফতরের আধিকারিকের প্রতারণায় বন্ধ হয়েছে চালকল”, বিস্ফোরক মালিক

    বাকিবুরের বাড়িতেই ছোট ‘খাদ্য দফতর’ 

    রেশন দুর্নীতি মামলায় ধৃত মিল মালিক বাকিবুর রহমানের বাড়িতেই ছোটখাট একটি ‘খাদ্য দফতর’ গড়ে তোলা হয়েছিল বলে দাবি ইডির। অভিযুক্তের বাড়ি এবং সংস্থায় তল্লাশি চালিয়ে এখনও পর্যন্ত যে বিপুল পরিমাণ সরকারি স্ট্যাম্প উদ্ধার হয়েছে, তা খতিয়ে দেখার পরে একথা মনে করছেন ইডি আধিকারিকেরা। উদ্ধার হওয়া স্ট্যাম্পগুলিকে খুটিয়ে পরীক্ষা করে ইডি মনে করছে, খাদ্য দফতরের মাথায় বসে থাকা কর্তা-ব্যক্তিরাই শুধু দুর্নীতির সঙ্গে জড়িত নন, বাকিবুরের ঘনিষ্ঠ জেলাস্তরের সরকারি আধিকারিকেরাও এতে জড়িত থাকতে পারেন। তাঁদের ভূমিকাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। ইডি সূত্রে দাবি, বারাসতের খাদ্যদফতরের প্রায় সমস্ত সরকারি আধিকারিকদের সঙ্গে বাকিবুরের যোগ ছিল। তা হয়েছিল জ্যোতিপ্রিয় মল্লিকের সঙ্গে ঘনিষ্ঠতার কারণেই। অভিযোগ, পরে নদিয়া এবং উত্তর ২৪ পরগনা জেলাতেও নিজের প্রভাব খাটাতেন তিনি। এমনকী, মন্ত্রীর কনভয়েও কখনও কখনও বাকিবুরের গাড়িকে যেতে দেখা যেত বলে দাবি স্থানীয় বাসিন্দাদের।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Ration Scam Case: রেশন বণ্টন কেলেঙ্কারি মামলায় ফের হানা ইডির, কার বাড়িতে জানেন?

    Ration Scam Case: রেশন বণ্টন কেলেঙ্কারি মামলায় ফের হানা ইডির, কার বাড়িতে জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রেশন বণ্টন কেলেঙ্কারি মামলায় (Ration Scam Case) এবার আরও একজনের বাড়িতে তল্লাশি ইডির। বৃহস্পতিবার শান্তনু ভট্টাচার্য নামের এক ব্যক্তির ফ্ল্যাটে হানা দেন কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার আধিকারিকরা। শান্তনু পেশায় চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্ট। এর আগেও একবার তাঁর বাড়িতে গিয়েছিলেন ইডির আধিকারিকরা। সেদিন বাড়িতে ছিলেন না শান্তনু। যদিও তাঁর ফ্ল্যাট সিল করে দিয়ে গিয়েছিলেন ইডি কর্তারা। ঘটনাটি জানিয়েছিলেন স্থানীয় থানায়।

    নেতাজি নগরের ফ্ল্যাটে হানা

    এদিন দুপুর আড়াইটে নাগাদ ফের শান্তনুর নেতাজি নগর এলাকার ফ্ল্যাটে হানা দেয় ইডি (Ration Scam Case)। শুরু হয়েছে তল্লাশি। তদন্তকারীদের অনুমান, রেশন বণ্টন কেলেঙ্কারিতে যোগ থাকতে পারে শান্তনুর। তাঁর ফ্ল্যাট থেকে মিলতে পারে কেলেঙ্কারি সংক্রান্ত নথি। নেতাজি নগরের একটি আবাসনের আটতলার ফ্ল্যাটে থাকেন শান্তনু। তাঁর নাম উঠে আসে সিপি জেনা নামে এক ব্যক্তিকে একটি সংস্থার বিষয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করার সময়। ইডি যেদিন প্রথম জ্যোতিপ্রিয়র বাড়িতে তল্লাশি চালায়, সেদিন তারা হানা দিয়েছিল জেনার বাড়িতেও। পরে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয় তাঁকে। তখনই প্রসঙ্গক্রমে আসে শান্তনুর নাম। শান্তনু ওই সংস্থার চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্ট। ইডি কর্তাদের ধারণা, শান্তনুর ফ্ল্যাটে মিলতে পারে রেশন বণ্টন কেলেঙ্কারির মূল্যবান তথ্য।

    জ্যোতিপ্রিয়-কাণ্ড

    রেশন বণ্টন কেলেঙ্কারিতে প্রথমে গ্রেফতার করা হয় পেশায় ব্যবসায়ী বাকিবুর রহমানকে। বাকিবুরকে জেরা করে জানা যায় রাজ্যের প্রাক্তন খাদ্যমন্ত্রী তথা বর্তমান বনমন্ত্রী উত্তর ২৪ পরগনার তৃণমূল নেতা জ্যোতিপ্রিয় মল্লিকের নাম। গত বৃহস্পতিবার টানা ১৮ ঘণ্টা ধরে তল্লাশি চালানো হয় জ্যোতিপ্রিয়র বাড়িতে। শুক্রবার কাকভোরে গ্রেফতার করা হয় মন্ত্রীকে। ওই দিনই রাজ্যের প্রাক্তন খাদ্যমন্ত্রীকে ব্যাঙ্কশাল কোর্টে তোলে ইডি। বিচারক তাঁকে ১০ দিনের ইডি হেফাজতের নির্দেশ দেন। রায় শুনেই এজলাসে জ্ঞান হারান মন্ত্রিমশাই। তাঁকে নিয়ে যাওয়া হয় বাইপাসের একটি বেসরকারি হাসপাতালে।

    আরও পড়ুুন: জ্যোতিপ্রিয় মল্লিকের স্বাস্থ্যপরীক্ষা কমান্ড হাসপাতালে সম্ভব, বলল কলকাতা হাইকোর্ট

    সোমবার রাতে তাঁকে ছেড়ে দেন হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। তার পরেই ইডির আধিকারিকরা তাঁকে নিয়ে যান সল্টলেকে সিজিও কমপ্লেক্সে। পরের দিন সকালে শুরু হয় জিজ্ঞাসাবাদ পর্ব। জেরা করা হয় মন্ত্রীর দুই প্রাক্তন আপ্ত সহায়ককেও। তাঁদের সঙ্গে জ্যোতিপ্রিয়কে মুখোমুখি বসিয়ে জেরা করা হতে পারে বলে ইডি সূত্রে খবর (Ration Scam Case)।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Ration Scam: জ্যোতিপ্রিয়র জন্য বাড়ি থেকে আসছে খাবার, পরীক্ষা করতে হচ্ছে বাড়ির লোককেই!

    Ration Scam: জ্যোতিপ্রিয়র জন্য বাড়ি থেকে আসছে খাবার, পরীক্ষা করতে হচ্ছে বাড়ির লোককেই!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হাসপাতাল থেকে ছাড়া পাওয়ার পর ইডি হেফাজত শুরু হয়েছে রাজ্যের প্রাক্তন খাদ্যমন্ত্রী তথা বর্তমান বনমন্ত্রী তৃণমূলের জ্যোতিপ্রিয় মল্লিকের (Ration Scam)। বাড়ি থেকে খাবার আসছে মন্ত্রীর জন্য। তিনি সুগারের রোগী। তাই এই ব্যবস্থা। তবে মন্ত্রীর জন্য বাড়ি থেকে আনা খাবার পরীক্ষা করানো হচ্ছে জ্যোতিপ্রিয়রই বাড়ির লোককে দিয়ে। তার পরেই তা খেতে দেওয়া হচ্ছে উত্তর ২৪ পরগনার এই তৃণমূল নেতাকে।

    ইডি হেফাজতে মন্ত্রী

    আর পাঁচজন ইডি হেফাজতে থাকা ব্যক্তির মতো জ্যোতিপ্রিয়কেও খাবার দেওয়ার কথা ছিল ইডিরই। তবে তৃণমূলের এই নেতা আদালতে জানিয়েছিলেন তিনি সুগারের রোগী। নিয়ম মেনে খাওয়াদাওয়া করেন। এর পরেই জ্যোতিপ্রিয়কে ১০ দিনের ইডি হেফাজতের নির্দেশ দেয় আদালত। বিচারকের এজলাসেই অসুস্থ হয়ে পড়েন জ্যোতিপ্রিয়। পরে তাঁকে নিয়ে যাওয়া হয় হাসপাতালে। জ্যোতিপ্রিয় অসুস্থ হয়ে পড়ায় তাঁর পরিবার বাড়ি থেকে খাবার পাঠানোর আবেদন জানায়। অসুস্থ জ্যোতিপ্রিয়র ক্ষেত্রে (Ration Scam) সেই আবেদন মঞ্জুর করে আদালত।

    খাবার পরীক্ষা মেয়েকে দিয়েও!

    বিচারক জানিয়ে দেন, ইডি হেফাজতে থাকার সময় বাড়ির খাবার খেতে পারবেন জ্যোতিপ্রিয়। আদালতের সেই নির্দেশ মেনেই জ্যোতিপ্রিয়কে দেওয়া হচ্ছে তাঁর বাড়ি থেকে আনা খাবার। তবে সেই খাবার মন্ত্রীর পাতে দেওয়ার আগে খেয়ে দেখতে হচ্ছে তাঁর বাড়ি থেকে যিনি খাবার আনছেন, তাঁকেই। জানা গিয়েছে, বুধবার রাতে মন্ত্রীর জন্য খাবার নিয়ে এসেছিলেন তাঁর মেয়ে প্রিয়দর্শিনী। তাঁকে দিয়েও নাকি পরীক্ষা করানো হয়েছে মন্ত্রীর জন্য আনা খাবার।

    আরও পড়ুুন: হাতে মেরুন ডায়েরি! বালুর বিরুদ্ধে ইডি-র হাতিয়ার বাকিবুর, আপ্ত সহায়কদের বয়ান?

    রেশন বণ্টন কেলেঙ্কারিতে সপ্তাহখানেক আগে গ্রেফতার হন জ্যোতিপ্রিয়। তার আগে গ্রেফতার করা হয়েছিল পেশায় ব্যবসায়ী বাকিবুর রহমানকে। মন্ত্রী ঘনিষ্ঠ এই বাকিবুরই ইডির জেরার মুখে নাম নেন জ্যোতিপ্রিয়র। তার পরেই গ্রেফতার করা হয় মন্ত্রিমশাইকে। আদালতে তোলা হলে বিচারক তাঁকে ইডি হেফাজত দেন। রায় শুনে অসুস্থ হয়ে পড়লে তাঁকে ভর্তি করা হয় বাইপাসের একটি বেসরকারি হাসপাতালে। সোমবার রাতে সেখান থেকে ছাড়া পান তিনি। তার পরেই শুরু হয় ইডি হেফাজত। মঙ্গলবার একপ্রস্ত জেরা করা হয়েছে জ্যোতিপ্রিয়কে। এদিনই তলব করা হয়েছিল তাঁর দুই আপ্ত সহায়ককে। জিজ্ঞাসাবাদ করা (Ration Scam) হয়েছে তাঁদেরও।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

  • Ration Scam: ৬ সংস্থার শেয়ারে ৫০ কোটি বিনিয়োগ! বাকিবুরের ছবির পরিচালক খাদ্য দফতরের কর্মীই?

    Ration Scam: ৬ সংস্থার শেয়ারে ৫০ কোটি বিনিয়োগ! বাকিবুরের ছবির পরিচালক খাদ্য দফতরের কর্মীই?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রেশন-বণ্টন (Ration Scam) দুর্নীতির টাকা ছবি তৈরির কাজেও বিনিয়োগ করেছিলেন জ্যোতিপ্রিয় ঘনিষ্ঠ বাকিবুর রহমান। বাকিবুর রহমানের তৈরি করা ওই ছবিতে নায়িকা হিসেবে অভিনয় করেছিলেন পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের বান্ধবী অর্পিতা মুখোপাধ্যায়। প্রসঙ্গত, নিয়োগ-দুর্নীতিকাণ্ডে অর্পিতা মুখোপাধ্যায় বর্তমানে জেলে রয়েছেন। নিয়োগ দুর্নীতিকাণ্ডে বাকিবুর রহমান গ্রেফতার (Ration Scam) হওয়ার পর থেকেই একের পর এক চাঞ্চল্যকর তথ্য উঠে আসতে শুরু করেছে। সেই তথ্যের সূত্র ধরেই পুজোর পরে গ্রেফতার করা হয় জ্যোতিপ্রিয় মল্লিককে। জানা গিয়েছে, বাকিবুর রহমান যে ছবিতে টাকা ঢেলেছিলেন, সেই ছবির গল্প লিখেছিলেন খাদ্য দফতরের উচ্চপদস্থ আধিকারিক, যাঁর নাম পার্থসারথী গায়েন। পরিচালনাও করেছিলেন খাদ্য দফতরের কর্মী সৌরভ মুখোপাধ্যায়। ২০১৪ সালে মুক্তি পেয়েছিল ‘ম্যানগ্রোভ’ ছবি। টলিউডের অন্যতম অভিনেত্রী দোলন রায়কেও সেখানে দেখা যায় (Ration Scam)। ইডি সূত্রে আরও খবর, ছবির প্রিমিয়ামে হাজির ছিলেন মন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়।

    বাকিবুরের ছবির পরিচালক কী বলছেন?

    এনিয়ে অবশ্য বিন্দুমাত্র ভাবতে নারাজ খাদ্য দফতরের কর্মী সৌরভ মুখোপাধ্যায়। তাঁর কথায়, ‘‘ছবি তৈরি করা আমার শখ ছিল। খাদ্য দফতরের তৎকালীন অ্যাডিশনাল ডিরেক্টর পার্থসারথি গায়নের লেখা ‘ম্যানগ্রোভ’ পড়ে আমার খুব ভালো লেগে যায়। তাই এটা নিয়ে আমি আগ্রহী হই। আমার আগের ছবি যিনি প্রযোজনা করেছিলেন, তাঁর সঙ্গে কথাও বলি। তবে তিনি রাজি হননি। এ বিষয়টি আমি অ্যাডিশনাল ডিরেক্টর (Ration Scam) পার্থসারথিবাবুকে জানাই। তখন পার্থসারথিবাবু বলেন একজন ছবি প্রযোজনা করতে পারবেন বলেছেন। তাঁর চালকল রয়েছে। পরে জানতে পারি যে তিনি বাকিবুর রহমান।

    বাকিবুরের ১,৬৩২ কাঠা জমির হদিশ মিলেছে রাজ্যের ৯৫টি স্থানে

    ইডি সূত্রে জানা গিয়েছে, বাকিবুরের এখনও পর্যন্ত ছটি কোম্পানির হদিশ মিলেছে। বাকিবুর রহমানের সেইসব সংস্থার উৎস (Ration Scam) এবং বেআইনি কার্যকলাপ নিয়ে ইতিমধ্যে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। এই ছয়টি সংস্থা করতে বাকিবুর রহমান ৫০ কোটি টাকা বিনিয়োগ করেছিলেন বলে জানা গিয়েছে। এক সাধারণ ব্যবসায়ীর রকেট গতিতে এই উত্থান নজর এড়ায়নি তাঁর পাড়া প্রতিবেশীদেরও। এখনও পর্যন্ত ১০০ কোটি টাকা মূল্যের জমির হদিশ পাওয়া গিয়েছে। জানা গিয়েছে, ১,৬৩২ কাঠা জমির হদিশ মিলেছে। রাজ্যের ৯৫টি জায়গাতেই জমি কেনা হয়েছিল। ইডি আধিকারিকরা জানিয়েছেন, বাকিবুরের বেঙ্গালুরুতে রয়েছে হোটেল এবং ফ্ল্যাট। শুধু তাই নয় দুবাইতেও রয়েছে বিলাসবহুল ফ্ল্যাট।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Jyotipriya Mallick: জ্যোতিপ্রিয়র দফতরে কারা আসতেন, করতেনই বা কী? মন্ত্রী ঘনিষ্ঠ অমিতের কাছে প্রশ্ন ইডির

    Jyotipriya Mallick: জ্যোতিপ্রিয়র দফতরে কারা আসতেন, করতেনই বা কী? মন্ত্রী ঘনিষ্ঠ অমিতের কাছে প্রশ্ন ইডির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ইডির দফতরে ফের এলেন জ্যোতিপ্রিয় (Jyotipriya Mallick) ঘনিষ্ঠ অমিত দে। এই নিয়ে চতুর্থবার। প্রথমে তিনি ছিলেন নিতান্তই এক তৃণমূল কর্মী। ২০১১ সালে জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক খাদ্যমন্ত্রী হওয়ার পর থেকেই রকেটের গতিতে উত্থান হতে থাকে অমিতের। মঙ্গলবার সকালে জেরা করা হয়েছে রাজ্যের প্রাক্তন খাদ্যমন্ত্রী তথা বর্তমান বনমন্ত্রী তৃণমূলের জ্যোতিপ্রিয় মল্লিককে। পরে ফের তলব করা হয় অমিতকে।

    অমিতের সম্পত্তি

    ২০১১ সালে খাদ্যমন্ত্রী হওয়ার পরে জ্যোতিপ্রিয়র আপ্ত সহায়ক হন অমিত। ইডির দাবি, নামে-বেনামে তাঁর প্রচুর সম্পত্তি রয়েছে। রয়েছে রিসর্টও। রেশন দুর্নীতির টাকা ঢুকেছে তাঁর অ্যাকাউন্টেও। ইডির দাবি, অমিত জ্যোতিপ্রিয়র আপ্ত সহায়ক। যদিও অমিতের দাবি, তিনি আদৌ মন্ত্রীর আপ্তসহায়ক নন। তিনি মন্ত্রীর ঘনিষ্ঠ। তাঁর অফিসে কাজ করতেন। ছোট থেকে একই সঙ্গে জ্যোতিপ্রিয়র (Jyotipriya Mallick) পাড়ায় বড় হয়েছেন। সেই সূত্রেই মন্ত্রীর কোটায় খাদ্য দফতরে চাকরি পেয়েছেন।

    অমিতকে প্রশ্নবাণ ইডির

    জ্যোতিপ্রিয়কে যেদিন গ্রেফতার করা হয়, সেদিন সিজিও কমপ্লেক্সে ডেকে একপ্রস্ত তলব করা হয়েছিল অমিতকে। সূত্রের খবর, মঙ্গলবার ব্যবসায়ী বাকিবুর রহমান ছাড়া আর কারা আসতেন জ্যোতিপ্রিয়র দফতরে, তাঁরা কে কী করতেন, এসব জানতে চাইবেন ইডির আধিকারিকরা। জ্যোতিপ্রিয়র মুখোমুখি বসিয়েও জিজ্ঞাসাবাদ করা হতে পারে তাঁকে। এদিনই তলব করা হয়েছে জ্যোতিপ্রিয়র প্রাক্তন আপ্ত সহায়ক অভিজিৎ দাসকেও। ইডি সূত্রে খবর, এই অভিজিতের বাড়িতে তল্লাশি চালাতে গিয়ে একটি মেরুন রংয়ের ডায়েরি হাতে পান তদন্তকারীরা। ওই ডায়েরিতে ‘বালু দা’ (জ্যোতিপ্রিয়র ডাক নাম বালু) নামের উল্লেখ রয়েছে। সেই কারণেই তদন্তকারীদের স্ক্যানারে রয়েছেন অভিজিৎও।

    আরও পড়ুুন: বাকিবুরের আরও ৫৬০ কাঠা জমির হদিশ আমডাঙায়! সবই কি বেনামে জ্যোতিপ্রিয়র?

    অমিত এবং অভিজিৎকে মুখোমুখি বসিয়েও জেরা করা হতে পারে বলে ইডি সূত্রে খবর। জানা গিয়েছে, বাকিবুর সহ এতদিন ধরে যাঁদের জেরা করা হয়েছে, তাতে যেসব তথ্য উঠে এসেছে, তার ভিত্তিতেই করা হবে জেরা। কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা সূত্রে খবর, জ্যোতিপ্রিয়র (Jyotipriya Mallick) দফতরে কী ধরনের কাজ হত, বাকিবুরের সঙ্গে জ্যোতিপ্রিয় কী ধরনের কাজ করতেন, এসবও জিজ্ঞাসা করা হতে পারে অমিতকে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share