Tag: Religious Conversion

Religious Conversion

  • TCS Nashik Case: ‘চুপ থাকো, নইলে বিপদ’! যৌন হেনস্থা থেকে জোর করে ধর্মান্তর, নাসিকের টিসিএস নিয়ে জাতীয় স্তরে তদন্ত

    TCS Nashik Case: ‘চুপ থাকো, নইলে বিপদ’! যৌন হেনস্থা থেকে জোর করে ধর্মান্তর, নাসিকের টিসিএস নিয়ে জাতীয় স্তরে তদন্ত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক:  মহারাষ্ট্রের নাসিকে টিসিএস (Tata Consultancy Services)-এর বিপিও ইউনিট ঘিরে বিতর্কিত ‘ধর্মান্তর’ ও যৌন হেনস্তা মামলায় নতুন মোড়। মামলার (TCS Nashik Case) অন্যতম অভিযুক্ত নিদা খান গত এক সপ্তাহ ধরে পলাতক। পুলিশ তার খোঁজে তল্লাশি চালালেও এখনও তার অবস্থান নিশ্চিত করা যায়নি। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, নিদা খানের স্বামীর সঙ্গে যোগাযোগ করা হলেও তেমন কোনো তথ্য মেলেনি। স্বামী দাবি করেছেন, তিনি আত্মীয়ের বাড়িতে গিয়েছেন। তবে পুলিশ ওই বাড়িতে পৌঁছে সেটি তালাবন্ধ অবস্থায় পায়। তদন্তকারীদের ধারণা, গ্রেফতার এড়াতে নিদা খান প্রায় দু’মাস আগে মুম্ব্রা এলাকায় সরে গিয়েছিলেন। বর্তমানে তিনটি পৃথক পুলিশ দল তাকে খুঁজছে, যার একটি দল মুম্ব্রায় সক্রিয়।

    কীভাবে শুরু এই মামলা

    ঘটনার সূত্রপাত হয় এক ২৩ বছর বয়সি মহিলা বিপিও কর্মীর অভিযোগে। তিনি তার সহকর্মী দানিশ শেখের বিরুদ্ধে বিয়ের মিথ্যা প্রতিশ্রুতি দিয়ে শারীরিক সম্পর্ক স্থাপনের অভিযোগ তোলেন। এরপর নাসিক পুলিশ একাধিক ধারায় মামলা দায়ের করে। যার মধ্যে রয়েছে প্রতারণার মাধ্যমে যৌন সম্পর্ক (ধারা ৬৯), যৌন হেনস্তা (ধারা ৭৫), ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত (ধারা ২৯৯)। টাটা সন্স-এর চেয়ারম্যান এন চন্দ্রশেখরন (N Chandrasekaran) এই ঘটনাকে “অত্যন্ত উদ্বেগজনক ও বেদনাদায়ক” বলে উল্লেখ করেছেন। সংস্থার পক্ষ থেকে একটি স্বাধীন তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে, যার নেতৃত্বে রয়েছেন সিওও আর্থি সুব্রামনিয়ান। এছাড়া নজরদারি কমিটির প্রধান হিসেবে রয়েছেন কেকি মিস্ত্রি।

    নিদা-কে নিয়ে বিভ্রান্তি

    এই মামলার (TCS Nashik Case) মূল অভিযুক্ত হিসেবে উঠে এসেছে নিদা খান-এর নাম। নিদা খান, অভিযুক্ত দানিশ শেখের বোন। তবে তাঁর পরিচয় নিয়ে যথেষ্ট ধোঁয়াশা তৈরি হয়েছে। প্রথমে শোনা গিয়েছিল নিদা খান এইচআর প্রধান, কিন্তু পরে সূত্র মারফত জানা যায় তিনি আদতে একজন টেলিকলার বা সাধারণ কর্মী। নিদার বিরুদ্ধে অভিযোগ, সে একটি চক্রের হয়ে ‘কর্পোরেট জিহাদ’ চালাত। নিদা নাকি সংস্থার মহিলা কর্মীদের জোর করে ধর্মান্তকরণের চেষ্টা করত। এমনকী হিন্দু কর্মীদের আমিষ খাবার খেতে বাধ্য করতেন বলেও অভিযোগ। জবরদস্তি একটি নির্দিষ্ট ধর্মীয় রীতিনীতি পালনের জন্য চাপ দিতেন বলেও অভিযোগ।

    ‘চুপ থাকো নইলে বিপদ’

    তদন্তের চেয়েও বড় বিতর্ক তৈরি হয়েছে টিসিএস-এর নাসিক ইউনিটের এইচআর (HR) বিভাগের ভূমিকা নিয়ে। নির্যাতিতা তরুণীর অভিযোগ, তিনি যখন অভ্যন্তরীণ কমিটির কাছে অভিযোগ জানাতে যান, তখন তাঁকে সাহায্য করার বদলে ‘মুখ বন্ধ’ রাখার পরামর্শ দেওয়া হয়। শুধু তাই নয়, অভিযোগ করলে কেরিয়ার শেষ করে দেওয়ার প্রচ্ছন্ন হুমকিও দেওয়া হয়েছিল বলে দাবি করেন ওই তরুণী। এখানেই প্রশ্ন উঠতে শুরু করে যে, প্রতিষ্ঠানের সুনাম রক্ষা করতে গিয়েই কি অপরাধীকে আড়াল করা হয়েছে? যদিও টিসিএস কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, তারা ‘জিরো টলারেন্স’ (Zero Tolerance) নীতিতে বিশ্বাসী এবং বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে দেখা হচ্ছে।

    টাটার দাবি

    টাটা কনসালটেন্সি সার্ভিসেসের (টিসিএস) নাসিক শাখার বিপিও-তে যৌন হেনস্থা কেলেঙ্কারিতে উচ্চপর্যায়ের তদন্তের নির্দেশ দিয়েছিলেন টাটা সন্সের চেয়ারম্যান এন চন্দ্রশেখরন। তবে টাটার তরফ থেকে এক বিবৃতি প্রকাশ করে জানানো হয়, পুলিশ যে সব ঘটনার তদন্ত করছে, সেই সংক্রান্ত ঘটনার বিষয়ে কোনও অভিযোগ তারা পায়নি। টিসিএস-এর সিইও ও এমডি কে কৃতিবাসন এক বিবৃতিতে বলেছেন, প্রাথমিক ভাবে সিস্টেম এবং রেকর্ড ঘেঁটে দেখা গিয়েছে, এথিকস বা পশ (POSH) চ্যানেলে এই ধরনের কোনও অভিযোগই দায়ের করা হয়নি। এদিকে টিসিএসের তরফ থেকে জানানো হয়েছে, অভিযুক্ত নিদা খানকে গত ৯ এপ্রিল সাসপেন্ড করা হয়েছে। এবং নিদা খান একজন প্রোসেস অ্যাসিয়েট ছিল। সে এইআচর ম্যানেজার ছিল না এবং কর্মী নিয়োগ প্রক্রিয়ার অংশ ছিল না। বিবৃতিতে আরও উল্লেখ করা হয়েছে যে, টিসিএস-এর প্রেসিডেন্ট ও সিওও আরথি সুব্রামানিয়ানের নেতৃত্বে পরিচালিত অভ্যন্তরীণ তদন্ত চলছে। এবং এর জন্য স্বাধীন পরামর্শদাতা হিসেবে ডেলয়েট এবং স্বনামধন্য আইন সংস্থা ট্রাইলিগালের বিশেষজ্ঞদের নিযুক্ত করা হয়েছে।’

    তদন্তকারীদের নজরে

    নাসিক পুলিশ ইতিমধ্যেই মামলা রুজু করে তদন্ত শুরু করেছে। এখন আপাতত ডিজিটাল ফরেনসিক রিপোর্টের জন্য অপেক্ষা করা হচ্ছে। টিসিএস-এর ওই ইউনিটের বেশ কয়েকজন কর্মীকে জিজ্ঞাসাবাদও করা হয়েছে। আইনি বিশেষজ্ঞদের মতে, দোষ প্রমাণিত হলে অভিযুক্তের কঠোর সাজা তো হবেই, পাশাপাশি অভিযোগ ধামাচাপা দেওয়ার অভিযোগে সংশ্লিষ্ট আধিকারিকদের বিরুদ্ধেও আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হতে পারে। এই ঘটনার পর যে ৬টি দিক নিয়ে তদন্তকারীরা কাজ করছেন তা হল—

    • আইনের প্রয়োগ: কর্মক্ষেত্রে মহিলাদের সুরক্ষা আইন (POSH Act) কি টিসিএস-এর মতো বড় সংস্থায় কেবল কাগজ-কলমেই সীমাবদ্ধ?
    • অভ্যন্তরীণ তদন্তে গাফিলতি: প্রাথমিক অভিযোগ পাওয়ার পর কেন তৎক্ষণাৎ ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি?
    • ডিজিটাল তথ্যপ্রমাণ: অভিযুক্ত ও অভিযোগকারিণীর কল রেকর্ড এবং চ্যাট হিস্ট্রি খতিয়ে দেখছে পুলিশ।
    • মানসিক হেনস্থা: কর্মক্ষেত্রে বিষাক্ত পরিবেশ (Toxic Culture) তৈরি করার দায় কার?
    • প্রমাণ লোপাট: সিসিটিভি ফুটেজ বা গুরুত্বপূর্ণ নথি সরিয়ে ফেলার কোনও চেষ্টা হয়েছিল কি না, তা-ও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

    জাতীয় স্তরে নজরদারি

    টিসিএস-এর (TCS Nashik Case) মতো সংস্থা, যেখানে কাজ করার জন্য লক্ষ লক্ষ তরুণ-তরুণীর স্বপ্ন দেখে, সেখানে এই ধরনের ঘটনা সামগ্রিক ব্যবস্থার ওপর অনাস্থা তৈরি করেছে তা বলার অপেক্ষা রাখে না। মহারাষ্ট্রের মুখ্যমন্ত্রী দেবেন্দ্র ফড়ণবীস (Devendra Fadnavis) এই ঘটনাকে “গুরুতর” বলে উল্লেখ করেছেন। তিনি বলেন, যদি তদন্তে “কর্পোরেট জিহাদ”-এর কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়, তাহলে তার শিকড় পর্যন্ত পৌঁছে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এনসিডব্লিউ (National Commission for Women) ইতিমধ্যেই চার সদস্যের একটি ফ্যাক্ট-ফাইন্ডিং কমিটি গঠন করেছে। পাশাপাশি এনএইচআরসি (National Human Rights Commission) মহারাষ্ট্র পুলিশ, শ্রম দফতর টিসিএস কর্তৃপক্ষকে নোটিস জারি করে বিস্তারিত রিপোর্ট চেয়েছে।

  • TCS Nashik Case: ‘দেশের বিরুদ্ধে পরিকল্পিত ষড়ষন্ত্র, সন্ত্রাসবাদের সামিল’, টিসিএসে কাণ্ডে জনস্বার্থ মামলা সুপ্রিম কোর্টে

    TCS Nashik Case: ‘দেশের বিরুদ্ধে পরিকল্পিত ষড়ষন্ত্র, সন্ত্রাসবাদের সামিল’, টিসিএসে কাণ্ডে জনস্বার্থ মামলা সুপ্রিম কোর্টে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নাসিকের টাটা কনসালটেন্সি সার্ভিসের (TCS Nashik Conversion Case) ধর্মান্তর বিতর্ক এবার সুপ্রিম কোর্টে পৌঁছল। বিষয়টি নিয়ে জনস্বার্থ মামলা হল শীর্ষ আদালতে। ওই আবেদনে বলে হয়েছে, বিষয়টি জেনে গোটা দেশ চমকে উঠেছে। এই ধরনের কাজ ‘সন্ত্রাসবাদী কার্যকলাপে’র আওতায় পড়ে। ‘অবৈধ ধর্মান্তর’ রোধে কঠোর ব্যবস্থা নিক কেন্দ্র ও রাজ্যগুলি। এই ঘটনার সরেজমিনে তদন্ত করতে শুক্রবার ঘটনাস্থলে যাচ্ছে জাতীয় মহিলা কমিশনের এক প্রতিনিধি দল। কমিশনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত গুরুতর অভিযোগের ভিত্তিতে তারা স্বতঃপ্রণোদিত (suo motu) হয়ে এই মামলার তদন্ত শুরু করেছে। গঠন করা হয়েছে ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং কমিটি।

    নাসিকে জাতীয় মহিলা কমিশনের দল

    নাসিকের (TCS Nashik Conversion Case) এই ঘটনাকে গুরুত্বের সাথে বিবেচনা করে, কমিশন ১৯৯০ সালের জাতীয় মহিলা কমিশন আইনের ৮ নং ধারার অধীনে প্রদত্ত ক্ষমতাবলে ঘটনাটির বিস্তারিত তদন্তের জন্য একটি ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং কমিটি গঠন করেছে। কমিটিতে রয়েছেন বম্বে হাইকোর্টের অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি সাধনা যাদব, হরিয়ানার প্রাক্তন ডিজিপি বিকে সিনহা, সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী মনিকা অরোরা এবং এনসিডব্লিউ-এর সিনিয়র কো-অর্ডিনেটর লীলাবতী। ওই কমিটির শুক্রবার ঘটনাস্থল ঘুরে দেখার কথা। ওই সংস্থার কর্মী, অভিযোগকারীদের সঙ্গে কথা বলে কমিটিকে ১০ দিনের মধ্যে রিপোর্ট দিতে বলা হয়েছে।

    শীর্ষ আদালতে জনস্বার্থ মামলা

    এই বিষয়ে দেশের সর্বোচ্চ আদালতের হস্তক্ষেপও চাওয়া হয়েছে। এই আবেদনটি দায়ের করেছেন বিজেপি নেতা অশ্বিনী কুমার উপাধ্যায় (Ashwini Kumar Upadhyay) ও তাঁর পক্ষে আইনজীবী অশ্বিনী দুবে। জনস্বার্থ মামলার আবেদনে বলা হয়েছে, নাসিকের ঘটনাটি (TCS Nashik Case) ব্যতিক্রম নয়। বরং বড়সড় চক্রান্তেরই অংশ। আবেদনকারীর আইনজীবী সর্বোচ্চ আদালতকে জানান, “প্রতারণামূলক ও জোরপূর্বক ধর্মান্তর” দেশের ঐক্য ও নিরাপত্তার জন্য বিপজ্জনক। আবেদনে যুক্তি দেওয়া হয়েছে, যখন বলপ্রয়োগ বা প্রলোভন ব্যবহার করে সুসংগঠিত নেটওয়ার্কের মাধ্যমে ধর্মান্তরণ চালানো হয়, তখন তা ভারতের জনসংখ্যার ভারসাম্য পরিবর্তনে একটি “পরিকল্পিত ষড়যন্ত্র” হিসেবে গণ্য হয়। বেশ কিছু বিদেশি সংস্থা অর্থ জুগিয়ে করে এদের সাহায্য করছে। আবেদনে বলা হয়েছে, এই ধরনের কার্যকলাপ দেশের অখণ্ডতাকে বিপন্ন করে। ফলে সন্ত্রাসবাদ সংক্রান্ত আইনের আওতায় এর বিচার হওয়া উচিত।

    সংবিধান ও ধর্মীয় স্বাধীনতার প্রসঙ্গ

    আবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে— এই ধরনের সংগঠিত ধর্মান্তরকে ভারতীয় ন্যায় সংহিতা (BNS), ২০২৩-এর ধারা ১১৩-এর আওতায় আনতে হবে। আবেদনে ভারতের সংবিধানের ২৫ অনুচ্ছেদের কথাও তুলে ধরা হয়েছে, যেখানে ধর্ম পালনের স্বাধীনতা দেওয়া হলেও তার সীমাবদ্ধতার কথাও বলা হয়েছে। ধর্মীয় স্বাধীনতা মানে এই নয় যে কেউ ইচ্ছামতো কিছু করতে পারবেন। কখনই প্রতারণা, জোরজবরদস্তি বা প্রলোভনের মাধ্যমে ধর্মান্তর সংবিধানসম্মত নয়। জোরপূর্বক ধর্মান্তর মামলার জন্য বিশেষ আদালত গঠনের কথা বলা হয়েছে। দোষীদের জন্য ধারাবাহিক (consecutive) শাস্তির বিধান দিতে হবে। এই ধরনের ঘটনা যাতে পুনরায় না ঘটে তার জন্য কেন্দ্র ও রাজ্যকে কঠোর আইন প্রণয়নের নির্দেশ দিতে হবে।

    মেয়েদের প্রলুব্ধ করার চেষ্টা

    যৌন নির্যাতন, মানসিক হেনস্তা এবং ধর্মান্তরণের অভিযোগ রয়েছে আইটি জায়েন্ট টিসিএস-এর নাসিক কেন্দ্রের বেশ কিছু কর্মীর বিরুদ্ধে। এই অভিযোগ এনেছেন টিসিএসের কমপক্ষে ন’জন মহিলা কর্মী। একজন পুরুষ কর্মীও মানসিক নির্যাতন ও ধর্মান্তরের চেষ্টার অভিযোগ করেছেন। এই বিষয়ে মহারাষ্ট্রের মন্ত্রী ও বিজেপি নেতা গিরিশ মহাজনের দাবি, “কোম্পানির চার-পাঁচজন মুসলিম কর্মী এবং কিছু কর্মকর্তা চাকরি, ভালো বেতনের প্রতিশ্রুতি দিয়ে মেয়েদের প্রলুব্ধ করেছিল।” তিনি আরও দাবি করেন, মহিলাদের “নমাজ পড়তে ও রোজা রাখতে বাধ্য করা হয়েছিল।” গোট ঘটনায় মুখ পুড়েছে ভারত বিখ্যাত তথ্য-প্রযুক্তি সংস্থার। ইতিমধ্যে বিশেষ তদন্তকারী দল গঠন করে তদন্তে নেমেছে নাসিক পুলিশ।

    দলবদ্ধভাবে কাজ, জানাল নাসিক পুলিশ

    এই ঘটনায় এখনও পর্যন্ত পুলিশ মোট ৯টি এফআইআর দায়ের করেছে। সাতজন পুরুষ ও একজন মহিলা সহ মোট আটজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। যদিও আরও এক মহিলা অভিযুক্ত পলাতক রয়েছে। গ্রেফতার হওয়া পুরুষ অভিযুক্তদের নাম হল দানিশ শেখ, তৌসিফ আত্তার, রাজা মেমন, শাহরুখ কুরেশি, শফি শেখ, আসিফ আফতাব আনসার এবং শাহরুখ শেখ। তাঁদের জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করছে তদন্তকারী দল। তাঁরা কীভাবে কাজ করত, সেটা জানার চেষ্টা চলছে। নাসিক পুলিশের কমিশনার সন্দীপ কারনিক জানিয়েছেন, প্রাথমিকভাবে তদন্তে জানা গিয়েছে যে সাতজন পুরুষ এই টিসিএস-এর বিপিও-তে একটি সংগঠিত দলের মতো কাজ করত। তারা মহিলা কর্মীদের টার্গেট করত। তাঁর কথায়, ‘এই সাতজন পুরুষ কর্মী অধিকাংশ মামলায় সহ-অভিযুক্ত, যা থেকে বোঝা যায় তারা দলবদ্ধভাবে কাজ করত।’এই পুরো কারবারের মাথা হিসেবে উঠে এসেছে নিদা খানের নাম। অভিযোগ, নিদা খান নামে ওই এইচ আর ম্যানেজার নতুন জয়েনি মেয়েদের প্রথমে হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে অ্যাড করতেন। তারপর তাদের সঙ্গে বন্ধুত্ব বাড়িয়ে ধর্মীয় আলোচনায় টেনে আনতেন। এরপর তাঁদের ধর্মান্তরণে প্ররোচনা দিতেন। ৮ থেকে ২৫ বছর বয়সী টিসিএস-এর একাধিক মহিলা কর্মী যৌন হেনস্থা ও ধর্মান্তরণের অভিযোগে এফআইআর করেছেন।

  • TCS Nashik Controversy: “সন্তান চাইলে স্ত্রীকে পাঠাও”! টিসিএস নাসিক কাণ্ডে চাঞ্চল্যকর অভিযোগ কর্মীর, বন্ধ হল বিপিও ইউনিট

    TCS Nashik Controversy: “সন্তান চাইলে স্ত্রীকে পাঠাও”! টিসিএস নাসিক কাণ্ডে চাঞ্চল্যকর অভিযোগ কর্মীর, বন্ধ হল বিপিও ইউনিট

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: টাটা কনসালটেন্সি সার্ভিসেস (Tata Consultancy Services) বা টিসিএস-এর নাসিকের বিপিও ইউনিটে যৌন হেনস্থা এবং জোর করে ধর্মান্তকরণের অভিযোগ ঘিরে দেশজুড়ে শোরগোল। একাধিক মহিলা কর্মীর অভিযোগের পর এবার এক পুরুষ কর্মীও সামনে এসে ভয়াবহ অভিজ্ঞতার কথা জানিয়েছেন। ওই কর্মী অভিযোগ করেন, তাঁর সহকর্মীরা তাঁকে জোর করে নামাজ পড়তে বাধ্য করতেন, কালমা পাঠ করাতেন এবং মাথায় ফেজ টুপি পরতে বাধ্য করতেন। তিনি আরও দাবি করেন, এক অভিযুক্ত তাঁকে কুরুচিকরভাবে বলেন— “সন্তান চাইলে স্ত্রীকে পাঠাও।” অভিনব কায়দায় মহারাষ্ট্রের নাসিকে টিসিএস-এর মধ্যে এই ধর্মান্তর চক্রের হদিশ পায় পুলিশ।

    অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ

    ওই কর্মীর অভিযোগ, ২০২২ সালে চাকরিতে যোগ দেওয়ার পর থেকেই তাঁর উপর মানসিক ও ধর্মীয় চাপ তৈরি করা হয়। টিম লিডার তৌসিফ আখতার ও সহকর্মী দানিশ শেখ তাঁর উপর অতিরিক্ত কাজ চাপিয়ে দিতেন এবং ধর্মীয় আচরণে বাধ্য করতেন বলে অভিযোগ। উল্লেখ্য, এর আগে ২৩ বছর বয়সি এক মহিলা কর্মীর অভিযোগের ভিত্তিতে দায়ের হওয়া এফআইআরে দানিশ শেখের বিরুদ্ধে জোর করে চুম্বনের চেষ্টা ও বিয়ের চাপ দেওয়ার অভিযোগ ওঠে। এছাড়া অন্যান্য অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত ও ধর্মান্তরের চেষ্টা করার অভিযোগও রয়েছে।

    গোপনে তদন্তে মহিলা পুলিশ

    ঘটনার তদন্তে পুলিশ আন্ডারকভার মহিলা অফিসার মোতায়েন করে। টিসিএসের এই অফিসে ছদ্মবেশে মহিলা কন্সটেবলদের ঢুকিয়ে দেওয়া হয়। গোপন অপারেশন চালানো হয়। তদন্তকারী সংস্থাগুলোর মতে, এটি নিছক হয়রানির ঘটনা নয়, বরং একটি পরিকল্পিত ষড়যন্ত্র। এর সঙ্গে আন্তর্জাতিক যোগসূত্র বেরিয়ে এসেছে। যে কারণে বিষয়টি আরও সংবেদনশীল হয়ে উঠেছে।

    ঘটনার সূত্রপাত

    পুরো ঘটনাটির সূত্রপাত হয় ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে। একজন রাজনৈতিক কর্মী নাসিক পুলিশের কাছে একটি অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযোগে দাবি করা হয়, কোম্পানিতে কর্মরত এক হিন্দু মহিলা রমজান মাসে রোজা রাখছিলেন। এই তথ্যের ভিত্তিতে পুলিশের সন্দেহ হয়। তারা একটি গোপন অভিযান শুরু করে। এই অভিযানটি ধীরে ধীরে একটি বিস্ফোরক রহস্য উন্মোচন করে। পুলিশ সাফাইকর্মীর ছদ্মবেশে মহিলা কনস্টেবলদের কোম্পানির ভিতরে ঢুকিয়ে দেয়। এরা ক্যাম্পাসের কার্যকলাপ পর্যবেক্ষণ করেন। গুরুত্বপূর্ণ প্রমাণ সংগ্রহ করেন, যা থেকে ইঙ্গিত পাওয়া যায় যে কিছু টিম লিডার তাদের পদের অপব্যবহার করছিলেন। তদন্তে জানা যায়, কর্মীদের টার্গেট করা হচ্ছিল। তাদের মানসিক ও শারীরিক হয়রানির শিকার হতে হচ্ছিল।

    ধর্মীয় পরিচয় নিয়ে বিদ্রূপের অভিযোগ

    অভিযোগকারী পুরুষ কর্মী জানান, তিনি হিন্দু ধর্মাবলম্বী এবং নিয়মিত রুদ্রাক্ষ মালা পরেন। এই কারণেই তাঁকে বারবার বিদ্রূপ করা হত। হিন্দু দেবদেবী সম্পর্কে কটূক্তি করা হতো বলেও অভিযোগ। তিনি আরও দাবি করেন, একাধিকবার তাঁকে হোটেলে নিয়ে গিয়ে জোর করে আমিষ খাওয়ানোর চেষ্টা করা হয়। তিনি নিরামিষভোজী হওয়ায় আপত্তি জানালে তাঁকে অপমান করা হয়। ২০২৩ সালের ইদের দিনে তাঁকে এক সহকর্মীর বাড়িতে নিয়ে গিয়ে জোর করে টুপি পরিয়ে নামাজ পড়ানো হয় এবং সেই ছবি অফিসের গ্রুপে ছড়িয়ে দেওয়া হয় বলে অভিযোগ। অভিযোগকারী বলেন, তাঁর নিঃসন্তান জীবন নিয়ে তাঁকে নিয়মিত অপমান করা হত। স্ত্রীকে নিয়ে অশ্লীল মন্তব্য করা হতো, যা মানসিকভাবে তাঁকে ভেঙে দেয়। তিনি আরও অভিযোগ করেন, প্রতিবাদ করলে তাঁকে মারার হুমকি দেওয়া হয়। অফিসে তাঁর বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ করে চাকরি থেকে সরানোর চেষ্টা করা হয়। এমনকি তাঁর অসুস্থ বাবাকে নিয়েও ধর্মান্তরের প্রলোভন দেওয়া হয়েছিল বলে দাবি।

    বিদেশি সংযোগ

    তদন্ত চলাকালীন হোয়াটসঅ্যাপ চ্যাট থেকে মালয়েশিয়ায় সন্দেহভাজন ধর্মপ্রচারক ইরমানের নামও প্রকাশ্যে এসেছে। অভিযোগ ওঠে, ভিডিও কলের মাধ্যমে ভুক্তভোগীদের তার সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দেওয়া হয়। এর থেকেই বোঝা যায়, মামলাটি শুধু স্থানীয় নয়, বরং একটি আন্তর্জাতিক নেটওয়ার্কের সঙ্গে যুক্ত। তদন্তকারী সংস্থাগুলো এখন এই বিদেশি সংযোগও খতিয়ে দেখছে। বিশেষ তদন্তকারী দল (এসআইটি) অনুসারে, এখন পর্যন্ত অন্তত ১২ জন ভুক্তভোগীকে শনাক্ত করা হয়েছে। প্রাথমিকভাবে এই সংখ্যা ছিল ৯, কিন্তু তদন্ত এগোনোর সঙ্গে সঙ্গে আরও অনেকে এগিয়ে এসেছেন। এখনও পর্যন্ত আটজন মহিলা কর্মী ও একজন পুরুষ কর্মী মোট নয়টি এফআইআর দায়ের করেছেন। এই সমস্ত অভিযোগে যৌন হয়রানি, ধর্ষণ এবং ধর্মীয় জবরদস্তির মতো গুরুতর অভিযোগ রয়েছে। ভুক্তভোগীদের বয়স আনুমানিক ১৮ থেকে ২৫ বছরের মধ্যে। এই ঘটনাগুলো ২০২২ থেকে ২০২৬ সাল পর্যন্ত চলেছিল। এর থেকেই স্পষ্ট যে, এটি কোনও বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়, বরং এক দীর্ঘস্থায়ী ধারা ছিল।

    এফআইআর-এ কী বলা হয়েছে

    প্রথম এফআইআর-এ দানিশ শেখ, তৌসিফ আত্তার এবং নিদা খানের বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ আনা হয়েছে। তাদের অভিযোগ, তারা হিন্দু দেব-দেবী সম্পর্কে অবমাননাকর মন্তব্য করেছেন এবং বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে এক মহিলার সঙ্গে যৌন সম্পর্কে লিপ্ত হন। দ্বিতীয় এফআইআর-এ রাজা মেমন এবং শাহরুখ কুরেশির বিরুদ্ধে অশালীন আচরণ ও মানসিক হয়রানির অভিযোগ আনা হয়েছে। তৃতীয় ও চতুর্থ এফআইআর-এও একই ধরনের অভিযোগ আনা হয়েছে। শাফি শেখ ও তৌসিফ আখতারের বিরুদ্ধে মহিলা কর্মীদের পিছু নেওয়া, অশ্লীল অঙ্গভঙ্গি করা এবং তাদের ব্যক্তিগত জীবনে হস্তক্ষেপ করার অভিযোগ আনা হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত করার অভিযোগও রয়েছে, যা বিষয়টিকে আরও গুরুতর করে তুলেছে। পঞ্চম এফআইআর-এ অভিযোগ করা হয়েছে, কর্মীদের নামাজ পড়তে ও মাংস খেতে চাপ দেওয়া হয়েছিল। ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করতেও বাধ্য করা হয়েছিল।

    এফআইআর-এ কাদের নাম

    ষষ্ঠ ও সপ্তম এফআইআর-এও অভিযুক্তদের দ্বারা হয়রানি, পিছু ধাওয়া এবং অশ্লীল মন্তব্যের অভিযোগ আনা হয়েছে। এই মামলাগুলো স্পষ্টভাবে ইঙ্গিত দেয় একাধিক ব্যক্তি এই নেটওয়ার্কটি পরিচালনা করছিল। অষ্টম ও নবম এফআইআর-এও ক্রমাগত হয়রানি, বিয়ের জন্য চাপ এবং মানসিক চাপের অভিযোগ আনা হয়েছে। ভুক্তভোগীরা বলেন, অভিযুক্তরা তাদের ওপর সার্বক্ষণিক নজরদারি চালাত এবং ভয়ের পরিবেশ তৈরি করত। এতে অনেক কর্মচারী মানসিকভাবে ভেঙে পড়েন। এই মামলায় এখনও পর্যন্ত অভিযুক্ত হিসেবে যাদের নাম উঠে এসেছে তারা হলেন দানিশ শেখ, তৌসিফ আত্তার, শফি শেখ, রাজা মেমন, শাহরুখ কুরেশি, আসিফ আনসারি, অশ্বিনী চেইনানি এবং নিদা খান। পুলিশ অশ্বিনী চেইনানিকে আটক করেছে, তবে নিদা খান এখনও পলাতক। তাকে খুঁজে বের করার জন্য অভিযান চলছে।

    সাময়িক বন্ধ টিসিএস নাসিকের বিপিও ইউনিট

    তদন্তকারী সংস্থাগুলি বর্তমানে এই মামলায় বিদেশি অর্থ দেওয়া, ব্যাঙ্কে লেনদেন, কল রেকর্ড এবং ডিজিটাল প্রমাণের ওপর পুঙ্খানুপুঙ্খ তদন্ত চালাচ্ছে। কর্মক্ষেত্রে এই ধরনের হয়রানি বা জবরদস্তির কোনও স্থান নেই, বলে জানিয়েছে টিসিএস কর্তৃপক্ষ। এই ঘটনা সামনে আসার পর টিসিএস নাসিকের বিপিও ইউনিট সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। কর্মীদের ওয়ার্ক-ফ্রম-হোমে পাঠানো হয়েছে।

  • Hindus Under Attack: হিন্দু ও হিন্দু ধর্মের ওপর আক্রমণ চলছেই, দেখে নেওয়া যাক এই সপ্তাহের ছবিটা

    Hindus Under Attack: হিন্দু ও হিন্দু ধর্মের ওপর আক্রমণ চলছেই, দেখে নেওয়া যাক এই সপ্তাহের ছবিটা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হিন্দু এবং হিন্দু ধর্মের ওপর আক্রমণ (Hindus Under Attack) অব্যাহত। বিশ্বের অনেক অঞ্চলে এই নির্যাতন এমন এক রূপ নিচ্ছে, যা ধীরে ধীরে সংঘটিত হওয়া গণহত্যার মতো মনে (Roundup Week) হচ্ছে। বহু দশক ধরে বিশ্ব এই আক্রমণগুলির প্রকৃত গভীরতা ও ব্যাপ্তি উপেক্ষা করে এসেছে, যা আদতে উদ্বেগজনক হিন্দু-বিরোধী পক্ষপাতিত্বের ফল (Roundup Week)। খুন, জোরপূর্বক ধর্মান্তর, জমিদখল, উৎসবে-অনুষ্ঠানে হামলা, মন্দির-মূর্তি ভাঙচুর, ঘৃণামূলক বক্তব্য, যৌন হিংসা থেকে শুরু করে প্রাতিষ্ঠানিক এবং আইনি বৈষম্য—সব মিলিয়ে হিন্দুরা আজ বিপন্ন।

    সাপ্তাহিক ছবি (Hindus Under Attack)

    এক নজরে দেখে নেওয়া যাক, গত ২২ মার্চ থেকে ২৮ মার্চ, ২০২৬ পর্যন্ত সময়ের ছবিটা। বিশ্বজুড়ে মানুষ যাতে এই মানবাধিকার সঙ্কট সম্পর্কে সচেতন হন, তাই এহেন তথ্য প্রকাশ। দেখে নেওয়া যাক ভারতের ছবিটাই। রামনবমী উদযাপনের আগে পশ্চিমবঙ্গের নন্দীগ্রামে উদ্ধার হয় নির্মীয়মান রামের একটি মূর্তি। ২২ মার্চ সকালে মাথা কাটা অবস্থায় মেলে প্রতিমাটি। মূর্তির মাথা কেটে নিয়ে যাওয়ায় স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে ক্ষোভ ও উদ্বেগ ছড়িয়ে পড়েছে। এই অঞ্চলে ধর্মীয় সম্প্রীতি নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে। ঘটনাটি নন্দীগ্রাম ব্লক ২-এর ভেটুরিয়া বাসস্ট্যান্ডের, যেখানে মৃৎশিল্পীরা মূর্তি তৈরি করছিলেন (Hindus Under Attack)।

    ভাঙা হল রামের মূর্তি

    তামিলনাড়ুর তিরুনেলভেলিতে ডিএমকে-নেতৃত্বাধীন সরকারের রাজত্বে রাজস্ব দফতরের আধিকারিকদের দ্বারা নির্মিত বিনায়গর মন্দির ভেঙে ফেলেছে দুষ্কৃতীরা। এই ঘটনায় রাজ্যের হিন্দু ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানগুলির প্রতি বিমাতৃসুলভ আচরণ নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। ঘটনার প্রতিবাদে রাস্তায় বিক্ষোভ, সোশ্যাল মিডিয়ায় ক্ষোভ এবং রাজনৈতিক প্রতিক্রিয়া দেখা গিয়েছে। কর্তারা একে অবৈধ দখল উচ্ছেদ অভিযানের তকমা দিলেও, স্থানীয় বাসিন্দা ও ভক্তদের দাবি—মন্দিরটি বহু পুরানো। মন্দিরে নিয়মিত পুজো-পাঠ, ও উৎসব অনুষ্ঠিত হতো (Roundup Week)।উত্তরপ্রদেশের গাজিয়াবাদে পাক মদতপুষ্ট একটি গুপ্তচর চক্রের হদিশ মিলেছে। এরা হিন্দু পরিচয়, ধর্মীয় প্রতীক এবং তথাকথিত “লাভ জেহাদ” কৌশল প্রয়োগ করে কাজ চালাত। এই ঘটনায় তদন্ত শুরু করেছে একাধিক সংস্থা।

    বিদেশি নাগরিকের কীর্তি

    বেঙ্গালুরুর ফরেনার্স রিজিওনাল রেজিস্ট্রেশন অফিসে (FRRO) একটি অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। বিদেশি নাগরিক পাস্টর শন ফয়েখটের বিরুদ্ধে ভিসা শর্ত লঙ্ঘনের অভিযোগ ওঠায় দায়ের হয়েছে মামলা। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, তিনি পর্যটক ভিসায় ভারতে প্রবেশ করলেও, ধর্মীয় প্রচার ও ধর্মান্তর কার্যকলাপে সক্রিয়ভাবে যুক্ত ছিলেন, যা পর্যটক ভিসাধারীদের জন্য নিষিদ্ধ। এটি ভিসা নিয়মের প্রতি অবহেলার ইঙ্গিত (Hindus Under Attack)। মুম্বইয়ের ধারাভির গোপীনাথ কলোনিতে একটি পাবলিক টয়লেটের কাছে (Roundup Week) অশ্বিন নাদারকে আশিক আসিম আখতার খান খুন করে। প্রত্যক্ষদর্শীরা বাধা দেওয়ার চেষ্টা করলেও, অভিযুক্ত বারবার নির্মমভাবে আঘাত করতে থাকে। আশঙ্কাজনক অবস্থায় নাদারকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানেই মৃত্যু হয় তাঁর। ঘটনার দিনই নাদারের মা স্থানীয় থানায় এফআইআর দায়ের করেন।

    লাভ জেহাদ

    উত্তরপ্রদেশের বদাউন জেলার এক হিন্দু তরুণীর অভিযোগ, তাকে “লাভ জিহাদে”র ফাঁদে ফেলা হয়েছিল। তার দাবি, অভিযুক্ত ব্যক্তি তাকে ব্ল্যাকমেল করেছে, ধর্মান্তরিত হওয়ার জন্য চাপ দিয়েছে এবং স্বীকার করেছে যে হিন্দু মেয়েদের টার্গেট করার জন্য তাকে ৫ লাখ টাকা পর্যন্ত দেওয়া হয়। অভিযোগ, অভিযুক্ত আরশাদ প্রথমে প্রেমের সম্পর্কের ভান করে হিন্দু তরুণীদের বিশ্বাস অর্জন করত। পরে ব্যক্তিগত তথ্য ব্যবহার করে তাকে হুমকি দিত (Hindus Under Attack)। নেলামাঙ্গালার সিদ্ধার্থ মেডিক্যাল কলেজে এক ইসলামপন্থী অধ্যাপক মোহাম্মদ আবদুল্লার বিরুদ্ধে শ্রেণিকক্ষে এক ছাত্রীর প্রতি অশ্লীল আচরণ করার অভিযোগ উঠেছে। এই ঘটনায় পড়ুয়াদের মধ্যে ব্যাপক ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে, উত্তেজনা ছড়িয়েছে ক্যাম্পাসে (Roundup Week)।

    হিন্দু-বিরোধী মনোভাব

    প্রসঙ্গত, অধিকাংশ ঘৃণাজনিত অপরাধ কিছু ধর্মীয় শিক্ষা ও রাজনৈতিক মতাদর্শে নিহিত হিন্দু-বিরোধী মনোভাব দ্বারা প্রভাবিত। ইসলামিক দেশগুলিতে এই বিদ্বেষ স্পষ্ট হলেও, ভারতের মতো তথাকথিত ধর্মনিরপেক্ষ রাষ্ট্রগুলির প্রতিষ্ঠান ও জনপরিসরে আরও সূক্ষ্ম এক ধরনের হিন্দু-বিরোধী মনোভাব দেখা যায়, যা হিন্দুফোবিয়া ও ঘৃণাজনিত অপরাধের পরিবেশ তৈরি করে (Hindus Under Attack)। এই সূক্ষ্ম, দৈনন্দিন বৈষম্য সহজে চোখে পড়ে না, যদি না আইন ও সামাজিক প্রবণতাগুলি গভীরভাবে বিশ্লেষণ করা হয়। উদাহরণ হিসেবে দীপাবলিতে আতশবাজির ওপর ধীরে ধীরে নিষেধাজ্ঞা জারি, আপাতভাবে দূষণ-সংক্রান্ত মনে হলেও, বৃহত্তর প্রেক্ষাপটে হিন্দু উৎসবগুলির ওপর বিধিনিষেধ এবং যুক্তির অভাব লক্ষ্য করলে দ্বৈত মানদণ্ড জলের মতো স্পষ্ট হয়ে যায়।

     

  • US Evangelist Sean Feucht: ভারতে নিপীড়নের শিকার হয়েছেন, দাবি মার্কিন খ্রিস্টান ধর্মপ্রচারকের

    US Evangelist Sean Feucht: ভারতে নিপীড়নের শিকার হয়েছেন, দাবি মার্কিন খ্রিস্টান ধর্মপ্রচারকের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতে তিনি নিপীড়নের শিকার হয়েছেন। তাই ভারত (India) থেকে তিনি তড়িঘড়ি চলে যেতে বাধ্য হন। অন্তত, এমনই দাবি করেছেন মার্কিন খ্রিস্টান ধর্মপ্রচারক শন ফয়েখ্ট (US Evangelist Sean Feucht)। তাঁর অভিযোগ, ভারতে তাঁর কার্যকলাপ নজরদারির আওতায় ছিল এবং ধর্মীয় রূপান্তর সংক্রান্ত ভিসা নিয়ম লঙ্ঘনের অভিযোগও ওঠে। ফয়েখ্ট সম্প্রতি তাঁর স্ত্রীকে নিয়ে ভারতে এসেছিলেন অন্ধ্রপ্রদেশের অনন্তপুর জেলায় “জায়ন সেন্টার” নামে একটি প্রতিষ্ঠানের উদ্বোধনে অংশ নিতে। অনুষ্ঠানটির ছবি ও পোস্ট অনলাইনে ছড়িয়ে পড়ার পর তাঁর কার্যকলাপ নিয়ে প্রশ্ন ওঠে। এই কেন্দ্রটি একটি সামাজিক ও ধর্মীয় মিলনস্থল হিসেবে পরিচিত। এখানে বড় আকারে প্রার্থনা ও ধর্মপ্রচারমূলক কার্যকলাপ চলছিল বলে খবর।

    পর্যটক ভিসায় ভারতে এসে খ্রিস্টান ধর্ম প্রচার (US Evangelist Sean Feucht)

    বেঙ্গালুরুর ফরেনার্স রিজিওনাল রেজিস্ট্রেশন অফিসে (FRRO) দায়ের করা অভিযোগ অনুযায়ী, ফয়েখ্ট পর্যটক ভিসায় ভারতে এসেছিলেন। যদিও তিনি প্রচার, ধর্মীয় বক্তব্য দান এবং ধর্মান্তর কার্যকলাপে যুক্ত ছিলেন। ভারতীয় ভিসা নিয়ম অনুযায়ী, পর্যটক ভিসায় বিদেশি নাগরিকদের ধর্মান্তর, উপদেশ প্রদান বা মিশনারি কার্যকলাপ চালানোর অনুমতি নেই। কর্তৃপক্ষ এখনও নিশ্চিত করেননি যে, তিনি কোন ধরনের ভিসায় ভারতে এসেছিলেন। আইনজ্ঞরা জানান, মিশনারি ভিসায়ও বিভিন্ন সীমাবদ্ধতা থাকে এবং সংগঠিত ধর্মান্তর অভিযান বা প্রচার কার্যকলাপের অনুমতি দেওয়া হয় না।

    মার্কিন ধর্মপ্রচারকের দাবি

    বিতর্ক বাড়তে থাকায় ফয়েখ্ট দ্রুত ভারত ছেড়ে চলে যান। তবে যাওয়ার আগে সামাজিক মাধ্যমে তিনি নিজেকে নিপীড়নের শিকার হিসেবে তুলে ধরেন। কয়েকদিন পরেও তিনি সেই একই দাবি জানান। স্ক্রিনশট শেয়ার করে তিনি দাবি করেন, ভারতে খ্রিস্টানরা নিরাপদ নন। সোশ্যাল মিডিয়ায় একাধিক পোস্টে তিনি বলেন, ভারতে খ্রিস্টানদের (US Evangelist Sean Feucht) ওপর ‘নিপীড়ন’ চলছে। এক পোস্টে তিনি দাবি করেন, কঠোর ধর্মান্তরবিরোধী আইন কঠিন শাস্তির কারণ হতে পারে, যার মধ্যে দীর্ঘ কারাদণ্ডও রয়েছে। তিনি আরও জানান, আমেরিকার সরকার ভারতকে নিয়ে খুব সন্তুষ্ট নয়। তাঁর ইঙ্গিত, মার্কিন আইনপ্রণেতারা তাঁর সঙ্গে এই বিষয়ে যোগাযোগ করেছেন। অবশ্য এই ধরনের কূটনৈতিক যোগাযোগের কোনও সরকারি নিশ্চিতকরণ নেই। অনলাইনে শেয়ার করা কিছু স্ক্রিনশটে দেখা গিয়েছে, তিনি ভারতে অবস্থানরত ‘পাস্টরদের’ মতামত তুলে ধরে দাবি করেন, খ্রিস্টানরা স্বাধীনভাবে ধর্ম পালন করতে গিয়ে বাধার সম্মুখীন হচ্ছেন। প্রকাশ্যে শেয়ার করা ব্যক্তিগত বার্তায় তিনি পরিস্থিতিকে “ব্যাপক নিপীড়ন” বলে বর্ণনা করেছেন এবং জনগণের সমর্থন চেয়েছেন।

    ভারতীয় আইন

    প্রসঙ্গত, ভারতীয় আইন স্বেচ্ছায় ধর্মান্তর নিষিদ্ধ করে না, তবে জোরপূর্বক, প্রতারণা বা প্রলোভনের মাধ্যমে ধর্মান্তরকে নিয়ন্ত্রণ করে। বেশ কয়েকটি রাজ্যে ধর্মান্তরবিরোধী আইন রয়েছে, যেখানে “গণধর্মান্তর” বা দুর্বল জনগোষ্ঠীকে সন্দেহজনক পরিস্থিতিতে ধর্মান্তরের জন্য শাস্তির বিধান রয়েছে। পর্যবেক্ষকদের একাংশের মতে, ফয়েখ্ট “নিপীড়ন” হিসেবে ঘটনাকে তুলে ধরার মাধ্যমে ভিসা নিয়ম লঙ্ঘনের অভিযোগ থেকে দৃষ্টি সরানোর চেষ্টা করছেন এবং আন্তর্জাতিক চাপ তৈরি করতে চাইছেন। তাঁদের মতে, এই ধরনের বর্ণনা প্রশাসনিক নিয়ম প্রয়োগকে মানবাধিকার ইস্যু হিসেবে তুলে ধরে, যার (India) ফলে নজরদারি ছাড়াই মিশনারি কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার সুযোগ তৈরি হতে পারে (US Evangelist Sean Feucht)।

     

  • Religious Conversion: ‘তফশিলি জাতির সুবিধা সীমিত শুধু হিন্দু, শিখ ও বৌদ্ধদের জন্যই’, ঐতিহাসিক রায় সুপ্রিম কোর্টের

    Religious Conversion: ‘তফশিলি জাতির সুবিধা সীমিত শুধু হিন্দু, শিখ ও বৌদ্ধদের জন্যই’, ঐতিহাসিক রায় সুপ্রিম কোর্টের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “কেউ যদি খ্রিস্টধর্ম গ্রহণ করে এবং তা পালন করে, তাহলে সে আর তফশিলি জাতির মর্যাদা দাবি করতে পারে না।” মঙ্গলবার একটি রায়ে অন্ধ্রপ্রদেশ হাইকোর্টের সিদ্ধান্ত বহাল রেখে সাফ (Religious Conversion) জানিয়ে দিল সুপ্রিম কোর্ট (Supreme Court)। শীর্ষ আদালত উল্লেখ করেছে, তফশিলি জাতির পরিচয় শুধুমাত্র সেইসব ব্যক্তির ক্ষেত্রেই প্রযোজ্য, যারা সংবিধানের ১৯৫০ সালের (SC) নির্দেশ অনুযায়ী হিন্দু, শিখ বা বৌদ্ধ ধর্ম অনুসরণ করেন। বেঞ্চের পর্যবেক্ষণ, ১৯৫০ সালের এই আদেশে কোনও ধরনের অস্পষ্টতার সুযোগ নেই।

    তফশিলি জাতির মর্যাদা বাতিল (Religious Conversion)

    আদালত এও জানিয়েছে, ধারা ৩-এ অন্তর্ভুক্ত নয় এমন কোনও ধর্মে ধর্মান্তরিত হলে, ব্যক্তির জন্ম যাই হোক না কেন, তার তফশিলি জাতির মর্যাদা সঙ্গে সঙ্গে এবং সম্পূর্ণভাবে বাতিল হয়ে যায়। বিচারপতিরা বলেন, “এই বিধিনিষেধ চূড়ান্ত এবং অচল।” আদালত জানিয়েছে, “সংবিধান, সংসদ বা রাজ্য বিধানসভা প্রণীত কোনও আইনের অধীনে কোনও সুবিধা, সুরক্ষা, সংরক্ষণ বা অধিকার এমন ব্যক্তিকে দেওয়া যাবে না, যিনি ধারা ৩ অনুযায়ী তফশিলি জাতির সদস্য হিসেবে গণ্য নন। এই নিষেধাজ্ঞা সম্পূর্ণ এবং এর কোনও ব্যতিক্রম নেই। একজন ব্যক্তি একই সঙ্গে ধারা ৩-এ উল্লিখিত ধর্মের বাইরে অন্য ধর্ম পালন করে তফশিলি জাতির সদস্যপদ দাবি করতে পারেন না।”

    খ্রিস্টধর্ম গ্রহণ করেছেন অভিযোগকারী

    এই রায়টি একটি মামলার শুনানির সময় দেওয়া হয়, যেখানে এক ব্যক্তি খ্রিস্টধর্ম গ্রহণ করে একজন পাদ্রি হিসেবে কাজ করছিলেন। ধর্মান্তরের পরেও তিনি তফশিলি জাতি ও তফশিলি জনজাতি (অত্যাচার প্রতিরোধ) আইনের অধীনে অভিযোগ দায়ের করেন, দাবি করেন যে তিনি হামলার শিকার হয়েছেন (Religious Conversion)। এই দাবি চ্যালেঞ্জ করে অভিযুক্ত পক্ষ জানায়, তিনি আর তফশিলি জাতির অন্তর্ভুক্ত নন। তাই ওই আইনের সুরক্ষা পাওয়ার অধিকার তাঁর নেই। সুপ্রিম কোর্ট হাইকোর্টের সঙ্গে সহমত পোষণ করে জানিয়ে দেয়, কোনও ব্যক্তি খ্রিস্টধর্ম গ্রহণ ও চর্চা শুরু করার সঙ্গে সঙ্গেই তাঁর তপশিলি জাতির মর্যাদা স্বয়ংক্রিয়ভাবেই শেষ হয়ে যায় (Supreme Court)।

    এসসি-এসটি আইন

    জানা গিয়েছে, মামলাটি একটি ফৌজদারি আবেদনের মাধ্যমে শুরু হয়, যেখানে এসসি-এসটি আইনের ৩(১)(আর), ৩(১)(এস), ৩(২)(ভিএ) ধারা-সহ ভারতীয় দণ্ডবিধির ৩৪১, ৫০৬ ও ৩২৩ ধারায় অভিযোগ আনা হয়। অভিযোগকারী, যিনি পিট্টালাভানিপালেম গ্রামে রবিবারের প্রার্থনা পরিচালনা করেন, অভিযোগ করেন, তিনি বারবার হামলা, প্রাণনাশের হুমকি এবং তাঁর পরিবারের ওপর আক্রমণের শিকার হয়েছেন। তিনি আরও দাবি করেন, তাঁকে জাতিগত গালিগালাজ করা হয়েছে, যার ভিত্তিতে তিনি মামলা দায়ের করেন (Religious Conversion)। তদন্ত শেষ হয়ে চার্জশিট দাখিল হওয়ার পর, অভিযুক্ত হাইকোর্টে আবেদন করে মামলাটি খারিজ করার দাবি জানান। অভিযুক্তের যুক্তি ছিল, এসসি এবং এসটি আইনের অধীনে এফআইআর দায়ের করা আইনত গ্রহণযোগ্য নয়। কারণ অভিযোগকারী খ্রিস্টধর্ম গ্রহণ করেছেন এবং একজন পাদ্রি হিসেবে কাজ করছেন। তিনি বলেন, “১৯৫০ সালের সংবিধান (শিডিউল কাস্টস) আদেশ স্পষ্টভাবে জানায়, যে ব্যক্তি আর হিন্দুধর্ম অনুসরণ করেন না, তাঁকে তফশিলি জাতির সদস্য হিসেবে গণ্য করা যাবে না (Religious Conversion)।”

  • Calvari Church: প্রতি মাসে ৩ হাজার হিন্দুকে ধর্মান্তকরণ! অন্ধ্রপ্রদেশে ভেঙে দেওয়া হচ্ছে বিতর্কিত গির্জা

    Calvari Church: প্রতি মাসে ৩ হাজার হিন্দুকে ধর্মান্তকরণ! অন্ধ্রপ্রদেশে ভেঙে দেওয়া হচ্ছে বিতর্কিত গির্জা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অন্ধ্রপ্রদেশের (Andhra Pradesh) সংখ্যালঘু উন্নয়ন মন্ত্রকের এক নির্দেশে ভাঙা পড়তে চলেছে ক্যালভারি গির্জা এবং তার প্রাঙ্গণ। এই বিতর্কিত গির্জার বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ রয়েছে। প্রতি মাসে এই গির্জা ৩ হাজারেরও বেশি হিন্দুকে খ্রিস্টান ধর্মে ধর্মান্তরিত করত বলে অভিযোগ। এই গির্জা অন্ধ্রের গুন্টুর জেলার নাম্বুরু গ্রামে অবস্থিত। অভিযোগ, গির্জার (Calvari Church) মধ্যে বেআইনি নানা কার্যকলাপ হত। এর পাশপাশি বেআইনিভাবে একের পর এক কাঠামো সেখানে গড়ে তোলা হয় বলেও অভিযোগ।

    রাজ্যের (Andhra Pradesh) কোনও আইন না মানার অভিযোগ 

    ২০২৪ সালের নভেম্বর মাসে এই গির্জার (Calvari Church) বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ ওঠে, তারা রাজ্যের কোনও নিয়মকানুনই মানে না। পঞ্চায়েত দফতরের আইন, রাজস্ব আইন, শব্দ দূষণ নিয়ন্ত্রণ বোর্ডের যে নির্দেশ তাও তারা মানে না। এরপরই এই গির্জা কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের হতে থাকে। পরবর্তীকালে বিষয়টি প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় পর্যন্ত যায় এবং সেখানে অভিযোগ দায়ের করা হয়। ওই গির্জার (Calvari Church) পাদ্রী ডক্টর সতীশ কুমার কোনওরকমের কর না দিয়ে সাধারণ মানুষের সঙ্গে প্রতারণা করছেন এবং তাঁদেরকে লুট করেছেন।

    পাদ্রীর দাবি, সাড়ে তিন লাখেরও বেশি হিন্দুকে ধর্মান্তরিত করেছে তারা

    এরপরই মাঠে নামে প্রশাসন (Andhra Pradesh) এবং শুরু হয় তদন্ত। দেখা যায়, গির্জাটি (Calvari Church) সত্যিই বেআইনিভাবে পরিচালিত হচ্ছিল এবং নানা রকমের অবৈধ কাজ চলত। শুধু তাই নয়, ব্যাপকভাবে হিন্দুদেরকে খ্রিস্টধর্মে ধর্মান্তরিত করার কাজও শুরু করে ওই গির্জা। ২০২৪ সালের অক্টোবর মাসেই খবর পাওয়া যায় যে পাদ্রী সতীশ কুমারের নেতৃত্বে ক্যালভারি চার্চ প্রতি মাসে অন্ততপক্ষে তিন হাজার হিন্দুকে খৃষ্ট ধর্মে ধর্মান্তরিত করে। প্রসঙ্গত, ওই পাদ্রী নিজেই ঘোষণা করেছিলেন যে, এখনও পর্যন্ত তারা সাড়ে তিন লাখেরও বেশি হিন্দুকে খ্রিস্ট ধর্মে ধর্মান্তরিত করেছে। আগামী ১০ বছরে এইরকমই ভারতজুড়ে চল্লিশটি ক্যালভারি গির্জা (Calvari Church) প্রতিষ্ঠা করার লক্ষ্যমাত্রা নিয়েছে তারা।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Religious Conversion: ফ্যাশন ইনস্টিটিউটের আড়ালে হিন্দু মেয়েদের ধর্মান্তরণ! যোগী-রাজ্যে মামলা দায়ের

    Religious Conversion: ফ্যাশন ইনস্টিটিউটের আড়ালে হিন্দু মেয়েদের ধর্মান্তরণ! যোগী-রাজ্যে মামলা দায়ের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নামেই ফ্যাশন ইনস্টিটিউট, কিন্তু তার আড়ালেই হিন্দু মেয়েদের ধর্মান্তরিত (Religious Conversion) করার জন্য চলছে ব্রেনওয়াশ। সম্প্রতি এই অভিযোগে নাম জড়াল উত্তরপ্রদেশের (Uttar Pradesh) মোরাদাবাদের ল্যাকমে অ্যাকাডেমি নামে এক ফ্যাশন ইনস্টিটিউটের। মূলত ওই ইনস্টিটিউট পরিচালনাকারী রক্ষন্দা খানের (Rakshanda Khan) বিরুদ্ধে এই অভিযোগ উঠেছে। গত ২২ জুলাই দুই হিন্দু ছাত্রী তানিয়া চৌধুরী এবং স্বাতী পাল মিলে জেলা কালেক্টর অনুজ সিংয়ের সঙ্গে দেখা করে ইনস্টিটিউট পরিচালনাকারী রক্ষন্দা খানের বিরুদ্ধে এই অভিযোগ জানিয়েছেন বলে খবর।

    ঠিক কী ঘটেছে? (Religious Conversion)    

    অভিযোগকারীদের অভিযোগ, স্বপ্না ওরফে রক্ষন্দা খান মুসলিম ছেলেদের সঙ্গে বন্ধুত্ব করার জন্য তাদের ওপর রীতিমতো চাপ সৃষ্টি করেছেন। শিক্ষার্থীরা আরও জানিয়েছেন যে, রক্ষন্দা খান বলেছেন, ”মুসলিম ছেলেদের বিয়ে করতে কোনও সমস্যা নেই। আমিও আগে হিন্দু ছিলাম। ১৭ বছর আগে শাহনওয়াজ খান নামে একজন মুসলিম ব্যক্তিকে বিয়ে করি। সেসময় আমি হিন্দু ধর্ম ত্যাগ করে মুসলিম হয়েছিলাম এবং বর্তমানে মুসলিম পরিবারে খুব সুখী।”    

    ফ্যাশন ইনস্টিটিউটের আড়ালে কী চলে? 

    জানা গিয়েছে, উত্তরপ্রদেশের (Uttar Pradesh) কাঁথ রোডে অবস্থিত ল্যাকমে অ্যাকাডেমি নামে ওই ফ্যাশন ইনস্টিটিউটে মূলত মেকআপ, চুল এবং ত্বকের পরিচর্যা শেখান রক্ষন্দা। এর জন্য বিভিন্ন কোর্স রয়েছে তাঁর একাডেমিতে। অ্যাকাডেমির প্রায় সব ছেলেই মুসলিম এবং বেশিরভাগ মেয়েই হিন্দু। অভিযোগ রক্ষন্দা খান প্রধানত মুসলিম ছেলে এবং হিন্দু মহিলাদেরই কর্মী হিসাবে নিয়োগ করতেন। এরপর রক্ষন্দা হিন্দু মেয়েদের এই মুসলিম ছেলেদের সাথে বন্ধুত্ব করতে উৎসাহিত করতেন, যাতে মুসলিম ছেলেদের সঙ্গে সম্পর্কে জড়িয়ে হিন্দু মেয়েরা বিয়ের পর হিন্দু ধর্ম ত্যাগ করে মুসলিম ধর্ম গ্রহণ (Religious Conversion) করে।  

    কী জানিয়েছে অভিযোগকারীরা?  

    এ প্রসঙ্গে, তানিয়া চৌধুরীর অভিযোগ, ”ভর্তির সময় আমাদের বলা হয়েছিল যে অ্যাকাডেমিতে মাংস ও মাছ সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ, কিন্তু মুসলিম ছেলেরা প্রতিদিন এখানে মাংস ও মাছ নিয়ে আসে এবং সবার সামনে খায়।” অন্যদিকে স্বাতী পাল বলেন, ”অভিযুক্ত রক্ষন্দা খান হিন্দু ধর্মের অপব্যবহার করেন (Religious Conversion) এবং যে হিন্দু মেয়েরা তাঁকে মানে না তাদের সঙ্গে দুর্ব্যবহার করেন। এমনকি রক্ষন্দা হিন্দু মেয়েদের টিপ, টিকা, কপালে সিঁদুর এবং গলায় মঙ্গলসূত্র পরতে বাধা দিতেন। কোনও বিবাহিত মেয়ে মঙ্গলসূত্র ও সিঁদুর পরে এলে তাকে ইনস্টিটিউটে ঢুকতে দিতেন না। কিন্তু, মুসলিম ছাত্র ও মুসলিম প্রশিক্ষকদের অ্যাকাডেমিতেই নামাজ পড়ার স্বাধীনতা রয়েছে।”    

    আরও পড়ুন: কোটা বিরোধী ছাত্র আন্দোলনে মৃতের সংখ্যা ছাড়াল ২০০-র গণ্ডি! কেমন আছে বাংলাদেশ?

    এরপর অভিযোগকারীদের অভিযোগের ভিত্তিতে, মোরাদাবাদ পুলিশ রক্ষন্দা খানের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের (Religious Conversion) করে গোটা ঘটনার তদন্তে নেমেছে। অন্যদিকে এই ঘটনার পরেই হিন্দু কর্মীরা রক্ষন্দা খানের কুশপুতুল পুড়িয়ে অ্যাকাডেমির বাইরে হনুমান চালিসা পাঠ করেন এবং অভিযুক্ত রক্ষন্দা খানের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার পাশাপাশি তাঁর প্রতিষ্ঠানটি সিল করার দাবি জানান। এছাড়াও, তাঁরা দাবি করেন যে, শিক্ষার্থীরা যেন তাদের ফি ফেরত পায়, তা নিশ্চিত করতে হবে পুলিশকে।

       

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Religious Conversion: ফের ধর্মান্তকরণের অভিযোগ উঠল যোগী রাজ্য উত্তর প্রদেশে

    Religious Conversion: ফের ধর্মান্তকরণের অভিযোগ উঠল যোগী রাজ্য উত্তর প্রদেশে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের ৪০০ জনেরও বেশী মানুষকে জোরপূর্বক ধর্মান্তকরণ নিয়ে শোরগোল যোগী রাজ্য উত্তরপ্রদেশে।স্থানীয় গরিব বস্তিবাসীকে ধর্মান্তকরণের অভিযোগ উঠল ৯ জন খ্রিস্টান সম্প্রদায়ের ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে।কোভিড কালে মেরঠ জেলার মঙ্গতপুরমের মালিন গ্রামে গরীব মানুষদের সাহায্যের প্রলোভন দেওয়া হয়েছিল।ভুক্তভোগীরা জানান, অবৈধভাবে ধর্মান্তরণ করা হচ্ছিল তাদের অভাবের সুযোগ নিয়ে। এমনকী এই ৯ ব্যক্তি তাদের ঘরে রাখা হিন্দু দেবদেবীর মূর্তি গুলিও নষ্ট করতে বলেন।পূজো বন্ধ করে চার্চে যাবার নির্দেশ দেন।

    এক বস্তিবাসী বিষয়টি জানানোর পরেই গোটা বিষয়টি প্রকাশ্যে আসে। ঘটনাটি জানার পরেই বিজেপি নেতারা ভুক্তভোগীদের সাথে ব্রহ্মপুত্রী থানায় অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করেন।

    অভিযোগকারীরা জানিয়েছেন, মঙ্গতপুরের প্রায় ৪০০ জনকে ধর্মান্তরণের অভিযোগে তাঁরা পুলিশের কাছে এফআইআর দায়ের করেছে। তাঁরা আরও জানান খ্রিস্টান ধর্মাবলম্বী ওই ৯ জন ব্যক্তি ধর্মপরিবর্তন করার পাশাপাশি তাদের জোরপূর্বক আধার কার্ডে নাম পরিবর্তন করার জন্য চাপ দেয়। এমনকি অভিযুক্তরা দীপাবলী পূজোর দিন বাড়িতে ঢুকে মূর্তি ভাঙ্গচুর করার চেষ্টা করে। তারা এর প্রতিবাদ করার চেষ্টা করলে তাদের প্রানে মেরে ফেলার হুমকি দেয়। তাদের কাছে ২ লক্ষ টাকা করে জনপ্রতি দাবী করে অভিযুক্তরা।

    [tw]


    [/tw]

    রাজ্যে শাসকদল বিজেপি সরকার এই ঘটনায় যথেষ্ট চাপে পড়ে গিয়েছে। বিজেপির জেলা সভাপতি দীপক শর্মা দোষীদের গ্রেফতারের দাবিতে ব্রহ্মপুরী থানায় বিক্ষোভ দেখান। বিক্ষোভে বজরং দল এবং অন্যান্য হিন্দু সংগঠনের নেতা কর্মীরাও এই বিক্ষোভ কর্মসূচিতে সামিল হন। গরীব ওই বস্তিবাসী তাদের এফআইআরে ৯ জন ব্যক্তির নাম উল্লেখ করেছেন। অভিযুক্তরা হলেন যথাক্রমে ছাবিলি ওরফে শিবা, বিনওয়া, অনিল, সর্দার, নিক্কু, বসন্ত, প্রেমা, তিতলি এবং রানী।

    ওই বস্তিবাসী আরও অভিযোগ করেছেন, না জানিয়ে কৌশলে তাঁদের ধর্মান্তকরণ হয়েছিল। যদিও তাঁরা হিন্দু ধর্মে থাকতে চান। পুলিশের কাছে উপযুক্ত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন তাঁরা।

    এদিকে এই খবরটি প্রকাশ্যে আসার পরেই নড়েচড়ে বসে প্রশাসন। প্রশাসনের এক শীর্ষ কর্তা জানান, ২০ থেকে ২৫ বছর আগে কয়েকটি আদিবাসী পরিবার মঙ্গতপুরমের একটি সরকারী ও ব্যক্তিগত মিলিয়ে একটি পরিত্যক্ত জায়গায় বসতি স্থাপন করেন কিন্তু সময়ের সাথে সাথে জনসংখ্যা বৃদ্ধির সাথে সাথে এই পরিত্যক্ত জমিটির মূল্য বৃদ্ধি পেয়েছে। বর্তমানে এই জমিটি কেউই আর খালি করতে চায় না। ফলে কিছু অসাধু ব্যক্তি বিভিন্ন ভাবে এই জায়গাটি দখলের চেষ্টা করেছে। তাই ধর্মান্তরণের চেষ্টার সাথে জমি দখলের বিষয়টিও উড়িয়ে দিচ্ছেন না।

    পুলিশ সুপার পীষূষ সিং জানিয়েছেন, শুক্রবার কিছু ব্যক্তি থানায় তাদের ধর্মান্তরণের বিরুদ্ধে ৯ জনের নামে এফআইআর দিয়েছেন।বিষয়টি তদন্ত করে প্রশাসন যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হবে জানিয়েছেন তিনি।

    প্রসঙ্গত, এর আগেও উত্তরপ্রদেশে মুসলিম মৌলবীদের বিরুদ্ধে ধর্মান্তকরণের অভিযোগ উঠেছিল।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

     
  • The Kerala Story: ‘দ্য কেরালা স্টোরি’ দেখতে গিয়ে সঙ্গীর বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ হিন্দু যুবতীর

    The Kerala Story: ‘দ্য কেরালা স্টোরি’ দেখতে গিয়ে সঙ্গীর বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ হিন্দু যুবতীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: লিভ-ইন পার্টনারের (Live-in-Partner) সঙ্গে সিনেমা হলে গিয়েছিলেন ‘দ্য কেরালা স্টোরি’ (The Kerala Story) দেখবেন বলে। বছর তেইশের ওই যুবতী তখনও জানেন না ঠিক কী ঘটতে চলেছে এর পরে। সিনেমা শেষে হল থেকে বেরিয়ে ওই হিন্দু তরুণীর অভিযোগ, তাঁকে ধর্ষণ করেছেন তাঁর সঙ্গী। জোর করে ধর্মান্তকরণের চেষ্টাও করা হয়েছে। থানায় অভিযোগ দায়ের করতেই গ্রেফতার করা হয় ওই যুবককে। মহম্মদ ফৈজান নামের ওই যুবকের বিরুদ্ধে লভ জিহাদের মামলা রুজু করা হয়েছে। মধ্যপ্রদেশের ইন্দোরের ওই ঘটনায় ছড়িয়েছে চাঞ্চল্য।

    ‘দ্য কেরালা স্টোরি’র (The Kerala Story) গল্প

    কীভাবে বিয়ের নামে হিন্দু মহিলাদের ধর্মান্তকরণ করা হয়, কীভাবে না জেনেই এক শ্রেণির মুসলিম যুবকের পাতা ফাঁদে পা দিয়ে ধর্ম-পরিবার-পরিজনদের থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েন তরুণীরা, সে সবই তুলে ধরা হয়েছে ‘দ্য কেরালা স্টোরি’তে (The Kerala Story)। পশ্চিমবঙ্গ সহ দেশের কয়েকটি রাজ্যে সিনেমাটি প্রদর্শনে নিষেধাজ্ঞা জারি  হয়। পরে সুপ্রিম কোর্টের হস্তক্ষেপে জট খোলে। যদিও তার পরেও মুক্তি পাওয়ার পর প্রথম তিনদিন ছাড়া এখনও পর্যন্ত পশ্চিমবঙ্গের কোথাও আর দেখানো হয়নি ছবিটি। ইন্দোরে লিভ-ইন পার্টনারের সঙ্গে সেই ‘বিতর্কিত’ ছবি দেখতে গিয়েই বাঁধল বিপত্তি।

    বাস্তবেও ‘দ্য কেরালা স্টোরি’র ছবি?

    ওই যুবতীর অভিযোগ, নিজের আসল নাম লুকিয়ে ফৈজান তাঁর সঙ্গে মেলামেশা করেন। একটি কোচিং সেন্টারে পড়তে গিয়েই সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েন তাঁরা। ওই সময় নামের পাশাপাশি ফৈজান তাঁর ধর্মও গোপন করেছিলেন। তাঁদের মধ্যে শারীরিক সম্পর্কও হয় একাধিকবার। বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে চারবছর ধরে ওই যুবতীর সঙ্গে শারীরিক সম্পর্কে লিপ্ত হন ফৈজান। পরে বিভিন্ন সময় ফৈজান ওই তরুণীকে ধর্ম পরিবর্তন করার জন্য চাপ দেন বলে অভিযোগ। দিন দুই আগে ‘দ্য কেরালা স্টোরি’ (The Kerala Story) দেখতে গিয়েই প্রকাশ্যে আসে ফৈজানের আসল পরিচয়। তার পরেই পুলিশে অভিযোগ দায়ের করেন ইন্দোরের ওই যুবতী।

    আরও পড়ুুন: ভূস্বর্গে জাঁকজমক করে চলছে জি২০ পর্যটন বৈঠক, তাতেই ঘাবড়ে গিয়েছে পাকিস্তান!

    মধ্যপ্রদেশের এক পুলিশ আধিকারিক জানান, সম্প্রতি ওই যুবতী ‘দ্য কেরালা স্টোরি’ (The Kerala Story) দেখতে গিয়েছিলেন। সিনেমা দেখার শেষে লিভ-ইন পার্টনারের সঙ্গে তর্কাতর্কি হয় তাঁর। ওই যুবতীকে হেনস্থা করে চম্পট দেয় ওই যুবক। পরে থানায় গিয়ে অভিযোগ দায়ের করেন তিনি। যুবতীর অভিযোগ খতিয়ে দেখতে শুরু হয়েছে তদন্ত।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share