Tag: Religious Conversion

Religious Conversion

  • Madras High Court: ধর্মান্তরিত হওয়ার পর কোনও সংরক্ষণ নেই, বড় সিদ্ধান্ত মাদ্রাজ হাইকোর্টের

    Madras High Court: ধর্মান্তরিত হওয়ার পর কোনও সংরক্ষণ নেই, বড় সিদ্ধান্ত মাদ্রাজ হাইকোর্টের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চাকরির পরীক্ষায় সংরক্ষণ নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ রায় দিল মাদ্রাজ হাইকোর্ট (Madras High Court)। মাদ্রাজ হাইকোর্ট থেকে জানানো হয়েছে, কেউ হিন্দু ধর্ম থেকে মুসলিম ধর্মে পরিবর্তন করলে তিনি জাতিগত সংরক্ষণের সুবিধা পাবেন না। কারণ মুসলিম ধর্মে কোনও জাতিগত বিভেদ নেই।

    মামলাটি কী?

    ওবিসি সম্প্রদায়ের এক ব্যক্তি সম্প্রতি হিন্দু থেকে ধর্মান্তরিত হয়ে ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেন। তারপরেই তিনি সংরক্ষণের জন্য আদালতের দ্বারস্থ হন। সেই মামলায় শনিবার মাদ্রাজ হাইকোর্টে (Madras High Court) বিচারপতি জি আর স্বামীনাথনের নেতৃত্বে বেঞ্চ জানিয়ে দেন, একজন হিন্দু যখন ধর্মান্তরিত হয়ে মুসলমান হন তখন তিনি সরকারি চাকরিতে সংরক্ষণের দাবি করতে পারেন না। কারণ ইসলামে কোনও জাতিগত বিভেদ নেই।

    ওই আবেদনকারী আদালতে জানান, তিনি এবং তাঁর পরিবার সর্বাধিক অনগ্রসর শ্রেণীর (এমবিসি) হিন্দু ছিলেন। ২০০৮ সালের মে মাসে, আবেদনকারী এবং তাঁর পরিবার ইসলাম গ্রহণ করেন। আবেদনকারী ২০১৮ সালে তামিলনাড়ু কম্বাইনড সিভিল সার্ভিসের পরীক্ষা দিয়েছিলেন। কিন্তু তিনি পাশ করতে পারেননি। পরে খোঁজ নিতে গিয়ে আরটিআই করে জানতে পারেন, TNPSC তাঁকে একজন অনগ্রসর শ্রেণীর মুসলিম আবেদনকারীর পরিবর্তে একজন সাধারণ-শ্রেণির (জেনারেল) আবেদনকারী হিসাবে বিবেচনা করে। ফলে তাঁর আবেদন ছিল, তাঁকে যেন মুসলিম ওবিসি হিসেবে গণ্য করা হয়।

    বিচারপতি কী বললেন? 

    বিচারপতি স্বামীনাথন সুপ্রিম কোর্টের একাধিক রায়ের উদ্ধৃতি দিয়ে পর্যবেক্ষণ করেছেন যে, একবার একজন হিন্দু ধর্ম নিয়ে জন্মগ্রহণকারী ব্যক্তি অন্য ধর্মে ধর্মান্তরিত হয়ে গেলে তা বর্ণ প্রথাকে অনুসরণ করে না বা স্বীকৃতি দেয় না। সেই ধর্মান্তরিত ব্যক্তি আর সেই বর্ণের অন্তর্গত হবেন না, যা নিয়ে তিনি জন্মগ্রহণ করেছিলেন।

    হাইকোর্ট (Madras High Court) আরও বলেছে যে, একজন ব্যক্তি যিনি অন্য ধর্মে ধর্মান্তরিত হয়েছেন তিনি সম্প্রদায় সংরক্ষণের যোগ্য কিনা তা সুপ্রিম কোর্টের একটি বিষয়। ফলে হাইকোর্টের পক্ষে এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া যথাযথ হবে না। TNPSC-এর সিদ্ধান্ত তাই আদালত বহাল রেখেছিল, যা হস্তক্ষেপ করতে অস্বীকার করেছিল এবং বলেছিল যে কমিশনের সিদ্ধান্ত সঠিক ছিল।

    কৈলাশ সোনকার বনাম মায়া দেবী মামলার কথাও উল্লেখ করে বেঞ্চের (Madras High Court) তরফে বলা হয়, একজন হিন্দুর জাতি তৈরি হয় তার জন্মের উপরে নির্ভর করে। কেউ যদি হিন্দু থেকে খ্রিষ্টান বা মুসলিম হন তাহলে তাঁর সেই জাতি আর থাকল না, কারণ এই দুই ধর্মে জাতপাতের কোনও জায়গা নেই।

  • Religious Conversion: ‘দাতব্য স্বাগত, তবে দানের উদ্দেশ্য অবশ্যই ধর্মান্তকরণ নয়, সাফ জানাল সুপ্রিম কোর্ট

    Religious Conversion: ‘দাতব্য স্বাগত, তবে দানের উদ্দেশ্য অবশ্যই ধর্মান্তকরণ নয়, সাফ জানাল সুপ্রিম কোর্ট

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জোর করে ধর্মান্তকরণ (Religious Conversion) করা একটি গুরুতর বিষয়। সোমবার সাফ জানিয়ে দিল সুপ্রিম কোর্ট (Supreme Court)। জোর করে ধর্মান্তকরণ অসাংবিধানিক বলেও অভিমত আদালতের। দেশের শীর্ষ আদালত এও জানায়, দাতব্য (Charity) স্বাগত। তবে দানের উদ্দেশ্য অবশ্যই ধর্মান্তকরণ নয়। সুপ্রিম কোর্টের যে বেঞ্চে এই মামলার শুনানি চলছে, তার নেতৃত্বে রয়েছেন বিচারপতি এমআর শাহ। বেঞ্চ বলে, যদি কেউ কাউকে সাহায্য করতে চান, তাহলে সাহায্য করা উচিত। তারা এও জানায়, মানুষ বিভিন্ন কারণে ধর্মান্তরিত হন। তবে প্রলোভন বিপজ্জনক।  

    ধর্ম পরিবর্তন…

    দেশের নানা প্রান্তে জোর করে ধর্ম পরিবর্তন (Religious Conversion) করা হচ্ছে সাধারণ মানুষের। বেশ কিছু ক্ষেত্রে প্রতারণা করে ধর্ম পাল্টে দেওয়া হচ্ছে মানুষের। এহেন অভিযোগ জানিয়ে একটি জনস্বার্থ মামলা দায়ের হয় দেশের শীর্ষ আদালতে। সোমবার হয় সেই মামলার শুনানি।

    সলিসিটর জেনারেল তুষার মেহতা এদিন বেঞ্চের সামনে হাজির হন। তিনি বলেন, খাদ্যশস্য, ওষুধ নাকি হৃদয় থেকে মানুষ ধর্ম পরিবর্তন করছেন, তা স্থির হওয়া প্রয়োজন। তখনই বিচারপতি শাহ বলেন, বিষয়টি গুরুতর। আমরা একে সিরিয়াসলি নিচ্ছি। তিনি বলেন, কাউকে কিছু সাহায্য দিয়ে… যিনি সাহায্য চান, তাঁকে আপনি সাহায্য করতে চান…দাতব্যের উদ্দেশ্য ধর্মান্তকরণ হতে পারে না। তিনি বলেন, প্রতিটি দান, ভাল কাজ স্বাগত। কিন্তু দেখতে হবে, তার উদ্দেশ্যটা কী। এর পরেই তিনি বলেন, এটি আমাদের সংবিধান বিরোধী। বিচারপতি শাহ বলেন, যিনি ভারতে বাস করতে চাইবেন, তাঁকে এ দেশের সংস্কৃতির সঙ্গে মানিয়ে চলতে হবে।

    আরও পড়ুন: জোর করে ধর্মান্তকরণ অপরাধ! নয়া আইন প্রণয়নে সুপ্রিম দুয়ারে গুজরাট সরকার

    প্রসঙ্গত, ইতিমধ্যেই ধর্মান্তকরণ (Religious Conversion) বিরোধী আইন কার্যকর করেছে উত্তর প্রদেশ সরকার। এই আইন বলে শাস্তিও দেওয়া হয়েছে সে রাজ্যে। এই একই আইন কার্যকর করতে উঠেপড়ে লেগেছে গুজরাট সরকারও। দেশের শীর্ষ আদালতে তারা জানিয়েছে, ধর্ম পালনের স্বাধীনতা রয়েছে সকলের। কিন্তু সেই স্বাধীনতার অপব্যবহার করে অন্যদের ধর্মান্তকরণের অনুমতি দেওয়া যায় না।

    আরও পড়ুন: ‘যোগ্য লোককেই খুঁজে বের করতে হবে’, শেষনের তুলনা টেনে বলল সুপ্রিম কোর্ট 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Religious Conversion: জোর করে ধর্মান্তকরণ জামিন অযোগ্য অপরাধ উত্তরাখণ্ডে, হতে পারে ১০ বছরের জেল

    Religious Conversion: জোর করে ধর্মান্তকরণ জামিন অযোগ্য অপরাধ উত্তরাখণ্ডে, হতে পারে ১০ বছরের জেল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জোর করে ধর্মান্তকরণ জামিন অযোগ্য অপরাধ বলে গণ্য হবে উত্তরাখণ্ডে। সাজার মেয়াদ পাঁচ বছর থেকে বৃদ্ধি করে ১০ বছর করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে পুষ্কর ধামির সরকার। সম্প্রতি জোর করে , ভয় দেখিয়ে বা লোভ দেখিয়ে ধর্মান্তকরণ নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছিল দেশের শীর্ষ আদালত। জবরদস্তি করে ধর্ম পরিবর্তন আটকাতে কেন্দ্রীয় সরকারকে কড়া আইন তৈরির সুপারিশ করেছে সুপ্রিম কোর্ট।

    আরও পড়ুন: নোটবন্দির সিদ্ধান্ত সুবিবেচনা প্রসূত, সুপ্রিম কোর্টে জানাল কেন্দ্র

    উত্তরাখণ্ডে নয়া আইন

    সুপ্রিম কোর্টের পর্যবেক্ষণের পর গতকাল বিজেপি শাসিত উত্তরাখণ্ড (Uttarakhand) সরকার এই সংক্রান্ত আইনের বিধান আরও কঠোর করল। জোর করে ধর্মান্তকরণ ও লাভ-জিহাদ আগেই নিষিদ্ধ করেছিল ওই রাজ্যের সরকার। এবার উত্তরাখণ্ড মন্ত্রিসভার বৈঠকে ধর্ম পরিবর্তন আইনে কঠোর পরিবর্তন আনা হয়েছে। জোর করে ধর্মান্তকরণ জামিন অযোগ্য অপরাধ বলে ধরা হয়েছে। ১০ বছর পর্যন্ত জেল হতে পারে এই ঘটনায় অভিযুক্তদের।

    আরও পড়ুন: জোর করে ধর্মান্তকরণ, গুরুতর বিষয়! পদক্ষেপ নিক কেন্দ্র, অভিমত সুপ্রিম কোর্টের

    আগের আইন

    ২০১৮ সালের এপ্রিলে উত্তরাখণ্ডে ধর্মের স্বাধীনতা আইন পাশ করা হয়। ওই রাজ্যের সরকারের অধীনে, জোরপূর্বক বা প্রতারণামূলক ধর্মান্তকরণের মামলাগুলিকে জামিন অযোগ্য অপরাধ হিসাবে বিবেচনা করা হত না। কারাবাসের মেয়াদ ছিল পাঁচ বছর। যদিও পাশেই উত্তরপ্রদেশের আইনে ধর্মান্তকরণ জামিন অযোগ্য অপরাধ বলে গণ্য হয়। সাজার মেয়াদও ১০ বছর। উত্তরপ্রদেশের আইনকে মডেল করেই এবার উত্তরাখণ্ডে নয়া আইন তৈরি করা হল। গত ১৪ নভেম্বর সুপ্রিম কোর্ট ভয় বা লোভ দেখিয়ে ধর্মান্তরকরণকে একটি গুরুতর বিষয় বলে অভিহিত করে। সোমবার একটি আবেদনের শুনানির সময়, আদালত বলেছে যে জোরপূর্বক ধর্মান্তকরণ শুধুমাত্র ধর্মীয় স্বাধীনতার অধিকারের বিরুদ্ধেই নয়, দেশের নিরাপত্তার জন্যও একটা চ্যালেঞ্জ।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Religious Conversion: জোর করে ধর্মান্তকরণ, গুরুতর বিষয়! পদক্ষেপ নিক কেন্দ্র, অভিমত সুপ্রিম কোর্টের

    Religious Conversion: জোর করে ধর্মান্তকরণ, গুরুতর বিষয়! পদক্ষেপ নিক কেন্দ্র, অভিমত সুপ্রিম কোর্টের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জোর করে ধর্মান্তকরণ (Forced Religious Conversion) ‘অত্যন্ত গুরুতর’ বিষয়, অভিমত সুপ্রিম কোর্টের (Supreme Court)। পরিস্থিতি হাতের বাইরে চলে যাওয়ার আগে এই নিয়ে উপযুক্ত পদক্ষেপ করা উচিত। কেন্দ্রকে সোমবার এই মর্মে নির্দেশ দেয় শীর্ষ আদালত।

    সুপ্রিম কোর্টের শুনানি

    জোর করে ধর্মান্তকরণ, লোভ দেখিয়ে বা ভয় দেখিয়ে ধর্মান্তকরণ রুখতে কেন্দ্র পদক্ষেপ নিই, অভিমত শীর্ষ আদালতের।  এই ধরনের ঘটনা জাতীয় নিরাপত্তাকে প্রশ্নের মুখে ফেলে দিতে পারে বলেও মত আদালতের। ক্ষুণ্ণ হতে পারে নাগরিকের অধিকার তথা ধর্মীয় অধিকার।

    সুপ্রিম কোর্টে বিজেপি নেতা তথা আইনজীবী অশ্বিনী উপাধ্যায় জোর করে ধর্মান্তরিত করার বিরুদ্ধে জনস্বার্থ মামলা দায়ের করেছিলেন। সোমবার সেই মামলার শুনানি হয় বিচারপতি  এম আর শাহ (MR Shah) এব হিমা কোহলির (Hima Kohli) বেঞ্চে। বেঞ্চ জানায়, “এটা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। জোর করে ধর্মান্তরকরণ বন্ধ করার জন্য কেন্দ্রের পক্ষ থেকে আন্তরিক প্রচেষ্টা চালাতে হবে। নচেত আগামী দিনে পরিস্থিতি খারাপ হতে পারে।”

    আরও পড়ুন: ১০০ দিনের কাজে দুর্নীতি হয়েছে দাবি শুভেন্দু অধিকারীর, হাইকোর্টে দায়ের জনস্বার্থ মামলা

    কেন্দ্রের মতে

    এই বিষয়ে সলিসিটার জেনারেল (Solicitor General)  তুষার মেহতা (Tushar Mehta) বলেন, “দু’টি আইন আছে। একটি ওড়িশা সরকারের এবং অন্যটি মধ্যপ্রদেশ সরকারের। ওই আইনে প্রতারণা বা জালিয়াতি, কিংবা অর্থের মাধ্যমে জোরপূর্বক ধর্মান্তরকরণে বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া সম্ভব। বিবেচনার জন্য দুটি আইনকে আদালতের সামনে তুলে ধরা হয়। শীর্ষ আদালত ওই আইনগুলির বৈধতা বহাল রেখেছে।” আদালতে তিনি জানান, যে আদিবাসী অঞ্চলে মাঝেমাঝেই জোর করে ধর্ম পরিবর্তনের চেষ্টা করা হয়। 

    আদালতের পর্যবেক্ষণ, সকলের ধর্মীয় স্বাধীনতা থাকা উচিত। কিন্তু জোর করে ধর্ম পরিবর্তন কখনওই কাম্য নয়। কেন্দ্রকে এই বিষয়ে মত জানানোর জন্য ২২ নভেম্বর পর্যন্ত সময় দিয়েছে শীর্ষ আদালত। এই বিষয়ে ২৮ নভেম্বরে পরবর্তী শুনানি হবে।

    আরও পড়ুন: বালিতে গিয়ে সুনক, মাক্রঁর সঙ্গে বৈঠক করবেন মোদি, কেন জানেন?

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Religious Conversion: হিন্দু যুবককে গোমাংস খাইয়ে, সুন্নত করিয়ে ইসলামে দীক্ষা, কাঠগড়ায় কং নেতা সহ ১১

    Religious Conversion: হিন্দু যুবককে গোমাংস খাইয়ে, সুন্নত করিয়ে ইসলামে দীক্ষা, কাঠগড়ায় কং নেতা সহ ১১

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের জোর করে ধর্মান্তকরণের (Religious Conversion) অভিযোগ। এক হিন্দু (Hindu) যুবককে জোর করে ইসলাম (Islam) ধর্মে দীক্ষিত করা হয়েছে বলে অভিযোগ। কর্নাটকের ওই ঘটনায় পাঁচজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। যে পাঁচজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে তাঁদের মধ্যে রয়েছেন বেঙ্গালুরুর  কংগ্রেসের প্রাক্তন কর্পোরেটর আনসার পাশা, তাঁর ভাই নয়জ পাশা, জনৈক হাজি সাব, আতাউর রহমান এবং সোয়েব। এঁদের মধ্যে দুজনকে আগেই গ্রেফতার করা হয়েছিল। বৃহস্পতিবার গ্রেফতার করা হয় বাকি তিনজনকে। নয়জ পাশাকে গ্রেফতার করা হয়েছে তামিলনাড়ু থেকে।

    পুলিশি তদন্তে জানা গিয়েছে, কর্নাটকের মান্ড্য এলাকার বাসিন্দা দলিত যুবক জনৈক শ্রীধর গঙ্গাধর প্রথমে ইসলাম ধর্মে দীক্ষিত (Religious Conversion) হতে চেয়েছিলেন। কারণ তাঁকে মোটা অঙ্কের টাকার লোভ দেখানো হয়েছিল। পরে মুসলমান করতে শ্রীধরের সুন্নতও করানো হয়। তাঁর হাতে তুলে দেওয়া হয় নগদ ৫০ হাজার টাকাও। পুলিশের দাবি, এর পর আর ইসলামের দিকে ঝুঁকতে চাননি শ্রীধর। যদিও অভিযুক্তরা তাঁকে বাধ্য করেছিল বলে অভিযোগ। এর পরেই বছর পঁচিশের শ্রীধর পুলিশে অভিযোগ দায়ের করেন। তাঁর দাবি, অভিযুক্তরা তাঁর সম্মতি ছাড়াই তাঁর নাম বদলে করে দেন মহঃ সালমান। শ্রীধরের অভিযোগের ভিত্তিতে ১২ জনের নামে দায়ের হয় মামলা। যার মধ্যে গ্রেফতার করা হয়েছে পাঁচজনকে। এর মধ্যেই রয়েছেন কংগ্রেসের প্রাক্তন কর্পোরেটর আনসার পাশা। তিনি স্থানীয় বিধায়কের ঘনিষ্ঠও।

    আরও পড়ুন: হিজাব-বিতর্ক বৃহত্তর ষড়যন্ত্রের অঙ্গ! সুপ্রিম কোর্টে কী বলল কর্নাটক সরকার?

    শ্রীধরের দাবি, অভিযুক্তরা নব মুসলিম নামে একটি গোষ্ঠী তৈরি করেছিলেন। এই গ্রুপের সদস্যদের দেখিয়ে ইরাক-ইরান থেকে অর্থ সংগ্রহ করতেন। ভারতকে মুসলিম রাষ্ট্র বানানোর চেষ্টাও চালাচ্ছিল এই গোষ্ঠী। শ্রীধর বলেন, অভিযুক্তরা আমাকে অচৈতন্য করতে কালো রংয়ের কোনও তরল খাইয়ে দেন। পরে করা হয় সুন্নত। জোর করে গো-মাংসও খাওয়ানো হয় আমাকে। শ্রীধরের আরও অভিযোগ, অভিযুক্তরা তাঁকে একটি রিভলভার দেখিয়ে ভয় দেখান। তাঁর হাতে একটি আগ্নেয়াস্ত্রও তুলে দেওয়া হয়। সেই ছবি মোবাইল বন্দি করে অভিযুক্তরা ভয় দেখান, ঘটনার কথা কাউকে বললে তাঁর ছবি ভাইরাল করে দেওয়া হবে। দেগে দেওয়া হবে সন্ত্রাসবাদী বলে। ভয়ে প্রথমে থানায় অভিযোগ দায়ের না করলেও, পরে অবশ্য করেন। তার পরেই গ্রেফতার করা হয় অভিযুক্তদের কয়েকজনকে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

LinkedIn
Share