Tag: Reserve Bank of India

Reserve Bank of India

  • RBI: ইউপিআই-এর মাধ্যমে কর প্রদানের উর্ধ্বসীমা বাড়িয়ে ৫ লক্ষ টাকা করল আরবিআই

    RBI: ইউপিআই-এর মাধ্যমে কর প্রদানের উর্ধ্বসীমা বাড়িয়ে ৫ লক্ষ টাকা করল আরবিআই

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ডিজিটাল পেমেন্ট ব্যবস্থা উন্নত করতে এবং বড় লেনদেন সক্ষম করার জন্য ভারতীয় রিজার্ভ ব্যাংক (RBI) বৃহস্পতিবার জানিয়েছে, এবার থেকে ইউপিআই-এর (UPI Payment) মাধ্যমে ট্যাক্স পেমেন্টের ঊর্ধ্বসীমা প্রতি লেনদেনে পাঁচ লক্ষ টাকা করা হয়েছে। এর আগে এক লক্ষ টাকা পর্যন্ত কর দেওয়া যেত ইউপিআই-এর মাধ্যমে।

    ডিজিটাল পেমেন্টকে উৎসাহিত করতে উদ্যোগ (RBI)

    আরবিআই-এর (RBI) উদ্দেশ্য, ডিজিটাল মাধ্যমে (UPI Payment) লেনদেনকে আরও উদ্বুদ্ধ করা। নতুন বর্ধিত সীমায় ট্যাক্স প্রদানে করদাতারা উৎসাহিত হবেন বলে আশা করছে সরকার। এই উদ্যোগটি ডিজিটাল পেমেন্টকে উৎসাহিত করতে এবং নগদ অর্থের উপর নির্ভরতা কমানোর জন্য আরবিআই-এর প্রচেষ্টার একটি অংশ। আরবিআই আশা করছে এই ব্যবস্থাটি করদাতাদের মধ্যে ট্যাক্স নিষ্পত্তির ক্ষেত্রে ডিজিটাল পেমেন্টের গ্রহণযোগ্যতা বাড়াবে। বর্ধিত সীমা করদাতাদের একক লেনদেনের ক্ষেত্রে অধিক কর প্রদানের অনুমতি দেবে। একক ক্ষেত্রে একাধিক বার অর্থপ্রদানের প্রয়োজনীয়তা হ্রাস করবে এই ব্যবস্থা।

    ডেলিগেটেড পেমেন্ট চালু করার ভাবনা (UPI Payment)

    রিজার্ভ ব্যাংক (RBI) পর্যায়ক্রমে ক্যাপিটাল মার্কেট, আইপিও সাবস্ক্রিপশন, ঋণ সংগ্রহ, চিকিৎসা বিমা এবং শিক্ষামূলক পরিষেবার মত বিভিন্ন বিভাগের জন্য বিভিন্ন সময়ে লেনদেনের ক্ষেত্রে ঊর্ধ্বসীমা বৃদ্ধি করেছে। ইউপিআই (UPI Payment) এর ক্ষেত্রেও ঊর্ধ্বসীমা বৃদ্ধি ছাড়াও ডেলিগেটেড পেমেন্ট চালু করার কথাও বিবেচনা করেছে। রিজার্ভ ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়া এই বৈশিষ্ট্যটি গ্রাহকদের ইউপিআই অ্যাকাউন্ট ব্যবহার করে অর্থ প্রদান করার জন্য অন্যদেরও অনুমোদন করতে সক্ষম করবে। যার ফলে ডিজিটাল পেমেন্টের নাগাল আরও বৃদ্ধি পাবে।

     

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • RBI:  এক টানা ৯ বার! রেপো রেট অপরিবর্তিত রাখল আরবিআই, কতটা সুরাহা হল?

    RBI: এক টানা ৯ বার! রেপো রেট অপরিবর্তিত রাখল আরবিআই, কতটা সুরাহা হল?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: টানা ন’বার রেপো রেট অপরিবর্তিত রাখল রিজার্ভ ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়া তথা আরবিআই (RBI)। ঋণের চাপ থেকে মধ্যবিত্ত নাগরিকদের রেহাই দিতেই এই পদক্ষেপ। আগের মতো রেপো রেট ৬.৫ শতাংশই থাকছে। বাজেট পর্ব মেটার পর এই প্রথম রেপো রেট (Repo Rate) ঘোষণা করল রিজার্ভ ব্যাঙ্ক।  

    রেপো রেট কী

    যে সুদের হারে বাণিজ্যিক ব্যাঙ্কগুলিকে স্বল্প মেয়াদে ঋণ দেয় রিজার্ভ ব্যাঙ্ক (RBI), তাই হল রেপো রেট। কোনও বদল হয়নি রিভার্স রেপো রেটেও (Repo Rate)। যে হারের সুদে বিভিন্ন বাণিজ্যিক ব্যাঙ্কের কাছ থেকে টাকা ধার নেয় রিজার্ভ ব্যাঙ্ক তাই হল রিভার্স রেপো রেট। বৃহস্পতিবার ‘মনিটারি পলিসি কমিটি’র দ্বিমাসিক বৈঠকের শেষে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন আরবিআইয়ের গভর্নর শক্তিকান্ত দাস। 

    আরও পড়ুন: অশান্ত বাংলাদেশ, অনুপ্রবেশের সম্ভাবনা প্রবল! জল-স্থল সীমান্তে সতর্ক বিএসএফ

    কেন এই পদক্ষেপ

    শক্তিকান্ত বলেন, ‘‘কেন্দ্রীয় সরকার মুদ্রাস্ফীতির হার ৪ শতাংশে নামিয়ে আনার লক্ষ্যে যে ধারাবাহিক পদক্ষেপ করছে, এই সিদ্ধান্ত সেই প্রক্রিয়ারই অঙ্গ।’’ মুদ্রাস্ফীতি এবং বৃদ্ধির হার এখন স্থিতিশীল হলেও খাদ্যপণ্যের মূল্যবৃদ্ধি নিয়ন্ত্রণে আরও কিছু পদক্ষেপ করা প্রয়োজন বলে জানিয়েছেন আরবিআই (RBI) গভর্নর।

    তাঁর দাবি, এখনও দেশে সার্বিক মুদ্রাস্ফীতির হার ৪.৫ শতাংশ। আগামী দুই ত্রৈমাসিকে সেটা সামান্য বাড়লেও পরবর্তী ত্রৈমাসিকগুলিতে সেটা কমার কথা। এদিকে জিডিপি বৃদ্ধির পূর্বাভাস ৭.২ শতাংশই রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে রিজার্ভ ব্যাঙ্কের মনিটারি পলিসি কমিটি। তাঁর কথায়, ‘‘ভারতে এখন বিদেশি মুদ্রার সঞ্চয় ২ অগাস্ট ৬৭ হাজার ৫০০ কোটি ডলারের সর্বকালীন নজির গড়েছে।’’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • RBI: দেশে নয়া কর্মসংস্থান হয়েছে ৪ কোটি ৭০ লাখ, বলছে রিজার্ভ ব্যাঙ্ক

    RBI: দেশে নয়া কর্মসংস্থান হয়েছে ৪ কোটি ৭০ লাখ, বলছে রিজার্ভ ব্যাঙ্ক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ডেস্টিনেশন ২০৪৭। প্রধানমন্ত্রীর কুর্সিতে এনডিএ-র সর্বসম্মত নেতা বিজেপির নরেন্দ্র মোদি। এই মোদি জমানায়ই তরতরিয়ে হচ্ছে ভারতের উন্নতি। বিভিন্ন সময় নানা সমীক্ষায় করা রিপোর্টে উঠে এসেছিল এই ছবি। এবার জানা গেল, ২০২৩-২৪ অর্থবর্ষে দেশে নয়া কর্মসংস্থানের (Jobs) সৃষ্টি হয়েছে ৪ কোটি ৭০ লাখ।

    রিজার্ভ ব্যাঙ্কের রিপোর্ট (RBI)  

    সোমবার রিজার্ভ ব্যাঙ্কের (RBI) তরফে প্রকাশিত একটি রিপোর্ট থেকেই জানা গিয়েছে নয়া কর্মসংস্থান সৃষ্টির এই খবর। এই রিপোর্ট থেকেই জানা গিয়েছে, কর্মসংস্থান বৃদ্ধির হারও। ২০২২-’২৩ অর্থবর্ষে যেখানে এই হার ছিল ৩.২ শতাংশ, গত অর্থবর্ষে (২০২৩-’২৪) এই হারই বেড়ে হয়েছে ৬ শতাংশ। ‘ক্লেমস’ তথ্যভান্ডারে জমা পড়া নানান তথ্য বিশ্লেষণ করে ২৭টি ক্ষেত্রে কর্মসংস্থানের হার খতিয়ে দেখেছে দেশের শীর্ষ ব্যাঙ্ক। এই ক্ষেত্রগুলির মধ্যে রয়েছে কৃষি, মৎস্য, খনি এবং শিল্পোৎপাদন। প্রসঙ্গত, এই ‘ক্লেমস’ তথ্যভান্ডারেই বিশ্লেষণ করা হয় শিল্পোৎপাদন ও কর্মসংস্থান সংক্রান্ত পরিসংখ্যান।

    আর্থিক বৃদ্ধির হার বেড়েছে

    মোদি জমানায় যে ভারতে আর্থিক বৃদ্ধির হার বেড়েছে, সম্প্রতি তা জানিয়েছিল বেসরকারি সংস্থা ‘সিটিগ্রুপ ইন্ডিয়া’। তারা জানিয়েছিল, ভারতে আর্থিক বৃদ্ধির (RBI) হার ৭ শতাংশ। এই রিপোর্টেই বলা হয়েছিল, বর্তমান আর্থিক বৃদ্ধির হার বজায় থাকলে বছরে ৮০ থেকে ৯০ লাখ কর্মসংস্থান তৈরি হতে পারে। সোমবার কেন্দ্রীয় শ্রমমন্ত্রক জানিয়ে দেয়, ‘পিরিয়ডিক লেবার ফোর্স সার্ভে’ এবং রিজার্ভ ব্যাঙ্কের ‘ক্লেমস’ তথ্যভান্ডারের পরিসংখ্যান অনুসারে দেশে নতুন করে চাকরি হয়েছে ৮ কোটি।

    আর পড়ুন: ভারতে আরও ৬টি পারমাণবিক শক্তি কেন্দ্র গড়বে রাশিয়া!

    প্রসঙ্গত, ‘পিরিয়ডিক লেবার ফোর্স সার্ভে’র সাম্প্রতিক রিপোর্টে বলা হয়েছিল, ২০২২-২৩ অর্থবর্ষে ভারতে বেকারত্বের হার কমেছে ৩.২ শতাংশ। ২০১৭-১৮ অর্থবর্ষে এই হার ছিল ৬.১ শতাংশ। এই সংস্থা এই রিপোর্ট তৈরি করেছিল জুলাই-জুন পর্বে।

    গত মাসে সরকার যে ফর্মাল এমপ্লয়মেন্ট ডেটা প্রকাশ করেছিল, তাতেও দেখা গিয়েছে, ২০২৪ অর্থবর্ষে ৩১ মিলিয়নেরও বেশি মানুষ ফর্মাল ওয়ার্কফোর্সে যোগ দিয়েছেন। এই সময় এমপ্লয়িজ স্টেট ইনস্যুরেন্স কর্পোরেশনে যোগ দিয়েছেন ২১ মিলিয়ন মানুষ। আর এমপ্লয়িজ প্রভিডেন্ট ফান্ড স্কিমে যোগ দিয়েছেন ১০ মিলিয়ন মানুষ। অর্থনীতিবিদ সুপর্ণ মৈত্র বলেন, “রিজার্ভ ব্যাঙ্কের (RBI) পরিসংখ্যানকে অস্বীকার করা যায় না। নিশ্চয়ই দেশে কর্মসংস্থানের (Jobs) হার বৃদ্ধি পেয়েছে।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Foreign Travel: বিদেশ ভ্রমণে গত পাঁচ বছরে সাড়ে তিনগুণ বেশি খরচ করেছেন ভারতীয়রা, উল্লেখ রিপোর্টে

    Foreign Travel: বিদেশ ভ্রমণে গত পাঁচ বছরে সাড়ে তিনগুণ বেশি খরচ করেছেন ভারতীয়রা, উল্লেখ রিপোর্টে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শুধু ঘুরতে গিয়েই বিলিয়ন ডলার উড়িয়ে দিচ্ছেন ভারতীয়রা (Foreign Travel)। সেই তুলনায় শিক্ষা খাতের খরচ কিন্তু অনেকটাই কম। ২০২৪ সালের অর্থবর্ষে রেমিট্যান্স স্কিমের (RBI) অধীনে ভারতীয়রা বিদেশে রেকর্ড ৩১.৭ বিলিয়ন ডলার ব্যয় করেছে। এটি ২০২৩ সালের অর্থবছরে রেকর্ড করা ২৭.১ বিলিয়ন ডলার থেকে প্রায় ১৭ শতাংশ বেশি। পাঁচ বছর আগে ভারতীয়রা বিদেশ ভ্রমণে যতটা খরচ করতেন তা বর্তমানে সাড়ে তিন গুণ বেড়ে গিয়েছে। একটি রিপোর্টে (Foreign Travel) এমনটাই প্রকাশ পেয়েছে।

    ভ্রমণ ও পর্যটন উন্নয়ন সূচকে ভারতের স্থান ৩৯তম

    বিশ্ব অর্থনৈতিক ফোরামের ভ্রমণ ও পর্যটন উন্নয়ন সূচক ২০২৪ অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্রের পর ২০২৪ সালের তালিকায় শীর্ষ পাঁচে রয়েছে স্পেন, জাপান, ফ্রান্স ও অস্ট্রেলিয়া। শীর্ষ দশে ব্রিটেন, চিন, ইতালি ও সুইজারল্যান্ডের পর জার্মানি রয়েছে ষষ্ঠ স্থানে। ভারত ৩৯ তম স্থানে পৌঁছেছে। ২০২১ সালে প্রকাশিত তালিকায় ভারত ৫৪তম স্থানে ছিল। অর্থাৎ এগিয়ে এসেছে ১৫ ধাপ। বিশ্ব অর্থনৈতিক ফোরামের মতে, এই তালিকায় শীর্ষে রয়েছে আমেরিকা। দক্ষিণ এশীয় এবং নিম্ন- মধ্যম আয়ের দেশের অর্থনীতির মধ্যে ভারতের স্থান এখন সর্বোচ্চ।

    মহামারির নিষেধাজ্ঞা ওঠার পরেই একেবারে গতি পেয়েছে পর্যটন (Foreign Travel)

    রিজার্ভ ব্যাঙ্কের (RBI) দেওয়া তথ্য অনুযায়ী দেখা যাচ্ছে রেমিট্যান্স স্কিমের অধীনে বিদেশ ভ্রমণের জন্য ২০২৩-২৪ আর্থিক বর্ষে মোট ১ লক্ষ ৪১ হাজার ৮০০ কোটি টাকা নেওয়া হয়েছিল। প্রসঙ্গত, ভারতীয়দের বিদেশ ভ্রমণ অনেকটাই কমে গিয়েছিল করোনার সময়কালে এবং সে সময়ে পর্যটন ব্যবস্থা দেশে-বিদেশে অনেকটাই মার খাচ্ছিল। কিন্তু তার পরবর্তীকালে মহামারির নিষেধাজ্ঞা ওঠার পরেই অনেকটাই গতি পেয়েছে পর্যটন (Foreign Travel)।

    ব্যাঙ্ক অফ বরোদার প্রতিবেদন

    ব্যাঙ্ক অফ বরোদার একটি প্রতিবেদন সামনে এসেছে, সেখানে তারা লিখছে, গত ১০ বছরে ভারতীয়রা গড়ে ১৫ শতাংশ অর্থ খরচ করেছেন, তাঁদের আত্মীয়দের ভরণপোষণের জন্য। কিন্তু এই সময়ের মধ্যে উপহার কিনতে এবং এডুকেশন সেক্টরে খরচ কমেছে। এর পাশাপাশি অন্য একটি রিপোর্টে দেখা যাচ্ছে, ভারতের বসবাসকারী নাগরিকরা বিদেশে বেশি পরিমাণে বিনিয়োগ করছেন। দেখা যাচ্ছে ২০২৩-২৪ অর্থবর্ষে তাঁরা প্রতি মাসেই গড় ১০০ মিলিয়ন ডলার বিদেশে বিনিয়োগ করেছেন ভারতীয়রা।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • India Forex reserve: ফের বাড়ল বৈদেশিক মুদ্রার সঞ্চয়ের পরিমাণ! ঊর্ধ্বমুখী গচ্ছিত সোনার ভান্ডারও

    India Forex reserve: ফের বাড়ল বৈদেশিক মুদ্রার সঞ্চয়ের পরিমাণ! ঊর্ধ্বমুখী গচ্ছিত সোনার ভান্ডারও

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রেকর্ড বাড়ল দেশের বৈদেশিক মুদ্রা সঞ্চয়ের পরিমাণ। রিজার্ভ ব্যাঙ্কের (RBI) দেওয়া তথ্য অনুযায়ী গত ৭ জুন পর্যন্ত ভারতের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ রেকর্ড সর্বোচ্চ ৬৫৫.৮১৭ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছেছে। এরআগে ২০২১ সালে বৈদেশিক মুদ্রায় সঞ্চয়ের (India Forex reserve) পরিমাণ রেকর্ড ছুঁয়েছিল। তারপর থেকে তারা ক্রমশ নীচে নামতে থাকে। টাকার দামের অবমূল্যায়ন রুখতে গিয়ে ফেডারেল রিজার্ভ ক্রমশ তলানিতে ঠেকে যায়। এর ফলে ২০২২ সালে বৈদেশিক মুদ্রার সঞ্চয়ের পরিমাণ গিয়ে দাঁড়ায় ৫২৪.৫ বিলিয়ন ডলার বা ৫২৪৫০ কোটি টাকায়। তবে এবার ফের বাড়ল দেশের বৈদেশিক মুদ্রা সঞ্চয়ের পরিমাণ। 

    বাড়ছে দেশের সোনার সঞ্চয়ের পরিমাণও (India Forex reserve) 

    বৈদেশিক মুদ্রার সঞ্চয়ের পরিমাণ বৃদ্ধির পাশাপাশি দেশের সোনার সঞ্চয়ের পরিমাণও বেড়েছে লক্ষ্যনীয়ভাবে। গত এক সপ্তাহে সোনা রিজার্ভের পরিমাণ বেড়েছে ৪৮১ মিলিয়ন ডলার। আর এক সপ্তাহে দেশে সোনার রিজার্ভের পরিমাণ বেড়ে হয়েছে ৫৬.৯৮২ বিলিয়ান ডলার। 
    রিজার্ভ ব্যাঙ্কের (RBI) তথ্য অনুযায়ী ভারতের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ (India Forex reserve) এখন প্রায় ১১ মাসের প্রত্যাশিত আমদানি সামাল দেওয়ার জন্য যথেষ্ট। জানা গিয়েছে, ২০২৪ সালে এখনও পর্যন্ত বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ প্রায় ৩০ বিলিয়ন মার্কিন ডলার বেড়েছে। 

    আরও পড়ুন: স্কটল্যান্ডকে পাঁচ গোল! ইউরোর প্রথম ম্যাচেই জয় জার্মানির

    ফুলে ফেঁপে উঠছে দেশের কোষাগার

    বর্তমানে বিরাট গতিতে ছুটছে ভারতের অর্থনীতি। যত সময় গড়াচ্ছে ততই ফুলে ফেঁপে উঠছে দেশের কোষাগার। বাড়তে বাড়তে রেকর্ড উচ্চতায় পৌঁছেছে দেশের বিদেশি অর্থ ভাণ্ডার। যা নিঃসন্দেহে বিশ্ব মানচিত্রে ভারতের গুরুত্ব কয়েক গুণ বাড়িয়ে দেবে, মত আর্থিক ও আন্তর্জাতিক বিশ্লেষকদের। আসলে বেশি পরিমাণে বৈদেশিক মুদ্রা সঞ্চিত (India Forex reserve) থাকলে আন্তর্জাতিক স্তরে অর্থনৈতিক পরিস্থিতি ওঠানামা করলেও তার প্রভাব জাতীয় অর্থনীতিতে সরাসরি পড়ে না। যে কারণে বিশ্বের সবচেয়ে বেশি বৈদেশিক মুদ্রা সঞ্চিত থাকা দেশগুলিতে যতই কঠিন পরিস্থিতি আসুক তারা সর্বদাই আর্থিক দিক থেকে স্বচ্ছল থাকে।   

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • RBI: বিপুল পরিমাণ রোজগার, কেন্দ্রকে এবার আরবিআই কত টাকা দিচ্ছে জানেন?

    RBI: বিপুল পরিমাণ রোজগার, কেন্দ্রকে এবার আরবিআই কত টাকা দিচ্ছে জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হাল ফিরছে দেশের অর্থনীতির। নরেন্দ্র মোদির গত দশ বছরের জমানায় দেশ জায়গা করে নিয়েছে বিশ্বের বৃহত্তম অর্থনীতির দেশের তালিকার পাঁচ নম্বরে। ২০১৪ সালেও যে দেশের জায়গা ছিল ওই তালিকার দশ নম্বরে, সেই দেশই ব্রিটেনকে সরিয়ে দখল করে নিয়ে নিয়েছে তালিকার পঞ্চম স্থান। দেশের অর্থনীতির হাল ফেরার ছাপ স্পষ্ট রিজার্ভ ব্যাঙ্কের (RBI) সরকারকে অনুদান দেওয়ার সিদ্ধান্তের বহর দেখে।

    লাভের কড়ি (RBI)

    জানা গিয়েছে, দেশের শীর্ষ ব্যাঙ্কের তরফে কেন্দ্রকে দেওয়া হবে লভ্যাংশের প্রায় ১ লাখ কোটি টাকা। গত বছর রিজার্ভ ব্যাঙ্ক কেন্দ্রকে যে পরিমাণ টাকা দিয়েছিল, এটা তার চেয়ে ঢের বেশি। সম্প্রতি সরকারি কোষাগারে অর্থ প্রদান সংক্রান্ত একটি রিপোর্ট করে ইউনিয়ন ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়া। সেখানেই বলা হয়েছে, দেশের শীর্ষ ব্যাঙ্ক (RBI) কেন্দ্রকে এক লাখ কোটি টাকা দিতে পারে। চলতি অর্থবর্ষেই এই বিপুল পরিমাণ টাকা জমা হতে পারে রাজকোষাগারে। দেশের শীর্ষ ব্যাঙ্ক সরকারকে যে টাকাটা দেবে, তা আদতে লাভের কড়ি। রিপোর্ট অনুযায়ী, এবছর এই লাভের কড়ির পরিমাণ হতে চলেছে রেকর্ড। তবে শেষতক তা কত লাখ কোটি টাকায় গিয়ে দাঁড়াবে, তা স্পষ্ট নয়।

    গত অর্থবর্ষে প্রদেয় টাকা

    গত অর্থবর্ষে কেন্দ্রীয় কোষাগারে রিজার্ভ ব্যাঙ্ক জমা দিয়েছিল ৮৭ হাজার ৪০০ কোটি টাকা। ২০২৪ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে অন্তর্বর্তীকালীন বাজেট পেশ করে কেন্দ্র। সেখানে ২০২৪-২৫ অর্থবর্ষে আরবিআই বিভিন্ন সরকারি ব্যাঙ্ক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান থেকে পাওয়া লভ্যাংশ বাবদ ১ লাখ ২০ কোটি টাকা জমা করবে বলে জানিয়েছিলেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামণ।

    আর পড়ুন: “হিন্দুদের ওপর আক্রমণ হলে বসে থাকতে পারি না”, মুখ্যমন্ত্রীকে বার্তা কার্তিক মহারাজের

    ইউনিয়ন ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়ার অর্থনৈতিক উপদেষ্টা কণিকা পশরিচা বলেন, “আমরা আশা করি, ২০২৫ অর্থবর্ষে আরবিআই এবার লভ্যাংশের ১ লাখ কোটি টাকা তুলে দেবে রাজকোষাগারে। আরবিআইয়ের ডিভিডেন্ড ক্যালকুলেশনের বিভিন্ন রকম মুভিং পার্ট থাকলেও, আমাদের অ্যাসেসমেন্ট বলছে দেশের শীর্ষ ব্যাঙ্ক সম্ভবত স্ট্রং ডিভিডেন্ড নম্বর রিপিট করবে।” মনে রাখতে হবে, রিজার্ভ ব্যাঙ্কের (RBI) আয়ের মূল উৎস সুদ এবং বৈদেশিক মুদ্রা। ব্যালেন্সশিট থেকে জানা যাচ্ছে বৈদেশিক মুদ্রা ও সরকারি বন্ড রয়েছে ৭০:২০ অনুপাতে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • RBI-New Loan Policy: শীঘ্রই ঋণ সংক্রান্ত নিয়মে বদল আসছে! বিরাট ঘোষণা আরবিআই-এর

    RBI-New Loan Policy: শীঘ্রই ঋণ সংক্রান্ত নিয়মে বদল আসছে! বিরাট ঘোষণা আরবিআই-এর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দেশের আর্থিক পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে এবার ব্যাঙ্কগুলিকে নতুন নির্দেশ দিল কেন্দ্রীয় রিজার্ভ ব্যাঙ্ক (Reserve Bank)। ভারতীয় রিজার্ভ ব্যাঙ্ক (RBI) সূত্রে জানা গিয়েছে, আগামী ১ অক্টোবর থেকে ব্যাঙ্ক, এনবিএফসিগুলিতে (NBFC) খুচরো এবং এমএসএমই (MSME) মেয়াদি ঋণের জন্য ঋণগ্রহীতাদের সব তথ্য জমা দিতে হবে। এতে ঋণের (RBI-New Loan Policy) সুদ ও অন্যান্য খরচসহ ঋণের নথি (KFS) সংক্রান্ত যাবতীয় তথ্য দিতে হবে। এবার থেকে নতুন নিয়মের আওতায় ঋণ পাবেন গ্রাহকেরা। রিজার্ভ ব্যাঙ্কের তরফে জানানো হয়েছে, ব্যাঙ্ক, এনবিএফসিগুলিতে খুচরো ও এমএসএমই ঋণের নিয়ম আগামী অক্টোবর থেকেই পরিবর্তিত হচ্ছে।

    রিজার্ভ ব্যাঙ্কের নির্দেশ (RBI-New Loan Policy)

    আরবিআই জানিয়েছে, নতুন নিয়মে ঋণগ্রহীতাকে সুদ এবং অন্য খরচ সহ ঋণের সব তথ্য (KFS) অবশ্যই সরবরাহ করতে হবে। এই নিয়মের ফলে বেসরকারি ব্যাঙ্কগুলি গ্রাহকদের যাবতীয় তথ্য জানাতে বাধ্য থাকবে। বিশেষ করে পার্সোনাল লোন দেওয়ার ক্ষেত্রে ডিজিটাল ঋণ এবং স্বল্প পরিমাণের ঋণ সংক্রান্ত সমস্ত তথ্য প্রদান করা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। উল্লেখ্য এই ধরনের ঋণে (RBI-New Loan Policy) স্বচ্ছতা বাড়াতে আরবিআই-এর আওতাধীন আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলির প্রোডাক্ট সম্পর্কিত তথ্যের অভাব দূর করার জন্য এই নিয়মটি করা হয়েছে। এর মাধ্যমে, ঋণগ্রহীতারা সমস্ত তথ্য খতিয়ে চিন্তা ভাবনা করে লোন নিতে পারবেন। আরবিআই-এর নিয়ন্ত্রণাধীন সমস্ত সংস্থা যেগুলো খুচরো ও এমএসএমই লোন দেয়, তাঁদের জন্য এই ঋণ প্রযোজ্য হবে। একই ভাবে ব্যাঙ্কগুলিকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে যে, লোন সংক্রান্ত সব তথ্য ও চার্জ গ্রাহকদের লিখিত আকারে জানাতে হবে। কেইএস উল্লেখ করা নেই এমন কোনও চার্জ নেওয়া যাবে না। অর্থাৎ কোনও লুকনো চার্জ দিতে হবে না গ্রাহককে। ফলে ঝঞ্জাটহীন লোনের সুবিধা পাবেন গ্রাহকেরা।

    আরও পড়ুনঃ নিয়মিত পুজো করেন? জেনে নিন ঠাকুরের সামনে কতক্ষণ প্রসাদ রাখা যায়

    নতুন নিয়ম

    রিজার্ভ ব্যাঙ্ক বলেছে,“এবার থেকে থার্ড পার্টি পরিষেবা প্রদানকারীদের পক্ষ থেকে আরবিআই-এর আওতাধীন ঋণ (RBI-New Loan Policy) গ্রহণকারী সংস্থাগুলি থেকে সংগৃহীত বিমা এবং আইনি ফিগুলির (এপিআর) অংশ হবে। এটি আলাদাভাবে প্রকাশ করতে হবে। অন্যদিকে নতুন ঋণগ্রহীতাদের সঙ্গে যদি বর্তমান গ্রাহকরাও নতুন করে ঋণ নেন, তাহলেও সেই ঋণ এই নিয়মের আওতাতেই আসবে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • RBI: ১ এপ্রিল বদলানো হবে না ২০০০ টাকার নোট, কেন বলল আরবিআই?

    RBI: ১ এপ্রিল বদলানো হবে না ২০০০ টাকার নোট, কেন বলল আরবিআই?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আগামী ১ এপ্রিল, সোমবার ২০০০ টাকার নোট গ্রহণ বা বদল করা যাবে না, জানিয়ে দিল রিজার্ভ ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়া (RBI)। ২ এপ্রিল থেকে আবার চালু হবে পরিষেবা। ২০০০ টাকার নোটের লেনদেন এখন বন্ধ হয়ে গিয়েছে। বাজার থেকে নোট তুলে নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে এক বছর ধরে। কিন্তু, এখনও ১০০ শতাংশ নোট ব্যাঙ্কে ফেরেনি। আজও বিভিন্ন রাজ্যে রিজার্ভ ব্যাঙ্কের হেড অফিসগুলিতে ২০০০ টাকার নোট বদলের প্রক্রিয়া হয়ে চলেছে। তাই আগে থেকেই নিজেদের সিদ্ধান্তের কথা জানিয়ে দিল আরবিআই।

    কেন এই সিদ্ধান্ত

    বৃহস্পতিবার একটি বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে আরবিআই (RBI)। সেখানে জানানো হয়েছে আগামী ১ এপ্রিল, রিজার্ভ ব্যাঙ্কের ১৯টি অফিসেই ২০০০ টাকার ব্যাঙ্কনোট বদল এবং জমা দেওয়ার যাবতীয় প্রক্রিয়া বন্ধ থাকবে। শেষ হওয়ার অর্থবর্ষের হিসেবনিকেশ (annual closing of accounts) সংক্রান্ত কারণেই ওই দিন ২০০০ টাকার বদল ও জমা হবে না। যদিও, তারপরের দিন অর্থাৎ ২ এপ্রিল থেকেই এই কাজ আবার শুরু হবে বলে জানানো হয়েছে। এক্স হ্যান্ডেলেও এই বিষয়টি পোস্ট করেছে আরবিআই।  ২৯ ফেব্রুয়ারি আরবিআই জানিয়েছিল, ২০০০ টাকা নোটের ৯৭.৬২ শতাংশই ফেরত এসেছে। ২০২৩ সালের ১৯ মে আরবিআই ঘোষণা করেছিল, আর ২০০০ টাকার নতুন নোট ছাপা হবে না। বাজার থেকে পুরনো নোট তুলে নেওয়া হবে। 

    প্রসঙ্গত, ২০১৮ সালের অক্টোবরে ডিমানিটাইজেশনের পর নতুন ১০০, ৫০০ ও ২০০০ টাকার নোট বাজারে আনে নরেন্দ্র মোদির সরকার। কিন্তু, ২০০০ টাকার নোট খুচরো করতে সমস্যা হয় এবং এই নোটের অনেক নকল টাকাও বাজারে ছড়িয়ে পড়েছিল। তাই গত বছরের ১৯ মে ২০০০ টাকার নোট অবৈধ ঘোষণা করে বাজার থেকে তুলে নেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু করে আরবিআই। প্রথমদিকে সমস্ত ব্যাঙ্কে, তারপর কেবল রিজার্ভ ব্যাঙ্কের (RBI) শাখায় ২০০০ টাকার নোট জমা দিয়ে পরিবর্তে অন্য নোট নেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু হয়। 

     

    আরও পড়ুন: দক্ষিণ কলকাতায় নামী ছাতু ব্যবসায়ীর অফিসে আয়কর হানা, উদ্ধার বিপুল টাকা

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • 2000 Notes: ২ হাজার টাকার নোটের ৮৮ শতাংশই ব্যাঙ্কে ফেরত এসেছে, জানাল আরবিআই

    2000 Notes: ২ হাজার টাকার নোটের ৮৮ শতাংশই ব্যাঙ্কে ফেরত এসেছে, জানাল আরবিআই

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রিজার্ভ ব্যাঙ্ক জানিয়েছে বাজারে থাকা দু হাজার টাকার নোটের মোট ৮৮ শতাংশই তাদের কাছে ফিরে এসেছে। যার মূল্য ৩ লাখ ১৪ হাজার কোটি টাকা। প্রসঙ্গত, চলতি বছরের ১৯ মে একটি বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে ভারতের সর্বোচ্চ ব্যাঙ্ক। এবং সেখানে বলা হয় যে বাজার থেকে ২,০০০ টাকার নোট (2000 Notes) তুলে নেওয়া হবে। সময়সীমা বেঁধে দেওয়া হয় চলতি বছরে ৩০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত। এই সময়ের মধ্যে ২,০০০ টাকার (2000 Notes) নোটগুলি ব্যাঙ্কে এসে হয় বদল করে নিতে হবে অথবা অ্যাকাউন্টে জমা দিতে হবে।

    নোট বদলের থেকে জমা করার প্রবণতা বেশি

    সবে অগাস্ট মাস শুরু হয়েছে। সে দিক থেকে দেখতে গেলে এখনও পর্যন্ত দুই মাস বাকি রয়েছে নোট জমা বা বদলের জন্য।  অথচ তারই মধ্যে ৮৮ শতাংশ নোট ফিরে চলে এসেছে। রিজার্ভ ব্যাঙ্কের হিসাব বলছে, ১৯ মে পর্যন্ত বাজারে ৩ লক্ষ ৬২ হাজার কোটি টাকার মূল্যের ২,০০০ টাকার (2000 Notes) নোট চালু ছিল। যার মধ্যে তাদের কাছে ফিরে এসেছে  ৩ লাখ ১৪ হাজার কোটি টাকা। ব্যাঙ্কে এসে নোট বদল করার চেয়েও জমা করার প্রবণতা বেশি দেখা গিয়েছে। ব্যাঙ্কে নোট জমা করার প্রবণতা বেশি হওয়ায় অর্থনৈতিক বিশেষজ্ঞরা বলছেন,‘‘এর ফলে ব্যাঙ্কের কাছে নগদের যে সমস্যা তৈরি হচ্ছিল, তা অনেকটাই কাটবে এবং দেশের মানুষের নোট জমা করার প্রবণতার ফলে দেশের ব্যাঙ্কগুলিতে বাড়তে থাকবে ডিপোজিট।’’

    ৩০ সেপ্টেম্বরের পরেও অবৈধ হবেনা ২,০০০ টাকার নোট (2000 Notes)

    প্রসঙ্গত, গত জুন মাসের ৮ তারিখে রিজার্ভ ব্যাঙ্কের গভর্নর শক্তিকান্ত দাস জানিয়েছিলেন যে ৩০ সেপ্টেম্বরের মধ্যেও নোট জমা না পড়লে তা অবৈধ হয়ে যাবে না। ২,০০০ টাকার (2000 Notes) নোট বদল করা বা জমা করার প্রক্রিয়ার অগ্রগতি সম্পর্কে জানাতে গিয়ে সে সময় রিজার্ভ ব্যাঙ্কের গভর্নর বলেন, ‘‘বিভিন্ন ব্যাঙ্ক থেকে আমাদের কাছে যে তথ্য এসেছে তা বিশ্লেষণ করে দেখা যাচ্ছে, প্রায় ৮০ শতাংশ টাকা গ্রাহকের অ্যাকাউন্টে ঢুকেছে।’’ অর্থাৎ কিনা নোট বদল করার থেকেও জমা করার প্রবণতা বেশি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ। 

  • Repo Rate Unchanged: মধ্যবিত্তকে স্বস্তি দিয়ে রেপো রেট অপরিবর্তিত রাখল রিজার্ভ ব্যাঙ্ক

    Repo Rate Unchanged: মধ্যবিত্তকে স্বস্তি দিয়ে রেপো রেট অপরিবর্তিত রাখল রিজার্ভ ব্যাঙ্ক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ঋণের চাপ থেকে মধ্যবিত্তকে স্বস্তি দিতে রেপো রেট (Repo Rate Unchanged) বাড়ানোর পথে হাঁটল না রিজার্ভ ব্যাঙ্ক। আগের মতো রেপো রেট ৬.৫০ শতাংশই থাকছে। এই নিয়ে টানা ৬ বার রেপো রেট অপরিবর্তিত রাখল দেশের শীর্ষ ব্যাঙ্ক। 

    কী বললেন শক্তিকান্ত দাস?

    গত ৬ তারিখ থেকে শুরু হয়েছিল রিজার্ভ ব্যাঙ্কের আর্থিক নীতি নির্ধারণ কমিটির (এমপিসি) বৈঠক (RBI Monetary Policy)। এই দ্বিমাসিক বৈঠকে কেন্দ্রীয় ব্যাঙ্ক রেপো রেট নিয়ে নিয়ে কী সিদ্ধান্ত নেয়, সেদিকে নজর ছিল সকলের। তিনদিনের বৈঠক শেষে বৃহস্পতিবার সিদ্ধান্ত ঘোষণা করেন রিজার্ভ ব্যাঙ্কের গভর্নর শক্তিকান্ত দাস। তিনি বলেন, ‘‘এবারের বৈঠকে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে এবং কমিটি রেপো রেট (Repo Rate Unchanged) ৬.৫০ শতাংশে স্থির রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। ছয় সদস্যের মধ্যে পাঁচজন এর পক্ষে রায় দিয়েছেন।’’ একইভাবে, স্ট্যান্ডিং ডিপোজিট ফেসিলিটি ও মার্জিনাল স্ট্যান্ডিং ফেসিলিটির হারও যথাক্রমে ৬.২৫ ও ৬.৭৫ শতাংশে অপরিবর্তিত রাখা হয়েছে। 

    শীর্ষ ব্যাঙ্কের ঘোষণায় স্বস্তিতে মধ্যবিত্ত

    রেপো রেট (অর্থাৎ, যে সুদের হারে বাণিজ্যিক ব্যাঙ্কগুলিকে স্বল্প মেয়াদে ঋণ দেয় রিজার্ভ ব্যাঙ্ক) অপরিবর্তিত (Repo Rate Unchanged) থাকার ফলে, গৃহ ঋণ থেকে শুরু করে ব্যক্তিগত ঋণ, গাড়ির ঋণ ও শিক্ষা ঋণে সুদের হার একই থাকবে। তা বাড়বে না। রেপো রেট বৃদ্ধি পেলে, মধ্যবিত্তদের সমস্যা বাড়ত। কারণ, বাণিজ্যিক ব্যাঙ্কগুলিও ঋণের ক্ষেত্রে সুদের হারও বাড়িয়ে দিত। কিন্তু, রেপো রেট স্থির থাকায়, আশা করা যাচ্ছে যে, ব্যাঙ্কগুলি সুদের হার বৃদ্ধি করবে না। 

    মুদ্রাস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে প্রচেষ্টা অব্যাহত

    রিজার্ভ ব্যাঙ্কের মতে, রেপো রেট স্থির (Repo Rate Unchanged) থাকলে, মুদ্রাস্ফীতির মোকাবিলা করা সহজ হবে। যে কারণে, গত ৬ বার রেপো রেট এক রাখার ফলে, দেশের খুচরো মুদ্রাস্ফীতিতে আংশিক লাগাম পরানো গিয়েছে। শক্তিকান্ত দাস বলেন, ‘‘বিশ্বব্যাপী অর্থনৈতিক প্রেক্ষাপট বিশ্লেষণ করে মিশ্র সংকেত পাওয়া যাচ্ছে। মূদ্রাস্ফীতিও কিছুটা কমবে বলে মনে হচ্ছে (RBI Monetary Policy)। মুদ্রাস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে আনার জন্য আমাদের প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকবে।’’ এরসঙ্গেই তাঁর দাবি, জিডিপি বৃদ্ধির সম্ভাব্য লক্ষ্যমাত্রা আগে ৬.৫ শতাংশ রাখা হলেও তা বাড়িয়ে ৭ শতাংশ করা হয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share