Tag: rg kar

rg kar

  • Sanjay Ray: সঞ্জয় রায়ের বয়ানে অসঙ্গতি? আধুনিক প্রযুক্তির মাধ্যমে ফের জেরার নির্দেশ হাইকোর্টের

    Sanjay Ray: সঞ্জয় রায়ের বয়ানে অসঙ্গতি? আধুনিক প্রযুক্তির মাধ্যমে ফের জেরার নির্দেশ হাইকোর্টের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আরজি কর মেডিক্যাল কলেজ (Sanjay Say) ও হাসপাতালের ধর্ষণ এবং খুনের মামলায় মর্মান্তিক ঘটনার তদন্তে এক নতুন মোড়। এই মামলায় দোষী সাব্যস্ত সঞ্জয় রায়কে আধুনিক প্রযুক্তির সাহায্যে পুনরায় জিজ্ঞাসাবাদের নির্দেশ দিল কলকাতা হাইকোর্ট (Calcutta High Court)। মূলত সঞ্জয়ের বয়ানে বারবার যে অসঙ্গতি উঠে আসছে, তা দূর করতেই কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থাকে (CBI) এই নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ইতিমধ্যেই চিকিৎসক তরুণীকে খুন ও ধর্ষণের ঘটনায় যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের সাজা পেয়েছেন সঞ্জয়।

    আদালতের পর্যবেক্ষণ ও নির্দেশ (Calcutta High Court)

    কলকাতা হাইকোর্ট (Calcutta High Court) জানিয়েছে যে, তদন্তের স্বার্থে এবং প্রকৃত সত্য উদঘাটনে কোনও ফাঁক রাখা চলবে না। সঞ্জয় রায় (Sanjay Say) তদন্তের শুরুতে যে বয়ান দিয়েছিলেন, পরবর্তী সময়ে তার মধ্যে নানা বৈপরীত্য লক্ষ্য করা গেছে। এই ধোঁয়াশা কাটাতে এবং ঘটনার পুঙ্খানুপুঙ্খ বিবরণ পেতে আধুনিক ফরেন্সিক প্রযুক্তি বা মনস্তাত্ত্বিক পরীক্ষার (Psychological Analysis) সাহায্য নেওয়ার প্রয়োজনীয়তা অনুভব করেছে আদালত।

    বিচারপতি রাজাশেখর মান্থা বলেছেন,“মৃতের পরিবার নতুন করে ঘটনাস্থল ভিজিট করতে চেয়েছে। তাতে সিবিআইয়ের কোনও আপত্তি নেই। তাহলে রাজ্যের আপত্তি কীসের? মামলায় তারা পার্টিও নয়। যদি নতুন করে পরিবার হলফনামা দেয়, আর সিবিআই তদন্ত এগিয়ে নিয়ে যেতে চায়, তাতে রাজ্য আপত্তি করবে কেন? ছাত্রের রহস্য মৃত্যুতে পরে ফরেনসিক ডাক্তার প্রমাণ দেন খুনের। এই ক্ষেত্রেও ফরেন্সিকের ভালো ভাবে খতিয়ে দেখার জায়গা আছে।

    তদন্তের বর্তমান পরিস্থিতি

    সিবিআই ইতিমধ্যেই সঞ্জয় রায়ের (Sanjay Say) পলিগ্রাফ টেস্ট বা মিথ্যা শনাক্তকরণ পরীক্ষা সম্পন্ন করেছে। তবে তদন্তকারীরা মনে করছেন, অপরাধের রহস্য পুরোপুরি উন্মোচনে এখনও কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্যের অভাব রয়েছে। আদালতের (Calcutta High Court) নির্দেশ অনুযায়ী, এবার আরও উন্নত ও আধুনিক বৈজ্ঞানিক পদ্ধতির মাধ্যমে তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে, যাতে ঘটনার সময়কার প্রকৃত পরিস্থিতি স্পষ্ট হয়। “আরজিকর মামলায় যদি দরকার হয় সিবিআই নতুন করে সাজাপ্রাপ্ত সঞ্জয় রায় ও অন্য সন্দেহভাজনদের জিজ্ঞাসাবাদ করতে পারবে। সিবিআই যেন কোনও দ্বিধা না করে তদন্ত এগিয়ে নিয়ে যায়।” এমনটাই বললেন হাইকোর্টের বিচারপতি রাজাশেখর মান্থা।

    আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার

    বিচারপতির (Calcutta High Court) বেঞ্চ স্পষ্ট করে দিয়েছে যে, এই জঘন্য অপরাধের বিচার প্রক্রিয়া যেন কোনওভাবেই দীর্ঘায়িত বা বাধাগ্রস্ত না হয়। স্বচ্ছ ও নিরপেক্ষ (Sanjay Say) তদন্ত নিশ্চিত করতেই আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহারের ওপর জোর দেওয়া হয়েছে।উল্লেখ্য, আরজি করের এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাজ্যজুড়ে যে প্রতিবাদের ঝড় উঠেছে, সেই আবহে আদালতের এই নির্দেশ অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল। স্বচ্ছ তদন্তের মাধ্যমে দোষীরা যাতে কঠোরতম শাস্তি পায়, এখন সেই দিকেই তাকিয়ে সাধারণ মানুষ।

  • RG Kar Case: লিফটকাণ্ডের পর স্ট্রেচার না পেয়ে মৃত্যু! এবারেও কেন্দ্রে আরজি করের অভিষপ্ত ট্রমা সেন্টার, মমতাকে তুলোধনা বিজেপির

    RG Kar Case: লিফটকাণ্ডের পর স্ট্রেচার না পেয়ে মৃত্যু! এবারেও কেন্দ্রে আরজি করের অভিষপ্ত ট্রমা সেন্টার, মমতাকে তুলোধনা বিজেপির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের খবরের শিরোনামে আরজি কর মেডিক্যাল কলেজ-হাসপাতাল (RG Kar Case)। এবার ভালো চিকিৎসার আশায় হাসপাতালে এসে মৃত্যু হয়েছে বছর ষাটেকের বিশ্বজিৎ সামন্তের। দিন কয়েক আগে এই হাসপাতালেই লিফট বিপর্যয়ের জেরে মৃত্যু হয়েছিল এক ব্যক্তির। তার রেশ মিলিয়ে যাওয়ার আগেই ফের একবার দুর্ঘটনার জেরে আবারও খবরের শিরোনামে এই হাসপাতাল (BJP)। রাজ্যের স্বাস্থ্য ব্যবস্থার হাল তলানিতে ঠেকে যাওয়ায় সোচ্চার বিরোধীরা।

    আরজি করের ট্রমা কেয়ারে শৌচালয় নেই (RG Kar Case)

    বুকে ব্যথা, শ্বাসকষ্ট নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল বিশ্বজিৎকে। অবস্থা সঙ্কটজনক হওয়ায় ট্রমা কেয়ারে চিকিৎসা চলছিল তাঁর। নাক দিয়ে রক্ত পড়ছিল। রক্ত পড়া বন্ধ করতে রবিবার থেকেই তাঁর নাকে ড্রপ দেওয়া হয়েছিল। এরপর সামান্য উন্নতি হয় তাঁর শারীরিক অবস্থার। পরিবারের অভিযোগ, বিশ্বজিৎ শৌচালয়ে যেতে চেয়েছিলেন। ওই বিল্ডিংয়ে শৌচালয় না থাকায় চিকিৎসকরা তাঁকে হাসপাতালের বাইরে থাকা সুলভ শৌচালয় ব্যবহারের পরামর্শ দেন। উপায়ান্তর না দেখে স্ট্রেচারের খোঁজ করতে থাকেন তাঁর বাড়ির লোকজন। স্ট্রেচার না মেলায় তাঁকে হাঁটিয়েই শৌচালয়ে নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল। সেই সময় আচমকাই অসুস্থ বোধ করেন বিশ্বজিৎ। লুটিয়ে পড়েন মাটিতে। সঙ্গে সঙ্গে তাঁকে কোলে করে নিয়ে গিয়ে শোয়ানো হয় বেডে। চিকিৎসকরা পরীক্ষা করে তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন। মৃতের স্ত্রী জানান, তাঁর স্বামী রাস্তায় লুটিয়ে পড়লে বাইরে থাকা জওয়ানকে সাহায্যের জন্য ডেকেছিলেন। কিন্তু তিনি আসেননি বলে অভিযোগ। রাজ্যের সরকারি একটি হাসপাতালে একের পর এক দুর্ঘটনা এবং (BJP) অব্যবস্থার বিরুদ্ধে সরব হয়েছে মৃতের পরিবারও। যদিও এ ব্যাপারে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের কোনও প্রতিক্রিয়া মেলেনি। একটি অস্বাভাবিক মৃত্যুর মামলা রুজু করে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।

    লিফটে আটকে মৃত্যু

    গত শুক্রবার লিফট বিপর্যয়ের জেরে এই হাসপাতালেই মৃত্যু হয়েছিল দমদমের বাসিন্দা অরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়ের। ছেলের ভাঙা হাতের চিকিৎসা করাতে হাসপাতালে এসেছিলেন তিনি। শুক্রবার ছেলের হাতের অস্ত্রোপচার হওয়ার কথা ছিল। সেদিনই ছেলে ও স্ত্রীকে নিয়ে হাসপাতালের বিভিন্ন সেকশনে দৌড়াদৌড়ি করতে (RG Kar Case) থাকেন অরূপ। পরে ট্রমা কেয়ারের লিফটে উঠে পড়েন তিনজনেই। সেখানেই ঘণ্টাখানেক আটকে থাকার পর স্ত্রী ও ছেলের সামনেই মৃত্যু হয় ওই ব্যক্তির। দুর্ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী মৃতের স্ত্রীর অভিযোগ, লিফট বেসমেন্টে আটকে যাওয়ার পর তাঁর স্বামী নেমে আসার চেষ্টা করছিলেন। সেই সময়ই লিফ্‌ট হঠাৎ উপরের দিকে উঠে যেতে শুরু করে এবং লিফ্‌ট এবং দেওয়ালের মাঝখানে চাপা পড়েই মৃত্যু হয় দমদমের বাসিন্দা অরূপের। প্রচণ্ড চাপের ফলে তাঁর হৃৎপিণ্ড, ফুসফুস ও লিভার ফেটে গিয়েছে। এছাড়া তাঁর হাত, পা এবং পাঁজরের হাড়ও ভেঙে চুরমার হয়ে গিয়েছে। ওই ঘটনায় লিফটম্যান-সহ মোট পাঁচজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

    মুখ্যমন্ত্রীকে নিন্দা রাজ্য বিজেপির 

    ঘটনায় কড়া প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে বিজেপি। রাজ্যের বিদায়ী বিরোধী দলনেতা বিজেপির শুভেন্দু অধিকারী বলেন, “ইচ্ছে করে মেরে দিয়েছে। খুনের মামলা দায়ের হওয়া উচিত। খুনের জন্য প্রত্যক্ষভাবে দায়ী আরজি করের সুপার। পরোক্ষভাবে দায় স্বাস্থ্য দফতর, স্বাস্থ্যসচিব নারায়ণ স্বরূপ নিগম এবং স্বাস্থ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের।” আর এক বিজেপি নেতা দিলীপ ঘোষ বলেন, “পশ্চিমবঙ্গে যত সরকারি হাসপাতাল রয়েছে, সবক’টিই আরজি করের মতো আদতে মৃত্যু ফাঁদ। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এতদিন স্বাস্থ্যমন্ত্রী ছিলেন। কী (BJP) করেছেন? মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কোনও যোগ্যতাই নেই। তাই এবার পরিবর্তন দরকার।” বিজেপির মুখপাত্র, পেশায় আইনজীবী দেবজিৎ সরকার বলেন, “যারা লিফট চালাতে পারে না, তারা আবার সরকার চালাবে কী করে?”

    হাসপাতালে বিক্ষোভ এবিভিপির

    মর্মান্তিক মৃত্যুর প্রতিবাদে রবিবার, আরজি কর মেডিক্যালের সামনে বিক্ষোভ দেখায় আরএসএস-এর ছাত্র সংগঠন এবিভিপি। এক বিক্ষোভকারী কর্মী বলেছেন, ‘‘মেডিক্যাল কলেজগুলোর যে বর্তমান পরিস্থিতি, মানুষ এখানে বাঁচতে আসে না। এখানে মরতে আসে। প্রত্যেকটা মেডিক্যাল কলেজ এখন মর্গখানা এবং শ্মশান ঘাটে পরিণিত করেছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে।’’ আর এক বিক্ষোভকারী কর্মী বলেন, ‘‘যতক্ষণ না এই বিষয়ের তদন্ত হচ্ছে এবং যারা যারা দোষী তাদের সাসপেনশন হচ্ছে, আমরা ততক্ষণ অবধি আন্দোলন করব। মমতা ব্যানার্জির যে সরকার, আজকে কেয়ারটেকিং সরকারে পরিণত হয়েছে। মমতা ব্যানার্জি স্বাস্থ্যমন্ত্রী হিসেবে ফেল, পুলিশমন্ত্রী হিসেবে ফেল।’’

    আরজি করেই ঘটে কর্তব্যরত মহিলা ডাক্তারের হত্যা (RG Kar Case)

    ২০২৪ সালে এই হাসপাতালেই ঘটেছিল সেই ভয়ঙ্কর ঘটনা। কর্তব্যরত তরুণী চিকিৎসক তিলোত্তমাকে প্রথমে ধর্ষণ ও পরে প্রমাণ লোপাটের উদ্দেশে খুন করা হয়। প্রথমে সেই ঘটনার তদন্ত শুরু করেছিল লালবাজার। পরে হাইকোর্টের নির্দেশে তদন্তের দায় বর্তায় কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা সিবিআইয়ের ওপর। সেই ঘটনার স্মৃতি এখনও রাজ্যবাসীর মনে রয়েছে দগদগে ক্ষতের মতো। আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনে প্রচারে (RG Kar Case) বেরিয়ে তিলোত্তমাকাণ্ডকে হাতিয়ারও করছে একাধিক রাজনৈতিক দল। বিচার না পেয়ে তিলোত্তমার মা প্রার্থী হয়ে চেয়েছেন পদ্ম শিবিরের। দিন চারেক আগে স্বামীকে সঙ্গে নিয়ে তিনি গিয়েছিলেন বিজেপি নেতা অর্জুন সিংয়ের বাড়িতে। তাঁর বাবা-মায়ের সঙ্গে ঘণ্টা দেড়েক কথা বলেন অর্জুন। এই সাক্ষাতের পরেই পদ্ম-শিবিরে যোগ দেন তিলোত্তমার মা। রাজনীতিতে তিলোত্তমার মায়ের প্রার্থী হওয়া প্রসঙ্গে তিলোত্তমার বাবা বলেন, “যাঁরা বিরোধী দলটা করছেন, যাঁদের শিরদাঁড়া রয়েছে, তাঁরা বিজেপি পার্টির। ক্ষমতায় আসতে পারে। তৃণমূল সরকারকে উৎখাত করার ক্ষমতা রয়েছে বিজেপির।” তিনি বলেন, “বাংলার নারী সুরক্ষার জায়গাটা আরও নিশ্চিত করতে পারব (BJP)।” তিলোত্তমার মা বলেন, “দুঃখ-যন্ত্রণা ভেতরে রয়েছে। সেটাই আরও বাড়িয়ে দিচ্ছে সব পরিস্থিতি। তাই আমি এই সিদ্ধান্ত নিয়েছি। আমি নিজেই ফোন করে বলেছি, প্রার্থী হতে চাই। আমার মেয়েকে কেউ নির্বাচনে ব্যবহার করুক, সেটা চাই না। তাই বিজেপিতে যোগ দিয়েছি (RG Kar Case)।”

  • CBI Raids: আরজি করের আর্থিক দুর্নীতির তদন্তে কলকাতার ডেপুটি মেয়র অতীন ঘোষের বাড়িতে সিবিআই

    CBI Raids: আরজি করের আর্থিক দুর্নীতির তদন্তে কলকাতার ডেপুটি মেয়র অতীন ঘোষের বাড়িতে সিবিআই

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আরজি কর হাসপাতালের আর্থিক দুর্নীতি (RG Kar Case) মামলার তদন্তে কলকাতা পুরসভার ডেপুটি মেয়র অতীন ঘোষের বাড়িতে হানা দিল সিবিআই (CBI Raids)। সিবিআই-এর তিনটি গাড়ি শুক্রবার দুপুর ২টোর পর অতীনের উত্তর কলকাতার বাড়িতে পৌঁছেছে। রয়েছেন কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানেরাও। আরজি করে ধর্ষণ-খুনের ঘটনার পর প্রকাশ্যে আসে আর্থিক দুর্নীতির বিষয়টি।

    কেন অতীনের বাড়িতে সিবিআই

    অভিযোগ, হাসপাতালের বিভিন্ন ক্ষেত্রে বরাদ্দ অর্থ নয়ছয় করা হয়েছে। কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশে এই মামলাটির তদন্তও করছে সিবিআই। এই মামলায় গ্রেফতার করা হয়েছিল আরজি করের প্রাক্তন অধ্যক্ষ সন্দীপ ঘোষকে। এখনও তিনি জেলে। প্রথম থেকে আরজি করের দুর্নীতি প্রসঙ্গে একাধিক বার অতীনের নাম এসেছে। সেই কারণেই তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করতে চেয়েছেন কেন্দ্রীয় সংস্থার আধিকারিকেরা। অতীন আরজিকরে রোগী কল্যাণ সমিতির চেয়ারপার্সন। একইসঙ্গে বেলগাছিয়া পূর্বের বিধায়ক। এই আরজি কর মেডিকেল কলেজ তাঁর বিধানসভা ক্ষেত্রের মধ্যেই পড়ে। তাই বিধায়ক হিসেবে রোগী কল্যাণ সমিতির সদস্য ছিলেন অতীন, এখন তো চেয়ারপার্সনও বটে। এখন অতীনের থেকে সিবিআই কোনও নতুন তথ্য পায় কিনা সেটাই দেখার।

    চলছে জিজ্ঞাসাবাদ

    সূত্রের খবর, শুক্রবার জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে বলে আগেই অতীনকে জানানো হয়েছিল সিবিআই-এর তরফে। সেই অনুযায়ী দুপুরে কেন্দ্রীয় আধিকারিকেরা তাঁর শ্যামবাজারের বাড়িতে যান। সিবিআই-এর দলে রয়েছেন আর্থিক দুর্নীতি মামলার মূল তদন্তকারী অফিসার-সহ সিবিআই-এর উচ্চপদস্থ একাধিক আধিকারিক। কিছু দিন আগে শ্রীরামপুরের বিধায়ক সুদীপ্ত রায়ের বাড়িতেও হানা দিয়েছিল সিবিআই। সেখানে যে আধিকারিক ছিলেন, অতীনের বাড়িতেও তিনি রয়েছেন। সন্দীপ-সহ পাঁচ জনের বিরুদ্ধে আরজি করের আর্থিক দুর্নীতি মামলায় চার্জগঠন করেছে সিবিআই। আলিপুর আদালতে এই মামলা বিচারাধীন।

    আর্থিক দুর্নীতির মামলার তদন্তে

    কিছুদিন আগেই তৃণমূল বিধায়ক সুদীপ্ত রায়ের বাড়িতে হানা দিয়েছিল সিবিআই। বাড়ি ছাড়াও তাঁর নার্সিংহোমেও হানা দিয়েছিল। দীর্ঘক্ষণ চলেছিল তল্লাশি। সূত্রের খবর, এবার আরজি করের আর্থিক দুর্নীতি মামলার তদন্তে অতীনের বাড়িতে পৌঁছে গিয়েছে সিবিআই। তবে অতীন ঘোষ বাড়িতে রয়েছে কিনা সে বিষয়ে স্পষ্টভাবে কিছু জানা যায়নি। বাড়ির বাকি সদস্যদের সঙ্গে সিবিআই প্রাথমিকভাবে কথা বলছে। আরজি করে ২০২৪ সালের ৯ অগাস্ট মহিলা চিকিৎসককে ধর্ষণ এবং খুন করা হয়। মূল অভিযুক্ত সঞ্জয় রায়কে দোষী সাব্যস্ত করে সাজা দেওয়া হয়েছে। কিন্তু পাশাপাশি আর্থিক দুর্নীতির মামলাটি এখনও চলছে। ধর্ষণ-খুনের মামলায় বৃহত্তর ষড়যন্ত্রের অভিযোগের তদন্তও চালাচ্ছে সিবিআই।

     

     

     

     

     

  • Suvendu Adhikari: ‘‘ডাক্তারদের বেতন বৃদ্ধি আন্দোলনকে ছত্রভঙ্গ করতেই’’, মমতাকে তোপ শুভেন্দুর

    Suvendu Adhikari: ‘‘ডাক্তারদের বেতন বৃদ্ধি আন্দোলনকে ছত্রভঙ্গ করতেই’’, মমতাকে তোপ শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চিকিৎসকদের বেতনবৃদ্ধি আসলে ডাক্তার আন্দোলনকে ছত্রভঙ্গ করতেই। এমনটাই দাবি শুভেন্দু অধিকারীর (Suvendu Adhikari)। এছাড়াও চিকিৎসা পরিষেবা, মেডিক্যাল কলেজ ফেস্ট-সহ একাধিক বিষয়ে মমতাকে (Mamata Banerjee) তোপ দেগেছেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা।

    চিকিৎসকদের আন্দোলনকে ছত্রভঙ্গ করার ছক

    নিজের এক্স মাধ্যমে শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) লেখেন, ‘‘আরজি কর মেডিক্যাল কলেজের ডাক্তার বোনটি আজও বিচার পাননি। বোন অভয়ার বাবা মা প্রতিদিন বিচারের দাবিতে মহামান্য আদালতের দুয়ারে দুয়ারে ঘুরছেন। বোন অভয়ার সহকর্মী চিকিৎসকরা এখনো বিচারের দাবিতে আন্দোলনরত ও সংঘবদ্ধ। এরকম একটা প্রেক্ষাপটে মুখ্যমন্ত্রী ধনধান্য স্টেডিয়াম থেকে সরকারি চিকিৎসকদের বেতন বৃদ্ধির ঘোষণা করলেন যা আদপে চিকিৎসকদের আন্দোলনকে ছত্রভঙ্গ করার এক সুষ্পষ্ট পরিকল্পিত ছক।’’

    স্বাধীন ভারতের কালিমালিপ্ত অধ্যায় আরজি কর

    শুভেন্দু (Suvendu Adhikari) লেখেন, ‘‘আরজি কর ধর্ষণ কান্ড স্বাধীন ভারতে ঘটা পশ্চিমবঙ্গের সব থেকে কালিমালিপ্ত অধ্যায়। সরকারি চিকিৎসকদের আন্দোলনের ফলে দেশে বিদেশে স্বাস্থ্যমন্ত্রী তথা পুলিশ মন্ত্রী ও মুখ্যমন্ত্রীর মুখ পুড়েছে। রাজ্যে স্বাস্থ্য ব্যবস্থার জীর্ণ দশা দেশের সামনে উন্মোচিত হয়ে গিয়েছে, যা অবশ্যই মুখ্যমন্ত্রীর জন্য অস্বস্তিকর।’’

    এগিয়ে বিজেপি শাসিত রাজ্যগুলি

    বিরোধী দলনেতার (Suvendu Adhikari) মতে, ‘‘আজ সরকারি চিকিৎসকদের বেতন বৃদ্ধির ঘোষণার ফলে চিকিৎসকদের বেতন যে যৎসামান্য বেড়েছে তার সঙ্গে যে পরিমাণ সামান্য শতাংশ মহার্ঘ ভাতা পশ্চিমবঙ্গ সরকার দেয় তা যোগ করে মাসের শেষে যে টাকা তারা হাতে পাবেন তা দেশের বিজেপি শাসিত রাজ্যগুলিতে একই পদে কর্মরত চিকিৎসকরা যে বেতন পান তার থেকে অনেকটাই কম, সুতরাং এই বেতন বৃদ্ধিতে সরকারি চিকিৎসকরা উপকৃত হবেন না। আর নার্স, স্বাস্থ্য কর্মচারীরা ও এজেন্সির মাধ্যমে নিয়োজিত হাসপাতালের কর্মচারীগণ এই বেতন বৃদ্ধি থেকে বঞ্চিত হলেন তাদের বিষয়ে সরকারের কোনও চিন্তাভাবনা রয়েছে বলে মনে হয় না।’’

    নির্বাচনের আগে ঘুষ দিচ্ছেন মমতা

    শুভেন্দু অধিকারীর মতে, ‘‘মমতা ব্যনার্জী এছাড়াও প্রতিটি মেডিকেল কলেজে “ফেস্ট” আয়োজন করার জন্য দু কোটি টাকা করে দেওয়ার ঘোষণা করেছেন। বিগত দশ বছর ধরে মেডিকেল কলেজ সহ রাজ্যের বিভিন্ন কলেজ গুলিতে ছাত্র সংসদের নির্বাচন হয় নি। এত দিন শাসকদলের ছাত্র নেতারা ফেস্টের টাকা নয়ছয় করতো, এ বার মুখ্যমন্ত্রী দুর্নীতির লাইসেন্স দিয়ে দিলেন। রোগী পরিষেবা যেখানে নিম্ন মানের সেখানে এই অনুদান মানানসই? রোগীদের স্যালাইন বাইরে থেকে কিনতে হচ্ছে, সেখানে ২ কোটি টাকা ফেস্টের জন্য অনুদান! এটা কি নির্বাচনের আগে ঘুষ?’’

  • RG Kar Rape and Murder Case: ‘ঘটনা বিরলতমই’! আরজি করে নির্যাতিতার বাড়িতে শুভেন্দু, আজ শুনানি সুপ্রিম কোর্টে

    RG Kar Rape and Murder Case: ‘ঘটনা বিরলতমই’! আরজি করে নির্যাতিতার বাড়িতে শুভেন্দু, আজ শুনানি সুপ্রিম কোর্টে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আরজি করে (RG Kar Rape and Murder Case) নির্যাতিতার পরিবারের পাশে থাকার বার্তা দিলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। তাঁদের লড়াই করার মানসিকতাকে কুর্নিশ জানালেন বিজেপি নেতা। একই সঙ্গে এই ঘটনাকে বিরলতম অ্যাখ্যা দিলেন তিনি। অন্যদিকে, আজ, বুধবার চিকিৎসক পড়ুয়ার খুন ও ধর্ষণের মামলা শুনবে দেশের শীর্ষ আদালত (Supreme Court)। এই ঘটনায় দোষী সঞ্জয় রায়কে নিম্ন আদালত শাস্তি দেওয়ার পর এই প্রথম  সুপ্রিম কোর্টে মামলার শুনানি হচ্ছে। প্রধান বিচারপতি সঞ্জীব খন্না, বিচারপতি সঞ্জয় কুমার এবং বিচারপতি কেভি বিশ্বনাথনের বেঞ্চে হবে এই মামলার শুনানি।

    ‘বড় লড়াই’-এর বার্তা শুভেন্দুর

    আরজি কর-কাণ্ডে (RG Kar Rape and Murder Case) শাস্তি ঘোষণার পরের দিন নির্যাতিতার বাবা-মায়ের সঙ্গে দেখা করে ‘বড় লড়াই’-এর বার্তা দিলেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। তিনি জানান, ঘটনার পর থেকে নির্যাতিতার পরিবারের সঙ্গে তাঁর কথাবার্তা হচ্ছে। নির্যাতিতার বাবা-মা তাঁর উপরে ভরসা রাখেন। প্রায় ৩০ মিনিট তাঁদের মধ্যে কথাবার্তা হয়েছে বলেও জানান শুভেন্দু। মঙ্গলবার নির্যাতিতার বাবা-মায়ের সঙ্গে কথাবার্তা বলে তাঁদের বাড়ি থেকে বেরিয়ে তিনি বলেন, ‘‘ওঁদের লড়াইয়ের মানসিকতাকে কুর্নিশ। ওঁদের একটি পিটিশনের শুনানি রয়েছে সুপ্রিম কোর্টে। সামগ্রিক ভাবে ওঁরা বৃহত্তর আইনি লড়াইয়ের প্রস্তুতি নিয়েছেন।’’ শুভেন্দুর সংযোজন, ‘‘আমি নিজেকে তাঁদের পরিবারের এক জন বলে মনে করি। আমি তাঁদের সঙ্গে রয়েছি। যে ভাবে ওঁরা সহযোগিতা চাইবেন, সে ভাবে আমার সাধ্যমতো ওঁদের সাহায্য করব।’’

    আরও পড়ুন: বয়স ৩৫-এর কোঠায় পৌঁছনোর আগেই দেখা দিচ্ছে ক্যান্সার! কীভাবে দ্বিগুণ হচ্ছে ঝুঁকি?

    প্রস্তুতি নিচ্ছে পরিবার

    সোমবার আরজি করের ধর্ষণ এবং খুনের মামলায় (RG Kar Rape and Murder Case) ধৃত সিভিক ভলান্টিয়ার সঞ্জয় রায়কে আমরণ কারাবাসের শাস্তি দেয় শিয়ালদা আদালত। বিচারক অনির্বাণ দাস তাঁর নির্দেশে জানান, বিরলের মধ্যে বিরলতম নয় এই ঘটনা। এ প্রসঙ্গে  শুভেন্দু বলেন, ‘‘আমার মতে ঘটনাটি (আরজি কর-কাণ্ড) বিরলতমই। জাজমেন্টে (বিচারে) অনেকগুলো বিন্দু আছে। অনেকগুলো ভাল কথা বলেছেন বিচারক। কলকাতা পুলিশ, হাসপাতাল থেকে সিবিআই নিয়ে বেশ কিছু ত্রুটির কথা বলেছেন। তবে বিচার ব্যবস্থাকে সম্মান জানিয়েই বলছি, সরকারি কর্মক্ষেত্রে এক জন মহিলা চিকিৎসককে যে ভাবে অত্যাচার করা হয়েছে, আমার ব্যক্তিগত মত, এটা বিরলতম ঘটনা। অনেক বড় লড়াই হবে। পরিবার তার প্রস্তুতি নিচ্ছে।’’ 

    সুপ্রিম দুয়ারে পরিবার

    আরজি কর কাণ্ডে (RG Kar Rape and Murder Case) দু’টি বিষয়ে মামলা চলছে। একটি হল, মহিলা চিকিৎসক-পড়ুয়াকে ধর্ষণ ও খুনের মামলা। অন্যটি, আর্থিক দুর্নীতির মামলা। দু’টি মামলা স্বতঃপ্রণোদিত ভাবেই শুনবে বলে জানিয়েছিল সুপ্রিম কোর্ট। আরজি করের ধর্ষণ এবং খুনের মামলায় গত শনিবার শিয়ালদা আদালত ধৃত সঞ্জয় রায়কে দোষী সাব্যস্ত করে। সোমবার তাঁর আজীবন জেলের শাস্তি হয়েছে। কিন্তু নির্যাতিতার পরিবারের দাবি, একা সঞ্জয় নন, অপরাধের জড়িত রয়েছেন আরও ব্যক্তি। শিয়ালদা আদালত রায় ঘোষণার আগেই চলতি মাসের গোড়ায় ‘আরও তদন্ত চেয়ে’ শীর্ষ আদালতে আবেদনের কথা জানিয়েছিলেন তাঁরা।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • RG Kar Rape and Murder Case: ‘ঘটনা বিরলতমই’! আরজি করে নির্যাতিতার বাড়িতে শুভেন্দু, আজ শুনানি সুপ্রিম কোর্টে

    RG Kar Rape and Murder Case: ‘ঘটনা বিরলতমই’! আরজি করে নির্যাতিতার বাড়িতে শুভেন্দু, আজ শুনানি সুপ্রিম কোর্টে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আরজি করে (RG Kar Rape and Murder Case) নির্যাতিতার পরিবারের পাশে থাকার বার্তা দিলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। তাঁদের লড়াই করার মানসিকতাকে কুর্নিশ জানালেন বিজেপি নেতা। একই সঙ্গে এই ঘটনাকে বিরলতম অ্যাখ্যা দিলেন তিনি। অন্যদিকে, আজ, বুধবার চিকিৎসক পড়ুয়ার খুন ও ধর্ষণের মামলা শুনবে দেশের শীর্ষ আদালত (Supreme Court)। এই ঘটনায় দোষী সঞ্জয় রায়কে নিম্ন আদালত শাস্তি দেওয়ার পর এই প্রথম  সুপ্রিম কোর্টে মামলার শুনানি হচ্ছে। প্রধান বিচারপতি সঞ্জীব খন্না, বিচারপতি সঞ্জয় কুমার এবং বিচারপতি কেভি বিশ্বনাথনের বেঞ্চে হবে এই মামলার শুনানি।

    ‘বড় লড়াই’-এর বার্তা শুভেন্দুর

    আরজি কর-কাণ্ডে (RG Kar Rape and Murder Case) শাস্তি ঘোষণার পরের দিন নির্যাতিতার বাবা-মায়ের সঙ্গে দেখা করে ‘বড় লড়াই’-এর বার্তা দিলেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। তিনি জানান, ঘটনার পর থেকে নির্যাতিতার পরিবারের সঙ্গে তাঁর কথাবার্তা হচ্ছে। নির্যাতিতার বাবা-মা তাঁর উপরে ভরসা রাখেন। প্রায় ৩০ মিনিট তাঁদের মধ্যে কথাবার্তা হয়েছে বলেও জানান শুভেন্দু। মঙ্গলবার নির্যাতিতার বাবা-মায়ের সঙ্গে কথাবার্তা বলে তাঁদের বাড়ি থেকে বেরিয়ে তিনি বলেন, ‘‘ওঁদের লড়াইয়ের মানসিকতাকে কুর্নিশ। ওঁদের একটি পিটিশনের শুনানি রয়েছে সুপ্রিম কোর্টে। সামগ্রিক ভাবে ওঁরা বৃহত্তর আইনি লড়াইয়ের প্রস্তুতি নিয়েছেন।’’ শুভেন্দুর সংযোজন, ‘‘আমি নিজেকে তাঁদের পরিবারের এক জন বলে মনে করি। আমি তাঁদের সঙ্গে রয়েছি। যে ভাবে ওঁরা সহযোগিতা চাইবেন, সে ভাবে আমার সাধ্যমতো ওঁদের সাহায্য করব।’’

    আরও পড়ুন: বয়স ৩৫-এর কোঠায় পৌঁছনোর আগেই দেখা দিচ্ছে ক্যান্সার! কীভাবে দ্বিগুণ হচ্ছে ঝুঁকি?

    প্রস্তুতি নিচ্ছে পরিবার

    সোমবার আরজি করের ধর্ষণ এবং খুনের মামলায় (RG Kar Rape and Murder Case) ধৃত সিভিক ভলান্টিয়ার সঞ্জয় রায়কে আমরণ কারাবাসের শাস্তি দেয় শিয়ালদা আদালত। বিচারক অনির্বাণ দাস তাঁর নির্দেশে জানান, বিরলের মধ্যে বিরলতম নয় এই ঘটনা। এ প্রসঙ্গে  শুভেন্দু বলেন, ‘‘আমার মতে ঘটনাটি (আরজি কর-কাণ্ড) বিরলতমই। জাজমেন্টে (বিচারে) অনেকগুলো বিন্দু আছে। অনেকগুলো ভাল কথা বলেছেন বিচারক। কলকাতা পুলিশ, হাসপাতাল থেকে সিবিআই নিয়ে বেশ কিছু ত্রুটির কথা বলেছেন। তবে বিচার ব্যবস্থাকে সম্মান জানিয়েই বলছি, সরকারি কর্মক্ষেত্রে এক জন মহিলা চিকিৎসককে যে ভাবে অত্যাচার করা হয়েছে, আমার ব্যক্তিগত মত, এটা বিরলতম ঘটনা। অনেক বড় লড়াই হবে। পরিবার তার প্রস্তুতি নিচ্ছে।’’ 

    সুপ্রিম দুয়ারে পরিবার

    আরজি কর কাণ্ডে (RG Kar Rape and Murder Case) দু’টি বিষয়ে মামলা চলছে। একটি হল, মহিলা চিকিৎসক-পড়ুয়াকে ধর্ষণ ও খুনের মামলা। অন্যটি, আর্থিক দুর্নীতির মামলা। দু’টি মামলা স্বতঃপ্রণোদিত ভাবেই শুনবে বলে জানিয়েছিল সুপ্রিম কোর্ট। আরজি করের ধর্ষণ এবং খুনের মামলায় গত শনিবার শিয়ালদা আদালত ধৃত সঞ্জয় রায়কে দোষী সাব্যস্ত করে। সোমবার তাঁর আজীবন জেলের শাস্তি হয়েছে। কিন্তু নির্যাতিতার পরিবারের দাবি, একা সঞ্জয় নন, অপরাধের জড়িত রয়েছেন আরও ব্যক্তি। শিয়ালদা আদালত রায় ঘোষণার আগেই চলতি মাসের গোড়ায় ‘আরও তদন্ত চেয়ে’ শীর্ষ আদালতে আবেদনের কথা জানিয়েছিলেন তাঁরা।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • RG Kar Rape and Murder Case: ‘ঘটনা বিরলতমই’! আরজি করে নির্যাতিতার বাড়িতে শুভেন্দু, আজ শুনানি সুপ্রিম কোর্টে

    RG Kar Rape and Murder Case: ‘ঘটনা বিরলতমই’! আরজি করে নির্যাতিতার বাড়িতে শুভেন্দু, আজ শুনানি সুপ্রিম কোর্টে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আরজি করে (RG Kar Rape and Murder Case) নির্যাতিতার পরিবারের পাশে থাকার বার্তা দিলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। তাঁদের লড়াই করার মানসিকতাকে কুর্নিশ জানালেন বিজেপি নেতা। একই সঙ্গে এই ঘটনাকে বিরলতম অ্যাখ্যা দিলেন তিনি। অন্যদিকে, আজ, বুধবার চিকিৎসক পড়ুয়ার খুন ও ধর্ষণের মামলা শুনবে দেশের শীর্ষ আদালত (Supreme Court)। এই ঘটনায় দোষী সঞ্জয় রায়কে নিম্ন আদালত শাস্তি দেওয়ার পর এই প্রথম  সুপ্রিম কোর্টে মামলার শুনানি হচ্ছে। প্রধান বিচারপতি সঞ্জীব খন্না, বিচারপতি সঞ্জয় কুমার এবং বিচারপতি কেভি বিশ্বনাথনের বেঞ্চে হবে এই মামলার শুনানি।

    ‘বড় লড়াই’-এর বার্তা শুভেন্দুর

    আরজি কর-কাণ্ডে (RG Kar Rape and Murder Case) শাস্তি ঘোষণার পরের দিন নির্যাতিতার বাবা-মায়ের সঙ্গে দেখা করে ‘বড় লড়াই’-এর বার্তা দিলেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। তিনি জানান, ঘটনার পর থেকে নির্যাতিতার পরিবারের সঙ্গে তাঁর কথাবার্তা হচ্ছে। নির্যাতিতার বাবা-মা তাঁর উপরে ভরসা রাখেন। প্রায় ৩০ মিনিট তাঁদের মধ্যে কথাবার্তা হয়েছে বলেও জানান শুভেন্দু। মঙ্গলবার নির্যাতিতার বাবা-মায়ের সঙ্গে কথাবার্তা বলে তাঁদের বাড়ি থেকে বেরিয়ে তিনি বলেন, ‘‘ওঁদের লড়াইয়ের মানসিকতাকে কুর্নিশ। ওঁদের একটি পিটিশনের শুনানি রয়েছে সুপ্রিম কোর্টে। সামগ্রিক ভাবে ওঁরা বৃহত্তর আইনি লড়াইয়ের প্রস্তুতি নিয়েছেন।’’ শুভেন্দুর সংযোজন, ‘‘আমি নিজেকে তাঁদের পরিবারের এক জন বলে মনে করি। আমি তাঁদের সঙ্গে রয়েছি। যে ভাবে ওঁরা সহযোগিতা চাইবেন, সে ভাবে আমার সাধ্যমতো ওঁদের সাহায্য করব।’’

    আরও পড়ুন: বয়স ৩৫-এর কোঠায় পৌঁছনোর আগেই দেখা দিচ্ছে ক্যান্সার! কীভাবে দ্বিগুণ হচ্ছে ঝুঁকি?

    প্রস্তুতি নিচ্ছে পরিবার

    সোমবার আরজি করের ধর্ষণ এবং খুনের মামলায় (RG Kar Rape and Murder Case) ধৃত সিভিক ভলান্টিয়ার সঞ্জয় রায়কে আমরণ কারাবাসের শাস্তি দেয় শিয়ালদা আদালত। বিচারক অনির্বাণ দাস তাঁর নির্দেশে জানান, বিরলের মধ্যে বিরলতম নয় এই ঘটনা। এ প্রসঙ্গে  শুভেন্দু বলেন, ‘‘আমার মতে ঘটনাটি (আরজি কর-কাণ্ড) বিরলতমই। জাজমেন্টে (বিচারে) অনেকগুলো বিন্দু আছে। অনেকগুলো ভাল কথা বলেছেন বিচারক। কলকাতা পুলিশ, হাসপাতাল থেকে সিবিআই নিয়ে বেশ কিছু ত্রুটির কথা বলেছেন। তবে বিচার ব্যবস্থাকে সম্মান জানিয়েই বলছি, সরকারি কর্মক্ষেত্রে এক জন মহিলা চিকিৎসককে যে ভাবে অত্যাচার করা হয়েছে, আমার ব্যক্তিগত মত, এটা বিরলতম ঘটনা। অনেক বড় লড়াই হবে। পরিবার তার প্রস্তুতি নিচ্ছে।’’ 

    সুপ্রিম দুয়ারে পরিবার

    আরজি কর কাণ্ডে (RG Kar Rape and Murder Case) দু’টি বিষয়ে মামলা চলছে। একটি হল, মহিলা চিকিৎসক-পড়ুয়াকে ধর্ষণ ও খুনের মামলা। অন্যটি, আর্থিক দুর্নীতির মামলা। দু’টি মামলা স্বতঃপ্রণোদিত ভাবেই শুনবে বলে জানিয়েছিল সুপ্রিম কোর্ট। আরজি করের ধর্ষণ এবং খুনের মামলায় গত শনিবার শিয়ালদা আদালত ধৃত সঞ্জয় রায়কে দোষী সাব্যস্ত করে। সোমবার তাঁর আজীবন জেলের শাস্তি হয়েছে। কিন্তু নির্যাতিতার পরিবারের দাবি, একা সঞ্জয় নন, অপরাধের জড়িত রয়েছেন আরও ব্যক্তি। শিয়ালদা আদালত রায় ঘোষণার আগেই চলতি মাসের গোড়ায় ‘আরও তদন্ত চেয়ে’ শীর্ষ আদালতে আবেদনের কথা জানিয়েছিলেন তাঁরা।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • RG Kar Rape and Murder Case: ‘ক্ষুধার্ত নেকড়ের সামনে ছেড়ে দেওয়া উচিত’! আরজিকর রায়ে খুশি নন শুভেন্দু 

    RG Kar Rape and Murder Case: ‘ক্ষুধার্ত নেকড়ের সামনে ছেড়ে দেওয়া উচিত’! আরজিকর রায়ে খুশি নন শুভেন্দু 

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আরজি করকাণ্ডের (RG Kar Rape and Murder Case) রায়ে খুশি নন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। যে জঘন্য, নিকৃষ্ট অপরাধ সঞ্জয় রায় করেছে, তাতে তার যাবজ্জীবনের সাজা মোটেই যথেষ্ট নয়। তাকে ‘ক্ষুধার্ত নেকড়ের সামনে ছেড়ে দেওয়া উচিত’ বলে মন্তব্য করলেন শুভেন্দু।

    কী বললেন শুভেন্দু

    সোমবার বিকেলে আরজি কর কাণ্ডের (RG Kar Rape and Murder Case) সাজা ঘোষণা করেন বিচারক অনির্বাণ দাস। আমৃত্যু কারাদণ্ডের আদেশ দেন একমাত্র দোষী সাব্যস্ত সঞ্জয় রায়কে। এই রায় নিয়ে সরাসরি কোনও মন্তব্য করতে চাননি রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। তবে তিনি তাঁর ব্যক্তিগত মতামত দিয়েছেন। শুভেন্দু এদিন বলেন, ‘৩০টা পয়েন্ট বলেছে। যাতে আরও অনেকের জড়িত থাকার সম্ভাবনা আছে। সিবিআই চার্জশিটে এটা ওপেন রেখেছে। কিন্তু কথা সেটা নয়, কথা হল, যে বিচারকের হাতে যে ক্ষমতা ছিল, তাতে তিনি সর্বোচ্চ সাজার চার্জ ফ্রেম করেছিলেন শনিবার। তাঁর হাতে দুটো অপশন ছিল। এক, তিনি যাবজ্জীবন দিতে পারতেন, অথবা মৃত্যুদণ্ড।’

    আরও পড়ুন: প্রেসিডেন্ট হিসেবে শপথ নেওয়ায় অভিনন্দন, জয়শঙ্করের হাত দিয়ে বন্ধু ট্রাম্পকে চিঠি মোদির

    পরিবারের সঙ্গে আছি

    শুভেন্দু (Suvendu Adhikari) আরও বলেন, ‘বিচারক আমৃত্যু কারাদণ্ড দিয়েছেন, সেটা তাঁর এক্তিয়ার। সেটা নিয়ে আমি প্রশ্ন করছি না। কিন্তু আমি বলতে চাই, সমাজ, জনগণ, পরিবার কেউ এই রায়ে খুশি নয়। আমি নিজে খুশি নই এই রায়ে। এদের জীবজন্তুর সঙ্গে তুলনা করাও মুশকিল। এদের ক্ষুধার্ত নেকড়ের সামনে ছেড়ে দেওয়া উচিত।’ সবশেষে তিনি বলেন, ‘পরিবার উচ্চ আদালতে যাবে, আমরা সঙ্গে আছি।’ সংবাদ সংস্থা এএনআইকে বিজেপি নেতা সুকান্ত মজুমদার বলেন, ‘কোর্টের নির্দেশের ওপর আমরা কিছু বলতে পারি না। আমরা চাইছিলাম সর্বোচ্চ শাস্তি হোক। তবে সেই শাস্তি হয়নি। কোর্টের রায় সম্পর্কে আমি কিছু বলতে পারব না। ক্ষতিপূরণ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “টাকায় কী হবে! বাংলার মানুষ বিশ্বাস করেন না যে সঞ্জয় রায় একলা ছিলেন। কোর্টের রায় সম্পর্কে আমি কিছু বলব না। তবে মনে হয় আরও তদন্তের প্রয়োজন। এই ঘটনায় প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে কারা জড়িত সেটা প্রকাশ্য়ে আসুক।” 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • RG Kar: ‘‘ন্যায় বিচারের নামে প্রতারণা’’! আরজি কর মামলার রায় নিয়ে প্রতিক্রিয়া বিজেপির

    RG Kar: ‘‘ন্যায় বিচারের নামে প্রতারণা’’! আরজি কর মামলার রায় নিয়ে প্রতিক্রিয়া বিজেপির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আরজি কর কাণ্ডে (RG Kar) অপরাধী সঞ্জয় রায়ের আমৃত্যু কারাবাসের সাজা হওয়াকে ন্যায় বিচারের নামে প্রতারণা বলে মন্তব্য করল বিজেপি (Bjp)। এদিনই দলের আইটি সেলের প্রধান তথা পশ্চিমবঙ্গের দায়িত্বপ্রাপ্ত সহকারী নেতা অমিত মালব্য শিয়ালদা আদালতের সাজা ঘোষণার পরেই এক এক্স মাধ্যমে এমন মন্তব্য করেন। একইসঙ্গে এই বিজেপি নেতা তদন্তকারী সংস্থার কাছে তৎকালীন কলকাতা পুলিশ কমিশনার বিনীত গোয়েল এবং রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে প্রমাণ লোপাটের অভিযোগে তদন্ত দাবি করেন।

    কী লিখলেন অমিত মালব্য?

    অমিত মালব্য লিখেছেন, ‘‘আরজি করের (RG Kar) হাসপাতালের ডাক্তারকে ধর্ষণ করে খুনের ঘটনায় দোষী সাব্যস্ত সঞ্জয় রায়কে আদালত যাবজ্জীবন কারাবাস ও ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করেছে। এটা ন্যায় বিচারের নামে প্রতারণা।’’ তিনি আরও লিখেছেন, ‘‘পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় অপরাধীদের আড়াল করা বন্ধ করুন। এজেন্সির প্রয়োজন পুলিশ কমিশনার ও মুখ্যমন্ত্রীর বিরুদ্ধে প্রমাণ লোপাটের তদন্ত করা। বিচার শুধু করলেই হয় না, বিচার হয়েছে সেটা দেখতে পেতে দিতেও হয়।’’

    ‘একাধিক’ দোষী থাকার তত্ত্বে (RG Kar) জোর দিয়েছে গেরুয়া শিবির

    অন্যদিকে, এই ঘটনায় ‘একাধিক’ দোষী থাকার তত্ত্বে (RG Kar) জোর দিয়েছে গেরুয়া শিবির। সোমবার সঞ্জয়ের সাজা ঘোষণার পর বিজেপি নেতা শমীক ভট্টাচার্য বলেন, ‘‘সারা দেশবাসীর মনে যেটা আছে, যে একা সঞ্জয় রায় দোষী নয়, সেই ধারণা হয়তো বিচারকের মনেও প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। সঞ্জয়ের সাজা হয়েছে, কিন্তু যারা প্রমাণ লোপাট করল, তারা কোথায়? কারা সঞ্জয়কে ওই নির্দিষ্ট ঘরে পাঠিয়ে ছিল?…তাঁদের কী হল? এটা একটা প্রাতিষ্ঠানিক খুন। যাঁরা তদন্ত করছেন, তাঁরা বুঝবেন সাপ্লিমেন্টারি চার্জশিটে কী আসবে?’’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • RG Kar: চেয়েছিলেন ফাঁসি, হল আমৃত্যু কারাবাস! উচ্চ আদালতের পথে কি তিলোত্তমার বাবা-মা?

    RG Kar: চেয়েছিলেন ফাঁসি, হল আমৃত্যু কারাবাস! উচ্চ আদালতের পথে কি তিলোত্তমার বাবা-মা?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তিলোত্তমার ধর্ষক-খুনির আমৃত্যু কারাবাস হল। হয়নি ফাঁসির সাজা। সাজা ঘোষণার সময় চুপচাপ বসে থাকতে দেখা যায় তিলোত্তমার বাবা-মাকে। প্রসঙ্গত, আরজি কর (RG Kar) কাণ্ডে দোষী সঞ্জয়ের ফাঁসিই চেয়েছিলেন নির্যাতিতার বাবা-মা। একইসঙ্গে তাঁদের আরও দাবি ছিল, সঞ্জয়ের সঙ্গে বাকি অভিযুক্তদের ধরতে হবে। সে কথা প্রকাশ্যেই জানিয়েছিলেন তাঁরা। কিন্তু সোমবার ফাঁসির সাজা হয়নি। বিচারক সঞ্জয়কে আমৃত্যু কারাদণ্ড দিয়েছেন। এই শাস্তি শোনার পরেই কার্যত স্তব্ধ হয়ে যান নির্যাতিতার বাবা, মা। এই রায়ে যে তাঁরা খুশি নন, তাও ব্যক্ত করলেন। সেইসঙ্গে, ইঙ্গিত দিয়ে রাখলেন উচ্চ আদালতে যাওয়ার বিষয়েও।

    ক্ষতিপূরণ নিতে অস্বীকার (RG Kar)

    শাস্তি ঘোষণার পর নির্যাতিতার পরিবারকে ১৭ লাখ টাকা ক্ষতি পূরণ দেওয়ার নির্দেশ দেন বিচারক। সেই সময় নির্যাতিতার বাবা বিচারককে জানান, তাঁরা কোনওভাবেই ক্ষতিপূরণ চান না (RG Kar case)। নির্যাতিতার বাবা বলেন, ‘‘ক্ষতিপূরণ চাই না। আমি মেয়ের জন্য বিচার চাইছি।’’ জবাবে বিচারক অনির্বাণ দাস বলেন, ‘‘আমিও মনে করি না, টাকা দিয়ে ক্ষতিপূরণ (RG Kar) হয়। আপনি মনে করবেন না যে, টাকা দিয়ে ক্ষতিপূরণের চেষ্টা করা হচ্ছে। আমাকে এমনি বলা হলে আমি দিতাম না। আপনি যে নিতে চান না, সেটাও লিখেছি। এটা নিয়ম।’’

    সিবিআই ফাঁসি চেয়েছিল (RG Kar)

    চিকিৎসক পড়ুয়াকে ধর্ষণ-খুনের ঘটনাকে ‘বিরলের মধ্যে বিরলতম’ আখ্যা দিয়ে দোষী সঞ্জয়ের ফাঁসি চেয়েছিল সিবিআই। কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা এদিন বলে, “সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশিকা আছে। কোন ক্ষেত্রে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া যাবে। এটা বিরলের মধ্যে বিরলতম ঘটনা। মানুষকে পরিষেবা প্রদানের জন্যই ছত্রিশ ঘণ্টা ধরে ডিউটিতে ছিলেন। মেধাবী ছাত্রী ছিলেন। তাঁর মৃত্যু শুধুমাত্র তাঁর পরিবারের ক্ষতি নয়, সমাজেরও ক্ষতি।” সিবিআই বলে, “বহু মেয়ে উচ্চশিক্ষা ও চাকরির জন্য লড়ে যাচ্ছে। সেখানে যদি সুরক্ষা না থাকে, তবে সমাজ ব্যবস্থা ব্যর্থ বলে পরিগণিত হবে। সমাজ তার আত্মবিশ্বাস ফিরে পেতে চাইছে। সুরক্ষা চাইছে।” কেন্দ্রীয় তদন্তকারী এই সংস্থা এও বলে (RG Kar Case), “কর্মস্থলেই সেবার কাজে ব্রতী চিকিৎসককে ধর্ষণ-খুন, বিরলের মধ্যে বিরলতম অপরাধ। সর্বোচ্চ শাস্তি দেওয়া হোক, যাতে বিচার ব্যবস্থার প্রতি সমাজের আস্থা থাকে।” কিন্তু শাস্তি ঘোষণার সময় বিচারক এদিন জানিয়ে দেন সঞ্জয়ের অপরাধ ‘বিরলের মধ্যে বিরলতম’ নয়। এর পরেই বিচারক অনির্বাণ দাস সঞ্জয়ের উদ্দেশে বলেন, ‘‘আপনাকে জীবনের শেষ দিন পর্যন্ত জেলে থাকতে হবে।’’

    রায় শোনার পর আদালতেই কেঁদে ফেলেন তিলোত্তমার বাবা-মা। পরে, আদালতের বাইরে নির্যাতিতার বাবা বলেন, ‘‘আমরা ক্ষতিপূরণ নেব না। আমরা তো এ ভাবে আমাদের মেয়েকে বিক্রি করতে পারব না। তাই টাকা নিতেই পারব না। আমরা এখনও বিচার পাইনি। বিচারের প্রথম ধাপ পার করলাম মাত্র। বিচার পাওয়ার প্ল্যাটফর্ম তৈরি করে দিলেন বিচারক। উনি যা ভাল মনে করেছেন, তা-ই করেছেন। প্রকৃত অপরাধী শাস্তি পেলে মেয়ের আত্মা শান্তি পাবে।’’ তাঁদের কথাতেই ইঙ্গিত, হয়ত উচ্চতর আদালতে আবেদন করতে পারেন তাঁরা।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

LinkedIn
Share