Tag: rg kar

rg kar

  • RG Kar: অভয়ার গবেষণাপত্র ‘জোর করে’ দেওয়া হয় অন্যজনকে! এটাই কি বিবাদের কারণ?

    RG Kar: অভয়ার গবেষণাপত্র ‘জোর করে’ দেওয়া হয় অন্যজনকে! এটাই কি বিবাদের কারণ?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আরজি কর (RG Kar) কাণ্ডে সিবিআইয়ের কাছে তদন্তের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ হাতিয়ার হল নির্যাতিতার গবেষণাপত্র। এই গবেষণার বিষয়ে জানতে সিবিআই (CBI) আধিকারিকরা মৃতার ঘনিষ্ঠ বন্ধু ও পরিবারের সঙ্গে কথাও বলেছেন বলে জানা গিয়েছে। মৃতার ওই গবেষণাপত্র জোর করে অন্যজনকে দিয়ে দেওয়া হয়েছিল বলেই খবর। তদন্তকারীরা জানতে চেষ্টা করছেন সেখান থেকেই কি গন্ডগোলের সূত্রপাত! প্রসঙ্গত নির্যাতিতার এক ঘনিষ্ঠ বন্ধু জানিয়েছেন, স্নাতকোত্তর স্তরে একটি থিসিস পেপার তাঁদের জমা (RG Kar) দিতে হয়। ওই পেপারটি জমা দেওয়ার নিয়ম থার্ড ইয়ারে। কিন্তু প্রথম বছর থেকেই সেই কাজ শুরু করে দিতে হয়। নিয়ম অনুযায়ী, কোনও সহকারী অধ্যাপককে জানাতে হয় থিসিস লেখার বিষয়টি এবং লিখিত আকারে তা এথিক্স কমিটিতে পাঠানো হয়। এথিক্স কমিটি পাশ করলে গবেষণার সারমর্ম পাঠানো হয় স্বাস্থ্য বিশ্ববিদ্যালয়ে। সেখান থেকে ছাড়পত্র পাওয়ার পরেই শুরু করা যায় মূল গবেষণা। নির্যাতিতার এক বন্ধু ইতিমধ্যে দাবি করেছেন, দ্বিতীয় বর্ষের মাঝামাঝি হয়ে যাওয়ার পরে নির্যাতিতার থিসিস পেপারের কাজ অনেকটাই এগিয়ে গিয়েছিল। কিন্তু তারই মধ্যে তা হাত বদল করে দেওয়া হয় এবং জোর করে অন্য একজনকে দিয়ে দেওয়া হয়। 

    ওই অধ্যাপক ও জুনিয়র ডাক্তার সিবিআইয়ের আতস কাচের তলায়

    ওই থিসিস পেপার অন্য একজনকে দিতে নির্দেশ দিয়েছিলেন এক অধ্যাপক। যাঁকে ওই থিসিস পেপার দেওয়া হয়েছিল এবং ওই অধ্যাপক- দুজনেই এখন সিবিআই-এর আতসকাচের তলায় (CBI)। জানা গিয়েছে, প্রভাবশালী এক ব্যক্তির ছেলেই এই ঘটনার সঙ্গে যুক্ত। এখানেই বারবার সন্দেহ দানা বাঁধছে যে জোর করে থিসিস পেপার অন্য কাউকে দিয়ে দেওয়ার হল সেখান থেকেই কি গন্ডগোলের সূত্রপাত? মৃতার এক বিশেষ বন্ধুর বলছেন, ‘‘প্রভাবশালী এক জনের অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ একটি ছেলে নানা কলকাঠি নেড়েছে। নানা দিক দিয়ে প্রভাব খাটিয়ে চাপ তৈরির চেষ্টা করেছে। এর প্রতিবাদ করার খেসারত দিতে হল কি না, সেটা তদন্ত করে বার করা হোক।’’

    কী বলছেন মৃতার বাবা

    মৃতার বাবা এ বিষয়ে বলেন, ‘‘অনেকেই জানতে চেয়েছেন, সন্দেহজনক কিছু দেখেছি কি না। মেয়ে কিছু বলত কি না। একটাই বিষয় আমাদের ভাবাচ্ছে। মেয়ে বলেছিল, ওর লেখা থিসিস পেপার (RG Kar) অন্য এক জনকে দিয়ে দেন ভিপি (ভিজিটিং প্রফেসর)। মেয়েকে তিনি হঠাৎ করে বলেন, তুই অন্য একটা বানিয়ে নিস। প্রথমে কিছু মনে হয়নি। আমার মেয়ে পড়াশোনায় যেমন ভালো ছিল, তাতে নতুন পেপার করা ওর জন্য কোনও ব্যাপার নয়। কিন্তু এখন মনে হচ্ছে, কী উদ্দেশ্যে এটা করা হতে পারে? তবে কি কারও নিশানায় পড়ে গিয়েছিল মেয়ে?’’

    ভেঙে পড়েছিলেন নির্যাতিতা (RG Kar)

    নির্যাতিতার অন্য এক বন্ধুর দাবি, ‘‘দ্বিতীয় বর্ষের মাঝামাঝি সময় হয়ে গিয়েছে বলে কাজ অনেকটাই এগিয়ে গিয়েছিল ওর গবেষণাপত্রের। এর মধ্যে হঠাৎ ওকে (মৃতাকে) ডেকে বলা হয়, তুই অন্য একটা বানিয়ে নিস। এই বিষয়টা ভালো, ওকে (মৃতা যে বর্ষের পড়ুয়া ছিলেন, সেই বর্ষেরই আর এক জনের নাম করে) দিয়ে দিচ্ছি। স্বাভাবিক ভাবেই ভেঙে পড়েছিল ও (মৃতা)।’’ তাঁর আরও দাবি, ‘‘সিনিয়রদের অনেক গবেষণাপত্র নিয়ে একটু অদলবদল করে কাজ চালিয়ে দিতেও দেখা গিয়েছে। কিন্তু এক জনের নিজস্ব ভাবনা অন্য এক জনকে দিয়ে দেওয়ার এই ব্যাপার আগে দেখিনি।’’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Supreme Court: বিকেলের মধ্যে সিআইএসএফ-এর থাকার সমস্যা মেটাতে হবে, রাজ্যকে সুপ্রিম নির্দেশ

    Supreme Court: বিকেলের মধ্যে সিআইএসএফ-এর থাকার সমস্যা মেটাতে হবে, রাজ্যকে সুপ্রিম নির্দেশ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সুপ্রিম কোর্টের (Supreme Court) নির্দেশেই কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছিল আরজি করে। সেখানে কেন্দ্রীয় বাহিনীর থাকা খাওয়ার ব্যবস্থা ঠিকমতো করেনি রাজ্য, এমন অভিযোগ তোলে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক। সোমবারই আরজি কর মামলার শুনানিতে, বিকেল ৫টার মধ্যে রাজ্য সরকারকে সিআইএসএফ জওয়ানদের জন্য থাকার ব্যবস্থা করতে নির্দেশ দিল শীর্ষ আদালত। সুপ্রিম কোর্ট (Supreme Court) এদিন এও জানিয়েছে, সিআইএসএফের আরও যে সমস্ত সরঞ্জাম লাগবে তা রাত্রি ন’টার মধ্যে বাহিনীর হাতে তুলে দিতে হবে রাজ্যকে এবং রাজ্যের দুজন অফিসার এই গোটা বিষয়টি তদারকি করবেন।

    সম্প্রীতি কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক সুপ্রিম কোর্টে (Supreme Court) হলফনামা দাখিল করে

    সম্প্রতি কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক সুপ্রিম কোর্টে হলফনামা দাখিল করে জানায় যে, সিআইএসএফের জওয়ানদের নানা অসুবিধা সম্মুখীন হতে হচ্ছে আরজি করে। তাঁদের থাকার ব্যবস্থা সঠিকভাবে করছে না রাজ্য সরকার। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক এও জানায়, শীর্ষ আদালতে নির্দেশ থাকা সত্ত্বেও রাজ্য সরকারের এমন আচরণ আসলে আদালত অবমাননা। আরও অভিযোগ, জওয়ানদের ন্যূনতম ব্যবস্থাটুকুও করেনি মমতার সরকার। শুধু তাই নয়, আরজি কর (RG Kar) হাসপাতালে নিরাপত্তা ব্যবস্থায় মেটাল ডিটেক্টর-এর মতো একান্ত প্রয়োজনীয় জিনিসও দেওয়া হয়নি জওয়ানদের (RG Kar)। শীর্ষ আদালতে যে হলফনামা জমা করেছে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক তাতে এই ঘটনাকে ‘অমার্জনীয়’ বলে উল্লেখ করা হয়েছে।

    স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের চিঠির জবাব দেয়নি রাজ্য (RG Kar)

    প্রসঙ্গত, রাজ্যের তরফে সিআইএসএফ জওয়ানদের থাকার জন্য ব্যবস্থা করা হয়েছে কলকাতার উপকণ্ঠে এক জায়গায়। সেখান থেকে তাঁদের আরজি কর হাসপাতালে পৌঁছাতেই সময় লাগছে এক ঘণ্টা। এর ফলে জরুরি পরিস্থিতি মোকাবিলায় সিআইএসএফ (Supreme Court) কীভাবে ব্যবস্থা নিতে পারবে সে প্রশ্ন উঠছে, আর এর জন্য দায়ী করা হচ্ছে রাজ্যকে। এই বিষয়টি কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর নজরে আসার পরেই গত ২ সেপ্টেম্বর এই মর্মে মমতা সরকারকে চিঠি দেওয়া হয়, তাতে অনুরোধ জানানো হয় জওয়ানদের সমস্যার দ্রুত সমাধানের জন্য। কিন্তু অভিযোগ, রাজ্যের তরফে কোনও উত্তরই দেওয়া হয়নি। এরপরেই সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয় কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • RG Kar Incident: ‘‘বিনীতের অপসারণ নিয়ে দ্রুত সিদ্ধান্ত নিন’’, মুখ্যমন্ত্রী মমতাকে নির্দেশ রাজ্যপালের

    RG Kar Incident: ‘‘বিনীতের অপসারণ নিয়ে দ্রুত সিদ্ধান্ত নিন’’, মুখ্যমন্ত্রী মমতাকে নির্দেশ রাজ্যপালের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মন্ত্রিসভার বৈঠক ডেকে দ্রুত কলকাতার পুলিশ কমিশনার বিনীত গোয়েলের অপসারণ নিয়ে প্রয়োজনীয় সিদ্ধান্ত নিক মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। রবিবার সন্ধ্যায় এমনই নির্দেশ দিয়েছেন রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস (CV Ananda Bose)। রাজভবন সূত্রে খবর, রাজ্যপাল রবিবার সন্ধ্যায় মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে যোগাযোগ করেছিলেন। তখনই এ কথা বলেছেন। রাজ্যপাল জানিয়েছেন, আরজি করে (RG Kar Incident) মহিলা চিকিৎসককে ধর্ষণ এবং খুনের ঘটনায় প্রথম থেকেই পুলিশের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। তাই জনগনের দাবি মতো, পুলিশ কমিশনারকে সরানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হোক।

    সিদ্ধান্ত নিক নবান্ন

    প্রসঙ্গত, ঘটনার দিন নির্যাতিতার পরিবারের সঙ্গে দুর্ব্যবহারের অভিযোগ উঠেছে পুলিশের বিরুদ্ধে। দেরি করে এফআইআর দায়ের করা হয় বলেও অভিযোগ। এর পর প্রতিবাদ কর্মসূচি চলাকালীন আরজি করে (RG Kar Incident) যখন ভাঙচুর চালানো হয়, তখনও পুলিশের আচরণ নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। এই পরিস্থিতিতে পুলিশ কমিশনারের পদত্যাগের দাবি ক্রমে জোরালো হয়েছে। কিছু দিন আগে আরজি কর-কাণ্ডের প্রতিবাদে সিপির পদত্যাগ চেয়ে লালবাজার অভিযান করেছিলেন চিকিৎসকেরা। লালবাজারের সামনে ধর্নায় বসেছিলেন তাঁরা। দীর্ঘ অপেক্ষার পর সিপির সঙ্গে তাঁরা দেখা করেন এবং স্মারকলিপি জমা দেন। রবিবার রাজ্যপাল (CV Ananda Bose) সে বিষয়েই সিদ্ধান্ত নিতে বলেছেন রাজ্যের পুলিশমন্ত্রী মমতাকে। আরজি কর আবহে জনতার দাবি প্রসঙ্গে সিদ্ধান্ত নিতে বলা হয়েছে নবান্নকে। 

    আরও পড়ুন: ‘‘আশা করছি, বিচার পাব’’, সুপ্রিম-শুনানির আগে মন্তব্য নির্যাতিতার মায়ের

    মুখ্যমন্ত্রীকে নির্দেশ

    রাজ্যপাল জানিয়েছেন, আরজি করের (RG Kar Incident) ঘটনাকে কেন্দ্র করে সারা রাজ্যে যে পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে, সরকার তাতে চুপ করে থাকতে পারে না। সরকারকে সংবিধান এবং আইনের শাসন মেনেই চলতে হবে। জনগণের দাবি মেনে নিতে হবে। রাজ্যপাল মনে করেন যে রাজ্য সরকার নিজেদের দায়িত্ব এড়িয়ে যেতে পারে না। রাজ্যপাল বোস (CV Ananda Bose) বলেন, ‘সংবিধান ও আইনের মধ্যে থেকে রাজ্যের কাজ করা উচিত। সাধারণ মানুষের সমস্যার সমাধান করা উচিত রাজ্য সরকারের।’ মৃত মহিলা চিকিৎসকের বিচারের আশায় সাধারণ মানুষ যে দাবি জানিয়েছেন, সেটা নিয়ে আলোচনা করার জন্য মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে নির্দেশ দিয়েছেন রাজ্যপাল বোস।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Murshidabad: ডাক্তারের পর নার্স, নার্সিংহোমে কাজে গিয়ে নিখোঁজ হওয়ার চারদিন পর দেহ উদ্ধার!

    Murshidabad: ডাক্তারের পর নার্স, নার্সিংহোমে কাজে গিয়ে নিখোঁজ হওয়ার চারদিন পর দেহ উদ্ধার!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাড়ি থেকে হাসপাতালে ডিউটি করতে গিয়ে খুন হন চিকিৎসক পড়ুয়া। হাসপাতালের মধ্যে ধর্ষণ করে তাঁকে নৃশংসভাবে খুন করা হয়। আরজি করের সেই ঘটনা নিয়ে রাজ্যজুড়ে তোলপাড় চলছে। এই আবহের মধ্যে এক নার্স (Nurse) হস্টেল থেকে বেসরকারি নার্সিংহোমে কাজে গিয়ে রহস্যজনভাবে নিখোঁজ হয়ে যান। চারদিন পর গঙ্গা থেকে তাঁর পচাগলা মৃতদেহ উদ্ধার হয়েছে। মর্মান্তিক ঘটনাটি ঘটেছে মুর্শিদাবাদের (Murshidabad) বহরমপুর এলাকায়। মৃতার বয়স ২৩ বছর। তাঁর বাড়ি বহরমপুর থানার কোদলা গ্রামে।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (Murshidabad)

    পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, বহরমপুর (Murshidabad) স্টেশন সংলগ্ন শিল্পতালুকের একটি বেসরকারি নার্সিংহোমে কর্মরত ছিলেন ওই নার্স। গত বুধবার তিনি হস্টেল থেকে নার্সিংহোমে ডিউটি করতে যান। রাত সাড়ে আটটা নাগাদ তাঁর হস্টেলে ফেরার কথা ছিল। কিন্তু, তিনি আর হস্টেলে ফেরেননি। অপহরণ হওয়ার দাবিও বাসা বেঁধেছিল নিকটজনের মনে। শনিবার রাত সাড়ে দশটা নাগাদ গঙ্গার ধারে কোদলা ঘাটে একটি মৃতদেহ ভেসে উঠতে দেখেন এলাকাবাসী। খবর দেওয়া হয় পুলিশে। বহরমপুর থানার পুলিশ এসে পচাগলা সেই মৃতদেহ উদ্ধার করে। বাড়ির লোককে খবর দেওয়া হলে তাঁরা এসে মৃতদেহ শনাক্ত করেন।

    জানা গিয়েছে, কর্মসূত্রে বহরমপুরের একটি হস্টেলে থাকতেন ওই নার্স। বুধবার রাত আটটার সময় ডিউটি শেষ করে তাঁর হস্টেলে ফেরার কথা ছিল। কিন্তু, সেখানে তিনি সেদিন ফেরেননি। মেয়ের খোঁজ না পাওয়ায় অপহরণের দাবিও করেন মৃতের পরিবার। যদিও বহরমপুর থানার পুলিশ তদন্তে নেমে রামেন্দ্র সুন্দর ত্রিবেদী সেতুতে একজোড়া জুতো দেখতে পায়। রাতে ওই এলাকায় গঙ্গায় ঝাঁপ দেওয়ার শব্দও শুনতে পান স্থানীয় গান্ধী কলোনির বাসিন্দারা। জুতো ও এলাকার সিসিটিভি ফুটেজ খতিয়ে দেখছে পুলিশ। পুলিশ রাত দেড়টা নাগাদ কোদলা থেকে মৃতদেহ মুর্শিদাবাদ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে আসে। সেখানে নিয়মমাফিক চিকিৎসকরা মৃত ঘোষণা করার পর রাতেই হাসপাতালের মর্গে দেহ রাখা হয়। রবিবার মৃতদেহ ময়না তদন্ত করা হয়।  

    আরও পড়ুন: চিনা রাষ্ট্রদূতের মুখে জামাত প্রশস্তি, বাংলাদেশে ঢোকার চেষ্টা বেজিংয়ের!

    মৃতার পরিবারের লোকজন কী বললেন?

    মৃতার মা বলেন, মেয়ের সঙ্গে বুধবার রাত সাড়ে আটটা নাগাদ শেষবার কথা হয়েছিল। পরে, হস্টেলে (Murshidabad) ফিরে ফোন করার কথা বলা হলেও মেয়ে আর ফোন করেনি। এরপর রাত ১০ টা নাগাদ মেয়েকে ফোন করলে মোবাইল সুইচড অফ পাই। থানায় অপহরণের অভিযোগ করি। চারদিন পর মেয়ের দেহ মিলল। নার্সিংহোম কর্তৃপক্ষ আমাদের কিছুই জানায়নি। এই ঘটনার পিছনে তাদেরও গাফিলতি রয়েছে। আমরা ঘটনার উপযুক্ত তদন্ত দাবি করছি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • RG Kar: ঘটনার ভোরেই কুচকাওয়াজের মহড়া! দোষীদের আড়াল করতেই কি? প্রশ্ন আইএমএ-র

    RG Kar: ঘটনার ভোরেই কুচকাওয়াজের মহড়া! দোষীদের আড়াল করতেই কি? প্রশ্ন আইএমএ-র

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আরজি কর (RG Kar) মেডিক্যাল কলেজে গত ৯ অগাস্ট উদ্ধার হয়েছিল নির্যাতিতার দেহ, সেইদিনই ভোর সাড়ে ৫টায় হাসপাতাল থেকে স্বাধীনতা দিবসের কুচকাওয়াজের মহড়া শুরু নিয়ে একটি নির্দেশিকা প্রকাশ করে স্বাস্থ্য দফতর! সেই নির্দেশিকা প্রকাশ্যে আসতেই শুরু হয়েছে বিতর্ক। এনিয়েই প্রশ্ন তুলেছে ইন্ডিয়ান মেডিক্যাল অ্যাসোসিয়েশন (আইএমএ)-এর (IMA) পশ্চিমবঙ্গ শাখা। চিকিৎসক সংগঠনের অভিযোগ, কোনও নির্দিষ্ট ব্যক্তিকে ঘটনাস্থলে উপস্থিত থাকার ‘অ্যালিবাই’ (অপরাধ সংঘটিত হওয়ার সময় অভিযুক্তের অন্যত্র থাকার দাবি) খুঁজে দিতেই কি প্রকাশ্যে আনা হল সেই নির্দেশিকা? ওই নির্দেশিকায় যে তিন জন চিকিৎসকের মহড়ায় উপস্থিত থাকার কথা বলা হয়েছে, তাঁদের মধ্যে এক জন ছিলেন সন্দীপ ঘোষ-‘ঘনিষ্ঠ’ চিকিৎসক অভীক দে। প্রবল চাপে পড়ে যাঁকে সাসপেন্ড করেছে রাজ্য।

    একাধিক প্রশ্ন আইএমএ-র (IMA)

    দেখা যাচ্ছে, গত ৬ অগাস্ট ওই নির্দেশিকা জারি করে স্বাস্থ্য দফতর। সেই নির্দেশিকায় ৯, ১০, ১৩ অগাস্ট কলকাতার আরজি কর (RG Kar) থেকে এসএসকেএম পর্যন্ত কুচকাওয়াজের মহড়ার কথা বলা হয়। সেখানেই অভীক, চিকিৎসক সৌত্রিক রায় এবং চিকিৎসক সৌরভ পালের উপস্থিত থাকার কথা বলা হয়েছে। সমাজমাধ্যমে পোস্ট করে আইএমএ এই নির্দেশিকা নিয়ে বেশ কিছু প্রশ্ন তুলেছে (RG Kar)। আইএমএ-র প্রশ্ন, কীভাবে আরজি কর হাসপাতাল থেকে মহড়া শুরু করার কথা বলা হয়েছিল? তা-ও আবার ওই ‘দুর্ভাগ্যজনক’ দিনের ভোরে? নির্দেশিকায় মেমোর নম্বর এবং তারিখ ছাপা অক্ষরে কেন লেখা নেই? কেন তা পেন দিয়ে লেখা হল?- এরকম একাধিক প্রশ্ন তুলেছে চিকিৎসকদের সংগঠন। আইএমএ-র আরও দাবি, এই একই মর্মে একটি নির্দেশিকাও সামনে এসেছে। সেটায় সই রয়েছে অন্য ব্যক্তির। সেখানে মহড়ার দায়িত্বও অন্য ব্যক্তিদের দেওয়া হয়েছিল বলে দাবি আইএমএ-র। তারা প্রশ্ন তুলেছে, দু’টি নির্দেশিকার মধ্যে কোনটি আসল?

    সিবিআইকে সত্য আবিষ্কারের অনুরোধ

    আইএমএ-র আরও প্রশ্ন, কেন আরজি কর (RG Kar) মেডিক্যাল কলেজের প্রাক্তন অধ্যক্ষ সন্দীপ ঘোষের গ্রেফতারির পরেই প্রকাশ্যে এল সেই নির্দেশিকা? চিকিৎসক সংগঠনের দাবি, সন্দীপ জেরায় কারও নাম বললে, তাঁর মোবাইল টাওয়ারের অবস্থান খতিয়ে দেখতে পারে সিবিআই। আইএমএ সিবিআইয়ের কাছে এই নিয়ে সত্য আবিষ্কারের জন্য অনুরোধও জানিয়েছে। সংগঠনের আরও দাবি, ৯ অগাস্ট ঘটনার সময় সৌত্রিক এবং সৌরভ — এই দুই চিকিৎসকের মোবাইল টাওয়ারের অবস্থানও খতিয়ে দেখুক সিবিআই এবং কলকাতা পুলিশ। সমাজমাধ্যমে আইএমএ লিখেছে, ‘‘আশা করি, আপনারা সত্য উদ্‌ঘাটন করবেন, যা কলকাতা পুলিশ করেনি। অভীক দে যে ঘটনাস্থলে ছিলেন, তা নিয়ে আমাদের দেওয়া চ্যালেঞ্জ গ্রহণ করেনি কলকাতা পুলিশ। জবাব দেওয়ার বিষয়টিও এড়িয়ে গিয়েছে। এর আগে, সাংবাদিক সম্মেলনে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ভাবেই তারা অভীককে ফিঙ্গার প্রিন্ট বিশেষজ্ঞ বলে দাবি করেছিল।’’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Aparajita Bill 2024: ফের রাজ্য-রাজভবন সংঘাত! মমতার ‘অপরাজিতা বিল’ রাষ্ট্রপতিকে পাঠালেন বোস

    Aparajita Bill 2024: ফের রাজ্য-রাজভবন সংঘাত! মমতার ‘অপরাজিতা বিল’ রাষ্ট্রপতিকে পাঠালেন বোস

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গত মঙ্গলবার বিধানসভায় রাজ্য সরকার পাশ করেছে ধর্ষণবিরোধী বিল (Aparajita Bill 2024)। যার নাম ‘দ্য অপরাজিতা উইমেন অ্যান্ড চাইল্ড (ওয়েস্ট বেঙ্গল ক্রিমিনাল ল অ্যামেন্ডমেন্ট) বিল ২০২৪’। বিধানসভায় পাশ হওয়ার পরে এই বিলকে পাঠানো হয় রাজভবনে। কিন্তু রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস (CV Ananda Bose) সেই বিলে সম্মতি দিতে পারছিলেন না কারণ প্রয়োজনীয় টেকনিক্যাল রিপোর্ট ছিল না। শুক্রবারে সেই রিপোর্ট হাতে পেয়েছেন সিভি আনন্দ বোস। এরপর এই বিলকে (Aparajita Bill 2024) বিবেচনার জন্য রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুর কাছে পাঠিয়ে দিয়েছেন রাজ্যপাল। তবে এখানেই শেষ নয়। বিলের সঙ্গে অনেক কিছু মন্তব্য জুড়ে দিয়েছেন রাজ্যপাল। সাধারণভাবে রাজ্যপাল (CV Ananda Bose) সম্মতি দিলেই রাজ্যের বিল আইনে পরিণত হয়, কিন্তু রাজ্যপাল সই না করে তা রাষ্ট্রপতির কাছেও পাঠাতে পারেন।

    বিলটি পাশ করাতে তাড়াহুড়ো করে ফেলেছে রাজ্য (Aparajita Bill 2024)

    নিয়ম অনুযায়ী, কেন বিল আনা হয়েছে, কী ভাবে আনা হয়েছে, তা নিয়ে বিস্তারিত রিপোর্ট বিলের সঙ্গেই পাঠানো হয়। কিন্তু রাজভবনের বক্তব্য, অপরাজিতা বিলের ক্ষেত্রে রাজ্যের তরফ থেকে কিছুই পাঠানো হয়নি। নিয়ম অনুযায়ী, বিল নিয়ে সিদ্ধান্ত নিতে রাজ্যপালের সমস্যা হলে, তিনি তা রাষ্ট্রপতির কাছে পাঠাতে পারেন। রাজভবনের তরফ থেকে জানানো হয়েছে, অপরাজিতা বিল (Aparajita Bill 2024) রাষ্ট্রপতির কাছে পাঠিয়েছেন বোস (CV Ananda Bose)। শুক্রবার রাতেই রাজভবনের তরফ থেকে একটি বিবৃতির সামনে আসে এবং সেখানে বলা হয় যে টেকনিক্যাল রিপোর্ট পাওয়ার পর রাজ্যপাল অপরাজিতা বিল রাষ্ট্রপতির কাছে বিবেচনার জন্য পাঠিয়েছেন। রাজ্যপাল জানিয়েছেন, বিলটি পাশ করাতে তাড়াহুড়ো করে ফেলেছে রাজ্য। বেশ কিছু ত্রুটি রয়েছে যা সংশোধন করা প্রয়োজন।

    কন্যাকে হারানো শোকাহত মায়ের চোখের জল মুছে দেওয়ার দায়িত্ব সরকারের

    রাজ্যপাল (CV Ananda Bose) সতর্ক করেছেন পশ্চিমবঙ্গ সরকারকে। তিনি জানিয়েছেন, তাড়াহুড়ো করে কাজ করবেন না, না হলে আফশোস হতে পারে। রাজ্যপালের আরও সংযোজন, ‘‘বিলটি (Aparajita Bill 2024) কার্যকর না হওয়া পর্যন্ত জনগণ অপেক্ষা করতে পারে না। জনগণ ন্যায় বিচার চান এবং আইনের কাঠামোয় যা রয়েছে সেই অনুযায়ী তাঁদেরকে ন্যায়বিচার দিতে হবে। সরকারকে সঠিক পদক্ষেপ করতে হবে।’’ রাজ্যপাল (CV Ananda Bose) মনে করিয়ে দেন, কন্যা হারানো শোকাহত মায়ের চোখের জল মুছে দেওয়ার দায়িত্বও রাজ্যের।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • RG Kar: প্রবল চাপে সন্দীপ-ঘনিষ্ঠ বিরূপাক্ষ-অভীককে সাসপেন্ড মমতার, পিঠ বাঁচাতেই কি?

    RG Kar: প্রবল চাপে সন্দীপ-ঘনিষ্ঠ বিরূপাক্ষ-অভীককে সাসপেন্ড মমতার, পিঠ বাঁচাতেই কি?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজের বাহুবলী ডাক্তার-নেতা বিরূপাক্ষ বিশ্বাস এবং প্রাক্তন আরএমও অভীক দে-কে সাসপেন্ড করল স্বাস্থ্য ভবন, যার মাথায় খোদ স্বাস্থ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। প্রসঙ্গত, এই দুই শাসক ঘনিষ্ঠ ডাক্তার নেতা সন্দীপ ঘোষের শাগরেদ বলেই পরিচিত। আরজি কর কাণ্ডে (RG Kar) সন্দীপ ঘোষের বিরুদ্ধে তোপ দেগে প্রথম থেকেই সরব হয়েছিলেন আন্দোলনকারীরা। প্রবল চাপের মুখে পদত্যাগ করতে বাধ্য হন সন্দীপ। কিন্তু ইস্তফার দিনেই তাঁকে প্রাইজ পোস্টিং দেয় মমতার সরকার। তাঁকে কলকাতা ন্যাশনালের অধ্যক্ষ করে পাঠানো হয়। পরে হাইকোর্টের নির্দেশে সে পদ খারিজ হয় সন্দীপের। এরপরেই সন্দীপের দুই শাগরেদ হিসেবে নাম উঠে আসে বাহুবলী ডাক্তার নেতা বিরূপাক্ষ বিশ্বাস ও অভীক দে-র। এবার আন্দোলনের চাপে (West Bengal Government) এতদিন পর সন্দীপের দুই শাগরেদের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ করল রাজ্য সরকার। চাকরি থেকে সাসপেন্ড করা হল দুজনকেই। শাসক দল ঘনিষ্ঠ এই দুই ডাক্তার নেতার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে এতদিন লেগে গেল সরকারের? এই প্রশ্নই উঠছে এখন। রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, ‘‘দুই চিকিৎসক নেতার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া লোক দেখানো। নিজেদের পিঠ বাঁচানোর প্রচেষ্টা ছাড়া কিছুই নয়।’’

    সাম্প্রতিক অতীতে তৃণমূলের এমন ড্যামেজ কন্ট্রোলের চেষ্টা বারবার দেখা গিয়েছে

    এই আশঙ্কা উঠছে, তার কারণ অতীতে একাধিকবার এমন নজির সামনে এনেছে রাজ্য সরকার। খুব সম্প্রতি সন্দেশখালির ঘটনায় শেখ শাহজাহানকে দরাজ সার্টিফিকেট দেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (West Bengal Government) তাও আবার বিধানসভায় দাঁড়িয়ে। পরে চাপে পড়ে সেই শাহজাহানকে ছেঁটে ফেলে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দল। পরে তাঁকে গ্রেফতার করে রাজ্য পুলিশ। গত বছর জ্যোতিপ্রিয় মল্লিকের ক্ষেত্রেও একই ঘটনা ঘটেছে কিংবা ২০২২ সালে পার্থ চট্টোপাধ্যায় গ্রেফতার হওয়ার পরে তাঁকেও জনরোষের চাপে পড়ে সাসপেন্ড করে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দল। নিয়োগ দুর্নীতিতে দলের যুবনেতা কুন্তল ঘোষ গ্রেফতার হতেই, তাঁর মাথা থেকেই হাত সরিয়ে নেয় মমতার দল। সাসপেন্ড করা হয় অভিষেক ঘনিষ্ঠ এই নেতাকে। একইভাবে হুগলির যুবনেতা শান্তনু বন্দ্যোপাধ্যায়ের ক্ষেত্রেও একই পদক্ষেপ করে মমতার দল। প্রশ্ন উঠছে, ব্লক থেকে জেলা, জেলা থেকে রাজ্য এখনও পর্যন্ত তৃণমূলের অসংখ্য নেতার বিরুদ্ধে দুর্নীত- গুণ্ডামির অভিযোগ রয়েছে, তাঁদের কি মমতার দল সাসপেন্ড করবে নাকি জনরোষ তৈরি হওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করবে? বিগত কয়েক বছরের এই উদাহরণগুলিই বলে দিচ্ছে এগুলো আসলে ড্যামেজ কন্ট্রোল ছাড়া আর কিছুই নয়। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের আরও মত, আরজি করকাণ্ডের পরিপ্রেক্ষিতে বিধানসভায় তড়িঘড়ি করে পাশ করানো অপরাজিতা আইনও হল এই ড্যামেজ কন্ট্রোলের অঙ্গ।

    হাসপাতালে গুণ্ডামি চালাতেন শাসক সন্দীপ ঘনিষ্ঠ দুই ডাক্তার নেতা (RG Kar)

    প্রসঙ্গত, সন্দীপের দুই শাগরেদ বিরূপাক্ষ ও অভীক দুজনেই যে তৃণমূলের অতি ঘনিষ্ঠ তা ইতিমধ্যেই সামনে এসেছে বারবার। বাহুবলী প্রভাবশালী এই দুই ডাক্তার নেতাকেই আরজি কর কাণ্ডের পরের দিনই সেমিনার রুমে দেখা গিয়েছিল। প্রশ্ন তখনই ওঠে যে বহিরাগত হওয়া সত্ত্বেও তাঁরা আরজি করের সেমিনার রুমে কী করছিলেন সেদিন? ডাক্তার নেতা অভীক দে আবার তৃণমূল ছাত্র পরিষদের রাজ্য স্তরের পদাধিকারীও ছিলেন। কিন্তু নিজেদের পিঠ বাঁচাতে রীতিমতো প্রেস বিবৃতি জারি করে তাঁকে ছাঁটাই করা হয়। এরপরে তাঁকে চাকরি থেকেও বরখাস্ত করে সরকার। অন্যদিকে, বিরূপাক্ষ বিশ্বাসের বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ সামনে এসেছে। ডাক্তারি ছাত্রদের পরীক্ষায় ফেল করানোর হুমকি দেওয়া, রেজিস্ট্রেশন না দেওয়ার হুমকি দেওয়া ছাড়াও ডায়মন্ডহারবারের এক মহিলা চিকিৎসককে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে বিরূপাক্ষ বিশ্বাসের বিরুদ্ধে। তাঁর বিরুদ্ধে দফায় দফায় বিক্ষোভ দেখাতে থাকেন বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ এবং ডায়মন্ড হারবারের জুনিয়র ডাক্তাররা।

    কড়া বিবৃতি চিকিৎসক সংগঠনের

    এর মধ্যেই বৃহস্পতিবার চিকিৎসকদের সংগঠনের তরফে এক বিবৃতি লেখা হয়েছে। তাতে মমতা সরকারের ড্যামেজ কন্ট্রোলের (RG Kar) প্রচেষ্টার তত্ত্বকে তীব্র সমালোচনা ধরা হয়েছে। কেন এই বিলম্বিত বোধোদয়? সে প্রশ্নও রাখা হয়েছে। এর পাশাপাশি, সন্দীপ-বিরূপাক্ষ-অভীকদের মাথাদেরও শাস্তি দেওয়ার কথা বলা হয়েছে। চিকিৎস সংগঠন নিজেদের বিবৃতিতে লেখেন, ‘‘আমরা মেডিক্যাল কাউন্সিলের ভোটের সময় থেকেই এঁদের বিরুদ্ধে বলে এসেছি। মামলা করা হয়েছে। তার পর সন্দীপ ঘোষের কুকীর্তি নিয়েও বহু বার বলেছি। অধরা রয়ে গেছে আমাদের স্বর। আমাদের প্রার্থী-সমর্থকদের প্রতিহিংসামূলক বদলি করা হয়েছে। হুমকি দেওয়া হয়েছে, কাউন্সিলে ডাকা হয়েছে। জল বাড়তে বাড়তে এখন মাথার ওপর উঠে গিয়েছে এবং আরজি করে আমাদের বোনের নারকীয় দুর্ঘটনার ২৭ দিন বাদে (RG Kar) প্রশাসনের টনক নড়েছে। গ্রেফতার এবং সাসপেনশন হচ্ছে। কেউ কেউ অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে। পদত্যাগের হিড়িক উঠেছে। কিন্তু অনেক দেরি হয়ে গেল। না আমরা আনন্দিত নই। এদের মাথার উপর যে মাথারা রয়েছে, তাদের শাস্তি না পাওয়া অবধি আমরা স্বস্তি পাব না।’’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • RG Kar: ‘‘আমি হতভাগিনী তিলোত্তমার মা বলছি…’’, খোলা চিঠি নির্যাতিতার মায়ের

    RG Kar: ‘‘আমি হতভাগিনী তিলোত্তমার মা বলছি…’’, খোলা চিঠি নির্যাতিতার মায়ের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গতকাল বৃহস্পতিবার ৫ সেপ্টেম্বর ছিল শিক্ষক দিবস। ওই দিনই মেয়ের হয়ে তাঁর শিক্ষকদের প্রতি সম্মান জানাতে কলম ধরলেন আরজি করের (RG Kar) নির্যাতিতার মা। লিখলেন খোলা চিঠি। এর পাশাপাশি, এই ঘটনায় প্রশাসন ও হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে তথ্য প্রমাণ লোপাটের বিস্ফোরক অভিযোগও এনেছেন তিনি।

    আমি হতভাগিনী তিলোত্তমার মা বলছি (RG Kar) 

    চিঠির প্রথমেই লেখা রয়েছে, ‘‘আমি হতভাগিনী তিলোত্তমার মা বলছি।’’ এরপরেই শুরু হচ্ছে চিঠির বিষয়বস্তু। চিঠির প্রথমেই শিক্ষক দিবসে মেয়ের হয়ে সকল শিক্ষক-শিক্ষিকাদের প্রণাম জানিয়েছেন নির্যাতিতা পড়ুয়ার মা (RG Kar Victim’s Mother)। এরপরে তিনি লেখেন, ছোট থেকেই তাঁর মেয়ের ডাক্তার হওয়ার স্বপ্ন ছিল। শিক্ষকদের উদ্দেশে ‘তিলোত্তমা’র মা মায়ের মন্তব্য, ‘‘আপনারা সেই স্বপ্নকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার কান্ডারী ছিলেন। আমরা অভিভাবক হিসেবে পাশে থেকেছি। নিজেও অনেক কষ্ট করেছিল। কিন্তু আমি মনে করি আপনাদের মত ভালো ভালো শিক্ষকদেরকে পাশে পেয়েছিল বলেই মেয়ে ডাক্তার হওয়ার স্বপ্ন সফল করতে পেরেছিল। আমার মেয়ে বলত, মা আমার টাকা পয়সা চাই না। শুধু চাই নামের পাশে অনেকগুলো ডিগ্রি। আর আমি যেন অনেক অনেক রোগীকে ভালো করতে পারি।’’

    দ্বিতীয় প্যারাতে লেখা রয়েছে ওই অভিশপ্ত দিনের কথা

    চিঠির দ্বিতীয় প্যারাতে লেখা রয়েছে ওই অভিশপ্ত দিনের কথা (RG Kar)। নির্যাতিতার মা লিখছেন, বৃহস্পতিবারও বাড়ি থেকে বেরিয়ে হাসপাতালে গিয়ে অনেক রোগীকে পরিষেবা দিয়েছিলেন মেয়ে এবং ডিউটিরত অবস্থাতেই কিছু দুর্বৃত্তের হাতে বলি হতে হয় তাঁকে। চরম নিষ্ঠুরভাবে নির্যাতিতার স্বপ্নগুলোকে গলা টিপে হত্যা করে দুর্বৃত্তরা, এমনটাই অভিযোগ নির্যাতিতার মায়ের। এর ফলে তাঁর মেয়ের অনেক স্বপ্ন অধরা থেকে গেল বলে জানিয়েছেন নির্যাতিতার মা (RG Kar)। এরপরেই তিনি (RG Kar Victim’s Mother) লেখেন যে, নারকীয় হত্যাকাণ্ড ঘটানোর পর সমস্ত তথ্য প্রমাণ লোপাট করার ব্যবস্থা করা হয়েছিল হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ এবং প্রশাসনিক তৎপরতায়।

    মেয়ের সুবিচারের আশায় (RG Kar)

    চিঠির একেবারে শেষ প্যারায় উল্লেখ করা হয়েছে, সকল মেডিক্যাল কলেজের শিক্ষক, চিকিৎসক, স্বাস্থ্য ভবনের কর্তারা যদি কোনও তথ্য প্রমাণ জেনে থাকেন, তবে সেগুলোকে অবশ্যই সামনে আনুন। এ প্রসঙ্গে নির্যাতিতার মা উল্লেখ করেছেন, ‘‘ভালো মানুষের নীরবতা অপরাধীদের সাহস যোগায়।’’ খোলা চিঠির একেবারে শেষে ‘তিলোত্তমা’র মায়ের বার্তা, ‘‘চিকিৎসক সমাজ, সাধারণ মানুষ যে আন্দোলন শুরু করেছে তাঁদের পাশে থাকার বার্তা দিয়ে এবং শিক্ষক দিবসে সকল শিক্ষকদের প্রণাম জানিয়ে মেয়ের সুবিচারের আশায়… তিলোত্তমার মা।’’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • RG Kar: আরজি কর মামলার শুনানি ৯ সেপ্টেম্বর, জানাল শীর্ষ আদালত

    RG Kar: আরজি কর মামলার শুনানি ৯ সেপ্টেম্বর, জানাল শীর্ষ আদালত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আরজি কর (RG Kar) মামলার শুনানি সুপ্রিম কোর্টে হওয়ার কথা ছিল বৃহস্পতিবার, ৫ সেপ্টেম্বর। কিন্তু বুধবার, প্রধান বিচারপতির বেঞ্চ না বসায় সেই শুনানি পিছিয়ে যায়। এর পর বৃহস্পতিবার বিকেলে আরজি কর মামলার নতুন শুনানির দিন সুপ্রিম কোর্ট (Supreme Court) ধার্য করে। শীর্ষ আদালতের প্রকাশিত তালিকা অনুযায়ী, আরজি কর মামলা শোনা হবে আগামী ৯ সেপ্টেম্বর, সোমবার। প্রসঙ্গত, আরজি কর (RG Kar) কাণ্ডের পর থেকে উত্তাল হয়েছে সারা বাংলা। প্রতিবাদের আঁচ ছড়িয়ে পড়েছে দেশের গণ্ডি ছাড়িয়ে বিদেশেও। এই আবহে আরজি কর মামলার শুনানির দিকে তাকিয়ে রয়েছে গোটা দেশ সমেত প্রবাসী ভারতীয়রাও।

    ঘটনার একমাস পূর্ণ হওয়ার দিনই সুপ্রিম শুনানি

    উল্লেখ্য ৯ সেপ্টেম্বর ঘটনার একমাস পূর্ণ হবে, সেদিনই রয়েছে মামলার শুনানি। ৫ সেপ্টেম্বর শুনানি হবে, এমনটা জানতে পেরে আগে থেকে আন্দোলনকারীরা প্রদীপ জ্বালানো ও রাত দখলের কর্মসূচিও গ্রহণ করেন ৪ সেপ্টেম্বর। ঠিক হয়, ৫ সেপ্টেম্বর আরজি কর হাসপাতালে জায়ান্ট স্ক্রিন লাগিয়ে দেখা হবে মামলার শুনানি। কিন্তু, বুধবারে হঠাৎ বিজ্ঞপ্তি দিয়ে জানিয়ে দেওয়া হয় যে, প্রধান বিচারপতির বেঞ্চ ওই দিন বসছেন না। প্রসঙ্গত আরজি কর (RG Kar) মামলার শুনানিতে প্রধান বিচারপতি ডিওয়াই চন্দ্রচূড় ছাড়াও বেঞ্চে রয়েছেন বিচারপতি জেবি পারদিওয়ালা এবং বিচারপতি মনোজ মিশ্র। প্রসঙ্গত, স্বতঃপ্রণোদিতভাবে এই মামলা সুপ্রিম কোর্ট গ্রহণ করে। শীর্ষ আদালতের নির্দেশ মতো আরজি করে মোতায়েন হয়েছে কেন্দ্রীয় বাহিনীও।

    শুনানি পিছিয়ে যেতে হতাশ আন্দোলনকারীরা 

    সুপ্রিম কোর্টের (Supreme Court) তরফ থেকে শুনানি পিছিয়ে দেওয়ার বিজ্ঞপ্তি সামনে আসতেই হতাশা (RG Kar) ছড়িয়ে পড়ে আন্দোলনকারী এবং প্রতিবাদকারীদের মধ্যে। কারণ দীর্ঘ ৯ অগাস্ট থেকে এই আন্দোলন চলছে। বিক্ষোভ, অবরোধ, নবান্ন অভিযান, লালবাজার অভিযান, রাত দখলের কর্মসূচি, মানব বন্ধন সব কিছুই সম্পন্ন হয়েছে আরজি কর ইস্যুকে কেন্দ্র করে। চলছে একাধিক কর্মসূচিও। সবাই তাকিয়ে রয়েছেন সুপ্রিম কোর্টের দিকে। তার মধ্যে নির্ধারিত দিন পিছিয়ে যাওয়ায় কিছুটা হতাশ হন প্রতিবাদীরা। যদিও, আন্দোলকারী চিকিৎসকরা একইসঙ্গে জানিয়ে দেন, তাঁরা নিজেদের অবস্থানেই অনঢ় রয়েছেন। তাঁদের কথায়, সুপ্রিম কোর্টে যত মামলা পিছবে, মিছিল তত এগোবে। কোনও অবস্থাতেই আর মিছিল ও বিক্ষোভ থামবে না। যতক্ষণ পর্যন্ত না তাঁদের দাবিগুলি মানা হবে তখন পর্যন্ত মিছিল এগিয়ে যাবে। তবে, এরই মধ্যে সামনে এল শুনানির নয়া দিনক্ষণ। এবার দেখার সোমবার কী হয়! 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • RG Kar: বিলম্বিত বোধোদয়! সন্দীপকে সাসপেন্ডের পর ঘনিষ্ঠ চিকিৎসক বিরূপাক্ষকে বদলি কাকদ্বীপে

    RG Kar: বিলম্বিত বোধোদয়! সন্দীপকে সাসপেন্ডের পর ঘনিষ্ঠ চিকিৎসক বিরূপাক্ষকে বদলি কাকদ্বীপে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সিবিআইয়ের হাতে গ্রেফতার হওয়ার পরে সন্দীপ ঘোষকে মঙ্গলবারই সাসপেন্ড করে স্বাস্থ্য দফতর। সে নিয়েও প্রশ্ন ওঠে যে আরজি করের (RG Kar) প্রাক্তন অধ্যক্ষকে সাসপেন্ড করতে সিবিআইয়ের গ্রেফতারি পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হল স্বাস্থ্য ভবনকে? এতেই বোঝা যায় ঠিক কতটা প্রভাবশালী সন্দীপ ঘোষ! এরই মাঝে সন্দীপ ঘনিষ্ঠ ‘বাহুবলী’ ডাক্তার নেতা বিরূপাক্ষ বিশ্বাসকে কাকদ্বীপে বদলি করা হল। বিরুপাক্ষ বিশ্বাস এতদিন পর্যন্ত ছিলেন বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজে। তাঁর বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ রয়েছে। সম্প্রতি, একটি অডিও ভাইরাল হয় সেখানকার কণ্ঠস্বর নিজেকে বিরুপাক্ষ (Birupaksha Biswas) বলে দাবি করে এক ছাত্রকে পরীক্ষায় ফেল করানোর হুমকি (RG Kar) সমেত হোস্টেল থেকে তাড়িয়ে দেওয়ার কথা বলতে থাকেন।  সেই বিরুপাক্ষ বিশ্বাসকে কাকদ্বীপ মহকুমা হাসপাতালে বদলি করা হচ্ছে ঠিক সেদিন, যেদিন সন্দীপ ঘোষকে সাসপেন্ড করল স্বাস্থ্য দফতর।

    নির্দেশ কার্যকর হল ১৩ মাস পরে (RG Kar) 

    সন্দীপ ঘনিষ্ঠ বিরুপাক্ষকে নাকি আগেই বদলি করা হয়েছিল, ১৩ মাস আগে ২০২৩ সালের অগাস্ট মাসে। সেই বদলি নাকি এতদিন কার্যকরী করতেই পারেনি স্বাস্থ্য দফতর। কারণ বিরুপাক্ষ বাহুবলী, প্রভাবশালী ও শাসক দল ঘনিষ্ঠ। এমনটাই অভিযোগ তুলছেন চিকিৎসক মহলের বড় অংশ। চিকিৎসক গৌরাঙ্গ প্রামাণিক বলেন, ‘‘বিরূপাক্ষের বদলির নির্দেশ ছিল ২০২৩ সালে ১১ অগাস্ট। অথচ সেই বদলির নির্দেশকে কার্যত বুড়ো আঙুল দেখিয়ে এক বছর বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে থাকলেন তিনি। হাসপাতালে আসতেন না বলেই জানি।’’ বোঝাই যায়, বদলির নির্দেশকে থোড়াই কেয়ার করতেন বিরুপাক্ষ। সরকারি কর্মচারী হয়েও আসতেন না হাসপাতালে। কে ছোঁবে? তিনি তো সন্দীপ-ঘনিষ্ঠ। পাওয়ারফুল সন্দীপ সকালে (RG Kar) ইস্তফা দেওয়ার পরে বিকেলেই পেতেন প্রাইজ পোস্টিং। ভাইরাল ভিডিওয় সন্দীপ ঘনিষ্ঠ বিরুপাক্ষকে আরজি করের সেমিনার রুপে দেখা যায় ঠিক ঘটনার পরের দিন। বহিরাগত বিরুপাক্ষ কী করছিলেন সেখানে এনিয়ে উঠতে শুরু করে প্রশ্ন। যদিও সেই ভিডিওর সত্যতা যাচাই করেনি মাধ্যম।

    জেলে থাকার কথা বিরূপাক্ষর (Birupaksha Biswas)

    বিরূপাক্ষর বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দিয়ে চিকিৎসক সংগঠনের নেতা উৎপল বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, ‘‘বিরূপাক্ষ বিশ্বাস এবং যে সকল নামগুলি রাস্তায় ঘুরে বেড়াচ্ছে এদের জেলে থাকার কথা। এখন বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজের জুনিয়র ডাক্তাররা প্রতিরোধে সামিল হয়েছেন এই হুমকির বিরুদ্ধে। এখন ভয়ে বর্ধমান থেকে কাকদ্বীপে স্থানান্তরিত করা হয়েছে ওকে বাঁচাতে। তবে আশার কথা বলতে পারি কাকদ্বীপে গেলেও ওইখানকার জুনিয়র ডাক্তাররা ওকে ঢুকতে দেবেন না।’’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share