Tag: rg kar

rg kar

  • RG Kar Incident: এফআইআর করতে দেরি কেন? প্রশ্ন রাজ্যকে, মামলার স্টেটাস রিপোর্ট তলব সুপ্রিম কোর্টের

    RG Kar Incident: এফআইআর করতে দেরি কেন? প্রশ্ন রাজ্যকে, মামলার স্টেটাস রিপোর্ট তলব সুপ্রিম কোর্টের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আরজি কর হাসপাতালে তরুণী পড়ুয়া-চিকিৎসক ধর্ষণ ও খুনের ঘটনায় সুপ্রিম কোর্টে চাপের মুখে রাজ্য। শুরু থেকেই প্রধান বিচারপতি ডিওয়াই চন্দ্রচূড়ের একের পর এক প্রশ্নের মুখে পড়তে হয় রাজ্যকে। দেহ দেখার পর কার অভিযোগের ভিত্তিতে প্রথম এফআইআর? দেহ হস্তান্তরের তিন ঘণ্টা পর কেন এফআইআর? রাজ্যকে প্রশ্ন করলেন প্রধান বিচারপতি। একই সঙ্গে মঙ্গলবার প্রধান বিচারপতি স্পষ্ট করে জানিয়ে দিলেন, কলকাতা হাইকোর্টে নয়, আরজি কর মামলার শুনানি হবে সুপ্রিম কোর্টেই। আরজি কর কাণ্ডে আগামী বৃহস্পতিবারের মধ্যে সিবিআইকে মামলার তদন্ত সংক্রান্ত স্টেটাস রিপোর্ট জমা করতে হবে দেশের শীর্ষ আদালতে। ২২ অগাস্ট, এই মামলায় পরবর্তী শুনানি।

    সুপ্রিম-প্রশ্নে জেরবার রাজ্য

    এদিন আরজি কর এর ঘটনার ভয়াবহতা নিয়ে বিস্ময় প্রকাশ করেন প্রধান বিচারপতি ডিওয়াই চন্দ্রচূড়। রাজ্যের তরফে এদিন সওয়াল করেন আইনজীবী কপিল সিব্বল, অভিষেক মনু সিংভি-সহ অন্য আইনজীবীরা। এদিন প্রথমেই বিচারপতি জেবি পারদিওয়ালা জানতে চান, এই ঘটনায় কার অভিযোগের ভিত্তিতে এবং কখন প্রথম এফআইআর দায়ের হয়েছিল? এর পরই প্রধান বিচারপতির প্রশ্ন করেন, “সৎকারের জন্য মৃতদেহ কখন পরিবারকে দেওয়া হয়? এফআইআর দায়ের হওয়ার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই দেহ দিয়ে দিলেন?” পরিবারের তরফে এফআইআর দায়ের হয়েছে শুনে আরও ক্ষুব্ধ হন প্রধান বিচারপতি। তিনি জানতে চান, কেন পরিবারের তরফে প্রথম এফআইআর দায়ের হল? প্রিন্সিপ্যাল, ভাইস প্রিন্সিপ্যাল কী করছিলেন? প্রধান বিচারপতির প্রশ্ন, “বিকালে ময়নাতদন্তের রিপোর্টে বলা হয় খুন। এফআইআর দায়ের হয়েছিল বেলা ১১টা ৪৫ মিনিটে। সে সময়ে নির্যাতিতার বাবা-মা ছিলেন না, তখন হাসপাতালেরই দায়িত্ব ছিল এফআইআর দায়ের করা।” শীর্ষ আদালতের এই প্রশ্নের কোনও উত্তর দিতে পারেনি রাজ্য।

    স্বাধীনতার দিন রাতে ভাঙচুর!

    স্বাধীনতা দিবসের দিন রাজ্য কী ভাবে হাসপাতাল ভাঙচুর করতে দিল?” সেই প্রশ্নও তোলেন প্রধান বিচারপতি। তিনি বলেন, “চিকিৎসা পেশায় হিংসা রুখতে হবে। অনেকে মনের মধ্যে গেঁথে রয়েছে, এই সমাজ পুরুষশাসিত। সেখানে মহিলারা আরও বেশি করে নিশানা হচ্ছেন। এটা দুঃখজনক।” সন্দীপ ঘোষ আরজি করের অধ্যক্ষ পদে ইস্তফা দেওয়ার পর কী ভাবে আবার অন্য কোথাও যোগ দিলেন, তা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছে সুপ্রিম কোর্ট।

    আরও পড়ুন: ‘‘আমাদের আগে ৩টি বডি ছিল’’! দাবি নির্যাতিতার বাবার, সৎকারে কেন তৎপর পুলিশ?

    সিবিআইকে রিপোর্ট দেওয়ার নির্দেশ

    কলকাতার সরকারি হাসপাতালে মহিলা শিক্ষানবিশ চিকিৎসকের ধর্ষণ ও খুনের ঘটনায় স্বতঃপ্রণোদিত মামলা করেছিল সুপ্রিম কোর্ট। মঙ্গলবার সেই মামলার শুনানি ছিল দেশের প্রধান বিচারপতি ডিওয়াই চন্দ্রচূড়ের নেতৃত্বাধীন বেঞ্চে। এদিন বৃহস্পতিবারের মধ্যে সিবিআইয়ের থেকে স্ট্যাটাস রিপোর্ট তলব করে শীর্ষ আদালত। প্রধান বিচারপতি মন্তব্য করেন, একটি ন্যাশনাল টাস্ক ফোর্স গঠন করা হবে। চিকিৎসকদের নিরাপত্তা সংক্রান্ত বিষয়টি অনুসন্ধান করে দেখবে সেই টাস্ক ফোর্স। মহিলারা যাতে আরও বেশি করে কাজে যোগদানে উৎসাহ পান, সে দিকে নজর দেওয়ার পরামর্শ দেন প্রধান বিচারপতি। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • RG Kar Incident: ‘‘আমাদের আগে ৩টি বডি ছিল’’! দাবি নির্যাতিতার বাবার, সৎকারে কেন তৎপর পুলিশ?

    RG Kar Incident: ‘‘আমাদের আগে ৩টি বডি ছিল’’! দাবি নির্যাতিতার বাবার, সৎকারে কেন তৎপর পুলিশ?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিক্ষোভকারী চিকিৎসকরা আগেই অভিযোগ করেছিলেন যে, আরজি করে (RG Kar Incident) নির্যাতিতার মৃতদেহ ‘লুট’ করে নিয়ে গিয়েছে পুলিশ। তদন্ত করতে পুলিশ ‘ভয়’ পাচ্ছিল, তাই এত দ্রুত দেহ সৎকার করা হয়। এবার সেই নিয়ে একই প্রশ্ন তুললেন মৃতার বাবা। তাঁর দাবি, পানিহাটি শ্মশানে যখন মেয়ের দেহ নিয়ে যাওয়া হয় সেই সময় সেখানে আরও তিনটি মৃতদেহ ছিল। কিন্তু সবকিছু থামিয়ে রেখে আগে নির্যাতিতার দেহ সৎকারের ব্যবস্থা করে পুলিশ। কেন এত তাড়াহুড়ো? কী লুকোত চেয়েছিল পুলিশ? ভয় ছিল দেহ থাকলে ফের ময়নাতদন্ত বা ফরেন্সিক হতে পারে, যাতে বিপদে পড়তে পারেন কেউ কেউ?

    কী বললেন নির্যাতিতার বাবা

    আরজি করের (RG Kar Incident) ঘটনার পরে প্রথম থেকেই পুলিশের বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছিল, প্রমাণ লোপাটের জন্য প্রয়োজনের চেয়ে তাড়াহুড়ো করে মেয়েটির দেহ পুড়িয়ে দিয়েছে পুলিশ। এই ঘটনায় মর্গে পৌঁছে দেহ আটকে বাধা দেওয়ারও চেষ্টা করেছিলেন আন্দোলনকারীরা। কিন্তু সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট দিয়ে কলকাতা পুলিশ জানায়, দেহ সৎকারে তাদের কোনও হাত ছিল না, যা করার করেছে মেয়েটির পরিবারই। যদিও সম্প্রতি নির্যাতিতার বাবা জানান, গত ৯ অগাস্ট রাতে শ্মশানে তাঁর মেয়ের দেহ দাহ করতে পুলিশের তৎপরতা ছিল চোখে পড়ার মতো। তাঁর কথায়, ‘‘শ্মশানে পৌঁছে গিয়ে আমরা দেখি, আমাদের আগে তিনটে বডি রয়েছে। কিন্তু পুলিশ আধিকারিকরা নিজেদের প্রভাব খাটিয়ে আমার মেয়ের দেহ আগে সৎকার করে দেয়। তখন আমরা কথা বলার মতো অবস্থায় ছিলাম না। মাথা কাজ করছিল না। ফলে সৎকারে বাধা দেওয়ার কথা মাথায় আসেনি।’’

    দেহ সৎকারে পারদর্শী পুলিশ

    শুধু মৃতার বাবা নন, ওইদিন দেহ সৎকারে পুলিশের তৎপরতার কথা জানিয়েছে পানিহাটি এলাকায় শ্মশানের কর্মীরাও। যে শ্মশানে নির্যাতিতার দেহ সৎকার করা হয়, সেখানকার এক কর্মী ভোলানাথ বলেন, ‘‘আমাদের এলাকার একটি মেয়ের মৃত্যুর খবর সকাল থেকেই চলছিল। রাত ১২টার পর লাশ শ্মশানে আনা হয়। পুলিশ আমাদের আগেই জানিয়েছিল যে একটি মেয়ের লাশ আসছে এবং তার সঙ্গে বিশাল জনসমাগমও আসবে। এলাকাটি খুব জনাকীর্ণ ছিল, ১০টিরও বেশি পুলিশের গাড়ি ছিল। লোকজনের আসা কঠিন হয়ে পড়েছিল। এবং যাতায়াতে সমস্যা হচ্ছিল। তাই পুলিশ দ্রুত শেষকৃত্য করার নির্দেশ দেয়। বিপুল জনসমাগম এবং পুলিশ বাহিনীর উপস্থিতির মধ্যে যত তাড়াতাড়ি সম্ভব নিহতের শেষকৃত্য সম্পন্ন করা হয়েছিল।’’ ভোলানাথ জানান, ওই সময় শ্মশানে থাকা আরও ৩ মৃতের পরিজনের সঙ্গে কথা বলে পুলিশই সব ব্যবস্থা করে। স্বাভাবিক, সদ্য কন্যাহারা তা-ও অকস্মাৎ, মর্মান্তিক, বাবা-মার পক্ষে বাধা দেওয়ার মতো মানসিক জোরই ছিল না। কলকাতা পুলিশের বিরুদ্ধে ধর্ষিতার দেহ দখল করার অভিযোগ নতুন নয়, এর আগে মধ্যমগ্রামের এক নির্যাতিতা নাবালিকার দেহ দখল করে দাহ করে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছিল কলকাতা পুলিশের বিরুদ্ধে।

    আরও পড়ুন: হাথরস কাণ্ডের দুঁদে মহিলা সিবিআই অফিসার সীমা এবার আরজি করের তদন্তে

    মুখ্যমন্ত্রীর বিরুদ্ধে অসন্তোষ

    আরজি কর-কাণ্ডে (RG Kar Incident) আগেই প্রশ্ন উঠেছিল পুলিশের ভূমিকা নিয়ে। নির্যাতিতার বাবার বক্তব্যে ফের প্রশ্ন উঠছে, কেন দেহ দাহ করতে এত তৎপর ছিল পুলিশ? কিছু কি লুকানোর পরিকল্পনা ছিল তাদের? এই ঘটনায় মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ভূমিকাতেও ‘সন্তুষ্ট নন’ মৃত চিকিৎসকের বাবা, সে কথাও জানিয়েছেন তিনি। তিনি বলেন, ‘‘মুখ্যমন্ত্রী ন্যায়বিচার দেওয়ার কথা বলছেন। কিন্তু যে সব সাধারণ মানুষ ন্যায়বিচারের দাবি করছেন, তাঁদের তিনি জেলে ভরার চেষ্টা করছেন। আমরা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রতি সন্তুষ্ট নই। ওঁর দেওয়া কোনও ক্ষতিপূরণ নিতেও অস্বীকার করেছি।’’ 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • RG Kar: আরজি কর কাণ্ডের জের, হাসপাতালগুলির নিরাপত্তায় একগুচ্ছ নির্দেশিকা কেন্দ্রের

    RG Kar: আরজি কর কাণ্ডের জের, হাসপাতালগুলির নিরাপত্তায় একগুচ্ছ নির্দেশিকা কেন্দ্রের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আরজি করের (RG Kar) কাণ্ডের প্রেক্ষিতে দেশের সমস্ত হাসপাতালের নিরাপত্তা ব্যবস্থাকে ঢেলে সাজানোর নির্দেশ দিল কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রক (Central Health Ministry)। হাসপাতালের ভিতরে কোনও অপরাধ, প্রতিরোধ বা মোকাবিলার ক্ষেত্রে রাজ্য সরকারের যে আইন রয়েছে, তা ধারা-সহ প্রকাশ্যে তুলে ধরার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে নির্দেশিকায়।

    প্রশিক্ষিত সিকিউরিটি গার্ড নিয়োগের নির্দেশ

    সোমবারই কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রকের (RG Kar) তরফ থেকে এই সংক্রান্ত নির্দেশ সামনে আসে। এর পাশাপাশি, হাসপাতালের যে অংশ সিসি ক্যামেরায় আসে না, সেই ডার্ক স্পটগুলিকেও চিহ্নিত করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে নির্দেশিকায়। সমস্ত হাসপাতালগুলিতে প্রশিক্ষিত সিকিউরিটি গার্ড নিয়োগের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। একইসঙ্গে বলা হয়েছে, মহিলা নিরাপত্তা রক্ষী নিয়োগেরও কথা বলা হয়েছে ওই নির্দেশিকায়।

    সিসি ক্যামেরা হতে হবে ‘হাই রেজোলিউশন’-এর (RG Kar)

    আরজি করে ডাক্তারি পড়ুয়াকে ধর্ষণ ও খুনের ঘটনা সামনে এনেছে কর্তৃপক্ষের একের পর এক গাফিলতি। নাইট ডিউটির সময় মহিলা চিকিৎসক-নার্সদের নিরাপত্তার দাবিতে সরব হয়েছেন সমাজের সব মহলই। কর্মক্ষেত্রে সিসিটিভির যথাযথ ব্যবহারের মতো একাধিক বিষয় নিয়ে সরব হয়েছেন চিকিৎসক সমাজ থেকে বিভিন্ন মহল (RG Kar)। এই আবহে কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রক নির্দেশিকাতে (Central Health Ministry) পরিষ্কার করে জানিয়ে দিয়েছে, শুধু ক্লোজ সার্কিট ক্যামেরা বসিয়েই দায় সারা যাবে না। সেই সিসি ক্যামেরা হতে হবে ‘হাই রেজোলিউশন’-এর। রোগীর পরিবারকে হাসপাতালের অভ্যন্তরে প্রবেশের ক্ষেত্রেও সুনির্দিষ্ট নিয়মের উল্লেখ রয়েছে নয়া নির্দেশিকায়।

    যাতায়াতের গতিবিধিতে নজরদারি

    প্রসঙ্গত, আরজি কর কাণ্ডের পর কোনওভাবেই ঝুঁকি নিতে রাজি নয় কেন্দ্র। সোমবারের নির্দেশেই তা স্পষ্ট। সোমবারের নির্দেশিকায় কেন্দ্রের অধীনস্ত সকল হাসপাতালগুলিতে নিরাপত্তা কর্মীর সংখ্যা ২৫ শতাংশ বৃদ্ধির নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। একইসঙ্গে, কেন্দ্রীয় সরকারের অধীনস্ত হাসপাতালগুলিতে কারা ঢুকছেন, কারা বের হচ্ছেন, অর্থাৎ যাতায়াতের গতিবিধির ওপর নজরদারিতে জোর দেওয়ার কথা বলা হয়েছে। সিসি ক্যামেরার পাশাপাশি অন্যান্য নিরাপত্তাতেও জোর দেওয়া হয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।  

  • RG Kar Incident: ‘ফুটবলপ্রেমীদের ওপর লাঠিচার্জ লজ্জাজনক’, পুলিশের ভূমিকা নিয়ে মামলা হাইকোর্টে

    RG Kar Incident: ‘ফুটবলপ্রেমীদের ওপর লাঠিচার্জ লজ্জাজনক’, পুলিশের ভূমিকা নিয়ে মামলা হাইকোর্টে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রবিবাসরীয় বিকেলে বৃষ্টির মধ্যেই তিলোত্তমার হয়ে প্রতিবাদে (RG Kar Incident) সামিল হয়েছিলেন অগণিত সমর্থক। হাওড়া, দক্ষিণ কলকাতা, উত্তর কলকাতার বিভিন্ন জায়গা থেকে ছোট ছোট মিছিল এগোতে থাকে। গন্তব্য একটাই, যুবভারতী স্টেডিয়াম। ডার্বি বাতিল হওয়ার দুঃখ নয়, আরজি করের নির্যাতিতার বিচার চাওয়াই ছিল মূল লক্ষ্য। কিন্তু শান্তিপূর্ণ সেই প্রতিবাদ মিছিলকেও ভয় পেল পুলিশ। ফুটবলপ্রেমীদের সরাতে নির্বিচারে লাঠিচার্জ করতে হল পুলিশকে। এত অসহিষ্ণু কেন পুলিশ? যুবভারতী চত্বরে রবিবার পুলিশের এই ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলে কলকাতা হাইকোর্টে (Calcutta High Court) জনস্বার্থ মামলা দায়ের করলেন আইনজীবী রিজু ঘোষাল।

    পুলিশের বিরুদ্ধে অভিযোগ

    মামলায় বলা হয়েছে, দুই ক্লাবের সমর্থকরা শান্তিপূর্ণভাবে মিছিল করেন। সেখানে লাঠিচার্জ করা হয় ও ১০০ জনের বেশি আন্দোলনকারীকে গ্রেফতার করা হয়। এই ইস্যুতে হাইকোর্টকে স্বতঃস্ফূর্ত মামলা গ্রহণের আর্জি জানান আইনজীবী। পুলিশের আচরণের প্রতিবাদেই এই মামলা। মামলাকারীর দাবি, পুলিশ লজ্জাজনক কাজ করছে। মামলাটি গ্রহণ করেছেন হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি টিএস শিবজ্ঞানম। আগামী কাল, মঙ্গলবার মামলার শুনানি। রবিবার, যুবভারতীতে ছিল ডুরান্ড ডার্বি। কিন্তু আরজি কর কাণ্ডের (RG Kar Incident) জেরে উত্তপ্ত শহর, তাই ম্যাচেও অশান্তি হতে পারে এবং নিরাপত্তা দেওয়ার জন্য পর্যাপ্ত পুলিশ নেই-এই অজুহাতেই ডার্বি বন্ধ করেছিল প্রশাসন। কিন্তু দেখা গেল, রবিবার লাল-হলুদ, সবুজ-মেরুন সমর্থকদের একযোগে প্রতিবাদ মিছিল রুখতে রাস্তায় নামল শয়ে শয়ে পুলিশ। 

    আরও পড়ুন: আরজি কর-কাণ্ডে উত্তাল যুবভারতী, সমর্থকদের গ্রেফতারি আটকে ‘নায়ক’ কল্যাণ চৌবে

    “পুলিশের জবাব চাই”

    এদিন ডার্বির লডাই নয়, মোহন-ইস্ট সমর্থকরা একযোগে আরজি কর-এর নির্যাতিতার বিচার চেয়েছিলেন। এদিন বেলা সাড়ে তিনটে নাগাদ বিধাননগর পুলিশ কমিশনারেটের পক্ষ থেকে বলা হয়, যুবভারতী চত্বরে প্রতিবাদ মিছিল (RG Kar Incident) করতে দেওয়া যাবে না। বিএনএসএস-এর ১৬৩ ধারা (আইপিসির ১৪৪ ধারা) অনুযায়ী, সেখানে জমায়েত করতে দেওয়া হবে না। কারণ গোপন সূত্রে তাঁরা নাকি জানতে পেরেছিলেন, কিছু দুষ্কৃতী ওই শান্তিপূর্ণ মিছিলে অস্ত্র নিয়ে ঢুকে পড়তে পারে। বিশৃঙ্খলা এবং অশান্তি তৈরি করতে পারে। কিন্তু কোনওটাই হয়নি। শান্তিপূর্ণ মিছিলকে আটকায় পুলিশ। যার ফলেই বচসায় জড়িয়ে পড়েন ফুটবল প্রেমীরা। কিছুক্ষণের মধ্যেই ময়দানের ৩ প্রধান দলের সমর্থকদের উপর পুলিশের লাঠিচার্জ শুরু হয়। ছোড়া হয় কাঁদানে গ্যাস। কিন্তু, কোনও সরকারি সম্পত্তি ভাঙচুর বা নষ্ট না করা হলেও পুলিশ কেন এত সক্রিয় ছিল? বিষয়টি নিয়ে বিধাননগর পুলিশ এবং কলকাতা পুলিশের জবাব তলব করা হোক-এই আবেদন জানিয়ে আদালতের (Calcutta High Court) দ্বারস্থ আইনজীবী।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • RG Kar: বাড়ছে আন্দোলনের ঝাঁঝ! লালবাজারে তলব পাওয়া ২ চিকিৎসককে নিয়ে মিছিল ডাক্তারদের

    RG Kar: বাড়ছে আন্দোলনের ঝাঁঝ! লালবাজারে তলব পাওয়া ২ চিকিৎসককে নিয়ে মিছিল ডাক্তারদের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আরজি কর কাণ্ডে (RG Kar) নির্যাতিতা মহিলা চিকিৎসকের পরিচয় ফাঁস এবং গুজব ছড়ানোর অভিযোগে রাজ্যের দুই সিনিয়র চিকিৎসক কুণাল সরকার এবং সুবর্ণ গোস্বামীকে সোমবার তলব করে লালবাজার (Lalbazar)। যদিও গুজব ছড়ানোর বিষয়ে পুলিশ মিথ্যা অভিযোগ করছে বলে বারবার বলতে শোনা গিয়েছে চিকিৎসক মহলের বড় অংশকে। এরই প্রতিবাদে দুই ডাক্তারকে নিয়ে এদিন মিছিল করে লালবাজারের উদ্দেশে রওনা দেন চিকিৎসকরা। পাল্টা চিকিৎসকদের রুখতে রীতিমতো ব্যারিকেড করল পুলিশ। সাম্প্রতিক ইতিহাসে রাজ্যে এমন ঘটনা বেনজির বলেই মনে করছে ওয়াকিহবহল মহল। আন্দোলন যে বর্তমানে চরম পর্যায়ে পৌঁছেছে, এই ঘটনাই তার প্রমাণ, এমনটা বলছেন কেউ কেউ।

    ফিয়ার্স লেনে চিকিৎসকদের মিছিল আটকায় পুলিশ (RG Kar)

    প্রসঙ্গত, ভারতীয় ন্যায় সংহিতার ৩৫ নম্বর ধারায় তথ্যপ্রযুক্তি আইনে তলব করা হয় দুই চিকিৎসককে। এরই প্রতিবাদে সরব হন শহরের বাকি ডাক্তাররাও। ব্যারিকেড (RG Kar) করে ফিয়ার্স লেনে চিকিৎসকদের মিছিল আটকায় পুলিশ। সেখান থেকেই দুই চিকিৎসক কুণাল সরকার এবং সুবর্ণ গোস্বামীকে নিয়ে লালবাজারের দিকে নিয়ে যায় কলকাতা পুলিশ। দুই চিকিৎসকের সঙ্গে তাঁদের আইনজীবীরাও ছিলেন। লালবাজারের উদ্দেশে রওনা হওয়ার আগে কলকাতা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে এদিন জড়ো হন চিকিৎসকরা। সেখানেই বক্তব্য রাখতে দেখা যায় কুণাল সরকার ও সুবর্ণ গোস্বামীকে।

    ৯ অগাস্টের ঘটনাটি প্রথম থেকেই ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করা হচ্ছে 

    সুবর্ণ গোস্বামী বলেন, ‘‘সবাই জানেন এ রাজ্যে যে ঘৃণ্য অপরাধ ঘটেছে, সেই অন্যায়কে ধামাচাপা, দোষীদের আড়াল করার চেষ্টা চলছে। তার বিরুদ্ধেই আমাদের প্রতিবাদ। আমরা চাইলে এর বিরুদ্ধে আদালতে যেতে পারতাম। কিন্তু আমরা মুখোমুখি লড়াই করতে চেয়েছিলাম। সবশেষে বলি, চোখ যত রাঙাবে, মিছিল তত বাড়বে।’’ সুবর্ণ গোস্বামী আরও বলেন, ‘‘আরজি করে (RG Kar) এই ঘটনার আগে থেকেই আমরা সংশ্লিষ্ট হাসপাতালের বিভিন্ন অব্যবস্থা নিয়ে প্রতিবাদ করে এসেছি। ৯ অগাস্টের ঘটনাটি প্রথম থেকেই ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করা হচ্ছে। আমরা কোনও ভুল তথ্য ছড়ায়নি। আমাদের তরফে কোথাও নির্যাতিতার নাম সামনে আসেনি, যা আরজি করের প্রাক্তন অধ্যক্ষ সন্দীপ ঘোষ করেছিলেন।’’

    দেশের বিভিন্ন ফরেন্সিক বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে কথা বলেছি 

    সুবর্ণ গোস্বামী আরও বলেন, ‘‘যে অটোপসি রিপোর্ট নিয়ে আমরা কথা বলেছি, তা নির্যাতিতার বাবার তরফে বলা হয়েছিল। আমরা সাতটি সংগঠনের তরফে যখন তাঁদের বাড়িতে যাই, সেই সময় বলা হয় যে, এটা নিয়ে আপনারা সরব হন। তার ওপর ভিত্তি করেই দেশের বিভিন্ন ফরেন্সিক বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে কথা বলি। সেটাই সংবাদমাধ্যমের কাছে তুলে ধরেছি।’’ চিকিৎসক কুণাল সরকার বলেন, ‘‘জীবনে কত পরীক্ষা দিয়েছি, আজকে পুলিশ আমাদের প্রশ্ন করতে চায়। আজকে পুলিশ (Lalbazar) আমার বিবেক, বুদ্ধি, সমাজ নিয়ে প্রশ্নের উত্তর চায়, সব প্রশ্নের উত্তর দেব।’’ তিনি আরও বলেন, ‘‘আমরা ৩১ বছরের একজন সতীর্থকে চিরতরে হারিয়েছি। এই গ্লানি রয়ে গিয়েছে। মনে রাখতে হবে সমাজের প্রতি আমাদের একটা দায়িত্ব রয়েছে। রাজ্যের মানুষের কাছে আমাদের দায়িত্ব রয়েছে। এখন ডাক্তারদের একসঙ্গে আসতে হবে। পারস্পরিক আলোচনা করতে হবে। একতরফা বলে যাওয়ার সময় এটা নয়।’’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • RG Kar: ‘পরীক্ষায় ফেল করিয়ে দেওয়া হতে পারে, আশঙ্কা করত মেয়ে’, দাবি নির্যাতিতার মায়ের

    RG Kar: ‘পরীক্ষায় ফেল করিয়ে দেওয়া হতে পারে, আশঙ্কা করত মেয়ে’, দাবি নির্যাতিতার মায়ের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মেয়ের মৃত্যুর জন্য আরজি কর (RG Kar) মেডিক্যাল কলেজের চেস্ট ডিপার্টমেন্টকেও দায়ী করেছেন নির্যাতিতার বাবা-মা। রীতিমতো ক্ষোভের সুরে তাঁরা জানিয়েছেন, নির্যাতিতাকে সব সময় চাপে রাখা হত। জ্বরের সময় নির্যাতিতাকে কাজ করানোরও অভিযোগ উঠেছে কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে। নির্যাতিতার (RG Kar) বাবার কথায়, ‘‘মেয়ের ভিপি চাপে রাখত। জ্বর হলেও ছুটি দিত না। এক বার একটি বাইক ওকে ধাক্কা দেয়। আঘাত লাগে। তার পরেও ছুটি দেয়নি।’’ নির্যাতিতার মায়ের (RG Kar Victims Mother) দাবি, পড়াশোনাতে যাতে ব্যাঘাত না ঘটে সে কারণে, এ সব বিষয়ে নজর দিতেন না চিকিৎসক। তিনি বলেন, ‘‘মেয়ে সব কিছু এড়িয়ে যেত। এ সবে নজর দিলে পড়াশোনায় ক্ষতি হবে বলে এড়িয়ে যেত। আপনারা বুঝতে পারছেন, আরজি করে কী হত?’’ নিহত তরুণী চিকিৎসকের মা আরও জানিয়েছেন, পরীক্ষায় ফেল করিয়ে দেওয়া হতে পারে, এমন আশঙ্কাও ছিল তাঁদের মেয়ের। তাঁর কথায়, ‘‘ভয় ছিল। চাপ ছিল, ওপরমহলের।’’

    ভরসা সিবিআইয়ে (RG Kar) 

    হাইকোর্টের নির্দেশে ঘটনার তদন্তভার নিয়েছে সিবিআই। নির্যাতিতার বাবা মনে করছেন, এই পরিস্থিতিতে সিবিআইয়ের ওপর ‘আস্থা রাখতে হবে’ তাঁদের। নিজেদের বেশ কিছু সন্দেহের কথাও সংবাদ মাধ্যমের সামনে প্রকাশ করেছেন নির্যাতিতার বাবা এবং মা। নির্যাতিতার বাবা বলেন, ‘‘সন্দেহ হচ্ছে, অন্যত্র কোথাও খুন হয়েছে। যত ক্ষণ না জানতে পারছি, সুনিশ্চিত হতে পারছি না।’’ নিহতের (RG Kar) মা বলেন, ‘‘জানতে পেরেছি, মেয়ের দেহ যে ভাবে আমাদের দেখানো হয়েছে, সে ভাবে ছিল না। দেহে জামাকাপড় ছিল না, এটা আমরা জানতে পেরেছি। সিবিআইকে সব বলব। আমাদের মনে হচ্ছে, আমাদের আড়াল করে প্রমাণ লোপাটের চেষ্টা করছে।’’

    নির্যাতিতার ডায়েরির ‘ছেঁড়া পাতা’র ছবি রয়েছে বাবার কাছে

    হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ এবং পুলিশ প্রশাসনের আধিকারিকদেরও শাস্তির দাবিও তুলেছেন তাঁরা। নির্যাতিতার মা (RG Kar Victims Mother) বলেন, ‘‘ওই ক্ষতবিক্ষত দেহ, যে দেহে জামা কাপড় নেই, তা দেখে এক জন বলছেন, আপনার মেয়ে আত্মহত্যা করেছেন। এটা হতে পারে না। আড়াল করার চেষ্টা না হলে এ রকম হতে পারে না। আত্মহত্যা বলা হয়েছে, এটাও অপরাধ। পুলিশ আধিকারিকদের শাস্তি চাইছি প্রথম থেকে।’’ আরজি কর হাসপাতালে নির্যাতিতা চিকিৎসকের ডায়েরি থেকে ‘ছেঁড়া পাতা’-র ছবি তাঁর কাছে রয়েছে বলে সংবাদমাধ্যমকে এদিন জানিয়েছেন নির্যাতিতার (RG Kar) বাবা। তাঁর আরও দাবি, সিবিআই চাইলে তিনি তা দিতে প্রস্তুত। কী লেখা রয়েছে সেই ডায়েরির ‘ছেঁড়া পাতা’-য়? এই নিয়ে তদন্তের স্বার্থে তিনি কিছু বলতে চাননি। তবে যা লেখা ছিল, তার সারমর্ম হল, মৃত চিকিৎসক ‘সুখে’ থাকতে চেয়েছিলেন, এমনটাই জানিয়েছেন নির্যাতিতার বাবা।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • RG Kar Incident: একাধিক আঘাতের চিহ্ন, যৌন নিগ্রহ স্পষ্ট! চিকিৎসকের ময়নাতদন্তের রিপোর্টে কী মিলল?

    RG Kar Incident: একাধিক আঘাতের চিহ্ন, যৌন নিগ্রহ স্পষ্ট! চিকিৎসকের ময়নাতদন্তের রিপোর্টে কী মিলল?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আরজি কর (RG Kar Incident) হাসপাতালের নিহত তরুণী চিকিৎসকের ময়নাতদন্তের প্রাথমিক রিপোর্টে উঠে এল বিস্ফোরক তথ্য। জানা গিয়েছে, ধর্ষণ করে খুন করা হয়েছে ওই তাঁকে, এমনটাই ইঙ্গিত মিলেছে রিপোর্টে। আরজি কর মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে ধর্ষণ ও হত্যাকাণ্ডের শিকার পড়ুয়া-চিকিৎসকের শরীরে ব্যাপক আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গিয়েছে, যা সবই মৃত্যুর আগে ঘটেছে বলে ময়নাতদন্ত রিপোর্টে দাবি করা হয়েছে।

    কী কী বলা হল রিপোর্টে (RG Kar Incident)

    ময়নাতদন্তের রিপোর্ট অনুযায়ী—

    গলা টিপে শ্বাসরোধ করে খুন করা হয়েছে ওই তরুণীকে। মৃতের মাথা, মুখ, গলা, বাহু এবং যৌনাঙ্গে ১৪টিরও বেশি আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গিয়েছে। যৌনাঙ্গেও রক্ত পাওয়া গিয়েছে বলে রিপোর্টে দাবি করা হয়েছে।

    অর্ধনগ্ন অবস্থায় উদ্ধার হয়েছিল ওই তরুণীর দেহ। চার তলার ওই সেমিনার হলের কাছে কোনও নিরাপত্তারক্ষীও ছিল না বলে জানা গিয়েছে। 

    ধর্ষণের আগে বীভৎস মারধর করা হয়েছিল তরুণীকে। তার পরেও তিনি প্রতিরোধ করলে, প্রবল বল প্রয়োগ করা হয়েছিল তাঁর উপর। তরুণীর বুকে আঘাত লাগে, শ্বাসরোধ করে দমবন্ধ করার প্রমাণ মিলেছে। 

    চশমার কাচ ভেঙে চোখে গভীর ক্ষত হয় তরুণীর। অপরাধীর হাত থেকে নিজেকে বাঁচাতে প্রতিরোধ করতে গিয়ে প্রবল ধস্তাধস্তিতেই কাচ ভেঙে যায় এবং চোখে ঢুকে রক্ত বেরিয়ে যায়। মাথাতেও আঘাত রয়েছে তাঁর। মাথায় কোনও হাড় ভাঙার চিহ্ন পাওয়া যায়নি।

    তাঁর যৌনাঙ্গে গভীর ক্ষত রয়েছে। এতই ভয়ানক পেনিট্রেশন হয়, যার জেরে বিপুল রক্তপাত ঘটে এবং হাইমেন ফেটে যায়! মৃতের যৌনাঙ্গে “সাদা, ঘন, আঠালো তরল” পাওয়া গিয়েছে। ফুসফুসে রক্তক্ষরণ এবং শরীরে রক্ত জমাট বাঁধার লক্ষণ মিলেছে। রক্ত এবং অন্যান্য শারীরিক তরল নমুনা আরও বিশ্লেষণের জন্য পাঠানো হয়েছে।

    আরও পড়ুন: আরজি কর-কাণ্ডে উত্তাল যুবভারতী, সমর্থকদের গ্রেফতারি আটকে ‘নায়ক’ কল্যাণ চৌবে

    সুপ্রিম কোর্টে শুনানি

    আরজি কর (RG Kar Incident) মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালের এক প্রশিক্ষণার্থী মহিলা চিকিৎসকের ধর্ষণ ও খুনের ঘটনা নিয়ে উত্তাল গোটা দেশ। দেশ ছাড়িয়ে এই ক্ষোভের আগুন ছড়িয়ে পড়েছে বিশ্বজুড়ে। তরুণী চিকিৎসকের মৃত্যুর প্রতিবাদে সর্বত্র একটাই সুর ‘উই ওয়ান্ট জাস্টিস’। স্বতঃপ্রণোদিতভাবে এই মামলা গ্রহণ করল সুপ্রিম কোর্ট। মঙ্গলবার (২০ অগাস্ট), কলকাতার এই ধর্ষণ-খুনের ঘটনার শুনানি হবে প্রধান বিচারপতি ডিওয়াই চন্দ্রচূড়ের নেতৃত্বাধীন একটি বেঞ্চে। প্রধান বিচারপতি ডিওয়াই চন্দ্রচূড় ছাড়া এই বেঞ্চে থাকছেন বিচারপতি জেবি পর্দিওয়ালা এবং বিচারপতি মনোজ মিশ্র।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Suvendu Adhikari: আরজি কর ইস্যুতে নোটিশ পুলিশের, নেটাগরিকদের বিনামূল্যে আইনি সাহায্য শুভেন্দুর

    Suvendu Adhikari: আরজি কর ইস্যুতে নোটিশ পুলিশের, নেটাগরিকদের বিনামূল্যে আইনি সাহায্য শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আরজি কর কাণ্ডে (RG Kar Issue) সোশ্যাল মিডিয়ায় সরব নেটিজেনরা। বিচার চেয়ে একাধিক প্রশ্ন তুলছেন তাঁরা। পুলিশ ও আরজি কর কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধেও ক্ষোভ উগরে দিচ্ছেন নেটাগরিকদের একাংশ। এনিয়েই আপত্তি তুলছে পুলিশ। কোথাও সমাজমাধ্যমর মাধ্যমেই লালবাজার থেকে দেওয়া হচ্ছে ‘হুমকি’। তো কোথাও ব্যবহারকারীদের বাড়িতেই পাঠানো হচ্ছে নোটিশ। এই আবহে নেটিজেনদের পাশে দাঁড়িয়েছেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। প্রয়োজনীয় আইনি সহায়তার আশ্বাসও দিয়েছেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা। তিনি জানান, সোশ্যাল পোস্টের জন্য পুলিশের নোটিস পেলে, আইনি সহায়তা দেবেন তিনি। এনিয়ে নিজের ই-মেল আইডিও পোস্ট করেছেন তিনি। adhikarisuvenduwb1@gmail.com-এ তিনি যোগাযোগ করতে বলেছেন।

    কী লিখলেন শুভেন্দু (Suvendu Adhikari)?

    শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) লিখছেন, ‘‘বিভিন্ন সূত্র থেকে আমি খবর পাচ্ছি যে, আরজি কর হাসপাতালের ডাক্তার বোনটির ওপর পাশবিক অত্যাচার এবং তাঁকে নৃশংস ভাবে খুনের প্রতিবাদে রাজ্য সরকার এবং পুলিশ প্রশাসনের সমালোচনা মূলক পোস্ট করার জন্য পশ্চিমবঙ্গ পুলিশ এবং কলকাতা পুলিশের সাইবার ক্রাইম বিভাগের পক্ষ থেকে রাজ্যে এবং রাজ্যের বাইরের বেশ কিছু সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারকারী বন্ধুদের ভারতীয় নাগরিক সুরক্ষা সংহিতা ২০২৪-এর ১৬৮ নম্বর ধারায় নোটিস দেওয়া হচ্ছে, পোস্ট মুছে দিতে জোর করার পাশাপাশি তাঁদের বিরুদ্ধে কঠোর শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার হুমকিও দেওয়া হচ্ছে।’’

    নিখরচায় আইনি সাহায্য দেওয়ার আশ্বাস

    শুভেন্দু অধিকারীর (Suvendu Adhikari) কথায়, ‘‘গণতন্ত্রের মেরুদণ্ডই হল স্বাধীন মতামত পেশ করা। যা গণতন্ত্রের পক্ষে স্বাস্থ্যকর। আমি বিশ্বাস করি গণতন্ত্রে যে কোনও অন্যায়ের প্রতিবাদ করার অধিকার সকলেরই আছে, আমাদের দেশের সংবিধান আমাদের সেই অধিকার দিয়েছে। কিন্তু প্রতিবাদের ভাষা যদি অশ্লীল না হয় শুধু মাত্র প্রতিবাদ ও সমালোচনা করার উদ্দেশ্যে আপনাদের মতামত সমাজমাধ্যমে পোস্ট করার জন্য আপনাদের যদি পুলিশের হয়রানির শিকার হতে হয় তাহলে নিখরচায় আমার আইনজীবীদের মারফত আইনি সাহায্য  (RG Kar Issue) দেওয়ার ক্ষেত্রে আমি আপনাদের পাশে আছি। আপনাদের আইনি সহায়তার জন্য আমার আইনজীবী আপনাদের সঙ্গে শীঘ্রই যোগাযোগ করে নেবেন।’’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • RG Kar Case: “মমতার ওপর থেকে বিশ্বাসটাই হারিয়ে গিয়েছে”, বলছেন নির্যাতিতার বাবা

    RG Kar Case: “মমতার ওপর থেকে বিশ্বাসটাই হারিয়ে গিয়েছে”, বলছেন নির্যাতিতার বাবা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Mamata Banerjee) ওপর থেকে বিশ্বাসটাই হারিয়ে গিয়েছে।” আরজি করকাণ্ডে (RG Kar Case) এমনই প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করলেন খুন হওয়া ট্রেনি চিকিৎসকের পরিবার। নির্যাতিতার বাবা বলেন, “সিবিআই অন্তত চেষ্টাটা তো করছে। পুলিশ তো তাও করেনি।” সিবিআইয়ের তদন্তকারীদের হাতে তিনি তাঁর মেয়ের লেখা ডায়েরির একটি পাতাও তুলে দিয়েছেন। তবে তাতে কী লেখা রয়েছে, তা নিয়ে মুখ খোলেননি শোকগ্রস্ত বাবা।

    ‘হারিয়েছে বিশ্বাস’ (RG Kar Case)

    সংবাদ মাধ্যমে সাক্ষাৎকার দিতে গিয়ে রাজ্য সরকারের তদন্ত প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “আগে ওঁকে (মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়) পুরোপুরি বিশ্বাস করতাম। কিন্তু এখন আর নয়। ওঁর ওপর ভরসা নেই। উনি বিচার চাইছেন। সেটা চাইতে গিয়ে তিনি কী বলছেন? তিনি চার্জ নিতে পারতেন। কিন্তু তিনি কিছুই করছেন না।” নির্যাতিতা ওই চিকিৎসকের বাবা বলেন, “ওঁরা বলছেন, উই ওয়ান্ট জাস্টিস। একই কথা তো বলছেন সাধারণ মানুষও। তাঁরা ওঁদের লকআপে ভরার চেষ্টা করছেন।” ইঙ্গিত স্পষ্ট। তবে তিনি অবশ্য ফুটবলপ্রেমীদের অবরোধে পুলিশের লাঠিচার্জের বিষয়টির উল্লেখ করেননি (রবিবার যুবভারতীতে ক্রীড়াপ্রেমীদের অবরোধে লাঠিচার্জ করে পুলিশ)।

    ‘সব প্রকল্প ভুয়ো’

    খুন হওয়া চিকিৎসকের (RG Kar Case) বাবা যখন মমতার ওপর আস্থা হারিয়েছেন, তখন মুখ্যমন্ত্রীর বিভিন্ন প্রকল্পকে ভুয়ো বলে আক্রমণ শানালেন ওই চিকিৎসকের মা। তিনি বলেন, “মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সমস্ত প্রকল্প – কন্যাশ্রী প্রকল্প, লক্ষ্মী প্রকল্প – সব, সব ভুয়ো। যাঁরা এই সব প্রকল্পের সুবিধা নিয়েছেন, তাঁরা দয়া করে ভেবে দেখুন আপনাদের ঘরের লক্ষ্মী নিরাপদে আছে তো?” তিনি বলেন, “উনি (মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়) বলেছিলেন দোষীরা দ্রুত ধরা পড়বে। কিন্তু আমরা কী দেখলাম? এখনও পর্যন্ত মাত্র একজন ধরা পড়েছে। আমি নিশ্চিত, হাসপাতালের আরও অনেকেই এই নৃশংস ঘটনার সঙ্গে জড়িত। আমার মনে হয়, মুখ্যমন্ত্রী প্রতিবাদীদের থামিয়ে দিতে চাইছেন। সেই কারণেই পুলিশ প্রতিবাদ আন্দোলনে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে।”

    আরও পড়ুন: আরজি কর কাণ্ডে শান্তনু-সুখেন্দুর পর ‘বিদ্রোহী’ সাবিনাও, পায়ের তলার মাটি সরছে তৃণমূলের!

    কলকাতা পুলিশকেও একহাত নিয়েছেন খুন হওয়া চিকিৎসকের মা। তিনি বলেন, “কলকাতা পুলিশ যত দ্রুত সম্ভব তদন্ত বন্ধ করে দিতে চাইছে।” তাঁর অভিযোগ, পুলিশ ঠিকঠাক তদন্ত করছে না। প্রসঙ্গত, রাজ্যের পুলিশমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee) স্বয়ং। ৯ অগাস্ট আরজি কর হাসপাতালে ধর্ষণ করে খুন করা হয় বছর একত্রিশের এক ট্রেনি চিকিৎসককে। তার জেরে তোলপাড় দেশ (RG Kar Case)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • BJP: ‘সুখেন্দুর বক্তব্য মমতার সরকারের অধঃপতনের প্রমাণ’, প্রতিক্রিয়া বিজেপির

    BJP: ‘সুখেন্দুর বক্তব্য মমতার সরকারের অধঃপতনের প্রমাণ’, প্রতিক্রিয়া বিজেপির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আরজিকর কাণ্ডে তৃণমূলের রাজ্যসভার সাংসদ সুখেন্দুশেখর রায়ের বক্তব্যকে হাতিয়ার করে মমতা সরকারকে তুলোধোনা করল বিজেপি (BJP)। সুখেন্দুর বক্তব্য মমতার সরকারের অধঃপতনের প্রমাণ, এমনই প্রতিক্রিয়া বঙ্গ বিজেপির। প্রসঙ্গত রবিবার তৃণমূলের সাংসদ, কলকাতার পুলিশ কমিশনার বিনীত গোয়েল এবং আরজি করের প্রাক্তন অধ্যক্ষ সন্দীপ ঘোষকে হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদে দাবি জানিয়েছিলেন সিবিআই-এর কাছে। এ নিয়ে সংবাদ মাধ্যমের সামনে সুখেন্দু প্রশ্ন তোলেন, আরজি করে চিকিৎসকের মৃত্যুর ঘটনাকে প্রথমে কেন এবং কারা আত্মহত্যা বলে চালানোর চেষ্টা করেছিলেন তা জানা দরকার। এই কারণেই দুজনকে হেফাজতে নেওয়া প্রয়োজন বলে তিনি দাবি জানিয়েছিলেন।

    কী বলছে বিজেপি (BJP)

    খোদ শাসক দলের সাংসদের সরকার বিরোধী বিস্ফোরক মন্তব্য নিয়ে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী তথা দলের রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar) বলেছেন, ‘‘তৃণমূল, আরজি করে চিকিৎসকের ধর্ষণ এবং খুন ছাড়াও যে অন্য ঘটনার সঙ্গে সন্দীপ এবং সিপি জড়িত, তা তোমাদের দলের সদস্যও জানেন। এই সরকার এত নীচে নেমে গিয়েছে যে, দলের সদস্যরাও তা নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন।’’ 

    অন্যদিকে বিজেপি (BJP) নেতা দিলীপ ঘোষ বলেন, ‘‘সিপির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া উচিত। প্রথমে তাঁকে সাসপেন্ড করা দরকার, তার পর সিবিআই ব্যবস্থা নেবে।’’

    শনিবার রাতে কী লিখেছিলেন সুখেন্দু?

    শনিবার রাতে এক্স হ্যান্ডলে (সাবেক ট্যুইটার) সুখেন্দু লিখেছেন, ‘‘সিবিআইকে স্বচ্ছ ভাবে তদন্ত করতে হবে। কে বা কারা, কেন আত্মহত্যার তত্ত্ব খাড়া করার চেষ্টা করেছিল, তা জানার জন্য আরজি করের প্রাক্তন অধ্যক্ষ এবং কলকাতার পুলিশ কমিশনারকে হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা প্রয়োজন। কেন সেমিনার হলের কাছে ঘরের দেওয়াল ভেঙে ফেলা হল? কার প্রশ্রয়ে ‘রায়’ এত ক্ষমতা পেল? কেন ঘটনার তিন দিন পর স্নিফার ডগ ব্যবহার করা হল? এমন বহু প্রশ্ন উঠে এসেছে। এর উত্তর দিতে হবে ওঁদের।’’

    সরব হয়েছেন যুবভারতীর সামনে ফুটবল ,সমর্থকদেরও ওপর লাঠিচার্জ নিয়েও

    প্রসঙ্গত, রবিবার প্রবল প্রতিবাদ-বিক্ষোভের ভয়ে যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গনে মোহনবাগান-ইস্টবেঙ্গলের ম্যাচ বাতিল করে মমতার প্রশাসন। এরপরেই ক্রীড়াঙ্গনের সামনে ফুটবল সমর্থকরা জমায়েত করে আরজি কর কাণ্ডের বিচার চাইতে থাকেন। সে সময় দুই দলের সমর্থকদের ওপর ওপর পুলিশ লাঠিচার্জ করে বলে অভিযোগ। এর প্রতিবাদে মমতার পুলিশের বিরুদ্ধে গর্জে ওঠেন তৃণমূলের রাজ্যসভার সাংসদ। রবিবার রাতে এই সমাজ মাধ্যমে তিনি ফের একবার দুই দলের সমর্থকদের প্রতিবাদে সামিল হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন।

    পুলিশের এই দমননীতির বিরুদ্ধে প্রতিবাদে করেন সুখেন্দুশেখর রায়। তিনি রবিবার রাতে এক্স হ্যান্ডলে লিখেছেন, ‘‘আমি সমস্ত ফুটবল এবং ক্রীড়া সমর্থকের কাছে আবেদন জানাচ্ছি, যুবভারতীর সামনে শান্তিপূর্ণ, গণতান্ত্রিক জমায়েতে ইস্টবেঙ্গল এবং মোহনবাগান সমর্থকদের পুলিশের গ্রেফতারির বিরুদ্ধে একত্রিত হয়ে প্রতিবাদ জানাতে হবে। জয় মোহনবাগান, জয় ইস্টবেঙ্গল।’’

    দলের বিরুদ্ধে বয়ান অথচ পদে বহাল সাংসদ,  আরজি কর কাণ্ডে চাপে তৃণমূল

    প্রসঙ্গত, আরজি করের ঘটনার শুরু থেকেই তৃণমূল সরকারের বিপক্ষে কথা বলতে শোনা গিয়েছে দলের রাজ্যসভার সাংসদ সুখেন্দুশেখরকে। ১৪ অগাস্ট ‘মেয়েদের রাত দখল’-এর দিনই নিজের প্রতিবাদ কর্মসূচিতে সামিল হন তিনি। দক্ষিণ কলকাতার যোধপুর পার্কে নেতাজি মূর্তির সামনে বিকেল ৫টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত ধর্নায় বসেছিলেন সুখেন্দু। নিজের মতো করে প্রতিবাদ জানিয়েছিলেন। সেখানে তাঁকে বলতে শোনা গিয়েছিল, তিনি মেয়ের বাবা, নাতনির দাদু।

    প্রতিবাদীদের হয়ে প্রশ্ন তোলায় দলের সাংসদের বিরুদ্ধেই আদাজল খেয়ে নেমে পড়ে মমতার পুলিশ। তাঁকে নোটিশ পাঠায় লালবাজার। এর পর, কখনও পুলিশের বিরুদ্ধে, কখনও আরজি করে অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে সরব হয়েছেন তৃণমূলের এই রাজ্যসভার সাংসদ। বারবার প্রশ্ন তুলেছেন রাজ্য সরকারের ভূমিকা নিয়ে। প্রসঙ্গত, সুখেন্দুশেখর রায় শুধুমাত্র তৃণমূলের রাজ্যসভার সাংসদ নন, এর পাশাপাশি তিনি দলের মুখপত্র জাগো বাংলার সম্পাদকও বটেন। রাজনৈতিক মহলের একাংশ বলছেন, দলের মুখপত্রের সম্পাদকের এমন মন্তব্যের পরেও কোনও ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি, এতেই প্রমাণিত হচ্ছে শাসক দল আরজি কর কাণ্ডে বেশ চাপে রয়েছে। সুখেন্দু শেখর রায় ছাড়াও দলের অস্বস্তি বাড়িয়ে প্রায় একই ধরনের দাবি তুলেছেন শান্তনু সেন ও সাবিনা ইয়াসমিন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share