Tag: rg kar

rg kar

  • RG Kar Incident: মুখ্যমন্ত্রীর পদত্যাগ দাবি, আরজি কর কাণ্ডে শ্যামবাজারে আজ থেকে ধর্না বিজেপির

    RG Kar Incident: মুখ্যমন্ত্রীর পদত্যাগ দাবি, আরজি কর কাণ্ডে শ্যামবাজারে আজ থেকে ধর্না বিজেপির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আরজি কর (RG Kar Incident) হাসপাতালে তরুণী শিক্ষানবিশ ডাক্তারের ধর্ষণ ও খুনের ঘটনায় প্রতিবাদের ঝাঁঝ ক্রমশ বাড়াচ্ছে বঙ্গ বিজেপি (BJP Protest)। আরজি কর কাণ্ডের প্রতিবাদে আজ, বুধবার থেকে ৫ দিনের জন্য শ্যামবাজারে ধর্না কর্মসূচি করবে বিজেপি। দুপুর ১২টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত ধর্না চলবে। গতকাল ধর্না মঞ্চ প্রস্তুত করার অনুমতি দিয়েছে কলকাতা হাইকোর্ট। ধর্না মঞ্চ থেকেই রাজ্যে প্রশাসনের ব্যর্থতা নিয়ে সরব হতে পারে গেরুয়া শিবির। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee) পদত্যাগের দাবিও জানাতে পারে বঙ্গ বিজেপি।

    ধর্না মঞ্চ পরিদর্শন

    আরজি কর-কাণ্ডের (RG Kar Incident) প্রতিবাদে ধারাবাহিক ভাবে পথে নামার কথা রবিবার ঘোষণা করেছিলেন রাজ্য বিজেপির (BJP Protest) সভাপতি তথা কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার। আরজি কর হাসপাতালের অদূরে শ্যামবাজারে পাঁচ মাথার মোড়ে ধর্না কর্মসূচির কথাও ঘোষণা করা হয় বিজেপির পক্ষে। কিন্তু পুলিশ অনুমতি দেয়নি। এরপর হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয় তারা। মঙ্গলবার শ্যামবাজারে বিজেপিকে ধর্না কর্মসূচির অনুমতি দেয় কলকাতা হাইকোর্ট। এরপরই ধর্না স্থল পরিদর্শন করেন সুকান্ত মজুমদার। সুকান্তর কথায়, স্বাস্থ্য ভবন হল ঘুঘুর বাসা। তাই এই প্রতিবাদ। অবিলম্বে আসল অপরাধীদের গ্রেফতার করার দাবি জানাচ্ছে বিজেপি। পুলিশ এবং আরজিকর প্রশাসনের কর্তাদের মধ্যে টেলিফোনিক কথাবার্তায় নজর দিক সিবিআই, তাহলেই সত্যি সামনে আসবে।

    আরও পড়ুন: দাবি মুখ্যমন্ত্রীর পদত্যাগ, এবিভিপির স্বাস্থ্যভবন অভিযান ঘিরে রণক্ষেত্র সল্টলেক

    বিজেপির দাবি 

    আজ, বুধবার আরজি কর ইস্যুকে (RG Kar Incident) হাতিয়ার করে এক মঞ্চে পাশাপাশি বসতে চলেছেন সুকান্ত-শুভেন্দু-দিলীপরা (BJP Protest)। একযোগে তাঁরা মুখ্যমন্ত্রীর পদত্যাগের দাবি জানাবেন। মঙ্গলবার সুকান্ত জানান, দেশের শীর্ষ আদালতের নির্দেশ থেকে স্পষ্ট রাজ্যের পুলিশ-প্রশাসনের উপর সুপ্রিম কোর্টের আস্থা নেই। আরজি কর-এর নিরাপত্তার দায়িত্ব কেন্দ্রীয় বাহিনীকে দিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট। নারী নিরাপত্তার ইস্যুতে উত্তাল রাজ্য। ধর্না কর্মসূচির পাশাপাশি বৃহস্পতিবার স্বাস্থ্যভবন অভিযানের ডাকও দিয়েছে বিজেপি। শুক্রবার শ্যামবাজারের বিজেপির ধর্না কর্মসূচিতে বাধা দিয়েছিল পুলিশ। মঞ্চ খুলে দেওয়া হয়। তাই এবার আদালতের অনুমতি নিয়ে ধর্নায় বসতে চলেছে বঙ্গ বিজেপি।  কর্মসূচিগুলোতে বিভিন্ন সময়ে থাকবেন সুকান্ত মজুমদার, শুভেন্দু অধিকারী-সহ রাজ্য নেতারা।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • ABVP Protest March: দাবি মুখ্যমন্ত্রীর পদত্যাগ, এবিভিপির স্বাস্থ্যভবন অভিযান ঘিরে রণক্ষেত্র সল্টলেক

    ABVP Protest March: দাবি মুখ্যমন্ত্রীর পদত্যাগ, এবিভিপির স্বাস্থ্যভবন অভিযান ঘিরে রণক্ষেত্র সল্টলেক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আরজি কর কাণ্ডের (RG Kar Doctor Rape-Murder) জেরে উত্তাল রাজ্য। প্রবল চাপে মমতা সরকার। প্রতিনিয়ত বাড়ছে আন্দোলনের ঝাঁঝ। ঘন ঘন দাবি উঠছে মুখ্যমন্ত্রীর পদত্যাগের। ঠিক এই আবহে মঙ্গলবার বিধাননগরে অখিল ভারতীয় বিদ্যার্থী পরিষদের (ABVP) স্বাস্থ্য ভবন অভিযান কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে ব্যাপক উত্তেজনা ছড়াল। এখানেও দাবি এক— মুখ্যমন্ত্রীর পদত্যাগ। এবিভিপির আন্দোলনকে (ABVP Protest March) দমাতে লাঠিচার্জ করল পুলিশ। অভিযান ঘিরে ধুন্ধুমার কাণ্ড দেখা গেল শহরে। বৃহস্পতিবার একই দাবিতে স্বাস্থ্য ভবন ঘেরাওয়ের ডাক দিয়েছে বিজেপি। রাজনৈতিক মহলের একাংশের মতে, ছাত্র সংগঠনের বিক্ষোভ আটকাতে বেশ বেগ পেতে হয়েছে পুলিশকে। বিজেপির বিক্ষোভ কীভাবে তারা সামলায় সেটাই এখন দেখার! নারী নিরাপত্তার ইস্যুতে উত্তাল রাজ্য, ঠিক এই আবহে বিজেপির বিক্ষোভেও ব্যাপক জমায়েত হবে বলেই মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল।

    আন্দোলনের জোয়ারে ভাঙল ব্যারিকেড (ABVP Protest March)

    অভিযানের আগে এদিন সিটি সেন্টারে জমায়েত করে রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সঙ্ঘের ছাত্র সংগঠন এবিভিপি। মিছিল আটকাতে এদিন ব্যারিকেড করে পুলিশ তবে আন্দোলনের জোয়ারে তা মুহূর্তেই ভেঙে পড়ে। এর পরেই শুরু হয় অশান্তি। পুলিশ অবরোধ তুলতে গেলে শুরু হয় সংঘর্য। ছাত্রদের সঙ্গে বেধে যায় খণ্ডযুদ্ধ। মুহূর্তের মধ্যে রণক্ষেত্রের চেহারা নেয় গোটা এলাকা। শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত বেশ কয়েকজন এবিভিপি কর্মীকে (ABVP Protest March) আটক করে প্রিজন ভ্যানের তোলে পুলিশ। অন্যদিকে, শান্তিপূর্ণ আন্দোলনে পুলিশের বিরুদ্ধে ব্যাপক লাঠিচার্জের অভিযোগ এনেছেন এবিভিপির রাজ্য নেতৃত্ব। তাদের বেশ কয়েকজন সদস্য লাঠিচার্জের ঘটনায় আহত বলেও জানিয়েছে এবিভিপি নেতৃত্ব।

    কী বলছেন এবিভিপির (ABVP) রাজ্য নেতা?

    এবিভিপির (ABVP Protest March) রাজ্য নেতা সঙ্গীত ভট্টাচার্যর কথায়, ‘‘আমরা শান্তিপূর্ণ ভাবেই স্বাস্থ্যভবন অভিযান করতে চেয়েছিলাম। পুলিশ আমাদের উপরে লাঠি না চালালেই পারত।’’ তাঁর আরও দাবি, ‘‘আমরা ভাঙচুর চালাতে যাইনি। রাজ্যের যে পরিস্থিতি তাতে নিখোঁজ স্বাস্থ্যমন্ত্রীকে খুঁজতে যাচ্ছিলাম। কিন্তু পুলিশ আমাদের আক্রমণ করল। কিন্তু আরজি কর হাসপাতালে (RG Kar Doctor Rape-Murder) যারা ভাঙচুর চালাল তাদের যা খুশি তাই করতে দিল পুলিশ।’’
     

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • RG Kar Incident: ব্যর্থ রাজ্য, আরজি করের নিরাপত্তার দায়িত্বে কেন্দ্রীয় বাহিনী, নির্দেশ সুপ্রিম কোর্টের

    RG Kar Incident: ব্যর্থ রাজ্য, আরজি করের নিরাপত্তার দায়িত্বে কেন্দ্রীয় বাহিনী, নির্দেশ সুপ্রিম কোর্টের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আরজি কর হাসপাতালে (RG Kar Incident) চিকিৎসকদের নিরাপত্তা দিতে ব্যর্থ রাজ্য প্রশাসন। আরজি কর মেডিক্যাল কলেজের নিরাপত্তা দায়িত্বে এবার কেন্দ্রীয় বাহিনী। স্বাধীনতার দিন রাতেই ভাঙচুর হাসপাতালে, পরপর এ ধরনের ঘটনা কী করে সম্ভব! আরজি কর নিয়ে বিস্মিত শীর্ষ আদালত (Supreme Court)। আরজি কর নিয়ে মঙ্গলবার আরজি কর মামলার শুনানিতে একাধিক বিষয় নিয়ে পর্যবেক্ষণ এবং গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশ দেয় দেশের প্রধান বিচারপতির বেঞ্চ।

    শীর্ষ আদালতের অভিমত

    মঙ্গলবার সুপ্রিম কোর্টে আরজি কর (RG Kar Incident) মামলার শুনানি ছিল। সেই শুনানিতে প্রধান বিচারপতি ডিওয়াই চন্দ্রচূড় বলেন, ‘‘আমরা আরজি কর হাসপাতালে কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করছি।’’ চিকিৎসকেরা যাতে আবার কাজে ফিরতে পারেন, তাই এমন সিদ্ধান্ত বলে জানায় শীর্ষ আদালত। সুপ্রিম কোর্ট (Supreme Court) এদিন নির্দেশ দেয়, হাসপাতাল এবং হস্টেলে নিরাপত্তার দায়িত্ব সিআরপিএফ বা সিআইএসএফের মতো আধা সামরিক বাহিনীকে নিতে হবে। এত দিন আরজি করে নিরাপত্তা দিচ্ছিল পুলিশ, এবার আরজি করের নিরাপত্তার দায়িত্ব নিতে চলেছে কেন্দ্রীয় বাহিনী।

    চিকিৎসকদের নিরাপত্তাহীনতা

    মহিলা চিকিৎসক খুনের ঘটনা প্রকাশ্যে আসার পর থেকেই উত্তাল আরজি কর (RG Kar Incident)। বিক্ষোভ চলছে হাসপাতাল চত্বরে। হাসপাতালের নিরাপত্তা ব্যবস্থাও নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। আন্দোলনকারীরা যেমন ধর্ষণ এবং খুনের ঘটনায় বিচারের দাবি তুলছেন, তেমনই নিরাপত্তা সুনিশ্চিতের কথাও বলছেন। মঙ্গলবারের শুনানিতে সেই বিষয়টি উঠে আসে। সুপ্রিম কোর্টের (Supreme Court) প্রধান বিচারপতির বেঞ্চ এদিন পর্যবেক্ষণে জানায়, আমাদের দেশে জুনিয়র ডাক্তাররা নিরপত্তাহীনতায় ভুগছেন, চিকিৎসকদের কোনও ডিউটিরুম নেই। শুধু তাই নয়, ডিউটি রুম, পৃথক রেস্টরুম নেই, টানা ৩৬ ঘণ্টা কাজ করতে হচ্ছে, কর্মক্ষেত্রে নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে বলে জানায় শীর্ষ আদালত।

    আরও পড়ুন: এফআইআর করতে দেরি কেন? প্রশ্ন রাজ্যকে, মামলার স্টেটাস রিপোর্ট তলব সুপ্রিম কোর্টের

    পুলিশের লজ্জা!

    এদিন শুনানি চলাকালীন আরজি করের (RG Kar Incident) নিরাপত্তা নিয়ে ১৪ অগাস্টের কথা উল্লেখ করেন প্রধান বিচারপতি। আরজি কর হাসপাতালে ভাঙচুরের ঘটনায় পুলিশের ভূমিকা নিয়ে উষ্মাপ্রকাশ করে শীর্ষ আদালত (Supreme Court)। আরজি করের সামগ্রিক ঘটনায় পুলিশের ভূমিকায় প্রশ্ন তুলে প্রধান বিচারপতি বলেন, “প্রথমে ঠিক ভাবে এফআইআর করা হয়নি। পুলিশ কী করছিল? একটা হাসপাতালের মধ্যে এত বড় ঘটনা ঘটে গেল। পুলিশ কি হাসপাতাল ভাঙচুর করার অনুমতি দিচ্ছিল?” স্বাধীনতা দিবসের রাতে কোনও রাজ্যে এই ঘটনা কীভাবে ঘটে তা নিয়েও বিস্ময় প্রকাশ করেন প্রধান বিচারপতি। রাজ্যের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে প্রশ্ন তুলে সলিসিটর জেনারেলের যুক্তি, “৫০০ লোকের জমায়েত হলে আমরা বলি ভালো লোক এসেছে। সেখানে সাত হাজার লোক হাসপাতাল ভাঙচুর করল। এটা কি আইনশৃঙ্খলার নমুনা?”

    নির্যাতিতার পরিচয় প্রকাশ (RG Kar Incident) 

    প্রধান বিচারপতি ডিওয়াই চন্দ্রচূড় এদিন প্রশ্ন করেন, মহিলারা নিরাপদে কাজে যেতে না পারলে, সমাজে সবার অধিকার থাকবে কী ভাবে? তাঁর মন্তব্য, “মৃতার নাম ও ছবি ছড়িয়ে পড়ার ঘটনায় আমরা খুবই উদ্বিগ্ন। বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে দেখানো হচ্ছে।” আগামী ২৩ অগাস্ট এই মামলার পরবর্তী শুনানি (Supreme Court) রয়েছে। দেশ জুড়ে আন্দোলনরত চিকিৎসকরা যাতে কাজে ফেরেন, সেই অনুরোধও করেন প্রধান বিচারপতি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • RG Kar Incident: এফআইআর করতে দেরি কেন? প্রশ্ন রাজ্যকে, মামলার স্টেটাস রিপোর্ট তলব সুপ্রিম কোর্টের

    RG Kar Incident: এফআইআর করতে দেরি কেন? প্রশ্ন রাজ্যকে, মামলার স্টেটাস রিপোর্ট তলব সুপ্রিম কোর্টের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আরজি কর হাসপাতালে তরুণী পড়ুয়া-চিকিৎসক ধর্ষণ ও খুনের ঘটনায় সুপ্রিম কোর্টে চাপের মুখে রাজ্য। শুরু থেকেই প্রধান বিচারপতি ডিওয়াই চন্দ্রচূড়ের একের পর এক প্রশ্নের মুখে পড়তে হয় রাজ্যকে। দেহ দেখার পর কার অভিযোগের ভিত্তিতে প্রথম এফআইআর? দেহ হস্তান্তরের তিন ঘণ্টা পর কেন এফআইআর? রাজ্যকে প্রশ্ন করলেন প্রধান বিচারপতি। একই সঙ্গে মঙ্গলবার প্রধান বিচারপতি স্পষ্ট করে জানিয়ে দিলেন, কলকাতা হাইকোর্টে নয়, আরজি কর মামলার শুনানি হবে সুপ্রিম কোর্টেই। আরজি কর কাণ্ডে আগামী বৃহস্পতিবারের মধ্যে সিবিআইকে মামলার তদন্ত সংক্রান্ত স্টেটাস রিপোর্ট জমা করতে হবে দেশের শীর্ষ আদালতে। ২২ অগাস্ট, এই মামলায় পরবর্তী শুনানি।

    সুপ্রিম-প্রশ্নে জেরবার রাজ্য

    এদিন আরজি কর এর ঘটনার ভয়াবহতা নিয়ে বিস্ময় প্রকাশ করেন প্রধান বিচারপতি ডিওয়াই চন্দ্রচূড়। রাজ্যের তরফে এদিন সওয়াল করেন আইনজীবী কপিল সিব্বল, অভিষেক মনু সিংভি-সহ অন্য আইনজীবীরা। এদিন প্রথমেই বিচারপতি জেবি পারদিওয়ালা জানতে চান, এই ঘটনায় কার অভিযোগের ভিত্তিতে এবং কখন প্রথম এফআইআর দায়ের হয়েছিল? এর পরই প্রধান বিচারপতির প্রশ্ন করেন, “সৎকারের জন্য মৃতদেহ কখন পরিবারকে দেওয়া হয়? এফআইআর দায়ের হওয়ার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই দেহ দিয়ে দিলেন?” পরিবারের তরফে এফআইআর দায়ের হয়েছে শুনে আরও ক্ষুব্ধ হন প্রধান বিচারপতি। তিনি জানতে চান, কেন পরিবারের তরফে প্রথম এফআইআর দায়ের হল? প্রিন্সিপ্যাল, ভাইস প্রিন্সিপ্যাল কী করছিলেন? প্রধান বিচারপতির প্রশ্ন, “বিকালে ময়নাতদন্তের রিপোর্টে বলা হয় খুন। এফআইআর দায়ের হয়েছিল বেলা ১১টা ৪৫ মিনিটে। সে সময়ে নির্যাতিতার বাবা-মা ছিলেন না, তখন হাসপাতালেরই দায়িত্ব ছিল এফআইআর দায়ের করা।” শীর্ষ আদালতের এই প্রশ্নের কোনও উত্তর দিতে পারেনি রাজ্য।

    স্বাধীনতার দিন রাতে ভাঙচুর!

    স্বাধীনতা দিবসের দিন রাজ্য কী ভাবে হাসপাতাল ভাঙচুর করতে দিল?” সেই প্রশ্নও তোলেন প্রধান বিচারপতি। তিনি বলেন, “চিকিৎসা পেশায় হিংসা রুখতে হবে। অনেকে মনের মধ্যে গেঁথে রয়েছে, এই সমাজ পুরুষশাসিত। সেখানে মহিলারা আরও বেশি করে নিশানা হচ্ছেন। এটা দুঃখজনক।” সন্দীপ ঘোষ আরজি করের অধ্যক্ষ পদে ইস্তফা দেওয়ার পর কী ভাবে আবার অন্য কোথাও যোগ দিলেন, তা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছে সুপ্রিম কোর্ট।

    আরও পড়ুন: ‘‘আমাদের আগে ৩টি বডি ছিল’’! দাবি নির্যাতিতার বাবার, সৎকারে কেন তৎপর পুলিশ?

    সিবিআইকে রিপোর্ট দেওয়ার নির্দেশ

    কলকাতার সরকারি হাসপাতালে মহিলা শিক্ষানবিশ চিকিৎসকের ধর্ষণ ও খুনের ঘটনায় স্বতঃপ্রণোদিত মামলা করেছিল সুপ্রিম কোর্ট। মঙ্গলবার সেই মামলার শুনানি ছিল দেশের প্রধান বিচারপতি ডিওয়াই চন্দ্রচূড়ের নেতৃত্বাধীন বেঞ্চে। এদিন বৃহস্পতিবারের মধ্যে সিবিআইয়ের থেকে স্ট্যাটাস রিপোর্ট তলব করে শীর্ষ আদালত। প্রধান বিচারপতি মন্তব্য করেন, একটি ন্যাশনাল টাস্ক ফোর্স গঠন করা হবে। চিকিৎসকদের নিরাপত্তা সংক্রান্ত বিষয়টি অনুসন্ধান করে দেখবে সেই টাস্ক ফোর্স। মহিলারা যাতে আরও বেশি করে কাজে যোগদানে উৎসাহ পান, সে দিকে নজর দেওয়ার পরামর্শ দেন প্রধান বিচারপতি। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • RG Kar Incident: ‘‘আমাদের আগে ৩টি বডি ছিল’’! দাবি নির্যাতিতার বাবার, সৎকারে কেন তৎপর পুলিশ?

    RG Kar Incident: ‘‘আমাদের আগে ৩টি বডি ছিল’’! দাবি নির্যাতিতার বাবার, সৎকারে কেন তৎপর পুলিশ?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিক্ষোভকারী চিকিৎসকরা আগেই অভিযোগ করেছিলেন যে, আরজি করে (RG Kar Incident) নির্যাতিতার মৃতদেহ ‘লুট’ করে নিয়ে গিয়েছে পুলিশ। তদন্ত করতে পুলিশ ‘ভয়’ পাচ্ছিল, তাই এত দ্রুত দেহ সৎকার করা হয়। এবার সেই নিয়ে একই প্রশ্ন তুললেন মৃতার বাবা। তাঁর দাবি, পানিহাটি শ্মশানে যখন মেয়ের দেহ নিয়ে যাওয়া হয় সেই সময় সেখানে আরও তিনটি মৃতদেহ ছিল। কিন্তু সবকিছু থামিয়ে রেখে আগে নির্যাতিতার দেহ সৎকারের ব্যবস্থা করে পুলিশ। কেন এত তাড়াহুড়ো? কী লুকোত চেয়েছিল পুলিশ? ভয় ছিল দেহ থাকলে ফের ময়নাতদন্ত বা ফরেন্সিক হতে পারে, যাতে বিপদে পড়তে পারেন কেউ কেউ?

    কী বললেন নির্যাতিতার বাবা

    আরজি করের (RG Kar Incident) ঘটনার পরে প্রথম থেকেই পুলিশের বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছিল, প্রমাণ লোপাটের জন্য প্রয়োজনের চেয়ে তাড়াহুড়ো করে মেয়েটির দেহ পুড়িয়ে দিয়েছে পুলিশ। এই ঘটনায় মর্গে পৌঁছে দেহ আটকে বাধা দেওয়ারও চেষ্টা করেছিলেন আন্দোলনকারীরা। কিন্তু সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট দিয়ে কলকাতা পুলিশ জানায়, দেহ সৎকারে তাদের কোনও হাত ছিল না, যা করার করেছে মেয়েটির পরিবারই। যদিও সম্প্রতি নির্যাতিতার বাবা জানান, গত ৯ অগাস্ট রাতে শ্মশানে তাঁর মেয়ের দেহ দাহ করতে পুলিশের তৎপরতা ছিল চোখে পড়ার মতো। তাঁর কথায়, ‘‘শ্মশানে পৌঁছে গিয়ে আমরা দেখি, আমাদের আগে তিনটে বডি রয়েছে। কিন্তু পুলিশ আধিকারিকরা নিজেদের প্রভাব খাটিয়ে আমার মেয়ের দেহ আগে সৎকার করে দেয়। তখন আমরা কথা বলার মতো অবস্থায় ছিলাম না। মাথা কাজ করছিল না। ফলে সৎকারে বাধা দেওয়ার কথা মাথায় আসেনি।’’

    দেহ সৎকারে পারদর্শী পুলিশ

    শুধু মৃতার বাবা নন, ওইদিন দেহ সৎকারে পুলিশের তৎপরতার কথা জানিয়েছে পানিহাটি এলাকায় শ্মশানের কর্মীরাও। যে শ্মশানে নির্যাতিতার দেহ সৎকার করা হয়, সেখানকার এক কর্মী ভোলানাথ বলেন, ‘‘আমাদের এলাকার একটি মেয়ের মৃত্যুর খবর সকাল থেকেই চলছিল। রাত ১২টার পর লাশ শ্মশানে আনা হয়। পুলিশ আমাদের আগেই জানিয়েছিল যে একটি মেয়ের লাশ আসছে এবং তার সঙ্গে বিশাল জনসমাগমও আসবে। এলাকাটি খুব জনাকীর্ণ ছিল, ১০টিরও বেশি পুলিশের গাড়ি ছিল। লোকজনের আসা কঠিন হয়ে পড়েছিল। এবং যাতায়াতে সমস্যা হচ্ছিল। তাই পুলিশ দ্রুত শেষকৃত্য করার নির্দেশ দেয়। বিপুল জনসমাগম এবং পুলিশ বাহিনীর উপস্থিতির মধ্যে যত তাড়াতাড়ি সম্ভব নিহতের শেষকৃত্য সম্পন্ন করা হয়েছিল।’’ ভোলানাথ জানান, ওই সময় শ্মশানে থাকা আরও ৩ মৃতের পরিজনের সঙ্গে কথা বলে পুলিশই সব ব্যবস্থা করে। স্বাভাবিক, সদ্য কন্যাহারা তা-ও অকস্মাৎ, মর্মান্তিক, বাবা-মার পক্ষে বাধা দেওয়ার মতো মানসিক জোরই ছিল না। কলকাতা পুলিশের বিরুদ্ধে ধর্ষিতার দেহ দখল করার অভিযোগ নতুন নয়, এর আগে মধ্যমগ্রামের এক নির্যাতিতা নাবালিকার দেহ দখল করে দাহ করে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছিল কলকাতা পুলিশের বিরুদ্ধে।

    আরও পড়ুন: হাথরস কাণ্ডের দুঁদে মহিলা সিবিআই অফিসার সীমা এবার আরজি করের তদন্তে

    মুখ্যমন্ত্রীর বিরুদ্ধে অসন্তোষ

    আরজি কর-কাণ্ডে (RG Kar Incident) আগেই প্রশ্ন উঠেছিল পুলিশের ভূমিকা নিয়ে। নির্যাতিতার বাবার বক্তব্যে ফের প্রশ্ন উঠছে, কেন দেহ দাহ করতে এত তৎপর ছিল পুলিশ? কিছু কি লুকানোর পরিকল্পনা ছিল তাদের? এই ঘটনায় মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ভূমিকাতেও ‘সন্তুষ্ট নন’ মৃত চিকিৎসকের বাবা, সে কথাও জানিয়েছেন তিনি। তিনি বলেন, ‘‘মুখ্যমন্ত্রী ন্যায়বিচার দেওয়ার কথা বলছেন। কিন্তু যে সব সাধারণ মানুষ ন্যায়বিচারের দাবি করছেন, তাঁদের তিনি জেলে ভরার চেষ্টা করছেন। আমরা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রতি সন্তুষ্ট নই। ওঁর দেওয়া কোনও ক্ষতিপূরণ নিতেও অস্বীকার করেছি।’’ 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • RG Kar: আরজি কর কাণ্ডের জের, হাসপাতালগুলির নিরাপত্তায় একগুচ্ছ নির্দেশিকা কেন্দ্রের

    RG Kar: আরজি কর কাণ্ডের জের, হাসপাতালগুলির নিরাপত্তায় একগুচ্ছ নির্দেশিকা কেন্দ্রের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আরজি করের (RG Kar) কাণ্ডের প্রেক্ষিতে দেশের সমস্ত হাসপাতালের নিরাপত্তা ব্যবস্থাকে ঢেলে সাজানোর নির্দেশ দিল কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রক (Central Health Ministry)। হাসপাতালের ভিতরে কোনও অপরাধ, প্রতিরোধ বা মোকাবিলার ক্ষেত্রে রাজ্য সরকারের যে আইন রয়েছে, তা ধারা-সহ প্রকাশ্যে তুলে ধরার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে নির্দেশিকায়।

    প্রশিক্ষিত সিকিউরিটি গার্ড নিয়োগের নির্দেশ

    সোমবারই কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রকের (RG Kar) তরফ থেকে এই সংক্রান্ত নির্দেশ সামনে আসে। এর পাশাপাশি, হাসপাতালের যে অংশ সিসি ক্যামেরায় আসে না, সেই ডার্ক স্পটগুলিকেও চিহ্নিত করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে নির্দেশিকায়। সমস্ত হাসপাতালগুলিতে প্রশিক্ষিত সিকিউরিটি গার্ড নিয়োগের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। একইসঙ্গে বলা হয়েছে, মহিলা নিরাপত্তা রক্ষী নিয়োগেরও কথা বলা হয়েছে ওই নির্দেশিকায়।

    সিসি ক্যামেরা হতে হবে ‘হাই রেজোলিউশন’-এর (RG Kar)

    আরজি করে ডাক্তারি পড়ুয়াকে ধর্ষণ ও খুনের ঘটনা সামনে এনেছে কর্তৃপক্ষের একের পর এক গাফিলতি। নাইট ডিউটির সময় মহিলা চিকিৎসক-নার্সদের নিরাপত্তার দাবিতে সরব হয়েছেন সমাজের সব মহলই। কর্মক্ষেত্রে সিসিটিভির যথাযথ ব্যবহারের মতো একাধিক বিষয় নিয়ে সরব হয়েছেন চিকিৎসক সমাজ থেকে বিভিন্ন মহল (RG Kar)। এই আবহে কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রক নির্দেশিকাতে (Central Health Ministry) পরিষ্কার করে জানিয়ে দিয়েছে, শুধু ক্লোজ সার্কিট ক্যামেরা বসিয়েই দায় সারা যাবে না। সেই সিসি ক্যামেরা হতে হবে ‘হাই রেজোলিউশন’-এর। রোগীর পরিবারকে হাসপাতালের অভ্যন্তরে প্রবেশের ক্ষেত্রেও সুনির্দিষ্ট নিয়মের উল্লেখ রয়েছে নয়া নির্দেশিকায়।

    যাতায়াতের গতিবিধিতে নজরদারি

    প্রসঙ্গত, আরজি কর কাণ্ডের পর কোনওভাবেই ঝুঁকি নিতে রাজি নয় কেন্দ্র। সোমবারের নির্দেশেই তা স্পষ্ট। সোমবারের নির্দেশিকায় কেন্দ্রের অধীনস্ত সকল হাসপাতালগুলিতে নিরাপত্তা কর্মীর সংখ্যা ২৫ শতাংশ বৃদ্ধির নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। একইসঙ্গে, কেন্দ্রীয় সরকারের অধীনস্ত হাসপাতালগুলিতে কারা ঢুকছেন, কারা বের হচ্ছেন, অর্থাৎ যাতায়াতের গতিবিধির ওপর নজরদারিতে জোর দেওয়ার কথা বলা হয়েছে। সিসি ক্যামেরার পাশাপাশি অন্যান্য নিরাপত্তাতেও জোর দেওয়া হয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।  

  • RG Kar Incident: ‘ফুটবলপ্রেমীদের ওপর লাঠিচার্জ লজ্জাজনক’, পুলিশের ভূমিকা নিয়ে মামলা হাইকোর্টে

    RG Kar Incident: ‘ফুটবলপ্রেমীদের ওপর লাঠিচার্জ লজ্জাজনক’, পুলিশের ভূমিকা নিয়ে মামলা হাইকোর্টে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রবিবাসরীয় বিকেলে বৃষ্টির মধ্যেই তিলোত্তমার হয়ে প্রতিবাদে (RG Kar Incident) সামিল হয়েছিলেন অগণিত সমর্থক। হাওড়া, দক্ষিণ কলকাতা, উত্তর কলকাতার বিভিন্ন জায়গা থেকে ছোট ছোট মিছিল এগোতে থাকে। গন্তব্য একটাই, যুবভারতী স্টেডিয়াম। ডার্বি বাতিল হওয়ার দুঃখ নয়, আরজি করের নির্যাতিতার বিচার চাওয়াই ছিল মূল লক্ষ্য। কিন্তু শান্তিপূর্ণ সেই প্রতিবাদ মিছিলকেও ভয় পেল পুলিশ। ফুটবলপ্রেমীদের সরাতে নির্বিচারে লাঠিচার্জ করতে হল পুলিশকে। এত অসহিষ্ণু কেন পুলিশ? যুবভারতী চত্বরে রবিবার পুলিশের এই ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলে কলকাতা হাইকোর্টে (Calcutta High Court) জনস্বার্থ মামলা দায়ের করলেন আইনজীবী রিজু ঘোষাল।

    পুলিশের বিরুদ্ধে অভিযোগ

    মামলায় বলা হয়েছে, দুই ক্লাবের সমর্থকরা শান্তিপূর্ণভাবে মিছিল করেন। সেখানে লাঠিচার্জ করা হয় ও ১০০ জনের বেশি আন্দোলনকারীকে গ্রেফতার করা হয়। এই ইস্যুতে হাইকোর্টকে স্বতঃস্ফূর্ত মামলা গ্রহণের আর্জি জানান আইনজীবী। পুলিশের আচরণের প্রতিবাদেই এই মামলা। মামলাকারীর দাবি, পুলিশ লজ্জাজনক কাজ করছে। মামলাটি গ্রহণ করেছেন হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি টিএস শিবজ্ঞানম। আগামী কাল, মঙ্গলবার মামলার শুনানি। রবিবার, যুবভারতীতে ছিল ডুরান্ড ডার্বি। কিন্তু আরজি কর কাণ্ডের (RG Kar Incident) জেরে উত্তপ্ত শহর, তাই ম্যাচেও অশান্তি হতে পারে এবং নিরাপত্তা দেওয়ার জন্য পর্যাপ্ত পুলিশ নেই-এই অজুহাতেই ডার্বি বন্ধ করেছিল প্রশাসন। কিন্তু দেখা গেল, রবিবার লাল-হলুদ, সবুজ-মেরুন সমর্থকদের একযোগে প্রতিবাদ মিছিল রুখতে রাস্তায় নামল শয়ে শয়ে পুলিশ। 

    আরও পড়ুন: আরজি কর-কাণ্ডে উত্তাল যুবভারতী, সমর্থকদের গ্রেফতারি আটকে ‘নায়ক’ কল্যাণ চৌবে

    “পুলিশের জবাব চাই”

    এদিন ডার্বির লডাই নয়, মোহন-ইস্ট সমর্থকরা একযোগে আরজি কর-এর নির্যাতিতার বিচার চেয়েছিলেন। এদিন বেলা সাড়ে তিনটে নাগাদ বিধাননগর পুলিশ কমিশনারেটের পক্ষ থেকে বলা হয়, যুবভারতী চত্বরে প্রতিবাদ মিছিল (RG Kar Incident) করতে দেওয়া যাবে না। বিএনএসএস-এর ১৬৩ ধারা (আইপিসির ১৪৪ ধারা) অনুযায়ী, সেখানে জমায়েত করতে দেওয়া হবে না। কারণ গোপন সূত্রে তাঁরা নাকি জানতে পেরেছিলেন, কিছু দুষ্কৃতী ওই শান্তিপূর্ণ মিছিলে অস্ত্র নিয়ে ঢুকে পড়তে পারে। বিশৃঙ্খলা এবং অশান্তি তৈরি করতে পারে। কিন্তু কোনওটাই হয়নি। শান্তিপূর্ণ মিছিলকে আটকায় পুলিশ। যার ফলেই বচসায় জড়িয়ে পড়েন ফুটবল প্রেমীরা। কিছুক্ষণের মধ্যেই ময়দানের ৩ প্রধান দলের সমর্থকদের উপর পুলিশের লাঠিচার্জ শুরু হয়। ছোড়া হয় কাঁদানে গ্যাস। কিন্তু, কোনও সরকারি সম্পত্তি ভাঙচুর বা নষ্ট না করা হলেও পুলিশ কেন এত সক্রিয় ছিল? বিষয়টি নিয়ে বিধাননগর পুলিশ এবং কলকাতা পুলিশের জবাব তলব করা হোক-এই আবেদন জানিয়ে আদালতের (Calcutta High Court) দ্বারস্থ আইনজীবী।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • RG Kar: বাড়ছে আন্দোলনের ঝাঁঝ! লালবাজারে তলব পাওয়া ২ চিকিৎসককে নিয়ে মিছিল ডাক্তারদের

    RG Kar: বাড়ছে আন্দোলনের ঝাঁঝ! লালবাজারে তলব পাওয়া ২ চিকিৎসককে নিয়ে মিছিল ডাক্তারদের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আরজি কর কাণ্ডে (RG Kar) নির্যাতিতা মহিলা চিকিৎসকের পরিচয় ফাঁস এবং গুজব ছড়ানোর অভিযোগে রাজ্যের দুই সিনিয়র চিকিৎসক কুণাল সরকার এবং সুবর্ণ গোস্বামীকে সোমবার তলব করে লালবাজার (Lalbazar)। যদিও গুজব ছড়ানোর বিষয়ে পুলিশ মিথ্যা অভিযোগ করছে বলে বারবার বলতে শোনা গিয়েছে চিকিৎসক মহলের বড় অংশকে। এরই প্রতিবাদে দুই ডাক্তারকে নিয়ে এদিন মিছিল করে লালবাজারের উদ্দেশে রওনা দেন চিকিৎসকরা। পাল্টা চিকিৎসকদের রুখতে রীতিমতো ব্যারিকেড করল পুলিশ। সাম্প্রতিক ইতিহাসে রাজ্যে এমন ঘটনা বেনজির বলেই মনে করছে ওয়াকিহবহল মহল। আন্দোলন যে বর্তমানে চরম পর্যায়ে পৌঁছেছে, এই ঘটনাই তার প্রমাণ, এমনটা বলছেন কেউ কেউ।

    ফিয়ার্স লেনে চিকিৎসকদের মিছিল আটকায় পুলিশ (RG Kar)

    প্রসঙ্গত, ভারতীয় ন্যায় সংহিতার ৩৫ নম্বর ধারায় তথ্যপ্রযুক্তি আইনে তলব করা হয় দুই চিকিৎসককে। এরই প্রতিবাদে সরব হন শহরের বাকি ডাক্তাররাও। ব্যারিকেড (RG Kar) করে ফিয়ার্স লেনে চিকিৎসকদের মিছিল আটকায় পুলিশ। সেখান থেকেই দুই চিকিৎসক কুণাল সরকার এবং সুবর্ণ গোস্বামীকে নিয়ে লালবাজারের দিকে নিয়ে যায় কলকাতা পুলিশ। দুই চিকিৎসকের সঙ্গে তাঁদের আইনজীবীরাও ছিলেন। লালবাজারের উদ্দেশে রওনা হওয়ার আগে কলকাতা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে এদিন জড়ো হন চিকিৎসকরা। সেখানেই বক্তব্য রাখতে দেখা যায় কুণাল সরকার ও সুবর্ণ গোস্বামীকে।

    ৯ অগাস্টের ঘটনাটি প্রথম থেকেই ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করা হচ্ছে 

    সুবর্ণ গোস্বামী বলেন, ‘‘সবাই জানেন এ রাজ্যে যে ঘৃণ্য অপরাধ ঘটেছে, সেই অন্যায়কে ধামাচাপা, দোষীদের আড়াল করার চেষ্টা চলছে। তার বিরুদ্ধেই আমাদের প্রতিবাদ। আমরা চাইলে এর বিরুদ্ধে আদালতে যেতে পারতাম। কিন্তু আমরা মুখোমুখি লড়াই করতে চেয়েছিলাম। সবশেষে বলি, চোখ যত রাঙাবে, মিছিল তত বাড়বে।’’ সুবর্ণ গোস্বামী আরও বলেন, ‘‘আরজি করে (RG Kar) এই ঘটনার আগে থেকেই আমরা সংশ্লিষ্ট হাসপাতালের বিভিন্ন অব্যবস্থা নিয়ে প্রতিবাদ করে এসেছি। ৯ অগাস্টের ঘটনাটি প্রথম থেকেই ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করা হচ্ছে। আমরা কোনও ভুল তথ্য ছড়ায়নি। আমাদের তরফে কোথাও নির্যাতিতার নাম সামনে আসেনি, যা আরজি করের প্রাক্তন অধ্যক্ষ সন্দীপ ঘোষ করেছিলেন।’’

    দেশের বিভিন্ন ফরেন্সিক বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে কথা বলেছি 

    সুবর্ণ গোস্বামী আরও বলেন, ‘‘যে অটোপসি রিপোর্ট নিয়ে আমরা কথা বলেছি, তা নির্যাতিতার বাবার তরফে বলা হয়েছিল। আমরা সাতটি সংগঠনের তরফে যখন তাঁদের বাড়িতে যাই, সেই সময় বলা হয় যে, এটা নিয়ে আপনারা সরব হন। তার ওপর ভিত্তি করেই দেশের বিভিন্ন ফরেন্সিক বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে কথা বলি। সেটাই সংবাদমাধ্যমের কাছে তুলে ধরেছি।’’ চিকিৎসক কুণাল সরকার বলেন, ‘‘জীবনে কত পরীক্ষা দিয়েছি, আজকে পুলিশ আমাদের প্রশ্ন করতে চায়। আজকে পুলিশ (Lalbazar) আমার বিবেক, বুদ্ধি, সমাজ নিয়ে প্রশ্নের উত্তর চায়, সব প্রশ্নের উত্তর দেব।’’ তিনি আরও বলেন, ‘‘আমরা ৩১ বছরের একজন সতীর্থকে চিরতরে হারিয়েছি। এই গ্লানি রয়ে গিয়েছে। মনে রাখতে হবে সমাজের প্রতি আমাদের একটা দায়িত্ব রয়েছে। রাজ্যের মানুষের কাছে আমাদের দায়িত্ব রয়েছে। এখন ডাক্তারদের একসঙ্গে আসতে হবে। পারস্পরিক আলোচনা করতে হবে। একতরফা বলে যাওয়ার সময় এটা নয়।’’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • RG Kar: ‘পরীক্ষায় ফেল করিয়ে দেওয়া হতে পারে, আশঙ্কা করত মেয়ে’, দাবি নির্যাতিতার মায়ের

    RG Kar: ‘পরীক্ষায় ফেল করিয়ে দেওয়া হতে পারে, আশঙ্কা করত মেয়ে’, দাবি নির্যাতিতার মায়ের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মেয়ের মৃত্যুর জন্য আরজি কর (RG Kar) মেডিক্যাল কলেজের চেস্ট ডিপার্টমেন্টকেও দায়ী করেছেন নির্যাতিতার বাবা-মা। রীতিমতো ক্ষোভের সুরে তাঁরা জানিয়েছেন, নির্যাতিতাকে সব সময় চাপে রাখা হত। জ্বরের সময় নির্যাতিতাকে কাজ করানোরও অভিযোগ উঠেছে কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে। নির্যাতিতার (RG Kar) বাবার কথায়, ‘‘মেয়ের ভিপি চাপে রাখত। জ্বর হলেও ছুটি দিত না। এক বার একটি বাইক ওকে ধাক্কা দেয়। আঘাত লাগে। তার পরেও ছুটি দেয়নি।’’ নির্যাতিতার মায়ের (RG Kar Victims Mother) দাবি, পড়াশোনাতে যাতে ব্যাঘাত না ঘটে সে কারণে, এ সব বিষয়ে নজর দিতেন না চিকিৎসক। তিনি বলেন, ‘‘মেয়ে সব কিছু এড়িয়ে যেত। এ সবে নজর দিলে পড়াশোনায় ক্ষতি হবে বলে এড়িয়ে যেত। আপনারা বুঝতে পারছেন, আরজি করে কী হত?’’ নিহত তরুণী চিকিৎসকের মা আরও জানিয়েছেন, পরীক্ষায় ফেল করিয়ে দেওয়া হতে পারে, এমন আশঙ্কাও ছিল তাঁদের মেয়ের। তাঁর কথায়, ‘‘ভয় ছিল। চাপ ছিল, ওপরমহলের।’’

    ভরসা সিবিআইয়ে (RG Kar) 

    হাইকোর্টের নির্দেশে ঘটনার তদন্তভার নিয়েছে সিবিআই। নির্যাতিতার বাবা মনে করছেন, এই পরিস্থিতিতে সিবিআইয়ের ওপর ‘আস্থা রাখতে হবে’ তাঁদের। নিজেদের বেশ কিছু সন্দেহের কথাও সংবাদ মাধ্যমের সামনে প্রকাশ করেছেন নির্যাতিতার বাবা এবং মা। নির্যাতিতার বাবা বলেন, ‘‘সন্দেহ হচ্ছে, অন্যত্র কোথাও খুন হয়েছে। যত ক্ষণ না জানতে পারছি, সুনিশ্চিত হতে পারছি না।’’ নিহতের (RG Kar) মা বলেন, ‘‘জানতে পেরেছি, মেয়ের দেহ যে ভাবে আমাদের দেখানো হয়েছে, সে ভাবে ছিল না। দেহে জামাকাপড় ছিল না, এটা আমরা জানতে পেরেছি। সিবিআইকে সব বলব। আমাদের মনে হচ্ছে, আমাদের আড়াল করে প্রমাণ লোপাটের চেষ্টা করছে।’’

    নির্যাতিতার ডায়েরির ‘ছেঁড়া পাতা’র ছবি রয়েছে বাবার কাছে

    হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ এবং পুলিশ প্রশাসনের আধিকারিকদেরও শাস্তির দাবিও তুলেছেন তাঁরা। নির্যাতিতার মা (RG Kar Victims Mother) বলেন, ‘‘ওই ক্ষতবিক্ষত দেহ, যে দেহে জামা কাপড় নেই, তা দেখে এক জন বলছেন, আপনার মেয়ে আত্মহত্যা করেছেন। এটা হতে পারে না। আড়াল করার চেষ্টা না হলে এ রকম হতে পারে না। আত্মহত্যা বলা হয়েছে, এটাও অপরাধ। পুলিশ আধিকারিকদের শাস্তি চাইছি প্রথম থেকে।’’ আরজি কর হাসপাতালে নির্যাতিতা চিকিৎসকের ডায়েরি থেকে ‘ছেঁড়া পাতা’-র ছবি তাঁর কাছে রয়েছে বলে সংবাদমাধ্যমকে এদিন জানিয়েছেন নির্যাতিতার (RG Kar) বাবা। তাঁর আরও দাবি, সিবিআই চাইলে তিনি তা দিতে প্রস্তুত। কী লেখা রয়েছে সেই ডায়েরির ‘ছেঁড়া পাতা’-য়? এই নিয়ে তদন্তের স্বার্থে তিনি কিছু বলতে চাননি। তবে যা লেখা ছিল, তার সারমর্ম হল, মৃত চিকিৎসক ‘সুখে’ থাকতে চেয়েছিলেন, এমনটাই জানিয়েছেন নির্যাতিতার বাবা।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • RG Kar Incident: একাধিক আঘাতের চিহ্ন, যৌন নিগ্রহ স্পষ্ট! চিকিৎসকের ময়নাতদন্তের রিপোর্টে কী মিলল?

    RG Kar Incident: একাধিক আঘাতের চিহ্ন, যৌন নিগ্রহ স্পষ্ট! চিকিৎসকের ময়নাতদন্তের রিপোর্টে কী মিলল?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আরজি কর (RG Kar Incident) হাসপাতালের নিহত তরুণী চিকিৎসকের ময়নাতদন্তের প্রাথমিক রিপোর্টে উঠে এল বিস্ফোরক তথ্য। জানা গিয়েছে, ধর্ষণ করে খুন করা হয়েছে ওই তাঁকে, এমনটাই ইঙ্গিত মিলেছে রিপোর্টে। আরজি কর মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে ধর্ষণ ও হত্যাকাণ্ডের শিকার পড়ুয়া-চিকিৎসকের শরীরে ব্যাপক আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গিয়েছে, যা সবই মৃত্যুর আগে ঘটেছে বলে ময়নাতদন্ত রিপোর্টে দাবি করা হয়েছে।

    কী কী বলা হল রিপোর্টে (RG Kar Incident)

    ময়নাতদন্তের রিপোর্ট অনুযায়ী—

    গলা টিপে শ্বাসরোধ করে খুন করা হয়েছে ওই তরুণীকে। মৃতের মাথা, মুখ, গলা, বাহু এবং যৌনাঙ্গে ১৪টিরও বেশি আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গিয়েছে। যৌনাঙ্গেও রক্ত পাওয়া গিয়েছে বলে রিপোর্টে দাবি করা হয়েছে।

    অর্ধনগ্ন অবস্থায় উদ্ধার হয়েছিল ওই তরুণীর দেহ। চার তলার ওই সেমিনার হলের কাছে কোনও নিরাপত্তারক্ষীও ছিল না বলে জানা গিয়েছে। 

    ধর্ষণের আগে বীভৎস মারধর করা হয়েছিল তরুণীকে। তার পরেও তিনি প্রতিরোধ করলে, প্রবল বল প্রয়োগ করা হয়েছিল তাঁর উপর। তরুণীর বুকে আঘাত লাগে, শ্বাসরোধ করে দমবন্ধ করার প্রমাণ মিলেছে। 

    চশমার কাচ ভেঙে চোখে গভীর ক্ষত হয় তরুণীর। অপরাধীর হাত থেকে নিজেকে বাঁচাতে প্রতিরোধ করতে গিয়ে প্রবল ধস্তাধস্তিতেই কাচ ভেঙে যায় এবং চোখে ঢুকে রক্ত বেরিয়ে যায়। মাথাতেও আঘাত রয়েছে তাঁর। মাথায় কোনও হাড় ভাঙার চিহ্ন পাওয়া যায়নি।

    তাঁর যৌনাঙ্গে গভীর ক্ষত রয়েছে। এতই ভয়ানক পেনিট্রেশন হয়, যার জেরে বিপুল রক্তপাত ঘটে এবং হাইমেন ফেটে যায়! মৃতের যৌনাঙ্গে “সাদা, ঘন, আঠালো তরল” পাওয়া গিয়েছে। ফুসফুসে রক্তক্ষরণ এবং শরীরে রক্ত জমাট বাঁধার লক্ষণ মিলেছে। রক্ত এবং অন্যান্য শারীরিক তরল নমুনা আরও বিশ্লেষণের জন্য পাঠানো হয়েছে।

    আরও পড়ুন: আরজি কর-কাণ্ডে উত্তাল যুবভারতী, সমর্থকদের গ্রেফতারি আটকে ‘নায়ক’ কল্যাণ চৌবে

    সুপ্রিম কোর্টে শুনানি

    আরজি কর (RG Kar Incident) মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালের এক প্রশিক্ষণার্থী মহিলা চিকিৎসকের ধর্ষণ ও খুনের ঘটনা নিয়ে উত্তাল গোটা দেশ। দেশ ছাড়িয়ে এই ক্ষোভের আগুন ছড়িয়ে পড়েছে বিশ্বজুড়ে। তরুণী চিকিৎসকের মৃত্যুর প্রতিবাদে সর্বত্র একটাই সুর ‘উই ওয়ান্ট জাস্টিস’। স্বতঃপ্রণোদিতভাবে এই মামলা গ্রহণ করল সুপ্রিম কোর্ট। মঙ্গলবার (২০ অগাস্ট), কলকাতার এই ধর্ষণ-খুনের ঘটনার শুনানি হবে প্রধান বিচারপতি ডিওয়াই চন্দ্রচূড়ের নেতৃত্বাধীন একটি বেঞ্চে। প্রধান বিচারপতি ডিওয়াই চন্দ্রচূড় ছাড়া এই বেঞ্চে থাকছেন বিচারপতি জেবি পর্দিওয়ালা এবং বিচারপতি মনোজ মিশ্র।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share