Tag: rg kar

rg kar

  • RG Kar: ‘করেননি ক্লাস, মানেননি নিয়ম’! ডিনের চিঠিতে প্রকাশ্যে পিজি-তে অভীকের দৌরাত্ম্য

    RG Kar: ‘করেননি ক্লাস, মানেননি নিয়ম’! ডিনের চিঠিতে প্রকাশ্যে পিজি-তে অভীকের দৌরাত্ম্য

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আরজি করকাণ্ডে (RG Kar) ধৃত সন্দীপ ঘোষের ঘনিষ্ঠ অভীক দে-র বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ সামনে এল। জানা গিয়েছে, পিজি (এসএসকেএম) হাসপাতালে নিজের ক্ষমতার দেখিয়ে যা খুশি করতেন। কোনও নিয়মের তোয়াক্কা করতেন না। করতেন না ক্লাস। দিতেন না অ্যাটেনডেন্স। অথচ, তাঁর বিরুদ্ধে কারও কথা বলার সাহস ছিল না। তাঁর দাপটের কথা সামনে আসতেই শোরগোল পড়ে গিয়েছে।

    ঠিক কী অভিযোগ? (RG Kar)

    চিকিৎসক পড়ুয়া অভীক দে-র বেনিয়মের আরও নজির প্রকাশ্যে এসেছে সোমবার। আরজি কর (RG Kar) হাসপাতালে তরুণী চিকিৎসকের মর্মান্তিক খুনের আগের দিন থেকেই পিজিতে গরহাজির ছিলেন অভীক দে। গত ৮ অগাস্ট ওই খুনের ঘটনা ঘটে। তার আগের দিন থেকে গোটা মাস, এমনকী সেপ্টেম্বরেও কলেজে অনুপস্থিত তিনি। অভীক দে এসএসকেএমের জেনারেল সার্জারি বিভাগের স্নাতকোত্তর পড়ুয়া বা পিজিটি। তাই গত ৪ সেপ্টেম্বর পিজি হাসপাতালের ডিন অভিজিৎ হাজরা বিষয়টি লিখিতভাবে জানান রাজ্যের তৎকালীন স্বাস্থ্য-শিক্ষা অধিকর্তা কৌস্তভ নায়েককে। সেই চিঠি সোমবার প্রকাশ্যে এসেছে। সেই চিঠিতে অভীকের গরহাজিরার খতিয়ান দেওয়ার পাশাপাশি তাঁর নানাবিধ অনিয়মের কথাও চিঠিতে তুলে ধরে ডিন লেখেন, ‘এমন বেনজির পরিস্থিতিতে পিজি-কে এর আগে পড়তে হয়নি।’ কোনও রকম ‘ইন্টিমেশন’ ছাড়াই যে অভীক ডিউটি করছেন না, ক্লাস করছেন না, সে কথা জেনারেল সার্জারি বিভাগ থেকে ৩ সেপ্টেম্বর জানার পরেই এই চিঠি লেখেন ডিন। স্বাস্থ্য-অধিকর্তার থেকে প্রয়োজনীয় পরামর্শ চান তিনি।

    আরও পড়ুন: বন্যা মোকাবিলায় কেন্দ্রের পদক্ষেপ তুলে ধরে রাজ্যকে পরামর্শ রাজ্যপালের

    ডিনের চিঠিতে কী কী উল্লেখ রয়েছে?

    স্বাস্থ্য ভবন (RG Kar) সূত্রের খবর, বিষয়টি খতিয়ে দেখে এর কিছু দিন পরেই অভীককে (Avik Dey) সাসপেন্ড করে স্বাস্থ্য দফতর। কী কী অনিয়মের কথা তুলে ধরা হয়েছে ডিনের লেখা চিঠিতে? ২০২৪-এর ২০ ফেব্রুয়ারি জেনারেল সার্জারির পিজিটি হিসেবে অভীক কাজে যোগ দিলেও তিনি স্বাস্থ্যবিজ্ঞান বিশ্ববিদ্যালয়ে নিজের নাম নথিভুক্ত করার নিয়মটি মানেননি। ইতিমধ্যে ছ’মাস পেরিয়ে গেলেও থিসিসের সিনপসিস জমা দেননি অভীক। এমনকী, ন্যাশনাল মেডিক্যাল কমিশন (এনএমসি)-এর নিয়ম মেনে আধার যুক্ত বায়োমেট্রিক অ্যাটেন্ডেন্স সিস্টেমেও নিজেকে রেজিস্টার করাননি তিনি। ফলে তাঁর হাজিরা এত দিন পরেও শূন্য। ডিন অফিস থেকে পিজিটি-দের সচিত্র পরিচয়পত্রও তোলেননি। এতগুলি অনিয়মের সাক্ষী, এর আগে পিজি কর্তৃপক্ষ কখনও হননি বলেও চিঠিতে দাবি করেছেন ডিন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • RG Kar: ‘দ্রুত পোস্টমর্টেম না হলে রক্তগঙ্গা বয়ে যাবে’! চিকিৎসককে হুমকি প্রাক্তন কাউন্সিলরের

    RG Kar: ‘দ্রুত পোস্টমর্টেম না হলে রক্তগঙ্গা বয়ে যাবে’! চিকিৎসককে হুমকি প্রাক্তন কাউন্সিলরের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ‘‘দ্রুত পোস্টমর্টেম না হলে রক্তগঙ্গা বয়ে যাবে!’’ আরজি করের ফরেন্সিক মেডিসিনের অধ্যাপক অপূর্ব বিশ্বাসকে ঠিক এই ভাষায় হুমকি দিয়েছিলেন স্থানীয় এক প্রাক্তন কাউন্সিলর। এমনই অভিযোগ ওই চিকিৎসকের। আরও জানান, নিজেকে নির্যাতিতার ‘কাকা’ পরিচয় দিয়ে ফোন করেন ওই কাউন্সিলর।

    পোস্টমর্টেম না হলে রক্তগঙ্গা বয়ে যাবে (RG Kar)

    আরজি করকাণ্ডে (RG Kar) ফের সিবিআই দফতরে তলব করা হয়েঠিল চিকিৎসক বিরূপাক্ষ বিশ্বাস, অভীক দে এবং সৌরভ পালকে। সেইসঙ্গে ডাকা হয়েছিল চিকিৎসক অপূর্ব বিশ্বাসকেও। নির্যাতিতার ময়না তদন্ত যে-তিন চিকিৎসক করেছিলেন, তাঁদের মধ্যে একজন হলেন তিনি। ফরেন্সিক মেডিসিনের অধ্যাপক অপূর্ববাবু নির্যাতিতার ময়না তদন্ত করা নিয়ে রীতিমতো বিস্ফোরক অভিযোগ করলেন। জানালেন, তাঁর ওপর কীভাবে দ্রুত পোস্টমর্টেম করার জন্য চাপসৃষ্টি করা হয়েছিল। 

    সিবিআই দফতর থেকে বেরিয়ে চিকিৎসক অপূর্ব বিশ্বাস বলেন, এক প্রাক্তন কাউন্সিলর সেদিন (৯ অগাস্ট) তড়িঘড়ি ময়নাতদন্ত করতে চাপ দিয়েছিলেন। নিজেকে নির্যাতিতার (RG Kar) কাকা পরিচয় দেওয়া ওই প্রাক্তন কাউন্সিলর সেখানে ছিলেন। তিনি বলেছিলেন, ওইদিন দ্রুত পোস্টমর্টেম না হলে রক্তগঙ্গা বয়ে যাবে। তবে, তিনি রক্তের সম্পর্কের কেউ নন। বাইরের কেউ। বলেছিল ওই দিনই পোস্টমর্টেম করতে হবে। তিনি হলেন চিকিৎসকের বাড়ি যেখানে সেখানকার প্রাক্তন সিপিএম কাউন্সিলর। এনিয়ে অভিযুক্ত সেই কাউন্সিলর সংবাদমাধ্যমে বলেন, ‘‘এবার আমি এফআইআর করব। পুরো সাজিয়ে বলা হচ্ছে।’’ এদিকে গোটা ঘটনায় নানা প্রশ্ন উঠছে। সিপিএমের প্রাক্তন কাউন্সিলর বলে তিনি কোনও উল্লেখ করেননি। তবে ওখানকার প্রাক্তন কাউন্সিলর বলতে ওই সিপিএম কাউন্সিলর রয়েছেন। তবে, তাঁর কথাই ওই চিকিৎসক বলছেন কি না তা নিশ্চিত নয়। কারণ, ওই চিকিৎসক সরাসরি কারও নাম উল্লেখ করেননি।

    আরও পড়ুন: তিরুপতির লাড্ডুর ঘি কীভাবে তৈরি হত? জানতে উচ্চপর্যায়ের সিট গঠন চন্দ্রবাবুর

    হুমকি কেন মানলেন চিকিৎসকরা, উঠছে প্রশ্ন

    এমনিতেই নির্যাতিতার ময়না তদন্ত নিয়ে বহু প্রশ্ন উঠেছে। যে-বিষয়টি নিয়ে বিস্ময় প্রকাশ করেছে সুপ্রিম কোটও। এবার বিষয়টি নিয়ে চাঞ্চল্যকর অভিযোগ করলেন চিকিৎসক অপূর্ব বিশ্বাস। কিন্তু, সেইসঙ্গে এই প্রশ্নও উঠছে যে, কেউ এমন হুমকি দিলেও সেই দাবি কেন মেনে নিয়েছিলেন ময়না তদন্তকারী চিকিৎসকরা। এদিকে রবিবার টালা থানার সাব ইনস্পেক্টর চিন্ময় বিশ্বাসকেও তলব করেছিল সিবিআই (CBI)। দীর্ঘক্ষণ জিজ্ঞাসাবাদ করা হয় তাঁকেও। প্রসঙ্গত, আরজি করের (RG Kar) মহিলা চিকিৎসকের মৃতদেহ উদ্ধার থেকে তাঁর দেহ দাহ করা। গোটা প্রক্রিয়ায় একটা অস্বাভাবিক তাড়াহুড়ো করা হয়েছিল। এমনটাই দাবি করা হয়েছিল বিভিন্ন মহল থেকে। সেই প্রশ্নের উত্তর খোঁজার চেষ্টা করছে সিবিআই।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Sukanta Majumdar: তৃণমূলের হিংসার বিরুদ্ধে সরব, বাঁকুড়ায় সুকান্তর উপস্থিতিতে কাউন্সিলর বিজেপিতে

    Sukanta Majumdar: তৃণমূলের হিংসার বিরুদ্ধে সরব, বাঁকুড়ায় সুকান্তর উপস্থিতিতে কাউন্সিলর বিজেপিতে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “মার খেয়ে কাঁদতে কাঁদতে আমার কাছে আসবেন না। পাল্টা মার দিয়ে আসুন। বাকিটা সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar) বুঝে নেবে। বিজেপিকে ফোঁস করতে এলে ডান্ডা নিন।” তৃণমূলের (TMC) সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে এমনই নিদান দিলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার। শনিবার বাঁকুড়ায় নারী সুরক্ষা মিছিল শেষে একটি প্রতিবাদ সভায় তৃণমূলের দুষ্কৃতীদের চরম হুঁশিয়ারি দেন তিনি। রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মহিলা হলেও এরাজ্যের কোনও নারী সুরক্ষিত নন বলে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে আক্রমণ করেন তিনি।

    উল্লেখ্য আরজি কর হাসপাতালে চিকিৎসক তরুণীকে ধর্ষণ করে হত্যার পর থেকে ন্যায় বিচারের দাবিতে তৃণমূলের বিরুদ্ধে একাধিক ইস্যুতে আক্রমণ করেছে বিজেপি। প্রাক্তন সিপি বিনীত গোয়েল এবং মুখ্যমন্ত্রী মমতাকে গ্রেফতারের দাবিও জানানো হয়েছে দলের তরফ থেকে।

    তৃণমূলের সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে একহাত সুকান্তর (Sukanta Majumdar)

    রাজ্যের নারী সুরক্ষার দাবিতে শনিবার বাঁকুড়ার হিন্দু হাইস্কুল থেকে মাচানতলা পর্যন্ত বিজেপির একটি বিরাট পদযাত্রা করেন কেন্দ্রীয় শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী তথা বালুরঘাটের সাংসদ সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar)। মিছিল শেষ করে, রাজ্য জুড়ে তৃণমূলের (TMC) সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে একহাত নিয়েছেন তিনি। শাসকদল আশ্রিত সমাজ বিরোধীদের বিরুদ্ধে কড়া দাওয়াই দিয়েছেন। তিনি বলেন, “সকলকে মিলে প্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে। নিজেদের অসহায়বোধ করবেন না। প্রয়োজনে ডান্ডা ধরবেন, এরপর সুকান্ত মজুমদার যা করার বুঝে নেবে।” অপর দিকে নির্দল হয়ে পুরভোটে লড়াই করেছিলেন অনন্যা রায় চক্রবর্তী। জয়ী হয়ে মমতার বিজয় মিছিলেও যোগদান করেছিলেন তিনি। এবার তৃণমূলের ক্রমবর্ধমান হিংসা এবং অত্যাচারের বিরুদ্ধে সরব হয়ে, মিছিলের শেষে বিজেপিতে যোগদান করেন। তাঁর সঙ্গে আরও যোগদান করেন বেশ কিছু লোকজন। সুকান্তর হাত থেকে দলীয় পতাকা নিয়ে বলেন, “আরজি কর নিয়ে রাজ্যে যা চলছে তা অত্যন্ত অন্যায়। এভাবে আর তৃণমূল করা যায় না। এখন থেকে নারী সুরক্ষার জন্য বিজেপির হয়ে কাজ করব।”

    আরও পড়ুনঃ আন্দোলনের চাপে দিশাহারা মমতা সরকার, পিছিয়ে দেওয়া হল ‘দুয়ারে উদ্যম’ শিবির

    তৃণমূলের বক্তব্য

    পাল্টা তৃণমূলের পক্ষ থেকে বাঁকুড়া সাংসদ অরূপ চক্রবর্তী বলেন, “এই লোকসভায় বিজেপি হেরেছে। হারের পর আমাদেরকে বদনাম করার চেষ্টা করা হচ্ছে। সুকান্তবাবু (Sukanta Majumdar) অসত্য বলছেন। কাউন্সিলরের মাথা খারাপ হয়ে গিয়েছে। লোভের জন্য এই কাজ করেছেন। জমি মাফিয়াদের সঙ্গে ওঁর প্রত্যক্ষ যোগ রয়েছে।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • RG Kar: ‘মাসোহারা’ না দেওয়া ও সন্দীপের কথা ‘অমান্য’ করায় হতে হয় বদলি! বিস্ফোরক গ্রুপ ডি কর্মী

    RG Kar: ‘মাসোহারা’ না দেওয়া ও সন্দীপের কথা ‘অমান্য’ করায় হতে হয় বদলি! বিস্ফোরক গ্রুপ ডি কর্মী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এ বার সন্দীপের  (Sandip Ghosh) দুর্নীতি ও রাহাজানি নিয়ে মুখ খুললেন আরজি কর (RG Kar) মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালের এক গ্রুপ ডি কর্মী। মনোজ মল্লিক নামের ওই গ্রুপ ডি কর্মীর অভিযোগ, তিনি একটা সময়ে ওই হাসপাতালের মর্গে কাজ করতেন। কিন্তু ১০ হাজার টাকা করে ‘মাসোহারা’ না দেওয়া এবং সন্দীপের কথা ‘অমান্য’ করায় তাঁকে বদলি করা হয় অন্যত্র। ওই কর্মীর আরও অভিযোগ, সন্দীপ জমানায় হাসপাতালের মর্গে নানাবিধ অনিয়ম থেকে তোলাবাজি সবটাই চলত। সেই সব অনিয়মের সবটাই জানতেন সন্দীপ এবং তাঁর শাগরেদরা।

    আমাদের কথা শুনলে ভালো, না হলে বদলি করে দেওয়া হবে, কর্মীদের হুমকি দিতেন সন্দীপ

    মনোজের আরও অভিযোগ করেন, ফরেন্সিক বিভাগে থাকাকালীন তাঁর উপর নানা রকম ভাবে চাপ তৈরি করতেন তৎকালীন অধ্যক্ষ সন্দীপ। মনোজের কথায়, ‘‘এক দিন আমাকে ডেকে পাঠিয়ে মর্গেরই অন্য এক কর্মচারীর নামে লিখিত অভিযোগ দায়ের করতে বলেন সন্দীপ। আমি বলেছিলাম, বিনা কারণে কেন ওঁর নামে লিখিত অভিযোগ করতে যাব! সরাসরি না বলে দিয়েছিলাম। তখন উনি বলেছিলেন, আমাদের কথা শুনলে ভালো, না হলে বদলি করে দেওয়া হবে (RG Kar)। চাকরিও যেতে পারে। আমি কিছু জবাব না দিয়েই বেরিয়ে যাই। পরে ইউনিয়নের এক সদস্যকে দিয়ে আমাকে বলানো হয়, পার্টি ফান্ডের জন্য মাসে মাসে ১০ হাজার টাকা করে ডোনেশন দিতে হবে।’’

    অ্যানাটমি বিভাগের ওয়ার্ড-মাস্টার (RG Kar) অফিসে বদলি করে দেওয়া হয় মনোজকে

    মনোজের দাবি, তিনি এই কথায় পাত্তা দেননি। তবে  এর কিছু দিন পরেই তাঁর কাছে বদলির নির্দেশ আসে। ফরেন্সিক বিভাগ থেকে তাঁকে অ্যানাটমি বিভাগের ওয়ার্ড-মাস্টার (RG Kar) অফিসে বদলি করে দেওয়া হয়। মনোজের দাবি, বদলির নির্দেশ সম্পূর্ণ ভাবেই মৌখিক ছিল। তিনি এখনও কোনও লিখিত নির্দেশ পাননি। মনোজের কথায়, ‘‘মর্গে থাকাকালীন কোনও ভুল কাজ করিনি। কোনও দু’নম্বরি করিনি। সাধারণ মানুষ থেকে পুলিশ, সকলকেই সাধ্যমতো সাহায্য করার চেষ্টা করতাম। আমায় নিয়ে কারও কোনও অভিযোগ ছিল না। অথচ ওঁদের কথা শুনিনি বলে বদলি করে দেওয়া হয়েছিল।’’ মনোজের অভিযোগ, ‘‘বেআইনি ভাবে টাকা লেনদেন (RG Kar) চলত মর্গে। ময়নাতদন্তের রিপোর্টের নামে টাকা তোলা হত। মৃতের বাড়ির লোককে ডেকে দেহ সেলাই করতে টাকা চাওয়া, টাকা নিয়ে নির্ধারিত সময়ের আগে দেহ ছেড়ে দেওয়া, আরও নানা কিছুই চলত মর্গে। মদ খাওয়ার জন্যেও টাকা চাইতেন কেউ কেউ।’’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • CBI: আরজি করের টেন্ডারের চিঠিও টালা থানার ওসিকে দিয়েছিলেন সন্দীপ, আর কী পেল সিবিআই?

    CBI: আরজি করের টেন্ডারের চিঠিও টালা থানার ওসিকে দিয়েছিলেন সন্দীপ, আর কী পেল সিবিআই?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আরজি কর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের অধ্যক্ষ থাকাকালীন ‘বেতাজ বাদশা’ হয়ে উঠেছিলেন সন্দীপ ঘোষ। হাসপাতালে অনুগামীদের নিয়ে আর্থিক দুর্নীতি করার অভিযোগ রয়েছে তাঁর বিরুদ্ধে। দুর্নীতি মামলায় সিবিআই-এর (CBI) সিজার লিস্টে সন্দীপ ঘোষকে (Sandip Ghosh) নিয়ে একের পর এক চাঞ্চল্যকর তথ্য উঠে এসেছে। যা দেখে হতবাক হয়ে যান সিবিআই কর্তারা।

    সন্দীপের বাড়িতে মিলল চাঞ্চল্যকর তথ্য

    সিবিআই (CBI) সূত্রে জানা গিয়েছে, সন্দীপ ঘোষের বাড়ি থেকে পাওয়া গিয়েছে ২৮৮ পাতার আরটিআই-এর কপি ও অভিযোগপত্র। পাওয়া গিয়েছে ৭৩০ পাতার টেন্ডার সংক্রান্ত নথিও। সন্দীপ ঘোষের বাড়ি থেকে মিলেছে অভ্যন্তরীণ কমিটির ৫১০ পাতার গোপন রিপোর্ট। যে সব নথি সন্দীপ ঘোষের অফিসে থাকার কথা সেগুলি তাঁর বাড়িতে কেন ছিল? সেই প্রশ্নের উত্তর খুঁজছে সিবিআই। সন্দীপ ঘোষ (Sandip Ghosh) সরকারি ই-টেন্ডারের সংক্রান্ত একটি চিঠি পাঠিয়েছিলেন টালা থানার প্রাক্তন ওসি অভিজিৎ মণ্ডলকে। ই-টেন্ডারের চিঠি কেন টালা থানার ওসি-কে দেওয়া হয়েছিল জানার চেষ্টা করছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা।

    ষড়যন্ত্রে যোগসাজশ সন্দীপ-অভিজিতের

    ইতিমধ্যেই আরজি কর মেডিক্যালে চিকিৎসককে ধর্ষণ-খুনের ঘটনায় সন্দীপ ঘোষ ও টালা থানার প্রাক্তন ওসি অভিজিৎ মণ্ডলের মধ্যে যোগসাজশ ও বৃহত্তর ষড়যন্ত্রের দাবি করেছে সিবিআই। রিমান্ড লেটারে কেন্দ্রীয় এজেন্সির (CBI) দাবি, ৯ অগাস্ট দুপুরে আর জি কর মেডিক্যালের সুপারকে দিয়ে সন্দীপ ঘোষ (Sandip Ghosh) টালা থানায় যে অভিযোগ করিয়েছিলেন, তাতে সঠিক তথ্য ছিল না। এমনকী, জেনে বুঝে আত্মহত্যার তত্ত্ব ভাসিয়ে দেওয়া হয়েছিল। সিবিআই আরও দাবি করেছে, গোটা ঘটনাটাকে গুরুত্বহীন করে দেখাতে চাওয়ার জন্যই তথ্যপ্রমাণ নষ্ট করা হয়েছে। নির্যাতিতার পরিবারের সঙ্গে দেখা করেননি তৎকালীন অধ্যক্ষ। এমন ঘটনার পর হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের যা করণীয়, তাতেও গাফিলতি দেখিয়েছেন সন্দীপ। ৯ অগাস্ট সকাল ১০টা ৩ মিনিটে টালা থানার ওসি-কে ফোন করলেও সন্দীপ নিজেই এক ঘণ্টা দেরিতে হাসপাতালে যান। রিমান্ড লেটারে দাবি করেছে সিবিআই।

    আরও পড়ুন: তিরুপতির প্রসাদ লাড্ডুতে পশু চর্বি! হিন্দু ভাবাবেগে আঘাত, সুপ্রিম কোর্টে জনস্বার্থ মামলা

    ওসির ওপর প্রভাবশালীর চাপ!

    জানা গিয়েছে, টালা থানার প্রাক্তন ওসি অভিজিতের ওপরে প্রভাবশালীর চাপ ছিল। এক সিবিআই (CBI) আধিকারিক বলেন, ‘খুন হওয়া তরুণী চিকিৎসক পড়ুয়ার ময়নাতদন্ত করানোয় স্থানীয় ওসি বা তদন্তকারী অফিসারের ওপরে প্রভাবশালীর চাপ ছিল বলে সন্দেহ বাড়ছে। এমনকী দ্বিতীয়বার ময়না তদন্তের সব সম্ভাবনা নির্মূল করে রাতেই মৃতদেহের শেষকৃত্য সম্পন্ন করার জন্যেও ওসি-র ওপরেও প্রভাবশালীরা কলকাঠি নাড়ছিলেন বলে প্রাথমিকভাবে ইঙ্গিত মিলেছে।’ তদন্তকারীরা জানাচ্ছেন, তরুণী চিকিৎসকের মৃতদেহ যাতে দ্বিতীয়বার কোনও মতে ময়নাতদন্ত না করা যায়, তার জন্যেই অভিজিৎবাবু অতিসক্রিয়তা দেখিয়েছিলেন বলে সূত্র মিলেছে।

    ওসি-র মাথার ওপর কে কলকাঠি নেড়েছে?

    এক সিবিআই আধিকারিক বলেন, ‘অনায়াসে রাতে মৃতদেহ সংরক্ষণ করা যেত। কিন্তু পুলিশ রাতেই দাহ কাজ সারতে মরিয়া হয়ে ওঠে। তদন্তকারীদের এমন ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তোলার জোরালো কারণ রয়েছে।’ সিবিআইয়ের (CBI) দাবি, দেহ ময়নাতদন্ত করা বা না-করা নিয়ে সব সিদ্ধান্ত একা ওসি-র পক্ষে নেওয়া সম্ভব ছিল না। সেদিন মৃতার মা, বাবা তো দ্বিতীয় বার ময়নাতদন্তের অনুরোধও করেছিলেন। এই আবহে ধৃত অভিজিতের ফোনের কিছু নথি থেকে বেশ কিছু সূত্র মিলেছে বলে দাবি করা হচ্ছে। এই আবহে টালা থানার অতিরিক্ত ওসির সঙ্গে ইতিমধ্যে কথাও বলেছে সিবিআই।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • RG Kar: ‘‘ওষুধের মান খুব খারাপ’’, সন্দীপকে বলেন নির্যাতিতা, উল্টে পান পাশ না করানোর হুমকি!

    RG Kar: ‘‘ওষুধের মান খুব খারাপ’’, সন্দীপকে বলেন নির্যাতিতা, উল্টে পান পাশ না করানোর হুমকি!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মৃতদেহের অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ খুলে বিক্রি করা থেকে মর্গে পর্নোগ্রাফি! সন্দীপ (Sandeep Ghosh) জমানায় আরজি কর হয়ে উঠেছিল এক অন্য জগৎ। এই সূত্র ধরেই এবার সামনে এসেছে ওষুধ-দুর্নীতি। আনন্দবাজার পত্রিকায় প্রকাশিত খবর অনুযায়ী, আরজি করের (RG Kar) নির্যাতিতা হাসপাতালের ওষুধের মান নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিলেন! জানা গিয়েছে, তাঁর (নির্যাতিতার) সহকর্মীরা বার বার সাবধান করার পরেও তিনি কোনওভাবে মুখ বন্ধ করেননি। রোগীদের এমন নিম্ন মানের পরিষেবা কেন দেওয়া হচ্ছে? কেন ওষুধের মান এত খারাপ? এমন বিষয়গুলিতে প্রকাশ্যেই বারবার সরব হতেন তিনি। কোনও কোনও মহলের প্রশ্ন, ‘‘এর ফলেই কি টার্গেট হতে হয় নির্যাতিতাকে?’’ শুধু তাই নয়, আনন্দবাজার প্রত্রিকায় প্রকাশিত খবর অনুযায়ী,  দুই সহকর্মীকে সঙ্গে নিয়ে অধ্যক্ষ সন্দীপ ঘোষের ঘরেও গিয়েছিলেন ওই নির্যাতিতা। সেখানে গিয়ে বলে এসেছিলেন, ওষুধের মান এবং কার্যকারিতা তলানিতে। এর বিহিত হওয়া প্রয়োজন। নির্যাতিতার সহকর্মীদের অভিযোগ, সন্দীপ পাল্টা বলেছিলেন, ‘‘এত বেশি কথা বললে  (নির্যাতিতার) আর পাশ করা হয়ে উঠবে না।’’

    ওষুধের মান খারাপ নিয়ে অভিযোগ জমা পড়ত সন্দীপের টেবিলে (RG Kar) 

    আনন্দবাজার প্রত্রিকার প্রতিবেদন অনুযায়ী, নির্যাতিতাকে এমন হুমকির সুরে যখন কথাগুলি বলছিলেন সন্দীপ (Sandeep Ghosh), এই কথোপকথনের সময়ে হাসপাতালের আরও দুই কর্তা সেখানে হাজির ছিলেন। তাঁদেরই মধ্যে একজন আনন্দবাজার পত্রিকাকে বলেছেন, ‘‘গত কয়েক মাসে ওষুধের মান নিয়ে বিভিন্ন বিভাগ থেকে ডাক্তার-নার্সরা অহরহ অভিযোগ তুলেছেন। ওষুধের বিরূপ প্রতিক্রিয়ায় মৃত্যু, ওষুধের কার্যকারিতা না-থাকায় রোগীর অবস্থা উত্তরোত্তর খারাপ হওয়া— এমন বেশ কিছু অভিযোগ অধ্যক্ষের টেবিলে জমা পড়েছিল। কিন্তু কোনওটি নিয়েই নাড়াচাড়া হয়েছে বলে শোনা যায়নি।’’

    ওষুধের মান নিয়ে মুখ খুললে প্রাণে মারার হুমকি 

    হাসপাতালের অন্দরের (RG Kar) খবর, জেনারেল সার্জারি এবং প্লাস্টিক সার্জারির বেশ কয়েকজন চিকিৎসক দিন কয়েক আগেই রোগী মৃত্যু নিয়ে সরব হন। নানা গাফিলতির অভিযোগ ওঠে। কিন্তু বিষয়টি বেশি দূর এগোয়নি। প্রতিবাদী এক শল্যচিকিৎসকের কথায়, ‘‘প্রাণে বাঁচতে হবে তো! ওষুধ নিয়ে বেশি মুখ খুললে প্রাণে মেরে দেওয়া হবে, এমন হুমকি দিয়ে ফোন পর্যন্ত এসেছে।’’ ওষুধ নিয়ে বেশি মুখ খুললে প্রাণে মেরে দেওয়া হবে, এর সঙ্গে নির্যাতিতার মৃত্য়ুর কোনও যোগসূত্র নেই তো? এমন প্রশ্ন তুলছেন কেউ কেউ।

    হাসপাতালের এক শল্যচিকিৎসক বলেন, ‘‘অস্ত্রোপচারের পরে যে অ্যান্টিবায়োটিক দেওয়া হয়, বহু ক্ষেত্রেই তা কাজ করছে না। সর্বোচ্চ মাত্রাও বিফলে যাচ্ছে, সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণ করা যাচ্ছে না। এমনকি, ক্ষতস্থান পরিষ্কার করার যে তরল, অনেক সময়েই দেখেছি সেটা স্রেফ রঙিন জল, তার ব্যবহারে ওই জায়গাটি জীবাণুমুক্ত হওয়ার পরিবর্তে আরও বেশি করে সংক্রমণের ঝুঁকি বাড়িয়ে তুলছে। অস্ত্রোপচার সফল হওয়ার পরেও কিছু রোগীকে হারিয়েছি আমরা। ডাক্তার হিসেবে নিজেদের প্রতি ধিক্কার জন্মাচ্ছে।’’

    অস্তিত্ব নেই ফার্মাকো-ভিজিল্যান্স কমিটির

    আনন্দবাজার প্রত্রিকার প্রতিবেদন অনুযায়ী, সার্জারি বিভাগ ছাড়াও একাধিক অভিযোগ এসেছে শিশু রোগ বিভাগ থেকেও। ওষুধ কাজ করছে না কোনওভাবে, সুস্থ হয়ে উঠতে থাকা শিশুরাও মারা যাচ্ছে — এমন অভিযোগ নিয়ে বারবার সরব হন ডাক্তাররা। জানানো হয় স্বাস্থ্য ভবনেও। কিন্তু এতে কোনও কাজ হয়নি। অনেকেই বলছেন, ‘‘স্বাস্থ্য ভবনের নির্দেশেই যে খারাপ মানের ওষুধ দেওয়া হত না, তা কে বলতে পারে?’’ অ্যান্টিবায়োটিক, লিভারের ওষুধ, স্নায়ুর ওষুধ, প্যারাসিটামল ইত্যাদি ক্ষেত্রে সব থেকে বেশি অনিয়ম ধরা পড়েছে।

    জাতীয় স্বাস্থ্য কমিশনের নির্দেশিকা অনুযায়ী, প্রত্যেক মেডিক্যাল কলেজে ফার্মাকো-ভিজিল্যান্স কমিটি থাকার কথা। এই কমিটির কাজ ওষুধের বিরূপ প্রতিক্রিয়া ঘটছে কি না, সেই বিষয়ে নজরদারি করা। কোনও মৃত্যুর পিছনে ওষুধের বিরূপ প্রভাব আছে কি-না তা খতিয়ে দেখা। কিন্তু অভিযোগের পাহাড় জমা হওয়ার পরেও, কোনও হাসপাতালেই এই কমিটির অস্তিত্ব টের পাওয়া গিয়েছে বলে শোনা যায়নি।

    খেসারত দিচ্ছেন গরিব মানুষরা

    সবচেয়ে কম দামে যারা ওষুধ (RG Kar) দিতে পারবে, তাদেরই (সংস্থা) বেছে নেওয়া হয় টেন্ডারের মাধ্যমে। স্বাস্থ্য কর্তাদের মতে, ‘‘কোথাও বলা হয়নি ওষুধের মানের সঙ্গে আপস করে কম খরচে কিনতে হবে। মান যদি সন্তুষ্ট করতে না পারে, তা হলে অন্য সংস্থাকে (তারা সর্বনিম্ন দর না দিলেও) বেছে নেওয়া যায়। শর্ত একটাই, কেন সর্বনিম্ন দরের সংস্থাকে বাছা হল না, অন্যটিকে বাছা হল, তা কমিটিকে বুঝিয়ে বলতে হবে। বাস্তবে এই পদ্ধতি মানা হয়ই না বলে দাবি স্বাস্থ্য দফতরের এক প্রাক্তন কর্তার। তাঁর মতে, ‘‘ভুতুড়ে সংস্থা গজিয়ে ওঠে অনেক সময়েই। এমন সব সংস্থা, যাদের নামই কখনও শোনা যায়নি। এমনও দেখা গিয়েছে যে, শুধুমাত্র স্বাস্থ্য দফতরে ওষুধ সরবরাহ করবে বলেই একাধিক সংস্থার জন্ম হয়েছে। এমনও ঘটেছে, টেন্ডারে ন্যূনতম তিনটি সংস্থাকে অংশ নিতে হবে এমন নিয়ম থাকায় দু’টি ‘ভুতুড়ে’ সংস্থা অংশ নিয়েছে, যাতে তৃতীয় সংস্থাটি অনায়াসে বরাত পেয়ে যায়। এগুলো নিয়ে অনেক বিতর্ক হয়েছে। কিন্তু পরিস্থিতি বদলায়নি।’’ কোটি কোটি টাকার দুর্নীতি, সিন্ডিকেট, সন্দীপ ঘোষদের দাদাগিরির খেসারত দিতে হচ্ছে গরিব মানুষদের।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • RG Kar: ২৭ সেপ্টেম্বরের মধ্যে কোনও ঘটনা ঘটলে, ফের কর্মবিরতির হুঁশিয়ারি জুনিয়র ডাক্তারদের

    RG Kar: ২৭ সেপ্টেম্বরের মধ্যে কোনও ঘটনা ঘটলে, ফের কর্মবিরতির হুঁশিয়ারি জুনিয়র ডাক্তারদের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আজ, শনিবার থেকে কাজে ফিরছেন জুনিয়র ডাক্তাররা। আন্দোলনকারীদের পূর্বঘোষণা অনুযায়ী, জরুরি পরিষেবায় ফিরছেন তাঁরা। আউটডোর-কোল্ড ওটি’র কাজে নয়। জুনিয়র চিকিৎসকদের (Junior Doctors) কর্মবিরতি উঠলেও, কর্মস্থলে নিরাপত্তা সুনিশ্চিত সহ থ্রেট কালচার শেষ না হলে, আবারও আন্দোলনে যাওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তাঁরা (RG Kar)। শুক্রবারই রাজ্যের বন্যা দুর্গতদের কাছে পৌঁছে যান আরজি করে চিকিৎসক পড়ুয়ারা। পাঁশকুড়া যায় ১০ জন চিকিৎসকের টিম। বন্যা দুর্গতদের ত্রাণ বিলি করেন তাঁরা। সেখানেই তাঁদের বলতে শোনা যায়, ‘‘২৭ সেপ্টেম্বরের মধ্যে আবার যদি কোনও ঘটনার পুনরাবৃত্তি হয়, বাংলার কোনও হাসপাতালে তাহলে আবার কর্মবিরতিতে ফিরে যাব আমরা।’’

    জরুরি পরিষেবাতে যোগ দিচ্ছেন চিকিৎসক পড়ুয়ারা, আউটডোরে নয় (RG Kar)

    জুনিয়র চিকিৎসকরা (Junior Doctors) স্পষ্ট করে দেন, ‘‘আউটডোর এখন জয়েন করছি না। জরুরি পরিষেবাতে যোগ দিচ্ছি। আমরা যোগদান না করলেও পরিষেবা চলছে।’’ আরও একটি বিষয় উল্লেখ করেন তাঁরা। সম্প্রতি সামাজিক মাধ্যমের কিছু পোস্ট দেখা গিয়েছে। যেখানে বলা হয়েছে, আন্দোলনকারীরা বন্যা দুর্গতদের একমাসের বেতন দান করেছেন। এমন পোস্ট পুরোপুরিই মিথ্যা বলে স্পষ্ট করে দিয়েছেন আন্দোলনকারী চিকিৎসকরা। প্রসঙ্গত, শনিবার থেকেই রাজ্যের হাসপাতালগুলিতে জরুরি পরিষেবা চালু হচ্ছে। এ প্রসঙ্গে চিকিৎসক পড়ুয়া লহরী সরকার বলেন, ‘‘আমরা জরুরি পরিষেবা চালু করছি। ভয় না-পেয়ে আপনারা আসুন। আমরা পরিষেবা দেব। তবে বহির্বিভাগের ক্ষেত্রে আমাদের সিনিয়র চিকিৎসকেরা রয়েছেন।’’ উল্লেখ্য, আরজি কর (RG Kar) হাসপাতালের জরুরি বিভাগে গত ১৪ অগাস্ট রাতে হামলা চালায় দুষ্কৃতীরা। এর ফলে হাসপাতালের জুনিয়র চিকিৎসকদের বর্তমানে ‘ট্রমা কেয়ার’ বিভাগে কাজ করতে হবে। এই প্রসঙ্গে জুনিয়র চিকিৎসক লহরী বলেন, ‘‘সমস্যা অবশ্যই হবে। সেই কারণে রাজ্য সরকারের কাছে পরিকাঠামোগত পরিবর্তনের দাবি জানানো হয়েছে।’’

    সুপ্রিম কোর্টের পরবর্তী শুনানির আগে দাবি পূরণ করতে হবে রাজ্য সরকারকে!

    সাধারণ মানুষের স্বার্থেই জরুরি পরিষেবা চালু করছেন তাঁরা, এমনটা সাফ জানিয়েছেন জুনিয়র ডাক্তাররা। তবে তাতেও রয়েছে শর্ত। জুনিয়র চিকিৎসক লহরী সরকার বলেন, ‘‘আমরা বেশ কিছু দাবি নিয়ে আন্দোলনে নেমেছিলাম। স্বাস্থ্য ভবন (RG Kar) সাফাই অভিযানের ডাক দিয়েছিলাম। রাজ্য সরকারের তরফে আমাদের বেশ কিছু দাবি মেনে নেওয়া হয়েছে। তবে এখনও কিছু দাবি রয়েছে। সুপ্রিম কোর্টের পরবর্তী শুনানির আগে সেই দাবিগুলি পূরণ করতে হবে রাজ্য সরকারকে। আর তা না-হলে ফের কর্মবিরতি চালু হবে।’’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • CBI: সন্দীপের নার্কো অ্যানালিসিস এবং টালা থানার প্রাক্তন ওসির পলিগ্রাফ টেস্ট করাতে চায় সিবিআই

    CBI: সন্দীপের নার্কো অ্যানালিসিস এবং টালা থানার প্রাক্তন ওসির পলিগ্রাফ টেস্ট করাতে চায় সিবিআই

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আরজি কর মেডিক্যালে তরুণী চিকিৎসককে খুন ও ধর্ষণের ঘটনায় গ্রেফতার হওয়া হাসপাতালের প্রাক্তন অধ্যক্ষ সন্দীপ ঘোষের আরও চাপ বাড়ল। এমনিতে তাঁকে হেফাজতে নিয়ে সিবিআই বার বার জেরা করেছে। এবার আরও বড় পদক্ষেপ নিতে চলেছে সিবিআই। একই সঙ্গে টালা থানার ওসি অভিজিৎ মণ্ডলের পলিগ্রাফ টেস্ট করতে আদালতে আবদেন করেছে সিবিআই (CBI)।

    সন্দীপের নার্কো অ্যানালিসিস টেস্ট (CBI)

    জানা গিয়েছে, সন্দীপ ঘোষের নার্কো অ্যানালিসিস টেস্ট করানোর জন্য আবেদন করেছে সিবিআই। শিয়ালদা আদালতে পেশ করা আবেদনে সিবিআই (CBI) জানিয়েছে, আরজি করে তরুণী চিকিৎসকের মৃত্যুর ঘটনার ষড়যন্ত্রে সন্দীপ ঘোষ যুক্ত থাকতে পারেন। এই আশঙ্কায় তাঁর পলিগ্রাফ পরীক্ষা করা হয়েছিল। সেই পরীক্ষায় তদন্তকারীদের করা কয়েকটি প্রশ্নে সন্দীপ ঘোষ বিভ্রান্তিকর উত্তর দিয়েছেন। সেই প্রশ্নগুলির সঠিক জবাব পাওয়া দরকার। সেজন্য সন্দীপ ঘোষকে গুজরাতে নিয়ে গিয়ে নারকো অ্যানালিসিস পরীক্ষা করাতে চায় সিবিআই। সন্দীপ ঘোষ (Sandip Ghosh) নারকো অ্যানালিসিস পরীক্ষার মুখোমুখি হতে রাজি হবেন কি না, তা নিয়ে চর্চা শুরু হয়েছে। উল্লেখ্য, রাজ্য জুড়ে হওয়া লাগাতার আন্দোলনের জেরে চাপের মুখে বৃহস্পতিবার সন্দীপ ঘোষের রেজিস্ট্রেশন বাতিল করেছে রাজ্য মেডিক্যাল কাউন্সিল।

    আরও পড়ুন: নিয়োগ থেকে টেন্ডার, স্বাস্থ্য দফতরে পাহাড়প্রমাণ দুর্নীতি! নথি হাতে নিয়ে সরব শুভেন্দু

    টালা থানার প্রাক্তন ওসির পলিগ্রাফ টেস্ট

    নির্যাতিতাকে ধর্ষণ করে খুনের মামলায় টালা থানার প্রাক্তন ওসি অভিজিৎ মণ্ডলকে গ্রেফতার করেছে সিবিআই (CBI)। এবার তাঁর পলিগ্রাফ টেস্ট করাতে চায় কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। অন্যদিকে, সন্দীপ ঘোষ ও অভিজিৎ মণ্ডলকে আরও ৫ দিনের জন্য হেফাজতে চেয়ে আবেদনও জানায় তারা। এর আগে সন্দীপ ঘোষ-সহ ৬ জনের পলিগ্রাফ টেস্ট হয়েছে। মূলত কোনও ব্যক্তি কোনও নির্দিষ্ট বিষয়ে সত্যি বলছেন কি না, তা জানতেই এই বিশেষ পরীক্ষা করা হয়। এটা মূলত লাই ডিটেক্টর। কোনও প্রশ্নের নিরিখে ওই ব্যক্তির রক্তচাপ, শরীরের প্রতিক্রিয়া বুঝিয়ে দেয় তিনি মুখে যে কথা বলছেন, সেটাই সত্যি কি না। সূত্রের খবর, টালা থানার প্রাক্তন ওসিকে জেরা করে এখনও বেশি কিছু বিষয়ে ধোঁয়াশা রয়েছে। তাই পলিগ্রাফ পরীক্ষার প্রয়োজন আছে বলে মনে করছেন তদন্তকারীরা। টালা থানার সিসিটিভি ফুটেজ ইতিমধ্যেই হাতে পেয়েছে সিবিআই। সূত্রের খবর, সিএফএসএলে যে সমস্ত ফুটেজ পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়েছে, আগামী ১-২ দিনের মধ্যে তার রিপোর্ট আসবে। পাশাপশি আরজি করের সিসিটিভি ফুটেজের পরীক্ষা শেষ। যে সব সন্দেহভাজনদের দেখা গিয়েছে, সেই বিষয় নিয়ে আরও জিজ্ঞেসাবাদের প্রয়োজন অভিযুক্তদের। সুপ্রিম কোর্টের পর এবার শিয়ালদা আদালতেও স্টেটাস রিপোর্ট জমা দিল সিবিআই। সুপ্রিম কোর্টে দাখিল করা দ্বিতীয় স্টেটাস রিপোর্টের কপি জমা দেওয়া হল এজেন্সির তরফে। মুখবন্ধ খামে রিপোর্ট জমা দেওয়া হয়।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Supreme Court: উড়ে গেল আরজি কর মামলার ভিডিও, সুপ্রিম কোর্টের ইউটিউব চ্যানেল হ্যাক্‌ড!

    Supreme Court: উড়ে গেল আরজি কর মামলার ভিডিও, সুপ্রিম কোর্টের ইউটিউব চ্যানেল হ্যাক্‌ড!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সুপ্রিম কোর্টের (Supreme Court) ইউটিউব চ্যানেল হ্যাক্‌ড! শুক্রবার সকাল থেকেই সুপ্রিম কোর্টের ইউটিউব চ্যানেলে সমস্যা দেখা দেয়। শুধু তাই নয়, শীর্ষ আদালতের ইউটিউব চ্যানেল থেকে ‘উধাও’ হয়ে গিয়েছে আরজি কর (RG Kar) মামলার শুনানির ভিডিও পর্যন্ত। এনিয়ে রীতিমতো চাঞ্চল্য পড়ে গিয়েছে। এই ঘটনাকে স্বাভাবিক বলে মানতে নারাজ অনেকেই।

    ঘটনা পরিকল্পিত হতে পারে বলে অনেকেই মনে করছেন 

    কেউ কেউ বলছেন, ‘‘এটা ছোটখোটো ঘটনা নয়, হতে পারে পরিকল্পিত। কারণ আরজি কর কাণ্ডের (RG Kar) আবহেই এমন ঘটনা ঘটল। শুধু তাই নয়, আরজি করের শুনানির (Supreme Court) ভিডিও পর্যন্ত উধাও হয়ে গেল।’’ প্রসঙ্গত, সুপ্রিম কোর্টে আরজি করের শেষ শুনানির দিন লাইভ স্ট্রিমিং নিয়ে রাজ্য আগেই আপত্তি জানানো হয়েছিল রাজ্যের তরফে। কিন্তু সেই আবেদন খারিজ করে দেন প্রধান বিচারপতি। প্রধান বিচারপতি পশ্চিমবঙ্গ সরকারের আইনজীবীকে সেই সময় বলেন, ‘‘আমরা শুনানির সরাসরি সম্প্রচার বন্ধ করতে বলতে পারব না। এটি জনস্বার্থ মামলা। ‘ওপেন কোর্ট’-এ শুনানি হচ্ছে। আপনাদের বিষয়টি আমরা দেখব।’’ এই আবহে ভিডিও গায়েব হয়ে গেল আরজি করে শুনানির।

    খতিয়ে দেখা হচ্ছে কোন চক্র এর সঙ্গে জড়িত (Supreme Court)

    দেশের সর্বোচ্চ আদালতের (Supreme Court) বিচার প্রক্রিয়া যেখানে লাইভ স্ট্রিমিং হয়, সেই চ্যানেলই হ্যাক হওয়ায়, তা নিরাপত্তায় বড়সড় ত্রুটি হিসাবেই দেখা হচ্ছে। খতিয়ে দেখা হচ্ছে কোন চক্র এর সঙ্গে জড়িত। জানা গিয়েছে, শুক্রবার সকালেই সুপ্রিম কোর্টের ইউটিউব চ্যানেল হ্যাক হয়ে গিয়েছে। শীর্ষ আদালতের বিচার প্রক্রিয়ার লাইভ স্ট্রিমিংয়ের বদলে উল্টো-পাল্টা নানা ভিডিও সেখানে দেখা যাচ্ছে। কখনও ক্রিপ্টো কারেন্সি সংক্রান্ত ভিডিও দেখা যাচ্ছে। কেউ আবার সার্চ করেও সুপ্রিম কোর্টের চ্যানেলটিই খুঁজে পাচ্ছেন না। শীর্ষ আদালতের ইউটিউব চ্যানেলের লিঙ্ক আপাপতত নিষ্ক্রিয় করে দেওয়া হয়েছে। জানা গিয়েছে, সুপ্রিম কোর্টে আরজি কর মামলার শুনানির যে ভিডিও রেকর্ডিং ছিল, তা হ্যাকাররা প্রাইভেট করে দিয়েছে। ওই সংক্রান্ত ভিডিও সার্চ করলেই, তার বদলে আসছে ‘Brad Garlinghouse: Ripple Responds To The SEC’s $2 Billion Fine! XRP PRICE PREDICTION’ নামক ক্রিপ্টোকারেন্সি সংক্রান্ত একটি লাইভ ভিডিও। এখানেই বাড়ছে সন্দেহ…।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • RG Kar Protest: মেডিক্যাল কলেজে কায়েম ‘থ্রেট কালচার’, জানুন এই সংস্কৃতি সম্পর্কে

    RG Kar Protest: মেডিক্যাল কলেজে কায়েম ‘থ্রেট কালচার’, জানুন এই সংস্কৃতি সম্পর্কে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আরজি করকাণ্ডের প্রতিবাদে (RG Kar Protest) পাঁচ দফা দাবিতে আন্দোলনে নেমেছিলেন জুনিয়র ডাক্তাররা। তার মধ্যে একটা দাবি একটু অন্য রকম। সেটা হল ‘থ্রেট কালচার’ (Threat Culture) শেষ করতে হবে। বন্ধ করতে হবে ‘দাদাগিরি’। আন্দোলনকারীদের এই দাবি থেকেই স্পষ্ট, রাজ্যের হাসপাতালগুলিতে দিব্যি চলছে ‘থ্রেট কালচার’, ‘দাদাগিরি’।

    ‘থ্রেট কালচার’ (RG Kar Protest)

    এই কালচারের সঙ্গে যারা জড়িত, তাদের সকলরেই মাথায় রয়েছে শাসক দলের ছাতা। যে কারণে শিলিগুড়ি থেকে কলকাতা, মেদিনীপুর সর্বত্রই চলছে তৃণমূলের চিকিৎসক সংগঠনের ছত্রছায়ায় থাকা কোনও কোনও ‘দাদা’র দাদাগিরি। এই ‘দাদা’রা আবার নাড়া বেঁধে রেখেছেন তৃণমূলের ওপরতলার কোনও চিকিৎসক নেতার কাছে। তার জেরে রাজ্যের মেডিক্যাল কলেজগুলিতে কায়েম রয়েছে ‘থ্রেট কালচার’।

    তৃণমূল জমানায় জন্ম

    এবং এই সংস্কৃতি শুরু হয়েছে তৃণমূল জমানায়। ডাক্তারি পড়ুয়াদের একটা বড় অংশের দাবি, ২০২০-২১ সাল থেকে মেডিক্যাল কলেজগুলিতে মাথা তুলতে শুরু করে থ্রেট কালচার। আনুগত্য লাভের ইচ্ছে, জুনিয়রদের কাছে সমীহ আদায় করা এবং নিজেকে কেউকেটা বলে জাহির করার উদ্দেশ্যেই এই সংস্কৃতির জন্ম। কৌশলে শাসকদলের সংগঠন বাড়ানো এবং তোলাবাজিও এই দাদারা করত বলে অভিযোগ। কখনও হুমকি (RG Kar Protest) দিয়ে তোলা আদায়, কখনও আবার অন্য কোনও কৌশলে টাকা আদায় করে এই স্বঘোষিত ‘দাদা’রা।

    আরও পড়ুন: উঠল ধর্না, শুক্রবার মিছিল, শনি থেকে জরুরি পরিষেবায় জুনিয়র ডাক্তাররা

    জুনিয়র ডাক্তারদের অভিযোগ, দাদারা যাঁদের আনুগত্য আদায় করতে পারত না, তাঁদের প্র্যাক্টিক্যাল পরীক্ষায় ফেল করিয়ে দেওয়া হত। ফল রিভিউ করার সুযোগও নেই। ইন্টার্নশিপ করার সময় বিভিন্নভাবে সমস্যার সৃষ্টি করা হত। ইন্টার্নশিপের শংসাপত্র দেওয়া হত না। যে সিনিয়র ডাক্তারের অধীনে ওই জুনিয়র ডাক্তার ইন্টার্নশিপ করতেন, তাঁকেও হুমকি দেওয়া হত। আর যাঁরা দাদার আনুগত্য লাভ করতেন, ডিগ্রি পাওয়ার ব্যাপারে নিশ্চিন্ত থাকতেন তাঁরা। ফলে পড়াশোনা করার চেয়ে তাঁরা বেশি ব্যস্ত থাকেন দাদাদের চামচামি করতেই।

    চিকিৎসক দ্বৈপায়ন মজুমদার বলেন, “মেডিক্যাল কলেজগুলিতে দীর্ঘদিন নির্বাচন না হওয়াটা থ্রেট কালচার জাঁকিয়ে বসার কারণ। নির্বাচন না হওয়ায় কারও দায়িত্ব নেই। অথচ সকলে দায়িত্বহীন ক্ষমতা ভোগ করতে চাইতেন (Threat Culture)। তাই হুমকি দিয়ে কর্তৃত্ব ফলানোর চেষ্টা করা হত (RG Kar Protest)।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share