Tag: Russia

Russia

  • Dirty Bomb: ‘ডার্টি বম্ব’ প্রসঙ্গে ভারতের সঙ্গে কথা রাশিয়ার, গণতান্ত্রিক উপায়ে সমাধানের পরামর্শ রাজনাথের

    Dirty Bomb: ‘ডার্টি বম্ব’ প্রসঙ্গে ভারতের সঙ্গে কথা রাশিয়ার, গণতান্ত্রিক উপায়ে সমাধানের পরামর্শ রাজনাথের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ‘ডার্টি বম্ব’ প্রসঙ্গে ভারতের প্রতিরক্ষামন্ত্রীর সঙ্গে কথা বলেছে রাশিয়া। এমনটাই জানাল প্রতিরক্ষা মন্ত্রক। প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিংয়ের (Rajnath Singh) সঙ্গে ফোনে কথা হয়েছে রাশিয়ার (Russia) প্রতিরক্ষামন্ত্রী সের্গেই শোইগুর (Sergey Shoigu)। রাশিয়ার তরফ থেকে আশঙ্কা প্রকাশ করে বলা হয়েছে, যেকোনও মুহূর্তে তেজক্রিয় বোমা ব্যবহার করতে পারে ইউক্রেন। আর সেই আশঙ্কা থেকেই গত রবিবার থেকে রাশিয়ার প্রতিরক্ষামন্ত্রী ন্য়াটো দেশভুক্ত দেশগুলির প্রতিরক্ষামন্ত্রীদের সঙ্গে ফোনে কথা বলা শুরু করেছেন। যদিও ইউক্রেন এবং তার বন্ধু দেশগুলি পারমাণবিক বোমা ব্যবহারের রাশিয়ার এই দাবিকে উড়িয়ে দিয়েছে।

    আরও পড়ুন: প্লাজমার বদলে মুসাম্বির রস, অভিযুক্ত হাসপাতালকে বুলডোজার দিয়ে গুড়িয়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত যোগী সরকারের 

    ভারতের প্রতিরক্ষামন্ত্রকের তরফে বিবৃতি জারি করে বলা হয়েছে, “রাশিয়ার অনুরোধে ২৬ অক্টোবর ভারতের প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাশিয়ার প্রতিরক্ষামন্ত্রীর সঙ্গে টেলিফোনে কথা বলেছেন। দুপক্ষের সামরিক সহযোগিতা নিয়ে কথা হয়েছে। ডার্টি বোম্ব ব্যবহার করতে পারে ইউক্রেন, সেব্যাপারে আশঙ্কা প্রকাশ করেছে রাশিয়া। এনিয়ে ইউক্রেন উস্কানি দিচ্ছে বলে অভিযোগ তুলেছে তারা। তবে ভারতের প্রতিরক্ষামন্ত্রী আলোচনা ও গণতান্ত্রিক পথে এই সমস্যা দ্রুত মেটানোর পরামর্শ দিয়েছেন। তিনি বলেছেন, কেউ যেন পারমানবিক অস্ত্র ব্যবহার করতে না পারে  সেব্যাপারে সতর্ক থাকতে হবে। তেজস্ক্রিয় অস্ত্র ব্যবহৃত হলে মানব সভ্যতার ভয়ঙ্কর ক্ষতি হবে।”   

    বেশ কিছুদিন ধরেই ডার্টি বম্ব প্রসঙ্গ নিয়ে উত্তাল গোটা বিশ্ব। সম্প্রতি আমেরিকা, ব্রিটেন ও ফ্রান্সের প্রতিরক্ষামন্ত্রীদের সঙ্গে ফোনে কথা বলেছিলেন শোইগু। সবার সঙ্গেই ডার্টি বম্ব নিয়েই মূলত আলোচনা হয়েছে। রাশিয়ার দাবি, পুতিনদের পরাস্ত্র করতে এই বিশেষ ধরনের বোমা ছোঁড়ার পরিকল্পনা করছে ইউক্রেন। এই দাবিকে যদিও একেবারে ‘অবাস্তব’ বলে উড়িয়ে দেয় পশ্চিমের তিন দেশ। ইউক্রেনের  বিদেশমন্ত্রী দিমিত্র কুলেবা এ বিষয়ে বলেন, “আসলে ডার্টি বম্ব ফেলার পরিকল্পনা করছে রাশিয়াই। সেই জন্য আগে থেকে সাফাই দেওয়ার চেষ্টা করছে।”   

    কিন্তু তবুও নিজেদের অভিযোগ থেকে সরে আসেনি রাশিয়া। মঙ্গলবারই রাষ্ট্রসংঘের নিরাপত্তা পরিষদেও একই অভিযোগ তোলে রাশিয়া। ডার্টি বম্ব মেরে আক্রমণ করবে ইউক্রেন, এই অভিযোগ এনে ১৫ সদস্যের দৃষ্টি আকর্ষণ করে তারা। সেই সঙ্গে দাবি করা হয়, ইতিমধ্যেই দুই সংস্থাকে ডার্টি বম্ব তৈরির বরাত দিয়েছে ইউক্রেন। যদিও এখন অবধি এই দাবির ষপক্ষে কোনও প্রমাণ দিতে পারেনি পুতিনের দেশ। সেই কারণেই রাশিয়ার এই বক্তব্যকে উড়িয়ে দিয়েছে রাষ্ট্রসংঘের নিরাপত্তা পরিষদ।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Indian Citizens In Ukraine: দ্রুত ইউক্রেন ছেড়ে ভারতে ফিরুন! সতর্কবার্তা ভারতীয় দূতাবাসের

    Indian Citizens In Ukraine: দ্রুত ইউক্রেন ছেড়ে ভারতে ফিরুন! সতর্কবার্তা ভারতীয় দূতাবাসের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাশিয়া-ইউক্রেন ( Russia-Ukraine War) সংঘাত অব্যাহত। দীর্ঘ কয়েক মাস ধরে এই সংঘাত চলছে। নিত্য নতুন উত্তেজনা ছড়াচ্ছে বিভিন্ন এলাকায়। ঘাত-প্রতিঘাত চলছে। শুধু তাই নয়, ক্রমশ জটিল হচ্ছে পরিস্থিতি। নতুন করে ইউক্রেনের উপর আঘাত বাড়িয়েছে মস্কো। এই অবস্থায় সমস্ত ভারতীয় নাগরিকদের সতর্ক করল বিদেশমন্ত্রক। ইউক্রেনে ভারতীয় দূতাবাসের তরফে এক সতর্কবার্তা জারি করা হয়েছে। বলা হয়েছ, যত দ্রুত সম্ভব ইউক্রেন ছেড়ে দেশে ফিরে যাক ভারতের নাগরিকরা। শধু তাই নয়, ইউক্রেন ভ্রমণের উপরেও নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। 

    সোশ্যাল মিডিয়াতে ইউক্রেনে অবস্থিত ভারতীয় দূতাবাসের তরফে বলা হয়েছে,ভারতীয় নাগরিক যাঁরা এই মুহূর্তে ইউক্রেনে রয়েছেন তাঁরা দ্রুত এই দেশ ছাড়ুন। এখানকার  নিরাপত্তা পরিস্থিতি ক্রমশ খারাপ হচ্ছে। উল্লেখ্য, ক্রেমলিনের সঙ্গে রাশিয়ার সংযোগকারী সেতু ইউক্রেনের সেনারা ভেঙে  দেওয়ার পর থেকেই রাশিয়া ক্ষেপণাস্ত্র হামলার গতি বাড়িয়ে দিয়েছে। রাশিয়ার ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় ইউক্রেন ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত। মঙ্গলবার ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির জেলেনস্কি জানিয়েছেন, দেশের বিদ্যুৎ কেন্দ্রগুলোকে লক্ষ্য করে রাশিয়া ক্রমাগত ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়ে যাচ্ছে। দেশের ৩০ শতাংশ বিদ্যুৎ কেন্দ্র বিধ্বস্ত। রাজধানী কিয়েভ সহ ইউক্রেনের বেশ কয়েকটি শহরের একাধিক অঞ্চলে পানীয় জল ও বিদ্যুৎ পরিষেবা বন্ধ হয়ে গিয়েছে।

    আরও পড়ুন: ভারত, আমেরিকার প্রস্তাব খারিজ, পাক জঙ্গি শাহিদকে আন্তর্জাতিক জঙ্গি ঘোষণার বিরোধিতায় চিন

    ইউক্রেনের চারটি অঞ্চল ডনেহস্ক, লুহানস্ক, জাপোরঝিয়া এবং খারসন দখলের কথা ইতিমধ্যেই ঘোষণা করেছে রাশিয়া। এই অঞ্চলগুলিতে মার্শাল ল জারির কথাও বলেছেন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। এই পরিস্থিতিতেই ইউক্রেনে অবস্থিত ভারতীয়দের দেশে ফিরে আসতে পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। এছাড়াও বলা হয়েছে যেন খুব প্রয়োজন ছাড়া কেউ ইউক্রেনে না যান।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • UNGA: ধারাবাহিক অবস্থান, রাষ্ট্রসংঘে রাশিয়ার বিরুদ্ধে ভোটদান থেকে বিরত থাকল ভারত

    UNGA: ধারাবাহিক অবস্থান, রাষ্ট্রসংঘে রাশিয়ার বিরুদ্ধে ভোটদান থেকে বিরত থাকল ভারত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাষ্ট্রসংঘে ফের নিজের কূটনৈতিক অবস্থান বজায় রাখল ভারত। সরাসরি রাশিয়ার (Russia) বিরুদ্ধে ভোটদান (UNGA) থেকে বিরত থাকল দেশ। ইউক্রেনে (Ukraine) গণভোটের মাধ্যমে চারটি অঞ্চল দখল করার প্রক্রিয়াকে বেআইনি ঘোষণা করে একটি খসড়া প্রস্তাব পেশ করা হয়েছিল। ভারত-সহ ৩৫টি দেশ সেই প্রস্তাবে ভোটদান থেকে নিজেদের দূরে সরিয়ে রাখে। 

    গণভোটের মাধ্যমে ইউক্রেনের চারটি অঞ্চল নিজের দখলে নেওয়ার চেষ্টা চালাচ্ছে পুতিনের দেশ। রাশিয়ার এই পদক্ষেপের নিন্দা করে খসড়া প্রস্তাব পেশ করা হয় রাষ্ট্রসংঘে। ১৪৩টি দেশ এই প্রস্তাবে রাশিয়ার বিরুদ্ধে ভোট দেয়। মাত্র পাঁচটি ভোট পড়ে রাশিয়ার পক্ষে। কিন্তু নিজের আগের অবস্থান থেকে এক চুলও নড়ল না ভারত। মধ্যপন্থাই বজায় রাখল। এর একদিন আগে, সোমবারই ওপেন ব্যালটে ভোটগ্রহণ প্রসঙ্গে রুশ প্রস্তাবের বিরোধিতা করে ভোট দিয়েছিল ভারত।

    আরও পড়ুন: পশ্চিমী বিশ্ব থেকে ভারত কোনও সাহায্য পায়নি, রুশ অস্ত্র ইস্যুতে সাফ কথা জয়শঙ্করের

    সম্প্রতি ইউক্রেনের চারটি অঞ্চল, ডনেৎস্ক, খেরসন, লুহানস্ক এবং জাপোরিজিয়া দখল করে রাশিয়া। সেখানে গণভোট করিয়ে নিজের দেশের সঙ্গে সেই অঞ্চলগুলি যুক্ত করেন পুতিন। সেই সংযুক্তিকরণের বিষয়টির নিন্দা জানিয়ে একটি খসড়া প্রস্তাব পেশ করেছিল আলবেনিয়া। সেই প্রস্তাবেই ভোটদান থেকে বিরত থাকল ভারত।   

    রাষ্ট্রসংঘে ভারতের স্থায়ী প্রতিনিধি রুচিরা কাম্বোজ ভোটদান থেকে দেশের বিরত থাকার সিদ্ধান্ত প্রসঙ্গে এদিন বলেন, “এই সিদ্ধান্ত আমাদের সুচিন্তিত জাতীয় অবস্থানের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ। তাছাড়া এই ক্ষেত্রে আরও কিছু সমস্যা রয়েছে যা এই প্রস্তাবে পর্যাপ্তভাবে উল্লেখ করা হয়নি।” তিনি আরও বলেন, “প্রধানমন্ত্রী বলেছেন যে এটি যুদ্ধের সময় হতে পারে না। সংলাপ এবং কূটনীতির মাধ্যমে সমস্যার শান্তিপূর্ণ সমাধানের প্রচেষ্টা করতে হবে। এই দৃঢ় সংকল্পের কারণেই ভারত ভোটদান থেকে বিরত থাকার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।” 

    সেপ্টেম্বর মাসের শেষের দিকে ইউক্রেনে গণভোট করে রাশিয়া। তারপর বিবৃতি জারি করে ইউক্রেনের চারটি অঞ্চল দখল নেয় তারা। রাশিয়ার তরফ থেকে জানিয়ে দেওয়া হয়, ওই চারটি অঞ্চল এখন থেকে রাশিয়ার অংশ। কোনও মতেই এই অঞ্চলগুলি হাতছাড়া করা হবে না। অন্যদিকে, রাশিয়ার পদক্ষেপে নিন্দায় সরব হয় গোটা বিশ্ব। ইউক্রেনের তরফে পাল্টা জানিয়ে দেওয়া হয়, চারটি অঞ্চল ইউক্রেনের অংশ। কোনও ভাবেই সেখানে রুশ শাসন কায়েম করতে দেওয়া হবে না। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।    

       

  • Ukraine NATO: ইউক্রেন ন্যাটোয় যোগ দিলেই তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধ, হুঁশিয়ারি রাশিয়ার

    Ukraine NATO: ইউক্রেন ন্যাটোয় যোগ দিলেই তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধ, হুঁশিয়ারি রাশিয়ার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ইউক্রেন ইউরোপীয় জোট ন্যাটোতে যোগ দিলেই ইউক্রেন-রাশিয়া (Ukraine-Russia) সংঘাত তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধের (Third World War) আকার নেবে। বৃহস্পতিবার এমনটাই জানালেন রাশিয়ার সিকিউরিটি কাউন্সিলের এক আধিকারিক। গণভোটের মাধ্যমে ইতিমধ্যেই ইউক্রেনের (Ukraine) চারটি অঞ্চল দখল করেছে রাশিয়া (Russia)। কিছুদিন আগেই ইউক্রেনের ১৮% নিজেদের দখলে নেওয়া ঘোষণা করেছেন পুতিন। এরপর থেকেই তীব্রতা বেড়েছে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের।  ক্রাইমিয়ার সঙ্গে সংযোগকারী সেতুতে বিস্ফোরণ ঘটিয়েছে ইউক্রেন। এর জেরে বেশ বিপাকে পড়েছে পুতিনের দেশ। এরপরেই রাশিয়ার এই হুশিয়ারি সামনে এল। বৃহস্পতিবার রাশিয়ার জাতীয় সংবাদ সংস্থা তাস নিউজে রাশিয়ার নিরাপত্তা পরিষদের ডেপুটি সেক্রেটারি আলেকজান্ডার ভেন্ডেডিক্টোভ (Alexander Venediktov) বলেছেন, “ইউক্রেন ন্যাটোতে অন্তর্ভুক্ত হলে তার ফল হবে তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধ।” এই ন্য়াটো সমস্যাকে কেন্দ্র করেই রাশিয়া-ইউক্রেনের মধ্যে যাবতীয় সমস্যার সূত্রপাত। ইউক্রেন ন্যাটোর সদস্যপদ গ্রহণ করা নিয়েই রাশিয়ার যাবতীয় রোষ ছিল।  

    আরও পড়ুন : ভারত-সহ ৩৫টি দেশ সেই প্রস্তাবে ভোটদান থেকে নিজেদের দূরে সরিয়ে রাখে।

    ভেন্ডেডিক্টোভ আরও বলেন, “কিয়েভ খুব ভাল করে জানে, এই ধরনের ঘটনা ঘটলে তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধ শুরু হয়ে যাবেই। অবশ্য ওরা সেটাই চাইছে। সমস্যা তৈরি করে নিজেদের প্রতি সকলের দৃষ্টি আকর্ষণ করতে। আমি মনে করি ইউক্রেনকে ন্যাটোর সদস্য করার পরিকল্পনার পরিণতি পশ্চিম বুঝতে পেরেছে। এই ধরনের পদক্ষেপ যে আত্মঘাতী তা ন্যাটোর সদস্যদের বোঝা উচিৎ।” ইউক্রেনের ন্যাটো সংযুক্তিকরণ নিয়ে বার বার তীব্র আপত্তি জানিয়েছেন ভ্লাদিমির পুতিন। পুতিন বারবার ন্যাটোর সম্প্রসারণ নিয়ে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে আপত্তি তুলেছেন। বিশেষ করে ইউক্রেন এবং জর্জিয়ার মতো প্রাক্তন সোভিয়েত প্রজাতন্ত্রের জন্য তার বেশি আপত্তি। কারণ রাশিয়া আজও এই দেশদুটিকে নিজের অংশ মনে করে।     

    গত মাসেই পুতিন পশ্চিমি দেশগুলির উদ্দেশ্যে বলেন, “প্রয়োজনে পারমাণবিক অস্ত্র ব্যবহার করতে প্রস্তুত।” এর উত্তরে ন্যাটোর সাধারণ সচিব জেন্স স্টলটেনবার্গ হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছিলেন, “পুতিন তাঁর সীমা অতিক্রম করে গিয়েছেন।”

    নিঃসন্দেহে ইউক্রেন সংঘর্ষকে কেন্দ্র করে এভাবেই রাশিয়া বনাম পশ্চিমী দেশগুলির সংঘাত তীব্রতর আকার ধারণ করেছে। এর আগেও ইউক্রেনে হামলা নিয়ে পুতিন বেশ কয়েকবার পরমাণু যুদ্ধের হুঁশিয়ারি দিতেও ছাড়েননি। মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন বলেছেন, “১৯৬২ সালের কিউবান ক্ষেপণাস্ত্র সংকট থেকেই শেষ পারমানবিক যুদ্ধের দিকে এগোচ্ছে বিশ্ব। সে কারণেই আগামী সপ্তাহে ‘স্টেডফাস্ট নুন’ নামে বার্ষিক পরমাণু প্রস্তুতি মহড়া চালাবে ন্যাটো।” প্রসঙ্গত, রাশিয়া এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র সবচেয়ে বড় পারমাণবিক শক্তি। তারা বিশ্বের প্রায় ৯০% পারমাণবিক ওয়ারহেড নিয়ন্ত্রণ করে। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

  • India Military: পশ্চিমী বিশ্ব থেকে ভারত কোনও সাহায্য পায়নি, রুশ অস্ত্র ইস্যুতে সাফ কথা জয়শঙ্করের

    India Military: পশ্চিমী বিশ্ব থেকে ভারত কোনও সাহায্য পায়নি, রুশ অস্ত্র ইস্যুতে সাফ কথা জয়শঙ্করের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অস্ত্রের জন্য ভারতের (India) রাশিয়ার (Russia) ওপর নির্ভরতা কয়েক দশকের পুরানো। কারণ আমেরিকা এবং পশ্চিমী বিশ্ব থেকে ভারত কোনও অস্ত্র সাহায্য পায়নি। অস্ট্রেলিয়ার ক্যানেবেরায় সোমবার একথা বলেন ভারতের বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর (S Jaishankar)। ভারতকে ছেড়ে পাকিস্তানের সঙ্গে বন্ধুত্ব পাতানোয়ও এদিন আমেরাকিকে একহাত নিয়েছেন বিদেশমন্ত্রী। সম্প্রতি পাকিস্তানকে এফ ১৬ যুদ্ধাস্ত্রের সরঞ্জাম দেওয়ার কথা ঘোষণা করেছে আমেরিকা। আন্তর্জাতিক মহলের মতে, এদিন তাকেই কটাক্ষ করেছেন জয়শঙ্কর।

    অস্ট্রেলিয়ায় এদিনের অনুষ্ঠানে ভারতের বিদেশমন্ত্রী বলেন, আপনারা সবাই জানেন যে ভারতের অস্ত্র ভাণ্ডারে (India Military) রাশিয়ার তৈরি প্রচুর অস্ত্র রয়েছে। এই অস্ত্র ভাণ্ডার ক্রমেই স্ফীত হয়েছে নানা কারণে। শুধুমাত্র যে অস্ত্রগুলো ভাল, তা নয়, বিগত কয়েক দশক ধরে পশ্চিমের দেশগুলি ভারতকে অস্ত্র সরবহার করেনি। আমি মনে করি, আন্তর্জাতিক রাজনীতির ক্ষেত্রে আমরা সব সময়ই তা নিয়ে কাজ করি, যা আমাদের কাছে উপলব্ধ রয়েছে। বর্তমান ও ভবিষ্যতের কথা মাথায় রেখে আমরা এই সিদ্ধান্ত নিয়ে থাকি।

    অস্ত্রের জন্য রাশিয়ার ওপর ভারতের নির্ভরতা আমেরিকা-ভারতের বন্ধুত্বের পথে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। সম্প্রতি রাশিয়া থেকে প্রায় ৩৯ হাজার কোটি টাকার এস ৪০০ মিসাইল ডিফেন্স সিস্টেম কিনছে ভারত। মার্কিন আইন অনুযায়ী, এর জেরে ভারতের ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করতে পারে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। আমেরিকার চোখ রাঙানি উপেক্ষা করেই ভারত রাশিয়া থেকে কিনেছে ওই অস্ত্র।

    আরও পড়ুন : আলোচনার মাধ্যমেই রাশিয়া-ইউক্রেন সমস্যার সমাধান সম্ভব! জানেন রাষ্ট্রসংঘে কী বলল ভারত?

    এদিন ভারতের বিদেশমন্ত্রী বলেন, নানা কারণে ভারতকে রাশিয়া থেকে অস্ত্র কিনতে হয়েছে। তার মধ্যে অন্যতম হল রাশিয়ার অস্ত্র ভাণ্ডারের কার্যক্ষমতা। কিন্তু পশ্চিম বিশ্বের দেশগুলি যেভাবে ভারতের বদলে সামরিক শাসনে থাকা অন্য একটি দেশকে অস্ত্র সরবরাহ করছে, তাতে রাশিয়া থেকে ভারতের অস্ত্র আমদানির প্রয়োজনীয়তা আরও বেড়ছে। রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের পর বদলে গিয়েছে বিশ্ব রাজনীতির চালচিত্র। যুদ্ধের জন্য রাশিয়াকে দায়ী করে রাষ্ট্রসংঘে একাধিক রেজলিউশন পাশ করার চেষ্টা করেছে আমেরিকা। যদিও প্রতিবারই ভোটাভুটিতে বিরত থেকেছে ভারত। প্রত্যাশিতভাবেই ভারতের সঙ্গে দূরত্ব বেড়েছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

     
     
  • Hardeep Singh Puri: রাশিয়া থেকে জ্বালানি কিনতে কেউ নিষেধ করেনি, সাফ জানালেন হরদীপ সিং পুরী

    Hardeep Singh Puri: রাশিয়া থেকে জ্বালানি কিনতে কেউ নিষেধ করেনি, সাফ জানালেন হরদীপ সিং পুরী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নাগরিকদের জ্বালানি সরবরাহ করার একটি নৈতিক দায় রয়েছে ভারত সরকারের। তাই সরকার যেখান থেকে পারে জ্বালানি কিনবে। শুক্রবার এ কথাই জানালেন কেন্দ্রীয় পেট্রলিয়াম ও প্রাকৃতিক গ্যাস মন্ত্রী হরদীপ সিং পুরী (Hardeep Singh Puri)। একই সঙ্গে তিনি জানান, রাশিয়া (Russia) থেকে তেল কিনতে নিষেধ করেনি কোনও দেশই।

    ফেব্রুয়ারি মাসের শেষের দিকে যুদ্ধ বাঁধে রাশিয়া ও ইউক্রেনের (Ukraine) মধ্যে। এর পর গোটা বিশ্ব কার্যত ভাগ হয়ে যায় দু ভাগে। তামাম বিশ্বের একটি অংশ চলে যায় রাশিয়ার পক্ষে। অন্য অংশ ইউক্রেনে রাশিয়ার আগ্রাসনের কড়া সমালোচনা করতে থাকে। ঘটনার জেরে রাশিয়া থেকে তেল কিনতে বিভিন্ন দেশকে বারণ করে আমেরিকা ও পশ্চিমের কয়েকটি দেশ। এহেন দ্বন্দ্বের মধ্যেই রাশিয়া থেকে জ্বালানি সংগ্রহ করতে থাকে মোদির (PM Modi) ভারত।

    জানা গিয়েছে, যুদ্ধ শুরুর পর এপ্রিল মাস থেকে এ পর্যন্ত ভারত রাশিয়া থেকে অপরিশোধিত তেল আমদানির পরিমাণ বাড়িয়েছে ৫০ গুণ। ভারত আমদানির পরিমাণ বাড়ালে কী হবে, ইউক্রেনে রাশিয়ার আগ্রাসন শুরু হওয়ার পরে মস্কো থেকে জ্বালানি কেনার পরিমাণ কমিয়ে দিয়েছে পশ্চিমের বিভিন্ন দেশ। এদিন হরদীপ সিং পুরী (Hardeep Singh Puri) বলেন, ভারত যে কোনও দেশ থেকে জ্বালানি সংগ্রহ করবে। তিনি বলেন, আমাদের নীতি স্পষ্ট। জ্বালানির নিশ্চয়তা ও সাশ্রয়কে অগ্রাধিকার দিতে আমরা যেখানে থেকে কিনলে সুবিধা হবে, সেখান থেকেই কিনব। এই জাতীয় আলোচনা যেন সাধারণ মানুষকে প্রভাবিত না করে। এক প্রশ্নের উত্তরে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী বলেন, রাশিয়া থেকে জ্বালানি কিনতে ভারতকে কেউ নিষেধ করেনি।

    আরও পড়ুন : আলোচনার মাধ্যমেই রাশিয়া-ইউক্রেন সমস্যার সমাধান সম্ভব! জানেন রাষ্ট্রসংঘে কী বলল ভারত?

    হরদীপ সিং পুরী (Hardeep Singh Puri) বলেন, গত অর্থবর্ষে আমরা মাত্র ০.২ শতাংশ তেল আমদানি করেছি। তবে ২৪ ফেব্রুয়ারির (রাশিয়া ইউক্রেন যুদ্ধ শুরুর দিন) পর রাশিয়া থেকে আমদানির পরিমাণ বেড়েছে উল্লেখযোগ্যভাবে। তিনি বলেন, আমেরিকা থেকে জ্বালানি আমদানির পরিমাণ বাড়ছে। সম্প্রতি ওই দেশ থেকে ২০ বিলিয়ন মার্কিন ডলার মূল্যের জ্বালানি কিনেছি। আরও তেল কেনার ব্যাপারে আলোচনা চলছে বলেও জানান কেন্দ্রীয় মন্ত্রী।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

  • Russia: ইউক্রেনের চার অঞ্চলকে রাশিয়ায় যুক্ত করতে চলেছেন পুতিন?

    Russia: ইউক্রেনের চার অঞ্চলকে রাশিয়ায় যুক্ত করতে চলেছেন পুতিন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ইউক্রেনের (Ukraine) চার অঞ্চলকে দখল করতে চলেছে রাশিয়া (Russia)। মস্কোর (Moscow) দাবি, ইউক্রেনের ওই চার এলাকায় গণভোট করানো হয়েছে। সেখানকার বাসিন্দারা রাশিয়ায় যাওয়ার পক্ষেই মত দিয়েছেন। তাই ওই চার এলাকাকে নিজেদের অন্তর্ভুক্ত করতে চলেছে রাশিয়া। শুক্রবার একটি অনুষ্ঠানের মাধ্যমে ওই চার এলাকাকে নিজেদের দেশের অন্তর্ভুক্ত করবে রাশিয়া। স্বাক্ষরিত হবে চুক্তি। রাশিয়া সরকারের মুখপাত্র দিমিত্রি পেশকভ বলেন, গ্র্যান্ড ক্রেমলিন প্রাসাদের গ্রেগরিয়ান হলে গ্রিনিচ মিন টাইম ১২টায় গানের অনুষ্ঠান হবে। ওই অনুষ্ঠানেই হবে ভূখণ্ড অন্তর্ভুক্তিকরণ।

    ফেব্রুয়ারির শেষের দিকে শুরু হয় রাশিয়া ইউক্রেন যুদ্ধ। যুদ্ধ শুরুর প্রথম দিকেই ইউক্রেনের বেশ কয়েকটি এলাকা দখল করে পুতিনের দেশ। এর মধ্যে ছিল লুগানস্ক, ডনেৎস্ক, খেরসন এবং জাপোরঝিয়াও। ওই চার অঞ্চলে সেনা মোতায়েন করার পাশাপাশি পুতুল প্রশাসন বসায় রাশিয়া। সম্প্রতি করায় গণভোট। তার পরেই রাশিয়া ঘোষণা করে ইউক্রেনের ওই চার অঞ্চলকে অন্তর্ভুক্ত করার কথা। রাশিয়ার এই ঘোষণায় তীব্র প্রতিক্রিয়া আন্তর্জাতিক মহলে। মস্কোর এই পদক্ষেপকে সমর্থন করে না বলে সাফ জানিয়ে দিয়েছে পশ্চিমের দেশগুলি। জি-৭-ও জানিয়ে দিয়েছে, ইউক্রেনের ওই চার অঞ্চলকে কখনওই রাশিয়ার অংশ বলে মেনে নেবে না তারা।

    আরও পড়ুন : ‘রাশিয়া – ইউক্রেন যুদ্ধে ভারত শান্তির পক্ষে রয়েছে…’, রাষ্ট্রসংঘের সাধারণ সভায় ঘোষণা করলেন বিদেশমন্ত্রী

    কড়া প্রতিক্রিয়া জানানো হয়েছে রাষ্ট্রসংঘের তরফেও। রাষ্ট্রসংঘের সেক্রেটারি জেনারেন অ্যান্টনিও গুতেরেস রাশিয়ার এই পরিকল্পনাকে বিপজ্জনক আখ্যা দিয়েছেন। তাঁর মতে, এটি শান্তির পরিপন্থী। তিনি বলেন, ইউক্রেনের লুগানস্ক, ডনেৎস্ক, খেরসন ও জাপোরঝিয়া অন্তর্ভুক্তিকরণের সিদ্ধান্তের আইনি কোনও মূল্য নেই। এজন্য রাশিয়াকে অভিযুক্ত করাই যায়। তিনি বলেন, যুদ্ধের আবহে ইউক্রেনের দখলীকৃত যে চার অঞ্চলে গণভোটের কথা বলা হচ্ছে, তাকে মূল্য দিচ্ছি না। তিনি বলেন, এটা ওই চার এলাকার জনগণের ইচ্ছার প্রকৃত প্রতিফলন নয়। প্রসঙ্গত, আট বছর আগে ক্রিমিয়া উপদ্বীপকেও এভাবেই নিজেদের দেশের সঙ্গে যুক্ত করে নিয়েছিল রাশিয়া। তার জেরে এখনও দু দেশের মধ্যে অব্যাহত সংঘাত। এবার মস্কোর নজর ইউক্রেনের দিকে।

    এর শেষ কোথায়? উঠছে প্রশ্ন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।  

     
     

     

     

  • PM Modi: রাশিয়া-ইউক্রেনের মধ্যে শান্তি ফেরাতে পারেন মোদিই! রাষ্ট্রসংঘে কী বলল মেক্সিকো?

    PM Modi: রাশিয়া-ইউক্রেনের মধ্যে শান্তি ফেরাতে পারেন মোদিই! রাষ্ট্রসংঘে কী বলল মেক্সিকো?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাশিয়া-ইউক্রেন (Ukraine-Russia war) যুদ্ধ থামাতে সক্রিয় ভূমিকা নিতে পারে ভারত। একমাত্র প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিই (Modi) এই সমস্যার সমাধান করতে পারেন। অভিমত মেক্সিকোর (Mexico) বিদেশমন্ত্রী মার্সেলো লুইস এব্রান্ড ক্যাসাউবনের (Marcelo Luis Ebrard Casaubón)। রাষ্ট্রসংঘের নিরাপত্তা পরিষদে (UNSC) একটি কমিটি গঠন করার প্রস্তাব দিয়েছেন মার্সেলো। তাঁর প্রস্তাব মতো এই কমিটির দায়িত্ব হবে রাশিয়া এবং ইউক্রেনের মধ্যে স্থায়ী শান্তিস্থাপন করা। কমিটিতে মোদি ছাড়া আরও দু’জনের নাম করেছেন মেক্সিকোর বিদেশমন্ত্রী। তাঁরা হলেন পোপ ফ্রান্সিস (Pope Francis) এবং রাষ্ট্রসংঘের সেক্রেটারি-জেনারেল অ্যান্টনিও গুতেরেস।

    আরও পড়ুন: দ্বিপাক্ষিক মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি স্বাক্ষর করতে অক্টোবরে ব্রিটেন যাচ্ছেন মোদি?

    কয়েকদিন আগে, উজবেকিস্তানের সমরকন্দে (Samarkand) সাংহাই কো-অপারেশন অর্গানাইজেশন (SCO) সম্মেলনের সময় রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের সঙ্গে পার্শ্ববৈঠকে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি তাঁকে বলেছিলেন,”এ যুগ যুদ্ধের নয়। এই সময়টা শান্তির। শান্তির পথে সবকিছুর সমাধান করতে হবে।” মোদির এই উক্তিকে স্বাগত জানিয়েছিল আমেরিকা-ইউরোপ। পুতিনকে এরকম সরাসরি যুদ্ধের কথা বলতে পারেন একমাত্র মোদি। এমনই ধারণা মেক্সিকোর। 

    আরও পড়ুন : ‘‘ঠিক কথাই তো বলেছেন…’’, ফ্রান্সের পর এবার মোদি-স্তুতি ব্রিটেন, আমেরিকার মুখেও

    গত সাত মাস ধরে ইউক্রেন ও রাশিয়ার যুদ্ধ চলছে। ইউক্রেন প্রায় ধ্বংস হয়ে গিয়েছে। রাশিয়াও ক্ষতিগ্রস্ত। সবাই যুদ্ধের বিরোধিতা করে রাশিয়ার সমালোচনা করলেও কেউ শান্তিপূর্ণভাবে রুশ প্রেসিডেন্টের সঙ্গে কথা বলেননি। যা করেছে ভারত। তাই পুতিনকে বোঝাতে পারেন একমাত্র মোদি, এমনটাই অনুমান মেক্সিকোর বিদেশমন্ত্রীর। তিনি বলেন, ‘‘এ বার শান্তির লক্ষ্যে জোরদার পদক্ষেপ করা উচিত আন্তর্জাতিক সংগঠনের। সেই প্রসঙ্গেই মেক্সিকোর প্রেসিডেন্ট আন্দ্রে ম্যানুয়েল লোপেজ় ওবরাডরের হয়ে একটি প্রস্তাব পেশ করছি। শান্তি প্রক্রিয়ায় মধ্যস্থতা করতে একটি বিশেষ কমিটি তৈরি করুন গুতেরেস। এতে রাষ্ট্রনেতাদের উপস্থিতিতে আলোচনা চালিয়ে যাওয়া যাবে। আমাদের প্রস্তাব, এই কমিটিতে নরেন্দ্র মোদি ও পোপ ফ্রান্সিসও উপস্থিত থাকুন।’’

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Edward Snowden: আমেরিকাকে বিপদে ফেলে স্নোডেনকে নাগরিকত্ব দিল রাশিয়া

    Edward Snowden: আমেরিকাকে বিপদে ফেলে স্নোডেনকে নাগরিকত্ব দিল রাশিয়া

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ইউক্রেন যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকেই রাশিয়ার (Russia) ওপর একের পর এক নিষেধাজ্ঞা চাপিয়ে পুতিনকে চাপে ফেলেছিল আমেরিকা (USA)। এবার আমেরিকাকে পাল্টা চাপে ফেললেন পুতিন (Vladimir Putin)। প্রাক্তন মার্কিন গোয়েন্দা কন্ট্রাক্টর এডওয়ার্ড স্নোডেনকে (Edward Snowden) নাগরিকত্ব দিল রাশিয়া। বিগত কয়েক বছর ধরে রাশিয়াতেই আত্মগোপন করে ছিলেন স্নোডেন। এ বার পাকাপাকি ভাবে সে দেশের নাগরিকত্ব পেলেন তিনি। সোমবার স্নোডেনের নাগরিকত্ব মঞ্জুর করে একটি ডিক্রিতে সই করেছেন পুতিন।

    আরও পড়ুন: পুতিনের সামরিক ঘোষণার পরই রাশিয়া ছাড়ার ধুম, ‘ওয়ান ওয়ে ফ্লাইট’ টিকিটের চাহিদা তুঙ্গে

    যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় নিরাপত্তা সংস্থার (NSA) চুক্তিভিত্তিক আধিকারিক ছিলেন স্নোডেন। ২০১৩ সালে এই মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থার গোপন তথ্য ফাঁস করে দেন তিনি৷ সেই নথিতে প্রকাশ্যে আসে যে শুধু বিদেশ নয়, খোদ মার্কিন নাগরিকদের উপরও নজরদারি চালাচ্ছিল আমেরিকার ন্যাশনাল সিকিউরিটি এজেন্সি। এই ঘটনায় সেই সময় বিশ্বজুড়ে তোলপাড় হয়। সংস্থাটিতে কর্মরত থাকাকালীনই এই তথ্য ফাঁস করেন তিনি। তাঁর ফাঁস করা তথ্যের কারণে যথেষ্ট অস্বস্তিতে পড়ে আমেরিকার ওই গোয়েন্দা বিভাগ। দেশজুড়ে নজরদারির বিরুদ্ধে ও ব্যক্তি স্বাধীনতা ক্ষুণ্ণ হওয়ার প্রতিবাদে আওয়াজ তোলেন মার্কিন নাগরিকদের একাংশ।      
     
    এনএসএ-র গোপন তথ্য ফাঁস করায় ২০১৩ থেকেই স্নোডেনকে খুঁজছে মার্কিন সরকার। তারপর থেকেই তিনি রাশিয়ায় আত্মগোপন করে রয়েছেন। আমেরিকা একাধিক বার স্নোডেনকে ফেরানোর কথা বললেও এতদিন রাশিয়া কোনও উদ্যোগ নেয়নি। অভিযোগ ওঠে, রাশিয়ার গোয়েন্দা বিভাগের হয়ে স্নোডেন কাজ করছেন। তাই তাঁকে রক্ষা করে যাচ্ছে রাশিয়া। মস্কোতেই এত বছর নির্বাসিত ছিলেন স্নোডেন। চাপের মুখে পালাতে বাধ্য হন তিনি। মার্কিন প্রশাসন তাঁর বিরুদ্ধে ‘গুপ্তচরবৃত্তির’ অভিযোগে মামলা করেছে।  

    আরও পড়ুন: সীমান্তে ৩০ লক্ষ অতিরিক্ত সেনা মোতায়েন রাশিয়ার, পশ্চিমি দেশগুলিকে হুঁশিয়ারি পুতিনের      

    বিচারের জন্য স্নোডেনকে দীর্ঘদিন ধরে দেশে ফেরানোর চেষ্টা করেও ব্যর্থ হয়েছে মার্কিন সরকার। এবার রাশিয়া স্নোডেনকে নাগরিকত্ব দিয়ে আমেরিকার সব চেষ্টাকে মাটি করে দিল। স্নোডেন মার্কিন নাগরিকত্ব ত্যাগ করেছেন কিনা, সে বিষয়ে এখনও কিছু জানা যায়নি। তবে তিনি যে আর আমেরিকার মাটিতে পা রাখবেন না তা নিশ্চিত ভাবেই বলা যায়। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

     
     

      

  • Edward Snowden: আমেরিকাকে বিপদে ফেলে স্নোডেনকে নাগরিকত্ব দিল রাশিয়া

    Edward Snowden: আমেরিকাকে বিপদে ফেলে স্নোডেনকে নাগরিকত্ব দিল রাশিয়া

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ইউক্রেন যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকেই রাশিয়ার (Russia) ওপর একের পর এক নিষেধাজ্ঞা চাপিয়ে পুতিনকে চাপে ফেলেছিল আমেরিকা (USA)। এবার আমেরিকাকে পাল্টা চাপে ফেললেন পুতিন (Vladimir Putin)। প্রাক্তন মার্কিন গোয়েন্দা কন্ট্রাক্টর এডওয়ার্ড স্নোডেনকে (Edward Snowden) নাগরিকত্ব দিল রাশিয়া। বিগত কয়েক বছর ধরে রাশিয়াতেই আত্মগোপন করে ছিলেন স্নোডেন। এ বার পাকাপাকি ভাবে সে দেশের নাগরিকত্ব পেলেন তিনি। সোমবার স্নোডেনের নাগরিকত্ব মঞ্জুর করে একটি ডিক্রিতে সই করেছেন পুতিন।

    আরও পড়ুন: পুতিনের সামরিক ঘোষণার পরই রাশিয়া ছাড়ার ধুম, ‘ওয়ান ওয়ে ফ্লাইট’ টিকিটের চাহিদা তুঙ্গে

    যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় নিরাপত্তা সংস্থার (NSA) চুক্তিভিত্তিক আধিকারিক ছিলেন স্নোডেন। ২০১৩ সালে এই মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থার গোপন তথ্য ফাঁস করে দেন তিনি৷ সেই নথিতে প্রকাশ্যে আসে যে শুধু বিদেশ নয়, খোদ মার্কিন নাগরিকদের উপরও নজরদারি চালাচ্ছিল আমেরিকার ন্যাশনাল সিকিউরিটি এজেন্সি। এই ঘটনায় সেই সময় বিশ্বজুড়ে তোলপাড় হয়। সংস্থাটিতে কর্মরত থাকাকালীনই এই তথ্য ফাঁস করেন তিনি। তাঁর ফাঁস করা তথ্যের কারণে যথেষ্ট অস্বস্তিতে পড়ে আমেরিকার ওই গোয়েন্দা বিভাগ। দেশজুড়ে নজরদারির বিরুদ্ধে ও ব্যক্তি স্বাধীনতা ক্ষুণ্ণ হওয়ার প্রতিবাদে আওয়াজ তোলেন মার্কিন নাগরিকদের একাংশ।      
     
    এনএসএ-র গোপন তথ্য ফাঁস করায় ২০১৩ থেকেই স্নোডেনকে খুঁজছে মার্কিন সরকার। তারপর থেকেই তিনি রাশিয়ায় আত্মগোপন করে রয়েছেন। আমেরিকা একাধিক বার স্নোডেনকে ফেরানোর কথা বললেও এতদিন রাশিয়া কোনও উদ্যোগ নেয়নি। অভিযোগ ওঠে, রাশিয়ার গোয়েন্দা বিভাগের হয়ে স্নোডেন কাজ করছেন। তাই তাঁকে রক্ষা করে যাচ্ছে রাশিয়া। মস্কোতেই এত বছর নির্বাসিত ছিলেন স্নোডেন। চাপের মুখে পালাতে বাধ্য হন তিনি। মার্কিন প্রশাসন তাঁর বিরুদ্ধে ‘গুপ্তচরবৃত্তির’ অভিযোগে মামলা করেছে।  

    আরও পড়ুন: সীমান্তে ৩০ লক্ষ অতিরিক্ত সেনা মোতায়েন রাশিয়ার, পশ্চিমি দেশগুলিকে হুঁশিয়ারি পুতিনের      

    বিচারের জন্য স্নোডেনকে দীর্ঘদিন ধরে দেশে ফেরানোর চেষ্টা করেও ব্যর্থ হয়েছে মার্কিন সরকার। এবার রাশিয়া স্নোডেনকে নাগরিকত্ব দিয়ে আমেরিকার সব চেষ্টাকে মাটি করে দিল। স্নোডেন মার্কিন নাগরিকত্ব ত্যাগ করেছেন কিনা, সে বিষয়ে এখনও কিছু জানা যায়নি। তবে তিনি যে আর আমেরিকার মাটিতে পা রাখবেন না তা নিশ্চিত ভাবেই বলা যায়। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

     
     

      

LinkedIn
Share