Tag: Russia

Russia

  • Russia-Ukraine war: ইউক্রেনের পারমাণবিক কেন্দ্রে হামলা! শান্তি রক্ষায় এগিয়ে আসুক দুপক্ষ, আর্জি ভারতের

    Russia-Ukraine war: ইউক্রেনের পারমাণবিক কেন্দ্রে হামলা! শান্তি রক্ষায় এগিয়ে আসুক দুপক্ষ, আর্জি ভারতের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের ইউক্রেনের পরমাণু কেন্দ্রে মিসাইল হামলা। ইউক্রেনের জাপরজাই (Zaporizhzhia Nuclear Power Plant) পরমাণু কেন্দ্রে বৃহস্পতিবার ১০ বার হামলার ঘটনা ঘটেছে। ইউরোপের বৃহত্তম বিদ্যুৎ কেন্দ্রের কার্যালয় ও ফায়ার স্টেশনে এর আগে গত শনিবারও হামলা চলে। ইউক্রেন ও রাশিয়া এই হামলার জন্য একে অপরকে দোষারোপ করছে।

    ফেব্রুয়ারির ২৪ তারিখ ইউক্রেনে ‘বিশেষ সামরিক অভিযান’ শুরু করে রাশিয়া। বিগত পাঁচ মাস ধরে লড়াই চালিয়ে ইউক্রেনের বিভিন্ন স্থান নিজেদের দখলে নিয়েছে রাশিয়ার সেনা। ইউক্রেন তথা ইউরোপের বৃহত্তম জাপরজাই পরমাণু কেন্দ্রটির নিয়ন্ত্রণ এখন পুতিন বাহিনীর হাতে। এই এলাকা ঘিরে তীব্র লড়াই চলছে দুই পক্ষের। গত শনিবার পারমাণবিক কেন্দ্রটিতে আছড়ে পড়ে একাধিক ক্ষেপণাস্ত্র। এরফলে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে কেন্দ্রটির তিনটি রেডিয়েশন সেন্সর। আহত হয়েছে এক কর্মীও। বৃহস্পতিবারও একই ধরনের হামলা চলে।

    আরও পড়ুন: চিনা ঋণের ফাঁদ থেকে সাবধান! সতর্কবার্তা বাংলাদেশি মন্ত্রীর

    ওই অঞ্চলের রাশিয়া (Russia) নিয়ন্ত্রিত প্রশাসনের দাবি, পারমাণবিক কেন্দ্রে রকেট লঞ্চার দিয়ে হামলা চালায় ইউক্রেনের বাহিনী। এতে কেন্দ্রটির একটি বিল্ডিং ও ব্যবহৃত আণবিক জ্বালানির রাখার একটি গুদাম ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। অন্যদিকে, এই হামলার নেপথ্যে রাশিয়া রয়েছে বলে পালটা অভিযোগ করেছেন ইউক্রেনের (Ukraine) প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির জেলেনস্কি। তাঁর অভিযোগ, ‘আণবিক সন্ত্রাসবাদ’ ছড়াতে চাইছে রুশ ফৌজ। একইসঙ্গে, মস্কোর পরমাণু প্রকল্পের উপর আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞার আবেদন জানান তিনি।

    আরও পড়ুন: আগ্রহী খোদ আমেরিকা, ন্যাটোর অন্তর্ভুক্ত হচ্ছে মোদির দেশ?

    বিশ্লেষকদের মতে, জাপরজাই পরমাণু কেন্দ্রে যেভাবে পরপর মিসাইল হামলা হয়েছে তাতে যে কোনও মুহূর্তে ভয়াবহ বিপর্যয় ঘটে যেতে পারে। বিশেষজ্ঞদের আশঙ্কা, যে কোনও মুহূর্তে হতে পারে চেরনোবিল দুর্ঘটনার পুনরাবৃত্তি। রাষ্ট্রসংঘের প্রধান অ্যান্তনিও গুতেরেস বলেন, “আণবিক কেন্দ্রের হামলা চালানো আত্মহত্যার শামিল।” ভারতও পরমাণু কেন্দ্রে হামলা চালানোর ঘটনার নিন্দা করেছে। দুপক্ষকে শান্তি রক্ষার্থে আহ্বান জানিয়েছে দিল্লি। আলোচনার মাধ্যমে সমস্যা সমাধানের কথাও বলা হয়েছে।

  • Sri Lanka Crisis: শ্রীলঙ্কার সঙ্কটের জন্যে রাশিয়াকেই দায়ী করল যুক্তরাষ্ট্র, কেন? 

    Sri Lanka Crisis: শ্রীলঙ্কার সঙ্কটের জন্যে রাশিয়াকেই দায়ী করল যুক্তরাষ্ট্র, কেন? 

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শ্রীলঙ্কার সংকটের মূলে রাশিয়া (Russia)। এমনটাই দাবি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের (United States) বিদেশমন্ত্রী (Foreign Minister) অ্যান্টনি ব্লিঙ্কেনের (Antony Blinken)। তিনি মনে করেন, রাশিয়ার খাদ্য অবরোধই শ্রীলঙ্কার সমস্যার (Sri Lanka Crisis) মূল কারণ। ইউক্রেনের শস্য রফতানির ওপর রাশিয়ার নিষেধাজ্ঞা শ্রীলঙ্কার অশান্তির আগুনে ঘি ঢেলেছে। এই খাদ্য অবরোধে অন্যান্য সংকট সৃষ্টি হতে পারে বলেও সতর্ক করেছেন তিনি।

    আরও পড়ুন: শ্রীলঙ্কা ছেড়ে পালালেন রাষ্ট্রপতি গোতাবায়া, নতুন ঠিকানা মালদ্বীপ

    অ্যান্টনি ব্লিঙ্কেন রোববার ব্যাংককে এক সাংবাদিক বৈঠকে বলেন, “আমরা এই রুশ আগ্রাসনের প্রভাব সর্বত্রই দেখতে পাচ্ছি। শ্রীলঙ্কার পরিস্থিতির জন্য রুশ আগ্রাসন অনেকাংশেই দায়ী। আমরা সারাবিশ্বে এর প্রভাব নিয়ে উদ্বিগ্ন। রাশিয়াকে আরও অনুভূতিশীল হতে হবে।”

    তিনি বলেন, “বিশ্বে খাদ্য নিরাপত্তাহীনতা বৃদ্ধি পাচ্ছে। ইউক্রেনের বিরুদ্ধে রুশ আগ্রাসন সেই সমস্যার পালে আরও হাওয়া দিয়েছে। থাইল্যান্ডেও এর প্রভাব পড়ছে। এখানে রাশিয়ার আগ্রাসনের কারণে সারের দাম এখন আকাশচুম্বি।” 

    আরও পড়ুন: ভারত-শ্রীলঙ্কা সামুদ্রিক সীমান্তে নজরদারি বাড়াতে তৎপর উপকূল রক্ষী বাহিনী 

    ব্লিঙ্কেন আরও বলেন, “সার বিশেষ করে থাইল্যান্ডের মতো একটি প্রাণবন্ত কৃষিকাজের দেশে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। কারণ সার সংকটের অর্থ হল পরের বছর ফলন কমে যাবে এবং নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিসের দাম বেড়ে যাবে। একইভাবে বিশ্বব্যাপী কৃষি উৎপাদনে ব্যাঘাত ঘটাচ্ছে রাশিয়ার আগ্রাসন। এতে বিশ্ববাসী নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে।” 

    খাদ্য ও জ্বালানির তীব্র ঘাটতির কারণে ভয়ঙ্কর সংকটের মুখে ভারতের প্রতিবেশী দেশ শ্রীলঙ্কা। ভেঙে পড়েছে অর্থনীতি। গত শনিবার প্রতিবাদে রাষ্ট্রপতি গোতাবায়া রাজাপক্ষের (Gotabaya Rajapaksa) বাড়ির দখল নিয়েছেন দেশের জনতা। পদত্যাগ পত্রে সাক্ষর করেই প্রাণ ভয়ে দেশ ছেড়ে মালদ্বীপে পালিয়েছেন রাষ্ট্রপতি গোতাবায়া। দেশজুড়ে চরম অস্থিরতা। শ্রীলঙ্কার এই দুর্দশার জন্যে রাশিয়াকেই দায়ী করল যুক্তরাষ্ট্র।  

    দেশের এই ভয়ঙ্কর সংকটের মধ্যেই কিছুদিন আগেই রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের (Vladimir Putin) সঙ্গে কথা বলেন শ্রীলঙ্কার প্রধানমন্ত্রী রনিল বিক্রমাসিংহে। কিন্তু তাতেও পরিস্থিতির কোনও উন্নতি হয়নি। এরইমধ্যে গণবিক্ষোভের জেরে প্রেসিডেন্টের পালিয়ে যাওয়ার পর পদ থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী রনিল বিক্রমাসিংহে। পরিস্থিতি খারাপ জেনেও দুমাস আগেই প্রধানমন্ত্রী পদের দায়িত্ব নিয়েছিলেন তিনি।  

     

  • Russia-Ukraine Landmark Deal: ক্ষণিকের স্বস্তি, খাদ্য শস্য রফতানির বিষয়ে সমঝোতা রাশিয়া-ইউক্রেনের 

    Russia-Ukraine Landmark Deal: ক্ষণিকের স্বস্তি, খাদ্য শস্য রফতানির বিষয়ে সমঝোতা রাশিয়া-ইউক্রেনের 

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রায় পাঁচ মাস পেরোতে চলল ইউক্রেন (Ukraine) রাশিয়া (Russia) যুদ্ধ। সমঝোতার কোনও রকম ইচ্ছে প্রকাশ করেনি দুই দেশ। ইউক্রেন রুশ হামলার পর থেকেই বিশ্ব বাজারে খাদ্য সংকট ও তেলের সমস্যা দেখা দিতে থাকে। বিষয়টি নিয়ে দুশ্চিন্তায় ছিল গোটা বিশ্বের বিভিন্ন দেশ। শুক্রবার সেই দুশ্চিন্তার কালোমেঘ কিছুটা হলেও কমেছে। এদিন বিশ্ব খাদ্য সংকট মোকাবিলায় এক টেবিলে এল রাশিয়া- ইউক্রেন। রাশিয়া, ইউক্রেনের মধ্যে সাক্ষরিত হল ল্যান্ডমার্ক চুক্তি (Landmark Deal)। তুরস্কের (Turkey) ইস্তানবুলে (Istanbul) ইউক্রেনের মন্ত্রী কুবরাকোভ ও রাশিয়ার প্রতিরক্ষামন্ত্রী শইগু রাষ্ট্রসংঘের সঙ্গে আলাদা আলাদা চুক্তি স্বাক্ষর করেন।  

    আরও পড়ুন: ইউক্রেন যুদ্ধে নিহত ১৫ হাজার রুশ সেনা, বিস্ফোরক দাবি সিএইএ-র  

    ইউক্রেনের রাষ্ট্রপতি ভলদিমির জেলেন্সকি (Volodymyr Zelensky) জানিয়েছেন, চুক্তি অনুযায়ী বছরে ১০০০ কোটি টাকার খাদ্য শস্য বিক্রি করতে হবে। গত বছরের ২০০ লক্ষ টন ফসল বিক্রি করা যাবে। 

    আরও পড়ুন: চিনকে রুখতে ভারতের পাশে! নয়া আইন পাশ মার্কিন সংসদে

    চুক্তি সাক্ষরের পর রাষ্ট্রসংঘের জেনারেল সেক্রেটারি অ্যান্টনিও গুয়েতরেস বলেন, “গোটা বিশ্বের জন্যে এটা খানিকটা স্বস্তির বিষয়।”

    গোটা বিশ্বে সবচেয়ে বেশি খাদ্য রফতানি হয় রাশিয়া এবং ইউক্রেন থেকে। ফেব্রুয়ারিতে দুই দেশের মধ্যে যুদ্ধ শুরু হতেই খাদ্য সংকটে পড়ে গোটা বিশ্ব। 

    সংবাদ মাধ্যম সূত্রের খবর, এই চুক্তির মেয়াদ ১২০ দিন। তবে আলোচনা ছাড়াই স্বয়ংক্রিয়ভাবে চুক্তির মেয়াদ আরো বাড়ানো যাবে। চুক্তির শর্ত অনুযায়ী, ইউক্রেনে আটকে থাকা শস্য বহনকারী বিভিন্ন বাণিজ্যিক জাহাজ যেন নিরাপদে কৃষ্ণসাগরে চলাচল করতে পারে, সেজন্য তুরস্কের রাজধানী আঙ্কারায় একটি যৌথ সমন্বয় কেন্দ্র খোলা হবে। সেই কেন্দ্র পরিচালনার দায়িত্বে থাকবেন জাতিসংঘ, রাশিয়া, তুরস্ক ও ইউক্রেনের আধিকারিকরা।

    তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়িপ এরদোয়ান বলেন, ‌”এই চুক্তি বিশ্বের কোটি কোটি মানুষকে দুর্ভিক্ষের হাত থেকে বাঁচাবে। এছাড়া এটি বিশ্বব্যাপী খাদ্য মূল্য বৃদ্ধি কমাবে।”   
     
    পরিকল্পনা অনুযায়ী, ইউক্রেনের আধিকারিকরা নিরাপদ পথে খাদ্য বোঝাই জাহাজকে তিনটি বন্দরে পৌঁছে দেবেন। এরপর ইউক্রেন ছেড়ে কৃষ্ণ সাগরে পড়বে জাহাজ। সেখানে ফের তুরস্কের বন্দরে হবে চেকিং। তারপর এগোবে খাদ্য সামগ্রী বোঝাই জাহাজ। এভাবেই চলবে আপাতত ১২০ দিন। পরিকল্পনাটি সফল চলবে আরও বেশ কিছুদিন।    

    এই খাদ্য বোঝাই জাহাজগুলির ওপর নজর রাখবে দুই পক্ষই। রাশিয়া জাহাজগুলির ওপর হামলা না চালানোর প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। ইউক্রেন বিষয়টিতে নিশ্চয়তা চেয়েছে যাতে রাশিয়া জাহাজগুলিতে কোনও ভাবেই হামলা না চালায়। ইউক্রেনের সাফ কথা, রাশিয়ার কোনও জাহাজ যেন এই জাহাজগুলির সঙ্গে না থাকে এবং ইউক্রেনের বন্দরে যেন রাশিয়ার কোনও প্রতিনিধি না থাকে। 

    গত ২৪ ফেব্রুয়ারি ইউক্রেনে হামলা চালায় রুশ সেনা। কৃষ্ণসাগরের বন্দরগুলো দিয়ে ইউক্রেনের খাদ্যশস্য রফতানি বন্ধ করে দেয় রাশিয়া। এতে গোটা বিশ্বের খাদ্য সরবরাহ ব্যবস্থা বিঘ্নিত হয়। পাশাপাশি রাশিয়ার ওপর পশ্চিমা দেশগুলোর নিষেধাজ্ঞা জারির ফলে বিশ্বে মুদ্রাস্ফীতি বাড়তে শুরু করে। একই সঙ্গে খাদ্য ও জ্বালানির দাম ব্যাপক মাত্রায় বাড়তে শুরু করে। যদিও খাদ্য সংকটের দায় নিতে রাজী নয় রাশিয়া।  

     

  • Russia: বাহিনীর সংখ্যায় টান, ইউক্রেনে ‘ভাড়াটে সেনা’ পাঠাচ্ছে রাশিয়া?

    Russia: বাহিনীর সংখ্যায় টান, ইউক্রেনে ‘ভাড়াটে সেনা’ পাঠাচ্ছে রাশিয়া?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভাড়াটে সৈন্য (Mercenaries) দিয়ে ইউক্রেনে (Ukraine) যুদ্ধ করাচ্ছে রাশিয়া (Russia)। শুক্রবার এমনই বিস্ফোরক দাবি করল যুক্তরাজ্যের প্রতিরক্ষমন্ত্রক (UK Defence Ministry)। মন্ত্রকের দাবি পাঁচ মাসের এই ইউক্রেন-রাশিয়া যুদ্ধে দেশের বহু সৈন্য হারিয়েছে পুতিন সরকার। সৈন্যের ঘাটতি পড়েছে সে দেশে। তাই টাকার বিনিময়ে বহাল করা সেনা দিয়েই যুদ্ধ চালাতে হচ্ছে রাশিয়াকে।  

    ওয়াগনার গ্রুপের (Wagner Group) সরকারি সৈন্যদের থেকে ভাড়াটে সৈন্যদের প্রতি বেশি বিশ্বস্ততা দেখাচ্ছে পুতিন সরকার। তাদেরকেই রাখা হচ্ছে সামনের সারিতে। টানা যুদ্ধ যে অনেকটাই মনোবল ভেঙে দিয়েছে রাশিয়ার এ তার বড় প্রমাণ। 

    আরও পড়ুন: ক্ষণিকের স্বস্তি, খাদ্য শস্য রফতানির বিষয়ে সমঝোতা রাশিয়া-ইউক্রেনের
     
    যুক্তরাজ্যের প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের বক্তব্য, এই ভাড়াটে সৈন্যরা সরকারি সৈন্যদের ঘাটতি পূরণ করতে ব্যর্থ। আর সেকারণেই ইউক্রেনের বিরুদ্ধে রাশিয়া খুব বেশি আক্রমণাত্মক হতে পারছে না। 

    ব্রিটিশ প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের দাবি, ২০১৫ সাল থেকেই রাশিয়া এই ভাড়াটে সৈন্য নিয়োগ করা শুরু করেছিল। 

    কিভের আধিকারিকরা বুধবার জানিয়েছেন, দক্ষিণে রুশ সেনাদের ফের ঘাঁটি গাড়তে দেখা গিয়েছে। ব্রিটিশ প্রতিরক্ষামন্ত্রকের বিশ্বাস, যে রাশিয়ার ৪৯ তম সেনাবাহিনী ডিনিপ্রো নদীর পশ্চিম তীরে অবস্থান করছে। এই রুশ সেনাবাহিনী দুর্বল।  

    কিছুদিন আগেই যুক্তরাষ্ট্রের গোয়েন্দা সংস্থা সিআইএ দাবি করেছে পাঁচ মাসের এই টানা যুদ্ধে রাশিয়ার ১৫০০০ সেনা নিহত হয়েছে। আহত হয়েছেন ৪৫ হাজারেরও বেশি সৈন্য। রাশিয়ার জন্যে যা বিরাট ক্ষতি। আর এতে সরকারি সৈন্যদের মধ্যে অসন্তোষ সৃষ্টি হয়েছে। যুদ্ধে আসতে চাইছেন না সেনাকর্মীরা। আর তাতেই ভাড়া করা সৈন্যতেই আস্থা রাখতে হচ্ছে রাশিয়াকে।

    আরও পড়ুন: ইউক্রেন যুদ্ধে নিহত ১৫ হাজার রুশ সেনা, বিস্ফোরক দাবি সিএইএ-র

    এছাড়া ভাড়াটে সেনা যুদ্ধে প্রাণ হারালে তার দায়ও নিতে হচ্ছে না পুতিন সরকারকে। কিন্তু সরকারি সেনা প্রাণ হারালে বা আহত হলে সমস্ত আর্থিক দায় বহন করতে হয় যেকোনও দেশকে। আর এটাও ভাড়াটে সেনাকে সামনের সারিতে রেখে, সরকারি সেনাকে পিছনে রাখার অন্যতম কারণ বলে মনে করছে ব্রিটিশ প্রতিরক্ষামন্ত্রক। 

    সম্প্রতি ইউক্রেনে অভিযানের ক্ষেত্র বাড়ানোর কথা জানিয়েছে মস্কো। রাশিয়ার বিদেশমন্ত্রী সের্গেই লাভরভ বুধবার বলেন, ইউক্রেনে মস্কো যে বিশেষ সামরিক অভিযান চালাচ্ছে, তার ভৌগলিক পরিসর বাড়ানো হয়েছে। এখন আর শুধু পূর্ব ডনবাস অঞ্চলই নয়,  ইউক্রেনের দক্ষিণাঞ্চলের খেরসন, জাপোরিঝিয়াসহ আরও কিছু অঞ্চলকে অন্তর্ভুক্ত করার পরিকল্পনা করা হচ্ছে। কিন্তু ব্রিটিশ বিদেশমন্ত্রকের বক্তব্য এই অবস্থায় এখনই সেই পথে হাঁটতে পারবে না রুশ বাহিনী। 

     

     

  • Russia Ukraine War: ভারত সহ ৫ দেশে নিযুক্ত রাষ্ট্রদূতকে বরখাস্ত করল ইউক্রেন, কেন জানেন?

    Russia Ukraine War: ভারত সহ ৫ দেশে নিযুক্ত রাষ্ট্রদূতকে বরখাস্ত করল ইউক্রেন, কেন জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ (Russia Ukraine War) থামেনি। চার মাসেরও বেশি সময় ধরে চলছে পড়শি ওই দুই দেশের লড়াই। যুদ্ধ থামার আশু কোনও লক্ষণও দেখা যাচ্ছে না। এহেন পরিস্থিতিতে বড়সড় পদক্ষেপ করলেন ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি (Volodymyr Zelenskyy)। ভারত (India) সহ পাঁচ দেশে নিযুক্ত রাষ্ট্রদূতদের (Ambassador) বরখাস্ত করলেন তিনি। কী কারণে তাঁদের হঠাৎ করে বরখাস্ত করা হল, তা জানা যায়নি। তবে কূটনৈতিক মহলের ধারণা, কূটনৈতিক ব্যর্থতার জেরেই ‘চাকরি’ গিয়েছে তাঁদের।

    ন্যাটোর (NATO) সদস্য হওয়ার ইচ্ছে প্রকাশ করেছিল ইউক্রেন। তা নিয়েই রাশিয়া ইউক্রেন বিবাদের সূত্রপাত। যার জেরে ২৪ ফেব্রুয়ারি শুরু হয় যুদ্ধ। সেই যুদ্ধ এখনও চলছে। যুদ্ধ থামাতে দুই দেশকেই আবেদন নিবেদন করেছে বিশ্বের বিভিন্ন দেশ। তার পরেও চলছে লড়াই। রাশিয়ার বিরুদ্ধে ইউক্রেনে আগ্রাসন চালানোর অভিযোগে মস্কোর ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে আমেরিকা। তা সত্ত্বেও নিরস্ত করা যায়নি রাশিয়া কিংবা ইউক্রেনকে।

    আরও পড়ুন : রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধে ভারতের ভারসাম্যের নীতির প্রশংসায় মোহন ভাগবত

    এহেন পরিস্থিতিতেই পাঁচ দেশের রাষ্ট্রদূতকে বরখাস্তের সিদ্ধান্ত নিলেন ইউক্রেনে প্রেসিডেন্ট। ভারত ছাড়াও বরখাস্ত করা হয়েছে জার্মানি, চেক রিপাবলিক, নরওয়ে এবং হাঙ্গেরির রাষ্ট্রদূতকে। বরখাস্ত হওয়া রাষ্ট্রদূতদের অন্য কোনও পদে বহাল করা হবে কিনা, তা নিয়েও কোনও বার্তা নেই ভলোদিমির জেলেনস্কির জারি করা নির্দেশিকায়। রাশিয়া ইউক্রেন যুদ্ধের বিরুদ্ধে সরব হয়েছে ভারত। নয়াদিল্লির তরফে যুদ্ধ বন্ধের আবেদন জানানো হয়েছে দুই দেশকেই। তার পরেও যুদ্ধ থামেনি। তবে যুদ্ধের বিরুদ্ধে সুর চড়ালেও, রাশিয়ার সঙ্গে এখনও অর্থনৈতিক সম্পর্ক জারি রেখে চলেছে রাশিয়া।

    আরও পড়ুন : ডিজিটাল বিপ্লবে বিশ্বকে নেতৃত্ব দিচ্ছে ভারত, গান্ধীনগরে জানালেন মোদি

    মস্কোর সঙ্গে সম্পর্ক রেখে চলেছে জার্মানিও। জ্বালানির জন্য এই দেশটি বরাবর রাশিয়ার ওপর নির্ভরশীল। ভারতের মতো যুদ্ধের আবহে তারাও সম্পর্ক রেখে চলেছে পুতিনের দেশের সঙ্গে। এ সবকেই কূটনৈতিক ব্যর্থতা বলেই মনে করছে কিয়েভ। সেই কারণেই ভারত সহ পাঁচ দেশের রাষ্ট্রদূতকে বরখাস্ত করা হল বলে মনে করছে কূটনৈতিক মহল।

     

  • India Russia at BRICS: রাশিয়ায় খুলবে ভারতীয় সুপারমার্কেট চেন! ইঙ্গিত পুতিনের

    India Russia at BRICS: রাশিয়ায় খুলবে ভারতীয় সুপারমার্কেট চেন! ইঙ্গিত পুতিনের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক:  ভারতের (India) সঙ্গে রাশিয়ার (Russia) বাণিজ্যিক সম্পর্ক আরও দৃঢ় হতে চলেছে। রাশিয়ার রাষ্ট্রপতি (President) ভ্লাদিমির পুতিন (Vladimir Putin) জানিয়েছেন, চলতি বছরের প্রথম তিন মাসের মধ্যে রাশিয়ান ফেডারেশনের (Russian Federation) সঙ্গে ব্রিকস (BRICS) দেশগুলোর বাণিজ্য ৩৮ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে ও ৪৫ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছে গিয়েছে। ব্রিকস দেশগুলির সঙ্গে রাশিয়ার বাণিজ্য এবং ব্যবসায়িক সম্পর্ক ক্রমশ শক্তিশালী হয়ে উঠছে। উদাহরণস্বরূপ, রাশিয়ায় ভারতীয় সুপারমার্কেট চেন খোলার আলোচনা ইতিমধ্যেই শুরু হয়ে গিয়েছে। এছাড়াও রাশিয়ার বাজারে চিনা গাড়ি, সরঞ্জাম এবং হার্ডওয়্যারের শেয়ার বাড়ানোর জন্য আলোচনা চলছে। এর ফলে  ব্রিকস দেশগুলোতে রাশিয়ার উপস্থিতি ক্রমশ বাড়ছে। 

    আরও পড়ুন:দামে ছাড়! রাশিয়ার তেলের সবথেকে বড় ক্রেতা ভারত

    উল্লেখ্য, রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের (Russia-Ukraine War) ফলে অন্যান্য দেশগুলোর সঙ্গে রাশিয়ার অর্থনৈতিক সম্পর্ক খারাপ হতে থাকলে রাশিয়া ব্রিকস দেশগুলোর সঙ্গে দৃঢ় সম্পর্ক গড়ে তোলার দিকে বিশেষ নজর দিয়েছে। এদিকে ইউক্রেন যুদ্ধের পর চিন (China) ও ভারতে জ্বালানি তেলের রফতানিও বাড়িয়েছে রাশিয়া। এজন্য দামেও ছাড় দিয়েছে পুতিনের দেশ। চলতি মাসের মে মাসে রাশিয়া থেকে রেকর্ড পরিমাণ তেল আমদানি করেছে চিন ও ভারত। অন্যদিকে রাশিয়া থেকে যথেষ্ট পরিমাণে সার (Fertilisers) ব্রিকস দেশগুলিতে রফতানি করা হয়েছে। পুতিন জানিয়েছেন যে, রুশ আইটি কোম্পানিগুলিও ভারত ও দক্ষিণ আফ্রিকায় (South Africa) ধীরে ধীরে প্রসারিত করার চেষ্টা করছে।

    আরও পড়ুন:ডলার নয়, “রুপি-রুবল” বিনিময়ে হবে ভারত-রুশ বাণিজ্য! কীভাবে লেনদেন?

    পুতিন আরও জানিয়েছেন, ব্রিকস দেশগুলির সঙ্গে এক আন্তর্জাতিক সম্পর্ক গড়ে তোলার দিকে এএকটি গোচ্ছে রাশিয়া। রাশিয়ার বাণিজ্যিক সিস্টেমটি ব্রিকসের পাঁচটি দেশের ব্যাঙ্কগুলির সঙ্গে সংযোগ স্থাপনের জন্য তৈরি হয়ে গিয়েছে। ব্রিকস অন্তর্ভুক্ত দেশগুলির সঙ্গে আর্থিক লেনদেন করার জন্যে অভিন্ন মুদ্রাভাণ্ডার তৈরি করার পরিকল্পনা করেছে রাশিয়া। এই পরিকল্পনা সফল হলে  খুব সহজেই বাণিজ্যিক লেনদেন করতে পারবে পুতিনের রাশিয়া এবং মোদির (Modi) ভারত সহ ব্রিকস গোষ্ঠীর অন্যান্য দেশগুলি।

  • Russia: শতবর্ষে এই প্রথম, বৈদেশিক ঋণ শোধে ব্যর্থ রাশিয়া

    Russia: শতবর্ষে এই প্রথম, বৈদেশিক ঋণ শোধে ব্যর্থ রাশিয়া

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: একশো বছরে এই প্রথম! বিদেশি ঋণ (Foreign Debt) শোধে ব্যর্থ রাশিয়া (Russia)। ২৭ মে-র পর দেশটিকে আরও বাড়তি প্রায় এক মাস সময় দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু সেই সময় সীমা পেরিয়ে গেলেও ঋণ শোধ করতে পারেনি ভ্লাদিমির পুতিনের দেশ। দেশটিতে এমন ঘটনা আগেও ঘটেছে, বলশেভিক বিপ্লবের সময়।

    ফেব্রুয়ারি মাসের শেষের দিকে প্রতিবেশী দেশ ইউক্রেনের (Ukraine) সঙ্গে যুদ্ধে জড়িয়ে পড়ে রাশিয়া। তার পর থেকে চার মাসেরও বেশি সময় অতিক্রান্ত হয়ে গেলেও, এখনও থামেনি যুদ্ধ। পুতিনের দেশকে সবক শেখাতে একগুচ্ছ নিষেধাজ্ঞা জারি করে আমেরিকা ও ইউরোপের কিছু দেশ। তার পরেও দমানো যায়নি অদম্য রাশিয়াকে। যুদ্ধ চলছেই।

    আরও পড়ুন : রাশিয়া থেকে গ্যাস কেনা কি যুদ্ধে মদত নয়? পশ্চিমকে তোপ ভারতের

    এর আগে অন্তর্দেশীয় ঋণ পরিশোধে সর্বশেষ রাশিয়া ব্যর্থ হয়েছিল ১৯৯৮ সালে। সোভিয়েত ইউনিয়নের পতনের পরে পরে রুবেলের সংকট দেখা দেওয়ায় এমনটা হয়েছিল। তবে সেই সময় অভ্যন্তরীণ ঋণ শোধে অপারগ হলেও, বিদেশি ঋণ শোধ করেছে মস্কো। আর এখন বৈদেশিক ঋণ শোধ করতেই ব্যর্থ হয়েছে দেশটি।

    সূত্রের খবর, অনেক আগেই মস্কোর এই ঋণ শোধের কথা ছিল। কিন্তু নির্ধারিত সময়ে বিদেশি ঋণ শোধ করতে পারেনি পুতিনের দেশ। ধার শোধের সময়সীমা বাড়িয়ে করা হয় ২৭ মে। সেবারও ঋণ শোধে অপারগ হওয়ায় সময়সীমা ফের বাড়িয়ে করা হয় ২৬ জুন। এদিনও বৈদেশিক ঋণ শোধ করতে পারেনি পুতিনের দেশ। জানা গিয়েছে, বিদেশি ঋণের পরিমাণ ১ হাজার কোটি মার্কিন ডলার।

    আরও পড়ুন : ভারতের ওপর কি ক্রমশ নির্ভরশীল হয়ে পড়ছে রাশিয়া?

    কী কারণে বৈদেশিক ঋণ শোধে ব্যর্থ হয়েছে রাশিয়া? রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের জেরে রাশিয়ার ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করে আন্তর্জাতিক পেমেন্ট সিস্টেম সুইফট। যার জেরে লেনদেন করতে পারছে না পুতিনের দেশ। ফলশ্রুতিতে বৈদেশিক ঋণ শোধে ফের একবার ব্যর্থ হল মস্কো। প্রসঙ্গত, এর আগে বলশেভিক বিপ্লবের সময় ঋণ শোধ করতে অস্বীকার করেছিলেন কমিউনিস্ট নেতা ভ্লাদিমির লেনিন। একটি রাশিয়ান কোম্পানির বর্ষীয়ান কর্নধার হাসান মালিক বলেন, এটা খুবই, খুবই বিরল একটি ঘটনা। এখানে সরকার ঋণ শোধে ব্যর্থ হয়েছে বিদেশ শক্তির প্রভাবে। ইতিহাসে এই ঘটনা একটি যুগসন্ধিক্ষণ হিসেবেই চিহ্নিত হয়ে থাকবে।

     

  • Sri Lanka Crisis: কলম্বোর রাস্তা কার্যত গাড়ি শূন্য! জ্বালানি সংকটে শ্রীলঙ্কা

    Sri Lanka Crisis: কলম্বোর রাস্তা কার্যত গাড়ি শূন্য! জ্বালানি সংকটে শ্রীলঙ্কা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জ্বালানি তেলের সংকটে শ্রীলঙ্কার (Sri Lanka) রাস্তা কার্যত গাড়ি শূন্য। আর্থিক সংকটে জর্জরিত দেশ। জ্বালানি তেলেরও আকাল। আগেই জানানো হয়েছিল চাইলেই মিলবে জ্বালানি তেল (fuel crisis)। এবার জ্বালানি তেলের বিক্রিতে নিষেধাজ্ঞা জারি করল শ্রীলঙ্কা সরকার (Sri Lanka government)। শুধু আপৎকালীন পরিষেবায় যুক্ত গাড়িগুলি একমাত্র পেট্রল, ডিজেল পাবে। সে কারণেই সমস্ত বেসরকারি কর্মীদের বাড়ি থেকে কাজ করার নির্দেশ দিয়েছে সরকার। সরকারি মুখপাত্র বান্দুলা গুনাওয়ারদানা জানিয়েছেন, স্বাস্থ্যক্ষেত্রে জরুরী পরিষেবা ছাড়া কাউকে জ্বালানি তেল বিক্রি করা হবে না। কারন যেটুকু তেল রয়েছে তা বাঁচিয়ে রাখতে চাইছে সরকার। দেশবাসীর অসুবিধার জন্য সকলের কাছে ক্ষমা চেয়েছে সরকার।

    এদিকে বিভিন্ন পেট্রল পাম্পের সামনে ইতিমধ্যেই গাড়ির লম্বা লাইন পড়ে গিয়েছে।  দুশ্চিন্তার মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন বাসিন্দারা।  গত সপ্তাহেই সমস্ত সরকারি স্কুল বন্ধের নির্দেশ জারি করা হয়েছিল। কিছু অফিস স্বল্প সংখ্যক কর্মী দিয়ে চলছিল। এবার সকল সরকারি ও বেসরকারি কর্মীদের বাড়ি থেকেই কাজ করার কথা বলা হয়েছে।

    [tw]


    [/tw]

    দেশে জ্বালানির ভাণ্ডার বাড়ন্ত। এমন অবস্থায় রাশিয়া থেকে কম দামে তেল (Russian Crude Oil) কিনে অবস্থা সামাল দিতে চেষ্টা করছে শ্রীলঙ্কা। ভ্লাদিমির পুতিনের দেশের সঙ্গে তেল কেনার বিষয়ে আলোচনা করতে রাশিয়া (Russia) রওনা দিয়েছেন শ্রীলঙ্কার দুই মন্ত্রী। ইউক্রেনের সঙ্গে যুদ্ধের আবহে রুশ তেলের দাম অনেকটাই কমেছে। সেই কারণেই সস্তায় তেল কিনতে তৎপর ঋণের বোঝায় জর্জরিত দ্বীপরাষ্ট্র। বিদেশি মুদ্রাও শেষ হয়ে গিয়েছে তাদের। 

    আরও পড়ুন: আর্থিক সঙ্কটে পড়ে নিজেদের ঋণখেলাপি ঘোষণা করল শ্রীলঙ্কা

    যুদ্ধের (Russia-Ukraine War) আবহে আন্তর্জাতিক বাজারে বেড়েছে তেলের দাম। এদিকে জ্বালানি না থাকার ফলে ব্যাহত হচ্ছে বিদ্যুৎ উৎপাদন। পেট্রল কিনতে লাইনে দাঁড়িয়ে থাকতে থাকতেই মৃত্যু হচ্ছে সাধারণ মানুষের। সব মিলিয়ে শ্রীলঙ্কার অভ্যন্তরীণ অবস্থা ভয়াবহ। শ্রীলঙ্কার (Sri Lanka Crisis) বিদ্যুৎ মন্ত্রী কাঞ্চনা বিজেসেকারা জানিয়েছেন, দু’জন মন্ত্রী রাশিয়ায় যাচ্ছেন। তেল কেনা নিয়ে সেখানকার আধিকারিকদের সঙ্গে আলোচনায় বসবেন তাঁরা।

  • India US relation: ভারতের পাশে রয়েছে আমেরিকা, জানালেন মার্কিন কর্তা

    India US relation: ভারতের পাশে রয়েছে আমেরিকা, জানালেন মার্কিন কর্তা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতের (India) পাশে রয়েছে আমেরিকা (America)। সম্প্রতি একথা জানিয়েছে বাইডেন প্রশাসন। রাশিয়া (Russia) -ভারত সম্পর্ক বহু পুরানো। তখন বন্ধু (Partner) খুঁজতে তারা প্রস্তুত ছিল না বলেও জানিয়েছে আমেরিকা।

    রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের আবহে বদলে গিয়েছে বিশ্বরাজনীতি। গোটা বিশ্ব ভাগ হয়ে গিয়েছে আড়াআড়িভাবে। একটা অংশ দাঁড়িয়েছে ইউক্রেনের পাশে। আর একটি অংশ রাশিয়ার পাশে। ইউক্রেনের পাশে রয়েছে ইউরোপ ও আমেরিকা। এমতাবস্থায় ভারত এখনও সম্পর্ক রেখে চলেছে রাশিয়ার সঙ্গে। রাশিয়া থেকে অপরিশোধিত তেল কিনতে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছিল আমেরিকা। বাইডেন প্রশাসনের যে নিষেধাজ্ঞা কানে তোলেনি সাউথব্লক। যুদ্ধের আবহেও নিয়মিত জ্বালানি কিনে চলেছে ভারত। এ নিয়ে ভারতকে হুঁশিয়ারির মুখেও পড়তে হয়েছে। তার পরেও দমানো যায়নি মোদির ভারতকে। কূটনৈতিক মহলের মতে, তাই ভারতের সঙ্গে ‘সন্ধি’ করতে চাইছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র।

    আরও পড়ুন : রাশিয়া থেকে গ্যাস কেনা কি যুদ্ধে মদত নয়? পশ্চিমকে তোপ ভারতের

    মার্কিন বিদেশ দফতরের মুখপাত্র নেড প্রাইস বলেন,  আমাদের ভারতীয় বন্ধুদের সঙ্গে নানা বিষয়ে একাধিকবার আলোচনা হয়েছে। মস্কোর সঙ্গে বিভিন্ন দেশ আলাদা আলাদা সম্পর্ক রেখে চলেছে।

    এক সময় সৌদি আরব থেকে প্রচুর পরিমাণ তেল কিনত ভারত। তবে বর্তমানে সৌদি আরবকে পিছনে ফেলে দিয়েছে রাশিয়া। রাশিয়া ইউক্রেন যুদ্ধের আবহে আমেরিকার নিষেধাজ্ঞার জেরে মার্কিন ডলারে তেল কেনা যাচ্ছে না রাশিয়া থেকে। প্রত্যাশিতভাবেই সস্তা হয়েছে পুতিনের দেশের তেল। এই পরিস্থিতিতে তেলের ভাঁড়ার পূরণ করে নিতে মরিয়া ভারত। সেই কারণেই এখন রুপি-রুবেল মেকানিজম দিয়ে লেনাদেনা চালিয়ে যাচ্ছে মোদির ভারত ও পুতিনের রাশিয়া। কূটনৈতিক মহলের মতে, এটাই মাথাব্যথার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে আমেরিকার।

    আরও পড়ুন : ভারতকে না কেনার হুঁশিয়ারি দিয়ে যুদ্ধের মধ্যে রাশিয়া থেকে বেশি তেল কিনেছে আমেরিকা!

    প্রাইস বলেন, ভারত-রাশিয়া সম্পর্ক কয়েক দশকের পুরানো। এই সম্পর্ক এমন সময় বিকশিত হয়েছিল যখন আমেরিকা বন্ধু বেছে নিতে প্রস্তুত ছিল না। বর্তমানে এই পরিস্থিতি বদলে গিয়েছে। তিনি বলেন, ভারতের সঙ্গে আমরা যে বন্ধুত্বে আগ্রহী, সে কথা আমরা আমাদের ভারতীয় বন্ধুদের জানিয়ে দিয়েছি।

     

  • Russian Crude Oil: দামে ছাড়! রাশিয়ার তেলের সবথেকে বড় ক্রেতা ভারত  

    Russian Crude Oil: দামে ছাড়! রাশিয়ার তেলের সবথেকে বড় ক্রেতা ভারত  

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আগের থেকে দ্বিগুণ পরিমাণে রাশিয়ার (Russia) উড়াল পর্বতের অপরিশোধিত তেল (Ural Crude Oil) আমদানি (Import) করতে ইচ্ছুক ভারত (India)। তার জন্যে পিটার্সবার্গ থেকে নাভা সেভা বন্দর অবধি অপেক্ষাকৃত একটি ছোট রুটও বাছা হয়েছে। যাতে কম খরচে বিপুল পরিমাণে তেল আমদানি করা যায়। এই তেলের সবথেকে বড় বাজার হয়ে উঠেছে ভারত। তারপরেই তালিকায় রয়েছে চিন। কিন্তু চিনের থেকে আমদানির নিরিখে অনেক এগিয়ে ভারত। নতুন পথে তিন সপ্তাহের কিছুটা বেশি সময়েই তেল রাশিয়া থেকে পৌঁছে যাবে ভারতে। সুয়েজ খাল দিয়ে আনতে সময় লাগে দশ সপ্তাহেরও বেশি।     

    আরও পড়ুন: রাশিয়া থেকে গ্যাস কেনা কি যুদ্ধে মদত নয়? পশ্চিমকে তোপ ভারতের

    মে মাসে ভারত রাশিয়া থেকে প্রতিদিনের হিসেবে ৮,৪০,৬৪৫ ব্যারেল অপরিশোধিত তেল কিনেছে। এই মাসে তা লাফিয়ে বেড়ে গিয়েছে ১০ লক্ষে। এপ্রিলে দৈনিক তেল কেনা হত ৩,৮৮,৬৬৬ ব্যারেল। আগের বছরে মে মাসে সেই পরিমাণ ছিল ১,৩৬,৭৭৪ ব্যারেল। 

    এই মুহূর্তের ট্রেন্ড দেখে বোঝা যাচ্ছে এই মাসে ভারতে মোট অপরিশোধিত তেল আমদানির ২০%, রাশিয়ার থেকে কেনা হয়েছে। ইউক্রেন যুদ্ধের আগের থেকেও ২% বেশি। 

    আরও পড়ুন: ভারতের ওপর কি ক্রমশ নির্ভরশীল হয়ে পড়ছে রাশিয়া?

    এর একটা বড় কারণ আগের থেকে ৩০% কম দামে রাশিয়ার থেকে তেল কিনতে পারছে ভারত। তাই পশ্চিমা দেশগুলি  রাশিয়ার থেকে তেল কেনার বিষয়ে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করলেও সেই পরামর্শকে গুরুত্ব দেয়নি ভারত। দেশের স্বার্থই সবার আগে, একথা স্পষ্ট করা হয়েছে ভারতের পক্ষ থেকে। বর্তমানে বিশ্ব বাজারে তেলের দাম প্রতি ব্যারেল ১২০ মার্কিন ডলার। কিন্তু রাশিয়ার কাছ থেকে প্রতি ব্যারেল তেল ৯০ ডলারেও কমে কিনছে মোদি সরকার। দামে এই তারতম্য হওয়ার কারণ, ইউরোপের দেশগুলি রাশিয়ার থেকে তেল কেনা বাদ দিয়েছে। এ বছরের শেষে রাশিয়ার কাছ থেকে ৯০ ভাগ তেল আমদানি বন্ধ করে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে ইউরোপীয় ইউনিয়ন।     

    ইতিমধ্যেই রাশিয়া থেকে অপরিশোধিত তেল আমদানির বিষয়ে চুক্তি করেছে ভারতের বৃহত্তম তেল সংস্থা ইন্ডিয়ান অয়েল কর্পোরেশন। রাশিয়া থেকে তিন মিলিয়ন ব্যারেল অপরিশোধিত তেল আমদানির চুক্তি করেছে তারা। 

    আগে রাশিয়া থেকে ভারতে তেল আমদানিতে পরিবহণ খরচ বিপুল থাকায় কম তেল আমদানি করা হত। কিন্তু রাশিয়া তেলের দাম কমানোয় সেই দুঃখ ঘুচেছে। এখন ছোট রুটে আরও অনেক লাভের মুখ দেখবে ভারত বলে মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল। অন্যান্য তেল সংস্থাগুলিও চুক্তি সাক্ষর করতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।  

     

     

LinkedIn
Share