Tag: Russia

Russia

  • Macron Praises Modi: পুতিনকে শান্তির ললিত বাণী শুনিয়ে মাক্রঁর প্রশংসা কুড়োলেন মোদি

    Macron Praises Modi: পুতিনকে শান্তির ললিত বাণী শুনিয়ে মাক্রঁর প্রশংসা কুড়োলেন মোদি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাশিয়ার (Russia) প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনকে (Vladimir Putin) তিনি শুনিয়েছিলেন শান্তির ললিত বাণী। ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি  (PM Modi) যে উপযুক্ত সময়ে ঠিক কথাটিই বলেছেন তা মেনে নিলেন ফ্রান্সের (France) প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল মাক্রঁ (Emmanuel Macron)। নিউ ইয়র্ক শহরে রাষ্ট্রসংঘের সাধারণ সভার ৭৭ তম অধিবেশনে ভাষণ দিচ্ছিলেন ফান্সের প্রেসিডেন্ট। সেখানেই মোদি যে ঠিক কথাই বলেছেন, তা মনে করিয়ে দেন মাক্রঁ।

    ওই অধিবেশনে ফরাসি প্রেসিডেন্ট বলেন, ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ঠিকই বলেছেন। তিনি বলেছিলেন এটা যুদ্ধের উপযুক্ত সময় নয়। এটা পশ্চিমের বিরুদ্ধে প্রতিশোধ কিংবা প্রতীচ্যের বিরুদ্ধে পাশ্চাত্যের বিরোধিতাও নয়। এই সময়টা আমাদের সার্বভৌম রাষ্ট্রগুলির কাছে গুরুত্বপূর্ণ। আমাদের সামনে যে সব চ্যালেঞ্জ রয়েছে, তার মোকাবিলা করার সময়।

    রাশিয়া ইউক্রেন যুদ্ধ এখনও শেষ হয়নি। ইতিমধ্যেই অতিক্রান্ত হয়েছে ছ মাসেরও বেশি সময়। এহেন যুদ্ধের আবহে সম্প্রতি এসসিও সম্মেলনে যোগ দিতে উজবেকিস্তানের সমরখন্দে গিয়েছিলেন মোদি ও মাক্রঁ। সেখানেই মুখোমুখি হয়েছিলেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। তখনই মোদি পুতিনকে বলেছিলেন, এই যুগ যুদ্ধের নয়। এবং এটা আমি আপনাকে ফোনেও বলেছি। আজ আমরা মুখোমুখি আলোচনা করার সুযোগ পেয়েছি। কীভাবে আমরা শান্তির পথে অগ্রসর হব, তা নিয়ে আলোচনা করতে পারি। বেশ কয়েক দশক ধরে ভারত এবং রাশিয়া একজন আরেকজনের পাশে রয়েছে।

    আরও পড়ুন : ‘‘এটা যুদ্ধের সময় নয়, বন্ধু…’’, পুতিনকে যখন এই কথা বললেন মোদি

    মোদি পুতিনকে বলেন, আমরা বিভিন্ন সময় ভারত-রাশিয়া দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক সহ নানা বিষয়ে একাধিকবার ফোনে কথা বলেছি। আমাদের খাদ্যসঙ্কট মোকাবিলার পথ খোঁজা উচিত। জ্বালানির নিরাপত্তা এবং সারের সমস্যা সমাধানের পথও খোঁজা উচিত। ইউক্রেনে পাঠরত পড়ুয়াদের দেশে ফেরাতে সাহায্য করায় আমি রাশিয়া এবং ইউক্রেনকে ধন্যবাদ জানাই। মোদির এহেন বক্তব্যের প্রেক্ষিতে পুতিন জানান, রাশিয়া ইউক্রেন দ্বন্দ্বে তিনি ভারতের অবস্থান জানেন। পুতিন বলেন, আমি আপনার অবস্থান জানি। উদ্বেগের কারণও জানি। আমরা যত তাড়াতাড়ি সম্ভব এসবে ইতি টানব।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • India Russia Rupee Trade: ভারত-রাশিয়া বাণিজ্যে লেনদেন হবে টাকায়! প্রক্রিয়া চালু শীঘ্রই

    India Russia Rupee Trade: ভারত-রাশিয়া বাণিজ্যে লেনদেন হবে টাকায়! প্রক্রিয়া চালু শীঘ্রই

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মিটতে চলেছে দীর্ঘদিনের সমস্যা। শেষমেশ শুরু হতে চলেছে ভারত-রাশিয়া বাণিজ্য (India Russia Trade)। বাণিজ্য হবে ভারতীয় মুদ্রা রুপিতে (Rupee)। বুধবার এ খবর জানিয়েছে ফেডারেশন অফ ইন্ডিয়ান এক্সপোর্ট অর্গানাইজেশনের প্রেসিডেন্ট এ শক্তিভেল। তিনি জানান, এ ব্যাপারে রাজিও হয়েছে স্টেট ব্যাংক অফ ইন্ডিয়া (SBI)।

    রাশিয়া ইউক্রেন যুদ্ধ শুরু হয় চলতি বছরের ফেব্রুয়ারির শেষের দিকে। তার পরেই পশ্চিমের বহু দেশ ইউক্রেনে রাশিয়ার আগ্রাসনের বিরুদ্ধে সরব হয়। এই দেশগুলির মধ্যে আমেরিকাও রয়েছে। ঘটনার জেরে রাশিয়ার ওপর অর্থনীতি সহ বিভিন্ন ধরনের নিষেধাজ্ঞা জারি করেছিল পশ্চিমের দেশগুলি। তার জেরে সমস্যায় পড়ে পুতিনের দেশ। মার খায় বাণিজ্যও। এপ্রিল থেকে জুলাই এই চার মাসে রাশিয়া থেকে ভারতের রফতানি কমে যায় এক তৃতীয়াংশ। যদিও রাশিয়া থেকে তেল কিনতে থাকে ভারত।

    এ শক্তিভেল বলেন, স্টেট ব্যাংক অফ ইন্ডিয়া রাশিয়ার সঙ্গে রুপিতে বাণিজ্য করতে এগিয়ে এসেছে। দেশের আরও কয়েকটি ব্যাংকও এ ব্যাপারে আগ্রহ দেখিয়েছে। তিনি জানান, ভারতের তরফে স্টেট ব্যাংক অফ ইন্ডিয়া যেমন এগিয়ে এসেছে, তেমনি রাশিয়ার কোন ব্যাংক এ ব্যাপারে এগিয়ে আসবে, তা জানিয়ে দেওয়া হবে আগামী ১৫ দিনের মধ্যে।

    আরও পড়ুন : পাকিস্তানকে এফ-১৬ যুদ্ধবিমানের যন্ত্রাংশ দেওয়ার মার্কিন সিদ্ধান্তে ক্ষুব্ধ ভারত

    জুলাই মাসে রিজার্ভ ব্যাংক অফ ইন্ডিয়া (SBI) একটি মেকানিজম চালু করে। রুপিতে যাতে আন্তর্জাতিক বাণিজ্য চালু রাখা যায় তাই এই ব্যবস্থা। এর মূল উদ্দেশ্য পশ্চিমের দেশগুলোর নিষেধাজ্ঞার জেরে রাশিয়ার সঙ্গে অর্থনৈতিক লেনদেন যে বন্ধ হয়ে রয়েছে, তা ফের চালু করা। ইরানের সঙ্গেও ভারতের এরকম পেমেন্ট সিস্টেম চালু রয়েছে। এই ইরানের বিরুদ্ধেও অর্থনৈতিক সহ নানা নিষেধাজ্ঞা জারি করেছিল পশ্চিমের দেশগুলি। ভারতের একাধিক সংস্থা রাশিয়ার সঙ্গে বাণিজ্য সচল রাখতে ডলার এবং ইউরোর ব্যবহার কমাচ্ছে। এফআইইও প্রেসিডেন্ট বলেন, নয়া মেকানিজম ব্যবহার করে রাশিয়ায় রফতানি বাড়াতে চাইছে সরকার। বিনিময়ের মাধ্যম হিসেবে ঘরোয়া মুদ্রাকেই ব্যবহার করতে চাইছে তারা। ভারতের অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামণও সম্প্রতি জানিয়েছিলেন, রিজার্ভ ব্যাংকের এ হেন মেকানিজম চালুর পরে অনেক দেশই দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য সচল রাখতে এই পন্থা অবলম্বন করতে আগ্রহ দেখিয়েছে।

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Russia: পুতিনের সামরিক ঘোষণার পরই রাশিয়া ছাড়ার ধুম, ‘ওয়ান ওয়ে ফ্লাইট’ টিকিটের চাহিদা তুঙ্গে

    Russia: পুতিনের সামরিক ঘোষণার পরই রাশিয়া ছাড়ার ধুম, ‘ওয়ান ওয়ে ফ্লাইট’ টিকিটের চাহিদা তুঙ্গে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পুতিনের (Vladimir Putin) রাশিয়ার (Russia) সীমান্তে সেনা গতিবিধি বাড়ানোর পরেই রাশিয়া ছেড়ে পালানোর ধুম পড়ল। একদিনেই বিক্রি হয়ে গেল রাশিয়া থেকে বাইরে যাওয়ার সব ওয়ান ওয়ে টিকিট (One way flight ticket from Russia sold out)। আকাশ ছোঁয়া হল টিকিটের দামও। পুতিনের ঘোষণার পরেই ভয় জন্মেছে রাশিয়াবাসীর মনে। অনেকেই মনে করছেন রাশিয়ায় সামরিক শাসন কায়েম হতে পারে যেকোনও মুহূর্তে। যুদ্ধ করতে পারেন এমন নাগরিকদের দেশের বাইরে যাওয়ার অনুমতি দেওয়া হবে না বলে ভয় পাচ্ছেন তাঁরা। আর দেশ ছেড়ে পালানোর এই ঢল। 

    আরও পড়ুন: সীমান্তে ৩০ লক্ষ অতিরিক্ত সেনা মোতায়েন রাশিয়ার, পশ্চিমি দেশগুলিকে হুঁশিয়ারি পুতিনের

    আন্তর্জাতিক উড়ান টিকিটিং সার্ভিস ফ্লাইটরাডার২৪- এর একটি ট্যুইটে দেখা গিয়েছে গুগল ট্রেন্ডসে দেখা যাচ্ছে মস্কো এবং সেন্ট পিটারবার্গ থেকে বহু ওয়ান ওয়ে টিকিট কাটা হয়েছে। গগনচুম্বী হয়েছে টিকিটের দাম। 

     

    একটি রিপোর্টে দেখা গিয়েছে বুধবার অবধি বিদ্যুৎ বেগে বিক্রি হয়ে যায় সব টিকিট। রাষ্ট্রপতি ভ্লাদিমির পুতিনের ঘোষণার পরই বন্ধ করে দেওয়া হয় টিকিট বিক্রি। 

    আরও পড়ুন: পুতিনকে শান্তির ললিত বাণী শুনিয়ে মাক্রঁর প্রশংসা কুড়োলেন মোদি

    গতকালই রাশিয়ার সীমান্তে সেনা গতিবিধি বাড়ানোর ঘোষণা করেছেন রাষ্ট্রপতি পুতিন। অতিরিক্ত ৩ লক্ষ সেনা মোতায়েন করা হয়েছে। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের (World War II) পর এই প্রথম সেনার গতিবিধি বাড়াল পুতিনের দেশ। আড়াই কোটি রিজার্ভড সেনা থেকে এই ৩ লক্ষ সেনা টানা হয়েছে। বুধবার এই সংক্রান্ত একটি নির্দেশিকায় সই করেছেন রুশ রাষ্ট্রপতি ভ্লাদিমির পুতিন। এক সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে পুতিন বলেন, “পশ্চিমি দেশগুলি রাশিয়াকে ধ্বংস করতে চায়। দেশের সুরক্ষার স্বার্থেই সীমান্তে সেনা সংখ্যা বাড়ানো হচ্ছে।” 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

     
     
  • Modi Putin Meet: শুক্রবার দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে মোদি-পুতিন, কী নিয়ে আলোচনা হতে পারে?

    Modi Putin Meet: শুক্রবার দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে মোদি-পুতিন, কী নিয়ে আলোচনা হতে পারে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সাংহাই কো-অপারেশন অর্গানাইজেশন সংক্ষেপে এসসিও সম্মেলনে (SCO Summit 2022) যোগ দিতে সমরখন্দে (Samarkhand) গিয়েছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (Modi)। আগামিকাল, শুক্রবার উজবেকিস্তানে (Uzbekistan) আলাদা করে বৈঠক করতে চলেছেন ভারতের (India) প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন (Russian President Vladimir Putin)। ক্রেমলিন সূত্রেই এ খবর জানানো হয়েছে। পরস্পর বন্ধু  এই দুই রাষ্ট্রপ্রধানের মধ্যে বাণিজ্য এবং ভারতীয় বাজারে রাশিয়ান সারের সম্পৃক্তি নিয়ে আলোচনা হবে। একটি বিবৃতি জারি করে ক্রেমলিন জানিয়েছে, ভারতীয় বাজারে রাশিয়ান সারের সম্পৃক্তি ও খাদ্য সরবরাহ নিয়ে আলোচনা হবে দু দেশের মধ্যে।

    স্ট্র্যাটেজিক স্টেবিলিটি, এশিয়া-প্যাশিফিক অঞ্চলের পরিস্থিতি এবং রাষ্ট্রসংঘ (United Nations) ও জি-২০তে (G-20) দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতা নিয়েও আলোচনা হবে। রাশিয়ান নিউজ এজেন্সি তাস জানিয়েছে, মোদির সঙ্গে পুতিনের বৈঠকে আন্তর্জাতিক নানা বিষয় নিয়ে আলোচনা হবে। এশিয়া প্যাসিফিক অঞ্চলের পরিস্থিতি, রাষ্ট্রসংঘ, জি-২০ এবং এসসিও-য় দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতা নিয়েও আলোচনা হবে। প্রেসিডেন্টের সহযোগী ইউরি উষাকভ বলেন, দুই দেশের এই সব বিষয়ে আলোচনা হওয়া খুবই গুরুত্বপূর্ণ। কারণ ডিসেম্বরে ভারত রাষ্ট্রসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের সভাপতিত্ব করবে। ২০২৩ সালে ভারত নেতৃত্ব দেবে এসসিও-র। ওই বছরই ভারতের সভাপতিত্বে হবে জি-২০ বৈঠকও।

    আরও পড়ুন : বৈঠক হবে শেহবাজ, শি-র সঙ্গে? এসসিও সম্মেলনে যোগ দিতে আজই সমরখন্দে প্রধানমন্ত্রী

    ক্রেমলিনের তরফে এসব বলা হলেও, ভারতের বিদেশ মন্ত্রকের তরফে বৃহস্পতিবার দুপুর পর্যন্তও মোদি-পুতিন বৈঠকের (Modi-Putin Meet) ব্যাপারে নিশ্চিত করা হয়নি। তবে দুই দেশের এই বৈঠকটি যে গুরুত্বপূর্ণ তা মানছে আন্তর্জাতিক মহলও। কারণ রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের (Ukraine Russia War) আবহে রাশিয়া (Russia) থেকে অপরিশোধিত তেল কিনছে ভারত (India)। আমেরিকা সহ পশ্চিমের বিভিন্ন দেশের নিষেধাজ্ঞা উড়িয়েই রাশিয়া থেকে ওই তেল কিনছে নয়াদিল্লি। ভারত যে জ্বালানির জন্য চড়া দর দিতে অপারগ, সে কথা জানিয়ে দিয়েছেন ভারতের বিদেশ মন্ত্রী এস জয়শঙ্কর (S Jaishankar)। তিনি বলেন, আমরা এমন একটি দেশ, যেখানে মাথা পিছু আয় দু’হাজার মার্কিন ডলার। তাই আমরা চড়া দরে জ্বালানির মূল্য চোকাতে পারব না। তিনি বলেন, এটা আমার বাধ্যবাধকতা এবং নৈতিক কর্তব্য যে যেখানে কমে পাব, সেখান থেকেই জ্বালানি কিনব। তিনি বলেন, ভারতের এই অবস্থানের কথা জানে আমেরিকাও।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Gujarat: বিয়ের আট বছর পর স্ত্রী জানলেন স্বামী আদতে মহিলা ছিলেন 

    Gujarat: বিয়ের আট বছর পর স্ত্রী জানলেন স্বামী আদতে মহিলা ছিলেন 

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিয়ে হয়েছে সেই আট বছর আগে। মাঝে কেটে গিয়েছে বহু সময়। কিন্তু এতদিন পরে জানতে পারেন তিনি ছলনার শিকার। স্বামীর পূর্ব পরিচয় জানতে পেরে মাথায় হাত গুজরাটের (Gujarat) ভদোদরার (Vadodara) এক মহিলার। যাকে আট বছর ধরে স্বামী হিসেবে জেনে এসেছেন, তিনি আদতে মহিলা হয়ে জন্মেছিলেন! এতদিন পরে বিষয়টি জানতে পেরেই ভদোদরার গোত্রী থানায়  অভিযোগ দায়ের করেছেন তিনি। তাঁর অভিযোগ, বিয়ের সময় নিজের লিঙ্গ পরিচয় লুকিয়ে গিয়েছিলেন স্বামী। গত আট বছরে বহুবার বিকৃত যৌনতার শিকার হয়েছেন বলেও পুলিশকে জানিয়েছেন ওই মহিলা। দিল্লির বাসিন্দা ওই অভিযুক্তকে আটক করেছে গুজরাটের গোত্রী থানার পুলিশ।

    আরও পড়ুন: ৭০ দশক পর চিতা ফিরল দেশে, ছাড়া হল কুনো জাতীয় উদ্যানে  

    ওই মহিলা জানিয়েছেন, ২০১৪ সালে বিয়ে হয় তাঁদের। একটি ম্যাট্রিমনি সাইটে পরিচয় হয় তাঁর । সেই সময় স্বামীর অতীত নিয়ে কিছুই জানতেন না বলে পুলিশকে জানিয়েছেন ওই মহিলা। পরিবারের উপস্থিতিতে আট বছর আগে বিয়ে হয়। বিয়ের পর মধুচন্দ্রিমায় কাশ্মীরেও যান দুজনে। তবে কিছুদিন পরেই ছন্দ কাটে! মহিলার দাবি স্বামী বিয়ের পর থেকেই শারীরিক সম্পর্কে তেমন উৎসাহ দেখাতেন না। নানা অছিলায় এড়িয়ে যেতেন অন্তরঙ্গতা। মহিলার দাবি, শেষে জোরাজুরি করায় বিরাজ তাঁকে জানান রাশিয়াতে (Russia) একটি দুর্ঘটনার কারণে শারীরিক সম্পর্ক স্থাপনে তিনি অক্ষম। বছর চল্লিশের ওই মহিলার এটা দ্বিতীয় বিয়ে। ২০১১ সালে তাঁর প্রথম স্বামীর মৃত্যু হয়। তাঁর একটি মেয়েও রয়েছে।                               

    কিন্তু এত কিছুর পরেও স্বামীর আসল পরিচয় জানতে পারেননি তিনি। বরং স্বামী তাঁকে আশ্বাস দেন ছোট একটি অস্ত্রোপচারের পর সব ঠিক হয়ে যাবে। এতদিন সেই আশাতেই দিন কাটিয়েছেন ওই মহিলা। পুলিশকে মহিলা জানিয়েছেন, ২০২০ সালে ওজন কমানোর সার্জারির নামে কলকাতায় যান তাঁর স্বামী। পরে মহিল জানতে পারেন ওজন কমানো নয়, লিঙ্গ বদলের অস্ত্রোপচার করিয়েছেন তিনি!

    আরও পড়ুন: মোদির জন্মদিনে পুজো বা কেক কাটা নয় আজ থেকে সেবাপক্ষ শুরু বিজেপির 
     
    ভদোদরার গোত্রী থানায় স্বামীর বিরুদ্ধে বিকৃত যৌনতা এবং জালিয়াতির অভিযোগ দায়ের করেছেন মহিলা। তাঁর দাবি, বিষয়টি প্রকাশ্যে আনলে ভয়ঙ্কর পরিণতি হবে বলেও হুমকি দেওয়া হত ওই মহিলাকে। পুলিশ জানিয়েছেন অভিযুক্ত বিরাজ বর্ধনের আসল নাম বিজয়েতা। স্ত্রীর নামে ৯০ লাখ টাকা ধার নিয়ে এক ফ্ল্যাট কেনারও অভিযোগ উঠেছে তাঁর বিরুদ্ধে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

     
  • Vladimir Putin: ফের হত্যার চেষ্টা পুতিনকে! কীভাবে বাঁচলেন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট?

    Vladimir Putin: ফের হত্যার চেষ্টা পুতিনকে! কীভাবে বাঁচলেন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গুপ্তঘাতকের হামলা এড়ালেন রাশিয়ার (Russia) প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন (Vladimir Putin)। যদিও এ ব্যাপারে রাশিয়ার কোনও সংবাদপত্রে কিছু বলা হয়নি। তবে ইউরো উইকলি (Euro Weekly) সংবাদপত্রের প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, সম্প্রতি হত্যার চেষ্টা করা হয় রাশিয়ার প্রেসিডেন্টকে। যদিও অল্পের জন্য বেঁচে যান তিনি। রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের আবহে এই ঘটনা যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ বই কি!

    পুতিনের স্বাস্থ্য নিয়ে জল্পনা ছড়িয়েছে বারবার। তবে সেসব ছাপিয়ে এই মুহূর্তে ছড়িয়েছে তাঁর গুপ্তহত্যা এড়ানোর খবর। ২০১৭ সালে পুতিন নিজেই জনসমক্ষে জানিয়েছিলেন, অন্তত পাঁচবার তাঁকে খুনের চেষ্টা করা হয়েছে। প্রতিবারই তিনি বেঁচে গিয়েছেন। একটি টেলিগ্রাম চ্যানেলের খবর অনুযায়ী, পুতিনের লিমুজিনের সামনের বাঁ দিকের চাকায় বিরাট আওয়াজ হয়। গাড়ি থেকে বেরতে থাকে ধোঁয়া। তবে গাড়িটি নিরাপদে চালিয়ে নিয়ে চলে যান চালক। ঘটনায় অক্ষত থেকে গিয়েছেন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট। ওই ঘটনায় একাধিক ব্যক্তিকে গ্রেফতার করা হয়েছে। বেশ কিছুদিন ধরেই পুতিনের প্রাণনাশের আশঙ্কা ছিল। সেই মতো করা হয়েছিল কঠোর নিরাপত্তার ব্যবস্থাও। তার পরেও এড়ানো যায়নি গুপ্তঘাতকের হামলা। ওই ঘটনায় বহিষ্কার করা হয় পুতিনের প্রধান দেহরক্ষীকে। বহিষ্কার করা হয়েছে পুতিনের নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা একাধিক কর্মীকেও। ঘটনার পর থেকে তাঁর যাবতীয় কর্মসূচি গোপন করে রাখা হচ্ছে। অতি বিশ্বস্ত অল্প কয়েকজন ছাড়া তাঁর কর্মসূচি সম্পর্কে জানতে পারছেন কেউই।

    আরও পড়ুন: ভারত-রাশিয়া বাণিজ্যে লেনদেন হবে টাকায়! প্রক্রিয়া চালু শীঘ্রই

    রাশিয়া ইউক্রেন যুদ্ধ শুরু হয় চলতি বছরের ফেব্রুয়ারি মাসের শেষের দিকে। তার পর থেকে পুতিন সম্পর্কে নানা গুঞ্জন শোনা যাচ্ছিল। তবে তিনি অল্পের জন্য গুপ্তহত্যা এড়িয়েছেন, সে ব্যাপারে কোনও খবরই প্রকাশিত হয়নি রাশিয়ার কোনও সংবাদপত্রে। একটি সংবাদ মাধ্যমের খবরে অবশ্য প্রকাশ, পুতিনকে হত্যার চেষ্টা করা হয়েছিল। অল্পের জন্য মৃত্যুর থাবা এড়িয়েছেন তিনি।

    জানা গিয়েছে, পুতিনের দেশে ক্রমেই ক্ষোভ জমছে প্রেসিডেন্টের বিরুদ্ধে। ঘটনার জেরে কিছু দিন আগেই সেন্ট পিটার্সবার্গের এক দল রাজনীতিবিদ স্টেট দুমায় পুতিনের বিরুদ্ধে বিশ্বাসঘাতকতার অভিযোগ নিয়ে এসেছিলেন। ওই অভিযোগপত্রে স্বাক্ষর করেছিলেন সেন্ট পিটার্সবার্গের ৬৫ জন মিউনিসিপ্যাল প্রতিনিধি, মস্কো ও বিভিন্ন এলাকার রাজনীতিবিদেরা। পুতিনের পদত্যাগও দাবি করেন তাঁরা।

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • SCO Summit 2022: মোদির মুখোমুখি শি, শেহবাজ! এবারের এসসিও সম্মেলনে ভারতের গুরুত্ব কতটা?

    SCO Summit 2022: মোদির মুখোমুখি শি, শেহবাজ! এবারের এসসিও সম্মেলনে ভারতের গুরুত্ব কতটা?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শুরু হল ২২তম সাংহাই কোঅপারেশন অর্গানাইজেশন সামিট, সংক্ষেপে এসসিও (SCO)। দু দিনের এই সম্মেলন শুরু হয়েছে উজবেকিস্তানের সমরখন্দে। ভারতের (India) প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi), চিনের (China) প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং (Xi Jinping), রাশিয়ার (Russia) প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন (Vladimir Putin), পাকিস্তানের (Pakistan) প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ (Shehbaz Sharif) যোগ দিয়েছেন এই সম্মেলনে। এই প্রথম বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রপ্রধানেরা মুখোমুখি হবে এই সম্মেলনে। কারণ অতিমারির কারণে এর আগে দুবার এসসিও সামিট হয়েছিল ভার্চুয়ালি।এক মঞ্চে জিনপিং এবং পুতিনের আগমনে যেমন নয়া সমীকরণের ইঙ্গিত পাচ্ছে আন্তর্জাতিক মহল, তেমন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির উপস্থিতিও নজর কাড়ছে বিশ্ববাসীর।

    আঞ্চলিক নিরাপত্তা, প্রতিরক্ষা, মাদক পাচার, সন্ত্রাসবাদ বিরোধী ইস্যু সহ নানা বিষয়ে সহযোগিতা কামনা করে ভারত। এসসিও ভারতকে বহুপাক্ষিক ও আঞ্চলিক বিভিন্নভাবে সহযোগিতা করে। যদিও ভারতের প্রতিবেশী দেশগুলি ভারতে সামাজিক ক্ষত তৈরি করতে যুবসমাজকে টার্গেট করছে বলে অভিযোগ। ভারত যখন থেকে এসসিওর সদস্য হয়েছে, তখন থেকেই শান্তি, সমৃদ্ধি এবং ইউরেশিয়ান অঞ্চলে স্থায়িত্বের ওপর জোর দিচ্ছে। এসসিও নয়াদিল্লির কাছে একটা প্ল্যাটফর্ম হিসেবেও কাজ করছে। যার মাধ্যমে পাকিস্তানকে সেন্ট্রাল এশিয়া এবং সাউথ এশিয়া সম্পর্কে তার দৃষ্টিভঙ্গি বদলাতে বাধ্য করে। ভারত এই সম্মেলনে ছাবাহার বন্দর প্রোজেক্ট এবং ইন্টারন্যাশনাল নর্থ সাউথ ট্রান্সপোর্ট করিডর নিয়েও আলোচনা করতে পারে। ভারত, ইরান এবং উজবেকিস্তান এই তিন দেশ ছাবাহার বন্দর ও অন্যান্য কানেক্টিভিটি প্রজেক্ট নিয়ে আলোচনা করেছিল ২০২০ সালে।এই সামিটের মাধ্যমে ভারত রাশিয়া, ইরান এবং সেন্ট্রাল এশিয়ান রিপাবলিক্সের সঙ্গে তার দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক ঝালিয়ে নেওয়ার একটা সুযোগ পেল বলেই ধারণা ওয়াকিবহাল মহলের।

    আরও পড়ুন : শুক্রবার দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে মোদি-পুতিন, কী নিয়ে আলোচনা হতে পারে?

    এদিকে, এই সম্মলেনর ফাঁকেই প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে আলাদা করে বৈঠকে বসতে পারেন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। চিনা প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের সঙ্গে মোদির আলাদা করে বৈঠক হওয়ার সম্ভাবনাও রয়েছে। রাশিয়া ইউক্রেন যুদ্ধ চলাকালীন সময়ে ভারত রাশিয়া থেকে জ্বালানি কিনেছে। তাই এই বৈঠকের দিকে শ্যেনদৃষ্টি রয়েছে আমেরিকারও। এদিকে, এবারের সমরখন্দ সামিটে যোগ দেওয়ার কথা শি জিনপিংয়ের। ২০২০ সালের পর অতিমারির কারণে তিনি দেশের বাইরে পা রাখেননি। তাই তিনি এই সামিটে যোগ দেওয়ায় শুরু হয়েছে নয়া গুঞ্জন।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Russia-Ukraine: রুশ বাহিনীর সঙ্গে জোর টক্কর ইউক্রেনের! খারকিভ থেকে সেনা প্রত্যাহার রাশিয়ার

    Russia-Ukraine: রুশ বাহিনীর সঙ্গে জোর টক্কর ইউক্রেনের! খারকিভ থেকে সেনা প্রত্যাহার রাশিয়ার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধে (Russia – Ukraine War) বড়সড় সাফল্য অর্জন করল ইউক্রেন। গতকাল, শনিবার, রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে ঘোষণা করা হয়েছে যে, তারা ইউক্রেনের পূর্ব খারকিভ অঞ্চলের দুটি এলাকা থেকে সৈন্য প্রত্যাহার করেছে। প্রায় সাত মাস ধরে চলছে রাশিয়া-ইউক্রেনের যুদ্ধ। রাশিয়া তাদের বিশাল সেনাবাহিনীর সাহায্যে ইউক্রেনের একের পর এক এলাকা দখল করলেও ইউক্রেন বাহিনীও তা পুনরুদ্ধারের চেষ্টা চালিয়ে গিয়েছিল। ফলে ইউক্রেনের এই প্রচেষ্টাই যেন সফল হল।

    ইউক্রেনীয় বাহিনীর অগ্রযাত্রার মুখে দেশটির উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় খারকিভ এলাকা থেকে পিছু হটছে রুশ বাহিনী। ইউক্রেনের বাহিনী খারকিভ অঞ্চলে রুশ নিয়ন্ত্রিত অঞ্চলে অগ্রসর হয়েছে ও মাত্র তিন দিনের মধ্যে ইউক্রেনের সেনারা রুশ সেনাদের কাছ থেকে খারকিভ অঞ্চলের বেশিরভাগ অংশ পুনর্দখল করে নিয়েছে। দেশের রাজধানী কিয়েভ দখল করার রাশিয়ান প্রচেষ্টাকে ব্যর্থ করে দিয়েছে ইউক্রেন বাহিনী। শনিবার ইউক্রেনের সেনারা খারকিভের গুরুত্বপূর্ণ ইজিয়াম শহরও দখল করে নেয়৷ ইউক্রেনের বাহিনী দ্রুত অগ্রসর হতে থাকায় যুদ্ধের অন্যতম একটি ফ্রন্ট লাইন হঠাৎ ভেঙে পড়ার জন্য রাশিয়া সেখান থেকে সরে গেছে। শনিবার খারকিভ প্রদেশের ইজিয়ামের হাতছাড়া হয়ে যাওয়ায় ইউক্রেন যুদ্ধে রাশিয়ার সবচেয়ে পরাজয় ছিল এটি।

    রুশ বাহিনী ইজিয়ামকে তাদের যুদ্ধের প্রধান লজিস্টিক ঘাঁটি হিসেবে ব্যবহার করছিল। এখন থেকেই ইউক্রেনের বহু জায়গায় হামলা চালিয়ে আসছিল। যদিও রুশ প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইগর কোনাশেনকভ জানিয়েছেন, ইজিয়াম এলাকা থেকে পূর্ব দোনেৎস্ক অঞ্চলে সেনাদের পুনর্গঠন করা হবে।

    আরও পড়ুন: চিন, রাশিয়ার সঙ্গে যুদ্ধ-মহড়া ভারতের, চিন্তায় আমেরিকা

    সূত্রের খবর অনুযায়ী, ওই অঞ্চলের বালাকলিয়া শহরের কাছে রাশিয়া ও ইউক্রেনের সেনাবাহিনীর মধ্যে প্রচণ্ড লড়াই চলছে। ওই শহরটি পুনরুদ্ধারের দাবি করেছে কিয়েভ। আরও জানা গিয়েছে,  বালাকলিয়া এখন আর রুশ সেনার নিয়ন্ত্রণে নেই। ইউক্রেনের সেনাবাহিনীকে সরিয়ে দেওয়ার চেষ্টায় তুমুল লড়াই চলছে। কিন্তু অন্যদিকে ইউক্রেনের প্রতিরক্ষা মন্ত্রী ওলেক্সি রেজনিকভ টেলিভিশন চ্যানেল জানিয়েছেন, যে রাশিয়ানদের কাছে তাদের সৈন্যদের জন্য কোন খাদ্য বা জ্বালানী নেই কারণ কিয়েভ তাদের সরবরাহ লাইন বন্ধ করে দিয়েছে।

    ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি (Volodymyr Zelenskyy) শুক্রবার বলেছেন যে, সেনারা পাল্টা আক্রমণ শুরুর পর থেকে খারকিভ অঞ্চলে ৩০ টিরও বেশি এলাকা পুনরুদ্ধার করেছে।

    ফলে গত সাত মাস ধরে চলা রাশিয়া ইউক্রেন যুদ্ধে প্রথম দিকে ইউক্রেন দুর্বল হয়ে পড়লেও ফের দখল করতে লড়াই শুরু করেছে জেলেনস্কি বাহিনী। কারণ যেখানে ৫৫ হাজার মানুষের শহর ইজিয়াম দখল করতে ছয় সপ্তাহ পরিশ্রম করেছিল রুশ সেনারা৷ সেখানে ইউক্রেনীয় সেনারা সপ্তাহখানেক অভিযান চালিয়েই শহরটি পুনর্দখল করেছে।

  • War games: চিন, রাশিয়ার সঙ্গে যুদ্ধ-মহড়া ভারতের, চিন্তায় আমেরিকা

    War games: চিন, রাশিয়ার সঙ্গে যুদ্ধ-মহড়া ভারতের, চিন্তায় আমেরিকা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারত যেন আলোচনার কেন্দ্র বিন্দু। ভারতকে নিয়ে চলছে দড়ি টানাটানি খেলা। পৃথিবীর সব শক্তিধর দেশই নিজের দলে রাখতে চাইছে ভারতকে। তাই রাশিয়ায় চিনের সঙ্গে সামরিক মহড়ায় অংশগ্রহণের ভারতের সিদ্ধান্তে উদ্বিগ্ন যুক্তরাষ্ট্র (USA)। 

    বৃহস্পতিবার থেকে পূর্বাঞ্চলে সপ্তাহব্যাপী যৌথ সামরিক মহড়ার (War Games) আয়োজন করেছে রাশিয়া (Russia)৷ চিন (China), ভারতসহ সোভিয়েত ইউনিয়নের কয়েকটি দেশ অংশ নিচ্ছে এই সামরিক মহড়ায়৷ 

    আরও পড়ুন: রাষ্ট্রসংঘের নিরাপত্তা পরিষদে এই প্রথম রাশিয়ার বিরুদ্ধে ভোট দিল ভারত!

    ভস্তক ২০২২ নামের এই সামরিক মহড়ায় ৫০ হাজারের বেশি সৈন্য অংশ নেবেন৷ ১৪০টি যুদ্ধ বিমান এবং ৬০ টি যুদ্ধ জাহাজ ব্যবহার করা হবে এই মহড়ায়৷ তবে ২০১৮  সালে শেষবার অনুষ্ঠিত হয়েছিল এই মহড়া। প্রায় তিন লক্ষ সেনা অংশ নিয়েছিলেন৷ সেই সময় প্রায় ১ হাজার যুদ্ধ বিমান এবং ৩৬ হাজার ট্যাঙ্ক ছিল৷   

    ২০২০ সালে গালওয়ান উপত্যকায় সংঘর্ষের পরেই ভারত-চিন দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের অবনতি ঘটে। তারপর থেকেই দুই দেশের যৌথ সামরিক মহড়া বন্ধ রাখা হয়েছে। বার বার আলোচনায় বসেও কোনও সমাধান সূত্র মেলেনি। এই অবস্থায় কী করে এই দুই দেশকে একসঙ্গে মহড়ায় রাজী করাল রাশিয়া, তা নিয়ে অবাক হয়েছেন অনেকেই। 

    আরও পড়ুন: চিনের অমানবিকতা! উইঘোর বাসিন্দাদের উপর নির্মম বেজিং, দাবি রাষ্ট্রপুঞ্জে

    সংশ্লিষ্ট মহলের অনুমান, কোণঠাসা অবস্থায় দুই পুরোনো বন্ধুকে পাশে পেতে চাইছে রাশিয়া। ইউক্রেনে হামলা চালানোর পরে অধিকাংশ দেশগুলি রাশিয়ার নিন্দা করলেও, প্রকাশ্যে মস্কোর পাশে দাঁড়িয়েছে চিন (China)। প্রবল চাপ সত্বেও রাশিয়ার নিন্দা করেনি ভারত। আর সে কারণেই ভারত এবং চিনের মধ্যে সমস্ত বিবাদ মিটিয়ে দিতে চাইছেন পুতিন, যেন প্রয়োজন পড়লে দুই দেশই রাশিয়ার পাশে দাঁড়াতে পারে। 

    অন্যদিকে ভারতকে নিজেদের প্রতিরক্ষা অংশীদার করতে চাইছে আমেরিকা। ইউক্রেনের যুদ্ধের জন্য রাশিয়ার ওপর আরোপিত আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞাগুলো যাতে খর্ব না হয় তার জন্যে দিল্লিকে অনুরোধ করছে যুক্তরাষ্ট্র। ইউক্রেন-রাশিয়া অশান্তির মধ্যে ভারতীয়  সেনার এই রাশিয়া সফরে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে হোয়াইট হাউজ। এক বিবৃতিতে হোয়াইট হাউস জানিয়েছে, রুশ-ইউক্রেন যুদ্ধের মধ্যে এই মহড়া আয়োজন। ভারত-চীনের অংশগ্রহণ এর গুরুত্ব আরও বাড়িয়ে দিয়েছে। বিষয়টিকে বাইডেন প্রশাসন গুরুত্বসহকারে পর্যবেক্ষণ করছে বলেও জানিয়েছে ওয়াশিংটন।

    তবে মহড়ার জন্যে সেনার ছোট দল রাশিয়ায় পাঠানো হবে বলে জানিয়েছে ভারত সরকার। সেনার তিন বিভাগেই মহড়া চালানো হবে বলে জানা গিয়েছে। তবে ভারতের তরফ থেকে সামরিক বিমান বা যুদ্ধজাহাজ পাঠানো হবে না। সেনার তিন বিভাগ থেকে প্রতিনিধিদের পাঠানো হবে। স্থলসেনার তরফে গোর্খা রেজিমেন্টকে পাঠানো হচ্ছে সামরিক মহড়ায়। সবমিলিয়ে ভারতের তরফ থেকে ৭৫ জনের একটি দল রাশিয়ায় যাবে।  

    কূটনৈতিক দিক দিয়ে বরাবরই নিরপেক্ষ থেকেছে ভারত। কিছুদিন পরেই আরণাচলপ্রদেশে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে যৌথ মহড়ায় অংশগ্রহণ করবে। চিনের আপত্তিকে পাত্তা না দিয়েই হবে এই মহড়া।

    সব মিলিয়ে এই মুহূর্তে আন্তর্জাতিক মহলে সবচেয়ে বেশি দর ভারতের। সব দেশই চাইছে ভারতের বন্ধুত্বের হাত। শেষ হাসি কে হাসবে তা সময় বলবে। কিন্তু এই অবধি সব দেশের সঙ্গেই বন্ধুত্বের সম্পর্ক বজায় রেখে চলেছে ভারত। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

  • India Votes against Russia: রাষ্ট্রসংঘের নিরাপত্তা পরিষদে এই প্রথম রাশিয়ার বিরুদ্ধে ভোট দিল ভারত!

    India Votes against Russia: রাষ্ট্রসংঘের নিরাপত্তা পরিষদে এই প্রথম রাশিয়ার বিরুদ্ধে ভোট দিল ভারত!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এই প্রথম রাশিয়ার (Russia) বিরুদ্ধে ভোট দিল ভারত (India)। এই মুহূর্তে চলছে রাশিয়া ইউক্রেন যুদ্ধ (Russia Ukraine War)। এহেন আবহে ভারতের এই অবস্থান তাৎপর্যপূর্ণ বই কি!

    ২৪ অগাস্ট রাষ্টসংঘের নিরাপত্তা পরিষদে ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট বৈঠকে অংশ নিতে পারবেন কিনা, তা নিয়ে ভোটাভুটি হয়। সেই ভোটাভুটিতেই রাশিয়ার বিপক্ষে ভোট দিয়েছে ভারত। চলতি বছরের ফেব্রুয়ারি মাসে শুরু হয় রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ। নিরাপত্তা পরিষদে ইউক্রেনের ওপর ভোটাভুটিতে এতদিন অংশ নেয়নি নয়াদিল্লি। এবার নিল। এবং ভোট দিল রাশিয়ার বিপক্ষেই। আমেরিকা সহ পশ্চিমি দেশগুলি রাশিয়ার ওপর অর্থনৈতিক ও অন্যান্য নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে। রাশিয়ার বিরুদ্ধে তাঁদের অভিযোগ, ইউক্রেনে হামলা চালিয়েছে পুতিনের দেশ।

    আরও পড়ুন : রাশিয়া থেকে আমদানি কমিয়েছে ভারত, বেড়েছে সৌদি আরব থেকে তেল কেনা

    ইউক্রেনে রাশিয়ার আগ্রাসনের বিরুদ্ধে সরব হয়েছে পশ্চিমি দেশগুলি। তবে নয়াদিল্লি এর থেকে ছিল যোজন দূরে। ভারত রাশিয়া এবং ইউক্রেন দুই দেশের সঙ্গেই ‘বন্ধুত্বে’র সম্পর্ক বজায় রেখে চলেছে এতদিন। নয়াদিল্লি এও জানিয়েছিল, রাশিয়া ইউক্রেন যুদ্ধাবসানে যা করণীয়, তাই করবে সাউথব্লক। নিরাপত্তা পরিষদের স্থায়ী সদস্য সংখ্যা পাঁচ। এই পাঁচটি দেশ হল, আমেরিকা, রাশিয়া, ব্রিটেন, চিন এবং ফ্রান্স। অস্থায়ী সদস্য দেশের সংখ্য ১০। এই সদস্য দেশগুলি নির্বাচিত হয় দু বছরের জন্য। এই মুহূর্তে ভারত নিরাপত্তা পরিষদের অস্থায়ী সদস্য। চলতি বছরের ডিসেম্বরেই শেষ হবে যার মেয়াদ।

    ইউক্রেনের ৩১তম স্বাধীনতার আবহে রাশিয়া- ইউক্রেন যুদ্ধ নিয়ে ২৪ অগাস্ট বৈঠক বসে নিরাপত্তা পরিষদে। সেখানেই রাষ্ট্রসংঘে নিযুক্ত রাশিয়ান অ্যাম্বাসাডর ভ্যাসিলা এ নেবেনজিয়া (Vassily A. Nebenzia) ইউক্রেন প্রেসিডেন্ট ভিডিও টেলিকনফারেন্সে এই বৈঠকে অংশ নেবেন কিনা, তা নিয়ে ভোটাভুটি করতে অনুরোধ করেন। এই ভোটেই রাশিয়ার বিরুদ্ধে ভোট দেয় ভারত। ভোটের ফল বের হলে দেখা যায়, ইউক্রেনের পক্ষে ভোট পড়েছে ১৩টি। বিপক্ষে একটি। অর্থাৎ রাশিয়া ভোট দিয়েছে বিপক্ষে। ভোটদানে বিরত ছিল চিন।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

LinkedIn
Share