Tag: Russia

Russia

  • PM Modi: “একসঙ্গে কাজ করতে মুখিয়ে রয়েছি”, পুতিনকে শুভেচ্ছা জানিয়ে বললেন মোদি

    PM Modi: “একসঙ্গে কাজ করতে মুখিয়ে রয়েছি”, পুতিনকে শুভেচ্ছা জানিয়ে বললেন মোদি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “আপনার সঙ্গে কাজ করতে মুখিয়ে রয়েছি।” সোমবার রাশিয়ার পুনর্নির্বাচিত প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনকে শুভেচ্ছা জানিয়ে এই কথাগুলিই বললেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। ৮৭ শতাংশেরও বেশি ভোট পেয়েছেন পুতিন।

    পুতিনকে শুভেচ্ছা মোদির (PM Modi)

    ষষ্ঠবারের জন্য রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট পদে শপথ নিতে চলেছেন তিনি। ৪ শতাংশের সামান্য কিছু বেশি ভোট পেয়েছেন পুতিনের নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী রুশ কমিউনিস্ট পার্টির প্রার্থী নিকোলাই খারিতনভ। প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে বিপুল ভোটে জয়ের জন্য পুতিনকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। সোমবার এক্স হ্যান্ডেলে তিনি (PM Modi) লিখেছেন, “রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট পদে পুনর্নির্বাচিত হওয়ার জন্য ভ্লাদিমির পুতিনকে শুভেচ্ছে জানাই। আগামী বছরগুলিতে ভারত-রাশিয়া মৈত্রী ও কৌশলগত অংশীদারিত্বকে আরও এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য আমি তাঁর সঙ্গে কাজ করতে মুখিয়ে রয়েছি।”

    রাশিয়ার সংবিধান

    রাশিয়ায় প্রেসিডেন্ট পদের মেয়াদ ছ’বছর। ২০১৮ সালে ৭৭ শতাংশ ভোট পেয়ে প্রেসিডেন্ট হয়েছিলেন পুতিন। তখনই জানিয়ে দিয়েছিলেন, ২০২৪ সালের পর আর রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট থাকবেন না তিনি। যদিও এবারের নির্বাচনেও প্রার্থী হয়েছিলেন তিনি। রাশিয়ার সংবিধান অনুযায়ী টানা দু’বারের বেশি প্রেসিডেন্ট পদে থাকা যেত না। ফের প্রেসিডেন্ট পদে লড়াই করতে ২০২১ সালেই এই আইন পরিবর্তন করেছিলেন কেজিবির প্রাক্তন প্রধান পুতিন। প্রথম মেয়াদে টানা দু’বার প্রেসিডেন্ট হয়েছিলেন তিনি। আর দ্বিতীয় মেয়াদে তিনি প্রেসিডেন্ট হলেন টানা তৃতীয়বার। অর্থাৎ ২০৩০ সাল পর্যন্ত রাশিয়ার কর্তা তিনিই।

    প্রসঙ্গত, পুতিনের আগে সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়নের প্রেসিডেন্ট পদে দীর্ঘ সময় ধরে ছিলেন জোসেফ স্তালিন ও লিওনিদ ব্রেজনেভ। টানা ২৪ বছর ক্ষমতায় ছিলেন তাঁরা। তাঁদের সেই রেকর্ড ভেঙে নয়া রেকর্ড গড়তে চলেছেন পুতিন। এহেন পুতিনকেই শুভেচ্ছা জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। পুতিনের মুখে মোদি-স্তুতি শোনা গিয়েছে বহুবার। আসন্ন লোকসভা নির্বাচনে মোদির সাফল্যও কামনা করেছিলেন পুতিন। গত ডিসেম্বরে রাশিয়া সফরে গিয়েছিলেন বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর। সেই সময় রাশিয়ার বিদেশমন্ত্রী সের্গেই লাভরভ জানিয়েছিলেন এবার ‘মেক ইন ইন্ডিয়া’ প্রকল্পে ভারতে অত্যাধুনিক অস্ত্র তৈরি করবে রাশিয়া (PM Modi)।

    আরও পড়ুুন: বিহারে আসনরফা চূড়ান্ত, কত আসনে লড়বে বিজেপি, জানেন?

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

  • PM Modi: ইউক্রেনে পরমাণু বোমা ফেলার প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন পুতিন, নিরস্ত করেছিলেন মোদি!

    PM Modi: ইউক্রেনে পরমাণু বোমা ফেলার প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন পুতিন, নিরস্ত করেছিলেন মোদি!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধে ইতি টানতে পারমাণবিক বোমা নিক্ষেপের প্রস্তুতি নিচ্ছিল রাশিয়া। সেটা ২০২২ সাল। সে বছরই ফেব্রুয়ারি মাসের শেষের দিকে যুদ্ধ শুরু হয় প্রতিবেশী এই দুই দেশের মধ্যে। মস্কো ইউক্রেনের রাজধানী কিয়েভে ওই আঘাত হানতে চেয়েছিল। তবে, সময়মতো হস্তক্ষেপ করে, একটা বড় বিপর্যয় রুখে দেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। এমনটাই দাবি করেছে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম। 

    মোদির (PM Modi) উদ্যোগের প্রশংসা

    রাশিয়া যদি ওই পারমাণবিক আঘাত হানত, তাহলে সেটা হত জাপানের হিরোশিমা ও নাগাশাকিতে পারমাণবিক বোমা নিক্ষেপ-উত্তর প্রথম পারমাণবিক হামলার ঘটনা। প্রায় আশি বছর আগে জাপানের ওই দুই শহরে পারমাণবিক বোমা নিক্ষেপ করেছিল আমেরিকা। সিএনএন-এর রিপোর্টেই এই তথ্য মিলেছে। তবে ইউক্রেনে রাশিয়াকে পরমাণু বোমা নিক্ষেপ করতে নিরস্ত করেছিলেন যিনি, তিনি ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। আরও কয়েকটি দেশও রাশিয়াকে নিষেধ করেছিল ইউক্রেনে পারমাণবিক বোমা নিক্ষেপ করতে।

    শান্তির ললিত বাণী শুনিয়েছিলেন মোদি (PM Modi)

    ইউক্রেনের সঙ্গে রাশিয়ার যুদ্ধ সমর্থন করেনি ভারত। তাই এসসিও সামিটে উজবেকিস্তানে গিয়ে যখন পুতিনের সঙ্গে পার্শ্ব বৈঠক হয় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির। তখনই তিনি পুতিনকে শুনিয়েছিলেন শান্তির ললিত বাণী। বলেছিলেন, এটা যুদ্ধের যুগ নয়, বন্ধু। ভারতের প্রধানমন্ত্রীর সেই বার্তা বিশ্বের বিভিন্ন দেশের সংবাদপত্রে শিরোনাম হয়েছিল। রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ শুরু হতেই মস্কো যে ইউক্রেনে পারমাণবিক অস্ত্র প্রয়োগ করতে পারে, সে ব্যাপারে উদ্বেগে ছিল মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বাইডেন প্রশাসনও। সিএনএন-এর রিপোর্টে বলা হয়েছে, রাশিয়া ইউক্রেনে পরমাণু অস্ত্র নিক্ষেপ করতে পারে আঁচ করেই ভারত (PM Modi) সহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশের সাহায্য চায় বাইডেন প্রশাসন।

    আরও পড়ুুন: হরিয়ানার নয়া মুখ্যমন্ত্রী সাইনি, ভোটের আগেই বিরোধীদের মাত দিল পদ্ম

    এই দেশগুলি যাতে পুতিনকে বোঝায়, তিনি যেন এমন কোনও সিদ্ধান্ত না নেন। প্রবীণ এক প্রশাসনিক কর্তা বলেন, “আমরা ওই দেশগুলিকে কেবল বার্তা পাঠিয়েই ক্ষান্ত হইনি, আমরা তাদের কাছে জোরালো অনুরোধও করেছিলাম। তারা যাতে অন্য দেশগুলিকেও একই অনুরোধ করে, তাও বলেছিলাম।” সিএনএনের প্রবীণ কর্তারা স্বীকার করেছেন, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও অন্যান্য কয়েকজন এই সঙ্কট (ইউক্রেনে পারমাণবিক অস্ত্র প্রয়োগ) কাটিয়ে উঠতে সাহায্য করেছিলেন। মার্কিন প্রশাসনের ওই বর্ষীয়ান আধিকারিক বলেন, “আমরা বিশ্বাস করেছিলাম, আন্তর্জাতিক গোষ্ঠীর উদ্বেগ বুঝতে পারবে রাশিয়া।” রিপোর্টে বলা হয়েছে, “ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi) এ বিষয়ে কথা বলেন পুতিনের সঙ্গে। অন্যান্য বহু দেশের সঙ্গে ভারতও সচেষ্ট হয়ে ইউক্রেনের ওপর রাশিয়ার সম্ভাব্য পরমাণু অস্ত্র হামলা রুখে দেয়।”

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

  • War In Russia: “রাশিয়ার যুদ্ধে ফেঁসে গিয়েছি, বাঁচান”, ভারতের কাছে কাতর আর্জি ৪ নেপালির

    War In Russia: “রাশিয়ার যুদ্ধে ফেঁসে গিয়েছি, বাঁচান”, ভারতের কাছে কাতর আর্জি ৪ নেপালির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “রাশিয়ার যুদ্ধে (War In Russia) ফেঁসে গিয়েছি, বাঁচান।” নরেন্দ্র মোদির দেশের কাছে এই কাতর আবেদন যাঁরা জানিয়েছেন, তাঁরা ভারতের কেউ নন, বিদেশি। আরও স্পষ্ট করে বললে, নেপালি। রাশিয়ায় কাজের সন্ধানে গিয়ে যুদ্ধে জড়িয়ে গিয়েছেন বলে জানিয়েছেন চার যুবক।

    ভারতের কাছে উদ্ধারের আর্তি

    অভিযোগ, চাকরি দেওয়ার নামে নিয়ে গিয়ে জোর করে তাঁদের লাগিয়ে দেওয়া হয়েছে যুদ্ধে। গত দু’বছর ধরে চলছে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ। সেই যুদ্ধেই রাশিয়ার হয়ে লড়াই করতে হচ্ছে ওই চার কর্মপ্রার্থীকে। প্রাণে বাঁচতে ভারতের কাছে উদ্ধারের আবেদন জানিয়েছেন পড়শি দেশের ওই চার যুবক। মোটা অঙ্কের মাইনের চাকরির টোপ দিয়ে রাশিয়া ‘ছেলে ধরছে’ বলে অভিযোগ। দিন কয়েক আগে ভারতের কয়েকজন যুবকও রাশিয়ার কবল থেকে উদ্ধারের আর্জি জানিয়েছিলেন। রাশিয়ায় যাঁরা বেড়াতে যাচ্ছেন, তাঁদেরও ধরে ধরে যুতে দেওয়া হচ্ছে যুদ্ধের কাজে।

    টোপ দিয়ে ধরা হচ্ছে ছেলে!

    রাশিয়া-ইউক্রেন সীমান্তের অনেক (War In Russia) জায়গায়ই রুশ সেনাদের পাশাপাশি ভারতীয় তরুণদের আগ্নেয়াস্ত্র হাতে লড়াই করতে দেখা যাচ্ছে বলে অভিযোগ। এবার সেই একই অভিযোগ করলেন নেপালের চার চাকরিপ্রার্থীও। কাজের খোঁজে রাশিয়ায় পাড়ি দিয়েছিলেন সঞ্জয়, রাম, কুমার এবং সন্তোষ নামে চার যুবক। এজেন্টের মাধ্যমে তাঁরা পৌঁছে যান রাশিয়ায়। প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছিল, রুশ সেনাবাহিনীতে সাহায্যকারী কিংবা পরিচারকের কাজ করতে হবে। অভিযোগ, ইউক্রেনের সঙ্গে যুদ্ধ শুরু হতেই ট্রেনিং দিয়ে তাঁদেরও লাগিয়ে দেওয়া হয় যুদ্ধ করতে। অনিচ্ছা সত্ত্বেও ইউক্রেনের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করতে তাঁদের বাধ্য করেছে রাশিয়ার সেনাবাহিনী।

    আরও পড়ুুন: বিহার থেকে বাঙালি তাড়িয়েছিলেন বাবা, তাঁর ছেলেকে বাংলায় প্রার্থী তৃণমূলের, তোপ মালব্যর

    ভারতীয় সংবাদ মাধ্যমে পাঠানো একটি ভিডিও বার্তায় নেপালের ওই চার যুবক জানিয়েছেন, তাঁরা ফেঁসে গিয়েছেন। এজেন্ট তাঁদের সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা করেছে। মিথ্যে কথা বলে তাঁদের নিয়ে যাওয়া হয়েছিল রাশিয়ায়। পরে লাগিয়ে দেওয়া হয়েছে যুদ্ধে। প্রচণ্ড ঠান্ডায় তাঁদের জীবন বিপন্ন বলেও জানান ওই চার নেপালি যুবক। সঞ্জয় বলেন, “আমাদের ভারতীয় সহকর্মীদের উদ্ধার করছে তাঁদের দেশের সরকার। কিন্তু নেপাল সরকার কিংবা দূতাবাসের তরফে কোনও সাহায্য পাচ্ছি না। ভারত সরকারের কাছে আমাদের বিরাট আশা। ভারত শক্তিশালী দেশ। তাই তাদের সাহায্য চাইছি। এখানকার (War In Russia) সব নেপালিই বাড়ি ফিরতে চান।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Garry Kasparov: পুতিন বিরোধী স্বর তোলাই ভুল! বিশ্বখ্যাত দাবাড়ু গ্যারি কাসপারভকে ‘জঙ্গি’ তকমা রাশিয়ার

    Garry Kasparov: পুতিন বিরোধী স্বর তোলাই ভুল! বিশ্বখ্যাত দাবাড়ু গ্যারি কাসপারভকে ‘জঙ্গি’ তকমা রাশিয়ার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দাবায় প্রাক্তন বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন গ্যারি কাসপারভ (Garry Kasparov)। ইউক্রেনে রাশিয়ার (Russia) সামরিক অভিযানের পর থেকে ভ্লাদিমি পুতিনের বিরুদ্ধে সুর চড়িয়েছিলেন রুশ দাবাড়ু। এবার সেই কাসপারভকে জঙ্গি তকমা দিয়ে দিল ক্রেমলিন। রাশিয়ার আর্থিক নিয়ন্ত্রক সংস্থা রসফিনমনিটরিং দাবার ওই গ্র্যান্ডমাস্টারকে জঙ্গি ও চরমপন্থীদের তালিকাভুক্ত করেছে। 

    কী বলছে পুতিন সরকার

    নিপীড়ন এবং প্রাণনাশের আশঙ্কায় ২০১৪ সাল থেকে যুক্তরাষ্ট্রে বাস করেন কাসপারভ (Garry Kasparov)। এর আগে ২০২২ সালে রাশিয়ার (Russia) বিচারমন্ত্রক কাসপারভকে ‘বিদেশি এজেন্টদের’ তালিকায় যুক্ত করেছে। এবার কাসপারভকেও জঙ্গি তকমা দেওয়া হল। মনে করা হচ্ছে রাশিয়ার আর্থিক নিয়ন্ত্রক সংস্থা এর পরে প্রাক্তন দাবা বিশ্বচ্যাম্পিয়ন কাসপারভের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট ‘ফ্রিজ’ করে দিতে পারে। এই সংস্থা মূলত খেয়াল রাখে আর্থিক প্রতারণা সংক্রান্ত কোনও ঘটনা হচ্ছে কিনা। জঙ্গি গোষ্ঠীগুলিকে কেউ আর্থিক সহায়তা করছে কি না এটাও দেখে ওই আর্থিক নিয়ন্ত্রক সংস্থা। আর সেই সংস্থাই এবার বড় পদক্ষেপ আনতে পারে গ্যারি কাসপারভের বিরুদ্ধে। 

    আরও পড়ুন: নারী দিবসে মোদি সরকারের উপহার, উজ্জ্বলা প্রকল্পে রান্নার গ্যাসে ভর্তুকি আরও ১ বছর

    কেন এই পদক্ষেপ

    আজারবাইজানের রাজধানী বাকুতে জন্ম কাসপারভের। সোভিয়েত ইউনিয়নের অন্তর্গত ছিল এই জায়গা। ২২ বছর বয়সে ১৯৮৫ সালে প্রথম বার বিশ্বচ্যাম্পিয়ন হন কাসপারভ (Garry Kasparov)। কনিষ্ঠতম হিসেবে তিনি বিশ্ব চ্যাম্পিয়নের সিংহাসনে বসেছিলেন। ১৯৮৪ থেকে অবসর নেওয়া পর্যন্ত তিনি বিশ্বের এক নম্বর ছিলেন। রেকর্ড ২৫৫ মাস। ২০০৫ সালে তিনি রাজনীতিতে যোগ দেওয়ার জন্য দাবা থেকে অবসর নেন। ষাট বছর বয়সী গ্যারি কাসপারভ প্রথম থেকেই ছিলেন ঘোর পুতিন বিরোধী। রাশিয়ার গণতন্ত্র নেই বলে একাধিকবার অভিযোগ করে সরব হয়েছিলেন। ইউক্রেনে রাশিয়ার সামরিক অভিযানের সময় কিয়েভের পাশে দাঁড়ানোর জন্য জানিয়েছিলেন আর্জি। পুতিন বিরোধী প্রাক্তন বিশ্বচ্যাম্পিয়নের এই মনোভাব মেনে নিতে পারেনি রাশিয়া। তাই কাসপারভের বিরুদ্ধে এই পদক্ষেপ বলে অনুমান।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • CBI: চাকরির টোপ দিয়ে ‘মানব’ পাচার রাশিয়ায়, চক্রের খোঁজে ভারতজুড়ে সিবিআই তল্লাশি

    CBI: চাকরির টোপ দিয়ে ‘মানব’ পাচার রাশিয়ায়, চক্রের খোঁজে ভারতজুড়ে সিবিআই তল্লাশি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মোটা মাইনের লোভ দেখিয়ে ভারতীয় তরুণদের নিয়ে যাওয়া হচ্ছে রাশিয়ায়। পরে তাঁদের পাঠিয়ে দেওয়া হচ্ছে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধে, ক্ষেপণাস্ত্রের খাদ্য হতে। এ ব্যাপারে একাধিক অভিযোগ প্রকাশ্যের আসার পর শুক্রবার সাত সকালে দেশের ১৩টি জায়গায় তল্লাশি চালাল সিবিআই (CBI)। কেন্দ্রীয় তদন্তকারী এই সংস্থা জানিয়েছে, এখনও পর্যন্ত ৩৫ জনকে এভাবে পাচার করা হয়েছে বলে নিশ্চিত হয়েছেন তদন্তকারীরা। এখনও কত তরুণ না জেনেই জড়িয়ে গিয়েছেন রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধে, তা জানতে জোর কদমে চলছে তল্লাশি।

    দেশজুড়ে সিবিআই তল্লাশি (CBI)

    এদিন দিল্লি, মুম্বই, তিরুবনন্তপূরম, অম্বালা, চণ্ডীগড়, মাদুরাই এবং চেন্নাইয়ে তল্লাশি চালিয়ে সিবিআই নগদ প্রায় ৫০ লক্ষ টাকা, সন্দেহজনক নথিপত্র, ল্যাপটপ, ডেস্কটপ, মোবাইল ফোন এবং সিসিটিভি ফুটেজ বাজেয়াপ্ত করেছে। জিজ্ঞাসাবাদের জন্য সন্দেহভাজন কয়েকজনকে আটকও করা হয়েছে। কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার (CBI) দাবি, মানব পাচারকারীদের একটি সুসংহত চক্র কাজ করছে একাধিক রাজ্যজুড়ে।

    চাকরির টোপ দিয়ে ধরা হচ্ছে ‘ছেলে’

    ইউটিউব চ্যানেল ও সমাজমাধ্যমে যেমন রাশিয়ায় চাকরির টোপ দেওয়া হচ্ছে, তেমনি স্থানীয় এজেন্টরাও সক্রিয় ‘ছেলে’ ধরতে। টোপ গিলে নেওয়ার পর ওই তরুণদের সামরিক প্রশিক্ষণ দিয়ে পাঠিয়ে দেওয়া হচ্ছে রাশিয়া-ইউক্রেন রণক্ষেত্রে। রাশিয়া-ইউক্রেন সীমান্তে রাশিয়ান সেনাদের সঙ্গে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে যুদ্ধ করছেন ভারতীয় তরুণরা। রণাঙ্গনে গিয়ে জখমও হয়েছেন অনেকে। চাকরির টোপ গিলে সমরভূমে গিয়ে প্রাণ হারিয়েছেন হায়দরাবাদের মহম্মদ আফসান বা সুরাটের হামিল মাঙ্গুকিয়ার মতো তরুণরা। রাশিয়ায় বেড়াতে যাওয়া সাত ভারতীয়কেও জোর করে বহাল করা হয়েছে রাশিয়ান সেনাবাহিনীতে।

    আরও পড়ুুন: “আরও ১০ বছরও প্রধানমন্ত্রী থাকবেন মোদি”, সাফ জানালেন শাহ

    সম্প্রতি সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি ভিডিও ভাইরাল হয়েছে। তাতে চার যুবক দাবি করেছেন, চাকরি দেওয়ার নামে তাঁদের রাশিয়ায় পাঠানো হয়েছিল। পরে পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে ইউক্রেনের রণাঙ্গনে। ভাইরাল হওয়া ১৫০ সেকেন্ডের আরও একটি ভিডিওয় দেখা গিয়েছে, একটি ছোট্ট ঘরের ভিতরে দাঁড়িয়ে রয়েছেন কয়েকজন যুবক। তাঁদেরও অভিযোগ, তাঁদের ভুল বুঝিয়ে যোগ দেওয়ানো হয়েছে রাশিয়ার সেনাবাহিনীতে।

    তদন্ত করতে গিয়ে জনৈক ফয়সল খানের নাম জানতে পেরেছেন সিবিআইয়ের (CBI) তদন্তকারীরা। তাঁরা জেনেছেন, জোর করে রাশিয়া পাঠানোর যে অভিযোগ বিভিন্ন পরিবার করছে, তারা প্রত্যেকেই পুলিশকে জানিয়েছে ফয়সলের কথা। এই ব্যক্তিই সিকিউরিটি গার্ড বা শ্রমিকের চাকরি দেওয়ার নামে অনেক যুবককে রাশিয়ায় পাঠিয়েছে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Russia Ukraine War: দিল্লির দাবিকে মান্যতা দিয়ে রুশ বাহিনী থেকে ছেড়ে দেওয়া হল ভারতীয়দের

    Russia Ukraine War: দিল্লির দাবিকে মান্যতা দিয়ে রুশ বাহিনী থেকে ছেড়ে দেওয়া হল ভারতীয়দের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মোটা অঙ্কের টাকার চাকরি দেওয়ার অছিলায় লাগিয়ে দেওয়া হচ্ছিল রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধে (Russia Ukraine War)। যুযুধান এই দুই দেশের সীমান্তে রুশ বাহিনীর সঙ্গে আগ্নেয়াস্ত্র উঁচিয়ে ঠায় দাঁড়িয়ে রয়েছেন ভারতীয়। খবর প্রকাশ্যে আসতেই নড়েচড়ে বসে নয়াদিল্লি।

    রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ

    ভারতীয়দের অনুরোধ করা হয় রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধে জড়িয়ে না পড়তে। একই সঙ্গে ইতিমধ্যেই যেসব ভারতীয় রুশ বাহিনীতে সহায়কের কাজ করছিলেন, তাঁদেরও মুক্তি দেওয়ার দাবি জানানো হয়। বন্ধু দেশ ভারতের দাবি মেনেই পদক্ষেপ করা হয়েছে রাশিয়ার তরফে। সোমবার ভারতের বিদেশ মন্ত্রক (Russia Ukraine War) এও জানিয়েছে, রুশ সেনাবাহিনী থেকে ভারতীয় নাগরিকদের দ্রুত মুক্তির বিষয় নিয়ে আলোচনাকেই এখন সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে। এ বিষয়ে ভারত প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

    রুশ বাহিনীতে নিয়োগ 

    রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ চলছে দু বছরেরও বেশি সময় ধরে। সেই কারণে রাশিয়ার তরফে বাহিনীতে নিয়োগ করা হচ্ছে বিদেশি নাগরিকদের। ইতিমধ্যেই রুশ সেনাবাহিনীতে নিয়োগ করা হয়েছে অন্তত ২০০ নেপালিকে। সম্প্রতি জানা গিয়েছে, যেসব নেপালি যুদ্ধে গিয়েছিলেন, তাঁদের মধ্যে নিহত হয়েছেন ১০ জন। নিখোঁজ শতাধিক। এসব খবর সামনে আসতেই নড়চড়ে বসে ভারত।

    আরও পড়ুুন: দোরগোড়ায় লোকসভা নির্বাচন, গুচ্ছ নির্দেশিকা জাতীয় নির্বাচন কমিশনের

    জানা গিয়েছে, রাশিয়া সেনার নিরাপত্তা বিষয়ক সহায়ক হিসেবে বেশ কয়েকজন ভারতীয় নিয়োগ করা হয়েছিল। অভিযোগ, ইচ্ছের বিরুদ্ধে তাঁদের বাধ্য করা হচ্ছিল ইউক্রেনের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করতে। ভারতীয় বিদেশ মন্ত্রক বিবৃতি দিয়ে জানায়, রুশ সেনার সঙ্গে থাকা ভারতীয়রা মুক্তির জন্য সাহায্য প্রার্থনা করছে। এ সংক্রান্ত কিছু ভুল রিপোর্ট সংবাদ মাধ্যমে দেখেছি। বিদেশ মন্ত্রক জানায়, প্রতিটি বিষয় মস্কোয় ভারতীয় দূতাবাসের নজরে আনা হয়েছে। রাশিয়ার প্রশাসনের সঙ্গেও এ নিয়ে আলোচনা হয়েছে। মন্ত্রকের নজরে আসা বিষয়গুলি নিয়েও দিল্লিতে অবস্থিত রুশ দূতাবাসের সঙ্গে আলোচনা হয়েছে। মন্ত্রকের কথায়, ফল স্বরূপ বেশ কয়েকজন ভারতীয়কে ইতিমধ্যেই মুক্তি দেওয়া হয়েছে।

    প্রসঙ্গত, গত সপ্তাহেই বিদেশ মন্ত্রকের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল জানিয়েছিলেন, বিষয়টি নিয়ে রাশিয়ার সঙ্গে কথা বলেছে নয়াদিল্লি। তিনি এও জানিয়েছিলেন, সকল ভারতীয়কে সতর্ক হতে ও এই সংঘাত থেকে দূরে থাকতে অনুরোধ করব (Russia Ukraine War)।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

  • Russia Ukraine War: ‘রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধে জড়িয়ে পড়বেন না’, ভারতীয়দের সতর্ক করল নয়াদিল্লি

    Russia Ukraine War: ‘রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধে জড়িয়ে পড়বেন না’, ভারতীয়দের সতর্ক করল নয়াদিল্লি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ‘রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধে জড়িয়ে পড়বেন না।’ ভারতীয়দের এই মর্মেই সতর্ক করে দিল নয়াদিল্লি। সম্প্রতি ভারত সরকার জানতে পেরেছে, মোটা অঙ্কের বেতনের লোভ দেখিয়ে ভারতীয়দের লাগিয়ে দেওয়া হচ্ছে যুদ্ধের কাজে (Russia Ukraine War)। সেই কারণেই সতর্ক করে দেওয়া হয়েছে ভারতীয়দের।

    বিবৃতি জারি বিদেশ মন্ত্রকের

    শুক্রবার বিদেশ মন্ত্রকের তরফে জারি করা বিবৃতিতে বলা হয়েছে, অল্প কিছু ভারতীয় রুশ সেনায় যোগ দিয়েছেন। তাঁদের যাতে দ্রুত ছেড়ে দেওয়া হয়, সে ব্যাপারে মস্কোর সঙ্গে সংশ্লিষ্ট বিষয়টি নিয়ে আলাপ-আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছে মস্কোয় নিযুক্ত ভারতীয় রাষ্ট্রদূত। বিদেশ মন্ত্রকের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল বলেন, “আমরা সকল ভারতীয় নাগরিককে বলছি, তাঁরা যেন দ্বন্দ্ব (রাশিয়া ইউক্রেন যুদ্ধ) থেকে দূরে থাকেন।” সরকারের তরফে জানানো হয়েছে, রাশিয়া-ইউক্রেন দ্বন্দ্বে ক্রমেই জড়িয়ে পড়ছেন ভারতীয়রা।

    সীমান্তে আগ্নেয়াস্ত্র উঁচিয়ে দাঁড়িয়ে বহু ভারতীয়

    জানা গিয়েছে, রাশিয়ান সৈন্যদের সিকিউরিটি হেল্পার হিসেবে নিযুক্ত হতে চুক্তিতে সই করছেন বহু ভারতীয়। পরে তাঁদের জোর করা হচ্ছে ইউক্রেনের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করতে। রাশিয়া-ইউক্রেন সীমান্তে রাশিয়ান সৈন্যদের পাশাপাশি আগ্নেয়াস্ত্র উঁচিয়ে দাঁড়িয়ে রয়েছেন বহু ভারতীয়ও। মারিউপোল, খারকিভ এবং রোস্তভ অন ডভ সীমান্তে এ ছবি দেখা যাচ্ছে আকছার। রাশিয়ার (Russia Ukraine War) হয়ে যুদ্ধ করতে গিয়ে কয়েকজন ভারতীয় নিহতও হয়েছেন বলে খবর। রাশিয়ান সেনা দলে যেসব ভারতীয় সাপোর্ট স্টাফ হিসেবে যোগ দিয়েছেন, তাঁদের দ্রুত ছেড়ে দিতেও রাশিয়াকে অনুরোধ করেছে ভারত সরকার।

    আরও পড়ুুন: নিরাপত্তা পরিষদের স্থায়ী সদস্যপদ অধরা, রাষ্ট্রসংঘকে দেওয়া অনুদান অর্ধেক করল ভারত

    জানা গিয়েছে, ইউক্রেনের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করতে গিয়ে প্রায় ২০০ নেপালিকে সেনা বাহিনীতে নিয়োগ করেছে রুশ সরকার। গত ডিসেম্বরে নেপালের বিদেশমন্ত্রকের তরফে জানানো হয়, রাশিয়ার হয়ে ইউক্রেনের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করতে গিয়ে নিহত হয়েছেন ৬ জন নেপালি। তার পর নেপাল সরকারও রুশ সেনায় নেপালিদের নিয়োগ না করতে অনুরোধ করেছে। যাঁরা ইতিমধ্যেই রুশ সেনায় যোগ দিয়েছেন, তাঁদের যেন অবিলম্বে মুক্তি দেওয়া হয়, সেই অনুরোধও রাশিয়াকে করেছে নেপাল সরকার। প্রসঙ্গত, ২০২২ সালের ফেব্রুয়ারিতে শুরু হয়েছিল যে যুদ্ধ, তা চলছে এখনও (Russia Ukraine War)।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

     

  • S Jaishankar: “রাশিয়া কখনওই ভারতের ক্ষতি করেনি”, বললেন জয়শঙ্কর

    S Jaishankar: “রাশিয়া কখনওই ভারতের ক্ষতি করেনি”, বললেন জয়শঙ্কর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “রাশিয়া কখনওই ভারতের ক্ষতি করেনি। বহু পশ্চিমি দেশই দীর্ঘদিন ধরে পাকিস্তানকে অস্ত্র সরবরাহ করে এসেছে।” কথাগুলি বললেন ভারতের বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর। এক জার্মান দৈনিককে দেওয়া সাক্ষাৎকারে মিত্র দেশ রাশিয়ার সঙ্গে ভারতের সম্পর্ক বোঝাতে গিয়ে এমনই মন্তব্য করেন তিনি।

    কী বললেন জয়শঙ্কর?

    জয়শঙ্কর বলেন, “ভারত যদি রাশিয়ার কাছ থেকে তেল না কিনত সেক্ষেত্রে আন্তর্জাতিক বাজারে হইচই পড়ে যেত। অতীতের অভিজ্ঞতার ওপর ভিত্তি করে প্রত্যেকে একটা সম্পর্ক তৈরি করে। আমি যদি স্বাধীনতা-উত্তর ভারতের ইতিহাসের দিকে তাকাই, তাহলে দেখব রাশিয়া কখনও আমাদের ক্ষতি করেনি। আমাদের সব সময় একটা স্থায়ী ও বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক রয়েছে। এই অভিজ্ঞতার ভিতের ওপরই দাঁড়িয়ে রয়েছে মস্কোর সঙ্গে আমাদের সম্পর্ক।”

    পাকিস্তানকে অস্ত্র সরবরাহ করত পশ্চিমি বিশ্ব?

    জয়শঙ্কর (S Jaishankar) বলেন, “বহু পশ্চিমি দেশই ভারত নয়, পাকিস্তানকে অস্ত্র সরবরাহ করত। তবে গত ১০-১৫ বছরে ব্যাপারটা বদলেছে। উদাহরণ হিসেবে বলা যায় আমেরিকার কথা। আর রাশিয়া, আমেরিকা, ফ্রান্স ও ইজরায়েল আমাদের প্রধান সরবরাহকারী হয়ে উঠেছে।” প্রসঙ্গত, মিউনিখ সিকিউরিটি কনফারেন্সে যোগ দিতে জার্মানি গিয়েছেন বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর। সেখানেই রাশিয়ার সঙ্গে ভারতের বন্ধুত্বের সম্পর্কের কথা তুলে ধরেন তিনি।

    আরও পড়ুুন: এসএসসিতে অযোগ্য প্রার্থীদের কাছ থেকে ১০০ কোটি টাকা তুলেছিলেন প্রসন্ন!

    ২০২২ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন ইউক্রেন আক্রমণ করেন। এই যুদ্ধে নিরপেক্ষ অবস্থান নিয়েছে ভারত। এটা যে যুদ্ধের সময় নয় পুতিনকে তা বলেওছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তার পরেও বন্ধ হয়নি রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ। এই আবহেই রাশিয়া থেকে অপরিশোধিত তেল আমদানি করে চলেছে ভারত। তা নিয়ে উঠেছে নানা প্রশ্নও। রাশিয়া থেকে অপরিশোধিত তেল ও গ্যাস কেনার যে কোনও বিকল্প নেই, তাও জানিয়ে দেন জয়শঙ্কর। তিনি এও জানান, ইউরোপের দেশগুলি চড়া দরে অপরিশোধিত তেল ও গ্যাস কেনে মধ্য এশিয়া থেকে। জয়শঙ্কর বলেন, “ভারত বিশ্ব বাজার থেকে বাজার দরেই তেল কিনেছে। কেউ যদি রাশিয়া থেকে অপরিশোধিত তেল না কিনত, সবাই যদি অন্য দেশগুলি থেকে তেল কিনত, তাহলে তেলের বাজার দর কোথায় চড়ত (S Jaishankar)।”

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

  • S Jaishankar: “ভারতের সমালোচনা নয়, প্রশংসা করা উচিত”, বললেন জয়শঙ্কর

    S Jaishankar: “ভারতের সমালোচনা নয়, প্রশংসা করা উচিত”, বললেন জয়শঙ্কর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “একাধিক অপশন থাকায় ভারতের সমালোচনা করা উচিত নয়।” শনিবার কথাগুলি বললেন ভারতের বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর (S Jaishankar)। ভারতের বিদেশনীতি নিয়ে প্রশ্ন করা হলে এই জবাব দেন বিদেশমন্ত্রী।

    মিউনিখ সিকিউরিটি কনফারেন্স

    মিউনিখ সিকিউরিটি কনফারেন্সে যোগ দিতে জার্মানি গিয়েছেন জয়শঙ্কর। সেখানে এক প্যানেল ডিশকাসনে উপস্থিত ছিলেন মার্কিন বিদেশ সচিব অ্যান্টনি ব্লিঙ্কেন ও জার্মানির বিদেশমন্ত্রী আন্নালেনা বেরবক। সেখানে জয়শঙ্করকে প্রশ্ন করা হয়, কীভাবে রাশিয়ার সঙ্গে বাণিজ্য ও আমেরিকার সঙ্গে একই সঙ্গে জোট বজায় রাখতে পারছে নয়াদিল্লি? উত্তরে ভারতের বিদেশমন্ত্রী বলেন, “এটা কি কোনও সমস্যা? কেন এটাকে কোনও সমস্যা হিসেবে দেখা হবে? আমি যদি একাধিক বিষয় সামলে নিতে পারি, তাহলে তো আপনার আমাকে সম্মান জানানো উচিত।” তিনি বলেন, “আজকের দিনে কোনও দেশের কাছেই এমন প্রত্যাশা করা উচিত নয়, যে তারা একমাত্রিক সম্পর্ক বজায় রেখে চলবে।”

    জয়শঙ্করের জবাব

    ইউক্রেনে মস্কোর আগ্রাসনে রাশিয়ার পাশে না দাঁড়িয়েও কীভাবে সে দেশ থেকে অপরিশোধিত তেল কিনছে ভারত? এর উত্তরে জয়শঙ্কর (S Jaishankar) বলেন, “এটা কেন কোনও সমস্যা হবে? আমি যথেষ্ট স্মার্ট, আমার কাছে একাধিক অপশন রয়েছে। এটাকে শ্রদ্ধা করা উচিত, সমালোচনা করা নয়। এটা কি অন্য কারও কোনও সমস্যা হতে পারে? আমার তো মনে হয় না।” এই সময় হাসতে দেখা যায় ব্লিঙ্কেনকে। জয়শঙ্কর বলেন, “আমাদের দেশের ওপর কী কী চাপ রয়েছে, সেগুলি আমরা ব্যাখ্যা করার চেষ্টা করি। একমাত্রিক সম্পর্ক রাখা এ যুগে বড্ড কঠিন।”

    আরও পড়ুুন: শিবু গ্রেফতারে খুশির হাওয়া সন্দেশখালিতে, ফ্রিতে মিষ্টি-চা বিতরণ

    ভারতের বিদেশমন্ত্রী বলেন, “আমি আপনাকে চাই না, এমনকি অসাবধানতাবশতও। এই ধারণাও দিতে চাই না যে আমরা সৎভাবে ট্রানজেকশনাল। আমরা তেমন নই। আমরা মানুষের সঙ্গে থাকি। আমরা কাজে বিশ্বাসী, কোনও কিছু ঘটলে আমরা তা শেয়ারও করি। কিন্তু এমন সময়ও আসে, যখন আপনি বিভিন্ন জায়গায় রয়েছেন, উন্নয়নের বিভিন্ন স্তর রয়ছে, অভিজ্ঞতাও ভিন্ন ভিন্ন। আসলে জীবন হল জটিল, প্রত্যেকের জীবন আলাদা আলাদা।” তিনি বলেন, “যারা ভালো বন্ধু তারা তাদের পছন্দগুলো জানিয়ে দেয়। আর যারা স্মার্ট বন্ধু, তারা এর কিছু পছন্দ গ্রহণ করে (S Jaishankar)।”

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Russian Opposition Leader Dead: রাশিয়ার জেলে মৃত্যু পুতিন বিরোধী নেতার, কারণ কী জানেন?

    Russian Opposition Leader Dead: রাশিয়ার জেলে মৃত্যু পুতিন বিরোধী নেতার, কারণ কী জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নির্বাচনের আগে রাশিয়ার জেলে মৃত্যু পুতিন বিরোধী নেতা আলেক্সি নাভালনির (Russian Opposition Leader Dead)। বয়স হয়েছিল সাতচল্লিশ বছর। রাশিয়ার প্রিজন সার্ভিসের তরফে এ খবর মিলেছে। ডিসেম্বরেই নাভালনি নিখোঁজ হয়ে গিয়েছেন বলে খবর ছড়িয়েছিল। এখন এল মৃত্যুর খবর। আর্কটিক পেনাল কোলোনিতে মৃত্যু হয়েছে তাঁর।

    অচৈতন্য হয়ে পড়েন নাভালনি

    রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের বিরুদ্ধে নানা সময় মুখর হয়েছিলেন নাভালনি। রাশিয়ার কারা বিভাগের তরফে জারি করা বিবৃতিতে বলা হয়েছে, শুক্রবার জেলেই অসুস্থ বোধ করেছিলেন নাভালনি। তার আগে হাঁটছিলেন তিনি। হঠাৎই অচৈতন্য হয়ে পড়েন। জরুরি ভিত্তিতে তলব করা হয় মেডিক্যাল স্টাফদের। কিন্তু নাভালনিকে বাঁচানো যায়নি। নাভালনির মুখপাত্র কিরা ইয়ারমিস বলেন, “তিনি যে বেঁচেছিলেন (অচৈতন্য হওয়ার সময়), সে আশা ছিল না।”

    রাশিয়ার কারাগারে বন্দি

    একুশের জানুয়ারি মাস থেকে রাশিয়ার কারাগারে বন্দি ছিলেন পুতিন-বিরোধী (Russian Opposition Leader Dead) এই নেতা। গ্রেফতারির আগে পুতিন সরকারের দুর্নীতির বিরুদ্ধে সোচ্চার হন তিনি। এ নিয়ে প্রচারও করেন। রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ নিয়ে পুতিনের কড়া সমালোচনাও করেছিলেন নাভালনি।  

    ক্রেমলিন বিরোধী বিক্ষোভের নেতৃত্বও দেন। তার পরেই উগ্রপন্থার অভিযোগে গ্রেফতার করা হয় তাঁকে। আদালত তাঁকে ১৯ বছরের কারাদণ্ড দেয়। ক্রেমলিনের তরফে জানানো হয়েছে, রাশিয়ার প্রিজন সার্ভিস নাভালনির মৃত্যুর সমস্ত দিক খতিয়ে দেখছে। মৃত্যুর কারণ অনুসন্ধানে ইতিমধ্যেই তদন্ত শুরু করেছেন রাশিয়ার ইনভেস্টিগেটিভ কমিটি।

    আরও পড়ুুন: সন্দেশখালি গণধর্ষণকাণ্ডে গ্রেফতার তৃণমূল নেতা শিবু

    পুতিন বিরোধী নেতার জেলবন্দি দশায় মৃত্যুতে ফুঁসছে তামাম বিশ্ব। মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন বলেন, “এই ঘটনার জন্য পুতিনই দায়ী। পুতিন সরকারের দুর্নীতি, হিংসা এবং সব খারাপ কাজের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়িয়েছিলেন অ্যালিক্সি। তাই তাঁকে মরতে হল। তাঁর মৃত্যুর জন্য পুতিন দায়ী। একমাত্র পুতিন দায়ী।” কানাডার প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডোও বলেন, “এই ঘটনা চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিল পুতিন কতদূর যেতে পারেন। রাশিয়ার মানুষের স্বাধীনতার পক্ষে যিনিই কথা বলতে চাইবেন, তাঁকে থামানোর জন্য যে কোনও পর্যায়ে নামতে পারেন পুতিন। গোটা বিশ্বের আরও একবার মনে পড়ে গেল, পুতিন ঠিক কত বড় (Russian Opposition Leader Dead) রাক্ষস।”

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share