Tag: s jaishankar

s jaishankar

  • Sri Lanka Crisis: শ্রীলঙ্কায় সর্বদলীয় সরকার গঠনে সহমত, পাশে থাকার বার্তা ভারতের

    Sri Lanka Crisis: শ্রীলঙ্কায় সর্বদলীয় সরকার গঠনে সহমত, পাশে থাকার বার্তা ভারতের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সর্বদলীয় সরকার (All Party Government) গড়তে সহমত হল শ্রীলঙ্কার (Srilanka) সমস্ত বিরোধী দল (Oppositions)। আগামী বুধবার রাষ্ট্রপতি পদ থেকে ইস্তফা দেবেন বলে জানিয়েছেন শ্রীলঙ্কার বর্তমান রাষ্ট্রপতি গোতাবায়া রাজাপক্ষে (President Gotabaya Rajapaksa)। রাষ্ট্রপতির ইস্তফার পর দেশ চালানোর জন্য সর্বদলীয় অন্তর্বর্তী সরকার গড়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সে দেশের রাজনৈতিক দলগুলি। রবিবার একটি বৈঠকের পর এই কথা জানিয়েছে বিরোধী দলগুলি।

    দ্বীপরাষ্ট্রের অর্থনীতি ভেঙে (Sri Lanka Economic Crisis) পড়েছে। ভারতের এই প্রতিবেশী দেশজুড়ে সরকার বিরোধী বিক্ষোভে সামিল হয়েছেন নেতা, ক্রিকেটার থেকে সাধারণ মানুষ। তাঁদের অভিযোগ, শ্রীলঙ্কাকে আর্থিক সঙ্কট থেকে টেনে তুলতে ব্যর্থ সরকার। বিক্ষোভ কর্মসূচী হিসেবে রাষ্ট্রপতির বাসভবনের দখলও নিয়েছে দেশের জনতা। এই পরিস্থিতিতে সরকার চালানোর বিষয়ে রবিবার বৈঠকে বসে বিরোধী দলগুলি। তার পরেই শ্রীলঙ্কা পদুজানা পেরামুনা (SLPP) দলের নেতা বিমল বীরাবানসা বলেন, ‘‘কিছু সময়ের জন্য ঐক্যবদ্ধ সরকার গড়তে আমরা সব দল সম্মত হয়েছি।’’ 

    আরও পড়ুন: শ্রীলঙ্কায় গণবিদ্রোহ, প্রধানমন্ত্রীর বাসভবনে আগুন, রাষ্ট্রপতির বাড়ির দখল নিল জনতা  

    বিমল আরও বলেন, ‘‘এই সরকারে সব দলের প্রতিনিধিত্ব থাকবে।’’ এসএলপিপির আরেক নেতা বাসুদেব নানাইয়াক্কারার বলেন, “১৩ জুলাই গোতাবায়ার ইস্তফার জন্য অপেক্ষা করা উচিত নয়। তার আগেই সরকার গড়া উচিত।” 

    শনিবার বিক্ষোভ শুরু হতেই বিরোধী নেতারাও রাষ্ট্রপতির ইস্তফা দাবি করেন। সেই বার্তা গোতাবায়ার কাছে পৌঁছে দেন স্পিকার মাহিন্দা ইয়াপা আবেওয়ার্দেনা। তারপরেই ১৩ জুলাই ইস্তফার সিদ্ধান্ত নেন গোতাবায়া । ইস্তফা দেবেন প্রধানমন্ত্রী রনিল বিক্রমেসিঙ্ঘে।

    আরও পড়ুন: কলম্বোর রাস্তা কার্যত গাড়ি শূন্য! জ্বালানি সংকটে শ্রীলঙ্কা

    প্রধান বিরোধী দল সমাগী জন বলাওয়েগায়া দলের নেতা র়ঞ্জিত মাদ্দুমা বানদারা বলেন, ‘‘নির্দিষ্ট সময়ের জন্য সর্বদলীয় অন্তর্বর্তী সরকার গড়ায় সম্মত হয়েছি আমরা। এর পর দেশে সংসদীয় নির্বাচন হবে।’’

    হাল ছাড়েননি রাষ্ট্রপতি: তবে এখনও হাল ছাড়েননি রাষ্ট্রপতি গোতাবায়া রাজাপক্ষ। জনরোষের ভয়ে অজ্ঞাত স্থানে লুকিয়ে থেকেও দিচ্ছেন সরকারি নির্দেশ। রবিবার শ্রীলঙ্কার সেনাপ্রধান জেনারেল শেভেন্দ্র সিলভা জানান, রাষ্ট্রপতি সরকারি আধিকারিকদের জনগণের মাঝে রান্নার গ্যাস বিতরণের নির্দেশ দিয়েছেন। তিনি আরও বলেন যে, বর্তমান রাজনৈতিক সংকট শান্তিপূর্ণভাবে সমাধানের পথ এখনও খোলা রয়েছে, এতে জনতার সমর্থন কামনা করেন রাষ্ট্রপতি। রাজাপক্ষের এই পদক্ষেপে ফের বিতর্ক দানা বেঁধেছে। তাহলে এখনও কী পদে থাকার আশা ছাড়েননি তিনি! সত্যিই কী ইস্তফা দেবেন?  

    শ্রীলঙ্কার জনগণের পাশে ভারত: এই সংকটকালীন পরিস্থিতিতে প্রতিবেশী দেশের জনগণের পাশে থাকার বার্তা দিল ভারত সরকার। শ্রীলঙ্কার বর্তমান পরিস্থিতি সম্পর্কে বিদেশ মন্ত্রকের (Ministry of External Affairs) মুখপাত্র অরিন্দম বাগচি (Arindam Bagchi) বলেন, “ভারত শ্রীলঙ্কার নিকটতম প্রতিবেশী। দুই দেশের মধ্যে গভীর বন্ধন রয়েছে। আমরা শ্রীলঙ্কা এবং তার জনগণ যে সমস্ত সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছে সে সম্পর্কে অবগত। অরিন্দম বাগচি আরও বলেছেন, “আমরা চাই শ্রীলঙ্কা খুব অল্প সময়ে এই সংকট থেকে বেরিয়ে আসুক। ভারত এই বছর শ্রীলঙ্কার ভয়াবহ অর্থনৈতিক অবস্থার কথা মাথায় রেখে সেই দেশকে প্রায় ৩৮০ কোটি টাকা দিয়েছে।

    বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর (S Jaishankar) এবিষয়ে বলেন, “ভারত সরকার শ্রীলঙ্কার বর্তমান অর্থনৈতিক সঙ্কট মোকাবিলার ক্ষেত্রে সমস্ত সম্ভাব্য সাহায্য করবে।”

    শ্রীলঙ্কায় সেনা পাঠাচ্ছে ভারত? সোশ্যাল মিডিয়ায় বলা হচ্ছিল যে ভারত নাকি সেনা পাঠাচ্ছে শ্রীলঙ্কায়। তবে কলম্বোতে ভারতীয় হাই কমিশনের তরফে জানানো হয়েছে, এই ধরনের রিপোর্ট ভারতের অবস্থানের সঙ্গে মেলে না। বিদেশ দফতরের মুখপাত্রও জানিয়ে দিয়েছেন, ভারত শ্রীলঙ্কার মানুষের পাশে রয়েছে। তারা গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের মাধ্যমে দেশের উন্নতি চাইছেন। 

  • Jaishankar On LAC: সীমান্ত আগ্রাসন নিয়ে চিনকে হুঁশিয়ারি জয়শঙ্করের, কী বললেন তিনি?

    Jaishankar On LAC: সীমান্ত আগ্রাসন নিয়ে চিনকে হুঁশিয়ারি জয়শঙ্করের, কী বললেন তিনি?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রকৃত নিয়ন্ত্রণ রেখায় (line of actual control) চিনের (China) এক তরফা আগ্রাসন মেনে নেবে না ভারত (India)। শনিবার এক অনুষ্ঠানে একথা সাফ জানিয়ে দিলেন বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর (S Jaishankar)। দিন কয়েক আগেই ভারত-চিন দ্বিপাক্ষিক আলোচনার মাধ্যমে সমস্যা সমাধানের ওপর জোর দিয়েছিলেন বিদেশমন্ত্রী। মোদি সরকারের বর্ষপূর্তিতে জাতীয় নিরাপত্তা নিয়ে একটি আলোচনা সভায় অংশ নিয়ে দ্বিপাক্ষিক সমস্যা সমাধানে ভারতের মত ব্যক্ত করেছিলেন জয়শঙ্কর। সেই অনুষ্ঠানে চিনের সঙ্গে সম্পর্কের টানাপোড়েন নিয়ে তিনি বলেন, প্রকৃত নিয়ন্ত্রণ রেখার বিষয়ে ভারত কখনও তার অবস্থান বদলাবে না। ১৯৬২ সালের পর নিয়ন্ত্রণ রেখা বরাবর প্রচুর ভারতীয় সেনা মোতায়েন করা হয়েছে। দেশের সুরক্ষার স্বার্থেই এই পদক্ষেপ বলে জানিয়েছিলেন বিদেশমন্ত্রী।

    আরও পড়ুন :পারমাণবিক অস্ত্রসম্ভার বাড়াচ্ছে চিন, ভারত, পাকিস্তানের হাতে কত?

    শনিবার ইস্টার্ন লাদাখ বর্ডার বিবাদ নিয়ে একটি অনুষ্ঠানে বক্তৃতা দিতে গিয়ে জয়শঙ্কর বলেন, প্রকৃত নিয়ন্ত্রণ রেখা বরাবর চিনের একতরফা আগ্রাসন ভারত মেনে নেবে না। তিনি বলেন, কোভিড পরিস্থিতিতেও আমরা প্রকৃত নিয়ন্ত্রণ রেখায় চিনা আগ্রাসন রুখে দিয়েছিলাম। বিদেশমন্ত্রী বলেন, প্রকৃত নিয়ন্ত্রণ রেখা বরাবর তারা সেনা মোতায়েন করলে, আমরাও পাল্টা সেনা মোতায়েন করি। তার পর থেকে আমরা দু দেশটি বিতর্কিত বিষয়গুলো নিয়ে একাধিকবার আলোচনা করেছি। এবং তার ফলে দু দেশের মধ্যে বিতর্কিত অনেক সমস্যাই মেটানো গিয়েছে।

    আরও পড়ুন : পরমাণু জ্বালানি সরবরাহকারী গোষ্ঠীতে যোগ দিতে মুখিয়ে ভারত, জানালেন জয়শঙ্কর

    তিনি বলেন, কোনও কোনও ক্ষেত্রে তারা পিছু হটেছে। কখনও আবার আমরা। এপ্রিল মাসের আগে আমাদের দু দেশের সম্পর্ক যেমন ছিল, এখন আমরা তার থেকে ঢের বেশি এগিয়ে এসেছি। সমস্যা মেটাতে আমাদের উপযুক্ত সমাধানের পথ খুঁজে বের করতে হবে। বিদেশমন্ত্রী বলেন, কাজটা কঠিন। ধৈর্যের কাজ। কিন্তু একটা বিষয়ে আমরা একমত, প্রকৃত নিয়ন্ত্রণ রেখা বরাবর চিনের একতরফা আগ্রাসন আমরা কখনওই মেনে নেব না।

     

  • S Jaishankar: পরমাণু জ্বালানি সরবরাহকারী গোষ্ঠীতে যোগ দিতে মুখিয়ে ভারত, জানালেন জয়শঙ্কর

    S Jaishankar: পরমাণু জ্বালানি সরবরাহকারী গোষ্ঠীতে যোগ দিতে মুখিয়ে ভারত, জানালেন জয়শঙ্কর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নিউক্লিয়ার সাপ্লায়ার্স গ্রুপে (nuclear suppliers group) বা পরমাণু জ্বালানি সরবরাহকারী গোষ্ঠীতে যোগ দিতে মুখিয়ে রয়েছে ভারত (India)। মোদি (modi) সরকারের অষ্টম বর্ষ পূর্তি উপলক্ষে আয়োজিত কূটনৈতিক স্তরের এক বিশেষ বৈঠকে যোগ দিয়ে একথা জানান বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর (s Jaishankar)। তাঁর মতে, সব রকম রাজনৈতিক বাধা দূর করে বিশ্বের বৃহত্তর কল্যাণের স্বার্থে নিউক্লিয়ার সাপ্লায়ার্স গ্রুপে (NSG) যোগ দিতে চায় ভারত।

    বিদেশমন্ত্রী বলেন, “ভারতের মতো দেশ নিয়ম-ভিত্তিক নির্দেশকে মজবুত করাকেই পছন্দ করে। ভারত সর্বদা এসব ক্ষেত্রে যে কোনও অবদান রাখার সুযোগকে মর্যাদা দেয়। এমটিসিআর, অস্ট্রেলিয়া গ্রুপ ও ওয়াসেনার চুক্তিতে ভারতের সদস্যপদ তাৎপর্যপূর্ণ, কারণ সবকটি গোষ্ঠীই হল বহুপাক্ষিক পরমাণু রফতানি নিয়ন্ত্রণ সংগঠন। ফলে, এর থেকেই প্রমাণিত হচ্ছে যে, ভারত একটি  দায়িত্বশীল দেশ। তাই, পরমাণু অস্ত্রপ্রসার রোধ চুক্তিতে ভারত স্বাক্ষর না করলেও, আমরা এনএসজি-তে জায়গা পাওয়ার যোগ্য অধিকারী।”

    আরও পড়ুন : “সব স্বচ্ছ নীতির প্রতিফলন…!” যোগী-রাজ্যে গিয়ে কী বললেন মোদি?

    বিদেশ মন্ত্রক আয়োজিত ওই অনুষ্ঠানে জয়শঙ্কর বলেন, “ভারতের মতো একটি পরমাণু শক্তিধর দেশ হিসেবে পরমাণু জ্বালানি সরবরাহকারী গোষ্ঠীতে যোগ দিতে আমরা মুখিয়ে রয়েছি। এজন্য যাবতীয় রাজনৈতিক বাধা দূর করে ওই গোষ্ঠীতে আমরা যোগ দিতে চাই। বিশ্বে পরমাণু জ্বালানি সরবরাহকারী গোষ্ঠীর সদস্য সংখ্যা ৪৮। এর মধ্যে ভারত নেই। অথচ ভারত পরমাণু শক্তিধর দেশ। চিনের (China) বিরোধিতার কারণে ভারত ওই গোষ্ঠীর সদস্য হতে পারছে না। চিনের বক্তব্য, ভারত পরমাণু অস্ত্র প্রসাররোধ চুক্তিতে (NPT) সই করেনি। তাই তাকে এই গোষ্ঠীর অন্তর্ভুক্ত করা যাবে না। চিনের ভেটো প্রয়োগের জেরেই বারবার চেষ্টা করেও ওই গোষ্ঠীর সদস্য হতে পারছে না ভারত।

    আরও পড়ুন : “গত ৮ বছরে এমন কিছুতে লিপ্ত হইনি যাতে লজ্জায় মাথা নোয়াতে হয়”, গুজরাতে মোদি

    এদিনের অনুষ্ঠানে ভারতের বিদেশনীতিতে কোন কোন বিষয়কে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে, তাও স্পষ্ট করেছেন বিদেশমন্ত্রী। জয়শঙ্কর বলেন, আপনি যে ভারতে বাস করছেন, তা আগের চেয়ে ঢের আলাদা। দেশ কিংবা বিদেশনীতিতে এই দেশ তার মূল লক্ষ্য ঠিক করে ফেলেছে। নিত্য যার প্রমাণ মিলছে গণতন্ত্রের উন্নতিতে। তিনি বলেন, দেশের মানব উন্নয়ন সূচক ক্রমেই ঊর্ধ্বমুখী। বিদেশমন্ত্রী মনে করিয়ে দেন, ভারত তার স্বাধীনতার ৭৫ বছর পূর্তি পালন করছে। এই সময় দেশ তার জাতীয় স্বার্থের সঙ্গে সঙ্গে আন্তর্জাতিক দায়বদ্ধতার বিষয়টিও মাথায় রেখেছে। তাই দেশের কল্যাণের পাশাপাশি আন্তর্জাতিক মঙ্গলের দিকটিও দেখছে ভারত।

     

  • S Jaishankar: রাশিয়া থেকে গ্যাস কেনা কি যুদ্ধে মদত নয়? পশ্চিমকে তোপ ভারতের

    S Jaishankar: রাশিয়া থেকে গ্যাস কেনা কি যুদ্ধে মদত নয়? পশ্চিমকে তোপ ভারতের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ইউক্রেনে (Ukraine) আগ্রাসনে অভিযুক্ত রাশিয়া (Russia)। সেই রাশিয়ার সঙ্গে সুসস্পর্ক বজায় রেখে চলেছে ভারত (India)। তা নিয়ে বিভিন্ন সময় ভারতের সমালোচনা করেছে ইউরোপের দেশগুলি। এবার সেই সমালোচনারই জবাব দিল ভারত। ভারতের বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর (S Jaishankar) শুক্রবার ইউরোপের তীব্র নিন্দা করেছেন। ইরান এবং ভেনেজুয়েলার তেল কেনার ওপর মার্কিন নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার না করার সিদ্ধান্তেরও সমালোচনা করেছেন জয়শঙ্কর।     

    আরও পড়ুন :রাশিয়া থেকে জ্বালানি কেনা নিয়ে পশ্চিমি দেশগুলিকে জবাব পীযূষ গোয়েলের

    চারদিনের স্লোভাকিয়া ও চেক প্রজাতন্ত্র সফরে গিয়েছেন জয়শঙ্কর। সেখানেই তিনি বক্তৃতা দেন “গ্লোবসেক ২০২২ ব্রাতিস্লাভা” ফোরামে। এই ফোরামেই ইউরোপকে নিশানা করেন ভারতের বিদেশমন্ত্রী। তিনি বলেন, আজ ইউরোপ রাশিয়া থেকে তেল, গ্যাস কিনছে। নিষেধাজ্ঞার নয়া প্যাকেজ এমনভাবে ডিজাইন করা হয়েছে যেখানে তার দেশীয় জনগণের কল্যাণকে বিবেচনা করা হয়েছে। সাধারণ মানুষকে বুঝতে হবে, আপনি যদি নিজের প্রতি বিবেচনাশীল হতে পারেন তবে অবশ্যই আপনি অন্যদের প্রতি বিবেচ্য হতে পারেন। 

    রাশিয়া থেকে অপরিশোধিতা জ্বালানি কেনা নিয়ে ক্রমাগত ভারতের সমালোচনা করে আসছে পাশ্চাত্য দেশগুলি। এমনকি, সম্প্রতি এমনও বলা হয়েছে যে, রাশিয়া থেকে তেল কিনে আদতে ভারত যুদ্ধে আর্থিক মদত দিচ্ছে। এপ্রসঙ্গে, কড়া জবাব দেন জয়শঙ্কর। বিদেশমন্ত্রী বলেন, ইউক্রেন যুদ্ধের মাঝেই রাশিয়া থেকে ইউরোপ যেখানে গ্যাস আমদানি চালু রেখেছে। শুধু ভারতের বেলায় কেন প্রশ্ন তোলা হচ্ছে।

    জয়শঙ্করের প্রশ্ন, ভারত যদি রাশিয়ার তেল আমদানির মাধ্যমে যুদ্ধে আর্থিক মদত করে থাকে, তাহলে রাশিয়া থেকে ইউরোপের গ্যাস আমদানি কেন যুদ্ধে আর্থিক মদত হিসেবে দেখা হবে না? জয়শঙ্কর বলেন, ‘অর্থের বিনিময়ে ভারতে রাশিয়ার তেল এলে তা যুদ্ধে আর্থিক মদত, আর ইউরোপে গ্যাস এলে তা যুদ্ধে মদত নয়? একটু নিরপেক্ষতা তো বজায় রাখবেন। অন্যদেরও তো স্বাধীনতা থাকা উচিত।

    আরও পড়ুন : রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধে ভারতের ভারসাম্যের নীতির প্রশংসায় মোহন ভাগবত

    ভারতকে কেন গম রফতানি নিষিদ্ধ করতে হয়েছিল, এদিন সে প্রশ্নেরও জবাব দেন বিদেশমন্ত্রী। পাশাপাশি তিনি বলেন, গম ক্রয়কারী দেশের সরকারের অনুরোধের ভিত্তিতে কেন্দ্রের অনুমোদনের পরেই রফতানির অনুমতি দেওয়া হয়েছিল। ভারতের বিদেশ মন্ত্রী বলেন, নয়াদিল্লি চেয়েছিল দরিদ্র দেশগুলি গম সংগ্রহ করুক। বাংলাদেশ, শ্রীলঙ্কা, নেপাল, ইয়েমেন, সুদান এবং উপসাগরীয় দেশগুলির মতো দেশগুলি, ভারতীয় গমের ঐতিহ্যবাহী ক্রেতা বলেও জানান তিনি। প্রসঙ্গত, গম রফতানি বন্ধ করে দেওয়ায় ভারতের সমালোচনা করেছিল ইউরোপের বিভিন্ন দেশ। তখন ভারতের পাশে দাঁড়িয়েছিল চিন। তারা জানিয়েছিল, ভারতের জনগণের স্বার্থে তারা গম রফতানি বন্ধ করতে পারে।

  • Jaishankar On E-Passport: শীঘ্রই ভারতে চালু হচ্ছে ই-পাসপোর্ট, কেন জানেন? 

    Jaishankar On E-Passport: শীঘ্রই ভারতে চালু হচ্ছে ই-পাসপোর্ট, কেন জানেন? 

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিদেশ ভ্রমণ মসৃণ করতে এবার ই-পাসপোর্ট (E-Passport) চালু করতে চলেছে কেন্দ্রীয় সরকার। এর ফলে রোখা যাবে ব্যক্তিগত তথ্য চুরি। সম্প্রতি এ কথা জানালেন বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর (S Jaishankar)। পাসপোর্ট সেবা দিবস (Passport Sewa Diwas) উপলক্ষে একথা বলেন তিনি।

    ভারত থেকে বিদেশ ভ্রমণ এবার আরও মসৃণ হতে চলেছে। ফি বছর নানা প্রয়োজনে প্রচুর ভারতীয় বিদেশে যান। এজন্য প্রয়োজন হয় পাসপোর্টের। বিশ্বের বহু দেশই ই-পাসপোর্ট চালু করে ফেলেছে। আন্তর্জাতিক ভ্রমণের ক্ষেত্রে ই-পাসপোর্টে নানা সুবিধা মেলে। অভিবাসন কাউন্টারগুলির কাজে গতি আসে। তাতে আদতে লাভ হয় ভ্রমণকারীদেরই। পাসপোর্ট কর্তৃপক্ষ ২০১৯ সালে ভারতে এবং বিদেশে এক কোটি আঠাশ লক্ষেরও বেশি পাসপোর্ট ইস্যু করেছিল। এদিক থেকে চিন ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের পরেই রয়েছে ভারত। বিশ্বব্যাপী প্রচারের একটি অংশ হিসেবে বিদেশ মন্ত্রক ৭০টি বিদেশি মিশন ও পোস্টগুলিতে পাসপোর্ট ইস্যু করার সিস্টেম চালু করেছে। এগুলি বিদেশে জারি করা মোট পাসপোর্টের ৯৫ শতাংশেরও বেশি।

    আরও পড়ুন: পরমাণু জ্বালানি সরবরাহকারী গোষ্ঠীতে যোগ দিতে মুখিয়ে ভারত, জানালেন জয়শঙ্কর

    বর্তমানে ভারতীয় নাগরিকদের ইস্যু করা পাসপোর্ট ছাপা হয় বুকলেটে। ইন্টারন্যাশনাল সিভিল অ্যাভিয়েশন অর্গানাইজেশন কর্তৃক নির্ধারিত আন্তর্জাতিক মানের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে সরকার এগুলিকে আপগ্রেড করতে চায়। এই প্রক্রিয়ায় দুটি বিষয় রয়েছে। প্রথমটিই হল ই-পাসপোর্ট। পাসপোর্ট বুকলেটে একটি ইলেকট্রনিক চিপ এম্বেড করে নন-ইলেকট্রনিক পাসপোর্টে নিরাপত্তার একটি স্তর যুক্ত করা হবে। পাসপোর্টের দ্বিতীয় পৃষ্ঠায় জীবনী সংক্রান্ত তথ্যের পাশাপাশি একটি ডিজিটাল নিরাপত্তা বৈশিষ্ট্যও থাকবে। এই ডিজিটাল নিরাপত্তা বৈশিষ্ট্য হল একটি ডিজিটাল স্বাক্ষর। যা প্রতিটি দেশের জন্য অনন্য এবং নিজ নিজ শংসাপত্র ব্যবহার করে এটি যাচাই করা যেতে পারে।

    আরও পড়ুন: মানবাধিকার প্রসঙ্গে আমেরিকাকে ‘দুসরা’ বিদেশমন্ত্রী জয়শঙ্করের

    ফি বছর ২৪ জুন দিনটি পাসপোর্ট সেবা দিবস হিসেবে পালন করে দেশ। এদিন সেই অনুষ্ঠানে যোগ দিতে গিয়েই জয়শঙ্কর বলেন, আমাদের মন্ত্রিসভা ভারতীয়দের ই-পাসপোর্ট দেওয়ার কাজ চালু করতে চলেছে। এতে একদিকে যেমন আন্তর্জাতিক ভ্রমণ মসৃণ হবে, তেমনি রোখা যাবে জাল পাসপোর্ট তৈরির প্রবণতাও। বজায় থাকে ডেটা নিরাপত্তাও। তিনি জানান, ইতিমধ্যেই পাসপোর্ট সেবা সিস্টেমকে ডিজি-লকারের সিস্টেমের সঙ্গে যুক্ত করা হয়েছে। এতে পেপারলেস ডকুমেন্টেশন প্রসেসের সুবিধা মিলছে।

     

  • Modi Biden Virtual Meet: রাশিয়া থেকে জ্বালানি কেনা বন্ধ হবে না, আমেরিকাকে সটান জবাব ভারতের 

    Modi Biden Virtual Meet: রাশিয়া থেকে জ্বালানি কেনা বন্ধ হবে না, আমেরিকাকে সটান জবাব ভারতের 

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধে(Russia Ukraine war) ফের একবার ভারসাম্যের নীতি নিল ভারত (India)। আমেরিকাকে স্পষ্ট করে জানিয়ে দিল, রাশিয়া-ইউক্রেনের যুদ্ধ অবিলম্বে বন্ধ হোক চাইলেও, রাশিয়া থেকে জ্বালানি কেনা বন্ধ করবে না নয়াদিল্লি। ভারত-মার্কিন দ্বিপাক্ষিক আলোচনায় (India-US 2+2 dialogue) একথা সাফ জানিয়ে দিলেন ভারতের বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর (S Jaishankar)।

    রাশিয়া-ইউক্রেনের যুদ্ধ চলছে দেড় মাসেরও বেশি সময় ধরে। এই যুদ্ধ নিয়ে গোটা বিশ্ব ভাগ হয়ে গিয়েছে দু ভাগে। এক দিকে রয়েছে রাশিয়ার মিত্র দেশগুলি। অন্য দিকে ইউক্রেনের পাশে দাঁড়িয়েছে ন্যাটোভুক্ত (NATO) দেশগুলির পাশাপাশি আমেরিকাও (USA)। যুদ্ধের জন্য রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনকে (Russian President Vladimir Putin) দায়ী করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন (US President Joe Biden)। 

    ভারত যেন রাশিয়ার কাছ থেকে তেল না কেনে, সে ব্যাপারেও হুঁশিয়ারি দিয়েছেন মার্কিন কর্তাব্যক্তিরা। তবে ভারত যে তাতে বিশেষ কান দেয়নি, তার প্রমাণ মেলে এই কিছু দিন আগেই রাশিয়ার কাছ থেকে জ্বালানি কেনায়। রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধে ভারত যে কোনও একপক্ষ নেবে না, তা প্রথম থেকেই স্পষ্ট করে দিয়েছিল প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির (PM Narendra Modi) নেতৃত্বাধীন কেন্দ্রীয় সরকার। প্রত্যাশিতভাবেই আমেরিকার হুমকিও ধর্তব্যের মধ্যেই আনেনি নয়াদিল্লি।

    ভারত-মার্কিন দ্বিপাক্ষিক আলোচনায় জয়শঙ্করের পাশাপাশি উপস্থিত ছিলেন প্রতিরক্ষা মন্ত্রী রাজনাথ সিং (Defence Minister Rajnath Singh)। আর ব্লিঙ্কেন ছাড়া আমেরিকার পক্ষে হাজির ছিলেন প্রতিরক্ষা সচিব লয়েড অস্টিন। জয়শঙ্কর মার্কিন বিদেশ সচিব অ্যান্টনি ব্লিঙ্কেনকে(Antony Blinken) সাফ জানিয়ে দিয়েছে, ভারত যুদ্ধ চায় না। তবে রাশিয়া থেকে জ্বালানি কেনা বন্ধের কথাও আপাতত ভাবা হচ্ছে না। 

    জয়শঙ্কর বলেন, আপনারা যদি রাশিয়া থেকে ভারতের জ্বালানি কেনার বিষয়টি দেখেন, তবে আমি বলব আপনারা ইউরোপের দিকে তাকান। আমরা জ্বালানি কিনি প্রয়োজনের জন্য। তবে আমরা এক মাসে যে পরিমাণ জ্বালানি কিনি, সেই পরিমাণ জ্বালানি ইউরোপ কেনে এক বেলায়। ভারত যে যুদ্ধের বিপক্ষে,তা ফের একবার স্পষ্ট করে দেন বিদেশমন্ত্রী। জয়শঙ্কর বলেন, আমরা যুদ্ধের বিরুদ্ধে। দ্বিপাক্ষিক আলোচনা ও কূটনৈতিকভাবে সমস্যার সমাধানে বিশ্বাসী আমরা। আমরা হিংসারও বিরুদ্ধে। হিংসা রুখতে যে কোনও পদক্ষেপ করতেও রাজি আমরা।

    ভারত যে রাশিয়া থেকে খুবই কম পরিমাণ জ্বালানি কেনে, গত সপ্তাহে তা জানিয়েছিলেন হোয়াইট হাউসের (White House) প্রেস সেক্রেটারি জেন সাকি। তিনি জানিয়েছিলেন, রাশিয়া যে পরিমাণ জ্বালানি রফতানি করে, তার এক থেকে দু’শতাংশ কেনে ভারত। তবে মস্কোর ওপর চাপ সৃষ্টি করতে রাশিয়া থেকে জ্বালানি কেনায় নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে বাইডেন সরকার।

    ভারতের বিদেশমন্ত্রীকে তাঁদের দেশের অবস্থান স্পষ্ট করে দেন ব্লিঙ্কেন। তিনি বলেন, আমরা ইউক্রেনের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমিকতার পক্ষে। সে দেশের মূল্যবোধকেও গুরুত্ব দিই আমরা। দশকের পর দশক ধরে রাশিয়ার সঙ্গে ভারতের গভীর সম্পর্ক (India Russia friendship) গড়ে উঠেছে। সেই সময় আমেরিকা ভারতের বন্ধু দেশ ছিল না। তবে এখন আমরা ভারতের বন্ধু হতে উৎসাহী।

    চিন ও পাকিস্তানকে চাপে রাখতে আমেরিকার সঙ্গে বন্ধুত্বেও আগ্রহী ভারত। তবে সেজন্য এখনই রাশিয়ার হাত ছাড়তে রাজি নয় সাউথ ব্লক। ভারত-মার্কিন দ্বিপাক্ষিক (India-US bilateral relation) বৈঠকে ঠারে-ঠারে সেই কথাটাই আরও একবার বুঝিয়ে দিলেন জয়শঙ্কর।

     

  • S Jaishankar: মার্কিন মুলুকে ছেলেকে নিয়ে রেস্তোরাঁয় গিয়েছিলেন জয়শঙ্কর, সেখানে কী হল জানেন?

    S Jaishankar: মার্কিন মুলুকে ছেলেকে নিয়ে রেস্তোরাঁয় গিয়েছিলেন জয়শঙ্কর, সেখানে কী হল জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সম্প্রতি ভারতের বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্করের একটি ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় বেশ ঘুরে বেড়াচ্ছে। অর্থাৎ ভাইরাল হয়েছেন বিদেশমন্ত্রী। এক জায়গায় বক্তৃতা দেওয়ার সময়, নিজের জীবনের এক অভিজ্ঞতা ভাগ করে নেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী। আর এখন নেট মাধ্যমে ভাইরাল সেই ভিডিও ক্লিপ।

    আরও পড়ুন: তাসখন্দে তালিবান বিদেশমন্ত্রীর সঙ্গে মুখোমুখি বৈঠকে বসতে চলেছেন জয়শঙ্কর?

    কাজের সূত্রে আমেরিকায় থাকেন এস জয়শংকরের (S Jaishankar) ছেলে। কোভিডকালে ছেলের সঙ্গে দেখা করতে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে (US) গিয়েছিলেন তিনি। সেখানেই বাবা-ছেলে মিলে যান এক রেস্তোরাঁয় নৈশভোজে। তারপর সেখানে কী হল সেই অভিজ্ঞতাই ভাগ করে নিয়েছেন তিনি।  

    আরও পড়ুন: মূল্যবোধই ভারতের সম্পদ! অভিমত সামান্থার 

    অনুষ্ঠানের মঞ্চে বক্তৃতা দেওয়ার সময় মন্ত্রী বলেন, “২০২১ সালে অতিমারির সময় আমার ছেলের সঙ্গে দেখা করতে আমেরিকায় গিয়েছিলাম। দুজনে একটি মার্কিন রেস্তোরাঁয় ডিনারে গিয়েছিলাম। সেখানে আমাদের কোভিড টিকাকরণের সার্টিফিকেট (Covid Vaccination Certificate) দেখাতে বলা হয়। আমার ছেলে নিজের মানি ব্যাগ থেকে একটি ভাঁজ করা কাগজ বের করে দেখায়। আর আমি নিজের মোবাইলে কোউইন (Cowin) পোর্টাল খুলে ডিজিটাল ভ্যাকসিনেশন সার্টিফিকেট দেখাই। আর এখানেই অন্য দেশের সঙ্গে ভারতের তফাৎ লক্ষ্য করা যায়। আমি ভারতের কোউইন পোর্টালের জন্য ওই মুহূর্তে গর্ব অনুভব করেছিলাম।” জয়শংকরের ৫৭ সেকেন্ডের ছোট্ট এই ভিডিয়ো ক্লিপটি মুহূর্তেই সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়ে। নেটিজেনরা সকলেই কোউইন পোর্টাল নিয়ে নিজ নিজ অভিজ্ঞতা ভাগ করে নেন কমেন্ট বক্সে।

     

    যারা দেশের বাইরে যাত্রা করছেন বা আগামীতে যাত্রা করার কথা ভাবছেন একটি বিষয় জেনে রাখা অত্যন্ত জরুরি। যারা দেশের বাইরে যেতে চান, তাঁদের পাসপোর্টের সঙ্গে কো-উইন অ্যাপের ভ্যাকসিন সার্টিফিকেট লিঙ্ক করা বাধ্যতামূলক। 

  • S Jaishankar: ‘‘জেগে আছেন?’’, হঠাৎ মধ্যরাতে ফোন মোদির! তারপর… স্মৃতি রোমন্থন জয়শঙ্করের

    S Jaishankar: ‘‘জেগে আছেন?’’, হঠাৎ মধ্যরাতে ফোন মোদির! তারপর… স্মৃতি রোমন্থন জয়শঙ্করের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এই মুহূর্তে নিউ ইয়র্কে রয়েছেন ভারতের বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর (S Jaishankar)। রাষ্ট্রসংঘের (United Nations) বৈঠকে যোগ দিতে গিয়েছেন তিনি। সেখানে গিয়ে নিউ ইয়র্কে বৃহস্পতিবার মোদীকে নিয়ে লেখা একটি বই প্রকাশের অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করেন জয়শঙ্কর। সেখানেই বক্তৃতা দিতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির (Narendra Modi) বিষয়ে কথা বলেন। মুহূর্তেই ভাইরাল হয় সেই ভিডিও। জয়শঙ্কর বলেন, “সে দিন আফগানিস্তানে ভারতীয় দূতাবাসের সামনে একটি বিস্ফোরণ হয়। আমি সবার সঙ্গে যোগাযোগ রাখছিলাম। হঠাত্‍ মাঝরাতে ফোন বাজল। দেখি, প্রধানমন্ত্রী ফোন করছেন। তখন রাত সাড়ে ১২টা। ফোন তুলতেই জিগ্গেস করলেন, জেগে আছেন? আমি বললাম, হ্যাঁ স্যর জেগে আছি।’

    জয়শঙ্কর বলেন, “প্রধানমন্ত্রী জিজ্ঞেস করেন ওখানে কী হচ্ছে? উত্তরে আমি জানাই উদ্ধারের কাজ শুরু হয়ে গিয়েছে। আশা করা হচ্ছে আগামী দু ঘণ্টার মধ্যে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে চলে আসবে। আমি আপনার দফতরে ফোন করে জানিয়ে দেব। তখন প্রধানমন্ত্রী আমাকে বলেছিলেন সোজাসোজি তাঁকে ফোন করে জানাতে।” 

    আরও পড়ুন: টাকার দামে রেকর্ড পতন! মার্কিন ডলারের তুলনায় দাম কমে দাঁড়াল ৮১ টাকা ৯ পয়সা

    ২০১৬ সালের ঘটনার স্মৃতিচারণ করেন বিদেশমন্ত্রী। তখন তিনি দেশের বিদেশ সচিব ছিলেন। সেইসময় আফগানিস্তানের মাজার-ই-শরিফ শহরে ভারতীয় কনস্যুলেটে জঙ্গি হামলার ঘটনার জেরে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে প্রথম সাক্ষাৎ হয় তাঁর। মাজার-ই-শরিফে ভারতীয় কনস্যুলেটে তিন তলা ভবনের একাংশ দখল করে নিয়েছিল কয়েক জন ফিদায়েঁ জঙ্গি। রাতভর চলে পুলিশ-জঙ্গি লড়াই। প্রাথমিক ভাবে আশঙ্কা করা হয়েছিল দূতাবাস কর্মীদের একাংশকে পণবন্দি করে ফেলেছে জঙ্গিরা। সেদিনের অভিজ্ঞতার কথা বলতে গিয়ে মোদির ভূয়সী প্রশংসা করে জয়শঙ্কর বলেন, “প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে প্রথম দেখার আগে থেকে আমি তাঁকে পছন্দ করতাম। ওনার সঙ্গে কাজ করতে গিয়ে অনেকটা জানতে পেরেছি। ওনার কাজের প্রতি নিষ্ঠা আমাকে মুগ্ধ করেছে।”

    আরও পড়ুন: মেক ইন ইন্ডিয়ায় ভরসা! ব্রহ্মস এয়ারোস্পেস প্রাইভেট লিমিটেডের সঙ্গে ১৭০০ কোটির চুক্তি প্রতিরক্ষামন্ত্রকের

    তিনি আরও বলেন, “প্রধানমন্ত্রী সকাল সাড়ে সাতটায় কাজ শুরু করেন। সারাদিন অক্লান্ত পরিশ্রম করেন।”

    গত বছর আফগানিস্তানে তালিবান শাসন কায়েম হওয়ার পরের অভিজ্ঞতাও ভাগ করে নেন তিনি। তিনি বলেন, “প্রবল সঙ্কটের মধ্যে ভারত অভিযান চালিয়েছিল। যেসমস্ত ভারতীয় ফিরে আসতে চেয়েছিলেন, তাঁদের সকলকে ফিরিয়ে আনা হয়েছে। কাবুল থেকে ভারত তাদের নাগরিকদের এয়ালিফট করিয়েছে। সেই সময় আফগানিস্তান থেকে ভারতীয়দের উদ্ধারের সময় প্রধানমন্ত্রী একাদিক কার্যকরী সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন।” 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • S Jaishankar: ভোট রাজনীতি দেশের স্বার্থকে প্রভাবিত করবে, সেই দিন আর নেই, বললেন এস জয়শঙ্কর 

    S Jaishankar: ভোট রাজনীতি দেশের স্বার্থকে প্রভাবিত করবে, সেই দিন আর নেই, বললেন এস জয়শঙ্কর 

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আগে ভোটের রাজনীতি বিদেশনীতি (Foreign Policy) ঠিক করত। এখন আর সেই দিন নেই। ইজরায়েল তার প্রমাণ। নিজের বইয়ের গুজরাতি সংস্করণ প্রকাশের অনুষ্ঠানে এমনটাই বললেন বিদেশমন্ত্রী (Foreign Minister) এস জয়শঙ্কর (S Jaishankar)। তিনি বলেন, “ইজরায়েল এবং প্যালেস্তাইনের মধ্যে বিরোধ বহু বছর ধরে চলে আসছে। আমাদের কিছু রাজনৈতিক বিষয় রয়েছে। আমরা আর ইজরায়েলের সঙ্গে নেই। নরেন্দ্র মোদিই (Narendra Modi) ভারতের প্রথম প্রধানমন্ত্রী যিনি ইজরায়েলে গিয়েছেন। গোটা দেশ যানে সেই সম্পর্ক থেকে আমাদের কত লাভ হতে পারত। কিন্তু ভোট রাজনীতি দেশের স্বার্থকে প্রভাবিত করবে সেই দিন আর নেই।” 

    আরও পড়ুন: চারদিনের সফরে ভারতে শেখ হাসিনা, মোদির সঙ্গে বৈঠকে নজরে জলবণ্টন

    ভারতের জনসংখ্যা নিয়ে জয়শঙ্কর বলেন, “ভারতের জনসংখ্যার বৃদ্ধি অতি দ্রুত কমছে। এর অন্যতম কারণ শিক্ষা এবং সামাজিক সচেতনতা। দিন দিন আমাদের দেশে পরিবারের আকার ছোট হচ্ছে। এটা বিবর্তনের একটা অংশ। জোর করে জনসংখ্যার নিয়ন্ত্রণ ভয়ঙ্কর। আমরা অনেক দেশেই দেখি লিঙ্গ ভারসাম্য নেই। এতে সমাজের কোনও উপকার হয় না। গণতন্ত্রের কিছু সমস্যাও রয়েছে। মানুষ কখনও কখনও হতাশ হয়ে পড়ে। অনেক অসুবিধা থাকলেও অগণতন্ত্রের থেকে গণতন্ত্র যেকোনও মুহূর্তে ভালো। জনসংখ্যার মতো বিষয়গুলিকেও গণতান্ত্রিকভাবে দেখতে হবে। যারা জোর করেছে তারা এখন পস্তাচ্ছে।”

    তিনি আরও বলেন, “প্রধানমন্ত্রী যখন বিদেশে যান, তখন সেই দেশের উন্নয়ন দেখেন। দেখেন কী কাজ হচ্ছে। ট্রেন, বুলেট ট্রেন তারই ফসল। উনি খেয়াল করেছেন কীভাবে সাউথ কোরিয়া দুষিত নদী পরিষ্কার করে। উনি যখন সিঙ্গাপুরে ছিলেন, তখন বার্লিন রেলওয়ে স্টেশনে যান। সেখান থেকে স্মার্ট সিটির পরিকল্পনা নিয়ে আসেন। সরকারের ভাবনা বদলেছে। বাইরের দেশে ভালো যা ঘটছে আমরা তা আমাদের জনগণের সামনে এনে হাজির করছি।” 

    আরও পড়ুন: আগামী সাত বছরেই বিশ্ব অর্থনীতিতে ৩ নম্বরে ভারত?

    এদিনের অনুষ্ঠানে রাশিয়া থেকে পণ্য কেনার বিষয়ে বিদেশমন্ত্রী বলেন, “মানুষ ভারতের অবস্থা বুঝবে না। এখানকার আয়-ব্যয়ও বুঝবে না। রাশিয়া থেকে তেল কেনার ক্ষেত্রে বিদেশ নীতির থেকেও আমরা গুরুত্ব দিয়েছি জনগণের সুবিধায়। নরেন্দ্র মোদির নির্দেশ ছিল দেশবাসীর বিষয়ে আমাদের আগে ভাবতে হবে।”  

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

  • S Jaishankar Hits Back: মানবাধিকার প্রসঙ্গে আমেরিকাকে ‘দুসরা’ বিদেশমন্ত্রী জয়শঙ্করের 

    S Jaishankar Hits Back: মানবাধিকার প্রসঙ্গে আমেরিকাকে ‘দুসরা’ বিদেশমন্ত্রী জয়শঙ্করের 

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মার্কিন বিদেশ সচিবকে ‘দুসরা’ দিলেন ভারতের বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর (EAM S Jaishankar)। সম্প্রতি, ভারত-মার্কিন প্লাস-টু (India US 2+2 dialogue) বৈঠকে আমেরিকার বিদেশ সচিবের কাছে মানবাধিকার (Human Rights) নিয়ে খোঁচা শুনতে হয়েছিল ভারতকে। দু’দিন পর তারই পাল্টা দিলেন ভারতের বিদেশমন্ত্রী। জয়শঙ্কর বলেন, আপনাদের দেশে মানবাধিকার নিয়েও আমাদের উদ্বেগ রয়েছে। সময় এলে মুখ খুলবে ভারত (India)।

    দিন কয়েক আগে প্লাস টু বৈঠকে বসে ভারত ও আমেরিকা। ভারতের পক্ষে ওই বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন জয়শঙ্কর এবং প্রতিরক্ষা মন্ত্রী রাজনাথ সিং(Defence Minister Rajnath Singh)। আর আমেরিকার তরফে ছিলেন বিদেশ সচিব অ্যান্টনি ব্লিকেন (US secretary of state Antony Blinken) এবং অস্টিন লয়েড। ওই বৈঠকেই বন্ধুত্বপূর্ণ পরিবেশে আলোচনা হলেও, চোনা পড়ে যায় মার্কিন বিদেশ সচিবের একটি খোঁচায়। 

    ভারতের দুই প্রতিনিধিকে তিনি বলেন, ভারতের ক্রমবর্ধমান মানবাধিকার লঙ্ঘনের ঘটনাগুলির ওপর নজর রাখছে আমেরিকা। কিছু সরকারি আধিকারিক, পুলিশ এবং জেল আধিকারিকদের বিরুদ্ধে মানবাধিকার লঙ্ঘনের গুরুতর অভিযোগ উঠছে। আমরা নিয়মিত আমাদের ভারতীয় বন্ধুদের সঙ্গে কথা বলছি।
     
    মার্কিন খোঁচা নিঃশব্দে সেদিন সহ্য করে নেন জয়শঙ্কর। কিন্তু, দুদিন পরই মার্কিন-খোঁচার জবাবে তিনি বলেন, দেখুন কেউ ভারত সম্পর্কে নিজের মতামত দিতেই পারে। কিন্তু আমাদেরও মতামত রয়েছে। আমরা জানি ওরা কেন একথা বলছে। কোন লবি এবং ভোটব্যাঙ্ক রক্ষা করতে এই ধরনের মন্তব্য করা হয়েছে, সেসবও আমাদের জানা রয়েছে। আমি আপনাকে বলছি, যখন এনিয়ে আলোচনা হবে, তখন আমরাও মুখ খুলতে পিছপা হব না। 

    জয়শংকর সাফ জানিয়ে দেন, ভারত-আমেরিকা টু প্লাস টু বৈঠকে মানবাধিকার নিয়ে আলোচনা হয়নি, তাই এনিয়ে ভারত কিছু বলেনি। পরে যখন এনিয়ে আলোচনা হবে তখন ভারত আমেরিকা প্রসঙ্গেও নিজেদের মতামত তুলে ধরবে। এর পরেই বিদেশমন্ত্রী বলেন, বহু মানুষের মানবাধিকার নিয়ে আমাদেরও মতামত রয়েছে। আমেরিকায় মানবাধিকার নিয়েও আমাদের উদ্বেগ রয়েছে। 

    প্রসঙ্গত, কয়েকদিন আগেই নিউ ইয়র্কের (New york) রিচমন্ড হিলের কাছে হিংসার শিকার হয়েছেন দুই শিখ যুবক। এদিন সে প্রসঙ্গ তুলে আমেরিকাকে জয়শঙ্কর বুঝিয়ে দিলেন আমেরিকা যেমন ভারতের ওপর নজর রাখছে, তেমনি চোখ বুজে বসে নেই নয়াদিল্লিও (New Delhi)। সাউথ ব্লকের তীক্ষ্ণ দৃষ্টি রয়েছে আমেরিকার ওপর।

     

LinkedIn
Share