Tag: s jaishankar

s jaishankar

  • S Jaishankar: “মোদির বিদেশনীতিই ভারতকে খ্যাতি এনে দিয়েছে”, বললেন জয়শঙ্কর

    S Jaishankar: “মোদির বিদেশনীতিই ভারতকে খ্যাতি এনে দিয়েছে”, বললেন জয়শঙ্কর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের একবার মোদি-স্তুতি শোনা গেল বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্করের (S Jaishankar) গলায়। তিনি জানালেন, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বে যে বিদেশনীতি নিয়েছে ভারত, তা দেশকে খ্যাতি দিয়েছে। এই বিদেশনীতির কারণেই তামাম বিশ্বে জনপ্রিয়তা অর্জন করেছে নয়াদিল্লি। শিমলায় বুদ্ধিজীবীদের সঙ্গে আলাপচারিতার একটি অনুষ্ঠানে যোগ দিয়েছিলেন জয়শঙ্কর। সেখানেই তিনি মোদির উচ্চকিত প্রশংসা করেন।

    মোদির বিদেশনীতি (S Jaishankar)

    বলেন, “প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বে যে বিদেশনীতি ভারত গ্রহণ করেছে, তা আমাদের দেশকে সম্মান দিয়েছে। অদূর ভবিষ্যতে ভারত বিশ্বগুরুর ভূমিকা পালন করবে।” গত কয়েক বছর ধরে ভারত-চিন সীমান্ত নিয়ে যে কিছু সমস্যার সৃষ্টি হয়েছে, এদিনের অনুষ্ঠানে তা মেনে নিয়েছেন বিদেশমন্ত্রী। তবে সীমান্তের নিরাপত্তার বেষ্টনী যে আগের চেয়ে অনেক আঁটসাঁট, অত্যাধুনিক পরিকাঠামোয় সুসজ্জিত, তাও মনে করিয়ে দেন বিদেশমন্ত্রী।

    কী বললেন জয়শঙ্কর?

    তিনি বলেন, “মোদি সরকার চিন সীমান্তের পরিকাঠামোর উন্নয়ন খাতে বাজেট বরাদ্দ বাড়িয়ে দিয়েছে আগের চেয়ে অনেক বেশি। ৩ হাজার কোটি টাকা থেকে এটা বেড়ে হয়েছে ১৫ হাজার কোটি টাকা। চিন সীমান্তে থাকা সমস্ত রাজ্যের বিভিন্ন জেলায় চওড়া এবং অল-ওয়েদার রাস্তা এবং সুড়ঙ্গ বানিয়েছি। দ্রুত যাতে সীমান্তে পৌঁছানো যায়, তাই এই ব্যবস্থা করা হয়েছে।” বিদেশমন্ত্রী (S Jaishankar) বলেন, “ইউক্রেন-রাশিয়া যুদ্ধের সময় যখন ভারত রাশিয়া থেকে সস্তায় অপরিশোধিত জ্বালানি কেনার সিদ্ধান্ত নেয়, তখন বিশ্বের নানা অংশের চাপ আমাদের ওপর ছিল। কিন্তু আমরা সেগুলোর তোয়াক্কা করিনি। আমরা যখন কোয়াড গোষ্ঠীতে যোগ দিলাম, তখনও একই চাপ আসছিল চিনের কাছ থেকে। কিন্তু আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছিলাম আমাদের দেশের স্বার্থের কথা ভেবে। তাতে আমরা সফলও হয়েছি।” এর পরেই তিনি বলেন, “এসবই হয়েছে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বে।”

    সন্ত্রাসবাদ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “আমরা সন্ত্রাসবাদের চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হয়েছি। তাই দেশবাসীর দায় একটা স্থায়ী সরকার নির্বাচন করার। এভাবে বিশ্ববাসীকে একটা বার্তা দিতে হবে।” দশ বছর আগের ভারতের সঙ্গে ‘বিকশিত ভারতে’র তুলনাও টেনেছেন বিদেশমন্ত্রী। বলেন, “দশ বছর আগে আমার মতো যাঁরা বিদেশ যেতেন, তাঁদের অনেক কথা শুনতে হত। আর আজ, বিশ্ববাসীর কাছে আমাদের একটা নয়া ইমেজ তৈরি হয়েছে। উন্নয়নের নিরিখেই এই ইমেজ তৈরি হয়েছে। ‘বিকশিত ভারতে’র জন্যই এই ইমেজ আমাদের তৈরি হয়েছে (S Jaishankar)।”

    আর পড়ুন: ‘পিছিয়ে পড়া শ্রেণির কোটা গিলে খেয়েছে কংগ্রেস’, দাবি বিজেপির বিজ্ঞাপনী ভিডিওয়

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  WhatsappFacebookTwitterTelegram এবং Google News পেজ।

  • S Jaishankar: “তোমরা ওখানেও নিরাপদ নও”! উরি-পুলওয়ামা প্রসঙ্গ উল্লেখ করে কড়া বার্তা জয়শঙ্করের

    S Jaishankar: “তোমরা ওখানেও নিরাপদ নও”! উরি-পুলওয়ামা প্রসঙ্গ উল্লেখ করে কড়া বার্তা জয়শঙ্করের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সীমান্তপারের সন্ত্রাস কোনওভাবেই বরদাস্ত করা হবে না, তা আরও একবার স্পষ্ট করে দিলেন কেন্দ্রীয় বিদেশ মন্ত্রী এস জয়শঙ্কর (S Jaishankar)। যদি কেউ বা কারা ভাবে ভারতে সন্ত্রাস চালিয়ে কাঁটাতারের ওপারে পালিয়ে গিয়ে নিশ্চিন্তে থাকা যাবে তারা ভুল ভাবছে উরি, বা পুলওয়ামা (Uri and Pulwama Attacks) এর প্রমাণ, বলে দাবি বিদেশমন্ত্রীর। জয়শঙ্কর জানান, সন্ত্রাস মোকাবিলায় মোদি সরকারের আমলে যে স্টান্স নেওয়া হয়েছে, তা ২০০৮ সালের মুম্বই হামলার সময় থেকে অনেকটাই পাল্টে গিয়েছে।

    কড়া জবাব জয়শঙ্করের

    ভারতের মতো বিশাল দেশে নিরাপত্তা যে কতবড় চ্যালেঞ্জ সেই প্রসঙ্গ ধরেই নাম না করে ফের পাকিস্তানের বিরুদ্ধে তোপ দাগেন জয়শঙ্কর (S Jaishankar)। নয়া দিল্লির এক অনুষ্ঠানে জয়শঙ্কর বলেন,  “সন্ত্রাস মোকাবিলায় মোদি সরকারের আমলে যে স্টান্স নেওয়া হয়েছে, তা ২০০৮ সালের মুম্বই হামলার সময় থেকে অনেকটাই পাল্টে গিয়েছে। উরি হামলার পর পাকিস্তানকে পাল্টা জবাব দিয়েছে ভারত। আগে ভারত সীমান্তের ওপার থেকে সন্ত্রাসবাদ সহ্য করত। ওই যুগটা পিছনে রয়েছে। ২৬/১১ মুম্বই হামলার পর থেকে আমরা কোনও বড় সন্ত্রাসবাদ হামলা দেখিনি দেশে। আজকের ভারতে যেকোনও সন্ত্রাসবাদই হোক..আমাদের জবাব বালাকোট.. উরি (হামলার পাল্টা হামলা)।’

    বোঝানোর জন্যই উরি-বালাকোট

    এদিন, কার্যত নাম না করে পাক সন্ত্রাসবাদীদের নিশানা করে জয়শঙ্কর (S Jaishankar)। বিদেশমন্ত্রী বলেন, “তোমরা ওখানেও নিরাপদ নও। উরি আর বালাকোট করাই হয়েছিল বোঝানোর জন্য যে, না এভাবে জীবন কেটে যেতে পারে না,… মূল্য চোকাতে হবে। আর ভেবোনা যে তুমি কিছু করেছ বলে, আর ওই প্রান্তে পালিয়ে গিয়েছ বলে তুমি নিরাপদে রয়েছ। তুমি ওই প্রান্তেও নিরাপদ নও। তুমি সীমান্তের কাছেও নিরাপদ নও, তুমি আন্তর্জাতিক সীমান্ত পার করেও নিরাপদ নও। ফলে স্পষ্ট ও সরাসরি বার্তা দেওয়া হয়েছে তাদের , যাদের বার্তা দেওয়ার উদ্দেশ্য ছিল, আর তারা তা বুঝেছে।” এর ফল স্বরূপ (Uri and Pulwama Attacks) দেশে সন্ত্রাসবাদের ঘটনা কমেছে বলে দাবি জয়শঙ্করের। 

    আরও পড়ুন: প্রধানমন্ত্রী মোদিকে খুনের হুমকি-ফোন! চেন্নাইয়ে সতর্ক এনআইএ আধিকারিকরা

    নিরাপত্তা পরিষদে স্থায়ী পদ

    এদিন  রাষ্ট্রসংঘের নিরাপত্তা পরিষদে ভারতের স্থায়ী সদস্যপদ নিয়ে সম্ভাবনার কথাও বলেন বিদেশমন্ত্রী। তাঁর দাবি, সবকিছু ইতিবাচক দিকে এগোচ্ছে। এই মুহূর্তে  রাষ্ট্রসংঘের নিরাপত্তা পরিষদে স্থায়ী সদস্য ১৫ টি দেশ। আমেরিকা, চিন, ফ্রান্স, রাশিয়া, ইউকে সহ একাধিক দেশ রয়েছে সেখানে। স্থায়ী পদ পাওয়ার লড়াইতে রয়েছে ভারতও। অচিরেই তা মিলবে বলে মনে করেন জয়শঙ্কর (S Jaishankar)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • S Jaishankar: চিনের সঙ্গে ব্যবসা! ‘জাতীয় নিরাপত্তা’ মাথায় রাখতে উদ্যোগপতিদের ‘প্রস্তাব’ জয়শঙ্করের

    S Jaishankar: চিনের সঙ্গে ব্যবসা! ‘জাতীয় নিরাপত্তা’ মাথায় রাখতে উদ্যোগপতিদের ‘প্রস্তাব’ জয়শঙ্করের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “ভারতীয় সংস্থাগুলির উচিত প্রতিবেশী দেশগুলির সঙ্গে ডিল করার সময় ন্যাশনাল সিকিউরিটি ফিল্টার ব্যবহার করা।” পূর্ব লাদাখে চলতি ভারত-চিন সীমান্ত বিতর্ক প্রসঙ্গে এমনই প্রস্তাব দিলেন ভারতের বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর (S Jaishankar)। বিদেশের চেয়ে দেশীয় উৎপাদকের সোর্সের ওপর আরও বেশি করে নির্ভর করার প্রস্তাবও দিয়েছেন তিনি।

     কী বললেন জয়শঙ্কর? (S Jaishankar)

    কনফেডারেশন অফ ইন্ডিয়ান ইন্ডাস্ট্রির ইন্টার-অ্যাকটিভ সেশন চলাকালীন জয়শঙ্কর বলেন, “চিন যখন ক্রমেই আমাদের উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়াচ্ছে, তখন আমি দেশবাসীকে বলব, দেশেই উৎপাদন করুন, ভারতেই সোর্সিং করুন, ভারতেই সংগ্রহ করুন।” বিদেশমন্ত্রী বলেন, “আমরা দেশবাসীকে চিনের সঙ্গে পুরোপুরি ডিল করতে নিষেধ করছি না। তবে আপনার সামনে ভারতীয় কোনও সুযোগ খোলা থাকলে, আপনারা বরং ভারতীয় কোম্পানিগুলির সঙ্গে ডিল করুন।” তিনি (S Jaishankar) বলেন, “এটা আমাদের জাতীয় নিরাপত্তার পক্ষে খুবই ভালো। আমি আশা করি, আপনারা বিষয়টি নিয়ে চিন্তাভাবনা করবেন। মনে রাখবেন, দীর্ঘ মেয়াদে কিন্তু লাভের কড়ি ঘরে তুলবেন আপনারাই।”

    ‘অশান্তি পাকানোর চেষ্টা করছে’

    চলতি সীমান্ত বিতর্ক নিয়ে জয়শঙ্কর বলেন, “যারা আমাদের ড্রয়িংরুমে ঢুকে পড়ে অশান্তি পাকানোর চেষ্টা করছে, সীমান্তের বেড়া ভেঙে দিচ্ছে, তাদের সঙ্গে ডিল না করাটাই যুক্তিসঙ্গত।” তিনি বলেন, “উভয় দিক থেকেই এ ব্যাপারে একটা কমন প্রস্তাব থাকা উচিত।” বিদেশমন্ত্রী বলেন, “অর্থনৈতিক কাজকর্মের আড়ালে তারা(চিন) আসলে ভার্চুয়ালি অস্ত্রীকরণ অনুমোদন করছে। আমরা দেখেছি, কীভাবে তারা আমদানি ও রফতানি দুই ক্ষেত্রেই এটা করেছে। রাজনৈতিক চাপ জাহির করতেই তারা কাঁচামাল ও ট্যুরিজম স্টেবিলিটিকে ব্যবহার করছে। সাধারণ ব্যবসার চেয়েও ওরা এটা (ভার্চুয়ালি অস্ত্রীকরণ) বেশি করে করছে।”

    আর পড়ুন: ১২ নয়, ১৩ মাসে হয় এক বছর! জানুন সেই বিচিত্র দেশের কথা

    তিনি বলেন, “দুই দেশের মধ্যে বিশ্বাস এবং ভরসা থাকাটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। সেটা ক্রমেই কমছে। এর অন্যতম একটা কারণ হল ঝুঁকি-হীন সাপ্লাই সোর্স। প্রযুক্তির জটিল ও দ্রুত উন্নতিও এর আর একটি কারণ।” তিনি বলেন, “আমরা যদি সমৃদ্ধি ধরে রাখতে চাই তাহলে আমাদের অর্থনীতির সমৃদ্ধির কারণে বৈশ্বিক রিসোর্সকে কাজে লাগাতে হবে।” ভারতের পুরানো বন্ধু রাশিয়া যে ক্রমেই ফের পূবমুখী হচ্ছে, এবং তার ফলে যে অর্থনৈতিক সুযোগের দুয়ার খুলে যাবে, তাও মনে করিয়ে দেন জয়শঙ্কর (S Jaishankar)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • S Jaishankar: ‘‘নিজেরা আদালতে যায়, আবার আমাদের জ্ঞান দেয়’’, পশ্চিমী মিডিয়াকে তোপ বিদেশমন্ত্রীর

    S Jaishankar: ‘‘নিজেরা আদালতে যায়, আবার আমাদের জ্ঞান দেয়’’, পশ্চিমী মিডিয়াকে তোপ বিদেশমন্ত্রীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতের নির্বাচন নিয়ে পশ্চিমী দেশগুলি ‘নেতিবাচক’ ভাবে খবর সম্প্রচার করছে। তা নিয়ে এবার তোপ দাগলেন বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর। সব বিষয়ে পশ্চিমী দেশগুলির নাক গলানোকে কড়া ভাষায় নিন্দা করলেন বিদেশমন্ত্রী (S Jaishankar)। তাঁর কথায় যেসব দেশের ভোটের ফলাফল নির্ণয় হয় আদালতে, তাঁরা আবার আমাদের ‘জ্ঞান’ দেয়। বুধবার ভারতের নির্বাচন নিয়ে পশ্চিমী দেশগুলির সংবাদমাধ্যমের ভূমিকার তীব্র সমালোচনা করেন জয়শঙ্কর। সবাই নেতিবাচক দৃষ্টিতে ভারতের রাজনীতিকে উপস্থাপিত করছে বলে অভিযোগ তোলেন তিনি।

    কী বললেন জয়শঙ্কর

    কলকাতায় তাঁর লেখা ‘হোয়াই ভারত ম্যাটারস’ বইয়ের বাংলা সংস্করণ প্রকাশের জন্য শহরে এসেছিলেন বিদেশমন্ত্রী (S Jaishankar)। সেখানে আলাপচারিতার সময় দেশ ও বিদেশনীতি নিয়ে অনেক কথা বলেন জয়শঙ্কর। পশ্চিমী দেশগুলি ২০০ বছরের বেশি সময় ধরে বিশ্বকে নিয়ন্ত্রণ করছে। সকলের উপর খবরদারি চালাচ্ছে। আর তাই ভারতের স্পর্ধা দেখে ওরা এখন আঁতকে উঠছে। তাঁর কথায়, “বিগত ৭০ থেকে ৮০ বছর এই পশ্চিমী দেশগুলি আমাদের ওপর প্রভাব খাটিয়ে এসেছে। তাই এখনও তারা সেটা করতে চাইছে। আমরা কীভাবে নির্বাচন করব? তা-ও ওরাই ঠিক করে দেবে?” প্রশ্ন বিদেশমন্ত্রীর।

    আরও পড়ুন: মোদির বিরুদ্ধে আর্জি খারিজ সুপ্রিম কোর্টে, নির্বাচন কমিশনে অভিযোগের পরামর্শ

    পশ্চিমী ভাবনার সমালোচনা

    বিদেশমন্ত্রী জয়শঙ্করের (S Jaishankar) দাবি, পশ্চিমী দেশগুলি চায় যাতে একটি নির্দিষ্ট ক্লাসের মানুষজনই ভারতে শাসন করে। কিন্তু ভারতবাসীরা যখন নিজেদের মনের মতো ভোট দেয়, তারা সেটা মেনে নিতে পারে না।’ বিদেশি সংবাদপত্রগুলি কেন ভারতকে নিয়ে এত নেতিবাচক? এর কারণ ব্যাখ্যা করতে গিয়ে জয়শঙ্কর বলেন, “এরা এখন এমন এক ভারতকে দেখছে যা তাদের মনোভাবের বা ভাবনার সঙ্গে খাপ খায় না। তারা চায় নিজেদের মতো করে এখানে নীতি নির্ধারিত হোক। তাদের মতো করে মানুষ এখানে জীবন যাপন করুক। এটা যারা নিশ্চিত করবে, পশ্চিমীরা চায়, তারাই যেন ভারতে শাসন করে।” কানাডা ও আমেরিকার নাক গলানোর স্বভাবকে উল্লেখ না করেই জয়শঙ্কর বলেন, এটা ওদের পুরনো অভ্যাস। ওদের লক্ষ্য বিশ্বের দরবারে ভারতকে হেয় করা। ওরা যে একসময় দাদাগিরি চালাত তা ছাড়তে পারছে না। এইসব দেশই ভোটের ফলের জন্য আদালতে যায়। আর তারাই ভারতের গণতন্ত্র তুলে জ্ঞান দিতে চায়। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Chabahar Port Agreement: “চাবাহার বন্দর চুক্তিতে খুলে গেল বিনিয়োগের বৃহত্তর দ্বার”, বললেন জয়শঙ্কর

    Chabahar Port Agreement: “চাবাহার বন্দর চুক্তিতে খুলে গেল বিনিয়োগের বৃহত্তর দ্বার”, বললেন জয়শঙ্কর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ১৩ মে, সোমবার ভারত স্বাক্ষর করেছে ঐতিহাসিক চাবাহার বন্দর চুক্তিতে (Chabahar Port Agreement)। ইরানে গিয়ে এই চুক্তিতে স্বাক্ষর করেছেন ভারতের জাহাজ ও জলপথমন্ত্রী সর্বানন্দ সোনোয়াল। তার পরে পরেই ভারতের বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর জানিয়েছেন, ইরানের সঙ্গে ভারতের এই চুক্তিতে মধ্য এশিয়ায় ভারতের জন্য খুলে গেল বিনিয়োগের বৃহত্তর দ্বার।

    কী বললেন জয়শঙ্কর (Chabahar Port Agreement)

    সংবাদ মাধ্যমে এক সাক্ষাৎকার দিতে গিয়ে জয়শঙ্কর বলেন, “চাবাহার বন্দর চুক্তি নিয়ে আজ আমার কথা হয়েছে সতীর্থ মন্ত্রী সর্বানন্দ সোনোয়ালের সঙ্গে। চুক্তি স্বাক্ষর করতে তিনি গিয়েছেন ইরানে। এটা আশা করা হচ্ছে যে ভারত ও ইরানের মধ্যে দীর্ঘ মেয়াদি (দশ বছরের জন্য) এই চুক্তি আজই স্বাক্ষরিত হবে। অ্যাড হক অ্যারেঞ্জমেন্টসের ভিত্তিতে এই চুক্তি হচ্ছে। এতে ভারতের দিক থেকে কোনও সমস্যা নেই। যদিও ইরানের তরফে কিছু সমস্যা দেখা দিতে পারে (এর আগেই অবশ্য চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়ে গিয়েছে)।” তিনি বলেন, “আমরা বিশ্বাস করি, যখন (Chabahar Port Agreement) এই দীর্ঘ মেয়াদি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়ে যাবে, তখন এই বন্দরে বৃহত্তর বিনিয়োগের দ্বার খুলে যাবে। বন্দরটির এখনও সেভাবে নামডাক হয়নি। কারণ দীর্ঘ মেয়াদি চুক্তি না হলে বন্দরে মোটা অঙ্কের টাকা লগ্নি করা খুব কঠিন। এখন যখন দীর্ঘ মেয়াদি চুক্তি হচ্ছে, তখন অবশ্যই ওই বন্দরে আমরা মোটা অঙ্কের টাকা লগ্নি করব।”

    ইন্ডিয়া-মিডল-ইস্ট ইউরোপ ইকনমিক করিডর

    বিদেশমন্ত্রী এদিন ইন্ডিয়া-মিডল-ইস্ট ইউরোপ ইকনমিক করিডর চুক্তির প্রসঙ্গ তোলেন। গত বছর জি২০ সম্মেলনের আয়োজন করেছিল ভারত। সেখানেই এই চুক্তি হয়। জয়শঙ্কর জনান, চাবাহার বন্দর ভারতকে জুড়ে দেবে ইন্টারন্যাশনাল নর্থ-সাউথ ট্রান্সপোর্ট করিডরের সঙ্গে। তিনি বলেন, “এই বন্দরের মাধ্যমে অনেকগুলি কানেকটিভিটি লিঙ্কেজ তৈরি হবে। আজ আমরা বিশ্বাস করি, এই অংশের কানেকটিভিটি একটা বড় ইস্যু। ইন্টারন্যাশনাল নর্থ-সাউথ ট্রান্সপোর্ট করিডর, যেটা করা হয়েছিল ইরান-রাশিয়ার সঙ্গে, এর সঙ্গে আমাদের যুক্ত করবে চাবাহার। মধ্য এশিয়াকেও যুক্ত করবে এই বন্দর।” বিদেশমন্ত্রী বলেন, “আমাদের একটা আলাদা করিডর আছে, আইএমইইসি করিডর সৌদি আরবের মধ্যে দিয়ে। তাই আমি মনে করি, চুক্তি (চাবাহার চুক্তি) নিয়ে নিশ্চিত হওয়া পর্যন্ত আমায় অপেক্ষা করতে হবে। আপনারা জানেন, না আঁচালে বিশ্বাস নেই।” প্রসঙ্গত, চাবাহার বন্দর চুক্তিতে স্বাক্ষর করতে এদিনই ইন্ডিয়ান এয়ারফোর্সের বিশেষ বিমানে ইরানে উড়ে গিয়েছিলেন জাহাজ ও জলপথমন্ত্রী সর্বানন্দ সোনোয়াল।

    চাবাহার বন্দর

    ইরানের এই চাবাহার বন্দর রয়েছে ওমান উপসাগরের মুখে। এর আগে প্রতি বছরের জন্য চুক্তি পুনর্নবীকরণ করা হলেও, এবার টানা দশ বছরের জন্য চুক্তি হয়েছে। অবস্থানগতভাবে ভারতের কাছে এই বন্দরের গুরুত্ব অপরিসীম। পাকিস্তানের করাচির পাশাপাশি গদর বন্দরকে বাইপাশ করেই ইরানের মাধ্যমে দক্ষিণ এশিয়া ও মধ্য এশিয়ায় বাণিজ্য করতে পারবে ভারত। ব্যবসায়িক যোগাযোগের একটি নয়া রাস্তাও খুলে দেবে এই বন্দর। সংবেদনশীল এবং ব্যস্ত পারস্য উপসাগর ও হরমুজ প্রণালীর বিকল্প ব্যবসায়িক রুট হিসেবেও কাজ করবে এই বন্দর (Chabahar Port Agreement)। বিভিন্ন বন্দরের রাশ হাতে নেওয়ার খেলায় মেতেছে চিন। এভাবে বিভিন্ন দেশে মাতব্বরি করার সুযোগ হাতছাড়া করতে চাইছে না বেজিং। চিনকে টেক্কা দিতে কোমর কষে নেমে পড়েছে ভারতও। ইতিমধ্যেই মায়ানমারের সিট্টে বন্দরের রাশ হাতে নিয়েছে ভারত। গত বছর মে মাসে মায়ানমারের ওই বন্দরের রাশ হাতে নিয়েছিল নয়াদিল্লি। সেই বন্দরের উদ্বোধনও করেছিলেন সোনোয়াল। এবার ভারত নিল চাবাহার বন্দরের রশিও।

    আরও পড়ুুন: শ্রীনগরে পড়ল রেকর্ড ভোট, কী প্রতিক্রিয়া প্রধানমন্ত্রীর?

    চাবাহার বন্দরের গুরুত্ব

    ভারত ও ইরান দুই দেশের কাছেই চাবাহার বন্দরের গুরুত্ব অপরিসীম। এই বন্দর-চুক্তি স্বাক্ষরিত হওয়ায় ভারতের সঙ্গে ইরান, আফগানিস্তান এবং মধ্য এশিয়ার যোগাযোগের রুট হল সংক্ষিপ্ততর। চাবাহার বন্দরকে ট্রানজিট হাব বানাতে চাইছে ভারত। এর মাধ্যমে ইন্টারন্যাশনাল নর্থ সাউথ ট্রান্সপোর্ট করিডরের মাধ্যমে কমনওয়েল্থ অফ ইন্ডিপেনডেন্ট স্টেটসের দেশগুলিতে অনায়াসে পৌঁছতে পারবে ভারত। ভারতের সঙ্গে মধ্য এশিয়ার কার্গো যোগাযোগের জেরে মজবুত হবে ভারতের অর্থনীতির ভিত। সেক্ষেত্রে এই অঞ্চলে চাবাহার বন্দর পরিণত হবে এই অঞ্চলের কমার্সিয়াল ট্রানজিট সেন্টারে। আইএনএসটিসি একটি মাল্টি টান্সপোর্টেশন রুট। এটি কাস্পিয়ান সাগরের মধ্যে দিয়ে ভারত মহাসাগর ও পারস্য উপসাগরে সংযোগকারী পরিবহণ রুট হিসেবে কাজ করে। ইরান এবং ভায়া রাশিয়ার সেন্ট পিটার্সবার্গ হয়ে ইউরোপের উত্তরাংশের সঙ্গে ভারতের যোগাযোগ করে সুগম। মুম্বই থেকে সমুদ্র পথে শাহিদ বেহেস্তি বন্দর-চাবাহার, চাবাহার থেকে স্থলপথে কাস্পিয়ান সাগরে থাকা ইরানের আর এক বন্দর বন্দের-ই-আনজালি এবং সেখান থেকে কাস্পিয়ান সাগর হয়ে রাশিয়ান ফেডারেশনের সঙ্গে ভারতের যোগাযোগও অনায়াস হবে চাবাহার বন্দরের মাধ্যমে (Chabahar Port Agreement)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • S Jaishankar: “পোখরান পরমাণুপরীক্ষা জাতীয় নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করেছে”, স্মৃতিচারণ জয়শঙ্করের

    S Jaishankar: “পোখরান পরমাণুপরীক্ষা জাতীয় নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করেছে”, স্মৃতিচারণ জয়শঙ্করের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “পোখরান পরমাণু পরীক্ষা আমাদের জাতীয় নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করেছে।” কথাগুলি বললেন বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর (S Jaishankar)। শনিবার ১৯৯৮ সালে পোখরান পারমানবিক পরীক্ষার কথা স্মরণ করেন তিনি।

    কী বললেন জয়শঙ্কর? (S Jaishankar)

    এক্স হ্যান্ডেলে তিনি বলেন, “বর্তমান এনডিএ সরকার সেই ভিত্তির ওপর ভিত্তি তৈরি করেছে। দৃঢ়ভাবে সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে লড়াই করছে এবং আমাদের সীমান্ত পরিকাঠামো তৈরি করেছে।” তিনি বলেন, “জাতীয় নিরাপত্তা ইস্যুতে কে, কোথায় দাঁড়িয়ে তা জানতে হবে দেশকে। আমাদের রাজনৈতিক পছন্দগুলি শেষ পর্যন্ত ভারতের ভবিষ্যৎ সম্পর্কে পছন্দ।”

    পোখরান পরীক্ষা

    ১৯৯৮ সালের ১১ ও ১৩ মে রাজস্থানের পোখরানে (S Jaishankar) ধারাবাহিক পারমাণবিক পরীক্ষা করে ভারত। এই পরীক্ষাগুলি শক্তি সিরিজ নাম খ্যাত। প্রথম দিন ৪৫ কোটি থার্মোনিউক্লিয়ার অস্ত্র, একটি ১৫ কোটি ফিশন ডিভাইস এভং ০.২ কোটি সাব কিলোটন ডিভাইস পরীক্ষা করা হয়। এর ঠিক দু’দিন পরে সাব-কিলোটন রেঞ্জের আরও দু’টি পরীক্ষা হয়। পরে বোর-হোল নমুনার রেডিওকেমিক্যাল গবেষণার মাধ্যমে পরীক্ষার ফল নিশ্চিত করে পরমাণু শক্তি কমিশন।

    আরও পড়ুুন: বাংলায় বিজেপির ক্লিন স্যুইপ, ভোটের ফল নিয়ে কী বললেন প্রধানমন্ত্রী মোদি?

    ২০০৯ সালের ১৫ সেপ্টেম্বর পরমাণু শক্তি কমিশনের জারি করা প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ‘১৯৯৮ সালের ২১ মে অনুষ্ঠিত পরমাণু শক্তি কমিশনের বৈঠকে কমিশনকে পরীক্ষার প্রযুক্তিগত বিবরণ সম্পর্কে অবহিত করা হয়েছিল। ২৬ মার্চ, ১৯৯৯ এবং ওই বছররেই ১৮ নভেম্বর অনুষ্ঠিত কমিশনের সভায় বোর-হোল নমুনার রেডিও রাসায়নিক বিশ্লেষণের ফল পুনঃনিশ্চিত করা হয়।’ পরমাণু শক্তি কমিশনের বিবৃতির উপসংহারে বলা হয়েছে, ‘১১ মে, ১৯৯৮ সালে করা থার্মো নিউক্লিয়ার পরীক্ষার ফল নিয়ে পরমাণু শক্তি কমিশনের সন্দেহ করার কোনও কারণ নেই (S Jaishankar)।’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

     

  • S Jaishankar: ভারত জেনোফোবিক! মার্কিন প্রেসিডেন্টকে মুখের মতো জবাব দিলেন জয়শঙ্কর

    S Jaishankar: ভারত জেনোফোবিক! মার্কিন প্রেসিডেন্টকে মুখের মতো জবাব দিলেন জয়শঙ্কর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “ভারত জেনোফোবিক (যারা বিদেশিদের ভয় পায়)। কারণ তারা অভিবাসীদের স্বাগত জানায় না।” দিন কয়েক আগে একথা বলেছিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন। সম্প্রতি এক সংবাদ মাধ্যমে সাক্ষাৎকার দিতে গিয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্টের মন্তব্যের কড়া প্রতিক্রিয়া দিলেন বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর (S Jaishankar)। তিনি বলেন, “সমাজের সর্বস্তরের মানুষের জন্যই খোলা রয়েছে ভারতের দ্বার।”

    জয়শঙ্করের জবাব (S Jaishankar)

    মার্কিন প্রেসিডেন্ট এও বলেছিলেন, “ভারতের অর্থনীতির ভিত নড়বড়ে। খুব ভালো করছে না। যদিও মার্কিন অর্থনীতির নিত্য শ্রীবৃদ্ধি হচ্ছে।” এরও উত্তর দিয়েছেন ভারতের বিদেশমন্ত্রী। জয়শঙ্কর (S Jaishankar) বলেন, “প্রথমত, আমাদের অর্থনীতি বিপর্যস্ত হচ্ছে না। ভারত সব সময়ই একটি অনন্য দেশ। তার আতিথেয়তার জন্য পরিচিত। বিশ্বের ইতিহাসে ভারতই এমন একটি দেশ, যা সর্বদা অভিবাসীদের সাহায্য করেছে। বিভিন্ন সমাজের মানুষ ভারতে আসেন।” ভারত যে বিশ্বের দ্রুত বর্ধনশীল অর্থনীতির অন্যতম প্রধান দেশ, তাও মনে করিয়ে দিয়েছেন জয়শঙ্কর। তিনি বলেন, “গত কয়েক বছর ধরে ভারতের অর্থনীতি দ্রুত বর্ধনশীল। বিশ্বের বৃহত্তম অর্থনীতির দেশের তালিকায় ভারতের ঠাঁই হয়েছে পঞ্চম স্থানে। এই দশকের শেষের মধ্যেই ভারত উঠে আসবে এই তালিকার তিন নম্বরে।”

    কী বলেছিলেন বাইডেন?

    ২ মে এক নির্বাচনী জনসভায় আমেরিকার অর্থনৈতিক বিকাশ নিয়ে মন্তব্য করতে গিয়ে বাইডেন বলেছিলেন, “আমাদের অর্থনীতির বিকাশের অন্যতম কারণ হলেন আপনারা এবং আরও অনেকে। কেন? কারণ আমরা বিদেশিদের স্বাগত জানাই। আমরা এটা নিয়ে ভাবি। কিন্ত চিনের অর্থনীতি কেন এভাবে থমকে গেল? কেন জাপান সমস্যার মুখে পড়ছে? কেন রাশিয়া? কেন ভারত? কারণ তারা জেনোফোবিক। তারা বিদেশিদের চায় না।”

    আরও পড়ুুন: ধেয়ে আসছে কালবৈশাখী, ঝমঝমিয়ে বৃষ্টি কোথায়, কখন জানেন?

    মার্কিন প্রেসিডেন্টকে সপাটে এরই উত্তর দিয়েছেন জয়শঙ্কর। বলেন, “তামাম বিশ্বে ভারতীয় সমাজ এমন একটি সমাজ, যেটা ভীষণ মুক্তমনা। ভিন্ন ভিন্ন সমাজ থেকে মানুষ ভারতে আসেন।” সিএএ-র প্রসঙ্গও উল্লেখ করেছেন জয়শঙ্কর। বলেন, “এই আইনের মাধ্যমে পাকিস্তান, আফগানিস্তান কিংবা বাংলাদেশ থেকে আসা হিন্দু, খ্রিস্টান, বৌদ্ধ, জৈন, শিখ এবং পারসিদের ভারতীয় নাগরিকত্ব দেওয়ার কথা বলা হয়েছে।” বিদেশিদের এ দেশে স্বাগত জানাতেই যে এহেন বড় পদক্ষেপ, তাও মনে করিয়ে দেন ভারতের বিদেশমন্ত্রী (S Jaishankar)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • S Jaishankar: “মুম্বই হামলার পরেও ব্যবস্থা নেয়নি ইউপিএ সরকার”, তোপ জয়শঙ্করের

    S Jaishankar: “মুম্বই হামলার পরেও ব্যবস্থা নেয়নি ইউপিএ সরকার”, তোপ জয়শঙ্করের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মুম্বই হামলার পরেও তৎকালীন ইউপিএ সরকার কোনও সামরিক পদক্ষেপ করেনি। অন্তত এমনই অভিযোগ বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্করের (S Jaishankar)। পাকিস্তানকে আক্রমণ করলে মূল্য চোকাতে হতে পারে ভারতকে। তাই পাকিস্তানে আক্রমণ চালায়নি নয়াদিল্লি। মঙ্গলবার এমনই দাবি করলেন জয়শঙ্কর।

    ভারত “গ্লোবাল সাউথে”র স্বর

    ভারতকে তিনি “গ্লোবাল সাউথে”র স্বর বলেও অভিহিত করেন। এই গ্লোবাল সাউথে রয়েছে বিশ্বের ১২৫টি দেশ। জয়শঙ্কর বলেন, “গ্লোবাল সাউথের দেশগুলি ভারতকে বিশ্বাস করে।” এদিন ‘ফরেন পলিসি দ্য ইন্ডিয়া ওয়ে: ফ্রম ডিফিডেন্স টু কনফিডেন্স’ শীর্ষক আলোচনাচক্রে ভাষণ দিতে গিয়ে জয়শঙ্কর (S Jaishankar) বলেন, “মুম্বই হামলার পরেও আগের ইউপিএ সরকারের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা লিখেছিলেন যে আমরা বসেছিলাম, আমরা আলোচনা করেছি। আমরা সমস্ত বিকল্প বিবেচনা করেছি। তারপর আমরা কিছুই না করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। আমাদের পদক্ষেপ না নেওয়ার পিছনে যুক্তি ছিল যে, পাকিস্তানকে আক্রমণ করলে বেশি মূল্য চোকাতে হবে বলে মনে হয়েছে।”

    কী বললেন বিদেশমন্ত্রী?

    বিদেশমন্ত্রী বলেন, “এরপর আপনারাই বিচার করুন।” তিনি বলেন, “কিছু দেশের প্রতি ভারতের একটি নৈতিক বাধ্যবাধকতা রয়েছে। এই দেশগুলি ঔপনিবেশিক শাসনে ছিল এবং দ্রুত পুনরুদ্ধার বা পুনর্গঠনের কাজ করতে পারেনি, যেমন ভারত করেছে।” বিদেশমন্ত্রী বলেন, “সীমান্তে ভারতের কিছু চ্যালেঞ্জ রয়েছে এবং সেগুলিকে রক্ষা করার মূল চাবিকাঠি কেবল জনসমক্ষে ভাষণ দেওয়া নয়, বরং পরিকাঠামো তৈরি করা। সামরিক বাহিনীকে সমর্থন করা ও এমন একটি ব্যবস্থা তৈরি করা যা সীমান্ত হুমকির মুখে পাল্টা প্রতিক্রায়া জানাবে।

    আরও পড়ুুন: “সন্দেহ মিলে গিয়েছে”, কাকুর স্বর-রিপোর্ট জমা দিয়ে বলল ইডি

    বিদেশমন্ত্রী বলেন, “আমরা যখন নিয়ন্ত্রণ রেখা অতিক্রম করেছিলাম, আমরা তা করেছিলাম আত্মবিশ্বাসের ভর করেই। আমরা যখন বালাকোটের সীমান্ত অতিক্রম করে আঘাত করি, তখন আমরা একই কাজ করেছি। আগের চেয়ে এখন আমাদের দেশ অনেক বেশি আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে আমেরিকারও মোকাবিলা করছে।” ‘মেক ইন ইন্ডিয়া’ ও প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা আপনার দেশকে স্বয়ংসম্পূর্ণ করেছে বলেও মনে করেন রাজনীতির কারবারিরা। কেবল ব্রহ্মোস নয়, অন্যান্য সরঞ্জামও রফতানি করা হবে (S Jaishankar)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Israel Iran Conflict: জট কাটল জয়শঙ্করের ফোনে, আটক ভারতীয় জাহাজিদের সঙ্গে দেখা করার অনুমতি ইরানের

    Israel Iran Conflict: জট কাটল জয়শঙ্করের ফোনে, আটক ভারতীয় জাহাজিদের সঙ্গে দেখা করার অনুমতি ইরানের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জট কাটল জয়শঙ্করের ফোনে। ইরান জানিয়েছে, হরমুজ প্রণালীতে তাদের হাতে আটক জাহাজে থাকা ভারতীয়দের সঙ্গে দেখা করতে দেওয়া হবে নয়াদিল্লির প্রতিনিধিদের (Israel Iran Conflict)। প্রসঙ্গত, জাহাজটির ২৫ জন কর্মীর মধ্যে ১৭ জনই ভারতীয়। ইরান-ইজরায়েল দ্বন্দ্বের জেরে জাহাজটিকে আটক করেছে তেহরান (ইরানের রাজধানী)। তার পর থেকেই ইরানের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রেখে চলেছে ভারত।

    ইরানে ফোন জয়শঙ্করের

    রবিবার রাতে ইরানের বিদেশমন্ত্রী আমির আবদোল্লাহিয়াঁর সঙ্গে ফোনে আলোচনা করার পর এক্স হ্যান্ডেলে ভারতের বিদেশমন্ত্রী লিখেছেন, “ইরানের বিদেশমন্ত্রীর সঙ্গে আমার ফোনে কথা হল। এমএসসি এরিস জাহাজে বন্দি ১৭ জন কর্মীর (এঁরা ভারতীয়) মুক্তির বিষয়ে কথা বললাম। পশ্চিম এশিয়ার বর্তমান পরিস্থিতি (Israel Iran Conflict) নিয়েও আলোচনা করলাম। আমি ওঁকে বলেছি, আক্রমণ থেকে বিরত থাকা, শান্তি বজায় রাখা ও কূটনীতির আশ্রয় নেওয়ার প্রয়োজন রয়েছে। আমরা একে অপরের সঙ্গে যোগাযোগ রাখার বিষয়ে সহমত হয়েছি।”

    কী বললেন ইরানের বিদেশমন্ত্রী?

    সোমবার ইরানের বিদেশমন্ত্রী জানান, বন্দিদের সঙ্গে ভারতীয় প্রতিনিধিদের দেখা করতে দেওয়া হবে। জানা গিয়েছে, ইজরায়েলের সঙ্গে সম্পর্ক থাকতে পারে, এই সন্দেহের বশে ইরান আটক করে ইটালীয়-সুইস সংস্থা এমএসসি পরিচালিত ওই জাহাজটিকে। (জাহাজটি আদতে লন্ডনের জোডিয়াক গোষ্ঠীর। ইজরায়েলি ধনকুবের ইয়াল অফার এই গোষ্ঠীর মালিক।) জাহাজটি সম্পর্কে যাবতীয় তথ্য সংগ্রহ করছে ইরান। যথাযথ তদন্তের আগে আটক জাহাজটিকে ছাড়া সম্ভব নয় বলেই জানিয়ে দিয়েছে তেহরান।

    এদিকে, ইহুদি রাষ্ট্র ইজরায়েলে ইসলামি রাষ্ট্র ইরানের ড্রোন হামলার (যদিও ড্রোনগুলিকে গুলি করে নামিয়েছে মার্কিন সেনা) প্রেক্ষিতে এবার তেল আভিভ (ইজরায়েলের রাজধানী) ইরানে হামলার প্রস্তুতি নিচ্ছে বলে চলছে জল্পনা। এমতাবস্থায় বিবদমান দুই রাষ্ট্র ইরান ও ইজরায়েলের বিদেশমন্ত্রীদের সঙ্গে ফোনে কথা বলেন জয়শঙ্কর। পশ্চিম এশিয়ার পরিস্থিতি নিয়ে কথা হয়েছে তাঁদের। এক্স হ্যান্ডেলে জয়শঙ্কর লেখেন, “ইজরায়েলের বিদেশমন্ত্রীর সঙ্গে এই মাত্র আমার কথা হল। শনিবার থেকে ওই অঞ্চলে যা হচ্ছে, সে বিষয়ে আমরা উদ্বেগ প্রকাশ করেছি। শান্তি বজায় রাখার আবেদন জানিয়েছি। আমাদের মধ্যে যোগাযোগ থাকবে (Israel Iran Conflict)।”

    আরও পড়ুুন: সলমনের বাড়ির সামনে চলল গুলি, দায় স্বীকার বিষ্ণোই গ্যাংয়ের

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • S Jaishankar: পাক অধিকৃত কাশ্মীর নিয়ে নেহরুকেই কাঠগড়ায় তুললেন জয়শঙ্কর

    S Jaishankar: পাক অধিকৃত কাশ্মীর নিয়ে নেহরুকেই কাঠগড়ায় তুললেন জয়শঙ্কর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পাক অধিকৃত কাশ্মীর নিয়ে প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী জওহরলাল নেহরুকেই কাঠগড়ায় দাঁড় করালেন বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর (S Jaishankar)। ভারতভূমের যে সব অংশ চিন দখল করে রেখেছে, সেজন্যও নেহরুই দায়ী বলে দাবি তাঁর।

    কী বললেন জয়শঙ্কর? (S Jaishankar)

    বিদেশমন্ত্রী বলেন, “দীর্ঘদিন আগেই রাষ্ট্রসংঘের নিরাপত্তা পরিষদে স্থায়ী সদস্যপদ পাওয়ার মুখে দাঁড়িয়েছিল ভারত। কিন্তু তৎকালীন ভারতের প্রধানমন্ত্রী জওহরলাল নেহরু বলেছিলেন যে ভারতের আগে চিনকে রাষ্ট্রসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের স্থায়ী সদস্যপদ দেওয়া উচিত।” নেহরুর চিন ফার্স্ট নীতির কারণে এখনও রাষ্ট্রসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের স্থায়ী সদস্য না হলেও, অচিরেই ভারত সেই মর্যাদা পাবে বলেও প্রত্যয়ী বিদেশমন্ত্রী (S Jaishankar)।

    প্যাটেল সতর্ক করেছিলেন নেহরুকে!

    মঙ্গলবার আমেদাবাদে গুজরাট চেম্বার অফ কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিজের অনুষ্ঠানে জয়শঙ্কর বলেন, “১৯৫০ সালে চিন নিয়ে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী নেহরুকে সতর্ক করেছিলেন সর্দার প্যাটেল (তৎকালীন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সর্দার বল্লভভাই প্যাটেল)। নেহরুকে প্যাটেল বলেছিলেন, আগে এই প্রথমবার আমাদের দুদিকেই (পাকিস্তান ও চিন) একটি পরিস্থিতি উদ্ভূত হয়েছে। যা আগে কখনও হয়নি। সেই সঙ্গে নেহরুকে প্যাটেল বলেছিলেন যে চিনারা যা বলছেন, তাতে তাঁর ভরসা নেই। কারণ ওঁদের উদ্দেশ্যটা অন্য কিছু ছিল এবং আমাদের সতর্কতা অবলম্বন করা উচিত।”

    আরও পড়ুুন: “থানায় চা-টোস্ট আনতেন শাহজাহান”, দাবি করলেন বিজেপি প্রার্থী দেবাশিস ধর

    জয়শঙ্কর বলেন, “সেই সময় নেহরু প্যাটেলকে বলেছিলেন যে আপনি অহেতুক চিনাদের নিয়ে সন্দেহ করছেন। তাছাড়া হিমালয়ের ওপার থেকে আমাদের ওপর হামলা চালানো অসম্ভব।” বিদেশমন্ত্রী বলেন, “কয়েক বছর পরে রাষ্ট্রসংঘে ভারতকে স্থায়ী সদস্যপদ দেওয়া যায় কিনা, তা নিয়ে আলোচনা চলছিল। সেই সময় নেহরু বলেছিলেন, আমরা স্থায়ী সদস্যপদ পাওয়ার যোগ্য। কিন্তু চিন যাতে আগে স্থায়ী সদস্যপদ পায়, সেটা প্রথমে আমাদের নিশ্চিত করতে হবে।” জয়শঙ্কর বলেন, “আজ আমরা ইন্ডিয়া ফার্স্ট বলছি। একটা সময় ছিল, যখন ভারতের প্রধানমন্ত্রী চিন ফার্স্ট বলতেন।”

    তিনি বলেন, “আজও যখন সীমান্ত নিয়ে কথা হয়, কেউ কেউ বলেন সীমানা পুনর্বিন্যাস হোক। তবে একটা কথা স্পষ্ট করে জানিয়ে দিতে চাই, আমাদের সীমানা আমাদেরই রয়েছে। এনিয়ে আমাদের সন্দেহ কোনওকালেই ছিল না (S Jaishankar)।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

LinkedIn
Share