Tag: Sandeshkhali

Sandeshkhali

  • Sheikh Shahjahan: “এবার নতুন সূর্যোদয় দেখবে সন্দেশখালি”, শাহজাহানের গ্রেফতারিতে প্রতিক্রিয়া বোসের

    Sheikh Shahjahan: “এবার নতুন সূর্যোদয় দেখবে সন্দেশখালি”, শাহজাহানের গ্রেফতারিতে প্রতিক্রিয়া বোসের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সন্দেশখালিকাণ্ডে গ্রেফতার তৃণমূল নেতা শেখ শাহজাহান (Sheikh Shahjahan)। ৫৫ দিন পরে তাঁর নাগাল পেল পুলিশ। বৃহস্পতিবার ভোরে মিনাখাঁ থেকে গ্রেফতার করা হয় শাহজাহানকে। তারপরেই প্রতিক্রিয়া দিয়েছেন রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস। এদিন কলকাতা বিমানবন্দরে পৌঁছে তিনি বলেন, “আশা করি, এবার নতুন সূর্যোদয় দেখবে সন্দেশখালি।”

    বেপাত্তা ছিলেন শাহজাহান

    সন্দেশখালিতে শাহজাহানের বাড়িতে তল্লাশি চালাতে গিয়ে জখম হন ইডির দুই আধিকারিক। জখম হয়েছিলেন কেন্দ্রীয় বাহিনীর দুই জওয়ানও। অভিযোগ, শাহজাহানের অনুগামীদের ছোড়া ইটের ঘায়ে জখম হয়েছিলেন ওই চারজন। ঘটনার পরে পরেই বেপাত্তা হয়ে যান তৃণমূলের এই নেতা। তাঁর গ্রেফতারি নিয়ে মাঝে মধ্যেই সরব হয়েছেন রাজ্যপাল। শাহজাহানকে (Sheikh Shahjahan) গ্রেফতার করতে রাজ্য পুলিশের ডিজিকে একাধিকবার নির্দেশও দিয়েছেন তিনি। রাজ্য প্রশাসনের শীর্ষ আধিকারিকদেরও একই বার্তা পৌঁছে দিয়েছিলেন তিনি।

    রাজ্যপালের প্রতিক্রিয়া 

    মঙ্গলবার রাজ্যের মুখ্যসচিব ও স্বরাষ্ট্রসচিবকে ফের চিঠি দেন রাজ্যপাল। সেই চিঠিতে শাহজাহানকে ৭২-ঘণ্টার মধ্যে হয় গ্রেফতার নয়তো কেন গ্রেফতার করা হয়নি সেই রিপোর্ট পেশ করার নির্দেশ দিয়েছিলেন তিনি। সেই সময়সীমা শেষ হওয়ার আগেই গ্রেফতার হয়েছেন শাহজাহান। রাজ্যপাল বলেন, “এটাই হল গণতন্ত্র। অন্ধকারের পর আলো। এটা প্রত্যেকের জন্য একটি শিক্ষা। আমি খুশি।” তিনি বলেন, “আমি আপনাদের বলেছিলাম সুড়ঙ্গের শেষে আলো থাকবে। আমরা অপেক্ষা করেছিলাম কিন্তু তা করা হয়েছে। এখন আসুন, আশা করি, আইনের শাসনের একটি নতুন ভোর ফিরে আসবে বাংলায়।”

    আরও পড়ুুন: সাদা পোশাক, সাদা স্নিকার্স পরে আদালতে শাহজাহান, ১০ দিনের পুলিশ হেফাজতের নির্দেশ

    শাহজাহানকে নিয়ে গত পঞ্চান্ন দিন ধরে চর্চা হয়েছে চায়ের দোকানেও। শাহজাহান গ্রেফতার হতেই তাঁর বিরুদ্ধে সোচ্চার হন স্থানীয় মহিলারা। তাঁদের অভিযোগ, এলাকার সুন্দরী মেয়েদের তৃণমূল পার্টি অফিস কিংবা এলাকার বাগানবাড়িতে তুলে নিয়ে গিয়ে নির্যাতন করা হত। নানা অছিলায় দখল করা হত গরিবের চাষের জমি। শাহজাহান বাহিনীর কথা মতো না চললেই নানাভাবে হেনস্থা করা হত বলেও অভিযোগ। পলাতক শাহজাহানকে গ্রেফতার করার দাবিতে পথে নামেন স্থানীয় মহিলারাও।

    ওয়াকিবহাল মহলের মতে, এর পরেই চাপে পড়ে যায় তৃণমূল। লোকসভা নির্বাচনের আগে সন্দেশখালির জনমত ঘুরে যেতে পারে ভেবে শঙ্কিত হয়ে পড়েন তৃণমূলের ভোট ম্যানেজাররা। তৃণমূলের অসমর্থিত একটি সূত্রের খবর, ড্যামেজ কন্ট্রোল করতে ধরিয়ে দেওয়া হয় শাহজাহানকে। সেই কারণেই মিনাখাঁয় লুকিয়ে থাকলেও, শাহজাহানকে গ্রেফতার করতে পুলিশের সময় লাগল ৫৫ দিন (Sheikh Shahjahan)।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Suvendu On Shahjahan: ‘‘মমতার পুলিশের সেফ কাস্টডিতেই শাহজাহান’’, শুভেন্দুর এই দাবিই তাহলে সত্যি?

    Suvendu On Shahjahan: ‘‘মমতার পুলিশের সেফ কাস্টডিতেই শাহজাহান’’, শুভেন্দুর এই দাবিই তাহলে সত্যি?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সন্দেশখালিতে ডিজি রাজীব কুমারের রাত্রিযাপনের পরই গ্রেফতার শেখ শাহজাহান। ৫৫ দিন টালবাহানার পর সন্দেশখালি থেকেই গ্রেফতার তৃণমূলের দাপুটে নেতা। তাহলে কি বিরেধীদের দাবিই সত্যি? পুলিশের সুরক্ষিত হেফাজতেই এতদিন কাটিয়েছেন শাহজাহান। রাজ্য পুলিশ জানত কোথায় ছিলেন তিনি। চলছিল শেষ সময়ের দর কষাকষি। শাহজাহান গ্রেফতার হওয়ার আগের দিনই, অর্থাৎ বুধবারই রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী স্পষ্ট বলেছিলেন, ‘‘মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পুলিশের সেফ কাস্টডিতে রয়েছেন শেখ শাহজাহান।’’

    কী বললেন শুভেন্দু

    ‘‘পুলিশি হেফাজতেই রয়েছেন শেখ শাহজাহান। আনুষ্ঠানিক গ্রেফতারির আগে তাঁর সঙ্গে দর কষাকষি চলছে পুলিশের।’’ বুধবার দুপুরে এমনই বিস্ফোরক দাবি করেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করে শুভেন্দুবাবু লিখেছেন, ‘সন্দেশখালির বজ্জাত শেখ শাহজাহান মঙ্গলবার রাত ১২টা থেকে মমতা পুলিশের হেফাজতে রয়েছে। তাঁকে বেড়মজুর ২ নম্বর গ্রাম পঞ্চায়েত থেকে নিয়ে গিয়েছে পুলিশ। তার আগে প্রভাবশালীদের মাধ্যমে মমতা পুলিশের সঙ্গে চুক্তি করেছে সে। চুক্তি অনুসারে পুলিশ ও জেল হেফাজতে থাকাকালীন তাকে পর্যাপ্ত যত্ন আদ্দি করতে হবে। তাকে জেলে থাকাকালীন ৫ তারা বিলাশের ব্যবস্থা করতে হবে। ব্যবহার করতে দিতে হবে মোবাইল ফোন। যার মাধ্যমে সে জেল থেকেই তৃণমূলকে নেতৃত্ব দেবে। এমনকী উডবার্ন ওয়ার্ডে তাঁর জন্য একটা শয্য সব সময় খালি রাখতে হবে। যাতে ইচ্ছা করলেই সেখানে এসে সময় কাটাতে পারে সে’।

    কী ভাবছেন রাজনীতিকরা

    শুধু শুভেন্দু অধিকারী নন, কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামনও শহরে এসে স্পষ্ট বলেছিলেন, ‘শেখ শাহজাহান কোথায়, সব জানে।’ মমতা সরকারকেই নিশানা করেছিলেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী। শাহজাহান শেখের সন্দেশখালির বাড়িতে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট তথা ইডির গোয়েন্দারা ৫ জানুয়ারি হানা দিয়েছিলেন। সেদিন থেকে শাহজাহান নিঁখোজ। প্রায় ৫৫ দিন ধরে বেপাত্তা। অনেকের ধারণা ছিল শাহজাহান বুঝি বাংলাদেশে পালিয়ে গিয়েছে। কেউ বা দাবি করছিলেন, শাহজাহান রয়েছে পুজালীতে। কিন্তু বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর দাবিই কিছুটা হলেও সত্য বলে মনে করছেন রাজনীতির কারবারিরা। বুধবার শুভেন্দু যা বলেছিলেন , সেই সন্দেশখালির গ্রাম থেকেই বৃহস্পতিবার সকালে গ্রেফতার হলেন শেখ শাহজাহান।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

  • Shahjahan Sheikh: সন্দেশখালির ‘হাঙর’ তৃণমূলের শেখ শাহজাহান গ্রেফতার

    Shahjahan Sheikh: সন্দেশখালির ‘হাঙর’ তৃণমূলের শেখ শাহজাহান গ্রেফতার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সন্দেশখালির তৃণমূল নেতা শেখ শাহজাহান (Shahjahan Sheikh) গ্রেফতার। রাজ্যের শাসক দলের এই ‘অপরাধী’কে ধরতে পুলিশের সময় লাগল ৫৫ দিন। শাহজাহান যে এলাকায়ই গা ঢাকা দিয়েছিলেন, তার প্রমাণ মিনাখাঁ থেকে গ্রেফতার করা হয়েছে তাঁকে। গ্রেফতার করার পরেই তৃণমূলের এই নেতাকে নিয়ে যাওয়া হয়েছে বসিরহাট কোর্ট লকআপে। আজ, বৃহস্পতিবারই তাঁকে তোলা হবে আদালতে।

    তৃণমূলের ‘ছেঁদো’ যুক্তি

    শাহজাহানকে ধরার জন্য রাজ্যকে ৭২ ঘণ্টা সময়সীমা দিয়েছিলেন রাজ্যপাল। সেই মন্তব্যের দুদিন পরই গ্রেফতার সন্দেশখালির এই তৃণমূল নেতা। শাহজাহানকে গ্রেফতার করতে দেরি হওয়া প্রসঙ্গে আদালতকেই দুষছে তৃণমূল। গত ২৫ তারিখে তৃণমূলের সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় বলেছিলেন, “শেখ শাহজাহানকে ধরার ক্ষেত্রে রাজ্যের হাত বেঁধে রেখেছে বিচার ব্যবস্থা।” অভিষেকের আইনি জটিলতা মন্তব্যের বিষয়টি আদালতে উত্থাপন করেছিলেন আদালত বান্ধব জয়ন্ত নারায়ণ। সেই সময় কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি টিএস শিবজ্ঞানম বলেছিলেন, “শাহজাহানকে গ্রেফতার না করার জন্য পুলিশকে কোনও নির্দেশই দেওয়া হয়নি। আমরা পুলিশকে বলিনি যে কাউকে গ্রেফতার করা যাবে না। ইডির মামলায় শুধু সিট গঠনের ওপর স্থগিতাদেশ দেওয়া হয়েছিল (Shahjahan Sheikh)।”

    আরও পড়ুুন: তৃণমূলের জেলা সভাধিপতি রুবিয়া সুলতানার গাড়ি ও হোটেল খরচ কত জানেন?

    শাহজাহান বাহিনীর (কু)কীর্তি!

    রেশন বণ্টন কেলেঙ্কারিকাণ্ডে নাম জড়ায় তৃণমূলের শাহজাহানের। এর পরেই তাঁর সন্দেশখালির বাড়িতে তল্লাশি অভিযানে যান ইডির আধিকারিকরা। অভিযোগ, শাহজাহানের অনুগামী তৃণমূল কর্মীদের ছোড়া ইটের ঘায়ে জখম হন ইডির দুই আধিকারিক। তাঁদের বাঁচাতে গিয়ে জখম হন কেন্দ্রীয় বাহিনীর দুই জওয়ানও। তার পরেই গা ঢাকা দেন শাহজাহান। তৃণমূলের এই নেতা ও তাঁর শাগরেদদের বিরুদ্ধে যৌন হেনস্থার অভিযোগে সরব হয়েছেন স্থানীয় মহিলারা। নানা অছিলায় স্থানীয়দের জমি কেড়ে নেওয়ার অভিযোগও উঠেছে তৃণমূলের এই নেতার দলবলের বিরুদ্ধে। তাঁর অনুগামীদের বিরুদ্ধে জবকার্ডের টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগও তুলেছেন স্থানীয়রা। শাহজাহান বাহিনীর কথা মতো না চললে মারধর, শ্লীলতাহানি, ধর্ষণ সহ নানা অত্যাচার করা হত বলেও অভিযোগ স্থানীয়দের। অভিযোগ, এহেন এক অপরাধী নিশ্চিন্তে ছিলেন তৃণমূলের আশ্রয়ে এবং প্রশ্রয়ে। যার জেরে শাহজাহানকে গ্রেফতার করতে সময় লাগল প্রায় দু’মাস।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Sandeshkhali Incident: ‘‘মণিপুর নিয়ে শুধু কথা, সন্দেশখালিতে কী হচ্ছে?’’, কলকাতায় এসে প্রশ্ন অর্থমন্ত্রী নির্মলার

    Sandeshkhali Incident: ‘‘মণিপুর নিয়ে শুধু কথা, সন্দেশখালিতে কী হচ্ছে?’’, কলকাতায় এসে প্রশ্ন অর্থমন্ত্রী নির্মলার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সন্দেশখালিতে (SandeshKhali Incident) ইডির উপরে হামলার ৫৪ দিন অতিক্রান্ত। তবুও অধরা মূল অভিযুক্ত শেখ শাহজাহান। সেখানকার মহিলারা নির্যাতনের শিকার। বিরোধীদের সেখানে কথা বলতে দেওয়া হয় না। সর্বত্র আতঙ্কের পরিবেশ। এবার রাজ্যে এসে সন্দেশখালির ঘটনা নিয়ে সুর চড়ালেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন (Nirmala Sitharaman)। তিনি বলেন, ‘বলা হচ্ছে ৭ দিনে গ্রেফতার হবে শেখ শাহজাহান। তা হলে শেখ শাহজাহান কোথায়, সবাই জানে?’ লোকসভা ভোটের কয়েক মাস আগে মহানগরে দাঁড়িয়ে নির্মলা বলেন, ‘পঞ্চায়েত ভোটে এত মৃত্যু হয়েছে। তার জবাব না দিয়ে শুধুই অন্যদের আক্রমণ। মণিপুর নিয়ে এত কথা, সন্দেশখালিতে কী হচ্ছে?’

    কী বললেন নির্মলা

    জাতীয় গ্রন্থাগারের ভাষা ভবনে একটি অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে নির্মলা (Nirmala Sitharaman) দাবি করেন, “ইন্ডিয়া জাস্টিস রিপোর্ট অনুযায়ী, রাজ্যের পুলিশি ব্যবস্থা এবং আইন-শৃঙ্খলার তালিকায় পশ্চিমবঙ্গ প্রায় নীচের দিকে।” তিনি বলেন, ‘‘গত জানুয়ারিতে শেখ শাহজাহানের বাড়িতে তল্লাশিতে গিয়ে কী ভাবে ইডি আধিকারিকরা উন্মত্ত জনতার দ্বারা আক্রান্ত হন। গুরুতর জখম হন। তার পরেও পুলিশ রাজনৈতিক প্রভুদের নির্দেশ মতো কাজ করে।’’ শাহজাহানের গ্রেফতার না হওয়া নিয়েও এ দিন সরকারের বিরুদ্ধে তোপ দাগেন নির্মলা। তাঁর কথায়, ‘‘সন্দেশখালির ঘটনায় মূল অভিযুক্ত এখনও গ্রেফতার হয়নি। প্রশাসনের ঔদ্ধত্য দেখে অবাক হতে হয়!” তাঁর অভিযোগ, “সন্দেশখালিতে ১৪৪ ধারা জারি করে কাউকে যেতে দেওয়া হচ্ছে না। অথচ মন্ত্রীরা যাচ্ছেন। পুলিশের আচরণ তৃণমূলের গুন্ডাদের মতো।”

    আরও পড়ুন: সন্দেশখালিতে ‘১৭৪ ধারা’! স্থানীয় অভিনেত্রী-সাংসদ নুসরতের মন্তব্যে বিতর্কের ঝড়

    মণিপুর প্রসঙ্গ

    রাজ্যের তৃণমূল সরকারকে তুলোধনা করেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী।  মণিপুর নিয়ে তৃণমূলের ভূমিকা মনে করিয়ে কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রীর বক্তব্য, “সন্দেশখালির (SandeshKhali Incident) কথা বলতে গিয়ে আমার গা-হাত-পা কেঁপে ওঠে। আইন শৃঙ্খলার কেমন ছবি এটি? সংসদে মণিপুর নিয়ে কত প্রশ্ন! কেন গেলেন না কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী? তিনি তো সেখানে গিয়েছেন। শিবিরে থেকেছেন। যাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দরকার, নিয়েছেন।” কেন্দ্রীয় নারী ও শিশুকল্যাণ মন্ত্রী স্মৃতি ইরানি চলতি মাসের মাঝামাঝিই সন্দেশখালির অত্যাচার নিয়ে সরব হয়েছিলেন। কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী প্রতিমা ভৌমিক বলেছিলেন,”শুধু জমি নয়, সন্দেশখালির মহিলাদের সম্মান লুঠ করেছে তৃণমূল।”

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • SandeshKhali Incident: সন্দেশখালিতে ‘১৭৪ ধারা’! স্থানীয় অভিনেত্রী-সাংসদ নুসরতের মন্তব্যে বিতর্কের ঝড়

    SandeshKhali Incident: সন্দেশখালিতে ‘১৭৪ ধারা’! স্থানীয় অভিনেত্রী-সাংসদ নুসরতের মন্তব্যে বিতর্কের ঝড়

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এক মাস ধরে জ্বলছে সন্দেশখালি (SandeshKhali Incident)। শাসকদলের নেতাদের অত্যাচারে দীর্ঘদিন ধরে সেখানে আতঙ্কের পরিবেশ বিরাজ করছে। বাধ্য হয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকে যাওয়া মানুষগুলো প্রতিবাদ করতে শুরু করেছে। সন্দেশখালি নিয়ে রাজ্য রাজনীতি উত্তাল। কলকাতা ছাড়িয়ে সন্দশখালির আঁচ পৌঁছেছে দিল্লিতেও। তবু এতদিন সন্দেশখালি নিয়ে এক কথায় নিশ্চুপ ছিলেন সেখানকার সাংসদ অভিনেত্রী নুসরত জাহান (Actress MP Nusrat Jahan)। অবশেষে তিনি মুখ খুললেন। কিন্তু কী বললেন তিনি! মঙ্গলবার সন্দেশখালি নিয়ে একটি সংবাদমাধ্যমকে প্রতিক্রিয়া জানাতে গিয়ে নুসরতের মন্তব্য— সন্দেশখালিতে ‘১৭৪ ধারা’ জারি আছে!  ইতিমধ্যে নুসরতের ওই মন্তব্য সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়ে গিয়েছে। তৈরি হয়েছে মিম!

    নুসরতের মন্তব্য

    বসিরহাটের সাংসদ নুসরতের (Actress MP Nusrat Jahan) সংসদ এলাকার মধ্যেই পড়ে সন্দেশখালি (SandeshKhali Incident)। ইতিমধ্য়ে বিভিন্ন রাজনৈতিক দল থেকে কেন্দ্রের মহিলা ও শিশু সুরক্ষা কমিশন, এমনকী রাজ্যপালও ঘুরে গিয়েছেন। এলাকার সাংসদ হিসেবে নুসরত অবশ্য তপ্ত এলাকায় এখনও যাননি। কেন? মঙ্গলবার সাংসদের কাছে এই প্রশ্নটি করে একটি সংবাদমাধ্যম। সেই প্রসঙ্গে মন্তব্য করতে গিয়েই নুসরত বলেন, “আমি বুঝতে পারছি না আমার এলাকায় না যাওয়া নিয়ে প্রশ্ন তোলা হচ্ছে কেন। আমি সব সময় দলের নির্দেশ মেনে চলি। রাজ্য সরকার প্রতিদিন সাহায্য পাঠাচ্ছে সন্দেশখালির স্থানীয় বাসিন্দাদের কাছে। যা যা দরকার তাই করা হচ্ছে। এলাকায় শান্তি ফেরাতে রাজ্য সব ধরনের ব্যবস্থা নিচ্ছে। সেখানে ১৭৪ ধারা জারি আছে। আমি গেলে সঙ্গে আরও অনেকে যাবে, সেটা আইনশৃঙ্খলা বিরোধী হবে। তাই আমাদের সকলের উচিত প্রশাসনের উপর আস্থা রাখা। আমি এমন কিছু করব না যা আইন শৃঙ্খলার বিরোধী হয়। মনে রাখবেন আমরা আইন শৃঙ্খলার ওপরে নই।”

    বিতর্কের ঝড়

    নুসরতের এই মন্তব্য মুহূর্তের মধ্যে সোশ্যাল মিডিয়াই ভাইরাল হয়ে যায়। ইতিমধ্যেই শুরু হয়েছে ঠাট্টা-তামাসা। নিজেদের এক্স হ্যান্ডলে শাসক দলের সাংসদের এই মন্তব্য পোস্ট করতে দেরি করেনি রাজ্যের প্রধান বিরোধী দল বিজেপিও। সাংসদ হয়েও রাজ্য রাজনীতি নিয়ে কেন এত উদাসীন নুসরত? প্রশ্ন আদতে সন্দেশখালিতে কী চলছে তা কি তিনি জানেন? নিজের ফেসবুক অ্যাকাউন্টে নুসরতকে কটাক্ষ করে বিজেপি নেতা অনুপম হাজরা লেখেন, ‘‘এত পড়াশোনা করলাম, পিএইচডি করলাম, কিন্তু ‘১৭৪ ধারা’ টা আজও আমার কাছে অজানাই রয়ে গেল!’’ 

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Locket Chatterjee: সন্দেশখালির আওয়াজ সুনামির মতো সারা বাংলায় ছড়িয়ে পড়বে, আরামবাগে লকেট

    Locket Chatterjee: সন্দেশখালির আওয়াজ সুনামির মতো সারা বাংলায় ছড়িয়ে পড়বে, আরামবাগে লকেট

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সন্দেশখালির আওয়াজ সুনামির মতো সারা বাংলা জুড়ে ছড়িয়ে পড়বে। বাংলায় যেখানে যেখানে ছোট ছোট সন্দেশখালি হয়ে আছে আগামীদিনে তা বেরিয়ে আসবে। ১লা মার্চ প্রধানমন্ত্রীর আরামবাগে জনসভার আগে মঙ্গলবার আরামবাগে দলীয় নেতৃত্বদের সঙ্গে বৈঠক করেন সাংসদ লকেট চট্টোপাধ্যায় (Locket Chatterjee) । বিজেপির সাংগঠনিক বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে একথা বললেন হুগলির সাংসদ লকেট চট্টোপাধ্যায়। পাশাপাশি লোকসভা নির্বাচনে হুগলি থেকেই তিনি প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন বলে আরও একবার পরিষ্কারভাবে জানিয়ে দিলেন তিনি।  তিনি বলেন,  হুগলি থেকেই আমি দাঁড়াচ্ছি। হুগলি ছেড়ে কোথাও যাব না। হুগলি থেকে জিতেই আবার সংসদে যাব।

    সন্দেশখালিতে নিয়ে সরব বিজেপি সাংসদ (Locket Chatterjee)

    সন্দেশখালিতে ইডি-র ওপর হামলার পর থেকে শাহজাহান ফেরার। শাহজাহান বাহিনীর অত্যাচারে অতিষ্ঠ থাকা মানুষ একে একে মুখ খুলছেন। জনরোষ আছড়ে পড়েছে সন্দেশখালি জুড়ে। পার্টি অফিসে ডেকে সুন্দরী মহিলাদের পর নির্যাতনের ঘটনা নিয়ে গর্জে উঠেছেন মহিলারা। সন্দেশখালির এই ঘটনা প্রসঙ্গে সাংসদ (Locket Chatterjee) বলেন, সন্দেশখালির  ঘটনা খুব দুঃখজনক।‌ সন্দেশখালিতে গণধর্ষণের মামলা রুজু করেছে পুলিশ। কয়েকজনকে গ্রেফতারও করেছে। সাধারণ মানুষের কাছে থেকে জোর করে জমি দখল করেছিল শাহজাহান বাহিনী। সেই জমি প্রশাসনের মাধ্যমে ফেরানো শুরু হয়েছে। এটা থেকে প্রমাণিত যে সন্দেশখালির ঘটনা সত্য। যা হয়েছে তা উস্কানি নয় এবং সত্য ঘটনাই  মহিলাদের মুখ থেকে শোনা যাচ্ছে।‌

    মুখ্যমন্ত্রী তোপ দাগলেন লকেট

    লকেট (Locket Chatterjee) বলেন, বিগত ১২বছর ধরে মহিলা মুখ্যমন্ত্রী মহিলাদের সুরক্ষা দেওয়ার বদলে মহিলাদের অত্যাচারের দিকে ঠেলে দিয়েছে। রাজ্যে নারী নির্যাতনের ঘটনা বেড়েই চলেছে। এখান থেকে মহিলা পাচার পর্যন্ত হচ্ছে। খানাকুলে একজন মহিলাকে পুলিশ মেরেছে। এটা মেনে যাও সন্দেশখালির ঘটনার পর রাজ্যের মহিলা শক্তিকে এগিয়ে আসতে হবে। এই মহিলা শক্তিই পারবে রাজ্যের মহিলা মুখ্যমন্ত্রীকে চেয়ার থেকে নামিয়ে আনতে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Suvendu Adhikari: হাওড়ায় পরপর ৫টি মন্দিরে ভাঙচুর, অভিযুক্তদের গ্রেফতারের দাবি শুভেন্দুর

    Suvendu Adhikari: হাওড়ায় পরপর ৫টি মন্দিরে ভাঙচুর, অভিযুক্তদের গ্রেফতারের দাবি শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হাওড়ায় পরপর ৫টি মন্দির ভাঙচুরের দাবি করে ছবি ও ভিডিও পোস্ট করলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা তথা নন্দীগ্রামের বিধায়ক শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। ঘটনায় বিজেপি নেতা শুভেন্দুর অভিযোগ, হিন্দু সনাতনী মন্দিরে ভাঙচুরকারীদের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ করতে পশ্চিমবঙ্গের পুলিশ গা ছাড়া ভাবের জন্যই সনাতনীদের উপর বারবার আক্রমণ করার সাহস দেখাচ্ছে দুস্কৃতীরা। খবর জানাজানি হতেই প্রতিবাদে এলাকার মানুষ তীব্র প্রতিবাদ জানায়।

    উল্লেখ্য হাওড়া শহর অঞ্চলে গত বছর রামনবমীর শোভাযাত্রায় দুষ্কৃতীরা হামলার ঘটনা ঘটেছিল। এই ঘটনায় পুলিশের ভূমিকা নিয়ে এবং আইনের শাসন নিয়ে রাজ্যের শাসক দলের বিরুদ্ধে ব্যাপক ভাবে সরব হয়েছিল বিজেপি। এই মামলা পরবর্তীকালে হাইকোর্টে গড়ায় এবং তারপর কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা এনআইএ-কে তদন্তের নির্দেশ দেন বিচারপতি রাজশেখর মান্থা। একবার ফের হাওড়ায় হিন্দু সমাজ আক্রান্ত হল বলে মনে করছেন স্থানীয়রা।

    সোমবার প্রতিবাদে রাস্তা অবরোধ

    স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, হাওড়ায় মোট ৫টি মন্দির ভাঙচুর করা হয়েছে। ঘটনার প্রতিবাদে সকাল থেকে হাওড়ায় রেল অবরোধ করেন স্থানীয়রা। ইতিমধ্যে ঘটনার ছবি এবং সিসিটিবি ফুটেজ প্রকাশ করে এই ঘটনার সত্যতার কথা জানিয়েছেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা। পুলিশের শীর্ষ আধিকারিককের কাছে দ্রুত গ্রেফতারের দাবি তুলেছেন তিনি।

    সামজিক মধ্যমে কী বললেন শুভেন্দু?

    হাওড়ায় হিন্দু মন্দিরের ভাঙচুরের বিষয়ে তথ্য দিয়েছেন শুভেন্দু। ছবিতে দেখা যাচ্ছে একটি মন্দির পুরোপুরি লন্ডভণ্ড হয়ে আছে। অপর দিকে একটি ভিডিও পোস্ট করা হয়েছে যেখানে দেখা যাচ্ছে কম বয়সী কিশোর ও যুবক মাথায় সাদা টুপি পড়ে মন্দিরে ভাঙচুর চালাচ্ছে। ঘটনা জানাজানি হতেই এলাকায় ব্যাপক উত্তেজনা ছড়ায়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করতে এলাকায় প্রচুর পুলিশ এসে পৌঁছায়। ঘটনার কথা জানিয়ে শুভেন্দু বলেন, “গতকাল রাতে হাওড়ার বাঁকড়ায় ৫টি মন্দিরে ব্যাপক ভাঙচুর করা হয়। প্রতিবাদে স্থানীয়রা রাস্তায় নামেন। হাওড়া সিটি পুলিশ কমিশনার প্রবীণ কুমার ত্রিপাঠি এবং রাজ্য পুলিশের ডিজির কাছে অনুরোধ করেছি। দোষীদের অবিলম্বে গ্রেফতার করুন।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Sandeshkhali Incident: সন্দেশখালির প্রতিবাদে বিজেপির ধর্নায় ‘না’ কলকাতা পুলিশের, ফের হাইকোর্টে সুকান্ত

    Sandeshkhali Incident: সন্দেশখালির প্রতিবাদে বিজেপির ধর্নায় ‘না’ কলকাতা পুলিশের, ফের হাইকোর্টে সুকান্ত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সন্দেশখালিতে শাসকদলের বিরুদ্ধে সাধারণ মানুষের ক্ষোভ ক্রমশ দানা বাঁধছে। শেখ শাহজাহান এবং তাঁর দলবদলের বিরুদ্ধে সরব স্থানীয় মানুষ। প্রতিদিন সেখানে নির্যাতনের শিকার হয়েছেন মহিলারা। আজ তাঁরা রুখে দাঁড়িয়েছেন। পাশে পেয়েছেন বিরোধী দল বিজেপিকে। কিন্তু পুলিশ-প্রশাসনকে কাজে লাগিয়ে মানুষের প্রতিবাদ রুখতে চাইছে রাজ্য সরকার। সন্দেশখালির ঘটনার প্রতিবাদে কলকাতায় গান্ধীমূর্তির পাদদেশে বিজেপির তিন দিনের ধর্না কর্মসূচিতে অনুমতি দেয়নি পুলিশ। এবার ধর্নায় বসতে চেয়ে কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার। 

    আদালতের দ্বারস্থ

    সন্দেশখালি নিয়ে কলকাতার গান্ধী মূর্তির পাদদেশে ধর্নায় বসতে চাইছে বঙ্গ বিজেপি। অনুমতি মেলেনি। এরপরই হাইকোর্টে গিয়েছে গেরুয়া শিবির। মামলা দায়ের করার অনুমতি দিয়েছেন বিচারপতি কৌশিক চন্দ। আদালত সূত্রে খবর, মঙ্গলবার শুনানি হতে পারে। গত শুক্রবার বিজেপি রাজ্য নেতৃত্ব স্থির করেন, সন্দেশখালির ঘটনায় প্রতিবাদ জানিয়ে খাস কলকাতায় টানা তিন দিন ধর্না কর্মসূচি পালন করবে দল। ধর্না কর্মসূচির নেতৃত্ব দেবেন রাজ্য সভাপতি সুকান্ত এবং বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। বিজেপি সূত্রে খবর ছিল, আগামী মঙ্গলবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) থেকে বৃহস্পতিবার (২৯ ফেব্রুয়ারি) পর্যন্ত টানা তিন দিন কলকাতার গান্ধীমূর্তির পাদদেশে সেই ধর্না চলবে। পুলিশের কাছে অনুমতি চাওয়া হলে তা দেওয়া হয়নি। অবশ্য সেনার তরফে ধর্নার অনুমতি পেয়েছিল বলে দাবি বিজেপির। 

    আরও পড়ুন: ‘জ্ঞানবাপীর তহখানায় চলবে পুজো’, মুসলিম পক্ষের আপত্তি নাকচ এলাহাবাদ হাইকোর্টের

    ময়দান এলাকা সেনার অধীন

    উল্লেখ্য, ময়দান এলাকার মালিক সেনা। তাই সেখানে ধর্না করতে গেলে সেনার অনুমতি প্রয়োজন পড়ে। তবে বিজেপির দাবি, সেনার অনুমতি থাকলেও পুলিশি ছাড়পত্র মেলেনি। পুলিশ নাকি বিজেপিকে বলেছে, সেই এলাকায় লাউডস্পিকার বাজানো মানা। তাই ধর্নার অনুমতি দেওয়া যাবে না। তবে বিজেপির পালটা যুক্তি, কয়েকদিন আগেই সেখানে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ধর্না করেন। এই আবহে ধর্নার অনুমতি চেয়ে উচ্চ আদালতের দ্বারস্থ বিজেপি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • PM Modi: নারী দিবসেই সন্দেশখালির ‘নির্যাতিতা’দের সঙ্গে সাক্ষাৎ প্রধানমন্ত্রী মোদির 

    PM Modi: নারী দিবসেই সন্দেশখালির ‘নির্যাতিতা’দের সঙ্গে সাক্ষাৎ প্রধানমন্ত্রী মোদির 

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আন্তর্জাতিক নারী দিবসেই সন্দেশখালির (Sandeshkhali) নির্যাতিতাদের সঙ্গে কথা বলবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)।  রবিবার রাজ্য বিজেপি নেতত্বের তরফে জানানো হয় ৬ মার্চ নয়, আগামী ৮ মার্চ বারাসতে সভা করবেন মোদি। ৮ মার্চ নারী দিবস। বারাসতে প্রধানমন্ত্রীর কর্মসূচির বিশেষ নাম রাখা হয়েছে ‘নারী শক্তি বন্দনা’।  সূত্রের খবর, ওইদিন সন্দেশখালির মহিলাদের সঙ্গে কথা বলবেন মোদি। 

    নারী শক্তি বন্দনা

    আন্তর্জাতিক নারী দিবসের সঙ্গে সন্দেশখালির (Sandeshkhali) নির্যাতিতা মহিলাদের জুড়তে চান প্রধানমন্ত্রী মোদি (PM Modi)। বিজেপি সূত্রে খবর, ১ মার্চ আরামবাগ, ২ মার্চ কৃষ্ণনগর এবং ৮ মার্চ বারাসতে সভা করবেন মোদি। প্রথমে বারাসতের সভা করার দিন ৬ মার্চ ঠিক হলেও সন্দেশখালির পরিস্থিতির কথা মাথায় রেখেই আন্তর্জাতিক নারী দিবসের দিনে বারাসতে প্রধানমন্ত্রীর সভা করার সিদ্ধান্ত নেয় বিজেপি। সন্দেশখালিতে শাসকদলের নেতাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ, সেখানকার মহিলাদের রাতের অন্ধকারে পার্টি অফিসে ডেকে তাঁদের ওপর নির্যাতন চালানো হতো। এমন ঘটনা চলেছে বছরের পর বছর।  বিজেপি নেতৃত্ব এই সভার নাম দিয়েছে ‘নারী শক্তি বন্দনা কর্মসূচি’। সন্দেশখালি সহ রাজ্যের বিভিন্ন এলাকার মহিলারা প্রধানমন্ত্রীর ওই সভায় উপস্থিত থাকবেন। মহিলাদের জন্য মোদি সরকার কী কী করেছে, সেই বার্তাও তুলে ধরা হবে। 

    আরও পড়ুন: আগামী বছর মাধ্যমিক শুরু হবে ১২ ফেব্রুয়ারি, এগিয়ে এল পরীক্ষার দিন, জানাল পর্ষদ

    প্রধানমন্ত্রীর সভার উদ্দেশ্য

    গত কয়েক সপ্তাহ ধরে সন্দেশখালি (Sandeshkhali) নিয়ে উত্তপ্ত রাজ্য-রাজনীতি। এই আবহে উত্তর ২৪ পরগনা জেলারই বারাসতে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির (PM Modi) সভা বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ হতে চলেছে বলে জানিয়েছে রাজ্য বিজেপি নেতৃত্ব। প্রধানমন্ত্রীর সফর প্রসঙ্গে বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু বলেন, ‘‘প্রধানমন্ত্রী বাংলায় তিনটি কর্মসূচি নিয়েছেন। ১ মার্চ আরামবাগে সভা করবেন তিনি। ২ তারিখে সভা হবে কৃষ্ণনগরে। ৮ মার্চ আন্তর্জাতিক নারী দিবস, ওই দিনই মহাশিবরাত্রি। তাই সে দিন প্রধানমন্ত্রী বারাসতে ‘নারী শক্তি বন্দনা কর্মসূচি’ পালন করবেন। সে দিন এক লক্ষ মহিলার উপস্থিতিতে সভা হবে।’’ তিনি আরও বলেন, ‘‘প্রধানমন্ত্রী বিধানসভা এবং লোকসভায় মহিলাদের জন্য এক তৃতীয়াংশ সংরক্ষণ করেছেন। স্বাধীনতার ৭৫ বছর পর নারী শক্তিকে সম্মান জানিয়েছেন। ওই দিন প্রধানমন্ত্রী মহিলাদের উদ্দেশে নিজের কথা বলবেন।’’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Vanathi Srinivasan: “হাথরাস, উন্নাওয়ে অপরাধীরা গ্রেফতার হয়, এখানে নয়”, বললেন শ্রীনিবাসন

    Vanathi Srinivasan: “হাথরাস, উন্নাওয়ে অপরাধীরা গ্রেফতার হয়, এখানে নয়”, বললেন শ্রীনিবাসন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “হাথরাস, উন্নাওয়ের কথা বলা হলেও, সেখানে অপরাধীরা গ্রেফতার হয়, কিন্তু এখানে সেটা হয় না।” শনিবার কথাগুলি বললেন বিজেপির জাতীয় মহিলা মোর্চার সভানেত্রী বানথী শ্রীনিবাসন (Vanathi Srinivasan)। সন্দেশখালিতে গুচ্ছ অভিযোগ ওঠার পরেও শনিবার সন্ধে পর্যন্ত গ্রেফতার করা হয়নি মূল অভিযুক্ত তৃণমূলের শেখ শাহজাহানকে। সেই কারণেই এদিন কলকাতায় তিনি নিশানা করেন রাজ্যের তৃণমূল সরকারকে। বানথী শ্রীনিবাসন জানান, দিনের পর দিন ওই এলাকায় মহিলাদের ওপর অত্যাচার হয়েছে। কিন্তু রাজ্য সরকার অপরাধীদের একাংশকে সেফ গার্ড দিচ্ছে।

    কাঠগড়ায় তৃণমূল নেতা 

    সন্দেশখালিতে নিত্য নির্যাতন করা হত স্থানীয় মহিলাদের। এজন্য তাঁরা কাঠগড়ায় তুলেছেন তৃণমূল নেতা শেখ শাহজাহানের শাগরেদদের। এনিয়ে তোলপাড় হয় রাজ্য রাজনীতি। বিজেপির আন্দোলনে জল ঢালতে মণিপুর খোঁচা দিয়েছে তৃণমূল। এদিন সে প্রসঙ্গ টেনে বিজেপির এই নেত্রী (Vanathi Srinivasan) বলেন, “মণিপুরের ঘটনার পরেই বিবৃতি দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি স্বয়ং। সে রাজ্যের অপরাধীদের গ্রেফতার করার নির্দেশও দিয়েছিলেন। অভিযুক্তদের গ্রেফতারও করা হয়েছে। আর এখানকার পুলিশ মহিলাদের ন্যূনতম সুরক্ষাটুকু দিতে পারছে না। যাতে নির্যাতিতা মহিলারা এগিয়ে এসে অভিযোগ জানাতে না পারেন।”

    কী বললেন বিজেপি নেত্রী?

    বিজেপির জাতীয় মহিলা মোর্চার সভানেত্রী বলেন, “পশ্চিমবঙ্গে কিছু একটা হলেই সব সময় অন্য রাজ্যের উদাহরণ টেনে আনা হয়। সেখানে পশ্চিমবঙ্গ কি আলাদা?” তাঁর প্রশ্ন, “দেশের অন্য প্রান্তে কোনও ঘটনা ঘটলেই তাঁরা এটা বলতে পারে না যে এখানে কোনও অপরাধ হয়নি। পশ্চিমবঙ্গ তো দেশের বাইরে নয়!” তিনি বলেন, “অন্যান্য রাজ্যে অপরাধ হলে সেখানে তৃণমূল কংগ্রেসের কোনও প্রতিনিধি যেতেই পারেন। কিন্তু এখানে বিরোধী দলকে গ্রামে ঢুকতে বাধা দেওয়া হয়েছে।”

    আরও পড়ুুন: ১ জুলাই চালু হচ্ছে দণ্ডসংহিতা সংক্রান্ত তিন নয়া আইন

    ৬ মার্চ বাংলায় আসছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। সভা করবেন বারাসতে। প্রধানমন্ত্রীর এই সভায় মুখ ঢেকে নিয়ে আসা হবে সন্দেশখালির নির্যাতিতাদের। প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে কথাও বলবেন তাঁরা। প্রধানমন্ত্রীর এই সভার নাম দেওয়া হয়েছে মহিলা ন্যায় সমাবেশ। এই সমাবেশের প্রস্তুতিও খতিয়ে দেখেন। বিজেপির মহিলা মোর্চার সর্বভারতীয় সভানেত্রী বনথি শ্রীনিবাসন। এই সমাবেশ নিয়ে বিজেপির বঙ্গ নেতৃত্বের সঙ্গে কথাও বলবেন তিনি (Vanathi Srinivasan)।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share