Tag: Sandeshkhali

Sandeshkhali

  • Sandeshkhali: ‘‘পরিস্থিতি রাষ্ট্রপতি শাসনের অনুকূল’’, রাষ্ট্রপতি ভবনে রিপোর্ট পেশ তফশিলি কমিশনের

    Sandeshkhali: ‘‘পরিস্থিতি রাষ্ট্রপতি শাসনের অনুকূল’’, রাষ্ট্রপতি ভবনে রিপোর্ট পেশ তফশিলি কমিশনের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সন্দেশখালির (Sandeshkhali) প্রতিবাদের ঢেউ এবার পৌঁছে গেল রাইসিনা হিলসে। সেখানকার আইনশৃঙ্খলার অবনতি নিয়ে রিপোর্ট জমা পড়ল রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুর কাছে। এলাকা জুড়ে মহিলাদের ওপর হওয়া অত্যাচার শুনে এসেছেন তফশিলি কমিশনের প্রতিনিধিরা। সেই নিয়েই এবার রিপোর্ট জমা পড়ল রাষ্ট্রপতি ভবনে। শুক্রবার সকাল ১১ টায় কমিশনের প্রতিনিধিরা রাষ্ট্রপতির কাছে গিয়ে রিপোর্ট জমা করেছেন বলে খবর। কী আছে সেই রিপোর্টে?

    রাষ্ট্রপতি শাসনের সুপারিশ

    একটি সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমকে কমিশনের প্রধান অরুণ হালদার জানিয়েছেন, সন্দেশখালির হিংসার ঘটনা নিয়ে রাষ্ট্রপতির কাছে রিপোর্ট পেশ করা হয়েছে। পশ্চিমবঙ্গে রাষ্ট্রপতি শাসন জারির সুপারিশ করা হয়েছে সেই রিপোর্টে। তিনি বলেন, ‘‘আমরা যখন গতকাল সন্দেশখালিতে যাই, তখন শাহজাহান এবং তার বাহিনী এলাকায় সন্ত্রাসের পরিস্থিতি কায়েম করেছিল। তার জন্য স্থানীয়রা কথা বলতে ভয় পেয়েছেন। বলা হয়েছিল, কমিশন চলে যাওয়ার পরেই তাঁদের উপর হামলা চালানো হবে।’’ অরুণ জানান, তাঁরা সন্দেশখালি থানায় গিয়েছিলেন পুলিশের সঙ্গে কথা বলতে। কিন্তু কমিশনের সদস্যদের দেখে থানা ছেড়ে অফিসাররা পালিয়ে যান। তিনি বলেন, ‘‘সেখানকার পরিস্থিতি এক কথায় ভয়াবহ। আদিবাসীরা ভয়ে সিঁটিয়ে রয়েছেন। এই অবস্থায় কমিশন মনে করে, অবিলম্বে রাজ্যে রাষ্ট্রপতি শাসন জারি করা দরকার।’’

    বৃহস্পতিবার সন্দেশখালি গিয়েছিল তফশিলি কমিশন

    গতকাল অর্থাৎ বৃহস্পতিবার সকালেই সন্দেশখালিতে (Sandeshkhali) গিয়েছিল তফশিলি কমিশন। প্রতিনিধি দলের নেতৃত্বে ছিলেন কমিশনের চেয়ারম্যান অরুণ হালদার। তাঁদের কাছে মহিলারা জানিয়েছেন, রাতের পর রাত কীভাবে তাঁদেরকে ডেকে নিয়ে যাওয়া হত পার্টি অফিসে। রাতভর চলত অত্যাচার। দিনের পর দিন এমন ঘটনা ঘটতে থাকলেও, পুলিশ কোনও ব্য়বস্থা নেয়নি। শুধুমাত্র মহিলাদের নয়, পুরুষদেরও মারধর করা হত বলে অভিযোগ উঠেছে।

    বিজেপির ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং টিমকে আটকাল পুলিশ

    আগেই বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডা সন্দেশখালি নিয়ে ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং টিম তৈরি করেছিলেন। সেই মতো শুক্রবার সকালে বিজেপির ৬ সদস্যের একটি ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং টিম সন্দেশখালির (Sandeshkhali) উদ্দেশে রওনা দেয়। কিন্তু সন্দেশখালি পৌঁছনোর আগেই ধামাখালির কাছে তাঁদের আটকে দেয় পুলিশ। পুলিশের দাবি, সন্দেশখালিতে এখন ১৪৪ ধারা। এই পরিস্থিতিতে ৬ জনকে সেখানে যেতে দেওয়া হবে না। এর পরই পুলিশের সঙ্গে ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং টিমের বচসা বেঁধে যায়। পরে বিজেপির প্রতিনিধি দলের ৪ জন সেখানে যেতে চাইলেও অনুমতি দেওয়া হয়নি। পরে ৪ জন থেকে কমিয়ে ২ জনের যাওয়ার অনুমতি চাওয়া হলেও পুলিশ অনুমতি দেয়নি। এখানেই উঠছে প্রশ্ন। ১৪৪ ধারা সন্দেশখালির সব অংশে লাগু নেই, তবু কেন বাধা দেওয়া হল বিজেপির ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং দলকে।

    আরও পড়ুন: মিলবে ‘লক্ষ্মীর ভান্ডারের’ থেকে বেশি টাকা, বিজেপি-র প্রচারে এবার ‘লাডলি বহেনা’

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Calcutta High Court: সন্দেশখালিতে কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করুন, হাইকোর্টে দায়ের জনস্বার্থ মামলা

    Calcutta High Court: সন্দেশখালিতে কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করুন, হাইকোর্টে দায়ের জনস্বার্থ মামলা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সন্দেশখালিতে কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করার আর্জি জানিয়ে কলকাতা হাইকোর্টের (Calcutta High Court) দৃষ্টি আকর্ষণ করলেন আইনজীবী সংযুক্তা সামন্ত। শুক্রবার জনস্বার্থ মামলা দায়ের করতে চেয়ে সংযুক্তার আর্জি, সন্দেশখালিতে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের জন্য মোতায়েন করা হোক কেন্দ্রীয় বাহিনী। মামলা দায়ের করার অনুমতি দিয়েছে বিচারপতি জয়মাল্য বাগচী ও বিচারপতি গৌরাঙ্গ কান্তের ডিভিশন বেঞ্চ। সোমবার শুনানি হতে পারে মামলাটির।

    ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং কমিটিকে বাধা

    এদিকে, শুক্রবার (Calcutta High Court) পুলিশ সন্দেশখালিতে ঢুকতে বাধা দেয় বিজেপির ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং কমিটিকেও। এদিন সকালে ওই কমিটির সদস্যরা নির্যাতিতাদের সঙ্গে কথা বলতে গিয়েছিলেন। সন্দেশখালির কয়েকটি গ্রামও পরিদর্শন করার কথা ছিল তাঁদের। ১৪৪ ধারা জারি থাকায় তাদের বাধা দেয় পুলিশ। শুরু হয় বচসা। পরে রামপুরে রাস্তার ওপরই বসে পড়ে বিক্ষোভ দেখান ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং কমিটির সদস্যরা।

    নেপথ্য কথন

    রেশন বণ্টন কেলেঙ্কারিতে নাম জড়ানোয় তৃণমূল নেতা শেখ শাহজাহানের বাড়িতে হানা দেয় ইডি। অভিযোগ, বাড়িতে থাকলেও, দরজা খুলে ইডির আধিকারিকদের ঘরে ঢুকতে দেননি তাঁর পরিবারের লোকজন। কিছুক্ষণ পরে শাহজাহানের অনুগামী তৃণমূল নেতা-কর্মীরা ইডির তদন্তকারী আধিকারিকদের ওপর হামলা চালায়। জখম হন ইডির দুই আধিকারিক এবং কেন্দ্রীয় বাহিনীর দুই জওয়ান। ঘটনার পর থেকে বেপাত্তা শাহজাহান।

    আরও পড়ুুন: ‘‘সন্দেশখালিতে যে আওয়াজ উঠেছে, তাকে আটকানো যাবে না’’, হুঙ্কার মিঠুনের

    শাহজাহান গা ঢাকা দিতেই ক্ষোভ উগরে দেন স্থানীয় মহিলারা। তাঁদের অভিযোগ, শাহজাহানের দলবল স্থানীয় মহিলাদের রাতে ডেকে পাঠাতেন পার্টি অফিসে। করা হত বর্বরোচিত নির্যাতন। এরই প্রতিবাদে দফায় দফায় অশান্তি শুরু হয় সন্দেশখালিতে। ঘটেছে অগ্নিসংযোগের ঘটনাও। অশান্তি রুখতে জারি করা হয় ১৪৪ ধারা। এ নিয়ে রাজ্যের উদ্দেশে হাইকোর্টের (Calcutta High Court) বিচারপতি জয় সেনগুপ্তর প্রশ্ন ছিল, “গোটা সন্দেশখালিজুড়ে উত্তেজনা কেন? গোটা এলাকায় জারি ১৪৪ ধারা? এর পর তো বলবেন কলকাতাজুড়েই জারি করতে হবে ১৪৪ ধারা।” এর পরেই সন্দেশখালি থেকে তুলে নেওয়া হয় ১৪৪ ধারা। তবে বেশ কয়েকটি জায়গায় এখনও জারি রয়েছে ১৪৪ ধারা।

    ফের হাইকোর্টের দ্বারস্থ শুভেন্দু

    এদিকে, সন্দেশখালিতে যেতে গিয়ে বাধা পেয়ে ফের হাইকোর্টের দ্বারস্থ হলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। সোমবার শুনানির সম্ভাবনা রয়েছে এই মামলারও। শুভেন্দুর বক্তব্য, আদালত ১৪৪ ধারা বাতিল করেছে। ফের ১৪৪ ধারা জারি করে পথ আটকাচ্ছে পুলিশ। শাসকদলের নেতাদের যেতে দেওয়া হলেও, বিরোধীদের যেতে দেওয়া হচ্ছে না। 

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Sandeshkhali: সন্দেশখালিকাণ্ডে উচ্চপর্যায়ের কমিটি গঠন নাড্ডার, রিপোর্ট জমা পড়বে কেন্দ্রের কাছে

    Sandeshkhali: সন্দেশখালিকাণ্ডে উচ্চপর্যায়ের কমিটি গঠন নাড্ডার, রিপোর্ট জমা পড়বে কেন্দ্রের কাছে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সন্দেশখালিকাণ্ডে (Sandeshkhali) এবার উচ্চপর্যায়ের ছয় সদস্যের দলীয় কমিটি তৈরি করলেন বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডা। সন্দেশখালির ঘটনায় মহিলাদের উপর যে অত্যাচার চলেছে এবার সেই বিষয় পূর্ণাঙ্গভাবে দলীয় তদন্ত করবে এই কমিটি। এর পাশাপাশি রাজ্যের আইন ও শৃঙ্খলা ভেঙে পড়েছে বলেও অভিযোগ করেন বিজেপির সভাপতি জেপি নাড্ডা৷ সন্দেশখালি নিয়ে ক্রমশ চড়ছে পারদ। তৃণমূলের নেতা শেখ শাহজাহান এখনও ইডির হাত থেকে বাঁচতে ফেরার। দীর্ঘদিনের ক্ষোভ, বঞ্চনার বহিঃপ্রকাশ বিগত কয়েকদিন ধরেই দেখা গিয়েছে সেখানে। হাজার হাজার মহিলা লাঠি-ঝাঁটা হাতে প্রতিবাদে নেমেছেন। সন্দেশখালির সমর্থনে আন্দোলনের তেজ বাড়িয়েছে রাজ্য বিজেপি। এরই মধ্যে সামনে দলীয়স্তরে বিজেপির তদন্ত কমিটি।

    কমিটিতে কারা রয়েছেন?

    সন্দেশখালিতে (Sandeshkhali) মহিলাদের উপর যে অত্যাচার করা হয়েছে তার তীব্র নিন্দা করেন নাড্ডা। মহিলাদের উপর অত্যাচারকে তিনি ‘হৃদয় বিদারক’ বলেও উল্লেখ করেন৷ ছয় সদস্যের এই দল সন্দেশখালি গিয়ে পুরো ঘটনার পুঙ্খানুপুঙ্খ তদন্ত করবে বলে জানা গিয়েছে। তদন্তে যে রিপোর্ট উঠে আসবে তা কেন্দ্রকে জমা দেওয়া হবে৷ এই উচ্চস্তরীয় কমিটিতে রয়েছেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী অন্নপূর্ণা দেবী, কেন্দ্রীয় মন্ত্রী প্রতিমা ভৌমিক, সাংসদ সুনীতা দুগ্গাল, সাংসদ কবিতা পাতিদার, সাংসদ সঙ্গীতা যাদব এবং উত্তরপ্রদেশের রাজ্যসভার সাংসদ ব্রিজ লাল। তবে ঠিক কবে এই কমিটির সদস্যরা রাজ্যে আসবেন, তা এখনও জানা যায়নি৷ সন্দেশখালিতে মহিলাদের উপর অত্যাচার নিয়ে বিজেপি’র সর্বভারতীয় সভাপতি নাড্ডা বলেন, ‘‘রাজ্য সরকার বোবা, সব দেখছে৷ সন্দেশখালির (Sandeshkhali) ঘটনাক্রমে মহিলাদের উপর যে অত্যাচারের ছবি প্রকাশ্যে এসেছে, তাতে রাজ্যে আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি একেবারে ভেঙে পড়েছে৷’’

    সন্দেশখালিকাণ্ডে কেন্দ্রকে রিপোর্ট রাজ্যপালের

    সন্দেশখালিকাণ্ডে (Sandeshkhali) কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকে রিপোর্ট জমা দিলেন রাজ্যপাল। এর পাশাপাশি মমতা সরকারের উদ্দেশে একগুচ্ছ পরামর্শও দিতে দেখা গিয়েছে তাঁকে। মূল অভিযুক্ত ও তাঁর শাগরেদদের অবিলম্বে গ্রেফতার করতে বলেছেন তিনি। সন্দেশখালির ঘটনা খতিয়ে দেখতে একটি বিচার বিভাগীয় তদন্তেরও কথাও বিবেচনা করে দেখার জন্য পরামর্শ দিয়েছেন রাজ্যপাল বোস। সন্দেশখালিকাণ্ডে মহিলাদের ওপর হওয়া অত্যাচারের বিষয়ে রাজ্যের কাছে রিপোর্টও তলব করেছেন রাজ্যপাল।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Calcutta High Court: মুখ পুড়ল রাজ্যের! সন্দেশখালিতে ১৪৪ ধারা বাতিলের নির্দেশ হাইকোর্টের

    Calcutta High Court: মুখ পুড়ল রাজ্যের! সন্দেশখালিতে ১৪৪ ধারা বাতিলের নির্দেশ হাইকোর্টের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সন্দেশখালিতে (Sandeshkhali) জারি হওয়া ১৪৪ ধারা বাতিল করার নির্দেশ কলকাতা হাইকোর্টের (Calcutta High Court)। পরিস্থিতি ভালোভাবে টেক কেয়ার করতে হবে বলে পুলিশকে নির্দেশ দিলেন বিচারপতি জয় সেনগুপ্ত। এলাকায় আরও বেশি সশস্ত্র বাহিনী মোতায়েন করতে হবে বলেও নির্দেশ আদালতের।

    বিচারপতির পর্যবেক্ষণ

    বিচারপতির পর্যবেক্ষণ, উত্তেজনাপ্রবণ এলাকা চিহ্নিত করে ১৪৪ ধারা জারি করা হয়। এ ক্ষেত্রে পুরো এলাকায় ১৪৪ ধারা জারি করা হয়েছে। তাই ১৪৪ ধারা খারিজ করা হল। বিচারপতির আরও পর্যবেক্ষণ, যেহেতু ১৪৪ ধারা খারিজ করা হয়েছে, তাই শুভেন্দুর দায়ের করা মামলাটির আর গ্রহণযোগ্যতা আর নেই। এখন শুভেন্দু সেখানে যেতে পারেন। প্রসঙ্গত, সন্দেশখালিতে (Sandeshkhali) যেতে গিয়ে সোমবার বাধার সম্মুখীন হন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। এর পরেই হাইকোর্টে (Calcutta High Court) দায়ের করেন মামলা। ১৪৪ ধারা খারিজ হয়ে যাওয়ায় সেই মামলারও নিষ্পত্তি হয়ে গেল।

    কী বললেন বিচারপতি?

    মঙ্গলবার বিচারপতি সেনগুপ্ত বলেন, “একটা-দুটো এলাকায় ১৪৪ ধারা জারি করা হলে বুঝতাম। আপনারা তো গোটা সন্দেশখালিতে ১৪৪ ধারা জারি করে দিয়েছেন। এভাবে ১৪৪ ধারা জারি করা যায় নাকি? এর পরে তো কোনও দিন গোটা কলকাতায় ১৪৪ ধারা জারি করে দেবেন।” বিচারপতি বলেন, “সন্দেশখালিতে (Sandeshkhali) ওঠা অভিযোগ গুরুতর। সেখানে জনজাতিভুক্ত মানুষের জমি দখলের অভিযোগ উঠেছে। মেয়েদের সম্ভ্রম লুট করার অভিযোগ রয়েছে।” এর পরেই ১৪৪ ধারা জারির প্রশাসনিক নির্দেশকে বাতিল ঘোষণা করেন বিচারপতি। তিনি বলেন, “কেন সেখানে (সন্দেশখালিতে) সর্বত্র ১৪৪ ধারা জারি করা হয়েছে, তা রাজ্যের ব্যাখ্যা থেকে স্পষ্ট নয়। বিস্তীর্ণ এলাকায় এভাবে ১৪৪ ধারা জারি করা যায় না।”

    আরও পড়ুুন: সুকান্তর এসপি অফিস অভিযান ঘিরে অগ্নিগর্ভ বসিরহাট, লাঠিচার্জ-কাঁদানে গ্যাস

    মামলাকারীর পক্ষে আইনজীবী শামিম আহমেদ বলেন, “সন্দেশখালির (Sandeshkhali) ঘটনা ব্যতিক্রমী। ৩-৪ বছর ধরে অত্যাচারের ঘটনা ঘটছে। কৃষকদের জমি কেড়ে নেওয়া হয়েছে। দিন মজুরদের কাজ করিয়ে টাকা দেওয়া হয়নি। রাতে মহিলাদের ডেকে নিয়ে গিয়ে অত্যাচার করা হয়েছে।” পুলিশ পদক্ষেপ করলেই পরিস্থিতি শান্ত হবে বলে দাবি তাঁর। রাজ্যের উদ্দেশে বিচারপতি সেনগুপ্তের পর্যবেক্ষণ, গত তিন বছর ধরে পুলিশ কোনও অভিযোগ নেয়নি বলে দাবি। এলাকার মহিলারা নিরাপত্তার অভাব বোধ করছেন। এত অভিযোগের পরেও আদালত (Calcutta High Court) চোখ বন্ধ করে থাকতে পারে না।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

  • Calcutta High Court: সন্দেশখালিকাণ্ডে মামলা দায়ের হল কলকাতা হাইকোর্টে, শুনানি মঙ্গলেই!

    Calcutta High Court: সন্দেশখালিকাণ্ডে মামলা দায়ের হল কলকাতা হাইকোর্টে, শুনানি মঙ্গলেই!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সন্দেশখালিকাণ্ড গড়াল কলকাতা হাইকোর্টে (Calcutta High Court)। বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে সোমবার দায়ের হল মামলা। মামলা দায়ের হয়েছে বিচারপতি জয় সেনগুপ্তের এজলাসে। মামলাকারীদের বক্তব্য, “গোটা সন্দেশখালি এলাকায় ১৪৪ ধারা জারি করে রাখা হয়েছে। আমাদের জমি জবর দখল করা হয়েছে। আইনশৃঙ্খলা চূড়ান্ত বিঘ্নিত হয়েছে সন্দেশখালিতে। একটা দ্বীপে মানুষগুলো আটকে রয়েছে। মামলাটুকু দায়ের করার জন্য আসতে হলেও, হুমকির মুখে পড়তে হচ্ছে সাধারণ মানুষকে। ইন্টারনেট পরিষেবা বন্ধ।”

    শুভেন্দু অধিকারীকে বাধা

    আইনজীবীদের যাতে সন্দেশখালি যাওয়ার অনুমতি দেওয়া হয়, সেই আবেদনও জানানো হয়েছে। মঙ্গলবার এই মামলার শুনানির আশ্বাস দিয়েছেন বিচারপতি সেনগুপ্ত। এদিকে, এদিন সন্দেশখালি (Calcutta High Court) যাওয়ার পথে পুলিশি বাধার মুখে পড়েন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর নেতৃত্বে বিজেপি বিধায়করা। খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছন বিজেপির আইনজীবী সেলের সদস্যরা।

    সন্দেশখালি গেলেন রাজ্যপাল

    এদিন সন্দেশখালির পরিস্থিতি সরেজমিনে খতিয়ে দেখতে গিয়েছিলেন রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস। সন্দেশখালির আন্দোলনকারী মহিলাদের সঙ্গে কথা বলতে দেখা যায় তাঁকে। শেখ শাহজাহান, উত্তম সর্দার ও শিবু হাজরার কড়া শাস্তির দাবিও জানান তাঁরা। তাঁদের পাশে থাকার আশ্বাস দেন রাজ্যপাল। এরপর মহিলারা তাঁর হাতে পরিয়ে দেন রাখি। এদিন সন্দেশখালি গিয়েছিলেন (Calcutta High Court) রাজ্য মহিলা কমিশনের প্রতিনিধিরাও।

    আরও পড়ুুন: সন্দেশখালির অরাজকতা রাষ্ট্রীয় মদতপুষ্ট, তোপ স্মৃতি ইরানির

    রেশন বণ্টন কেলেঙ্কারিতে নাম জড়ানোয় রাজ্যের প্রাক্তন খাদ্যমন্ত্রী তথা বর্তমান বনমন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক ঘনিষ্ঠ শেখ শাহজাহানের বাড়িতে তল্লাশি চালাতে যান ইডির আধিকারিকরা। সেখানে ইডির ওপর হামলা চালায় তৃণমূল নেতা শাহজাহানের বাহিনী। তাদের ছোড়া ইটের ঘায়ে জখম হন ইডির দুই কর্তা। জখম হন তাঁদের সঙ্গে থাকা কেন্দ্রীয় বাহিনীর দুই জওয়ানও। এই ঘটনার পরেই গা ঢাকা দেয় তৃণমূলের তাজা নেতা শাহজাহান। শাহজাহান পগার পার হতেই তাঁর বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগে সরব হন স্থানীয় মহিলারা। এলাকায় শাহজাহানের অনুগামী হিসেবে পরিচিত উত্তম সর্দার এবং শিবু হাজরার বিরুদ্ধেও অভিযোগ তুলে আন্দোলনে নামেন স্থানীয়রা। উত্তমকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তবে এখনও নাগাল মেলেনি শাহজাহান ও শিবুর। শাহজাহান বাংলাদেশে পালিয়ে গিয়েছে বলে অসমর্থিত একটি সূত্রে খবর (Calcutta High Court)।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Sandeshkhali: “এটা সন্দেশখালি নয়, আদালত”, নথি না আনায় বিচারকের তীব্র ভর্ৎসনার মুখে পুলিশ

    Sandeshkhali: “এটা সন্দেশখালি নয়, আদালত”, নথি না আনায় বিচারকের তীব্র ভর্ৎসনার মুখে পুলিশ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আদালতে ভর্ৎসনা করা হল সন্দেশখালি (Sandeshkhali) থানার তদন্তকারী আধিকারিককে। মূলত বসিরহাট আদালতে শুনানি হওয়ার কথা ছিল সিপিএমের প্রাক্তন বিধায়ক নিরাপদ সর্দার ও বহিষ্কৃত তৃণমূল নেতা উত্তম সর্দার, বিজেপি নেতা বিকাশ সিং। আদালতে পেশ করার যথাযথ নথি পুলিশ না দিতে পারায় এদিনও সম্পূর্ণ হল না সন্দেশখালি কাণ্ডে ধৃতদের শুনানি। এরপরই সন্দেশখালি থানার তদন্তকারী আধিকারিক প্রশ্নের মুখে পড়েন। সকলের সামনেই তদন্তকারী আধিকারিকতে রীতিমতো বিচারক ধমক দেন। এই ঘটনা নিয়ে জোর চর্চা শুরু হয়েছে।

    তদন্তকারী আধিকারিককে কী বললেন বিচারক? (Sandeshkhali)

    রবিবার নিরাপদ সর্দারদের বসিরহাট আদালতে তোলার কথা ছিল। সেইমতো ধৃতদের আদালতে নিয়েও আসা হয়। কিন্তু কোর্ট লকআপে বসিয়ে রাখতে হয়। কারণ, আদালতে পুলিশ প্রয়োজনীয় নথি নিয়ে আসতে পারেনি। সেই একই ঘটনা ঘটল সোমবারও। আদালতে পেশ করার যথাযথ নথি পুলিশ না দিতে পারায় এদিনও সম্পূর্ণ হল না সন্দেশখালির শুনানি। এরপরই সন্দেশখালি (Sandeshkhali) থানার তদন্তকারী আধিকারিককে এদিন ভর্ৎসনা করেন বসিরহাট আদালতের বিচারক। ‘অপদার্থের মত কাজ’ বলে ভর্ৎসনা করেন বিচারক। ‘বেআইনিভাবে পেশ করা হচ্ছে অভিযুক্তদের। এটা সন্দেশখালি নয়, আদালত’। সন্দেশখালির পারদ তো চড়েই আছে। শাসকদলের বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ করছেন এলাকার বাসিন্দারা। আর এই পরিস্থিতিতে বেশ কয়েকজনকে গ্রেফতারও করেছে পুলিশ। আইনজীবীদের তরফে রবিবারের ঘটনার রেশ টেনে দৃষ্টি আকর্ষণ করা হয় বিচারকের। তাতে সন্দেশখালি থানার তদন্তকারী আধিকারিকদের ওপর ক্ষুব্ধ হন বিচারক। ধৃতদের আদালতে পেশ করা নিয়ে আইনজীবীদের পুলিশের বিরুদ্ধে যে অভিযোগ ছিল, তার পরিপ্রেক্ষিতে শোকজ করা হয় সন্দেশখালি থানার তদন্তকারী আধিকারিককে। সোমবারও শুনানি স্থগিত রাখা হয়। বিচারক পুলিশকে নির্দেশ দেন, আজকের মধ্যেই সন্দেশখালি সংক্রান্ত সমস্ত কেস ডায়েরি ও গ্রেফতারের যে কাগজপত্র তা জমা দিতে হবে আদালতে। তারপর সম্পূর্ণ শুনানি হবে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Smriti Irani: সন্দেশখালির অরাজকতা রাষ্ট্রীয় মদতপুষ্ট, তোপ স্মৃতি ইরানির

    Smriti Irani: সন্দেশখালির অরাজকতা রাষ্ট্রীয় মদতপুষ্ট, তোপ স্মৃতি ইরানির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সন্দেশখালিকাণ্ডে রাজ্য সরকারকে আক্রমণ শানালেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী বিজেপির স্মৃতি ইরানি (Smriti Irani)। তাঁর সাফ কথা, সন্দেশখালিতে যে অরাজকতা হয়েছে, তা আদতে রাষ্ট্রীয় মদতপুষ্ট। সাংবাদিক সম্মেলনে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী বলেন, “সন্দেশখালিতে মহিলারা মিডিয়ার কাছে তাঁদের অভিজ্ঞতা ব্যক্ত করেছেন। তাঁরা জানিয়েছেন, তৃণমূলের গুন্ডারা প্রতিটি ঘরে ঘুরে ঘুরে মহিলাদের নিশানা করত। মমতার গুন্ডারা প্রতি রাতে মহিলাদের বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে যেত বলেও অভিযোগ করেছেন স্থানীয় মহিলারা।” স্মৃতি (Smriti Irani) বলেন, “এই মহিলাদের বক্তব্যগুলি শুনুন, মহিলাদের বাড়িতে এসে চিহ্নিত করে যেত তৃণমূলের গুন্ডারা। এরা সকলেই শেখ শাহজাহানের লোক। বাড়ি গিয়ে মমতার গুন্ডারা মেয়েদের ধর্ষণ করছে। এ সবই হয়েছে সরকার ও প্রশাসনের মদতে।”

    অন্ধের রাজত্ব

    তিনি বলেন, বাংলায় অন্ধের রাজত্ব চলছে। মহিলারা বলছেন, এসবই হত পুলিশের সামনে। এরা সবাই শেখ শাহজাহানের লোক। রাজ্য সরকার বা প্রশাসন কোনও কাজ করছে না। আর বিধানসভায় এ নিয়ে প্রশ্ন তুললে বিরোধী দলের বিধায়কদের সাসপেন্ড করা হচ্ছে।” কেন্দ্রীয় মন্ত্রী বলেন, “তৃণমূলের অত্যাচারের শিকার মহিলারা। তুলে নিয়ে গিয়ে ধর্ষণ করা হয়েছে। সন্দেশখালির মহিলারা সাহায্য ও নিরাপত্তার জন্য চিৎকার করছেন।”

    তৃণমূলের গুন্ডাদের কীর্তি!

    স্মৃতি বলেন, “বাড়ি বাড়ি গিয়ে তৃণমূলের গুন্ডারা দেখে আসে, কাদের বাড়ির মেয়ে সুন্দরী, কোন মেয়েদের বয়স কম। তাঁদের স্বামীদের বলা হয়েছে, তুমি স্বামী হতে পার, কিন্তু তোমার কোনও অধিকার নেই। মহিলারা বলছেন, নিয়ে চলে যাবে রাতের পর রাত। যতক্ষণ তাদের মন না ভরবে, ততক্ষণ তোমার রেহাই নেই।” তিনি বলেন, “মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে জবাব দিতে হবে শাহজাহান কোথায়? মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আপনি রাজনৈতিক লাভের জন্য তফশিলি জাতি, মৎস্যজীবী পরিবার, কৃষক সম্প্রদায় ও তাঁদের মহিলাদের সম্মান নষ্ট করেছেন।”

    সন্দেশখালিতে জারি করা হয়েছে ১৪৪ ধারা। এ প্রসঙ্গে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী বলেন, “এখন সন্দেশখালিতে ১৪৪ ধারা জারি করা হয়েছে, যাতে মহিলারা জমায়েত করতে না পারেন এবং কথা বলতে না পারেন।” তাঁর (Smriti Irani) প্রশ্ন, “মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কেন তৃণমূলের গুন্ডাদের বাড়ি বাড়ি গিয়ে তল্লাশি করতে দিলেন, যাতে মহিলাদের ধর্ষণ করে লাগাতার ধর্ষণ করা যায়?”

    আরও পড়ুুন: ছোট হচ্ছে ইন্ডি জোটের ‘পিন্ডি’, আড়েবহরে বাড়ছে এনডিএ

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • CV Ananda Bose:  ‘শাহজাহান বাহিনীর হাত থেকে বাঁচান’, রাজ্যপালকে পায়ে হাত দিয়ে আর্জি মহিলাদের

    CV Ananda Bose: ‘শাহজাহান বাহিনীর হাত থেকে বাঁচান’, রাজ্যপালকে পায়ে হাত দিয়ে আর্জি মহিলাদের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অগ্নিগর্ভ সন্দেশখালিতে জারি রয়েছে ১৪৪ ধারা। সার্বিক পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে সেখানে যাচ্ছেন রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস (CV Ananda Bose)। এদিকে, প্রাক্তন বিধায়ক নিরাপদ সর্দারের গ্রেফতারির জেরে সোমবারই এলাকায় বনধ ডেকেছে বামেরা। সোমবার মিনাখাঁর বাসন্তী হাইওয়েতে বামনপুকুর এলাকায় রাজ্যপালকে যেতে বাধা দেওয়া হয়। মহিলাদের হাতে পোস্টার দিয়ে তৃণমূলীরা বাধা দেওয়ার চেষ্টা করে। পদে পদে বাধা পেয়ে অবশেষে সন্দেশখালি পৌঁছান রাজ্যপাল।

    রাজ্যপালকে (CV Ananda Bose) কী বললেন আতঙ্কিত মহিলারা?

    সন্দেশখালির মাটিতে রাজ্যপাল পা রাখতেই ফুল ছড়িয়ে, শঙ্খ বাজিয়ে অভ্যর্থনা জানানো হয় রাজ্যপালকে। এদিন রাজ্যপাল পৌঁছনোর আগেই দেখা যায় রাস্তায় প্ল্যাকার্ড হাতে দাঁড়িয়ে রয়েছেন মহিলারা। কোনও প্ল্যাকার্ডে কেন্দ্রীয় পুলিশের দাবি জানানো হয়েছে। কোথাও রাজ্য পুলিশের বিরুদ্ধে রয়েছে অভিযোগ। রাজ্যপালের হাতে রাখিও পরিয়ে দেন অনেক মহিলা। একের পর এক মহিলা এসে তাঁর কাছে অত্যাচারের অভিযোগ জানাতে থাকেন। অনেক মহিলা তাঁর পায়ে পড়লেন। রাজ্যপালের সামনে অনেকে আবার হাতজোড় করে দাঁড়িয়ে থাকেন। শাহজাহান বাহিনী নিয়ে মুখ খোলেন। তাঁর বাহিনীর অত্যাচারের কথা তাঁরা বলেন। শেখ শাহজাহান এবং তাঁর সহযোগীদের দ্রুত গ্রেফতারের দাবি জানান তাঁরা। গ্রেফতার না করা হলে রাজ্যপাল চলে গেলে, তাঁদের উপর আরও অত্যাচার নেমে আসবে বলে আশঙ্কা জানিয়েছেন তাঁরা। এক মহিলা রাজ্যপালের সামনে বলেন, ‘আমাদের মায়েদের শান্তির জন্য আপনারা কী চাইছেন জানি না। শাহজাহান বাহিনীর হাত থেকে আমাদের বাঁচান। কিন্তু, শেখ শাহজাহান, শিবু হাজরাদের না ধরলে আপনারা চলে গেলে আমাদের যে অবস্থা হবে তা আরও ভয়ঙ্কর হবে। আমরা এরপর মুখ তুলে তাকাতে পারব না। ১৩ বছর ধরে যা অত্যাচার হচ্ছে, তার থেকেও ভয়ঙ্কর হবে। ওরা যদি ফিরে আসে।’

    সন্দেশখালিতে গিয়ে কী বললেন রাজ্যপাল? (CV Ananda Bose)

    সবার অভিযোগ শোনেন রাজ্যপাল। রাজ্যপাল বলেন, “যাবতীয় ব‍্যবস্থা নেওয়া হবে। গ্রামের মহিলাদের সুরক্ষিত রাখা ও নিরাপদে রাখার জন্য যা যা করার তা করা হবে।”  সূত্রের খবর, ঘটনায় রাজ্য সরকারের কাছে রিপোর্ট তলব করেছেন রাজ্যপাল। কেন্দ্রীয় সশস্ত্র পুলিশ বাহিনীর সঙ্গে কথাও বলেছেন সি ভি আনন্দ বোস। এদিন সন্দেশখালি যাওয়ার আগে তিনি বলেন, “কেরল সফরে ব্যস্ত থাকার সময় সন্দেশখালির ভয়াবহ পরিস্থিতির কথা জানতে পারি। তাই সফর কাটছাঁট করেই চলে এসেছি।”

    দফায় দফায় বিক্ষোভ

    কেরল সফর থেকে কলকাতায় ফিরে সোমবারই যে রাজ্যপাল (CV Ananda Bose) সন্দেশখালি যাবেন, সেই পরিকল্পনা আগেই ছিল। সকালে বিমানবন্দরে নামার পর নির্ধারিত রাস্তা দিয়েই এগিয়ে যাচ্ছিল রাজ্যপাল সি ভি আনন্দ বোসের কনভয়। সেই পথেই দফায় দফায় বিক্ষোভ দেখানো হল রাজ্যপালের কনভয় ঘিরে। সকাল ১১ টা নাগাদ যখন রাজ্যপালের গাড়ি উত্তর ২৪ পরগনার মিনাখাঁর ওপর দিয়ে যাচ্ছিল, সেই সময় হাতে প্ল্যাকার্ড নিয়ে কনভয়ের সামনে গিয়ে বিক্ষোভ দেখান একদল মহিলা। বাসন্তী এক্সপ্রেসওয়ের ভিতরে একবার নয়, একাধিকবার বিক্ষোভের মুখে পড়তে হয় রাজ্যপালকে। মিনাখাঁর ওপর দিয়ে বামনগাছির দিকে এগিয়ে যাচ্ছিল কনভয়। প্রথমে বামনপুকুর এলাকায় আটকানো হয় গাড়ি।

    কচিকাঁচাদের হাতে প্লাকার্ড!

    বিক্ষোভকারীদের হাতে রয়েছে প্ল্যাকার্ড। তাতে জানানো হয়েছে বকেয়া টাকার দাবি। সেখান থেকে পুলিশ কোনও ক্রমে জমায়েত সরিয়ে দেওয়ার পর কয়েকশ মিটার দূরে কালীতলা ফের দেখা যায় একই ছবি। আবারও বিক্ষোভের মুখে পড়তে হয় রাজ্যপালেক কনভয়। এমনকী কচিকাঁচাদের হাতে ছিল প্লাকার্ড। কেন পোস্টার হাতে দাঁড়িয়ে রয়েছে তা জানে না তারা। তৃণমূলীদের শেখানো বুলি আওড়াচ্ছেন মহিলারা। অনেকে আবার বলছেন, এলাকায় ইডি কেন আসছে। সন্দেশখালি থানাতে অশান্তি হচ্ছে কেন? এসবের জন্য তাঁরা জমায়েত হয়েছে। রাজ্যপালের (CV Ananda Bose) কাছে আবাস যোজনার বাড়ি  চাইলেই পাওয়া যাবে বলে তৃণমূলের লোকজন মহিলাদের জমায়েক করেছেন বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে। তবে, পুলিশের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। বার বার রাজ্যপালকে বিক্ষোভ দেখানো হলেও পুলিশের ভূমিকা ততটা সক্রিয় ছিল না।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Sandeshkhali: “হাজার টাকা দেবে লক্ষ্মীর ভান্ডারে, রাত কাটাতে হবে  তৃণমূল নেতাদের সঙ্গে”, আক্রমণ সুকান্তর

    Sandeshkhali: “হাজার টাকা দেবে লক্ষ্মীর ভান্ডারে, রাত কাটাতে হবে তৃণমূল নেতাদের সঙ্গে”, আক্রমণ সুকান্তর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দিল্লি থেকে ফিরে কলকাতা বিমানবন্দরে দাঁড়িয়ে বিজেপির রাজ্য সভাপতি সাংসদ সুকান্ত মজুমদার সন্দেশখালিকাণ্ডে রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে ব্যাপক আক্রমণ শানালেন। রাজ্যের পুলিশ-প্রশাসনের ওপর ক্ষোভ উগরে দিয়ে তিনি বলেন, “পুলিশ কিছুই করবে না, কেননা তারা শাহজাহানের পয়সায় লালিত-পালিত হয়। নারী নির্যাতনে আমরা মধ্যযুগীয় বর্বরতা (Sandeshkhali) দেখতে পাচ্ছি এই রাজ্যে।” এছাড়াও তিনি প্রশ্ন তোলেন, “অন্যের স্ত্রীকে কীভাবে পার্টি অফিসে নিয়ে যাওয়া যায় তৃণমূলের নেতাদের মনোরঞ্জন করার জন্য?”

    সন্দেশখালিতে নারীরা অসুরক্ষিত (Sandeshkhali)!

    বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার বলেন, “বোঝাই যাচ্ছে মহিলাদের কী চোখে দেখে তৃণমূল। হাজার টাকা দাও, তৃণমূলের নেতাদের সঙ্গে রাত কাটাও। এই অফার চলছে। হাজার টাকা দেবে লক্ষ্মীর ভান্ডারে, রাত কাটাতে হবে (Sandeshkhali) তৃণমূল নেতাদের সঙ্গে। কোনও ব্যক্তির স্ত্রীকে রাতে ডেকে নিয়ে সারা রাত রেখে পরের দিন সকালে পৌঁছে দেওয়ার ঘটনায় পুলিশ কত ভাগ পায়, আমার জানা নেই। পুলিশ সেটাই করছে, মানুষ যাতে মুখ খুলতে না পারে, তাদের বক্তব্য না রাখতে পারে। যেভাবে মহিলাদের ওপর অত্যাচার হয়েছে, তাতে বাঙালি চুপ করে বসে থাকতে পারে না। আর আজ চুপ থাকলে, আগামী দিনে আপনার-আমার বাড়ির মহিলাদের সঙ্গে এমনটাই করবে তৃণমূল কংগ্রেস।”

    নিখোঁজ বিজেপি নেতা

    শেখ শাহজাহানের নিখোঁজ প্রসঙ্গে সুকান্ত বলেন, “শাহজাহান কোথায় আছে পুলিশ জানে, শাহজাহানই (Sandeshkhali) পুলিশকে নির্দেশ দিয়ে কাজ করাচ্ছে। শিবু হাজরা ও তাঁকে খুঁজে পাবে না। যখন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলবেন তখন পুলিশ গ্রেফতার করবে। আদালতের উচিত নির্দেশ দেওয়া যে শাহজাহানের কান ধরে টেনে নিয়ে আসা হয়। তারপর শুরু হবে খেলা।” আবার সন্দেশখালিতে বিজেপি কনভেনার বিকাশ সিংহকে গ্রেফতার প্রসঙ্গে তিনি আরও বলেন, “বিকাশ সিং আমাদের ওখানে বহু পুরনো নেতা। তাঁর স্ত্রী খুব চিন্তিত। আমরা শুনতে পাচ্ছিলাম তাঁকে নৌকায় করে কোথাও নিয়ে যাওয়া হয়েছে। উনাকে কোথায় নিয়ে যাওয়া হয়েছে জিজ্ঞেস করায় এসপি বলেন, আমরা বলতে বাধ্য নই। সম্পূর্ণভাবে অনৈতিক কাজ করছে পুলিশ।”

    “মুখ্যমন্ত্রী ঘুমচ্ছেন” (Sandeshkhali)

    সন্দেশখালিতে ১৪৪ ধারা জারি করা প্রসঙ্গে সুকান্ত বলেন, “সন্দেশখালির (Sandeshkhali) ঘটনা এমন একটা বাক্স খুলে দিয়েছে যেখানে তৃণমূলের প্রাণ ভোমরা লুকিয়ে আছে। তৃণমূল কংগ্রেস বিভিন্ন জায়গায় কীভাবে অত্যাচার করেছে তা সবার সামনে চলে এসেছে। তৃণমূল কংগ্রেস ভয় পাচ্ছে। তারা চাইছে না, এটা সবার সামনে আসুক। কীভাবে মহিলা মুখ্যমন্ত্রী থাকা সত্ত্বেও মহিলাদের উপর এই ধরনের অত্যাচার হল? এই বাংলার জন্য আমরা গর্ববোধ করি? মহিলাদের নিয়ে একটা কথা বলারও অধিকার নেই এই অভদ্র তৃণমূলের। মুখ্যমন্ত্রী ঘুমচ্ছেন, মুখ্যমন্ত্রীর চিন্তা তাঁর বাড়ির মহিলাদের নিয়েই, আর কাউকে নিয়ে নয়।”

     

     দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Sheikh Shahjahan: শাহজাহানকে ফের তলব ইডির, হাজিরা এড়ালে বাজেয়াপ্ত হতে পারে বিপুল সম্পত্তি

    Sheikh Shahjahan: শাহজাহানকে ফের তলব ইডির, হাজিরা এড়ালে বাজেয়াপ্ত হতে পারে বিপুল সম্পত্তি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: টানা ৩৫ দিন ধরে নিখোঁজ রয়েছেন সন্দেশখালির তৃণমূল নেতা শেখ শাহজাহান (Sheikh Shahjahan)। রেশন দুর্নীতি মামলায় তাঁকে জানুয়ারির শেষের দিকে দ্বিতীয়বারের জন্য তলব করে ইডি। সেবারও হাজিরা এড়িয়েছেন তিনি। এমতাবস্থায় সন্দেশখালি যখন অগ্নিগর্ভ হয়ে উঠেছে  এবং শাহজাহান ও তাঁর দুই শাগরেদের গ্রেফতারির দাবিতে পথে নেমেছেন হাজার হাজার মানুষ। এমন সময়ে শুক্রবার ফের একবার হাজিরার জন্য নোটিশ পাঠানো হয়েছে শাহাজাহান শেখকে (Sheikh Shahjahan)। ই-মেল মারফত এই নোটিশ পাঠানো হয়েছে বলে জানা গিয়েছে ইডির তরফে। এবং আগামী সপ্তাহে তাঁকে সল্টলেকের ইডি দফতরে হাজিরা দিতে বলা হয়েছে। প্রসঙ্গত দু’বার হাজিরা এড়িয়ে শেখ শাহজাহান তাঁর আইনজীবী মারফত ইডি দফতরে চিঠি জমা করার চেষ্টা করেন। কিন্তু সেই চিঠি জমা নেয়নি ইডি। আরও জানা গিয়েছে, আগামী সপ্তাহে শাহজাহান হাজিরা এড়ালে তৃণমূল নেতা এবং তাঁর ঘনিষ্ঠদের সমস্ত সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করার রাস্তায় হাঁটতে পারেন কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা।

    শাহজাহানের বাড়িতে উদ্ধার বেশ কিছু নথি

    প্রসঙ্গত, এর আগে ২৪ জানুয়ারি ফের সন্দেশখালিতে অভিযান চালায় ইডি। সেই সময়ই শাহজাহানের বাড়িতে বেশকিছু নথি বাজেয়াপ্ত করেন কেন্দ্রীয় গোয়েন্দারা। জানা গিয়েছে, এই সমস্ত নথি এবং নানা তথ্য থেকে শাহজাহানের বিপুল সম্পত্তির হদিশ পেয়েছেন ইডির আধিকারিকরা। শাহজাহানের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টগুলিতে বড় অঙ্কের অর্থ যেমন জমা পড়েছে, তেমন বড় অঙ্কের আর্থিক লেনদেনও হয়েছে বলে দেখা যাচ্ছে। আপাতত ইডির গোয়েন্দারা তদন্ত করে দেখছেন যে ওই বিপুল টাকা ঠিক কোথায় সরানো হয়েছে। জানা গিয়েছে, শাহজাহানের (Sheikh Shahjahan) বিপুল সাম্রাজ্যের মধ্যে রয়েছে অনেকগুলি মাছের ভেড়ি এবং বিপুল বেনামী জমি। শাহজাহান নিজের নামে একটা গোটা বাজারই তৈরি করেছেন। সেই প্রকল্পের প্ল্যান সংক্রান্ত নথিপত্র হাতে এসেছে ইডির। রয়েছে ১৯টি রেজিস্ট্রিহীন জমির দলিলও। এই সমস্ত বিপুল সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত হলে শাহজাহান বেশ বেকায়দায় পড়বে বলে মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল।

    শনিবারও নতুন করে বিক্ষোভ সন্দেশখালিতে

    অন্যদিকে, শনিবারও নতুন করে সন্দেশখালিতে বিক্ষোভ দেখায় গ্রামের মহিলারা। বিক্ষোভকারীদের অভিযোগ যে সন্দেশখালির সিতুলিয়া গ্রামে ভুজঙ্গ দাসের বাড়িতে গতকাল গভীর রাতে পুলিশ এবং তৃণমূলের দুষ্কৃতীরা একজোট হয়ে হামলা চালায়। ভুজঙ্গ দাসের বৃদ্ধা মা’কে মারধর করে বাড়ি ভাঙচুর করা হয় বলে অভিযোগ। তারই প্রতিবাদে বিক্ষোভ শুরু করে সিতুলিয়া গ্রামের মহিলারা। শনিবার সকালেই বিজেপির একটি প্রতিনিধিদল সন্দেশখালিতে ঢুকতে যায়। সন্দেশখালি বিজেপির দায়িত্বপ্রাপ্ত নেত্রী অর্চনা মজুমদার ছিলেন সামনে। সেই দলকে আটকে দেয় পুলিশ। এরপরই সামনে আসে বিজেপির বিধায়ক দলের রাজভবন অভিযান। সেখানে ১৪৪ ধারার নোটিফিকেশন পোড়াতে থাকেন বিজেপি বিধায়করা।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

     
LinkedIn
Share