Tag: Sandeshkhali

Sandeshkhali

  • Mamata Banerjee: বসিরহাটে তৃণমূলে ফাটল! “ক্ষমা না চাইলে দলে ঠাঁই নেই”, ঊষারানীকে হুমকি মমতার

    Mamata Banerjee: বসিরহাটে তৃণমূলে ফাটল! “ক্ষমা না চাইলে দলে ঠাঁই নেই”, ঊষারানীকে হুমকি মমতার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: লোকসভার সপ্তম দফায় ভোট বসিরহাট লোকসভা কেন্দ্রের। এই কেন্দ্রে মধ্যে রয়েছে সন্দেশখালি। নারী নির্যাতন, হিন্দু মহিলাদের বেছে বেছে ধর্ষণ, জোর করে জমি দখল সহ একাধিক ইস্যুতে সাধারণ মহিলাদের ক্ষোভের আগুনে উত্তাল হয়ে উঠেছিল সন্দেশখালি। বিজেপির অভিযোগ, মুখ্যমন্ত্রী নির্যাতিতা মহিলাদের পাশে না দাঁড়িয়ে পক্ষাবলম্বন করেছিলেন শেখ শাহজাহানের। ইতিমধ্যে প্রতিবাদী মুখ বিজেপি প্রার্থী রেখা পাত্রের প্রচার ব্যাপক জমজমাট হয়ে উঠেছে এলাকায়। কিন্তু এই কেন্দ্রে ভোটের আগে তৃণমূলের গোষ্ঠী কোন্দল প্রকাশ্যে এসেছে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee) সরাসরি তাঁর দলের বিধায়ক ঊষারানী মণ্ডলের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ ঘোষণা করছেন। তিনি হাড়োয়ায় নির্বাচনী সভা থেকে দলের বিধায়ককে হুমকি দিয়ে বলেন, “ক্ষমা না চাইলে দলে ঠাঁই নেই”।

    ঠিক কি বললেন মমতা (Mamata Banerjee)?

    এদিন নির্বাচনী প্রচারে এসে মমতা (Mamata Banerjee) দলের কর্মী-নেতা-বিধায়কদের কোন্দলকে আরও স্পষ্ট করে দেন। তিনি নিজের দলের মিনাখাঁর বিধায়ক উষারানী এবং তাঁর স্বামী মৃত্যঞ্জয় মণ্ডলের বিরুদ্ধে তোপ দাগেন। কার্যত সতর্ক করে দিয়ে বলেন, “পায়ে ধরে ক্ষমা না চাইলে কোনও জায়গা নেই দলে। তৃণমূলের এমএলএ থাকবেন আর মিটিংয়ে আসবেন না তা করা চলবে না। যতক্ষুণ ক্ষমা না চেয়ে পা ধরবে, ততক্ষুণ মুক্তি নেই। আপনি স্বামীকে নিয়ে দল বিক্রি করে দেবেন এমনটা দলে চলবে না। এটা মানবো না। তৃণমূল নেতা তৈরি করে, একটা যাবে তো লক্ষ নেতা তৈরি হবে। ব্লকে যারা আছে, জেলার যারা আছে তাদের তুলে ধরব।”

    আরও পড়ুনঃ ভোট আবহে পুলিশের বিরুদ্ধে জুলুমের অভিযোগ তুলে ধর্নায় বসলেন অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়

    বিধায়ককে বাদ রেখে টিম গঠন

    এদিন দলের মধ্যে প্রকাশ্যে এই বিস্ফোরক মন্তব্যে ভোটের আগে একটা বড় ফাটল নজরে এসেছে। একই ভাবে এই বিধায়কে বাদ দিয়ে বিশেষ টিম গঠন করে দেন মমতা (Mamata Banerjee)। উল্লেখ্য ঊষারানী বিজেপির সঙ্গে সম্পর্ক রেখেছেন বলে তৃণমূলের স্থানীয় নেতারা অভিযোগ করে ছিলেন। প্রসঙ্গত উল্লেখ্য এসএসসিতে গ্রুপ সিতে নিয়োগ পেয়েছিলেন তাঁর মেয়ে। কিন্তু নিয়োগ বেআইনি হওয়ায় চাকরি বাতিল হয়েছে। মেয়ে ডি-র দাবিতে মিছলে যোগ দিয়েছিলেন। তাতেও শাসক দলের রোষানলে পড়তে হয়েছিল। অপর দিকে সন্দেশখালির বিজেপির প্রার্থী হিসাবে প্রধানমন্ত্রী রেখা পাত্রকে চয়ন করেছিলেন। ফলে বসিরহাটে শাসক দলের কোন্দলে বিজেপি কতটা বাজিমাত করবে সেই দিকেই নজর এখন ওয়াকিবহল মহলের। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।   

  • Sandeshkhali: “চার তারিখের পর চোর মমতার ঝাঁপ বন্ধ করে দেব”, নির্বাচনী প্রচারে হুঙ্কার শুভেন্দুর

    Sandeshkhali: “চার তারিখের পর চোর মমতার ঝাঁপ বন্ধ করে দেব”, নির্বাচনী প্রচারে হুঙ্কার শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সন্দেশখালিতে (Sandeshkhali) বিজেপি প্রার্থী রেখা পাত্রের সমর্থনে নির্বাচনী প্রচারে এক বিশাল জনসভায় যোগদান করলেন শুভেন্দু অধিকারী। তিনি এদিন রাজ্যের তৃণমূল সরকারের বিরুদ্ধে নারী নির্যাতন নিয়ে আক্রমণ করেন। পাশাপাশি রাজ্যের শাসক দলের একাধিক দুর্নীতির বিষয় নিয়ে তোপ দাগেন। তিনি বলেন, “চার তারিখের পর চোর মমতার ঝাঁপ বন্ধ করে দেবো”

    কী বললেন শুভেন্দু (Sandeshkhali)?

    এদিন সভায় শুভেন্দু বলেন, “সন্দেশখালির (Sandeshkhali) আন্দোলনকে এবার গণতান্ত্রিক পদ্ধতিতে জয়যুক্ত করার সময় এসে গিয়েছে। এখানে তৃণমূল কোথাও নেই, লড়াইটা বিজেপি বনাম মমতা-পুলিশের। তৃণমূল কথাও কিছুই নেই। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী করতে চাই। ভাইপোকে কে কে জেলে পাঠাতে চান? ওঁকে জেলে পাঠাতে গেলে তিন নম্বর বোতাম টিপে রেখা পাত্রকে জয় করতে হবে। তা করলেই বসিরহাটে পদ্ম ফুটবে। সিরাজ, আলমগির সকলের অবস্থা শাহজাহানের মতো হবে।  তাই সকলে একসঙ্গে ভোট দেবেন।”

    আর কি বললেন শুভেন্দু?

    আজ লোকসভার প্রচারে শুভেন্দু অধিকারী বলেন, “আমরা এলাকার (Sandeshkhali) অভিযোগকে যথাস্থানে জানিয়ে হাইকোর্ট থেকে সিবিআই তদন্তের রায় পেয়েছি। মুখ্যমন্ত্রী এই রায়ের বিরুদ্ধে সুপ্রিম কোর্টে আবেদন করেছেন। কিন্তু লাভ হয়নি। ভোটের পর মামলা শুনবেন জানিয়েছেন দেশের সর্বোচ্চ আদলাত। রেখাকে দিল্লিতে পাঠাতে পারলে আমাদের আন্দোলনে সিলমোহর পড়বে। অস্ত্রশক্তি, বাহুবল আমাদের ভারতের গণতন্ত্রে জায়গা নেই। তাই সকলকে একজোট হতে হবে। নির্বাচনের আগে মমতার পুলিশ গ্রেফতার করার ষড়যন্ত্র করছে। তাই আমাদের সাবধানে থাকতে হবে। ভোটদানের মধ্যে দিয়ে সকল অন্যায়ের বদলা নিতে হবে।”

    এই জনসভায় ছিলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু সহ ছিলেন বসিরহাট লোকসভার বিজেপির প্রার্থী রেখা পাত্র, বিজেপি নেত্রী তথা আইনজীবী প্রিয়াঙ্কা ট্রিব্রেওয়াল, অর্চনা মজুমদার সহ একাধিক নেতৃত্ব। এই কেন্দ্রে ভোট গ্রহণ পয়লা জুন। শেষ দফা নির্বাচনের আগে বিজেপির পক্ষ থেকে নির্বাচনী জনসভা এদিন বেশ জমাট ছিল। এই জনসভায় সন্দেশখালির বিভিন্ন প্রান্ত থেকে বিজেপি দলের নেতা কর্মীরা এসে যোগদান করেন।

    আরও পড়ুনঃ পুলিশকে একগুচ্ছ নির্দেশ, কলকাতার ভোটে বাড়তি সতর্ক কমিশন

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Sandeshkhali: সিবিআইয়ের অস্থায়ী শিবিরে শাহজাহান বাহিনীর বিরুদ্ধে জমা পড়ল ভুরি ভুরি অভিযোগ

    Sandeshkhali: সিবিআইয়ের অস্থায়ী শিবিরে শাহজাহান বাহিনীর বিরুদ্ধে জমা পড়ল ভুরি ভুরি অভিযোগ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হাইকোর্টের নির্দেশের পরেই তদন্তের জন্য একাধিকবার সন্দেশখালিতে  (Sandeshkhali) গিয়েছেন সিবিআই আধিকারিকেরা। অভিযোগকারীদের মধ্যে কয়েকজনের বাড়ি গিয়ে কথা বলা এবং জমি সংক্রান্ত নথিপত্রও খতিয়ে দেখেছেন তাঁরা। এবার সন্দেশখালি নিয়ে যাবতীয় অভিযোগ শুনতে সেখানেই অস্থায়ী শিবির বা ক্যাম্প অফিস তৈরি করেছে সিবিআই। কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা সূত্রে খবর, সন্দেশখালিতে থেকেই এবার তদন্ত করবেন সিবিআই আধিকারিকেরা। ধামাখালিতে একটি ব্যাঙ্কের কাছে অস্থায়ী শিবির করেছে সিবিআই। সেখানেই শনিবার ভুরি ভুরি অভিযোগ জমা করেছেন গ্রামবাসীরা।

    একাধিক অভিযোগ জমা পড়েছে সিবিআই ক্যাম্পে (Sandeshkhali)

    শনিবার বিজেপি নেত্রী তথা আইনজীবী প্রিয়াঙ্কা টিব্রেওয়াল সন্দেশখালি (Sandeshkhali) যান। গ্রামবাসীদের সঙ্গে তিনিও শিবিরে হাজির ছিলেন। আব্দুল মাজিদ শেখ নামে এক বাসিন্দা বলেন, বেড়মজুরে আমার ভেড়ি ছিল। শাহজাহান বাহিনী ২ লক্ষ টাকা দাবি করেছিলেন। সেই টাকা না দেওয়ায় আমার ভেরি ওরা জোর করে দখল করে রেখেছে। এদিন সিবিআই অফিসে আমি অভিযোগ জানাতে এসেছি। জানা গিয়েছে, ২০১৪ সালে জেলা পরিষদের টেন্ডারের ভিত্তিতে ফেরিঘাট চালানোর দায়িত্ব পান সন্দেশখালির বাসিন্দা বিনা রায় অধিকারী। ফেরিঘাট ডাক ১০ লক্ষ টাকা দিয়ে নিলামে মাধ্যমে তাঁর নাম জেলা পরিষদে উঠলেও তিনি আজ ১০ বছর ঘাট চালাতে পারেননি। ঘাট চালাতে গেলে শেখ শাহজাহান, উত্তম সর্দার, শিবু হাজরা তাঁকে ঘাট চালাতে দেননি। সরকারি নিয়ম অনুযায়ী তিনি ঘাট পেয়েছেন বলে দাবি করলেও কোনও কথা শুনেন নি তাঁরা। দশ বছর পর সেই ধামাখালিতে সিবিআই ক্যাম্প অফিসে অভিযোগ দায়ের করতে আসেন বিনা রায়। তিনি বলেন, দশ বছরের সুদে আসলে প্রায় ২৫ থেকে ৩০ লক্ষ টাকার ওপরে হয়ে গেলেও, আমার প্রাপ্য জিনিস আমাকে করতে দেয়নি শিবু,উত্তমরা। বিচারের আশায় আমি সিবিআই ক্যাম্পে অভিযোগপত্র জমা দিলেন। মনে এখনও আশা তিনি তাঁর ফেরিঘাটে লাগানো সমস্ত টাকা ফেরত পাবেন।

    আরও পড়ুন: তৃণমূল বিধায়ক ঘনিষ্ঠ নেতার বাড়িতে বোমাবাজি, অভিযুক্ত ব্লক সভাপতি, কোন্দল প্রকাশ্যে

    বিজেপি নেত্রী কী বললেন?

    বিজেপি নেত্রী প্রিয়াঙ্কা টিব্রেওয়াল সঙ্গে সন্দেশখালি (Sandeshkhali) এলাকার মহিলারা ক্যাম্পে অভিযোগ দায়ের করতে যান। তিনি বলেন, সন্দেশখালির বাসিন্দাদের ওপর শাহজাহান বাহিনী প্রচুর অত্যাচার করেছে। এখনও অত্যাচার চলছে। দুদিন আগে এক মহিলাকে ধর্ষণ করা হয়েছে। পুলিশ ঠিক মতো অভিযোগ জমা নিচ্ছে না। নির্যাতিতাদের আইনজীবী হিসেবে আমি এসেছি। পুলিশের বিরুদ্ধে অভিযোগ জমা পড়ছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Sandeshkhali: সন্দেশখালিতে ফের নারী নির্যাতন! ঘরে ঢুকে স্কুল ছাত্রীর শ্লীলতাহানি, অভিযুক্ত তৃণমূল

    Sandeshkhali: সন্দেশখালিতে ফের নারী নির্যাতন! ঘরে ঢুকে স্কুল ছাত্রীর শ্লীলতাহানি, অভিযুক্ত তৃণমূল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তৃণমূলের অত্যাচার এবং পুলিশি নির্যাতনের বিরুদ্ধে রাত জাগা শুরু করেছেন সন্দেশখালির (Sandeshkhali) মহিলা আন্দোলনকারীরা। গত বৃহস্পতিবার রাতেই এক মহিলা আন্দোলনকারীকে বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে গিয়ে ধর্ষণের চেষ্টার অভিযোগ ওঠে তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীদের বিরুদ্ধে। সেই ঘটনার জের মিটতে না মিটতেই এবার এক অষ্টম শ্রেণির ছাত্রীকে শ্লীলতাহানি করার অভিযোগ উঠল তৃণমূল কর্মীর বিরুদ্ধে। যা নিয়ে শোরগোল পড়ে গিয়েছে।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (Sandeshkhali)

    জানা যাচ্ছে, ওই স্কুল ছাত্রীর ঘরে ঢুকে মুখ চেপে ধরে তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতী। কোনও ভাবে নিজেকে বাঁচাতে চিৎকার করে ওই নাবালিকা। তার আওয়াজে ছুটে আসেন পরিবারের লোকজন। সঙ্গে-সঙ্গে চম্পট দেয় অভিযুক্ত। পরিবারের অভিযোগ, অভিযুক্ত যুবক তৃণমূল সমর্থক। নির্যাতিতার পরিবার বিজেপি সমর্থক হওয়ায় তার শ্লীলতাহানি করা হয়েছে। অভিযুক্তকে আটক করেছে সন্দেশখালি (Sandeshkhali) থানার পুলিশ। নির্যাতিতার দিদা বলেন, “ঘরে আমার নাতনি ঘুমোচ্ছিল। ছেলেটা ঘরের পিছন থেকে ঢোকে। তারপর আমার নাতনির শ্লীলতাহানি করে। নাতনি চিৎকার করে বলে, দিদা আমায় বাঁচাও। আমায় মেরে ফেলে দিল। ততক্ষণে ছেলেটা পালিয়ে গিয়েছে। আমাদের মনে হচ্ছে তৃণমূল নেতার ছেলে করছে। তৃণমূলের মিটিংয়ে ডাকা হয়েছিল, আমরা যাইনি। সেই রাগে এই কাজ করেছে বলে মনে করা হয়। আমরা এখন বিজেপি-র সমর্থক।”

    আরও পড়ুন: ফের গরম, কলকাতার পারদ ছুঁল ৩৮ ডিগ্রি! কবে বৃষ্টি, কী বলছে হাওয়া অফিস?

    অভিযুক্তের বাবার কী বক্তব্য?

    অভিযুক্ত ছেলেটির বাবা বলেন, ঘটনাটি কিছুই জানি না। রাত্রিবেলা এই ঘটনা ঘটে থাকলেও কোনও চিৎকার বা কিছুই হয়নি। তাই জানি না। তাছাড়া আমার ছেলে তো রাতে ঘরেই ছিল। তবে এটা একটা চক্রান্ত চলছে বুঝতেই পারছি। কারণ যারা বিজেপি করে তারা বলেছিল যে আমাদের দল কর। কিন্তু, ছেলে যায়নি বলে ওকে ফাঁসানো হচ্ছে। এসব ঘটনার সঙ্গে আমরা কোনওভাবেই জড়িত নই। ওরা ভোটের আগে এসব করে পরিবেশ অশান্ত করার চেষ্টা করছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Sandeshkhali: সন্দেশখালিতে ফের মহিলাদের বিক্ষোভ, তৃণমূল নেতাদের গ্রেফতারের দাবি

    Sandeshkhali: সন্দেশখালিতে ফের মহিলাদের বিক্ষোভ, তৃণমূল নেতাদের গ্রেফতারের দাবি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দুদিন আগে এক আন্দোলনকারী মহিলাকে রাতের অন্ধকারে বাড়ি থেকে মুখে ঢেকে তুলে নিয়ে গিয়ে ধর্ষণের চেষ্টার অভিযোগ উঠেছিল তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীদের বিরুদ্ধে। বৃহস্পতিবার এই ঘটনা নিয়ে দিনভর উত্তেজনা ছিল সন্দেশখালিতে (Sandeshkhali)। থানায় তৃণমূল নেতাদের নামে অভিযোগও জমা পড়ে। এবার সেই ঘটনার জের মিটতে না মিটতেই শুক্রবারও আন্দোলনকারী মহিলারা সন্দেশখালির বেড়মজুর এলাকায় বিক্ষোভ দেখান। এই ঘটনা প্রকাশ্যে আসতেই রাজনৈতিক মহলে চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে।

    সন্দেশখালিতে ফের বিক্ষোভ (Sandeshkhali)

    শুক্রবার নতুন করে উত্তেজনা ছড়াল সন্দেশখালির (Sandeshkhali) বেড়মজুর বটতলা এলাকায়। পুলিশ ও তৃণমূলের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ শুরু করলেন গ্রামের মহিলারা। বিক্ষোভকারীরা বলেন, “দিনের পর দিন পুলিশ সাধারণ মানুষের ওপর অত্যাচার চালাচ্ছে। তাঁদের বিরুদ্ধে নানান ধরনের জামিন অযোগ্য ধারায় মামলা রুজু করে জেলে ভরছে। অথচ যে সমস্ত তৃণমূলের দুষ্কৃতীরা দিনের পর এলাকায় অত্যাচার চালাচ্ছে তাদের বিরুদ্ধে কোনও ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে না। অভিযুক্তদের আড়াল করতে পুলিশ নিরীহ মানুষের ওপর মিথ্যা মামলা চাপাচ্ছে। অন্যদিকে রাত হলেই বাড়িতে হানা দিচ্ছে তৃণমূলের দুষ্কৃতীরা।” অবিলম্বে পুলিশ অভিযুক্তদের গ্রেফতার না করলে বৃহত্তর আন্দোলনে নামার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন আন্দোলনকারী মহিলারা।

    আরও পড়ুন: সন্দেশখালিতে থেকেই অভিযোগ শুনবে সিবিআই, চালু হল অস্থায়ী শিবির

    তৃণমূল নেতাদের গ্রেফতারের দাবি

    ঘটনা সূত্রপাত, বুধবার রাতে সন্দেশখালির (Sandeshkhali) এক প্রতিবাদী মহিলাকে বাড়ি থেকে জোর করে তুলে নিয়ে গিয়ে ধর্ষণের চেষ্টার অভিযোগ উঠেছিল স্থানীয় তৃণমূল নেতা দিলীপ মল্লিক-সহ তিনজনের বিরুদ্ধে। বৃহস্পতিবারই থানায় অভিযোগও দায়ের করেন ওই মহিলা। পুলিশ ইতিমধ্যেই তাঁর মেডিক্যাল পরীক্ষার পর বসিরহাট আদালতে তাঁর গোপন জবানবন্দি নিয়েছে। তারপরও অভিযুক্ত তৃণমূল নেতাদের গ্রেফতার করা হয়নি কেন, এই প্রশ্ন তুলে এদিন সন্দেশখালির বেড়মজুর বটতলা এলাকার মহিলারা বিক্ষোভ শুরু করেন। তৃণমূল নেতৃত্বের বক্তব্য, বিজেপি এলাকায় নতুন করে গোলমাল তৈরি করছে। এসব করে কোনও লাভ হবে না।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Sandeshkhali News: বহাল গঙ্গাধর কয়ালের রক্ষাকবচ, মামলা গেল প্রধান বিচারপতির বেঞ্চে

    Sandeshkhali News: বহাল গঙ্গাধর কয়ালের রক্ষাকবচ, মামলা গেল প্রধান বিচারপতির বেঞ্চে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: একদিকে পিয়ালী দাসের ওরফে মাম্পির জামিন। অন্যদিকে গঙ্গাধর কয়ালের রক্ষাকবচ বহাল। একই দিনে জোড়া ধাক্কা খেল রাজ্য। মামলার সুবিধার্থে গঙ্গাধর কয়ালের মামলা প্রধান বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চে পাঠালেন বিচারপতি জয় সেনগুপ্ত।

    বহাল রইল গঙ্গাধরের রক্ষাকবচ

    প্রসঙ্গত তাঁর ছবি ব্যবহার করে সঙ্গে কাল্পনিক সংলাপ জুড়ে দিয়ে ভিডিও (Sandeshkhali News) বানানো হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন গঙ্গাধর কয়াল। কলকাতা হাইকোর্টে এই মামলার শুনানি ছিল শুক্রবার বিচারপতি জয় সেনগুপ্তর বেঞ্চে। রাজ্যের অ্যাডভোকেট জেনারেলের বক্তব্যের আশ্বাস মত গঙ্গাধর কয়ালের রক্ষাকবচ বহাল থাকবে বলে মৌখিকভাবে জানান বিচারপতি। একইসঙ্গে তিনি এই মামলাটি আর শুনবেন না বলে সিদ্ধান্ত নেন। বিচারপতি সেনগুপ্ত বলেন, “যেহেতু হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চে সন্দেশখালির ঘটনা সংক্রান্ত মামলাগুলি শুনানি হচ্ছে তাই গঙ্গাধর কয়ালের মামলা ওই বেঞ্চেই যাওয়া উচিত। সন্দেশখালির ঘটনায় সিবিআইকে তদন্তের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ওই বেঞ্চেই গঙ্গাধর কয়ালের মামলা শুনানি হওয়া উচিত। তাই মামলাটি হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতির কাছে পাঠানো হল। পরবর্তী শুনানি কবে হবে, তিনিই এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবেন।”

    কীভাবে মামলায় জড়ালেন গঙ্গাধর

    প্রসঙ্গত সন্দেশখালির ভাইরাল ভিডিও কাণ্ডে ১০মে হাইকোর্টের দ্বারস্থ হন বিজেপি নেতা গঙ্গাধর কয়াল। অভিযোগ ছিল তাঁর ছবি ব্যবহার করে ভুয়ো ভিডিও সমাজ মাধ্যমে ছড়ানো হয়েছে। একই সঙ্গে তাঁর বিরুদ্ধে দায়ের হওয়া এফআইআর খারিজ সহ কেন্দ্রীয় নিরাপত্তার দাবি তোলেন ওই বিজেপি নেতা।  

    আরও পড়ুন: সপাটে চড় খেল রাজ্য! পিয়ালির গেফতারিতে ষড়যন্ত্র খুঁজে পেল হাইকোর্ট

    এদিন বিচারপতি জয় সেনগুপ্ত সন্দেশখালির (Sandeshkhali News) বিজেপি নেত্রী পিয়ালি দাস (PIyali Das) ওরফে মাম্পিকেও জামিন দেন। অবিলম্বে তাঁকে মুক্তি দেওয়ার নির্দেশ দেন বিচারপতি। যেভাবে তাঁকে গ্রেফতার করা হয়েছে তা নিয়েও হাইকোর্টের কড়া প্রশ্নের মুখে রাজ্য। মাম্পির গ্রেফতারির ক্ষেত্রে মাস্টারমাইন্ড কে? প্রশ্ন বিচারকের।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Nirmala Sitharaman: “বড় শিল্প তো আসেই না”- ব্যর্থতার অভিযোগে সরকারকে বিঁধলেন নির্মলা

    Nirmala Sitharaman: “বড় শিল্প তো আসেই না”- ব্যর্থতার অভিযোগে সরকারকে বিঁধলেন নির্মলা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভোটের আবহে কলকাতায় দাঁড়িয়ে সরকারকে ব্যর্থতার অভিযোগে বিঁধলেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন (Nirmala Sitharaman)। বৃহস্পতিবার বিকেলে কলকাতায় দাঁড়িয়ে শিল্পায়নের প্রসঙ্গ তুলে পূর্বতন বাম এবং বর্তমান তৃণমূল সরকারকে একাধারে ব্যর্থতার অভিযোগে বিঁধলেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন। 

    সীতারামনের মন্তব্য  (Nirmala Sitharaman)

    এদিন এক সংগঠনের আয়োজিত নাগরিক সম্মেলনে যোগ দিতে কলকাতায় আসেন নির্মলা। সেখানেই সীতারামনের দাবি করেন, এক সময় বাংলা শিল্পের নিরিখে দেশের প্রথম সারির রাজ্যগুলির অন্যতম হিসেবে গণ্য হত। কিন্তু গত ৫০ বছরে পরিস্থিতি লাগাতার অবনতির দিকে অগ্রসর হয়েছে। যদিও বর্তমান সরকারকে একটু বেশি দুষলেন নির্মলা। তিনি বলেন, “শিল্পের হাল এখন বামফ্রন্ট জমানার থেকেও অনেক বেশি খারাপ হয়েছে। বড় শিল্প তো আসেই না। বরং যারা ছিল তাদের অনেকে রাজ্য ছেড়ে চলে যাচ্ছে।” এছাড়াও এদিন  তৃণমূল কংগ্রেসের বিরুদ্ধে দুর্নীতি, তোলাবাজি এবং গুন্ডাগিরির অভিযোগ তুলে তাঁর মন্তব্য, এই সব কারণেই বড় সংস্থা থাকছে না। শিল্প তৈরির অনুকূল পরিবেশই নেই। 

    সন্দেশখালি ইস্যুতেও আক্রমণ  

    এবারের লোকসভা ভোটে বিজেপির অন্যতম অস্ত্র সন্দেশখালি (Sandeshkhali Issues)। নারী নির্যাতনের অভিযোগ থেকে ভাইরাল ভিডিও ঘিরে বারবার শিরোনামে উঠে এসেছে এই এলাকার নাম। বৃহস্পতিবার সন্দেশখালি ইস্যুতেও আক্রমণ শানান নির্মলা। কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী (Nirmala Sitharaman) বলেন, “সন্দেশখালিতে ভিক্টিম শেমিং করছে তৃণমূল। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আগেও করেছেন। পার্ক স্ট্রিটের সময়।’’

    মূলধন তৈরির নিরিখেও পিছিয়ে রাজ্য 

    মূলধন তৈরির নিরিখেও রাজ্য পিছিয়ে পড়েছে বলে মন্তব্য করেন নির্মলা (Nirmala Sitharaman)। তাঁর দাবি, এখানে এক সময়ে মূলধন সৃষ্টির হার ছিল ৬.৭%। এখন তা ২.৬%। এ প্রসঙ্গে তাঁর অভিযোগ রাজ্যে পরিযায়ী শ্রমিকের সংখ্যা বৃদ্ধির এটি অন্যতম কারণ। 

    আরও পড়ুন: ১৫ দিনে ১০ জন প্রসূতির মৃত্যু উত্তরবঙ্গ মেডিক্যালে, চিকিৎসার গাফিলতি নিয়ে উঠছে প্রশ্ন

    কুণাল ঘোষের মন্তব্য

    নির্মলার মন্তব্যের প্রসঙ্গে তৃণমূলের নেতা কুণাল ঘোষ বলেন, ‘‘নির্মলা সীতারামন যে পরিবেশে থাকেন, সেখান থেকে পশ্চিমবঙ্গের পরিস্থিতি বোঝা সম্ভব নয়। এখানে গত ১০ বছরে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় একটি বিকল্প অর্থনৈতিক ভাবনা প্রতিষ্ঠা করেছেন। শুধু শিল্প লগ্নি হয়নি, তার বিকেন্দ্রীকরণ হয়েছে। ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পে বহু মানুষ যুক্ত হয়েছেন।’’  কুণালের দাবি, পশ্চিমবঙ্গের অর্থনীতিকে মূল্যায়ন করতে করোনার সময় লকডাউন চলাকালীন দেশের বিভিন্ন রাজ্যের আর্থিক অবস্থার সঙ্গে এ রাজ্যের তুলনা করলেই কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী (Nirmala Sitharaman) তা বুঝতে পারতেন। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Sandeshkhali: সন্দেশখালিতে থেকেই অভিযোগ শুনবে সিবিআই, চালু হল অস্থায়ী শিবির

    Sandeshkhali: সন্দেশখালিতে থেকেই অভিযোগ শুনবে সিবিআই, চালু হল অস্থায়ী শিবির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হাইকোর্টের নির্দেশের পরেই তদন্তের জন্য একাধিকবার সন্দেশখালিতে  (Sandeshkhali) গিয়েছেন সিবিআই আধিকারিকেরা। অভিযোগকারীদের মধ্যে কয়েকজনের বাড়ি গিয়ে কথা বলা এবং জমি সংক্রান্ত নথিপত্রও খতিয়ে দেখেছেন তাঁরা। কিছুদিন আগে সন্দেশখালিতে তল্লাশি অভিযানে গিয়ে শাহজাহান-ঘনিষ্ঠের আত্মীয় আবু তালেব মোল্লার বাড়ি থেকে বেশকিছু অস্ত্র উদ্ধার করে তদন্তকারী সংস্থা। এবার সন্দেশখালি নিয়ে যাবতীয় অভিযোগ শুনতে সেখানেই অস্থায়ী শিবির বা ক্যাম্প অফিস তৈরি করল সিবিআই।

    অস্থায়ী শিবির চালু করল সিবিআই (Sandeshkhali)

     কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা সূত্রে খবর, সন্দেশখালিতে (Sandeshkhali) থেকেই এ বার তদন্ত করবেন সিবিআই আধিকারিকেরা। ধামাখালিতে একটি ব্যাঙ্কের কাছে অস্থায়ী শিবির করেছে সিবিআই। ইতিমধ্যেই সিবিআইয়ের কাছে সন্দেশখালি নিয়ে যে অভিযোগগুলি জমা পড়েছে, সেগুলি খতিয়ে দেখার কাজ হবে ওই অস্থায়ী শিবিরে। এর পাশাপাশি সেখানে অভিযোগকারীদের সঙ্গে সরাসরি কথাও বলবেন তদন্তকারীরা। ইতিমধ্যেই অস্থায়ী শিবিরে অভিযোগকারীদের সঙ্গে কথা বলার জন্য  কলকাতার সিবিআই দফতর থেকে কয়েকজন আধিকারিক সন্দেশখালি পৌঁছে গিয়েছেন। এসপি পদমর্যাদার এক আধিকারিকও সন্দেশখালি যান। অস্থায়ী শিবিরে অনেক সহজেই এলাকার মানুষ তাঁদের অভাব অভিযোগ জানাতে পারবেন।

    আরও পড়ুন: জেরক্সের দোকানে জাল আধার-ভোটার কার্ড সক্রিয়, সিমবক্স উদ্ধারে জঙ্গি যোগ!

    অনলাইনে অভিযোগও জমা নেওয়া হবে

    সিবিআইয়ের ওই সূত্র মারফত জানা গিয়েছে, ইমেলের মাধ্যমে অভিযোগ জমা নেওয়াও বন্ধ করছে না তারা। তবে, গ্রামের মানুষ যাতে সহজে অভিযোগ জানাতে পারেন, তাই সেখানেই অস্থায়ী শিবির খোলার সিদ্ধান্ত নিয়েছে তদন্তকারী সংস্থাটি। গত ১০ এপ্রিল কলকাতা হাইকোর্ট নির্দেশ দেয়, সন্দেশখালির (Sandeshkhali) নারী নির্যাতন এবং জমি সংক্রান্ত মামলার তদন্ত করবে সিবিআই। অভিযোগ জানাতে অনলাইন পোর্টাল খুলতে বলা হয়। সেই সঙ্গে নির্দেশ দেওয়া হয়, সন্দেশখালির নিগৃহীতেরা কী ভাবে সিবিআইয়ের কাছে অভিযোগ জানাবেন, তা সন্দেশখালি জুড়ে প্রচার করতে হবে রাজ্য সরকারকে। সেই মতো প্রচার করা হয়েছিল। সিবিআই দফতরে ভুরি ভুরি অভিযোগ জমা পড়েছিল। ইতিমধ্যে একাধিকবার সিবিআই আধিকারিকরা সন্দেশখালিতে গিয়ে তদন্ত করেন। এলাকার মানুষের সঙ্গে কথা বলেছিলেন। অভিযোগের সত্যতা খতিয়ে দেখেন। এবার অস্থায়ী শিবির করেই এই কাজ করবে সিবিআই।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Sandeshkhali: সন্দেশখালিতে রাতের অন্ধকারে আন্দোলনকারী মহিলাকে বাড়ি থেকে অপহরণের চেষ্টা!

    Sandeshkhali: সন্দেশখালিতে রাতের অন্ধকারে আন্দোলনকারী মহিলাকে বাড়ি থেকে অপহরণের চেষ্টা!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সন্দেশখালিতে (Sandeshkhali) এক সময় পার্টি অফিসে তুলে নিয়ে গিয়ে মহিলাদের ওপর নির্যাতন চালানোর অভিযোগ ছিল শাহজাহান বাহিনীর বিরুদ্ধে। শাহজাহান বাহিনীর অত্যাচারের বিরুদ্ধে রাস্তায় নেমে সরব হয়েছেন সন্দেশখালির মহিলারা। এরপর একের পর এক ভিডিও নিয়ে তোলপাড় চলছে রাজ্যজুড়ে। এই আবহের মধ্যে সন্দেশখালির প্রতিবাদী মহিলাকে রাতের অন্ধকারে বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ উঠেছে দুষ্কৃতীদের বিরুদ্ধে। বিষয়টি জানাজানি হতেই মহিলারা সরব হয়েছেন। অবিলম্বে দুষ্কৃতীদের গ্রেফতারের দাবি জানিয়েছেন তাঁরা।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (Sandeshkhali)

    বুধবার দুপুরেই সন্দেশখালিতে (Sandeshkhali) গিয়েছিলেন বিজেপি নেত্রী তথা আইনজীবী প্রিয়াঙ্কা টিব্রেওয়াল। সন্দেশখালির মহিলারা গিয়ে দেখা করেছিলেন তাঁর সঙ্গে। সেই তালিকায় ছিলেন এই প্রতিবাদী মহিলাও। এরপর রাত হতে না হতেই, তাঁকে বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টার অভিযোগ ঘটনাকে কেন্দ্র করে বুধবার রাতে নতুন করে শোরগোল পড়ে গিয়েছে সন্দেশখালিতে। ওই মহিলা বলেন, “রাতে আমার বাড়ির বাইরে কিছু কুকুর ডাকছিল। সেই শব্দ শুনেই আমি বাড়ির বাইরে বের হই। সঙ্গে সঙ্গে কেউ এসে আমার মুখ চেপে ধরে। সঙ্গে আরও কয়েকজন ছিল। যদিও রাতের অন্ধকারে আমি কাউকেই চিনতে পারিনি। আমাকে ওরা টানতে টানতে নিয়ে যাচ্ছিল। আমি পুকুর পাড়ে পড়ে গিয়েছিলাম। ওখান থেকে আবার টানতে টানতে মাঠের উল্টোদিকে নিয়ে গিয়েছিল। আমার মুখ বেঁধে দিয়েছিল। আমার চিৎকার শুনে আশপাশের লোকজনও চলে আসে। আর ওখানে কুকুর ডাকাডাকি করছিল, তখন আমাকে ওখানেই ফেলে দিয়ে চলে গিয়েছে।”

    শুরু হয়েছে রাজনৈতিক তরজা

    ঘটনার পরই নির্যাতিতার পাশে এসে দাঁড়ান বিজেপি প্রার্থী রেখা পাত্র। তিনি বলেন, শাহজাহান এই সব কাণ্ড করত। ও গ্রেফতার হওয়ার পর তাঁর নির্দেশে এখন এই সব অত্যাচার চলছে। তৃণমূলের মদতেই এসব হচ্ছে। আমরা এর শেষ দেখে ছাড়ব। অন্যদিকে, তৃণমূলের বসিরহাট শহরের সভাপতি অভিজিৎ ঘোষ বলেন, সন্দেশখালিতে (Sandeshkhali) যে নাটক চলছে তা সবাই জানে। এই ধরনের ঘটনার সঙ্গে তৃণমূলের কোনও যোগ নেই। ওরা ভোটের আগে মিথ্যা অভিযোগ করছে। আমরা চাই, পুলিশ ঘটনার তদন্ত করে দোষীদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করুক।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Sandeshkhali: সন্দেশখালিতে গ্রামবাসীরা রয়েছেন আতঙ্কে! নিজে গিয়ে অভিযোগ শুনলেন রেখা পাত্র

    Sandeshkhali: সন্দেশখালিতে গ্রামবাসীরা রয়েছেন আতঙ্কে! নিজে গিয়ে অভিযোগ শুনলেন রেখা পাত্র

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সন্দেশখালির (Sandeshkhali) বাগদি পাড়ায় গ্রামবাসীদের সঙ্গে কথা বলেন বসিরহাট লোকসভা কেন্দ্রের বিজেপি প্রার্থী রেখা পাত্র। তিনি বৃহস্পতি বার এলাকায় তৃণমূলের সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে অভিযোগ শুনেছেন। এলাকার মানুষ সমাজিক নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন বলে তৃণমূলের দিকে নিশানা করেছে গ্রামবাসীরা। একই ভাবে মানুষের পাশে থাকার বার্তা দিয়েছেন রেখা। ফলে এলাকায় ব্যাপক শোরগোল পড়েছে।

    এলাকার মানুষের অভিযোগ (Sandeshkhali)

    সন্দেশখালির (Sandeshkhali) বাগদি পাড়ার মহিলারা তৃণমূলের বিরুদ্ধে আঙুল তুলে বলেন, “আমরা ভীষণ আতঙ্কের মধ্যে রয়েছি। যখন তখন বাড়িতে ঢুকে হুমকি দিয়ে যাচ্ছে তৃণমূলের নেতার। সন্ধ্যা হলেই বাড়িতে অত্যাচার করতে আসছে, মারধর করছে। এমন কী যুবতী মেয়েকে মাটিতে ফেলে জামা টেনে ছিঁড়ে দিয়েছে। আমরা খুব আতঙ্কের মধ্যে দিন কাটাচ্ছি। অনেক লোক ঘর থেকে বেরোতে ভয় পাচ্ছেন। ভোট হবে কীভাবে এলাকায়! পুলিশ তৃণমূলের কথা শুনছে। আমরা কীভাবে নির্বিঘ্নে ভোট দেবো?”

    কমিশন বদ্ধপরিকর

    ইতিমধ্যে সন্দেশখালির (Sandeshkhali) ঘটনা নিয়ে রাজ্য নির্বাচন কমিশন, উত্তর ২৪ পরগনার নির্বাচন কমিশনের আধিকারিককে দিয়ে বাড়তি নজর দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে। এরপর আজ সকাল থেকেই কেন্দ্রীয় বাহিনীর টহল চলছে এলাকায়। বাগদি পাড়ায় বিজেপি প্রার্থীর রেখা পাত্র গেলে তাঁকে অভিযোগ জানান এলাকার মানুষ।“

    কিন্তু কমিশন বদ্ধপরিকর, জেলা প্রশাসন ও কেন্দ্রীয় বাহিনীকে কড়া নির্দেশ দিয়েছে সন্দেশখালিতে যাতে ভোট নির্ভীক এবং শান্তিপূর্ণ হয়। অপরে সবরকম ব্যবস্থার বন্দোবস্ত করার কথা কমিশন বললেও প্রশাসনের নিস্ক্রিয়তায় নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে বাগদি পাড়ার রামপুর কাঠপল এলাকার মানুষ। ইতিমধ্যে সিবিআই সন্দেশখালিকান্ডের বিষয় নিয়ে অভিযোগ দায়ের করার জন্য একটি পোর্টাল খুলেছে। কিন্তু তারপরেও কী কোনও প্রশাসনিক দুর্বলতা রয়েছে? নাকি নির্বাচন কমিশনের নির্দেশ রাজ্য প্রশাসন সঠিকভাবে পালন করছে না। ভোটের মুখে এমন নানান প্রশ্ন উঠছে এলাকায়। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share