Tag: scam

scam

  • Suvendu Adhikari: মিড ডে মিল দুর্নীতিতেও এবার সিবিআই তদন্ত! কী বললেন শুভেন্দু?

    Suvendu Adhikari: মিড ডে মিল দুর্নীতিতেও এবার সিবিআই তদন্ত! কী বললেন শুভেন্দু?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যে মিড ডে মিল দুর্নীতির (Mid Day Meal Scam) তদন্তে সিবিআইয়ের সুপারিশ করেছে কেন্দ্র। এমনই দাবি করলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। এ প্রসঙ্গে কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান সিবিআই তদন্তের কথা জানান বলে সোশ্যাল সাইটে লিখেছেন শুভেন্দু। ইতিমধ্যেই  রাজ্যে মিড ডে মিলে ব্যাপক দুর্নীতির অভিযোগ তুলে তদন্তের দাবিতে কেন্দ্রকে চিঠি দেন শুভেন্দু।

    কী বলেছেন শুভেন্দু

    ২০০৮ সালে চালু হয়েছিল ‘পিএম পোষণ’ বা ‘পিএম পোষণ শক্তি নির্মাণ’ প্রকল্প। এই প্রকল্পের আওতায় সরকারি এবং সরকারি পৃষ্ঠপোষকতায় চলা স্কুলগুলির প্রথম থেকে অষ্টম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের একবেলা করে রান্না করা খাবার (Mid Day Meal Scam) দেওয়া হয়। শুক্রবার শুভেন্দু অধিকারী বলেন, ‘কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী সিবিআই হেড কোয়ার্টারে অনুরোধ করেছেন পিএম পোষণ ফান্ডের অপব্যবহার হয়েছে।’ গত ৫ জানুয়ারি শুভেন্দু (Suvendu Adhikari) এ সংক্রান্ত একটি চিঠি দিয়েছিলেন ধর্মেন্দ্র প্রধানকে।  সেই অভিযোগের প্রেক্ষিতে গত জানুয়ারিতেই রাজ্যে আসে কেন্দ্রের প্রতিনিধিদল। মোট ২৬টি বিষয়ের ওপর মিড ডে মিলের মান যাচাই করেন তাঁরা। এর পর দিল্লি ফিরে রিপোর্ট দেন কেন্দ্রীয় প্রতিনিধিরা।

    শুভেন্দুর (Suvendu Adhikari) দাবি, সেই রিপোর্টে রাজ্যে মিড ডে মিলে দুর্নীতির অভিযোগের প্রাথমিক সত্যতা পেয়েছে কেন্দ্রীয় শিক্ষা মন্ত্রক। তার পরই পশ্চিমবঙ্গে মিড ডে মিল দুর্নীতিতে (Mid Day Meal Scam) সিবিআই তদন্তের নির্দেশ দিয়েছে তারা। এদিন শুভেন্দু বলেন, ‘তৃণমূলের শুধু গরিব মানুষের মুখের গ্রাস চুরি করেনি। তারা শিশুদের খাবারও চুরি করেছে। কেন্দ্রের এই নির্দেশে আমাদের একটা সাফল্য। স্বচ্ছভাবে তদন্ত করে দ্রুত সত্য প্রকাশ্যে আনা হবে বলে আশা করছি। অপরাধীদের শাস্তি চাই।’ এ প্রসঙ্গে সিবিআই তদন্ত হলে গ্রেফতার হতে পারেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও। শুক্রবার কৃষ্ণনগরের জনসভায় এই দাবি করেন শুভেন্দু।

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Ration Scam: রাত প্রায় জেগেই কাটালেন জ্যোতিপ্রিয়, সকাল থেকে সামলাচ্ছেন ইডির প্রশ্নবাণ

    Ration Scam: রাত প্রায় জেগেই কাটালেন জ্যোতিপ্রিয়, সকাল থেকে সামলাচ্ছেন ইডির প্রশ্নবাণ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সোম-রাতে হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেতেই রাজ্যের প্রাক্তন খাদ্যমন্ত্রী তথা বর্তমান বনমন্ত্রী তৃণমূলের জ্যোতিপ্রিয় মল্লিককে (Ration Scam) সিজিও কমপ্লেক্সে নিয়ে গিয়েছিল ইডি। আর মঙ্গলবার সকাল থেকেই ইডির তদন্তকারীদের প্রশ্নবাণ সামলাচ্ছেন উত্তর ২৪ পরগনার এই তৃণমূল নেতা।

    ১০ দিনের ইডি হেফাজত

    রেশন বণ্টন কেলেঙ্কারিতে গ্রেফতার হওয়ার পর আদালতে তোলা হয়েছিল জ্যোতিপ্রিয়কে। সেখানে ১০ দিনের ইডি হেফাজতের রায় শুনেই জ্ঞান হারান তিনি। সঙ্গে সঙ্গেই নিয়ে যাওয়া হয় বাইপাসের ধারের একটি বেসরকারি হাসপাতালে। সোমবার রাতে ছাড়া পান তিনি। তার পর তাঁকে হেফাজতে নেয় ইডি। রেশন বণ্টন কেলেঙ্কারির (Ration Scam) মূলে পৌঁছতে জ্যোতিপ্রিয় ও ব্যবসায়ী বাকিবুর রহমানকে মুখোমুখি বসিয়ে জেরা করার কথা ভেবেছিলেন ইডির তদন্তকারীরা।

    ভেস্তে গেল ইডির পরিকল্পনা

    মন্ত্রিমশাই অসুস্থ হয়ে পড়ায় ইডির সেই পরিকল্পনা ভেস্তে যায়। কারণ ইডি হেফাজত শেষ হয়ে গিয়েছে বাকিবুরের। তদন্তকারীদের ধারণা ছিল, জ্যোতিপ্রিয় ও বাকিবুরকে মুখোমুখি বসিয়ে জেরা করলেই ঝুলি থেকে বেরিয়ে আসবে বিড়াল। তবে আপাতত তা না হওয়ায়, কীভাবে সত্যের গভীরে পৌঁছানো যায়, তা নিয়ে ভাবনা-চিন্তা করছেন তদন্তকারীরা। এদিকে, ইডি হেফাজতে মন্ত্রীকে প্রথম রাত কাটাতে হয়েছে মেঝেতে শুয়েই। মেঝেতেই তাঁকে গদি পেতে দেওয়া হয়েছিল। সেখানেই রাত কাটান উত্তর ২৪ পরগনার এই তৃণমূল নেতা।

    আরও পড়ুুন: জ্যোতিপ্রিয়র গ্রেফতারির পরেই মমতার বাড়িতে গোপন বৈঠক! হাটে হাঁড়ি ভাঙলেন শুভেন্দু

    তবে মেঝেতে গদি পেতে দেওয়া হলেও, ঠিকঠাক ঘুম হয়নি জ্যোতিপ্রিয়র। সূত্রের খবর, রাতের বেশিরভাগ সময়টাই ঘরের মধ্যে পায়চারি করেছেন তিনি। ভোরের দিকে ক্লান্তি এলে খানিক ঘুমোন। মঙ্গলবার সাত তাড়াতাড়ি ঘুম থেকে উঠে পড়েন জ্যোতিপ্রিয়। সকাল ৮টা নাগাদ খালি পেটে তিন ধরনের ওষুধ খান। কিছুক্ষণ পরে খান চিনি ছাড়া লিকার চা, সঙ্গে সুগার ফ্রি বিস্কুট এবং পাউরুটি। বেলা ১০টা নাগাদ শুরু হয় জিজ্ঞাসাবাদ-পর্ব।

    জ্যোতিপ্রিয়কে গ্রেফতার করার আগে ইডি গ্রেফতার করেছিল বাকিবুরকে। বাকিবুরকে জেরা করতেই উঠে আসে মন্ত্রিমশাইয়ের নাম। তার আগে তল্লাশি (Ration Scam) চালানো হয় ১১টি চালকলে। তখনই জানা গিয়েছে, একাধিক শেল কোম্পানির মাধ্যমে রেশনের টাকা নয়-ছয় করা হয়েছে। ইডির দাবি, এই সব ভুয়ো কোম্পানি জ্যোতিপ্রিয় চালাতেন স্ত্রী, পরিবারের অন্যান্য সদস্য এবং বাকিবুরের পরিবারের সদস্যদের মাধ্যমে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Ration Distribution Scam: বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি জ্যোতিপ্রিয়, কড়া নিরাপত্তায় রয়েছেন মন্ত্রিমশাই

    Ration Distribution Scam: বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি জ্যোতিপ্রিয়, কড়া নিরাপত্তায় রয়েছেন মন্ত্রিমশাই

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আদালত নির্দেশ দিয়েছিল অসুস্থ জ্যোতিপ্রিয় মল্লিককে কমান্ড হাসপাতালে ভর্তি (Ration Distribution Scam) করতে। যদিও তাঁর আইনজীবীরা তাঁকে বাইপাসের ধারের একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করার আর্জি জানান। সেই আবেদন মঞ্জুর হতেই ওই বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে রেশন বণ্টন কেলেঙ্কারিতে ধৃত রাজ্যের প্রাক্তন খাদ্যমন্ত্রী তথা বর্তমান বনমন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিককে।

    কড়া প্রহরা

    ওই হাসপাতালের মেইন বিল্ডিংয়ের দোতলায় সিসিইউতে ভর্তি রয়েছেন মন্ত্রী। ১০ জন সিআরপিএফ জওয়ান ও দুই ইডি আধিকারিক কড়া নজর রেখে চলেছেন জ্যোতিপ্রিয়র ওপর। উত্তর ২৪ পরগনার এই তৃণমূল নেতার সঙ্গে দেখা করার অনুমতি নেই কারও। শুক্রবার রাতে হাসপাতালের তরফে জারি করা মেডিকেল বুলেটিনে বলা হয়েছে, মন্ত্রীকে নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। বাংলার মন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিককে শুক্রবার ৭টা ৫মিনিট নাগাদ মাল্টিস্পেশালিটি এই হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নিয়ে আসা হয়েছিল। সেই সময় তাঁর মাথা ঘোরা, বমি বমি ভাব, শারীরিক দুর্বলতা ছিল।

    কেমন আছেন জ্যোতিপ্রিয়?

    রোগীর অবস্থা জরুরি ভিত্তিতে মেডিসিন, নিউরোলজি, কার্ডিওলজি এবং নেফ্রোলজি নিয়ে গঠিত বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক দল মূল্যায়ন করেছেন। ওই দিনই মন্ত্রীর সিটি স্ক্যান, এনআরআই এবং প্রয়োজনীয় রক্ত পরীক্ষা হয়েছে। বর্তমানে মন্ত্রীর অবস্থা স্থিতিশীল। হাসপাতাল সূত্রে খবর, মন্ত্রীকে এখন সেমি-সলিড ডায়াবেটিক ডায়েট দেওয়া হচ্ছে। জ্যোতিপ্রিয়র (Ration Distribution Scam) সুগারের সমস্যা রয়েছে। আদালত জানিয়েছে, তাঁর খাদ্যাভাস খুবই সুনির্দিষ্ট। তাই তাঁর মেয়ে রান্না করে বাড়ি থেকে খাবার আনতে পারবেন বাবার জন্য। তবে যেহেতু জ্যোতিপ্রিয়র নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ রয়েছে, তাই তদন্তকারী অফিসারকে অবশ্যই সেই খাবার পরীক্ষা করতে দেখতে হবে।

    আরও পড়ুুন: ‘‘রেশন ডাকাত সংকটজনক নয়’’! বিস্ফোরক ট্যুইট শুভেন্দুর

    শুক্রবার কাকভোরে রেশন বণ্টন কেলেঙ্কারিতে গ্রেফতার করা হয় জ্যোতিপ্রিয়কে। এদিনই তোলা হয় ব্যাঙ্কশাল কোর্টে। তাঁকে ১০ দিনের ইডি হেফাজতের নির্দেশ দেয় আদালত। এর পরেই এজলাসে জ্ঞান হারান মন্ত্রী। তাঁকে ধরে বসিয়ে দেওয়া হয় চেয়ারে। সেখানে সামান্য বমিও করেন। এরপর তাঁকে নিয়ে যাওয়া হয় শীতাতপ কক্ষে। আদালত মন্ত্রীকে কমান্ড হাসপাতালে ভর্তি করতে বলেন। পরে ভর্তি করা হয় বেসরকারি হাসপাতালে। আদালত সাফ জানিয়ে দেয়, নিজের পছন্দের হাসপাতালে থাকলে খরচ বহন করতে হবে অভিযুক্তকেই। ইডির বক্তব্য, পছন্দের হাসপাতালে থাকলে সেই মেয়াদ হেফাজতের মেয়াদের মধ্যে গণ্য হবে না (Ration Distribution Scam)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ। 

     

     
     

     

  • Ration Distribution Scam: বাকিবুর প্রযোজিত সিনেমায় অভিনয় করেছিলেন পার্থর বান্ধবী অর্পিতা! বিস্ফোরক তথ্য ইডি-র

    Ration Distribution Scam: বাকিবুর প্রযোজিত সিনেমায় অভিনয় করেছিলেন পার্থর বান্ধবী অর্পিতা! বিস্ফোরক তথ্য ইডি-র

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রেশন বণ্টন কেলেঙ্কারি (Ration Distribution Scam) মামলায় ক্রমেই ঝুলি থেকে বের হচ্ছে বিড়াল! ওই দুর্নীতির টাকা বিনিয়োগ করা হয়েছে টলিউডে। অন্তত ইডির সন্দেহ এমনই। জানা গিয়েছে, রেশন বণ্টন কেলেঙ্কারিতে ধৃত ব্যবসায়ী বাকিবুর রহমানের টাকায় তৈরি হয়েছিল একটি বাংলা সিনেমা। এই ছবিতে অভিনয় করেছিলেন পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের বান্ধবী নিয়োগ কেলেঙ্কারিতে ধৃত অর্পিতা মুখোপাধ্যায়।

    পার্থর সুপারিশেই ছবিতে অর্পিতা!

    ইডির অনুমান, ওই সিনেমায় বিনিয়োগ করা হয়েছে কোটি টাকারও বেশি। টলিউডের এক নামী অভিনেতাও অভিনয় করেছেন বাকিবুরের টাকায় তৈরি ওই ছায়াছবিতে। পার্থর সুপারিশেই অর্পিতাকে ওই ছবিতে নেওয়া হয়েছিল কিনা, সে প্রশ্নও উঠছে। ইডির এক আধিকারিক বলেন, “অতীতে দেখা গিয়েছে কয়লা ও গরু পাচারের টাকা টলিউডে খাটানোর অভিযোগ উঠেছিল। এখন দেখা যাচ্ছে, সেটা একটা সাধারণ প্রবণতা হিসেবে কাজ করেছে। কালো টাকাকে চটজলদি সাদা করার উপায় হিসেবে এই পথ বেছে নেওয়া হয়েছিল কিনা, তা খতিয়ে দেখতে হবে।”

    মিলল আরও দুটি ফার্মের হদিশ

    এদিকে, শুধু মাত্র তিনটি শেল কোম্পানি নয়, তদন্তে আরও দুটি ফার্মের হদিশ (Ration Distribution Scam) মিলেছে। রেশন বণ্টন কেলেঙ্কারিতে ধৃত রাজ্যের প্রাক্তন খাদ্যমন্ত্রী তথা বর্তমান বনমন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিকের নির্দেশেই তাঁর ব্যক্তিগত হিসাব রক্ষক শান্তনু ভট্টাচার্য বাঁকুড়ার এক প্রান্তিক এলাকায় ফার্ম দুটি তৈরি করেছিলেন। ইডি জেনেছে, এই দুটি ফার্মের অ্যাকাউন্টে প্রায় ২০ কোটি টাকার লেনদেন হয়েছিল।

    আরও পড়ুুন: ‘‘রেশন ডাকাত সংকটজনক নয়’’! বিস্ফোরক ট্যুইট শুভেন্দুর

    এদিকে, শনিবার ব্যাঙ্কশাল কোর্টে তোলা হয় বাকিবুরকে। ১১ নভেম্বর পর্যন্ত বিচারবিভাগীয় হেফাজতে তাঁকে রাখার নির্দেশ দেন বিচারক। এদিন আদালতে ইডির আইনজীবী দাবি করেন, পেশায় ব্যবসায়ী বাকিবুরের মাথায় ওপরের কারও আশীর্বাদী হাত ছিল। এই কেলেঙ্কারিতে তাঁর যুক্ত থাকার প্রমাণ শুক্রবারের রিমান্ড কপিতে উল্লেখ করা হয়েছে বলেও জানান ইডির আইনজীবী।

    প্রসঙ্গত, রেশন বণ্টন কেলেঙ্কারিতে (Ration Distribution Scam) প্রথমে গ্রেফতার করা হয় বাকিবুরকে। তাঁকে জেরা করেই জানা যান তৃণমূল নেতা জ্যোতিপ্রিয় মল্লিকের নাম। পরে গ্রেফতার করা হয় তাঁকেও। ইডির দাবি, বাকিবুরের সঙ্গে জ্যোতিপ্রিয়র ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক রয়েছে। তিনটি কোম্পানিতে নানা পদে ছিলেন দুই পরিবারের সদস্যরাই।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ। 

  • Govinda: ১০০০ কোটির আর্থিক দুর্নীতিতে নাম জড়াল গোবিন্দার! পুলিশি জেরার মুখে সুপারস্টার 

    Govinda: ১০০০ কোটির আর্থিক দুর্নীতিতে নাম জড়াল গোবিন্দার! পুলিশি জেরার মুখে সুপারস্টার 

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রায় ১০০০ কোটি টাকার অনলাইন ‘পঞ্জি’ কেলেঙ্কারিতে নাম জড়াল বলিউডের ‘হিরো নম্বর ওয়ান’ গোবিন্দার। পুলিশি জেরার মুখে পড়তে চলেছেন তিনি। গোবিন্দাকে জিজ্ঞাসাবাদ করতে আসবে ওড়িশার অর্থনৈতিক অপরাধদমন শাখা। সোলার টেকনো অ্যালায়েন্স নামের কোম্পানি ক্রিপ্টো কারেন্সির আড়ালে ভারতে এই ধরনের দুনীর্তি জাল বিস্তার করেছে।  এই সংস্থার হয়ে প্রচারমূলক ভিডিয়োতে দেখা গিয়েছিল গোবিন্দাকে। আর সেই কারণে গোবিন্দাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে।

    গোবিন্দার বিরুদ্ধে কী অভিযোগ

    ওড়িশার অর্থনৈতিক অপরাধদমন শাখার আধিকারিক জে এন পঙ্কজ জানান, খুব শীঘ্রই অভিনেতাকে জিজ্ঞাসাবাদ করার জন্য একটি টিম মুম্বইতে যাবে। গত জুলাই মাসে ওই সংস্থার একটি অনুষ্ঠানে গোয়াতে গিয়েছিলেন অভিনেতা। যদিও পরে ওই আধিকারিক বলেন, ‘‘তদন্তের স্বার্থে তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে। গোবিন্দা এই ঘটনায় অভিযুক্ত নন, কিংবা সন্দেহভাজনও নন। পরে যদি দেখা যায় যে, সোলার টেকনো অ্যালায়েন্সের সঙ্গে গোবিন্দ বিজ্ঞাপনের চুক্তিতেই সীমাবদ্ধ ছিলেন, তা হলে তাঁকে সাক্ষী হিসাবে পেশ করা হবে।’’

    আরও পড়ুন: পুরোটাই গিমিক! লা লিগার অ্যাকাডেমি করে কি আদৌ লাভ হবে বাংলার ফুটবলের?

    কী বললেন গোবিন্দা

    এই তলব নিয়ে এখনও পর্যন্ত বলিউড সুপারস্টারের তরফে কোনও প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। তবে মুখ খুলেছে তাঁর টিম। গোবিন্দার ম্যানেজার সাসি সিনহা বলেন, “এই ঘটনার সঙ্গে অভিনেতার কোনও যোগাযোগ নেই। তিনি আরও বলেন, “একটি সংস্থার ইভেন্টে গোবিন্দা গিয়েছিলেন এবং তিনি ফেরতও আসেন। এর সঙ্গে সংস্থার ব্যবসা বা ব্র্যান্ডিংয়ের কোনও সম্পর্ক নেই। অর্ধসত্য চারিদিকে ঘুরে বেড়াচ্ছে।” ওডিশা পুলিশ সূত্রে খবর, ক্রিপ্টো কারেন্সিতে বিনিয়োগের নামে এই সংস্থাটি ভদ্রক, ময়ূরভঞ্জ, ভুবনেশ্বরে কমপক্ষে দশ হাজার মানুষের থেকে প্রায় ৩০ কোটি টাকা তুলেছিল। উত্তরপ্রদেশ, হরিয়ানা, দিল্লি, ঝাড়খণ্ড, পঞ্জাব, রাজস্থানেও এই সংস্থার জাল ছড়িয়েছিল বলে তদন্তকারীদের অনুমান। এবার ঘটনার সঙ্গে গোবিন্দার নাম যোগ হওয়ায় হইচই বিনোদন জগতে। যদিও এই জিজ্ঞাসাবাদ প্রসঙ্গে এখনও পর্যন্ত গোবিন্দা বা তাঁর পরিবারের তরফে কোনও প্রতিক্রিয়া দেওয়া হয়নি।

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ

  • Kriti Verma: ২৬৩ কোটির আর্থিক কেলেঙ্কারি! ইডির নজরে ‘বিগবস’ খ্যাত অভিনেত্রী

    Kriti Verma: ২৬৩ কোটির আর্থিক কেলেঙ্কারি! ইডির নজরে ‘বিগবস’ খ্যাত অভিনেত্রী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: একসময় তিনি চাকরি করতে আয়কর দফতরে। ছিলেন আয়কর আধিকারিক। পুরানো পেশা ছেড়ে এসেছিলেন অভিনেত্রী হতে। বিগ বস থেকে রোডিসের মতো হাই ভোলটেজ রিয়্যালিটি শোয়ের প্রতিযোগী কৃতি ভর্মার নাম রয়েছে ইডির চার্জশিটে। ২৬৪ কোটি টাকা আর্থিক তছরুপের মামলায় আগেই নাম জড়িয়েছিল কৃতির। এবার টিডিএস কেলেঙ্কারিতে তাঁর বিরুদ্ধে চার্জশিট জমা দিল এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট।

    ইডির চার্জশিটে কার কার নাম

    টেলিভিশনের পরিচিত মুখ কৃতি। বেশ কয়েকমাস ধরেই ছিলেন ইডির নজরে৷ এবার টিডিএস কেলেঙ্কারিতে চার্জশিট জমা দিয়েছে ইডি৷ সেই চার্জশিটেই নাম উঠে এসেছে কৃতির। ইডির জমা দেওয়া চার্জশিটে মোট ১৪ জনের নাম রয়েছে৷ সেই অভিযুক্তদের মধ্যেই নাম রয়েছে অভিনেত্রী কৃতি ভর্মা ও তার প্রাক্তন প্রেমিক ভূষণ পাটিল, প্রাক্তন আয়কর পরিদর্শক তানাজি মন্ডল অধিকারী এবং রাজেশ শেট্টি সহ আরও অনেকেরই নাম রয়েছে৷ একের পর এক আর্থিক কেলেঙ্কারিতে নাম জড়াচ্ছে বিনোদন জগতের তরকাদের। বাঙালি অভিনেত্রী নুসরত জাহান থেকে শুরু করে দক্ষিণী ছবির প্রযোজক রবিন্দর চন্দ্রশেখরনের বিরুদ্ধে উঠেছে আর্থিক কেলেঙ্কারির অভিযোগ। সেই তালিকায় নয়া সংযোজন কৃতি।

    আরও পড়ুন: নারদকাণ্ডে ফের নাড়াচাড়া! ম্যাথু স্যামুয়েলকে কলকাতায় তলব সিবিআইয়ের

    কৃতির নামে কী অভিযোগ

    প্রসঙ্গত, দিল্লি নিবাসী কৃতি ছিলেন আয়কর আধিকারিক। তিনি কেন্দ্রীয় সরকারের প্রাক্তন জিএসটি-র ইন্সপেক্টরের পদে ছিলেন৷ ২০১৮-তে সেই পেশা ছেড়ে গ্ল্যামার দুনিয়ার পা রেখেছিলেন। রিয়্যালিটি শোয়ের সৌজন্যে এখন ছোট পর্দার বেশ পরিচিতও মুখ হয়ে উঠেছেন অভিনেত্রী কৃতি ভর্মা। অভিযোগ,২৬৩ কোটি টাকা তছরুপের মূল চক্রী নাকি আয়কর পরিদর্শক তানাজি। কৃতির বিরুদ্ধে অভিযোগ তিনি নিজের ঊর্ধ্বতনের লগইনের অধিকার অপব্যবহার করে তছরুপের টাকা পাঠান ভূষণ পাটিলের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে। যিনি কৃতির প্রেমিক। তছরুপের এই টাকা ব্যবহার করে গুরুগ্রামে ১.০২ কোটি টাকা মূল্যের সম্পত্তি কিনেছিলেন তিনি। পরে সেই সম্পত্তি তিনি ১.১৮ কোটি টাকায় বিক্রি করেন। সেই টাকা যায় কৃতির ব্যঙ্ক অ্যাকাউন্টে। অভিযোগ, এই বিপুল পরিমাণ টাকা এ দিক-ও দিক করে মহারাষ্ট্রের বিভিন্ন জায়গায় ফ্ল্যাট কিনে রেখেছেন কৃতি। গোটা বিষয়টি তদন্তাধীন।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • ED: ফ্ল্যাট কেলেঙ্কারি মামলায় এবার ইডির তলব নুসরতকে, আরও বিপাকে তৃণমূল

    ED: ফ্ল্যাট কেলেঙ্কারি মামলায় এবার ইডির তলব নুসরতকে, আরও বিপাকে তৃণমূল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এবার বসিরহাটের সাংসদ তৃণমূলের (TMC) নুসরত জাহানকে তলব করল ইডি (ED)। ফ্ল্যাট দেওয়ার নামে লক্ষ লক্ষ টাকা প্রতারণার মামলায় তৃণমূলের এই নেত্রীকে সিজিও কমপ্লেক্সে হাজিরা দিতে বলেছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। আগামী মঙ্গলবার হাজির হতে বলা হয়েছে তাঁকে। নুসরতের সঙ্গে সঙ্গে তলব করা হয়েছে সেভেন সেন্সেস ইনফ্রাস্ট্রাকচারের আর এক ডিরেক্টর রাকেশ সিংহকেও। তাঁকেও হাজিরা দিতে হবে মঙ্গলবার।

    প্রতারণার অভিযোগ

    প্রবীণ নাগরিকদের ফ্ল্যাট বিক্রি করার প্রতিশ্রুতি দিয়ে ২০ কোটি টাকা প্রতারণার অভিযোগ উঠেছিল সেভেন সেন্সেস ইনফ্রাস্ট্রাকচারের বিরুদ্ধে। ২০১৪-’১৫ সালে ৪০০-রও বেশি প্রবীণ নাগরিক ওই সংস্থায় সাড়ে ৫ লক্ষ করে টাকা দিয়েছিলেন বলে অভিযোগ। প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছিল তাঁদের প্রত্যেককে এক হাজার বর্গফুটের ফ্ল্যাট দেওয়া হবে। অভিযোগ, তাঁরা ফ্ল্যাট পাননি, ফেরত পাননি টাকাও। ইডি সূত্রে খবর, সংস্থার বিরুদ্ধে যখন প্রতারণার অভিযোগ ওঠে, তখন অন্যতম ডিরেক্টর পদে ছিলেন তৃণমূল নেত্রী নুসরত। সেই কারণেই নুসরতকে জিজ্ঞাসাবাদ করতে চায় ইডি। ইডির তরফে এ নিয়ে পৃথক একটি ইসিআইআর (ECIR) দায়ের করা হতে পারে।

    আত্মবিশ্বাসী ছিলেন নুসরত

    নুসরতের বিরুদ্ধে আদালতে দায়ের হয়েছিল মামলা। বিজেপির অভিযোগ, শমন পেয়েও হাজিরা দেননি তৃণমূলের তারকা নেত্রী। প্রতারণার টাকায় নুসরত পাম অ্যাভেনিউয়ে ফ্ল্যাট কেনেন বলেও অভিযোগ। ফ্ল্যাট বিক্রি নিয়ে প্রতারণার এই মামলায় ইডি (ED) তাঁকে ডাকবে না বলেই আত্মবিশ্বাসী ছিলেন নুসরত। এক পার্টিতে অভিনেতা যশ দাশগুপ্তের পাশে দাঁড়িয়ে সে কথা জোর দিয়ে জানিয়েওছিলেন তৃণমূল নেত্রী। নিয়োগ কেলেঙ্কারির একটি মামলার সূত্রে এর আগে যুব তৃণমূলের সভানেত্রী সায়নী ঘোষকে কিছু দিন আগে তলব করেছিল ইডি। এবার ডাক পড়ল তৃণমূলের আরও এক নেত্রীর। যার জেরে যথেষ্ট বিব্রত রাজ্যের শাসক দল।

    আরও পড়ুুন: প্রধানমন্ত্রীর ‘এক দেশ এক নির্বাচন’-এর সুরে গলা মেলালেন পিকেও, এ কীসের ইঙ্গিত?

    অভিযোগ ওঠার পরে পরেই সাংবাদিক সম্মেলনে নুসরত বলেছিলেন, “আমি দুর্নীতির সঙ্গে কোনওভাবেই জড়িত নই। বলা হচ্ছে, আমি দুর্নীতির টাকা নিয়ে নিজের বাড়ি কিনেছি, এই অভিযোগ মিথ্যে। আমি ওই সংস্থা থেকে একটি ঋণ নিয়েছিলাম। সুদ সমেত সেই ঋণ শোধ করে দিয়েছি।”

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     
     
  • CV Ananda Bose: “দুর্নীতির সঙ্গে আপস নয়”, অন্তর্বর্তীকালীন উপাচার্যদের বৈঠকে আনন্দ-বার্তা

    CV Ananda Bose: “দুর্নীতির সঙ্গে আপস নয়”, অন্তর্বর্তীকালীন উপাচার্যদের বৈঠকে আনন্দ-বার্তা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দুর্নীতির সঙ্গে কোনও আপস নয়। সোমবার তাঁর নিয়োগ করা অন্তর্বর্তীকালীন উপাচার্যদের বৈঠকে এই বার্তাই দিলেন রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস (CV Ananda Bose)। এদিন সল্টলেকের মৌলানা আবুল কালাম আজাদ প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে আয়োজন করা হয়েছিল বৈঠকের। রাজ্যপাল পদাধিকার বলে রাজ্যের বিশ্ববিদ্যালগুলির আচার্য। সেই সূত্রেই তিনি বসেছিলেন বৈঠকে। এদিনের বৈঠকে যোগ দিয়েছিলেন রাজ্যপাল যে ১৭টি বিশ্ববিদ্যালয়ে অন্তর্বর্তীকালীন উপাচার্যদের নিয়োগ করেছিলেন, তাঁরাই।

    “প্রসঙ্গ: দুর্নীতি”

    সেখানেই রাজ্যপাল দ্ব্যর্থহীন ভাষায় জানিয়ে দেন, “দুর্নীতি বরদাস্ত করা হবে না। বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যাপক নিয়োগ করতে হবে স্বচ্ছতার সঙ্গে।” তিনি (CV Ananda Bose) বলেন, “এটা বেদনাদায়ক যে রাজ্যের একজন মন্ত্রী জেলে গিয়েছিলেন। দুর্নীতি বন্ধ করতেই হবে।” বৈঠকে রাজ্যপাল বলেন, “আমরা মুখোমুখি প্রোগ্রাম শুরু করছি। যে কোনও বিষয়ে স্কুল-কলেজ পড়ুয়ারা রাজ্যপালের সঙ্গে কথা বলতে পারবেন। শুধু একটা ফোন করলেই রাজ্যপালের সঙ্গে দেখা করা যাবে।” ‘বেস্ট অ্যান্ড ব্রাইটেস্ট অ্যামং দ্য স্টুডন্টস’রা রাজ্যপালের ‘ডায়মন্ড গ্রুপে’ যুক্ত হওয়ার সুযোগ পাবেন বলেও জানান সিভি আনন্দ বোস।

    ‘স্টুডেন্টস এক্সচেঞ্জ’ কর্মসূচি

    আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে ‘স্টুডেন্টস এক্সচেঞ্জ’ কর্মসূচির ওপর গুরুত্ব দেওয়ার কথাও এদিন বলেছেন রাজ্যপাল। তিনি বলেন, “বিশ্ববিদ্যালয়ে কাজ হবে ‘ডু অ্যান্ড ডেয়ার’ স্লোগানে।” অ্যাকাডেমিক ইন্ডাস্ট্রি কমিটি গঠনের সিদ্ধান্তের কথাও এদিন জানিয়েছেন রাজ্যপাল। এদিন যেসব অন্তর্বর্তীকালীন উপাচার্যের সঙ্গে বৈঠকে বসেছিলেন রাজ্যপাল (CV Ananda Bose), তাঁর মধ্যে ১২ জনের সঙ্গে ২৯ জুন উত্তরবঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয়ে বৈঠক করেছিলেন তিনি। সেখানে বাংলাকে দেশের ‘এডুকেশন হাব’ করার স্বপ্নের কথাও জানিয়েছিলেন রাজ্যপাল। সোমবারের বৈঠকেও ফের সেকথা জানান তিনি।

    আরও পড়ুুন: ‘‘তাহলে মসজিদের ভিতর ত্রিশূল কেন?’’ জ্ঞানবাপী নিয়ে প্রশ্ন যোগীর

    রাজ্যপালের ভূমিকায় রাজ্য সরকার অসন্তোষ প্রকাশ করলেও, তাঁর পাশে যে বিজেপি রয়েছে, তার ইঙ্গিত মিলেছে দলের মুখপাত্র শমীক ভট্টাচার্যের কথায়। তিনি বলেন, “সামগ্রিক শিক্ষা ব্যবস্থাই তো একটা খোলা বাজার হয়ে গিয়েছে। এই অবস্থায় মানুষের শিক্ষার অধিকার প্রতিষ্ঠা করতে সচেষ্ট হয়েছেন রাজ্যপাল।” এদিনের বৈঠকে রাজ্যপালের (CV Ananda Bose) কথায় বারংবার উঠে এসেছে দুর্নীতির সঙ্গে তাঁর আপোষহীন মনোভাবের কথার প্রসঙ্গ। ওয়াকিবহাল মহলের মতে, নিয়োগ কেলেঙ্কারিতে লেজেগোবরে দশা তৃণমূল পরিচালিত রাজ্য সরকারের। এদিন সম্ভবত ঘুরিয়ে সেদিকেই আঙুল তোলেন রাজ্যপাল।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।     

  • Suvendu Adhikari: ‘‘আইপ্যাক-কে ১৫২ কোটির টেন্ডার পাইয়ে দিতে দুর্নীতি করেছেন মমতা’’! বিস্ফোরক শুভেন্দু

    Suvendu Adhikari: ‘‘আইপ্যাক-কে ১৫২ কোটির টেন্ডার পাইয়ে দিতে দুর্নীতি করেছেন মমতা’’! বিস্ফোরক শুভেন্দু

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দুর্নীতি ইস্যুতে ফের রাজ্য সরকারকে নিশানা করলেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। একইসঙ্গে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে আক্রমণ করেন নন্দীগ্রামের বিধায়ক। তাঁর দাবি, ‘ওয়েবেলের থেকে নিয়ে ডব্লুটিএলকে টেন্ডার পাইয়ে দেওয়া হয়েছে।’ মোট ১৫২ কোটি টাকার দুর্নীতি হয়েছে বলে অভিযোগ বিরোধী দলনেতার। ‘আইপ্যাককে ১৫২ কোটি টাকা পাইয়ে দিয়েছে স্বরাষ্ট্র দফতর’, বিস্ফোরক দাবি শুভেন্দুর। বিষয়টি নিয়ে রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোসকে চিঠিও পাঠিয়েছেন বিরোধী দলনেতা।

    শুভেন্দুর অভিযোগ

    শুভেন্দু (Suvendu Adhikari) বলেন, ‘গ্রিভান্স সেলের পরিকাঠামো তৈরির জন্য তথ্য ও প্রযুক্তি দফতরকে দায়িত্ব দেওয়া হয়। কয়েকটি সংস্থা টেন্ডার প্রক্রিয়া অংশগ্রহণ করে। দিল্লির একটি সংস্থা নিয়মমাফিক টেন্ডার পায়। কিন্তু পছন্দের সংস্থা না হওয়ায় স্বরাষ্ট্র দফতরের তরফে টেন্ডার বাতিল করতে বলা হয়। কিন্তু তথ্য ও প্রযুক্তি দফতরের আধিকারিকরা তা করতে রাজি ছিলেন না। কিন্তু পরবর্তী সময় আইপ্যাক ঘনিষ্ঠ সংস্থা দায়িত্ব পায়। আমার ধারণা এই ঘটনার সঙ্গে সরাসরি মুখ্যমন্ত্রী যুক্ত।’

    প্রমাণিত চুরি

    শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) আরও বলেন, ‘এটা প্রমাণিত চুরি, সব তথ্যপ্রমাণ আছে। জনগণের করের টাকা কারচুপি হয়েছে। এই ১৫২ কোটি টাকা তৃণমূলের কাছ গিয়েছে। পশ্চিমবঙ্গকে ধ্বংসের জায়গায় নিয়ে যাচ্ছে তৃণমূল।’ এই নিয়ে মুখ্যসচিবের কাছে নথি চেয়ে পাঠানো উচিত রাজ্যপালের, দাবি শুভেন্দু অধিকারীর। তাঁর আরও দাবি, ‘ইডি বা আয়কর দফতরকে নিয়ে তদন্ত করানো হোক। চাইলে আদালত কোনও নিরপেক্ষ সংস্থাকে দিয়ে তদন্ত করাতে পারে। এই দুর্নীতির সাফাই দিতে হবে মুখ্যমন্ত্রীকে। এটা প্রমাণিত দুর্নীতি, এই নিয়ে শ্বেতপত্র প্রকাশ করা উচিত মুখ্যমন্ত্রীর। এই দুর্নীতির সঙ্গে সরাসরি জড়িত মুখ্যমন্ত্রীর দফতর।’

    আরও পড়ুুন: “কৃষ্ণ-রুক্মিণীর বিয়ে লাভ জিহাদ”! কংগ্রেস নেতার বিতর্কিত মন্তব্যের কী জবাব দিলেন হিমন্ত?

    রাজ্যপালের হস্তক্ষেপ দাবি

    এদিন আরও এক বিস্ফোরক দাবি করেন শুভেন্দু (Suvendu Adhikari)। বিরোধী দলনেতা বলেন, ‘আমাকে এই নথি বড়বড় আইএএস অফিসাররা দিয়েছেন। সরকারে সবাই অসৎ এমনটা নয়।’ এই ‘দুর্নীতি’-র বিরুদ্ধে রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোসের হস্তক্ষেপ চেয়েছেন শুভেন্দু। বিরোধী দলনেতা বলেন, ‘রাজ্যপাল দুর্নীতির বিরুদ্ধে লড়াই করতে চান। উনি আজ মেয়াদ উত্তীর্ণ ওষুধ নিয়ে কথা বলেছেন বলে শুনলাম। আশা করব রাজ্যপাল আমার অভিযোগ পেয়েছেন। আপনার কাছে অনুরোধ মুখ্যসচিবকে বলে যাবতীয় নথি আনান। নথি খতিয়ে দেখে যদি কোনও সত্যতা পান, তবে সরকারকে ইডিকে দিয়ে তদন্ত করার অনুরোধ করুন। এটা জনস্বার্থের বিষয়। দরকার হলে কয়েকদিন বাদে আইনত ব্যবস্থা নেব।’

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Recruitment Scam: সিবিআইয়ের নজরে ১৪টি পুরসভা! পুর দুর্নীতির আড়ালে কীসের আঁচ? 

    Recruitment Scam: সিবিআইয়ের নজরে ১৪টি পুরসভা! পুর দুর্নীতির আড়ালে কীসের আঁচ? 

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পুরসভা নিয়োগ দুর্নীতি (Recruitment Scam) মামলায় চেয়ারম্যান-ভাইস চেয়ারম্যানদেরও তলব করতে চলেছে সিবিআই (CBI)। কেন্দ্রীয় তদন্তাকারী সংস্থা সূত্রে খবর, চলতি সপ্তাহ থেকেই ডাকা হবে বিভিন্ন পুরসভার চেয়ারম্যান, ভাইস চেয়ারম্যান ও এক্সজিকিউটিভ অফিসারদের। স্থানীয় শাসক দলের নেতা-সহ একাধিক প্রভাবশালী নেতা ও মন্ত্রীও এই দুর্নীতির সঙ্গে জড়িত, প্রাথমিক তদন্তের পরে এমনটাই দাবি সিবিআইয়ের। নগরোন্নয়ন দফতর ও মিউনিসিপ্যাল সার্ভিস কমিশনের একাধিক উচ্চপদস্থ আধিকারিক ও অফিসারেরা জড়িত, এমন সূত্রও পাওয়া গিয়েছে বলে সিবিআইয়ের দাবি।

    জড়িত একাধিক প্রভাবশালী নেতা

    সিবিআই সূত্রে খবর, আপাতত ১৪টি পুরসভার কর্তাদের নোটিস পাঠিয়ে তলব করার প্রস্তুতি শুরু হয়েছে। এই মামলায় এক যোগে ১৪টি পুরসভায় অভিযান চালিয়েছিল সিবিআই। বাজেয়াপ্ত হয়েছিল একাধিক নথি। মিলেছে ২০১৪ থেকে ২০১৯ সাল পর্যন্ত একাধিক পদে নিয়োগের ওএমআর শিট। মূলত ২০১৪ থেকে ২০১৯ সাল পর্যন্ত রাজ্যজুড়ে প্রায় ৭০টির বেশি পুরসভায় নিয়োগ দুর্নীতি (Recruitment Scam) হয়েছে বলে প্রাথমিক ভাবে অনুমান করছেন তদন্তকারীরা। সমস্ত নথি খতিয়ে দেখার পরই এবার পুরসভার কর্তাদের তলব করতে চাইছে সিবিআই। আপাতত ১৪টি পুরসভায় তল্লাশির সময়ে পুরকর্তা ও এগজিকিউটিভ অফিসারদের এক প্রস্থ জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে। সিবিআই জানিয়েছে, প্রাথমিক পর্যায়ে তাঁদের আবারও জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে। ওই জিজ্ঞাসাবাদের সূত্রে উঠে আসা তথ্যের ভিত্তিতে বাকি জড়িতদের ধাপে ধাপে তলব করা হবে। চলতি সপ্তাহেই ওই সব পুরসভার কর্তাদের তলব করা হতে পারে বলে জানিয়েছেন তদন্তকারীরা।

    আরও পড়ুন: পঞ্চায়েত নির্বাচনে সন্ত্রাস! ১৯ জুলাই কলকাতায় বিজেপির মহামিছিল

    পুর নিয়োগ দুর্নীতিতে তদন্তে ইডি

    সিবিআইয়ের পাশাপাশি পুর নিয়োগ দুর্নীতিতে (Recruitment Scam) সমান্তরাল তদন্ত শুরু করেছে ইডি (ED)। নিয়োগ দুর্নীতির টাকা কোথা থেকে এসে কোথায় গিয়েছে, মূলত তা-ই খতিয়ে দেখার কথা তাদের। ইডির তরফে‌ ২০১৪ ও ২০১৭ সালের পুরসভায় নিয়োগ সংক্রান্ত নথি নগরোন্নয়ন দফতর ও মিউনিসিপ্যাল সার্ভিস কমিশনের কাছে তলব করা হয়েছে। ওই সব নথিও ইডির হাতে এসেছে। তদন্তকারীরা সেগুলিও খতিয়ে দেখছেন বলে ইডি জানিয়েছে। প্রসঙ্গত, প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতি মামলার তদন্তে নেমে প্রমোটার অয়ন শীলের সংস্থা এবিএস ইনফো জোনের অফিসে তল্লাশি চালায় এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট। সেই অভিযানে পুরসভা নিয়োগ সংক্রান্ত ওএমআর মেলে অয়ন শীলের অফিসে। সঙ্গে উদ্ধার হয় পুরসভা নিয়োগ সংক্রান্ত একাধিক নথি। সেই সমস্ত নথি খতিয়ে দেখেই ইডির তরফে দাবি করা হয় পুরসভাগুলিতে নিয়োগের ক্ষেত্রেও দুর্নীতি হয়েছে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share