Tag: scam

scam

  • BSNL Corruption Case: ২২ কোটির কারচুপি! ২১ জন বিএসএনএল কর্তার বিরুদ্ধে মামলা দায়ের সিবিআইয়ের

    BSNL Corruption Case: ২২ কোটির কারচুপি! ২১ জন বিএসএনএল কর্তার বিরুদ্ধে মামলা দায়ের সিবিআইয়ের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রাক্তন জেনারেল ম্যানেজার-সহ ২১ বিএসএনএল (BSNL Corruption Case) আধিকারিকদের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ উঠল। অভিযুক্ত ভারত সঞ্চার নিগম লিমিটেড (BSNL)-এর আধিকারিকের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করল কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা সিবিআই। শুক্রবার এই মামলা সংক্রান্ত ২৫টি জায়গায় তল্লাশিও চালান সিবিআই আধিকারিকরা।

    বিএসএনএলের ক্ষতি

    তদন্তকারী সংস্থার অভিযোগ, এক ঠিকাদারের সঙ্গে ষড়যন্ত্র করে একটি কাজের জন্য বরাদ্দ টাকায় কারচুপি করেন অভিযুক্ত আধিকারিকরা। যার ফলে বিএসএনএলের (BSNL Corruption Case) প্রায় ২২ কোটি টাকার ক্ষতি হয়েছে। সিবিআই-এর এফআইআরে মূলত বিএসএনএলের অসম সার্কেলের অফিসারদের নাম রয়েছে। প্রাক্তন জেনারেল ম্যানেজার ছাড়াও ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার, অ্যাসিস্ট্যান্ট জেনারেল ম্যানেজার, জোড়হাট, শিবসাগর, গুয়াহাটি শাখার চিফ অ্যাকাউন্টস অফিসারদের বিরুদ্ধেও অভিযোগ উঠেছে। এফআইআরে অভিযুক্ত আধিকারিকরা বাদে এক ঠিকাদারের নাম উল্লেখ রয়েছে যিনি বিসিএনএলের সঙ্গে সরাসরি যুক্ত নন বলে সিবিআই সূত্রে জানা গিয়েছে। 

    আরও পড়ুন: অনুব্রতর গড়ে ফের ভাঙন, তৃণমূল সাংসদ অসিত মালের ভাইপো যোগ দিলেন বিজেপিতে

    দেশের বিভিন্ন প্রান্তে তল্লাশি

    সিবিআই মুখপাত্র এক বিবৃতিতে বলেন, ‘‘এক জন ঠিকাদারকে অপটিক্যাল ফাইবারের কাজ করার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল। অভিযোগ ওঠে, ওই ঠিকাদার নিজের কাজ ঠিক ভাবে করেননি। উপরন্তু তিনি বিভিন্ন অছিলায় সংস্থার কাছে অতিরিক্ত টাকা নিয়েছেন। এই ঘটনায় ওই ২১ আধিকারিক যুক্ত ছিলেন বলে অভিযোগ। এর ফলে বিএসএনএলের (BSNL Corruption Case) প্রায় ২২ কোটি টাকার ক্ষতি হয়েছে।” কেন্দ্রীয় সংস্থার দাবি, ওই কনট্রাক্টর টেন্ডারের অনেক নিয়ম লঙ্ঘন করেছিলেন। এফআইআর দায়েরের পরে শুক্রবার অসম, বিহার, পশ্চিমবঙ্গ, ওড়িশা এবং হরিয়ানায় অভিযুক্তদের অফিস এবং বাসস্থান-সহ ২৫টি স্থানে তল্লাশি চালিয়েছে সিবিআই। এই তল্লাশির ফলে বিভিন্ন নথি সিবিআই-এর হাতে এসেছে। এই সমস্ত তথ্য তদন্ত প্রক্রিয়া এগিয়ে নিয়ে যেতে সাহায্য করবে বলে দাবি, সিবিআই-এর।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Uttar Dinajpur: পর্ষদ তালিকা ও শিক্ষকের নম্বরে ব্যাপক গরমিল

    Uttar Dinajpur: পর্ষদ তালিকা ও শিক্ষকের নম্বরে ব্যাপক গরমিল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতির মামলায় হাইকোর্টের নির্দেশে প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের প্রকাশিত তালিকায় তথ্যের ভুলে কাঠগড়ায় এক প্রাথমিক শিক্ষক। আর এমনই অভিযোগে বুধবারে শোরগোল উত্তর দিনাজপুর (Uttar Dinajpur) জেলায়। পাল্টা পর্ষদের প্রকাশিত তথ্যকে ভুল বলে দাবী করেন ঐ প্রাথমিক শিক্ষক। প্রাথমিক শিক্ষক কর্ণজোড়া জেলা স্কুল পরিদর্শকের কাছে দ্বারস্থ হলে, তথ্য যাচাই করে হতবাক স্কুল পরিদর্শক।

    উত্তর দিনাজপুরের (Uttar Dinajpur) কে সেই শিক্ষক?

    উত্তর দিনাজপুরের (Uttar Dinajpur) কালিয়াগঞ্জের ডালিমগাঁ-এর দেওগা অবৈতনিক প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পদে কর্মরত ওই শিক্ষকের নাম বরুন চন্দ্র রায়। তিনি ২০১৭ সালে করণদিঘি ব্লকের একটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে চাকরি পান। এরপর কালিয়াগঞ্জের দেওগা প্রাথমিক বিদ্যালয়ে বদলি হয়ে আসেন।

    উত্তর দিনাজপুরের (Uttar Dinajpur)  শিক্ষক কেন গেলেন স্কুল পরিদর্শকের কাছে?

    শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতি কান্ডের তদন্তে হাইকোর্টের নির্দেশে প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের তরফে একটি তালিকা প্রকাশ করা হয়। সেখানে ওই শিক্ষকের নাম রয়েছে বলে জানা যায়। তিনি মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষায় ১০ শতাংশেরও কম নম্বর পেয়েছেন বলে উল্লেখ করা হয়েছে। আর এই খবর পেতেই সেই শিক্ষক বুধবার সন্ধ্যায় জেলা বিদ্যালয় (Uttar Dinajpur) পরিদর্শকের কাছে তাঁর মাধ্যমিক, উচ্চ মাধ্যমিক সহ ডিএলএড ট্রেনিং এর যাবতীয় মার্কশিট ও সার্টিফিকেট নিয়ে হাজির হন।

    শিক্ষকের বক্তব্য

    শিক্ষক বরুণ চন্দ্র রায় এই বিষয়ে বলেন, হাইকোর্টের নির্দেশে যে তালিকা প্রকাশিত হয়েছে,পর্ষদ তাতে আমার তথ্য ভুল প্রকাশ করেছে। তিনি একজন স্নাতকোত্তর পাশ, ডিএলএড প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত শিক্ষক (Uttar Dinajpur)। আর তারপরেও কী ভাবে ওই তালিকায় তাঁর নাম এলো, তাই স্পষ্ট নয় তাঁর কাছে, এই কথাই জানান বরুণবাবু।

    উত্তর দিনাজপুর জেলা (Uttar Dinajpur) পরিদর্শকের বক্তব্য

    অপর দিকে জেলা বিদ্যালয় (Uttar Dinajpur) পরিদর্শক দুলাল সরকার এই শিক্ষকের মার্কশিট, সার্টিফিকেট দেখার পর বিষয়টি নিয়ে হতবাক হয়ে যান। দুলাল বাবু বলেন, বিষয়টি পর্ষদকে ফোন করে আমি জানিয়েছি। তবে প্রকাশিত তালিকায় যা তথ্য বলা হচ্ছে, তা সঠিক নয় বলে জানান তিনিও। সেই সঙ্গে তিনি আরও জানান, এখনো পর্যন্ত সেই তালিকা প্রশাসনিক ভাবে তাঁর কাছে এসে পৌঁছায়নি। তবে প্রকাশিত তালিকার তথ্য কি আদৌ সঠিক? যদি ভুল হয় তাহলে কিভাবে এই ভ্রান্তিবিলাস? নাকি এর পেছনে অন্য কোনো রহস্য আছে? তা এখন তদন্ত সাপেক্ষ বলে মনে করছেন ওয়াকিবহল মহল।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Durgapur: তৃণমূলনেতার মোটা অঙ্কের টাকার বিনিময়ে সরকারী আবাসন বিক্রি, উচ্ছেদের নোটিশে উড়েছে ঘুম

    Durgapur: তৃণমূলনেতার মোটা অঙ্কের টাকার বিনিময়ে সরকারী আবাসন বিক্রি, উচ্ছেদের নোটিশে উড়েছে ঘুম

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দুর্গাপুরে (Durgapur) রাজ্য সরকারের অধীনস্থ ডিপিএলের আবাসন টাকার বিনিময়ে বেআইনীভাবে বিক্রির অভিযোগ উঠেছে। লক্ষণ লামা, বিশ্বজিৎ ওরফে বিশু ও বাবু, এই অভিযুক্তরা সক্রিয় তৃণমূল কর্মী বলে স্বীকার করেন স্থানীয় প্রাক্তন তৃণমূল কাউন্সিলার। উচ্ছেদ অভিযান চলবে জানালো ডিপিএল কর্তৃপক্ষ। এইদিকে টাকা দিয়েও ডিপিএল আবাসন থেকে উচ্ছেদের নোটিস পেয়ে বিপাকে দুর্গাপুরের বেশ কিছু পরিবার। শাসক দলকে তুলোধোনা বিরোধীদের।

    অভিযোগ কি?

    উচ্ছেদের নোটিস পেয়ে এখন রাতের ঘুম উড়েছে দুর্গাপুরের (Durgapur) বেশ কিছু মানুষের। শহর দুর্গাপুরের বেশ কিছু জায়গা থেকে এই অসহায় মানুষজন স্থায়ী মাথা গোঁজার ঠাঁই পেতে রাজ্য সরকারের সংস্থা দুর্গাপুর প্রজেক্ট লিমিটেডের (ডিপিএল) টাউনশিপে এসেছিলেন। মূল অভিযোগ হল স্থানীয় তিন প্রভাবশালী তৃণমূলনেতারা মোটা অঙ্কের টাকা নিয়ে কিছু অসহায় মানুষকে নিয়ম ভেঙ্গে সরকারি আবাসনে ঢুকিয়ে দেয়। আর এরপর ঐ মানুষগুলি ডিপিএলের নোটিশ পেয়ে বুঝতে পারেন সবটাই জালিয়াতি হয়েছে। ভুক্তভুগী বাসন্তী মল্লিক বলেন, আমরা দিন এনে দিন খেয়ে জীবনের শেষ সম্বলটুকু বিক্রি করে ৪০ থেকে ৫০ হাজার টাকা পর্যন্ত দিয়েছি তৃণমূলের নেতা বিশুকে। আরেক ভুক্তভুগি পুণম বলেন, টাকা নিয়ে তৃণমূল দলের নেতারা ডিপিএল সমবায় সমিতির তালা ভেঙ্গে  সি-টাইপ ও ই-টাইপ আবাসনে থাকতে দিয়েছিল আমাদের। আমরা বর্তমানে তিনমাস ধরে এখানে বসবাস করছি। এখন ইতিমধ্যে ডিপিএল কর্তৃপক্ষ আবাসন গুলি ফাঁকা করার নির্দেশ দিয়েছেন আমাদেরকে, তিন দিনের মধ্যে আবাসন ফাঁকা না করলে পুলিশ দিয়ে উঠিয়ে দেওয়ার নোটিশ দিয়ে গেছে। ভুক্তভোগীরা বলছেন জানি না কি করব আমরা এখন।  

    দুর্নীতির দায়ভার কার?

    ভুক্তভোগীদের অভিযোগ এই দায়ভার লক্ষণ লামা, জনৈক বিশু ও বাবুর। এরা তিনজনেই তৃণমূল করেন বলে পরিচয় জানা গেছে। তাঁদের বিরুদ্ধে প্রধান অভিযোগ তৃণমূল করার পরিচয় দিয়ে আবাসন পাইয়ে দেওয়ার জন্য অসহায় মানুষের কাছ থেকে টাকা তুলেছে। কিন্তু নেতাদের কাছে এখন ডিপিএলের (Durgapur) উচ্ছেদ নোটিস দেখাতে গেলে পরিবারের মানুষের কাছে দায় এড়িয়ে যাচ্ছেন শাসক দলের নেতারা। অভিযুক্তদের মধ্যে লক্ষণ লামাকে সক্রিয় তৃণমূলকর্মী হিসাবে স্বীকার করে নিয়েছেন স্থানীয় প্রাক্তন তৃণমূল কাউন্সিলার সুভাষ মজুমদার। কাউন্সিলার আরও বলেন তৃণমূলের মিছিল মিটিং-এ থাকেন লক্ষণ লামা। আর তাই দলের সক্রিয় কর্মীদেরকে বাঁচাতে আবাসন বিক্রির অবৈধ লেনদেনে ডিপিএল কর্তৃপক্ষের দিকে পাল্টা অভিযোগ করেছেন কাউন্সিলার।

    ডিপিএল এবং বিরোধীদের বক্তব্য

    উচ্ছেদের নোটিশের বিষয়ে ডিপিএলের পক্ষে জনসংযোগ আধিকারিক স্বাগতা মিত্র বলেন, কে কাকে টাকা দিয়ে ডিপিএলের আবাসনে ঢুকেছে এটা ডিপিএলের দেখার বিষয় নয়। অবৈধ দখল কেউ করে থাকলে উচ্ছেদ করা হবেই। আবার বিজেপি বিধায়ক লক্ষণ বলেন, তৃণমূলের কাউন্সিলার নেতারা পুলিশকে নিয়ে কোয়াটার ভাড়া দিচ্ছে, পুলিশ টাকা নিচ্ছে, অবৈধ ভাবে জমি দখল করছে। ডিপিএল, ডিভিসি, এমএমসি, ডিএসপি সর্বত্র প্রকল্পে সরকারি সম্পত্তি বিক্রি করছে তৃণমূলের নেতারা। যারা টাকা দিয়েছেন তাঁদের বলবো তৃণমূলের যে নেতাদের টাকা দিয়েছেন তাঁদের বাড়ি ঘেরাও করুন আমরা সঙ্গে থাকব। সব মিলিয়ে দুর্গাপুর (Durgapur) পুরভোটের আগে সরকারি সংস্থার আবাসন কেনা বেচার অবৈধ লেনদেনের ঘটনার অভিযোগে অস্বস্থি ও বিড়ম্বনা দুই বেড়েছে শাসক শিবিরের। এখন যারা টাকা দিয়েছেন তাঁরা যাবেন কোথায় সেটাই বড় প্রশ্ন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Andal: সরকারি প্রকল্পের সেড সহ দরজা-জানলা চুরি, খবর নেই পঞ্চায়েতে

    Andal: সরকারি প্রকল্পের সেড সহ দরজা-জানলা চুরি, খবর নেই পঞ্চায়েতে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দুষ্কৃতিরা চুরি করে নিয়ে গেছে বর্জ্য নিষ্কাশন প্রকল্পের সেড সহ দরজা জানালা। শুক্রবার ঘটনাটি সামনে আসে অন্ডালের কাজোরা পঞ্চায়েত (Andal) এলাকায়। পঞ্চায়েত প্রধান বলেন খবর নিয়ে দেখব। থানায় চুরির অভিযোগ জানানো হয়েছে। এখন তদন্ত শুরু করেছে স্থানীয় পুলিশ।

    অভিযোগ কি ?

    ২০১৮-১৯ সালে (Andal) কাজোরা গ্রামপঞ্চায়েতের রায়দত্ত কোপাডাঙ্গা এলাকায় আনুমানিক কুড়ি লক্ষ টাকা ব্যয়ে তৈরি হয়েছিল একটি কঠিন তরল বর্জ্য নিষ্কাশন প্রকল্প। দীর্ঘদিন অব্যবহৃত অবস্থায় পড়ে থাকার পর সম্প্রতি সেই প্রকল্পটিতে শুরু হয় বর্জ্য নিষ্কাশনের কাজ। কিন্তু প্রকল্পটি চালু হতেই দেখা দেয় বিশেষ বিতর্ক। খনি সংস্থা ইসিএলের একটি সার্ভে দল এলাকাটি পরিদর্শন করে জানায় প্রকল্পের এলাকাটি ইসিএলের। জায়গা ছেড়ে দেওয়ার কথা জানানো হয় পঞ্চায়েতকে। এরপরই প্রায় কিছুটা দূরে প্রকল্পটি স্থানান্তরিত করা হয়। কিন্তু প্রকল্প স্থানান্তর হলেও পুরনো প্রকল্পটির দরজা-জানলা-টিনের সেড সহ কাঠামোগুলি স্থানান্তর করা হয়নি। শুক্রবার সকালে স্থানীয়রা আচমকা দেখতে পায় পুরনো প্রকল্পের নির্মাণ সামগ্রী টিনের সেড, লোহার দরজা, জানালা কিছু নেই। সম্ভবত সেগুলি চুরি করে নিয়ে গেছে দুষ্কৃতিরা এমনটাই স্থানীয়দের অভিযোগ। এরপর চুরির খবর পৌঁছায় কাজোড়া পঞ্চায়েত দপ্তরে।

    পঞ্চায়েত প্রধানের ভূমিকা

    পঞ্চায়েত প্রশাসনের (Andal) পক্ষ থেকে এই দিন দুপুরে অন্ডাল থানায় চুরির ঘটনা জানিয়ে অভিযোগ দায়ের করা হয়। স্থানীয় পঞ্চায়েতের প্রধান প্রাণকৃষ্ট নুনিয়া জানান, রায়দত্ত কোপাডাঙ্গায় কঠিন তরল বর্জ্য নিষ্কাশন প্রকল্পটি তৈরি করা হয়েছিল কিন্তু ইসিএলের সাথে জায়গাটির মালিকানা নিয়ে ঝামেলা হওয়ার পরে পঞ্চায়েত তার প্রকল্পটি দূরে নিয়ে চলে যায়। সেড সহ কাঠামোগুলি পরে নতুন জায়গায় আনার পরিকল্পনা ছিল। আরও বলেন শুনলাম সেগুলি নাকি চুরি হয়েছে। আমি জানি না কি হয়েছে, গিয়ে খবর নিয়ে দেখতে হবে। তবে এদিন পঞ্চায়েত প্রধান বলেন স্থানীয়দের কাছ থেকে খবর পাই সেগুলি নাকি চুরি হয়ে গেছে। এলাকার মানুষ পঞ্চায়েত প্রশাসনের উদাসীনতাকে দায়ী করছেন। প্রশাসন সরকারি সম্পত্তির প্রতি কতটা দায়িত্বশীল সেই বিষয় নিয়েও প্রশ্ন উঠছে নানা মহলে। পরে অন্ডাল থানায় অভিযোগ দায়ের হলে তদন্ত শুরু হয়েছে বলে জানান এক আধিকারিক।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • TMC: নাপিতের কাজ করে দিন কাটত, এখন কোটি কোটি টাকার মালিক এই তৃণমূল নেতা, কে জানেন?

    TMC: নাপিতের কাজ করে দিন কাটত, এখন কোটি কোটি টাকার মালিক এই তৃণমূল নেতা, কে জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আবারও নিয়োগ দুর্নীতিতে নাম উঠে এল হুগলি জেলার আরামবাগ মহকুমার। সামনে এল তৃণমূল (TMC) পরিচালিত আরামবাগ পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি গুণধর খাঁড়ার নাম। বৃহস্পতিবার ইডি দফতরে তলব করা হয়েছিল তাঁকে। এই ঘটনা নিয়ে তোলপাড় জেলা রাজনীতি। নিয়োগ দুর্নীতিতে আগেই হুগলির শান্তনু এবং কুন্তলের নাম শিরোনামে উঠে এসেছে। এবার দুর্নীতিকাণ্ডে নাম জড়াল আরামবাগ পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতির। সূত্রের খবর, শান্তনু, কুন্তল এবং সাহিদ ইমাম নিয়োগ দুর্নীতি কাণ্ডে গ্রেফতার হয়েছে। তাদের ছায়া সঙ্গী ছিলেন তিনি। বর্তমানে তিনি সালেপুর ১নম্বর পঞ্চায়েত এলাকার বাসিন্দা।

    কে এই গুণধর খাঁড়া?

    গুণধর খাঁড়া শাসক দলের গুরুত্বপূর্ণ পদে দায়িত্ব পাওয়া থেকে কোটি কোটি টাকার সম্পত্তির মালিক হয়ে ওঠার ঘটনা অনেকটা রূপকথার গল্পের মতো। দিন আনা দিন খাওয়া ঘরে অভাবি নাপিত পরিবারে জন্ম তাঁর। বিশেষ সূত্রে জানা গিয়েছে, তাঁর পৈতৃক বাড়ি পশ্চিম মেদিনীপুর জেলায়। পড়াশুনা তিনি খুব বেশিদূর জানেন না। তবে, মাজা-ঘষা করে নাম সই করা ভালো করে শিখে নিয়েছেন তিনি। একসময় তিনি ক্ষুর, কাঁচি নিয়ে গ্রামে গ্রামে ঘুরে ঘুরে মানুষের চুল-দাড়ি কাটতেন। শুরুর দিকে এটাই ছিল রোজগারের মাধ্যম তাঁর। তারপর হুগলি জেলার সালেপুর এলাকায় একটি সেলুনের দোকান শুরু করেন তিনি। বেশ কয়েক বছর পর তিনি অন্য আর একটি পেশায় যুক্ত হন। চাষিদের কাছ থেকে ধান কিনে চাল তৈরি করে গ্রামে গ্রামে ঘুরে তিনি চাল বিক্রি করতেন। জানা যায়, ১৯৮৩ সালে কংগ্রেসের হয়ে আরামবাগের সালেপুর পঞ্চায়েতের সদস্য হন। ২০১১ সালে তৃণমূল ক্ষমতায় আসার পর দল বদল করে তিনি তৃণমূলে (TMC) যোগদান করেন। এরপর ভোটে জিতে জন প্রতিনিধি হয়ে নিজের প্রভাব বাড়াতে শুরু করেন। ২০১৩ সালে সালেপুর ১ নম্বর গ্রাম পঞ্চায়েত থেকে তিনি প্রধান নির্বাচিত হন। পরে, ২০১৮ সালে তিনি পঞ্চায়েত সমিতির প্রার্থী হন। সেখানে জয়ী হয়ে তিনি আরামবাগ পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি হন।

    কত সম্পত্তির মালিক এই তৃণমূল (TMC) নেতা?

    গুণধরবাবু তৃণমূলের জনপ্রতিনিধি হওয়ার পর আস্তে আস্তে তাঁর সম্পত্তি ফুলে-ফেঁপে উঠতে শুরু করে। প্রথমে তিনি ধানের বীজ ব্যবসা শুরু করেন। প্রথমদিকে অবশ্য পার্টনারশিপেই ব্যবসা চললেও পরবর্তীতে ক্ষমতার জোরে ব্যবসা নিজের হাতে হাতিয়ে নেন। এলাকা সূত্রে জানা যায়, তাঁর একটি প্রাইভেট লিমিটেড কোম্পানি রয়েছে, যার নাম কালীমাতা সিড ফার্ম। এই কোম্পানিটি সালেপুরের পাঁচ মাইল এলাকায় রয়েছে। তাঁর রাজকীয় বহুতলবাড়ি আছে। এমনকী তাঁর নামে বাঁকুড়ার তালডাঙরা এলাকাতেও একাধিক জমি এবং বহু বাড়ি রয়েছে। সবমিলিয়ে তিনি কোটি কোটি টাকার মালিক। গুণধরবাবু নিজের ক্ষমতাকে কাজে লাগিয়ে নিজের দুই মেয়ে, মেয়ের জামাই ও তাদের বন্ধুবান্ধবদের চাকরি দিয়েছেন বলে অভিযোগ। বেশ কয়েকদিন আগে চাকরি করে দেওয়ার নামে বেকার যুবক-যুবতীদের কাছ থেকে কয়েক কোটি টাকার প্রতারণার অভিযোগে নাম উঠে এসেছে তাঁর। তাই এবার নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় ইডি দফতরে তলব করা হয় তাঁকে। নিয়োগ দুর্নীতিতে ধৃত শান্তনু বন্দ্যোপাধ্যায়কে তিনি ১ কোটি ৪০ লক্ষ টাকা দিয়েছিলেন। ২৬ জনকে চাকরি দেওয়ার কথা বলা হয়েছিল। কিন্তু, কারও চাকরি হয়নি। ইডি-র কাছে তিনি সব তথ্য দিয়েছেন বলে জানা গিয়েছে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • IPL Ticket: আইপিএল-এর টিকিট জাল করার অভিযোগে ধৃত নদিয়ার তৃণমূল নেতা

    IPL Ticket: আইপিএল-এর টিকিট জাল করার অভিযোগে ধৃত নদিয়ার তৃণমূল নেতা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গরু পাচার, কয়লা পাচার, নিয়োগ দুর্নীতির পর এবার আইপিএলের টিকিট (IPL Ticket) জাল করার অভিযোগ উঠল এক তৃণমূল নেতার বিরুদ্ধে। আর এই টিকিট জাল করেই সে লক্ষাধিক টাকা কামিয়েছে। ইতিমধ্যেই কলকাতার ময়দান থানায় তার বিরুদ্ধে অভিযোগ হয়েছে। তদন্তে নেমে কলকাতা পুলিশের গুন্ডা দমন শাখা অভিযান চালিয়ে ওই তৃণমূলের ছাত্র নেতাকে গ্রেফতার করেছে। পুলিশ জানিয়েছে, ধৃতের নাম বিক্রম সাহা। তার বাড়ি নদিয়ার তাহেরপুর এলাকায়। তাহেরপুর থেকেই তাঁকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

    ঠিক কী অভিযোগ?

    গত ২৩ এপ্রিল ইডেন গার্ডেন্সে কলকাতা নাইট রাইডার্স বনাম মহেন্দ্র সিং ধোনির চেন্নাই সুপার কিংসের খেলা ছিল, যা নিয়ে ব্যাপক উচ্ছ্বাস ছিল শহরবাসীর মধ্যে। ইডেনে আইপিএলের টিকিট (IPL Ticket) নিয়ে হাহাকার তৈরি হয়। মাঠে বল গড়ানোর আগেই শেষ হয়ে যায় একের পর এক ম্যাচের টিকিট। ওই ম্যাচে টিকিটের (IPL Ticket) চাহিদা ছিল তুঙ্গে। আবার ম্যাচের অনলাইন টিকিট কাটতেও সমস্যা হচ্ছিল। সেই সুযোগে আইপিএল টিকিটের (IPL Ticket) মতো হুবহু নকল টিকিট তৈরি করে মোটা টাকায় বিক্রম তা বিক্রি করেন বলে অভিযোগ। শুধু টিকিট বিক্রি করেই তিনি লক্ষাধিক টাকা কামিয়েছেন। টিকিট নিয়ে মাঠে খেলা দেখতে গিয়ে জাল টিকিটের বিষয়টি জানাজানি হয়। প্রতারিত হয়ে অনেকে ময়দান থানায় অভিযোগ দায়ের করেন। সেই মতো পুলিশ অভিযুক্তের বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু করে তাঁকে পাকড়াও করে।

    কে এই বিক্রম?

    স্থানীয় সূত্রে খবর, বিক্রম তাহেরপুর শহর টিএমসিপি-র প্রাক্তন সভাপতি। পরে রানাঘাট সাংগঠনিক জেলার গুরুত্বপূর্ণ পদে ছিলেন। বর্তমানে কোনও পদে না থাকলেও দল ছাড়েননি তিনি। এলাকায় তিনি তৃণমূলের ছাত্র নেতা হিসেবেই পরিচিত। এই বিষয়ে তৃণমূলের রানাঘাট জেলার সভাপতি দেবাশিস গঙ্গোপাধ্যায় বলেন, আইন আইনের পথে চলবে।

    কী বললেন বিজেপি নেতৃত্ব?

    বিজেপি-র স্থানীয় নেতা অমলেন্দু ভট্টাচার্য বলেন, ‘‘এর-ওর কাছে তৃণমূলের ওই ছাত্র নেতা টাকা নিলেও তা ফেরত দিত না। এক সময় সে ফ্লেক্স তৈরির ব্যবসা করত। আগাম টাকা নিয়েও নির্দিষ্ট সময়ে ফ্লেক্স সে দিতে পারত না। প্রতারণা করার বিষয়টি অনেক আগেই সে শিখেছিল। তাই, ওর নামে এতবড় অভিযোগ শুনে আমি অবাক হয়নি।’’ বিজেপির রানাঘাটের সাংসদ জগন্নাথ সরকার বলেন, ‘‘বালি, কয়লার পর এখন টিকিটও (IPL Ticket) চুরি করছে তৃণমূল। আর কী বাকি থাকল। এই দলটা কতটা দুর্নীতিগ্রস্ত তা এই সব নেতাদের দেখলেই বোঝা যায়।’’

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • TMC: চাকরি দেওয়ার নামে টাকা নিচ্ছেন তৃণমূল নেতা! ভাইরাল ভিডিও, জেলা জুড়ে শোরগোল

    TMC: চাকরি দেওয়ার নামে টাকা নিচ্ছেন তৃণমূল নেতা! ভাইরাল ভিডিও, জেলা জুড়ে শোরগোল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মঙ্গলবার তৃণমূলের (TMC) নবজোয়ার কর্মসূচিতে দক্ষিণ দিনাজপুর জেলায় দলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় যোগ দেন। তার ঠিক আগেই সোশ্যাল মিডিয়ায় এক তৃণমূল নেতার টাকা নেওয়ার ভিডিও ভাইরাল হওয়াকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক মহলে চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে। জানা গিয়েছে, ওই তৃণমূল নেতার নাম অনাদি লাহিড়ী। তিনি তপন বিধানসভার গঙ্গারামপুর ব্লক তৃণমূলের সভাপতি। যদিও ভাইরাল হওয়া ভিডিও-র সত্যতা যাচাই করেনি মাধ্যম।

    ভাইরাল হওয়া ভিডিওতে কী দেখা যাচ্ছে?

    একটি ঘরের মধ্যেই ওই তৃণমূল (TMC) নেতাকে টাকা দেওয়া হচ্ছে। তৃণমূল (TMC) নেতা দাঁড়িয়ে ফোনে একজনের সঙ্গে কথা বলছেন। আর যে ব্যক্তি ওই তৃণমূল নেতাকে টাকা দিতে এসেছেন, তিনি খাটে বসে রয়েছেন। আর তিনিই সমস্ত ভিডিওটি তুলছেন। তৃণমূল নেতা ফোন রাখার পর একজন ব্যাগ থেকে ৫০০ টাকার কয়েকটি বাণ্ডিল বের করে তৃণমূল (TMC) নেতার হাতে তুলে দেন। এরপর ওই ব্যক্তি তৃণমূল নেতার কাছে জানতে চান, পঞ্চায়েত ভোটের পর ছাড়া হবে। তৃণমূল নেতা বলেন, পঞ্চায়েতের আগেও হয়ে যেতে পারে। কত টাকা আর পাবেন ওই তৃণমূল নেতা জিজ্ঞাসা করলে তিনি বলেন, সাড়ে চার পেয়েছি। এখনও আরও দুই পাব। তবে, পরিমাণ কত সেটা তিনি বলেননি। পাশ থেকে একজন বলেন, এখন চাকরি নিয়ে যা হচ্ছে ভয়ে কেউ টাকা দিচ্ছে না। কনস্টেবলের চাকরি কেউ টাকা দিয়ে ভয়ে নিতে চাইছে না। তৃণমূল নেতা তাঁকে থামিয়ে দিয়ে বলেন, কিছু সমস্যা হলেও অরিজিনাল চাকরিও হচ্ছে। এদিকে ভাইরাল ওই ভিডিও নিয়ে ট্যুইট করেছেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার।

    কী বললেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি?

    বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার বলেন, আজ জেলায় অভিষেক এসেছে। আর তার আগেই দলের নেতার তোলাবাজি ভিডিও ভাইরাল হচ্ছে। বোঝা যাচ্ছে, অভিষেক তাঁর দলের লোকেদের বলে রেখেছেন, চাকরির নাম করে টাকা তোলার জন্য। দলীয় নেতারা সেই কাজই করছে।

    কী বললেন তৃণমূল (TMC) নেতৃত্ব?

    এ ধরনের ভিডিও ভাইরাল হওয়ায় অস্বস্তিতে পড়েছে জেলা তৃণমূল (TMC) নেতৃত্ব। তৃণমূলের জেলা সভাপতি মৃণাল সরকার বলেন, একটি ভিডিও দেখেছি তবে তার সত্যতা যাচাই করে দেখতে হবে। যদি সত্যতা থাকে তবে দল উপযুক্ত ব্যবস্থা নেবে। সংবাদমাধ্যম ওই তৃণমূল নেতা অনাদি লাহিড়ীকে ফোন করা হলে তিনি ফোন না ধরায় এই বিষয়ে তাঁর প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Scam: গোঘাটে পথশ্রী প্রকল্পের কাজ বন্ধ করে দিলেন স্থানীয় বাসিন্দারা! কেন জানেন?

    Scam: গোঘাটে পথশ্রী প্রকল্পের কাজ বন্ধ করে দিলেন স্থানীয় বাসিন্দারা! কেন জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সামনেই পঞ্চায়েত নির্বাচন, তার আগেই পথশ্রী প্রকল্পে দুর্নীতিতে (Scam) জেরবার হুগলির গোঘাট-১ নম্বর ব্লক। আর এই দুর্নীতির (Scam) জন্যই এই ব্লকের একাধিক রাস্তার কাজ বন্ধ করে দিচ্ছে গ্রামের মানুষ। তৃণমূল নেতাদের কাটমানির জন্য এত দুর্নীতি (Scam) বলে অভিযোগ এলাকাবাসীর। নিম্নমানের বালি দিয়ে ভরাট করে অল্প পরিমাণ সিমেন্ট দিয়ে ঢালাই করা হচ্ছে রাস্তা। আর চোখের সামনে এই ঘটনা ঘটতে থাকে শুক্রবারই জগত্পুর এলাকায় রাস্তার কাজ বন্ধ করে দেন এলাকাবাসী। পরে, প্রশাসনের পক্ষ থেকে বিষয়টি মিটিয়ে নেওয়ার জন্য বলা হয়। পরে, এলাকাবাসীর দাবি মেনে ফের রাস্তার কাজ শুরু হয়। তবে, ঠিকাদারের কথা মতো নয়, এলাকাবাসীর নজরদারিতে শনিবার থেকে রাস্তা সংস্কারের কাজ শুরু হয়েছে। শনিবার গোবিন্দপুর গ্রামে পথশ্রী প্রকল্পের রাস্তা বন্ধ করে দেন এলাকাবাসী।

    এদিন ঠিক কী হয়েছিল গোবিন্দপুর গ্রামে?

    গোঘাটের গোবিন্দপুর থেকে দক্ষিণপাড়া পর্যন্ত প্রায় দেড় কিলোমিটার রাস্তার হাল অত্যন্ত খারাপ। পথশ্রী প্রকল্পে রাস্তা তৈরির কাজ শনিবার শুরু হয়। আর সেই কাজ ঘিরেই গ্রামবাসীরা ক্ষুব্ধ। তাঁদের অভিযোগ,  নিম্মমানের বালি দিয়ে রাস্তা তৈরি করা হচ্ছে। ঢালাই করার পর রাস্তার একাংশ ফেটে যাচ্ছে। ফলে, কাজের গুণগত মান কেমন তা বোঝাই যাচ্ছে। এদিন গ্রামবাসীরা জোটবদ্ধ হয়ে রাস্তা তৈরির কাজ বন্ধ করে দেন।

    এলাকাবাসীর আন্দোলন নিয়ে কী বললেন বিজেপি নেতৃত্ব?

    বেহাল রাস্তা তৈরির জন্য তৃণমূল নেতাদের কাটমানিকে দায়ী করেছেন বিজেপি নেতৃত্ব। বিজেপি নেত্রী দোলন দাস বলেন, আসলে এসবের পিছনে তৃণমূল নেতাদের কাটমানির খেলা আছে বলেই ঠিকাদাররা নিম্মমানের কাজ করছেন। আমরা তাঁদের দাবিকে সমর্থন করি। আমরা চাই, সঠিক গুণগত সামগ্রী ব্যবহার করে রাস্তা তৈরির কাজ হোক।

    কী বললেন গোঘাট-১ নম্বর পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি?

    এই ঘটনায় দুর্নীতি (Scam) বরদাস্ত করা হবে না বলে জানান গোঘাট-১ নম্বর পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি মনোরঞ্জন পাল। তিনি বলেন, সঠিক সামগ্রী দিয়েই কাজ করানো হবে। দ্রুত পঞ্চায়েত সমিতির একটি টিম ওই রাস্তা পরিদর্শন করে ব্যবস্থা গ্রহণ করবে। কারণ, পথশ্রী প্রকল্পে এই ধরনের দুর্নীতি (Scam) আমরা কোনওভাবে মেনে নেব না।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Scam: নিয়োগ দুর্নীতিতে নাম জড়াল সিপিএমের! লক্ষ লক্ষ টাকা নিয়ে প্রতারণার অভিযোগে ধৃত দলীয় কর্মী

    Scam: নিয়োগ দুর্নীতিতে নাম জড়াল সিপিএমের! লক্ষ লক্ষ টাকা নিয়ে প্রতারণার অভিযোগে ধৃত দলীয় কর্মী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এবার নিয়োগ দুর্নীতিতে (Scam) নাম জড়াল সিপিএমের। লক্ষ লক্ষ টাকার বিনিময়ে সরকারি চাকরি দেওয়ার টোপ দিয়ে প্রতারণা করার অভিযোগ উঠল এক সিপিএম কর্মীর বিরুদ্ধে। ঘটনাটি ঘটেছে হুগলির চুঁচুড়া থানা এলাকায়। প্রতারিত পরিবারের লোকজন ওই সিপিএম কর্মীর বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ দায়ের করেন। তার ভিত্তিতে পুলিশ মূল অভিযুক্তকে গ্রেফতার করেছে। পুলিশ জানিয়েছে, ধৃতের নাম পার্থ মণ্ডল। তাঁর বাড়ি পূর্ব মেদিনীপুরের চণ্ডীপুর থানা এলাকায়। পুলিশ জনিয়েছে, পার্থর কাছ থেকে একটি নিয়োগপত্র উদ্ধার হয়েছে। এই দুর্নীতির (Scam) সঙ্গে কারা রয়েছে তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। ঘটনার তদন্ত শুরু করা হয়েছে।

    ঠিক কী অভিযোগ?

    পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, প্রায় আড়াই বছর আগে  নন্দীগ্রামের সাঁইবাড়ি গ্রামের বাসিন্দা স্বপন দাসের প্রতিবেশী সুদীপ্ত হাজরার মাধ্যমে অমিত পায়রা নামে এক যুবকের সঙ্গে আলাপ হয়। অমিত তাঁকে সরকারি চাকরি করে দেওয়ার টোপ দেন। বিনিময়ে টাকা দাবি করেন। স্বপনবাবু প্রস্তাবে রাজি হয়ে যান। অমিতের হাত ধরে দুর্নীতির (Scam) চক্করে পড়ে যান তিনি। এরপর এই অমিতই পার্থ মণ্ডলের সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দেন। স্বপনবাবু তাঁর ছেলে কৌশিক ও মেয়ে চামেলি দাসের চাকরির জন্য সারে এগারো লক্ষ টাকা দিয়েছিলেন পার্থ মন্ডলকে। প্রথমে কেন্দ্রীয় গ্রামোন্নয়ন দফতরে এবং পরে, প্রাথমিক স্কুলে চাকরি করে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেন। সবশেষে স্বাস্থ্য দফতরে চাকরি করে দেওয়ার কথা বলেন। গত ১১ এপ্রিল পোস্ট অফিস মারফত একটি নিয়োগ পত্র পান স্বপন দাস। সেটি ছিল হুগলির জেলা হাসপাতালে গ্রুপ ডি পদের। সেই নিয়োগ পত্রের আসল কপি পার্থ নিজের কাছে রেখে একটি জেরক্স দিয়ে দেন স্বপন দাসকে। নিয়োগ পত্রে সরকারি সিল মারা ছিল, বিশ্ব বাংলার সরকারি লোগো ছিল। আসল নিয়োগপত্রের জন্য আরও দেড় লক্ষ টাকা পার্থ দাবি করেন। ১৩ এপ্রিল স্বপনবাবু চুঁচুড়া ইমামবাড়া হাসপাতালে আসেন। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ নিয়োগ পত্র দেখে জানিয়ে দেয়, সেটি ভুয়ো। এরপরই চুঁচুড়া থানায় অভিযোগ দায়ের করেন তিনি। তদন্তে নেমে পুলিশ তাঁকে গ্রেফতার করে।

    কী বললেন প্রতারিত ব্যক্তি

    স্বপনবাবু বলেন, আমি কলকাতায় বেকারিতে কাজ করি। জমি বিক্রি করে, ধারদেনা করে টাকা দিয়েছিলাম। টাকা দেওয়ার পর চাকরি না হওয়ায় অমিতকে ফোন করলে সে আর ফোন ধরে না। পরে, মোবাইল নম্বরই সে পাল্টে নেয়। হাসপাতালে গিয়ে জানতে পারি, প্রতারিত হয়েছি। এরপর পার্থ মণ্ডলকে ফোন করি। তিনি দেড় লক্ষ টাকা না দিলে চাকরিতে যোগ দিতে পারবে না বলে জানায়। আমি তাঁকে জানাই, আমি চুঁচুড়ায় আছি, টাকা নিতে হলে সেখানেই আসতে হবে। সেখানে টাকা নিতে এসে পুলিশের জালে ধরা পরেন পার্থ। শুক্রবার আদালতে যাওয়ার পথে ধৃত পার্থ মণ্ডলের দাবি, তাকে ফাঁসানো হয়েছে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Mid Day Meal: মিড ডে মিলে ৬ মাসে ১০০ কোটি টাকা তছরুপের অভিযোগ! রাজ্যকে তুলোধোনা শুভেন্দু-অমিতের

    Mid Day Meal: মিড ডে মিলে ৬ মাসে ১০০ কোটি টাকা তছরুপের অভিযোগ! রাজ্যকে তুলোধোনা শুভেন্দু-অমিতের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মিড ডে মিলে ৬ মাসে ১০০ কোটি টাকার তছরুপের অভিযোগ উঠেছে রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে। মিড ডে মিল নিয়ে রাজ্যের বিরুদ্ধে এই বিস্ফোরক অভিযোগ কেন্দ্রীয় শিক্ষা মন্ত্রকের (Mid Day Meal)। রাজ্যে মিড ডে মিল প্রকল্পের কাজকর্ম খতিয়ে দেখতে যে রিভিউ মিশন গঠন করা হয়েছিল, সেই মিশনের রিপোর্টে এমন দাবি করা হয়েছে। বলা হয়েছে, গত বছর এপ্রিল থেকে সেপ্টেম্বর মাসের মধ্যে এই বিপুল টাকার দুর্নীতি হয়েছে। হিসেব চাইলে ১৬ কোটি অতিরিক্ত মিড ডে মিল দেখানো হয় (Scam)। শুধু তাই নয়, নির্ধারিত পরিমাণের চেয়ে ৭০ শতাংশ কম মিড ডে মিল খাবার সরবরাহ করা হয়েছে বলেও অভিযোগ। 

    প্রধানমন্ত্রী পুষ্টি প্রকল্পের দুর্নীতির অভিযোগ

    প্রধানমন্ত্রী পুষ্টি প্রকল্পের দুর্নীতির অভিযোগ নিয়ে কেন্দ্রীয় শিক্ষা মন্ত্রকের তরফে একটি প্যানেল তৈরি করা হয়। বিষয়টি খতিয়ে দেখে শিক্ষা মন্ত্রকের জয়েন্ট রিভিউ প্যানেল একটি রিপোর্ট তৈরি করে। সেই রিপোর্ট জমা পড়েছে কেন্দ্রীয় সরকারের কাছে। তাতেই চাঞ্চল্যকর অভিযোগ তোলা হয়েছে। বলা হয়েছে, গত বছর প্রথম দুই অর্থবর্ষে রাজ্যের তরফে ১৪০ কোটি ২৫ লক্ষ মিড ডে মিলের রিপোর্ট পেশ করা হয়। কিন্তু স্থানীয় প্রশাসনের রিপোর্টে  ১২৪ কোটি ২২ লক্ষ মিড ডে মিলের উল্লেখ রয়েছে। অভিযোগ, ভাত-ডাল এবং সবজি রান্নার ক্ষেত্রে ৭০ শতাংশ কম খরচ করা হয়েছে। ওই প্রকল্পের টাকা অন্যান্য খাতে ব্যবহার করা হয়েছে। শুধু তাই-ই নয়, মেয়াদ উত্তীর্ণ খাবার ব্যবহার করা হয়েছে বলে অভিযোগ।

    আরও পড়ুুন: রোজগার মেলায় ফের ৭১ হাজার নিয়োগপত্র বিলি করবেন প্রধানমন্ত্রী

    শুভেন্দুর ট্যুইট

    মিড ডে মিল প্রকল্পে দুর্নীতি নিয়ে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে তুলোধোনা করেছে বিজেপি। রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী এই বিষয়ে ট্যুইট করে লেখেন, “রাজ্য সরকার মিড ডে মিলে ১০০ কোটি টাকা বেশি দেখিয়েছে, জয়েন্ট রিভিউ মিশনের রিপোর্টে উল্লেখ। আগেই বলেছিলাম, পড়ুয়াদের খাবারের প্লেট থেকেও চুরি করতে ইতস্তত করে না তৃণমূল সরকার”। তাঁর কথায়, “মাত্র ২টি অর্থবর্ষেই ১০০ কোটির তছরুপ, গত ১২ বছরে কত টাকা চুরি হয়েছে ভাবুন। প্রশাসন চালানোর নামে দিনেদুপুরে ডাকাতি করছে রাজ্য সরকার”।

    অমিত মালব্যর ট্যুইট

    বিজেপি নেতা অমিত মালব্য ট্যুইটে লিখেছেন, ‘মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকারে দুর্নীতি ব্যাপক। এমনকী তার প্রশাসন প্রধানমন্ত্রী পোষণ তহবিলও ছাড়েনি। রাজ্য ও কেন্দ্রের যৌথ পর্যালোচনায় দেখা গেছে যে পশ্চিমবঙ্গ অন্য উদ্দেশে ১০০ কোটি টাকা সরিয়েছে! শিশুদেরকে কম খাওয়ানো হয়েছে। সরবরাহ কাটা হয়েছে। বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী অভিযোগ দায়ের করেছিলেন’।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share