Tag: Sheikh Hasina

Sheikh Hasina

  • Sheikh Hasina: দিল্লি পৌঁছলেন শেখ হাসিনা,  শনি-সকালে প্রধানমন্ত্রী মোদির সঙ্গে একান্ত বৈঠক

    Sheikh Hasina: দিল্লি পৌঁছলেন শেখ হাসিনা, শনি-সকালে প্রধানমন্ত্রী মোদির সঙ্গে একান্ত বৈঠক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির আমন্ত্রণে দু’সপ্তাহের মধ্যে ফের ভারতে এলেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা (Sheikh Hasina)। শুক্রবার বিকেলে তিনি নয়া দিল্লি পৌঁছন। ভারতের উচ্চ পর্যায়ের একটি প্রতিনিধিদল এবং ভারতে বাংলাদেশের হাইকমিশনার মো. মুস্তাফিজুর রহমান বিমান বন্দরে শেখ হাসিনাকে অভ্যর্থনা জানান। লোকসভা নির্বাচনে জয়ী বিজেপি নেতৃত্বাধীন জোট টানা তৃতীয়বারের মতো সরকার গঠনের পর ভারতে কোনও দেশের প্রধানমন্ত্রীর এটিই প্রথম দ্বিপাক্ষিক সফর। শনিবার সকালে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির (PM Modi) সঙ্গে বৈঠক করবেন হাসিনা।

    সাজানো হয়েছে রাজপথ

    হাসিনার এই সফরে ভারত এবং বাংলাদেশের মধ্যে একাধিক ‘মউ’ স্বাক্ষরের সম্ভাবনা রয়েছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার (Sheikh Hasina) আগমনে নয়াদিল্লিতে ইন্ডিয়া গেট, কর্তব্য পথ, অশোকা রোড এবং ফিরোজ শাহ রোডে স্বাগত জানিয়ে শেখ হাসিনার পোস্টার ও ব্যানার লাগানো হয়েছে। শনিবার সকালে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে স্বাগত জানাতে রাষ্ট্রপতি ভবনে লাল গালিচা বিছানো হবে। ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi) আনুষ্ঠানিকভাবে শেখ হাসিনাকে অভ্যর্থনা জানাবেন এবং দু’দেশের জাতীয় সঙ্গীত বাজানো হবে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে গার্ড অব অনারও দেওয়া হবে। 

    হাসিনার সফরসূচি

    শুক্রবার সন্ধ্যায় দিল্লিতে হাসিনার সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করবেন ভারতের বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর। শনিবার সকালে দিল্লির হায়দরাবাদ হাউসে শুরু হবে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির (PM Modi) উপস্থিতিতে দু-দেশের শীর্ষস্তরের বৈঠক। তার আগে রাষ্ট্রপতি ভবনে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীকে রাষ্ট্রীয় সংবর্ধনা দেওয়া হবে। সেখান থেকে রাজঘাটে গিয়ে মহাত্মা গান্ধীর সমাধিতে শ্রদ্ধা জানাবেন হাসিনা (Sheikh Hasina)। বেলার দিকে রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু, উপরাষ্ট্রপতি জগদীপ ধনখড়ের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করবেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী। তাঁর সম্মানে দুপুরে রাষ্ট্রীয় মহাভোজের আয়োজন করা হয়েছে। শনিবার সন্ধ্যা ৬টায় দিল্লি বিমানবন্দর থেকে বিশেষ বিমানে ঢাকার উদ্দেশে রওনা দেবেন হাসিনা।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Sheikh Hasina: দুই দিনের সফরে শুক্রবার দিল্লি আসছেন হাসিনা, শনিতে সাক্ষাত প্রধানমন্ত্রী মোদির সঙ্গে

    Sheikh Hasina: দুই দিনের সফরে শুক্রবার দিল্লি আসছেন হাসিনা, শনিতে সাক্ষাত প্রধানমন্ত্রী মোদির সঙ্গে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পনেরো দিনের মধ্যেই ফের দুই দিনের সফরে দিল্লি আসছেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা (Sheikh Hasina)। শনিবার, ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠক করবেন তিনি। গত ৯ জুন প্রধানমন্ত্রী পদে নরেন্দ্র মোদির (PM Modi) তৃতীয় শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে বিশেষ আমন্ত্রিত ছিলেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী। শুক্রবার আসছেন পূর্ব নির্ধারিত দ্বিপাক্ষিক সফরে। প্রসঙ্গত, মোদি প্রধানমন্ত্রী পদে তৃতীয় বার শপথগ্রহণের পর হাসিনাই প্রথম বিদেশি রাষ্ট্রপ্রধান, যিনি প্রথম ভারত সফরে আসছেন।

    হাসিনার সফরসূচি

    হাসিনার সচিবালয়ের তরফে জানানো হয়েছে, শুক্রবার বাংলাদেশের স্থানীয় সময় ২টোয় ঢাকা বিমানবন্দর থেকে বিশেষ বিমানে দিল্লির উদ্দেশে রওনা দেবেন হাসিনা (Sheikh Hasina)। সেদিন সন্ধ্যায় দিল্লিতে হাসিনার সঙ্গে সৌজন্যসাক্ষাৎ করবেন ভারতের বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর। শনিবার সকালে দিল্লির হায়দরাবাদ হাউসে শুরু হবে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির (PM Modi) উপস্থিতিতে দু-দেশের শীর্ষস্তরের বৈঠক। তার আগে রাষ্ট্রপতি ভবনে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীকে রাষ্ট্রীয় সংবর্ধনা দেওয়া হবে। সেখান থেকে রাজঘাটে গিয়ে মহাত্মা গান্ধীর সমাধিতে শ্রদ্ধা জানাবেন হাসিনা। বেলার দিকে রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু, উপরাষ্ট্রপতি জগদীপ ধনখড়ের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করবেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী। তাঁর সম্মানে দুপুরে রাষ্ট্রীয় মহাভোজের আয়োজন করা হয়েছে। শনিবার সন্ধ্যা ৬টায় দিল্লি বিমানবন্দর থেকে বিশেষ বিমানে ঢাকার উদ্দেশে রওনা দেবেন হাসিনা।

    নিরাপত্তা বিষয়ে কথা

    বাংলাদেশের বিদেশমন্ত্রক সূত্রে জানা গিয়েছে, শেখ হাসিনার (Sheikh Hasina) এই সফরে ১২ থেকে ১৪টি চুক্তি এবং সমঝোতা স্মারক সই হতে পারে। এর মধ্যে যেসব চুক্তি বা সমঝোতার মেয়াদ শেষ হয়ে গিয়েছে সেগুলির কয়েকটি রিনিউ করা হবে হবে। জানা গিয়েছে, এই বৈঠকে বেশি গুরুত্ব পাবে নিরাপত্তার বিষয়টি। মায়ানমার পরিস্থিতি, রোহিঙ্গা এবং মনিপুরে সংকট, এই অঞ্চলে চিনের প্রভাবসহ সার্বিক নিরাপত্তার বিষয়ে আলোচনা হবে।

    অর্থনীতি নিয়ে আলোচনা

    এছাড়া বৈঠকে গুরুত্ব পাবে অর্থনৈতিক নিরাপত্তা। ভারতের বাংলাদেশে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য সরবরাহ নিশ্চিত করার জন্য সমঝোতা স্মারক সইয়ের সম্ভাবনা রয়েছে বলেও জানা গিয়েছে। বাংলাদেশের বিদেশসচিব মাসুদ বিন মোমেন বলেন, ‘দুই দেশই নিজেদের মধ্যে থাকা সম্পর্ককে এগিয়ে নিয়ে যেতে চাইছে। তাই দুই দেশের প্রধানমন্ত্রীর মধ্যে বৈঠকে এই নিয়েও আলোচনা হবে।’

    তিস্তা চুক্তির পাশে গঙ্গা জলচুক্তি

    তিস্তার পাশাপাশি এবারের আলোচনায় বিশেষ গুরুত্ব পেতে পারে গঙ্গা জলচুক্তি। ২০২৬-এ যেটির মেয়াদ শেষ হবে। সেই চুক্তির নবীকরণ ঢাকার অগ্রাধিকারের তালিকায় আছে। বাংলাদেশের বিদেশসচিব জানান, তিস্তা নিয়েও সেখানে নতুন কিছু নিয়ে আলোচনা হতে পারে। তিনি বলেন, ‘তিস্তা চুক্তির বিষয়টি যে পর্যায়ে আছে তাতে খুব তাড়াতাড়ি ইতিবাচক কিছু ঘটবে এমন পরিস্থিতি দেখা যাচ্ছে না। তবে আশার কথা হচ্ছে, তিস্তা ঘিরে উন্নয়ন প্রকল্প বা সংরক্ষণের বিষয়ে সম্প্রতি ভারত আগ্রহ দেখাচ্ছে।’ তিস্তা প্রকল্পে অর্থ বিনিয়োগ করতেও আগ্রহী ভারত।

    আরও পড়ুন: জম্মু-কাশ্মীরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী, উদ্বোধন-শিলান্যাস ৮৪ প্রকল্পের  

    চিনকে নিয়ে চিন্তা

    ইতিমধ্যেই তিস্তা প্রকল্প নিয়ে উৎসাহ দেখিয়েছে চিন। যা ভাল চোখে দেখছে না দিল্লি। তিস্তা মহা প্রকল্পে একটি জলাধার নির্মাণের কথা বলা হয়েছে। তাতে বাংলাদেশে বর্ষার সময় তিস্তা অববাহিকায় বৃষ্টির জল ধরে রাখা হবে। ওই প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে তিস্তার জল বণ্টন নিয়ে দুই দেশের জল নিয়ে টানাপোড়েনের অবসান ঘটতে পারে। ওই প্রকল্পে অর্থ ও প্রযুক্তিগত সহায়তা দিতে মুখিয়ে আছে চিন। নয়া দিল্লির আশঙ্কা, বাংলাদেশের উত্তর প্রান্তের ওই প্রকল্পে চিনের অংশগ্রহণ ভারতের নিরাপত্তার পক্ষে বিপদের কারণ হতে পারে। নয়াদিল্লির উদ্বেগকে মর্যাদা দিয়ে ঢাকা ওই প্রকল্প নিয়ে এখনও কোনও পদক্ষেপ করেনি। হাসিনার এবারের সফরে ওই প্রকল্পে ভারতের অংশগ্রহণ নিয়ে কথা হতে পারে। জুলাই মাসেই বেজিং সফরে যাওয়ার কথা হাসিনার। তার আগে মুজিব-কন্যার ভারত সফর দুই দেশের কাছেই যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছে কুটনৈতিক মহল।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • India Bangladesh Relation: “একযোগে কাজ করবে ভারত-বাংলাদেশ”, মোদিতে আস্থা রেখে বার্তা হাসিনার

    India Bangladesh Relation: “একযোগে কাজ করবে ভারত-বাংলাদেশ”, মোদিতে আস্থা রেখে বার্তা হাসিনার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির শপথ গ্রহণে যোগ দিতে ভারতে এসেছিলেন বাংলাদেশের (India Bangladesh Relation) প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। দেশে ফেরার আগে মোদিকে বাংলাদেশ সফরের জন্য আমন্ত্রণ জানান হাসিনা। মোদির (PM Modi) নেতৃত্বে আগামী দিনে ভারত এবং বাংলাদেশের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক বজায় থাকবে বলে আশা প্রকাশ করেন মুজিব-কন্যা। হাসিনার কথায়, ‘‘ভারতের বিশ্বস্ত বন্ধু হিসাবে বাংলাদেশ দুই দেশের উন্নতির স্বার্থে এবং এলাকায় শান্তি বজায় রাখতে আগামী দিনেও একযোগে কাজ করবে।’’

    মোদি-হাসিনা বৈঠক

    তৃতীয়বার প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেওয়ার পরপরই বাংলাদেশের (India Bangladesh Relation) প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে বৈঠক করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। বাংলাদেশের বিদেশমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ জানান, বৈঠকে শেখ হাসিনা নরেন্দ্র মোদিকে বাংলাদেশ সফরের আমন্ত্রণ জানিয়েছেন। তিনি বলেন, দুই দেশে একই সরকারের ধারাবাহিকতা থাকায় পারস্পারিক সম্পর্কের মাত্রা আরও দৃঢ় হবে। যার মাধ্যমে উপকৃত হবে উভয় দেশের মানুষ। এছাড়া রাষ্ট্রপতি ভবনে শপথ নেওয়ার পরই নরেন্দ্র মোদির সাথে শুভেচ্ছা বিনিময় করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এসময় দুই নেতা একে অপরের খোঁজ-খবর নেন। এরপর বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সহ অন্যদের নিয়ে রাষ্ট্রপতি ভবনের ব্যাঙ্কোয়েট হলে যান নরেন্দ্র মোদি, যোগ দেন রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুরের দেওয়া নৈশভোজে।

    আরও পড়ুন: চিরঞ্জীবী থেকে অনিল কাপুর! মোদিকে অভিনন্দন বার্তা পর্দার তারকাদের

    বৈঠক প্রসঙ্গে বাংলাদেশের বিদেশমন্ত্রী

    মোদি-হাসিনা বৈঠক প্রসঙ্গে বাংলাদেশের বিদেশমন্ত্রী (India Bangladesh Relation) বলেন, “পরপর তিনবার ভারতের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নরেন্দ্র মোদির (PM Modi) শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে যোগ দিলেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। দুই প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে বাংলাদেশ-ভারতের সম্পর্ক নতুন উচ্চতায় উন্নীত হয়েছে এবং নিকটতম প্রতিবেশী হিসেবে বাংলাদেশ ও ভারতের অনেক কাজের সুযোগ রয়েছে। দুই দেশের জনগণের মধ্যে সংযোগ বাড়াতে পরিকাঠামোর উন্নয়ন সহ আরও উন্নতি প্রকল্পে একযোগে কাজ করতে হবে।” তিনি বলেন, ” শেখ হাসিনা ও নরেন্দ্র মোদির দূরদর্শী নেতৃত্বে বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক নতুন উচ্চতায় পৌঁছেছে। বিদ্যমান দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক আগামী দিনগুলোতে আরও গভীর হবে।”

    ভারত সফরে হাসিনা

    তিনদিনের সফরে ভারতে (India Bangladesh Relation) এসেছিলেন শেখ হাসিনা (Sheikh Hasina)। শনিবার দুপুরে নয়াদিল্লির (New Delhi) বিমানবন্দরে তিনি নামেন। সঙ্গে ছিলেন বাংলাদেশের (Bangladesh) ভারতীয় হাইকমিশনার প্রণয় বর্মা ও ভারতের বাংলাদেশীয় হাইকমিশনার মহম্মদ মুস্তাফিজুর রহমান। রবিবার সন্ধ্যায় রাইসিনা হিলসে তিনি যোগ দেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানে। তার পর রাষ্ট্রপতি ভবনে নৈশভোজে যোগ দেন তিনি। আগেই তৃতীয়বার সরকার গঠনের জন্য প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে (PM Modi) শুভেচ্ছা বার্তা পাঠান হাসিনা। তিনি লেখেন, ‘‘বাংলাদেশের মানুষের তরফে এবং ব্যক্তিগত ভাবে আমি বিজেপির নেতৃত্বাধীন এনডিএ জোটের জয়ের জন্য আপনাকে আন্তরিক শুভেচ্ছা জানাচ্ছি। গণতান্ত্রিক নেতা হিসাবে আপনি ভারতের মানুষের আশা-আকাঙ্ক্ষার বাহক। আপনার এই জয় প্রমাণ করে, ভারত আপনার নেতৃত্বে অটল আস্থা রেখেছে।’’ সোমবার বিকেলেই দেশে ফিরছেন হাসিনা। রাত ৮টা তাঁর ঢাকা পৌঁছনোর কথা। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Narendra Modi: আমন্ত্রিত মোদির শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানে, শুক্রবার ভারতে আসছেন শেখ হাসিনা, প্রচণ্ড

    Narendra Modi: আমন্ত্রিত মোদির শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানে, শুক্রবার ভারতে আসছেন শেখ হাসিনা, প্রচণ্ড

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তৃতীয়বারের জন্য প্রধানমন্ত্রী পদে বসতে চলেছেন নরেন্দ্র মোদি (Narendra Modi)। আগামী ৯ জুন, রবিবার রাষ্ট্রপতিভবনে শপথ নেবেন তিনি। এবার প্রধানমন্ত্রী হলেই দিল্লির মসনদে থাকার নিরিখে ইন্দিরা গান্ধীর রেকর্ড ভাঙবেন মোদি। রবিবার শপথ গ্রহণ উপলক্ষে ইতিমধ্যেই সেজে উঠছে রাষ্ট্রপতি ভবন। ওই দিন অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকার কথা পড়শি দেশগুলির রাষ্ট্রপ্রধানদের। ইতিমধ্যেই অন্য দেশের রাষ্ট্রনেতাদের আমন্ত্রণপত্র পাঠানোর কাজ শুরু হয়ে গিয়েছে বলে খবর। পড়শি দেশ শ্রীলঙ্কা, বাংলাদেশ, ভুটান, নেপালের রাষ্ট্রপ্রধানদের আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে শপথগ্রহণে অংশ নেওয়ার জন্য। আমন্ত্রণপত্র পাঠানো হয়েছে মরিশাসেও।

    আসছেন শেখ হাসিনা

    ইতিমধ্যে জানা গিয়েছে, মোদির (Narendra Modi) শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে হাজির থাকবেন প্রতিবেশী দেশের রাষ্ট্রপ্রধানরা। বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা (Sheikh Hasina) শুক্রবারই ঢাকা থেকে ভারতে আসছেন। রবিবার সন্ধে পর্যন্ত তাঁর দিল্লিতে থাকার কথা রয়েছে। শেখ হাসিনার সঙ্গে ফোনে কথা হয়েছে মোদির। ভারত-ঢাকা মৈত্রী বাড়াতে উদ্যোগী দুজনেই। শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকবেন বলে কথা দিয়েছেন নেপালের প্রধানমন্ত্রী পুষ্পকুমার দাহাল ওরফে প্রচণ্ড।

    কারা কারা থাকবেন

     শ্রীলঙ্কার প্রেসিডেন্ট রনিল বিক্রমসিঙ্ঘেকে শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানে আমন্ত্রণ জানিয়েছেন নরেন্দ্র মোদি (Narendra Modi)। ফোনে দু’জনের মধ্যে কথা হয়েছে, মোদিকে রনিল অভিনন্দনও জানিয়েছেন বলে খবর। রনিলও শপথ অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকবেন বলে জানিয়েছেন। তৃতীয় বারের জন্য প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেওয়ার আগে মোদি পড়শি দেশগুলিকে বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে দেখছেন, তাই সবার আগে ওই সব দেশের রাষ্ট্রনেতাদের আমন্ত্রণ জানানোর প্রস্তুতি শুরু হয়েছে বলে মত রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের। ভুটানের প্রধানমন্ত্রী শেরিং টোবগে, মরিশাসের প্রধানমন্ত্রী প্রবীন্দ যুগনাথকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। বৃহস্পতিবার সরকারি ভাবে আমন্ত্রণপত্র পাঠানো হয়েছে। সৌদি আরব, সংযুক্ত আমিরশাহি এবং মধ্য এশিয়ার দেশগুলিতেও আমন্ত্রণপত্র পাঠানোর তোড়জোড় চলছে বলে খবর। তৃতীয় দফার জন্য ইতিমধ্যেই মোদিকে অভিনন্দন জানিয়েছেন আমেরিকার প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন, রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। শুভেচ্ছা বার্তা এসেছে চিন, মলদ্বীপ থেকেও।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Sheikh Hasina: ‘‘বউদের শাড়িগুলি পুড়িয়ে দিচ্ছেন না কেন?’’ ভারতীয় পণ্য বয়কটকারীদের প্রশ্ন হাসিনার

    Sheikh Hasina: ‘‘বউদের শাড়িগুলি পুড়িয়ে দিচ্ছেন না কেন?’’ ভারতীয় পণ্য বয়কটকারীদের প্রশ্ন হাসিনার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিগত কয়েক সপ্তাহ ধরেই বাংলাদেশি নাগরিকদের একাংশ ভারতীয় পণ্য বর্জনের ডাক দিয়েছে। সমাজ মাধ্যমের পাতায় এর সমর্থনে প্রচারও চলছে। ভারতীয় পণ্য বয়কটকে সমর্থন জানিয়েছে সে দেশের উগ্রবাদী দল বিএনপি। এবার এ নিয়ে মুখ খুললেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা (Sheikh Hasina)। বয়কটকারীদের উদ্দেশে তাঁর প্রশ্ন, ‘‘বউদের শাড়িগুলি পুড়িয়ে দিচ্ছেন না কেন?’’

    ভারতের ওপর নির্ভরশীল বাংলাদেশ 

    প্রসঙ্গত, পেঁয়াজ থেকে শুরু করে অন্যান্য নিত্য প্রয়োজনীয় বহু সামগ্রীর ওপরেই বাংলাদেশকে ভরসা করতে হয় ভারতের ওপর। বহু ভারতীয় সংস্থাও বাংলাদেশে নিজেদের পণ্য উৎপাদন করে। সাবান থেকে শুরু করে খাদ্যদ্রব্য, গাড়ি এমন অনেক কিছুই। এই সমস্ত ভারতীয় সংস্থার বিরুদ্ধেও একই ধরনের প্রচার চালাচ্ছে বাংলাদেশের মৌলবাদী সংগঠনগুলি। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের একাংশের মতে, সদ্য ফের একবার শেখ হাসিনা ক্ষমতায় ফিরেছেন। বিএনপি নেতাদের অভিযোগ হল, ভারতের কারসাজিতেই হাসিনার প্রত্যাবর্তন হয়েছে। তাই তারা ভারত বিরোধী প্রচারে নেমেছে।

    হাসিনা সরকারের কড়া বিবৃতি

    প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা (Sheikh Hasina) এনিয়ে বলেন, ‘‘ভারতীয় পণ্য বর্জন করেন বলছেন, তাদের বউদের কটা ভারতীয় শাড়ি রয়েছে। তাহলে তারা বউদের শাড়িগুলি এনে পুড়িয়ে দিচ্ছেন না কেন? আপনারা বিএনপি নেতাদের এই প্রশ্নটা করুন। বিএনপি যখন ক্ষমতায় ছিল, তখন বহু মন্ত্রীরা ভারতে যেতেন। ওদের বউরা ভারত থেকে শাড়ি কিনে এনে এখানে বেচতেন।’’ এরপরেই তিনি বলেন, ‘‘আমি নিজেও দেখেছি, পাঁচজন মন্ত্রীর বউ একসঙ্গে যাচ্ছে। আমি দেখে বললাম, কী ব্যাপার পাঁচ মন্ত্রীর বউ একসঙ্গে? কলকাতা বিমানবন্দরে আমার চেনাজানা ছিল, আমি বলেছিলাম যে এরা কটা স্যুটকেস নিয়ে আসে (কলকাতায়) আর কটা নিয়ে ফিরে আসেন (ঢাকায়), তা জানাতে। ওরাও বলেছিল, এরা একটা স্যুটকেস নিয়ে আসে আর সাত-আটটা নিয়ে ফেরে।’’

    বাড়িতে হওয়া রান্নায় কতগুলো ভারতীয় মশলা ব্যবহার হয় তার খোঁজ নিন

    হাসিনা (Sheikh Hasina) বয়কটকারীদের উদ্দেশে বলেন, ‘‘যাঁরা ভারতীয় পণ্য বয়কটের স্লোগান তুলছেন তাঁরা আগে নিজেদের বাড়িতে উঁকি দিয়ে দেখুন যে তাঁদের বাড়িতে হওয়া রান্নায় কতগুলো ভারতীয় মশলা ব্যবহার হয়। আগে তার খোঁজ নিন, তারপর ভারতীয় পণ্য বয়কট করার ডাক দিন। তার আগে, এই আন্দোলনে যুক্ত হওয়া বা মদত দেওয়া মানে দ্বিচারিতা করা। যে বিএনপি নেতারা এই আন্দোলনে মদত দিচ্ছেন আগে তাঁরা নিজেদের দলীয় অফিসের সামনে স্ত্রীদের কাছে থাকা ভারতীয় শাড়ি পোড়ান। তাহলেই একমাত্র প্রমাণিত হবে যে তাঁরা ভারতীয় পণ্য বয়কটের বিষয়ে আন্তরিক।’’

    মলদ্বীপের মতো পরিস্থিতি হবে বাংলাদেশেরও?

    প্রসঙ্গত, উপমহাদেশ এমন ভারত বিরোধী প্রচার এর আগে মলদ্বীপে দেখা গিয়েছিল। সে দেশের তিন মন্ত্রী সমাজ মাধ্যমের পাতায় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বিরুদ্ধে বিষোদগার করেছিলেন। তার জেরে মলদ্বীপের পর্যটন ব্যবসা বিপুল ক্ষতির মুখে পড়ে। ভারত বিরোধী এমন অবস্থানে বাংলাদেশের অবস্থা যে সেরকম হতে পারে, তা আগেভাগেই জেনে বয়কটকারীদেরকে কড়া বার্তা দিলেন শেখ হাসিনা (Sheikh Hasina)। এমনটাই মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  WhatsappTelegramFacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Bangladesh Election: বুধে শপথ বাংলাদেশের নতুন সাংসদদের, হাসিনার মন্ত্রিসভা গঠন বৃহস্পতিবার

    Bangladesh Election: বুধে শপথ বাংলাদেশের নতুন সাংসদদের, হাসিনার মন্ত্রিসভা গঠন বৃহস্পতিবার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাংলাদেশের (Bangladesh Election) জাতীয় সংসদের নির্বাচন সমাপ্ত হয়েছে রবিবারই। সেদিন সন্ধ্যা থেকেই শুরু হয় গণনা। নির্বাচনে জয়ী প্রার্থীরা বুধবার অর্থাৎ আজকে শপথ নেবেন বলে জানা গিয়েছে। অন্যদিকে, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নয়া মন্ত্রিসভার শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠান সম্পন্ন (Bangladesh Election) হবে বৃহস্পতির সন্ধ্যায়। মঙ্গলবার সরকারি সূত্রে  এ কথা জানা গিয়েছে। হাসিনার দলের এই বিপুল জয়ে অভিনন্দন জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি সমেত আন্তর্জাতিক মহলে আরও ২০টি দেশ। যার মধ্যে রয়েছে জাপান, থাইল্যান্ড সমেত অন্যান্য দেশ।

    কী বলছেন বাংলাদেশের মন্ত্রিপরিষদ বিষয়ক সচিব

    বাংলাদেশ (Bangladesh Election) সরকারের মন্ত্রিপরিষদ বিষয়ক সচিব মহম্মদ মাহবুব হোসেন মঙ্গলবার বলেন, ‘‘বুধবার সংসদ ভবনে নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যেরা শপথ নেবেন। এর পরে ১১ জানুয়ারি বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ৭টায় মন্ত্রিসভার শপথ অনুষ্ঠানের প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে। বঙ্গভবনে হবে এই শপথ অনুষ্ঠান।’’ প্রসঙ্গত, হাসিনার মন্ত্রিসভায় কারা মন্ত্রী হবেন, সে বিষয়ে কিছু জানান নি তিনি। জানা গিয়েছে, সেদেশের জাতীয় পার্টি (এরশাদ)-এর নির্বাচিত সাংসদেরা বুধবার শপথের অনুষ্ঠানে হাজির থাকবেন না। বাংলাদেশের (Bangladesh Election) সংবিধান অনুযায়ী, প্রথমে স্পিকার শপথ বাক্য পাঠ করান। সেসময় কোনও সাংসদ উপস্থিত থাকতে না পারলে, পরবর্তীকালে এই শপথ বাক্য পাঠ করান প্রধান নির্বাচন কমিশনার। নির্বাচিত সাংসদরা প্রথম বৈঠক থেকে পরববর্তী ৯০ দিন পর্যন্ত হাজির না থাকলে তাঁর আসন শূন্য বলে ধরে নেওয়া হবে।

    ৭ জানুয়ারি ৩০০ আসনে ভোট হয় বাংলাদেশে

    ৭ জানুয়ারি ৩০০ আসনে ভোট হওয়ার কথা ছিল বাংলাদেশে (Bangladesh Election)। কিন্তু ভোট হয় ২৯৮ আসনে। কারণ ১টি আসনে প্রার্থীর মৃত্যু হয় এবং অপর একটি আসনে সব মনোনয়নগুলি বাতিল হয়ে যায়। ২৯৮ আসনের মধ্যে হাসিনার দল পেয়েছে ২২৫ আসন। আওয়ামি লিগ জাতীয় পার্টি (এরশাদ)-কে ২৬টি আসনে প্রতিদ্বন্দিতা করতে দেয়। তারা ১১টিতে জিতেছে। নির্দল ও অন্যরা পেয়েছে ৬২টি। জানা গিয়েছে, জয়ী নির্দলদের বেশিরভাগই আওয়ামি লিগের সদস্য।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Bangladesh Elections 2024: ঐতিহাসিক জয়ে হাসিনাকে শুভেচ্ছা মোদির, আর কী বললেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী?

    Bangladesh Elections 2024: ঐতিহাসিক জয়ে হাসিনাকে শুভেচ্ছা মোদির, আর কী বললেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রবিবারই বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনার প্রণয় ভার্মা সাক্ষাৎ করেছিলেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে। ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির হয়ে জানিয়েছিলেন শুভেচ্ছা। আর সোমবার হাসিনাকে (Bangladesh Elections 2024) ফোন করে শুভেচ্ছা জানালেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী স্বয়ং।

    হাসিনাকে শুভেচ্ছা মোদির

    এ নিয়ে টানা চতুর্থবার বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর কুর্সিতে বসতে চলেছেন নিহত বঙ্গবন্ধু মুজিবুর রহমানের কন্যা হাসিনা। সে দেশের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তাঁর দল জয়ী হয়েছে ২২৫টি আসনে। হাসিনা নিজেও জিতেছেন বিপুল ভোটে। তাঁর এবং তাঁর দল আওয়ামি লীগের ঐতিহাসিক জয়ের জন্য এদিন তাঁকে ফোন করেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী। জয়ের জন্য হাসিনাকে অভিনন্দন জানিয়ে মোদি বলেন (Bangladesh Elections 2024), “ভারত-বাংলাদেশ মৈত্রীকে স্থায়ী করতে ও দু’ দেশের জন-অংশীদারিত্ব শক্তিশালী করতে আমরা অঙ্গীকারবদ্ধ।” এক্স হ্যান্ডেলে লেখা হয়েছে, “শেখ হাসিনার সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী কথা বলেছেন ও সংসদ নির্বাচনে ঐতিহাসিক চতুর্থবারের মতো বিজয়ের জন্য তাঁকে অভিনন্দন জানিয়েছেন।”

    ঐতিহাসিক জয় হাসিনার 

    বাংলাদেশে দ্বাদশতম জাতীয় সংসদ নির্বাচন হয় রবিবার। ভোট গ্রহণ-পর্ব শেষে ওই দিনই শুরু হয় ফল গণনা। গণনা শুরু হওয়ার পর থেকেই দেখা যায় একের পর এক আসনে তরতর করে এগিয়ে যাচ্ছে হাসিনার দল আওয়ামি লীগ। গণনা পুরোপুরি শেষ হতেই জানা যায় হাসিনার দল জয়ী হয়েছে ২২৫টি আসনে। জাতীয় সংসদের আসন সংখ্যা ৩০০। নির্বাচন হয়েছিল ২৯৮টিতে। একটি আসনে প্রার্থীর মৃত্যু ও অন্য একটিতে মনোনয়নপত্র বাতিল হয়ে যাওয়ায় নির্বাচন হয়নি। যে ২৯৮টি আসনে নির্বাচন হয়েছে, তার মধ্যে আওয়ামি লীগ পেয়েছে ২২৫টি। জাতীয় পার্টি (এরশাদ) প্রার্থী দিয়েছিল ২৬টি আসনে। তারা পেয়েছে ১১টি আসন।

    আরও পড়ুুন: পাকিস্তান নয়, রত্নগর্ভা লাক্ষাদ্বীপ এল ভারতেই, লৌহমানবের কীর্তিতে অবাক বিশ্ব

    নির্দল ও অন্যরা জয়ী হয়েছেন ৬২টি কেন্দ্রে। বাংলাদেশে এবারই প্রথম প্রার্থী দিয়েছিল সে দেশের তৃণমূল। সবকটি আসনেই গোহারা হেরেছে তারা। ভোট বয়কট করেছিল খালেদা জিয়ার বিএনপি। হাসিনার জয়ের ফলে ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্কের আরও উন্নতি হবে বলেই আশা আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশেষজ্ঞদের। হাসিনার সঙ্গে বৈঠকের পর ভার্মাও জানিয়েছিলেন, হাসিনার জয়ের জেরে আরও মজবুত হবে ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্ক (Bangladesh Elections 2024)।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

      

  • PM Modi and Hasina Meeting: ভারত-বাংলাদেশ দ্বিপাক্ষিক আলোচনা অত্যন্ত ফলপ্রসূ বললেন মোদি

    PM Modi and Hasina Meeting: ভারত-বাংলাদেশ দ্বিপাক্ষিক আলোচনা অত্যন্ত ফলপ্রসূ বললেন মোদি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আজ নতুন দিল্লিতে ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের দ্বিপাক্ষিক আলোচনা (PM Modi and Hasina Meeting) অত্যন্ত ফলপ্রসূ বলে উল্লেখ করছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। গত ৯ বছরে ভারত-বাংলাদেশের সম্পর্কের অগ্রগতি অত্যন্ত ইতিবাচক। যোগাযোগ এবং বাণিজ্য প্রসারে উভয় দেশ, অত্যন্ত গঠন মূলক প্রয়াস রাখতে পেরে আনন্দিত বলে মন্তব্য করেন মোদি।

    মোদি এবং হাসিনার দ্বিপাক্ষিক বৈঠক (PM Modi and Hasina Meeting)

    শনিবার থেকে দেশের রাজধানী দিল্লিতে জি ২০ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হতে চলেছে। জি ২০ গোষ্ঠী ভুক্ত দেশের রাষ্ট্র প্রধান এবং প্রতিনিধি মণ্ডলের সদস্যরা যোগদান করবেন। দিল্লির প্রগতি ময়দান এবং ভারত মণ্ডপমে সাজোসজো রব। এই সম্মলেনের ঠিক একদিন আগেই ভারত বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এবং শেখ হাসিনা দ্বিপাক্ষিক আলোচনায় (PM Modi and Hasina Meeting) বসেছেন। বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন ভারতের বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর, জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত দোভাল। অপর দিকে বাংলাদেশের পক্ষ থেকে পররাষ্ট্রমন্ত্রী একে আব্দুল মোমেন, পররাষ্ট্রসচিব মাসুদ বিন মোমেন উপস্থিত ছিলেন। এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বাসভবনে।

    বৈঠকের বিষয়

    যদিও এই বৈঠকের বিষয় নিয়ে ভারত এবং বাংলাদেশের বিদেশ মন্ত্রক এখনও কিছুই স্পষ্ট করে জানায় নি, তবে বৈঠকের ছবি বিনিময়ে বেশ উৎফুল্লতা দেখা গেছে উভয় দেশের নেতাদের মুখে। সূত্রের খবর, উভয় দেশের মধ্যে ব্যবসা, বাণিজ্য এবং যোগাযোগ বিষয়ের উপর আলোচনা (PM Modi and Hasina Meeting) হওয়ার সম্ভাবনা ছিল। অবশ্য এই বৈঠকের আগে, বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী একে আব্দুল মোমেন গত বৃহস্পতি বার, বাংলাদেশের সাংবাদিকদের বলেছিলেন, দুই দেশের মধ্যে আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা এবং দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক নিয়ে আলোচনা হবে। উভয় দেশের মধ্যে তিনটি মউ স্বাক্ষর হওয়ার কথাও উল্লেখ করেন। দুই দেশের কৃষি ব্যবস্থা এবং গবেষণা, সাংস্কৃতিক আদান প্রদান এবং উভয় দেশের টাকা এবং রুপি লেনদেনকে সুগম করার মউ স্বাক্ষর হওয়ার বিষয় আলোচানায় থাকার কথা জানিয়ে ছিলেন।

    মোদি কি বললেন ট্যুইটারে?

    প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ট্যুইটারে বলেন যে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে ফলপ্রসূ আলোচনা (PM Modi and Hasina Meeting) হয়েছে। গত ৯ বছরে ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্কের অগ্রগতি খুবই আনন্দদায়ক। তিনি আরও বলেন, দুই দেশের যোগাযোগ, বাণিজ্য সংযোগের মতন আরও অনেক বিষয় আলোচনার মধ্যে এসেছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • G-20: জি-২০ শীর্ষ সম্মেলনে ভারতে আসছেন শেখ হাসিনা, বৈঠকের সম্ভাবনা মোদির সঙ্গে

    G-20: জি-২০ শীর্ষ সম্মেলনে ভারতে আসছেন শেখ হাসিনা, বৈঠকের সম্ভাবনা মোদির সঙ্গে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারত সফরে আসছেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। আগামী সেপ্টেম্বরের ৯ এবং ১০ তারিখে জি-২০ (G-20) শীর্ষ সম্মেলনে যোগ দেওয়ার কথা রয়েছে তাঁর। রবিবারই এক বিবৃতিতে এমনটা জানিয়েছেন বাংলাদেশের ডেপুটি হাই কমিশনার আন্দলিব ইলিয়াস।

    আরও পড়ুন: নীরজের ছোড়া বর্শায় বিঁধল সোনা, বিশ্ব চ্যাম্পিয়নশিপ জিতলেন ভারতীয় ক্রীড়াবিদ

    কী বললেন বাংলাদেশের ডেপুটি হাইকমিশনার?

    রবিবারই কলকাতাতে ভারত-বাংলাদেশ মৈত্রী সংঘের উদ্যোগে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমানের ৪৮ তম মৃত্যুবার্ষিকী ও জাতীয় শহিদ দিবস পালিত হয়। এই অনুষ্ঠানে হাজির ছিলেন বাংলাদেশের আওয়ামি লিগের নেতা মেহবুবুল আলম হানিফ। বাংলাদেশের ডেপুটি হাই কমিশনার আন্দালিব ইলিয়াসকেও এই অনুষ্ঠানে দেখা যায়। এখানেই ডেপুটি হাই কমিশনার বলেন, “জি-২০ সম্মেলনে (G-20) যোগ দিতে ভারতে আসছেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। আশা করছি সম্মেলনের (G-20) পাশাপাশি ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার মধ্যে দ্বিপাক্ষিক বৈঠকও হবে।” 
    অন্যদিকে গত বুধবার চাঁদের দক্ষিণ মেরুতে প্রথম কোনও দেশ হিসেবে অবতরণ করেছে ভারত। এ নিয়ে অভিনন্দনও জানান ডেপুটি হাই কমিশনার। তিনি বলেন, “চন্দ্রযান-৩ এর সাফল্যে আমরা ভারতের জন্য গর্বিত।”

    ৯ এবং ১০ সেপ্টেম্বর নয়া দিল্লির প্রগতি ময়দানে অনুষ্ঠিত হচ্ছে জি-২০ শীর্ষ সম্মেলন (G-20)

    চলতি জি-২০ শীর্ষ (G-20) সম্মেলনে সভাপতিত্বের দায়িত্ব পেয়েছে ভারত। জি-২০ শীর্ষ সম্মেলন (G-20) অনুষ্ঠিত হতে চলেছে ৯-১০ সেপ্টেম্বর দিল্লির প্রগতি ময়দানে। বিশ্বের রাষ্ট্রনেতাদের সেখানে হাজির থাকতে দেখা যাবে। যদিও রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন এই সম্মেলনে (G-20) যোগ দিতে আসছেন না। এক বিবৃতিতে রাশিয়া সরকার এ কথা জানিয়েছে। জি-২০ শীর্ষ সম্মেলনে (G-20) ভারতে পা রাখবেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন, চিনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং, ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইম্যানুয়েল মাক্রঁ, কানাডার প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডো, বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা প্রমুখ।  প্রসঙ্গত চলতি মাসে দক্ষিণ আফ্রিকায় ব্রিকস সম্মেলনেও বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে সাক্ষাৎ হয় ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Bangladesh Elections 2024: হাসিনার সঙ্গে সাক্ষাৎ ভারতীয় রাষ্ট্রদূতের, কী বললেন জানেন?

    Bangladesh Elections 2024: হাসিনার সঙ্গে সাক্ষাৎ ভারতীয় রাষ্ট্রদূতের, কী বললেন জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ডবল সেঞ্চুরি পার আওয়ামি লিগ। বাংলাদেশের দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দুশোর বেশি আসনে জয়ী (Bangladesh Elections 2024) হয়েছে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দল। হাসিনার জয়ে উচ্ছ্বসিত ভারত। সোমবার প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনার প্রণয় ভার্মা। সেখানে তিনি ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি সাধারণ নির্বাচনে জয়ের জন্য তাঁকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন বলে হাসিনাকে জানান ভার্মা।

    হাসিনা-ভার্মা বৈঠক

    বস্তুত ভার্মাই প্রথম দূত, যিনি হাসিনার সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন এবং সাধারণ নির্বাচনে জয়ের জন্য শুভেচ্ছা জানিয়েছেন। আওয়ামি লীগ সরকারের নয়া ইনিংসে ভারত-বাংলাদেশের সম্পর্ক আরও মজবুত হবে বলেও আশা প্রকাশ করেন ভার্মা। দুই দেশই তাদের জাতীয় উন্নয়নে সাহায্য করবে বলেও আলোচনা হয়েছে হাসিনা-ভার্মা বৈঠকে। ভারত যে সব সময় বাংলাদেশের পাশে রয়েছে, বৈঠকে তাও জানান ভার্মা। বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীকে তিনি জানান, বাংলাদেশ যাতে স্থায়ী, উন্নত ও সমৃদ্ধশালী একটি দেশ হিসেবে গড়ে উঠতে পারে, সেজন্য সাহায্যের হাত (Bangladesh Elections 2024) বাড়াবে ভারত। বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে যেভাবে ভারত পাশে ছিল, দুই দেশের মধ্যে দীর্ঘদিনের যে বন্ধুত্ব, তাও অটুট থাকবে বলে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীকে জানিয়ে দেন ভার্মা।

    বিপুল ভোটে জয়ী হাসিনা 

    রবিবারই হয়েছে বাংলাদেশের সাধারণ নির্বাচন। ভোট বয়কটের ডাক দিয়েছিল খালেদা জিয়ার বিএনপি। যদিও তাতে সাড়া দেয়নি বাংলাদেশের নাগরিকরা। নির্বাচনে অংশ নিয়েছিল বিএনপি বাদে সে দেশের সব রাজনৈতিক দলই। বহু নির্দল প্রার্থীও ছিলেন নির্বাচনী ময়দানে। গোপালগঞ্জ-৩ কেন্দ্রে বিপুল ভোটে জয়ী হন আওয়ামি লীগ সুপ্রিমো হাসিনা। তিনি পেয়েছেন ২ লাখ ঊনপঞ্চাশ হাজার ৯৬২টি ভোট। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী মহম্মদ আতিকুর রহমান পেয়েছেন মাত্র ৬ হাজার ৯৯৯টি ভোট। প্রধানমন্ত্রীর আর এক প্রতিদ্বন্দ্বী মাহবুর মোল্লার ঝুলিতে পড়েছে মোটে ৪২৫টি ভোট।  

    আরও পড়ুুন: সাসপেন্ড নয়, তিন মন্ত্রীকে বরখাস্ত করতে হবে, মলদ্বীপকে জানিয়ে দিল ভারত

    এনিয়ে হাসিনা সংসদে গেলেন পাঁচ বার। হাসিনার দল জয়ী হয়েছে ২২৩টি আসনে। রবিবার ভোটগ্রহণ শেষেই শুরু হয় গণনা। প্রথম থেকেই বিভিন্ন কেন্দ্রে এগিয়ে ছিলেন হাসিনার দলের প্রার্থীরা। গণনা শেষে দেখা যায় ২২৩টি কেন্দ্রে জয় পেয়েছে আওয়ামি লীগ। ফল বের হওয়ার ঢের আগেই হাসিনা দলীয় নেতা-কর্মীদের কোনওরকম প্ররোচনার ফাঁদে পা দিতে নিষেধ করেন। কোনও দলের নেতা-কর্মীদের সঙ্গে যাতে তাঁর দলের নেতা-কর্মীরা মারপিটে জড়িয়ে না পড়েন, সে ব্যাপারেও সর্তক করে দিয়েছিলেন (Bangladesh Elections 2024) হাসিনা।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

LinkedIn
Share