Tag: Sheikh Hasina

Sheikh Hasina

  • Bangladesh Crisis: ৭ হাজারের বেশি ভারতীয় পড়ুয়া বাংলাদেশ থেকে দেশে ফিরেছেন, জানাল কেন্দ্র

    Bangladesh Crisis: ৭ হাজারের বেশি ভারতীয় পড়ুয়া বাংলাদেশ থেকে দেশে ফিরেছেন, জানাল কেন্দ্র

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শেখ হাসিনা পদত্যাগ করার পরও অশান্ত বাংলাদেশ। আর আগে কোটা বিরোধী আন্দোলনকে কেন্দ্র করে জুলাই মাস থেকে অগ্নিগর্ভ পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল। এখনও দেশজুড়ে বিক্ষিপ্ত হিংসার ঘটনা ঘটেই চলেছে। এই পরিস্থিতির পরিপ্রেক্ষিতে কত ভারতীয় পড়়ুয়া বাংলাদেশ (Bangladesh Crisis) থেকে দেশে ফিরেছেন রাজ্যসভায় সেই তথ্য দিয়েছেন বিদেশ প্রতিমন্ত্রী কীর্তি বর্ধন সিং।

    ৭২০০ বেশি ভারতীয় পড়ুয়া বাংলাদেশ থেকে ফিরেছেন (Bangladesh Crisis)

    বৃহস্পতিবার রাজ্যসভায় মন্ত্রীকে জিজ্ঞাসা করা হয়েছিল যে, শিক্ষা বা ব্যবসার উদ্দেশ্যে বাংলাদেশে (Bangladesh Crisis) বসবাসকারী ভারতীয়দের মোট সংখ্যা কত? বাংলাদেশে বসবাসরত গুজরাটের লোকের সংখ্যা এবং হিংসায় বিধ্বস্ত প্রতিবেশী বাংলাদেশ থেকে ভারতীয় নাগরিকদের সরিয়ে নেওয়ার জন্য কোনও বিশেষ অভিযান শুরু হয়েছে কিনা। এই বিষয়ে বিদেশ প্রতিমন্ত্রী কীর্তি বর্ধন সিং বলেন, আমাদের রেকর্ড অনুযায়ী, বাংলাদেশে ১৯ হাজার ভারতীয় রয়েছেন। তারমধ্যে ৯ হাজারের বেশি ছাত্র রয়েছে। গত কয়েক সপ্তাহে ৭ হাজার ২০০ জনের বেশি ভারতীয় পড়ুয়া বাংলাদেশ থেকে ভারতে ফিরে এসেছেন। বাংলাদেশে ভারতীয় শিক্ষার্থীরা জম্মু ও কাশ্মীর কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল এবং গুজরাট, উত্তরপ্রদেশ, বিহার, তামিলনাড়ু, রাজস্থান, পশ্চিমবঙ্গ, ত্রিপুরা এবং অসম রাজ্যের। বাংলাদেশে আমাদের মিশন এবং পোস্টগুলি রাজ্যভিত্তিক তালিকা রক্ষণাবেক্ষণ করে না। তিনি আরও বলেন, ঢাকায় ভারতীয় হাইকমিশন এবং চট্টগ্রাম, রাজশাহী, সিলেট ও খুলনায় সহকারি হাইকমিশনগুলো ভারতীয় নাগরিকদের স্বেচ্ছায় প্রত্যাবর্তনে সাহায্য করছে। ভারত-বাংলাদেশ সীমান্ত, বিমানবন্দর ও স্থলবন্দরে অপেক্ষারত পড়ুয়াদের নিরাপত্তার জন্য বাংলাদেশের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গেও সমন্বয় করছে কেন্দ্রীয় সরকার। ১৮ জুলাই থেকে শুরু করে ১ অগাস্ট পর্যন্ত ৭২০০ বেশি ভারতীয় ছাত্র ভারতে ফিরে এসেছেন।  

    আরও পড়ুন: আজ দেশজুড়ে পালিত হচ্ছে নাগ পঞ্চমী, জানুন পৌরাণিক কাহিনী

    চিনা প্রভাব নিয়ে কী বললেন মন্ত্রী?

    বিদেশ প্রতিমন্ত্রী তথ্য ভাগ করে বলেন, ‘‘ইমিগ্রেশন, রিফিউজিস অ্যান্ড সিটিজেনশিপ কানাডা (IRCC) এর ওয়েবসাইট থেকে প্রাপ্ত তথ্য অনুসারে, কানাডিয়ান বিশ্ববিদ্যালয়গুলিতে ভারতীয় (Indian) ছাত্রের ভর্তি গত তিন বছরে বেড়েছে। ২০২১ সালে ছিল ২,১৬,৩৬০ জন। ২০২২ সালে তা বেড়ে হয় ৩, ১৮,৩৮০ জন। আর ২০২৩ সালে সংখ্যা আরও বেড়ে হয় ৪,২৭,০৮৫ জন।’’ ভারতের প্রতিবেশী দেশগুলিতে ‘ক্রমবর্ধমান চিনা প্রভাব’ সম্পর্কে সরকার সচেতন কিনা তা মন্ত্রীর কাছে জানতে চাওয়া হয়। এই প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, “প্রতিবেশী দেশের সঙ্গে আমাদের সম্পর্ক দ্বিপাক্ষিক ভিত্তির ওপর দাঁড়িয়ে। তৃতীয় পক্ষের সঙ্গে এই দেশগুলির সম্পর্ক থেকে যা স্বাধীন। সরকার ভারতের জাতীয় নিরাপত্তার ওপর প্রভাব ফেলে এমন সমস্ত উন্নয়নের ওপর সজাগ দৃষ্টি রাখে। আর এটি রক্ষা করার জন্য প্রয়োজনীয় সমস্ত ব্যবস্থা নেয়।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • PM Modi: হিন্দুদের নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করার আহ্বান, ইউনূসকে শুভেচ্ছা মোদির

    PM Modi: হিন্দুদের নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করার আহ্বান, ইউনূসকে শুভেচ্ছা মোদির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান মহম্মদ ইউনূসকে (Muhammad Yunus) শুভেচ্ছা জানালেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। পাশাপাশি, বাংলাদেশের (Bangladesh Crisis) সংখ্যালঘু হিন্দুদের রক্ষা করার আহ্বানও জানালেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী। সমাজ মাধ্যমের পাতায় মহম্মদ ইউনূসকে শুভেচ্ছা জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi) লিখেছেন, ‘‘নতুন দায়িত্ব পাওয়ার মহম্মদ ইউনূসকে শুভেচ্ছা। আশা করি বাংলাদেশের পরিস্থিতি স্বাভাবিক হবে।’’ তারপরেই তিনি লিখেছেন, ‘‘বাংলাদেশে হিন্দু এবং অন্য সংখ্যালঘুদের সুরক্ষা ও নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করা হবে বলে আমরা আশা করছি।’’

    ৮৪ বছর বয়সি ইউনূস ২০০৬ সালেই পেয়েছিলেন নোবেল

    প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ট্যুইট বার্তায় আরও জানিয়েছেন, ভারত বাংলাদেশের সঙ্গে শান্তি, নিরাপত্তা ও উন্নয়নের জন্য উভয় দেশের জনগণের যৌথ আশা-আকাঙ্ক্ষা পূরণে কাজ করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। প্রসঙ্গত, ৮৪ বছর বয়সি মহম্মদ ইউনূস হলেন একজন অর্থনীতিবিদ। বর্তমানে বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান। ২০০৬ সালে তাঁর গ্রামীণ ব্যাঙ্ক ভাবনার জন্য তিনি নোবেল শান্তি পুরস্কার পেয়েছিলেন। এর পাশাপাশি, নানান জাতীয় আন্তর্জাতিক স্তরের সম্মানও পেয়েছেন তিনি।

    বাংলাদেশে হিন্দু নির্যাতন, মোদিকে (PM Modi) চিঠি ছাত্রীর

    প্রসঙ্গত, অশান্ত বাংলাদেশে হিন্দুদের অবস্থা খুবই খারাপ। বাংলাদেশের হিন্দুদের দুর্দশা নিয়ে এক কিশোরী প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে (PM Modi) চিঠি লেখেন। বৃহস্পতিবারই সামনে আসে ওই চিঠি। হিন্দুদের করুণ অবস্থার কথা বর্ণনা করে ওই ছাত্রী লেখেন, ‘‘এ দেশে সব চেয়ে খারাপ যে জিনিসটা ঘটছে, তা হল হিন্দুদের ওপর নিয়মতান্ত্রিক আক্রমণ ও নির্যাতন। আমরা খুব খারাপ অবস্থায় আছি, যা ভাষায় বর্ণনা করতে পারব না। চরমপন্থী ও সন্ত্রাসী গোষ্ঠী আমাদের ওপর অকল্পনীয় নির্যাতন শুরু করেছে। মহিলারা ধর্ষিত (Bangladesh Crisis) হচ্ছেন। ওরা বাড়িঘর-মন্দিরে গুলি চালাচ্ছে। হিন্দুদের ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানে লুটপাট চালাচ্ছে, ভাঙচুর করছে। লাখ লাখ টাকা চাঁদা চাইছে। না দিলে খুনের হুমকি দিচ্ছে। সোশ্যাল মিডিয়ায় সবাই যা দেখছে, তার চেয়েও খারাপ অবস্থা। আমাদের দেশ ছেড়ে চলে যেতে বলা হচ্ছে। এ দেশে সব অধিকার নিয়ে বেঁচে থাকার অধিকার আমাদের রয়েছে। আমি একে চিরতরে বাজে লোকদের হাতে ছেড়ে দেওয়ার মধ্যে ভালো কিছু দেখি না। বরং এই অপশক্তিকে রুখতে সকলের এগিয়ে আসা উচিত। আমি মনে করি, এ পৃথিবীতে ওদের বেঁচে থাকার অধিকার নেই।’’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Kolkata Protest Rally: বাংলাদেশে হিন্দুদের ওপর অত্যাচার, প্রতিবাদে পথে নামলেন এপারের হিন্দুরা

    Kolkata Protest Rally: বাংলাদেশে হিন্দুদের ওপর অত্যাচার, প্রতিবাদে পথে নামলেন এপারের হিন্দুরা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাংলাদেশের হিন্দুদের ওপর অত্যাচারের (Bangladesh Crisis) প্রতিবাদে পথে নামলেন (Protest Rally) কলকাতার সাধারণ মানুষ। যাদবপুরের ৮বি বাসস্ট্যান্ড থেকে বিভিন্ন হিন্দুত্ববাদী সংগঠনের কর্মীদের পাশাপাশি সাধারণ মানুষ এই কর্মসূচিতে পা মেলালেন। ছিল না কোনও দলের পতাকা। শুধুমাত্র ওপারের হিন্দুদের অধিকারের তাগিদে এই কর্মসূচি আয়োজিত হয়।

    ওপারের কান্নায় এপারের চোখ ভিজল (Protest Rally)

    অন্যদিকে, অপর একটি মিছিল (Protest Rally) শিয়ালদা থেকে বাংলাদেশ হাইকমিশনে পৌঁছয়। বাংলাদেশের হিন্দুদের উপর ক্রমবর্ধমান অত্যাচারের (Bangladesh Crisis) প্রতিবাদে এই মিছিলের পা মিলান হাজারো প্রতিবাদী মানুষ। প্রতিবাদীরা মানববন্ধন তৈরি করেন। ওপার বাংলায় প্রাণ হারানো হিন্দুদের স্মরণে মোমবাতি জ্বালান। মুসলিম মৌলবাদীদের হাত থেকে বাংলাদেশের সংখ্যালঘু হিন্দুদের বাঁচানোর দাবিও তোলেন তাঁরা। এদিনের অনুষ্ঠানের উপস্থিত ছিলেন অধ্যাপক মোহিত রায়, লেখক সন্দীপ বাগচী সহ অনেক বিশিষ্ট বর্গ।

    বামপন্থী ও সেলিব্রিটিরা চুপ কেন (Bangladesh Crisis)

    বর্তমানে যে সময় এই আন্দোলন চলছে, তখন বাংলাদেশে সেনা নিজেদের হাতে শাসন ক্ষমতা তুলে নিয়েছে। একটি অন্তবর্তী সরকার গঠনের চেষ্টা চলছে। তাঁরাও কতদূর কী করতে পারবেন তা নিয়ে সন্দেহ রয়েছে। গাজা থেকে প্যালেস্টাইন, ইসলামিক দুনিয়ায় কোনও অত্যাচারের অভিযোগ হলে, যারা প্রতিবাদে মুখরিত হন, সেই যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের কিংবা টলিউডের তরফে এখনও বাংলাদেশের হিন্দুদের অত্যাচারের (Bangladesh Crisis) বিষয়ে কোনও (Protest Rally) প্রতিক্রিয়া নেই। সেলিব্রেটি এবং বামপন্থীদের ‘সিলেক্টিভ’ প্রতিবাদ নিয়ে ইতিমধ্যেই সরব হয়েছে নেটদুনিয়া। বাংলাদেশের ছাত্র আন্দোলনকে যাঁরা সমর্থন জানিয়েছিলেন, সেই সমস্ত বামপন্থী এবং অভিনয় জগতের সেলিব্রেটিরাও বাংলাদেশে হিন্দুদের ঘরবাড়ি জ্বালিয়ে দেখার দৃশ্য দেখেও যেন দেখতে পারছেন না। যাঁরা #alleyesonrafah লিখে ফেসবুক ভরিয়ে দিচ্ছিলেন, তাঁদের #alleyesonbangladesh লেখার সময় কি পাচ্ছেন না?

     

     

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Bangladesh Crisis: ‘‘ধর্ষণ করছে, মেরে ফেলার হুমকিও দিচ্ছে’’, বাংলাদেশি হিন্দু নারীদের মুখে দুর্দশার কথা

    Bangladesh Crisis: ‘‘ধর্ষণ করছে, মেরে ফেলার হুমকিও দিচ্ছে’’, বাংলাদেশি হিন্দু নারীদের মুখে দুর্দশার কথা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শেখ হাসিনা পদত্যাগ করার পর থেকেই বাংলাদেশের পরিস্থিতি (Bangladesh Crisis) যেন ক্রমাগত খারাপ হচ্ছে। বর্তমানে দেশের দখল নিয়েছে সেনাবাহিনী। কিন্তু তাতে অবস্থার যে খুব একটা উন্নতি হয়েছে এমনটা নয়। দেশজুড়ে সংখ্যালঘু হিন্দুদের বাড়িঘর, মন্দির এবং ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে হামলা চালানো হয়েছে। এমনকী, বর্বরোচিত অত্যাচারের হাত থেকে বাদ যাননি হিন্দু সম্প্রদায়ের মহিলারাও (Hindu women in Bangladesh)। জানা গিয়েছে, বাংলাদেশের হিন্দু নারীদের ওপর ব্যপক অত্যাচার চলছে। শ্লীলতাহানি ও ধর্ষণের মত অভিযোগও উঠেছে। 

    হিন্দু সম্প্রদায়ের মহিলাদের ওপর অত্যাচার (Bangladesh Crisis)

    এই চরম অস্থিরতার সময় বাংলাদেশি হিন্দু নারীদের ওপর যেভাবে অত্যাচার চলেছে এবার সেই প্রসঙ্গে মুখ খুললেন নির্যাতিতারা। ৮ অগাস্ট স্যোশাল মিডিয়ায় শেয়ার করা একটি ভিডিওতে বাংলাদেশের পিরোজপুর জেলার বিভিন্ন এলাকার বেশ কয়েকজন হিন্দু মহিলা (Hindu women in Bangladesh) তাঁদের দুর্দশার কথা বর্ণনা করেছেন। তাঁদের মধ্যে একজন ভুক্তভোগী বলেন, ”ওরা তলোয়ার ও ধারালো অস্ত্র নিয়ে এসেছিল। বাড়ি থেকে সব নিয়ে গেছে। প্রাণ বাঁচানোর জন্য, আমাদের কাছে যা ছিল সবই দিয়েছি।” আরেক মহিলা বলেন, ”রাতে, ওরা এসেছিল। আমাদের বাড়িঘর ভাংচুর করে সবকিছু লুট করে নিয়ে গেছে। আমি লুকিয়ে ছিলাম। কিন্তু ওরা আমার ভাইয়ের স্ত্রীকে ধরে অন্য ঘরে নিয়ে যায়। তাঁকে ধর্ষণ করে। পরে আমরা তাঁকে উদ্ধার করি। সে সময় তাঁর মুখ কাপড় দিয়ে বাঁধা ছিল। ওরা তাঁর গলা কেটে ফেলতে চেয়েছিল। ওকে বাঁচানোর জন্য আমরা আমাদের সব সোনার গয়না দিয়ে দিয়েছি।”     

    অন্যদিকে, তৃতীয় আরেক মহিলা (Hindu women in Bangladesh) অনুরূপ ঘটনার বর্ণনা দিয়ে বলেছেন, ”আমরা রাতে ঘুমাচ্ছিলাম। তখনই ওরা এসেছিল। ওদের সঙ্গে অস্ত্রশস্ত্র ছিল। ওরা আমাদেরকে সতর্ক করে বলেছিল, ‘আমাদের পঞ্চাশ জন লোক তোমার বাড়ি ঘেরাও করে রেখেছে, তোমার পালানোর কোনও পথ নেই।’ এরপর ওরা সবকিছু লুট করেছে। আমাকে ধরে বিছানায় নিয়ে গিয়ে মেরে ফেলার হুমকিও দেয়। আমি তাদের কাছে অনুরোধ করেছিলাম যে হয় আমাকে রেহাই দাও অথবা আমাকে মেরে ফেলো। এরপর ওরা আমাকে কান্না থামানোর জন্য হুমকি দিতে থাকে। আমাদের কাছে যা কিছু মূল্যবান জিনিসপত্র ছিল সব দিতে বলেছিল ওরা। নিজের প্রাণ বাঁচাতে তাই আমি বাধ্য হয়ে আমার সমস্ত গয়না ওদের দিয়ে দিয়েছিলাম। সেসব নিয়ে বাড়ি থেকে চলে যায় ওরা।” 

    হিন্দুদের ওপর হামলা অব্যাহত, ভাঙচুর মন্দিরে (Bangladesh Crisis)

    প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পদত্যাগ করার পর বাংলাদেশের পরিস্থিতি অন্যদিকে মোড় নিতে শুরু করেছে। অশান্তির সঙ্গে সঙ্গে এবার সাম্প্রদায়িক সংঘর্ষের অভিযোগ ও উঠতে শুরু করেছে। হিন্দু মহিলাদের নির্যাতনের পাশাপাশি জলছে সংখ্যালঘুদের ঘর। একাধিক মন্দিরে ও হামলা চালানো হয়েছে। এ প্রসঙ্গে বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদ দাবি করে, সেদেশের ২৯টি জেলায় সংখ্যালঘুদের ওপরে হামলা চালানো হয়েছে। অরাজনৈতিক সাধারণ মানুষের বাড়ি, ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানে ভাঙচুর চালানো হয়েছে বলে অভিযোগ। ভাঙা হয়েছে মন্দিরও।  

    জানা গিয়েছে, নাটোর, ঢাকার ধামরাই, পটুয়াখালির কলাপাড়া, শরিয়তপুর ও ফরিদপুরের একাধিক মন্দিরে ভাঙচুর (Bangladesh Crisis) করা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে ফেনি শহরের দুর্গামন্দির, দিনাজপুরের পার্বতীপুর কালীমন্দির সহ আরও পাঁচটি মন্দির, যেখানে হামলা ও ভাঙচুর করা হয়। এছাড়াও ঠাকুরগাঁওয়ের পীরগঞ্জের ২ নম্বর ইউনিয়নের শ্মশান মন্দিরে হামলা চালিয়ে অগ্নিসংযোগ করা হয় এবং নেত্রকোনা শহরে রামকৃষ্ণ মিশন এবং ইস্কন মন্দিরে ভাঙচুর চালায় বিক্ষোভকারীরা। পুড়িয়ে ছাই হয়ে যায় জগন্নাথ বিগ্রহ। একইসঙ্গে যশোর, নোয়াখালি, মেহেরপুর, চাঁদপুর ও খুলনার একাধিক বাড়িঘরে হামলা চলেছে। 

    এমনকী, দিনাজপুরে হিন্দুদের ৪০টি দোকান ভাঙচুর করা হয়। যশোরে অন্তত ৫০টি হিন্দু বাড়িতে হামলা চালায় উন্মত্ত জনতা। ভাঙচুর, লুটপাট, ডাকাতির মতো ঘটনার পর আগুন লাগিয়ে দেওয়া হয় বাড়িগুলিতে। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, দোকানে ভাঙচুর করে মালপত্র লুট করা হয়। এহেন পরিস্থিতিতে সংখ্যালঘুদের আশ্বস্ত করতে জেলায়-জেলায় হেল্পলাইন নম্বর চালু করেছে বাংলাদেশ সেনা। 

    ভারত আসতে চাইছেন বাংলাদেশি হিন্দুরা

    এদিকে, সংখ্যালঘুদের ওপর হামলার ঘটনার (Bangladesh Crisis) পরেই আতঙ্কে ভারত বাংলাদেশ বর্ডারের কাছে বহু বাংলাদেশি জড়ো হয়েছিলেন বলে খবর।  বুধবার দুপুর ১ টা নাগাদ প্রায় ৩০০ বাংলাদেশি ভারতে অনুপ্রবেশ করার চেষ্টা করেন। তবে কাঁটাতার পেরিয়ে বাংলাদেশ থেকে ভারতে আসার আগেই তাদের আটকে দিতে সক্ষম হয়েছে বিএসএফ। শরণার্থীদের নিজেদের দেশে ফিরে যেতে অনুরোধ করলে শরণার্থীরা জানান, বিএসএফ পারলে গুলি করে তাঁদের মেরে দিক, কিন্তু তাঁরা দেশে ফিরে যাবেন না। এ প্রসঙ্গে, হলদিবাড়ি ছিটমহলের বাসিন্দা জয়প্রকাশ রায় বলেন, ‘‘মহিলারা আর্তনাদ করছেন। বাঁচান বাঁচান বলে চিৎকার করছেন। একটু আশ্রয় চাইছেন। এ দৃশ্য দেখা যায় না!’’ 

    আরও পড়ুন: ‘‘বাঁচান, আশ্রয় দিন…’’! ভারত-সীমান্তে ভিড় বাংলাদেশি শরণার্থীদের, রুখল বিএসএফ

    কী জানাল ভারতের বিদেশমন্ত্রক?   

    বাংলাদেশে সংখ্যালঘুদের উপর অত্যাচার (Bangladesh Crisis)প্রসঙ্গে ভারতের বিদেশমন্ত্রকের তরফে বলা হয়েছে যে, গোটা বিষয়গুলি সম্পর্কে কেন্দ্র অবগত। একাধিক পদক্ষেপ করা হয়েছে। তবে আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতি পুরোটা না ফেরা পর্যন্ত উদ্বেগ রয়েছে। আইন ও সরকারের দায়িত্ব হল সমস্ত নাগরিকদের সুরক্ষা যাতে বজায় থাকে। এটা সেই দেশের স্বার্থরক্ষার জন্য দরকার। বৃহত্তরক্ষেত্রে এটা দরকার। 

    বাংলাদেশের এই পরিস্থিতি প্রসঙ্গে বিজেপি নেতা দিলীপ ঘোষ মন্তব্য করে বলেন, ”কোনও ইসলামিক দেশে গণতন্ত্র সফল হয় না, এটা তার প্রমাণ। কিছু গণ্ডগোল হলেই ওখানে হিন্দুদের ওপরে অত্যাচার হয়। তারা পালিয়ে আসেন। আবার সেটা হচ্ছে। কিন্তু তাঁদের হয়ে কেউ কথা বলছে না। কেউ জামাতিদের কথা বলছে, কেউ স্বৈরতন্ত্রের কথা বলছে। বাংলাদেশে হিন্দুদের ওপর অত্যাচার হলে এখানে তার প্রতিক্রিয়া হওয়ার সম্ভবনা রয়েছে। বাংলাদেশের জনগণের সেখানে সরকার বদলের অধিকার রয়েছে। কিন্তু তা বলে প্রতিবার সরকার বদলের সঙ্গে সঙ্গে হিন্দুদের ওপর অত্যাচার বন্ধ করতে হবে।” 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Bangladesh Crisis: “ভারতে নিরাপদেই রয়েছি, দুশ্চিন্তা পরিবারের জন্য”, বললেন আলিগড়ের বাংলাদেশি পড়ুয়া

    Bangladesh Crisis: “ভারতে নিরাপদেই রয়েছি, দুশ্চিন্তা পরিবারের জন্য”, বললেন আলিগড়ের বাংলাদেশি পড়ুয়া

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গত এক মাস ধরে অগ্নিগর্ভ পরিস্থিতি গোটা বাংলাদেশ জুড়ে। হাসিনা পদত্যাগ করার পরও হিংসা থামেনি (Bangladesh Crisis)। মৃত্যুমিছিল অব্যাহত। ধারাবাহিক এই অশান্তির মধ্যে আলিগড় মুসলিম বিশ্ববিদ্যালয়ের (Aligarh Muslim University) (এএমইউ) বেশ কয়েকজন বাংলাদেশি শিক্ষার্থী জানিয়ে দিলেন। তাঁরা ভারতের মধ্যে নিরাপদ বোধ করছেন। বরং অস্থির পরিস্থিতির মধ্যে স্বদেশে ফিরতেই তাঁরা ভয় পাচ্ছেন।  

    পরিবারের জন্য উদ্বেগ আলিগড়ের বাংলাদেশি ছাত্রীর (Bangladesh Crisis)

    এএমইউ-র (Aligarh Muslim University) একজন পিএইচডি ছাত্রী পায়েল রায় বলেন, “বাংলাদেশে (Bangladesh Crisis) আমার বাড়ি গ্রামে। অশান্তি হওয়ার পর দেশে যেতে পারিনি। আর এখন যা পরিস্থিতি, তাতে পরিবারের কাছে থাকলে ভালো হত। কিন্তু, এখন সেখানে যাওয়ার মতো অবস্থা নেই। এটা আমার কাছে চরম উদ্বেগের বিষয়। সব সময় সেখানকার খোঁজখবর নিচ্ছি। খবরে চোখ রাখছি। ভারতে নিরাপদেই রয়েছি, দুশ্চিন্তা হচ্ছে পরিবারের জন্য। আমরা প্রার্থনা করছি, আমাদের পরিবারগুলি এই দুঃসময়ে নিরাপদে থাকুক। এই আতঙ্কের পরিস্থিতির মধ্যে আমার এই বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক এবং ভারতীয় বন্ধুদের সমর্থন আমাকে কিছুটা সান্ত্বনা দিয়েছে।” পায়েল এই কঠিন সময়ে বাংলাদেশি জনগণকে সমর্থন করার জন্য ভারত এবং প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন। তিনি বলেন, “যখন কেউ কেউ বর্তমান ভারত সরকারের সমালোচনা করে, বিশেষ করে যখন ভারত সঙ্কটের সময়ে বাংলাদেশি জনগণের পাশে দাঁড়িয়েছে, তখন তা হতাশাজনক।”

    আরও পড়ুন: ‘‘হিন্দুদের ওপর, মন্দিরে হামলায় উদ্বিগ্ন’’, বাংলাদেশ নিয়ে প্রতিক্রিয়া ইজরায়েলের

    “বাংলাদেশের অস্থিরতার পিছনে পাকিস্তান”!

    হিন্দুস্তানি বিরদারির ভাইস চেয়ারপার্সন তথা সমাজকর্মী বিশাল শর্মা বাংলাদেশের (Bangladesh Crisis) অশান্তির জন্য পাকিস্তানকে দায়ী করেন। কেন পাকিস্তান এভাবে শান্ত বাংলাদেশকে অশান্ত করেছে, তার কারণও ব্যাখ্যা করেছেন তিনি। তিনি বলেন, “১৯৭১ সালের যুদ্ধের পুরানো প্রতিশোধ নিচ্ছে পাকিস্তান। পাকিস্তান নিজেই একটি মুসলিম-সংখ্যাগরিষ্ঠ দেশ, তবুও মনে হচ্ছে বাংলাদেশের বর্তমান অস্থিরতার পিছনে তারা রয়েছে।” সমাজকর্মী আমির কুরেশিও ভারত সরকারের পদ্ধতির প্রশংসা করেছেন। তিনি বলেন, “বাংলাদেশের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে আশ্রয় দেওয়ার মাধ্যমে ভারত সত্যিকারের অভয়ারণ্য হওয়ার প্রতিশ্রুতি প্রদর্শন করেছে।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Bangladesh Crisis: ঢাকায় ভারতীয় হাইকমিশন চালু থাকলেও দিল্লিতে ফিরলেন বহু কর্মী, কেন?

    Bangladesh Crisis: ঢাকায় ভারতীয় হাইকমিশন চালু থাকলেও দিল্লিতে ফিরলেন বহু কর্মী, কেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শেখ হাসিনার দেশত্যাগের পর থেকেই রাজনৈতিক সংকটে বাংলাদেশ (Bangladesh Crisis)। শেষ পর্যন্ত পাওয়া খবর অনুযায়ী, ধারাবাহিক হিংসার ঘটনায় বাংলাদেশে ২৩২ জন নিহত হয়েছেন। এমত পরিস্থিতিতে অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ হল বাংলাদেশের ভারতীয় ভিসা সেন্টারগুলি। অন্যদিকে, এবার বাংলাদেশে থাকা ভারতীয় হাইকমিশনের (Indian High Commission) অপ্রয়োজনীয় কর্মীদের দেশে ফিরিয়ে আনল ভারত। জানা গিয়েছে, এই অপ্রয়োজনীয় কর্মীদের বাণিজ্যিক ফ্লাইটের মাধ্যমে ভারতে ফিরিয়ে আনা হয়েছে। 

    ঢাকা থেকে দিল্লি এলেন ভারতীয় হাইকমিশনের কর্মচারীরা 

    বাংলাদেশে গণঅভ্যুত্থানের (Bangladesh Crisis) পর অন্তর্বর্তী সরকার গঠন ঘিরে রাজনৈতিক ডামাডোল চলছে। এমন পরিস্থিতিতে বাংলাদেশে অবস্থিত ভারতীয় হাইকমিশন থেকে নিজেদের কর্মীদের একাংশকে ফিরিয়ে এনেছে ভারত। ভারতীয় হাইকমিশন (Indian High Commission) সূত্রে জানা যাচ্ছে, বাংলাদেশে রাজনৈতিক সংকটের প্রেক্ষাপটে বর্তমানে একান্ত জরুরি নয় এমন কর্মী ও তাঁদের পরিবারের সদস্যদের ফিরিয়ে নেওয়া হচ্ছে। ইতিমধ্যেই ঢাকা থেকে দিল্লি এসে পৌঁছেছেন সকলে। তবে কূটনীতিকরা বাংলাদেশেই থাকছেন। হাইকমিশনের স্বাভাবিক কাজকর্ম চালু আছে। এ প্রসঙ্গে বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর বলেছেন, ”বর্তমানে বাংলাদেশে আনুমানিক ১৯,০০০ ভারতীয় নাগরিক রয়েছে যার মধ্যে প্রায় ৯০০০ জন ছাত্র। তবে চিন্তার কোনও কারণ নেই, আমরা আমাদের কূটনীতিকদের মাধ্যমে বাংলাদেশে ভারতীয় সম্প্রদায়ের সঙ্গে ক্রমাগত যোগাযোগ রাখছি।” 

    আরও পড়ুন: বাংলাদেশে ভাঙা পড়েছে বঙ্গবন্ধুর মূর্তি, ‘মানা যায় না’, বলছে ভাষা-শহিদের পরিবার

    বন্ধ বাংলাদেশের ভারতীয় ভিসা সেন্টারগুলি

    এখনও স্বাভাবিক নয় বাংলাদেশের পরিস্থিতি (Bangladesh Crisis)। ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তগুলিতে সতর্ক ভাবে পাহারায় রয়েছে বিএসএফ। এমত পরিস্থিতিতে এবার অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ হল বাংলাদেশের ভারতীয় ভিসা সেন্টারগুলি। বুধবার ভারতীয় ভিসা সেন্টারের ওয়েবসাইটে দেওয়া তথ্য অনুযায়ী জানা গিয়েছে, পরবর্তী নির্দেশিকা না দেওয়া পর্যন্ত বাংলাদেশে অবস্থিত সব ভারতীয় ভিসা সেন্টারগুলি বন্ধ থাকবে। ভারতীয় ভিসা সেন্টারের ওয়েবসাইটে আরও বলা হয়েছে, পরবর্তী কবে ভিসার জন্য আবেদন করা যাবে, তা এসএমএসের মাধ্যমে জানানো হবে। 

    উল্লেখ্য, হাসিনার দেশ ছাড়ার পর বৃহস্পতিবার নোবেলজয়ী অর্থনীতিবিদ মহম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠিত হওয়ার কথা। আপাতত ১৫ সদস্যের সরকার গঠিত হতে পারে বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Bangladesh Crisis: জ্বলছে বাংলাদেশ! দেশজুড়ে হিংসা অব্যাহত, ২৩ দিনে ৫৬০ জনের মৃত্যু!

    Bangladesh Crisis: জ্বলছে বাংলাদেশ! দেশজুড়ে হিংসা অব্যাহত, ২৩ দিনে ৫৬০ জনের মৃত্যু!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গত জুলাই মাস থেকেই কোটা বিরোধী আন্দোলনকে সামনে রেখে জ্বলছে বাংলাদেশ (Bangladesh Crisis)। দেশজুড়ে অব্যাহত মৃত্যু মিছিলও। সোমবার দুপুরেই প্রধানমন্ত্রী (Sheikh Hasina) পদ থেকে ইস্তফা দিয়ে শেখ হাসিনা ঢাকা ছেড়েছিলেন। তারপর হিংসা লাগাম টানা যায়নি। বরং, ধারাবাহিক খুনের ঘটনা ঘটেই চলেছে। চরম আতঙ্কে রয়েছেন আওয়ামি লিগের কর্মী-সমর্থকরা। অনেকে প্রাণ বাঁচাতে পরিবার রেখেই দেশ ছাড়তে বাধ্য হয়েছেন।

    ২৩ দিনে ৫৬০ জনের মৃত্যু! (Bangladesh Crisis)

    কোটা সংস্কারের দাবিতে গত ১ জুলাই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ুয়াদের আন্দোলন শুরু হয়েছিল। ধীরে ধীরে তা বাংলাদেশের (Bangladesh Crisis) বিভিন্ন শহরের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ছড়িয়ে পড়ে। ১৬ জুলাই ঢাকা, রংপুর এবং চট্টগ্রাম থেকে সংঘর্ষে প্রাণহানির প্রথম খবর এসেছিল। এরপরে ১৮ জুলাই আন্দোলনকারী পড়ুয়াদের মঞ্চ ‘বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন’-এর ছাত্র-যুবদের ‘সর্বাত্মক অবরোধ’ কর্মসূচির থেকে শুরু হয় হিংসা। ‘প্রথম আলো’ সংবাদপত্র সূত্রে জানা গিয়েছে, ১৬ জুলাই থেকে ৪ অগাস্ট পর্যন্ত সংঘাতে মোট ৩২৮ জনের মৃত্যু ঘটেছিল। পরে, হাসিনা পদত্যাগ করার পর ফের নতুন করে শুরু হওয়া ধারাবাহিক হিংসায় বাংলাদেশে আরও ২৩২ জন নিহত হয়েছেন। ‘প্রথম আলো’ সংবাদপত্রে প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এর মধ্যে বুধবার মৃত্যু হয়েছে ২১ জনের। সবমিলিয়ে গত ২৩ দিনে সে দেশে অন্তত ৫৬০ জন নিহত হয়েছেন।

    আরও পড়ুন: ‘‘হিন্দুদের ওপর, মন্দিরে হামলায় উদ্বিগ্ন’’, বাংলাদেশ নিয়ে প্রতিক্রিয়া ইজরায়েলের

    দেশজুড়ে হিংসা অব্যাহত!

    প্রসঙ্গত, প্রধানমন্ত্রী (Sheikh Hasina) পদ থেকে হাসিনার ইস্তফা এবং দেশত্যাগের পর সোমবার বিকেল থেকেই বিশৃঙ্খল পরিস্থিতি তৈরি হয়। বঙ্গবন্ধু ও বিশ্বকবির মূর্তি ভাঙা হয়। আওয়ামি লিগের নেতা, সাংসদদের বাড়ি ভাঙচুর করে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়। এক অভিনেতাকেও খুন করা হয়েছে। ঢাকা-সহ বাংলাদেশের (Bangladesh Crisis) বিভিন্ন জায়গায় থানাগুলিতে হামলা চলে। অগ্নিসংযোগ হয়। মিরপুর মডেল থানা, বাড্ডা, মহম্মদপুর, যাত্রাবাড়ি, ভাটারা-সহ ঢাকা শহরে একাধিক থানায় সোমবার রাতেও হামলা চলে। মঙ্গলবার সকাল থেকে কার্ফু তুলে দেওয়া হয়। স্কুল, কলেজ খোলার নির্দেশ দেওয়া হলেও পড়ুয়াদের হাজিরা ছিল না বললেই চলে। বুধবার থেকে ভারতের সঙ্গে বিমান পরিষেবা ধীরে ধরে স্বাভাবিক হয়েছে। কিন্তু, দেশজুড়ে হিংসার ঘটনা ঘটেই চলেছে, বিশেষ করে সংখ্যালঘুদের ওপর। বুধবারেও ২১ জনের খুন হওয়ার ঘটনা তার জ্বলন্ত উদাহরণ।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Bangladesh Crisis: ‘‘বাঁচান, আশ্রয় দিন…’’! ভারত-সীমান্তে ভিড় বাংলাদেশি শরণার্থীদের, রুখল বিএসএফ

    Bangladesh Crisis: ‘‘বাঁচান, আশ্রয় দিন…’’! ভারত-সীমান্তে ভিড় বাংলাদেশি শরণার্থীদের, রুখল বিএসএফ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এখনও অশান্ত বাংলাদেশ (Bangladesh Crisis)। প্রতিবেশী দেশটিতে হিংসার শিকার হচ্ছেন বহু সংখ্যালঘু বিশেষ করে হিন্দুরা। বাংলাদেশের এই বিশৃঙ্খল পরিস্থিতির মধ্যেই বুধবার দুপুর ১টা নাগাদ প্রায় ৩০০ বাংলাদেশি ভারতে অনুপ্রবেশ করার চেষ্টা করেন। তবে কাঁটাতার পেরিয়ে বাংলাদেশ থেকে ভারতে আসার আগেই তাদের আটকে দিতে সক্ষম হয় বিএসএফ (BSF on Bangladesh Border)। যদিও এর জন্য নিরাপত্তাবাহিনীকে কোনও রকম কঠোর পদক্ষেপ নিতে হয়নি। গুলি চালানোরও কোনও দরকার পড়েনি। 

    পরিস্থিতি মোকাবিলায় সজাগ ও তৎপর বিএসএফ (Bangladesh Crisis)

    বাংলাদেশের অগ্নিগর্ভ পরিস্থিতির মধ্যেই শয়ে শয়ে শরণার্থীরা কাঁটাতার পেরিয়ে বাংলাদেশ থেকে ভারতে আসতে চাইছেন। বুধবার দুপুর থেকেই দেখা যাচ্ছে, রাজ্যের সীমান্তে ভিড় করেছেন বহু বাংলাদেশি। কার্যত কাঁটাতারহীন সীমান্ত পেরিয়ে প্রবেশ করার চেষ্টা করছেন তাঁরা। কোচবিহার ও জলপাইগুড়ির সীমান্তে দেখা গিয়েছে, কাতারে কাতারে মানুষ ভারতে প্রবেশ করার জন্য দাঁড়িয়ে আছেন। 

    তবে, এমন ঘটনা (Bangladesh Crisis) যে ঘটতে পারে তার আন্দাজ আগে থেকেই পেয়েছিল বিএসএফ। তাই সোমবারের পর থেকেই সীমান্তে নিরাপত্তা বাড়ানো হয়। বুধবার কিছু মানুষ আসা পর্যন্ত সব ঠিক ছিল। কিন্তু শরণার্থীদের সংখ্যা বাড়তে থাকায় বিএসএফ (BSF on Bangladesh Border) সীমান্তেও বাহিনী সংখ্যা বাড়ায়। শরণার্থীদের নিজেদের দেশে ফিরে যেতে অনুরোধ করেন সকলে। বিএসএফের দাবি, এই বাংলাদেশিরা মূলত সানসেরপুরা, ধামেরঘাট, চিরাকুটি, লাখিপাড়া, বোনাগ্রাম, কাঠুমারি, পানিডুবি ও বানিয়াপাড়ার বাসিন্দা। এই গ্রামগুলি সীমান্ত থেকে মাত্র ২-৩ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত। 

    আরও পড়ুন: ‘‘হিন্দুদের ওপর, মন্দিরে হামলায় উদ্বিগ্ন’’, বাংলাদেশ নিয়ে প্রতিক্রিয়া ইজরায়েলের

    শরণার্থীদের দাবি (Bangladesh Crisis) 

    বিএসএফ জানায়, প্রায় ৩০০ জন বাংলাদেশি নাগরিক যারা মূলত হিন্দু তারা এসে জমায়েত করেন জলপাইগুড়ি জেলার মানিকগঞ্জের সাতকুড়া সীমান্তে। প্রত্যেক শরণার্থীদের দাবি ছিল, বিএসএফ পারলে গুলি করে তাঁদের মেরে দিক, কিন্তু তাঁরা দেশে ফিরে যাবেন না। এ প্রসঙ্গে, হলদিবাড়ি ছিটমহলের বাসিন্দা জয়প্রকাশ রায় বলেন, ‘‘মহিলারা আর্তনাদ করছেন। বাঁচান বাঁচান বলে চিৎকার করছেন। একটু আশ্রয় চাইছেন। এ দৃশ্য দেখা যায় না!’’ তবে বিএসএফ সূত্রে খবর, উপরতলায় বিষয়টি জানানো হয়েছে। সেখান থেকে পরবর্তী নির্দেশ না আসা পর্যন্ত শরণার্থীদের কোনও পরিস্থিতিতেই এ পারে ঢুকতে দেওয়া হবে না।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Bangladesh Crisis: বাংলাদেশে ভাঙা পড়েছে বঙ্গবন্ধুর মূর্তি, ‘মানা যায় না’, বলছে ভাষা-শহিদের পরিবার

    Bangladesh Crisis: বাংলাদেশে ভাঙা পড়েছে বঙ্গবন্ধুর মূর্তি, ‘মানা যায় না’, বলছে ভাষা-শহিদের পরিবার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অশান্ত বাংলাদেশ (Bangladesh Crisis) । দগ্ধে পুড়ছেন ভাষা শহিদের পরিবার। হুগলির কোন্নগরের গঙ্গাপারের সেই বাড়িটিতেই যত্নে রাখা রয়েছে সফিউর রহমানের ছবি। যে সফিউর ১৯৫২ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি উর্দু আগ্রাসনের বিরুদ্ধে বাংলা ভাষার জন্য রক্ত দিয়েছিলেন ঢাকার রাজপথে। যে ১৪ জন সে দিন শহিদ হয়েছিলেন, তাঁদের মধ্যে হুগলির (Hooghly) কোন্নগরের সফিউর অন্যতম। তাঁরই ছবি আঁকড়ে রয়েছেন তাঁর খুড়তুতো ভাই আহসানুর রহমান এবং বোন সেতারা খাতুন।

    কোন্নগরের পড়াশুনা করেছিলেন সফিউর (Bangladesh Crisis)

    পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, সফিউর জন্মেছিলেন কোন্নগরেই। পড়াশোনা কোন্নগর উচ্চ বিদ্যালয়ে। তার পরে প্রেসিডেন্সি কলেজ থেকে বিএসসি পাশ করে কলকাতা মেডিক্যাল কলেজে এমবিবিএস পড়া। ১৯৪৭ সালে স্বাধীন হয়েছিল ভারত। দেশভাগের সেই পর্বেই সফিউরের বাবা মাহবুবর রহমান পরিবার নিয়ে চলে যান ঢাকায় (Bangladesh Crisis) । তিনি ছিলেন বিচারক। ঢাকা হাইকোর্ট এবং সুপ্রিম কোর্টে কর্মরত ছিলেন। দাদা সফিউর রহমানও বাবার সঙ্গেই চলে গিয়েছিলেন ঢাকায়। পরবর্তীতে দাদা জড়িয়ে পড়েন ভাষা আন্দোলনের সঙ্গে।

    আরও পড়ুন: ‘‘হিন্দুদের ওপর, মন্দিরে হামলায় উদ্বিগ্ন’’, বাংলাদেশ নিয়ে প্রতিক্রিয়া ইজরায়েলের

    যত্নে রাখা রয়েছে সফিউর রহমানের ছবি

    হুগলির কোন্নগরের আহসানুরদের বাড়ির নোনা-ধরা দেওয়ালের গায়ে অনেক ইতিহাস। তাতে জুড়ে আছে ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলন। জুড়ে আছেন অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর, ত্রৈলোক্যনাথ মিত্র। ৩০০ বছরের পুরনো বাড়িটির গায়ে অভাবে অযত্নের ছাপও স্পষ্ট। গঙ্গাপারের সেই বাড়িটিতেই যত্নে রাখা রয়েছে সফিউর রহমানের ছবি। শহিদ সফিউরের ছবি হাতে নিয়েই বাংলাদেশের বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করছেন তাঁরা। পরিবারের অসাম্প্রদায়িক ঐতিহ্য বোঝাতে গিয়ে আহসানুর বলেন, কোন্নগরের বিশিষ্ট পণ্ডিত ত্রৈলোক্যনাথ মিত্রের বাড়ির দুর্গাপুজোয় পঞ্চমীর দিন কর্তা হয়ে যেতেন রহমান পরিবারের লোকজন। অদূরেই অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুরের বাগানবাড়ি। সে জমিও এককালে ছিল রহমান পরিবারের হাতে। শরিকি ঝামেলায় কিছু বদলায়নি। এখনও এই জীর্ণ বাড়িতে (Hooghly) বিদ্যুতের বিল আসে শহিদ সফিউরের বাবা মাহবুবর রহমানের নামে। ৬ বিঘা ১ কাঠা ১০ ছটাক জায়গা রহমান পরিবারের।

    …তাই বলে বঙ্গবন্ধুর মূর্তি ভাঙা হবে?

    খুড়তুতো ভাই আহসানুর বলেন, “মুজিবর রহমান যে দলেরই হোন, বাংলাদেশের মানুষের এটা জানা উচিত যে তিনি স্বাধীন বাংলাদেশ রাষ্ট্রের জনক। সরকার পছন্দ না হলে আন্দোলন করুক। কিন্তু, তাঁর স্মৃতিতে হামলা, মেনে নেব কী করে! জানি, হাসিনা স্বেচ্ছাচার চালিয়েছেন। জানি, মানুষের কোনও গণতান্ত্রিক অধিকার ছিল না। কিন্তু তাই বলে বঙ্গবন্ধুর মূর্তি ভাঙা হবে?” মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস মুছে দিতে চাইছে কারা? কারা ভাষা শহিদদের অসম্মান করছে? প্রশ্নের জবাবে আহসানুর বলেন, “দেখে মনে হচ্ছে, ওই আন্দোলনে মৌলবাদীরা ঢুকে পড়েছে। সেটাই সবচেয়ে ভয়ের। শেখ হাসিনা যে ভাবে সরকার চালিয়েছেন, তাতে তাঁর শাস্তি প্রাপ্যই ছিল।”

    কেন ঘা পড়ল ভাষা শহিদদের স্মৃতিস্তম্ভে? কেন মলিন করে দেওয়া হচ্ছে মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস? ভাষা শহিদের পরিবারের মতে, “মুক্তিযুদ্ধকে বাদ দিয়ে কখনও বাংলাদেশের কথা ভাবা যায় না! একটা অংশ ইতিহাস মুছতে চাইছে। আশা করি, বাংলাদেশ এই অশুভ সময় কাটিয়ে উঠবে। মাতৃভাষার অধিকার দাবি করে প্রাণ দিয়েছিলেন আমার দাদা। পরবর্তীতে বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে জন্ম নিয়েছিল স্বাধীন বাংলাদেশ (Bangladesh Crisis) রাষ্ট্র। সেখানে আজ ভাঙা হচ্ছে বঙ্গবন্ধুর মূর্তি। এ দৃশ্যও দেখতে হল।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Bangladesh Crisis: বাংলাদেশের হিন্দু সঙ্গীতশিল্পী রাহুল আনন্দের বাড়িতে লুট, তাণ্ডব চালাল মৌলবাদীরা

    Bangladesh Crisis: বাংলাদেশের হিন্দু সঙ্গীতশিল্পী রাহুল আনন্দের বাড়িতে লুট, তাণ্ডব চালাল মৌলবাদীরা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গত ৫ অগাস্ট বাংলাদেশের (Bangladesh Crisis) প্রধানমন্ত্রীর পদ থেকে পদত্যাগ করেন শেখ হাসিনা। আন্দোলনকারীরা দখল করে তাঁর বাসভবন। এরপরেও সারা বাংলাদেশ জুড়ে জেহাদিদের লুট এবং তাণ্ডবলীলা চলতে থাকে। গত সোমবার জেহাদিদের একটি ভিড় হামলা চালায় সেদেশের খ্যাতনামা হিন্দু সঙ্গীত শিল্পী রাহুল আনন্দের বাড়িতে। প্রসঙ্গত, রাহুল আনন্দ বর্তমানে ভাড়া বাড়িতে থাকেন। সেখানেই হামলা চালায় জেহাদিরা। হামলার আগে বাড়িতেই উপস্থিত ছিলেন সঙ্গীতশিল্পী নিজে, তাঁর স্ত্রী শুক্লা, ছেলে তোতা এবং অন্যান্য পরিবারের সদস্যরা। হামলার খবর পাওয়া মাত্রই তাঁরা বাড়ি ছেড়ে পালিয়ে যান এবং অন্য কোথাও অজ্ঞাত পরিচিত একটা স্থানে আশ্রয় নেন।

    ৩ হাজার সঙ্গীত বাদ্যযন্ত্র ভাঙচুর (Bangladesh Crisis)

    সে দেশের সংবাদসংস্থাগুলি সূত্রে জানা গিয়েছে, এই হামলা হয় সোমবার ঠিক বিকাল চারটা নাগাদ। রাহুল আনন্দের (Bangladesh Crisis) পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, জেহাদিরা প্রথমে বাড়ির গেটটিকে ভেঙে দেয়, তারপরেই তারা বাড়ি লুট করতে শুরু করে। সামনে যা পায় তাই লুট করে, ভাঙচুর করে। আসবাবপত্র কোনও কিছু বাদ যায়নি। প্রায় তিন হাজার বাদ্যযন্ত্র জেহাদিরা (Bangladesh Crisis) ভাঙচুর করেছে বলে জানা গিয়েছে। রাহুলের টিমের এক সদস্য জানিয়েছেন, ৫ অগাস্ট প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পদত্যাগ করে দেশ ছাড়ার পরই দুর্বৃত্তরা ছুটে এসেছিল ধানমন্ডির ৩২ নম্বর রোডে। বঙ্গবন্ধু স্মৃতি জাদুঘরে হামলা চালানোর পরই ছুটে আসে একই রোডে অবস্থিত রাহুল আনন্দের বাড়িতে।

    রাহুল আনন্দের এই বাড়িতেই এসেছিলেন ফরাসি প্রেসিডেন্ট

    প্রসঙ্গত, ২০২৩ সালের সেপ্টেম্বর মাসে ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়ে মাঁক্র তাঁর বাংলাদেশ সফরকালে (Bangladesh Crisis) রাহুল আনন্দের (Rahul Ananda) বাড়িতেও গিয়েছিলেন। সমাজমাধ্যমের পাতায় ‘জলের গান’ নামক ফেসবুক পেজ থেকে লেখা হয়, ‘‘রাহুল আনন্দের (Rahul Ananda) বাড়ি শুধুমাত্র তাঁর বাড়ি ছিল না। উপরন্ত সেটি তাদের গোটা টিমের বাড়ি ছিল।’’ ওই পোস্টে প্রশ্ন তোলা হয়েছে, এই বাড়িটি হয়তো পুনরায় তৈরি করা যাবে কিন্তু যে ঘৃণার আগুন ছড়ানো হয়েছে তা কী করে নিভবে? প্রসঙ্গত রাহুল আনন্দ যে বাড়িটিতে থাকতেন সেটি ১৪০ বছরের পুরনো। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share