Tag: sir

  • Election Commission: রাজ্যে আসছেন নির্বাচন কমিশনের ৩ কর্তা, থাকবেন এসআইআর-এর কাজ শেষ হওয়া পর্যন্ত

    Election Commission: রাজ্যে আসছেন নির্বাচন কমিশনের ৩ কর্তা, থাকবেন এসআইআর-এর কাজ শেষ হওয়া পর্যন্ত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যে এসআইআর (SIR) কাজ চলছে। আগামী ডিসেম্বর মাসে এনুমারেশন ফর্ম জমা দেওয়ার শেষ দিন। তার আগেই রাজ্যের সিইও দফতরে তিন অফিসারকে পাঠাচ্ছে নির্বাচন কমিশন (Election Commission)। তবে নিবিড় সংশোধনী তালিকার কাজ শেষ না হওয়া পর্যন্ত তাঁদেরকে এই রাজ্যেই থাকতে হবে। তাঁরা সকলেই সিইও দফতরে নিযুক্ত থাকবেন এবং সমস্ত কাজ খতিয়ে দেখবেন। তবে এই তিন অফিসার দিল্লিত নির্বাচন সদনে কাজ করতেন বলে জানা গিয়েছে। কমিশন যে এই রাজ্যে এসআইআর-এর কাজে বিন্দুমাত্র গাফিলিতিকে বরদাস্ত করছে না সেই কথা আরও একবার প্রমাণিত হলো।

    রাজ্যে এসআর নিয়ে খুশি নয় তৃণমূল (SIR)

    জাতীয় নির্বাচন (Election Commission) দফতরের পক্ষে বলা হয়েছে, প্রিন্সিপাল সেক্রেটারি বিসি পাত্র, সেক্রেটারি সৌমজিৎ ঘোষ এবং আন্ডার সেক্রেটারি ভৈরব আগরওয়ালকে পশ্চিমবঙ্গের সিইও অফিসে পাঠানো হয়েছে। তাঁরা সকলে রাজ্যের সিইও-র অধীনে কাজ করবেন। এসআইআরের কাজ সম্পূর্ণ ভাবে শেষ না হওয়া পর্যন্ত এখানেই কাজ দেখভাল করবেন। এদিকে রাজ্যে এসআর নিয়ে খুশি নয় তৃণমূল। তৃণমূল সমর্থিত বিএলও-দের একাংশ অতিরিক্ত কাজের চাপের অভিযোগ তুলে সিইও-র অফিসে ব্যাপক বিক্ষোভ দেখায়। রীতিমতো অফিসের ভিতরে কয়েকজন ঢুকে অবস্থানও করে। আর তাতেই কমিশন অত্যন্ত চিন্তা ও উদ্বেগ প্রকাশ করছে দফতরের কর্মীদের নিরাপত্তা নিয়ে। গোটা ঘটনায় কলকাতা পুলিশের কাছে রিপোর্ট তলব করেছে জাতীয় নির্বাচন কমিশন।

    অ্যাকশেন টেকেন রিপোর্ট জমা দেওয়ার নির্দেশ

    সিইও অফিসের দফতরে নিরাপত্তা নিয়ে রিপোর্ট তলব করেছে নির্বাচন কমিশন (Election Commission)। তাতে স্পষ্ট বলা হয়েছে দুদিনের মধ্যে আগামী ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। অবিলম্বে অ্যাকশেন টেকেন রিপোর্ট জমা দিতে হবে। গত ২৪ নভেম্বর হাতে রিপোর্ট পেয়েই কমিশনের এই সিদ্ধান্ত বলে জানা গিয়েছে। কলকাতা পুলিশেকে চিঠি পাঠিয়ে কমিশন জানিয়েছে, সিইও দফতরে যে পর্যায়ে নিরাপত্তা থাকা উচিত তা খুবই কম। ফলে সিইও, অতিরিক্ত সিইও, জয়েন্ট এবং ডেপুটি সিইও সহ সকল আধিকারিকদের নিরাপত্তা অত্যন্ত সংকটের মুখে। পরিস্থিতিকে মোটেই হালকা ভাবে নেওয়ার পক্ষপাতী নয় কমিশন। নিরাপত্তা ব্যবস্থায় সংশোধন জরুরি এবং দফতরের ভিতরে-বাইরে যাতায়াতকারী সব কর্মীর সুরক্ষাকে আগে প্রধান্য দিতে হবে। অবিলম্বে বাড়তি ব্যবস্থা নিতে হবে। কলকাতা পুলিশকে চিঠি লিখে কমিশনের স্পষ্ট নির্দেশ।

  • SIR in Bengal: এসআইআরে বাদ পড়ল আরও নাম, মঙ্গলবার পর্যন্ত সংখ্যাটা প্রায় ১৪ লক্ষ

    SIR in Bengal: এসআইআরে বাদ পড়ল আরও নাম, মঙ্গলবার পর্যন্ত সংখ্যাটা প্রায় ১৪ লক্ষ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যে চলছে এসআইআর প্রক্রিয়া (SIR in Bengal)। আগামী ৯ ডিসেম্বর নতুন খসড়া ভোটার তালিকা প্রকাশ করবে কমিশন। তার আগে প্রতিদিনই ভোটার তালিকা থেকে বাদ যাচ্ছে লক্ষ লক্ষ ভোটার। মঙ্গলবার বেলা ১২টা পর্যন্ত প্রায় ১৪ লক্ষ ভোটার বাদ গিয়েছে বলে কমিশন সূত্রে খবর। প্রতিদিন যে হারে তালিকা থেকে নাম বাদ পড়ছে, তাতে সংখ্যাটা কোথায় গিয়ে দাঁড়াবে তা নিয়ে উদ্বিগ্ন কমিশনও।

    বাদ আরও কয়েক লক্ষ নাম

    কমিশন সূত্রে জানা গিয়েছে, এসআইআরে সোমবার পর্যন্ত ভোটারের নাম বাদ যাওয়ার হিসাব ছিল ১০ লক্ষ। ২৪ ঘণ্টা পর তা আরও কিছুটা বেড়েছে। মঙ্গলবার বেলা ১২টা পর্যন্ত পাওয়া তথ্য বলছে ওই সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৩ লক্ষ ৯২ হাজার। প্রতিদিনই লক্ষ লক্ষ এনুমারেশন ফর্ম কমিশনের সাইটে আপলোড করছেন বিএলওরা। ফলে প্রতিদিনই নাম বাদ দেওয়ার হিসেব বাড়বে। সব এনুমারেশন ফর্ম জমা হওয়ার পরে চূড়ান্ত হিসেব পাওয়া যাবে। সে ক্ষেত্রে বাদ পড়ার সংখ্যা যে অনেক বেশি হবে, তা এক প্রকার নিশ্চিত। বিধানসভার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) এদিনও বলেন, “আমি ৯৫ সাল থেকে ভোটে লড়ছি। আমি বলছি, লিখে রাখুন ১ কোটির উপর নাম বাদ যাবে। যদিও এখানে ১০০ শতাংশ এসআইআর হবে না। তারপরও এক কোটির উপর নাম বাদ যাবে। ১০০ শতাংশ হলে আর একটু বেশি নাম বাদ যেত।”

    বেশি নাম বাদ পড়তে পারে কলকাতাতেই

    গত ৪ নভেম্বর থেকে রাজ্যে এসআইআর প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। আগামী ৪ ডিসেম্বর পর্যন্ত এনুমারেশন ফর্ম বিলি ও জমা নেওয়ার কাজ চলবে। সূত্রের খবর, রাজ্যের মধ্যে এখনও পর্যন্ত শতাংশের বিচারে সবচেয়ে বেশি নাম বাদ পড়তে পারে উত্তর এবং দক্ষিণ কলকাতায়। তার পরেই রয়েছে দক্ষিণ ২৪ পরগনা। তবে এখনও পর্যন্ত কোনও হিসেবই চূড়ান্ত নয়। যেসব তথ্যের ভিত্তিতে নাম বাদ যাওয়ার প্রাথমিক সংখ্যা মিলছে, সেগুলি হল, মৃত ভোটার, একাধিক জায়গায় নাম, স্থানান্তরিত এবং নিরুদ্দেশ ভোটার।

  • Governor CV Ananda Bose: হাকিমপুর সীমান্ত পরিদর্শন রাজ্যপালের, শাহের মন্ত্রককে রিপোর্ট দেবেন বোস

    Governor CV Ananda Bose: হাকিমপুর সীমান্ত পরিদর্শন রাজ্যপালের, শাহের মন্ত্রককে রিপোর্ট দেবেন বোস

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভুয়ো ভোটার বা আধার কার্ড তৈরি করে ভারতের যে কোনও প্রান্তে থাকলে অনুপ্রবেশকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। উত্তর ২৪ পরগনার হাকিমপুর সীমান্ত পরিদর্শন করে এমনটাই জানালেন রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস (Governor CV Ananda Bose)। তিনি জানান, সীমান্ত দিয়ে বাংলাদেশিদের পুশব্যাক এবং বর্তমানে হাকিমপুর সীমান্তের কী অবস্থা তা নিয়ে রিপোর্ট তৈরি করা হবে। শুধু হাকিমপুর নয় মুর্শিদাবাদেও যাবেন বলে জানিয়েছেন রাজ্যপাল। যে সীমান্তগুলি তিনি ঘুরে দেখবেন, সেখানকার পরিস্থিতি দেখে তৈরি করা হবে রিপোর্ট। এই রিপোর্ট স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের কাছে জমা করবেন।

    স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকে রিপোর্ট পাঠাবেন রাজ্যপাল

    রাজ্যে এসআইআর শুরু হতেই সম্প্রতি শিরোনামে আসে হাকিমপুর সীমান্তের চিত্র। প্রচুর মানুষকে ব্যাগ গুছিয়ে উত্তর ২৪ পরগনার হাকিমপুর সীমান্তে অপেক্ষা করতে দেখা যায়। সংবাদমাধ্যমের সামনে অনেকেই বলেছেন, তাঁরা অবৈধ ভাবে ভারতে প্রবেশ করেছেন। অনেকেরই কাছেই ভোটার, আধার কার্ড আছে, সরকারি সুযোগ সুবিধা পাচ্ছেন রাজ্যে। এমনকী খবর সংগ্রহ করতে গিয়ে সেখানে আক্রমণের মুখেও পড়তে হয় সংবাদমাধ্যমকে। এই আবহে সীমান্ত এলাকা পরিদর্শনের সিদ্ধান্ত নেন রাজ্যপাল। হাকিমপুরের সীমান্ত চৌকি, বিএসএফ ক্যাম্প, স্থানীয় প্রশাসনিক কর্তাব্যক্তিদের সঙ্গে বৈঠক করেন তিনি। তবে সেই বৈঠকে অনুপ্রেবশ সংক্ৰান্ত কী কী বিষয় উঠে এসেছে, তা নিয়ে এখনই বিস্তারিত কিছু বলতে চাননি রাজ্যপাল।

    হাকিমপুর সীমান্ত পরিদর্শনে রাজ্যপাল

    হাকিমপুরে একটি সাংবাদিক বৈঠকে রাজ্যপাল বলেন, ‘যাঁরা এই ধরনের ফেক ভোটার কার্ড ব্যবহার করছেন বা অনৈতিক ভাবে ভোটার বা আধার কার্ড বানিয়েছেন, তাঁরা অপরাধী। তাঁদের বিরুদ্ধে যথাযত আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’ এদিন রাজ্যপাল হাকিমপুর চেকপোস্টে নেমে ভারতীয় নাগরিকদের সঙ্গে কথা বলেন এবং তারপর ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তের কাঁটাতারের অংশে বিএসএফের তাৎপরতা এবং নজরদারি পরিদর্শনে যান। বিএসএফ সূত্রে খবর, কতজন বাংলাদেশিকে এখনও পর্যন্ত ওপারে পাঠানো হয়েছে, আইনশৃঙ্খলার দিক থেকে কতটা পুলিশ সাহায্য করছে, কীভাবে বাংলাদেশিরা গিয়ে হোল্ডিং এরিয়ায় কাছে ভিড় করছে, তাদের কতদিনের বসবাস- এই ধরনের একাধিক বিষয় রাজ্যপাল বিএসএফ আধিকারিকদের কাছ থেকে জেনে নেন। রাজ্যপালের (Governor CV Ananda Bose)সফরকে কেন্দ্র করে স্বরূপনগর থানার বিথারী হাকিমপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের হাকিমপুর সীমান্তে কড়া নিরাপত্তার বেষ্টনীতে মুড়ে ফেলা হয়। ১৪৩ নম্বর ব্যাটালিয়ান বিএসএফের ডিআইজি, সিও নিরাপত্তা ব্যবস্থা খতিয়ে দেখেন।

  • Suvendu on SIR: ‘‘জিহাদে মদত দিচ্ছে তৃণমূল, এরা আমাদের রেশন খাচ্ছে’’, রাজ্যে এসআইআর সফল করার ডাক শুভেন্দুর

    Suvendu on SIR: ‘‘জিহাদে মদত দিচ্ছে তৃণমূল, এরা আমাদের রেশন খাচ্ছে’’, রাজ্যে এসআইআর সফল করার ডাক শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যে অবৈধ অনুপ্রবেশ এবং এসআইআর নিয়ে ফের একবার রাজ্যের শাসকদল তৃণমূল কংগ্রেসকে (TMC) বিঁধলেন বিধানসভার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। তাঁর কথায়, তৃণমূল আদতে কোনও দলই নয়। অবৈধ ভোটাররা তৃণমূলের ভোটব্যাঙ্ক। জিহাদে মদত দিচ্ছে তৃণমূল। তাই এই দলটাকে ছেড়ে এসেছেন তিনি। মথুরাপুরে (Mathurapur) বিজেপির সভায় উপস্থিত হয়ে এমনই দাবি করেন শুভেন্দু (Suvendu on SIR)। একই সঙ্গে রাজ্যবাসীর কাছে এসআইআর সফল করার আহ্বান জানান।

    তৃণমূলের ভোটব্যাঙ্ক

    সীমান্তে গত কয়েকদিন ধরে ভিড় দেখা যাচ্ছে অবৈধ অনুপ্রবেশকারীদের। এসআইআর শুরু হওয়ার পর একে একে অনেকেই বাংলাদেশ ফিরে যাচ্ছেন। সেই আবহে এদিন মন্দিরবাজারের সভা থেকে এসআইআর সফল করার ডাক দেন বিরোধী দলনেতা। শুভেন্দু (Suvendu on SIR) বলেন, “অবৈধ রেশন কার্ড, অবৈধ ভোটার তালিকায় নাম উঠেছে। কয়েকদিন আগে আমি বলেছিলাম, গর্তে কার্বোলিক অ্যাসিড ঢেলে দিয়েছে নির্বাচন কমিশন। পিলপিল করে সাপেরা বেরিয়ে আসছে। এই সন্দেশখালিতে দেখুন, শাহজাহান জেলের ভিতরে থেকে…কারণ মমতা বন্দ্যোপাধ্য়ায়ের নিয়ন্ত্রণে থাকা জেল…মোবাইল ফোন ব্যবহার করে মাছ-মাংস খেয়ে…ওখান থেকে ফোনে ফোনে অবৈধ অনুপ্রবেশকারীদের নির্দেশ দিচ্ছেন, বিএলওকে কী ভাষা! আজ, এসআইআর সফল করুন আপনারা। কী হিন্দু, কী ভারতীয় মুসলিম একযোগে এসআইআর সফল করুন। নইলে এরা আমাদের রেশন খাচ্ছে। খাদ্য জিহাদ।” বিজেপি আগে থেকেই দাবি করে আসছে যে, এসআইআর হলে মৃত এবং ভুয়ো ভোটারের নাম বাদ যাবে যা আদতে তৃণমূল ভোটব্যাঙ্ক হিসেবে কাজে লাগিয়েছে।

    খাদ্য-জিহাদ, ল্যান্ড জিহাদ

    মথুরাপুরে (Mathurapur) বিজেপির সভায় উপস্থিত হয়েছিলেন শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu on SIR)। সেই সভামঞ্চ থেকেই তিনি বলেন, এক সময় তৃণমূল দলকে ছুড়ে ফেলে এসেছেন তিনি। এটা কোনও দলই নয়! শুভেন্দুর কথায়, ”আমি যদি সেদিন নন্দীগ্রামের মানুষকে নিয়ে লড়াই না করতাম তাহলে দিদি থেকে দিদিমা হয়ে যেতেন। মুখ্যমন্ত্রী হতে হত না।” স্পষ্টত এই মন্তব্যে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে (Mamata Banerjee) নিশানা করেছেন তিনি। শুভেন্দুর কথায়, বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারী এবং রোহিঙ্গারা ঢুকে ন্যায্যদের রেশন ছিনিয়ে নিচ্ছে। এটাই খাদ্য জিহাদ (Food Jihad)। তারা পরপর জমি দখল করে নিচ্ছে, ল্যান্ড জিহাদ। বিধায়কের বক্তব্য, এইভাবে চলতে থাকলে গোটা রাজ্যটাই (West Bengal) এদের দখলে চলে যাবে। তাই সকলের উচিত, একজোট হয়ে এসআইআর-কে সমর্থন করা এবং তৃণমূল সরকারের অবসান ঘটাতে সাহায্য করা।

  • SIR in Bengal: এসআইআরে বাংলায় বাদ অন্তত ১০ লক্ষ নাম! কী বলছে কমিশন?

    SIR in Bengal: এসআইআরে বাংলায় বাদ অন্তত ১০ লক্ষ নাম! কী বলছে কমিশন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যে ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন (SIR in Bengal)-এ আপাতত ১০ লক্ষ ভোটারের নাম বাদ পড়েছে বলে জানাল নির্বাচন কমিশন (Election Commission)। এখনও পর্যন্ত প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে ওই সংখ্যক ভোটারের নাম বাদ যাচ্ছে বলে কমিশনের প্রাথমিক ধারণা। বাদ পড়ার ক্ষেত্রে শতাংশের বিচারে উত্তর কলকাতা এগিয়ে রয়েছে। এসআইআর (SIR) শুরুর পর কমিশন জানিয়েছিল, বর্তমানে রাজ্যে মোট ভোটারের সংখ্য়া ৭ কোটি ৬৬ লক্ষের অধিক। ফর্ম বিলি ও জমা নেওয়ার কাজ চলছে। এদিন সাংবাদিক বৈঠকে সিইও মনোজ কুমার আগরওয়াল জানান, এখনও পর্যন্ত ডিজিটাইজড হয়েছে মোট ৪ কোটি ৫৫ লক্ষ ফর্ম। আর এখনও পর্যন্ত ১০ লক্ষ ৩৩ হাজার ভোটার তাঁদের ফর্ম সংশ্লিষ্ট বুথের বিএলওর কাছে জমা দেননি।

    সাড়ে ৬ লক্ষ মৃত ভোটার

    সোমবার রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক মনোজ কুমার আগরওয়াল সাংবাদিক বৈঠকে জানান, এখনও পর্যন্ত ৪ কোটি ৫৫ লক্ষ ফর্ম ডিজিটাইজড হয়েছে। কমিশন সূত্রে খবর, এখনও পর্যন্ত ডিজিটাইজেশনের পর ১০ লক্ষ নাম বাদ পড়েছে। কমিশন সূত্রে খবর, এখনও পর্যন্ত ডিজিটাইজেশনের ভিত্তিতে যে দশ লক্ষ নাম বাদ গিয়েছে, তার মধ্যে সাড়ে ৬ লক্ষ মৃত ভোটার। এছাড়া স্থানান্তরিত ভোটারও রয়েছেন। আবার অনেকে এনুমারেশন ফর্ম নেননি। কিংবা নিলেও বিএলও-কে ফর্ম জমা দেননি। উত্তর কলকাতায় ১০ শতাংশ নাম বাদ পড়েছে। কিছুদিন আগে আধার কর্তৃপক্ষ সিইও-কে জানিয়েছিল, রাজ্যের ৩৪ লক্ষ মৃতের আধার নিষ্ক্রিয় করা হয়েছে। কমিশনের বক্তব্য, প্রতি বছর ভোটার তালিকা আপডেটের জন্য সামারি রিভিশন হয়। সেখানেও অনেক মৃত ভোটারের নাম বাদ পড়েছে।

    মোট কতজন ভোটারের নাম বাদ

    কমিশন (Election Commission) সূত্রে খবর, প্রতি দিনই তথ্য আসছে। আপাতত বুথ লেভেল অফিসার (বিএলও)-দের প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে এই হিসেব মিলেছে। তাঁরা বাড়ি বাড়ি ঘুরে ফর্ম বিলি করতে গিয়ে এই তথ্য পেয়েছেন। সব এনুমারেশন ফর্ম (SIR in Bengal) জমা হওয়ার পরে চূড়ান্ত হিসেব পাওয়া যাবে। সে ক্ষেত্রে বাদ পড়ার সংখ্যা যে অনেক বেশি হবে, তা এক প্রকার নিশ্চিত। প্রথমে বুথে বুথে বিএলও-রা ফর্ম বিলি করেছেন। পরে পূরণ করা ফর্ম তাঁরা সংগ্রহ করেছেন। সেই সময় বিএলও-রা তথ্য পেয়েছেন, কাদের কাদের ফর্ম পূরণ না হয়েই ফেরত এল। এই ১০ লক্ষের মধ্যে ৬.৫ লক্ষ মৃত ভোটার রয়েছে। এ ছাড়াও রয়েছেন একাধিক জায়গায় নাম, স্থানান্তরিত এবং নিরুদ্দেশ ভোটারও। কমিশন সূত্রে খবর, চলতি সপ্তাহের মধ্যে পুরো তথ্য চলে আসার কথা। তখন এই সংখ্যাটি কত দাঁড়ায় তা দেখার। ২০২৫ সালের ২৭ অক্টোবরের তালিকা থেকে মোট কত নাম বাদ পড়ল তা জানা যাবে খসড়া তালিকা প্রকাশের পরে। আগামী ৯ ডিসেম্বর খসড়া তালিকা প্রকাশ করবে কমিশন।

    ৭ কোটি ৬৪ লক্ষের বেশি এনুমারেশন ফর্ম বিলি

    কমিশন (Election Commission) জানাচ্ছে, ২৪ নভেম্বর বিকেল ৫টা পর্যন্ত রাজ্যে ৯৯.৭৫ শতাংশ, অর্থাৎ ৭ কোটি ৬৪ লক্ষের বেশি এনুমারেশন ফর্ম বিলি করা হয়েছে। খুবই অল্প সংখ্যক ফর্ম বিতরণ বাকি রয়েছে। পূরণ করা ফর্ম ডিজিটাইজ করা হয়ে গিয়েছে ৪ কোটির বেশি (৫৯.৪ শতাংশ)। এখনও পর্যন্ত ওই কাজ চলছে। সোমবার সাংবাদিক বৈঠকে রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক (সিইও) মনোজ আগরওয়াল বলেন, ‘‘আমরা ভোটারদের কাছে অনুরোধ করেছি, যত তাড়াতাড়ি সম্ভব এনুমারেশন ফর্ম জমা দিন। ৪ ডিসেম্বর শেষ দিন, তার কোনও পরিবর্তন হয়নি।’’ কমিশনের তথ্য বলছে, এখনও প্রায় ২ লক্ষ মানুষের হাতে ফর্ম পৌঁছনো বাকি। মোট ভোটারের ২.৫ শতাংশের ম্যাপিং-ও বাকি রয়েছে। হাতে এখনও এক সপ্তাহের বেশি সময় রয়েছে। দ্রুত কাজ চলছে বলে জানান মুখ্যনির্বাচনী আধিকারিক।

    কোন জেলায় কী রকম কাজ

    কমিশনের (Election Commission) তরফে আরও জানানো হয়েছে, এখনও পর্যন্ত এসআইআরের যা কাজ হয়েছে, তাতে রাজ্যের পাঁচটি জেলা এগিয়ে রয়েছে। পূর্ব বর্ধমানে ৬৬.৪৭ শতাংশ, আলিপুরদুয়ারে ৬৬.৪১ শতাংশ, উত্তর দিনাজপুরে ৬৫.৪৩ শতাংশ, মালদহে ৬৬.২৩ শতাংশ এবং পূর্ব মেদিনীপুরে ৬৫.২৭ শতাংশ কাজ হয়ে গিয়েছে। নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, রাজ্যের মধ্যে সবচেয়ে ভাল কাজ হয়েছে উত্তর ২৪ পরগনার গোসাবায়। রাজ্যে এখনও পর্যন্ত ১২১ জন বিএলও। ইতিমধ্যেই ১০০ শতাংশ কাজ সেরে ফেলেছেন। বিএলও-দের ভূয়সী প্রশংসা শোনা গিয়েছে মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের মুখে। তিনি বলেন, ‘‘বিএলও-রা প্রচুর কাজ করছেন। তাঁরাই এসআইআরের হিরো!’’

    বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর দাবি

    এসআইআর (SIR in Bengal) পর্বে বার বার রাজ্যে  ‘অনুপ্রবেশ’ -এর কথা বলেছে বিজেপি। রবিবার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী ফের দাবি করেছেন, এসআইআর হলে এক কোটি ভোটারের নাম বাদ যাবে। তাতে মৃত ভোটার, একাধিক জায়গায় থাকা এক নামের পাশাপাশি বাদ পড়বেন অনুপ্রবেশকারীরাও।

  • Suvendu Adhikari: বর-বউয়ের বাবা একই! এসআইআর চালু হতেই প্রকাশ্যে জালিয়াতি

    Suvendu Adhikari: বর-বউয়ের বাবা একই! এসআইআর চালু হতেই প্রকাশ্যে জালিয়াতি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তিনি সম্পর্কে জামাই। অথচ ভোটার কার্ডে তাঁকে দেখানো হয়েছে ছেলে হিসেবে। আর মেয়ের জৈবিক বাবাও তিনি। যার অর্থ দাঁড়ায়, এই (Suvendu Adhikari) পরিবারে বিয়ে হয়েছে ভাই-বোনের মধ্যেই (SIR)। আজ্ঞে না, বাবার নামের জায়গায় শ্বশুরের নাম দিয়ে দিব্যি বানানো হয়েছে ভোটার কার্ড। এসআরএরের গুঁতোয় এমন ঘটনাই প্রকাশ্যে এল।

    শ্বশুরকে বাবা বানিয়ে ভোটার কার্ড (Suvendu Adhikari)

    ঘটনাটি খুলে বলা যাক। রাজ্যে এসআইআর চালু হতেই ভারতে অনুপ্রবেশকারী বাংলাদেশিরা হাকিমপুরের মতো সীমান্ত দিয়ে পিলপিল করে পালাতে শুরু করেছে। এই সময়ই ঝুলি থেকে বের হচ্ছে একের পর এক বেড়াল। তবে শ্বশুরকে বাবা বানিয়ে ভোটার কার্ড বানানোর জালিয়াতির পর্দা ফাঁস করে দিয়েছেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা তথা নন্দীগ্রামের বিধায়ক বিজেপির শুভেন্দু অধিকারী। তৃণমূল পরিচালিত রাজ্য সরকারকে নিশানা করে দীর্ঘ একটি পোস্টও করেছেন শুভেন্দু। ক্যাপশনে তিনি লিখেছেন, ‘এসআইআরের ধাক্কায় শ্বশুর যখন বাবা’। এর স্বপক্ষে প্রমাণ দিতে ভোটার তালিকার ছবিও দিয়েছেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা।

    স্বামীর বাবা আর স্ত্রীয়ের বাবা একজনই

    এক্স হ্যান্ডেলে তিনি লিখেছেন, “ভোটার তালিকায় স্বামীর বাবা আর স্ত্রীয়ের বাবা যে একজনই, এসআইআরের দৌলতে তা-ও দেখতে হচ্ছে। যদিও বঙ্গেশ্বরীর রাজত্বে কোনও কিছুই অসম্ভব নয়। এসআইআর চালু হওয়ার পরে এ রাজ্যে নিত্য নতুন রঙ্গ তামাশা দেখছে জনগণ। উত্তর ২৪ পরগনার বনগাঁ দক্ষিণ বিধানসভার রামনগর (Suvendu Adhikari) গ্রাম পঞ্চায়েতের ২৬৫ নম্বর বুথের ভোটার মণিরুজ্জামান মণ্ডল ও আর্জিনা মণ্ডল স্বামী-স্ত্রী। মণিরুজ্জামান ওই বুথেরই তৃণমূল নেতা, আর আর্জিনা আইসিডিএস কর্মী এবং তৃণমূল কর্মী। তাঁদের দু’জনের পিতার নামই মিজানুর মণ্ডল। জানা গিয়েছে, আর্জিনার জন্মদাতা হলেন মিজানুর। ওই বুথটি আবার রামনগর গ্রাম পঞ্চায়েতের উপপ্রধান ও তৃণমূলের অঞ্চল সভাপতি বাসুদেব ঘোষের বুথ। এই বাসুদেবের ছেলেই আবার ওই বুথের বিএলও। মনিরুজ্জামান আবার বাসুদেবের ডানহাত বলে এলাকায় পরিচিত। অভিযোগ উঠেছে, এই বিএলও-ই কারসাজি করে মণিরুজ্জামান ও মিজানুরকে ম্যাপিংয়ে বাবা ও ছেলে হিসেবে দেখিয়েছেন।” তিনি লেখেন, “দিকে দিকে ভাড়া করা বাবা-মায়ের ছড়াছড়ি (SIR)। সঠিকভাবে এসআইআরের কাজ সম্পন্ন হলে এই ধরনের ভুয়ো ভোটার ধরা পড়বে (Suvendu Adhikari), পশ্চিমবঙ্গের জনসংখ্যাও কমে যাবে।”

     

  • SIR: রাজ্যের ৪৪টি জায়গায় ভোটার তালিকা ‘মায়া’ময়! এসআইআর ফর্মের কিউআর কোড স্ক্যানে পর্দা ফাঁস

    SIR: রাজ্যের ৪৪টি জায়গায় ভোটার তালিকা ‘মায়া’ময়! এসআইআর ফর্মের কিউআর কোড স্ক্যানে পর্দা ফাঁস

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: স্থান ভেদে পদবি আলাদা, রাজ্যের ৪৪টি জায়গায় ভোটার তালিকা ‘মায়া’ময়। হাওড়ায় তিনি মায়ারানি রায়, বাঁকুড়ায় মায়ারানি মুর, দক্ষিণ ২৪ পরগনার মন্দিরবাজারে মায়ারানি প্রামাণিক, দক্ষিণ ২৪ পরগনার কুলপিতে মায়ারানি নাইয়া! আবার উত্তর ২৪ পরগনায় তিনিই মায়ারানি মণ্ডল, বর্ধমানে মায়ারানি কোঙার। এসআইআর (SIR) প্রক্রিয়ায় একটিমাত্র এনুমারেশন ফর্মের কিউআর কোড স্ক্যান করতেই দেখা যায়, একই মহিলার নাম একসঙ্গে ৪৪টি ভিন্ন বিধানসভায় ভোটার তালিকায় যুক্ত রয়েছে। রয়েছে তাঁর স্বামীর নামও। কিন্তু সবক’টির পদবি আলাদা। পশ্চিম বর্ধমান জেলার পাণ্ডবেশ্বর বিধানসভার ৪৭ নম্বর বুথে সামনে এসেছে এমনই ভোটার কার্ডে জালিয়াতির ঘটনা। পশ্চিম বর্ধমানের জেলাশাসক পোন্নাম্লম এসের সংক্ষিপ্ত প্রতিক্রিয়া, ‘‘অভিযোগ খতিয়ে দেখা হচ্ছে।’’

    কোনও ভয় নেই মায়ারানির

    পেশায় রাঁধুনি মধ্যবয়স্কা মায়ারানিকে নিয়ে শোরগোল পশ্চিম বর্ধমানে। বিজেপির অভিযোগ, এই ভাবে রাজ্য জুড়ে ভোটার তালিকায় ভুয়ো নাম ঢুকিয়েছে তৃণমূল। তদন্ত শুরু করেছে নির্বাচন কমিশন। বিধবা মায়ারানি গোস্বামীর বাড়ি পশ্চিম বর্ধমান জেলার পাণ্ডবেশ্বর বিধানসভার ডিভিসি পাড়ায়। ৪৭ নম্বর বুথের ভোটার তিনি। তাঁর এনুমারেশন ফর্মে কোড স্ক্যান করতে গিয়ে রাজ্যের ৪৪ জায়গায় ভোটার হিসেবে তাঁর নাম পেয়েছেন বিএলও। এমন অভাবনীয় ঘটনায় মায়ারানি অবশ্য বিস্মিত নন। বস্তুত, তিনি এর গুরুত্ব কী তা-ই জানেন না। বাড়ি বাড়ি রান্নার কাজ করে কোনও ক্রমে দিন চলে ওই মহিলার। থাকেন সরকারি প্রকল্পে পাওয়া বাড়িতে। তাঁর কথায়, ‘‘বাবারা, আমি তো কিছুই জানি না। শুরু থেকে আমি বৈদ্যনাথপুর স্কুলে ভোট দিই। র আগের সরকারের সময়কালে বৈদ্যনাথপুরে নাম তুলেছিলাম৷ সেই সময় আগের ভোটার লিস্ট থেকে আমার নাম বাদ দিয়ে দেওয়া হয়েছিল। আমি শুধুমাত্র এটুকুই জানি। লোকের বাড়িতে রান্না করে আমি পেট চালাই। আমি কী করব বুঝতে পারছি না৷ এসআইআরের (SIR) ফর্ম পাড়ার সবাই পূরণ করেছে। আমিও করেছি। তার পর জনে জনে আমাকে এসে প্রশ্ন করছেন। তবে অনেকেই বলেছেন, আমার কোনও ভয় নেই।’’

    সুপরিকল্পিত জালিয়াতি চক্রের কাজ

    বিজেপি নেতা জিতেন্দ্র তিওয়ারির দাবি, এসআইআর-এর (SIR) জন্য সত্য সামনে এল৷ এসআইআর চেক না হলে এমন ঘটনা ধরা পড়তই না। কত অসহায় মানুষের নাম ব্যবহার হয়েছে তা ভাবলে শিউরে উঠতে হয়, তাই বড়সড় তদন্ত হওয়া জরুরি। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, বিধবা মায়ারানি গোস্বামী খুব অসহায়৷ লোকের বাড়িতে রান্নার কাজ করে দিন গুজরান করেন৷ অভিযোগ, তাঁর এসআইআর ফর্মের কিউআর কোড স্ক্যান করতেই দেখা যায়, উত্তর দিনাজপুর থেকে শুরু করে দক্ষিণ ২৪ পরগনার গোসাবা পর্যন্ত বিভিন্ন জেলায় তাঁর নাম তোলা হয়েছে ভোটার হিসেবে। তবে প্রতিটি তালিকায় নাম ‘মায়ারানি’ রাখা হলেও বারবার বদলে দেওয়া হয়েছে পদবি। কোথাও তিনি মণ্ডল, কোথাও রায়, আবার কোথাও ঘোষ বা নাইয়া। এইভাবে তাঁর পরিচয় ঘুরিয়ে ফিরিয়ে ব্যবহার করা হয়েছে বলে অভিযোগ। শুধু তাই নয়, ভোটার হিসাবে তাঁর বয়সও বিভিন্ন জায়গায় কমিয়ে দেখানো হয়েছে। ঘটনার খবর মিলতেই এলাকায় চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে। নির্বাচন বিশেষজ্ঞদের একাংশ বলছেন, একটি ফর্ম স্ক্যান করতেই ৪৪টি ভুয়ো পরিচয় উঠে আসা কোনও সাধারণ ভুল হতে পারে না। এটি যে একটি সুপরিকল্পিত জালিয়াতি চক্রের কাজ, তা স্পষ্ট।

  • SIR: রাজ্যের সব টেলিকম সংস্থার সঙ্গে বৈঠক কমিশনের, ফর্ম আপলোড সমস্যায় দ্রুত পদক্ষেপ

    SIR: রাজ্যের সব টেলিকম সংস্থার সঙ্গে বৈঠক কমিশনের, ফর্ম আপলোড সমস্যায় দ্রুত পদক্ষেপ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এসআইআর (SIR) নিয়ে বিএলওদের অভিযোগ গুরুত্ব দিয়ে দেখার পর আরও সক্রিয় হয়ে পদক্ষেপ করল নির্বাচন কমিশন। সার্ভারের কারণে এনুমারেশন ফর্ম আপলোড করতে সমস্যা হচ্ছে। বারবার এমনই অভিযোগ জানিয়েছিলেন বিএলওরা। আর তাই শনিবার পশ্চিমবঙ্গের মুখ্য নির্বাচনী (Election Commission) আধিকারিক মনোজ কুমার আগারওয়াল বলেন, “সোমবার দুপুর একটায় রাজ্যের সব টেলিকম সংস্থাগুলোর সঙ্গে কথা বলে দ্রুততার সঙ্গে এই সমস্যার সমাধান করা হবে।” নির্ধারিত সময়ের মধ্যে যেহেতু এসআইআরের কাজ শেষ করতে হবে, তাই অভিযোগ পেয়েই অত্যন্ত তৎপর কমিশন।

    জ্ঞানেশ কুমারের সাফ নির্দেশ(SIR)

    রাজ্যের বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই দেখা যাচ্ছে সার্ভারের জন্য বিএলওরা এনুমারেশন ফর্ম (SIR) নির্বাচন কমিশনের সার্ভারে আপলোড করতে পারছেন না। ফলে নির্বাচন কমিশনের (Election Commission) দেওয়া সময়ের মধ্যে কাজ শেষ করতে অনেকেই ব্যর্থ হচ্ছেন। এই নিয়ে অবশ্য বেশ কিছুদিন ধরেই অভিযোগ আসছিল রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের দফতরে। জাতীয় নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের সঙ্গে এই বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করার পর রাজ্যের দায়িত্বে থাকা ডেপুটি নির্বাচন কমিশনার নির্দেশ দিয়েছেন। আর তারপরেই রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক মনোজ কুমার আগরওয়ালকে বলা হয়েছে, অবিলম্বে রাজ্যে থাকা টেলিকম সংস্থাগুলির সঙ্গে কথা বলে দ্রুত এই সমস্যার সমাধান করতে হবে।

    ৯ ডিসেম্বর খসড়া এবং ৭ ফেব্রুয়ারি চূড়ান্ত

    পাশাপাশি এদিন মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক (Election Commission) জানান আগামী ৯ই ডিসেম্বর প্রকাশিত হবে খসড়া (SIR) ভোটার তালিকা। এই খসড়া ভোটার তালিকায় একমাত্র তাদেরই নাম থাকবে যারা এনুমারেশন ফর্ম পূরণ করে জমা দিয়েছে। রাজ্যের পঞ্চায়েত, ব্লক অফিস, পুরসভা, মহকুমা শাসকের দফতর এবং জেলাশাসকের দফতরে এই তালিকা সকলের জন্য টাঙানো হবে। এর পাশাপাশি সিইও-র ওয়েবসাইটেও দেখা যাবে খসড়া ভোটার তালিকা। একেবারেই বুথ স্তরে প্রত্যেকের নাম প্রকাশ করা হবে।

    তবে এই তালিকার পাশাপাশি আর একটি তালিকাও প্রকাশ করা হবে যেখানে আরও চারটে ভাগ থাকবে। মৃত ভোটার, অনুপস্থিত ভোটার, ভুয়ো ভোটার এবং স্থানান্তরিত ভোটারের নামের তালিকা। খুব স্বাভাবিকভাবেই তাই এই তালিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলেই মনে করছেন সকলে। তবে এই তালিকা চূড়ান্ত নয়। এই তালিকায় যাদের নাম বাদ গিয়েছে, নামের বানান ভুল আছে, ঠিকানা ভুল আছে সেই সব কিছু সংশোধন করা হবে। যদি কেউ চান নতুন ভাবে নাম এই ভোটার তালিকায় তুলবেন তাহলে তাকে ৬ নম্বর ফর্ম পূরণ করে আগামী ৮ই জানুয়ারির মধ্যে জমা দিতে হবে সংশ্লিষ্ট আধিকারিকের কাছে। চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ পাবে ৭ই ফেব্রুয়ারি। আর এই ভোটার তালিকার ভিত্তিতেই ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচন হবে পশ্চিমবঙ্গে।

  • Suvendu Adhikari: মুখ্যসচিবের ফোন থেকে রাজ্যের নির্বাচনী আধিকারিকের সঙ্গে রোজ কথা মমতার! বিস্ফোরক শুভেন্দু

    Suvendu Adhikari: মুখ্যসচিবের ফোন থেকে রাজ্যের নির্বাচনী আধিকারিকের সঙ্গে রোজ কথা মমতার! বিস্ফোরক শুভেন্দু

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যের মুখ্যসচিবের ফোন ব্যবহার করে রাজ্যের অতিরিক্ত মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের সঙ্গে কথা বলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ঠিক এই অভিযোগে নির্বাচন কমিশনের কাছে সরব হয়েছেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। রাজ্যে ইতিমধ্যে এসআইআর-এর (SIR) কাজ চলছে আর তৃণমূলনেত্রী প্রথম থেকেই এসআইআর-এর বিরোধিতা করতে সব রকম প্রচার এবং চেষ্টা চালাচ্ছেন। কেন মনোজ পন্থের ফোন থেকে প্রতিদিন রাজ্যের অতিরিক্ত মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক অরুণ প্রসাদকে ফোন করেন মমতা? উদ্দেশ্য কী? রীতিমতো তথ্যপ্রমাণ দিয়ে নির্বাচনী কমিশনে নালিশ শুভেন্দুর।

    ২০ মিনিট কথা অরুণ- মমতার (Suvendu Adhikari)!

    শুক্রবার শুভেন্দুর (Suvendu Adhikari) নেতৃত্বে বিজেপির এক প্রতিনিধিদল নির্বাচন কমিশনের কাছে অভিযোগ জানিয়েছেন। তিনি কমিশনের প্রতিনিধি দলের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে উপযুক্ত প্রমাণ এবং তথ্য দিয়েছেন। শুভেন্দু বলেন, “রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় মুখ্যসচিব মনোজ পন্থের ফোন ব্যবহার করে অতিরিক্ত মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক অরুণ প্রসাদের সঙ্গে প্রায় প্রায়ই কথা বলেন। শেষ যে দিন বিজেপির প্রতিনিধিদল রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের সঙ্গে দেখা করতে গিয়েছিল, সেই দিনও অরুণ ২০ মিনিট মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে কথা বলছেন। মমতা কোন নির্দেশ দিচ্ছেন? এর আগে এসআইআরে কর্মরত ৬৭ জন বুথ লেভেল অফিসার (বিএলও)-এর বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলে ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছিল। কিন্তু মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে কোনও পদক্ষেপ গ্রহণ করেনি। কেন কমিশন কড়া পদেক্ষপ নিচ্ছে না।” শুক্রবার কমিশনের কাছে এই মর্মে প্রশ্নও তোলেন শুভেন্দু অধিকারী।

    হিন্দু শরণার্থীদের ভোটার তালিকায় তুলতে হবে

    এদিন শুভেন্দু (Suvendu Adhikari) মুখ্যনির্বাচনী আধিকারিকের দফতরে তৃণমূলের বিরুদ্ধে অভিযোগ করে আরও বলেন, “রাজ্যের জনবিন্যাস বদলে যাচ্ছে। প্রশাসনের একাংশ শাসকদলের নির্দেশে অনুপ্রবেশকারীদের সবরকম সুবিধা পাইয়ে দেওয়া হচ্ছে। শুধু তাই নয় অনুপ্রবেশকারীরা যাতে ভোটার তালিকায় নিজেদের সুরক্ষিত রেখে ভোট দিতে পারেন সেই ব্যবস্থার জন্য কাজ করে যাচ্ছে তৃণমূল। হিন্দু শরণার্থীদের নাম তোলার (SIR) বিষয়ে কমিশনকে ভাবতে হবে। সমস্ত অনুপ্রবেশকারীদের নাম বাদ দিতে হবে।”

    তবে শুভেন্দুর অভিযোগের প্রেক্ষিতে রাজ্য নির্বাচন দফতরের তরফে এখনও কোনও প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। তবে সূত্রের খবর রাজ্য নির্বাচন দফতর অফিসিয়ালি কিছু জানাবে না। এই সংক্রান্ত অভিযোগের প্রেক্ষিতে যা বলার নির্বাচন কমিশনই বলবে।

  • Amit Shah on SIR: ‘কিছু রাজনৈতিক দল অনুপ্রবেশকারীদের রক্ষায় সরব…’, নাম না করে মমতাকে নিশানা শাহের

    Amit Shah on SIR: ‘কিছু রাজনৈতিক দল অনুপ্রবেশকারীদের রক্ষায় সরব…’, নাম না করে মমতাকে নিশানা শাহের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কোনও দল বা নেতা-নেত্রীর নাম না করে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে (Mamata Banerjee) কটাক্ষ করলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ (Amit Shah)। শুক্রবার সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি পোস্ট করে শাহ অভিযোগ করেন যে, কিছু রাজনৈতিক দল এসআইআর প্রক্রিয়ায় (SIR) বাধা দিয়ে অনুপ্রবেশকারীদের রক্ষা করার চেষ্টা করছে।

    নিরাপত্তার জন্য অনুপ্রবেশ রুখতে হবে

    শুক্রবার এক্স হ্যান্ডেলে একটি পোস্ট করে অমিত শাহ লেখেন, “ভারতের নিরাপত্তার জন্য অনুপ্রবেশ রুখে দেওয়া যেমন জরুরি, তেমনই গণতান্ত্রিক ব্যবস্থাকে দূষিত হওয়া থেকে বাঁচাতে এই অনুপ্রবেশ বন্ধ করা অত্যন্ত প্রয়োজনীয়। অথচ দুর্ভাগ্যজনকভাবে কিছু রাজনৈতিক দল অনুপ্রবেশকারীদের রক্ষায় সরব, এবং নির্বাচন কমিশনের এসআইআর প্রক্রিয়ার বিরোধিতা করছে।” এর আগে বৃহস্পতিবার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারকে একটি কড়া ভাষার চিঠি পাঠিয়ে অভিযোগ করেন যে, রাজ্যে এসআইআর প্রক্রিয়া অত্যন্ত উদ্বেগজনক পর্যায়ে পৌঁছেছে। তাঁর অভিযোগ, গোটা প্রক্রিয়া অপরিকল্পিত, বিশৃঙ্খল এবং বিপজ্জনকভাবে চালানো হচ্ছে, যা শুরু থেকেই প্রশাসনকে অচল করে দিয়েছে।

    মমতার দাবি, বিজেপির যুক্তি

    মুখ্যমন্ত্রী আরও দাবি করেন, এসআইআর-এর ফলে বিএলও-রা অতিরিক্ত চাপে কাজ করতে বাধ্য হচ্ছেন এবং তিনি সতর্ক করেন যে, এভাবে ৩ ডিসেম্বরর মধ্যে সঠিকভাবে তালিকা আপলোড সম্ভব নয়। সেই প্রেক্ষিতে রাজ্যে এসআইআর স্থগিত করার আবেদন জানান মমতা। যদিও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের অভিযোগ উড়িয়ে দিয়ে বিজেপি দাবি করে যে, তিনি বৈধ ও আইনসিদ্ধ প্রক্রিয়াকে ব্যাহত করার চেষ্টা করছেন। পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) নির্বাচন কমিশনারকে চিঠি দিয়ে অভিযোগ করেন, মুখ্যমন্ত্রী ইচ্ছাকৃতভাবে নির্বাচন কমিশনের সাংবিধানিক ক্ষমতাকে খর্ব করতে চাইছেন।

    কেন কমিশনের বিরোধিতা

    শুক্রবার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের সমাজমাধ্য়মে একটি পোস্ট করা হয়েছে। পোস্টের বার্তা যে খোদ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর দেওয়া, তা সেখানে উল্লেখিত রয়েছে। এদিন শাহ জানিয়েছেন, ‘দেশের অভ্যন্তরীণ সুরক্ষার খাতিরেই যে শুধু অনুপ্রবেশ রুখতে হবে এমনটা নয়। গণতান্ত্রিক স্বার্থের কথা মাথায় রেখেও এই অনুপ্রবেশ বন্ধ করা প্রয়োজন।’ কিন্তু কেউ কেউ তাতে রাজি নয় বলেই অভিযোগ শাহের। অনুপ্রবেশকারীদের তাঁরা ‘সুরক্ষা প্রদান’ করছে বলে দাবি কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর। এদিন তিনি আরও বলেন, ‘দুর্ভাগ্যবশত, বেশ কিছু রাজনৈতিক দল অনুপ্রবেশকারীদের নিরাপত্তা প্রদানে উদ্য়ত্ত হয়েছে। তাঁরা কমিশনেরও বিরোধী। ভারতের নির্বাচন কমিশন যে ভোটার তালিকা শুদ্ধিকরণের কাজ চালাচ্ছে, তা তাঁরা চায় না।’

    কমিশনের পাশেই সরকার

    আগামী ২৫ তারিখ ঠাকুরনগরে মিছিল করতে চলেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তারপর সেখানেই করবেন মিটিং। সেই পদযাত্রা এবং মিটিংয়ের বিষয় অবশ্যই এসআইআর বিরোধিতা। আর এই কারণেই শাহ চটেছেন বলে মনে করা হচ্ছে। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর কথাতে এটা একবারেই পরিষ্কার হয়ে গিয়েছে যে কোনওভাবেই এসআইআর থেকে পিছু হটবে না কেন্দ্রীয় সরকার। বরং ভোটার তালিকা সংশোধনের ক্ষেত্রে নির্বাচন কমিশনের পাশেই রয়েছেন তাঁরা।

    দেশের মানুষ অনুপ্রবেশ পছন্দ করেন না

    বিহারের পর ১২টি রাজ্য এবং কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে এসআইআর করার কাজ শুরু করেছে। তার মধ্যে পাঁচ রাজ্য— পশ্চিমবঙ্গ, তামিলনাড়ু, কেরল এবং পুদুচেরিতে বিধানসভা নির্বাচন রয়েছে আগামী বছরই। বিরোধীদের অভিযোগ, ভোটের আগে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ভাবে এসআইআর করা হচ্ছে। তাই ফের একবার বিরোধীদের সতর্ক করে দেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। তাঁর কথায়, অনুপ্রবেশকারীদের সমর্থন করে এমন কোনও রাজনৈতিক দলের পক্ষেই থাকেন না দেশের নাগরিকেরা। অমিত শাহ বিহারের বিধানসভা নির্বাচনের ফলাফল টেনে আনেন। তাঁর দাবি, বিহারের ফলই প্রমাণ করেছে দেশের মানুষ অনুপ্রবেশ পছন্দ করেন না।

    অনুপ্রবেশ রুখতে সতর্ক বিএসএফ

    শুক্রবার গুজরাতের ভুজে সীমান্ত সুরক্ষা বাহিনীর (বিএসএফ) এক অনুষ্ঠানে গিয়ে শাহ একহাত নিলেন বিরোধীদের। তিনি বলেন, ‘‘অনুপ্রবেশ ঠেকাতে অহরহ কাজ করছে বিএসএফ। ভারতে অনুপ্রবেশ বন্ধ করা কেবল দেশের নিরাপত্তা রক্ষার জন্যই প্রয়োজন তা নয়, বরং দেশের গণতান্ত্রিক ব্যবস্থাকে দূষিত হওয়া থেকে রক্ষার করাও এর উদ্দেশ্য।’’ তাঁর অভিযোগ, কিছু রাজনৈতিক দল সরকারের অনুপ্রবেশ-বিরোধী অভিযানকে দুর্বল করার চেষ্টা করছে। শাহের কথায়, ‘‘এসআইআর প্রক্রিয়ার মাধ্যমে ভোটার তালিকার শুদ্ধকরণের যে কাজ করছে নির্বাচন কমিশন, তা বিঘ্নিত করার চেষ্টা করছে তারা (বিরোধী শিবির)।’’

    মুখ্যমন্ত্রী-প্রধানমন্ত্রী ঠিক করবেন দেশের নাগরিকরাই

    শাহের কথায়, ‘‘কোন রাজ্যে মুখ্যমন্ত্রী কে হবেন, দেশের প্রধানমন্ত্রী কে হবেন— তা ঠিক করার দায়িত্ব একমাত্র দেশের নাগরিকদেরই। অনুপ্রবেশকারীদের সেই অধিকার নেই।’’ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মনে করেন, এসআইআর প্রক্রিয়া দেশের গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা নিরাপদ এবং বিশুদ্ধ করবে। তিনি আরও বলেন, ‘‘যে সব রাজনৈতিক দল এসআইআরের বিরোধিতা করছে, আমি তাদের সতর্ক করতে চাই। ওরা অনুপ্রবেশকারীদের রক্ষা করতে চাইছে। কিন্তু তা হবে না কখনওই।’’

LinkedIn
Share