Tag: South 24 Parganas

South 24 Parganas

  • South 24 Parganas: মধ্যযুগীয় বর্বরতা! ফের বিবস্ত্র করে, লাইট পোস্টে বেঁধে মহিলাকে মারধর!

    South 24 Parganas: মধ্যযুগীয় বর্বরতা! ফের বিবস্ত্র করে, লাইট পোস্টে বেঁধে মহিলাকে মারধর!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আবারও মধ্যযুগীয় বর্বরতা এই বাংলায়! পাওনা টাকা আদায়ের দাবিতে একটি স্বনির্ভর গোষ্ঠীর সভানেত্রীকে বিবস্ত্র করে লাইট পোস্টের গায়ে বেঁধে মারধর করার অভিযোগ উঠল। ঘটনাটি ঘটেছে দক্ষিণ ২৪ পরগনার (South 24 Parganas) পাথরপ্রতিমা থানা এলাকায়। এই ঘটনায় এলাকায় তীব্র শোরগোল তৈরি হয়েছে।

    কীভাবে ঘটল ঘটনা (South 24 Parganas)?

    পাথরপ্রতিমার (South 24 Parganas) এক স্বনির্ভর গোষ্ঠী থেকে অন্যের নাম করে টাকা তোলা হয়। এর পর সেই টাকা ফেরতের দাবিতে গোষ্ঠীর সভানেত্রীকে বিবস্ত্র করে মারধর করে পোস্টে বেঁধে রাখার অভিযোগ ওঠে ওই গোষ্ঠীরই অন্যান্য মহিলাদের বিরুদ্ধে। ঘটনাটি ঘটে পাথরপ্রতিমা ব্লকের গোপালনগর গ্রাম পঞ্চায়েতের দুর্গা গোবিন্দপুরে।

    নির্যাতিতা মহিলার অভিযোগ

    নির্যাতিতা মহিলার অভিযোগ, তিনি তাঁদের গ্রামের (South 24 Parganas) স্বনির্ভর সবুজ গোষ্ঠী থেকে কিছু টাকা নিয়েছিলেন। সেই টাকা সুদে-আসলে প্রায় ছয় লক্ষের মতো হয়েছে। নির্দিষ্ট ছয় মাসের মধ্যে ওই টাকা ফেরত দেওয়ার কথা ছিল। কিন্তু টাকা ফেরত না দিতে পারায় ওই গোষ্ঠীর অন্যান্য মহিলারা তাঁর বাড়িতে গিয়ে তর্কবিতর্কে জড়িয়ে পড়েন। এই পরই তাঁকে টানতে টানতে এনে মারধর করা হয়। সেই সঙ্গে তাঁকে বিবস্ত্র করে একটি ইলেকট্রিক পোস্টের গায়ে দু ঘন্টা বেঁধে রাখা হয়।

    গোষ্ঠীর মহিলা সদস্যদের বক্তব্য

    লাইট পোস্টের গায়ে বেঁধে রাখার কথা স্বীকার করলেও মারধরের অভিযোগ অস্বীকার করেছেন ওই গোষ্ঠীর অন্যান্য মহিলা সদস্যরা। তাঁদের অভিযোগ, কষ্টের জমানো টাকা সভানেত্রী হওয়ার সুবাদে তিনি নিজের নামে ইচ্ছেমতো লোন নেন। এরপর বিষয়টি জানাজানি হলে তিনি ফিরিয়ে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেন। সেই টাকা বাড়িতে চাইতে গেলে ওই মহিলার স্বামী, গোষ্ঠীর এক প্রবীণ মহিলাকে মারধর করেন বলে অভিযোগ ওঠে। এছাড়া ওই মহিলা ওই গ্রুপের অন্যান্য কয়েকজন মহিলাকেও মারধর করেন। তারপরেই অন্যান্য মহিলারা দলবদ্ধ ভাবে ওই মহিলাকে বিদ্যুতের খুঁটির (South 24 Parganas) গায়ে বেঁধে রাখেন।

    পুলিশের ভূমিকা

    খবর পেয়ে, পাথরপ্রতিমা (South 24 Parganas) থানার পুলিশ এসে ওই মহিলাকে উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়। সেখানে ১৩ জনের নামে অভিযোগ দায়ের করেন নির্যাতিত মহিলা। আপাতত বিষয়টি নিয়ে তদন্ত শুরু করেছে পাথরপ্রতিমা থানার পুলিশ। এখনও পর্যন্ত এই ঘটনায় কেউ আটক বা গ্রেফতার হয়নি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • South 24 Parganas: পোলট্রি ফার্মের আড়ালে চলত অবৈধ বাজির কারবার! পুলিশ পৌঁছাতেই ব্যাপক শোরগোল

    South 24 Parganas: পোলট্রি ফার্মের আড়ালে চলত অবৈধ বাজির কারবার! পুলিশ পৌঁছাতেই ব্যাপক শোরগোল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পোলট্রি ফার্মের আড়ালেই নিষিদ্ধ বাজি কারখানা। দিনের পর দিন গোপনেই চলছিল নিষিদ্ধ বাজি তৈরির কারবার। গোপন সূত্রে খবর পেয়ে হানা দেয় বারুইপুর (South 24 Parganas) থানার পুলিশ প্রশাসন। আর এরপর উদ্ধার হয় বিপুল পরিমাণ নিষিদ্ধ বাজি। গতকাল দত্তপুকুরে বাজি বিস্ফোরণে একের পর এক মোট ৯ জনের মৃত দেহ উদ্ধারে তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে রাজ্য রাজনীতিতে। শাসক দলকে কাঠগড়ায় তুলে, বিরোধীরা কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার তদন্তের দাবি তুলেছেন। পুলিশমন্ত্রী এবং পুলিশ প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে উঠছে নানান প্রশ্ন।

    কীভাবে চলত অবৈধ বাজির কারখানা (South 24 Parganas)?  

    পোলট্রি ফার্মের আড়ালে নিষিদ্ধ বাজির ব্যবসা চলত বারুইপুরে (South 24 Parganas)। দত্তপুকুরে বাজি বিস্ফোরণের পর যেভাবে মৃত্যু মিছিল হয়েছে, সেই বিষয়কে মাথায় রেখেই বারুইপুর থানার পুলিশ হানাদেয় চম্পাহাটির হারালে। দেখা যায়, সেখানে পোলট্রি ফার্মের আড়ালে তৈরি হচ্ছে বস্তা বস্তা নিষিদ্ধ বাজি ও মশলা। বহু মহিলারা এই বাজি কারখানায় নিষিদ্ধ বাজি তৈরির কাজ চলছিল বলে জানা গেছে। যদিও সংবাদ মাধ্যমকে দেখে ভয়ে পালিয়ে যান ওঁই মহিলারা।

    পুলিশের ভূমিকা

    স্থানীয় (South 24 Parganas) পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, বারুইপুরের এসডিপিও অতীন বিশ্বাস ও  বারুইপুর থানার আইসি সমীজিৎ রায়ের নেতৃত্বে উদ্ধার হয়েছে নিষিদ্ধ বাজি। পোলট্রি ফার্মের আড়ালে অবৈধ বাজি তৈরির সরঞ্জামের বস্ত বস্তা উপাদান উদ্ধার করে নিয়ে যায় পুলিশ।

    তবে প্রশ্ন উঠছে, বারুইপুর থানা পুলিশ মাইক নিয়ে প্রচার করা সত্ত্বেও কীভাবে তৈরি হচ্ছে এই নিষিদ্ধ শব্দ বাজি! যেখানে শব্দবাজি নিষিদ্ধ, সেখানে দিনের পর দিন এইভাবে বস্ত বস্তা বাজি তৈরি হচ্ছে! অন্যদিকে বিরোধীরা কটাক্ষ করে এও বলে যে দত্তপুকুরের ঘটনায় কী এবার টনক নড়ল পুলিশের! দত্তপুকুরের মতন ঘটনা হারালে যেন না ঘটে, তার জন্য নজর রাখছে বারুইপুর থানার পুলিশ। এই প্রসঙ্গে আরও উল্লেখ্য যে আসানসোলের বার্নপুরে এক বন্ধ গুদাম ঘর থেকে প্রচুর পরিমাণে অবৈধ বাজি উদ্ধার হয়েছে। এই ঘটনায় প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন বিরোধীরা।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • South 24 Parganas: ছাপ্পা ভোটের অভিযোগে বিডিও অফিসে তালা ঝুলিয়ে বিক্ষোভ বিজেপির

    South 24 Parganas: ছাপ্পা ভোটের অভিযোগে বিডিও অফিসে তালা ঝুলিয়ে বিক্ষোভ বিজেপির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নামখানা (South 24 Parganas) ব্লকের শিবরামপুর গ্রাম পঞ্চায়েতে আজ প্রধান গঠন ছিল। আর সেখানেই শাসক দলের হয়ে নির্বাচন অফিসার ছাপ্পা ভোট করিয়েছে এমনই অভিযোগ তুলে বিডিও অফিস ঘেরাও করল বিজেপি। সেই সঙ্গে বিজেপি কর্মীরা বিক্ষোভ দেখিয়ে তালা ঝুলিয়ে দেয় বিডিও অফিসের সামনে। অপর দিকে বোর্ড গঠনের পর ফের বোমাবাজিতে উত্তপ্ত ভাঙড়। বোমায় আহত ৫ আইএসএফ কর্মী, অভিযোগের তির তৃণমূলের দিকে।

    কেন তালা লাগানো হলো (South 24 Parganas)?

    মূলত শিবরামপুর (South 24 Parganas) পঞ্চায়েতে মোট ২৮ টি সিট রয়েছে। যার মধ্যে তৃণমূল কংগ্রেস দখল করেছে ১৭ টি, অন্যদিকে বিজেপি দখল করেছে ১০ টি এবং সিপিআইএম ১টি। তৃণমূল কংগ্রেসের পক্ষ থেকে প্রধান, উপপ্রধানের নাম ঘোষণা করা হলেও বিজেপির পক্ষ থেকে তৃণমূল কংগ্রেসের জয়ী প্রার্থী অনিতা মন্ডলের নাম ঘোষণা করা হয়। আর সেখানেই নির্বাচন অফিসারের বিরুদ্ধে ছাপ্পা ভোটের অভিযোগ তোলে বিজেপি। এরপর বিডিও’র বিরুদ্ধে অভিযোগ করে বিক্ষোভ দেখিয়ে বিডিওর অফিসে তালা ঝুলিয়ে দেয় বিজেপির কর্মী সমর্থকরা।

    বিজেপির বক্তব্য

    মূলত বিজেপির অভিযোগ, বিডিও (South 24 Parganas) হলেন বোর্ড গঠনের নির্বাচন অফিসার, তিনি শাসকদলেকে মদত করতে, শাসক দলের হয়ে ছাপ্পা ভোট করান। ফলে শাসকদলের মনোনীত অর্চনা মাইতিকে প্রধান ও দেবাশীষ দাসকে উপপ্রধান হিসেবে নাম ঘোষণা করেছেন বিডিও। বিজেপিকে বোর্ড গঠনে ভেতরে ঢুকতে দেওয়া হয়নি এবং ভোটদান করতেও দেওয়া হয়নি। আর এই নিয়ে আজ বুধবার দিন নামখানা বিডিও অফিস ঘেরাও করে বিক্ষোভ দেখাতে থাকে বিজেপির কর্মী সমর্থকরা। পাশাপাশি পঞ্চায়েত বোর্ড গঠনের পর ভাঙড় আবারও উত্তপ্ত হয়ে পড়েছে। তৃণমূলের দুষ্কৃতীরা বোমাবাজি করেছে বলে অভিযোগ উঠেছে।

    ফের বোমাবাজি ভাঙড়ে

    পঞ্চায়েতে বোর্ড গঠনের পর আবারো উত্তপ্ত ভাঙড় (South 24 Parganas)। পঞ্চায়েতে বোর্ড গঠনের পরে আইএসএফ কর্মীদের লক্ষ্য করে বোমা ছোড়ার অভিযোগ উঠল তৃণমূলের বিরুদ্ধে। এমনই ঘটনা ঘটেছে কাশিপুর থানার মাঝেরহাট গ্রামে। বোর্ড গঠনের পরে এই ঘটনায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে এলাকায়। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে আসে কাশিপুর থানার বিশাল পুলিশ বাহিনী। তৃণমূল কর্মীদের মারা বোমের আঘাতে পাঁচ জন আইএসএফ কর্মী আহত হয়েছে বলে দাবি। আহতদের উদ্ধার করে জিরান গাছা ব্লক প্রাথমিক স্বাস্থ্য কেন্দ্রে ভর্তি করা হয়েছে। গোটা ঘটনায় ক্ষোভে ফুঁসছে মাঝেরহাট গ্রামের আইএসএফ কর্মীরা।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • South 24 Parganas: দূষণমুক্ত অনাবিল প্রকৃতির হাতছানি মৌসুনী আইল্যান্ড

    South 24 Parganas: দূষণমুক্ত অনাবিল প্রকৃতির হাতছানি মৌসুনী আইল্যান্ড

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পশ্চিমবঙ্গের উপকূল পর্যটন মানচিত্রে একেবারে নতুন না হলেও এখনও দিঘা, মন্দারমণি, বকখালির মতো পরিচিতি বা জনপ্রিয়তা লাভ করেনি দঃ ২৪ পরগনার একেবারে প্রান্তিক অঞ্চলের এই অপরূপ সুন্দরী ভার্জিন সি-বিচ “মৌসুনী দ্বীপ বা মৌসুনী আইল্যান্ড (South 24 Parganas)। এখনও এখানে প্রবেশ করেনি শহরের ব্যস্ত জীবনের বিরামহীন পথচলা। এখনও এখানে তাই স্বমহিমায় বিরাজ করে অখণ্ড নির্জনতা, দূষণমুক্ত আর অনাবিল প্রকৃতি। উর্মিল বঙ্গোপসগরের তরঙ্গ লহরী এখানে প্রতিনিয়ত হাতছানি দিয়ে ডাকে প্রকৃতিপ্রেমী পর্যটককে। বিস্তীর্ণ সোনালি বালি আকৃষ্ট করে হৃদয়।

    মৌসুনী দ্বীপের (South 24 Parganas) ইতিহাস

    এই সুন্দর দ্বীপটিকে জনমানসে পরিচিতি এনে দেওয়ার কৃতিত্বের অন্যতম দাবিদার কিন্ত বৃটিশরা। মূলত বৃটিশ আমলে এই দ্বীপটিকে ইংরেজরা ব্যবহার করত লবণ এবং শুকনো মাছ আনা-নেওয়ার কাজে। প্রথম এই দ্বীপটি সম্পর্কে লিখিত প্রতিবেদন প্রকাশিত হয় “দি হিন্দু” পত্রিকায়।

    মূল আকর্ষণ কী?

    মূলত নীল সাগরের শোভা, বালুকাবেলা এই সৈকতের (South 24 Parganas) প্রধান আকর্ষণ। সঙ্গে উপরি পাওনা গ্রাম্য পরিবেশ। জেলেদের মাছ ধরা, নদী, সবুজ ধানের ক্ষেত -এসবের  আকর্ষণও নেহাৎ কম নয়।

    কিভাবে যাবেন

    মৌসুনী দ্বীপ (South 24 Parganas) যাওয়ার জন্য প্রথমে আসতে হবে নামখানা। এখান থেকে হাতানিয়া নদী পেরিয়ে (বর্তমানে এই নদীর ওপর সেতু হয়ে যাওয়ায় যাতায়াতের ক্ষেত্রে অনেকটাই সুবিধে হয়ে গেছে) বকখালি যাওয়ার পথে খানিক পথ এগিয়ে যেতে হবে বাগডাঙা খেয়াঘাট। মূল সড়ক থেকে খেয়াঘাট অবধি যাচ্ছে টোটো। গাড়ি নিয়ে গেলে এখানে খেয়াঘাটের কাছে গাড়ি রাখার জন্য গ্যারাজের ব্যবস্থাও আছে। সড়ক বা বাসস্টপ থেকে খেয়াঘাট অবধি যেতে সময় লাগে কমবেশি ৩০ মিনিট। এবার গাড়ি এপাড়ে রেখে খেয়া নৌকায় নদী পেরিয়ে নদীর ওপাড়ে এসে সেখান থেকে আবারও টোটোতে প্রায় ১৫-২০ মিনিটের পথ মৌসুনী দ্বীপ বা মৌসুনী আইল্যান্ড।

    কোথায় থাকবেন?

    বর্তমানে এখানে সাগরের কূলে বেশ কিছু টেন্ট তৈরি হয়েছে পর্যটকদের থাকার জন্য। এই টেন্টগুলিতে খাওয়ার ব্যবস্থাও  আছে ।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • South 24 Parganas: পুকুরে মাছ ধরার জালে ফের উদ্ধার ব্যালট বাক্স, তীব্র উত্তেজনা মগরাহাটে

    South 24 Parganas: পুকুরে মাছ ধরার জালে ফের উদ্ধার ব্যালট বাক্স, তীব্র উত্তেজনা মগরাহাটে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যে পঞ্চায়েত ভোট মিটে গেলেও ফলাফল থেমে নেই। উত্তর দিনাজপুরের ডালখোলার মতন মাছ ধরার জালে উঠে এলো ব্যালট বাক্স। এরই জেরে চাঞ্চল্য ছড়ালো মগরাহাট পশ্চিম বিধানসভার (South 24 Parganas) নেতড়া এলাকায়। শাসক দলকে নিশানা করে বিরোধীরা বলছেন, শাসক দল যেভাবে ভোট লুট করেছেন তার প্রকৃষ্ট উদাহরণ হল মাছের জালে ব্যালট বাক্স উদ্ধার। জেলা জুড়ে তীব্র চাঞ্চাল্য।

    কিভাবে উদ্ধার হল (South 24 Parganas)?

    স্থানীয় (South 24 Parganas) সূত্রে জানা যায়, বুধবার নেতড়া হাই মাদ্রাসার সামনের পুকুরে বেড়জাল দিয়ে মাছ ধরার সময় উঠে আসে ৩ টি ব্যালট বাক্স। দুটি বড় বাক্স এবং একটি ছোট বাক্স। আর এই ব্যালট বাক্স দেখে চমকে যান এলাকার মানুষজন। পরে ব্যালট বাক্স উদ্ধারের খবর চাউর হলে, এলাকায় ভিড় জমান স্থানীয়রা। তবে কিভাবে পুকুরে এই ব্যালট বক্স এলো তা নিয়ে রয়েছে ধোঁয়াশা। প্রাথমিক ভাবে অনুমান করা হয় গণনা কেন্দ্র থেকে লুট করে এই বাক্স পুকুরের জলে ফেলা হয়।

    স্থানীয়দের বক্তব্য

    এলাকার স্থানীয় (South 24 Parganas) এক ব্যাক্তি আব্দুল্লা শেখ বলেন, সকাল ১১ টা নাগাদ পুকুরে মাছ ধরার জন্য জাল ফেললে তিনটি ব্যালট বাক্স পাওয়া যায়। যখন পাওয়া যায়, সেই সময় তিনি উপস্থিত না থাকলেও খবর জানাজানি হতে সকলে ছুটে আসেন। তিনি এই প্রসঙ্গে আরও বলেন, এই বাক্সগুলি যে ভোটের সময় ব্যবহার করা হয়েছে সেই বিষয়ে উনি সুনিশ্চিত। কেননা বাক্সে বেশ কিছু নম্বর লাগানো ছিল। তবে কেন এই পুকুরেই পাওয়া গেল সেই বিষয়ে স্পষ্ট করে বলতে পারেননি।

    উল্লেখ্য, পঞ্চায়েত নির্বাচন মিটে গেলেও জেলায় জেলায় পুকুর থেকে ব্যালট বাক্স উদ্ধারের ঘটনায় শোরগোল পড়েছে। গত সপ্তাহেই উত্তর দিনাজপুরের ডালখোলা, করণদিঘিতে একই ভাবে পুকুর থেকে ব্যালট বাক্স উদ্ধার হয়। নদীয়া মুর্শিদাবাদের পাটক্ষেত থেকে ব্যালট পেপার উদ্ধার হয়। হুগলির জাঙ্গি পাড়াতে গণনার পরেও পরিত্যক্ত জায়গা থেকে ভোটের ব্যালট উদ্ধার হয়। এই নিয়ে হাইকোর্টের বিচারপতি অমৃতা সিনহার এজলাজে রীতিমতন মামলার শুনানি চলছে। ফলে পঞ্চায়েত ভোট মিটে গেলেও, তাকে ঘিরে শোরগোল থামছে না।       

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Bhangar: ভাঙড়ে তিন ব্যাগ ভর্তি তাজা বোমা উদ্ধার, এলাকা জুড়ে শোরগোল

    Bhangar: ভাঙড়ে তিন ব্যাগ ভর্তি তাজা বোমা উদ্ধার, এলাকা জুড়ে শোরগোল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পঞ্চায়েত নির্বাচনের দিন ঘোষণার পর থেকেই বার বার খবরের শিরোনামে উঠে এসেছে দক্ষিণ ২৪ পরগনার ভাঙড়ের (Bhangar) নাম। এবার সেই ভাঙড়েই ফের উদ্ধার হল প্রচুর পরিমাণ বোমা। ভাঙড়ের কাশিপুর থানার কাঁটাডাঙা গ্রাম থেকে এই বোমা উদ্ধার করা হয়। ঘটনাস্থলে যায় কাশিপুর থানার পুলিশ। ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।

    কত বোমা উদ্ধার করল পুলিশ?

    মঙ্গলবার সকালে স্থানীয় মানুষজন ভাঙড়ের (Bhangar) কাঁটাডাঙ্গা এলাকায় একটি বাঁশের জঙ্গলের মধ্যে ব্যাগ ভর্তি তাজা বোমা দেখতে পান। খবর দেওয়া হয় কাশিপুর থানার পুলিশকে। পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে তিনটি ব্যাগ ভর্তি তাজা বোমা উদ্ধার করে। কে বা কারা এই বোমা রেখে গেল, সে সম্পর্কে তদন্ত শুরু করেছে কাশিপুর থানার পুলিশ। তবে, জঙ্গলের মধ্যে তিন ব্যাগ বোমা উদ্ধারের ঘটনায় এলাকায় আতঙ্ক তৈরি হয়েছে।

    কী বললেন তৃণমূল নেতৃত্ব?

    ভাঙড়ের (Bhangar) তৃণমূল নেতা তথা আরাবুল পুত্র হাকিমুল ইসলাম বলেন, কাঁটাডাঙ্গা এলাকা আইএসএফের খাসতালুক। ওরা এলাকায় সন্ত্রাসের পরিবেশ তৈরি করতেই এসব বোমা মজুত করে রেখেছে। ভোট গণনার দিন ওরা কী করেছিল তা সকলেই জানে। পুলিশ প্রশাসনকে ওদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য বলেছি। এদিনের বোমা উদ্ধারের ঘটনা প্রমাণ করছে আইএসএফ এলাকায় গন্ডগোল করতেই এত বোমা মজুত করেছিল। এই ঘটনায় এলাকার মানুষ চরম আতঙ্কে রয়েছে। আর এরজন্য ওরা দায়ী।

    কী বললেন আইএসএফ নেতৃত্ব?

    এই বিষয় নিয়ে আইএসএফ নেতা বাহাউদ্দিন বলেন, তৃণমূল কংগ্রেস এই বোমা নিজেরাই রেখে আমাদের দলের নামে দোষ চাপানোর চেষ্টা করছে। এই বোমা উদ্ধারের ঘটনায় কোনওভাবেই আইএসএফ যুক্ত নয়। পরিকল্পনা করে ফাঁসানোর চেষ্টা করছে তৃণমূল কংগ্রেস। আমরা এই ঘটনার তীব্র নিন্দা করছি। এই ঘটনায় যে বা যারা জড়িত রয়েছে, তাদের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানাচ্ছি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • South 24 Parganas: বাড়িতে বোমা মজুত! বিস্ফোরণে উড়ে গেল তৃণমূল কর্মীর বাড়ির চাল

    South 24 Parganas: বাড়িতে বোমা মজুত! বিস্ফোরণে উড়ে গেল তৃণমূল কর্মীর বাড়ির চাল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জুন মাসের দ্বিতীয় সপ্তাহে পঞ্চায়েত ভোটের ঘোষণা হতেই সন্ত্রাসের বধ্যভূমি হয়ে ওঠে বাংলা। ভোটের রেজাল্ট বের হয়ে গেলেও তার রেশ চলছেই। এখনও রাজ্যের বহু প্রান্তে বিজেপির কর্মী-সমর্থকরা ঘরছাড়া হয়ে রয়েছেন। দিকে দিকে চলছে ব্যালট, বোমা উদ্ধার। ফের বোমা বিস্ফোরণে কেঁপে উঠল দক্ষিণ চব্বিশ পরগনা (South 24 Parganas)। রবিবার কাকদ্বীপের নেতাজি গ্রাম পঞ্চায়েতে এই ঘটনা ঘটে। 

    রবিবার বিকালে বোমা বিস্ফোরণ তৃণমূল কর্মীর বাড়িতে 

    জানা গিয়েছে, ওই গ্রাম পঞ্চায়েতের (South 24 Parganas) পাকুরতলা গ্রামের ১৭৫ নম্বর বুথের এক তৃণমূল কর্মীর বাড়িতে রবিবার বিস্ফোরণ হয়। স্থানীয় সূত্রে খবর, তৃণমূল কর্মীর নাম আসাদুল খান। ডাক নাম লোটু। বিরোধীরা বারংবার অভিযোগ তোলে, রাজ্যের বিভিন্ন এলাকায় তৃণমূল নেতা-কর্মীদের বাড়িতে মজুত রয়েছে আগ্নেয়াস্ত্র সমেত বোমা। এই ঘটনা বিরোধীদের আনা সেই অভিযোগকেই কার্যত মান্যতা দিল বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহলের একাংশ। এলাকার মানুষ জানিয়েছেন, রবিবার বিকাল নাগাদ হঠাৎ আসাদুলের বাড়ির বারান্দায় বিকট আওয়াজ হয়। ঘটনায় চারিদিকের লোকজন ভিড় করেন তৃণমূল নেতার বাড়ির সামনে। দেখা যায়, অ্যাসবেস্টসের চাল ভেঙে তছনছ হয়ে যায়। চারিদিক থেকে মানুষ বেরিয়ে এলেও আরও বোমা থাকতে পারে বা বিস্ফোরণ হতে পারে এই ভয়ে বাড়ির কাছে কেউ যায়নি। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে (South 24 Parganas) আসে ঢোলা থানার পুলিশ। পুলিশ বাড়িটিকে ঘিরে রাখে। হতাহতের কোনও খবর পাওয়া যায়নি। তবে বাড়ির সবাই পলাতক।

    কী বলছেন স্থানীয় তৃণমূল নেতৃত্ব? 

    তাদের কর্মীর বাড়িতে বোমা বিস্ফোরণ হয়েছে এটা মানতেই চাইছে না তৃণমূল নেতৃত্ব (South 24 Parganas)। উপরন্তু অভিযুক্তকে দরাজ সার্টিফিকেটও দিচ্ছেন তাঁরা।এই বিষয়ে তৃণমূলের স্থানীয় নেতা নাজমুল সেখ বলেন, ‘‘আসাদুল তৃণমূলের বা তাদের দলের একনিষ্ঠকর্মী, তবে রোজগারের জন্য মুম্বইয়ে কাজ করে, ভোটের সময় বাড়ি এসেছে। ওর মতো সরল সাদাসিধে ভালো ছেলে এলাকায় নেই। ওকে মিথ্যা করে বা চক্রান্ত করে ফাঁসানো হয়েছে।’’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • South 24 Parganas: তৃণমূলের দুষ্কৃতীরা জোর করে মুচলেকা লিখিয়েছে, বাড়ি ফিরে বললেন অপহৃতরা

    South 24 Parganas: তৃণমূলের দুষ্কৃতীরা জোর করে মুচলেকা লিখিয়েছে, বাড়ি ফিরে বললেন অপহৃতরা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পঞ্চসায়ের এলাকা থেকে রায়দিঘির (South 24 Parganas) কৃষ্ণচন্দ্রপুরের চার বিরোধী জয়ী প্রার্থীর অপহরণের ঘটনার পর অবশেষে রবিবার বাড়ি ফিরলেন তাঁরা। বাড়ি ফিরেই বললেন, অপহরণ করে জোর করে স্বীকারোক্তি এবং লিখিত নেওয়া হয়। মূলত পঞ্চায়েতে বোর্ড গঠনের জন্যই দুষ্কৃতীরা তাঁদের অপহরণ করে। অভিযোগের তির মূলত তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীদের বিরুদ্ধেই। এলাকায় এই নিয়ে রাজনৈতিক মহলে তীব্র উত্তেজনা।

    যাঁরা অপহরণ হয়েছিলেন তাঁদের বক্তব্য (South 24 Parganas)

    অপহরণের শিকার হওয়া চার জয়ী বিরোধী প্রার্থীর নাম হল সুশান্ত মণ্ডল, কমলা মণ্ডল, নারায়ণ চন্দ্র হালদার এবং পুজা ছাটুই। বাড়ি (South 24 Parganas) ফিরেই তাঁদের বক্তব্য, গত ২৭ জুলাই কলকাতা থেকে রাতের অন্ধকারে তৃণমূলের দুষ্কৃতীরা অপহরণ করেছিল। এরপরেই জোরপূর্বক তাঁদের থেকে লিখিত ও ভিডিও বার্তা নেওয়া হয়। এরপর একাধিক গেস্ট হাউসে স্থানান্তরিত করে রাখা হয়েছিল। পরে সাদা কাগজে তাঁদের স্বাক্ষর করিয়ে নেওয়াও হয়। আজ রবিবার সকালে তাঁদেরকে আবার অপহরণমুক্ত করে বাড়িতে পাঠিয়ে দেওয়া হয়। অপহরণ যাঁদের করা হয়েছিল তঁদের মাধ্যে ছিলেন বিজেপির তিনজন প্রার্থী এবং সিপিআইএমের এক প্রার্থী।

    কৃষ্ণচন্দ্রপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের সমীকরণ কেমন?

    কৃষ্ণচন্দ্রপুরের (South 24 Parganas) মোট আসন সংখ্যা ১৫, যেখানে তৃণমূল কংগ্রেস জয়লাভ করেছে ৪ টি আসনে, বিজেপি জয়লাভ করেছে ৬টি আসনে এবং সিপিআইএম জয়লাভ করেছে ৩ টি আসনে। আর বাকি দুটিতে নির্দল জয়লাভ করেছে। বোর্ড গঠন করতে হলে মোট আটজন সদস্যের প্রয়োজন। যেখানে তৃণমূল কংগ্রেসের হাতে রয়েছে মাত্র চারজন সদস্য। তৃণমূল কংগ্রেস বোর্ড গঠন করার লক্ষ্যে বিরোধীদের চারজন সদস্যকে অপহরণ করে, এমনটাই অভিযোগ বিজেপির। পাশাপাশি সিপিআইএমও বোর্ড গঠনের জন্য তৃণমূলের দুষ্কৃতীদের এই অপকর্ম করে বলে উল্লেখ করে।

    তৃণমূলের বক্তব্য

    অন্যদিকে বিজেপির তোলা অভিযোগ অস্বীকার করে তৃণমূল কংগ্রেসের সুন্দরবন (South 24 Parganas) সাংগঠনিক জেলার সভাপতি জয়দেব হালদার বলেন, যেখানে সিপিআইএমের মাত্র তিনজন সদস্য, তাঁরা কিভাবে এই অভিযোগ তুলতে পারেন! তিনি আরও বলেন, সিপিআইএম এবং বিজেপির মধ্যে সেটিং হয়েছে। সিপিআইএম চক্রান্ত করে তৃণমূলের উপর দোষ চাপানোর চেষ্টা করছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • TMC: ভাঙড়ে আরাবুল পুত্র সহ একাধিক তৃণমূল নেতা পেলেন সশস্ত্র নিরাপত্তারক্ষী, জেলাজুড়ে শোরগোল

    TMC: ভাঙড়ে আরাবুল পুত্র সহ একাধিক তৃণমূল নেতা পেলেন সশস্ত্র নিরাপত্তারক্ষী, জেলাজুড়ে শোরগোল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পঞ্চায়েত ভোট ঘোষণার পর থেকেই বার বার উত্তপ্ত হয়েছে দক্ষিণ ২৪ পরগনার ভাঙড়। ভোটের দিন আইএসএফ-তৃণমূলের (TMC) মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। ভোটের ফল বের হওয়ায় পর থেকেই ভাঙড়ে বার বার রাজনৈতিক সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। একাধিক রাজনৈতিক কর্মীর মৃত্যু হয়েছে। রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোসও ভাঙড়ে গিয়ে আক্রান্তদের সঙ্গে কথা বলেছেন। নিহত কর্মীর পরিবারের লোকজনের সঙ্গে কথা বলেছেন। এবার সেই ভাঙড়ে সশস্ত্র নিরাপত্তারক্ষী পেলেন একাধিক তৃণমূল নেতা। যা নিয়ে রাজনৈতিক মহলে জোর চর্চা শুরু হয়েছে।

    কোন কোন তৃণমূল নেতা পেলেন নিরাপত্তারক্ষী?

    তৃণমূল (TMC) সূত্রে জানা গিয়েছে, নিরাপত্তা পেলেন আরাবুল ইসলামের ছেলে হাকিমুল ইসলাম। পঞ্চায়েত ভোটে রাজনৈতিক হিংসার পর তাঁকে নিরাপত্তা দেওয়া হয়েছে। একাধিকবার হাকিমুলকে হুমকির মুখে পড়তে হয়েছিল। সে কারণেই সশস্ত্র পুলিশি নিরাপত্তা পাচ্ছে ভাঙড়ের এই যুব নেতা। হাকিমুলের পাশাপাশি তৃণমূল নেতা খইরুল ইসলাম ও আহসান মোল্লাও পাচ্ছেন একজন করে নিরাপত্তারক্ষী। সারাক্ষণই সশস্ত্র একজন করে নিরাপত্তারক্ষী থাকবে তৃণমূলের এই নেতাদের সঙ্গে। রাজ্য প্রশাসনের পক্ষ থেকে করা হয়েছে এই ব্যবস্থা।

    নিরাপত্তা পেয়ে কী বললেন আরাবুল পুত্র?

    তৃণমূল (TMC) নেতা তথা আরাবুল পুত্র হাকিমুল ইসলাম বলেন, পঞ্চায়েত ভোটের পর থেকে প্রকাশ্যেই প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হচ্ছে। তাই প্রশাসনের কাছে আমরা দরবার করেছিলাম। আমাদের সেই আবেদনে সাড়া দিয়ে প্রশাসনের পক্ষ থেকে নিরাপত্তার ব্যবস্থা করা হয়েছে। প্রশাসনের এই উদ্যোগে আমরা খুশি।

    কী বললেন বিজেপি নেতৃত্ব?

    এই বিষয়ে জয়নগর সাংগঠনিক জেলার বিজেপির সভাপতি উৎপল নস্কর বলেন, হাকিমুল বা আরাবুল অথবা শওকত এরাই নিরাপত্তা পাবে। তবে এটা নতুন কিছু নয়। যেখানে প্রশাসনিক বৈঠক থেকে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী শওকত মোল্লাকে পুলিশ প্রশাসনের সামনে বোমা বাঁধে বলে আখ্যায়িত করেন, সেখানে হাকিমুল রাজ্য সরকারের নিরাপত্তা পাবে এটাই স্বাভাবিক। কারণ রাজ্যের শাসক দল (TMC)  গুন্ডা মস্তানদের নিরাপত্তা দেয়। এই ঘটনা  তার জ্বলন্ত প্রমাণ।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • South 24 Parganas: জল জীবন মিশন প্রকল্পের তদারকিতে দক্ষিণ চব্বিশ পরগনায় কেন্দ্রীয় দল

    South 24 Parganas: জল জীবন মিশন প্রকল্পের তদারকিতে দক্ষিণ চব্বিশ পরগনায় কেন্দ্রীয় দল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মোদি সরকারের প্রকল্প জল জীবন মিশনের কাজে তদারকি করতে রাজ্যে এল কেন্দ্রীয় টিম। তৃণমূলের সেকেন্ড-ইন-কমান্ড অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের সংসদ এলাকা ডায়মন্ড হারবার (South 24 Parganas) লোকসভা কেন্দ্রের অন্তর্গত বেশ কিছু গ্রামে গিয়ে তাঁরা প্রকল্পের কাজ সরেজমিনে খতিয়ে দেখেন। এলাকার বাড়ি বাড়ি ঘুরে মানুষজনের সঙ্গে কথা বলেন। তবে কেন্দ্রীয় টিমের এই তদারকি ভালভাবে নেয়নি স্থানীয় তৃণমূল পরিচালিত গ্রাম পঞ্চায়েতের নেতারা। প্রসঙ্গত, মোদি সরকার ২০১৯ সালের অক্টোবর মাসে গান্ধী জয়ন্তীতে শুরু করে জল জীবন মিশন প্রকল্প। এই প্রকল্প সারা দেশে সম্পূর্ণ হওয়ার কথা ২০২৪ সালের মার্চে। কেন্দ্রীয় প্রকল্পের নাম বদলে দেওয়া এ রাজ্যে নতুন কিছু নয়। এর আগে প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনা হয়েছে বাংলার আবাস যোজনা। যা নিয়ে বিতর্কে দানা বেঁধেছে। আবার কেন্দ্রীয় সরকারের জল জীবন মিশনের নামও বদল করে রাখা হয়েছে জল স্বপ্ন প্রকল্প। এই প্রকল্পের আওতায় ডায়মন্ড হারবার সংলগ্ন হুগলি নদীর জল তুলে তা পরিশুদ্ধ করে ঘরে ঘরে পৌঁছে দেওয়ার কথা।

    বুধবার দক্ষিণ ২৪ পরগনার (South 24 Parganas) মথুরাপুরে কেন্দ্রীয় টিম

    বুধবার দক্ষিণ ২৪ পরগনার (South 24 Parganas) মথুরাপুর-১ ব্লকের কৃষ্ণচন্দ্রপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের সোদিয়াল গ্রামে যায় কেন্দ্রীয় পর্যবেক্ষক দল। দলের অন্যতম সদস্য ছিলেন এস নেগী। তিনি সংবাদ মাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে বলেন, ‘‘আমরা জানতে পেরেছিলাম এখানে কাজ দ্রুত হচ্ছে না। এই প্রকল্প এতদিন শেষ হয়ে যাওয়ার কথা। তাই বাড়ি বাড়ি গিয়ে খোঁজ নিচ্ছি, সবাই পরিশুদ্ধ জল পাচ্ছেন কিনা!’’ মূলত ডোঙ্গারিয়া মথুরাপুর জল প্রকল্পের মাধ্যমে বাড়ি বাড়ি জল পৌঁছে দেওয়ার কাজ শুরু হয়েছে। সেই কাজের তদারকি করতে কেন্দ্রীয় সরকারের ২ জনের প্রতিনিধি দল আসে। বাড়ি বাড়ি ঘুরে সঠিকভাবে জলপরিষেবা প্রদান করা হচ্ছে কিনা তা খতিয়ে দেখেন তাঁরা।

    কী বলছে তৃণমূল নেতৃত্ব (South 24 Parganas)?

    ভিলেজ ওয়াটার স্যানিটেশন কমিটির (South 24 Parganas) সদস্য বাপি হালদার বলেন, ‘‘কেন্দ্র সরকার রাজ্য সরকারের উপর জোর করে সব কিছু চাপিয়ে দেয়। এখনও পর্যন্ত জল প্রকল্পের কাজ বাকি রয়েছে।’’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share