Tag: sskm hospital

sskm hospital

  • RG Kar: দাবি বিচারের! মহালয়াতে মহামিছিলের ডাক জুনিয়র ডাক্তারদের, ধর্মতলায় হবে মহাসমাবেশ

    RG Kar: দাবি বিচারের! মহালয়াতে মহামিছিলের ডাক জুনিয়র ডাক্তারদের, ধর্মতলায় হবে মহাসমাবেশ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আরজিকর (RG Kar) কাণ্ডে বিচারের দাবিতে এবার মহালয়াতে মহা-মিছিলের ডাক দিলেন জুনিয়র চিকিৎসকরা। জানা গিয়েছে, ২অক্টোবর ওই মহা মিছিল শুরু হবে কলেজ স্কোয়ারে, তা শেষ হবে ধর্মতলায়। আজ শুক্রবারই এসএসকেএম-এ গণকনভেনশনের আয়োজন করে জুনিয়র ডাক্তাররা (Junior Doctor)। সেখান থেকেই তাঁরা নিজেদের একাধিক কর্মসূচি ঘোষণা করেন। প্রসঙ্গত, আগামী সোমবার সুপ্রিম কোর্টের শুনানি রয়েছে, তার আগের দিন রবিবার পাড়ায় পাড়ায় মিছিলের ডাক দিয়েছেন জুনিয়র ডাক্তাররা।

    বেশ কিছু কর্মসূচির ঘোষণা (RG Kar)

    আজ শুক্রবার গণ কনভেনশনের (RG Kar) মঞ্চ থেকে তাঁরা বেশ কিছু কর্মসূচি ঘোষণা করেছেন (প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত)

    ১) ২৯ তারিখ পাড়ায় পাড়ায় সন্ধ্যাবেলায় সাধারণ মানুষকে মিছিল করতে আহ্বান জানানো হয়েছে। 

    ২) ২ অক্টোবর অর্থাৎ মহালয়ার দিন মহাসমাবেশ-মহামিছিলের ডাক দেওয়া হয়েছে। এই মহামিছিল (Junior Doctor) কলেজ স্কোয়ার থেকে শুরু হয়ে ধর্মতলা পর্যন্ত যাবে। এরপর ধর্মতলায় মহাসমাবেশের ডাক দেওয়া হয়েছে। 

    ৩) এর পাশাপাশি মহালয়ার দিনেই আরজি কর মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে নিহত তরুণী চিকিৎসকের একটি মূর্তি স্থাপনেরও পরিকল্পনা করেছেন তাঁরা।

    কারা আমন্ত্রিত ছিলেন গণ কনভেনশনে

    এসএসকেএম হাসপাতালের অডিটোরিয়ামে আজ শুক্রবারের কনভেনশনে সমাজের সর্বস্তরের প্রতিনিধিদের আমন্ত্রণ জানিয়েছিলেন জুনিয়র ডাক্তাররা। যে রিক্সা চালকেরা বিচারের দাবিতে মিছিল করেছিলেন, তাঁরাও আজ আমন্ত্রিত ছিলেন। এ ছাড়া প্রবীণ চিকিৎসক, বিশিষ্ট অভিনেতা, পরিচালক থেকে আইটিকর্মী, মোহনবাগান-ইস্টবেঙ্গল সমর্থকদেরও ডাকা হয়েছিল আজ। অনেকেই বক্তব্য রাখেন। তাঁদের মধ্যে টলিউড অভিনেত্রী দেবলীনা দত্ত জুনিয়র ডাক্তারদের গণ কনভেনশনে (RG Kar) বলেন, ‘‘থ্রেট কালচার ভুলে গেলে চলবে না। নির্যাতিত কোনও মহিলা না হয়ে পুরুষও হতে পারতেন। হুমকি সংস্কৃতির কারণেই এ সব হচ্ছে। তার বিরুদ্ধেই আমাদের লড়াই। দুর্নীতির বিরুদ্ধে লড়াই। হুমকি দেওয়া মানেই ভয় পাওয়া। তাঁরা ভয় পাচ্ছেন বলেই হুমকি দিচ্ছেন।’’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Kolkata Police: বড়দিনের রাতে খাদ্যভবনে গুলিবিদ্ধ পুলিশকর্মী, মৃত্যু এসএসকেএমে

    Kolkata Police: বড়দিনের রাতে খাদ্যভবনে গুলিবিদ্ধ পুলিশকর্মী, মৃত্যু এসএসকেএমে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বড়দিনের রাতে নিউ মার্কেট থানা এলাকার খাদ্যভবনের ভিতরে রিজার্ভ ফোর্স ব্যারাকে গুলিবিদ্ধ হয়ে মৃত্যু হল এক পুলিশ (Kolkata Police) কনস্টেবলের। নিজের সার্ভিস রিভলভারের গুলি তাঁর বুকে লাগে। তাঁকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় এসএসকেএম হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। তাঁর সহকর্মীরাই তাঁকে দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে যান। কিন্তু তাঁকে বাঁচানো সম্ভব হয়নি। রাতেই তাঁর মৃত্যু হয়। 

    কী ঘটেছিল

    মৃত কনস্টেবলের নাম তপন পাল। ৫৩ বছর বয়সী কলকাতা পুলিশের (Kolkata Police) ওই কনস্টেবলের বাড়ি হরিণঘাটায়। তিনি নিজেই আত্মহত্যা করার উদ্দেশ্যে গুলি চালিয়েছেন, নাকি এটা দুর্ঘটনা, তা এখনও স্পষ্ট নয়। গোটা ঘটনার তদন্ত করছে পুলিশ। ব্যারাক থেকে রাত ১১টা নাগাদ ডিউটিতে যাচ্ছিলেন রির্জাভ ফোর্সের অফিসার। সেই সময় হঠাৎ গুলির শব্দ শোনা যায়। ঘটনাস্থলে ছুটে যান সহকর্মীরা। গুলিবিদ্ধ অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখা যায় কনস্টেবলকে। অতর্কিতে গুলি চলেছে নাকি, তিনি আত্মঘাতী হয়েছেন তা জানা যায়নি। গোটা ঘটনা ইতিমধ্যেই খতিয়ে দেখতে শুরু করেছেন লালবাজারের হোমিসাইড শাখার অফিসাররা। নিহত কনস্টেবল কোনও মানসিক অবসাদে ভুগছিলেন কিনা, তাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

    আরও পড়ুন: অযোধ্যায় বাড়ির ছাদে ছাদে উড়ছে ‘জয় শ্রীরাম’ পতাকা, এ যেন হিন্দু সংস্কৃতির ভরকেন্দ্র!

    তদন্তে পুলিশ

    পুলিশ (Kolkata Police) প্রাথমিক ভাবে জানিয়েছে, ছুটি কাটিয়ে ২৪ তারিখ বাড়ি থেকে ফিরেছিলেন তিনি। ডিউটিতে যাওয়ার আগে নিজের সার্ভিস রিভলভার ইস্যু করান। সিক্স চেম্বার রিভলভার। যার মধ্যে থেকে একটা গুলি চলেছে। পারিবারিক কোনও অশান্তি ছিল কিনা পরিবারের সঙ্গে কথা বলে জানার চেষ্টা করা হচ্ছে। ব্যারাক ঘর থাকলেও অধিকাংশ সময় বাড়ি থেকেই যাতায়াত করতেন তিনি। এদিন, ব্যারাক থেকে খাদ্যভবনে ডিউটি যাওয়ার পথে তিনি গুলিবিদ্ধ হন। পুলিশের প্রাথমিক অনুমান, আত্মঘাতী হয়েছে তপন। তাঁর বাড়িতে খবর দেওয়া হয়েছে। এদিন রাতেই ঘটনাস্থলে যান কলকাতা পুলিশের কমিশনার বিনীত গোয়েল। প্রায় মিনিট দশেক তিনি ঘটনাস্থলে ছিলেন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Mamata Banerjee: বাড়িতে পড়ে জখম মুখ্যমন্ত্রী, আরোগ্য কামনা করলেন সুকান্ত

    Mamata Banerjee: বাড়িতে পড়ে জখম মুখ্যমন্ত্রী, আরোগ্য কামনা করলেন সুকান্ত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নিজের বাড়িতেই এদিন কোনওভাবে পড়ে যান মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)। ভর্তি হন এসএসকেএম হাসপাতালে। পরিবারের লোকজন থেকে দলীয় নেতারা প্রত্যেকেই আসেন হাসপাতালে। উডবার্ন ওয়ার্ডের সাড়ে ১২ নম্বর কেবিনে নিয়ে যাওয়া হয় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে। শেষে তাঁকে কপালে সেলাই করে ছেড়ে দেন ডাক্তাররা। রাত ৯.৪০ নাগাদ কালীঘাটের বাড়িতে ফেরেন মুখ্যমন্ত্রী৷ মুখ্যমন্ত্রীর দ্রুত আরোগ্য কামনা করেছেন রাজ্য় বিজেপি সভাপতি সুকান্ত মজুমদার। দ্রুত আরোগ্য কামনা করেন উপ-রাষ্ট্রপতি জগদীপ ধনখড়ও।

    ঠিক কী ঘটেছে মুখ্যমন্ত্রীর (Mamata Banerjee)

    বৃহস্পতিবার বিকেলে কালীঘাটের বাড়িতে  চোট পান মুখ্যমন্ত্রীজানা গিয়েছে, বৃহস্পতিবার বাড়ির চত্বরে হাঁটছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। সেসময় সামনের দিকে ঝুঁকে পড়ে গিয়েই গুরুতর জখম হন তিনি। তড়িঘড়ি তাঁকে নিয়ে যাওয়া হয় এসএসকেএম হাসপাতালে। মুখ্যমন্ত্রীর (Mamata Banerjee) কপালে সেলাই করা হয়। এর পর তিনি কালীঘাটের বাড়িতে ফিরে যান। মুখ্যমন্ত্রীর চোট গুরুতর নয় বলে এসএসকেএম সূত্রে জানা গিয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী চিকিৎসকদের সঙ্গে কথাও বলেছেন। চিকিৎসকরা, তাঁকে বিশ্রামের পরামর্শ দিয়েছেন।

    আরও পড়ুন: বিজেপিতে যোগ দিতে চলেছেন বারাকপুরের “বেতাজ বাদশা” অর্জুন সিং

    মুখ্যমন্ত্রীর দ্রুত আরোগ্য কামনা করে ট্যুইট বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদারের

    মুখ্যমন্ত্রীর (Mamata Banerjee) দ্রুত আরোগ্য কামনা করে ট্যুইট করেছেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার। নিজের ট্যুইটে সুকান্ত মজুমদার লেখেন, ‘‘আমরা প্রার্থনা করি তিনি যেন দ্রুত সুস্থ হয়ে ওঠেন।’’

    মুখ্যমন্ত্রীর (Mamata Banerjee) আরোগ্য় কামনা করেন উপ-রাষ্ট্রপতি জগদীপ ধনখড়। পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রীর স্বাস্থ্যের খোঁজখবর নিয়েছেন তিনিও। সূত্রের খবর, তিনি গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন এবং তাঁর দ্রুত আরোগ্য কামনা করেছেন।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Kalighater Kaku: ‘কালীঘাটের কাকু’ এতদিন এসএসকেএমে কেন? হাইকোর্টে বিজেপি

    Kalighater Kaku: ‘কালীঘাটের কাকু’ এতদিন এসএসকেএমে কেন? হাইকোর্টে বিজেপি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় ধৃত সুজয়কৃষ্ণ ভদ্র ওরফে ‘কালীঘাটের কাকু’র বিরুদ্ধে হাইকোর্টে নালিশ জানাল বিজেপি। অভিযোগ, গুরুতর অসুস্থ না হয়েও এসএসকেএম হাসপাতালে শয্যা দখল করে রয়েছেন তিনি। মঙ্গলবার এই বিষয়ে প্রধান বিচারপতি টিএস শিবজ্ঞানম এবং বিচারপতি সুপ্রতিম ভট্টাচার্যের ডিভিশন বেঞ্চের দৃষ্টি আকর্ষণ করা হয়। এই মামলায় সব পক্ষকে নোটিস দিতে বলে উচ্চ আদালত। প্রধান বিচারপতি জানান, বৃহস্পতিবার মামলাটির শুনানি হবে।

    হাইকোর্টে জনস্বার্থ মামলা

    গ্রেফতারির পর কিছুদিন প্রেসিডেন্সি জেলে থাকলেও কালীঘাটের কাকুর বর্তমান ঠিকানা এসএসকেএম হাসপাতাল। একাধিকবার হাসপাতালে গিয়ে তাঁর কণ্ঠস্বরের নমুনা সংগ্রহ করার চেষ্টা করেও ব্যর্থ হয়েছে ইডি। এসএসকেএম হাসপাতালে কালীঘাটের কাকুর ভর্তির থাকার যৌক্তিকতা নিয়ে প্রশ্ন তুলে জনস্বার্থ মামলা দায়ের হয়েছে কলকাতা হাইকোর্টে। নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় ধৃত ‘কালীঘাটের কাকু’ ওরফে সুজয়কৃষ্ণ ভদ্র এসএসকেএমে অপ্রয়োজনে ভর্তি হয়ে বেড দখল করে রেখেছেন। ফলে সাধারণ মানুষের সমস্যা হচ্ছে। রোগীরা ভর্তি হওয়ার সুযোগ পাচ্ছেন না। তাঁর হাসপাতালে থাকার প্রয়োজনীয়তা নেই। মামলকারী এই বিষয়ে আদালতের হস্তক্ষেপ চেয়েছেন।

    আরও পড়ুন: জবাব তলব! কামদুনি মামলায় রাজ্য ও অভিযুক্তদের নোটিশ পাঠাল সুপ্রিম কোর্ট

    ইডির সন্দেহ

    প্রথম থেকেই বিজেপি কাকুর অসুস্থতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে। এতদিন ধরে তিনি ঠিক কোন অসুখে ভুগছেন, তা জানতে চান সুকান্ত মজুমদার, দিলীপ ঘোষরা। ইতিমধ্যেই কাকুর স্বরবদলের চেষ্টার একটা অভিযোগও এসেছে বিরোধী শিবিরগুলির তরফে। এ প্রসঙ্গে আগেই বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার বলেছিলেন, কালীঘাটের কাকুর ভোকাল কর্ডে একটা অস্ত্রোপচার হয়েছে বলে শুনছি। গলার স্বর বদলের চেষ্টা চলছে। তাই এসএসকেএমে রাখা হয়েছে তাঁকে। এর আগে ইডি আদালতে কাকুর অসুস্থতা নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করেছে। কণ্ঠস্বরের নমুনা নেওয়ার আগের দিনই কাকুকে এসএসকেএম আইসিইউয়ে শিফট করে দেয় বলে অভিযোগ জানায় ইডি। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Kalighater Kaku: আইসিইউ থেকে কার্ডিওলজি বিভাগে, ‘কাকু’র ‘নাগাল’ পেতে আইনি পরামর্শ নিচ্ছে ইডি!

    Kalighater Kaku: আইসিইউ থেকে কার্ডিওলজি বিভাগে, ‘কাকু’র ‘নাগাল’ পেতে আইনি পরামর্শ নিচ্ছে ইডি!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শেষমেশ এসএসকেএম হাসপাতালের আইসিইউ থেকে বের করা হল সুজয়কৃষ্ণ ভদ্র ওরফে ‘কালীঘাটের কাকু’কে (Kalighater Kaku)। মঙ্গলবার রাতে তাঁকে সেখান থেকে বের করা হয়। তবে ‘কাকু’র এই সুস্থতা আশ্বস্ত করতে পারছে না ইডিকে। তাই ‘কাকু’কে কীভাবে এসএসকেএম থেকে বের করে আনা যায়, সে ব্যাপারে আইনজ্ঞের পরামর্শ নিচ্ছে ইডি।

    পথ খুঁজছে ইডি

    গ্রেফতার হওয়ার পর থেকে বারেবারেই ‘অসুস্থ’ হয়ে পড়ছেন ‘কাকু’। মঙ্গলবার আচমকা অসুস্থ হয়ে পড়ায় তাঁকে স্থানান্তরিত করা হয় আইসিইউতে। সুস্থ হওয়ায় বুধবার তাঁকে বের করা হয় সেখান থেকে। তাই ‘কাকু’কে এসএসকেএমের ‘খপ্পর’ থেকে বের করার পথ খুঁজছে ইডি। সূত্রের খবর, এ ব্যাপারে আইনি পরামর্শ নিতে শুরু করেছেন ইডির আধিকারিকরা। কেননা, একমাত্র আদালতের অনুমতি মিললেই ‘কাকু’কে নিয়ে যাওয়া যেতে পারে অন্যত্র।

    কার্ডিওলজির কেবিনে কাকু

    এসএসকেএম হাসপাতাল সূত্রে খবর, মঙ্গলবার দুপুরে বৈঠকে বসে ‘কাকু’র চিকিৎসায় গঠিত তিন সদস্যের একটি মেডিক্যাল বোর্ড। সেখানে ‘কাকু’র অ্যাঞ্জিওগ্রাফি সহ আরও বেশ কিছু শারীরিক পরীক্ষার রিপোর্ট নিয়ে আলোচনা হয়। সূত্রের খবর, এই বৈঠকেই স্থির হয় আইসিইউ থেকে বের করে ‘কাকু’কে কার্ডিওলজি বিভাগের কেবিনে স্থানান্তরিত করা হবে। সেই মতো রাতে স্থানান্তরিত করা হয় ‘কাকু’কে (Kalighater Kaku)।

    আরও পড়ুুন: আমেরিকাতেও ছড়িয়েছে গ্যাংস্টার-সন্ত্রাসবাদী আঁতাত, এফবিআইকে জানালো এনআইএ

    ‘কাকু’র কণ্ঠস্বরের নমুনা পেতে চাইছে ইডি

    নিয়োগ কেলেঙ্কারি মামলায় ইডির হাতে গ্রেফতার হয়েছেন তৃণমূলের সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় ঘনিষ্ঠ এই ‘কাকু’। অভিষেকের সংস্থায় তদন্ত করতে গিয়ে একটি কণ্ঠস্বরের হদিশ পায় ইডি। তদন্তকারীদের অনুমান, গলার স্বরটি ‘কাকু’রই। বিষয়টি কলকাতা হাইকোর্টের গোচরে আসার পরেই ‘কাকু’র কণ্ঠস্বরের নমুনা পরীক্ষার নির্দেশ দেয় আদালত। সেই স্বরের নমুনা পেতেই হন্যে হচ্ছেন ইডির আধিকারিকরা। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ ‘কাকু’কে না ছাড়ায় তাঁর কণ্ঠস্বরের নমুনা সংগ্রহ করা যাচ্ছে না। রাজনৈতিক মহলের সিংহভাগের মতে, কাকু মুখ খুললে জালে আটকে পড়বে অনেক রাঘব বোয়াল। তাই কাকুর স্বরের নমুনা যাতে কোনওভাবেই সংগ্রহ করা না যায়, তার ব্যবস্থা করতেই নাড়া হচ্ছে যাবতীয় কলকাঠি। যার জেরে মাস দুয়েকেরও বেশি সময় ধরে ‘কাকু’ (Kalighater Kaku) রয়েছেন এসএসকেএমের নিরাপদ ঘেরাটোপে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     
     
  • Kalighater Kaku : এসএসকেএম-এর থেকে রিপোর্ট তলব! সুজয়কৃষ্ণকে দেখতে হাসপাতালে ইডি

    Kalighater Kaku : এসএসকেএম-এর থেকে রিপোর্ট তলব! সুজয়কৃষ্ণকে দেখতে হাসপাতালে ইডি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এসএসকেএমে চিকিৎসাধীন সুজয়কৃষ্ণ ভদ্র, ওরফে ‘কালীঘাটের কাকু’ আছেন কেমন? সরেজমিনে সোমবার হাসপাতালে গেলেন ইডি-র এক আধিকারিক। খুব অল্প সময় তিনি পিজি-তে ছিলেন, বলে খবর। কার্ডিয়োলজি বিভাগে গিয়ে কাকুর অবস্থা জেনে আসেন ওই অফিসার। কথা বলেন চিকিৎসকদের সঙ্গে। এ বিষয়ে কলকাতা থেকে একটি রিপোর্ট পাঠানো হবে দিল্লিতে, ইডি কর্তাদের কাছে। 

    কেন হাসপাতালে ইডি

    ‘আচমকা অসুস্থ হয়ে পড়ায়’ গত শুক্রবার সুজয়কৃষ্ণ ভদ্র ওরফে ‘কালীঘাটের কাকু’কে এসএসকেএম থেকে জোকা ইএসআই-তে নিয়ে যেতে পারেনি ইডি। অ্যাম্বুল্যান্স নিয়ে গিয়েও ফিরে যেতে হয়েছিল তাদের। ইডিকে এসএসকেএম কর্তৃপক্ষ জানিয়েছিলেন, হঠাৎ রক্তচাপ বেড়ে যাওয়ায় কার্ডিয়োলজির এক নম্বর কেবিন থেকে ‘কাকু’কে আইসিইউ-তে স্থানান্তরিত করা হয়েছে। এবার সুজয়কৃষ্ণের মেডিক্যাল রিপোর্ট নিয়ে সন্দেহ দেখা গেল ইডি কর্তাদের মধ্যে। কাকু কতখানি অসুস্থ সেটাই স্পষ্ট নয় এসএসকেএমের মেডিক্যাল রিপোর্ট থেকে। ইডি সূত্রে খবর, কাকুর সিএবিজি গ্রাফ্ট ভেসেল (CABG GRAFT VESSLE) রিপোর্টও নেই। হার্টের চিকিৎসা সংক্রান্ত রিপোর্ট এটি। সেই রিপোর্ট চেয়ে এবার এস‌এসকেএমকে চিঠি দিল ইডি।

    আরও পড়ুন: মহুয়াকে ৩০ দিনে বাংলো খালির নির্দেশ! মন্ত্রককে চিঠি সংসদের আবাসন কমিটির

    বৈঠকে এসএসকেএমের মেডিক্যাল বোর্ড

    অন্যদিকে কাকুর শারীরিক পরিস্থিতি নিয়ে মঙ্গলবার ফের বৈঠকে বসে এসএসকেএমের মেডিক্যাল বোর্ড। ডিরেক্টর মণিময় বন্দ্যোপাধ্যায়, এম‌এসভিপি পীযূষ রায় ছাড়াও বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন মেডিক্যাল বোর্ডের তিন সদস্য কার্ডিওলজিস্ট দীপঙ্কর মুখোপাধ্যায়, অসিত দাস, গৌতম দত্ত। আইসিসিইউ থেকে স্থানান্তরের সম্ভাবনা খতিয়ে দেখতে এই বৈঠক বলে জানা গিয়েছে। ইডি সূত্রে আগেই জানা গিয়েছিল যে, শুক্রবারই সুজয়কৃষ্ণের গলার স্বরের নমুনা সংগ্রহ করে তা পরীক্ষার জন্য পাঠাতে চায় তারা। নিয়োগ মামলায় সুজয়কে গ্রেফতার করেছে ইডি। তিনি দীর্ঘ দিন ধরেই এসএসকেএম হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। তাঁর গলার স্বরের নমুনা অনেক দিন ধরে সংগ্রহ করার চেষ্টা করছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থাটি। কিন্তু বার বার তাতে বাধা আসছে বলে অভিযোগ, কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Sujay Krishna Bhadra: সুজয়ের নজরদারিতে মোতায়েন জওয়ান, মন্ত্রীর জন্য ‘তৃতীয় নয়ন’

    Sujay Krishna Bhadra: সুজয়ের নজরদারিতে মোতায়েন জওয়ান, মন্ত্রীর জন্য ‘তৃতীয় নয়ন’

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দু’জনেই গ্রেফতার হয়েছেন দুর্নীতির মামলায়। দু’জনের সঙ্গেই রয়েছে তৃণমূল যোগ। দু’জনেই রয়েছেন এসএসকেএমে চিকিৎসাধীন। জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক ও সুজয়কৃষ্ণ ভদ্র (Sujay Krishna Bhadra) ওরফে ‘কালীঘাটের কাকু’ এই দু’জনের ওপরই কড়া নজর রাখছেন কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা।

    নজরদারির রকমফের

    রেশন বণ্টন কেলেঙ্কারিতে গ্রেফতার হয়েছেন রাজ্যের প্রাক্তন খাদ্যমন্ত্রী তথা বর্তমান বনমন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক। এসএসকেএমের যে কেবিনে ভর্তি রয়েছেন তিনি, তার বাইরে রয়েছে সিসি ক্যামেরা। আদালতের নির্দেশেও লাগানো হয়েছে এই ‘চোখ’। তাই গ্রেফতার হওয়া মন্ত্রীর সঙ্গে কারা দেখা করতে আসছেন, তা সবই ধরা থাকছে ক্যামেরার ফুটেজে। আর সুজয়কৃষ্ণ (Sujay Krishna Bhadra) ভর্তি রয়েছেন হৃদরোগ বিভাগের ইনটেনসিভ করোনারি কেয়ার ইউনিটে। তাঁর ওপর নজরদারি চালাচ্ছেন কেন্দ্রীয় বাহিনী সিআইএসএফের জওয়ানরা।

    এখনও মেলেনি ‘কাকু’র কণ্ঠস্বরের নমুনা 

    সুজয়কৃষ্ণের গলার স্বরের নমুনা সংগ্রহ করে পরীক্ষার জন্য তা পাঠাতে চায় ইডি। সেই নমুনা সংগ্রহ করার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন তদন্তকারীরা। যদিও শনিবার পর্যন্তও সুজয়কৃষ্ণের গলার স্বরের নমুনা সংগ্রহ করতে পারেনি ইডি। তাই হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন তদন্তকারীরা। যদিও হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের দাবি, গলার স্বরের নমুনা দিতে প্রস্তুত নন সুজয়কৃষ্ণ। নিয়োগ কেলেঙ্কারি মামলার তদন্ত করতে গিয়ে ইডি একটি অডিও রেকর্ডিং উদ্ধার করে। সেখানে সুজয়কৃষ্ণের গলার স্বর শোনা গিয়েছে বলে দাবি তদন্তকারীদের। এ ব্যাপারে নিশ্চিত হতে সুজয়কৃষ্ণের গলার স্বরের নমুনা সংগ্রহ করা প্রয়োজন। এ ব্যাপারে আদালতের সম্মতিও মিলেছে। তার পরেও কালীঘাট ঘনিষ্ঠ কাকুর গলার স্বরের নমুনা সংগ্রহ করতে পারছেন না তদন্তকারীরা।

    আরও পড়ুুন: ৪০ জায়গায় হানা এনআইএ-র, জঙ্গিগোষ্ঠীর সঙ্গে জড়িত সন্দেহ গ্রেফতার ১৩

    শনিবার সকালেও সুজয়কৃষ্ণের স্বরের নমুনা সংগ্রহ করতে হাসপাতালে চলে যান তদন্তকারীরা। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানান, তাঁকে স্থানান্তরিত করা হয়েছে ক্রিটিক্যাল কেয়ার ইউনিটে। সুজয়কৃষ্ণকে যে অন্যত্র স্থানান্তরিত করা হয়েছে, সে খবর ইডিকে জানানো হয়নি বলে ইডি সূত্রে খবর। তাই সুজয়কৃষ্ণের নজরদারিতে সর্বক্ষণ মোতায়েন থাকবেন সিআইএসএফের দু’ জন জওয়ান। সুজয়কৃষ্ণ (Sujay Krishna Bhadra) রয়েছেন ক্রিটিক্যাল কেয়ার ইউনিটের ১৮ নম্বর বেডে। এই বেডের সামনেই চব্বিশ ঘণ্টা প্রহরায় থাকবেন সশস্ত্র দুই জওয়ান।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Jyotipriya Mallick: ফের অসুস্থ জ্যোতিপ্রিয়, ভর্তি করা হল এসএসকেএম হাসপাতালে

    Jyotipriya Mallick: ফের অসুস্থ জ্যোতিপ্রিয়, ভর্তি করা হল এসএসকেএম হাসপাতালে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এসএসকেএম হাসপাতালের কার্ডিওলজি বিভাগে ভর্তি করা হল রাজ্যের প্রাক্তন খাদ্যমন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিককে (Jyotipriya Mallick)। কার্ডিওলজির এমার্জেন্সি ওয়ার্ডের পাঁচ নম্বর কেবিনে ভর্তি করা হয়েছে তাঁকে। মন্ত্রীর ওপর নজর রাখছে মেডিসিন এবং নিউরোলজি বিভাগও।

    কার্ডিওলজি বিভাগের এমার্জেন্সিতে ভর্তি

    রেশন বণ্টন কেলেঙ্কারিতে গ্রেফতার হয়েছিলেন জ্যোতিপ্রিয়। আদালতের নির্দেশে তিনি বর্তমানে রয়েছেন প্রেসিডেন্সি জেলে। মঙ্গলবার দুপুরে আচমকাই অসুস্থ হয়ে পড়েন তিনি। বুকে ব্যথা অনুভব করেন। শ্বাসকষ্টও হয়। সঙ্গে সঙ্গেই তাঁকে নিয়ে যাওয়া হয় জেলা হাসপাতালে। পরে নিয়ে আসা হয় এসএসকেএমে। কার্ডিওলজি বিভাগের এমার্জেন্সিতে তাঁকে পরীক্ষা করা হয়। পরে ভর্তি করে নেওয়া হয় কার্ডিওলজি বিভাগে।

    আগেও অসুস্থ হয়ে পড়েছিলেন জ্যোতিপ্রিয়

    ইডির হাতে গ্রেফতার হওয়ার পরে রাজ্যের বনমন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয়কে (Jyotipriya Mallick) তোলা হয় আদালতে। ১০ দিনের ইডি হেফাজতের নির্দেশ শুনে সেদিনই এজলাসে জ্ঞান হারিয়ে ফেলেছিলেন উত্তর ২৪ পরগনার তৃণমূল নেতা জ্যোতিপ্রিয়। এজলাসে সামান্য বমিও করেন। তাঁকে কমান্ড হাসপাতালে ভর্তি করার নির্দেশ দেয় আদালত। পরে তাঁকে ভর্তি করা হয় বাইপাসের একটি বেসরকারি হাসপাতালে। সুস্থ হওয়ার পরে রাজ্যের প্রাক্তন খাদ্যমন্ত্রীকে হেফাজতে নেয় ইডি। তার পরে একাধিকবার জ্যোতিপ্রিয়কে বলতে শোনা গিয়েছিল, তাঁর শরীর ভাল নেই। বাঁ হাত-পা পক্ষাঘাতের মতো হয়ে যাচ্ছে।

    আরও পড়ুুন: জয়নগর, আমডাঙার পর এবার ভাটপাড়া! গুলিতে ঝাঁঝরা তৃণমূল কর্মী

    ১৬ নভেম্বর নিম্ন আদালতে হাজিরা দেওয়ার কথা ছিল জ্যোতিপ্রিয়র। অসুস্থতার কারণে তাঁকে হাজির করানো হয় ভার্চুয়ালি। সেদিনও নিজের অসুস্থতার কথা জানিয়ে বিচারককে তিনি আবেদন করেছিলেন, ‘আমাকে বাঁচতে দিন’। তিনি এও জানিয়েছিলেন, সাড়ে তিনশোর বেশি সুগার। হাত-পা কাজ করছে না। জ্যোতিপ্রিয়র কথা শোনার পর বিচারক তাঁকে বলেন, “আপনার অসুবিধা হলে সেলে চলে যেতে পারেন।” এর পরের দিনই প্রেসিডেন্সি জেলে অসুস্থ হয়ে পড়েছিলেন রাজ্যের বনমন্ত্রী। কাশির পাশাপাশি শুরু হয়েছিল শ্বাসকষ্টও। সেদিন কৃত্রিম অক্সিজেন দিতে হয় জ্যোতিপ্রিয়কে। মঙ্গলবার ফের অসুস্থ হয়ে পড়েন রাজ্যের প্রাক্তন খাদ্যমন্ত্রী তথা বর্তমান বনমন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় (Jyotipriya Mallick)।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     
     
  • Tarun Majumdar Hospitalized: অসুস্থ তরুণ মজুমদার, পিজির আইসিউতে চলছে চিকিৎসা

    Tarun Majumdar Hospitalized: অসুস্থ তরুণ মজুমদার, পিজির আইসিউতে চলছে চিকিৎসা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অসুস্থ বর্ষীয়ান চিত্রপরিচালক (Film Director) তরুণ মজুমদার (Tarun Majumdar)। একাধিক শারীরিক সমস্যা নিয়ে এসএসকেএম হাসপাতালে (SSKM Hospital) ভর্তি রয়েছেন তিনি। আইসিইউতে (ICU) চিকিৎসা চলছে তাঁর। কোভিড টেস্ট করা হয়েছে ইতিমধ্যেই। রিপোর্ট এখনও চিকিৎসকের হাতে এসে পৌঁছয়নি। হাসপাতাল সূত্রে খবর, কিডনি এবং শ্বাসকষ্টের সমস্যা রয়েছে পরিচালকের। 

    তরুণ মজুমদারের কিডনির সমস্যা নতুন নয়। ২০০০ সাল থেকে এই রোগে ভুগছেন তিনি। এছাড়াও রয়েছে ফুসফুসের সমস্যা ও ডায়াবেটিস। চেস্ট মেডিসিন চিকিৎসক সোমনাথ কুণ্ডু এবং মেডিসিন বিশেষজ্ঞ সৌমিত্র ঘোষের নেতৃত্বে পাঁচজন চিকিৎসকের একটি দল সারাক্ষণ পরিচালকের শারীরিক অবস্থার ওপর নজর রেখেছেন। ক্যাথিটার দিয়ে তাঁকে প্রস্রাব করানো হচ্ছে বলে খবর। শ্বাসকষ্টের সমস্যা থাকায় বর্ষীয়ান পরিচালকের করোনা পরীক্ষা করানো হয়েছে। আজ মঙ্গলবারই তার রিপোর্ট আসার কথা।

    আরও পড়ুন: কিশোর কুমারের চারটি বিয়ে! এই বিষয়ে কী বললেন তাঁর পুত্র অমিত কুমার  
     
    পরাধীন ভারতবর্ষে জন্ম হয় এই কিংবদন্তি পরিচালকের। বাবা বীরেন্দ্রনাথ মজুমদার ছিলেন স্বাধীনতা সংগ্রামী। রসায়নের ছাত্র হলেও সিনেমা তৈরির নেশায় তিনি বিনোদন জগতে পা রাখেন। শচীন মুখোপাধ্যায় এবং দিলীপ মুখোপাধ্যায়ের সঙ্গে মিলে ‘যাত্রিক’ নামে একটি দল তৈরি করে সিনেমা পরিচালনার কাজ শুরু করেন তিনি। এই তিন পরিচালকের তৈরি প্রথম সিনেমা ‘চাওয়া পাওয়া’। এই সিনেমায় অভিনয় করেন সর্বকালীন সেরা জুটি উত্তম কুমার-সুচিত্রা সেন।  এই ত্রয়ীর পরের ছবি‘কাঁচের স্বর্গ’। জাতীয় পুরস্কার পেয়েছিল ছবিটি।

    আরও পড়ুন: দিলীপ কুমারের স্মৃতিতে কান্নায় ভেঙে পড়লেন সায়রা বানু    
      
    ১৯৬৫ সালে ‘যাত্রিক’ থেকে বেরিয়ে এসে একা ছবি বানানো শুরু করেন তরুণ মজুমদার। সে বছর ‘আলোর পিপাসা’ এবং ‘একটুকু ভালবাসা’ নামের দুটি সিনেমা তৈরি করেন তিনি। তারপর থেকে একের পর এক সিনেমা উপহার দিয়েছেন এই পরিচালক। সেই তালিকায় রয়েছে ‘বালিকা বধূ’, ‘কুহেলি’, ‘শ্রীমান পৃথ্বীরাজ’, ‘ফুলেশ্বরী’, ‘দাদার কীর্তি’,  ‘আপন আমার আপন’, ‘গণদেবতা’, ‘চাঁদের বাড়ি’, ‘ভালবাসা ভালবাসা’, ‘আলো’- র মতো সব জনপ্রিয় বাংলা সিনেমা। নিজের দীর্ঘ কেরিয়ারে একাধিক জাতীয় পুরস্কার পেয়েছেন তরুণ মজুমদার। 

    তাঁর সংগ্রহে রয়েছে চারটি জাতীয় পুরস্কার, সাতটি বিএফজেএ সম্মান, পাঁচটি ফিল্মফেয়ার পুরস্কার এবং একটি আনন্দলোক পুরস্কার। ১৯৯০ সালে তাঁকে পদ্মশ্রী সম্মানে ভূষিত করা হয়। ২০১৮ সালে মুক্তি পায় তরুণ মজুমদার পরিচালিত শেষ ছবি ‘ভালোবাসার বাড়ি’। ছবিতে অভিনয় করেছেন ঋতুপর্ণা সেনগুপ্ত ও প্রতীক সেন।  

     

  • SSKM Hospital: ‘উত্তোলন’ না ‘উন্মোচন’, প্রবল বিতর্কে নয়া নির্দেশিকা এসএসকেএমের 

    SSKM Hospital: ‘উত্তোলন’ না ‘উন্মোচন’, প্রবল বিতর্কে নয়া নির্দেশিকা এসএসকেএমের 

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রবল বিতর্কের জেরে ফের নয়া নির্দেশিকা জারি এসএসকেএম হাসপাতাল (SSKM Hospital) কর্তৃপক্ষের। স্বাধীনতা দিবসে (Independence Day) পতাকা উন্মোচনের (Flag Unfurled) কথা বলা হয়েছিল পুরানো নির্দেশিকায়। তা নিয়ে শুরু হয় বিতর্ক। কারণ প্রথা মেনে স্বাধীনতা দিবসে পতাকা উত্তোলন (Flag Hoist) করতে হয়। বিতর্কের জেরে জারি হয় নয়া নির্দেশিকা। সেখানেই বলা হয়েছে পতাকা উত্তোলনের কথা।  

    রীতি অনুযায়ী, যথাযথ মর্যাদার সঙ্গে স্বাধীনতা দিবসে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করা হয়। এদিন একটি দণ্ডের নীচে জাতীয় পতাকা বাঁধা থাকে। পরে তা দণ্ডের শীর্ষে উত্তোলন করা হয়। যা আসলে স্বাধীনতা অর্জনের দ্যোতক হিসাবে ধরা হয়। অন্যদিকে, প্রজাতন্ত্র দিবসে জাতীয় পতাকা উন্মোচিত করা হয়। সেদিন দণ্ডের শীর্ষেই গোটানো থাকে জাতীয় পতাকা। সেটি উন্মোচন করা হয় মাত্র। ১৯৪৭ সালে স্বাধীনতার সময় দেশে রাষ্ট্রপতি ছিলেন না। ছিলেন প্রধানমন্ত্রী। তাই ১৫ অগাস্ট পতাকা উত্তোলন করেন প্রধানমন্ত্রী, রাষ্ট্রপতি নন। ১৯৫০-এ ২৬ জানুয়ারি শপথ নেন দেশের প্রথম রাষ্ট্রপতি। তাই সেদিন পতাকা উন্মোচন করেন তিনি।

    রাজ্যের সুপার স্পেশ্যালিটি হাসপাতাল এসএসকেএম। স্বাধীনতার পঁচাত্তর বর্ষ পূর্তি উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রীর ডাকে সাড়া দিয়ে দেশজুড়ে পালিত হচ্ছে আজাদি কা অমৃত মহোৎসব। পালিত হচ্ছে হর ঘর তিরঙ্গা কর্মসূচিও। ফি বারের মতো এবারও দেশের সর্বত্র মর্যাদার সঙ্গে পালিত হবে স্বাধীনতা দিবস। সেই উপলক্ষে এসএসকেএম হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ অধ্যাপক এবং ছাত্র-ছাত্রীদের গ্রুপে যে নির্দেশিকা পাঠিয়েছিলেন সেখানে ১৫ অগাস্ট সকাল সাড়ে ৯টায় তাঁদের সমবেত হতে বলা হয়েছে। ওই নির্দেশিকায় পতাকা উত্তোলনের(flag hoisting) কথা বলা হয়নি। বরং পতাকা উন্মোচিত(flag unfurled) হবে বলে জানানো হয়েছিল। এর পরেই শুরু হয় বিতর্ক। শেষমেশ একপ্রকার বাধ্য হয়েই নয়া নির্দেশিকা জারি করেন হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। সেখানে পতাকা উত্তোলনের কথা বলা হয়। তার পরেই ইতি পড়ে বিতর্কে। একটি সুপার স্পেশ্যালিটি হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ কীভাবে এই ‘ভুল’ করলেন, তা নিয়েও উঠছে প্রশ্ন।  

     

LinkedIn
Share