Tag: students

students

  • Middle East Tensions: যুদ্ধ আসন্ন? যে কোনও পরিবহণে ইরান ছাড়ুন, ভারতীয় নাগরিকদের নির্দেশ ভারতীয় দূতাবাসের

    Middle East Tensions: যুদ্ধ আসন্ন? যে কোনও পরিবহণে ইরান ছাড়ুন, ভারতীয় নাগরিকদের নির্দেশ ভারতীয় দূতাবাসের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ইরানে থাকা ভারতীয় (India) নাগরিকদের ইরান ছাড়তে বলেছে তেহরানে অবস্থিত ভারতীয় দূতাবাস (Middle East Tensions)। ইরানে সম্ভাব্য মার্কিন হামলা হতে পারে — এমন উদ্বেগ গত কয়েক সপ্তাহ ধরে তীব্রতর হচ্ছে। এই নতুন পরামর্শ এমন একটা পরিস্থিতিতে এসে পড়েছে যখন দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে সরকারবিরোধী ব্যাপক বিক্ষোভ শুরু হয়েছে।

    ভারতীয় দূতাবাসের নির্দেশ (Middle East Tensions)

    পরামর্শে বলা হচ্ছে, “ভারত সরকারের ৫ জানুয়ারি ২০২৬-এর দেওয়া পরামর্শের ধারাবাহিকতায় এবং ইরানের পরিবর্তিত পরিস্থিতি বিবেচনায়, যারা বর্তমানে ইরানে আছেন — শিক্ষার্থী (student), তীর্থযাত্রী (pilgrim), ব্যবসায়ী (businessperson) এবং পর্যটক (tourist) — তাঁদের যে কোনও পরিবহণ (means of transport) ব্যবহার করে ইরান ছাড়তে বলা হয়েছে, যার মধ্যে কমার্সিয়াল ফ্লাইটও রয়েছে।” দূতাবাস আগের জানুয়ারি নির্দেশনাটিকে আবারও মনে করিয়ে দিয়েছে এবং সব ভারতীয় নাগরিক ও ভারতীয় বংশোদ্ভূত ব্যক্তিদের সতর্ক থাকার পরামর্শ দিয়েছে। তাঁরা যেন বিক্ষোভে অংশ না নেন কিংবা যেখানে বিক্ষোভ হচ্ছে সেই অঞ্চলের কাছাকাছি না যাওয়ার, দূতাবাসের সঙ্গে যোগাযোগ রাখার এবং স্থানীয় সংবাদমাধ্যম থেকে আপডেট মনিটর করার অনুরোধও করা হয়েছে।

    মার্কিন সামরিক উপস্থিতি ক্রমশ বাড়ছে

    ভারতীয় নাগরিকদের এও বলা হয়েছে, তাঁরা যেন সব সময় তাঁদের ভ্রমণ ও ইমিগ্রেশন নথি, যেমন পাসপোর্ট এবং পরিচয়পত্র হাতের নাগালে রাখে, এবং প্রয়োজনে সহায়তার জন্য দূতাবাসের সঙ্গে যোগাযোগ করেন (Middle East Tensions)। এটা এমন এক সময়ে এসেছে যখন ইরান–মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র উত্তেজনা ও মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন সামরিক উপস্থিতি ক্রমশ বাড়ছে। পারমাণবিক আলোচনা চলতে থাকলেও, পরিস্থিতির উন্নতি নিশ্চিত নয়। আলোচনা পরবর্তী রাউন্ড জেনেভায় অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা। এসব পরিস্থিতির মধ্যেই ইরানের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে সরকার-বিরোধী বিক্ষোভ শুরু হয়েছে, যেখানে শিক্ষার্থীরা তেহরান এবং অন্যান্য শহরে ঠাঁই নিয়েছে, কখনও কখনও সরকারপন্থী সমর্থক ও বিরোধীদের মধ্যে ধাক্কাধাক্কিও হয়েছে। জানুয়ারির শুরুর দিকে আগের বিক্ষোভগুলি শীর্ষ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি (Ayatollah Ali Khamenei) প্রশাসনের অধীনে কঠোরভাবে দমন করা হয়েছিল, যেটিতে (India) অনেক প্রতিবাদকারী নিহত ও আটক হন (Middle East Tensions)।

     

  • Foreign Students: ভর্তির ২৪ ঘণ্টার মধ্যে ভারতে পড়তে আসা বিদেশিদের সম্পূর্ণ তথ্য পোর্টালে তুলতে হবে, বিশ্ববিদ্যালয়গুলিকে নির্দেশ কেন্দ্রের

    Foreign Students: ভর্তির ২৪ ঘণ্টার মধ্যে ভারতে পড়তে আসা বিদেশিদের সম্পূর্ণ তথ্য পোর্টালে তুলতে হবে, বিশ্ববিদ্যালয়গুলিকে নির্দেশ কেন্দ্রের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জাতীয় নিরাপত্তা জোরদার করা এবং বিদেশিদের সঠিক নথিভুক্তি নিশ্চিত করতে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ নিল কেন্দ্রীয় সরকার। এখন থেকে ভারতে পড়াশোনা করতে আসা সকল বিদেশি শিক্ষার্থীর (Foreign Students) জন্য সরকার নির্ধারিত একটি পোর্টালে তাদের সম্পূর্ণ তথ্য (Full Information) নিবন্ধন করা বাধ্যতামূলক হবে।

    ধরনের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রেই প্রযোজ্য (Foreign Students)

    মিডিয়া প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এই নিয়ম সরকারি ও বেসরকারি, উভয় ধরনের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রেই প্রযোজ্য। সরকারের মতে, অতীতে বহু ক্ষেত্রে দেখা গিয়েছে যে ছাত্র ভিসায় আগত বিদেশিদের সম্পর্কে প্রশাসনের কাছে পূর্ণাঙ্গ তথ্য ছিল না। যেমন, তারা কোন কলেজে পড়ছে, তাদের ভিসার মেয়াদ কখন শেষ হচ্ছে, অথবা তারা আদৌ পড়াশোনা করছে কি না, এই সব মৌলিক তথ্যের ঘাটতি ছিল। এই শূন্যতা দূর করতেই জারি করা হয়েছে নয়া নির্দেশিকা। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের সঙ্গে সমন্বয় করে জারি করা এই নির্দেশ অনুযায়ী, সমস্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে নির্দিষ্ট সময়সীমার মধ্যে তাদের প্রতিষ্ঠানে ভর্তি হওয়া বিদেশি শিক্ষার্থীদের তথ্য আপলোড করতে হবে। এই তথ্য একটি ডিজিটাল ব্যবস্থার মাধ্যমে ভাগ করা হবে (নতুন নির্দেশিকা), যাতে সংশ্লিষ্ট দফতরগুলি তাৎক্ষণিক আপডেট দেখতে পারে।

    ফরেন স্টুডেন্ট ইনফর্মেশন সিস্টেম

    প্রতিষ্ঠানগুলিকে শিক্ষার্থীর নাম, উৎপত্তি দেশ, পাসপোর্ট নম্বর, ভিসার বৈধতা, কোর্সের বিবরণ এবং ভারতে তার আবাসিক ঠিকানার মতো গুরুত্বপূর্ণ তথ্য অন্তর্ভুক্ত করতে হবে। এছাড়া, কোনও শিক্ষার্থী মাঝপথে পড়াশোনা ছেড়ে দিলে বা দীর্ঘ সময় ক্লাসে অনুপস্থিত থাকলে সেই তথ্যও জানাতে হবে (Foreign Students)। বিদেশি শিক্ষার্থীদের পর্যবেক্ষণের জন্য সরকার “ফরেন স্টুডেন্ট ইনফর্মেশন সিস্টেম(FSIS)” নামে একটি ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম তৈরি করেছে। সমস্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে এই পোর্টালে নিবন্ধন করতে হবে এবং প্রতিটি নতুন ভর্তি সম্পর্কে ২৪ থেকে ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে তথ্য আপডেট করতে হবে। এই সিস্টেমটি সরাসরি অভিবাসন দফতরের সঙ্গে সংযুক্ত থাকবে, ফলে ভিসা-সংক্রান্ত কোনওরকম অসঙ্গতি দ্রুত শনাক্ত করা সম্ভব হবে। সরকার সাফ জানিয়ে দিয়েছে, কোনও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান গাফিলতি করলে তাদের বিরুদ্ধে ফরেনার্স অ্যাক্ট অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হতে পারে। এর মধ্যে জরিমানা, আইনি পদক্ষেপ এবং স্বীকৃতি বাতিলের মতো কঠোর ব্যবস্থাও (Full Information) অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। সরকার আরও জানিয়েছে, প্রয়োজনে এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে (Foreign Students)।

     

  • Pass-Fail System: পঞ্চম-অষ্টম শ্রেণিতে ফিরছে পাশ-ফেল, বিজ্ঞপ্তি জারি মোদি সরকারের

    Pass-Fail System: পঞ্চম-অষ্টম শ্রেণিতে ফিরছে পাশ-ফেল, বিজ্ঞপ্তি জারি মোদি সরকারের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পাশ-ফেল (Pass Fail System) নিয়ে বড় পদক্ষেপ নিতে চলেছে মোদি সরকার (Narendra Modi)। আগের মতো আবারও পঞ্চম এবং অষ্টম শ্রেণিতে ফের পাশ-ফেল ফেরাতে চলেছে কেন্দ্র। ২০১৯ সালে শিক্ষার অধিকার আইন (RTE) সংশোধনের পরে কমপক্ষে ১৬টি রাজ্য ও দুটি কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল ইতিমধ্যে দুটি গ্রেডের জন্য ‘নো-ডিটেনশন নীতি’ বাতিল করেছে।

    শিক্ষা মন্ত্রকের বিজ্ঞপ্তিতে কী রয়েছে?(Pass Fail System)

    শিক্ষা মন্ত্রকের (Pass Fail System) তরফে বিজ্ঞপ্তি দিয়ে জানানো হয়েছে, পঞ্চম এবং অষ্টম শ্রেণির কোনও পড়ুয়া পরীক্ষায় সফল না হলে তাকে ফের সুযোগ দেওয়া হবে। ফল বেরোনোর পর দু’মাসের মধ্যে ফের পরীক্ষায় বসার সুযোগ পাবে অকৃতকার্য হওয়া পড়ুয়া। এই সময়ের মধ্যে তাদের অতিরিক্ত কোচিং দেওয়া হবে। এরপর দ্বিতীয় পরীক্ষায়ও কোনও পড়ুয়া সফল না-হলে তাকে পরবর্তী ক্লাসে উন্নীত করা হবে না বলে শিক্ষা দফতরের বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে। বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়েছে, “পড়ুয়াকে আটকে রাখার সময়, স্কুলের শিক্ষক প্রয়োজনে পড়ুয়ার পাশাপাশি তার অভিভাবককেও গাইড করবেন এবং মূল্যায়নের বিভিন্ন পর্যায়ে শেখার ফাঁকগুলি চিহ্নিত করার পরে বিশেষ ইনপুট প্রদান করবেন। তবে শিক্ষা সমাপ্ত না হওয়া পর্যন্ত কোনও পড়ুয়াকে কোনও স্কুল থেকে বহিষ্কার করা যাবে না, সরকার স্পষ্ট করেছে।

    আরও পড়ুন: ভারত থেকে ব্রহ্মোস মিসাইল কিনতে চলেছে ভিয়েতনাম

    কোথায় কোথায় প্রযোজ্য?

    শিক্ষামন্ত্রকের (Pass Fail System) ঊর্ধ্বতন আধিকারিকদের মতে, বিজ্ঞপ্তিটি কেন্দ্রীয় বিদ্যালয়, নবোদয় বিদ্যালয় এবং সৈনিক স্কুল সহ কেন্দ্রীয় সরকার দ্বারা পরিচালিত ৩,০০০-এরও বেশি স্কুলে প্রযোজ্য হবে।” রাজ্যগুলি এই বিষয়ে তাদের নিজস্ব সিদ্ধান্ত নিতে পারে। ইতিমধ্যেই দিল্লি সহ ১৬টি রাজ্য এবং ২টি কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল এই দুটি শ্রেণিতে নো-ডিটেনশন নীতি বাতিল করেছে। এক আধিকারিক বলেন,”হরিয়ানা এবং পুদুচেরি এখনও কোনও সিদ্ধান্ত নেয়নি। বাকি রাজ্য এবং কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলগুলি নীতিটি চালিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Tab: ট্যাব কেনার ১০ হাজার টাকা বহু পড়ুয়ার ব্যাঙ্কে জমাই পড়েনি! প্রশ্নের মুখে শিক্ষা দফতর

    Tab: ট্যাব কেনার ১০ হাজার টাকা বহু পড়ুয়ার ব্যাঙ্কে জমাই পড়েনি! প্রশ্নের মুখে শিক্ষা দফতর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দুর্গাপুজোর আগে রাজ্য সরকার ‘তরুণের স্বপ্ন’ প্রকল্পের আওতায় প্রায় ১৬ লক্ষ ছাত্র-ছাত্রী ট্যাব (Tab) কেনার টাকা দিতে শুরু করে। সরকারি এবং সরকার পোষিত স্কুলের উচ্চ মাধ্যমিক পড়ুয়াদের এই প্রকল্পের টাকা দেওয়া শুরু করে। কিন্তু, অনেকের অ্যাকাউন্টে সেই টাকা ঢোকেনি বলে অভিযোগ। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে ব্যাপক চাঞ্চল্য পড়েছে। প্রশ্নের মুখে রাজ্যের শিক্ষা দফতরের ভূমিকাও।

    বহু পড়ুয়ার অ্যাকাউন্টে ঢোকেনি টাকা! (Tab)

    এ বারই প্রথম রাজ্য সরকার একাদশ এবং দ্বাদশ শ্রেণির সব পড়ুয়াকে এই টাকা (Tab) দিচ্ছে। যা বাজেট পেশের সময়েই রাজ্যের পক্ষে জানানো হয়েছিল। প্রথমে ঠিক ছিল প্রতি বছরের মতো এ বারেও শিক্ষক দিবসের দিন ৫ সেপ্টেম্বর উচ্চমাধ্যমিক পড়ুয়াদের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে ১০ হাজার টাকা করে দেবে রাজ্য সরকার। শেষ বেলায় তা পিছিয়ে যায়। তবে পুজোর আগেই টাকা পাঠানো শুরু করে দেয় শিক্ষা দফতর (Education Department)। দীপাবলি এসে গেলেও বেশির ভাগ পড়ুয়ার ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে তা জমা পড়েনি। বিভিন্ন জেলা থেকেই এমন অভিযোগ এসেছে যে, ‘তরুণের স্বপ্ন’ প্রকল্পের আওতায় ট্যাব বা মোবাইল কেনার টাকা থেকে বঞ্চিত বৃত্তিমূলক শিক্ষার্থীরা। সরকারি পোর্টালে পড়ুয়াদের নাম নথিভুক্ত না থাকার কারণেই এই জটিলতা বলে শিক্ষা দফতর সূত্রে জানা গিয়েছে। এ নিয়ে অনেক অভিযোগ উঠলেও শিক্ষা দফতরের বক্তব্য, কিছু কিছু ক্ষেত্রে গোলমাল হয়ে থাকলেও তা যত তাড়াতাড়ি সম্ভব ঠিক হয়ে যাবে, সকলেই টাকা পাবে। অ্যাডভান্সড সোসাইটি ফর হেডমাস্টার অ্যান্ড হেডমিস্ট্রেসের রাজ্য সম্পাদক চন্দন মাইতি বলেন, ‘‘বৃত্তিমূলক শাখার পড়ুয়াদের ট্যাবের টাকা এখনও আসেনি। বাংলা শিক্ষা পোর্টালে নাম নেই বলেই এই টাকা দেওয়া হচ্ছে না।’’

    আরও পড়ুন: এআই ব্যবহার করেই কাশ্মীরে নিকেশ ৩ জঙ্গি, রহস্য ফাঁস করল সেনা

     কী সাফাই দিল বিকাশ ভবন?

    শুধু বৃত্তিমূলক পড়ুয়ারাই নয়, বিভিন্ন জেলার কোথাও চার হাজার, কোথাও ছ’হাজার পড়ুয়ার ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে (Tab) এখনও টাকা পৌঁছয়নি। তবে এই টাকা না পৌঁছনোর কারণ হিসেবে বিকাশ ভবনের দাবি, অ্যাকাউন্ট নম্বর ভুল দেওয়া, অন্যের অ্যাকাউন্ট নম্বর দেওয়া এমন কারণেও অনেকের টাকা পৌঁছায়নি। ভুল অ্যাকাউন্ট নম্বর দেওয়ায় অনেকের টাকা সেখানে চলে যাওয়ার ঘটনাও রয়েছে। তবে পুজোর ছুটি মিটে যেতেই দ্রুত সমাধানে উদ্যোগী হচ্ছে বিকাশ ভবন। ৩০ অক্টোবর থেকেই সব পড়ুয়ার অ্যাকাউন্টে টাকা গিয়েছে কি না তার খোঁজ নেওয়া এবং প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ করা হবে বলে জানিয়েছে শিক্ষা দফতর। দক্ষিণ ২৪ পরগনা, পুরুলিয়া, বাঁকুড়া, হাওড়া, দক্ষিণ দিনাজপুরে বহু পড়ুয়া টাকা পাননি বলে অভিযোগ।

    সরকারি অর্থের অপচয়

    বঙ্গীয় শিক্ষক ও শিক্ষাকর্মী সমিতির সাধারণ সম্পাদক স্বপন মণ্ডল বলেন, ‘‘বিদ্যালয়গুলোকে বাঁচাতে, পরিকাঠামো উন্নয়ন করতে ও শিক্ষক-শিক্ষাকর্মী নিয়োগ করতে যদি এর দশ ভাগের এক ভাগ (Tab) তৎপরতা দেখাত, তা হলে এই রাজ্যের শিক্ষা ব্যবস্থাটা বেঁচে যেত। সরকারি অর্থের অপচয় কী ভাবে করতে হয় তা এই সরকারের কাছ থেকে শেখা উচিত।’’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Army: ওয়েনাড়ে জীবন বাজি রেখে সেনা জওয়ানদের লড়াই, কুর্ণিশ জানিয়ে হৃদয়স্পর্শী চিঠি খুদের

    Army: ওয়েনাড়ে জীবন বাজি রেখে সেনা জওয়ানদের লড়াই, কুর্ণিশ জানিয়ে হৃদয়স্পর্শী চিঠি খুদের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারী বৃষ্টির দাপটে ভূমিধসে তছনছ হয়ে গিয়েছে কেরলের ওয়েনাড় (Wayanad)। প্রাকৃতিক বিপর্যয়ের জেরে একেবারে দিশাহারা অবস্থা। বিপর্যয়ের পরই উদ্ধারকাজে নামেন সেনাবাহিনীর ৫০০ জওয়ান। শনিবারও উদ্ধারকাজ চালিয়েছেন তাঁরা। জীবন বাজি রেখে জওয়ানরা (Army) অন্যের প্রাণ রক্ষা করেছেন। জওয়ানদের এই সেবা তৃতীয় শ্রেণির পড়ুয়ার মন জয় করে নিয়েছে। তাঁদের এই উদ্ধারকাজ দেখে জওয়ানদের হৃদয়স্পর্শী চিঠি লিখল তৃতীয় শ্রেণির ওই পড়ুয়া রায়ান।

    সেনাদের চিঠিতে কী লিখেছে রায়ান? (Army)

    জানা গিয়েছে, ২০১৮ সালে কেরলে বন্যায় ৪০০ জনের মতো মারা যান। তারপর এত বড় প্রাকৃতিক বিপর্যয় কেরলে ঘটেনি। এবার ওয়েনাড়ে বিপর্যয়ের জেরে ৩০০ জনের মৃত্যু হয়েছে। বিপর্যয়ে মানুষকে উদ্ধারে ঝাঁপিয়ে পড়েছেন সেনা জওয়ানরা (Army)। বিধ্বস্ত এলাকায় ধ্বংসস্তূপের তলায় কেউ আটকে রয়েছেন কি না, তা তাঁরা খতিয়ে দেখছেন। কখনও বিস্কুট খেয়েই সারাদিন কাটাচ্ছেন জওয়ানরা। তাঁদের এই উদ্ধারকাজ দেখে হৃদয়স্পর্শী চিঠি লিখল ছোট্ট রায়ান। মালায়ালম ভাষায় জওয়ানদের চিঠি লিখল সে। চিঠিতে রায়ান লিখেছে, “আমার প্রিয় সেনা, ভয়াবহ ভূমিধসে বিধ্বস্ত আমার ভালোবাসার ওয়েনাড় (Wayanad)। বিশাল ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। আমি খুব খুশি ও গর্বিত যে ধ্বংসস্তূপের তলায় যাঁরা আটকে পড়েছেন, তাঁদের আপনারা উদ্ধার করছেন। আমি এখনই একটা ভিডিওতে দেখলাম, নিজেদের খিদে মেটাতে আপনারা বিস্কুট খেয়ে আবার সেতু নির্মাণে লেগে পড়লেন। আমিও একদিন সেনাবাহিনীতে যোগ দিতে চাই এবং দেশকে রক্ষা করতে চাই।”

    আরও পড়ুন: উত্তরপ্রদেশের হিন্দু মন্দিরে অশ্লীল ভিডিও তৈরি! গ্রেফতার দিলশাদ ও আজিম

    খুদে রায়ানকে ধন্যবাদ জানিয়ে চিঠি দিয়েছে সেনা

    খুদে রায়ানের কাছে থেকে হৃদয়স্পর্শী চিঠি পেয়ে আপ্লুত সেনা (Army) জওয়ানরা। সেনার পক্ষ থেকেও রায়ানকে ধন্যবাদ জানিয়ে সুন্দর চিঠি লিখেছে। রায়ানকে ইয়ং ওয়ারিয়র বলে সেনাদের পক্ষ লেখা হয়েছে, “তোমার কথা আমাদের হৃদয় ছুঁয়েছে। তুমি সেনা পোশাক পরে আমাদের পাশে দাঁড়াবে, সেই দিনের অপেক্ষা করছি। সবাই মিলে আমরা দেশকে গর্বিত করব। ধন্যবাদ, ইয়ং ওয়ারিয়র।”

    <

    p style=”text-align: justify;”> 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Madhya Pradesh: ছাত্রদের সংস্কৃত ‘শ্লোক’ পাঠে বাধা! প্রধান শিক্ষিকার বিরুদ্ধে দায়ের এফআইআর

    Madhya Pradesh: ছাত্রদের সংস্কৃত ‘শ্লোক’ পাঠে বাধা! প্রধান শিক্ষিকার বিরুদ্ধে দায়ের এফআইআর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সংস্কৃত নয়, পড়ুয়াদের বলতে হবে ইংরেজি। এমনটাই চেয়েছিলেন প্রধান শিক্ষিকা। কিন্তু এই আচরণ মোটেও ভালোভাবে নেননি হিন্দুরা। স্কুলের সামনে প্রতিবাদ শুরু করেন তাঁরা। সম্প্রতি মধ্যপ্রদেশের (Madhya Pradesh) গুনা জেলার জনপ্রিয় এক কনভেন্ট স্কুলেই এমন কাণ্ড ঘটেছে। ঘটনার পরেই হিন্দুত্ববাদীদের রোষের মুখে পড়েছেন ওই স্কুলের প্রধান শিক্ষিকা। 

    ঠিক কী ঘটেছিল? (FIR Against Principal)  

    জানা গিয়েছে, গত ১৫ জুলাই মধ্যপ্রদেশের (Madhya Pradesh) এই স্কুলের প্রার্থনায় ইংরেজির বদলে সংস্কৃতে শ্লোক পাঠ করছিল এক পড়ুয়া। ঠিক সেই সময় তাঁকে থামিয়ে ইংরেজিতে বলার নির্দেশ দেন কনভেন্ট স্কুলের প্রধান শিক্ষিকা। আসলে অন্যান্য দিনের মতো সেদিনও স্কুল শুরুর আগে প্রার্থনার জন্য জড়ো হন সকলে। দুজন পড়ুয়ার দায়িত্ব ছিল প্রার্থনা শুরুর আগে বক্তৃতা রাখার। আর সেখানেই এক পড়ুয়া গীতার শ্লোক আওড়াতে শুরু করেন। ইংরেজির বদলে সংস্কৃত শুনেই ওই পড়ুয়াকে থামার নির্দেশ দেন প্রধান শিক্ষিকা। সবার সামনে তাঁর মাইক কেড়ে নিয়ে বলেন, এখানে স্রেফ ইংরেজি বলার নিয়ম রয়েছে। এমনকি ওই পড়ুয়াকে ঠিকমতো ইংরেজি স্পিচ শিখে আসার নির্দেশও দেন। 

    আরও পড়ুন: বক্স অফিসে নয়া রেকর্ড! ২৮ দিনে ১ হাজার ১০০ কোটি ছুঁল প্রভাসের ‘কল্কি’

    প্রধান শিক্ষিকার বিরুদ্ধে দায়ের এফআইআর (Madhya Pradesh) 

    আর এরপরেই ওই শিক্ষিকার এই আচরণের খবরে রীতিমতো ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠে স্থানীয় হিন্দুবাদী সংগঠন এভিবিপির (Akhil Bharatiya Vidyarthi Parishad-ABVP) সদস্যরা। এইভাবে সংস্কৃতে গীতাপাঠ থামিয়ে দেওয়ার কথা জানতে পেরে দীর্ঘক্ষণ গেটের বাইরে বিক্ষোভ দেখান সংগঠনের সদস্যরা। এমনকি জোর করে স্কুলের ভিতরেও ঢুকে পড়েন কেউ কেউ। প্রধান শিক্ষিকাকে সবার সামনে ক্ষমা চাওয়ার কথাও বলেন সংগঠনের সদস্যরা। নিয়মের বদল না হলে, স্কুল বন্ধের হুঁশিয়ারিও দিয়েছেন তাঁরা। এরপর প্রধান শিক্ষিকার বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ (FIR Against Principal) দায়ের করেছেন ওই হিন্দুত্ববাদীরা।

    যদিও এ প্রসঙ্গে শিক্ষিকা জানিয়েছেন, স্কুলে সপ্তাহের এক এক দিনে এক একটি ভাষায় বক্তৃতা রাখার নিয়ম। কোনওদিন হিন্দি আবার কোনওদিন ইংরেজিতে বক্তব্য রাখতে হয় পড়ুয়াদের। তার জন্য নির্দিষ্টভাবে বেছে নেওয়া হয় কয়েকজনকে। বক্ততৃতায় কোনও ধর্মগ্রন্থের উদ্ধৃতি নেওয়া যাবে না, এমন নিয়মও নেই। বরং প্রার্থনার সময় গীতা, কোরান, কিংবা বাইবেলের অংশও পাঠ করতে পারেন পড়ুয়ারা। শুধু খেয়াল রাখতে হবে কোনদিন কোন ভাষায় প্রার্থনার নিয়ম। ঘটনার দিন ইংরেজির কথা বলার দায়িত্ব ছিল ওই পড়ুয়ার। তার বদলে সংস্কৃত পাঠ শুরু করায় তাঁকে থামিয়ে দেন প্রধান শিক্ষিকা। একইসঙ্গে তিনি জানান, একটুও বকাবকি না করে সেদিন ওই পড়ুয়াকে ইংরেজিতে বক্তৃতা রাখার কথা বলেছিলেন তিনি। তবে পড়ুয়ার প্রস্তুতি না থাকায়, সময় দিয়ে প্রস্তুত হয়ে আসতে বলেন। তবে সেই ঘটনা যে এমন আকার নিতে পারে, তা ধারণা করতে পারেননি প্রধান শিক্ষিকা। 
     

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Bangladesh Protest: কোটা বিরোধী আন্দোলনে মৃতের সংখ্যা ২০০ পার! কেমন আছে বাংলাদেশ?

    Bangladesh Protest: কোটা বিরোধী আন্দোলনে মৃতের সংখ্যা ২০০ পার! কেমন আছে বাংলাদেশ?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কোটা বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের (Bangladesh Protest) জেরে গত কয়েক দিনে বাংলাদেশে যে অশান্তির পরিবেশ তৈরি হয়েছিল, তা এখনও পুরোপুরি কাটেনি। ঢাকার রাজপথে এখনও পুলিশি টহল জারি। মোতায়েন রয়েছে সেনাবাহিনী এবং বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের জওয়ান। এই আন্দোলনে এখনও পর্যন্ত মৃতের (Bangladesh Student Death Updates) সংখ্যা ২০০-র গণ্ডি ছাড়িয়েছে। 

    ঢাকায় মৃত্যু হিন্দু ছাত্রীর (Bangladesh Protest)

    রিপোর্ট অনুযায়ী, বুধবার ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে তিনজনের মৃত্যু হয়। মৃতদের (Bangladesh Student Death Updates) মধ্যে একজন হলেন হিন্দু ছাত্রী। নাম রিয়া গোপ। বয়স মাত্র ১৯ বছর। জানা গিয়েছে, নিজের বাড়ির ছাদে থাকার সময় আচমকাই গুলিবিদ্ধ হয়েছিলেন তিনি। এর আগে গত মঙ্গলবার সাভারের এক হাসপাতালে আরও একজনের মৃত্যু ঘটেছিল। সূত্রের খবর, বুধবার পর্যন্ত গোটা দেশে অশান্তি ছড়ানোর অভিযোগে ১৭৫৮ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। ধৃতদের তালিকায় রয়েছেন বিএনপি ও জামাতের বেশ কয়েক জন নেতাও।

    আরও পড়ুন: অলিম্পিক্সে বাড়ছে কোভিড আক্রান্তের সংখ্যা! অস্ট্রেলিয়ার পাঁচ খেলোয়াড় আক্রান্ত

    বাংলাদেশে এখনও জারি কার্ফু

    বাংলাদেশে এখনও কার্ফু জারি রয়েছে। তবে তা আংশিক ভাবে শিথিল করা হয়েছে। সার্বিক ভাবে এখন সেদেশে হিংসা কমেছে। অফিস খুলে গিয়েছে বুধবারই। ঢাকা, নারায়ণগঞ্জ, গাজীপুর ও নরসিংদী বাদে বাকি ৬০ জেলায় কারফিউ শিথিলের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে স্থানীয় প্রশাসনকে। এছাড়া সকাল ১১টা থেকে বিকেল ৩টে পর্যন্ত চলবে সরকারি-বেসরকারি সব অফিস। বাণিজ্যিক ব্যাঙ্কগুলিও সীমিত পরিসরে খোলা রাখার অনুমতি পেয়েছে। তবে এখনও খোলেনি স্কুল, কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয়। ঢাকায় মোতায়েন রয়েছে সেনা। তবে ইন্টারনেট পরিষেবা চালু করে দেওয়া হয়েছে। এই আবহে সেদেশের পরিস্থিতি ক্রমেই স্বাভাবিক হচ্ছে বলে দাবি হাসিনা সরকারের। তবে বিক্ষিপ্ত ভাবে হিংসা জারি (Bangladesh Protest) থাকার জেরে এখনই শিক্ষা প্রতিষ্ঠান না খোলার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন, বাংলাদেশের শিক্ষামন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী। পরিস্থিতি আরও স্বাভাবিক ছন্দে ফেরার জন্য অপেক্ষা করতে চাইছে হাসিনার সরকার। তারপর পর্যায়ক্রমে খোলা হবে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলি।
    উল্লেখ্য, কোটা সংস্কার আন্দোলনকে (Bangladesh Protest) কেন্দ্র করে বাংলাদেশে শুরু হয়েছিল হিংসা। এ অবস্থায় প্রতিবেশী দেশটির সার্বিক পরিস্থিতি অবনতির দিকে যাওয়ায়, শুক্রবার রাতে জারি করা হয় কার্ফু। অসামরিক প্রশাসনকে সহায়তায় সেদিন মধ্যরাতে মাঠে নামে সেনবাহিনী। এরপর রবিবার থেকে সব ধরনের অফিস ও দোকান-বাজার বন্ধ ঘোষণা করে জারি করা হয় সাধারণ ছুটি। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Nigeria school collapse: নাইজেরিয়ায় ক্লাস চলাকালীন স্কুল ধসে ২২ পড়ুয়ার মর্মান্তিক মৃত্যু! আহত বহু

    Nigeria school collapse: নাইজেরিয়ায় ক্লাস চলাকালীন স্কুল ধসে ২২ পড়ুয়ার মর্মান্তিক মৃত্যু! আহত বহু

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মর্মান্তিক দুর্ঘটনা। স্কুল চলাকালীন আচমকাই ভেঙে পড়ল ছাদ (Nigeria school collapse)। আকস্মিক এমন ঘটনায় ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয়েছে ২২ জন পড়ুয়ার। শুক্রবার দুর্ঘটনাটি ঘটেছে আফ্রিকার সবচেয়ে বেশি জনসংখ্যার দেশ নাইজেরিয়ার প্লেটু রাজ্যে। মৃতের পাশাপাশি আহতের সংখ্যাও বহু। বর্তমানে তাদের চিকিৎসা চলছে হাসপাতালে। ফলে হতাহতের সংখ্যা আরও বাড়ার আশঙ্কা করা হচ্ছে। এছাড়াও অনুমান করা হচ্ছে ভেঙে পড়া ওই ধ্বংসস্তূপের নিচে এখনও আটকে প্রায় একশোর কাছাকাছি পড়ুয়া। তাই জোর কদমে চলছে উদ্ধারকাজ। এই মুহূর্তে দুর্ঘটনাস্থলে রয়েছেন আটকে থাকা পড়ুয়াদের অভিভাবকরা। সকলেই প্রশাসনকে দ্রুত উদ্ধারকাজ শেষ করার আবেদন জানাচ্ছেন।        

    ঠিক কী ঘটেছিল? (Nigeria school collapse)

    সূত্র মারফৎ জানা গিয়েছে, শুক্রবার ক্লাস চলাকালীন আচমকাই হুড়মুড়িয়ে ধসে পড়ে দোতলা স্কুলটি। সেসময় স্কুলে উপস্থিত ছিল প্রায় দুশোর কাছাকাছি ছাত্রছাত্রী। দুর্ঘটনার পরই ছুটে আসেন স্থানীয়রা। প্রথমে তারাই উদ্ধারকাজে ঝাঁপিয়ে পড়ে। এরপরে খবর পেয়ে দ্রুত সেখানে পৌঁছয় উদ্ধারকারী দল, পুলিশ এবং দমকল বাহিনী। শুরু হয় উদ্ধারকাজ। শেষ পাওয়া খবর অনুযায়ী এখনও পর্যন্ত এই ঘটনায় মৃত্যু হয়েছে ২২ জন পড়ুয়ার। যাদের মধ্যে বেশিরভাগেরই বয়স পনেরো কিংবা তার নিচে। মৃতের পাশাপাশি আহতের সংখ্যা ছাড়িয়েছে ৭০-এরও বেশি। আহতদের সবসরকম চিকিৎসা প্রদানের ব্যবস্থা করা হয়েছে। একইসঙ্গে চিকিৎসার জন্য হাসপাতালগুলোকে কোনও নথি, অর্থ না নিয়ে দ্রুত চিকিৎসা শুরুর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। উদ্ধারকারীরা জানিয়েছে, ধ্বংসস্তূপের নিচে এখনও একশোর কাছাকাছি মানুষের আটকে থাকার আশঙ্কা রয়েছে। 

    কী কারণে এই দুর্ঘটনা ঘটল?    

    যদিও কি কারণে ওই স্কুল ধসে পড়ল তা এখনো নিশ্চিত ভাবে জানা যায়নি। প্রশাসনের তরফে ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে। তবে স্থানীয়দের কাছ থেকে জানা গিয়েছে, ওই এলাকায় গত তিন দিন ধরে ভারী বৃষ্টিপাত চলছে। তাই প্রাথমিকভাবে মনে করা হচ্ছে ভারী বৃষ্টিপাতের জেরেই এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনাটি (Nigeria school collapse) ঘটে। যদিও অন্যদিকে এই ঘটনায় স্কুলের দুর্বল পরিকাঠামোকেই দায়ী করছে স্থানীয় প্রশাসন। জানা গিয়েছে, ওই স্কুলটি একটি নদীর তীরের খুব কাছে অবস্থিত। তাই এই দুর্ঘটনার পর সুরক্ষার কথা মাথায় রেখে প্রশাসনের তরফে এই ধরনের সব স্কুল বন্ধ করে দেওয়ার আবেদন জানানো হয়েছে। 

    আরও পড়ুন: নেপালে পালাবদল! তৃতীয় বার প্রধানমন্ত্রী হচ্ছেন কেপি শর্মা ওলিzয

    একের পর এক ঘটনা 

    যদিও এমন ঘটনা নাইজেরিয়ায় (Nigeria school collapse) প্রথম নয়। এর আগে ২০২১ সালে লাগোসে নির্মাণাধীন একটি বাড়ি ধসে কমপক্ষে ৪৫ জন নিহত হন। এছাড়াও গত ২ বছর ধরে নাইজেরিয়ায় একের পর এক বাড়ি ভেঙে পড়ার ঘটনা ঘটতে দেখা গিয়েছে। বাড়ি তৈরির সুরক্ষা বিধি না মেনেই এইসব বাড়ি তৈরি করা হয় বলে অভিযোগ উঠেছে সেদেশে। বিভিন্ন নির্মাণকারী সংস্থা দুর্নীতি করার জন্য নিম্নমানের সামগ্রি দিয়ে এগুলি তৈরি করছে বলে অভিযোগ করেছে সরকার।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Katwa: টিউশন না পড়ার মাশুল! পরীক্ষায় ফেল করলেন ১১ জন পড়ুয়া, কাঠগড়ায় তিন অধ্যাপক

    Katwa: টিউশন না পড়ার মাশুল! পরীক্ষায় ফেল করলেন ১১ জন পড়ুয়া, কাঠগড়ায় তিন অধ্যাপক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মোটা টাকা বেতন পাওয়ার পরও স্কুলের মতো কলেজের অধ্যাপকরা টিউশনের লোভ সামলাতে পারেন না। তাই, স্রেফ টিউশন পড়তে না আসায় ১১ জন পড়ুয়াকে ইচ্ছাকৃতভাবে ফেল করিয়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠল কাটোয়া (Katwa) কলেজের জুলজি বিভাগের অধ্যাপক কৌশিক সরকার এবং দুই অধ্যাপিকা সুলগ্না মুখোপাধ্যায় ও চন্দ্রাণী দাসের বিরুদ্ধে। এমনই অভিযোগ পড়ুয়াদের। আর এই ঘটনায় কলেজ জুড়ে শোরগোল পড়ে গিয়েছে। তিন অধ্যাপকের ভূমিকা নিয়ে রীতিমতো প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।

    অধ্যক্ষের কাছে অভিযোগ জানালেন পড়ুয়ারা (Katwa)

    জানা গিয়েছে, জুলজি বিভাগের (Katwa) তিন অধ্যাপকের বিরুদ্ধে কলেজ অধ্যক্ষ নির্মলেন্দু সরকারের কাছে লিখিত অভিযোগ জমা দিয়েছেন ১১জন পড়ুয়া। পড়ুয়ারা বলেন, “পঞ্চম সেমেস্টারের পরীক্ষার আগে থেকেই আমাদের ওপর রুষ্ট ছিলেন ওই তিনজন অধ্যাপক। তার পরিণতি এরকম হবে, তা কল্পনাও করতে পারিনি আমরা। শুধু তাই নয়,  ডিউটি না থাকা সত্ত্বেও পরীক্ষার দিন হলে এসে ইনভিজিলেটরের দায়িত্ব সামলানো থেকে শুরু করে ইন্টারনাল ইনভিজিলেটরের দায়িত্ব সামলেছেন তাঁরা। পরীক্ষা খারাপ হলে আমাদের কিছু বলার ছিল না। আমরা ওই অধ্যাপকের কাছে পড়িনি, এটাই আমাদের অপরাধ। তার খেসারত এভাবে দিতে হবে তা মেনে নিতে পারছি না। আমরা এই ঘটনার পূর্ণ তদন্ত দাবি করছি। আর সুবিচারের আশায় আমরা কলেজের অধ্যক্ষের কাছে লিখিতভাবে অভিযোগ জানিয়েছি। কর্তৃপক্ষ কী পদক্ষেপ গ্রহণ করে, সেটাই আমরা দেখব। এরপর পরবর্তী পদক্ষেপ গ্রহণ করব। কারণ, এই অন্যায়ের শাস্তি হওয়া উচিত। নাহলে আগামীদিনে এই অধ্যাপকরা শুধু অর্থের লোভে অন্য পড়ুয়াদের জীবন নষ্ট করে দেবে। সেটা হতে পারে না। ওই তিন অধ্যাপকের মুখোশ আমরা সকলের সামনে খুলে দেব।” যদিও অভিযুক্ত ওই তিনজন অধ্যাপকের কোনও প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।

    আরও পড়ুন: ব্যাঙ্ক লোন নিয়ে ফ্ল্যাট! বেআইনি জানতে পেরে ঘুম উড়েছে আবাসিকদের

    কলেজের অধ্যক্ষ কী বললেন?

    কলেজ (College) অধ্যক্ষ নির্মলেন্দু সরকার বলেন, “এই বিষয়টি খোঁজ নিয়ে দেখা হবে, যদি কলেজের কোনও অধ্যাপক, কলেজ আওয়ার্সে টিউশনি পড়ান, তাহলে তাঁর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তবে, কোন পড়ুয়া কার কাছে টিউশনি পড়বেন এটা তাঁদের ব্যক্তিগত ব্যাপার। এই বিষয়ে আমরা কিছু বলতে পারি না। আমরা সমস্ত ঘটনা ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানাব।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • UGC NET Controversy: পরীক্ষা বিতর্কে গর্জে উঠলেন শিক্ষামন্ত্রী! ‘কেউ রেহাই পাবে না’, আশ্বাস ধর্মেন্দ্র প্রধানের

    UGC NET Controversy: পরীক্ষা বিতর্কে গর্জে উঠলেন শিক্ষামন্ত্রী! ‘কেউ রেহাই পাবে না’, আশ্বাস ধর্মেন্দ্র প্রধানের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সম্প্রতি নিটে দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছিল। সেই দুর্নীতির অভিযোগ এবং ইউজিসি নেট (UGC NET Controversy) বাতিল করার প্রসঙ্গে বৃহস্পতিবার সাংবাদিক সম্মেলন করেছেন কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান। সেখানেই জাতীয় টেস্টিং এজেন্সি বা এনটিএ-তে যে গলদ রয়েছে, তা মেনে নিলেন কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান (Dharmendra Pradhan)। জানালেন, ‘ভুল’ সংশোধন এবং উন্নত পরিষেবার জন্য উচ্চ পর্যায়ের একটি কমিটি গঠন করা হবে। 

    কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রীর মন্তব্য (Dharmendra Pradhan) 

    এ প্রসঙ্গে ধর্মেন্দ্র বলেন, ‘‘নিটে দুর্নীতি (UGC NET Controversy) প্রমাণিত হলে দোষীরা অবশ্যই শাস্তি পাবে। নেটের ক্ষেত্রেও বিষয়টি তাই। কাউকে কোনও অবস্থাতেই রেয়াত করা হবে না। আমি তার গ্যারান্টি দিচ্ছি। পরীক্ষা পদ্ধতির উপর বিশ্বাসযোগ্যতা ফিরিয়ে আনার দায়িত্ব আমার।’’ এরপর নেট পরীক্ষার এক দিন পর তা বাতিল করে দেওয়া প্রসঙ্গে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘‘পরীক্ষার পরের দিন বিকেল ৩টে নাগাদ আমরা জানতে পারি, ডার্ক নেটে প্রশ্নপত্র ফাঁস হয়ে গিয়েছিল পরীক্ষার আগেই। মূল প্রশ্নপত্রের সঙ্গে তা মিলিয়ে দেখা হয় এবং ফাঁস হওয়া প্রশ্নের সঙ্গে তা মিলে যায়। এর পরেই আমরা পরীক্ষা বাতিলের সিদ্ধান্ত নিয়েছি। টেলিগ্রামের মতো অ্যাপগুলির উপর নজরদারি চালানো কঠিন। প্রশ্নফাঁসে সেই ধরনের অ্যাপই ব্যবহৃত হয়েছে। তবে স্বচ্ছতার সঙ্গে আমরা আপস করব না। একথা বলতে পারি, জোরালো প্রমাণ পেলে কোনও অপরাধীই নিষ্কৃতি পাবে না। পড়ুয়াদেরই ভবিষ্যতে আমাদের অগ্রাধিকার।’’ 

    ঠিক কী ঘটেছিল? (UGC NET Controversy) 

    গত বুধবার নেট পরীক্ষা বাতিল ঘোষণা করা হয়েছে। কারণ সম্প্রতি নিটের প্রশ্ন ফাঁসের অভিযোগ প্রকাশ্যে এসেছে বিহার থেকে। সেখানে এক জনকে গ্রেফতারও করা হয়েছে। জেরায় যিনি স্বীকার করেছেন, পরীক্ষার আগের দিন তিনি প্রশ্ন পেয়ে গিয়েছিলেন। তা মুখস্থ করে পরীক্ষা দিতে গিয়েছিলেন। এই ঘটনায় সিবিআই এর তদন্ত করবে বলে আগেই জানিয়েছিল কেন্দ্র। তবে এরপর বৃহস্পতিবার এই ঘটনায় এফআইআর করেছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা।

    আরও পড়ুন: কালিম্পঙে রাস্তায় ধস, ফুঁসছে তিস্তা

    ইউজিসি-নেট পরীক্ষা বাতিল

    উল্লেখ্য, গত মঙ্গলবার ন্যাশনাল টেস্টিং এজেন্সি ইউজিসি-নেট (UGC-NET) পরীক্ষা নেয়। প্রায় ৯ লক্ষের উপর পরীক্ষার্থী তাতে অংশ নেয়। কিন্তু নিটের প্রশ্ন ফাঁসের অভিযোগে পরীক্ষার মাত্র একদিন পরই বুধবার কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রকের তরফে একটি বিবৃতি জারি করে পরীক্ষা বাতিলের সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়।   

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share