Tag: Suvendu Adhikari

Suvendu Adhikari

  • Rahul Arunoday Banerjee: অভিনেতা রাহুল অরুণোদয়র রহস্যমৃত্যু, সিআইডি তদন্তের নির্দেশ মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দুর

    Rahul Arunoday Banerjee: অভিনেতা রাহুল অরুণোদয়র রহস্যমৃত্যু, সিআইডি তদন্তের নির্দেশ মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: টলিউডের জনপ্রিয় অভিনেতা রাহুল অরুণোদয় বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Rahul Arunoday Banerjee) আকস্মিক ও মর্মান্তিক প্রয়াণের পর আড়াই মাস কেটে গেলেও এখনও মৃত্যুকে কেন্দ্র করে বেশ কিছু প্রশ্ন উঠছে, যার উত্তর মেলেনি।। অভিনেতার মৃত্যুর প্রকৃত কারণ উদঘাটন করতে এবার রাজ্য প্রশাসনের সর্বোচ্চ স্তর থেকে পদক্ষেপ নেওয়া হলো। আজ এক বিশেষ প্রশাসনিক ঘোষণায় মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) এই মৃত্যুরহস্যের তদন্তভার রাজ্য গোয়েন্দা সংস্থা সিআইডি (CID)-র হাতে তুলে দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন।

    মুখ্যমন্ত্রীর ঘোষণা ও পরিবারের আর্জি (Rahul Arunoday Banerjee)

    মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী বলেন, “অভিনেতার (Rahul Arunoday Banerjee) আকস্মিক চলে যাওয়া অত্যন্ত বেদনাদায়ক এবং এর পেছনে কোনও গভীর রহস্য বা প্ররোচনা রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখা জরুরি। নিরপেক্ষ এবং পুঙ্খানুপুঙ্খ তদন্তের স্বার্থেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।” উল্লেখ্য, অভিনেতার পরিবার এবং তাঁর ঘনিষ্ঠ মহলের পক্ষ থেকেও এই মৃত্যুর সঠিক তদন্তের দাবি জানানো হয়েছিল। সেই আর্জিকে গুরুত্ব দিয়েই রাজ্য সরকার সিআইডি-কে দ্রুত তদন্তভার গ্রহণের নির্দেশ দিয়েছে।

    তদন্তের অভিমুখ

    প্রাথমিকভাবে পুলিশ ঘটনার তদন্ত শুরু করলেও, এখন থেকে সিআইডি-র বিশেষ দল এই মামলার সমস্ত নথিপত্র, ময়নাতদন্তের রিপোর্ট (Rahul Arunoday Banerjee) এবং পারিপার্শ্বিক তথ্যপ্রমাণ খতিয়ে দেখবে। বিনোদন জগতের অত্যন্ত পরিচিত এবং প্রতিভাবান এই অভিনেতার মৃত্যুর নেপথ্যে কোনও মানসিক চাপ, প্ররোচনা নাকি অন্য কোনও কারণ জড়িত ছিল—তা সুনির্দিষ্টভাবে জানার অপেক্ষায় রয়েছে তাঁর পরিবার এবং অগণিত অনুরাগী। প্রশাসনের পক্ষ থেকে আশ্বস্ত করা হয়েছে যে, সত্য অনুসন্ধানে কোনও খামতি রাখা হবে না।

  • Suvendu Adhikari: বন্দে ভারতে চেপে দিঘা! মুম্বইয়ের ধাঁচে মেরিন ড্রাইভ, স্বাস্থ্যব্যবস্থায় জোর, সৈকতনগরী ঘিরে গুচ্ছ পরিকল্পনা রাজ্যের

    Suvendu Adhikari: বন্দে ভারতে চেপে দিঘা! মুম্বইয়ের ধাঁচে মেরিন ড্রাইভ, স্বাস্থ্যব্যবস্থায় জোর, সৈকতনগরী ঘিরে গুচ্ছ পরিকল্পনা রাজ্যের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পশ্চিমবঙ্গের রেলযাত্রী ও পর্যটকদের জন্য এক অত্যন্ত ইতিবাচক খবর। দীর্ঘদিনের প্রতীক্ষার অবসান ঘটিয়ে অদূর ভবিষ্যতে পর্যটন কেন্দ্র দিঘা রুটে চালু হতে পারে সেমি-হাইস্পিড ‘বন্দে ভারত এক্সপ্রেস’ (Vande Bharat Express)। সম্প্রতি রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী এই বিষয়ে একটি স্পষ্ট ইঙ্গিত দিয়েছেন। তিনি জানান, “নির্দিষ্ট একটি রেল প্রকল্পের কাজ সম্পন্ন হলেই দিঘায় বন্দে ভারত এক্সপ্রেসের পথ সুগম হবে।”

    পশ্চিমবঙ্গের পর্যটন মানচিত্রে দিঘাকে আরও আকর্ষণীয় করে তুলতে একগুচ্ছ বড় ঘোষণা করলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। দিঘায় মুম্বই-চেন্নাইয়ের আদলে প্রশস্ত মেরিন ড্রাইভ ও পর্যটন ক্ষেত্রে বড় ঘোষণা করেছেন মুখ্যমন্ত্রী। দিঘায় আয়োজিত একটি প্রশাসনিক বৈঠক শেষে তিনি জানান, পর্যটন কেন্দ্রটির পরিকাঠামো উন্নয়ন এবং পর্যটকদের সুবিধার্থে রাজ্য সরকার বেশ কিছু ইতিবাচক পদক্ষেপ গ্রহণ করতে চলেছে।

    প্রশস্ত হচ্ছে দিঘার মেরিন ড্রাইভ (Suvendu Adhikari)

    মুখ্যমন্ত্রী (Suvendu Adhikari) বলেন, “মুম্বই বা চেন্নাইয়ের মতো বড় শহরগুলোর উপকূলবর্তী সড়কের আদলে দিঘার মেরিন ড্রাইভকেও চওড়া ও আধুনিক করা হবে।” পূর্ববর্তী প্রশাসনের সমালোচনা করে তিনি বলেন, “মেরিন ড্রাইভের নামে অতীতে অত্যন্ত সংকীর্ণ একটি রাস্তা তৈরি করা হয়েছিল। পর্যটকদের সুবিধার্থে সেই রাস্তাকে ন্যূনতম দুই লেনে (২-লেন) উন্নীত করা হবে।”

    মুক্ত হচ্ছে পর্যটন কর, ১ জুলাই থেকে স্বস্তি

    দিঘায় আসা পর্যটকদের জন্য আরেকটি বড় ঘোষণা করেছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। আগামী ১ জুলাই থেকে দিঘায় বেড়াতে আসা পর্যটকদের আর মাথাপিছু ১০ টাকা করে ‘চাঁদা’ বা কর দিতে হবে না। শুভেন্দু অধিকারী উল্লেখ করেন, বিগত সরকারের আমলে পর্যটকপিছু এই টাকা নেওয়া হতো, যা বর্তমান সরকার সম্পূর্ণ বাতিল করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এর ফলে পর্যটকদের ভ্রমণ আরও সাশ্রয়ী হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

    নন্দকুমার-দিঘা জোড়া রেললাইন ও জমি অধিগ্রহণ

    জেলা শাসকের উপস্থিতিতে আয়োজিত একটি বৈঠকে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী বলেন, “নন্দকুমার থেকে দিঘা পর্যন্ত রেললাইনকে দ্বিমুখী (Vande Bharat Express) করার জন্য জমি অধিগ্রহণের প্রক্রিয়া অত্যন্ত জরুরি। ইতিপূর্বেও রেলওয়ে বোর্ডের পক্ষ থেকে এই প্রকল্পের অনুমোদন দেওয়া হয়েছিল এবং রেলমন্ত্রীর সঙ্গে জেলা শাসকের এই বিষয়ে বিশদ আলোচনা হয়েছে।”

    পূর্ববর্তী সরকারের সমালোচনা করে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “দেশের প্রায় সমস্ত প্রধান উপকূলবর্তী শহরই রেল যোগাযোগের মাধ্যমে যুক্ত হয়েছে। কিন্তু পূর্বতন প্রশাসনের নেতিবাচক মনোভাব ও জমি প্রদানে অনীহার কারণে দিঘা এই আধুনিক রেল যোগাযোগ ব্যবস্থা থেকে পিছিয়ে পড়েছিল। তবে বর্তমান সরকার এই জট কাটাতে তৎপর। নন্দীগ্রাম রেল প্রকল্পের প্রসঙ্গ টেনে তিনি জানান, ইতিমধ্যেই ৭৪ একর জমি রেলের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে এবং বাকি মাত্র ৬ একর জমির প্রয়োজনীয়তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।”

    রানাঘাট রুট নিয়েও আশার আলো

    দিঘার পাশাপাশি নদিয়া জেলার রানাঘাট স্টেশন হয়েও বন্দে ভারত এক্সপ্রেস চলাচলের সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। রানাঘাটের উত্তর-পশ্চিমের বিধায়কের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, রানাঘাট-কল্যাণী এবং রানাঘাট-কৃষ্ণনগর শাখার তৃতীয় লাইনের কাজ সম্পন্ন হলেই এই রুট দিয়েও ছুটতে পারে প্রিমিয়াম সেমি-হাইস্পিড ট্রেন। স্বাভাবিকভাবেই, এই রেল প্রকল্পগুলো বাস্তবায়িত হলে রাজ্যের পর্যটন শিল্পের যেমন বিকাশ ঘটবে, তেমনই সাধারণ যাত্রীদের যাতায়াত আরও দ্রুত ও আরামদায়ক হবে।

    দিঘার স্বাস্থ্য ব্যবস্থা নিয়ে আগের সরকারকে তোপ

    একই ভাবে দিঘার স্বাস্থ্য ব্যবস্থা নিয়ে প্রশ্ন তুলে মুখ্যমন্ত্রী (Suvendu Adhikari) বলেন, “বেশ কিছু সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, আগামী দিনে কার্যকর হতে দেখতে পারবেন। ডিপার্টমেন্টগুলি খতিয়ে দেখে বোঝা গিয়েছে, অন্তত অত দুই বছর আগের সরকার এখানে কোনও কাজ করেনি।”

    হাসপাতাল এবং স্বাস্থ্য পরিষেবা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “ন্যূনতম কোনও পরিষেবা নেই। একটাও আইসিইউ বেড নেই, একটাই অ্যাম্বুলেন্স। ময়নাতদন্তের ব্যবস্থা নেই। ১৭ জন স্বাস্থ্যকর্মীর মধ্যে নিউরোসার্জন, কার্ডিয়াক বা অর্থোপেডিক নেই। বহু মানুষ এখানে ঘুরতে আসেন, গোটা সমুদ্রতটে মাত্র ৬৩ জন নুলিয়া রয়েছেন। তাঁদের সংখ্যা বাড়ানোর কথা বলেছি। তাঁদের অর্থবৃদ্ধি করার কথা বলেছি।”

    আন্তর্জাতিক যোগ দিবস ও কলকাতা পুরসভায় মুখ্যমন্ত্রীর সফর

    এদিকে, আন্তর্জাতিক যোগ দিবস উপলক্ষে আগামী ২১ জুন কলকাতায় আসছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। প্রধানমন্ত্রীর আগমনকে স্বাগত জানাতে এবং তাঁর সম্মানে কলকাতা পুরসভা (কেএমসি) একটি বিশেষ পরিচ্ছন্নতা অভিযানের পরিকল্পনা করেছে। ‘স্বচ্ছতা সে স্বাগত’ নামক এই কর্মসূচিটি ১৫ জুন থেকে ২০ জুন পর্যন্ত চলবে। আজ, সোমবার দুপুর ৩টেয় মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে প্রথমবার কলকাতা পুরসভায় (ছোট লালবাড়ি) যাচ্ছেন শুভেন্দু অধিকারী। সেখানে তিনি এই বিশেষ কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক সূচনা করবেন।

    পুরসভার প্রশাসনিক প্রস্তুতি ও যোগ দিবসের আহ্বান

    উল্লেখ্য, কলকাতা পুরসভার বর্তমান বোর্ডের মেয়াদ চলতি বছরের ডিসেম্বর পর্যন্ত থাকলেও, তৎকালীন মেয়র ফিরহাদ হাকিমের ইস্তফার পর বর্তমানে পুরসভার সমস্ত দায়িত্ব সামলাচ্ছেন প্রশাসক তথা পুর কমিশনার স্মিতা পাণ্ডে। আজ মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর এই সফরের সময় পুর প্রশাসকের সঙ্গে তাঁর কোনও বিশেষ বৈঠক হয় কি না, সেদিকেই নজর রয়েছে রাজনৈতিক মহলের।

    আগামী ২১ জুন সকাল সাড়ে ৬টা থেকে পৌনে ৮টা পর্যন্ত কলকাতায় মূল যোগ দিবসের অনুষ্ঠানটি সাড়ম্বরে উদযাপিত হবে। এই যোগ-যজ্ঞে সর্বস্তরের সাধারণ মানুষকে শামিল হওয়ার জন্য আহ্বান জানিয়েছেন পুর প্রশাসক স্মিতা পাণ্ডে।

  • Rebel TMC MPs: তৃণমূলে বড় ভাঙনের ইঙ্গিত! ১৯ সাংসদের সমর্থন নিয়ে সোমে স্পিকারের দোরে যাওয়ার পরিকল্পনা ‘বিদ্রোহী’ শিবিরের

    Rebel TMC MPs: তৃণমূলে বড় ভাঙনের ইঙ্গিত! ১৯ সাংসদের সমর্থন নিয়ে সোমে স্পিকারের দোরে যাওয়ার পরিকল্পনা ‘বিদ্রোহী’ শিবিরের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আরও প্রবল হল তৃণমূল কংগ্রেসে (Rebel TMC MPs) বড়সড় ভাঙনের জল্পনা। দলের ২৮ লোকসভা সাংসদের মধ্যে ১৯ জনের সমর্থন পাওয়ার দাবি করে বিদ্রোহী শিবির জানিয়েছে, তারা সোমবারই লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লার (Om Birla) সঙ্গে দেখা করে নিজেদের আলাদা গোষ্ঠী হিসেবে স্বীকৃতি চাইবে। তারা নিজেদের ‘আসল তৃণমূল কংগ্রেস’ হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়ার আবেদনও জানাবে।

    বিদ্রোহীদের বক্তব্য (Rebel TMC MPs)

    বিদ্রোহী সাংসদদের অন্যতম জগদীশ চন্দ্র বর্মা বসুনিয়ার দাবি, তাঁদের গোষ্ঠী কাকলি ঘোষ দস্তিদারকে লোকসভায় নেতা এবং শতাব্দী রায়কে উপনেতা হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়ার দাবি জানাবে। তাঁর বক্তব্য, রবিবার দিল্লিতে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর উপস্থিতিতে বিদ্রোহী সাংসদদের একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। বসুনিয়ার দাবি, এখনও পর্যন্ত ১৯ জন সাংসদ তাঁদের সঙ্গে রয়েছেন এবং আরও কেউ যোগ দিতে চাইলে, দরজা খোলা রয়েছে। তাঁদের লক্ষ্য, এনডিএর অংশ হয়ে সংসদে শাসক জোটের পাশে বসা এবং উন্নয়নের স্বার্থে কেন্দ্রের পাশে থাকা নিশ্চিত করা।

    অভিষেকের জন্যই দল গাড্ডায়!

    তাঁর অভিযোগ, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় দলের নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার পর থেকেই তৃণমূলের অভ্যন্তরে অসন্তোষ বাড়তে থাকে। বসুনিয়ার কথায়, “আগে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে সব কিছু ঠিকঠাক চলছিল। পরে দল কর্পোরেট সংস্থার মতো পরিচালিত হতে শুরু করে এবং নেতা-কর্মীদের সঙ্গে দূরত্ব তৈরি হয়।” এই কারণেই বহু নেতা ও সাংসদ ক্ষুব্ধ বলেও দাবি (Rebel TMC MPs) তাঁর। তৃণমূলের বিদ্রোহী শিবিরের বক্তব্য, পশ্চিমবঙ্গে বিজেপি ক্ষমতায় এসেছে এবং কেন্দ্রে বিজেপি নেতৃত্বাধীন সরকার রয়েছে। ফলে নিজেদের লোকসভা কেন্দ্রের উন্নয়নের জন্য কেন্দ্রের সহযোগিতা পাওয়া জরুরি বলেই তাঁরা এনডিএর পাশে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। বসুনিয়া এও (Om Birla) জানান, প্রথমে স্পিকারের কাছে আলাদা ব্লক হিসেবে স্বীকৃতি চাওয়া হবে। এরপর প্রয়োজনে নির্বাচন কমিশনের কাছেও ‘আসল তৃণমূল’ হিসেবে স্বীকৃতির দাবি জানানো হবে (Rebel TMC MPs)।

    বিদ্রোহ চারিদিকে!

    এদিকে তৃণমূলের অন্দরে অস্বস্তি আরও বেড়েছে। প্রবীণ তৃণমূল সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় শুক্রবার কালীঘাটে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বৈঠকে অনুপস্থিত ছিলেন। এর আগেই তিনি প্রকাশ্যে মন্তব্য করেছিলেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় এবং দীর্ঘদিনের বিশ্বস্ত নেতাদের মধ্যে একজনকে বেছে নিতে হবে। তৃণমূলের আর এক বর্ষীয়ান নেতা অনুব্রত মণ্ডলও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বের সমালোচনা করেছেন। ছাব্বিশের নির্বাচনে দলের ভরাডুবির জন্য রাজনৈতিক পরামর্শদাতা সংস্থা আইপ্যাককেও দায়ী করেছেন (Om Birla) তিনি। উল্লেখ্য, বিদ্রোহী শিবিরের তরফে এসব দাবি করা হলেও (Rebel TMC MPs), শনিবার দুপুর পর্যন্তও এ বিষয়ে কোনও প্রতিক্রিয়া প্রকাশ্যে আসেনি তৃণমূলের পক্ষ থেকে।

     

  • Suvendu Adhikari: ‘বেলডাঙার পুনরাবৃত্তি নয়’, মালদার মঞ্চ থেকে কড়া হুঁশিয়ারি শুভেন্দুর, এনআইএ তদন্তে আপত্তি প্রত্যাহার

    Suvendu Adhikari: ‘বেলডাঙার পুনরাবৃত্তি নয়’, মালদার মঞ্চ থেকে কড়া হুঁশিয়ারি শুভেন্দুর, এনআইএ তদন্তে আপত্তি প্রত্যাহার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মুর্শিদাবাদের বেলডাঙার অশান্তির (Beldanga Violence) ঘটনাকে ঘিরে দীর্ঘদিনের আইনি টানাপড়েনে নয়া মোড়। বেলডাঙা হিংসার ঘটনায় জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা, এনআইএর তদন্তের বিরুদ্ধে আগের রাজ্য সরকারের করা আপত্তি বর্তমান সরকার (Suvendu Adhikari) প্রত্যাহার করে নেওয়ায় মামলার তদন্তে এনআইএর রাস্তা আরও (Beldanga Violence) মসৃণ হল। একই সময়ে মালদায় প্রশাসনিক বৈঠক থেকে আইন-শৃঙ্খলা, সীমান্ত নিরাপত্তা, সামাজিক প্রকল্প এবং উন্নয়নমূলক কর্মসূচি নিয়ে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ বার্তাও দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। মুখ্যমন্ত্রীর স্পষ্ট বার্তা, ভবিষ্যতে সামশেরগঞ্জ, মোথাবাড়ি বা বেলডাঙার মতো অশান্তির পুনরাবৃত্তি কোনওভাবেই বরদাস্ত করা হবে না।

    এনআইএকে দিয়ে তদন্ত (Suvendu Adhikari)

    বেলডাঙার অশান্তির ঘটনায় কলকাতা হাইকোর্টে জনস্বার্থ মামলা দায়ের হয়েছিল। সেই মামলায় আদালত জানিয়েছিল, কেন্দ্রীয় সরকার চাইলে এনআইএকে দিয়ে তদন্ত করাতে পারে এবং প্রয়োজনে রাজ্য সরকার কেন্দ্রীয় বাহিনীর অতিরিক্ত সাহায্যও চাইতে পারে। হাইকোর্টের ওই নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করে রাজ্য সরকার সুপ্রিম কোর্টে যায়। কার্যত নিরাশ হয়ে ফিরতে হয় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকারকে। শীর্ষ আদালত এনআইএ তদন্তের নির্দেশে হস্তক্ষেপ করেনি। পরে কেস ডায়েরি এবং ধৃত অভিযুক্তদের হস্তান্তর নিয়েও রাজ্য পুলিশ এবং এনআইএর মধ্যে টানাপড়েন শুরু হলে আদালতের নির্দেশে সমস্ত নথি ও অভিযুক্তদের তুলে দেওয়া হয় তদন্তকারী সংস্থার হাতে।

    বেলডাঙাকাণ্ড

    ঝাড়খণ্ডে এক পরিযায়ী শ্রমিকের মৃত্যুকে কেন্দ্র করে বিধানসভা ভোটের আগে বেলডাঙায় ব্যাপক উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছিল। ভাঙচুর, রেল অবরোধ, জাতীয় সড়ক অবরোধ, বিক্ষোভ এবং সাংবাদিকদের ওপর হামলার মতো ঘটনা ঘটে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশকে লাঠিচার্জও করতে হয়। তদন্তে সিসিটিভি ফুটেজ খতিয়ে দেখে একাধিক অভিযুক্তকে গ্রেফতার করা হয়েছিল। পরবর্তীকালে মামলার তদন্তভার নেয় এনআইএ।

    শুভেন্দুর প্রশাসনিক বৈঠক

    এদিকে, মালদায় প্রশাসনিক বৈঠক (Suvendu Adhikari) থেকে মুখ্যমন্ত্রীর স্পষ্ট বার্তা, ভবিষ্যতে সামশেরগঞ্জ, মোথাবাড়ি বা বেলডাঙার মতো অশান্তির পুনরাবৃত্তি কোনওভাবেই বরদাস্ত করা হবে না। তিনি জানান, সীমান্ত এলাকায় নিরাপত্তা আরও জোরদার করতে বিএসএফ এবং রাজ্য পুলিশের মধ্যে সমন্বয়ের ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে এবং তিনি নিজেও বিএসএফের আউটপোস্ট পরিদর্শনে যাবেন (Beldanga Violence)।

    সামাজিক সুরক্ষা প্রকল্প

    প্রশাসনিক বৈঠকে সামাজিক সুরক্ষা প্রকল্প নিয়েও গুরুত্বপূর্ণ ঘোষণা করা হয়। মুখ্যমন্ত্রী জানান, প্রায় ৫০ লাখ উপভোক্তার অ্যাকাউন্টে অন্নপূর্ণা যোজনার টাকা পৌঁছতে শুরু (Beldanga Violence) করেছে। বার্ধক্য ভাতা এবং বিধবা ভাতাও পর্যায়ক্রমে দেওয়া হবে। স্বাস্থ্যসাথী প্রকল্পের সুবিধাভোগীদের আয়ুষ্মান ভারতের আওতায় স্থানান্তরের বিষয়েও ফের আশ্বাস দেওয়া হয়, যাতে রাজ্যের বাইরে কর্মরত পরিযায়ী শ্রমিকরাও স্বাস্থ্য পরিষেবার সুবিধা পান।

    প্রশাসনিক বৈঠকে হাজির তৃণমূলের বিধায়ক-সাংসদ

    উন্নয়নমূলক পরিকল্পনার অংশ হিসেবে চাঁচল ও গাজোলকে পুরসভার আওতায় আনার উদ্যোগের কথাও জানানো হয়েছে। পাশাপাশি নদীভাঙন রোধে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার কথাও উঠে এসেছে বৈঠকে (Suvendu Adhikari)। যদিও চলতি বর্ষায় কাজ শুরু করা সম্ভব না হলেও আগামী বর্ষার আগে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার লক্ষ্যে প্রশাসন কাজ করবে বলেও জানানো হয়েছে। রাজনৈতিক মহলেও এই বৈঠক বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ। মালদা, মুর্শিদাবাদ এবং দুই দিনাজপুর জেলার প্রশাসনিক বৈঠকে একাধিক তৃণমূল বিধায়ক ও সাংসদের উপস্থিতি নজর কেড়েছে। বিশেষ করে বিরোধী শিবিরের জনপ্রতিনিধিদেরও প্রশাসনিক বৈঠকে আমন্ত্রণ জানানো এবং অতিরিক্ত আড়ম্বর এড়িয়ে ছিমছাম সরকারি বৈঠকের আয়োজন রাজনৈতিক মহলে নতুন বার্তা হিসেবেই দেখা হচ্ছে (Beldanga Violence)। গত কয়েক (Beldanga Violence) বছরের তুলনায় প্রশাসনিক সংস্কৃতিতে এই পরিবর্তন নিয়েও শুরু হয়েছে জোর চর্চা (Suvendu Adhikari)।

     

  • Suvendu in Malda: দুই নতুন পুরসভা, এমসের সঙ্গে মেডিক্যাল কলেজ, গঙ্গার ভাঙন রোধ থেকে সীমান্ত সমস্যা, মালদায় একগুচ্ছ আশ্বাস মুখ্যমন্ত্রীর

    Suvendu in Malda: দুই নতুন পুরসভা, এমসের সঙ্গে মেডিক্যাল কলেজ, গঙ্গার ভাঙন রোধ থেকে সীমান্ত সমস্যা, মালদায় একগুচ্ছ আশ্বাস মুখ্যমন্ত্রীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সবার জন্য উন্নয়ন,সবার জন্য সরকার। সবার সঙ্গে কথা বলেই তৈরি হবে রাজ্যে উন্নয়নের গতিপথ। শুক্রবার বিকেলে মালদায় চার জেলার প্রশাসনিক বৈঠকে প্রশাসনিক কর্তাদের সাফ জানিয়ে দিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu in Malda)৷ এসআইআর (SIR) প্রক্রিয়ায় মালদা ও মুর্শিদাবাদ জেলায় বহু মানুষের নাম ভোটার তালিকা থেকে বাদ গিয়েছে৷ তাঁদের অনেকে অ্যাপিলেট ট্র্যাইবুনালে আবেদন করেছেন, অনেকে আবার সিএএ-তে আবেদন করেছেন ৷ যতদিন না তাঁরা যথাযথ বিচার পাচ্ছেন, তাঁদের কাউকে সরকারি সহায়তা থেকে বঞ্চিত করা হবে না ৷ এক্ষেত্রে ধর্ম, বর্ণ কিংবা রাজনৈতিক পরিচিতি বিচার্য নয়, বলে জানান মুখ্যমন্ত্রী ৷ জানান, উত্তরবঙ্গে তৈরি হবে দুটি এমস্। মালদা, উত্তর ও দক্ষিণ দিনাজপুর এবং মুর্শিদাবাদে সীমান্ত সমস্যাও দ্রুত মিটিয়ে ফেলা হবে, বলে দাবি শুভেন্দুর।

    মালদা জেলায় দুটি নতুন পুরসভা নির্মাণ

    এদিন মালদা জেলায় দুটি নতুন পুরসভা নির্মাণের কাজ শুরুর নির্দেশ দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী৷ তিনি বলেন, ‘‘মালদা জেলায় চাঁচল ও গাজোল পুরসভার দাবি বহুদিনের ৷ প্রাথমিকভাবে এই দুটি পুরসভা গঠনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে ৷ তার প্রাথমিক কাজও শুরু হয়ে গিয়েছে ৷ বাকিটা বাজেটে ঘোষিত হবে ৷”

    গঙ্গা ভাঙন রোধের কাজ

    আগামী বর্ষার আগেই গঙ্গা ভাঙন রোধের কাজ করার আশ্বাসও দেন ৷ মালদা, মুর্শিদাবাদের বন্যা ও ফি বছর নদী ভাঙন এই দুই জেলার বাসিন্দাদের কাছে একটা আতঙ্ক। এতদিন এ নিয়ে কেন্দ্র–রাজ্য পরস্পরের বিরুদ্ধে দোষারোপ করেছে। শুক্রবার শুভেন্দু জানান, এখন থেকে এই দুই জেলায় বন্যা ও ভাঙন রোধে কেন্দ্র ও রাজ্য একসঙ্গে কাজ করবে।

    চার জেলায় নতুন মেডিক্যাল কলেজ

    একইসঙ্গে চার জেলায় নতুন মেডিক্যাল কলেজ নির্মাণের জন্য কাজ শুরু করতে স্বাস্থ্য কর্তাদের নির্দেশ দিয়েছেন রাজ্যের প্রশাসনিক প্রধান৷ শুভেন্দু এদিন জানান, দক্ষিণ দিনাজপুরে মেডিক্যাল কলেজের প্রস্তাব রয়েছে ৷ তা দ্রুত খতিয়ে দেখতে হবে ৷ একইসঙ্গে আলিপুরদুয়ার, কালিম্পং ও পশ্চিম মেদিনীপুরেও মেডিক্যাল কলেজ করতে হবে ৷

    উত্তরবঙ্গে এমস্

    উত্তরবঙ্গে এমস্ হাসপাতাল গড়ে তোলার ক্ষেত্রে কোনওরকম সমস্যা হবে না, বলেও এদিন মত প্রকাশ করেন শুভেন্দু । সূত্রের খবর, এমস্ হাসপাতাল গড়ে তোলার ক্ষেত্রে সম্ভবত রায়গঞ্জের মাটিকেই বেছে নেওয়া হবে। এদিনের প্রশাসনিক বৈঠকে স্বাস্থ্য ব্যবস্থার উপর জোর দেওয়ার বিষয়ে আলোচনা হয়। চার জেলায় আধুনিক চিকিৎসা ব্যবস্থা গড়ে তোলা, গ্রামীণ স্বাস্থ্যকেন্দ্রগুলির পরিকাঠামোর মান উন্নত করার ব্যাপারে জোর দেন মুখ্যমন্ত্রী।

    সরকারি প্রকল্পের সুবিধা

    মুখ্যমন্ত্রী এদিন বলেন, ‘‘ইতিমধ্যেই রাজ্যের ৫০ লক্ষের বেশি মহিলার অ্যাকাউন্টে অন্নপূর্ণা যোজনার তিন হাজার টাকা ঢুকে গিয়েছে ৷ এই প্রক্রিয়া এখন চলবে ৷ একইভাবে বার্ধক্য ও বিধবা ভাতা-সহ অন্যান্য সামাজিক প্রকল্পগুলি নিয়েও আমরা চিন্তাভাবনা করছি ৷” শুভেন্দু এদিন আরও জানান, রাজ্য সরকার প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনায় যুক্ত হয়েছে ৷ প্রত্যেক গরিব মানুষ এবার সরকারি বাড়ি পাবেন ৷ আগামী ২০ জুলাইয়ের মধ্যে তার নতুন তালিকা তৈরিও হয়ে যাবে ৷ বিধায়ক ও প্রশাসনিক কর্তাদের সহযোগিতায় এই কাজ হবে ৷ মুখ্যমন্ত্রীর বক্তব্য, ‘‘বিগত সরকার চার মাসের বাজেট করে গিয়েছিল ৷ আগামী ১৮ জুন বিধানসভার অধিবেশন শুরু হবে ৷ ২২ তারিখ পূর্ণাঙ্গ বাজেট পেশ হবে ৷” রাজ্যের প্রশাসনিক প্রধানের বক্তব্য, ‘‘আগামী ১৫ থেকে ১৭ জুন রাজ্যে জনকল্যাণ শিবির হবে ৷ বিধায়ক, সাংসদ ও বিডিওরা শিবিরগুলি পর্যবেক্ষণ করবেন ৷ আয়ুষ্মান ভারত প্রকল্প নিয়ে অনেক ভুয়ো খবর ছড়িয়েছে ৷ সেসব বাদ দিয়ে মানুষকে এই স্কিম নিয়ে স্পষ্টভাবে জানাতে হবে ৷ এই প্রকল্পের কার্ড গোটা ভারতে কাজ করে ৷ একইভাবে আমরা রেশন কার্ডেও এই ব্যবস্থা চালু করার কথা ভাবছি ৷ তার ফলে রাজ্যের বাইরে থাকলেও ওই কার্ডে রেশন তোলা যাবে৷”

    পুলিশকে বার্তা শুভেন্দুর

    পুলিশের উদ্দেশেও বার্তা দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী ৷ তাঁর বার্তা, ‘‘ক্রশিং ছাড়া জাতীয় সড়ক জুড়ে ব্যারিকেড লাগানো যাবে না ৷ যানজটের জন্য কালিয়াচক-ফরাক্কায় ঘণ্টার পর ঘণ্টা যানবাহন দাঁড়িয়ে থাকে ৷ ওভারলোডিং সংক্রান্ত অনেক অভিযোগও আসে ৷ এসব চলবে না ৷ কোথাও কোনও সমস্যা থাকলে তা যাত্রীরা সোশাল মিডিয়ায় জানাতে পারবেন ৷ যা ব্যবস্থা নেওয়ার তা সরকার নেবে ৷ প্রতিটি থানায় মহিলাদের জন্য হেল্প ডেস্ক চালু করতে হবে ৷ আগামী সেপ্টেম্বর মাসে প্রায় 12 হাজার কনস্টেবল নিয়োগ করা হবে ৷ প্রায় ৪ হাজার ভিলেজ পুলিশও নিয়োগ হবে ৷ মোথাবাড়ি, কালিয়াচক, বেলডাঙা, সামশেরগঞ্জের মতো ঘটনা আর যাতে না ঘটে তার জন্য পুলিশকে দায়িত্ব নিতে হবে ৷” পাশাপাশি তাঁর মন্তব্য, ‘‘কোনও রাজনৈতিক দল আন্দোলন করার অধিকার হারাক তা আমরা চাই না ৷”

    সীমান্ত সমস্যা সমাধান

    মুখ্যমন্ত্রী এদিন সীমান্তে কাঁটাতারের বেড়া দেওয়া নিয়েও মন্তব্য করেন ৷ বিএসএফ কর্তৃপক্ষকে প্রয়োজনীয় জমি দেওয়ার কথাও উল্লেখ করেন ৷ এক্ষেত্রে পুলিশ ও স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের সহযোগিতা চেয়েছেন শুভেন্দু ৷ ধরা পড়া বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারীদের দ্রুত ডিপোর্ট করার নির্দেশ দেন ৷ তিনি জানান, সীমান্ত সংলগ্ন গ্রামগুলিকে সাজিয়ে তোলার জন্য কেন্দ্রীয় সরকার অর্থ সাহায্য করতে প্রস্তুত ৷ তার সুযোগ জেলাশাসকদের নিতে হবে৷ দুই দিনাজপুর ও মালদায় বাংলাদেশ সীমান্ত রয়েছে। ক্ষমতায় এসেই বিজেপি সরকার ঘোষণা করেছিল যে, উন্মুক্ত সীমান্তে কাঁটাতার বসাতে বিএসএফকে জমি হস্তান্তর করা হবে। এদিনের বৈঠকে এখনও পর্যন্ত কত জমি বিএসএফকে হস্তান্তর করা হলো, তা জানতে চান মুখ্যমন্ত্রী।

    বিরোধী বিধায়কদের সমান গুরুত্ব

    এদিন প্রশাসনিক বৈঠকে উল্লেখযোগ্য বিষয় হলো উত্তরের তিন জেলার তৃণমূলের সব বিধায়কই উপস্থিত ছিলেন। বিরোধী দলের বিধায়কদের অভাব–অভিযোগ মন দিয়ে শোনেন শুভেন্দু। মালদা মেডিক্যাল কলেজে হার্ট কেয়ার ইউনিট, মালদা বিমান বন্দরের জন্য জমি, কালিয়াচকে দমকল কেন্দ্র, মুর্শিদাবাদের জঙ্গিপুরে বিড়ি শ্রমিকদের জন্যে বন্ধ হয়ে থাকা হাসপাতালের আধুনিকীকরণ–সহ বিভিন্ন বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়। কালিয়াচক, মোথাবাড়ি, বেলডাঙ্গায় বিগত দিনের গন্ডগোল প্রসঙ্গ উত্থাপন করে শুভেন্দু বলেন, ‘আশা করব আগামীতে এই ধরনের ঘটনা আর ঘটবে না।’ এই ধরনের ঘটনার পুনরাবৃত্তি ঠেকাতে তিনি বিরোধী বিধায়কদেরও সাহায্য চান। এদিন দলীয় রাজনীতির ঊর্ধ্বে উঠে রাজ্যের সার্বিক উন্নয়নে এক বেনজির সৌজন্যের আবহ তৈরি হয়েছিলো মালদার প্রশাসনিক বৈঠকে।

  • PM Modi: “নরেন্দ্র মোদি বিশ্বের সর্বশ্রেষ্ঠ রাষ্ট্রপ্রধান”, দ্বাদশ বর্ষপূর্তির অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর প্রশংসায় মুখ্যমন্ত্রী, দিলেন রাজ্য বাজেটে বড় চমকের ইঙ্গিত

    PM Modi: “নরেন্দ্র মোদি বিশ্বের সর্বশ্রেষ্ঠ রাষ্ট্রপ্রধান”, দ্বাদশ বর্ষপূর্তির অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর প্রশংসায় মুখ্যমন্ত্রী, দিলেন রাজ্য বাজেটে বড় চমকের ইঙ্গিত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির (PM Modi) কেন্দ্রীয় সরকারের গৌরবময় ১২ বছর পূর্তি উপলক্ষে আয়োজিত একটি বিশেষ অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে তাঁর ভূয়সী প্রশংসা করলেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। মোদিকে ‘বিশ্বের সর্বশ্রেষ্ঠ প্রধানমন্ত্রী’ হিসেবে অভিহিত করার পাশাপাশি রাজ্যের আসন্ন বাজেট নিয়ে সাধারণ মানুষকে এক বড়সড় সুখবরের ইঙ্গিত দিয়েছেন তিনি।

    ভারত ‘বিশ্বগুরু’ হয়ে ওঠার পথে (PM Modi)

    কলকাতার নিউটাউনের বিশ্ববাংলা কনভেনশেন হলে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে মুখ্যমন্ত্রী (Suvendu Adhikari) বলেন, “প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi) কেবল ভারতের নন, এই মুহূর্তে গোটা বিশ্বের দরবারে সর্বশ্রেষ্ঠ রাষ্ট্রপ্রধান। বিগত ১২ বছর ধরে তিনি দেশের আমূল পরিবর্তন ও প্রতিটি নাগরিকের ক্ষমতায়নে নিরলস কাজ করে চলেছেন। নিজেকে দেশের প্রধানমন্ত্রী নয়, বরং প্রধান জনসেবক হিসেবে প্রতিষ্ঠা করেছেন।” তিনি আরও যোগ করে বলেন, “প্রধানমন্ত্রীর দূরদর্শী নেতৃত্বেই আজ ভারত ‘বিশ্বগুরু’ হয়ে ওঠার পথে আরও কয়েক ধাপ এগিয়ে গিয়েছে এবং ২০৪৭ সালের মধ্যে ‘বিকশিত ভারত’ গড়ার যে লক্ষ্যমাত্রা নেওয়া হয়েছে, দেশবাসী ঐক্যবদ্ধভাবে তা সফল করবে।”

    রাজ্য বড় আর্থিক বরাদ্দ পেতে শুরু করেছে

    রাজ্যে ‘ডবল ইঞ্জিন’ সরকার প্রতিষ্ঠার সুফলের কথা উল্লেখ করে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “দীর্ঘদিন ধরে বঞ্চিত থাকা পশ্চিমবঙ্গ এখন থেকে দেশের অন্য উন্নত রাজ্যগুলির মতোই সমস্ত কেন্দ্রীয় প্রকল্পের সম্পূর্ণ সুবিধা পাবে। প্রধানমন্ত্রী (PM Modi) বাংলার সার্বিক রূপান্তর ও উন্নয়নে অত্যন্ত ইতিবাচক পদক্ষেপ নিচ্ছেন।” উদাহরণ হিসেবে তিনি জানান, জল জীবন মিশন সহ একাধিক কেন্দ্রীয় প্রকল্পে ইতিমধ্যেই রাজ্য বড় আর্থিক বরাদ্দ পেতে শুরু করেছে। একই সঙ্গে সাধারণ মানুষের দীর্ঘদিনের প্রত্যাশা পূরণ করে মুখ্যমন্ত্রী (Suvendu Adhikari) ইঙ্গিত দেন যে, রাজ্যের আসন্ন বাজেটে সর্বস্তরের নাগরিকদের জন্য অত্যন্ত ইতিবাচক ও কল্যাণমুখী কিছু বড় ঘোষণা আসতে চলেছে। কেন্দ্রের সহযোগিতায় রাজ্য সরকারের এই বাজেট বাংলার অর্থনৈতিক পরিকাঠামো বদলে দিতে এবং সাধারণ মানুষকে সরাসরি স্বস্তি দিতে বড় ভূমিকা নেবে বলে রাজনৈতিক মহল মনে করছে।

  • Suvendu Adhikari Cabinet: শুভেন্দুর মন্ত্রিসভায় কার হাতে কোন দফতর? চমকে দেওয়া দায়িত্ব বণ্টনের পূর্ণ তালিকা প্রকাশ

    Suvendu Adhikari Cabinet: শুভেন্দুর মন্ত্রিসভায় কার হাতে কোন দফতর? চমকে দেওয়া দায়িত্ব বণ্টনের পূর্ণ তালিকা প্রকাশ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গত ৯ মে পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেন শুভেন্দু অধিকারী। তাঁর সঙ্গে প্রথম দফায় আরও পাঁচ জন মন্ত্রী শপথ নেন। এরপর ১ জুন দ্বিতীয় দফায় শপথ গ্রহণ করেন রাজ্যের আরও ৩৫ জন মন্ত্রী। এই ৩৫ জনের মধ্যে— ১৩ জন পূর্ণমন্ত্রী, ৩ জন স্বাধীন দায়িত্বপ্রাপ্ত মন্ত্রী, ১৯ জন প্রতিমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেন। এবার হয়ে গেল তাঁদের দফতর বণ্টন।

    উত্তরবঙ্গ ও জঙ্গলমহলে বিশেষ গুরুত্ব

    নতুন মন্ত্রিসভা গঠনে আঞ্চলিক ভারসাম্যের দিকে বিশেষ নজর দেওয়া হয়েছে। উত্তরবঙ্গের বিভিন্ন জেলা থেকে মোট ১০ জন মন্ত্রী স্থান পেয়েছেন রাজ্য মন্ত্রিসভায়। একই সঙ্গে জঙ্গলমহল অঞ্চলকেও উল্লেখযোগ্য গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর নিজ জেলা পূর্ব মেদিনীপুর থেকেও চার জন মন্ত্রী মন্ত্রিসভায় জায়গা পেয়েছেন। এছাড়া মন্ত্রিসভায় রয়েছেন ৭ জন মহিলা মুখ।

    দিল্লিতে বৈঠকের পর চূড়ান্ত দফতর বণ্টন

    দফতর বণ্টনের আগে দিল্লিতে গিয়ে বিজেপির সর্বভারতীয় নেতা নিতিন নবীনের সঙ্গে বৈঠক করেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। সেই বৈঠকের পরই মন্ত্রিসভার দায়িত্ব বণ্টন চূড়ান্ত করা হয়। বুধবার নবান্ন থেকে নতুন মন্ত্রীদের দফতর বণ্টনের সরকারি বিজ্ঞপ্তি জারি হয়েছে।

    গুরুত্বপূর্ণ দফতর নিজের কাছেই রাখলেন শুভেন্দু

    মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী একাধিক গুরুত্বপূর্ণ দফতর নিজের অধীনেই রেখেছেন। তাঁর হাতে থাকা দফতরগুলি হল—

    • ● স্বরাষ্ট্র ও পাহাড় বিষয়ক
    • ● তথ্য ও সংস্কৃতি
    • ● বিদ্যুৎ
    • ● ভূমি ও ভূমি সংস্কার
    • ● উদ্বাস্তু ও পুনর্বাসন

    শুভেন্দুর সরকারের নতুন টিমে কোন মন্ত্রী কোন দফতরের দায়িত্ব পেলেন

    পূর্ণ মন্ত্রী

    • ● দীপক বর্মন – স্কুলশিক্ষা এবং আবাসন দফতর এবং ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প দফতর
    • ● তাপস রায়- শিল্প, বাণিজ্য ও উদ্যোগ
    • ● শঙ্কর ঘোষ- পর্যটন, সংসদীয় বিষয়ক
    • ● মনোজ কুমার ওঁরাও- বন ও পরিবেশ
    • ● অর্জুন সিংহ- পরিবহণ এবং শ্রম
    • ● গৌরী শঙ্কর ঘোষ-গণশিক্ষা সম্প্রসারণ ও গ্রন্থাগার এবং অনগ্রসর শ্রেণি কল্যাণ
    • ● জগন্নাথ চট্টোপাধ্যায়- উচ্চ শিক্ষা, কারিগরি শিক্ষা, প্রশিক্ষণ ও দক্ষতা উন্নয়ন
    • ● স্বপন দাশগুপ্ত- অর্থ
    • ● শারদ্বত মুখোপাধ্যায়-স্বাস্থ্য
    • ● কল্যাণ চক্রবর্তী- তথ্যপ্রযুক্তি ও ইলেকট্রনিক্স এবং খাদ্য প্রক্রিয়াকরণ ও উদ্যানপালন
    • ● অরূপ কুমার দাস- সেচ ও জলপথ
    • ● অজয় কুমার পোদ্দার-পূর্ত এবং জনস্বাস্থ্য কারিগরি
    • ● দুধকুমার মণ্ডল- কৃষি
    • ● নিশীথ প্রামাণিক- উত্তরবঙ্গ উন্নয়ন এবং জলসম্পদ অনুসন্ধান ও উন্নয়ন
    • ● অশোক কীর্তনীয়া- খাদ্য সরবরাহ, সমবায়
    • ● ক্ষুদিরাম টুডু- অনগ্রসর, সংখ্যালঘু উন্নয়ন এবং মাদ্রাসা শিক্ষা
    • ● দিলীপ ঘোষ- পঞ্চায়েত, গ্রামোন্নয়ন এবং কৃষি বিপণন
    • ● অগ্নিমিত্রা পাল- পুর ও নগরোন্নয়ন দফতর

    স্বাধীন দ্বায়িত্বপ্রাপ্ত মন্ত্রী

    • ● মালতি রাভা রায়- নারী ও শিশু কল্যাণ দপ্তর স্বনির্ভর গোষ্ঠী ও কর্মসংস্থান এবং পরিসংখ্যান দফতর
    • ● রাজেশ মাহাতো- প্রাণিসম্পদ দপ্তর ও মৎস্য দফতর
    • ● ইন্দ্রনীল খাঁ- ক্রীড়া ও যুব কল্যাণ এবং ক্রেতা সুরক্ষা দফতর

    প্রতিমন্ত্রী

    • ● জোয়েল মুর্মু- আদিবাসী উন্নয়ন এবং সেচ ও জলপথ
    • ● হরেকৃষ্ণ বেরা- উচ্চ শিক্ষা, কারিগরি শিক্ষা, প্রশিক্ষণ ও দক্ষতা উন্নয়ন
    • ● আনন্দময় বর্মন- অর্থ
    • ● অশোক দিন্দা- কৃষি বিপণন, ক্ষুদ্র, ছোট ও মাঝারি শিল্প ও বস্ত্র
    • ● নাদিয়ার চাঁদ বাউরি- পূর্ত এবং অনগ্রসর শ্রেণি কল্যাণ
    • ● বিশাল লামা- মাদ্রাসা শিক্ষা
    • ● শান্তনু প্রামাণিক- পঞ্চায়েত ও গ্রামোন্নয়ন, খাদ্য ও সরবরাহ
    • ● মৌমিতা বিশ্বাস মিশ্র- শিল্প, বাণিজ্য ও উদ্যোগ এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি ও জৈবপ্রযুক্তি
    • ● উমেশ রাই- নগর উন্নয়ন ও পুর বিষয়ক, সংসদীয় বিষয়ক
    • ● পূর্ণিমা চক্রবর্তী- পর্যটন
    • ● কৌশিক চৌধুরী- শিক্ষা এবং অগ্নিনির্বাপন ও জরুরি পরিষেবা
    • ● ভাস্কর ভট্টাচার্য- শ্রম এবং জনস্বাস্থ্য কারিগরি
    • ● দিবাকর ঘরামি- সমবায়, বন ও পরিবেশ
    • ● অমিয় কিস্কু- কৃষি এবং খাদ্য প্রক্রিয়াকরণ ও উদ্যানপালন
    • ● কলিতা মাজি- আবাসন
    • ● গার্গী দাস ঘোষ- বিদ্যুৎ, অপ্রচলিত এবং পুনর্নবীকরণ যোগ্য শক্তি
    • ● বিরাজ বিশ্বাস- উত্তরবঙ্গ উন্নয়ন এবং আইন ও বিচার
    • ● দীপঙ্কর জানা- সুন্দরবন বিষয়ক
    • ● সুমনা সরকার- স্বাস্থ্য
  • CBI: বাংলায় সিবিআই-এর ‘জেনারেল কনসেন্ট’ ফিরিয়ে আনল শুভেন্দু সরকার, ৮ বছর পর অবসান মমতার জমানার নিষেধাজ্ঞার

    CBI: বাংলায় সিবিআই-এর ‘জেনারেল কনসেন্ট’ ফিরিয়ে আনল শুভেন্দু সরকার, ৮ বছর পর অবসান মমতার জমানার নিষেধাজ্ঞার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পশ্চিমবঙ্গে দুর্নীতি ও অনিয়মের শিকড় উপড়ে ফেলে প্রশাসনিক স্বচ্ছতা ফিরিয়ে আনতে এক বড় পদক্ষেপ নিল শুভেন্দু অধিকারীর (Suvendu Adhikari) নেতৃত্বাধীন বিজেপি সরকার। দীর্ঘ ৮ বছর আগে তৃণমূল জমানায় প্রত্যাহার করে নেওয়া সিবিআই (CBI)-এর ‘জেনারেল কনসেন্ট’ বা সাধারণ সম্মতি পুনরায় বহাল করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে নবান্ন। এর ফলে রাজ্যে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থাটির ক্ষমতা আরও বৃদ্ধি পাবে এবং নিয়োগ দুর্নীতিসহ একাধিক মামলার তদন্তের গতি কয়েকগুণ বাড়বে বলে মনে করা হচ্ছে।

    গত ৮ জুন ২০২৬ তারিখে পশ্চিমবঙ্গ সরকারের স্বরাষ্ট্র ও পার্বত্য বিষয়ক বিভাগ থেকে এই সংক্রান্ত একটি বিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়। সেখানে ১৯৪৬ সালের ‘দিল্লি স্পেশাল পুলিশ এস্টাব্লিশমেন্ট’ (DSPE) আইনের ৬ নম্বর ধারার অধীনে সিবিআই-কে পুনরায় সাধারণ সম্মতি প্রদান করা হয়েছে।

    সাধারণ সম্মতি বা ‘জেনারেল কনসেন্ট’ বিষয়টি আসলে কী (CBI)?

    সিবিআই মূলত ‘দিল্লি স্পেশাল পুলিশ এস্টাব্লিশমেন্ট’ আইনের অধীনে কা জ করে। যেহেতু পুলিশ এবং আইন-শৃঙ্খলা রাজ্যের আওতাভুক্ত বিষয়, তাই কোনও রাজ্যে কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মচারীদের বিরুদ্ধে তদন্ত করতে গেলে সিবিআই-এর (CBI) জন্য রাজ্য সরকারের অনুমতি প্রয়োজন হয়। প্রশাসনিক কাজ সহজ করতে রাজ্যগুলো সাধারণত তদন্ত সংস্থাকে একটি ‘ব্লাঙ্কেট পারমিশন’ বা সাধারণ সম্মতি দিয়ে রাখে। কিন্তু ২০১৮ সালে তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এই সম্মতি প্রত্যাহার করে নিয়েছিলেন। ফলে গত কয়েক বছরে নতুন কোনও মামলার তদন্ত শুরু করার আগে সিবিআই-কে প্রতিবার রাজ্য সরকারের অনুমতির জন্য অপেক্ষা করতে হতো অথবা আদালতের দ্বারস্থ হতে হতো। এবার থাকে এই নিয়মের বড় পরিবর্তন সূচনা করলেন শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)।

    বিজ্ঞপ্তিতে কী বলা হয়েছে?

    শুভেন্দু অধিকারীর (Suvendu Adhikari) সরকারের জারি করা বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে যে, এখন থেকে সিবিআই পশ্চিমবঙ্গের যে কোনও প্রান্তে কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মচারী, কেন্দ্রীয় পাবলিক সেক্টর আন্ডারটেকিং (CPSU) এবং বেসরকারি ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে কোনও পূর্ব অনুমতি ছাড়াই সরাসরি তদন্ত প্রক্রিয়া শুরু করতে পারবে। তবে বিজ্ঞপ্তিতে একটি বিশেষ শর্তও রাখা হয়েছে। কেন্দ্রীয় সংস্থা (CBI) সাধারণ সম্মতি ফিরে পেলেও, পশ্চিমবঙ্গ সরকারের অধীনে কর্মরত রাজ্য সরকারি আধিকারিক বা কর্মচারীদের বিরুদ্ধে তদন্তের ক্ষেত্রে এখনও রাজ্য সরকারের লিখিত আগাম অনুমতির প্রয়োজন হবে।

    ২০১৮ সালে কেন এই সম্মতি কেড়ে নিয়েছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়?

    ২০১৮ সালের নভেম্বরে তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সিবিআই-এর সাধারণ সম্মতি প্রত্যাহার করে অভিযোগ করেছিলেন যে, কেন্দ্রীয় সরকার সিবিআই (CBI) এবং ইডি-র মতো সংস্থাগুলিকে রাজনৈতিক স্বার্থে ব্যবহার করছে। সারদা চিটফান্ড থেকে শুরু করে কয়লা পাচার, গরু পাচার এবং শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতির মতো একাধিক গুরুত্বপূর্ণ মামলায় তৃণমূলের শীর্ষ নেতাদের নাম জড়ানোয় তৎকালীন সরকার এই পদক্ষেপ নিয়েছিল বলে পর্যবেক্ষকদের মত। এর ফলে তদন্তের গতি শ্লথ হয়ে গিয়েছিল এবং বহু মামলা সুপ্রিম কোর্ট পর্যন্ত গড়িয়েছিল।

    প্রশাসনিক সংস্কারে অনড় শুভেন্দু সরকার

    ক্ষমতায় আসার পর থেকেই মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) তৃণমূল জমানার বিভিন্ন অনিয়ম সংশোধনে একের পর এক কড়া পদক্ষেপ নিচ্ছেন।

    • নিয়োগ দুর্নীতি: গত মে মাসেই সরকার শিক্ষক নিয়োগ, পুরসভা নিয়োগ এবং সমবায় নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য সিবিআই-কে বিশেষ অনুমোদন দিয়েছিল।
    • ২০১৯-এর হিংসার তদন্ত: ২০১৯ সালে সিএএ-বিরোধী আন্দোলনের নামে রেলের যে ৯৩ কোটি টাকার সম্পত্তি ধ্বংস করা হয়েছিল, তার তদন্তের দায়িত্বও সম্প্রতি পুলিশকে দেওয়া হয়েছে।
    • তদন্ত কমিশন: প্রাতিষ্ঠানিক দুর্নীতি এবং নারীদের ওপর হওয়া অত্যাচারের অভিযোগ খতিয়ে দেখতে গত ১৮ই মে হাইকোর্টের অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতিদের নিয়ে দুটি কমিশন গঠন করা হয়েছে।

    রাজ্যে পুলিশ ও আমলাতন্ত্রের রাজনীতিকরণ বন্ধ করা এবং দুর্নীতির জাল ছিঁড়ে ফেলাই বর্তমান সরকারের মূল লক্ষ্য বলে মনে করা হচ্ছে। সিবিআই-এর (CBI) সাধারণ সম্মতি পুনরুদ্ধার সেই পথে আরও একটি ইতিবাচক ধাপ।

  • Digha Jagannath Temple: বদলাল দিঘার জগন্নাথ মন্দিরের নাম, কী হল নতুন নাম?

    Digha Jagannath Temple: বদলাল দিঘার জগন্নাথ মন্দিরের নাম, কী হল নতুন নাম?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “সনাতন সংস্কৃতিকে অপমান করেছে তৃণমূল সরকার। ধাম শব্দটি সরিয়ে নেওয়া হচ্ছে। মন্দিরে (Digha Jagannath Temple) সনাতনী সংস্কৃতি মেনেই পুজো হবে।” মঙ্গলবার কথাগুলি বললেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। ‘ধাম’ শব্দের ব্যবহার আঘাত করেছে ওড়িশাবাসী ও জগন্নাথদেবের ভক্তদের। এই মর্মে একটি চিঠি নিয়ে এ দিন ওড়িশার প্রতিনিধি হিসেবে মুখ্যমন্ত্রীর কাছে এসেছিলেন পুরীর সাংসদ সম্বিত পাত্র। সেই চিঠি হাতে নিয়েই এমন মন্তব্য করেন রাজ্যের পালাবদলের মুখ্যমন্ত্রী। নবান্নে সাংবাদিক বৈঠকে শুভেন্দু ঘোষণা করেন, এবার থেকে দিঘার এই মন্দিরের নাম হবে শ্রীশ্রী জগন্নাথ মন্দির সাংস্কৃতিক কেন্দ্র।  নিয়ম মেনে মন্দিরে প্রতিদিনের পুজো, আরতি ও ভজন-কীর্তন সব আগের মতোই চলবে বলেও জানান তিনি।

    ওড়িশার আপত্তি (Digha Jagannath Temple)

    ছাব্বিশের বিধানসভা নির্বাচনের কথা মাথায় রেখে ২০২৫ সালে ঘটা করে দিঘার জগন্নাথ মন্দিরের দ্বারোদ্ঘাট করেছিলেন তৎকালীন রাজ্য সরকারের প্রধান মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। মন্দির না বলে সেটিকে উল্লেখ করা হয় ‘জগন্নাথ ধাম’ হিসেবে। এরপর থেকেই শুরু হয় বিতর্ক। নাম নিয়ে আপত্তি তোলে ওড়িশার রাজনৈতিক মহল এবং পুরীর জগন্নাথ মন্দিরের সেবায়েতরা। তাঁদের দাবি ছিল, ঐতিহাসিক ও ধর্মীয় পরম্পরা অনুযায়ী ‘জগন্নাথ ধাম’ অভিধাটি একমাত্র প্রযোজ্য পুরীর জগন্নাথ মন্দিরের ক্ষেত্রেই। এই ইস্যুতে ওড়িশার মুখ্যমন্ত্রী মোহনচরণ মাঝি পশ্চিমবঙ্গ সরকারের কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে আপত্তি জানিয়ে চিঠিও পাঠিয়েছিলেন। এ সংক্রান্ত অনুরোধপত্রটি এদিন শুভেন্দুর (Digha Jagannath Temple) হাতে তুলে দেন পুরীর সাংসদ।

    কী বললেন মুখ্যমন্ত্রী

    এরপর মন্ত্রিসভার সঙ্গে আলোচনা করে রাজ্য সরকার দিঘার মন্দিরের নাম পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত নেয়। সেই মতো ঘোষণাও করা হয়। এদিনের সাংবাদিক বৈঠকে শুভেন্দুর পাশাপাশি উপস্থিত ছিলেন সম্বিত এবং রাজ্যের মুখ্যসচিব মনোজ কুমার আগরওয়াল। সরকার অবশ্য স্পষ্ট করে দিয়েছে, নাম বদল হলেও মন্দিরের ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠান ও নিয়মিত পুজোয় কোনও বদল হবে না। মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “ধাম শব্দটি নিয়ে বিতর্ক ছিল। তাই সরানো হয়েছে। দিঘার মন্দির শ্রী শ্রী জগন্নাথ সাংস্কৃতিক কেন্দ্র। এটাই হিডকোর টেন্ডারে রয়েছে। স্থাপত্যটি মন্দির নামেই পরিচিত হবে। সনাতন সংস্কৃতির রীতি নীতি মেনেই দিঘার মন্দিরে পুজোও হবে (Suvendu Adhikari)।” প্রশাসনিক সূত্রে খবর, ওড়িশা সরকারের দীর্ঘদিনের দাবিকে সম্মান জানিয়েই এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে (Digha Jagannath Temple)।

     

  • Suvendu Adhikari: “ঘাটাল মাস্টার প্ল্যান আমরাই রূপায়ণ করব”, কোলাঘাটের প্রশাসনিক বৈঠক শেষে ঘোষণা শুভেন্দুর

    Suvendu Adhikari: “ঘাটাল মাস্টার প্ল্যান আমরাই রূপায়ণ করব”, কোলাঘাটের প্রশাসনিক বৈঠক শেষে ঘোষণা শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “ঘাটাল মাস্টার প্ল্যান (Ghatal Master Plan) আমরাই বাস্তবায়ন করব”, কোলাঘাটের প্রশাসনিক বৈঠকে এমনই ঘোষণা করলেন রাজ্যের পালাবদলের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। মঙ্গলবার ওই বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকারের কড়া সমালোচনা করেন মুখ্যমন্ত্রী। রাজ্যের ভবিষ্যৎ উন্নয়নের রূপরেখাও তুলে ধরেন পালাবদলের মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর দাবি, পশ্চিমবঙ্গকে ফের সুশাসনের পথে ফিরিয়ে আনাই বর্তমান সরকারের প্রধান লক্ষ্য।

    ঘাটাল মাস্টার প্ল্যান 

    মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “উন্নয়নের দিক থেকে অনেক পিছিয়ে গিয়েছে পশ্চিমবঙ্গ। আমরা সামগ্রিকভাবে অনেকটা পিছিয়ে গিয়েছি। এতদিন রাজ্যের থানাগুলি কার্যত পার্টি অফিসে পরিণত হয়েছিল, আর পঞ্চায়েত অফিসগুলি হয়ে উঠেছিল কাটমানি সংগ্রহের কেন্দ্র। এবার থেকে পশ্চিমবঙ্গে আইনের শাসন চলবে, শাসকের আইন নয়।” তিনি জানান, অত্যন্ত ইতিবাচক পরিবেশে হয়েছে প্রশাসনিক বৈঠক। বৈঠকে ৩৩ জন বিজেপি বিধায়ক, ২ জন বিরোধী দলের বিধায়ক এবং মেদিনীপুর জেলার চার সাংসদ উপস্থিত ছিলেন। বিভিন্ন উন্নয়নমূলক প্রকল্প ও প্রশাসনিক বিষয় নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “উন্নয়ন নিয়ে অত্যন্ত ইতিবাচক কথা বলেছেন ঘাটালের সাংসদ দেব। আমি স্পষ্ট জানিয়েছি, ঘাটাল মাস্টার প্ল্যান এবার আমরাই রূপায়ণ করব।” মুখ্যমন্ত্রী যোগ করেন, ‘‘একজন বিরোধী সাংসদ তো আজ বলেই ফেললেন যে, ‘আপনি আমাদের মন খুলে কথা বলার স্বাধীনতা দিয়েছেন।’ বিরোধীদের যাঁরাই আজকে ছিলেন, তাঁরা সবাই স্রেফ উন্নয়নের কথাই বলেছেন।’’

    বিদ্রোহ চারিদিকে…

    এদিনের বৈঠকে যাঁরা উপস্থিত ছিলেন, তাঁদের মধ্যে ছিলেন তৃণমূলের তারকা সাংসদ দেব। উপস্থিত হয়েছেন বিক্ষুব্ধ শিবিরের তৃণমূল সাংসদ -অভিনেত্রী জুন মালিয়া ও কেশপুরের বিধায়িকা শিউলি সাহা। তবে, রুপোলি পর্দার নায়ক-নায়িকার উপস্থিতি বিশেষভাবে নজর কেড়েছে রাজনীতির কারবারিদের। কারণ, ছাব্বিশের বিধানসভা নির্বাচনে গোহারা হেরেছে তৃণমূল। পদ্মময় বাংলায় সরকার গড়েছে বিজেপি, যে সরকারের চালকের আসনে রয়েছেন গৈরিক নেতা শুভেন্দু অধিকারী। ঘাসফুল পার্টি মুখ থুবড়ে পড়তেই বিদ্রোহ শুরু হয়েছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দল তৃণমূলে। এই বিদ্রোহীদের নেতৃত্ব দিচ্ছেন সিপিএম থেকে বহিষ্কৃত নেতা ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়। ছাব্বিশের বিধানসভা নির্বাচনে তিনি জিতেছেন ঘাসফুল প্রতীকে। উল্লেখ্য, বাম পার্টি থেকে বহিষ্কৃত হয়ে ঋতব্রত যোগ দেন তৃণমূলের। দ্রুত হয়ে ওঠেন মমতার স্নেহভাজন। দলের পাশাপাশি স্বয়ং দলনেত্রী গাড্ডায় পড়তেই ছত্রখান হয়ে গিয়েছেন কংগ্রেস ভেঙে তৃণমূল গড়ার মূল কারিগর মমতার দলের বিধায়করা। বিধায়কদের সিংহভাগই ঋতব্রতর শিবিরে। রাজ্যের পাশাপাশি তৃণমূলের এই বিদ্রোহের আঁচ লেগেছে দিল্লিতেও। সেখানেও জোট বাঁধার সলতে পাকাচ্ছেন তৃণমূল নেত্রীর হাতে গড়া দলের টিকিটে জয়ী হওয়া সাংসদদের সিংহভাগ। জল্পনা, এই শিবিরেই রয়েছেন দেব। তাঁর গায়ে সেঁটে গিয়েছে ‘বিদ্রোহী’ তকমা। এহেন ‘বিদ্রোহী’ই এদিন হাজির ছিলেন কোলাঘাটের বলাকা মঞ্চে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর প্রশাসনিক বৈঠকে। রাজনৈতিক মহলে জল্পনার আবহে আয়োজিত এই বৈঠক ঘিরে নতুন করে শুরু হয়েছে চর্চা।

    কী বললেন দেব

    বিশ্লেষকদের মতে, এই বৈঠকে বিভিন্ন দলের জনপ্রতিনিধিদের উপস্থিতি এবং (Ghatal MP) মুখ্যমন্ত্রীর বক্তব্যে মিলছে আগামী দিনের রাজ্য রাজনীতিতে নয়া সমীকরণের ইঙ্গিত (Suvendu Adhikari)। এদিকে, এদিনের প্রশাসনিক বৈঠক শেষে ঘাটালের সাংসদ তৃণমূলের দেব জানান, ঘাটাল মাস্টার প্ল্যানের প্রসঙ্গ তুলেছিলেন তিনি। নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই যাতে কাজ শেষ হয়, সেই আবেদনও জানিয়েছেন। মুখ্যমন্ত্রী সেই মর্মে তাঁকে কথাও দিয়েছেন। দেব বলেন, “ঘাটাল মাস্টার প্ল্যানের মাটি কাটা শুরু হয়েছিল মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের হাত ধরে। কাজটা শুরু হয়েছিল। আমার কোথাও যেন বিশ্বাস, সেই কাজটা শেষ হবে আমাদের এখনকার যিনি মুখ্যমন্ত্রী, তাঁর হাত ধরে। উনি আমায় কথা দিয়েছেন। সাংসদের থেকে বড় কথা, আমি একজন জনপ্রতিনিধি। ঘাটাল লোকসভা কেন্দ্রের সবচেয়ে বড় কষ্ট বন্যা। সেই বন্যার সবচেয়ে বড় সমাধান ছিল ঘাটাল মাস্টার প্ল্যান। ২০১৪ সাল থেকে লড়াই চলছিল। ২০২৪ সালে আমি যখন দাঁড়াব না, দিদি (মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়) কথা দিয়েছিলেন। কথা দিয়ে কথাও রেখেছেন। অর্থবর্ষে ৫০০ কোটি টাকা বরাদ্দও হয়েছিল (Suvendu Adhikari)।” তিনি বলেন, “এবারে ম্যানডেটটা একদম অন্য রকম এসেছে। নতুন মুখ্যমন্ত্রী এসেছেন (Ghatal MP)। আমি জনপ্রতিনিধি হিসেবে ওঁর সঙ্গে কথা বলেছি। আজ প্রশাসনিক বৈঠকে এসেছি এবং উনি সকলের সামনে বলেছেন, ঘাটাল মাস্টার প্ল্যান এই সরকার শেষ করবে, যা শুরু হয়েছিল আগের সরকারের হাত ধরে।”

    ‘সৌজন্যের রাজনীতি করে এসেছি’

    নয়া মুখ্যমন্ত্রীর (Suvendu Adhikari) বৈঠকে যোগ দেওয়া নিয়ে প্রশ্ন করলে তৃণমূলের এই সাংসদ বলেন, ‘‘আমায় তোমরা সাংসদ হিসেবে দেখছ ২০১৪ সাল থেকে। আমি সারা জীবনই সৌজন্যের রাজনীতি করে এসেছি। আজ তো নতুন নয়! আজ লোকে যদি বলে দেব পাল্টে গিয়েছে! দেব পাল্টায়নি। দেব সব সময় একটাই রাজনীতি করেছে, মানুষকে এক রাখার রাজনীতি, মানুষকে ভালোবাসা দেওয়ার রাজনীতি করেছে এবং যিনিই হোন না কেন, যে দলেরই হোন না কেন, আমি সব সময় সম্মান দিয়েছি। আজ পর্যন্ত মঞ্চ থেকে কাউকে আক্রমণ, অপমান করিনি। আমি ভালোবাসার রাজনীতি করে এসেছি। সেই রাজনীতিই আজও করছি। নতুন কিছু নয়। আমায় যখন একজন জয় শ্রীরাম বলেছিল, আমি তাঁকে আলিঙ্গন করেছিলাম। এমন কোনও কাজ করিনি, যাতে দলের নাম খারাপ হয়। আমায় ভোট দিয়ে কারও মনে হয়েছে, ভুল লোককে ভোট দিয়েছি, এমন কাজ করিনি।’’ তিনি বলেন, ‘‘আমায় (Ghatal MP) যাঁরা ভোট দিয়েছেন, তাঁদের হকের জন্য লড়াই করছি। আজ একটাই প্রতিশ্রুতি নেওয়ার জন্য এসেছিলাম। শুভেন্দুদা (মুখ্যমন্ত্রী) বলেওছেন, এবারের বাজেটে ঘাটাল মাস্টার প্ল্যানের জন্য টাকা বরাদ্দ করা হবে (Suvendu Adhikari)।’’

     

LinkedIn
Share