Tag: Suvendu Adhikari

Suvendu Adhikari

  • Suvendu Adhikari: বিধানসভার রাজনীতিকরণের অভিযোগে স্পিকারে অনাস্থা বিজেপির

    Suvendu Adhikari: বিধানসভার রাজনীতিকরণের অভিযোগে স্পিকারে অনাস্থা বিজেপির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিধানসভার স্পিকার বিমান বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে অনাস্থা (No Confidence) আনল বিজেপি। মঙ্গলবার বিধানসভার সচিবের সঙ্গে দেখা করে বিমান বাবুর বিরুদ্ধে অনাস্থা প্রস্তাব জমা দেন শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) সহ বিজেপি বিধায়করা। অনাস্থা প্রস্তাব জমা দেওয়ার সময় অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে স্লোগান দেন বিজেপি বিধায়করা। শুভেন্দু বাবু জানিয়েছেন, পক্ষপাতিত্তের অভিযোগে স্পিকারের বিরুদ্ধে অনাস্থা এনেছেন তাঁরা।

    বিধানসভাকে দশকর্মা ভান্ডারে পরিণত অভিযোগ শুভেন্দুর (No Confidence)

    এদিন শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) বলেন, “বিধানসভাকে দশকর্মা ভান্ডারে পরিণত করেছেন বিমান বন্দ্যোপাধ্যায়। এই বিধানসভা কার্যত দলীয় কার্যালয়ে পরিণত হয়ে গেছে। আমরা ফিরহাদ হাকিমের সাম্প্রতিক মন্তব্যের প্রতিবাদ করেছিলাম। আমাদের মুলতবি প্রস্তাব পড়তে পর্যন্ত দেওয়া হয়নি। উল্টে আমাদের প্রতিবাদ, স্লোগানকে বাধা দেওয়ার জন্য দুই মিনিটের বেশি বলার সুযোগ দেওয়া হয়নি। লোকসভা ভোটে যিনি তৃণমূলের প্রচার করেছেন, তাঁকে বিজেপির সদস্য বলে উল্লেখ করেছেন স্পিকার। যাহা মুখ্যমন্ত্রী তাহাই বিমান দা। মুদ্রার এপিঠ আর ওপিঠ। তাই অধ্যক্ষের (No Confidence)  অপসারণ চাই। এই দলতন্ত্রের হাত থেকে মুক্তি চাই।”

    অহেতুক প্রসঙ্গে বিধানসভায় আলোচনার অভিযোগ (Suvendu Adhikari)

    জানা গিয়েছে, অনাস্থা প্রস্তাবে (No Confidence) মোট ১৮ টি নির্দিষ্ট অভিযোগ উল্লেখ করা হয়েছে বিজেপির তরফে। বিজেপির অভিযোগ, বিধানসভার প্রশ্নোত্তর পর্বে কোনও আলোচনা হয় না। বিধানসভায় সব সময় কেন্দ্রের বিরুদ্ধে আক্রমণাত্মক মন্তব্য করা হয়। বিধানসভা এবং রাজ্য সংক্রান্ত বিষয়ের তুলনায় অন্যান্য রাজ্য এবং কেন্দ্র নিয়ে বেশি আলোচনা হয়। এহেন কর্মকাণ্ড বিধানসভার রীতি নয়। প্রধানমন্ত্রীকে অপমানজনক মন্তব্য করা হয় বিধানসভা থেকে। রাজ্যের বিষয় নিয়ে আলোচনা করতে চাইলে, বিরোধীদের সেই আলোচনা করতে দেওয়া হয় না। উল্টে মনিপুর, উত্তরপ্রদেশের অবাঞ্ছিত ঘটনার উদাহরণ দেওয়া হয়। প্রতি সোমবার বিধানসভায় পুলিশ সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে আলোচনা হওয়ার কথা।

    আরও পড়ুন: জ্যোতিপ্রিয়-ঘনিষ্ঠ বারিক ট্রাকচালক থেকে কোটি কোটি টাকার মালিক! উল্কার গতিতে উত্থান কোন পথে?

    কিন্তু পুলিশ মন্ত্রী তথা মুখ্যমন্ত্রী ওই আলোচনা সময় বিধানসভায় উপস্থিত থাকেন না বলে অভিযোগ (Suvendu Adhikari) বিজেপি বিধায়কদের।

     

     

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Suvendu Adhikari: ওপার বাংলায় ভারত-বিরোধী স্লোগান! বাংলাদেশ ডেপুটি হাইকমিশনে নালিশ শুভেন্দুর

    Suvendu Adhikari: ওপার বাংলায় ভারত-বিরোধী স্লোগান! বাংলাদেশ ডেপুটি হাইকমিশনে নালিশ শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সোমবার কলকাতায় বাংলাদেশ ডেপুটি হাইকমিশনের অফিসে যান রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। বাংলাদেশের (Bangladesh) ডেপুটি হাইকমিশনারের সঙ্গে দেখা করেন তিনি। তাঁর সঙ্গে ছিলেন বিজেপির বিধায়করা। কেন বাংলাদেশ ডেপুটি হাইকমিশনের অফিসে গেলেন শুভেন্দু অধিকারী? এ প্রসঙ্গে তিনি জানিয়েছেন, সম্প্রতি বাংলাদেশে যে অশান্তি চলছিল সেখানে ভারত বিরোধী স্লোগান দেওয়া হয়েছে শুধু তাই নয়, ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সম্বন্ধেও কুরুচিকর স্লোগান দেওয়া হয়েছে৷ 

    এক্স হ্যান্ডেলে কী জানিয়েছেন বিরোধী দলনেতা? (Suvendu Adhikari)

    শুভেন্দু অধিকারীর অভিযোগ, বাংলাদেশ আন্দোলনের সময় এমন অনেক ভিডিও সামনে এসেছে যেখানে দেখা যাচ্ছে বাংলাদেশের মাটিতে দাঁড়িয়ে ভারত-বিরোধী স্লোগান দেওয়া হচ্ছে। তাঁর আরও অভিযোগ, ভারতের প্রধানমন্ত্রীর বিরুদ্ধে তো বটেই, হিন্দু ধর্মের ভাবাবেগকে আঘাত করেও স্লোগান দেওয়া হয়েছে। সেই কারণেই প্রতিবাদ জানানো হয়েছে। এক্স হ্যান্ডেলে তিনি লিখেছেন, ‘‘বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে বক্তব্য রাখতে আমরা চাইছি না। বিশেষ করে গত কয়েকদিনের ঘটনা নিয়ে। কিন্তু এই ধরনের ভারতবিরোধী, হিন্দু ভাবাবেগ বিরোধী স্লোগানের তীব্র প্রতিবাদ আমরা জানাচ্ছি। আমরা আমাদের মাতৃভূমির এমন অপমান বরদাস্ত করব না। সম্প্রতি বাংলাদেশে অশান্তির কিছু ভিডিও ক্লিপিংসে স্লোগানের ভাষা শুনে উদ্বিগ্ন বিজেপি। তেমনই চারটি ভিডিও ক্লিপিংস জমা দেওয়া হয়েছে ডেপুটি হাইকমিশনারের কাছে।’’

    আরও পড়ুন: বাংলায় দিন বদল হবেই, দিল্লিতে বৈঠকে বিজেপি সাংসদদের উজ্জীবিত করলেন মোদি

    শুভেন্দুর দাবি  

    বিষয়টি নিয়ে তিনি গত শনিবার বাংলাদেশ ডেপুটি হাইকমিশনারকে ই-মেইল করেন। ডেপুটি হাই কমিশনের পক্ষ থেকে শুভেন্দু অধিকারীকে (Suvendu Adhikari) আমন্ত্রণ জানানো হয়। এরপর সেই মতো সোমবার বিকেলে শুভেন্দু ডেপুটি হাইকমিশনের দফতরে প্রবেশ করতে গেলে পুলিশ তাঁকে বাধা দেয় বলে অভিযোগ৷ পুলিশের সঙ্গে বচসাতেও জড়িয়ে পড়েন বিধানসভার বিরোধী দলনেতা। অবশেষে তিনি ২০ জন বিজেপি বিধায়ককে সঙ্গে নিয়েই বাংলাদেশ ডেপুটি হাইকমিশনের অফিসে প্রবেশ করেন। এরপর ডেপুটি হাইকমিশনারের কাছে তিনি দাবি করেন, যারা এই ধরনের স্লোগান দিয়েছে তাদেরকে চিহ্নিত করে আইনি ব্যবস্থা নিতে হবে। বিরোধী দলনেতা জানিয়েছেন, হিন্দুদের সঞ্জীবনী মন্ত্র- ‘হরে কৃষ্ণ হরে রাম’-কে বিকৃত করা হয়েছে। সেই ভিডিও ফুটেজও তুলে দেওয়া হয়েছে ডেপুটি হাইকমিশনারের কাছে। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • PM Modi: বাংলায় দিন বদল হবেই, দিল্লিতে বৈঠকে বিজেপি সাংসদদের উজ্জীবিত করলেন মোদি

    PM Modi: বাংলায় দিন বদল হবেই, দিল্লিতে বৈঠকে বিজেপি সাংসদদের উজ্জীবিত করলেন মোদি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দিল্লির বৈঠকে বিজেপি সাংসদদের উজ্জীবিত করলেন প্রধানমন্ত্রী মোদি (PM Modi)। বাংলার বিজেপি (BJP) সাংসদদের নতুন করে আশ্বাসবাণী দিলেন তিনি। জোরের সঙ্গে বললেন, ‘‘বাংলায় দিন বদল হবেই।’’

    বাংলার উন্নয়নের জন্য দায়বদ্ধ কেন্দ্রীয় সরকার (PM Modi)

    প্রসঙ্গত ৩৫ আসনের লক্ষ্যমাত্রা নিয়ে চব্বিশের লোকসভা নির্বাচনে লক্ষ্যমাত্রার অর্ধেকের কাছেও পৌঁছতে পারেনি বিজেপি। একুশের নির্বাচনেও রাজ্যে পালাবদলের আশা মাথায় করে ম্যাজিক ফিগারের ধারে কাছে পৌঁছতে পারেনি তাঁরা। তবু হাল ছাড়তে নারাজ বিজেপির (BJP) শীর্ষ নেতৃত্ব। আগামী দিনে বাংলার জন্য কী করা যেতে পারে সে ব্যাপারে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে কথা বললেন বিজেপি সাংসদরা। এদিন “উন্নত বাংলা, উন্নত ভারত” শীর্ষক আলোচনা হয় প্রধানমন্ত্রী (PM Modi) এবং সাংসদদের মধ্যে। সেখানেই তৃণমূল কংগ্রেসের বিরুদ্ধে আক্রমণ শানান প্রধানমন্ত্রী, এমনটাই সূত্রের খবর। একই সঙ্গে রাজনৈতিকভাবে মোকাবিলার পাশাপাশি বাংলার উন্নয়নের জন্য কী করা যেতে পারে, সে কথাও আলোচনা হয় দুই পক্ষের মধ্যে। এদিন দলের সংসদদের মোদি নির্দেশ দিয়েছেন, বাংলার উন্নয়নের জন্য যা করণীয় তা জানাতে হবে প্রধানমন্ত্রীর দফতরে। এছাড়া নিজেদের এলাকায় কী কী উন্নয়ন করা যেতে পারে, সাংসদদের সেই পরিকল্পনাও জানাতে হবে “পিএমও”-কে।

    বাংলা নিয়ে নতুন পরিকল্পনা বিজেপির (BJP)

    সূত্রের খবর, নরেন্দ্র মোদি (PM Modi) সাংসদদের বার্তা দিয়েছেন, মানুষের মধ্যে মানুষের বিশ্বাস অর্জনের পদক্ষেপ নিতে হবে। প্রধানমন্ত্রীর মতে, বাংলার মানুষের কল্যাণ এবং দুর্নীতি মুক্ত উন্নয়নমূলক কাজ একমাত্র বিজেপি করতে পারে। তিনি বলেছেন, বাংলার মানুষের স্বার্থে সব রকম ভাবে পাশে থাকবে কেন্দ্রীয় সরকার। আরও জানা গিয়েছে, লোকসভা নির্বাচনের ফলাফল প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, এটি বাংলার মানুষের রাজনৈতিক ইচ্ছের সামগ্রিক বহিঃপ্রকাশ নয়। বিজেপি (BJP) সাংসদদের মতে, লোকসভা নির্বাচনে যে খেলা হয়েছে, তা বিশ্বাস করেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। আসন কমলেও শতাংশের বিচারে বিজেপির ভোট খুব একটা কমেনি। কিছু জায়গায় তাঁদের ভোট বেড়েছে।

    আরও পড়ুন: ভগবান রামের সঙ্গে আকবরের তুলনা টেনে বিপাকে ইউপিএসসি শিক্ষিকা, চাপে পড়ে চাইলেন ক্ষমা

    ফলে মানুষ বিজেপির দিক থেকে একেবারে মুখ ফিরিয়ে নিয়েছে এমনটা নয়। সাংগঠনিক দুর্বলতা এবং রাজনৈতিক কৌশল একটু ঘষে-মেজে নিলে একক সংখ্যাগরিষ্ঠতায় রাজ্যে ক্ষমতায় বিজেপি আসতে পারে তা মনে করছে গেরুয়া শিবির।

     

     

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • CESC Abhiyan: ঊর্ধ্বমুখী বিদ্যুৎ বিল প্রত্যাহারের দাবি! সিইএসসিকে চরম সময়সীমা বেঁধে দিলেন শুভেন্দু

    CESC Abhiyan: ঊর্ধ্বমুখী বিদ্যুৎ বিল প্রত্যাহারের দাবি! সিইএসসিকে চরম সময়সীমা বেঁধে দিলেন শুভেন্দু

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ঊর্ধ্বমুখী বিদ্যুৎ বিল প্রত্যাহারের দাবিতে সিইএসসিকে (CESC Abhiyan) চরম সময়সীমা বেঁধে দিলেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। নন্দীগ্রামের বিধায়কের অভিযোগ, ‘‘সিইএসসি থেকে নির্বাচনী বন্ডে টাকা নিয়েছে তৃণমূল এবং সেই টাকা তুলতেই জনগণের পকেট কাটা হচ্ছে।’’ শুক্রবারে কলকাতার ভিক্টোরিয়া হাউসের সামনে সিইএসসি দফতরের কাছে ঊর্ধ্বমুখী বিল প্রত্যাহারের দাবিতে ধর্না কর্মসূচি করে রাজ্য বিজেপি। ধর্নায় ভিড় ছিল চোখে পড়ার মতো। এই বিক্ষোভ (CESC Abhiyan) থেকেই শুভেন্দু অধিকারী বলেন, ‘‘১৫ অগাস্ট পর্যন্ত সময় দিয়ে গেলাম। তার মধ্যে বাড়তি বিদ্যুৎ বিল না কমালে কীভাবে প্রত্যাহার করাতে হয় বিজেপি জানে!’’

    শুক্রবার স্বভাবসিদ্ধ ভঙ্গিতেই তৃণমূলের বিরুদ্ধে চড়ালেন সুর শুভেন্দু অধিকারী

    এরপরই দলীয় কর্মীদের উদ্দেশে বিরোধী দলনেতা বলেন, ‘‘অগাস্ট মাসে সিইএসসি এলাকায় (CESC Abhiyan) সাক্ষর অভিযান করুন। তারপর প্রত্যাহার না করলে আবার আদালতের অনুমতি নিয়ে একদিন ২ ঘণ্টা বিক্ষোভ নয়, সোম থেকে শুক্র টানা ৫ দিন লাগাতার বিক্ষোভ করব।’’ শুক্রবার স্বভাবসিদ্ধ ভঙ্গিতেই তৃণমূলের বিরুদ্ধে চড়ালেন সুর শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। চাঁচাছোলা ভাষায় আক্রমণ শানিয়ে বললেন, ‘‘১৫ দিন আগে আমাদের প্রতিনিধি এই বিল্ডিংয়ে এসে বলেছিলেন প্রত্যাহার করার কথা। সিইএসসি তৃণমূলের কাছ থেকে ছাড়পত্র নিয়েই বিদ্যুতের বিল বাড়িয়েছে। এর জন্য দায়ী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। যে শুধু মিথ্যার আশ্রয় নেয়। ফুটো সরকার, দেউলিয়া সরকার পেট্রোল, ডিজেলে টাকা বাড়িয়েছে, ইলেকট্রিকের ট্যারিফ বাড়িয়েছে।’’

    প্রয়োজন হলে আবার আদালতের অনুমতি নিয়ে লাগাতার ৫ দিন এখানে বিক্ষোভ করব 

    বিরোধী দলনেতার আরও সংযোজন, ‘‘প্রয়োজন হলে আবার আদালতের অনুমতি নিয়ে লাগাতার ৫ দিন এখানে বিক্ষোভ করব। ১৫ অগস্ট পর্যন্ত সিইএসসিকে (CESC Abhiyan) সময় দিলাম। মডেল ইলেকট্রিক অ্যাক্ট চালু হয়ে গেলে বুঝতে পারবে! মনোপলি ব্যবসার বীজ বপন করেছিল সিপিএম। ৪০০ কোটিতে নিয়ে গিয়েছে তৃণমূল।’’ এ ব্যাপারে কেন্দ্রীয় বিদ্যুৎমন্ত্রীর সঙ্গেও কথা বলেছেন শুভেন্দু অধিকারী কেন্দ্রীয় বিদ্যুৎ মন্ত্রীর কাছে এনিয়ে কথা বলেছেন বলেও জানিয়েছেন। তাঁর কথায়, ‘‘বিদ্যুৎমন্ত্রীকে বলেছি। উনি কথা দিয়েছেন, মডেল ইলেকট্রিক বিল শীঘ্রই পাস হয়ে যাবে। তখন আর রাজ্যের এই মনোপলি ব্যবসা চলবে না।’’ শুভেন্দু অধিকারীর অভিযোগ, ‘‘ভোটের আগে ডিআর লটারির কাছ থেকে ৬০০ কোটি আর হলদিয়া এনার্জির নাম করে সঞ্জীব গোয়েঙ্কার কাছ থেকে ৪০০ কোটি টাকা নিয়ে আরেকটা পাকিস্তান বানানোর চেষ্টা করছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকার।’’

    পুলিশ অনুমতি না দেওয়ায় (CESC Abhiyan) মামলা গড়িয়েছিল হাইকোর্টে

    এদিনের সভায় হাজির ছিলেন বিজেপি নেতা তাপস রায়। তিনি অভিযোগ করেন, ‘‘এক মাসে  বাড়িতে ২০ হাজার ৪০০ টাকা বিদ্যুৎ বিল এসেছে। পুরো মনগড়া বিদ্যুৎ বিল পাঠানো হচ্ছে। এই জিনিস মেনে নেওয়া যায় না।’’ রাজ্যজুড়ে ঊর্ধ্বমুখী বিদ্যুৎ বিলের প্রতিবাদে ধর্নার জন্য পুলিশ অনুমতি না দেওয়ায় মামলা গড়িয়েছিল হাইকোর্টে। গত শুক্রবারই ওই মামলায় শর্তসাপেক্ষে শুভেন্দু অধিকারীদের কর্মসূচি করার নির্দেশ দিয়েছিলেন হাইকোর্টের বিচারপতি রাজর্ষি ভরদ্বাজ। প্রসঙ্গত, এদিন দুপুর আড়াইটের পর মুরলিধর সেন লেনে বিজেপির পার্টি অফিস থেকে মিছিল বের হয়ে ভিক্টোরিয়া হাউসের সামনে সিইএসসি অফিসের সামনে এসে পৌঁছয়। তমোঘ্ন ঘোষ, সজল ঘোষ, অগ্নিমিত্রা পল, রাহুল সিনহা, জগন্নাথ চট্টোপাধ্যায়রা হাজির ছিলেন এদিনের কর্মসূচিতে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ। 

     

  • Suvendu Adhikari: ‘দু’দুবার, আমাকে ফিজিক্যালি অ্যাসল্ট করতে চায়’, বিধানসভায় দাঁড়িয়ে বিস্ফোরক শুভেন্দু

    Suvendu Adhikari: ‘দু’দুবার, আমাকে ফিজিক্যালি অ্যাসল্ট করতে চায়’, বিধানসভায় দাঁড়িয়ে বিস্ফোরক শুভেন্দু

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নারী নির্যাতন ইস্যুতে বুধবার সকাল থেকে তপ্ত বিধানসভা (West Bengal Legislative Assembly) অধিবেশন। এরই মধ্যেই নিজের শারীরিক নির্যাতনের ভয়ঙ্কর অভিযোগ তুললেন রাজ্য বিধানসভার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। ইতিমধ্যেই শাসকদলের বিধায়কের বিরুদ্ধে শারীরিক নিগ্রহের অভিযোগে স্পিকারকে চিঠি দিয়েছেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। তাঁর অভিযোগ, “বিধানসভার মধ্যেও আমরা নিরাপদ নই!”

    ঠিক কী ঘটেছিল? (Suvendu Adhikari)

    বুধবার বিধানসভা অধিবেশনের শুরু থেকেই নারী নির্যাতন ও রাজ্যের আইনশৃঙ্খলা ইস্যুতে মুখ্যমন্ত্রীর বিবৃতি দাবি করেন শুভেন্দু অধিকারী। পাল্টা বক্তব্য রাখেন মন্ত্রী চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য। তিনি পাল্টা বলেন, “নারী নির্যাতন ঘটনা ঘটলে সবার আগে বাংলা প্রশাসন ব্যবস্থা নেয়। ক্রিমিন্যাল জাস্টিস কেড়ে নেওয়ার চেষ্টা চলছে রাজ্যের হাত থেকে।” আর সে ইস্যুতে তপ্ত হয়ে ওঠে অধিবেশন। বিজেপি বিধায়করা স্লোগান দিতে থাকেন। পাল্টা স্লোগান দেন শাসক বিধায়করাও। প্রথম পর্বের অধিবেশন শেষ হয়। এরপর বিক্ষোভ দেখাতে দেখাতে বিধানসভার অধিবেশন কক্ষ থেকে বেরিয়ে আসেন বিজেপি বিধায়করা। অভিযোগ, সেই সময়েই বিধানসভার ভেতরে শুভেন্দুর সঙ্গে উত্তপ্ত বাক্যবিনিময়ে জড়িয়ে পড়েন পূর্বস্থলীর তৃণমূল বিধায়ক তপন চট্টোপাধ্যায়। বিরোধী দলনেতার দাবি, সেই বাগ্‌বিতণ্ডার সময়েই তাঁকে শারীরিক ভাবে হেনস্থা করেছেন। তাঁর দাবি, বিধানসভার ভিতরে ও বাইরে হেনস্থা করা হয়েছে।

    আরও পড়ুন: নেপালকে হারিয়ে ৮২ রানে ম্যাচ জিতে এশিয়া কাপের সেমিফাইনালে ভারত

    বিরোধী দলনেতার মন্তব্য  

    এ প্রসঙ্গে এদিন বিরোধী দলনেতা (Suvendu Adhikari) বলেন, ”বিধানসভার লবিতে আমি যখন বেরোচ্ছিলাম, তখন পূর্বস্থলীর বিধায়ক তপন চট্টোপাধ্যায় আমাকে ফিজিক্যালি অ্যাসল্ট করতে চান। বিজেপি এমএলএ-রা কেন্দ্রীয় বাহিনী পায়। কিন্তু কেন্দ্রীয় বাহিনীকে বাইরে রাখার অর্ডার রয়েছে। আমি স্পিকার বিমান বন্দ্যোপাধ্যায়কে বলছি, লিখে পাঠাচ্ছি এখনই।” স্পিকারকে লেখা চিঠিতে বিরোধী দলনেতার অভিযোগ, ‘এই নিয়ে দ্বিতীয়বার বিধানসভার মধ্যে তাঁকে শারীরিক নিগ্রহের চেষ্টা করা হল। একবার হাউসের ভিতরে করেছেন, আজকে লবিতে করলেন। আমি বিধানসভায় আক্রান্ত হয়েছি। কোনও বিজেপি বিধায়ক আক্রান্ত হলে, তার দায় স্পিকারের।” স্পিকার হিসেবে বিমান বন্দ্যোপাধ্যায় নিজের দায়িত্ব এড়িয়ে যেতে পারেন না বলেও চিঠিতে স্পষ্টভাবে লিখেছেন শুভেন্দু। 
    একই সঙ্গে অভিযুক্ত তৃণমূল বিধায়কের বিরুদ্ধে আইনানুগ পদক্ষেপ গ্রহণের আর্জিও জানিয়েছেন বিরোধী দলনেতা (Suvendu Adhikari)। যদিও শুভেন্দুর আনা শারীরিক নিগ্রহের অভিযোগ উড়িয়ে দিয়েছেন পূর্বস্থলী উত্তরের বিধায়ক তপন চট্টোপাধ্যায়।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Assembly By-Election 2024: বিজেপি ৫২, তৃণমূল ৯৭১! উপ নির্বাচনে শাসকের ভোট লুটের অজস্র নগ্ন ছবি প্রকাশ্যে

    Assembly By-Election 2024: বিজেপি ৫২, তৃণমূল ৯৭১! উপ নির্বাচনে শাসকের ভোট লুটের অজস্র নগ্ন ছবি প্রকাশ্যে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: উপনির্বাচনেও ফাঁকা বুথ (Empty Booth), কিন্তু এতো ভোট কারা দিলেন? এই ভূতুড়ে ভোটারদের ঘিরে প্রশ্ন ঘুরপাক খাচ্ছে। রানাঘাট দক্ষিণের উপনির্বাচনের (Assembly By-Election 2024) চিত্রটাই ছিল ঠিক এমনই। জ্ঞানদাসুন্দরী প্রাথমিক বিদ্যালয় ছিল ১২৭ নম্বর বুথ। এই ভোটকেন্দ্রে সিপিএম পেয়েছে ৮ ভোট, বিজেপি পেয়েছে মাত্র ৫২ ভোট। অপর দিকে তৃণমূল প্রার্থী পেয়েছেন ৯৭১ ভোট। বুথে মোট ভোটারদের ৯৩.৬৪ শতাংশ একক ভাবে পেয়েছে রাজ্যের শাসক দল। এই প্রাপ্ত ভোটের পরিমাণ দেখেই উঠছে প্রশ্ন। আবার কুঞ্জবিহারী দাস প্রাথমিক বিদ্যালয়ের রুম নম্বর ২। সেখানে সিপিএম পেয়ছে ১১ এবং বিজেপি পেয়েছে ৬৪, তৃণমূলের ভোট ৫০৯। বুথে ভোট পড়ার পরিমাণ ৮৫.৯৮ শতাংশ। এই দুই বুথ থেকেই বোঝা যাচ্ছে কীভাবে ভোট হয়েছে। যদিও বিজেপির অভিযোগ, এটাই হল তৃণমূলের ‘ডায়মন্ড হারবার মডলে।’

    মাণিকতলায় তৃণমূলের ভোট শতাংশ (Assembly By-Election 2024)

    নির্বাচন কমিশনের তথ্যের সূত্র দেখে জানা গিয়েছে, রাণাঘাট দক্ষিণের অন্তত ১৪টি ভোটকেন্দ্রে দেখা গিয়েছে তৃণমূলের প্রাপ্ত ভোট (Assembly By-Election 2024) ৮০ শতাংশ। আবার মাণিকতলায় গত লোকসভার ভোটে তৃণমূলের থেকে বিজেপি এগিয়ে ছিল প্রায় সাড়ে ৩ হাজার ভোটে। ১৬ এবং ৩১ নম্বর ওয়ার্ডে এগিয়ে ছিল বিজেপি। আবার উপনির্বাচনে ১৬ নম্বর ওয়ার্ডে থেকেই তৃণমূলের লিড ৩৫৭০ ভোটে। ৬৩ নম্বর বুথে বিজেপি প্রার্থী কল্যাণ চৌবে মাত্র ১০০ ভোট পেলেও, সিপিএম ২৮, কিন্তু তৃণমূলের সুপ্তি পাণ্ডে পেয়েছেন ৭১৬ ভোট। আবার ৭৫ নম্বর বুথে বিজেপি পেয়েছে ৬৭ ভোট, সিপিএম পেয়েছে ৯ ভোট আর তৃণমূল ৪৭৬ ভোট। একই কেন্দ্র ১৪৫, ১৪৬, ১৪৭, ১৪৮ নম্বর বুথে বিজেপি, সিপিএমের ভোট একই। কিন্তু তৃণমূলের ভোটের ক্রমটা ৩৪২, ৩৯২, ৩৬২, ৩৬৭, ৩৪৯। দেখেই যেন মনে হবে কেউ তৃণমূলের জন্য ভোটের নম্বর মনগড়া বসিয়েছেন। তাই প্রশ্ন উঠেছে তৃণমূলের ভোট (Empty Booth) নিয়ে।

    বাগদা এবং রায়গঞ্জে ভোটের পরিমাণ

    আবার বাগদা কেন্দ্রের ২৩৩, ২৩৫, ২৪০, ২৭৮ নম্বর বুথে ভোট লুট (Assembly By-Election 2024) হয়েছে বলে দাবি করেছে বিজেপি। ২৩৫ নম্বর বুথে তৃণমূল প্রার্থী মধুপর্ণা ঠাকুর পেয়েছেন ৮৪৪ ভোট। ফরওয়ার্ড ব্লকের গৌর বিশ্বাস ৩০ এবং বিজেপির বিনয় বিশ্বাস ১০। একই ভাবে ২৩৩ নম্বর বুথে তৃণমূল ৬৭৮, ফরওয়ার্ড ব্লক ৪৭ এবং বিজেপি ৫৫। আবার ২৪০ নম্বর বুথে তৃণমূল ২৮১, ফরওয়ার্ড ব্লকের ২ এবং বিজেপি ৩৪। তাই ভোট কীভাবে হয়েছে, তা নিয়ে শাসকের বিরুদ্ধে অভিযোগে সরব হয়েছে বিজেপি। রায়গঞ্জের লোকসভা নির্বাচনে বিজেপি পেয়েছিল ৯৩ হাজার ৪০২ ভোট, আর তৃণমূল কংগ্রেস পেয়েছিল ৪৬ হাজার ৬৬৩ ভোট। এক মাস পরে উপনির্বাচনে বিজেপির হয়ে গেল ৩৬ হাজার ৪০২ ভোট আর তৃণমূল পেয়েছে ৮৬ হাজার ৪৭৯ ভোট। এই ভোট গ্রহণ এবং ফলে বিরোধীরা শাসক দলের ষড়যন্ত্র মনে করছে।

    আরও পড়ুনঃ কেউ পাননি ভাতা কারও কপালে জোটেনি ডিম-ভাত! ক্ষোভ উগরে দিলেন তৃণমূল কর্মীরাই

    শুভেন্দুর বক্তব্য

    রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী বলেছেন, “রাণাঘাট দক্ষিণে ৭০ হাজার, বাগদায় ২০ হাজার এবং রায়গঞ্জে ৫০ হাজার ভোটারকে ভোট (Assembly By-Election 2024) দিতে দেয়নি তৃণমূল। মাণিকতলায় ৮টি ওয়ার্ডে লুট করেছে তৃণমূল। সেই সঙ্গে হিন্দুদের ভোট দিতে দেয়নি।” অপর দিকে তৃণমূলের মুখপাত্র কুণাল ঘোষ বলেছেন, “কাউকে কোথাও ভোটে বাধা দেওয়া হয়নি। বিজেপির অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Suvendu Adhikari: ‘রাজ্যে হিন্দুদের ভোট দিতে দিচ্ছে না তৃণমূল সরকার”, বিস্ফোরক শুভেন্দু

    Suvendu Adhikari: ‘রাজ্যে হিন্দুদের ভোট দিতে দিচ্ছে না তৃণমূল সরকার”, বিস্ফোরক শুভেন্দু

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “পুলিশ প্রশাসনকে সামনে রেখে তৃণমূল বিধানসভা উপনির্বাচনের আগেরদিন হিন্দুদের বেছে বেছে বাড়ি ভাঙচুর করেছে। ভোটের দিন দুপুরে হিন্দু ভোটারদের গ্রেফতার করা হয়েছে। শুধু বিজেপি নয়, হিন্দু ভোটারদের ভোট দিতে দেওয়া হচ্ছে না।” শুক্রবার নদিয়ার পায়রাডাঙ্গায় আক্রান্ত বিজেপি কর্মীদের সঙ্গে দেখা করে একথা বললেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। তিনি বলেন, পুলিশকে সামনে রেখে তৃণমূলের জেহাদিরা এসব করে বেড়াচ্ছে। এসব বেশিদিন চলতে পারে না। আক্রান্তদের পাশে থাকার বার্তা দিতেই এসেছিলাম। আমাদের স্পষ্ট বার্তা, স্বৈরাচারী মমতার সরকারের অবসান করতে হবে। এরজন্য হিন্দুদের ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহবান জানাচ্ছি।

    শুভেন্দুকে বাধা তৃণমূলের (Suvendu Adhikari)

    বিধানসভা উপনির্বাচনের আগে রানাঘাট এবং গাংনাপুর এলাকার বিভিন্ন বিজেপি কর্মীদের বাড়ি ভাঙচুর এবং তাঁদের মারধর করার অভিযোগ ওঠে তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীদের বিরুদ্ধে। শুক্রবার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) আক্রান্ত দলীয় কর্মীদের বাড়িতে যান। তাঁদের সঙ্গে কথা বলেন। তিনি যখন গাংনাপুরে গিয়ে পৌঁছান, ঠিক তখনই তৃণমূলের পতাকা নিয়ে বেশ কয়েকজন দলীয় কর্মী তাঁকে ঘিরে স্লোগান দিতে শুরু করেন। পাশাপাশি কালো পতাকা দেখানো হয়। এরপরই দেখা যায়, গাড়ি থেকে নেমে শুভেন্দু অধিকারী তাঁর প্রতিবাদ জানান। প্রকাশ্যে তৃণমূল কর্মীরা বিক্ষোভ দেখালেও পুলিশ নীরব দর্শক ছিল বলে অভিযোগ।

    আরও পড়ুন: ৬ মাস আত্মগোপনের ছক কষেছিলেন সোনারপুরের জামাল! অবশেষে গ্রেফতার

    তৃণমূল-পুলিশকে তুলোধনা করলেন শুভেন্দু

    শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) বলেন, “এটা তৃণমূলের কালচার। আমাকে ওরা আক্রমণ করেছিল। ভেবেছিল আমি ভয়ে গাড়ি নিয়ে পালিয়ে যাব। কিন্তু, আমি একা তার প্রতিবাদ করেছি। ওদের বিক্ষোভ রুখে দিয়েছি। পুলিশের সামনেই সব কিছু হয়েছে। ওরা কিছু করেনি। আসলে গাংনাপুর থানার ওসি সম্পূর্ণ বিষয়টি সামনে থেকে করিয়েছেন। আমি সকলকে চিহ্নিত করব এবং গাংনাপুর থানার ওসির বিরুদ্ধে আদালতে জানাব। আমি কোনওভাবেই এই ধরনের নোংরামো সহ্য করব না।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Suvendu Adhikari: ভোটে জিতেই নবান্নে যাবে বিজেপি, সাফ জানালেন শুভেন্দু

    Suvendu Adhikari: ভোটে জিতেই নবান্নে যাবে বিজেপি, সাফ জানালেন শুভেন্দু

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “জোর করে রাজ্য অধিকার করবে না বিজেপি (BJP)। পেছনের দরজা দিয়েও নয়। ভোটে জিতেই নবান্নে যাওয়া হবে।” বুধবার কথাগুলি বললেন বিজেপি নেতা তথা রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। বুধবার কলকাতার সায়েন্স সিটি অডিটোরিয়ামে বিজেপির বর্ধিত প্রদেশ কার্যকারিণী বৈঠকে বক্তব্য রাখেন শুভেন্দু। সেখানেই দলের লক্ষ্য সম্পর্কে জানান রাজ্যের বিরোধী দলনেতা।

    ভোট লুটের অভিযোগ (Suvendu Adhikari)

    লোকসভার পাশাপাশি বিধানসভার উপনির্বাচনেও এ রাজ্যে আশানুরূপ ফল করেনি বিজেপি। গেরুয়া শিবিরের এই ফলের কারণ ব্যাখ্যা করতে গিয়ে শুভেন্দু বলেন, “বাংলায় গণতন্ত্র ভূলুণ্ঠিত। গণতন্ত্র রক্ষা করার দায় রয়েছে। সংবিধান রক্ষা করতে হবে রাজ্যে।” নন্দীগ্রামের বিধায়ক বলেন, “তৃণমূলের দুষ্কৃতীরা ভোট লুট করেছে। ভোটার স্লিপ নিয়ে ভোট দিতে যাওয়া হয়েছে। এপিক দেখানো হয়নি। হিন্দুদের ভোট দিতে বাধা দেওয়া হয়েছে। বহু জায়গায় হিন্দুরা ভোট দিতে পারেনি।” রাজ্যে উপদ্রুত আইন তৈরির দাবিও জানান শুভেন্দু। বলেন, “উপদ্রুত এলাকা আইন কার্যকর করে গুন্ডাদের ভোটের দিন বাড়িতে আটকে রাখতে চাই।”

    কী বললেন শুভেন্দু?

    তিনি বলেন, “বিজেপি বাংলায় অনেক প্রতিকূলতার মধ্যে ২ কোটি ৩৩ লাখ ভোট পেয়েছে। তৃণমূলের জিহাদি জঙ্গিরা পুলিশকে সঙ্গে নিয়ে ২০১৯ সালের পর বুথস্তরের সংগঠনকে ভেঙে গুঁড়িয়ে দিয়েছিল।” আরও (Suvendu Adhikari) বলেন, “এক লক্ষের বেশি আমাদের বুথে বসা ছেলে পালিয়ে গিয়েছিল রাজ্য ছেড়ে। পরে আমরা তাদের রাজ্যে ফিরিয়ে এনেছি।” রাজ্যের বিরোধী দলনেতা বলেন, “আমরা নবান্ন অভিযান সফল করেছি। বিধানসভার ভিতরে-বাইরে লড়াই করেছি।”

    আরও পড়ুন: মাতৃভাষায় মিলবে পড়াশোনার রসদ, ‘অস্মিতা’ প্রকল্প চালু ইউজিসি-র

    নন্দীগ্রামের বিধায়ক বলেন, “আমায় পঁয়তাল্লিশ মিনিট সময় দিয়েছিলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। জানিয়ে এসেছি, কীভাবে বাংলাকে বাঁচানো যায়। ২০২৬ সালের নির্বাচনেও দেখবেন ওরা আমাকেও ভোট দিতে দেবে না। কারণ আমি হিন্দু। ভোটের দিন আমার বাড়ির সামনে পঞ্চাশ জন জিহাদি বসে থাকবে।” তিনি বলেন, “বাংলার ভয়ঙ্কর অবস্থা। ভাঙড়ে দু’টি অঞ্চলের হিন্দুকে ভোট দিতে দেয়নি শওকত মোল্লা।” শুভেন্দু বলেন, “এখনই না জাগলে পশ্চিমবঙ্গ (BJP) আর ভারতে থাকবে না (Suvendu Adhikari)।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  WhatsappFacebookTwitterTelegram এবং Google News পেজ।

     

  • Suvendu Adhikari: শুভেন্দুর ঘোষণামতো পোর্টাল খুলল বিজেপি, ভোট না দিতে পারলে নথিভুক্ত করা যাবে নাম

    Suvendu Adhikari: শুভেন্দুর ঘোষণামতো পোর্টাল খুলল বিজেপি, ভোট না দিতে পারলে নথিভুক্ত করা যাবে নাম

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গত রবিবার রাজভবনের সামনে ধর্না মঞ্চ থেকে যাঁরা ভোট দিতে পারেননি, তাঁদের জন্য পোর্টাল খোলার কথা ঘোষণা করেছিলেন শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। এবার সেই ঘোষণামতোই নতুন পোর্টাল (LoP Portal) খুলল বিজেপি। সোমবার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী, তাঁর সোশ্যাল মিডিয়ার পোস্টে এই নতুন পোর্টালের বিষয়ে জানিয়েছেন। পোর্টালটির নাম দেওয়া হয়েছে savedemocracywb. Com. জানা গিয়েছে, যে সমস্ত ভোটার বিগত লোকসভা নির্বাচন অথবা সদ্য সমাপ্ত ৪ বিধানসভা উপনির্বাচনে ভোট দিতে পারেন নি তাঁরা নিজেদের অভিযোগ জানাতে পারবেন এই পোর্টালে।

    শুভেন্দুর (Suvendu Adhikari) ট্যুইট

    এদিন এক্স হ্যান্ডেলে শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) লেখেন, “কথা দিয়েছিলাম। সেইমতোই পোর্টাল লঞ্চ করলাম। ২০২৪ সালের লোকসভা ভোট ও সদ্য সমাপ্ত উপনির্বাচনে যারা ভোট দিতে পারেননি তাঁরা নাম নথিভুক্ত করতে পারেন। তাঁদের নাম পরিচয় গোপন থাকবে।” পোর্টালের নাম দেওয়া হয়েছে ‘সেভ ডেমোক্রেসি ডব্লুবি’।

    শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) এ বিষয়ে আরও জানিয়েছেন, পোর্টালে (LoP Portal) ভোটাররা নিজেদের নাম নথিভুক্ত করার পাশাপাশি নিজেদের অভিজ্ঞতার কথাও জানাতে পারবেন। অর্থাৎ কোন পরিস্থিতিতে তাঁরা ভোট দিতে পারেননি, সেকথা জানাতে পারবেন ভোটাররা। ভোটারদের গোপনীয়তা বজায় রাখা হবে বলেও আশ্বাস দিয়েছেন নন্দীগ্রামের বিধায়ক। এর পাশাপাশি গণতন্ত্রপ্রিয় পশ্চিমবঙ্গবাসীর কাছে, গণতন্ত্র ফেরানোর লড়াইয়ে সামিল হওয়ার আহ্বানও জানিয়েছেন শুভেন্দু অধিকারী। পোর্টালে যাঁরা ভোট দিতে পারেননি তাঁদের নাম নথিভুক্ত করার পরে আইনি লড়াইয়ে যাওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন বিরোধী দলনেতা।

    ২১ জুলাই ‘গণতন্ত্র হত্যা দিবস’

    প্রথমত লোকসভা নির্বাচন পরবর্তী সন্ত্রাস ও বিধানসভা উপনির্বাচনের ব্যাপক ভোট লুটের অভিযোগ উঠে শাসক দলের বিরুদ্ধে। এ নিয়ে প্রতিবাদে আন্দোলনে নেমেছে বিজেপি। ভোট পরবর্তী সন্ত্রাসে আক্রান্তদের নিয়ে রবিবারের রাজভবনের সামনে ধর্নায় বসেন বিরোধী দলনেতা (Suvendu Adhikari)। সেখানেই ২১ জুলাই ‘গণতন্ত্র হত্যা দিবস’ পালন করার ডাকও দিয়েছেন শুভেন্দু অধিকারী। তিনি জানিয়েছেন ২১ জুলাই দুপুর একটায় রাজ্যের প্রতিটি থানার সামনে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও পুরমন্ত্রী ফিরহাদ হাকিমের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানাবে বিজেপি।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Suvendu Adhikari: উপনির্বাচনে ব্যাপক ভোট লুট, ২১ জুলাই ‘গণতন্ত্র হত্যা দিবস’ পালনের ডাক শুভেন্দুর 

    Suvendu Adhikari: উপনির্বাচনে ব্যাপক ভোট লুট, ২১ জুলাই ‘গণতন্ত্র হত্যা দিবস’ পালনের ডাক শুভেন্দুর 

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তৃণমূলের সন্ত্রাসে আক্রান্ত বিজেপি কর্মীদের নিয়ে রবিবারই শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) ধর্না কর্মসূচি শুরু করেছেন রাজভবনের সামনে। ধর্না মঞ্চ থেকে এদিন তৃণমূলের ২১ জুলাই শহিদ দিবসের দিনই ‘গণতন্ত্র হত্যা দিবস’ (Democracy Killing Day) পালন করার ডাক দিলেন তিনি বিজেপি। রবিবার রাজভবনের সামনে ধর্না মঞ্চ থেকে ভোট লুট নিয়েও শাসক দলকে তোপ দাগেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)।

    চার বিধানসভার উপনির্বাচনেও ব্যাপক ভোট লুটের অভিযোগ

    চার বিধানসভার উপনির্বাচনেও ব্যাপক ভোট লুটের অভিযোগ ওঠে তৃণমূলের বিরুদ্ধে। বিজেপির অভিযোগ, ৪ কেন্দ্রের ভোট লুট হয়েছে। আর সেই প্রেক্ষিতে লোকসভা ও বিধানসভা উপনির্বাচনে যারা ভোট দিতে পারেননি তাদের জন্য পোর্টাল চালু করার বিষয়ে ঘোষণা করেন শুভেন্দু (Suvendu Adhikari)। তিনি বলেন, ‘‘আগামীকাল সোমবার এলওপি পোর্টাল চালু করছি। যারা যারা ভোট দিতে পারেননি, তাঁরা নাম নথিভুক্ত করবেন। আপনাদের নাম দিয়ে রাষ্ট্রপতি থেকে সবকটি সংবিধানিক জায়গায় আমরা আবেদন করব।’’ বেছে বেছে হিন্দুদের ভোট দিতে দেওয়া হয়নি, এমনও অভিযোগ শুভেন্দুর। তাঁর বক্তব্য, ‘‘২০২৩ সালের পঞ্চায়েতে ১ কোটি লোককে ভোট দিতে দেয়নি। আমি পুরসভা, লোকসভায় লড়েছি। এই জিনিস আগে দেখিনি। একটা নির্দিষ্ট সম্প্রদায়ের লোককে ভোটদানে বাধা দেওয়া হয়নি।’’

    ধর্ম-বর্ণ-জাতপাত নির্বিশেষে বিরোধী দলনেতা (Suvendu Adhikari) হিসেবে মানুষের পাশে দাঁড়ানোর চেষ্টা করছি 

    পূর্ব ঘোষণা অনুযায়ী রবিবার রাজভবনের সামনে ভোট হিংসায় ‘আক্রান্ত’দের নিয়ে ধর্নায় বসেন শুভেন্দু অধিকারী। ওই ধর্নামঞ্চে ৩৩০ জন আক্রান্ত যোগ দিয়েছেন বলে জানা গিয়েছে। ধর্না মঞ্চে এদিন দুপুরের পর থেকে হাজির ছিলেন রাজ্য বিজেপির সাধারণ সম্পাদক (সংগঠন) অমিতাভ চক্রবর্তী। এছাড়া অর্জুন সিং, তাপস রায়, সজল ঘোষের মতো নেতারাও আগাগোড়া হাছির ছিলেন ধর্না কর্মসূচিতে। এদিনের ধর্না মঞ্চ থেকেই শাসক দলের বিরুদ্ধে গণ আন্দোলনের ডাক দিলেন শুভেন্দু অধিকারী। তাঁর কথায়, ‘‘ধর্ম-বর্ণ-জাতপাত নির্বিশেষে বিরোধী দলনেতা হিসেবে মানুষের পাশে দাঁড়ানোর চেষ্টা করছি।’’ সেই সঙ্গেই তিনি জানিয়েছেন, ২১ জুলাই তৃণমূলের শহিদ দিবসের পাল্টা ‘গণতন্ত্র হত্যা দিবস’ (Democracy Killing Day)-এর কর্মসূচি নিয়েছে বিজেপি। একইসঙ্গে দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধি নিয়ে নন্দীগ্রামে ১৮ জুলাই গণআন্দোলনের ডাক দিয়েছেন তিনি। গোটা রাজ্যকেই নিজের নিজের এলাকায় আন্দোলনে নামার ডাক দিয়েছেন বিরোধী দলনেতা। আবার ২২ জুলাই সিইএসসি অভিযানেও নামছে গেরুয়া শিবির।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share