Tag: Suvendu Adhikari

Suvendu Adhikari

  • Suvendu Adhikari: “তৃণমূলের প্রধান একা ১৭টি আবাসের বাড়ি খেয়েছে”, বিস্ফোরক শুভেন্দু, হল যোগদান পর্ব

    Suvendu Adhikari: “তৃণমূলের প্রধান একা ১৭টি আবাসের বাড়ি খেয়েছে”, বিস্ফোরক শুভেন্দু, হল যোগদান পর্ব

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভোটের মুখে মুর্শিদাবাদে তৃণমূলের ভোট ব্যাঙ্কে থাবা বসাল বিজেপি। বুধবার বিকালে বহরমপুর লোকসভা কেন্দ্রে বিজেপির প্রার্থী ডাক্তার নির্মল কুমার সাহার সমর্থনে বহরমপুর টেক্সটাইল মোড়ে বিজয় সংকল্প সভা ছিল। সেখানেই কান্দি থেকে বিভিন্ন দলের হয়ে শতাধিক কর্মী শুভেন্দু অধিকারীর হাত থেকে বিজেপির পতাকা গ্রহণ করেন।

    মুর্শিদাবাদ জেলা অনুন্নয়নে এখনও এক নম্বর

    বহরমপুরে নির্বাচনী প্রচারে এসে শুভেন্দু অধিকারী বলেন, বহরমপুরকে শেষ করেছে তৃণমূল। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় পোষণের রাজনীতি, দুর্নীতির রাজনীতি করেন। আর মোদিজির স্লোগান, সবকা সাথ সবকা বিকাশ, সবকা বিশ্বাস সবকা প্রয়াস। নরেন্দ্র মোদিজি ছিলেন বলে বহরমপুর বাইপাস তৈরি হয়েছে। বহরমপুর উন্নয়নের ছোঁয়া বইয়ে দিয়েছে। অধীরবাবু তো নিজে রেলের হাফ মন্ত্রী ছিলেন, তিনি যে কাজ করতে পারেননি, সেই কাজ অশ্বিনী বৈষ্ণব সহ আমরা নসিপুর রেল ব্রিজ করে দেখিয়েছি। তিনি বলেন, দলীয় প্রার্থী নির্মল কুমার সাহাকে লোকসভা ভোটে জয়যুক্ত করে আপনারা দিল্লি পাঠান। কীভাবে কাজ করতে হয় দেখাবো। মুর্শিদাবাদ জেলা অনুন্নয়নে এখনও এক নম্বর। এই জেলার মানুষ মোদিজির পাঠানো শৌচালায় পাননি, প্রধানমন্ত্রীর আবাস যোজনা পাননি। কিন্তু, এই জেলার নওদা তে তৃণমূলের এক প্রধান মোদিজির আবাস যোজনার একা ১৭ টি বাড়ি খেয়েছে। কাবিলপুরের প্রধান একা ৩৫টি বাড়ি হজম করেছে। আর এই রাজ্যে মোদিজি ১০ বছরে সরকারের ৪৫ হাজার কোটি টাকা দিয়েছে।

    পঞ্চায়েতগুলি চুরি-দুর্নীতির আখড়া

    শুভেন্দু অধিকারী বলেন, এখন তৃণমূল নেতাদের জুতো পালিশ থেকে চণ্ডীপাঠ, বাজার করা থেকে স্কুলে বাচ্চাকে নিয়ে যাওয়া যারাই করে তারা বহরমপুরে ক্যাজুয়াল, কন্ট্রাকচুয়াল এর কাজ করেন। এই শহরটাকে ধ্বংস করে নিয়েছে এরা। তাই জোট বাঁধুন, তৈরি হন। এই সরকারের আমলে পঞ্চায়েতগুলি চুরি-দুর্নীতির আখড়া হয়েছে। সংখ্যালঘু মুসলিম ভাইরা আর কতদিন তৃণমূলের হাতের তামাক খাবেন, আপনাদেরকে তো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তেজপাতা বলে মনে করে। তরকারিতে লাগে কিন্তু খাওয়া যাবে না। আপনারা ২১ সালে লাইন দিয়ে ভোট দিয়েছেন, কী পেয়েছেন? আনিস খানকে আমতায় ধাক্কা মেরে ফেলে মেরেছে। রামপুরহাটের বকটুইয়ে সাত জন মুসলিম মহিলা এবং চারজন বাচ্চাকে মেরেছে মমতার দলের লোকেরা। ডবল ইঞ্জিন আনুন। লক্ষ্মীর ভান্ডারের ১০০০ টাকার পরিবর্তে ৩০০০ টাকা করে দেব। সাড়ে চারশ টাকায় গ্যাস দেব এবং যত পরিযায়ী শ্রমিক আছে, সবাইকে মুর্শিদাবাদে ফিরিয়ে কাজ দেব। প্রত্যেক বছর এসএসসি হবে। কেন্দ্রীয় হারে মহার্ঘ ভাতা সমস্ত সরকারি কর্মচারীরা পাবেন। এবং রাজ্য সরকারের যত পোস্ট ফাঁকা আছে এক বছরে তাপ পরিপূর্ণ করে দেয়া হবে। শুভেন্দু অধিকারী, আমরা কথা দিলাম। আপনারা ভোট দিয়ে আমাদের প্রার্থীকে জয়যুক্ত করার পর দেখবেন যেসব কথা দিয়ে গেলাম সেগুলি বাস্তবে পরিণত করে দেখাবে ভারতীয় জনতা পার্টি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Suvendu Adhikari: “বালু-শাহজাহানের মতো শওকত-জাহাঙ্গিরও গ্রেফতার হবে”, বিস্ফোরক শুভেন্দু

    Suvendu Adhikari: “বালু-শাহজাহানের মতো শওকত-জাহাঙ্গিরও গ্রেফতার হবে”, বিস্ফোরক শুভেন্দু

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বুধবার বিকেল চারটে নাগাদ ক্যানিংয়ে আসেন শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। হাসপাতাল মোড় থেকে যোগ দেন পদযাত্রায়। প্রায় দু কিলোমিটার পায়ে হেঁটে পৌঁছন সভাস্থলে। পদযাত্রায় হাঁটতে হাঁটতে রাস্তার দুধারে দাঁড়িয়ে থাকা এলাকার মানুষকে হাত নেড়ে শুভেচ্ছা জানান। এবারে তাঁরা ভোট দিতে পারবেন সেই আশ্বাস দেন। প্রসঙ্গত উল্লেখ্য এই ক্যানিং পশ্চিম বিধানসভায় গত পঞ্চায়েত ভোটে কোনও বিরোধী দলই মনোনয়ন জমা দিতে পারেনি শাসকের সন্ত্রাসে। মিছিল ক্যানিং বাজার সংলগ্ন এলাকায় বিধায়ক কার্যালয়ের সামনে আসতে সেদিকে আঙুল দেখিয়ে শুভেন্দু বলেন, “ সন্দেশখালির মত সোজা করব।”

    কী বললেন শুভেন্দু? (Suvendu Adhikari)

    এদিন সভামঞ্চ থেকেও একের পর এক তৃণমূলকে আক্রমণ করতে থাকেন শুভেন্দু (Suvendu Adhikari) । বিশেষ করে ক্যানিং পূর্বের বিধায়ক শওকত মোল্লা, ক্যানিং পশ্চিমের বিধায়ক পরেশ রাম দাস, কুলতলির বিধায়ক গণেশ মণ্ডল সহ বাসন্তীর তৃণমূল নেতা রাজা গাজীকে হুঁশিয়ারি দেন তিনি। এদিন তিনি নির্বাচনী প্রচারে আসেন নি, বরং কয়েকদিন আগে বিজেপির মণ্ডল সভাপতি সুব্রত দাস সহ বিজেপি কর্মীদের ওপর হামলার প্রতিবাদেই এদিন সভা করতে এসেছেন বলে দাবি করেন শুভেন্দু। তবে এদিন তিনি ছাড়াও মঞ্চে উপস্থিত ছিলেন এই কেন্দ্রের লোকসভার প্রার্থী অশোক কান্ডারি সহ জেলা বিজেপির অন্যান্য নেতৃত্বরা। শুভেন্দু এদিন বক্তব্য রাখতে গিয়ে বলেন, “ সন্দেশখালির ঘটনা থেকেও যদি তৃণমূলের এইসব নেতারা শিক্ষা না নেয়, তাহলে আমি মনে করি এঁরা মানুষ নয়, এঁদের কোনও হুশ নেই।” তিনি আরও বলেন, “বিধানসভা নির্বাচনের পর যেভাবে রাজ্য জুড়ে সন্ত্রাস চালিয়েছে তৃণমূল, সেই সন্ত্রাস কবলিত এলাকা পরিদর্শন করে মোট ১৯ জনের নামে রিপোর্ট দিয়েছিল কেন্দ্রীয় মানবাধিকার কমিশন। সেই উনিশের মধ্যে ইতিমধ্যেই তিনজন বীরভূমের কেষ্ট, উত্তর ২৪ পরগনার বালু আর শেখ শাহজাহান ধরা পড়েছে। বাকি ১৬ জনকেও ধরা হবে। তারমধ্যে এই জেলার ২ জন রয়েছে শওকত মোল্লা ও জাহাঙ্গির খান। বালু-শাহজাহানের মতো শওকত-জাহাঙ্গিরও গ্রেফতার হবে।

    জয়নগরে চারটি পদযাত্রা ও জনসভা করবে শুভেন্দু

    এদিনের মঞ্চ থেকে বক্তব্য রাখতে গিয়ে আলাদা করে পরেশকে চ্যালেঞ্জ ছোড়েন শুভেন্দু। কয়েক মাস আগে ক্যানিং বাসস্ট্যান্ডের একটি জনসভা থেকে শুভেন্দু অধিকারীকে (Suvendu Adhikari) ক্যানিংয়ে এলে বেঁধে রাখার কথা বলেছিলেন পরেশ। সেই কথার পাল্টা এদিন শুভেন্দু বলেন, “ আমি যাওয়ার সময় বাসস্ট্যান্ডে দাঁড়িয়ে চা খেয়ে যাবো। ক্ষমতা থাকলে পরেশ ব্যাটা কোন দেশের দড়ি আছে আনাও, আমাকে বেঁধে রাখো। আরে তোমার মালিক মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় দিদি থেকে দিদিমা হয়ে যেত যদি এই বান্দা না থাকতো। নন্দীগ্রাম না হত। আর তুমি তো কোন ছাড়।” সভা শেষে শুভেন্দু ক্যানিং বাসস্ট্যান্ড এলাকায় এসে চাও খান। এলাকার মানুষের সঙ্গে কথা বলেন সেখানে। শিশুদের আদর করেন। ভোটের আগে জয়নগর লোকসভা কেন্দ্রে তিনি চারটি পদযাত্রা ও জনসভা করবেন বলে এদিনের মঞ্চ থেকে ঘোষণা করেছেন। আর ভোটের দিন এই এলাকায় পড়ে থেকে কীভাবে ভোট করতে সেটা দেখিয়ে দেবেন বলেও হুঁশিয়ারি দিয়েছেন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Suvendu Adhikari: “ভোটারদের তেজপাতা মনে করেন মমতা”, শীতলকুচির সভায় বিস্ফোরক শুভেন্দু

    Suvendu Adhikari: “ভোটারদের তেজপাতা মনে করেন মমতা”, শীতলকুচির সভায় বিস্ফোরক শুভেন্দু

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভোটারদের তেজপাতা হিসেবে ব্যবহার করেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এমনই মন্তব্য করলেন বিধানসভার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। শীতলকুচির সভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে বিরোধী দলনেতা তৃণমূলকে তোপ দাগলেন। পাশাপাশি দলীয় প্রার্থীকে ভোট দেওয়ার জন্য ভোটারদের কাছে আবেদন রাখলেন। এমনিতেই শীতলকুচিতে বিজেপির ভালো ভোট ব্যাঙ্ক রয়েছে। তবে, তৃণমূল এবার লোকসভায় ভোট টানার জন্য মরিয়া চেষ্টা চালাচ্ছে।

    তৃণমূলকে আক্রমণ করলেন শুভেন্দু (Suvendu Adhikari)

    রাজ্য রাজনীতির নিরিখে অন্যতম চর্চিত অঞ্চল হল শীতলকুচি। একুশের বিধানসভা নির্বাচনের সময়ে গুলি চলার ঘটনাকে কেন্দ্র করে অনেক দূর গড়িয়েছিল রাজনীতির জল। শাসক-বিরোধী চাপানউতোর চলেছে দীর্ঘদিন। সেই শীতলকুচির মাটিতেই নিশীথ প্রামাণিকের সমর্থনে নির্বাচনী প্রচার সারলেন বিধানসভার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। লোকসভা ভোট যত এগিয়ে আসছে, তত তপ্ত হয়ে উঠছে রাজ্য রাজনীতির বাতাবরণ। তৃণমূল, বিজেপি সব দলই একে অন্যকে নিশানা করছে। কেউ কাউকে এক ইঞ্চিও জমি ছাড়ছে না। এসবের মধ্যেই এবার শীতলকুচির সভা থেকে কড়া ভাষায় তৃণমূল শিবিরকে বিঁধলেন বিধানসভার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। সভা মঞ্চ থেকে শীতলকুচির আমজনতার উদ্দেশে বললেন, “মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আপনাদের তেজপাতা বলে মনে করেন।” সাধারণত, তেজপাতা হল প্রতিটি বাঙালির হেঁশেলের নিত্যদিনের ব্যবহারের একটি জিনিস। কিন্তু, সেটা শুধুই ব্যবহার হয় রান্নার স্বাদ বাড়ানোর জন্য, খাওয়ার জন্য নয়। রান্নার পর খাওয়ার সময় সেই তেজপাতা পাতে পড়লে সরিয়ে রাখা হয়। কোচবিহারের বিজেপি প্রার্থী নিশীথ প্রামাণিকের সমর্থনে শীতলকুচির নির্বাচনী প্রচার সভায় শুভেন্দুর দাবি, শাসক শিবির সেখানকার আমজনতাকে ‘তেজপাতা’ বলে মনে করেন। এরপরই শুভেন্দু ব্যাখ্যা দিলেন, “তেজপাতা তরকারিতে লাগে, কিন্তু খাওয়া যায় না।” ভোটারদের উদ্দেশে বার্তা দিলেন, দয়া করে এদের হাতে ব্যবহার হবেন না।’

    আরও পড়ুন: পক্ষপাতের অভিযোগে রাজ্যের ২ সিনিয়র নির্বাচনী অফিসারকে সরাল কমিশন

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের WhatsappTelegramFacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Jalpaiguri: ঝড়ে গুরুতর আহতদের বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করতে হল কেন? প্রশ্ন শুভেন্দুর

    Jalpaiguri: ঝড়ে গুরুতর আহতদের বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করতে হল কেন? প্রশ্ন শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সঙ্কটজনক রোগীর উন্নত চিকিৎসা ব্যবস্থা উত্তরবঙ্গের কোনও সরকারি মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নেই। তাই জলপাইগুড়ির (Jalpaiguri) ময়নাগুড়িতে ঝড়ে জখমদের চিকিৎসার জন্য নার্সিংহোমে চিকিৎসার ব্যবস্থা করার কথা বলতে হল মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে।

     কী বলেছেন মুখ্যমন্ত্রী? (Jalpaiguri)

    রবিবার জলপাইগুড়ি (Jalpaiguri) জেলার ময়নাগুড়িতে ঝড়ের তাণ্ডবে সব লন্ডভন্ড হয়ে যায়। মৃত্যুর ঘটনার পাশাপাশি অনেকে গুরুতর জখম হয়েছেন। সেই শহর বিধ্বস্ত এলাকা দেখতে রবিবার রাতেই চলে আসেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। জলপাইগুড়ি যাওয়ার পথে  বাগডোগরা বিমানবন্দরে সাংবাদিকদের মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। মৃত্যু হয়েছে। সরকারের তরফে সব দেখা হচ্ছে। অনেকে গুরুতর জখম হয়েছেন। তাদের চিকিৎসার জন্য শিলিগুড়িতে নেউটিয়া নার্সিংহোমে আনার ব্যবস্থা করা হয়েছে।

    আরও পড়ুন: “ওঁর চার্টার্ড ফ্লাইট আছে, আমাদের সাধারণ বিমান”, মুখ্যমন্ত্রীকে তোপ শুভেন্দুর

    উত্তরবঙ্গে সরকারি চিকিৎসা ব্যবস্থার উন্নতি হয়নি, মানলেন মুখ্যমন্ত্রী

     বেসরকারি হাসপাতালে জখমদের ভর্তি করার নির্দেশ দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর এই বক্তব্যে স্পষ্ট, গত ১৩ বছরে রাজ্যের  সরকারি স্বাস্থ্য ব্যবস্থার উন্নতির যে কথা বলা হয় তা প্রমাণিত হয়েছে বলে মনে করে ওয়াকিবহাল মহল ও বিজেপি। তাদের কথায়, উন্নয়নের নামে ঝাঁ-চকচকে বিল্ডিং হয়েছে। কিন্তু, সেখানে না আছে ডাক্তার, না আছে প্রয়োজনীয় চিকিৎসা সরঞ্জাম। ফলে, উত্তরবঙ্গে প্রাকৃতিক দুর্যোগ বা দুর্ঘটনায় সঙ্কটজনক রোগীদের চিকিৎসার জন্য বেসরকারি হাসপাতাল ছাড়া যে কোনও উপায় নেই তা মুখ্যমন্ত্রীও জানেন। এবার প্রকাশ্যে তা স্বীকার করলেন।

     কী বলছে বিজেপি?

    দার্জিলিং ও জলপাইগুড়ির (Jalpaiguri) বিদায়ী  সাংসদ এবারও বিজেপির প্রার্থী যথাক্রমে রাজু বিস্তা ও ডাঃ জয়ন্ত রায় বলেন, ৫৫ বছরের পুরানো উত্তরবঙ্গ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের ওপর মুখ্যমন্ত্রী ভরসা রাখতে পারছে না। তাহলে তিনি স্বাস্থ্যমন্ত্রী হিসেবে কী কাজ করেছেন। অথচ উত্তরবঙ্গ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে সুপার স্পেশালিটি ব্লক তৈরির জন্য কেন্দ্র টাকা দিয়েছিল। সেই টাকায় বিল্ডিং তৈরি হয়েছে। চিকিৎসা সরঞ্জামও এসেছে। কিন্তু, রাজ্য সরকার চুক্তি মতো ডাক্তার দিতে পারেনি। নানা অজুহাতে সেই সুপার স্পেশালিটি ব্লক এখনও চালু করতে পারেনি। জয়ন্ত রায় বলেন, কারও কারও বাণিজ্য করার জন্যই এই সুপার স্পেশালিটি ব্লক পুরোপুরি চালু করা হচ্ছে না।

    মিথ্যার ফানুস ফেটে গিয়েছে, তোপ শুভেন্দুর

    রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী মঙ্গলবার ময়নাগুড়ি যাওয়ার পথে বাগডোগরা বিমানবন্দরে বলেন, গত ১৩ বছর ধরে রাজ্যের তৃণমূল সরকারের রাজত্বে মালদহ থেকে আলিপুরদুয়ার পর্যন্ত উত্তরবঙ্গে সরকারি চিকিৎসা ব্যবস্থা পুরোপুরি বেহাল। উত্তরবঙ্গ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল সহ কোথাও নিউরো সার্জেন নেই। তাই অনেক হাসপাতালে ট্রমা কেয়ার সেন্টার খোলা হলেও সেখানে চিকিৎসা হয় না। তবু মুখ্যমন্ত্রী ও তাঁর দলের নেতারা প্রচার করেন, রাজ্যে সরকারি চিকিৎসা ব্যবস্থার ব্যাপক উন্নতি হয়েছে। ময়নাগুড়ির ঘটনায় সেই মিথ্যার ফানুস ফেটে গিয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের WhatsappTelegramFacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Suvendu Adhikari: খালিস্তানি বিতর্ক! শুভেন্দুর বিরুদ্ধে মামলা থেকে সরে দাঁড়ালেন বিচারপতি সেনগুপ্ত

    Suvendu Adhikari: খালিস্তানি বিতর্ক! শুভেন্দুর বিরুদ্ধে মামলা থেকে সরে দাঁড়ালেন বিচারপতি সেনগুপ্ত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর (Suvendu Adhikari) বিরুদ্ধে এফআইআর সংক্রান্ত একটি মামলা সরে দাঁড়ালেন কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি জয় সেনগুপ্ত। হাইকোর্টের বিচারপতি জানিয়েছেন, রাজ্যের ওই আবেদন তিনি শুনবেন না। এর পাশাপাশি প্রধান বিচারপতির এজলাসে ওই মামলাটি পাঠিয়েছেন বিচারপতি জয় সেনগুপ্ত। প্রসঙ্গত, খালিস্তানি বিতর্কের জেরে শুভেন্দু অধিকারী বিরুদ্ধে এফআইআর করতে চেয়ে হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয় রাজ্য। আবেদনটি যায় বিচারপতি জয় সেনগুপ্তের কাছে। তবে এফআইআর সংক্রান্ত অন্য মামলাগুলির শুনানি বিচারপতি জয় সেনগুপ্তর এজলাসে হবে বলেই জানা গিয়েছে। আগামী ১০ এপ্রিল এই মামলার পরবর্তী শুনানি রয়েছে।

    শুভেন্দুর বিরুদ্ধে মামলা করতে হাইকোর্টের অনুমতি লাগবে

    গত ২০ ফেব্রুয়ারি সন্দেশখালিতে পুলিশের সঙ্গে বচসার মাঝে খালিস্তানি মন্তব্য করেন শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। এই অভিযোগ তুলেই হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিল তৃণমূল। প্রসঙ্গত, ২০২২ সালের ডিসেম্বর মাসেই কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি রাজাশেখর মান্থারের বেঞ্চ শুভেন্দু অধিকারীর বিরুদ্ধে রাজ্য পুলিশের দায়ের করা ২৬টি এফআইআর-এ স্থগিতাদেশ দিয়েছিল। সে সময় বিচারপতি রাজাশেখর মান্থার জানিয়েছিলেন, শুভেন্দুর বিরুদ্ধে নতুন করে মামলা করতে গেলে আগে হাইকোর্টের অনুমতি নিতে হবে। শুভেন্দুর বিরুদ্ধে একের পর এক মিথ্যা মামলায় এফআইআর করছে রাজ্য, এমনটাই অভিযোগ ছিল বিজেপি শিবিরের। সেই মর্মে হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিলেন শুভেন্দু।

    খালিস্তানি বিতর্কের এফআইআর দায়ের হয় ভবানীপুর থানায়

    আদালতের কাছে বিরোধী দলনেতা (Suvendu Adhikari) আবেদন জানান, তাঁর নামে দায়ের হয় এফআইআর গুলি খারিজ করা হোক অথবা মামলার তদন্ত সিবিআই করুক। তখন বিচারপতি রাজাশেখর মান্থারের পর্যবেক্ষণ ছিল, শুভেন্দু অধিকারী রাজ্যের বিরোধী দলনেতা। তিনি মানুষের ভোটে নির্বাচিত। পুলিশ নিজে অথবা অন্য কারও নির্দেশে অভিযোগ এনে জনগণের প্রতি বিরোধী দলনেতার কর্তব্য স্তব্ধ করার চেষ্টা করছে। প্রসঙ্গত, খলিস্তানি বিতর্কে জেরে শুভেন্দু অধিকারীর বিরুদ্ধে ভবানীপুর থানায় একটি এফআইআর দায়ের হয়।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Whatsapp, Telegram, FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Suvendu Adhikari: “ওঁর চার্টার্ড ফ্লাইট আছে, আমাদের সাধারণ বিমান”, মুখ্যমন্ত্রীকে তোপ শুভেন্দুর

    Suvendu Adhikari: “ওঁর চার্টার্ড ফ্লাইট আছে, আমাদের সাধারণ বিমান”, মুখ্যমন্ত্রীকে তোপ শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ঝড়ের পর বিধ্বস্ত জলপাইগুড়ি যান বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা ঘুরে দেখেন তিনি। ক্ষতিগ্রস্তদের সঙ্গে তিনি কথা বলেন। পাশে থাকার বার্তা দেন। আর লোকসভা ভোটের মুখে রাতে তড়িঘড়ি মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের জলপাইগুড়িতে পৌঁছে যাওয়া নিয়েও কটাক্ষ করেছেন তিনি।

    প্রায় ৮০০ বাড়ি ধ্বংস! (Suvendu Adhikari)

    শুভেন্দু (Suvendu Adhikari) বলেন, এই কঠিন পরিস্থিতির মোকাবিলা করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে হবে বিভিন্ন স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনগুলিকে। কারণ, রাজনৈতিক কর্মী এবং জনপ্রতিনিধিরা এই মুহূর্তে নির্বাচনী বিধির আওতায় পড়ছেন। তাই ইচ্ছা থাকলেও বিশেষ কিছু করতে পারবেন না। কাল থেকে ওখানে আমাদের স্বেচ্ছাসেবী এবং জেলার কর্মীরা কাজ করছেন। নির্বাচনী বিধি মাথায় রেখে আমাদের পক্ষ থেকে সাধ্যমতো কাজ করা হচ্ছে। প্রধানমন্ত্রীর দফতর দ্রুততার সঙ্গে হস্তক্ষেপ করেছে। জাতীয় বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনী উদ্ধারের পাশাপাশি ত্রাণ কাজও চালিয়েছে। জলপাইগুড়িতে প্রায় ৮০০ বাড়ি ধ্বংস হয়ে গিয়েছে। বাড়িগুলি টিন দিয়ে তৈরি ছিল। এই সময়ে সরকারের উচিত মানুষের পাশে দাঁড়ানো। কারণ, বিপর্যয়ের ক্ষেত্রে সরকার আদর্শ আচরণবিধির আওতায় পড়ে না।

    ওঁর চার্টার্ড ফ্লাইট আছে, আমাদের সাধারণ বিমান, তোপ শুভেন্দুর

    জলপাইগুড়ির ঝড়ে প্রাণহানির খবর পেয়ে রবিবার রাতেই সেখানে পৌঁছে যান মমতা। মমতা রবিবার রাত সাড়ে ৯টার পর চার্টার্ড ফ্লাইটে জলপাইগুড়ির উদ্দেশে রওনা দেন। আর শুভেন্দু (Suvendu Adhikari) বিমানবন্দর থেকে রওনা দিয়েছেন সোমবার সকাল ৯টা নাগাদ। অর্থাৎ, তাঁদের যাত্রার সময়ের ব্যবধান প্রায় ১৩ ঘণ্টা। এ প্রসঙ্গে সোমবার সকালে বিমানবন্দর থেকে শুভেন্দু বলেন, “ওঁর চার্টার্ড ফ্লাইট আছে, তাই উনি রাতে চলে গিয়েছেন। আমাদের সাধারণ বিমান, যখন সময় হবে, আমি যাব। মমতার দ্রুত যাওয়া নিয়ে নির্বাচনী বন্ডের প্রসঙ্গও তুলেছেন বিরোধী দলনেতা। তাঁর কথায়, “তৃণমূল তো নির্বাচনী বন্ড থেকে অনেক টাকা পেয়েছে। সঞ্জীব গোয়েঙ্কা৪০০ কোটি টাকা দিয়েছে। ডিয়ার লটারি দিয়েছে ৬০০কোটি টাকা। ভোররাতে, মাঝরাতে যখন খুশি চার্টার্ড ফ্লাইটে ওঁরা যেতে পারেন। তবে আমি তৃণমূল এবং মুখ্যমন্ত্রীকে বলতে চাই, মাল নদীতে হড়পা বানের সময়ে যদি ওঁর এইতৎপরতা দেখতে পেতাম, তা হলে ভাল লাগত। তা হলেবুঝতাম আপনি রাজধর্ম করছেন, ভোটধর্ম করছেন না।”বাগডোগরায় নেমে শুভেন্দু আর এক প্রস্থ কটাক্ষ করেন মমতাকে। বলেন, “রাতে কী কাজ? ওঁর এত তাড়াহুড়ো করার কী ছিল? মৃতদের পরিবারের সঙ্গে দেখা করা, হাসপাতালে যাওয়া- এগুলো তো উনি সকালেও করতে পারতেন, যেমন রাজ্যপাল করেছেন। দুর্গাপুজোর সময়ে মালবাজারে যা হল, তখন উনি কোথায় ছিলেন?”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Whatsapp, Telegram, FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Suvendu Adhikari: “বিজেপির ভোট কাটতেই সিপিএম প্রার্থী দিয়েছে যাদবপুরে”, বিস্ফোরক শুভেন্দু

    Suvendu Adhikari: “বিজেপির ভোট কাটতেই সিপিএম প্রার্থী দিয়েছে যাদবপুরে”, বিস্ফোরক শুভেন্দু

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিজেপির ভোট কাটতেই সিপিএম প্রার্থী দিয়েছে যাদবপুরে। হাওড়াতেও ভোট কাটার জন্য দাঁড়িয়েছে সিপিএম। এমনটাই অভিযোগ করলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। হাওড়ার আন্দুল রাজবাড়ি মাঠে হাওড়া লোকসভা কেন্দ্রের প্রার্থী রথীন চক্রবর্তীকে সঙ্গে নিয়ে এক জনসভায় তিনি সিপিএমকে তুলোধনা করেন।

    সিপিএমকে তোপ শুভেন্দুর (Suvendu Adhikari)

    শুভেন্দু (Suvendu Adhikari) বলেন, তৃণমূলকে হারাতে মীনাক্ষী, শতরূপদের এখানে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। আর মীনাক্ষীর জ্যাঠা সীতারাম ইয়েচুরি কয়লা ভাইপোর সঙ্গে ইটিং, মিটিং, সিটিং করছেন। সিপিআইএম সবথেকে বড় সাম্প্রদায়িক দল। মহম্মদ সেলিমের বাড়ি উত্তর কলকাতায় অথচ তিনি ভোটার লিস্ট খুঁজে দেখেন কোথায় মুসলিম ভোট বেশি আছে। সেখানে প্রতিবছর তিনি ভোটে দাঁড়ান। গত বছর রায়গঞ্জে দাঁড়িয়ে ছিলেন, এবারে মুর্শিদাবাদের দাঁড়িয়েছেন যেখানে ৭০ শতাংশ মুসলিম ভোট রয়েছে। এদিকে দুদিন আগেই মেট্রো উদ্বোধনে ডাকা হয়নি বলে ক্ষোভ উগড়ে দিয়েছিলেন হাওড়া লোকসভা কেন্দ্রের সাংসদ প্রসূন বন্দ্যোপাধ্যায়। এবার সেই সাংসদের বিরুদ্ধে এদিন সরকারি অনুষ্ঠান  এড়িয়ে যাওয়ার অভিযোগ করলেন শুভেন্দু অধিকারী। তিনি বলেন, গোটা দশ বছরে পার্লামেন্টে এক শতাংশের নিচে তার উপস্থিতি। এইসব লোককে কেন পার্লামেন্টে পাঠাবেন? প্রসূন বন্দ্যোপাধ্যায়কে কোশ্চেন আনসার এ, বিলে কোথাও দেখা যায় না। প্রধানমন্ত্রীর গঙ্গার নিচ দিয়ে মেট্রো উদ্বোধনেও আসেন না। এর আগেও আসেননি। কেন পশ্চিমবাংলার জনগণ এই ধরনের অকর্মণ্য অপদার্থ সাংসদ কে পার্লামেন্টে পাঠাবেন? বিজেপির সাংসদ সুকান্ত মজুমদার, খগেন মুর্মু, লকেট চট্টোপাধ্যায়, শান্তনু ঠাকুরদের সবসময় পার্লামেন্টে দেখতে পাবেন। তারা কোশ্চেন আনসারেও আছেন। অথচ তৃণমূলের সাংসদদের দেখতে পাবেন না।

    আরও পড়ুন: গার্ডেনরিচের ছায়া উত্তর দমদমে, বহুতলের চাঙড় পড়ে মৃত্যু হল মহিলার

    বাংলাতেও ডাবল ইঞ্জিন সরকার হবে

    শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) বলেন, আসামে হেমন্তের নেতৃত্বে ডবল ইঞ্জিন সরকার চলছে। বাংলাতেও ডাবল ইঞ্জিন সরকার হবে। দু কোটি বেকার থাকবে না। সম কাজে সম বেতন হবে। কেন্দ্রীয় হারে ডি এ পাবেন রাজ্য সরকারি কর্মীরা। বিজেপিকে আনলে অন্নপূর্ণা যোজনা হবে বাংলায়। বাংলার মায়েরা, দিদিরা বোনেরা ৩০০০ টাকা করে পাবেন। লক্ষ্মীর ভান্ডারের নাম বদলে অন্নপূর্ণা যোজনা হবে। এমন ফল করে দিন যাতে বিধানসভা ভোট আগেই হয়। হাওড়ার ভূমিপুত্র রথীন চক্রবর্তী দিল্লি যাক কারণ হাওড়া দেশের সবথেকে প্রাচীন শহর।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Abhijit Ganguly: ‘দুর্নীতিগ্রস্ত, নারী নির্যাতনকারী তৃণমূলকে মানবে না তমলুক’, বললেন অভিজিৎ

    Abhijit Ganguly: ‘দুর্নীতিগ্রস্ত, নারী নির্যাতনকারী তৃণমূলকে মানবে না তমলুক’, বললেন অভিজিৎ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চাকরিজীবনের মেয়াদ ফুরানোর ৫ মাস আগেই বিচারপতি পদে ইস্তফা দিয়ে বিজেপিতে যোগদান করেছেন অভিজিৎ  গঙ্গোপাধ্যায় (Abhijit Ganguly)। তাঁকে তমলুক কেন্দ্র থেকে প্রার্থী করা হতে পারে বলে আগেই গুঞ্জন ছড়িয়েছিল। বিজেপিতে যোগ দেওয়ার পর পরই তমলুক কেন্দ্রে গিয়ে জনসংযোগ করেছিলেন প্রাক্তন বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়। রবিবারই বিজেপি-র প্রার্থী তালিকা ঘোষণা করা হয়। তাতে তমলুক কেন্দ্রের প্রার্থী হিসেবে প্রাক্তন বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের নাম ঘোষণা করা হয়। আর প্রার্থীপদ ঘোষণার পর মঙ্গলবার প্রথমবার বিজেপি প্রার্থী অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় তমলুক লোকসভা কেন্দ্রে গেলেন। এদিন নিজের লোকসভা কেন্দ্রের দলীয় কর্মীদের সঙ্গে চুটিয়ে জনসংযোগ সারলেন বিজেপি প্রার্থী।

    নন্দীগ্রামে জনসংযোগ সারলেন অভিজিৎ (Abhijit Ganguly)

    মঙ্গলবার রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর সঙ্গে নন্দীগ্রামে বিজেপি নেতার বাড়িতে ধর্মীয় অনুষ্ঠানে যোগদান করেন তিনি। দলীয় প্রার্থী অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের (Abhijit Ganguly) আসাকে কেন্দ্র করে স্থানীয় বিজেপি নেতা-কর্মীদের মধ্যে উন্মাদনা ছিল চরমে। নন্দীগ্রামের বয়ালের বিজেপি নেতা পবিত্র করের বাড়িতে ছিল সংকীর্তন। দুপুরে সেই অনুষ্ঠানে যোগদান করতে সেখানে পৌঁছন অভিজিৎবাবু। সঙ্গে ছিলেন শুভেন্দু অধিকারী। দলীয় প্রার্থীকে ফুল দিয়ে স্বাগত জানান বিজেপি কর্মীরা। চারিদিকে ওঠে “জয় শ্রী রাম” ও “ভারত মাতা কি জয়” স্লোগান। এদিন দলীয় কর্মীদের সঙ্গে সৌজন্য বিনিময় করতে দেখা যায় অভিজিৎবাবুকে। এরপর ভক্তদের সঙ্গে কীর্তনে অংশগ্রহণ করেন তিনি। পরে, এলাকায় কর্মীদের সঙ্গে জনসংযোগ করেন তিনি। দলীয় প্রার্থীর উপস্থিতিতে প্রচুর দেওয়াল লিখন করেন কর্মীরা।

    আরও পড়ুন: “অন্য পার্টির লোক আমাদের ভুল বুঝিয়ে ছিল, রেখার পাশে রয়েছি”, বললেন বিক্ষোভকারীরা

    তমলুকবাসী দুর্নীতিগ্রস্ত তৃণমূলকে মেনে নেবে না

    বিজেপি প্রার্থী অভিজিৎবাবু (Abhijit Ganguly) বলেন,  আগেও আমি এসেছি। তবে, প্রার্থী ঘোষণা হওয়ার পরই এই কেন্দ্রে এলাম। যে ভাবে দলীয় কর্মীরা আমাকে স্বাগত জানিয়েছেন তাতে আমি আপ্লুত। তমলুকে প্রথম স্বাধীনতাকামী মানুষ ব্রিটিশকে হারিয়ে স্বাধীন সরকার প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। সেই তমলুকবাসী দুর্নীতিগ্রস্ত তৃণমূলকে মেনে নেবে না। মা বোনেদের ওপর যে নির্যাতন হয়েছে তা মেনে নেবে না।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Nadia: কর্মীদের সঙ্গে আবির খেলে, দেওয়াল লিখন করে চুটিয়ে জনসংযোগে রানিমা অমৃতা রায়

    Nadia: কর্মীদের সঙ্গে আবির খেলে, দেওয়াল লিখন করে চুটিয়ে জনসংযোগে রানিমা অমৃতা রায়

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কয়েকদিন আগেই বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর হাত ধরে নদিয়ার (Nadia) কৃষ্ণনগর রাজবাড়ির রানিমা অমৃতা রায় বিজেপিতে যোগ দেন। সেই রানিমাকে এবার কৃষ্ণনগর কেন্দ্রে প্রার্থী করল বিজেপি। প্রার্থী তালিকা ঘোষণা হতেই গেরুয়া আবির নিয়ে খেলায় মেতে উঠলেন কৃষ্ণনগর রাজবাড়ির রানিমা। রাজবাড়ির চত্বরে দেখা গেল স্থানীয় বিজেপি নেতৃত্ব থেকে শুরু করে কর্মী সমর্থকদের। সকলের সঙ্গে সৌজন্য বিনিময় সহ গেরুয়া আবিরে হোলি খেললেন তিনি। এমনকী রং তুলি হাতে দেওয়াল লিখতেও দেখা গেল কৃষ্ণনগর লোকসভা কেন্দ্রের বিজেপি প্রার্থী অমৃতা রায়কে।

    কলকাতার লা মার্টিনের ছাত্রী রানিমা (Nadia)

    পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, অমৃতার জন্ম ১৯৬১ সালের ডিসেম্বরে। তাঁর স্বামী সৌমিশ চন্দ্র রায়। তিনি কৃষ্ণনগর রাজবাড়ির ৩৯তম কুলবধূ। রাজা কৃষ্ণচন্দ্র রায়ের সময় কাল থেকে ধরলে অমৃতা রায় নবম কুলবধূ। নদিয়া (Nadia) রাজা কৃষ্ণচন্দ্রের পরিবারের নবম পুরুষ সৌমিশ চন্দ্র রায়। তাঁরই স্ত্রী অমৃতা। আর অমৃতা রায়ের একমাত্র পুত্র মণীশ চন্দ্র রায়। তিনি পেশায় আইনজীবী। অমৃতার স্বামী এয়ার ইন্ডিয়াতে চাকরি করতেন। কৃষ্ণনগর রাজবাড়ির ঐতিহ্যের সম্পত্তি দেখভালের জন্য লন্ডনে থাকাকালীন স্বেচ্ছা অবসর নিয়ে কৃষ্ণনগরে চলে আসেন তিনি। বর্তমানে কৃষ্ণনগরের পাশাপাশি কলকাতা বালিগঞ্জ সার্কুলার রোডেও বসবাস করেন বিজেপি প্রার্থী অমৃতা রায়। শিক্ষা ক্ষেত্রে রানিমা বিড়লা উইমেন্স কলেজ থেকে আইএসসি পাশ করেন তিনি। লা মার্টিন স্কুলেও পড়াশোনা করেছেন অমৃতা। কলেজ পাশ করার পর মন্তেশ্বরী দেবী শিশু শিক্ষা কেন্দ্র ও ধন্তেশ্বরী টিচার্স ট্রেনিং স্কুল তৈরি করেন। শিল্পকলার অত্যন্ত পৃষ্ঠপোষক অমৃতা রায়। ডেকোরেশনের বিষয়েও তাঁর যথেষ্ট পারিদর্শিতা রয়েছে বলে জানা যায়। এক্ষেত্রে ইন্টিরিয়র ডেকোরেশনে তিনি বিশেষ পারদর্শী অমৃতা রায়। ক্রিয়েটিভ ডিজাইন নিয়েও কনসালট্যান্টের কাজ করেছেন তিনি। অমৃতা রায়ের বাবা কিশোরপ্রসাদ মুখোপাধ্যায় কলকাতা হাইকোর্ট ও সুপ্রিম কোর্টের একজন আইনজীবী ছিলেন। দেশ স্বাধীন হওয়ার পর রাজতন্ত্র উঠে যায়। তবুও, আজও রাজবাড়ি ঘিরে আবেগ জড়িয়ে রয়েছে কৃষ্ণনগরের মানুষের।

    আরও পড়ুন:’নিজের মনে করেই সকলে আবির মাখাচ্ছে’, দোলে জনসংযোগ করে বললেন সুকান্ত

    দোল উৎসবে রাজবাড়িতে কর্মীদের সঙ্গে আবির খেললেন রানিমা

    এদিন সকাল থেকে রানিমার সঙ্গে দেখা করতে আসেন বিজেপি কর্মীরা। রাজবাড়ির মধ্যে এই প্রথম কোনও রাজনৈতিক দলের কর্মীরা আবির খেলায় মেতে ওঠেন। এ বিষয়ে রাজবধূ অমৃতা রায় বলেন, দোল উৎসবের এই শুভদিনে সকলের মঙ্গল কামনা প্রার্থনা করি। তবে, দীর্ঘদিন ধরেই মানুষের পাশে দাঁড়ানোর জন্য আমি একটা জায়গা খুঁজছিলাম। সেই বৃহত্তর একটা জায়গা আমি খুঁজে পেলাম। বিগত দিনে আমাদের বংশধররা যেভাবে মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছেন, ঠিক সেইভাবে আমিও মানুষের পাশে দাঁড়াতে চাই। আমার দলের স্ট্যাটেজি যাই হোক আমি একজন সাধারণ মানুষ হয়েই মানুষের পাশে থাকবো। এদিনের বিজেপি প্রার্থীর সঙ্গে আবির খেলায় উপস্থিত ছিলেন কৃষ্ণনগর উত্তর সাংগঠনিক জেলার বিজেপি সভাপতি অর্জুন বিশ্বাস সহ একাধিক দলীয় নেতৃত্বরা।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Howrah: শুভেন্দুর হাত ধরে তৃণমূলের প্রাক্তন বিধায়কের ছেলে যোগ দিলেন বিজেপিতে

    Howrah: শুভেন্দুর হাত ধরে তৃণমূলের প্রাক্তন বিধায়কের ছেলে যোগ দিলেন বিজেপিতে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভোটের দিনক্ষণ ঘোষণা হয়ে গিয়েছে। প্রথমদফায় প্রার্থী তালিকা ঘোষণা হয়ে গিয়েছে বিজেপির। চলছে চূড়ান্ত প্রস্তুতি। এই আবহে জেলায় জেলায় তৃণমূল ছে়ড়ে বিজেপিতে যোগদানের হিড়িক শুরু হয়ে গিয়েছে। এবার হাওড়ার (Howrah) জগৎবল্লভপুরের প্রাক্তন বিধায়কের ছেলে যোগ দিলেন বিজেপিতে। ২০০১ সালে ভোটে জিতে জগৎবল্লভপুরের বিধায়ক হন বিমান চক্রবর্তী। তাঁরই ছেলে তৃণমূল যুব কংগ্রেসের প্রাক্তন সভাপতি অনিকেত চক্রবর্তী শনিবার বিজেপিতে যোগ দিলেন। তাঁর সঙ্গে প্রায় সাড়ে ৫০০ জন যোগ দেন বিজেপিতে।

    বিজেপি এবার ভাল ফল করবে (Howrah)

    শনিবার হাওড়ার (Howrah) জগৎবল্লভপুরের বড়গাছিয়া হসপিটাল মাঠে বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী উপস্থিতি বিজেপিতে যোগ দেন অনিকেত। বিজেপিতে যোগ দিয়ে তিনি বলেন, দল যেভাবে কাজ করতে বলবে, সেভাবেই কাজ করব। ছোট থেকে জগৎবল্লভপুর কেন্দ্র দেখে এসেছি। বাবাকে বিধায়ক দেখেছি, সভাপতি হিসাবে থাকতে দেখেছি। আমিও দীর্ঘদিন দায়িত্ব নিয়ে পদে থেকে কাজ করেছি। শ্রীরামপুর লোকসভার সার্বিক ফল নিয়ে বলার যোগ্যতা আমার আছে বলে মনে করি না। তবে, এটুকু বলতে পারি জগৎবল্লভপুরের ১৭টা অঞ্চলে বিজেপি কোনওদিন যে ফল করেনি তা এবার করবে।”

    আরও পড়ুন: বুকে-পেটে বিড়ির ছ্যাঁকা, ধানখেতে বিজেপি কর্মীর দেহ, খুনে অভিযুক্ত তৃণমূল

    তৃণমূল নেতৃত্ব কী সাফাই দিলেন?

    জগৎবল্লভপুর (Howrah) পঞ্চায়েত সমিতির তৃণমূল সদস্য রঞ্জন কুণ্ডু বলেন, “জগৎবল্লভপুরে তৃণমূল একটা অটুট পরিবার। এখানে মাদার, মহিলা, যুব, সব একসঙ্গে রয়েছে। আর যিনি দল ছেড়েছেন বলে শুনছি তাঁকে নিয়ে বলার কিছু নেই। তিনি জগৎবল্লভপুরের তৃণমূলের এক সময়ের সদস্য ছিলেন। বছর দুই হয়ে গেল তিনি রাজনীতি থেকে এক প্রকার বিদায় নিয়েছিলেন। তাঁর মনে হয়েছে বিজেপিতে গেলে কিছু পাওয়ার আছে, তাই গিয়েছেন। বিশেষ কিছু এ নিয়ে বলার নেই। ফলে, তৃণমূলের বড় কেউ বিজেপিতে যোগ দেন নি।  আর ৫০০ জনের বেশি যোগদানের যে কথা বলা হচ্ছে তা ঠিক নয়।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share