Tag: Suvendu Adhikari

Suvendu Adhikari

  • Suvendu Adhikari: বিজেপিতে কৃষ্ণনগরের রানি মা, শুভেন্দুর হাত ধরে যোগদান বহু সংখ্যালঘু পরিবারের

    Suvendu Adhikari: বিজেপিতে কৃষ্ণনগরের রানি মা, শুভেন্দুর হাত ধরে যোগদান বহু সংখ্যালঘু পরিবারের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শুভেন্দু অধিকারীর হাত ধরে বিজেপিতে যোগদান করলেন কৃষ্ণনগর রাজবাড়ির বর্তমান রানি মা অমৃতা রায় সহ একাধিক তৃণমূল কর্মী। বুধবার নদিয়ার কৃষ্ণনগরে একটি দলীয় কার্যালয় উদ্বোধন করেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। এরপরই দেখা যায় সেখানে উপস্থিত হন রাজবাড়ির বর্তমান রানি মা অমৃতা রায়। শুভেন্দু অধিকারীর হাত থেকে তিনি বিজেপির পতাকা তুলে নেন। রাজ কৃষ্ণচন্দ্রের পরিবারের সদস্য রাজবধূ বিজেপিতে যোগ দেওয়ায় দলীয় কর্মীরা উজ্জীবিত।

    বিজেপিতে যোগ দিয়ে কী বললেন রানি মা?

    তিনি বলেন, “বাংলাকে আরও এগিয়ে নিয়ে যেতে আমি বিজেপিতে যোগদান করলাম। আপনারা আশীর্বাদ করুন, তাহলে আমি জয়ী হব।” তাঁর এই মন্তব্যে আবারও কৃষ্ণনগরের বিজেপির প্রার্থী নিয়ে রানি মায়ের নাম নিয়ে জোর তরজা শুরু হল। তবে, এ বিষয়ে অমৃতা রায়কে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, “উন্নয়নমূলক কাজ করতে বিজেপিতে আসা। এক যুগে রাজ পরিবার এলাকা শাসন করেছে। তাই আমারও ভালো লাগছে আমি ভালো কাজ করতে পারবো।” পাশাপাশি মহুয়া মৈত্রের লোকপাল তলব নিয়ে তিনি বলেন, “কাউকে ব্যক্তিগত আক্রমণ আমি করতে চাই না। তবে, এটা ঠিক সাধারণ মানুষ তাঁর অধিকার থেকে বঞ্চিত হয়েছে।” বিজেপিতে আসার কারণ তিনি বলেছেন, “এটা একটি অনুভূতি। আমি ঠিক জায়গায় গিয়ে কাজটা করতে পারব।”

    আরও পড়ুন: ভোট ঘোষণার পর থেকে কমিশনের কাছে জমা পড়ল লাখের ওপর অভিযোগ

    সংখ্যালঘুরা যোগ দিলেন বিজেপিতে (Suvendu Adhikari)

    লোকপাল তলব নিয়ে মহুয়া মৈত্রকে বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) কটাক্ষ করেছেন। তিনি বলেন, পাসওয়ার্ড বিক্রি করে তিনি প্রচুর টাকা কামিয়েছেন। এখনও তাঁর (মহুয়া মৈত্র) বাড়িতে যে গাড়িটি পড়ে রয়েছে আপনারা গেলেই বুঝতে পারবেন ওটা কার গাড়ি। পাশাপাশি নির্বাচনের ফলাফল নিয়ে তিনি বলেন, কৃষ্ণনগর লোকসভা কেন্দ্র থেকে প্রায় ৭০ টি সংখ্যালঘু পরিবারের যোগদানের পাশাপাশি প্রাক্তন তৃণমূল কাউন্সিলরদের যোগদান পরিষ্কার বলে দিচ্ছে, এবারের লোকসভা নির্বাচনে কৃষ্ণনগর বিজেপির হাতে তুলে দিতে চাইছে সাধারণ মানুষ।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Lok Sabha Election 2024: বাকি আসনের প্রার্থী ঘোষণা শীঘ্রই? রাজ্যের ৪ শীর্ষ নেতাকে দিল্লি তলব বিজেপির

    Lok Sabha Election 2024: বাকি আসনের প্রার্থী ঘোষণা শীঘ্রই? রাজ্যের ৪ শীর্ষ নেতাকে দিল্লি তলব বিজেপির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গতকালই কমিশন বাজিয়েছে ১৮তম লোকসভা নির্বাচনের ঘণ্টা (Lok Sabha Election 2024)। ভোট ঘোষণা হতেই বঙ্গ বিজেপির শীর্ষ নেতৃত্বকে দিল্লি ডেকে পাঠাল গেরুয়া শিবির। সেই মতো রবিবার রাতেই দিল্লি উড়ে যাচ্ছেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু। বঙ্গ বিজেপির সভাপতি সুকান্ত মজুমদার অবশ্য সোমবার দিল্লি রওনা হবেন। রবিবার দিল্লি রওনা হচ্ছেন সাধারণ সম্পাদক (সংগঠন) অমিতাভ চক্রবর্তী এবং যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক (সংগঠন) সতীশ ধন্দও। সূত্রের খবর, মঙ্গলবারই ঘোষণা হতে পারে বাকি আসনগুলির প্রার্থী তালিকা।

    সোমবারের বৈঠকে হাজির থাকতে পারেন প্রধানমন্ত্রী

    বিজেপি সূত্রে জানা গিয়েছে, সোমবারই বাংলার বিজেপির শীর্ষনেতাদের সঙ্গে দফায় দফায় বৈঠক হবে সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডা এবং অন্যান্য শীর্ষনেতার। সোমবার (Lok Sabha Election 2024) থেকে হতে চলা বিজেপির কেন্দ্রীয় নির্বাচন কমিটির বৈঠকে উপস্থিত থাকার কথা রয়েছে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহেরও। সূত্রের খবর, গুরুত্বপূর্ণ ওই বৈঠকের পরেই দেশের বাকি আসনগুলিতেও প্রার্থী তালিকা চূড়ান্ত করে ফেলবে গেরুয়া শিবির। তারপর মঙ্গলবার তা আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করা হবে।

    বাংলায় পাল্লা ভারী বিজেপির

    প্রথম পর্যায়ে বিজেপি রাজ্যে ২০ আসনে প্রার্থী ঘোষণা করেছে। এই সবগুলি আসনেই জোর কদমে চলছে প্রচার। বিভিন্ন সমীক্ষায় উঠে এসেছে পশ্চিমবঙ্গে গেরুয়া ঝড়ে তৃণমূলের নিশ্চিহ্ণ হওয়ার ভবিষ্যদ্বাণী। একই কথা শোনা গিয়েছে একদা তৃণমূলের রণনীতিকার প্রশান্ত কিশোরের মুখেও। সম্প্রতি পশ্চিমবঙ্গে ৪টি জনসভা করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। প্রতিটি জনসভাতেই উপচে পড়া ভিড় লক্ষ্য করা গিয়েছে। এমতাবস্থায়, গেরুয়া শিবিরের পাল্লা যথেষ্ঠ ভারী বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহলের একাংশ। সম্প্রতি, বিচারপতি পদে ইস্তফা দিয়ে বিজেপিতে (Lok Sabha Election 2024) যোগ দিয়েছেন অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়। শোনা যাচ্ছে, তমলুক আসনে প্রার্থী হতে পারেন তিনি। আবার বারাকপুরের সাংসদ অর্জুন সিংও ফিরে এসেছেন বিজেপিতে। এখন দেখার দল তাঁকে ওই আসনে টিকিট দেয় কিনা। অন্যদিকে, উত্তর কলকাতার দক্ষ সংগঠক বলে পরিচিত তাপস রায়ও বিধায়ক পদে ইস্তফা দিয়ে গেরুয়া ব্রিগেডে যোগ দিয়েছেন। সূত্রের খবর, তাঁকেই দল উত্তর কলকাতা আসনে প্রার্থী (Lok Sabha Election 2024) করতে পারে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Suvendu Adhikari: ‘কাচের ঘরে বসে ঢিল মারার দরকার নেই’, অভিষেককে তোপ শুভেন্দুর

    Suvendu Adhikari: ‘কাচের ঘরে বসে ঢিল মারার দরকার নেই’, অভিষেককে তোপ শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: লোকসভা ভোট যত এগিয়ে আসছে তৃণমূলের শক্ত জমি তত আলগা হচ্ছে। জেলায় জেলায় বিজেপিতে যোগদানের হিড়িক শুরু হয়ে গিয়েছে। সংখ্যালঘুরা আস্থা রাখছে বিজেপি-র ওপর।  ইতিমধ্যেই বারাকপুরের দাপুটে নেতা অর্জুন সিং এবং বরানগরের বিধায়ক তাপস রায় তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে যোগ দিয়েছেন। আর এতেই ঘুম ছুটেছে শাসক দলের শীর্ষ নেতৃত্বের। শনিবার মেদিনীপুরের সভায় অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে বিজেপিকে কড়া আক্রমণ করেছেন। হুগলির সভা থেকে অভিষেকের আক্রমণের কড়া জবাব দিয়েছেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)।

    ঠিক কী বলেছেন অভিষেক?

    শনিবার ভোটের দিন ঘোষণা হয়। এরমধ্যে পশ্চিমবঙ্গে সাত দফায় ভোট করা হবে বলে জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন। ইতিমধ্যেই একে ওপরের বিরুদ্ধে সুর চড়াতে শুরু করেছে রাজনৈতিক দলগুলো। শনিবার বিজেপির প্রার্থী নিয়ে কটাক্ষ করতে শোনা যায় তৃণমূলের সর্ব ভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে। তৃণমূলের ‘দলের আবর্জনাদের’ প্রার্থী করা হচ্ছে বলে দাবি করেন তিনি। শনিবার মেদিনীপুরের একটি সভা থেকে বিজেপির প্রার্থী নিয়েও কটাক্ষ করেন তৃণমূল সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বলেন, “বিজেপি বসে আছে তৃণমূল থেকে উচ্ছিষ্টরা কখন বের হবে তাদের মাথায় নিয়ে প্রার্থী করবে।”

    অভিষেককে জবাব দিলেন শুভেন্দু (Suvendu Adhikari)

    রাজ্যে সাত দফায় ভোট প্রসঙ্গে হুগলির ভদ্রেশ্বরে জনসভা থেকে শুভেন্দু (Suvendu Adhikari) বলেন,পশ্চিমবঙ্গে একাধিক জায়গা সন্ত্রাস কবলিত বলেই কমিশন সাত দফায় ভোট করাচ্ছে। অভিষেকের বক্তব্য প্রসঙ্গে বলতে গিয়ে হুগলির সভা থেকে শুভেন্দু অধিকারী বলেন, “ওঁকে আমি জিজ্ঞাসা করব, আপনার দলে যাদের প্রার্থী করেছেন সেই বিধায়করা কোন দলের। আপনার প্রার্থী তালিকায় বিজেপি থেকে লোককে নিয়ে গিয়ে প্রার্থী করতে হয়েছে, কৃষ্ণ কল্যাণী, বিশ্বজিৎ দাস, মুকুটমণি অধিকারী কোন দলের এমএলএ? কাচের ঘরে বসে ঢিল মারার দরকার নেই। আপনার এই ঠকবাজি বিদ্যা সবাই জেনে গিয়েছে।”

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Suvendu Adhikari: “নাগরিকত্ব গেলে আমি বিধায়ক পদ থেকে ইস্তফা দেব”, মমতাকে চ্যালেঞ্জ শুভেন্দুর

    Suvendu Adhikari: “নাগরিকত্ব গেলে আমি বিধায়ক পদ থেকে ইস্তফা দেব”, মমতাকে চ্যালেঞ্জ শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সম্প্রতি দেশে নাগরিকত্ব সংশোধনী আইন কার্যকর হয়েছে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের দফতর থেকে। বাংলাদেশ, পাকিস্তান এবং আফগানিস্তান থেকে আগত নিপীড়িত হিন্দু, বৌদ্ধ, শিখ, জৈন, খ্রিষ্টান, শিখ, পারসি ধর্মের মানুষেরা নাগরিকত্বের জন্য আবেদন করতে পারবেন। কিন্তু রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী সিএএ-এর বিরুদ্ধে নিজের বিভ্রান্তিকর মতকে প্রচার প্রসার চালাচ্ছেন বলে অভিযোগ করছে বিজেপি। রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) এই বার মমতাকে খোলা চ্যালেঞ্জ করে বলেন, “কারোর নাগরিকত্ব গেলে আমি ইস্তফা দেব।”

    কী বললেন শুভেন্দু (Suvendu Adhikari)?

    সিএএ নিয়ে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় অপপ্রচার করছেন। সমাজে বিভ্রান্তি তৈরি করে আইনকে ভুল ব্যাখ্যা করছেন। এই নিয়ে তাঁকে তীব্র সমালোচনা করেছেন দেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। আজ একই ভাবে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীকে কটাক্ষ করে রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) বলেন, “জাতীয় নিরপাত্তার বিষয় নিয়ে তৃণমূল নেত্রী রাজনীতি করছেন। আপনি তোষণের রাজনীতি করছেন। শরণার্থীদের নাগরিকত্ব দিতে না চাইলে আপনার পাশে কেউ থাকবে না। সিএএ চালু হওয়ার পর কারোর নাগরিকত্ব গেলে আমি বিধায়ক পদ থেকে ইস্তফা দেবো। না হলে আপনি দেবেন তো? সিএএ লাগু হয়েছে কাউর নাগরিকত্ব যাবে না।”

    উদ্বাস্তু মতুয়াদের নাগরিকত্ব নিয়ে অপপ্রচার

    নাগরিকত্ব সংশোধনী আইন কার্যকর হওয়ার পর থেকেই রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী বিরোধিতা করেছেন বলে মমতাকে তোপ দেগেছেন শুভেন্দু (Suvendu Adhikari)। মমতা হাবড়ার সভা থেকে বলেন, “সিএএ-এর সঙ্গে এনআরসি যুক্ত। আপনারা আবেদন করলেই নাগরিকত্ব বাতিল হয়ে যাবে। এটা এনআরসির সঙ্গে সম্পর্কিত। আপনাদের ডিটেনশেন ক্যাম্পে নিয়ে যাবে। এই আবেদন করতে গেলে বারবার ভাববেন।” উল্লেখ্য মুখ্যমন্ত্রী নিজে কেন্দ্রের ইউপিএ সরকারের আমলে সংসদে রাজ্যের অনুপ্রবেশ সমস্যা নিয়ে পার্লামেন্টে প্রশ্ন তুলেছিলেন। সিপিএম বাংলাদেশী অনুপ্রবেশকারীদের ভোটে রাজ্যে সরকার গড়ে, এই অভিযোগে সরব হয়েছিলেন। ক্ষমতায় আসার আগে উদ্বাস্তু মতুয়া নাগরিকদের নাগরিকত্ব নিয়ে কথা বললেও, মা মাটির সরকার গঠনের পর নাগরিকত্ব নিয়ে একবারে উল্টো মেরুতে অবস্থান করছেন বলে রাজনীতির একাংশের মানুষ মনে করছেন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Suvendu Adhikari: দেড় বছর অপেক্ষা নয়, তার আগেই বিধানসভার ভোট, জনসভায় জানিয়ে দিলেন শুভেন্দু

    Suvendu Adhikari: দেড় বছর অপেক্ষা নয়, তার আগেই বিধানসভার ভোট, জনসভায় জানিয়ে দিলেন শুভেন্দু

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পুরো পরিবারটাই দুর্নীতিতে যুক্ত। এবার লোকসভায় যে আসন সংখ্যা বিজেপি পেতে চলেছে আর দেড় বছর অপেক্ষা করতে হবে না, তার আগেই বিধানসভা ভোট হবে। বুধবার নদিয়ার রানাঘাটে প্রকাশ্য জনসভা থেকে রাজ্য সরকারকে এভাবেই কড়া হুঁশিয়ারি দিলেন বিধানসভার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)।

    মুখ্যমন্ত্রীর ভাই বাবুনকে নিয়ে কী বললেন শুভেন্দু? (Suvendu Adhikari)

    নদিয়ার দক্ষিণ সাংগঠনিক জেলার পক্ষ থেকে এদিন রানাঘাটে একটি জনসভার আয়োজন করা হয়। সেখানেই প্রধান বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিজেপি নেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। তিনি বক্তব্য দিতে গিয়ে  রাজ্য সরকারকে কড়া আক্রমণ করেন। এরপরেই সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে তিনি বলেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পরিবারে এখন ভাগাভাগি নিয়ে ঝামেলা বেধেছে। ভাইপো বেশি পাবে, না ভাই বেশি পাবে তা সামলাতেই ব্যস্ত পিসি। পুরো পরিবারটাই দুর্নীতির সঙ্গে যুক্ত।  ২০১১ সালে ক্ষমতায় আসার পর হরিশ চ্যাটার্জী স্ট্রিট এবং কালীঘাট সম্পূর্ণ দখল করে নিয়েছে মমতার পরিবার। শুধু তাই নয়। ক্রীড়া থেকে শুরু করে বিভিন্ন জায়গায় মমতার পরিবার জোর করে দখল নিয়েছে। আর এই সম্পূর্ণটাই হয়েছে মুখ্যমন্ত্রীর দৌলতে। মুখ্যমন্ত্রীর ভাই বাবুনকে উদ্দেশ্য করে তিনি বলেন, বিজেপি সম্পর্কে আর একটাও কুকথা বলেন তাহলে গত দুইদিন ধরে বিজেপির সঙ্গে তিনি কী কী আলোচনা করেছেন তা সম্পূর্ণ ফাঁস করে দেব।

    আরও পড়ুন: সিএএ-র প্রতিবাদে শিলিগুড়িতে মহামিছিলের ডাক দিয়েও পিছিয়ে এলেন মুখ্যমন্ত্রী!

    সিএএ নিয়ে রাজ্যকে তোপ

    সিএএ নিয়েও রাজ্য সরকারকে কড়া আক্রমণ করেন শুভেন্দু অধিকারী। তিনি (Suvendu Adhikari) বলেন, ২০১৯ সালে ঠাকুরবাড়িতে এসে দেশের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি কথা দিয়েছিলেন তার ক্ষমতা শেষ হওয়ার আগেই তিনি সিএএ লাগু করে যাবেন। আর সেই কথা তিনি রেখেছেন। মতুয়া ঠাকুরবাড়ির দীর্ঘদিনের লড়াই আজ সফল হয়েছে। দেশের সকল সাধারণ মানুষ বুঝতে পেরেছে এটা নাগরিকত্ব কেড়ে নেওয়ার আইন নয়, নাগরিকত্ব দেওয়ার আইন। রাজ্য সরকার যতই চক্রান্ত করুক কোনও কাজ হবে না। পাশাপাশি লোকসভা নির্বাচন নিয়ে তিনি বলেন, আগামী লোকসভা নির্বাচনে আমরা যে সংখ্যক আসন পেতে চলেছি তাতে করে আর দেড় বছর বিধানসভা ভোটের জন্য অপেক্ষা করতে হবে না। তার আগেই বিধানসভা ভোট হবে। শুধু সবাইকে বলবো, তৃণমূলের মতো খারাপ ব্যবহার করবেন না। মাথা ঠান্ডা রাখবেন। সাধারণ মানুষের সঙ্গে ভালো ব্যবহার করবেন।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Suvendu Adhikari: ‘ভুল বোঝানো হচ্ছে”, সিএএ নিয়ে মুসলিমদের পাশে থাকার বার্তা দিলেন শুভেন্দু

    Suvendu Adhikari: ‘ভুল বোঝানো হচ্ছে”, সিএএ নিয়ে মুসলিমদের পাশে থাকার বার্তা দিলেন শুভেন্দু

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সিএএ কার্যকরী হতেই জেলায় জেলায় খুশির বন্যা বইছে। মতুয়ারা রাস্তায় নেমে ডঙ্কা বাজিয়ে মিছিল করেছেন। এরমধ্যে তৃণমূল সিএএ নিয়ে আসরে নেমে পড়েছে। নানাভাবে ভুল বোঝানোর চেষ্টা করছেন। এমনই অভিযোগ বিজেপির। আর তাই বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) সিএএ নিয়ে এবার মুখ খুলেছেন। মঙ্গলবার তমলুকে তিনি বলেন, সিএএ কার্যকর হওয়ায় কোনও মুসলিম যদি বিপদে পড়েন তাঁর পাশে থাকবেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা। মুসলমানদের ভুল বুঝিয়ে কাজ হবে না।

    কী বললেন বিরোধী দলনেতা? (Suvendu Adhikari)

    এদিন শুভেন্দুবাবু (Suvendu Adhikari) বলেন, ‘ সিএএ কার্যকর হওয়ায় কোনও অশান্তি হবে না। সংখ্যালঘু মুসলিমরা বুঝেছেন এটা কারও নাগরিকত্ব কেড়ে নেওয়ার আইন নয়। আমি আপনাদের মাধ্যমে রাজ্যের বিরোধী দলনেতা, স্বীকৃত পদে থেকে বলছি, একজন মুসলিমও যদি কোনও অসুবিধার মধ্যে পড়েন আপনার জন্য রাজ্যের বিরোধী দলনেতা আছে। এই আইন সম্পূর্ণভাবে উদ্বাস্তু হিন্দুদের সম নাগরিকত্বের আইন। কারও কাছ থেকে নাগরিকত্ব কেড়ে নেওয়ার আইন নয়। ভুল বুঝিয়ে কাজ হবে না। গতকাল রাতে লাগু হয়েছে। ১০ ঘণ্টা হয়ে গেছে। কার নাগরিকত্ব গেছে? এক জনকেও দেখাতে পারলে আমি নাকে খদ দেব’।

    মতুয়ারা উচ্ছ্বাসে মেতে ওঠেন

    সিএএ আইন কার্যকর হতেই সোমবারের মতো মঙ্গলবারও ঠাকুরনগরের উচ্ছ্বাস এবং আবেগে মেতে ওঠেন মতুয়ারা। একে উদ্বাস্তু হিন্দু বাঙালি সমাজের কাছে গৌরবের দিন বলে উল্লেখ করেছেন মতুয়া সমাজের মানুষ। ইতিমধ্যে এলাকার মানুষ ঢাক-ঢোল, কাঁসর নিয়ে ঠাকুর বাড়ির মন্দিরে নেমে পড়েন। সকলে মিষ্টিমুখ করেন। পুরুষ-মহিলা সকলে এই আনন্দ উচ্ছ্বাসে যোগদান করেন। মতুয়া সমাজের ঠাকুরনগরের বাসিন্দারা বলেন, “আমরা ভীষণ খুশি, আমাদের দীর্ঘ দিনের প্রতীক্ষার অবসান ঘটল। প্রধানমন্ত্রী নিজে আমাদের মতো শরণার্থীদের কথা ভেবেই আইন করেছেন এবং তাকে বাস্তবায়িত করলেন। আমরা নরেন্দ্র মোদিকে প্রধানমন্ত্রী পেয়ে অত্যন্ত গর্বিত। নাগরিকত্ব নিয়ে আমরা এখন সম্মানের সঙ্গে বসবাস করব।”

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Abhijit Gangopadhyay: বর্গভীমা মন্দিরে পুজো দিয়ে তৃণমূলকে বিসর্জনের ডাক অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের

    Abhijit Gangopadhyay: বর্গভীমা মন্দিরে পুজো দিয়ে তৃণমূলকে বিসর্জনের ডাক অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনে দুর্নীতিগ্রস্ত তৃণমূল সরকারকে বিসর্জন দেওয়ার হুঙ্কার দিলেন হাইকোর্টের প্রাক্তন বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় (Abhijit Gangopadhyay)। তিনি পূর্ব মেদিনীপুরের তমলুকে মা বর্গভীমা মন্দিরে পুজো দিয়ে তৃণমূল সরকারকে নিশানা করলেন আজ। তিনি খুব স্পষ্ট করে সাধারণ মানুষকে বললেন, “৫০০-১০০০ দিয়ে প্রতিদিন ১ কোটি টাকা চুরি করছে তৃণমূল।” আগামী লোকসভা নির্বাচনে বিজেপি প্রার্থী হয়ে তৃণমূলকে হারানোর সঙ্কল্প আগেই নিয়েছিলেন এই প্রাক্তন বিচারপতি। যদিও দলের তরফ থেকে এই কেন্দ্রের বিজপি প্রার্থীর নাম ঘোষণা করা হয়নি। 

    কী বললেন বিচারপতি (Abhijit Gangopadhyay)?

    তমলুকে গিয়ে প্রাক্তন বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় (Abhijit Gangopadhyay) বলেন, “আমার একটা আবেদন থাকবে, তৃণমূলকে একটাও ভোট নয়। তৃণমূলের জালিয়াতি এবং দুর্নীতি দেখলাম। এই দুর্নীতিগ্রস্ত সরকারকে সরিয়ে ২০২৬ সালে পশ্চিমবঙ্গের ক্ষমতায় আসতে হবে। ৫০০-১০০ টাকা দিচ্ছে, প্রতিদিন এক কোটি টাকা করে চুরি করছে। এটাকে ধ্বংস করতে হবে। আগে নাম ঘোষণা হোক, তারপর তো সংসদে যাবো।”

    সিএএ নিয়ে মন্তব্য

    একই ভাবে সিএএ প্রসঙ্গে এদিন নন্দীগ্রামে গিয়ে অভিজিৎবাবু (Abhijit Gangopadhyay) বলেন, সিএএ-তে কারও নাগরিকত্ব হারানোর ভয় নেই। ডিটেনশন ক্যাম্পের কোনও প্রশ্ন নেই। মুখ্যমন্ত্রী ভুল ব্যাখ্যা করছেন। উনি সবসময় মিথ্যা কথা বলেন। এই বিষয়ে মুখ্যমন্ত্রী বেশ পটু। সত্যটা সামনে এসে গেছে, এরপর কোথাও আর মুখ দেখাতে পারবেন না মমতা।” 

    শুভেন্দুর বক্তব্য

    এই প্রাক্তন বিচারপতি নিজে রাজ্য সরকারের দুর্নীতির বিরুদ্ধে ব্যাপক ভাবে কড়া অবস্থান নিয়েছিলেন। নিজে সকল প্রকার দুর্নীতির বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করেছেন অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় (Abhijit Gangopadhyay)। বিচারপতির পদ থেকে ইস্তফা দিয়ে বিজেপিতে যোগদান করেছেন তিনি। আজ তমলুকে গেলে তাঁকে স্বাগত জানান বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। শুভেন্দু এদিন তাঁর সম্পর্কে বলেন, “অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়কে মানুষ গ্রহণ করেছেন। সমস্যায় পড়ছে তোলামূলেরা। এই সব মানুষ রাজনীতিতে এলে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কী অবস্থা হতে পারে তা কেবল মমতাই বুঝতে পেরেছেন।” একই ভাবে তমলুকের তৃণমূলের প্রার্থী দেবাংশু ভট্টাচার্য সম্পর্কে বলেন, “এক দিকে গঙ্গা অন্যদিকে নর্দমা।”

    জেলার দলীয় কার্যালয়ে বৈঠক

    অপর দিকে বিজেপির তরফ থেকে এখনও তমলুক লোকসভা কেন্দ্রের প্রার্থী ঘোষণা করা হয়নি। কিন্তু এলাকার উৎসাহী বিজেপি কর্মীরা প্রাক্তন বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের (Abhijit Gangopadhyay) নামে লোকসভার ভোটের প্রচারের দেওয়াল লিখন শুরু করে দিয়েছেন। এই আবহের মধ্যেই তাঁর তমলুকে একধিক কর্মসূচিতে যোগদান বেশ গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছেন রাজনীতির একাংশের মানুষ। পাশপাশি জেলার দলীয় কার্যালয়ে বৈঠক করে নন্দীগ্রামে যান অভিজিৎবাবু।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Sandeshkhali: “খেলা হল বিহারে, ভাইপো যাবে তিহারে”, সন্দেশখালিতে তৃণমূলকে কড়া আক্রমণ সুকান্তর

    Sandeshkhali: “খেলা হল বিহারে, ভাইপো যাবে তিহারে”, সন্দেশখালিতে তৃণমূলকে কড়া আক্রমণ সুকান্তর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ব্রিগেডে তৃণমূলের জনগর্জন সভার দিনই সন্দেশখালিতে ঝড় তুললেন সুকান্ত-শুভেন্দু জু়টি। তৃণমূল সরকারকে তুলোধনা করার পাশাপাশি মমতাকে তীব্র আক্রমণ করেন তাঁরা। ১০ মার্চ সন্দেশখালিতে (Sandeshkhali) সভা করার ডাক দিয়েছিলেন শুভেন্দু। কিন্তু, পুলিশ অনুমতি দেয়নি। এরপরেই সন্দেশখালিতে সভা করতে চেয়ে কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হন বিরোধী দলনেতা। বিজেপিকে সভা করার অনুমতি দেয় আদালত। কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি জয় সেনগুপ্তর বেঞ্চ জানায়, আগামী ১০ মার্চ অর্থাৎ রবিবার সন্দেশখালি গিয়ে সভা করতে পারবেন শুভেন্দু। সেই মতো এদিন ন্যাজাটের দক্ষিণ আক্রাতলায় সভা করেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার। সঙ্গে ছিলেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। নৌকায় করে সভার পথে বিজেপি কর্মী-সমর্থকেরা বিজেপির সভায় যোগ দেন। জনসভায় কর্মী-সমর্থকদের ভিড় উপচে পড়েছিল।

    কর্মীদের কী বার্তা দিলেন সুকান্ত? (Sandeshkhali)  

    এদিন সন্দেশখালির ন্যাজাটের সভায় বক্তব্য রাখতে উঠেই তৃণমূলের সেকেন্ড-ইন-কমান্ড অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে আক্রমণ করলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার। বিহারে ভাইপো তেজস্বীকে ছেড়ে নীতীশ কুমারের বিজেপিতে যোগদানের প্রসঙ্গ উল্লেখ করে সুকান্ত স্লোগান দেন, “খেলা হল বিহারে, ভাইপো যাবে তিহারে।” জনতার উদ্দেশে আর্জি জানিয়ে সুকান্ত বলেন, বসিরহাট থেকে জিততে সন্দেশখালি বিধানসভায় বিজেপি প্রার্থীর সমর্থনে এক লক্ষ ভোটের লিড চাই। তাই, দলীয় প্রার্থীকে জেতাতে সেই লক্ষ্যমাত্রা পূরণ করার তিনি আর্জি জানান। ব্রিগেডে জনগর্জনের সভা থেকে বিজেপিকে বাংলা-বিরোধী বলে তোপ দেগেছিল তৃণমূল। ন্যাজাটের সভা থেকে পাল্টা দিল বিজেপি। সুকান্ত বলেন, নরেন্দ্র মোদি বহিরাগত? মোদি বেশি বাঙালি। তিনি বাংলার মা-বোনেদের সম্মান দিতে জানেন। সব চোর ব্রিগেডে গিয়েছে বলেও কটাক্ষ করেন তিনি। লোকসভা নির্বাচনে মানুষ তৃণমূলকে শিক্ষা দেবে বলে জানিয়ে সুকান্ত অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে কটাক্ষ করে বলেন, “আগামীর রায়, চোর ভাইপোর বিদায়।”

    সারা রাজ্যে ২৫- ৩০টি সন্দেশখালি রয়েছে!

    ন্যাজাটের (Sandeshkhali) সভা থেকে শাহজাহান শেখকে তোপ দেগে শুভেন্দু বলেন, “শুধু শাহজাহানকে গ্রেফতার করলেই চলবে না।”বেশ কয়েকটি নাম উল্লেখ করে শুভেন্দুর দাবি, এঁদেরকেও গ্রেফতার করতে হবে। শুভেন্দুর আরও দাবি, নরেন্দ্র মোদি গরিব মানুষকে যে রেশন সামগ্রী দিয়েছিলেন, তা লুট করেছে শাহজাহান বাহিনী। মুখ্যমন্ত্রীকে ‘শাহজাহানের মাসি’ বলেও কটাক্ষ করেন বিরোধী দলনেতা। আর এই সন্দেশখালির সঙ্গে গোটা ভারতবর্ষ রয়েছে বলে তিনি জানান। একইসঙ্গে তিনি বলেন, সারা রাজ্যে ২৫- ৩০টি সন্দেশখালি রয়েছে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Ram Navami: ঠেলার নাম বাবাজি! ভোটের মুখে রামনবমীতেও ছুটি ঘোষণা করতে বাধ্য হলেন মমতা

    Ram Navami: ঠেলার নাম বাবাজি! ভোটের মুখে রামনবমীতেও ছুটি ঘোষণা করতে বাধ্য হলেন মমতা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রথমবার রামনবমীতে (Ram Navami) ছুটি ঘোষণা হল পশ্চিমবঙ্গে। শনিবারই নবান্ন এ নিয়ে বিজ্ঞপ্তি জারি করেছে। প্রসঙ্গত, চলতি বছরের রামনবমী অনুষ্ঠিত হবে ১৭ এপ্রিল। ওই দিন জরুরী পরিষেবা বাদ দিয়ে রাজ্যের সরকারি এবং সরকার পোষিত সমস্ত প্রতিষ্ঠানের ছুটি থাকবে। অর্থাৎ স্কুল, কলেজ অফিস কাছারি সবকিছুই বন্ধ থাকবে। রাজনৈতিক মহলের একাংশের ধারণা, যেভাবে রামের নামে মেতেছে সারা দেশ, তাতে একপ্রকার বাধ্য হয়েই ছুটি দিল মমতা সরকার।

    রামনবমীকে কেন্দ্র করে বাংলায় জনজোয়ার

    রামনবমীকে (Ram Navami) কেন্দ্র করে বাংলাতে জনজোয়ার বিগত বছরগুলোতেই দেখা গিয়েছিল। দলে দলে ভক্তরা রাস্তায় নেমে রামের নামে মেতে ওঠে। যুব সমাজ মাথায় গেরুয়া ফেট্টি পরে রাম গানে নাচতে থাকে। ২০১৮ সালে পাল্টা রাম নবমীর ঘোষণা করে তৃণমূল কংগ্রেস। কিন্তু তা একেবারেই ফ্লপ হয়ে যায়। চলতি বছরের জানুয়ারি মাসের ২২ তারিখ উদ্বোধন হয়েছে রাম মন্দিরের। দেশজুড়ে ভক্তরা উচ্ছ্বাসে মেতেছেন। উদ্বোধনের দিন দেশের অনেক রাজ্যেই ছুটির ঘোষণা করে সংশ্লিষ্ট সরকার। বিজেপি সমেত একাধিক সংগঠন সেসময় পশ্চিমবঙ্গেও ছুটির আবেদন করে। কিন্তু তা মানেনি তৃণমূল সরকার। পাল্টা তৃণমূলের তরফে ভেসে আসে নানা মন্তব্য। অবশেষে রামনবমীতে ছুটি দিতে বাধ্য হল তৃণমূল সরকার।

    কী বলছে বিজেপি? 

    এনিয়ে কটাক্ষ ভেসে এসেছে বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর পোস্টে। রামনবমীর (Ram Navami) ছুটি ঘোষণা নিয়ে তিনি লেখেন, ‘‘ঠেলায় না পড়লে বিড়াল গাছে ওঠে না।’’ শুভেন্দু লেখেন, ‘‘চৈত্র মাসের শুক্লপক্ষের নবমী তিথিতে শ্রী রাম নবমী উৎসবের দিন মর্যাদা পুরুষোত্তম শ্রী রামচন্দ্রের সম্মানে এই প্রথম বার রাজ্য সরকার ছুটি ঘোষণা করল। আমি জানুয়ারি মাসে রাম নবমীর দিন ছুটি না দেওয়ার জন্য রাজ্য সরকারের সমালোচনা করেছিলাম, আজ রাজ্য সরকার বাধ্য হয়ে ছুটি ঘোষণা করল। জয় শ্রীরাম।’’ শমীক ভট্টাচার্য বলেন, ‘‘ভোটের আগে কেন এই ঘোষণা নবান্ন করল, তা সবাই বুঝতে পারছে। মানুষ অত বোকা নয়।’’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Tapas Roy: ‘‘বিজেপি নিয়ে কোনও কু-কথা শুনব না’’, তৃণমূলকে হুঁশিয়ারি তাপস রায়ের

    Tapas Roy: ‘‘বিজেপি নিয়ে কোনও কু-কথা শুনব না’’, তৃণমূলকে হুঁশিয়ারি তাপস রায়ের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সদ্য তৃণমূল-ত্যাগী তাপস রায়ের (Tapas Roy) পরবর্তী রাজনৈতিক গতিবিধি নিয়ে জোর চর্চা চলছে। সূত্রের খবর, সবকিছু ঠিকঠাক থাকলে দলত্যাগী বিধায়ক কিছুক্ষণের মধ্যেই (প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত) যোগ দেবেন বিজেপিতে। বিজেপির পতাকা তুলে নেবেন শুভেন্দু-সুকান্তর হাত থেকে। তৃণমূল ত্যাগী বিধায়ক তাপস রায় (Tapas Roy) জানিয়েছেন, বিজেপির অনেকেই তাঁর সঙ্গে যোগাযোগ করেছেন। সুকান্ত মজুমদার ও শুভেন্দু অধিকারীর সঙ্গেও তাঁর কথা হয়েছে। সংবাদমাধ্যমের সামনে তৃণমূলকে হুঁশিয়ারি দিয়ে তাপস বলেন, ‘‘বিজেপি নিয়ে কোনও কু-কথা শুনব না।’’ ওয়াকিবহাল মহলের ধারণা, তাপস রায়ের মতো স্বচ্ছ ইমেজের দক্ষ সংগঠক বিজেপিতে যোগদান করলে লোকসভা ভোটের আগে কলকাতায় বেশ বেকায়দায় পড়বে শাসক দল।

    কী বললেন তাপস রায় (Tapas Roy)? 

    এর পাশাপাশি তিনি এও বলেন, ‘‘অমিত মালব্যজি, মঙ্গল পাণ্ডেজি আমার সঙ্গে যোগাযোগ করেছিলেন।’’  নিজের (Tapas Roy) পুরনো দল তৃণমূল সম্পর্কে তাঁর মন্তব্য, ‘‘বিজেপি নিয়ে আমি কোনও কু-কথা শুনতে চাই না, আমার পুরনো কলিগদের কাছ থেকে। তবে জেনে রাখুন, ওরা যদি কুকথা বলে তাহলে আমিও পাল্টা প্রতিক্রিয়া জানাব।’’ তাঁর আরও সংযোজন, ‘‘আমি ব্যক্তি আক্রমণে বিশ্বাসী নই। তবে বিজেপি বা বিজেপি নেতাদের নিয়ে আমাকে কেউ আক্রমণ করলে আমি কিন্তু চুপ করে বসে থাকব না। পাল্টা প্রতিক্রিয়া জানাব।’’

    কেন তৃণমূল ছাড়লেন তাপস?

    উত্তর কলকাতার সাংসদ সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে তোপ দেগে তৃণমূল ছেড়েছেন তাপস রায় (Tapas Roy)। অভিযোগ করেছেন, তাঁর বাড়িতে ইডি হানার দিন, মিষ্টিমুখ পর্ব চলেছে সুদীপের বাড়িতে। তাপসের চাঞ্চল্যকর দাবি, কেন্দ্রীয় এজেন্সি তাঁর বাড়িতে আসার নেপথ্যে নাকি সুদীপেরই হাত ছিল। বরানগরের প্রাক্তন বিধায়ক নিশানা করেছেন দলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কেও। ইডি হানার পরে একবারও ফোন করেননি দলনেত্রী, এমনটাই অভিযোগ তাপসের। প্রসঙ্গত, তৃণমূল ত্যাগ করার আগে তিনি সমস্ত সরকারি ও দলীয় পদ ছেড়ে দেন। বিধায়ক পদ থেকে ইস্তফা দিয়ে তিনি নিজেকে মুক্ত-বিহঙ্গ বলেও দাবি করেন।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share