Tag: Suvendu Adhikari

Suvendu Adhikari

  • Suvendu Adhikari: ‘‘একটি ক্যামেরা লাগাতে খরচ ৩.৫ লক্ষ টাকা’’! সিসিটিভি-দুর্নীতি নিয়ে বিস্ফোরক শুভেন্দু

    Suvendu Adhikari: ‘‘একটি ক্যামেরা লাগাতে খরচ ৩.৫ লক্ষ টাকা’’! সিসিটিভি-দুর্নীতি নিয়ে বিস্ফোরক শুভেন্দু

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আরজি করকাণ্ডের পর সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে রাজ্যের সরকারি মেডিক্যাল কলেজগুলিতে সিসিটিভি ক্যামেরা লাগানোয় ব্যাপক দুর্নীতি হয়েছে বলে দাবি করলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। সোশ্যাল মিডিয়ায় নথি পেশ করে শুভেন্দুবাবু দাবি করেছেন, আরামবাগ মেডিক্যাল কলেজে একটি সিসিটিভি ক্যামেরা লাগানোর খরচ দেখানো হয়েছে ৩ লক্ষ ৫২ হাজার টাকা। শুভেন্দুবাবু লিখেছেন, অবিশ্বাস্য, নির্লজ্জ। প্রত্যেকে জানেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকার দুর্নীতিগ্রস্ত। কিন্তু এবার তারা নিজেরাই নিজেদের ছাপিয়ে গিয়েছে।

    আরও পড়ুন: ভারতে আগেই ‘মোস্ট ওয়ান্টেড’! নিজ্জর-ঘনিষ্ঠ খালিস্তানপন্থী জঙ্গি নেতা গ্রেফতার কানাডায়

    কী অভিযোগ করলেন শুভেন্দু? (Suvendu Adhikari)

    রাজ্যের মেডিক্যাল কলেজগুলিতে মহিলা চিকিৎসক ও নার্সদের সুরক্ষার জন্য সুপ্রিম কোর্ট নিরাপত্তা বৃদ্ধির নির্দেশ দেওয়ার পর সিসিটিভি লাগানো নিয়ে রাজ্য সরকারের আইনজীবীরা সর্বোচ্চ আদালতে অনেক গলাবাজি করেছেন। এরপর স্বাস্থ্য দফতর সিসিটিভি লাগাতে টেন্ডার জারি করে। আর হাসপাতালে সেই সিসি ক্যামেরা লাগানোর নাম করেই তৃণমূল সরকার টাকা তুলছে বলে অভিযোগ শুভেন্দুর। ঝাড়গ্রাম এবং আরামবাগের দুটি হাসপাতালের তথ্য সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করেছেন তিনি। তিনি (Suvendu Adhikari) বলেন, ‘‘ঝাড়গ্রাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ১৯৫টি সিসিটিভি লাগানোর কথা, তাতে মোট খরচ হবে ৩ কোটি ২২ লক্ষ ৫২ হাজার ৯২৩! অর্থাৎ ইউনিট প্রতি খরচ ১ লক্ষ ৬৫ হাজার ৪০০ টাকা। অন্যদিকে, আরামবাগের প্রফুল্লচন্দ্র সেন মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ৫০টি সিসিটিভি লাগাতে হবে। তার জন্য খরচ হবে ১ কোটি ৭৫ লক্ষ ৯৮ হাজার ৭৩৯ টাকা। ইউনিট প্রতি খরচ ৩ লক্ষ ৫১ হাজার ৯৭৪! বিজেপি নেতার স্পষ্ট দাবি, কলেজ-হাসপাতালগুলিতে সিসিটিভি বসানো নিয়ে কাটমানি তুলছে তৃণমূল। গোটা ঘটনাকে অত্যাশ্চর্য, অভাবনীয় বলার পাশাপাশি লজ্জাজনকও বলেছেন শুভেন্দু অধিকারী। তাঁর কথায়, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সরকার যে দুর্নীতিগ্রস্থ তা সকলের জানা। কিন্তু এই কাজ করে তাঁরা সব সীমা ছাড়িয়ে চলে গিয়েছে। এই সঙ্কটজনক পরিস্থিতিকে টাকা কামানোর সুযোগে পরিণত করার জন্য তৃণমূলের হাততালি প্রাপ্য।’’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Suvendu Adhikari: ‘‘বিজেপিকে ভোট দেওয়ায় লক্ষ্মীর ভাণ্ডার বন্ধ করলে ৭ দিনে টাকা উদ্ধার’’, আশ্বাস শুভেন্দুর

    Suvendu Adhikari: ‘‘বিজেপিকে ভোট দেওয়ায় লক্ষ্মীর ভাণ্ডার বন্ধ করলে ৭ দিনে টাকা উদ্ধার’’, আশ্বাস শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: উপনির্বাচনকে (By Election 2024) কেন্দ্র করে সরগরম রাজ্য রাজনীতি। রবিবার তৃণমূল প্রার্থীর হয়ে প্রচারে বেরিয়ে শাসক দলকে ভোট না দিলে লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের টাকা বন্ধ করার হুমকি দেওয়ার অভিযোগ ওঠে বাঁকুড়ার তালডাংরার এক সিভিক ভলান্টিয়ারের বিরুদ্ধে। সেখানেই প্রচারে গিয়ে পালটা হুঁশিয়ারি দিলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। 

    ঠিক কী বলেনছেন শুভেন্দু? (Suvendu Adhikari)

    এদিন বিজেপি প্রার্থীর সমর্থনে এক জনসভায় শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) বলেন, ‘‘বিনপুরের সিভিক ভলান্টিয়ারের ছবি দিয়েছি আমি। বিনপুর থানার সিভিক ভোট চাইতে যাচ্ছে। বলছে, লক্ষ্মীর ভাণ্ডার বন্ধ করে দেব। ওর বাপের টাকা? সরকারের টাকা। আমার জেলায় ১৫টা বিধানসভায় হেরেছে। সৌমিত্র খাঁ জিতেছে। আমাদের এলাকায় একটা মা দিদি বোনের কোনও ভাতা – টাকা – বন্ধ করার ক্ষমতা ওরা দেখাতে পারেনি। আর তালডাংরায় বিজেপিকে ভোট দেওয়ার জন্য যদি একজন মহিলার লক্ষ্মীর ভাণ্ডার বন্ধ হয়, তাহলে শুধু হোয়াটসঅ্যাপে অ্যাকাউন্ট নম্বরটা দেবেন। সুদ সহ টাকা ৭ দিনের মধ্যে যদি আদায় করতে না পারি, বিরোধী দলনেতা আর কোনও দিন আপনাদের কাছে ভোট চাইতে আসবে ন।’’

    সিভিককে তোপ

    এক্স হ্যান্ডেলে কয়েকটি ছবি পোস্ট করে শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) লিখেছেন, ‘‘ইনি ভীম মণ্ডল। বাঁকুড়ার জেলার ইন্দপুর থানার সিভিক ভলান্টিয়ার। দেখা যাচ্ছে, তিনি তালডাংরা বিধানসভা এলাকায় তৃণমূল প্রার্থীর হয়ে প্রচার করছেন। বিরোধী দলনেতার অভিযোগ, ভোট না দিলে লক্ষ্মীর ভাণ্ডার বন্ধ করে দেওয়ার হুমকি দেন এই সিভিক ভলান্টিয়ার। ওর বাপের টাকা? এটা সরকারের টাকা।’’

    কমিশনে বিজেপি

    বাঁকুড়া জেলা বিজেপির তরফে বিষয়টি নির্বাচন কমিশনকে জানিয়ে দ্রুত পদক্ষেপের আর্জি জানানো হয়েছে। সংশ্লিষ্ট দফতরের আধিকারিককে তদন্তের নির্দেশ দিয়েছে নির্বাচন কমিশন। যদিও ইন্দপুর ব্লক তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি রেজাউল খাঁ বলেন, ‘‘আমাদের লোক সবাই। শুধু সিভিক ভলান্টিয়ার কেন? আমাদের লোক, একজন হাইস্কুলের মাস্টার। প্রাইমারি স্কুলের মাস্টার। আশাকর্মী। সবাই আমাদের লোক। মিথ্যা অভিযোগ। আমাদের দলের ছেলেরা প্রচারে বেরিয়েছিল। রাস্তায় দেখা পেয়েছে। তাঁদের সঙ্গে দাঁড়িয়ে কথা বলেছে। ব্যস, এটুকুই। অন্য কিছু নয়। বাঁকুড়ার পুলিশ সুপার জানান, সিভিক ভলান্টিয়ার প্রচার করছেন, এমন কোনও তথ্য আসেনি।’’ ঘটনার বিস্তারিত রিপোর্ট চাওয়া হয়েছে। প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি অভিযুক্ত সিভিক ভলান্টিয়ারের।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Suvendu Adhikari: ‘‘তৃণমূলের রুচিবোধ নিম্নমানের, থ্রেট কালচারের জনক মমতা’’, তোপ শুভেন্দুর

    Suvendu Adhikari: ‘‘তৃণমূলের রুচিবোধ নিম্নমানের, থ্রেট কালচারের জনক মমতা’’, তোপ শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শুক্রবার দুর্গাপুরে জগদ্ধাত্রী পুজোর উদ্বোধনে হাজির ছিলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। সেখানেই মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে থ্রেট কালচারের জনক বলেন তিনি। একই সঙ্গে রেখা পাত্রকে নিয়ে কুরুচিকর মন্তব্য করায় ফিরহাদ হাকিমকেও তোপ দাগেন তিনি। শুভেন্দু বলেন, ‘‘ঝাড়খণ্ডের জামতাড়ায় ইন্ডি জোটের মন্ত্রী ইরফান আনসারি সেখানের এক জনজাতি মা’কে বলেছিলেন, ‘সি ইজ রিজেক্টেড মাল’। আর এপারে তাদের তৃণমূলের মন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম তফশিলি মা’কে বলছেন ‘হেরো মাল’। এদের মানসিকতা, রুচিবোধ ভাষা সংস্কৃতি এতটাই নিম্নমানের। মাতৃশক্তির প্রতি মনোভাব মুখের ভাষা থেকে প্রকাশিত হয়।’’

    ফিরহাদ হাকিমের বক্তব্য ভারতীয়ত্ব ও সনাতনী সংস্কৃতিকে আঘাত করেছে

    শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) বলেন, ‘‘ফিরহাদ হাকিমের এই বক্তব্য ভারতীয়ত্ব ও সনাতনী সংস্কৃতিতে আঘাত করেছে। এই ইস্যু ছাড়ব না। আইনি ব্যবস্থা নেব। অতীতে বহুবার এধরনের আক্রমণ করেছেন। এর আগে মেটিয়াবুরুজে পাকিস্তানি সাংবাদিকদের এনে মিনি পাকিস্তান বলেছিলেন। তারপর রাজ্যের (West Bengal) ৫০ শতাংশের বেশি মানুষকে উর্দুতে কথা বলাতে চেয়েছিলেন। তারপর তিনি নিজের ধর্মকে সৌভাগ্য বলে যারা ওই ধর্মে যায়নি, তাদের দুর্ভাগ্যবান বলেছেন।’’ তিনি আরও বলেন, ‘‘রেখা পাত্র আদালতে গিয়েছেন। রেখা পাত্র জিতবেন। যে কারণে দেবাশিস ধরের মনোনয়ন বাতিল করেছিল, সেই একই গ্রাউন্ডে হাজি নুরুলের মনোনয়নও বাতিল হবে। রেখা পাত্র আদালতে জিতবে। উপনির্বাচন হবে না।’’

    রেখাকে নিয়ে কুমন্তব্যে শুরু হয় বিতর্ক

    প্রসঙ্গত, ভোটমুখী ঝাড়খণ্ডের জামতাড়ায় নির্বাচনী প্রচার সভা থেকে বিজেপির জনজাতি প্রার্থী সীতা সোরেনকে কটুক্তি করেন সেরাজ্য়ের ইন্ডি জোটের মন্ত্রী ইরফান আনসারি। এরই মাঝে রাজ্যের পুর ও নগরোন্নয়নমন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম বিজেপির তফশিলি মোর্চার নেত্রী রেখা পাত্রকে একই ভাষায় কটুক্তি করেন। তাই নিয়ে রাজ্য রাজনীতিতে বিতর্ক শুরু হয়। ইতিমধ্যে রাজ্যের বিভিন্ন থানায় তফশিলি মহিলারা এফআইআর দায়ের করেছেন। এমনকি জাতীয় মহিলা কমিশন ও তফশিলি কমিশনেও অভিযোগ দায়ের হয়েছে। রেখা পাত্রও আদালতের দ্বারস্থ হয়েছেন।

    সময় এসেছে হিন্দুদের ঐক্যবদ্ধ হওয়ার

    এদিন শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) আরও বলেন, ‘‘এবছর দুর্গাপুজোয় ফালাকাটা, গার্ডেনরিচ, হাওড়ার শ্যামপুরে কীভাবে পুজো মণ্ডপে আক্রমণ হয়েছে! মাতৃশক্তি প্রতিরোধ করেছে। তাই সময় এসেছে হিন্দুদের ক্ষমতা দেখানোর। ওরা যে ভাষায় সন্তুষ্ট সেই ভাষায় উত্তর দিতে হবে। হিন্দুদের একমাত্র দেশ ভারতবর্ষ। কেউ কেউ ধর্ম নিরপেক্ষতার নামে হিন্দুদের বিভাজন করতে চাইছে। তাই সময় এসেছে হিন্দুদের ঐক্যবদ্ধ হওয়ার।’’ প্রসঙ্গত উল্লেখ্য গত কয়েকদিন ধরে বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয়ের এক ছাত্রী থ্রেট কালচারের শিকার। তাঁকে হস্টেলে ঢুকতে দেওয়া হচ্ছে না বলে অভিযোগ (West Bengal)। এপ্রসঙ্গে শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) বলেন, ‘‘মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় থ্রেট কালচারের জনক।’’ 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Firhad Hakim: রেখা পাত্রকে ‘কু-মন্তব্য’ ফিরহাদের! মুখ্যসচিব-ডিজিকে তদন্তের নির্দেশ জাতীয় মহিলা কমিশনের

    Firhad Hakim: রেখা পাত্রকে ‘কু-মন্তব্য’ ফিরহাদের! মুখ্যসচিব-ডিজিকে তদন্তের নির্দেশ জাতীয় মহিলা কমিশনের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হাড়োয়ায় উপনির্বাচনের প্রচারে গিয়ে বিজেপি নেত্রী রেখা পাত্রকে নিয়ে প্রকাশ্য জনসভা থেকে বিতর্কিত মন্তব্য করার অভিযোগ ওঠে ফিরহাদের (Firhad Hakim) বিরুদ্ধে। যা নিয়ে তোলপাড় চলছে রাজনৈতিক মহলে। এবার ফিরহাদ হাকিমের ওই মন্তব্য নিয়ে তদন্ত করার জন্য রাজ্যের মুখ্যসচিব এবং রাজ্য পুলিশের ডিজি-কে নির্দেশ দিল জাতীয় মহিলা কমিশন। আইনি পদক্ষেপ করার জন্য কমিশন নির্দেশ দিয়েছে বলে জানা যাচ্ছে। এই তদন্ত শেষে ৩ দিনের মধ্যে রিপোর্ট দিতে হবে রাজ্যের মুখ্যসচিব এবং রাজ্য পুলিশের ডিজিকে। এসেছে এমনই নির্দেশ।

    ফিরহাদের বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ (Firhad Hakim)

    বৃহস্পতিবার সকালেই ফিরহাদের (Firhad Hakim) বিরুদ্ধে অভিযোগ জানাতে বিধাননগর দক্ষিণ থানার দ্বারস্থ হন বিজেপির বিধাননগরের মণ্ডল সভাপতি সঞ্জয় পয়রা। কিন্তু, পুলিশ অভিযোগ নিতে চায়নি বলে দাবি তাঁর। পরবর্তীতে মেইল মারফত অভিযোগ দায়ের হয় বিধাননগর কমিশনারেটে। যা নিয়ে ক্ষোভ উগরে দিয়েছেন ওই বিজেপি নেতা। তিনি ক্ষোভের সুরে বলেন, “বাংলায় গণতন্ত্র নেই। আইনের শাসন নেই। শাসকের আইন রয়েছে। তাই অভিযোগ নিতে অস্বীকার করল পুলিশ।”

    আরও পড়ুন: আমেরিকার নয়া প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পকে অভিনন্দন হাসিনার, কৌশলী বার্তা আওয়ামী লিগের

    সরব হয়েছেন শুভেন্দু

    ফিরহাদের (Firhad Hakim) মন্তব্য প্রসঙ্গে বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী বলেন, “রেখা পাত্রকে অপমান করার কোনও অধিকার নেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মন্ত্রিসভার সদস্য ফিরহাদ হাকিমের। একজন মহিলা সম্পর্কে ওই শব্দ ব্যবহার করা উচিত হয়নি।”  ‘কু-মন্তব্যের’ জন্য ফিরহাদের বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপ করা উচিত বলেও মন্তব্য করেছেন তিনি। জাতীয় মহিলা কমিশনকে ট্যাগ করে সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করেছেন শুভেন্দু। এরপর প্রধানমন্ত্রীর দফতর, জাতীয় মহিলা কমিশন, জাতীয় তফসিলি জাতি জনজাতি কমিশনকে ট্যাগ করে অভিযোগ জানান। সেই সঙ্গে জাতীয় মহিলা কমিশনের সদস্য অর্চনা মজুমদারকেও ট্যাগ করেন তিনি। তাঁর দাবি, “শুধু একজন মহিলাকে নয়, পৌণ্ড্র ক্ষত্রিয় জনজাতিকেও অপমান করা হয়েছে”।

    সন্দেশখালির মা-বোনেদের অপমান

    এদিকে, শুভেন্দু অধিকারীর অভিযোগের জবাব দিয়ে জাতীয় মহিলা কমিশনের সদস্য অর্চনা মজুমদার জানিয়েছেন, জাতীয় মহিলা কমিশন প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ করবে। তিনি এক্স মাধ্যমে লিখেছেন,”সন্দেশখালির (Sandeshkhali) মহিলাদের ওপর কী অত্যাচার হয়েছে, তা সবাই দেখেছে। এই মন্তব্য তাঁদের সম্মান ক্ষুণ্ণ করেছে। এটা সমাজের জন্য অত্যন্ত বিপজ্জনক।” ফিরহাদের বিরুদ্ধে মুখ খুলেছেন রেখা পাত্রও। তিনি বলেন, “আমাকে যে ভাষায় আক্রমণ করেছেন, সেটা খুব নিন্দনীয়। আমার মতো খেটে খাওয়া পরিবারের মেয়েকে অপমান করা হয়েছে। এই অপমান গোটা সন্দেশখালির মা-বোনেদের অপমান।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • BJP: ‘মাধ্যম’ অফিসে পুলিশি হানা, কড়া প্রতিক্রিয়া দিলেন শুভেন্দু-সুকান্ত-ভারতী

    BJP: ‘মাধ্যম’ অফিসে পুলিশি হানা, কড়া প্রতিক্রিয়া দিলেন শুভেন্দু-সুকান্ত-ভারতী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ‘মাধ্যম’ কমিউনিকেশন প্রাইভেট লিমিটেডের অফিসে (Madhyom) আচমকা পুলিশি হানা এবং ২ সাংবাদিককে গ্রেফতারির ঘটনায় রাজ্যজুড়ে নিন্দার ঝড় বইছে। রাজ্যের বিজেপি নেতৃত্ব যেমন এই ঘটনার নিন্দা করেছে, তেমনি এই ঘটনার খবর পৌঁছে যায় দিল্লিতেও। সেখান থেকেও একের পর এক তীব্র প্রতিবাদ ভেসে আসতে থাকে। ইতিমধ্যেই, অমিত মালব্য এই ঘটনার কড়া প্রতিক্রিয়া দিয়েছেন। রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী, কেন্দ্রীয় মন্ত্রী তথা বিজেপির (BJP) রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার এক্স হ্যান্ডেলে কড়া নিন্দা জানিয়েছেন। প্রাক্তন আইপিএস তথা বিজেপি নেত্রী ভারতী ঘোষও কড়া সমালোচনা করেছেন।

    ঠিক কী ঘটেছে? (BJP)  

    সম্প্রতি কালীপুজোতে দক্ষিণদাড়িতে একটি অশান্তিকে কেন্দ্র করে হওয়া ঘটনার প্রতিবেদন মাধ্যম ইউটিউব চ্যানেলে সম্প্রচারিত হয়। তার ভিত্তিতেই পুলিশ স্বতঃপ্রণোদিত হয়ে এফআইআর দায়ের করে মাধ্যম অফিসে তল্লাশি অভিযানে চলে আসে। মঙ্গলবার দুপুরে আচমকা পুলিশের আটজনের একটি দল অফিসে (Madhyom) ঢুকে পড়ে। মূল অভিযোগ, সম্প্রচারিত ওই প্রতিবেদনে ধর্মীয় ভাবাবেগে আঘাত করা হয়েছে। এতে নাকি সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি নষ্ট হতে পারে। মাধ্যম অফিসের কর্মীরা পুলিশকে জানান, সাংবাদিক ঘটনাস্থলে গিয়ে যা যা দেখেছেন, সেটাই প্রতিবেদন আকারে প্রকাশিত হয়েছে। এ কথা বারবার বোঝানো হলেও পুলিশ কোনও কথা শুনতে চায়নি। তারা দীর্ঘক্ষণ ধরে অফিসের কম্পিউটারের খুঁটিনাটি পরীক্ষা করে এবং শেষমেশ অফিসের দুই সাংবাদিককে গ্রেফতার করে লেকটাউন থানায় নিয়ে যায়। একইসঙ্গে একটি কম্পিউটার এবং তার যাবতীয় সরঞ্জাম বাজেয়াপ্ত করে নিয়ে যায়। আজ, বুধবার, ধৃত ২ সাংবাদিককে আদালতে পেশ করার কথা।

    আরও পড়ুন: ভোটে কারচুপি মার্কিন মুলুকে! ট্রাম্পের অভিযোগে শোরগোল আমেরিকায়

    কী বলেছেন শুভেন্দু অধিকারী?

    বিষয়টি প্রকাশ্যে আসতেই বিরোধী দলনেতা (BJP) শুভেন্দু অধিকারী এক্স হ্যান্ডলে রাজ্য সরকারের কড়া সমালোচনা করেছেন। তিনি এক্স হ্যান্ডলে লিখেছেন, ‘‘ মমতার পুলিশ মা কালীর মণ্ডপ রক্ষা করতে ব্যর্থ। সেই সত্যি খবর ‘মাধ্যম’ পোর্টাল সম্প্রচারিত করেছে। আর সেই ভিডিও ভাইরাল হয়ে গিয়েছে। সংবাদ মাধ্যমের কণ্ঠরোধ করার চেষ্টা হচ্ছে।‘‘ 

    মমতার সমালোচনা সুকান্ত

    এই ঘটনা নিয়ে বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার এক্স হ্যান্ডলে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে তীব্র আক্রমণ করেছেন। তিনি লিখেছেন, ‘মাধ্যম’ মাথা উঁচু করে থাকবে। এই লড়াই থামবে না। গণতন্ত্র রক্ষার লড়াইয়ে হীরক রানির বিদায় অবশ্যম্ভাবী।‘‘ 

    একাধিক প্রশ্ন তুললেন ভারতী ঘোষ

    প্রাক্তন আইপিএস তথা বিজেপি নেত্রী ভারতী ঘোষের প্রশ্ন, ‘‘পশ্চিমবঙ্গে কি এমার্জেন্সি জারি হয়েছে? সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা কোথায়? আর কতদিন এই থ্রেট কালচার সহ্য করবে রাজ্যবাসী?’’ 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Suvendu Adhikari: বাংলার ফুটবল ইতিহাসে বেনজির ঘটনা! কেন্দ্রীয়মন্ত্রীকে নালিশ জানালেন শুভেন্দু

    Suvendu Adhikari: বাংলার ফুটবল ইতিহাসে বেনজির ঘটনা! কেন্দ্রীয়মন্ত্রীকে নালিশ জানালেন শুভেন্দু

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাংলার ফুটবল ময়দানে ঢুকে গেল রাজনীতি। বিধানসভা উপনির্বাচনে নৈহাটির তৃণমূল প্রার্থীকে সমর্থন জানিয়ে ভিডিও বার্তা দিয়েছেন ময়দানের তিন প্রধান ক্লাবের কর্তারা। যা বাংলার ময়দানি ফুটবলে বেনজির ঘটনা। এই ঘটনা নিয়ে শোরগোল পড়ে গিয়েছে বাংলার রাজনৈতিক মহলে। এই ঘটনায় সরব হয়েছেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। নির্বাচনী বিধিভঙ্গের অভিযোগ তুলে নিজের এক্স হ্যান্ডেলে পোস্ট করেছেন নন্দীগ্রামের বিধায়ক। তদন্ত এবং হস্তক্ষেপ চেয়ে কেন্দ্রীয় ক্রীড়া ও যুবকল্যাণ মন্ত্রী মনসুখ মাণ্ডব্যকে চিঠি দিয়েছেন তিনি।

    ঠিক কী লিখেছেন শুভেন্দু? (Suvendu Adhikari)

    বিরোধী দলনেতা (Suvendu Adhikari) নিজের এক্স হ্যান্ডেলে কেন্দ্রীয় ক্রীড়া মন্ত্রীকে পাঠানো চিঠি পোস্ট করে লিখেছেন, ‘একটি বেনজির এবং অনৈতিক পদক্ষেপে, মোহনবাগান, ইস্টবেঙ্গল এবং মহামেডান স্পোর্টিংয়ের মতো ফুটবল এবং স্পোর্টিং ক্লাবের কিছু শীর্ষ কর্মকর্তা নৈহাটির আসন্ন বিধানসভা উপনির্বাচনের জন্য তৃণমূল প্রার্থী সনৎ দে-কে সমর্থন করেছেন। আরও আশ্চর্যের বিষয় হল, পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য ফুটবলের গভর্নিং বডির সেক্রেটারি; আইএফএ (ভারতীয় ফুটবল সংস্থা); অনির্বাণ দত্ত সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি ভিডিও বার্তাও প্রকাশ করেছেন যা নির্বাচনের আগে সনৎ দে-এর পক্ষে সমর্থন হিসেবে ব্যাখ্যা করা যেতে পারে।’ তিনি আরও বলেন, ‘আমি বিশ্বাস করি যে স্পোর্টিং ক্লাব এবং গভর্নিং বডিতে গুরুত্বপূর্ণ প্রশাসনিক পদে অধিষ্ঠিত ব্যক্তিদের দ্বারা এই ধরনের নির্লজ্জ রাজনৈতিক সমর্থন প্রার্থীর সঙ্গে ক্লাব এবং গভর্নিং বডির নাম যুক্ত করার একটি অন্যায্য কৌশল, যা সম্পূর্ণরূপে খেলাধূলোর মতো নয় এবং আচরণবিধির লঙ্ঘনও। আমি মাননীয় কেন্দ্রীয় যুব বিষয়ক ও ক্রীড়া মন্ত্রীকে একটি চিঠি লিখেছি, মনসুখ মাণ্ডব্যজিকে অনুরোধ করছি দয়া করে বিষয়টি বিবেচনা করুন, একটি তদন্ত শুরু করুন এবং আচরণবিধি লঙ্ঘনের জন্য উপযুক্ত ব্যবস্থা গ্রহণ করুন।’

    বাংলার ফুটবল ইতিহাসে বেনজির ঘটনা!

    সম্প্রতি, আরজি করকাণ্ডে নির্যাতিতার বিচারের দাবিতে একজোট হয়ে প্রতিবাদ জানিয়েছিল মোহনবাগান, ইস্টবেঙ্গল এবং মহামেডান স্পোর্টিং ক্লাব। তাঁদের সমর্থকরাও কলকাতার রাজপথে প্রতিবাদ মিছিলে শামিল হয়েছিলেন। এবার তৃণমূল প্রার্থীর সমর্থনে কর্তাদের একজোটে ভিডিও বার্তা, বাংলার ফুটবল ইতিহাসে বেনজির ঘটনা। এমনকী তৃণমূল প্রার্থী সনৎ দে-র প্রচারে রাজ্য ফুটবল নিয়ামক সংস্থা আইএফএ কর্তাও। প্রসঙ্গত,পশ্চিমবঙ্গের ছয়টি বিধানসভা আসন – নৈহাটি, মেদিনীপুর, তালডাংরা, সিতাই, মাদারিহাটসহ ৬ কেন্দ্রে উপনির্বাচন হতে চলেছে ১৩ নভেম্বর। আর ২৩ নভেম্বর ফলাফল ঘোষণা করা হবে।

    আরও পড়ুন: আবাস যোজনায় ‘দুর্নীতি’, ইডি তদন্ত চেয়ে প্রধানমন্ত্রীকে চিঠি দেবে বঙ্গ বিজেপি

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • CID: নৈহাটি উপনির্বাচনের আগেই অর্জুনকে তলব করল সিআইডি, ভুল ধরালেন শুভেন্দু

    CID: নৈহাটি উপনির্বাচনের আগেই অর্জুনকে তলব করল সিআইডি, ভুল ধরালেন শুভেন্দু

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নৈহাটি (Naihati) বিধানসভা উপনির্বাচনের ঠিক আগে   আগামী ১২ নভেম্বর বিজেপি নেতা অর্জুন সিংহকে তলব করল সিআইডি (CID)। আগামী ১৩ নভেম্বর নৈহাটি-সহ রাজ্যের ছ’টি বিধানসভা আসনের উপনির্বাচন। তার আগে ১১ নভেম্বর সন্ধ্যায় শেষ হবে প্রচারপর্ব। প্রচারপর্ব মেটার পরের দিন চার বছরের পুরনো একটি আর্থিক দুর্নীতির মামলায় সূত্রে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ডেকে পাঠানো হয়েছে প্রাক্তন সাংসদ অর্জুনকে। সিআইডি তলবের পিছনে রাজনৈতিক চক্রান্ত রয়েছে বলে মনে করছে গেরুয়া শিবির।

    সরব হলেন শুভেন্দু (CID)

    এই ঘটনা নিয়ে তীব্র কটাক্ষ করেছেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা তথা নন্দীগ্রামের বিজেপি বিধায়ক শুভেন্দু অধিকারী। তিনি এক্স হ্যান্ডেলে সেই চিঠির কপি তুলে ধরে পুলিশকে কার্যত তুলোধোনা করেছেন। তিনি লিখেছেন, ‘দুধ দিয়ে কয়লা ধুলেও তার রঙের বদল হয় না, কুকুরের লেজ সোজা হয় না। কোর্টে যতই ধাক্কা খাক না কেন! মিডিয়ার যতই সমালোচনা হোক না কেন মমতার পলিশের হুঁশ ফেরে না। টালা থানার ওসি অভিজিৎ মণ্ডল যিনি জিডি, এফআইআরের সময় ওলটপালট করে ফেলেছিলেন তারপরেও শিক্ষা হয়নি পুলিশের। এবার সিআইডি সিআরপিসি ১৬০ ধারায় সিনিয়র বিজেপি নেতা, প্রাক্তন সাংসদ অর্জুন সিংকে তলব করেছে। ১২ই নভেম্বর তাঁকে হাজির (CID) হতে বলা হয়েছে। আর আশ্চর্যজনকভাবে নোটিশতে সই করা হয়েছে ৫ তারিখে। আর সেটা পাঠানো হয়েছে ৪ নভেম্বর। তবে কি রাজ্যের সিআইডির কাছে টাইম মেশিন রয়েছে! সেটা কেমন আমরা জানি না। এটা থেকেই আসল রাজনৈতিক অভিপ্রায়টা বোঝা গিয়েছে। রাজ্যের এজেন্সির বিরুদ্ধে আমরা এনিয়ে আদালতে যাব। আসলে কেউ যখন কর্তৃত্বকে অপব্যবহার করে কিছু করার চেষ্টা করে তখনই এই ধরনের সময় আর তারিখের গণ্ডগোল হয়ে যায়।’ তবে এবার এনিয়ে আদালতে যাওয়ার কথা জানিয়েছেন শুভেন্দু অধিকারী। সেক্ষেত্রে শেষ পর্যন্ত আদালতে এনিয়ে কী সিদ্ধান্ত হয় সেটাই দেখার।

    ভয় দেখাতে তলব

    সিআইডির (CID) তলব প্রসঙ্গে প্রাক্তন সাংসদ অর্জুন বলেন, “আমাকে ভয় দেখাবে বলে ওরা ডেকেছে। আমি ভয় পাই না।” তবে তলবে সাড়া দিয়ে তিনি ১২ নভেম্বর ভবানী ভবনে সিআইডির সদর দফতরে হাজির হবেন কি না, সে বিষয়ে কিছু বলেননি অর্জুন। প্রসঙ্গত, ২০১০ থেকে ২০১৯ সালের গোড়া পর্যন্ত তৃণমূল পরিচালিত ভাটপাড়া পুরসভার চেয়ারম্যান ছিলেন অর্জুন। ২০১৯-এর লোকসভা ভোটের আগে তিনি বিজেপিতে যোগ দিয়েছিলেন। তার পরেই ওই পুরসভার সাড়ে চার কোটি টাকার টেন্ডার দুর্নীতি নিয়ে সিআইডির আর্থিক অপরাধ দমন শাখা তদন্ত শুরু করেছিল। ২০২১ সালেও এই মামলায় অর্জুনকে তলব করা হয়েছিল।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Suvendu Adhikari: ব্যর্থ পুলিশ! রাজাবাজারকাণ্ডে কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েনের দাবি শুভেন্দুর

    Suvendu Adhikari: ব্যর্থ পুলিশ! রাজাবাজারকাণ্ডে কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েনের দাবি শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শুক্রবার রাতে রাজাবাজারে (Rajabazar) কালী প্রতিমা বিসর্জনের মিছিলে হামলা হয়েছে বলে দাবি করেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। নিজের এক্স হ্যান্ডলে এনিয়ে একটি ভিডিও পোস্ট করেন তিনি (যদিও মাধ্যম ওই ভিডিও-এর সত্যতা যাচাই করেনি)। নিজের এক্স হ্যান্ডলের মাধ্যমে পুলিশকে কটাক্ষ করে বিরোধী দলনেতা লেখেন, ‘‘রাজাবাজার অঞ্চলে কালী প্রতিমার বিসর্জনের শোভাযাত্রায় হিন্দুদের নিরাপত্তা দিতে ব্যর্থ হয়েছে পুলিশ।’’ 

    কটাক্ষ কলকাতার পুলিশ কমিশনারকে

    একই সঙ্গে ওই এলাকায় কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করার দাবিও তোলেন তিনি (Suvendu Adhikari)। নন্দীগ্রামের বিধায়কের (Suvendu Adhikari) আরও অভিযোগ, ‘‘চরমে তুষ্টিকরণের রাজনীতি, রাজাবাজারে মা কালীর প্রতিমা নিরঞ্জনের মিছিলে হামলা হয়েছে।’’ নারকেলডাঙার পুলিশ কালী ভক্তদের রক্ষা করতে ব্যর্থ হয়েছে বলেও দাবি করেন তিনি।

    নিজের পোস্টে পুলিশ কমিশনারকে কটাক্ষ  শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) আরও লেখেন, ‘‘আপনি যদি এখনও গভীর ঘুম থেকে না জেগে থাকেন, তবে সাধারণ নিরীহ নাগরিকদের জন্য অবিলম্বে কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়ন করার অনুরোধ করুন। কারণ পশ্চিমবঙ্গে বারবার মৌলবাদীদের হামলার ঘটনা (Rajabazar) ঘটছে।’’

    মমতা সরকারকে তোপ অমিত মালব্যের

    একইভাবে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সরকারকে তোপ দেগেছেন বিজেপি নেতা অমিত মালব্য। নিজের পোস্টের মাধ্যমে তিনি মুখ্যমন্ত্রীকে পদত্যাগও করতে বলেন। অমিত মালব্য লেখেন, ‘‘কালী পুজোর সময়ও পশ্চিমবঙ্গে হিন্দু মন্দির ও ভক্তদের ওপর হামলার ঘটনা ঘটছে। কলকাতার রাজাবাজারে প্রতিমা বিসর্জনের সময় পাথর ছোড়া হয়েছে, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় হয় আপনি পদক্ষেপ করুন, নয়তো পদত্যাগ করুন। আপনার ভোট ব্যাঙ্কের রাজনীতি এর জন্য দায়ী।’’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • South 24 Parganas: থানায় ঢুকে ‘পুলিশকে মারধর’! অভিযুক্ত ক্যানিংয়ের তৃণমূল নেতা, তদন্তের দাবি শুভেন্দুর

    South 24 Parganas: থানায় ঢুকে ‘পুলিশকে মারধর’! অভিযুক্ত ক্যানিংয়ের তৃণমূল নেতা, তদন্তের দাবি শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: থানায় ঢুকে পুলিশকে মারধরের অভিযোগ তৃণমূল নেতার বিরুদ্ধে। লক আপ থেকে আটক ব্যক্তিকে ছিনিয়ে নেওয়ার অভিযোগ। ঘটনাকে ঘিরে শোরগোল দক্ষিণ ২৪ পরগনার (South 24 Parganas) ক্যানিংয়ে। অভিযোগের তির ক্যানিং ১ নম্বর ব্লকের যুব তৃণমূল সভাপতি অরিত্র বসুর দিকে। ঘটনায় তীব্র নিন্দা করে ইতিমধ্যেই সামাজিক মাধ্যমে সরব হয়েছেন রাজ্য বিধানসভার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। ডিজির কাছে থানার সিসিটিভি ফুটেজ প্রকাশের দাবি জানিয়েছেন তিনি।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (South 24 Parganas)

    পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, ক্যানিং থানা (South 24 Parganas) এলাকার রায়বাঘিনীর মোড়ে টহলরত পুলিশ মঙ্গলবার জয়ন্ত ঘড়াই নামে এক ব্যক্তিকে চাঁদা তোলার নামে জুলুমবাজির অভিযোগে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করে। তাঁকে থানায় নিয়ে এসে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। অভিযোগ, এরপরই অরিত্র বসু নামে এক তৃণমূল নেতা এলাকার লোকজনকে নিয়ে ক্যানিং থানায় ঢুকে পড়েন। পুলিশের সঙ্গে বচসায় জড়িয়ে পড়েন। আটক জয়ন্ত ঘড়াইকে ছাড়িয়ে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করতে থাকেন। অভিযোগ, সেই সময় থানায় কর্তব্যরত পুলিশ কর্মীদের মারধরও করেন তিনি। পরিস্থিতি সামাল দিতে রীতিমতো হিমশিম খান ক্যানিং থানার আইসি সৌগত ঘোষ। পরে আরও লোকজন থানায় ঢুকে ঝামেলা করতে থাকেন। থানার আইসি-র গায়ে হাত তোলা হয়। দুজন সাব ইন্সপেক্টরকে মারধর করা হয়। খবর পেয়ে থানায় যান ক্যানিংয়ের এসডিপিও রামকুমার মণ্ডল। যদিও থানায় ঢুকে হামলার অভিযোগে পুলিশ কাউকে গ্রেফতার করেনি। জানা যাচ্ছে, পুলিশের দুই আধিকারিক সৃজন সারথী নামের এক সাব ইন্সপেক্টর ও দেবজ্যোতি সরকার নামে এএসআই পদমর্যাদার দুই আধিকারিককে বারইপুর জেলা পুলিশ হেডকোয়ার্টারে বদলি করা হয়েছে।

    আরও পড়ুন: এআই ব্যবহার করেই কাশ্মীরে নিকেশ ৩ জঙ্গি, রহস্য ফাঁস করল সেনা

    ডিজিপি-র কাছে তদন্ত দাবি করলেন শুভেন্দু

    ঘটনা নিয়ে সরব হয়েছেন শুভেন্দু। ইতিমধ্যে সোশাল মিডিয়ায় পোস্ট করে তিনি ( Suvendu Adhikari) বলেন, ‘‘থানাতেই (South 24 Parganas) পুলিশকে মেরে ধৃত যুব তৃণমূল নেতা জয়ন্ত ঘড়াইকে লকআপ থেকে বের করে আনেন অরিত্র বসু। অরিত্র ও জয়ন্ত দুজনই ক্যানিং পশ্চিমের বিধায়ক পরেশ দাসের ঘনিষ্ঠ। কালীপুজোর চাঁদার নামে তোলাবাজির অভিযোগ জয়ন্তর বিরুদ্ধে। ঘটনাস্থলে ক্যানিং থানার পুলিশ পৌঁছলে জয়ন্তর দলবলের সঙ্গে পুলিশের হাতাহাতি হয়। পুলিশ জয়ন্তকে থানায় নিয়ে এলে দলবল নিয়ে চড়াও হন পঞ্চায়েত সমিতির কর্মাধ্যক্ষ অরিত্র বসু। এসআই-কে মারধর করে জয়ন্তকে লকআপ থেকে বের করে নিয়ে যান অরিত্র। তারপর থেকেই অরিত্র ও জয়ন্তকে বাঁচাতে চেষ্টা করে যাচ্ছেন ক্যানিং থানার আইসি এবং এসডিপিও।” থানার সিসি ক্যামেরার ফুটেজ প্রকাশ করে ডিজিপি-র কাছে তদন্ত দাবি শুভেন্দুর।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Awas Yojana scheme: আবাস যোজনায় ফের ‘দুর্নীতি’! জেলায় জেলায় ব্যাপক ক্ষোভ ‘বঞ্চিতদের’, মমতাকে তোপ শুভেন্দুর

    Awas Yojana scheme: আবাস যোজনায় ফের ‘দুর্নীতি’! জেলায় জেলায় ব্যাপক ক্ষোভ ‘বঞ্চিতদের’, মমতাকে তোপ শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মঙ্গলবার আবাস যোজনায় (Awas Yojana scheme) নতুন করে দুর্নীতির অভিযোগ দেগঙ্গায়। গ্রামবাসীদের ক্ষোভের মুখে রাজ্যের আধিকারিক ও জনপ্রতিনিধিরা। ঘটনা ঘটেছে দেগঙ্গা থানার বেড়াচাঁপা ২ পঞ্চায়েতের পশ্চিম যাদবপুর গ্রামে। মূলত আবাস যোজনার সমীক্ষা করতে গেলে দুর্নীতির ইস্যুতে তৃণমূলের জনপ্রতিনিধিরা ব্যাপক ক্ষোভের মুখে পড়েন। ঘটনায় তৃণমূল অত্যন্ত চাপের মুখে। পাল্টা বিজেপি এক হাত নিয়েছে চুরি নিয়ে। উল্লেখ্য একই ভাবে সোমবারও পুরুলিয়া-জলপাইগুড়ি-বীরভূমে ব্যাপক বিক্ষোভ হয়েছিল।

    যাঁদের বাড়ি দরকার তাঁদের বাড়িতে সমীক্ষা হয়নি (Awas Yojana scheme)

    মমতা সরকারের বিরুদ্ধে অভিযোগ, আবাস যোজনার (Awas Yojana scheme) পরিকল্পনায় ব্যাপক দুর্নীতি হয়েছে। ক্যাগ রিপোর্টের ভিত্তিতে স্পষ্ট ইঙ্গিত পাওয়া গিয়েছে যে, তৃণমূল সরকার আবাস যোজনায় প্রচুর পরিমাণে আর্থিক নয়-ছয় করেছে। লোকসভার ভোটের প্রচারে এসে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এবং কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ একাধিক বার আবাসে আর্থিক দুর্নীতি নিয়ে মমতাকে তীব্র আক্রমণ করেছিলেন। দুর্নীতির কারণে রাজ্যের বরাদ্দ অর্থও কমিয়ে দিয়েছিল কেন্দ্র।

    মঙ্গলবার উত্তর ২৪ পরগনায় সমীক্ষার কাজে গেলে তৃণমূলের জনপ্রতিনিধিরা ক্ষোভের মুখে পড়েন। স্থানীয়দের বক্তব্য, “তৃণমূলের নেতারা মানুষের ন্যায্য পাওয়া থেকে বঞ্চিত করেছে। প্রকৃত প্রাপকরা নিজেদের অধিকার থেকে বঞ্চিত হয়েছেন স্থানীয় তৃণমূল নেতাদের কারণে। যাঁদের বাড়ি দরকার তাঁদের বাড়িতে সমীক্ষা হয়নি। যাঁদের দুটো তিনটে বাড়ি আছে তাঁদের বাড়িতেই সমীক্ষা করেছে রাজ্য সরকারের জনপ্রতিনিধি এবং আধিকারিকরা। প্রকল্পের সুবিধা থেকে গরিবদের বঞ্চনা করা হয়েছে।” এক সরকারি আধিকারিক বলেন, “পুরনো তালিকা অনুযায়ী আবাসের (Awas Yojana scheme) সমীক্ষা হচ্ছে। তালিকা চূড়ান্ত হলে সব কিছু স্পষ্ট হয়ে যাবে।” 

    পুরুলিয়া-জলপাইগুড়ি-বীরভূমে ব্যাপক ক্ষোভ

    একই ভাবে পুরুলিয়া জেলার মানবাজার ১ ব্লকে বিক্ষোভ দেখান মহিলারা। অভিযোগে ১ নম্বর ব্লকের তৃণমূল পরিচালিত সোনাইজুড়ি পঞ্চায়েতে তালা ঝুলিয়ে দেন। আবার পঞ্চায়েতকে অন্ধকারে রেখে সরকারি সমীক্ষা করছেন বলে অভিযোগ তুলে কয়েকদিন আগে তৃণমূল পরিচালিত বাঘমুণ্ডি ব্লকের তৃণমূল পরিচালিত অযোধ্যায় তালা ঝুলিয়ে দেন দলেরই কর্মীরা। আবার জলপাইগুড়ির সদর ব্লকে আরবিন্দ গ্রাম পঞ্চায়েতের করলাভ্যালি চা বাগানের শ্রমিক মহল্লার বঞ্চিতরা বিডিও-র দ্বারস্থ হয়ে দ্রুত সমাধানের দাবি করেন। অন্যদিকে, বীরভূমের ইলামবাজারের মঙ্গলডিহি পঞ্চায়েতের সামনে আবাস যোজনার সমীক্ষা চালাতে গিয়ে গ্রামবাসীদের বিক্ষোভের মুখে পড়েন ব্লকের আধিকারিকরা।

    আরও পড়ুনঃ কালীপুজোয় আরও রাত পর্যন্ত চলবে মেট্রো, কবি সুভাষ-দক্ষিণেশ্বর রুটের সূচি পরিবর্তন

    শুভেন্দুর তোপ

    আসানসোলে একটি কালীপুজোর উদ্বোধনে গিয়ে রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী বলেন, “আবাসে ব্যাপক রাজনীতি হচ্ছে। তৃণমূল অনেকদিন খেতে পায়নি। তাই প্রকল্প বিক্রি করতে পথে নেমেছে। প্রথমত এই তালিকাতেই কয়েক লক্ষ যোগ্য লোকের নাম নেই ৷ দ্বিতীয়ত, যে নাম এসেছে, অধিকাংশই তৃণমূল কংগ্রেসের লোকেদের নাম৷ যাঁদের পাকাবাড়ি (Awas Yojana scheme) আছে, পাওয়ার যোগ্য নয়৷ আমি অন্তত ১০০টা ছবি দেখাতে পারি।”

      

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share