Tag: Suvendu attacks mamata

Suvendu attacks mamata

  • CM Suvendu Initiates Census: পশ্চিমবঙ্গে জনগণনা শুরুতে ছাড়পত্র, আগের তৃণমূল সরকারকে তোপ শুভেন্দুর

    CM Suvendu Initiates Census: পশ্চিমবঙ্গে জনগণনা শুরুতে ছাড়পত্র, আগের তৃণমূল সরকারকে তোপ শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পশ্চিমবঙ্গে নতুন সরকার গঠনের পর প্রশাসনিক ক্ষেত্রে বড় সিদ্ধান্ত নিল শুভেন্দু অধিকারী সরকার। সোমবার রাজ্য মন্ত্রিসভার বৈঠকে পশ্চিমবঙ্গে জনগণনা (Census) প্রক্রিয়া শুরু করার জন্য ছাড়পত্র দেওয়া হয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী জানান, অবিলম্বে কেন্দ্রের নির্দেশিকা কার্যকর করা হবে এবং প্রশাসনিক স্তরে প্রস্তুতিও শুরু হবে।

    মমতাকে আক্রমণ শুভেন্দুর

    এই ঘোষণা করতে গিয়েই আগের তৃণমূল কংগ্রেস সরকার এবং দলের সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে তীব্র আক্রমণ করেন মুখ্যমন্ত্রী। শুভেন্দুর অভিযোগ, ২০২৫ সালের ১৬ জুন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের অধীন রেজিস্ট্রার জেনারেল অব ইন্ডিয়া-র দফতর থেকে পশ্চিমবঙ্গ সরকারকে একটি সরকারি বিজ্ঞপ্তি পাঠানো হয়েছিল, যেখানে রাজ্যে আসন্ন জনগণনা প্রক্রিয়া নিয়ে প্রস্তুতি নেওয়ার নির্দেশ ছিল। কিন্তু সেই বিজ্ঞপ্তি কার্যকর করা হয়নি। মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “তৃণমূল সরকার সংবিধান এবং রাজ্যের মানুষের সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা করেছে। ইচ্ছাকৃতভাবে পশ্চিমবঙ্গে জনগণনা প্রক্রিয়া আটকে রাখা হয়েছিল, যাতে মহিলাদের সংরক্ষণ কার্যকর না হয়। আজ মন্ত্রিসভা অবিলম্বে ওই বিজ্ঞপ্তি কার্যকর করার অনুমোদন দিয়েছে।”

    কেন গুরুত্বপূর্ণ এই জনগণনা?

    ভারতে সাধারণত প্রতি ১০ বছর অন্তর জনগণনা হয়। শেষ জনগণনা হয়েছিল ২০১১ সালে। ২০২১ সালের জনগণনা কোভিড-১৯ অতিমারির কারণে স্থগিত হয়ে যায়। এরপর এখনও পর্যন্ত পূর্ণাঙ্গভাবে সেই প্রক্রিয়া শুরু করা যায়নি।

    জনগণনা শুধুমাত্র জনসংখ্যা গণনার বিষয় নয়, এর উপর নির্ভর করে—

    • ● কেন্দ্র ও রাজ্যের বিভিন্ন কল্যাণমূলক প্রকল্পের পরিকল্পনা
    • ● খাদ্য নিরাপত্তা ও রেশন বণ্টন
    • ● স্বাস্থ্য ও শিক্ষা অবকাঠামো পরিকল্পনা
    • ● নগরায়ণ ও আবাসন নীতি
    • ● ভবিষ্যতের নির্বাচনী সীমানা পুনর্নির্ধারণ (Delimitation)
    • ● মহিলাদের সংরক্ষণ ইস্যুতে রাজনৈতিক তাৎপর্য
    • ● বিরোধী রাজ্যগুলি এই প্রক্রিয়া বিলম্বিত করছে!

    শুভেন্দু অধিকারীর বক্তব্যে স্পষ্ট, এই সিদ্ধান্তকে শুধুমাত্র প্রশাসনিক পদক্ষেপ হিসেবে নয়, রাজনৈতিক বার্তা হিসেবেও তুলে ধরতে চাইছে নতুন সরকার। উল্লেখ্য, ২০২৩ সালে সংসদে পাশ হওয়া নারী শক্তি বন্দন অধিনিয়ম অনুযায়ী লোকসভা ও রাজ্য বিধানসভায় ৩৩ শতাংশ মহিলা সংরক্ষণ কার্যকর করতে হলে নতুন জনগণনা এবং পরবর্তী ডিলিমিটেশন প্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়া জরুরি। এই কারণেই জনগণনা বিলম্বিত হওয়াকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক চাপানউতোর চলছিল। বিজেপির অভিযোগ, বিরোধী শাসিত কিছু রাজ্য পরোক্ষে এই প্রক্রিয়াকে বিলম্বিত করেছে।

    কী কী প্রস্তুতি শুরু হবে?

    সরকারি সূত্রে জানা গিয়েছে, মন্ত্রিসভার অনুমোদনের পর থেকেই বিভিন্ন প্রশাসনিক দফতর জেলাশাসক, ব্লক প্রশাসন এবং কেন্দ্রীয় সংস্থার সঙ্গে সমন্বয় শুরু করবে।

    প্রাথমিক পর্যায়ে যে কাজগুলি শুরু হতে পারে—

    • ● প্রশাসনিক সীমানা ও ওয়ার্ড সংক্রান্ত তথ্য আপডেট
    • ● বাড়ি তালিকাকরণ (House Listing)
    • ● তথ্য সংগ্রহের জন্য ফিল্ড স্টাফ ও এনুমেরেটর প্রস্তুতি
    • ● ডিজিটাল ডেটা সংগ্রহের অবকাঠামো গড়ে তোলা
    • ● জেলা ও পুরসভা স্তরে সমন্বয় বৈঠক

    রাজ্য প্রশাসনের একাংশ জানিয়েছে, ক্যাবিনেট অনুমোদনের পর থেকেই বাস্তবায়ন সংক্রান্ত কাজ শুরু হবে।

    নতুন সরকারের প্রথম বড় প্রশাসনিক পদক্ষেপ

    বিশ্লেষকদের মতে, নতুন বিজেপি সরকারের এটি অন্যতম প্রথম বড় প্রশাসনিক পদক্ষেপ। সরকার ইতিমধ্যেই সীমান্তে কাঁটাতারের বেড়া নির্মাণ, আয়ুষ্মান ভারত প্রকল্প চালু এবং কেন্দ্র-রাজ্য সমন্বয় বাড়ানোর মতো বিষয়কে অগ্রাধিকার দিয়েছে। সেই তালিকায় এবার যুক্ত হল জনগণনা। নতুন সরকার এই সিদ্ধান্তের মাধ্যমে বার্তা দিতে চাইছে যে, তারা কেন্দ্রের নীতি ও প্রশাসনিক অগ্রাধিকারের সঙ্গে দ্রুত সামঞ্জস্য স্থাপন করছে।

    এখনও স্পষ্ট নয় সময়সূচি

    যদিও জনগণনা শুরু করার অনুমোদন দেওয়া হয়েছে, এখনও পর্যন্ত সরকার কোনও নির্দিষ্ট সময়সূচি ঘোষণা করেনি।

    এখনও জানা যায়নি—

    • ● বাড়ি তালিকাকরণ কবে শুরু হবে
    • ● মাঠ পর্যায়ে তথ্য সংগ্রহ কবে হবে
    • ● জনগণনা প্রক্রিয়া শেষ করতে কত সময় লাগবে

    তবে সরকারি সূত্রের দাবি, কেন্দ্রের সঙ্গে চূড়ান্ত সমন্বয়ের পর বিস্তারিত সময়সূচি ঘোষণা করা হবে।

  • Suvendu Adhikari: ‘এক্সিট পোলের দরকার নেই, মানুষের ভোটে বিজেপি আসছেই’, মমতাকে স্পষ্ট বার্তা শুভেন্দুর

    Suvendu Adhikari: ‘এক্সিট পোলের দরকার নেই, মানুষের ভোটে বিজেপি আসছেই’, মমতাকে স্পষ্ট বার্তা শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যে পরিবর্তনের (Assembly Election 2026) ঢেউ উঠেছে এবং বিজেপি সরকার গঠন করতে চলেছে। বুথ ফেরত সমীক্ষার ফল দেখার প্রয়োজন নেই, প্র্যাকটিক্যাল পোল-এর উপর ভরসা রাখলেন শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। বৃহস্পতিবার, নন্দীগ্রামে দলীয় কার্যালয়ে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে তিনি দাবি করেন, হিন্দুরা জোটবদ্ধ হয়ে ভোট দিয়েছে এবং মুসলিম ভোটের একটি বড় অংশও (প্রায় ৮ শতাংশ) বিজেপির পক্ষে এসেছে। মানুষ রাজ্যে উন্নয়ন চায়, তাই বিজেপিকে ভোট দিয়েছে। ২০১১ সালের থেকেও এবার পরিবর্তনের তীব্র আকাঙ্ক্ষা মানুষের মধ্যে অনেক বেশি।

    তৃণমূলের প্রত্যাবর্তনের সম্ভাবনা নেই

    বুথ ফেরত সমীক্ষা বা তৃণমূলের প্রত্যাবর্তনের সম্ভাবনাকে উড়িয়ে দিয়েছেন শুভেন্দু। নন্দীগ্রাম ও ভবানীপুরে তৃণমূলের এজেন্ট খুঁজে না পাওয়া এবং গণনাকেন্দ্রে গণ্ডগোল করার আশঙ্কার কথা উল্লেখ করে তিনি পাল্টা চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়েছেন। শুভেন্দু বলেন, ‘ভবানীপুরে তৃণমূল কংগ্রেসের এজেন্টরা বসতে না চাওয়ায় ছোট ছোট ছেলেদের ২-৩ হাজার টাকা দিয়ে এজেন্ট হিসেবে বসানো হয়েছিল। গণনার দিনও তৃণমূলের লোকই খুঁজে পাওয়া যাবে না।’ তৃণমূলের পক্ষ থেকে ইভিএম চুরির আশঙ্কার কথা বলা হচ্ছে, সেই প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘এটা তাদের দীর্ঘ ১৫ বছরের পুরনো অভ্যাস যা সহজে যাবে না।’ ইতিমধ্যেই নন্দীগ্রামে বুথ ভিত্তিক পর্যালোচনা শেষ করেছে বিজেপি। এ প্রসঙ্গে শুভেন্দু জানান, তাঁরা গণনার জন্য সম্পূর্ণ প্রস্তুত এবং তৃণমূলের কোনও বাধা কাজে আসবে না।

    কোনওরকম কারচুপি নয় মমতাকে, শুভেন্দু

    দক্ষিণ কলকাতার সাখাওয়াত মেমোরিয়াল স্কুলের ভোটগণনা কেন্দ্রের স্ট্রংরুমে চার ঘণ্টা ধরে তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উপস্থিতি নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন শুভেন্দু। তাঁর দাবি, ‘কোনও নিয়ম বহির্ভূত কাজ’ করতে পারেননি মমতা। শুক্রবার সমাজমাধ্যমে একটি পোস্টে শুভেন্দু লিখেছেন, ‘‘ভবানীপুর নির্বাচনী এলাকা-সহ সমগ্র পশ্চিমবঙ্গবাসী ভোটার ভদ্রমণ্ডলীকে আশ্বস্ত করতে চাই যে, এই কেন্দ্রের তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থী তথা বিদায়ী মুখ্যমন্ত্রী, মাননীয়াকে কোনওরকম বাড়তি সুবিধা নেওয়া থেকে বিরত থাকতে বাধ্য করা হয়েছে।’’ এর পরেই মমতাকে নিশানা করে শুভেন্দুর ‘আশ্বাসবার্তা’— ‘‘উনি যতই চেষ্টা চালান না কেন, কোনও রকম নিয়ম বহির্ভূত কাজ তিনি করতে পারেননি। উনি যতক্ষণ স্ট্রংরুম প্রাঙ্গণে উপস্থিত ছিলেন, আমার ইলেকশন এজেন্ট অ্যাডভোকেট সূর্যনীল দাস নিজে উপস্থিত থেকে ওঁকে কড়া নজরদারির মধ্যে রেখেছিলেন যাতে উনি কোনও অসৎ উপায় অবলম্বন করতে না পারেন।’’

  • Suvendu Adhikari: “গীতার ক’টি অধ্যায় তা বলতে পারবেন না মমতা”, ‘বাবরি’ নামে আপত্তি শুভেন্দুর

    Suvendu Adhikari: “গীতার ক’টি অধ্যায় তা বলতে পারবেন না মমতা”, ‘বাবরি’ নামে আপত্তি শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর (Suvendu Adhikari) নিশানায় মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সোমবার সল্টলেক থেকে সাংবাদিক বৈঠক করে একাধিক বিষয়ে প্রশ্ন তুলেছেন তিনি। গীতা পাঠ অনুষ্ঠানে মুখ্যমন্ত্রীর না যাওয়া নিয়ে সরব হন শুভেন্দু। তিনি বলেন, “মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিজে হিন্দু-বিরোধী। তিনি গীতার ক’টি অধ্যায় তা বলতে পারবেন না। আয়োজকরা কেন ওনাকে ডেকেছিলেন তা আমি জানি না।” একই সঙ্গে মুর্শিদাবাদের রেজিনগরে বাবরি মসজিদের শিলান্যাস নিয়ে শুভেন্দু বলেন, “মসজিদ নিয়ে কোনও আপত্তি নেই। নামকরণে আমাদের আপত্তি আছে।”

    নামকরণে আমাদের আপত্তি

    এদিন সাংবাদিক বৈঠকে শুভেন্দু (Suvendu Attacks Mamata) বলেন, “বাবর একজন লুটেরা, ধর্ষণকারী ছিলেন। ভারতের কেউ ছিলেন না। দেশ দখল করতে এসেছিলেন। তার নাম নিয়ে আমাদের আপত্তি আছে। মসজিদ আপনারা নিজেদের অর্থ জোগাড় করে করুন। কিন্তু এই যে আস্ফালন দেখানো হচ্ছে। সরকারি মদতে পুলিশ বাহিনী দিয়ে যে উল্লাস করানো হল। কোনও পারমিশন নেওয়ার দরকার হচ্ছে না। এগুলিতে আমার আপত্তি আছে।” শুভেন্দুর কথায়, “ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান নিয়ে আমাদের পার্টির সকলে অবস্থান স্পষ্ট করেছেন। আমিও বলেছি, নামকরণে আমাদের আপত্তি আছে। বাবর একজন ধর্ষণকারী ছিলেন, লুটেরা ছিলেন। তিনি ভারতের কেউ ছিলেন না। তিনি ভারত দখল করতে এসেছিলেন। ভারতের মন্দিরগুলো ভেঙে-গুঁড়িয়ে, আদিবাসীদের ধর্ম পরিবর্তন করতে এসেছিলেন। ভারত থেকে লুটে নিয়ে ভারতের সোনা-হীরে-মণি-মাণিক্য সব আরবে নিয়ে চলে যেতে এসেছিলেন। তাঁর নামকরণে আমাদের প্রত্যেকের আপত্তি রয়েছে। এটা একটি বাংলাদেশের মৌলবাদীদের যে আস্ফালন তার প্রভাব সীমান্তবর্তী মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ মুর্শিদাবাদে দেখানো হচ্ছে। এটি প্রতীকী কোনও ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান তৈরি করার কোনও উদ্যোগ নয়। আমরা আবারও বলি, মন্দির-মসজিদ-গির্জা-গুরুদ্বার তৈরি করুন। বৈধভাবে করুন। নিজেদের জায়গায় করুন। নিজেদের সম্প্রদায়ের লোকেরা অর্থ জোগাড় করে করুন।”

    মৌলবাদীদের আস্ফালন

    শুভেন্দুর সংযোজন, “বাবরের নামে করব, কিছু করতে পারবে না…আমরা করব, করে দেখাব। মাইক বাজাব, লক্ষ লোকের জমায়েত করব…অনুমতি নেওয়ার কোনও প্রয়োজন নেই…। হুমায়ুন কবীরের ভাষা ঠিক মহম্মদ আলি জিন্নাদের মতো। যেখানে সরস্বতী পুজো যোগমায়া দেবী কলেজে করতে গেলে হাইকোর্টে যেতে হয় ছাত্রীকে। আমাকে দোলের দাহন করতে গেলে ভবানীপুরে রাতে ৯টার পর গিয়ে গলির মধ্যে করতে হয় হাইকোর্টের অর্ডারে, কলকাতা পুলিশের আপত্তিতে। মা কালীকে প্রিজন ভ্যানে তোলা হয়। আর মমতা বন্দ্যোপাধ্য়ায় একচোখ বন্ধ করে ওখানে এগুলোর অনুমতি দিলেন। এটা মৌলবাদীদের আস্ফালন।”

    ‘‘উত্তরবঙ্গে ৯-০ করব’’

    অন্যদিকে গীতা পাঠ অনুষ্ঠানে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের যোগ না দেওয়া প্রসঙ্গে রাজ্যের বিরোধী দলনেতা বলেন, “গীতা পাঠের মঞ্চে বিজেপির কেউ ছিল না। ওখানে যে সাধুরা বক্তব্য রেখেছেন তাঁদের কি বিজেপি বলা যায়? আমরা যারা গিয়েছি, তাঁরা হিন্দু হিসেবে গিয়েছি। আমি মনে করি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে কোনও হিন্দু অনুষ্ঠানেই ডাকা উচিত নয়। কারণ, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় হিন্দুদের রীতি নীতি মানেন না।” এই সাংবাদিক বৈঠক থেকে অন্য একাধিক প্রসঙ্গও উল্লেখ করেছেন শুভেন্দু অধিকারী। আসন্ন বিধানসভা নির্বাচন উপলক্ষে বলতে গিয়ে তিনি বলেন, “আমাদের লক্ষ্য যে ৩৯ শতাংশ ভোট আমরা পেয়েছি, তা ৫১ শতাংশে নিয়ে যাওয়া।” এদিন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উত্তরবঙ্গ সফর নিয়েও কটাক্ষ করেন শুভেন্দু। তাঁর প্রশ্ন কেন মুখ্যমন্ত্রী আজ বেলডাঙা গেলেন না? পাশাপাশি তিনি তোপ দেগে বলেন, “মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উত্তরবঙ্গে গিয়ে কোনও লাভ হবে না। কোচবিহারে আমরাই জিতব। আমরা ৯-০ করব।”

  • Suvendu Attacks Mamata: ‘দুর্নীতি ও স্বেচ্ছাচারিতার পাঁচালি’! মুখ্যমন্ত্রীর ‘উন্নয়নের পাঁচালিকে’ কটাক্ষ শুভেন্দুর

    Suvendu Attacks Mamata: ‘দুর্নীতি ও স্বেচ্ছাচারিতার পাঁচালি’! মুখ্যমন্ত্রীর ‘উন্নয়নের পাঁচালিকে’ কটাক্ষ শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বছর পেরোলেই রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচন। ঠিক তার আগেই ‘উন্নয়নের পাঁচালি’ প্রকাশ করেছে রাজ্য সরকার। রাজ্যে ১৪ বছরের উন্নয়নের রিপোর্ট কার্ড প্রকাশের পরেই মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে তীব্র আক্রমণ শানিয়েছেন বিধানসভার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। তাঁর দাবি, নতুন বছরের শুরুতে রাজ্যের ২৯৪টি বিধানসভা কেন্দ্রে তৃণমূলের বিধায়কদের বিরুদ্ধে মানুষের আদালতে চার্জশিট পেশ করবে বিজেপি৷ মঙ্গলবার এদিন ৩৫ ফুট হনুমান মূর্তির উদ্বোধনে মালদায় আসেন শুভেন্দু ৷ মূর্তি উদ্বোধন কর্মসূচি সেরে সন্ধ্যায় তিনি পুরাতন মালদার একটি বিলাসবহুল হোটেলে সাংবাদিক সম্মেলন করেন ৷ সেখানে তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে একের পর আক্রমণ শানান বিরোধী দলনেতা৷

    আয়ুষ্মান ভারত চালু করুন

    এদিন শুভেন্দু বলেন, ‘‘প্রয়াত রতন টাটা যেটা বলে গেছেন, সেটাই সঠিক। যে ট্রিগার মাথায় রেখে আমাকে রাজ্য থেকে তাঁড়ানো হল। আমি খারাপ এম-এর কাছ থেকে ভাল এম-এর কাছে গেলাম। তখন গুজরাটের মুখ্যমন্ত্রী ছিলেন নরেন্দ্র মোদি। আর এই রাজ্য থেকে বিরোধী দলনেত্রী ছিলেন আপনি। ..আপনার সার্টিফিকেট প্রয়াত রতন টাটা দিয়ে গিয়েছেন। আপনাকে শিল্প নিয়ে আর কিছু করতে হবে না।..আবার আজকে বলেছেন দেউচা পাঁচামিতে ১ লক্ষ মানুষের কর্ম সংস্থান হবে! আপনি নির্বাচনে চালিয়ে যাচ্ছেন। ৪২ লক্ষ ছেলে মেয়েকে স্কিল ট্রেনিং দেওয়া হয়েছে। এরও তালিকা আমরা দেখতে চাই। আপনার আমলে, স্বাস্থ্য বাজেটে ছয় গুণ বৃদ্ধি হয়েছে। আপনি অবিলম্বে আয়ুষ্মান ভারত চালু করুন।’’

    স্বেচ্ছাচারিতার পাঁচালি

    শুভেন্দু আরও বলেন, ‘‘সীমাহীন স্বেচ্ছাচারিতার পাঁচালি মুখ্যমন্ত্রী প্রকাশ করেছেন। এবং আমরা বলি এটা জলাঞ্জলির পাঁচালি। পশ্চিমবঙ্গ, বাংলার গৌরব, সংষ্কৃতি, মায়ের সম্মান, কন্যার সুরক্ষা, আপনার হাতেই, জলাঞ্জলি হয়েছে। এর উত্তর অভয়ার বাবা-মা সঠিকভাবে দিতে পারবেন। তাই এই মুখ্যমন্ত্রীর বিরুদ্ধে ভারতীয় জনতা পার্টি, যথা সময়ে রাজ্যস্তরে ব্যর্থতার শ্বেতপত্র প্রকাশ করা শুধু নয়, ২৯৪ টি বিধানসভা কেন্দ্রে, আপনি ১১, ১৬, ২১ এর বাজেটে, ডিপার্টমেন্টাল বাজেটে, কী কমিট করেছেন, আর কী করেছেন, আমরা জানুয়ারি মাসে প্রতিটা বিধানসভাতে, উপস্থিত হয়ে আপনার বিরুদ্ধে, আপনার নির্বাচিত এমএলএ-দের বিরুদ্ধে, চার্জশিট দাখিল করব।’’

    উন্নয়নের পাঁচালি-কে কটাক্ষ

    ২০২৬-এর বিধানসভা নির্বাচনের দিকে তাকিয়েই, মঙ্গলবার নবান্নে তৃণমূল সরকারের সাড়ে ১৪ বছরের রিপোর্ট কার্ড তুলে ধরেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। দফতর ভিত্তিক কাজের খতিয়ানের নাম দেওয়া হয়েছে ‘উন্নয়নের পাঁচালি’। একে কটাক্ষ করে শুভেন্দু বলেন, ‘‘আজ মাননীয়া মুখ্যমন্ত্রী আইপ্যাকের তৈরি করা চিত্রনাট্য, উন্নয়নের পাঁচালি প্রকাশ করেছেন ৷ আজ তৃণমূলের একটি প্রচার অভিযানের সূচনা হয়েছে ৷ এটা উন্নয়ন নয়, ঢপের পাঁচালি, হতশ্রী পাঁচালি, জলাঞ্জলির পাঁচালি ৷ এতে প্রতিটি বিধানসভা কেন্দ্রে ১৫ জনের দল গঠন করা হয়েছে ৷ মিথ্যা প্রচার করার জন্য প্রতিটি দলকে তিনটি ভাগে ভাগ করা হয়েছে ৷ এরা প্রতিটি গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকায় গিয়ে মন্দির দর্শন করবে ৷ তারপর জনসভা, কমিউনিটি লাঞ্চ করে একজন দলীয় কর্মীর বাড়ি পরিদর্শন করবে ৷ সন্ধ্যায় স্ট্রিট কর্ণার করে এলইডি ভ্যানের মাধ্যমে পিসি’র প্রচার হবে ৷ সেই প্রচারের সঙ্গে বাস্তবের কোনও সম্পর্ক নেই ৷’’

    তৃণমূলের চাকরি চুরি

    নাম না-করে মুখ্যমন্ত্রীকে কটাক্ষ করে বিজেপি নেতার অভিযোগ, ‘‘তিনি বলেছেন, রাজ্যের জিএসডিপি হয়েছে ২০ লক্ষ ৩১ হাজার কোটি টাকা ৷ পুরোপুরি মিথ্যা ৷ দারিদ্র সীমার বাইরে আনা হয়েছে ১ কোটি ৭২ লক্ষ মানুষকে ৷ প্রধানমন্ত্রীর অন্ন সুরক্ষা যোজনার চাল আর গম যদি বন্ধ হয়ে যায় তাহলেই বোঝা যাবে পশ্চিমবঙ্গের মানুষের অবস্থা কী ৷ তিনি বলছেন, বেকারত্বের হার কমিয়েছেন ৪০ শতাংশ ৷ আমি মুখ্যমন্ত্রীকে বলব, তিনি কাদের চাকরি দিয়েছেন, তাদের নাম, বাবার নাম আর ঠিকানা দিয়ে সম্পূর্ণ তালিকা প্রকাশ করুন ৷’’ শুভেন্দুর দাবি, ‘‘এই মুখ্যমন্ত্রী বামফ্রন্টের রেখে যাওয়া এক কোটি বেকারকে ২ কোটি ১৫ লক্ষ বেকারে পরিণত করেছেন ৷ এই মুখ্যমন্ত্রীর আমলে ২০১৫ সালে শেষ এসএসসি পরীক্ষা হয়েছিল ৷ ২০১৭ সালে শেষবার পিএসসি পরীক্ষা হয়েছিল ৷ দীর্ঘ ৮-৯ বছর ধরে কোনও পরীক্ষা হয়নি ৷ চাকরিও হয়নি ৷ বরং, চাকরি চুরি হয়েছে ৷’’

    বিরোধী দলনেতার প্রশ্ন

    মুখ্যমন্ত্রীকে বিরোধী দলনেতার প্রশ্ন, ‘‘রাজ্যের ৫১ টি কর্মবিনিয়োগ কেন্দ্র বন্ধ কেন? যুবশ্রীর কী হল? আপনি বলেছেন কৃষিক্ষেত্রে ৯.১৬ গুণ উন্নয়ন হয়েছে ৷ আপনাকে বলতে হবে সারের কালোবাজারি হয় কেন? রাজ্যে যত সরকারি জমি রয়েছে, আপনার লোকজন তার রেকর্ড পাল্টে দিয়েছে ৷ ভূমি দফতর আপনারই হাতে ৷ আমি বলছি, রাজ্যে একটাও কর্মসংস্থান হবে না ৷ তাজপুর বন্দর আর দেউচা পাঁচামি নিয়ে আপনি তিনটি নির্বাচনে ভাঙা টেপ রেকর্ড চালিয়ে যাচ্ছেন ৷ আসলে মুখ্যমন্ত্রীর উন্নয়নের পাঁচালি-কে দুর্নীতি, তোষণ আর সীমাহীন স্বেচ্ছাচারিতার পাঁচালি বলে অভিমত শুভেন্দুর।’’

     

     

     

     

  • Election Commission: অভিযোগ মিথ্যা প্রমাণিত হলে ১ বছরের জেল ও জরিমানা! মুখ্যসচিবের ভূমিকায় কেন বিরক্ত নির্বাচন কমিশন?

    Election Commission: অভিযোগ মিথ্যা প্রমাণিত হলে ১ বছরের জেল ও জরিমানা! মুখ্যসচিবের ভূমিকায় কেন বিরক্ত নির্বাচন কমিশন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক (সিইও) মনোজ আগরওয়াল-এর বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ এনেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সামনেই ২০২৬-এর বিধানসভা নির্বাচন। যে কোনও দিন শুরু হয়ে যাবে ভোটার তালিকার বিশেষ সংশোধন। এসআইআর (SIR) নিয়ে কোমর বেঁধে নেমে পড়েছে নির্বাচন কমিশন। জেলায় জেলায় চলছে প্রস্তুতি বৈঠক। এই আবহে রাজ্য়ের মুখ্য় নির্বাচনী আধিকারিকের বিরুদ্ধে বিস্ফোরক অভিযোগ তুলেছেন মুখ্য়মন্ত্রী। একপ্রকার তাঁকে হুঁশিয়ারিও দিয়েছেন মাননীয়া। মমতার মন্তব্যের সময় সেখানে উপস্থিত ছিলেন রাজ্যের মুখ্যসচিব মনোজ পন্থও। এই নিয়ে নির্বাচন কমিশন অসন্তুষ্ট বলে জানা গিয়েছে।

    মুখ্যসচিবের ভূমিকা ক্ষুব্ধ কমিশন

    লোকপাল আইন অনুযায়ী, হলফনামা ছাড়া কোন সরকারি আধিকারিককে অভিযোগ দেওয়া যায় না। মিথ্যা অভিযোগ প্রমাণিত হলে এক বছরের জেল হতে পারে। বৃহস্পতিবার এসআইআর নিয়ে একরাশ বিরক্ত প্রকাশ করে কমিশনের তুলোধনা করেন মমতা। তিনি বলেন, “এখানে যিনি রাজ্য থেকে গিয়েছেন, তাঁর বিরুদ্ধে অনেক অভিযোগ আছে। সেগুলি সময় হলে বলব।” আর তারপরই বলেন, “আশা করি তিনি বেড়ে খেলবেন না। তিনি বড্ড বেশি অফিসারদের থ্রেট করছেন। এদিকে তিনি নিজেই দুর্নীতির অভিযোগে বিদ্ধ।” বাস্তবে, কোনও সিইও পদমর্যাদার অফিসারের বিরুদ্ধে উপযুক্ত প্রমাণ ছাড়া প্রকাশ্যে এ ভাবে দুর্নীতির অভিযোগ করা যায় না। লোকপাল আইন অনুযায়ী, কোনও সরকারি কর্মচারীর বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ করতে হলে লিখিত স্বীকারোক্তি দিতে হয়। এমনকি, সেই অভিযোগ সঠিক না হলে অভিযোগকারীর জেল এবং জরিমানাও হতে পারে। কমিশনের এক আধিকারিক জানাচ্ছেন, লোকপাল আইনের ওই অংশটি মুখ্যসচিবের জানা উচিত। তাই কমিশনের বক্তব্য, সেই সময়ে তাঁর ওই বৈঠক ছেড়ে বেরিয়ে যাওয়া উচিত ছিল।

    কমিশনকে হুমকি দেওয়ার চেষ্টা

    এ প্রসঙ্গে সরব হয়েছেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। তাঁর সাফ কথা মমতা যে ভাষা প্রয়োগ করেছেন, তা নির্বাচন কমিশনকে হুমকি দেওয়ার নামান্তর। শুভেন্দু বলেন, “মনোজ আগারওয়ালের বিরদ্ধে কী তথ্য আছে তা পশ্চিমবঙ্গের জনগণ জানতে চায়। আমরা প্রধান বিরোধী দল জানতে চাই। মুখ্যমন্ত্রী না বললে দীপাবলির পরে সিইও দফতরে ধর্না দেব।”  এ বিষয়ে তিনি সিইও দফতরে একটি লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন বলেও জানান শুভেন্দু। কমিশনের এক আধিকারিকের কথায়, কোনও অভিযোগ থাকলে মুখ্য়মন্ত্রী, মুখ্যসচিবকে দিয়ে দরকারে নির্বাচন কমিশনের কাছে অভিযোগ করাতে পারেন, কিন্তু প্রকাশ্যে এ ধরনের মন্তব্য করা অপরাধ।

    মুখ্যসচিবের বিরুদ্ধে অভিযোগ

    কমিশন সূত্রে খবর,  মুখ্যমন্ত্রীর মন্তব্যের সময় তাঁর সঙ্গে থেকে একইভাবে দোষী রাজ্যের মুখ্যসচিবও। এই নিয়ে সিইও দফতরে শুভেন্দু যে চিঠি দিয়েছেন, তাতে ওই বৈঠকে মুখ্যসচিবের উপস্থিতি নিয়ে অসন্তোষ ব্যক্ত করেছেন। সেই চিঠি নির্বাচন কমিশনকে পাঠিয়েছে সিইও-র দফতর। তাদের বক্তব্য, কমিশনে কেউ কোনও অভিযোগ জানালে সিইও দফতর নিয়ম মেনেই তা দিল্লিতে পাঠিয়ে দেয়। বিরোধী দলনেতার ক্ষেত্রেও সেই পদ্ধতি মানা হয়েছে। এখন জাতীয় নির্বাচন কমিশন এনিয়ে ফের মুখ্যসচিবের বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপ করতে পারে বলে অুনমান রাজনৈতিক মহলে।

  • BJP Attacks Mamata: বিপর্যস্ত উত্তরবঙ্গ, কলকাতায় পুজো কার্নিভালে মজে মমতা! তুলোধনা বিজেপির

    BJP Attacks Mamata: বিপর্যস্ত উত্তরবঙ্গ, কলকাতায় পুজো কার্নিভালে মজে মমতা! তুলোধনা বিজেপির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পাহাড় কাঁদছে, উত্তরবঙ্গ ভাসছে, তখন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (BJP Attacks Mamata) পুজোর আনন্দে গা ভাসাচ্ছেন। পাহাড়-সহ উত্তরবঙ্গে যখন বন্যা (North Bengal Flood), ধসে মৃত্যু মিছিল, তখন কলকাতায় বর্ণাঢ্য কার্নিভাল হচ্ছে! মুখ্যমন্ত্রী ঢাকের তালে নাচছেন! এমন ছবি দেখা গেল রবিবার। এই সরকারের কাছে কোনও মানবিক মুখ আশা করা যায় না, মত বিজেপির রাজ্য সভাপতি ও সাংসদ শমিক ভট্টাচার্যের। মিরিকে মৃত্য়ুমিছিল। আর সরকারি টাকায় কার্নিভাল (Puja Carnival) হচ্ছে, মুখ্যমন্ত্রীকে কড়া ভাষায় আক্রমণ করলেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari))।

    শুভেন্দুর নিশানায় মমতা

    উত্তরবঙ্গে ভয়ঙ্কর দুর্যোগ! এখনও পর্যন্ত অন্ততপক্ষে ২৮ জনের মৃত্যু হয়েছে। এই অবস্থায় রবিবার কলকাতায় হয়ে গেল দুর্গাপুজোর কার্নিভাল। উত্তরবঙ্গে প্রাকৃতিক বিপর্যয়ের মধ্যে কলকাতায় কার্নিভাল আয়োজন নিয়ে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (BJP Attacks Mamata) ও তাঁর সরকারকে তীব্র কটাক্ষ করল বিজেপি। বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu On Mamata) বলেন, ‘‘মুখ্যমন্ত্রীর কাছে কার্নিভাল আগে, বিপর্যয় পরে। এত প্রাণহানির পরও তিনি কলকাতায় উৎসব করছেন, এটা দুঃখজনক। মুখ্যমন্ত্রীর সবসময়ই অগ্রাধিকার বাছাইয়ের সমস্যা রয়েছে। তিনি দার্জিলিং সফর স্থগিত করেছেন, কারণ এবার দোষ চাপানোর জন্য় ডিভিসির মতো কোনও সংস্থা নেই। এবার কি বলবেন, ভুটান বা নেপালের জলেই বন্যা হয়েছে?’’ সোশ্যাল মিডিয়ায় শুভেন্দু প্রশ্ন তোলেন, ‘প্রশাসনিক চাপে পুজো কমিটিগুলির দেরি হওয়া বিসর্জন কীভাবে ঐতিহ্যে পরিণত হল?’

    মমতাকে কটাক্ষ শমীকের

    বিজেপির রাজ্য সভাপতি ও সাংসদ শমীক ভট্টাচার্যের (Samik Bhattacharya) কথায়, ‘‘এই বিপর্যয়ের আবহে, এই শোকের আবহে আজকে কার্নিভালের প্রয়োজন ছিল না। উত্তরবঙ্গের সঙ্গে দক্ষিণবঙ্গের যে নাড়ির যোগ রয়েছে, সেই বার্তাটুকু অন্তত উত্তরবঙ্গের মানুষকে দেওয়ার জন্য মুখ্যমন্ত্রী এই কার্নিভালকে কিছুটা হলেও স্থগিত রেখে আজই উত্তরবঙ্গে চলে যেতে পারতেন। কিন্তু তিনি গেলেন না। তিনি সোমবার যাচ্ছেন। এই সরকারের কাছে কোনও মানবিক মুখ আশা করা যায় না। আজ আনন্দের দিন নয়।’’ শমীকের দাবি, রাজ্যের দুর্নীতি ও অব্যবস্থার কারণেই পুরসভাগুলো জল জমা রুখতে ব্যর্থ হয়েছে। বেআইনি বোল্ডার তোলা, অবৈধ বালি খাদান ও বনভূমি ধ্বংসের ফলে নদীর গতিপথ বদলে বিপর্যয় তৈরি হয়েছে। বিজেপি-সহ বিরোধীদের অভিযোগ, উত্তরবঙ্গে চরম দুর্যোগের সময় শহরে পুজো কার্নিভালে যোগ দিয়ে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় চরম অসংবেদনশীলতার পরিচয় দিয়েছেন।

  • Suvendu Adhikari: জয়েন্টের ফল কেন বেরোচ্ছে না? মমতাকে ‘ডেডলাইন’ বেঁধে দিলেন শুভেন্দু

    Suvendu Adhikari: জয়েন্টের ফল কেন বেরোচ্ছে না? মমতাকে ‘ডেডলাইন’ বেঁধে দিলেন শুভেন্দু

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পরীক্ষার চার মাস পেরিয়ে গিয়েছে। এখনও বেরোয়নি রাজ্য জয়েন্টের ফল। আদালতে মামলা চলছে। সোমবার বিষয়টি নিয়ে রাজ্যপালের হস্তক্ষেপ দাবি করলেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। রাজ্যের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলিকে ধ্বংস করার পথে হাঁটছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকার (Mamata Banerjee Govt)। সোমবার রাজভবনের (Rajbhavan) বাইরে থেকে সাংবাদিক বৈঠক করে কার্যত এমনটাই দাবি করলেন বিরোধী দলনেতা। ইচ্ছে করে সরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ভর্তি প্রক্রিয়া বন্ধ রেখে বেসরকারি জায়গায় প্রক্রিয়া চালু রাখা হয়েছে। আদতে এমন কাজ করে বাংলার পড়ুয়াদের ভবিষ্যৎ অন্ধকার করে দিচ্ছেন মুখ্যমন্ত্রী, দাবি শুভেন্দুর।

    ৫ লক্ষ ছাত্র ছাত্রীর ভবিষ্যত অনিশ্চিত

    রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোসের সঙ্গে সাক্ষাত করে রাজভবনের বাইরে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে শুভেন্দু বলেন, ‘‘রাজ্যের সাংবিধানিক প্রধান রাজ্যপালের কাছে বিজেপির ১৫ জন বিধায়ক এসেছিলাম আমরা। বিধায়কদের যারা শিক্ষকতার সঙ্গে যুক্ত তাঁরা আজ এসেছিলেন। ছাত্রছাত্রী শিক্ষা ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠান সবটাই বাংলায় বিপন্ন। রাজ্যের উচ্চ শিক্ষা দফতর যা করছে এধরনের শিক্ষা বিপর্যয় স্বাধীনতার পর দেশে হয়নি। বেসরকারি শিক্ষা ব্যবস্থার উপর চলছে রাজ্য। তিন মাস আগে বাংলায় উচ্চ মাধ্যমিক এর রেজাল্ট বেরিয়েছে। উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষার পর ভর্তির প্রক্রিয়া সরকারি প্রতিষ্ঠানে এখনও শুরু হয়নি। জয়েন্ট এন্ট্রান্সের রেজাল্ট এখনও প্রকাশ পায়নি। জয়েন্ট এন্ট্রান্সের পর ভর্তির প্রক্রিয়া শেষ হয়ে ক্লাস শুরু হয়ে গিয়েছে অন্য রাজ্যে। এই ঘটনায় রাজ্যের ৫ লক্ষ ছাত্র ছাত্রীর ভবিষ্যত অনিশ্চিত।’’

    ১ হাজার কোটি টাকার ব্যবসা করার সুযোগ

    এতদিন আইনি জটিলতা থাকলেও সম্প্রতি জয়েন্টের ফলপ্রকাশে বাধা নেই বলেই জানায় আদালত। তারপরও সেই ফল প্রকাশ না হওয়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছে বিজেপি। কেন জয়েন্টের ফলপ্রকাশ হচ্ছে না, এর দুটি কারণ ব্যাখ্যা করেছেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। বিজেপি বিধায়কের কথায়, জাতীয় ওবিসি (OBC) তালিকার বাইরে থাকা ৭৬টি মুসলিম জনগোষ্ঠীকে ভোটব্যাঙ্কের জন্য মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকার এই তালিকায় ঢোকাতে চায়। একই সঙ্গে ভর্তি প্রক্রিয়াতেও যাতে এরা বঞ্চিত না হয়, সেই চেষ্টা করা হচ্ছে। ফলত, সকল পড়ুয়ার ভবিষ্যৎ জলাঞ্জলির পথে। এই প্রসঙ্গে সরাসরি মুখ্যমন্ত্রীকে নিশানা করে শুভেন্দু আরও বিস্ফোরক অভিযোগ করেছেন। বিরোধী দলনেতার কথায়, ‘‘বিগত কয়েক বছরে চিটফান্ড (Chitfund) উঠে গেছে ইডি-সিবিআইয়ের চাপে। তাই এখন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ব্যবসা চালু করেছেন মুখ্যমন্ত্রী! যত সরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ভেঙে পড়বে, তত মমতার ঘনিষ্ঠদের প্রাইভেট শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়বে, ব্যবসা ফুলেফেঁপে উঠবে।’’ তাঁর দাবি, এইভাবে ১ হাজার কোটি টাকার ব্যবসা করার সুযোগ দিচ্ছে তৃণমূল সরকার।

    রাজ্যপালের হস্তক্ষেপ দাবি

    শুভেন্দু বলেন, ‘‘এব্যাপারে আমরা রাজ্যপালের হস্তক্ষেপের দাবি জানিয়েছি। বিকাশ ভবনে গেলে মেরে তুলে দেবে। নবান্ন তো যেতেই দেবে না। তাই আমরা রাজ্যপালের দ্রুত হস্তক্ষেপ প্রার্থনা করেছি। আমরা অনুরোধ করেছি এব্যাপারে রাজ্যপাল আমাদের যেন রিপোর্ট দেন যে রাজ্য কী করল।’’ মুখ্যমন্ত্রীকে (Suvendu Attacks Mamata) হুঁশিয়ারি দিয়ে শুভেন্দু জানান, এই সপ্তাহের মধ্যে সমস্যা সমাধান না হলে সামনের সপ্তাহে সবাইকে নিয়ে বিকাশ ভবনের সামনে ধর্নায় বসবেন। কারা থাকবে এই ধর্নায় তাও স্পষ্ট করেছেন শুভেন্দু। জানিয়েছেন, বিজেপি বিধায়করা তো থাকবেনই, একই সঙ্গে অভিভাবক, শিক্ষাবিদদের নিয়ে ধর্না কর্মসূচি করা হবে। আর এক্ষেত্রেও যদি পুলিশি অনুমতি না মেলে তাহলে হাইকোর্টে যাওয়ার কথাও বলেছেন শুভেন্দু অধিকারী।

  • Suvendu Adhikari: ‘‘চোর মমতাকে টাইট দিতে গিয়েছিলাম, টাইট দিয়ে এসেছি’’, দিল্লি থেকে ফিরে বললেন শুভেন্দু

    Suvendu Adhikari: ‘‘চোর মমতাকে টাইট দিতে গিয়েছিলাম, টাইট দিয়ে এসেছি’’, দিল্লি থেকে ফিরে বললেন শুভেন্দু

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সোমবারই দিল্লি থেকে ফিরে কলকাতা বিমানবন্দরে সংবাদ মাধ্যমের মুখোমুখি হন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। সেখানেই মমতা সরকারের বিরুদ্ধে তোপ দেগে তিনি বলেন, ‘‘চোর মমতাকে টাইট দিতে গিয়েছিলাম, টাইট দিয়ে এসেছি।’’ তবে এখানেই থামেননি বিরোধী দলনেতা। মুখ্যমন্ত্রীর দিল্লি সফর বাতিল প্রসঙ্গে তাঁর মত, ‘‘উনি কোথায় যাবেন, না যাবেন সেটা আমি বলব কেন। ওনাকে নিয়ে আমরা অত চিন্তিত নই।’’

    পিসি-ভাইপোর কোম্পানি 

    বছর ২ আগেই নিজের পুরনো দল তৃণমূলে ফিরেছেন বারাকপুরের বিজেপির প্রতীকে নির্বাচিত সাংসদ অর্জুন সিং। গোষ্ঠীদ্বন্দ্বে কার্যত কোণঠাসা অর্জুন। বারাকপুরে এখন চর্চার বিষয়, অর্জুন-সোমনাথ দ্বন্দ্ব। এ নিয়ে শুভেন্দু (Suvendu Adhikari) বলেন, ‘‘এর উত্তর অর্জুন সিং দিতে পারবেন। অর্জুন সিং জেনেশুনে ওদের সঙ্গে গেছে। বারাকপুর আসন ভারতীয় জনতা পার্টির, নরেন্দ্র মোদির। বারাকপুর আসন থেকে যিনি পদ্মফুলে দাঁড়াবেন, তিনি জিতবেন। ব্যক্তি ফ্যাক্টর নয়।’’ অর্জুন সিং এর দলবদল জল্পনা নিয়ে বলেন, ‘‘এরকম কোনও প্রস্তাব আমাদের কাছে নেই, তাছাড়া আমরা কোন ব্যক্তির উপর নির্ভরশীল নই।’’ তৃণমূলের সাংসদ-বিধায়ক দ্বন্দ্ব নিয়ে তিনি আরও বলেন, ‘‘ওটা কোন দলই নয় কোম্পানি। দুইজন মিলে চালায় পিসি ও ভাইপো।’’

    দিল্লিতে শাহি সাক্ষাতে শুভেন্দু

    সোমবার সকালেই শুভেন্দু পৌঁছে যান সংসদে। সেখানে প্রথমে তিনি বৈঠক করেন অমিত শাহের সঙ্গে। শাহি বৈঠক শেষে তিনি সাক্ষাৎ করেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামনের সঙ্গে। সেখানে একপ্রস্ত বৈঠক হয় দুজনের। সোম-দুপুরের জোড়া বৈঠকে কী আলোচনা হয়েছে, তা নিয়ে মুখ খোলেননি রাজ্যের বিরোধী দলনেতা (Suvendu Adhikari)। কেবল বলেন, “যে আলোচনা হয়েছে, তাতে যে রোডম্যাপ তৈরি করা হয়েছে, সে বিষয়ে কিছু বলব না। শুধু আপনাদের অ্যাকশন আর রিঅ্যাকশনে নজর রাখতে হবে।” শাহের সঙ্গে শুভেন্দুর বৈঠকে কী নিয়ে আলোচনা হয়েছে, তা জানা না গেলেও, অর্থমন্ত্রীর কাছে গিয়ে ক্যাগ রিপোর্ট নিয়ে রাজ্যের বিরুদ্ধে অভিযোগ করেছেন নন্দীগ্রামের বিধায়ক।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

  • Suvendu Adhikari: মুখ্যমন্ত্রীর নামে চিঠি! তাঁকেও জিজ্ঞাসাবাদ করা হোক দাবি বিরোধী নেতা শুভেন্দু অধিকারীর

    Suvendu Adhikari: মুখ্যমন্ত্রীর নামে চিঠি! তাঁকেও জিজ্ঞাসাবাদ করা হোক দাবি বিরোধী নেতা শুভেন্দু অধিকারীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নামে চিঠি পাওয়া গিয়েছে, তাই  নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় তাঁকেও জিজ্ঞাসাবাদ করুক কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। দাবি রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর। তমলুকে একটি দলীয় কর্মসূচিতে যোগ দিয়ে এই কথা বলেন শুভেন্দু। তিনি বলেন, “সাত হাজার টাকার প্লেটে বিজয়া করছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। আর চাকরি না পাওয়া যোগ্য ছেলেরা গাছের তলায় বসে পুজো কাটাচ্ছে। আমি বলব মমতার নামে চিঠি যখন পাওয়া গিয়েছে, তখন তাঁকে অবিলম্বে ডেকে জিজ্ঞাসাবাদ করুক অফিসারেরা।” শুভেন্দুর প্রশ্ন “কেন মমতাকে ডেকে বা নবান্নে গিয়ে ইন্টারোগেশন করা হচ্ছে না?”

    আরও পড়ুন: হাত রয়েছে আল কায়দা ও আইসিসের! মোমিনপুরের ঘটনায় বিস্ফোরক শুভেন্দু

    জমি অধিগ্রহণ না করে তাজপুরে কোনওদিন বন্দর হবে না বলেও জানান  শুভেন্দু। তিনি বলেন, “মুখ্যমন্ত্রী মিথ্যা প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। উনি নিজেই জানেন না ৷ একটা বন্দর করতে হলে পাঁচ হাজার একর জমি দিতে হয়। মুখ্যমন্ত্রী বলেছেন তাজপুর থেকে মাত্র  চার কিলোমিটার দূরে এক হাজার একর জমি আাদনিদের অফার করা হয়েছে । কিন্তু ওই চার কিলোমিটার রাস্তা যেতে হলে, ফোরলেন করতে হবে। ওই রাস্তা তৈরি করতে গেলেই জমি অধিকগ্রহণ করতে হবে। ” মুখ্যমন্ত্রীকে হলদিয়া বন্দর তৈরির ইতিহাস ঘাঁটতে বলেন শুভেন্দু। তাঁর কথায়,   “সতীশ সামন্ত, বিরাজ মোহন দাস, কুমার চন্দ্র জানা, সুশীল ধারা হলদিয়া বন্দর করার সময় পুরো পাঁচটা গ্রামের জমি নিয়েছিলেন । বোনবিষ্ণুপুর, রাজাচক, রায়রায়চক, বিষ্ণুর রামচক, দত্তের চকের ইতিহাসটা দেখবেন । তাহলেই বুঝবেন একটা বন্দর করতে গেলে কী কী করতে হয় ।”  শুভেন্দুর দাবি, বন্দরের জন্য রেল করিডোর লাগে । ওয়ারহাউস লাগে । সেগুলো কোথায় হবে? মুখ্যমন্ত্রী মিথ্যা কথা বলে,বাজার গরম করছেন, অভিমত বিরোধী নেতার।

    আরও পড়ুন: বাকি উপাচার্যরাও পদত্যাগ করুন! সোনালি চক্রবর্তীর অপসারণের ‘সুপ্রিম’ সিদ্ধান্তের পর বিস্ফোরক শুভেন্দু

    দলের কর্মীদের মিথ্যা মামলায় ফাঁসানো প্রসঙ্গে তমলুকের আইসি ও পূর্ব মেদিনীপুর জেলার এসপিকে কোর্টে নিয়ে যাওয়ার হুঁশিয়ারি দেন শুভেন্দু। আগামী নির্বাচনে তমলুক লোকসভায় যে দাঁড়াবে তাঁকে নন্দীগ্রাম থেকে ৫০ হাজার ভোটে লিড দেওয়ার কথাও বলেন তিনি। শিল্প ইস্যুতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে কটাক্ষের সুরে শুভেন্দু বলেন,”মুখ্যমন্ত্রী কয়েক মিনিটে আড়াইশো পুজোর উদ্বোধন করতে পারেন,কিন্তু সাড়ে ১১ বছর ক্ষমতায় থেকেও উনি একটা শিল্পের উদ্বোধন করতে পারেননি।” 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

  • Suvendu Attacks Mamata: রেলের টাকায় তৈরি সেতু উদ্বোধনে রেলই ব্রাত্য! মমতাকে আক্রমণ শুভেন্দুর

    Suvendu Attacks Mamata: রেলের টাকায় তৈরি সেতু উদ্বোধনে রেলই ব্রাত্য! মমতাকে আক্রমণ শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সিংহভাগ টাকা খরচ করেছে রেল (railways)। অথচ হুগলির (Hooghly) কামারকুণ্ডুর ফ্লাইওভার উদ্বোধন অনুষ্ঠানে আমন্ত্রণ পাননি রেলের কোনও কর্তাব্যক্তি। রেলের কোনও প্রতিনিধি ছাড়াই এদিন সিঙ্গুর (singur) থেকে ফ্লাইওভারের উদ্বোধন করেন মুখ্যমন্ত্রী। ঘটনায় যারপরনাই ক্ষুব্ধ বিজেপি (BJP) নেতৃত্ব। একাধিক ট্যুইট করে মমতাকে (Mamata) আক্রমণ শানান রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু (Suvendu) অধিকারী।

    কামারকুণ্ডুর এই ফ্লাইওভারটির দাবি দীর্ঘদিনের। ফ্লাইওভার চালু হয়ে গেলে কমবেশি উপকৃত হবেন গোটা হুগলি জেলার মানুষ। দক্ষিণবঙ্গের অন্যতম পবিত্র তীর্থ তারকেশ্বর যাওয়াও হবে সুগম। শুক্রবার দূরনিয়ন্ত্রিত পদ্ধতিতে এই প্রকল্পেরই উদ্বোধন করেন মুখ্যমন্ত্রী।

    আরও পড়ুন : দু’বছর পর ফের চালু হল ভারত-বাংলাদেশ রেল পরিষেবা

    এদিন ট্যুইট বার্তায় শুভেন্দু (suvendu) বলেন, এই বিজ্ঞাপনে যে ফ্লাইওভারটি দেখতে পাচ্ছেন, তা মোটা টাকা ব্যয়ে নির্মিত হয়েছিল। খরচের পরিমাণ ৪৪.৮৬ কোটি টাকা। এর মধ্যে রেল দিয়েছে ১৩.৩৫ কোটি টাকা। সম পরিমাণ টাকা দিয়েছে ভারত (India) সরকারের সংস্থা ডেডিকেটেড ফ্রেইট করিডর কর্পোরেশন অফ ইন্ডিয়া লিমিটেডও। আর রাজ্য দিয়েছে ১৮.১৬ কোটি টাকা। সিংহভাগ টাকা খরচ করেও অনুষ্ঠানে আমন্ত্রণ জানানো হয়নি রেলের কোনও কর্তাব্যক্তিকে।

    [tw]


    [/tw]

    শুভেন্দু বলেন, “আজ সিঙ্গুর থেকে একতরফা ও অনৈতিকভাবে সেতুর উদ্বোধন করছেন। উন্নয়ন প্রকল্পের জন্য একা লাইমলাইট হগ করার লোভে তিনি সুবিধাজনকভাবে ফেডেরাল কাঠামো উপেক্ষা করেছেন।” তিনি আরও বলেন, “মাননীয় রেলমন্ত্রীকে আমন্ত্রণ জানানোর সৌজন্যটুকুও দেখাননি মমতা। আমন্ত্রণ জানানো হয়নি কেন্দ্রীয় সরকারের অন্য কোনও প্রতিনিধিকেও।”

    আরও পড়ুন : শিয়রে রাজ্যসভা ভোট, বিধায়কদের ‘লুকিয়ে’ রাখছে আতঙ্কিত কংগ্রেস?

    স্থানীয় জনগণের দাবির প্রতি রেল যে উদাসীন নয়, তাও জানিয়ে দিয়েছেন শুভেন্দু। তিনি বলেন, “পূর্ব রেল ইতিমধ্যেই স্থানীয় জনসাধারণের চাহিদার কথা মাথায় রেখে তাঁদের সুবিধার জন্য একই জায়গায় একটি সাবওয়ে নির্মাণ করছে। এই সাবওয়েটি মানুষের নিরাপত্তা আরও বাড়িয়ে দেবে এবং কামারকুন্ডু স্টেশনে যাত্রীদের প্রবেশাধিকারও দেবে।”

    এর পরেই মুখ্যমন্ত্রীকে নিশানা করেন শুভেন্দু। ট্যুইট বার্তায় বলেন, “যিনি সর্বদা আপনার চেয়ে পবিত্র দেখানোর চেষ্টা করেন এবং দেশের ‘ফেডেরাল স্ট্রাকচার’ সমুন্নত রাখার বিষয়ে প্রচার করেন, তিনি সেই একই ব্যক্তি যিনি ফেডারেল কো-অপারেটিভনেসকে শ্বাসরোধ করতে পিছপা হন না, যখন এটি তাঁর উপকারে আসে।আপনাকে ধিক! আপনি সিএম-চিফ ম্যানিপুলেটর।”

    [tw]


    [/tw]

    রেলকে বাদ দিয়ে রেলের প্রকল্পের উদ্বোধনের অভিযোগ মুখ্যমন্ত্রীর বিরুদ্ধে এই প্রথম নয়। অধীর চৌধুরী যখন রেল প্রতিমন্ত্রী ছিলেন, তখনও একবার আগেভাগে মুখ্যমন্ত্রী গিয়ে একটি প্রকল্পের উদ্বোধন করে দিয়েছিলেন বলে অভিযোগ। পরে ফের রেলের সেই প্রকল্পের উদ্বোধন করেন অধীর।

     

LinkedIn
Share