Tag: Swami Vivekananda

Swami Vivekananda

  • PM Modi: ‘‘স্বামীজির শিক্ষা আমার জীবনে বড় প্রভাব ফেলেছে’’, মার্কিন পডকাস্টারকে বললেন মোদি

    PM Modi: ‘‘স্বামীজির শিক্ষা আমার জীবনে বড় প্রভাব ফেলেছে’’, মার্কিন পডকাস্টারকে বললেন মোদি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: স্বামী বিবেকানন্দের শিক্ষা আমার জীবনে বড় প্রভাব ফেলেছে! মার্কিন জনপ্রিয় পডকাস্টার লেক্স ফ্রিডম্যানের সঙ্গে আলোচনায় এমনটাই জানালেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী (Narendra Modi)। রবিবারই মোদির (PM Modi) সঙ্গে ফ্রিডম্যানের পডকাস্ট শো-কে ব্রডকাস্ট হয়। সেখানেই তাঁর জীবনে স্বামীজির প্রভাবের কথা তুলে ধরেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তিনি বলেন, ‘‘ছোটবেলায় গ্রামের পাঠাগারে নিয়মিত যেতাম আমি। সেখানে স্বামী বিবেকানন্দ সম্পর্কে পড়াশোনা করতাম। স্বামীজির শিক্ষা আমার জীবনে বড় প্রভাব ফেলেছে।’’ প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, ‘‘স্বামীজির লেখা এবং স্বামীজির জীবনী পড়ে উপলব্ধি করি, জীবনে সত্যিকারের পরিপূর্ণতা ব্যক্তিগত সাফল্যে নয়, অন্যের প্রতি স্বার্থহীন সেবার মাধ্যমে।’’

    বড় হয়েছি প্রচুর কষ্টের মধ্যে!

    মুখোমুখি আলোচনায় প্রধানমন্ত্রী মোদি এদিন বললেন নিজের শৈশবের ছোট গল্পগুলোকে। জানালেন কীভাবে দারিদ্রতার মধ্য়ে দিয়ে বড় হতে হয়েছে তাঁকে। তবে তাঁর জীবনের অভাব কখনও তাঁর কাছে বোঝা হয়ে দাঁড়ায়নি বলেই দাবি করেছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী (PM Modi)। তাঁর কথায়, ‘‘প্রচুর কষ্টের মধ্য়ে বড় হতে হলেও, কখনও বঞ্চনা শিকার হতে হয়নি আমাকে। মানুষের স্নেহেই কেটে গিয়েছিল জীবনের অর্থাভাব।’’

    সাদা চক দিয়ে জুতো পরিষ্কার করতাম!

    এরপর তিনি (PM Modi) আরও বলেন, ‘‘ছেলেবেলায় আমার কাকা আমাকে একটা সাদা রঙের জুতো দিয়েছিল। অন্যদের কাছে জুতো পরিষ্কারের সামগ্রী থাকলেও, আমার কাছে তা ছিল না। তাই স্কুলের ফেলে দেওয়া চকগুলোকে দিয়ে সেই সাদা জুতো ঝাঁ চকচকে রাখার চেষ্টা করতাম। অর্থাভাবকে কখনওই আমি সংগ্রাম হিসাবে দেখিনি।’’ রবিবারের সন্ধ্যায় মার্কিন পডকাস্টারের সঙ্গে আলোচনায় একের পর বড় চমক দিলেন প্রধানমন্ত্রী। দুনিয়া খ্যাত মার্কিন পডকাস্টার লেক্স ফ্রিডম্য়ানের সঙ্গে মুখোমুখি বসলেন ১৪০ কোটির দেশের প্রধানমন্ত্রী। মার্কিন আর্টিফিশিয়াল রিসার্চার ফ্রিডম্য়ানের সঙ্গে আলোচনা বসে নিজের শৈশব থেকে রাজনীতি, সব পর্বই তুলে ধরলেন তিনি। প্রসঙ্গত, গুজরাটের ভাটনগরে জন্ম হয়েছিল প্রধানমন্ত্রী মোদির। তাঁর শৈশব কেটেছে অত্যন্ত দারিদ্রতার সঙ্গেই। এই আবহে জারি থেকেছে পড়াশোনা। এরপর কিশোর বয়স থেকেই জুড়েছে আরএসএস-র কাজে। এদিন মার্কিন পডকাস্টারের সঙ্গে মুখোমুখি আলোচনায় ছেলেবেলার সেই দিনগুলির কথাই তুলে ধরলেন প্রধানমন্ত্রী।

  • Suvendu Adhikari: “আমাদের প্রত্যেকের গর্বের সঙ্গে বলা উচিত, আমরা হিন্দু”, বললেন শুভেন্দু

    Suvendu Adhikari: “আমাদের প্রত্যেকের গর্বের সঙ্গে বলা উচিত, আমরা হিন্দু”, বললেন শুভেন্দু

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “আমাদের প্রত্যেকের গর্বের সঙ্গে বলা উচিত, আমরা হিন্দু।” স্বামী বিবেকানন্দের (Swami Vivekananda) ১৬৩তম জন্ম বার্ষিকীতে তাঁর পৈত্রিক ভিটে শিমলা স্ট্রিটে গিয়ে কথাগুলি বললেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা তথা বিজেপি নেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)।

    কী বললেন শুভেন্দু (Suvendu Adhikari)

    স্বামী বিবেকানন্দকে শ্রদ্ধা জানিয়ে রাজ্যের বিরোধী দলনেতা বলেন, “আমি এখানে প্রায় ৩০ বছর আসছি। গোটা দেশ, বিশেষত বাংলা তাঁর জন্মবার্ষিকী পালন করেন। এদিন যখন তাঁর প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করি, তখন আমাদের প্রত্যেকের গর্বের সঙ্গে বলা উচিত, আমরা হিন্দু। সনাতন ধর্মকে রক্ষা করতে জীব সেবা করার মাধ্যমে আমরা শিবের সেবা করি। ধনী-দরিদ্র নির্বিশেষে সবার সেবা করার শিক্ষা আমাদের দিয়েছেন স্বামীজি।” স্বামীজির পৈত্রিক ভিটেয় গিয়ে শ্রদ্ধা জানিয়েছেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি তথা কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সুকান্ত মজুমদারও। তিনি বলেন, “প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বে স্বামী বিবেকানন্দের আদর্শে ভারত এগিয়ে চলেছে (Suvendu Adhikari)।”

    ভারতীয়দের ধমনীতে রয়েছে স্বামীজির আদর্শ

    এদিন সকালে মিছিল করে শিমলা স্ট্রিটে যান শুভেন্দু, ইন্দ্রনীল খাঁ-সহ এক ঝাঁক বিজেপি নেতা-কর্মী। শুভেন্দু প্রথমে স্বামীজির প্রতিকৃতিতে মাল্যদান করে করেন। তিনি বলেন, “ছাত্রাবস্থা থেকে আমি এখানে এসেছি। কাউন্সিলর, বিধায়ক, সাংসদ হিসেবে এখানে এসেছি। বাড়িটির (স্বামীজির পৈত্রিক ভিটের) অন্দরের সংস্কারের কাজে ও কিছু নির্মাণের কাজে আমি কিছু অনুদানও দিয়েছি।” রাজ্যের বিরোধী দলনেতা জানান, স্বামীজিরা তাঁকে এই অনুমতি দেওয়ায় তিনি খুশি। শুভেন্দু বলেন, “ভারতীয়দের ধমনীতে রয়েছে হিন্দু ও স্বামীজির আদর্শবাদ।” তিনি বলেন, “আমার শিমলা স্ট্রিটে শ্রদ্ধা জ্ঞাপনের সঙ্গে রাজনীতির যোগ নেই। ফলে এটি নিয়ে রাজনৈতিক খোঁচা দেওয়ার কারণ নেই।”

    আরও পড়ুন: নানা অছিলায় কুম্ভমেলায় নিষেধাজ্ঞা জারি করেছিল ব্রিটিশরা, জানুন অজানা কাহিনি

    এদিকে, এদিন স্বামীজিকে ‘ক্যাশ’ করার সুযোগ ছাড়েনি তুষ্টিকরণের রাজনীতিতে অভিযুক্ত তৃণমূল। গোলপার্ক থেকে হাজরা মোড় পর্যন্ত মিছিল করে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দল। মিছিলে ভিড় জমাতে কলকাতা, দুই ২৪ পরগনা, হাওড়া, হুগলি জেলায় দলীয় স্তরে বার্তা পাঠিয়েছিল তৃণমূল। ওই বার্তায় বলা হয়েছিল, ১২ জানুয়ারির মিছিলে উপস্থিতি বাধ্যতামূলক (Suvendu Adhikari)। রাজনৈতিক মহলের মতে, তৃণমূলের গায়ে লেগেছে মুসলমান তোষণের অভিযোগের কালি। সেই কলঙ্ক মুছতেই যাবতীয় আয়োজন তৃণমূল নেতৃত্বের (Swami Vivekananda)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • National Youth Day 2025: যুব সমাজের প্রতি স্বামীজির বার্তা আজও প্রাসঙ্গিক, তাঁর জন্মদিনেই পালিত হয় জাতীয় যুব দিবস

    National Youth Day 2025: যুব সমাজের প্রতি স্বামীজির বার্তা আজও প্রাসঙ্গিক, তাঁর জন্মদিনেই পালিত হয় জাতীয় যুব দিবস

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পরাধীন ভারতের বীর সন্ন্যাসী স্বামী বিবেকানন্দ (National Youth Day 2025) উন্নত স্বাধীন ভারতের স্বপ্ন দেখতেন। পরাধীনতার অন্ধকারে নিমজ্জিত গোটা জাতির বিবেক চেতনা জাগ্রত হবে, এই আকাঙ্খা ছিল স্বামী বিবেকানন্দের রন্ধ্রে রন্ধ্রে। তাঁর লক্ষ্য ছিল দেশবাসীর মধ্যে জাত্যাভিমান বাড়ানো, দেশপ্রেম জাগানো। নিদ্রিত দেশের চেতনার উদয় না হলে দেশের উন্নতি সম্ভব নয় বলে জানিয়েছিলেন স্বামীজি। দেশের যুবশক্তির প্রতি স্বামীজির অমর বাণী, “উত্তিষ্ঠত জাগ্রত প্রাপ্য বরান্ নিবোধত।” অর্থাৎ “ওঠো! জাগো! এবং লক্ষ্য অর্জন না করা পর্যন্ত থেমো না।” তাঁর বাণী এখনও দেশের যুব সম্প্রদায়ের কাছে সমান প্রাসঙ্গিক। তাই সারা দেশে প্রতি বছর স্বামীজির জন্মদিন ১২ জানুয়ারি জাতীয় যুব দিবস পালিত হয়। রাষ্ট্রসংঘ ১৯৮৪ সালে ‘আন্তর্জাতিক যুব বর্ষ’ ঘোষণা করে। তারপর থেকেই ভারত সরকার প্রতি বছর স্বামী বিবেকানন্দের জন্মবার্ষিকীকে জাতীয় যুব দিবস হিসাবে উদযাপন করার সিদ্ধান্ত নেয়।

    যুব দিবসের ইতিহাস

    বিখ্যাত দার্শনিক ও আধ্যাত্মিক নেতা স্বামী বিবেকানন্দের (National Youth Day 2025) জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে জাতীয় যুব দিবস পালিত হয়। ১৯৮৫ সালে প্রথমবার জাতীয় যুব দিবস উদযাপিত হয়। স্বামী বিবেকানন্দ বলতেন যে, তরুণরা হল জাতির মেরুদণ্ড। দেশের যুব সম্প্রদায় সামাজিক, রাজনৈতিক এবং আধ্যাত্মিক পরিবর্তন আনতে সক্ষম। সমাজ সংস্কারক, আধ্যাত্মিক নেতা, দার্শনিক এবং প্রেরণাদায়ক বক্তা স্বামী বিবেকানন্দের চিন্তাধারা আজও তরুণদের অনুপ্রাণিত করে চলেছে। এই দিন সারা দেশে যুবকদের উদ্দেশে বিবেকানন্দের (Swami Vivekananda) জীবন, কাজ এবং তাঁর দৃষ্টিভঙ্গির স্মৃতিচারণ করা হয়।

    জাতীয় যুব দিবসের গুরুত্ব

    ১২ জানুয়ারি সারা দেশে জাতীয় যুব দিবস (National Youth Day 2025) পালিত হয়। এ উপলক্ষে তরুণদের কেন্দ্র করে নানা ধরনের অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। জাতীয় যুব দিবস উদযাপনের উদ্দেশ্য হল ভারতের যুব সমাজকে স্বামী বিবেকানন্দের আদর্শ ও মহান চিন্তা সম্পর্কে সচেতন করা। প্রতি বছর একটি বিশেষ প্রতিপাদ্য নিয়ে যুব দিবস পালিত হয়। 

    জাতীয় যুব দিবস ২০২৫ থিম 

    জাতীয় যুব দিবস ২০২৫ এর থিম (National Youth Day 2025) হল “জাতি গঠনের জন্য যুব ক্ষমতায়ন”। এবার যুব দিবসে যে কর্মসূচিই থাকুক না কেন, জাতি গঠনে তরুণদের তাদের সামর্থ্য ও দায়িত্ব সম্পর্কে সচেতন করা হবে। যুব দিবস পালনের জন্য স্থানীয়ভাবে কোনও ইভেন্টে অংশগ্রহণ করুন। যেখানে দক্ষতা উন্নয়ন, পরিবেশ সচেতনতা এবং সামাজিক কল্যাণের উপর জোর দেওয়া হবে। এই বিষয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় অনুপ্রেরণামূলক উদ্ধৃতি, গল্প এবং বার্তা শেয়ার করুন। স্বামী বিবেকানন্দের শিক্ষার উপর কিছু সময় চিন্তা করুন এবং কীভাবে সেগুলো আপনার দৈনন্দিন জীবনে প্রয়োগ করা যায়, তা নির্ধারণ করুন। জাতীয় যুব দিবস যুবসমাজকে দেশের উন্নতি ও সমাজের কল্যাণে আরও অনেক বড় ভূমিকা নিতে উৎসাহিত করে।

    জাতীয় যুব দিবসের কর্মসূচি

    এবছর নয়াদিল্লির ভারত মণ্ডপে বিকশিত ভারত ইয়ং লিডার্স ডায়ালগ ২০২৫ (Viksit Bharat Young Leaders Dialogue 2025)-এ অংশ নেবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। অনুষ্ঠানে সারা দেশের তিন হাজার গতিশীল তরুণ নেতার সঙ্গে মিলিত হবেন তিনি। প্রধানমন্ত্রী দশটি বিষয়ের উপর অংশগ্রহণকারীদের লেখা সেরা প্রবন্ধের একটি সংকলনও প্রকাশ করবেন। প্রবন্ধের অন্তর্গত মূল থিমগুলি হল প্রযুক্তি, স্থায়িত্ব, নারীর ক্ষমতায়ন, উৎপাদন এবং কৃষির মতো বিভিন্ন ক্ষেত্র। দেশের যুব সমাজকে বারবার দেশ গঠনের কথা বলেছেন প্রধানমন্ত্রী মোদি। স্বামীজির আদর্শে দেশের তরুণ সম্প্রদায়কে উদ্বুদ্ধ হওয়ার কথা বলেছেন প্রধানমন্ত্রী।

    স্বামীজির বার্তা

    যুব সমাজের প্রতি স্বামীজির বার্তা (Swami Vivekananda) ছিল “ওঠো , জাগো এবং লক্ষ্যে না পৌঁছানো পর্যন্ত থেমো না।” কাজ সম্পর্কে বিবেকানন্দের বার্তা, “সারাদিন চলার পথে যদি কোনও সমস্যার সম্মুখীন না হও, তাহলে বুঝবে তুমি ভুল পথে চলেছ।” শিকাগোর বক্তৃতা রাখতে গিয়ে বিবেকানন্দ শুরু করেছিলেন, ‘ভাই ও বোন’ বলে সম্বোধন করে। তাঁরই বক্তব্য, “জীবে প্রেম করে যেই জন, সেই জন সেবিছে ঈশ্বর।” চরিত্র গঠন সম্পর্কে তাঁর বক্তব্য ছিল, “নিজের উপর বিশ্বাস না এলে, ঈশ্বরের উপর বিশ্বাস আসে না।’ তাঁর কথায়, “যে রকম বীজ আমরা বুনি, সে রকমই ফসল আমরা পাই। আমরাই আমাদের ভাগ্য তৈরি করি, তার জন্য কাউকে দোষারোপ করার কিছু নেই, কাউকে প্রশংসা করারও কিছু নেই।” সঙ্গে ভয়ডরহীন হয়ে এগিয়ে যাওয়ার বার্তা দিয়ে স্বামী বিবেকানন্দ বলেছিলেন,  “ভয়ই মৃত্যু, ভয়ই পাপ, ভয়ই নরক, ভয়ই অসাধুতা, ভয়ই ভুল জীবন। এই বিশ্বের সমস্ত নেতিবাচক চিন্তা-ভাবনা ও ধারণা এই ভয়ের অসৎ শক্তি থেকেই সৃষ্টি হয়েছে।” স্বামী বিবেকানন্দের প্রতিটি বাণী এখনও সমান প্রাসঙ্গিক। তাঁর আদর্শ দেশের যুব সমাজকে তৈরি করতে পারে। তাঁর আদর্শে চলে উন্নত-আত্মনির্ভর ভারত গড়ে তোলাই যুব-দিবস ২০২৫ এর লক্ষ্য।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Kali Puja 2024: দক্ষিণেশ্বরে মা ভবতারিণীর সামনে নরেন্দ্রনাথ চাইলেন বিবেক, বৈরাগ্য, জ্ঞান এবং ভক্তি!

    Kali Puja 2024: দক্ষিণেশ্বরে মা ভবতারিণীর সামনে নরেন্দ্রনাথ চাইলেন বিবেক, বৈরাগ্য, জ্ঞান এবং ভক্তি!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বছরের বিভিন্ন সময়ে অমাবস্যা তিথিতে কালীপুজো দেখা যায়। তবে কার্তিক মাসের দীপান্বিতা কালীপুজো (Kali Puja 2024) সবথেকে প্রসিদ্ধ। আয়োজন, জাঁকজমক, ধুমধাম সবদিক থেকেই বেশ জনপ্রিয় দ্বীপান্বিতা কালীপুজো। জাগ্রত কালীমন্দিরগুলিতে কার্তিকী অমাবস্যায় ভক্তদের ব্যাপক ভিড় লক্ষ্য করা যায়। কালী আরাধনা বা সাধনা বললেই উঠে আসে দক্ষিণেশ্বরের ভবতারিণী মন্দিরের নাম। কামারপুকুরের গদাধর চট্টোপাধ্যায় এখানেই রামকৃষ্ণ পরমহংসদেব হয়েছিলেন। কথিত আছে, হুগলি নদীর তীরে অবস্থিত এই দক্ষিণেশ্বরের মন্দিরকে আনুষ্ঠানিকভাবে প্রতিষ্ঠা করেন রানি রাসমণি (Rani Rasmani), সেটা ছিল ১৮৫৫ সালের ৩১ মে।

    দক্ষিণেশ্বর কালীমন্দিরের অধিষ্ঠাত্রী দেবী ‘ভবতারিণী’ 

    এখানে কালী মন্দিরের অধিষ্ঠাত্রী দেবী ভবতারিণী নামে প্রসিদ্ধ। জনশ্রুতি রয়েছে, রানি রাসমণি (Rani Rasmani) মা কালীর স্বপ্নাদেশ পেয়েই এই মন্দির প্রতিষ্ঠা করেন এবং প্রতিষ্ঠাকালে রানিকে সব থেকে বেশি সাহায্য করেছিলেন রামকৃষ্ণ পরমহংসদেবের দাদা রামকুমার চট্টোপাধ্যায়। পরবর্তীকালে রামকুমার চট্টোপাধ্যায় দক্ষিণেশ্বরের কালীমন্দিরের (Kali Puja 2024) প্রধান পুরোহিত হন। রামকুমারের হাত ধরেই কামারপুকুরের গদাধর চট্টোপাধ্যায়ের প্রবেশ ঘটে। দক্ষিণেশ্বরের মন্দিরের দায়িত্বভার গ্রহণ করার পরে রামকৃষ্ণ পরমহংসদেবের আকর্ষণে এক মহাতীর্থে পরিণত হয় ভবতারিণী মন্দির।

    তরুণ নরেনের রামকৃষ্ণ পরমহংসদেবের সঙ্গে সাক্ষাৎ

    এখানেই আগমন ঘটে নরেন্দ্রনাথ দত্তের, যিনি পরবর্তীকালে স্বামী বিবেকানন্দ হন। তরুণ নরেন্দ্রনাথ দত্ত সাংসারিক অনটনে ভুগছেন তখন। এমনই সময় রামকৃষ্ণ পরমহংসদেব তাঁকে পাঠালেন ভবতারিণীর সামনে। অর্থ কষ্ট মেটানোর প্রার্থনা করতে বললেন রামকৃষ্ণ পরমহংসদেব। ভবতারিণীর সামনে নরেন্দ্রনাথ দত্ত চাইলেন বিবেক, বৈরাগ্য, জ্ঞান এবং ভক্তি। দক্ষিণেশ্বরে কালীমন্দির (Kali Puja 2024) চত্বরে একাধিক দেবদেবীর মন্দিরও রয়েছে। দ্বাদশ শিবমন্দির নামে পরিচিত রয়েছে বারটি আটচালার মন্দির। মন্দিরের উত্তর দিকে রয়েছে রাধাকান্ত মন্দির, দক্ষিণে রয়েছে নাটমন্দির। উত্তর-পশ্চিম কোণে রয়েছে রামকৃষ্ণ পরমহংসদেবের বাসগৃহ। সারা বছর ধরেই ভক্তদের ভিড় লেগেই থাকে মন্দিরে। তবে কালীপুজো এবং কল্পতরু উৎসবে বিপুল জনসমাগম ঘটে এখানে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Swami Vivekananda’s Speech: যখন মোদিকে আত্মানুসন্ধানে সাহায্য করেছিল স্বামী বিবেকানন্দের বাণী

    Swami Vivekananda’s Speech: যখন মোদিকে আত্মানুসন্ধানে সাহায্য করেছিল স্বামী বিবেকানন্দের বাণী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সালটা ১৮৯৩। তারিখ ১১ সেপ্টেম্বর। আজ থেকে ঠিক ১৩১ বছর আগে শিকাগোতে বিশ্ব ধর্ম সম্মেলনে আলোড়ন তুলেছিল স্বামী বিবেকানন্দের বাণী (Swami Vivekananda’s Speech)। তাঁর কথাগুলি শুধুমাত্র যে ভারতের সমৃদ্ধ আধ্যাত্মিক ঐতিহ্য সম্পর্কে বিশ্বকে পরিচয় করিয়ে দিয়েছিল তাই নয়, বরং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের অগণিত ব্যক্তিকে অনুপ্রাণিত করেছিল। তাঁর শিকাগোর বাণী আকর্ষিত করেছে দেশের হাজার হাজার যুবক-যুবতীকে। যাঁদের মধ্যে একজন ছিলেন ১৭ বছর বয়সি নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)।

    প্রধানমন্ত্রীর জীবনে প্রভাব

    প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির জীবনের নানা অজানা দিক তুলে ধরে মোদি আর্কাইভ। বুধবার নরেন্দ্র মোদির একটি পুরানো ছবি শেয়ার করে স্বামী বিবেকানন্দের বক্তৃতা প্রধানমন্ত্রীর তরুণ, মুগ্ধ মনের উপর কী প্রভাব ফেলেছিল সে সম্পর্কে জানায় মোদি আর্কাইভ। নরেন্দ্র মোদি এত অল্প বয়সে স্বামী বিবেকানন্দের (Swami Vivekananda’s Speech) শিক্ষার দ্বারা এতটাই অনুপ্রাণিত হয়েছিলেন যে তিনি তাঁর বাড়ি ছেড়ে হিমালয়ের উদ্দেশে আত্ম-আবিষ্কারের যাত্রায় চলে যান। প্রধানমন্ত্রীর গ্রামের স্থানীয় বাসিন্দা ডক্টর বসন্তভাই পারিখের কাছ থেকে স্বামী বিবেকানন্দের কথা জানতে পারেন প্রধানমন্ত্রী মোদি।

    প্রধানমন্ত্রী মোদি (PM Modi) বারবার তাঁর জীবনে স্বামী বিবেকানন্দের শিক্ষার প্রভাব সম্পর্কে বলেছেন। নিত্য দিন তাঁর জীবনে স্বামীজিকে যাপন করেন প্রধানমন্ত্রী। এই বছর, লোকসভা নির্বাচনের প্রচার শেষে প্রধানমন্ত্রী মোদি কন্যাকুমারীর স্বামী বিবেকানন্দ স্মৃতিসৌধে পাথরের উপর ধ্যান করে দুই দিন কাটিয়েছিলেন। স্বামী বিবেকানন্দের ভারত সফরের পর সেখানে ধ্যান করতে বসার কারণে স্মৃতিসৌধটির নামকরণ করা হয়েছিল। এখানে কন্যাকুমারীতেই স্বামী বিবেকানন্দ আধুনিক ভারতের দর্শন পেয়েছিলেন বলে বিশ্বাস।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Swami Vivekananda: ‘‘সিস্টার্স অ্যান্ড ব্রাদার্স অফ আমেরিকা…’’, ফিরে দেখা স্বামীজির শিকাগো ভাষণ

    Swami Vivekananda: ‘‘সিস্টার্স অ্যান্ড ব্রাদার্স অফ আমেরিকা…’’, ফিরে দেখা স্বামীজির শিকাগো ভাষণ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আজ বুধবার, ১১ সেপ্টেম্বর স্বামী বিবেকানন্দের (Swami Vivekananda) শিকাগো ভাষণের ১৩১তম বর্ষপূর্তি। ১৮৯৩ সালের এই দিনেই বিশ্বধর্ম সম্মেলনে হিন্দু ধর্মের প্রতিনিধি হিসেবে যোগদান করেন শ্রী রামকৃষ্ণের শিষ্য স্বামী বিবেকানন্দ। তাঁর শিকাগো ভাষণের শুরুতেই তিনি বলেছিলেন, ‘‘সিস্টার্স অ্যান্ড ব্রাদার্স অফ আমেরিকা…’’ এখানেই প্রায় পাঁচ মিনিট ধরে করতালি চলতে থাকে। কারণ প্রথমবারের জন্য বিশ্ববাসীকে কেউ ‘ভাই ও বোন’ বলে সম্বোধন করেন শিকাগো ধর্ম সম্মেলনে। তাঁর আগের বক্তারা প্রত্যকেই ‘লেডিস অ্যান্ড জেন্টলম্যান’ বলেই সম্বোধন করেছিলেন। স্বামী বিবেকানন্দ সেখানে তুলে ধরেন ‘বসুধৈব কুটুম্বকম’-এর কথা (Vivekananda Chicago Speech)। ভারতের সীমাহীন সভ্যতার কথা। ভারতবর্ষের সনাতন সংস্কৃতি, ঐতিহ্য ও পরম্পরার কথা। সেখানেই শোনান এদেশের ধর্মীয় সহিষ্ণুতার কথা। ভারতবর্ষ কোনও ধর্মের ওপর কখনও আঘাত হানেনি, সে কথাও সেখানে তুলে ধরেন স্বামীজি। বিশ্ব মঞ্চে স্বামীজির ভাষণ সেদিন আলোড়ন তৈরি করে। ভারতীয় সভ্যতার মর্যাদা ব্যাপকভাবে প্রতিষ্ঠিত করেন স্বামীজি তাঁর নিজের ভাষণের মধ্য দিয়ে। তাঁর সেদিনের ভাষণের নির্বাচিত কিছু অংশের বিশ্লেষণ নীচে করা হল।

    পৃথিবীর মধ্যে সর্বাপেক্ষা প্রাচীন সন্ন্যাসী-সমাজের পক্ষ হইতে আমি আপনাদিগকে ধন্যবাদ জানাইতেছি

    ‘‘হে আমার আমেরিকাবাসী ভগিনী ও ভ্রাতৃবৃন্দ, আজ আপনারা আমাদিগকে যে আন্তরিক ও সাদর অভ্যর্থনা করিয়াছেন, তাহার উত্তর দিবার জন্য উঠিতে গিয়া আমার হৃদয় অনির্বচনীয় আনন্দে পরিপূর্ণ হইয়া গিয়াছে। পৃথিবীর মধ্যে সর্বাপেক্ষা প্রাচীন সন্ন্যাসী-সমাজের পক্ষ হইতে আমি আপনাদিগকে ধন্যবাদ জানাইতেছি। সর্বধর্মের যিনি প্রসূতি-স্বরূপ, তাঁহার নামে আমি আপনাদিগকে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করিতেছি। সকল জাতি ও সম্প্রদায়ের অন্তর্গত কোটি কোটি হিন্দু নরনারীর হইয়া আমি (Swami Vivekananda) আপনাদিগকে ধন্যবাদ দিতেছি।’’

    আমরা শুধু সকল ধর্মকেই সহ্য করিনা, সকল ধর্মকেই আমরা সত্য বলিয়া বিশ্বাস করি

    ‘‘এই সভামঞ্চে সেই কয়েকজন বক্তাকেও আমি ধন্যবাদ জানাই, যাঁহারা প্রাচ্যদেশীয় প্রতিনিধিদের সম্বন্ধে এরূপ মন্তব্য প্রকাশ করিলেন যে, অতি দূরদেশবাসী জাতিসমূহের মধ্য হইতে যাঁহারা এখানে সমাগত হইয়াছেন, তাঁহারাও বিভিন্ন দেশে পরধর্মসহিষ্ণুতার ভাব প্রচারের গৌরব দাবি করিতে পারেন। যে ধর্ম জগৎকে চিরকাল পরমতসহিষ্ণুতা ও সর্বাধিক মত স্বীকার করার শিক্ষা দিয়া আসিতেছে, আমি সেই ধর্মভুক্ত বলিয়া নিজেকে গৌরবান্বিত মনে করি। আমরা শুধু সকল ধর্মকেই সহ্য করি না, সকল ধর্মকেই আমরা সত্য বলিয়া বিশ্বাস করি। যে ধর্মের পবিত্র সংস্কৃত ভাষায় ইংরেজি ‘এক্সক্লুশন’ (ভবার্থঃ বহিষ্হকরণ, পরিবর্জন) শব্দটি অনুবাদ করা যায় না, আমি সেই ধর্মভুক্ত বলিয়া গর্ব অনুভব করি। যে জাতি পৃথিবীর সকল ধর্মের ও সকল জাতির নিপীড়িত ও আশ্রয়প্রার্থী জনগণকে চিরকাল আশ্রয় দিয়া আসিয়াছে, আমি (Swami Vivekananda) সেই জাতির অর্ন্তভুক্ত বলিয়া নিজেকে গৌরবান্বিত মনে করি।’’

    আমরাই ইহুদীদের খাঁটি বংশধরগণের অবশিষ্ট অংশকে সাদরে হৃদয়ে ধারণ করিয়া রাখিয়াছি 

    ‘‘আমি আপনাদের এ কথা বলিতে গর্ব অনুভব করিতেছি যে, আমরাই ইহুদিদের খাঁটি বংশধরগণের অবশিষ্ট অংশকে সাদরে হৃদয়ে ধারণ করিয়া রাখিয়াছি; যে বৎসর রোমানদের ভয়ংঙ্কর উৎপীড়নে তাহদের পবিত্র মন্দির বিধ্বস্ত হয়, সেই বৎসরই তাহারা দক্ষিণভারতে আমাদের মধ্যে আশ্রয়লাভের জন্য আসিয়াছিলেন। জরাথুষ্ট্রের অনুগামী মহান পারসিক জাতির অবশিষ্টাংশকে যে ধর্মাবলম্বীগণ আশ্রয় দান করিয়াছিল এবং আজ পর্যন্ত যাহারা তাঁহাদিগকে প্রতিপালন করিতেছেন, আমি তাঁহাদেরই অন্তর্ভুক্ত।’’

    যত মত তত পথের কথা (Vivekananda Chicago Speech)

    ‘‘বিভিন্ন নদীর উৎস বিভিন্ন স্থানে, কিন্তু তাহারা সকলে যেমন এক সমুদ্রে তাহাদের জলরাশি ঢালিয়া মিলাইয়া দেয়, তেমনই হে ভগবান, নিজ নিজ রুচির বৈচিত্র্যবশতঃ সরল ও কুটিল নানা পথে যাহারা চলিয়াছে, তুমিই তাহাদের সকলের একমাত্র লক্ষ্য। পৃথিবীতে এযাবৎ অনুষ্ঠিত সম্মেলনগুলির মধ্যে অন্যতম শ্রেষ্ঠ মহাসম্মেলনে গীতা-প্রচারিত সেই অপূর্ব মতেরই সত্যতা প্রতিপন্ন করিতেছি, সেই বাণীই ঘোষণা করিতেছিঃ ‘যে যথা মাং প্রপদ্যন্তে তাংস্তথৈব ভজাম্যহম্। মম বর্ত্মানুবর্তন্তে মনুষ্যাঃ পার্থ সর্বশঃ।।’ (যে কোনও ব্যক্তি যে ভাব আশ্রয় করিয়া আসুক না কেন, আমি তাহাকে সেই ভাবেই অনুগ্রহ করিয়া থাকি। হে অর্জুন মনুষ্যগণ সর্বতোভাবে আমার পথেই চলিয়া থাকে)।’’

    সাম্পদায়িকতা, গোঁড়ামি ও এগুলির ভয়াবহ ফলস্বরূপ ধর্মোন্মত্ততা এই সুন্দর পৃথিবীকে বহুকাল অধিকার করিয়া রাখিয়াছে

    ‘‘সাম্পদায়িকতা, গোঁড়ামি ও এগুলির ভয়াবহ ফলস্বরূপ ধর্মোন্মত্ততা এই সুন্দর পৃথিবীকে বহুকাল অধিকার করিয়া রাখিয়াছে। ইহারা পৃথিবীকে হিংসায় পূর্ণ করিয়াছে, বরাবার ইহাকে নরশোণিতে সিক্ত করিয়াছে, সভ্যতা ধ্বংস করিয়াছে এবং সমগ্র জাতিকে হতাশায় মগ্ন করিয়াছে। এই-সকল ভীষণ পিশাচগুলি যদি না থাকিত, তাহা হইলে মানবসমাজ আজ পূর্বাপেক্ষা অনেক উন্নত হইত। তবে ইহাদের মৃত্যুকাল উপস্থিত; এবং আমি সর্বতোভাবে আশা করি, এই ধর্ম-মহাসমিতির সন্মানার্থ আজ যে ঘণ্টাধ্বনি নিনাদিত হইয়াছে, তাহাই সর্ববিধ ধর্মোন্মত্ততা, তরবারি অথবা লিখনীমুখে অনুষ্ঠিত সর্বপ্রকার নির্যাতন এবং একই লক্ষ্যের দিকে অগ্রসর ব্যক্তিগণের মধ্যে সর্ববিধ অসদ্ভাবের সম্পূর্ণ অবসানের বার্তা ঘোষণা করুক।’’

    খেতড়ির রাজা অজিত সিংহের সাহায্যে স্বামীজি পৌঁছান আমেরিকা

    খুব সহজে অবশ্য স্বামীজির (Swami Vivekananda) আমেরিকা সফর সম্পন্ন হয়নি। উত্তর-পূর্ব রাজস্থানে খেতড়ির রাজা অজিত সিং স্বামী বিবেকানন্দকে শিকাগো যাওয়ার জন্য ‘ওরিয়েন্ট’ জাহাজে ফার্স্ট ক্লাসের টিকিট কিনে দেন বলে জানা যায়। কিন্তু সেখানে গিয়েও তাঁকে সহ্য করতে হয়েছিল দারুণ দুঃখ-কষ্ট। তিনি শিকার হন বর্ণ-বিদ্বেষের। কারণ তৎকালীন আমেরিকায় পাশ্চাত্যের লোকেদের কাছে এই ভারত ছিল অত্যন্ত পিছিয়ে পড়া। শিকাগো পৌঁছে শেষ পর্যন্ত হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক জন হেনরি রাইটের ব্যক্তিগত পরিচিতিকে কাজে লাগিয়ে বিবেকানন্দ (Swami Vivekananda) ওই সম্মেলনে বক্তৃতা দেওয়ার সুযোগ পেয়েছিলেন (Vivekananda Chicago Speech)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • NSUI: দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়ে তাণ্ডব মদ্যপ এনএসইউআই সদস্যদের, রাম-বিবেকানন্দর মূর্তি-ছবি ভাঙচুর

    NSUI: দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়ে তাণ্ডব মদ্যপ এনএসইউআই সদস্যদের, রাম-বিবেকানন্দর মূর্তি-ছবি ভাঙচুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মদ্যপ অবস্থায় দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র ইউনিয়নের ভিতর ঢুকে ব্যাপক ভাঙচুর চালাল কংগ্রেসের ছাত্র সংগঠন এনএসইউআই (NSUI)। ভাঙা হল ভগবান রামের মূর্তি। এর পাশাপাশি স্বামী বিবেকানন্দের ছবিও ছেঁড়ার অভিযোগ উঠেছে, এনএসইউআই-এর বিরুদ্ধে। জানা গিয়েছে, ৪০ জন এনএসইউআই-এর গুন্ডা দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়ের এই অফিস ভাঙচুরে অভিযুক্ত। দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র ইউনিয়নের সভাপতি এবিভিপির তুষার দেধার অফিসে ছিল ভগবান রামের মূর্তি, সেটি ভাঙচুর করে কংগ্রেসের ছাত্র সংগঠন (NSUI)। ইতিমধ্যে গোটা ঘটনায় অখিল ভারতীয় বিদ্যার্থী পরিষদ (ABVP) নিন্দা জানিয়েছে এবং প্রতিবাদে সামিল হয়েছে। দোষীদের অবিলম্বে গ্রেফতারের দাবি ও বিশ্ববিদ্যালয় থেকে তাঁদেরকে বহিষ্কারেরও দাবি তুলেছে এবিভিপি। ১৪ জুলাই ভোরবেলায় এই হামলা চালানো হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।

    সহ-সভাপতি অভি দাহিয়ার (NSUI) ঘরে বসে মদ্যপান

    অজস্র লাইট, এসি, জলের কল- এসব কিছুও ভাঙচুর করা হয়েছে বলে অভিযোগ। একজন প্রত্যক্ষদর্শী সিকিউরিটি গার্ড জানিয়েছেন, ভাঙচুর করার আগে এনএসইউআই-এর ছাত্র নেতারা মদ্যপান করছিলেন, দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়ের সহ-সভাপতি অভি দাহিয়ার ঘরে বসে। প্রসঙ্গত, অভি দাহিয়া এনএসইউআই থেকে নির্বাচিত ছাত্র প্রতিনিধি। এটাই প্রথম বার নতুন নয় এর আগেও একাধিক ভাঙচুরের ঘটনায় নাম উঠে এসেছে কংগ্রেসের ছাত্র সংগঠনের (NSUI)। শুধু তাই নয়, বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রছাত্রীদের মধ্যে মাদক পাচার করার অভিযোগও উঠেছে তাদের বিরুদ্ধে। 

    কী বলছেন ছাত্র ইউনিয়নের সভাপতি?

    এ বিষয়ে দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র ইউনিয়নের সভাপতি এবিভিপির (ABVP) তুষার দেধা বলেন, ‘‘দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিতরে গুন্ডারাজ কায়েম করেছে কংগ্রেসের ছাত্র সংগঠন। ভাইস প্রেসিডেন্ট রাত্রিবেলাতে অফিসে বসে মদ খাচ্ছেন এবং তারপরে ৩০ থেকে ৪০ জন ছাত্রকে নিয়ে অফিস ভাঙচুর করছেন। এটা মানা যায় না।’’ তিনি আরও বলেন, ‘‘এই হামলা শুধু দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়ের ওপরে নয়, এটা দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রত্যেকটা পড়ুয়ার ওপরে হামলা করল কংগ্রেসের ছাত্র সংগঠন। মদ্যপ অবস্থায় ক্যাম্পাসে তারা ছাত্রীদের উত্তপ্তও করেছে। আমি দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যকে এই গোটা ঘটনার ব্যবস্থা নিতে অনুরোধ জানাব এবং অভি দাহিয়ার মত দুষ্কৃতী ছাত্র নেতাদের বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বহিষ্কার করার দাবি জানাব।’’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Swami Vivekananda: ইলিশ কেনা থেকে শিষ্যদের ব্যাকরণ পড়ানো, প্রয়াণের দিনে কী কী করেছিলেন স্বামীজি?

    Swami Vivekananda: ইলিশ কেনা থেকে শিষ্যদের ব্যাকরণ পড়ানো, প্রয়াণের দিনে কী কী করেছিলেন স্বামীজি?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: উনবিংশ শতকের প্রাণপুরুষ তিনি। সকল জীবের মধ্যেই ঈশ্বর বাস করেন, সেই বোধদয় জাগিয়ে গিয়েছিলেন স্বামী বিবেকানন্দ। তিনিই শিখিয়ে গিয়েছিলেন (Quotes Of Swami Vivekananda), ‘‘এস, মানুষ হও। নিজেদের সংকীর্ণ গর্ত থেকে বাইরে গিয়ে দেখ, সব জাতি কেমন উন্নতির পথে চলেছে। তোমরা কি মানুষকে ভালোবাসো? তোমরা কি দেশকে ভালোবাসো? তাহলে এস, আমরা ভালো হবার জন্য, উন্নত হবার জন্য প্রাণপণে চেষ্টা করি। পেছনে চেয়ো না-অতিপ্রিয় আত্মীয়স্বজন কাঁদুক; পেছনে চেয়ো না, সামনে এগিয়ে যাও।’’ ১৯০২ সালের ৪ জুলাই স্বামী বিবেকানন্দের (Swami Vivekananda) প্রয়াণ দিবস। বেলুড় মঠে সেদিন রাত ন’টার কিছু পরেই শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন স্বামীজি। সকাল থেকেই দিনটা তাঁর শুরু হয়েছিল অন্যান্য দিনের মতোই। সারা দিনভর চলেছিল কর্মব্যস্ততা। ভক্তদের মনে বিন্দুমাত্র আশঙ্কা দেখা দেয়নি যে স্বামীজির কিছু হতে পারে! কেমন ছিল তাঁর শেষ দিনটা আসুন জেনে নেওয়া যাক।

    প্রয়াণের দিন কিনেছিলেন বর্ষার প্রথম ইলিশ

    নিজের অভ্যাস মতোই ১৯০২ সালের ৪ জুলাই খুব ভোরে ঘুম থেকে উঠে পড়েন বিবেকানন্দ (Swami Vivekananda)। সেদিন ছিল মেঘে ঢাকা আকাশ। পড়ছিল বৃষ্টি। জানা যায়, বর্ষার সেই দিনে সকালে মন্দিরে দীর্ঘ সময় পূজা-অর্চনায় মগ্ন ছিলেন স্বামীজি। সকাল থেকে শারীরিক অসুস্থতার কোনও লক্ষণই ছিল না। পূজা-অর্চনার পরে সকালের প্রাতঃরাশ হিসেবে দুধ-ফল খান স্বামীজি। গুরুভাইদের সঙ্গে স্বভাবসিদ্ধ ভঙ্গিতে হাসিঠাট্টাও করেন। বর্ষার প্রথম ইলিশও কেনেন সেদিন। তারপর স্বামী প্রেমানন্দের সঙ্গে গঙ্গাপাড়ে কিছুক্ষণ পায়চারি করেন। সকাল সাড়ে আটটা নাগাদ তিনি ধ্যানে বসেন। এগারোটা নাগাদ ধ্যানভঙ্গ হয়। জানা যায়, এর পরেই স্বামীজি গান গেয়ে ওঠেন, ‘‘শ্যামা মা কি আমার কালো….’’

    দুপুরে শিষ্যদের পড়ালেন সংস্কৃত ব্যাকরণ

    ভোজন রসিক স্বামীজির (Swami Vivekananda) দুপুরের পাতে ছিল ইলিশের নানা পদ। ইলিশের ঝোল, ভাজা বেশ তৃপ্তি করে খান তিনি। জানা যায়, তারপর দুপুর সাড়ে বারোটা নাগাদ ঘুমিয়ে পড়েন। অল্প সময় পরে আবার জেগে ওঠেন। এরপরেই জানান, তাঁর মাথা ব্যথা করছে। পরে লাইব্রেরিতে গিয়ে ব্যাকরণ পড়াতে থাকেন শিষ্যদের। বিকেল পর্যন্ত চলে পড়াশোনা। তারপর এক কাপ গরম দুধ খেয়ে স্বামী প্রেমানন্দকে নিয়ে বেলুড়বাজারে ভ্রমনে যান। অনেকটাই হাঁটেন সেদিন, প্রায় ২ মাইল। বিকাল পাঁচটা নাগাদ মঠে ফিরে বিবেকানন্দ প্রেমানন্দকে বলেন, ‘‘আজ আমার শরীর খুব ভালো আছে।’’

    মহাপ্রয়াণ

    ১৯০২ সালের ৪ জুলাই সন্ধ্যায় ধ্যানে বসেন স্বামীজি (Swami Vivekananda)। জানা যায়, ঠিক পৌনে আটটা নাগাদ শিষ্যদের বলেন, ‘‘গরম লাগছে জানলা খুলে দাও।’’ এরপরেই মেঝেতে পাতা বিছানাতে তিনি শুয়ে পড়েন। রাত ৯টা নাগাদ চিৎ অবস্থা থেকে তিনি বাঁ দিকে ফেরেন। তারপরেই ডান হাত কেঁপে ওঠে। তাঁর কপালে ঘাম দেখা যায়। শিশুর মতো কেঁদে ফেলেন স্বামীজি। জানা যায়, রাত্রি ৯টা ০২ থেকে ৯টা ১০-এর মধ্যবর্তী সময়ে গভীর দীর্ঘশ্বাস ফেলেন। কিছুক্ষণ চুপ করে ফের আবার দীর্ঘশ্বাস ফেলেন। এরপরই তাঁর মাথা নড়ে ওঠে। বালিশ থেকে পড়ে যায় তাঁর মাথা। চোখ তখন স্থির। শিষ্যদের ধারণা ছিল, স্বামীজীর সমাধি হয়েছে। কিন্তু পরে ডাক্তার এসে জানান তিনি নেই।

    মহাপ্রয়াণের কথা স্বামীজি (Swami Vivekananda) কি আগেই বুঝতে পেরেছিলেন?

    তাঁর মহাপ্রয়াণের কথা স্বামীজি কি আগেই বুঝতে পেরেছিলেন? কারণ তিনি শিষ্যদের বলতেন, ৪০ পেরোবেন না তিনি। প্রয়াণও হয় মাত্র ৩৯ বছর বয়সে। মহাপ্রয়াণের দু’দিন আগেই ভগিনী নিবেদিতাকে নিজের সামনে বসিয়ে পঞ্চব্যঞ্জন খাইয়েছিলেন। তারপর তাঁর হাত-পা ধুয়ে দিয়েছিলেন। কারণ জানতে চাইলে নিবেদিতাকে স্বামীজি বলেছিলেন (Quotes Of Swami Vivekananda), ‘‘যিশুখ্রিস্ট এমনটাই করেছিলেন, তাঁর শিষ্যদের সঙ্গে।’’ অবাক ভগিনী নিবেদিতা উত্তর দিয়েছিলেন, ‘‘সে তো একেবারে তাঁর শেষ সময়ে।’’ এর উত্তরে সামান্য হেসে স্বামীজি বলেছিলেন, ‘সিলি গার্ল’।

     

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Vivekananda Rock Memorial: কন্যাকুমারীতে ধ্যানে বসছেন প্রধানমন্ত্রী, জানুন বিবেকানন্দ রক সম্পর্কে

    Vivekananda Rock Memorial: কন্যাকুমারীতে ধ্যানে বসছেন প্রধানমন্ত্রী, জানুন বিবেকানন্দ রক সম্পর্কে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বৃহস্পতিবার (৩০ মে) সন্ধ্যা থেকে ৪৮ ঘণ্টার জন্য কন্যাকুমারীতে (Vivekananda Rock Memorial) ধ্যানে বসছেন প্রধানমন্ত্রী মোদি। এখানকার বিবেকানন্দ রক মেমোরিয়ালে ধ্যান করবেন তিনি। প্রসঙ্গত, ১৮৯২ সালে এই স্থানে স্বামী বিবেকানন্দ ধ্যান করেছিলেন। ওই একই স্থানের ধ্যান মন্ডপমে ধ্যান শুরু করবেন প্রধানমন্ত্রী। উল্লেখ্য, স্বামী বিবেকানন্দের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করতেই এই স্মৃতিস্তম্ভটি নির্মাণ করা হয়েছিল। ২০১৯ সালের লোকসভা নির্বাচনে ঠিক ফল ঘোষণার আগে একইভাবে উত্তরাখণ্ডে প্রধানমন্ত্রীকে এমন ধ্যানরত অবস্থায় দেখা যায়। তখন কেদারনাথের কাছে একটি গুহায় তিনি ধ্যান করেছিলেন।

    কেন বিবেকানন্দ রক মেমোরিয়ালকে (Vivekananda Rock Memorial) বাছা হল

    সম্প্রতি, চেন্নাইতে শ্রীরামকৃষ্ণ মঠ ও মিশনের ১২৫তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীতে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বলেছিলেন, ‘‘সরকার পরিচালনার ক্ষেত্রে তাঁর আদর্শ স্বামী বিবেকানন্দ।’’ তিনি সেখানে আরও বলেছিলেন, ‘‘যখনই কোনও বিশেষ সুবিধা দেওয়া বন্ধ হয় কোনও বিশেষ লোক অথবা গোষ্ঠীকে, তখনই সমাজে সাম্য প্রতিষ্ঠা হয় এবং সমাজ এগিয়ে চলে। আমাদের সরকারের সমস্ত কর্মসূচিতে এমন সাম্য দেখা যায়। কিন্তু এর আগে মানুষের মৌলিক সুযোগ সুবিধাগুলি প্রদানের ক্ষেত্রেও ভাগ করা হতো। এর ফলে অনেক মানুষই যোগ্য হয়েও সেই সুবিধা থেকে বঞ্চিত হতেন এবং শুধুমাত্র কিছু বাছাই করার লোক ও গোষ্ঠী এই সুবিধা পেতেন। কিন্তু এখন উন্নয়নের দরজা সবার জন্য খুলে গিয়েছে।’’ এক বিজেপি নেতা সংবাদ সংস্থাকে জানিয়েছেন যে কন্যাকুমারীতে (Vivekananda Rock Memorial) প্রধানমন্ত্রী ধ্যান করবেন এবং এরই মাধ্যমে জাতীয় ঐক্যের বার্তা দেবেন।

    নিরাপত্তা ব্যবস্থা

    ১৪০ কোটি দেশবাসীর প্রধানমন্ত্রী তিনি। বিশ্বের বৃহত্তম গণতন্ত্রের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নিরাপত্তা ব্যবস্থাও যথেষ্ট আঁটোসাঁটো করা হয়েছে কন্যাকুমারীতে। জানা গিয়েছে, প্রধানমন্ত্রীর নিরাপত্তায় মোতায়েন থাকবে ২,০০০ পুলিশ কর্মী। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা থেকে ১ জুন পর্যন্ত প্রধানমন্ত্রী সেখানে অবস্থান করবেন বলে জানা গিয়েছে। এর পাশাপাশি ভারতীয় কোস্টগার্ড, ভারতীয় নৌবাহিনী সমুদ্রে নজরদারি (Vivekananda Rock Memorial) চালাবে প্রধানমন্ত্রীর নিরাপত্তায়।

    বিবেকানন্দ রক

    প্রসঙ্গত, কন্যাকুমারী উপকূলে তামিল সাধু তিরুভাল্লুভারের মূর্তির কাছেই অবস্থিত হল বিবেকানন্দ রক (Vivekananda Rock Memorial)। এটি একটি পবিত্র স্থান হিসেবে বিবেচিত হয়ে আসছে দীর্ঘদিন ধরেই। প্রসঙ্গত, ১৮৯২ সালের ২৪ থেকে ২৬ ডিসেম্বর স্বামী বিবেকানন্দ এখানে বসে ধ্যান করেছিলেন বলে জানা যায়। প্রাচীন তামিল প্রবাদ অনুসারে, এই শিলাতে দেবী কুমারী বসে তপস্যা করেছিলেন। তাই এই শিলার আগেকার নাম ছিল শ্রীপদ পারাই (দেবী কুমারীর পদস্পর্শধন্য শিলা)। বর্তমানে শিলার উপর একটি ধ্যানমণ্ডপ নির্মিত হয়েছে। এখানে বসে পর্যটকরা ধ্যান করেন। মণ্ডপের ভিতরে স্বামী বিবেকানন্দের একটি মূর্তি আছে। এখান থেকে আরব সাগর, ভারত মহাসাগর ও বঙ্গোপসাগরের মিলনস্থল দেখা যায়। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • PM Modi: নির্বাচনী প্রচার শেষে তিনদিনের জন্য কন্যাকুমারীতে ধ্যানে বসবেন প্রধানমন্ত্রী

    PM Modi: নির্বাচনী প্রচার শেষে তিনদিনের জন্য কন্যাকুমারীতে ধ্যানে বসবেন প্রধানমন্ত্রী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: লোকসভা নির্বাচনের প্রচারে মাস দুয়েক ধরে কার্যত চষে বেড়িয়েছেন গোটা দেশ। শেষ তথা সপ্তম দফার নির্বাচন হবে পয়লা জুন। তার আটচল্লিশ ঘণ্টা আগেই শেষ হয়ে যাচ্ছে প্রচার। ভোটের ফল বের হবে ৪ জুন। মাঝের এই সময়টাকেই কন্যাকুমারীতে ধ্যানের জন্য বেছে নিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)।

    কেন কন্যাকুমারীকে বাছলেন প্রধানমন্ত্রী (PM Modi)

    জানা গিয়েছে, ৩০ মে থেকে তিনদিনের জন্য এখানে ধ্যান করবেন প্রধানমন্ত্রী। কন্যাকুমারীতে একটি পাথর রয়েছে। হিন্দুদের বিশ্বাস, ভগবান শিবকে পতি হিসেবে পাওয়ার জন্য এই পাথরের ওপর এক পায়ে ঠায় দাঁড়িয়ে তপস্যা করেছিলেন কুমারী পার্বতী। তাই এই এখানকার নাম কন্যাকুমারী। ১৮৯২ সালে এই প্রস্তরখণ্ডের ওপর বসে তিনদিন ধরে তপস্যা করেছিলেন স্বামী বিবেকানন্দও। মূল ভূখণ্ড থেকে উত্তাল সমুদ্র সাঁতরে তিনি গিয়েছিলেন ওই পাথরে। পরবর্তীকালে এই প্রস্তরখণ্ডের নাম হয় বিবেকানন্দ রক। ভারতের দক্ষিণতম বিন্দু এটি (PM Modi)। এবার সেই একই পাথরের ওপর বসে তিনদিন ধ্যান করবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিও। 

    প্রধানমন্ত্রী ধ্যান করেছেন আগেও

    ২০১৪ সালের প্রচার শেষেও (এই বছরই কেন্দ্রের কুর্সিতে বসে মোদির নেতৃত্বাধীন এনডিএ সরকার) প্রধানমন্ত্রী গিয়েছিলেন শিবাজির প্রতাপগড়ে। এখানেই শিবাজির সঙ্গে যুদ্ধ হয়েছিল আফজল খাঁর। উনিশের নির্বাচনের প্রচারের শেষে তিনি গিয়েছিলেন কেদারনাথের এক গুহায় ধ্যান করতে। এবার যাবেন তামিলনাড়ুর কন্যাকুমারীতে।

    আর পড়ুন: “শুধু তাজমহলই ভারত নয়, এদেশে আরও অনেক পর্যটনস্থল রয়েছে”, বললেন প্রধানমন্ত্রী

    মূল ভূখণ্ড থেকে ৫০০ কিলোমিটার দূরে সমুদ্রের মধ্যে রয়েছে এই বিশেষ পাথর। পাথরটির চারদিকে খেলা করছে ভারত মহাসাগর, বঙ্গোপসাগর এবং আরব সাগরের ঊর্মিমালারা। সেখানেই রয়েছে ‘ধ্যান মণ্ডপম’। এই মণ্ডপেই ধ্যানমগ্ন হবেন প্রধানমন্ত্রী। বিভিন্ন সাক্ষাৎকারে প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, তাঁকে দিয়ে কোনও বিশেষ কাজ করাতে পৃথিবীতে পাঠিয়েছেন পরমাত্মা। কীভাবে সেই কাজ তাঁকে দিয়ে করিয়ে নিচ্ছেন, তা তিনি জানেন না।

    ওয়াকিবহাল মহলের মতে, সেই পরমাত্মার সঙ্গে যোগসাধন করতেই ধ্যানমগ্ন হবেন ‘ঋষি’-প্রধানমন্ত্রী। কন্যাকুমারীতেই মিশেছে ভারতের পূর্ব ও পশ্চিম উপকূলও। রাজনৈতিক মহলের মতে, ধর্মীয় তাৎপর্যের পাশাপাশি এই জায়গায় ধ্যানমগ্ন হয়ে দেশবাসীকে ঐক্যের বার্তাও দিতে চাইছেন প্রধানমন্ত্রী (PM Modi)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

LinkedIn
Share